sentence MCQs
Showing 50 questions (Total: 605)
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ?
Correct Answer:
খ: বাক্যের
Explanation:
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ? সঠিক উত্তর বাক্যের আকাঙ্ক্ষা , আসত্তি, যোগ্যতা এ তিনটি সার্থক বাক্যের গুণ। আকাঙক্ষা। : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্যপদ শোনার যে ইচ্ছা তাই আকাঙক্ষা । যেমন - রহিম খুব ভাল ছেলে। আসত্তি : বাক্যের অর্থ সঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই আসত্তি। আসত্তিহীন বাক্য: খুব ছেলে রহিম ভাল (অর্থপূর্ণ নয়) । যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত মিল বন্ধনের নাম যোগ্যতা। যোগ্যতাহীন বাক্য: বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে (বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারিয়েছে)। যোগ্যতাপূর্ণ বাক্য : বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়।
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
খ: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
Explanation:
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে মাথা বলতে 'বুদ্ধি' কাজে লাগিয়ে কাজ করার কথা বুঝানো হয়েছে।
'ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো' এ বাক্যে 'হাত' ব্যবহৃত হয়েছেঃ
Correct Answer:
ঘ: নিপুণতা
Explanation:
'ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো' এ বাক্যে 'হাত' ব্যবহৃত হয়েছেঃ সঠিক উত্তর নিপুণতা এখানে হাতযশ বলতে দক্ষতা বুঝানো হয়েছে।
'যদি সত্য বল, তাহলে মুক্তি পাবে'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র বাক্য
Explanation:
'যদি সত্য বল, তাহলে মুক্তি পাবে'- এটি কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর মিশ্র বাক্য জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। যেমন - যে পরিশ্রম করে, / সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য)যত পড়বে, / তত শিখবে, / তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য) জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে - সে, যত - তত, যারা - তারা, যাদের - তাদের, যখন - তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি - তবু, অথচ - তথাপি - এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।
"তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি"- এটি কোন শ্রেণীর বাক্য?
Correct Answer:
ক: সরল বাক্য
Explanation:
"তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি"- এটি কোন শ্রেণীর বাক্য? সঠিক উত্তর সরল বাক্য সরল বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে। এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘তার বয়স’আর সমাপিকা ক্রিয়া হচ্ছে ‘বাড়েনি’। আরো উদাহরণ - দিপা বই পড়। রাসেল ক্রিকেট খেলে।
কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে
Explanation:
কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে সমুচ্চয়ী অব্যয়ঃ যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধসূচক অব্যয় বলে। যেমন : এবং, ও, কিংবা, নতুবা,তবু প্রভৃতি।
গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?
Correct Answer:
খ: ৩ প্রকার
Explanation:
গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার? সঠিক উত্তর ৩ প্রকার গঠন অনুসারে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (ক) সরল বাক্য (খ) জটিল বাক্য (গ) যৌগিক বাক্য
যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি?
Correct Answer:
গ: দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
Explanation:
যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি? সঠিক উত্তর দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন যৌগিক বাক্য : একাধিক সরল বাক্য কোন অব্যয় দ্বারা সংযুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। (সরল বাক্য দুটি - তার বয়স হয়েছে, তার বুদ্ধি হয়নি) সে খুব শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান। (সরল বাক্য দুটি - সে খুব শক্তিশালী, সে খুব বুদ্ধিমান) যৌগিক বাক্যে এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি - এই অব্যয়গুলো দিয়ে দুটি সরল বাক্য যুক্ত হয়। এগুলো দেখে সহজেই যৌগিক বাক্যকে চেনা যেতে পারে। তবে কোন অব্যয় ছাড়াও দুটি সরল বাক্য একসঙ্গে হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করতে পারে।
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
Explanation:
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর মাথা খাটিয়ে কাজ করবে মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে । একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগশব্দই ভাষার সম্পদ। বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে অসংখ্য শব্দ রয়েছে। এক একটি শব্দের এক একটি বিশেষ অর্থ আছে।কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে কোন একটি শব্দ শুধুমাত্র একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন বিশেষ বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দের এরূপ ব্যবহারকে ভিন্নার্থে প্রয়োগ বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে এরূপ কতকগুলো শব্দের ভিন্নার্থক বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদের প্রয়োগ দেখানো হল।একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগের ব্যবহারঅঙ্ক ক্রোড় –শিশুর কাছে মাতৃঅঙ্কই সবচেয়ে নিরাপদ। গণিত - সে অঙ্কে ভালো নম্বর পেয়েছে। নাটকের অধ্যায় - নাটকটি তিন অঙ্কে বিভক্ত। হিসাব - যেভাবে ঋণের অঙ্ক বাড়াচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? রেখা - সে কাগজে বিচিত্র অঙ্কপাত করল।অর্থ মানে – মনোযোগ দিয়ে পড়, তাহলেই অর্থ বুঝতে পারবে। ধন – সারাজীবন তো অর্থই জমালে, সুখ কতটুক পেলে? প্রয়োজন - অর্থ ছাড়া যে তুমি আসনি, তা তোমার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইঙ্গিত - তোমার কথার অর্থ আমি বুঝতে পেরেছি। উদ্দেশ্য – জানি না হঠাৎ করে আমাকে টেলিগ্রাম করার অর্থ কি!উত্তর দিক বিশেষ - হিমালয় বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত। জবাব - চুপ করে আছ কেন, উত্তর দাও। পরবর্তী - স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে নাটকের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে। ভবিষ্যৎ - দোয়া করি উত্তরকালে তুমি একজন দেশবরেণ্য নেতা হও। পরে – শব্দের উত্তরে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।উপায় কৌশল - চোরেরা চুরি করার আশায় নিত্যনতুন উপায় খুঁজে। রোজগার - জমি বিক্রি করে আর কতদিন চলবে, একটা উপায় খুঁজ। প্রতিকারের পথ - বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের সঠিক উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আরোহণ করা - গাছে ওঠা খুব সহজ কাজ নয়। জাগা - আর কত ঘুমুবে, এবার উঠে পড়। সংগৃহীত - মহল্লায় নাটক হবে, ছেলেরা তাই বাড়ি বাড়ি চাঁদা উঠাচ্ছে। লোপ পাওয়া - স্বার্থের টানাপড়েন কলেজটি শেষ পর্যন্ত উঠেই গেল। খুশি হওয়া - তাকে যতই দাও না কেন, মন উঠবে না। ছাপা হওয়া - বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের ক্রীড়ানৈপুণ্যের খবর ব্রিটেনের পত্রিকায় উঠেছে।উচ্চ লম্বা – ইংরেজরা দৈহিকভাবে বেশ উচ্চ। উদার - তাঁর মতো অমন উচ্চ মনের মানুষ আর দেখিনি। ভালো - পত্রিকাটি উচ্চমানের। সম্ভ্রান্ত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উচ্চ বংশের সন্তান ছিলেন। জোরাল - উচ্চকণ্ঠী নরেন বিশ্বাস আর বেঁচে নেই।কর হাত - তোমার কর স্পর্শ করে আমি যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তা আমি রক্ষা করব। খাজনা - সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি বিরাট অংশ কর থেকে আসে। কিরণ - আজি এ প্রভাতে রবির কর। হাতির শুঁড় – করীর আঘাতে ছোট ছেলেটির অকাল মৃত্যু হলো। করা - আর দেরি না করে কাজটি করে ফেল।কথা প্রতিশ্রুতি – কথা দিচ্ছি, তোমার কাজটি আমি করে দেব। অনুরোধ - আশা করি আমার কথা রাখবেন। প্রসঙ্গ – এ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতে হবে। বাক্যলাপ - তার সাথে কথা বলে বড় আনন্দ পেয়েছি। গল্প – অনেক দিন আগের কথা, এক দেশে এক রাজা ছিল।করা কাজ করা - তাড়াতাড়ি কাজটি করে ফেল। কানভারী - স্বার্থ আদায়ের জন্য সে বড় সাহেবের কানভারী করছে। গালাগালি করা - কথায় কথায় এত মুখ কর কেন? বশে আনা - তাকে হাত করতে গিয়ে তো পয়সা খোয়াচ্ছ, ফল কতটুক হবে? লালন - পালন করা - এ বাজারে সংসার লালন - পালন করা বড়ই কঠিন। ইতস্তত করা - যা করবার করে ফেল, এত ইতস্তত কর কেন? ভাড়া করা - পায়ে হেঁটে এতদূর যাওয়া যাবে না, রিক্সা করে যেতে হবে। সাহায্য করা - ভেব না, আমি তোমাকে সাহায্য করব।কড়া নির্মম – কুলি - মজুরদের সঙ্গে কড়া আচরণ করা ঠিক না। রন্ধনপত্র - এত ছোট কড়ায় কাজ হবে না। কপর্দক - এত সম্পত্তির মালিক ছিলেন তিনি অথচ এখন এক কড়া সম্পত্তিও তার নেই। দরজার হাতল - দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে তার ঘুম ভেঙে গেল। দৃঢ় চরিত্রের অধিকারী - অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি বড়েই কড়া।কাঁচা অপক্ব - কাঁচা আমের স্বাদই আলাদা। অদক্ষ - তোমার এ কাঁচা হাতের লেখা অনেকেই বুঝবে না। অসিদ্ধ – মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ হয়নি, কাঁচাই রয়েছে। মাটির তৈরি – বন্যায় বহু কাঁচা ঘর - বাড়ি ভেসে গেছে। অশুষ্ক - এ রকম কাঁচা কাঠ দিয়ে রান্না হবে না। কাল - চল্লিশের উপরে বয়স অথচ চুল তার কাঁচাই রয়েছে। অপরিণিত - এ কাঁচা বয়সে মেয়েটাকে বিয়ে দেয়া ঠিক হয়নি।কাল সময় - তাকে দেখতে চাইলে আর কালক্ষেপণ করা ঠিক হবে না। আগামীদিন, গতদিন - আমি আগামীকাল বাড়ি যাব। অবস্থা - এখন শৈশবকালের কথাই বেশি মনে পড়ে। সর্বনাশের কারণ - রাজনীতিই তার জন্য কাল হয়ে এল। মৃত্যু – ভয়াবহ এইডস মানুষের জন্য কাল হয়ে এসেছে।কর্ম কাজ - কর্মের নেশায় সে পাগল হয়ে উঠেছে। অদৃষ্ট - কর্মফলকে অস্বীকার করবে কি করে? পেশা - এ কর্মে তার মন ভরছে না। কর্তব্য - কর্মই ধর্ম, কর্মই মুক্তি। অনুষ্ঠান - বিবাহের ক্রিয়াকর্মে অনেক টাকার প্রয়োজন। সামর্থ্য - ছেলেটি কোন কর্মের নয়।কাটা খন্ডিত করা - আমগুলো কেটে আন। অপমানিত হওয়া - তার আচার - আচরণ দেখে লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল। সাঁতার কাটা – কতদিন হয় নদীতে সাঁতার কাটি না। খনন করা - পুকুর কেটে মাছের চাষ কর। বাজারে চলন - বইমেলায় নির্মলেন্দু গুণের বইয়ের বেশ কাটতি। চ্যুত হওয়া - সাবধানে গান গেও যাতে তাল না কেটে যায়। লজ্জিত হওয়া - তোমাকে জিভ কাটতে দেখেই বুঝে ফেলেছি যে তুমি লজ্জা পেয়েছ।কান্ড গাছের অংশ - বট গাছের বিশাল কান্ড থাকে। সাধারণ বিবেচনা - কান্ডজ্ঞান থাকলে কি সে একাজ করে? অধ্যায় - উপন্যাসটি কয়েক কান্ডে বিভক্ত। বিষয় - ছেলেদের কান্ড দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না। ব্যাপার - কি কান্ড বলতো দেখি?গা শরীর - গায়ে জ্বর আছে, গোসল করো না। ওঠা – অনেক ঘুমিয়েছ, এবার গা তুলো। আরাম করা - এভাবে কতদিন আর গায়ে ফুঁ দিয়ে চলবে। অত্মগোপন করা - এতগুলো টাকা মেরে সে গা ঢাকা দিল। গ্রাহ্য করা - কাজটি করে দেবার জন্য তোমাকে এত করে বলছি অথচ তুমি মোটেই গা করছ না। স্বস্তি পাওয়া - কালা জাহাঙ্গীর ধরা পড়েছে জেনে গা জুড়ালো।গরম উষ্ণ – এত গরম পড়েছে যে টেকাই দায়। উত্তপ্ত – দুথটুকু গরম করে আন। মসলা – মাংস পাকাতে হলে গরম মসলা প্রয়োজন। উগ্র - সাধারণ কথায় এমন গরম হও কেন? পশমি কাপড় - শীত না নামতেই বাজারে গরম কাপেড়ের ছড়াছড়ি। ধনের বড়াই - সামান্য কয়টা টাকা কামাই করেই এত গরম দেখাচ্ছ।গলা শরীরের বিশেষ প্রত্যজ্ঞ –জিরাফের গলা লম্বা। উচ্চকণ্ঠ - সামান্য কয়টা টাকার জন্য এত বড় গলায় কথা বলছেন কেন? নিষ্ফল বক্তৃতা - গলাবাজি করলেই ভোট পাওয়া যায় না। ধিক্বারসূচক উক্তি - আর কিছু না পার, তো গলায় দড়ি দিয়ে মর। গম্ভীর – প্রিন্সিপাল স্যারের ভারী গলা আমাদের ভয় ধরিয়ে দেয়। অধিক মূল্য হাঁকা - ঈদের বাজারে জিনিসপত্রের গলাকাটা দাম থাকে।গুণ উৎকর্ষ - সে কোন গুণেরই না, একেবারে অপদার্থ। পূরণ – দুই কে দুই দিয়ে গুণ করলে চার হয়। রজ্জু/রশি - বাতাস পড়ে যাওয়ায় মাঝিরা গুণ টানছে। বিশিষ্ট ধর্ম - লবণের সাথে চিনি মেশালে লবণের গুণ নষ্ট হয়। সুফল - বিদ্যাগুণে আজ সে এত বড় হয়েছে।ঘন গাঢ় – রক্তের উচ্চচাপ থাকলে ঘন দুধ না খাওয়াই ভালো। নিবিড় – আমাজান অববাহিকায় ঘন বন রয়েছে। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ও উচ্চতার পরিমাণ - কক্ষটির ঘনফল নির্ণয় কর। মেঘ – ’নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাঁই আর নাহিরে। অল্প সময়ের ব্যবধান – সে এত ঘন ঘন আসছে কেন?চাল চাউল - চাউলের দাম তেমন কমেনি। ফন্দি – যে চাল চেলেছ, সে না এসে কি পারে? আশ্রয় - ঐ চালচুলোহীন ছেলের হাতে মেয়েকে তুলে দিতে চাও? ঘরের ছাদ - টর্নেডোতে বহুঘরের চাল উড়ে গেছে। ব্যবহার - তাঁর চালচলন দেখেই বোঝা যায়, তিনি বনেদি ঘরের সন্তান। অহঙ্কার – খুব হয়েছে, আর বনেদি চাল দেখিও না।চোখ বুদ্ধি হওয়া - যাক কর্তাবাবুর চোখ তাহলে এতদিনে খুলেছে। রোগ বিশেষ – সাবধানে থেকো - অনেকেরই কিন্তু চোখ উঠেছে। ভয় দেখানো – এখনকার দিনে চোখ রাঙানিতে ফায়দা হয় না। লজ্জাহীনতা - তুমি তো চোখের মাথা খেয়েছ, কিছুই দেখছ না। খেয়াল রাখা - ছেলেটার উপরে একটু চোখ রাখবেন, যেন দুষ্টুমি না করে।ছল দোষ - কথার ছল ধরাটা তার পুরনো অভ্যাস। ছলনা - তোমার এ ছলচাতুরী একদিন ধরা পড়ে যাবে। কপট – সে যে এত বড় ছল, তা অগে জানতাম না। প্রসঙ্গ – কিছু মনে করে না, এমনি কথাচ্ছলে একথা বললাম। উদ্দেশ্য – গুপ্তচরটি কোন না কোন ছলে ফকির সেজেছে।ছোট ক্ষুদ্র – ‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে।’ কনিষ্ঠ –সে আমার ছোট ভাই। নম্র – বড় হতে চাইলে অগে ছোট হতে হয়। নীচ – ছিঃ! এত ছোট মন তোমার। অনধিকার চর্চা – ছোটমুখে বড় কথা মানায় না।জোর উদাত্ত – তিনি জোর গলায় ঘেষণা করলেন যে, তিনি সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন। শক্তি – জোর যার মুল্লুক তার। জবরদস্তি –মামুনের দোকান থেকে চাঁদাবাজরা জোর করে পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে গেল। আস্ফালন - গলার জোর দেখাও কেন? তোমাকে আমি ডরাই নাকি। দ্রুত – জোর কদম, চলরে চল।জাল নকল - এ জাল দলিল আমি মানি না। মায়া, ছল - জুয়েল আইচের ইন্দ্রজালে কে না অভিভূত হয়? ফাঁদ – জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরে। কপট – জাল পীরের খপ্পরে পড়ে তার সর্বনাশ হয়েছে। মারপাঁচ – তার বুদ্ধির জ্বালে আমি জড়িয়ে গেছি।তাল মাত্রাজ্ঞান – লোকটির গলা ভালো কিন্তু তাল বোধ একদম নেই। ভারসাম্য – সংসারের ঝামেলায় আর তাল সামলাতে পারছি না। ফলবিশেষ – তালের পিঠা বেজায় মিঠা। পাল্লা দেয়া - খামাখা তালাতালি করো না, ওর সাথে তোমরা পারবে না। মার – তাড়াতাড়ি সরে পড়, নইলে পিঠের উপর কিন্তু তাল পড়বে?তোলা ব্যবসায় গুটানো – ধার দেনা যেভাবে পড়ে গেছে, দোকানপাট না তুলে উপায় নেই। প্রহার – যখন - তখন ছেলের গায়ে হাত তোল না। মারা যাওয়া – অনেক বয়স হয়েছে লোকটির, যে কোন সময় তিনি পটল তুলতে পারেন। আলস্য প্রকাশ করা – ঘন ঘন হাই তুলছ কেন? ঘুমাতে যাবে নাকি? উথাপন করা - এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা সভায় তোলা হলো না কেন? সমাজভুক্ত করা - অনেক চেষ্টা করেও তাকে আমরা জাতে তুলতে পারিনি।দল রাজনৈতিক দল –বাংলাদেশে বহু রাজনৈতিক দল রয়েছে। ফুলের অংশ - দল, ফুলের একটি অংশ। গোষ্ঠী, সম্প্রদায় – মুসলমানেরা দল বেঁধে ঈদগায় যায়। সমূহ – তরুণ দলের উপর দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। জলজ তৃণ - অরক্ষিত জলাশয়গুলো দলে পরিপূর্ণ থাকে।দণ্ড খাঁচার দুয়ার – পিঞ্জর দণ্ডে বসে টিয়া পাখি শিস দিচ্ছে। লাঠি – দণ্ডের আঘাতে তার মাথা দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। ন্যায় – সৃষ্টিকর্তা তার ন্যায় দণ্ড আমাদের প্রত্যেকের উপর অর্পণ করেছেন। শাস্তি – এ কাজের জন্য তোমার কঠিন দণ্ড হবে। ২৪ মিনিট কাল সময় - তোমাকে তিলেক দণ্ড না দেখলে আমি অস্থির হয়ে যাই।নাম আখ্যা – কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন। খ্যাতি – লেখাপড়া শিখে যখন বড় হবে, তখন তোমার অনেক নাম হবে। পরিচয় –আপনার নাম কি? শপথ – আল্লাহ্’র নামে বলছি, আপনাকে আমি সাহায্য করব। স্মরণ - ওই ‘নাম’ জপলে মুক্তি পেয়ে যাবে। শব্দ মাত্র – সে নামেই নেতা, কামে নয়।নাক নাসিকা - নিঃশ্বাস - প্রশ্বাসের জন্য নাক একটি অপরিহার্য অঙ্গ। দ্রুত খাওয়া - নাকে মুখে না গুঁজলে ট্রেনটা নিশ্চিত ফেল করতাম। সাজা – কতবার যে নাকে খত দিয়েছ তার হিসাব আছে। নির্ভাবনা - নাকে তেল দিয়ে ঘুমালে চলবে না, সাবধান থাকতে হবে। শব্দ – সে ঘুমানো মাত্রই নাক ডাকে।পাকা পরিপক্ব - পাকা জাম খেতে মিষ্টি। খাঁটি – পাকা সোনায় খাদ থাকে না। অভিজ্ঞ – তিনি একজন পাকা লোক। দক্ষ – বুলবুল একজন পাকা খেলোয়াড়। স্থায়ী – শাড়িটির রং পাকা। সাদা – কী ব্যাপার, তোমার সব চুল দেখি পেকে যাচ্ছে। নিপুণ – তোমার মা রান্না - বান্নায় খুবই পাকা। বখাটে – ছেলেটা অল্প দিনেই পেকে গেছে। ইটের তৈরি – শহরের অধিকাংশ লোক পাকা বাড়িতে বাস করেন।পড়া পাল্লায় পড়া - বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে ফেরদৌসের জীবন আজ অন্ধকার। পঠন – মা এক ঘণ্টা ধরে কুরআন পড়ছেন। চেষ্টা করা – উঠে পড়ে লাগ, পরীক্ষায় অবশ্যই ভালো করবে। নতিস্বীকার - তোমার পায়ে পড়ি, এবারের মতো আমাকে রেহাই দাও। খরচ পড়া – অলঙ্কারগুলো বানাতে অনেক খরচ পড়েছে। প্রয়োজন হওয়া – আমার অত গরজ পড়েনি যে তাকে ডাকতে হবে। আটকে যাওয়া – তার ফাঁদে যদি একবার পড়, তাহলে আর নিস্তার নেই।পা তোষামোদ – এই আপনার পায়ে ধরে বলছি হুজুর, আপনার কথার অন্যথা হবে না। অঙ্গ বিশেষ – পা দুখানা হারিয়ে সে একেবারে পঙ্গু হয়েছে। অবঙ্গা করা - হাতের লক্ষীকে পায়ে ঠেলে দিও না। চাটুকার – সে তো চৌধুরী সাহেবের পা - চাটা কুকুর। অনুনয় করা – তোমার দুটি পয়ে পড়ি, কাজটি আমায় করে দাও।ফল পরিণতি –যে অন্যায় তুমি করেছ, এর ফল শুভ হবে না। ফলমূল – কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। পরীক্ষার ফলাফল – রীতিমত লেখাপড়া না করলে, পরীক্ষায় ভাল ফল করবে কি করে? উন্নতি – বনায়ন কর্মকান্ডে অংশ নাও, ফল দেবে। লাভ – অনুরোধে কোন ফল হবে না।বুক গর্ব করা – কোন রকমের একটা পাস দিয়েই নাসির বুক ফুলিয়ে হাঁটছে। সাহস – বড় সাহেবের মুখের উপর সত্য কথাটা বলতে পারলে? বুকের পাটা আছে তোমার। মন শক্ত করা – বুকে সাহস নিয়ে জীবন সংগ্রামে এগিয়ে যাও। হৃদয় বিদীর্ণ হওয়া – তার বুক ফাটা আর্তনাদ আমি সহ্য করতে পারিনি। সাহায্য করা – ভাইকে দূরে রেখ না, তোমার বিপদে সেইতো বুক পেতে দিবে।বড় ভালো – তোমার বাবা বড় ভালো লোক ছিলেন। ধনী – প্রামাণিক সাহেব হলেন এ তল্লাটের বড়লোক। জ্যেষ্ঠ – তিনি আমার চেয়ে বয়সে বড়। বিখ্যাত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একজন বড় রাজনীতিবিদ ছিলেন। উদার – তার সঙ্গে পরিচয় হলেই তুমি জানতে পারবে, তিনি কত বড় মনের অধিকারী। বিশাল – পৃথিবীটা অনেক বড়। অসাধারণ – তিনি একজন বড় মাপের লোক। অত্যন্ত – বড় বিপদে পড়ে তোমার কাছে এসেছি। বিশেষ – সামনেই বড় দিনের ছুটি।ভালো সুন্দর –শুধু রূপে ভালো হলে চলবে না, গুনে ভালো হওয়া চাই। শুভ – আমি তোমার ভালো চাই। সুস্থ – আমি ভালো আছি। সৎ - ভালো লোক হয়েও তিনি এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারলেন না। উত্তম আচরণ - তোমার আছ থেকে আমি ভালো ব্যবহার আশা করেছিলাম। সরল – জাকির সাহেব বেশ ভালো লোক।ভার বিষাদ – মুখ ভার করে থেকো না, একটু হাস। ওজন – এটুকু ছেলের মাথায় এত ভার দিয়েছ কেন? গুরুত্ব – আজকাল সমাজপতি হওয়া সহজ নয়, ধারেও কাটা চাই ভারেও কাটা চাই। কঠিন – এ ঊর্ধ্বগতির বাজারে, চলা বড় ভার। সমূহ – অসংখ্য মেঘের ভারে সারাটা আকাশ আচ্ছন্ন। দায়িত্ব – আমার ওপর এ কাজের ভার দেয়া হোক।ভুল অন্যায় – ভুল করেছ, শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে। ভ্রম – সব মানুষেরই কিছু কিছু ভুল থাকে। খারাপ – তোমার প্রতি আমার এতদিন ভুল ধারণা ছিল। অযথার্থ – ভালো কলে প্রশ্ন পড়ে নাও, ভুল উত্তর দিও না। বিস্মৃতি – সে আজ ভুলের অতল তলে ডুবে গেছে।ভাব চিন্তা – কবিতা লেখার আগে কবিরা ভাবে মগ্ন হন। মর্মার্থ – কবিতাটির ভাবার্থ লেখ। সম্প্রীতি –এ ক্লাসের ছাত্র - ছাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট ভাব রয়েছে। অভিপ্রায় – তোমার ভাবগতিক কিছুই বুঝতে পারছি না। কুমতলব – লোকটার প্রতি লক্ষ রেখ, ভাবগতিক সুবিধার মনে হচ্ছে না। উন্মাদনা – গান শুনতে শুনতে তোমার ভাব লাগল নাকি?মোটা স্থূল – এমন মোটা বুদ্ধি নিয়ে এ কাজ করা সম্ভব নয়। উচ্চৈঃস্বর – চাকর - বাকরকে ডাকার সময় স্বর একটু মোটাই হয়। প্রচুর – মোটা অঙ্কের ধার নিয়েতো মেয়ে বিয়ে দিচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? বড় আকৃতি – আমার মামা একজন মোটা লোক। সাধারণ – কৃষকের জন্য মোটা ভাত মোটা কাপড়ই যথেষ্ট। খারাপ – কাউকে মোটা কথা বলা ঠিক নয়। অমৃসণ – কৃষক বধূরা মোটা কাপড় পরিধান করে।
"টাকাটা ধার দিয়ে তুমি আমার মুখ রেখেছ" -এ বাক্যে "মুখ" কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: সম্মান
Explanation:
"টাকাটা ধার দিয়ে তুমি আমার মুখ রেখেছ" -এ বাক্যে "মুখ" কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর সম্মান মুখ শব্দের বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ: উৎস: https://eshikhon.com/
' তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি' ---- এটা কোন ধরনের বাক্য ?
Correct Answer:
ক: যৌগিক বাক্য
Explanation:
' তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি' ---- এটা কোন ধরনের বাক্য ? সঠিক উত্তর যৌগিক বাক্য যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে। যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো ও, এবং, অথবা,কিন্তু,বরং,তথাপি প্রভৃতি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
' সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে।' ---এই বাক্যে সুন্দর শব্দটি কোন পদ?
Correct Answer:
ক: বিশেষ্য
Explanation:
' সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে।' ---এই বাক্যে সুন্দর শব্দটি কোন পদ? সঠিক উত্তর বিশেষ্য গুণবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদে কোনো গুণ, অবস্থা ও ভাবের নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: সুখ, দুঃখ, দয়া, বীরত্ব ইত্যাদি।
‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র বাক্য
Explanation:
‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য? সঠিক উত্তর মিশ্র বাক্য জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। যেমন - যে পরিশ্রম করে, / সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য)যত পড়বে, / তত শিখবে, / তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য) জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে - সে, যত - তত, যারা - তারা, যাদের - তাদের, যখন - তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি - তবু, অথচ - তথাপি - এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।
'চাঁদমুখ' ---এর ব্যাসবাক্য হলো -----
Correct Answer:
খ: চাঁদের মত মুখ
Explanation:
'চাঁদমুখ' ---এর ব্যাসবাক্য হলো ----- সঠিক উত্তর চাঁদের মত মুখ সাধারণ গুণের উল্লেখ ব্যতীত উপমেয়র সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়। তাকে বলে উপমিত কর্মধারয় সমাস। 'চাঁদমুখ - এর ব্যাসবাক্য হলো 'মুখ চাঁদের ন্যায়।' এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত।
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' --এই বাক্যের 'কী' --এর অর্থ-------
Correct Answer:
গ: বিরক্তি
Explanation:
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' --এই বাক্যের 'কী' --এর অর্থ------- সঠিক উত্তর বিরক্তি এরুপ ক্ষেত্রে বাক্যের ভাব বুঝেই 'কী' এর অর্থ নিরুপণ করতে হবে। সে হিসেবে এর অর্থ 'ভয়' 'রাগ বা 'বিপদ' নয়, অবশ্যই 'বিরক্ত'।
বাক্যের তিনটি গুন কি কি ?
Correct Answer:
খ: আকঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
Explanation:
বাক্যের তিনটি গুন কি কি ? সঠিক উত্তর আকঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরুপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে। ভাষার বিচারে বাক্যের তিনটি গুন অবশ্যই থাকতে হয়। যথা - আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে 'মুখ' বলতে কি বোঝাচ্ছে-
Correct Answer:
ঘ: শক্তি
Explanation:
'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে 'মুখ' বলতে কি বোঝাচ্ছে- সঠিক উত্তর শক্তি ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ এখানে ‘মুখ’ বলতে শক্তি বোঝাচ্ছে।
'শক্রকে পীড়া দেয় যে,-এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো-
Correct Answer:
গ: পরন্তপ
Explanation:
'শক্রকে পীড়া দেয় যে,-এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো- সঠিক উত্তর পরন্তপ পরন্তপ - [বিশেষণ পদ] শত্রু - নিগ্রহকারী, পরঞ্জয়, অরিন্দম। [পরম্ + তপ]
'মহাকীর্তি' এর ব্যাসবাক্য কোনটি?
Correct Answer:
খ: মহতী যে কীর্তি
Explanation:
'মহাকীর্তি' এর ব্যাসবাক্য কোনটি? সঠিক উত্তর মহতী যে কীর্তি ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যঃ সমাসবদ্ধ পদকে বিশ্লেষণ করে যে বাক্য পাওয়া যায়. তাকে 'ব্যাসবাক্য' বলে । যেমন - আনাড়ি = নেই নাড়ি জ্ঞান যার (ব্যাসবাক্য). বাবা - মা = বাবা ও মা (ব্যাসবাক্য). বিলাতফেরত = বিলাত থেকে ফেরত (ব্যাসবাক্য). মৌমাছি = মৌ সংগ্রহকারি মাছি (ব্যাসবাক্য).
বাক্যের তিনটি গুণ কি কি?
Correct Answer:
খ: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
Explanation:
বাক্যের তিনটি গুণ কি কি? সঠিক উত্তর আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা ভাষার বিচারে বাক্যের ৩ টি গুণ থাকা আবশ্যক - ১. আকাঙ্ক্ষা , ২. আসত্তি ও ৩. যোগ্যতা । বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা - ই আকাঙক্ষা । বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি। আর বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা ।
' যে-ই তার দর্শন পেলাম, সে-ই আমরা প্রস্থান করলাম।' ---এটি কোন জাতীয় বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র বাক্য
Explanation:
' যে-ই তার দর্শন পেলাম, সে-ই আমরা প্রস্থান করলাম।' ---এটি কোন জাতীয় বাক্য? সঠিক উত্তর মিশ্র বাক্য যে বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া )থাকে , তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - রনি বল খেলে। যে পূর্ণ বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য পরস্পর সম্পর্কযুক্ত থাকে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন - যারা মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করে, তারা পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়। দুই, বা ততোধিক বাক্য যখন ও, এবং , আর, কিন্তু তথাপি ইত্যাদি অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত থাকে তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তুমি ও আমি বাজারে যাব।সুতরাং আলোচ্য বাক্যটি মিশ্র বাক্য।
‘তাঁর চুল পেকেছে কিন্তু বুদ্ধি পাকেনি’- এটি কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
গ: যৌগিক বাক্য
Explanation:
‘তাঁর চুল পেকেছে কিন্তু বুদ্ধি পাকেনি’- এটি কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর যৌগিক বাক্য যৌগিক বাক্য : একাধিক সরল বাক্য কোন অব্যয় দ্বারা সংযুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। (সরল বাক্য দুটি - তার বয়স হয়েছে, তার বুদ্ধি হয়নি)সে খুব শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান। (সরল বাক্য দুটি - সে খুব শক্তিশালী, সে খুব বুদ্ধিমান) যৌগিক বাক্যে এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি - এই অব্যয়গুলো দিয়ে দুটি সরল বাক্য যুক্ত হয়। এগুলো দেখে সহজেই যৌগিক বাক্যকে চেনা যেতে পারে। তবে কোন অব্যয় ছাড়াও দুটি সরল বাক্য একসঙ্গে হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করতে পারে।
ভালো করে পড়লে সফল হবে- বাক্যটিতে ক্রিয়ার কোন ভাবের প্রয়োগ ঘটেছে ?
Correct Answer:
গ: সাপেক্ষভাব
Explanation:
ভালো করে পড়লে সফল হবে- বাক্যটিতে ক্রিয়ার কোন ভাবের প্রয়োগ ঘটেছে ? সঠিক উত্তর সাপেক্ষভাব যে বিশিষ্ট ভঙ্গি, ধরন বা রীতির দ্বারা ক্রিয়ার কাজটি কীভাবে ঘটছে, তা বুঝতে পারা যায়, সেই বিশিষ্ট অবস্থাকে বলে ক্রিয়ার ভাব। যেমন: যদি রেখা আসে, আমার সঙ্গে দেখা করবে। ক্রিয়ার ভাব চার প্রকার। যথা:১। নির্দেশক ভাব২। অনুজ্ঞা ভাব৩। সাপেক্ষ ভাব৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ ভাব১। নির্দেশক ভাব: সাধারণ ঘটনা নির্দেশ করলে বা কিছু জিজ্ঞাসা করলে ক্রিয়াপদের নির্দেশক ভাব হয়। যথা: তারা বাড়ি যাবে। আপনি কি আসবেন?২। অনুজ্ঞা ভাব: আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়া পদের অনুজ্ঞা ভাব হয়। যেমন: চুপ করো, মিথ্যা বলবে না, মন দিয়ে পড়ো। ৩। সাপেক্ষ ভাব: একটি ক্রিয়ার সংঘটন অন্য একটি ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল ক্রিয়াকে সাপেক্ষ ভাবের ক্রিয়া বলে। যেমন: যদি সে পড়ত, তবে পাস করত। আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার এত কষ্ট হতো না। ৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব: যে ক্রিয়াপদের বক্তা সোজাসুজি কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, তাকে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাবের ক্রিয়া বলা হয়। যেমন: সে যাক, বৃষ্টি আসে আসুক, তার মঙ্গল হোক।
'' 'পুরষ্কার' বিতরণী অনুষ্ঠানের পরিবেশ এত 'অপরিস্কার' "। -----বাক্যটির নিম্নরেখ পদে ষ/স ব্যবহারে -----
Correct Answer:
গ: দুটোই অশুদ্ধ
Explanation:
'' 'পুরষ্কার' বিতরণী অনুষ্ঠানের পরিবেশ এত 'অপরিস্কার' "। -----বাক্যটির নিম্নরেখ পদে ষ/স ব্যবহারে ----- সঠিক উত্তর দুটোই অশুদ্ধ 'পুরষ্কার' ও 'অপরিষ্কার, শব্দ দুটোর শুদ্ধরুপ যথাক্রমে 'পুরস্কার ' ও অপরিষ্কার ' । সুতরাং প্রশ্নে প্রদত্ত দুটো শব্দই অশুদ্ধ।
কোনটি বাক্যের বৈশিষ্ট্য নয়?
Correct Answer:
গ: আসক্তি
Explanation:
কোনটি বাক্যের বৈশিষ্ট্য নয়? সঠিক উত্তর আসক্তি একটি সার্থক বাক্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা: ১. আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত একটি পদের পর অন্যপদ শোনার যে আগ্রহ জাগে তাকে আকাঙক্ষা বলে। ২. আসত্তি : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্খলভাবে পদবিন্যাসকেই বলা হয় আসত্তি। ৩. যোগ্যতা বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর পর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
' বাজার শেষ করে বাড়ী ' বাক্যটিতে কোন গুনের অভাব রয়েছে?
Correct Answer:
খ: আকাঙ্খা
Explanation:
' বাজার শেষ করে বাড়ী ' বাক্যটিতে কোন গুনের অভাব রয়েছে? সঠিক উত্তর আকাঙ্খা আকাঙক্ষা: - বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তাকে আকাঙক্ষা বলে। যেমন - সূর্য পূর্বদিকে - বললে বাক্যটি অসম্পূর্ণ। এটি মনের ভাব সম্পূর্ণ করতে পারেনি। এর পরে আরো কিছু কথা বা শব্দ শোনার ইচ্ছা হয়। যখন - সূর্য পূর্বদিকে ওঠে - বললে বাক্যটি পূর্ণতা পাবে। তাই একটি পদের পরে আরেকটি পদ শোনার ইচ্ছাকে আকাঙক্ষা বলে।
'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'- এটা কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
ক: যৌগিক বাক্য
Explanation:
'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'- এটা কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর যৌগিক বাক্য যৌগিক বাক্য : একাধিক সরল বাক্য কোন অব্যয় দ্বারা সংযুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। (সরল বাক্য দুটি - তার বয়স হয়েছে, তার বুদ্ধি হয়নি)সে খুব শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান। (সরল বাক্য দুটি - সে খুব শক্তিশালী, সে খুব বুদ্ধিমান) যৌগিক বাক্যে এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি - এই অব্যয়গুলো দিয়ে দুটি সরল বাক্য যুক্ত হয়। এগুলো দেখে সহজেই যৌগিক বাক্যকে চেনা যেতে পারে। তবে কোন অব্যয় ছাড়াও দুটি সরল বাক্য একসঙ্গে হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করতে পারে।
বাক্য সংকোচন করুন- "চক্ষু দ্বারা গৃহীত"
Correct Answer:
খ: চাক্ষুষ
Explanation:
বাক্য সংকোচন করুন- "চক্ষু দ্বারা গৃহীত" সঠিক উত্তর চাক্ষুষ চক্ষু দ্বারা গৃহীত - চাক্ষুষ চক্ষুর দ্বারা নিষ্পন্ন - চাক্ষুষ চক্ষুর দ্বারা দৃষ্ট - প্রত্যক্ষীভূত চন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত - চান্দ্র চন্দ্র চূড়ান্তে যাহার - চন্দ্রচূড় চর্বণ করিয়া খাওয়া যায় যাহা - চর্ব্য চাটু করে যে - চাটুকার চিরস্থায়ী নয় যাহা - নশ্বর চিরকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী - চিরস্থায়ী
'বিস্ময়াপন্ন' সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: বিস্ময়কে আপন্ন
Explanation:
'বিস্ময়াপন্ন' সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি? সঠিক উত্তর বিস্ময়কে আপন্ন সমাস অর্থ শব্দ সংক্ষেপণ । পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়ে যে সমাস হয় সেটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস। বিস্ময়কে আপন্ন - 'কে' লোপ করে হয় বিস্ময়াপন্ন।
'মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে'--- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয় -----
Correct Answer:
গ: মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
Explanation:
'মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে'--- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয় ----- সঠিক উত্তর মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না না - সূচক বাক্যে না , নয়, নহে, নি ,নেই , নাহি, নাই ইত্যাদি নঞর্থক অব্যয় ব্যবহার করতে হবে। না - বাচক ক্রিয়া ও না - বাচক শব্দ বা না - বাচক অব্যয় মিলে বাক্যে দু'বার ব্যবহার করে অস্তিবাচক বা হ্যাঁ - সূচক ভাব বজায় রাখতে হবে। মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে ' - বাক্যটির নেতিবাচক রুপ 'মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না।'
' এ যে আমাদের চেনা লোক' ---বাক্যে ' চেনা' কোন পদ?
Correct Answer:
ঘ: বিশেষণ
Explanation:
' এ যে আমাদের চেনা লোক' ---বাক্যে ' চেনা' কোন পদ? সঠিক উত্তর বিশেষণ যে পদ দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ , গুণ, অবস্থা, সংখ্যা , পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। এ বাক্যে 'চেনা ' শব্দটি দ্বারা লোকটির পরিচিতি বা অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি বিশেষদ পদ।
'ঘরখানা' -এর ব্যাসবাক্য কি হবে?
Correct Answer:
ঘ: এই ঘর
Explanation:
'ঘরখানা' -এর ব্যাসবাক্য কি হবে? সঠিক উত্তর এই ঘর ব্যাসবাক্য - [বিশেষ্য পদ] (ব্যাক) যে বাক্যে সমাসবদ্ধ পদগুলো পৃথক করে বিশ্লেষ করা হয়, বিগ্রহবাক্য।
নিচের বাক্যে নিন্মরেখ শব্দগুলো কিসের উদাহরণ? "রাশি রাশি ভারা ভারা" ধান কাটা হলে সারা।
Correct Answer:
খ: নির্ধারক সর্বনাম
Explanation:
নিচের বাক্যে নিন্মরেখ শব্দগুলো কিসের উদাহরণ? "রাশি রাশি ভারা ভারা" ধান কাটা হলে সারা। সঠিক উত্তর নির্ধারক সর্বনাম নির্ধারক বিশেষণঃ দ্বিরুক্ত শব্দ যখন আধিক্য বা অল্পত্ব প্রকাশকে নির্দেশিত করে, তখন তাকে নির্ধারক বিশেষণ বলা হয়। যেমনঃ ছোট ছোট মাছ, বড় বড় পুকুর।
বাক্য গঠনের অপরিহার্য অঙ্গ কোনটি?
Correct Answer:
গ: ক্রিয়া
Explanation:
বাক্য গঠনের অপরিহার্য অঙ্গ কোনটি? সঠিক উত্তর ক্রিয়া বাক্য গঠনে অপরিহার্য অঙ্গ হলো - ক্রিয়া।ক্রিয়া ছাড়া কোনো বাক্য গঠিত হতে পারে না । এজন্য ক্রিয়াপদকে বাক্যের প্রাণ তথা প্রধান ও অপরিহার্য অঙ্গ বলা হয়।
'চাঁদ মুখের' ব্যাসবাক্য হলো?
Correct Answer:
খ: চাঁদের মত মুখ
Explanation:
'চাঁদ মুখের' ব্যাসবাক্য হলো? সঠিক উত্তর চাঁদের মত মুখ ‘চাঁদ মুখ’ এর ব্যাসবাক্য হলো - চাদের মতো মুখ। চাদ্মুখ - এ চাঁদের সৌন্দর্যের সাথে মুখের সৌন্দর্যের অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। চাঁদের আকারের সাথে নয়। তাই এটি রুপক কর্মধারয় সমাস।
Patience has its reward- এ বাক্যের যথার্থ অনুবাদ-
Correct Answer:
ক: সবুরে মেওয়া ফলে
Explanation:
Patience has its reward- এ বাক্যের যথার্থ অনুবাদ- সঠিক উত্তর সবুরে মেওয়া ফলে সবুরে মেওয়া ফলে এর ইংরেজি হল - Patience has its reward or Patience is bitter, but its fruit is sweet.
বাক্য সংকোচন করুন 'চক্ষু দ্বারা গৃহীত'--
Correct Answer:
ক: চাক্ষুষ
Explanation:
বাক্য সংকোচন করুন 'চক্ষু দ্বারা গৃহীত'-- সঠিক উত্তর চাক্ষুষ চক্ষু দ্বারা গৃহীত - চাক্ষুষ চক্ষুর দ্বারা নিষ্পন্ন - চাক্ষুষ চক্ষুর দ্বারা দৃষ্ট - প্রত্যক্ষীভূত চন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত - চান্দ্র চন্দ্র চূড়ান্তে যাহার - চন্দ্রচূড় চর্বণ করিয়া খাওয়া যায় যাহা - চর্ব্য চাটু করে যে - চাটুকার চিরস্থায়ী নয় যাহা - নশ্বর চিরকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী - চিরস্থায়ী
শুদ্ধ বাক্য নির্দেশ করুন--
Correct Answer:
খ: দীনতা প্রশংসনীয় নয়
Explanation:
শুদ্ধ বাক্য নির্দেশ করুন-- সঠিক উত্তর দীনতা প্রশংসনীয় নয় 'দৈন্যতা ' শব্দটি অশুদ্ধ।
‘পূর্বে ছিল এখন নেই’- বাক্য সংকোচন কোনটি ?
Correct Answer:
ক: ভূতপূর্ব
Explanation:
‘পূর্বে ছিল এখন নেই’- বাক্য সংকোচন কোনটি ? সঠিক উত্তর ভূতপূর্ব 'পূর্বে ছিল এখন নেই' - ভূতপূর্ব - । পূর্বে যা ঘটেনি - অভূপূর্ব । বিগত হয়েছে যে কাল - অতীত। যে কাল এখনও চলছে - বর্তমান ।
’যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে।’- এটি কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র বাক্য
Explanation:
’যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে।’- এটি কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর মিশ্র বাক্য যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে এক বা একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খণ্ড - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। তাই আমরা এভাবে বলতে পারি। জটিল বা মিশ্র বাক্য হল, যে বাক্যে একটি স্বাধীন বাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহূত হয়, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে। যেমন –* যে পরিশ্রম করে, সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য) * যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে। * কোথাও পথ না পেয়ে তোমার কাছে এসেছি।
‘জ্ঞানী লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র’-- এটি কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
খ: সরল বাক্য
Explanation:
‘জ্ঞানী লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র’-- এটি কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর সরল বাক্য গঠন অনুযায়ী বাক্যের শ্রেণীবিভাগ গঠন অনুযায়ী বাক্য ৩ প্রকার - সরল বাক্য, জটিল বা মিশ্র বাক্য ও যৌগিক বাক্য। সরল বাক্য : যে বাক্যে একটি কর্তা বা উদ্দেশ্য ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - পুকুরে পদ্ম ফোটে। (উদ্দেশ্য - পুকুরে, সমাপিকা ক্রিয়া - ফোটে) মা শিশুকে ভালোবাসে।
”তিনি বললেন যে, বইটা তার দরকার” বাক্যটি কিসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: পরোক্ষ উক্তির
Explanation:
”তিনি বললেন যে, বইটা তার দরকার” বাক্যটি কিসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর পরোক্ষ উক্তির পরোক্ষ উক্তি : যে বাক্যে বক্তার কথা অন্যের জবানীতে পরিবর্তিত/রূপান্তরিত ভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে পরোক্ষ উক্তি বলে। পরোক্ষ উক্তিতে কোনো উদ্ধরণ চিহ্ন থাকে না, এবং প্রধম উদ্ধরণ চিহ্নে জায়গায় ‘যে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বেশিরভাগ পরোক্ষ উক্তিতেই ‘যে’ সংযোজক অব্যয়টি থাকে বলে একে দেখে পরোক্ষ উক্তি চেনা যেতে পারে। তবে ‘যে’ ছাড়াও অনেক পরোক্ষ উক্তি গঠিত হতে পারে।
”গম্ভীর ধ্বনী” এর বাক্য সংকোচন করুন-
Correct Answer:
খ: মন্দ্র
Explanation:
”গম্ভীর ধ্বনী” এর বাক্য সংকোচন করুন- সঠিক উত্তর মন্দ্র মর্মে বেদনা দেয় যা - মর্মান্তিক, মর্মন্তুদ। মধু পান করে যে - মধুপ।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ প্রয়োগ হয়েছে ?
Correct Answer:
ক: অন্যায়ের ফল অনিবার্য
Explanation:
কোন বাক্যটি শুদ্ধ প্রয়োগ হয়েছে ? সঠিক উত্তর অন্যায়ের ফল অনিবার্য অশুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। শুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অশুদ্ধ: অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য। শুদ্ধ: অন্যায়ের প্রতিফল অনিবার্য। অশুদ্ধ: সে অপমান হইয়াছে। শুদ্ধ: সে অপমানিত হইয়াছে। অশুদ্ধ: উত্পন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। শুদ্ধ: উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
বাক্যের মৌলিক উপাদান কি?
Correct Answer:
ক: শব্দ
Explanation:
বাক্যের মৌলিক উপাদান কি? সঠিক উত্তর শব্দ শব্দ হলো অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, যা বাক্য গঠনের মূল উপাদান। শব্দ একাধিক বর্ণ ও অক্ষর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে ।
”সে বলতে চায় তথাপি বলে না”- এটি কোন শ্রেণীর বাক্য?
Correct Answer:
গ: যৌগিক বাক্য
Explanation:
”সে বলতে চায় তথাপি বলে না”- এটি কোন শ্রেণীর বাক্য? সঠিক উত্তর যৌগিক বাক্য দুই বা ততোধিক বাক্য যখন ‘আর’ ‘এবং’, কিন্তু, ‘অথচ’, ‘তথাপি’, হয়…… নয়,……… না হয়, ‘কেন - না’ ইত্যাদি অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত থাকে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যৌগিক বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য থাকে। যেমনঃ ‘সে বলতে চাই তথাপি বলে না’। এখানে বাক্য দুটি তথাপি অব্যয় দ্বারা যুক্ত। এটি একটি যৌগিক বাক্য।
সঠিক বাক্য সংকোচন “বাচাল” এর পুরো বাক্য কোনটি?
Correct Answer:
খ: যে বেশি কথা বলে
Explanation:
সঠিক বাক্য সংকোচন “বাচাল” এর পুরো বাক্য কোনটি? সঠিক উত্তর যে বেশি কথা বলে একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বলে। বাক্য তথা ভাষাকে সুন্দর, সাবলীল ও ভাষার অর্থ প্রকাশের দীগুকে সমুজ্জ্বল করার জন্য বাক্য সংকোচন অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে কোন পদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না?
Correct Answer:
খ: ক্রিয়া পদ
Explanation:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে কোন পদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না? সঠিক উত্তর ক্রিয়া পদ যে পদের দ্বারা কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়া বলে। অথবা ধাতুর উত্তর বিভক্তি যোগে ধাতু ক্রিয়াপদে পরিনিত হয়।
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে ?
Correct Answer:
ঘ: কোলন
Explanation:
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে ? সঠিক উত্তর কোলন একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন সভায় সাব্যস্ত হলো : এক মাস পরে নতুন সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলাে বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেনের ( - ) ব্যবহার হয়। যেমন: প্রীতি উপহার। যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস ( - ) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যথা : তোমরা দরিদ্রের উপকার কর - এতে তোমাদের সম্মান যাবে না - বাড়বে। Thank you all # Stay with JobAssistant
আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো -- বাক্যটিতে কোন দোষ আছে?
Correct Answer:
গ: উপমার ভুল প্রয়োগ
Explanation:
আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো -- বাক্যটিতে কোন দোষ আছে? সঠিক উত্তর উপমার ভুল প্রয়োগ এখানে উপমার প্রয়োগ ভুল হয়েছে হ্রদয় মন্দিরে বীজ বপন করা যায় না