the light MCQs
Showing 31 questions (Total: 31)
গোধূলির কারণ কী?
Correct Answer:
গ: বিক্ষেপণ
Explanation:
গোধূলির কারণ কী? সঠিক উত্তর বিক্ষেপণ গোধূলির প্রধান কারণ হল আলোর বিক্ষেপণ । সূর্যাস্তের সময় সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ধূলিকণা ,পানিকণা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট বেগুনী , নীল , আসমানি প্রভৃতি বর্ণের বিক্ষেপণ বেশি ঘটে ।
লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
Correct Answer:
ঘ: কালো
Explanation:
লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়? সঠিক উত্তর কালো কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলাে হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। বস্তুটি থেকে নীল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত। হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।
অপটিক্যাল ফাইবার (Optical fibre) হচ্ছে ----
Correct Answer:
ক: খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
Explanation:
অপটিক্যাল ফাইবার (Optical fibre) হচ্ছে ---- সঠিক উত্তর খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল। আলো বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। যখন আলোক রশ্মি কাচ তন্তুর এক প্রান্ত দিয়ে প্রবশে করে, তখন তন্তুর দেয়ালে বারবার এর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যতক্ষণ না অপর প্রান্ত দিয়ে নির্গত হয়।
কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে-
Correct Answer:
ক: কালো দেখায়
Explanation:
কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে- সঠিক উত্তর কালো দেখায় দৃশ্যমান আলো আসলে বিভিন্ন বর্ণের মিশ্রণ। প্রত্যেক বর্ণের নিজস্ব নিজস্ব তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ফ্রিকুয়েন্সী থাকে। মানুষের দৃশ্যমান আলো শুরু লাল, কমলা থেকে এবং শেষ হয় বেগুনীতে। একটা বস্তু যখন কোনো তরঙ্গকে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে এবং বস্তুটিকে আমরা সেই তরঙ্গের বর্ণেরই মনে করি। কোনো বস্তু কী রঙ দেখাবে সেটা বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম অর্থাত্ তরঙ্গগুলিকে শোষণ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আলোক তরঙ্গের মিশ্রণ থেকে কিছু তরঙ্গ কে শোষণ এবং কিছু তরঙ্গ কে প্রতিফলিত করার জন্য প্রতিটি বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম আছে। যখন কোন বস্তুর উপর আলো পড়ে তখন সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। বস্তুটি আলোর তরঙ্গ - মিশ্রণের থেকে বেশ কিছু বা প্রায় সব তরঙ্গই শোষণ করে নিতে পারে। কখনও কখনও আবার শোষণ না করে সমস্ত রঙের তরঙ্গগুলিকেই প্রতিফলিত করে দিতে পারে। বস্তু যখন কোনো তরঙ্গ কে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে।
হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ ----
Correct Answer:
ক: পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
Explanation:
হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ ---- সঠিক উত্তর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য হীরকের বিভিন্ন ধারগুলো এমনভাবে কাটা থাকে যে, তার কোনো এক পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি ভেতরে প্রবেশ করলে প্রতিসরাঙ্ক (২.৪২) বেশি হওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি এই বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্যই তা এত উজ্জ্বল দেখায়।
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখাবে?
Correct Answer:
খ: কালো
Explanation:
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখাবে? সঠিক উত্তর কালো কোনো বস্তু কী রঙ দেখাবে সেটা বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম অর্থাত্ তরঙ্গগুলিকে শোষণ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আলোক তরঙ্গের মিশ্রণ থেকে কিছু তরঙ্গ কে শোষণ এবং কিছু তরঙ্গ কে প্রতিফলিত করার জন্য প্রতিটি বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম আছে। যখন কোন বস্তুর উপর আলো পড়ে তখন সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। বস্তুটি আলোর তরঙ্গ - মিশ্রণের থেকে বেশ কিছু বা প্রায় সব তরঙ্গই শোষণ করে নিতে পারে। কখনও কখনও আবার শোষণ না করে সমস্ত রঙের তরঙ্গগুলিকেই প্রতিফলিত করে দিতে পারে। বস্তু যখন কোনো তরঙ্গ কে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে। আমরা তখন সেই বস্তুটিকে দেখতে পাই এবং বস্তুটিকেও সেই তরঙ্গের বর্ণেরই মনে করি।
সূর্য থেকে আলো আসা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে আমরা কতক্ষণ পর তা অনুভব করতে পারি?
Correct Answer:
ক: ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
Explanation:
সূর্য থেকে আলো আসা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে আমরা কতক্ষণ পর তা অনুভব করতে পারি? সঠিক উত্তর ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড সূর্য থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীতে আসতে ৮ মি ১৯ সে লাগে। তাই সূর্যের আলো বন্ধ হয়ে গেলেও বন্ধ হওয়ার আগ মূহুর্তের রশ্নি পৃথিবীর দিকে আসবে ৮ মি ১৯ সে এ। আর এর পর আর কোনো রশ্নি আসবে না বিদায় আমরা অন্ধকার দেখব সব। তাই সর্বশেষ রশ্নি আলো বন্ধ হওয়ার পর আসতে ৮ মি ১৯ সে সময় লাগবে বলে আমরা এরপর বুঝতে পারব।
কৃষ্ণগহবর হতে এমনকি আলোও বের হতে পারে না। কারণ-
Correct Answer:
গ: এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
Explanation:
কৃষ্ণগহবর হতে এমনকি আলোও বের হতে পারে না। কারণ- সঠিক উত্তর এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি মহাকাশের যে অঞ্চল থেকে আলোকে শষ্কু (light cones) নির্গত হয়ে দূরস্থিত কোনো পর্যবেক্ষকের নিকট পৗঁছে না, সে অঞ্চলকেই বলা হয় কৃষ্ণগহ্বর ( Black hole) এ কৃষ্ণগহ্বরের পৃষ্ঠের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এমন শক্তিশালী যে, আলোক শস্কুগুলো ভিতর দিকে বেকে যায়। সে বক্রতা এতো বেশি যে, আলোক আর সেখান থেকে নির্গত হতে পারে না।
নিচের কোনটি চোখের একমাত্র আলোক সংবেদী অংশ?
Correct Answer:
গ: রেটিনা
Explanation:
নিচের কোনটি চোখের একমাত্র আলোক সংবেদী অংশ? সঠিক উত্তর রেটিনা রেটিনা হচ্ছে চোখের একমাত্র আলো - সংবেদী অংশ । এতে দুই ধরনের আলো - সংবেদী কোষ আছে । রড কোষগুলো লম্বাটে ও রোডপনিস নামক প্রোটিনযুক্ত এবং অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী। কোন কোষগুলো কোণাকৃতি ও আয়োডপসিন নামক প্রোটিন যুক্ত এবং উজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী ।
আলো যে সাতটি বর্ণের সমষ্টি, এটি প্রমাণ করেন কোন বিজ্ঞানী?
Correct Answer:
ক: বিজ্ঞানী নিউটন
Explanation:
আলো যে সাতটি বর্ণের সমষ্টি, এটি প্রমাণ করেন কোন বিজ্ঞানী? সঠিক উত্তর বিজ্ঞানী নিউটন আলো যে সাতটি বর্ণের সমষ্টি তা প্রমাণ করেন বিজ্ঞানী নিউটন। সাতটি বর্ণ হলো - বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
হিরা আধারে চকচক করে কেন?
Correct Answer:
ক: কারন হিরার প্রতিফলন ক্ষমতা খুব বেশি
Explanation:
হিরা আধারে চকচক করে কেন? সঠিক উত্তর কারন হিরার প্রতিফলন ক্ষমতা খুব বেশি হিরা আধারে চকচক করে কারণ হিরার প্রতিফলন ক্ষমতা খুব বেশি।
সাদা আলো কোন তিনটি রঙের মিশ্রণ?
Correct Answer:
ক: লাল, আকাশী ও সবুজ
Explanation:
সাদা আলো কোন তিনটি রঙের মিশ্রণ? সঠিক উত্তর লাল, আকাশী ও সবুজ সাদা বা শ্বেত একটি রঙ বা বর্ণ। তিনটি মৌলিক রঙ লাল, আসমানী ও সবুজ রঙের আলো প্রায় সমান পরিমাণে চোখে আপতিত হলে এবং তা পারিপার্শ্বিকের চেয়ে উজ্জ্বলতর হলে চোখে যে রঙ দর্শনের অনুভূতি জন্মায়, তাই হলো সাদা।
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে?
Correct Answer:
ক: ৮ মিনিট ২০ সিকেন্ড
Explanation:
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে? সঠিক উত্তর ৮ মিনিট ২০ সিকেন্ড সূর্যের ব্যাস ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার যা পৃথিবীর ব্যাসের ১০৯ গুন। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার আলোর গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার, ভাগ করলে আসে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ বা ২০ সেকেন্ড।
রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রাশ্মি বের হয়?
Correct Answer:
ক: মৃদু রঞ্জন রশ্মি
Explanation:
রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রাশ্মি বের হয়? সঠিক উত্তর মৃদু রঞ্জন রশ্মি প্রশ্ন: রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়? উত্তর : গামা রশ্মি ব্যাখ্যা : রঞ্জন রশ্মি এক্স - রে মেশিনে উৎপন্ন হয় । কসমিক রশ্মি মহাশূন্য হতে আসে। আর বর্ণালীতে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে গামা রশ্মি ।
আলো হলো-
Correct Answer:
ঘ: শক্তি
Explanation:
আলো হলো- সঠিক উত্তর শক্তি প্রশ্ন: আলো হলো - - - উত্তর: শক্তি ব্যাখ্যা: আলো এক প্রকার শক্তি বা বাহ্যিক কারণ যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায় । আলো শূন্যস্থানে 3*টেন টু দি পাওয়ার 8 .মাইনাস 1 বেগে চলে।
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে সাধারণত কত সময় লাগে?
Correct Answer:
ঘ: ৫০০ সে.
Explanation:
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে সাধারণত কত সময় লাগে? সঠিক উত্তর ৫০০ সে. সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে বা পৌঁছাতে সময় লাগে ৫০০ সেকেন্ড বা ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট। সুতরাং সঠিক উত্তর - ৫০০ সেকেন্ড।
রঙ্গিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
Correct Answer:
ক: মৃদু রঞ্জনরশ্মি
Explanation:
রঙ্গিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়? সঠিক উত্তর মৃদু রঞ্জনরশ্মি প্রশ্ন ::রঙিন টেলিভিশন হতে কোন ক্ষতিকর রশ্মি বের হয় ? উত্তর: গামা রশ্মি বর্ণনা: রঞ্জন রশ্মি এক্সরে মেশিন হতে উৎপন্ন হয়। কসমিক রশ্মি মহাশূন্য হতে আসে। আর বর্ণালীতে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে গামা রশ্মি।
সূর্যাস্তের সময় আমরা সূর্যকে লাল দেখি, কারণ লাল আলোর --
Correct Answer:
খ: তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
Explanation:
সূর্যাস্তের সময় আমরা সূর্যকে লাল দেখি, কারণ লাল আলোর -- সঠিক উত্তর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি সূর্যাস্তের সময় সূর্যের আলো বায়ুমন্ডলের পুরুস্তর ভেদ করে আমাদের চোখে আসে। এ সময় ক্ষুদ্রতর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো বিচ্ছুরিত হয়ে উপড়ে পড়ে যায়। কিন্তু দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের লাল আলো বিচ্ছুরিত না হয়ে সরাসরি আমাদের চোখে এসে পৌঁছায়।
কোন রঙেন আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
ক: বেগুনি
অপটিক্যাল ফাইবার কি ?
Correct Answer:
ক: খুব সরু নমনীয় কাঁচ তন্তু
Explanation:
অপটিক্যাল ফাইবার কি ? সঠিক উত্তর খুব সরু নমনীয় কাঁচ তন্তু অপটিক্যাল ফাইবার একধরনের পাতলা,স্বচ্ছ তন্তু বিশেষ, সাধারণত বিশুদ্ধ কাচঁ অথবা প্লাস্টিক দিয়ে বানানো হয়,যা আলো পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। ফাইনার অপটিকস ফলিত বিঞ্জান ও প্রকৌশলের সেই শাখা যা এই অপটিক্যাল ফাইবার বিষয়ে আলোচনা করে। অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে লম্বা দূরত্বে অনেক কম সময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য পরিবহন করা যায়।
আলোর প্রতিসরন কি?
Correct Answer:
ক: আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকবাবে আপতিত হয়, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদতলে িএর গতিবেগ পরিবর্তিত হয়। আলোক রশ্মির এভাবে দিক পরিবর্তন করার ঘটনাই হলো আলোর প্রতিসরণ।
আলোর গতি প্রতি সেকেন্ড প্রায় কত?
Correct Answer:
গ: ৩ লক্ষ কিলোমিটার
Explanation:
আলোর গতি প্রতি সেকেন্ড প্রায় কত? সঠিক উত্তর ৩ লক্ষ কিলোমিটার শূন্যস্থানে আলোর দ্রুতি প্রতি সেকেন্ডে ঠিক ২৯,৯৭,৯২,৪৫৮ মিটারের সমান, যা প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড বা ১.৮৬ লক্ষ মাইল প্রতি সেকেন্ড বা ৬৭১০ লক্ষ মাইল প্রতি ঘণ্টার সমতূল্য।
যে রঙ আলোর সকল রঙ প্রতিফরিত করে তার রঙ কি?
Correct Answer:
খ: সাদা
Explanation:
যে রঙ আলোর সকল রঙ প্রতিফরিত করে তার রঙ কি? সঠিক উত্তর সাদা সূর্যের সাদা আলোর সাতটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত । কোন বস্তু যদি সাতটি বর্ণের আলোকরশ্মির কোনটিই শোষণ না করে সবগুলোকেই প্রতিফলিত করে, তবে ঐ বস্তুকে সাদা দেখায়। আবার কোন বস্তু যদি সাদা আলোর সাতটি বর্ণকেই শোষণ করে নেয়, তবে ঐ বস্তুটি থেকে কোন বর্ণের আলো প্রতিফলিত হয় না। তাই বস্তুটিকে আমরা কালো দেখি।
মরুভূমিতে কেন মরিচীকা হয়?
Correct Answer:
গ: আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
Explanation:
মরুভূমিতে কেন মরিচীকা হয়? সঠিক উত্তর আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন প্রতিসরণের দরুণ অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। আর আলো যখন ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে বিভেদতলে আপতিত হয় তখন প্রতিসরিত না হয়ে প্রথম মাধ্যমেই ফিরে আসে। আর এভাবেই ঘটে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। আর এর ফলেই সৃষ্টি হয় মরীচিকার।
সূর্য হতে কোন প্রক্রিয়ায় আলো পৃথিবীতে আসে-
Correct Answer:
ক: বিকিরণ
আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক -
Correct Answer:
গ: প্লাঙ্ক
Explanation:
আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক - সঠিক উত্তর প্লাঙ্ক কার্ল আর্নস্ট লুডভিগ মার্কস প্ল্যানক জার্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন, যার শক্তির কোয়ান্টা আবিষ্কার তাকে 1918 সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতিয়ে ছিল। প্লাংক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে অনেক অবদান রেখেছিলেন, কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানী হিসাবে তার খ্যাতি মূলত কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক হিসাবে। তার এই অবদান পারমাণবিক পর্যায়ে মহাবিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বিপ্লব সৃষ্টি করে। 1948 সালে জার্মান বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান কাইজার উইলহেল সোসাইটি (যার মধ্যে প্লাংক দুবার সভাপতি ছিলেন) নামকরণ করেন ম্যাক্স প্লাংক সোসাইটি (এমপিএস)। এমপিএস এখন 83 টি প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক নির্দেশিকা বিস্তৃত প্রতিনিধিত্ব করে।
কোন আলোতে সবচেয়ে বেশি সালোকসংশ্লেষণ সংঘটিত হয়?
Correct Answer:
গ: লাল
Explanation:
কোন আলোতে সবচেয়ে বেশি সালোকসংশ্লেষণ সংঘটিত হয়? সঠিক উত্তর লাল আলোক বর্ণালির লাল, নীল, কমলা, বেগুনী অংশটুকুতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়। সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না কেন? এটির আসল উত্তর ছিল: আলোক বর্ণালির লাল, নীল,কমলা,বেগুনী অংশটুকুতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়।
কোন রঙের আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভাল হয়?
Correct Answer:
গ: লাল
আলোর কোন ঘটনাটি মরীচিকা সৃষ্টির পিছনে কাজ করে?
Correct Answer:
গ: পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার-
Correct Answer:
গ: তরঙ্গদৈর্ঘ্য
কোন রঙের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
খ: বেগুনি