the writer MCQs
Showing 50 questions (Total: 138)
' শাহনামা' -এর লেখক কে?
Correct Answer:
ক: কবি ফেরদৌসী
Explanation:
' শাহনামা' -এর লেখক কে? সঠিক উত্তর কবি ফেরদৌসী শাহনামা অথবা শাহ্ - নামা (ফার্সি: شاهنامه Šāhnāmeh, "রাজাদের বই") পারস্যের (বর্তমান ইরান) কবি ফেরদৌসী দ্বারা লিখিত একটি দীর্ঘ মহাকাব্য।
' বাঙ্গালীর ইতিহাস' বইটির লেখক কে?
Correct Answer:
ক: নীহাররঞ্জন রায়
Explanation:
' বাঙ্গালীর ইতিহাস' বইটির লেখক কে? সঠিক উত্তর নীহাররঞ্জন রায় শিল্প - ইতিহাস চর্চায় নীহাররঞ্জন রায় প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন এবং এ বিষয়টিই ইতিহাসের সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে তাঁর গবেষণার ভিত্তি হয়ে উঠেছিল। মানব অভিজ্ঞতার রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিকগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধনে তাঁর প্রয়াস পরিণতি লাভ করেছে তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্ম বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে।
' চাচা কাহিনী'র লেখক কে?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
' চাচা কাহিনী'র লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী সরস, মার্জিত , বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্য ধারার প্রবর্তক সৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ রসিকতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। 'চাচা কাহিনী' (১৯৫৯) তার বিখ্যাত গ্রন্থ।
‘চাচা কাহিনী’র লেখক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
‘চাচা কাহিনী’র লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী সৈয়দ মুজতবা আলীর ছোটগল্প:চাচা কাহিনী (১৯৫২)টুনি মেম (১৯৬৪)পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২)ময়ূরকন্ঠী (১৯৫৭)
' সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি'----এই চরণদ্বয়ের লেখক ------
Correct Answer:
গ: মদনমোহন তর্কালঙ্কার
Explanation:
' সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি'----এই চরণদ্বয়ের লেখক ------ সঠিক উত্তর মদনমোহন তর্কালঙ্কার মদনমোহন তর্কালঙ্কার প্রণীত গ্রন্থাবলী: মদনমোহন তর্কালঙ্কার বাংলা ভাষায় শিক্ষা বিস্তারের জন্য যথেষ্ট শ্রম ব্যয় করেন। তাঁর রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র কর্তৃক রচিত "বর্ণপরিচয়" গ্রন্থটিরও পূর্বে প্রকাশিত। তিনি 'শিশুশিক্ষা' পুস্তকটির 'প্রথম ভাগ' ১৮৪৯ সালে এবং 'দ্বিতীয় ভাগ' ১৮৫০ সালে প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পুস্তকটির 'তৃতীয় ভাগ' এবং 'বোধোদয়' শিরোনামে 'চতুর্থ ভাগ' প্রকাশিত হয়। 'বাসব দত্তা' ও 'রসতরঙ্গিনী' নামে তাঁর দুটি গ্রন্থ ছাত্রাবস্থায় রচিত হয়। তাঁর রচিত 'আমার পণ' কবিতাটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা পাঠ্যবইয়ের অন্যতম একটি পদ্য এবং শিশু মানস গঠনের জন্য চমৎকার দিক - নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত। তাঁর বিখ্যাত কিছু পংক্তির মধ্যে রয়েছে: ‘পাখী সব করে রব, রাতি পোহাইল’; ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’; ‘লেখাপড়া করে যে/ গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’। তিনি ১৪টি সংস্কৃত বই সম্পাদনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) বাসবদত্তা (১৮৩৬) শিশু শিক্ষা - তিন খণ্ড (১৮৪৯ ও ১৮৫৩)
'কাঁঠালপাড়া'য় জন্মগ্রহণ করেন কোন লেখক?
Correct Answer:
ঘ: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'কাঁঠালপাড়া'য় জন্মগ্রহণ করেন কোন লেখক? সঠিক উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম হয় বর্তমান উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের নিকটস্থ কাঁঠালপাড়া গ্রামে। তারিখ ২৭ জুন, ১৮৩৮ অর্থাৎ ১৩ আষাঢ় ১২৪৫। চট্টোপাধ্যায়দের আদিনিবাস ছিল হুগলি জেলার দেশমুখো গ্রামে। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রপিতামহ রামহরি চট্টোপাধ্যায় মাতামহের সম্পত্তি পেয়ে কাঁঠালপাড়ায় আসেন এবং সেখানেই বসবাস শুরু করেন। রামহরির পৌত্র যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের তৃতীয় পুত্র বঙ্কিমচন্দ্র, মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবী, বঙ্কিমের পূর্বে তার আরও দুই পুত্রের জন্ম হয় – শ্যামাচরণ ও সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বঙ্কিমের জন্মকালে তিনি সদ্য অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার ডেপুটি কালেক্টর পদে উন্নীত হয়েছিলেন।
' চাচা কাহিনী' গ্রন্থের লেখক-
Correct Answer:
খ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
' চাচা কাহিনী' গ্রন্থের লেখক- সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী চাচা কাহিনী' সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত গল্প গ্রন্থগুলির মধ্যে প্রধানতম। প্রায় প্রতিটি গল্পই বিদেশের পটভূমিকা রচিত। বিদেশে বিশেষ করে বার্লিন প্রবাসী বাঙালী তরুণ বয়স্ক ছাত্রদের নিয়েই রচিত। অনেক গল্প। স্বয়ং লেখক যৌবনে বার্লিন প্রবাসী ছাত্র ছিলেন। সে সময়কার নানা কাহিনী গল্পাকারে পরিবেশন করেচেন চাচা কাহিনীতে।
“এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে” লেখক কে?
Correct Answer:
খ: আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন
Explanation:
“এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে” লেখক কে? সঠিক উত্তর আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন বাংলা একাডেমি (১৯৮৬ - ৯০) ও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের (১৯৮৮ - ৯০) সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল - মুতী শরফুদ্দিন প্রকাশিত গ্রন্থ হচ্ছে ‘এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে’ (১৯৫৫)। তার প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে ‘অবাক পৃথিবী’, ‘আবিষ্কারের নেশায়’, ‘রহস্যের শেষ নেই’। ‘বিজ্ঞান ও মানুষ’, ‘জানা - অজানার দেশে’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
নেমেসিস এর লেখক কে?
Correct Answer:
ক: নুরুল মোমেন
Explanation:
নেমেসিস এর লেখক কে? সঠিক উত্তর নুরুল মোমেন "নেমেসিস" নাটকটির রচয়িতা নুরুল মোমেন।নুরুল মোমেন মূলত নাট্যকার ছিলেন। তার রচিত অন্যান্য নাটকগুলো হলো - রূপান্তর, যদি এমন হতো, নয়া খান্দান, আলো ছায়া, শতকরা আশি, আইনের অন্তরালে, যেমন ইচ্ছা তেমন ইত্যাদি। ‘নেমেসিস’ তার এক চরিত্রবিশিষ্ট একটি উল্লেখযোগ্য নাটক।
'চাচা কাহিনী'র লেখক কে?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
'চাচা কাহিনী'র লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী ‘চাচা কাহিনি’ রম্যরচনাটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচনা করেন। তার আরেকটি বিখ্যাত রম্যরচনার নাম ‘পঞ্চতন্ত্র’। সৈয়দ শামসুল হকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে - ‘খেলারাম খেলে যা’, ‘এক মহিলার ছবি’ ইত্যাদি। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ তার বিখ্যাত কাব্যনাট্য। শওকত ওস্মানের বিখ্যাত উপন্যাস হচ্ছে - ‘বনি আদম’, ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’, ‘জলাংগী’, ‘ক্রীতদাসের হাসি’ ইত্যাদি। ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে - ‘সাত সাগরের মাঝি’, ‘সিরাজাম মুনীরা’, নৌফেল ও হাতেম’, ‘হাতেমতায়ী’। তার সনেট সংকলনের নাম ‘মুহূর্তের কবিতা’।
”ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল” গ্রন্থের লেখক কে?
Correct Answer:
ঘ: হুমায়ন আজাদ
Explanation:
”ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল” গ্রন্থের লেখক কে? সঠিক উত্তর হুমায়ন আজাদ হুমায়ুন আজাদ মূলত লেখক ও অধ্যাপক হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রথাবিরোধী, ধর্মীয় মৌলবাদীদের মুখোশ উন্মোচনকারী, লৈঙ্গিক বৈষ্যম্য বিশ্বাসহীন লেখক। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থ - কবিতাঃ অলৌকিক ইষ্টিমার। উপন্যাসঃ রাজনীতিবিদ্গণ, পাক সার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি।
রম্যরচনার জন্য খ্যাত লেখক হলেন-
Correct Answer:
গ: আবুল মনসুর আহমদ
Explanation:
রম্যরচনার জন্য খ্যাত লেখক হলেন- সঠিক উত্তর আবুল মনসুর আহমদ আবুল মনসুর আহমেদ (৩ সেপ্টেম্বর ১৮৯৮ - ১৮ মার্চ ১৯৭৯) একজন বাংলাদেশী সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপাত্মক রচয়িতা। ১৯৪৬ - এ অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইত্তেহাদ - এর সম্পাদক এবং তৎকালীন কৃষক ও নবযুগ পত্রিকায়ও কাজ করেন তিনি। 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯)' তার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা।
”চাচা কাহিনীর” লেখক কে?
Correct Answer:
খ: মুজতবা আলী
Explanation:
”চাচা কাহিনীর” লেখক কে? সঠিক উত্তর মুজতবা আলী ক. আধুনিক কবি - সাহিত্যিকদের মধ্যে সৈয়দ শামসুল হক অন্যতম। তার বিখ্যাত গ্রস্থ ‘নিষিদ্ধ লোবান’। গ. শওকত ওসমানের বিখ্যাত গ্রস্থ ‘ক্রীতদাসের হাসি’। খ. সরস, মাজিত, বৃদ্ধিদীপ্ত সাহিত্য ধারার প্রবর্তক ষৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ - রসকিতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। ‘চাচ কাহিনী’ (১৯৫৯) তার বিখ্যাত গ্রস্থ। ঘ. মুসলিম রেঁনেসার কবি ফররুখ আহমদ। তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রস্থ ‘সাত সাগেরের মাঝি’ (১৯৪৪)।
”নেমেসিস” নাট্যগ্রন্থের লেখক কে?
Correct Answer:
খ: নুরুল মোমেন
Explanation:
”নেমেসিস” নাট্যগ্রন্থের লেখক কে? সঠিক উত্তর নুরুল মোমেন "নেমেসিস" নাটকটি নরুল মোমেন এর। এই নাটকে তিনি পঞ্চাশের মন্বন্তরকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
”বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে” গ্রন্থটির লেখক কে ?
Correct Answer:
ঘ: শামসুর রাহমান
Explanation:
”বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে” গ্রন্থটির লেখক কে ? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান ' বাংলাদেশের সপ্ন দেখে' শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে, বন্দি শিবির থেকে, উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ, এক ফোটা কেমন অনল।
বাংলাদেশের অন্যতম বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক কে?
Correct Answer:
ঘ: আবদুল্লাহ আল- মুতি
Explanation:
বাংলাদেশের অন্যতম বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক কে? সঠিক উত্তর আবদুল্লাহ আল- মুতি বাংলাদেশের অন্যতম বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক আবদুল্লাহ আল - মুতি। আবদুল্লাহ আল - মুতী শরফুদ্দিন (১ জানুয়ারি ১৯৩০ - ৩০ নভেম্বর ১৯৯৮) বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক, বিজ্ঞান কর্মী এবং সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি আবদুল্লাহ আল - মুতী নামেই সমধিক পরিচিত। বিজ্ঞান জনপ্রিয় করণে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি ইউনেস্কো কলিঙ্গ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
'নামহীন গোত্রহীন' গ্রন্থের লেখক-
Correct Answer:
গ: হাসান আজিজুল হক
Explanation:
'নামহীন গোত্রহীন' গ্রন্থের লেখক- সঠিক উত্তর হাসান আজিজুল হক কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের গল্পগ্রন্থ " নামহীন গোত্রহীন"। এছাড়াও তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ : আত্নাজ ও একটি করবী গাছ, সমুদ্রের সপ্নঃ শীতের অরন্য, জীবন ঘষে আগুণ, পাতালে হাসপাতালে, আমরা অপেক্ষা করছি।
'দৃষ্টিপাত ' -লেখক 'যাযাবর' এর প্রকৃত নাম কি?
Correct Answer:
খ: বিনয় মুখোপাধ্যায়
Explanation:
'দৃষ্টিপাত ' -লেখক 'যাযাবর' এর প্রকৃত নাম কি? সঠিক উত্তর বিনয় মুখোপাধ্যায় 'দৃষ্টিপাত ' - লেখক 'যাযাবর' এর প্রকৃত নাম বিনয় মুখোপাধ্যায়। বাংলা সাহিত্যে সম্ভবত সর্বপ্রথম ক্রিকেট নিয়ে গ্রন্থ রচনা করেন বিনয় কুমার মুখোপাধ্যায় । বাংলার পাঠকসমাজে তিনি "যাযাবর" নামে তিনি অধিক পরিচিত । "যাযাবর" হল বিনয় কুমার মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। বিনয় কুমার মুখোপাধ্যায় ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, গীতিকার এবং সাংবাদিক । এই শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক 1908 সালে জানুয়ারী মাসের 10 তারিখে অধুনা বাংলাদেশের অন্তর্গত ঢাকা জেলার ফেগুনামার গ্রামে ভুমিষ্ঠ হন । এই শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিকের পিতার নাম হল ফণীভূষণ মুখোপাধ্যায় এবং মাতার নাম হল মনোরমা দেবী ।
'ক্রীতদাসের হাসি ' -এর লেখক কে?
Correct Answer:
গ: শওকত ওসমান
Explanation:
'ক্রীতদাসের হাসি ' -এর লেখক কে? সঠিক উত্তর শওকত ওসমান 'ক্রীতদাসের হাসি ' - এর লেখক শওকত ওসমান। ক্রীতদাসের হাসি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি উপন্যাস। ১৯৬২ সালে তিনি এ উপন্যাসটি রচনা করেন। ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পাকিস্তানকে বর্বর স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে আবদ্ধ করলো। এ সময় সব ধরনের - বাক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। তৎকালীন পাকিস্থানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে এ উপন্যাস রচিত হয়।
'জমিদার দর্পণ' উপন্যাসটির লেখক --
Correct Answer:
খ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
'জমিদার দর্পণ' উপন্যাসটির লেখক -- সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন 'জমিদার দর্পণ' উপন্যাসটির লেখক - - মীর মশাররফ হোসেন। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ‘জমিদার দর্পন’ নাটকের কাহিনী সরল ও আড়ম্বহীন। নারীলোভী এব জমিদার এবং সুন্দরী পত্নীর অসহায় কৃষক স্বামীর প্রসঙ্গ এ নাটকের কাহিনীর মূল অংশ। জমিদার শ্রেণীর চরিত্র, তোষামোদের ছলচাতুারি, চাষা আবু মোল্লা এবং তার পত্নী নুরন্নেহারের নির্যাতন প্রভৃতি নিয়ে ‘ জমিদার দর্পন’ অতি বাস্তব ধর্মী নাট্যকর্ম। এ নাটকেও নটনটী আছে, গান আছে। বিচারালয়ে ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট , ডাক্তার, দেশি দারোগা, পেশকার ইত্যাদি সমন্বয়ে যে নৈরাজ্য চিত্র অঙ্কিত হয়েছে , তা বাস্তবতার দিক থেকে অতুলনীয়।
”অক্টোপাস” উপন্যাসের লেখক কে?
Correct Answer:
খ: শামসুর রাহমান
Explanation:
”অক্টোপাস” উপন্যাসের লেখক কে? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান ”অক্টোপাস” উপন্যাসের লেখক শামসুর রাহমান। তার মোট ৪টি উপন্যাস রয়েছে। উপন্যাস - ৪টি হলো: ‘অক্টোপাস’ (১৯৮৩), ’অদ্ভুত আঁধার এক’ (১৯৮৫), ‘নিয়ত মন্তাজ’ (১৯৮৫), ‘এলো সে অবেলায়’ (১৯৯৪)।
"The spirit of Islam" বইটির লেখক কে?
Correct Answer:
ঘ: সৈয়দ আমীর আলী
Explanation:
"The spirit of Islam" বইটির লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ আমীর আলী "The spirit of Islam" বইটির লেখক সৈয়দ আমীর আলী। সৈয়দ আমির আলী (জন্ম: ৬ই এপ্রিল, ১৮৪৯ - মৃত্যু: ৩রা আগস্ট, ১৯২৮) ছিলেন একজন ভারতীয় মুসলিম আইনজ্ঞ যিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন একাধারে একজন আইনজ্ঞ, সমাজ সংস্কারক এবং লেখক। তিনি ইসলামের ইতিহাস নিয়ে কয়েকটি বিখ্যাত বই লিখেছিলেন। তার বইগুলোর মধ্যে অন্যতম হল "দ্যা স্প্রিট অফ ইসলাম"। এই বইটিই পরবর্তীকালে ব্রিটিশ রাজের সময় ভারতের আইনে মুসলিম আইন প্রবর্তন করার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল। সৈয়দ আমীর আলী অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। উনিশ শতকের আশির দশকে তিনি ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক জাগরণের উদ্যোক্তা ছিলেন।
”ক্রীতদাসের হাসি” উপন্যাসের লেখক--
Correct Answer:
গ: শওকত ওসমান
Explanation:
”ক্রীতদাসের হাসি” উপন্যাসের লেখক-- সঠিক উত্তর শওকত ওসমান ”ক্রীতদাসের হাসি” উপন্যাসের লেখক - শওকত ওসমান। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস গুলো হল : জননী, জাহান্নাম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য।
”অপরাজিত” উপন্যাসের লেখক--
Correct Answer:
ক: বিভুতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
”অপরাজিত” উপন্যাসের লেখক-- সঠিক উত্তর বিভুতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় ”অপরাজিত” উপন্যাসের লেখক - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরাজিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। ‘প্রবাসী’ মাসিকপত্রে ১৩৩৬ সালের পৌষ সংখ্যা থেকে ১৩৩৮ - এর আশ্বিন সংখ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। উপন্যাসের স্ফীতির কারণে দু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে প্রথম বের হয়ঃ প্রথম ভাগের প্রকাশকাল মাঘ ১৩৩৮ [এপ্রিল ১৯৩২], দ্বিতীয় ভাগের প্রকাশকাল ফাল্গুন ১৩৩৮ [মে ১৯৩২]। এবারেও প্রকাশক ছিলেন সজনীকান্ত দাস, বের করা হয়েছিল রঞ্জন প্রকাশালয় থেকে এবং দাম ছিল যথাক্রমে দু টাকা চার আনা ও দু টাকা। পরে ‘অপরাজিত’ দু খণ্ডের জায়গায় এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়, এখনও তাই হচ্ছে। বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় এ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন ‘মাতৃদেবীকে’।
'ইতিহাসমালা' -র লেখক কে?
Correct Answer:
ক: উইলিয়াম কেরী
Explanation:
'ইতিহাসমালা' -র লেখক কে? সঠিক উত্তর উইলিয়াম কেরী ইতিহাসমালা;(১৮১২) উইলিয়াম কেরি সংকলিত বিভিন্ন বিষয়ের ১৫০ টি গল্পের সংগ্রহ। সঠিক উত্তর - - উইলিয়াম কেরি।
'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' গ্রল্পের লেখক কে?
Correct Answer:
ক: হাসান আজিজুল হক
Explanation:
'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' গ্রল্পের লেখক কে? সঠিক উত্তর হাসান আজিজুল হক আত্নজা ও একটি করবী গাছ - - গল্পের লেখক হাসান আজিজুল হক গল্পগ্রন্থ আটটি গল্প রয়েছে যার ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। সঠিক উত্তর - হাসান আজিজুল হক।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' -গ্রন্থটির লেখক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' -গ্রন্থটির লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' - গ্রন্থটির লেখক সৈয়দ শামসুল হক। সৈয়দ শামসুল হকের (জন্ম: কুড়িগ্রাম, ২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫; মৃত্যু: ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) আগ্রহ ও সাফল্য ঈর্ষণীয়। স্বাধীনতা - পরবর্তীকালে বাংলা কাব্যনাটকের শৈল্পিক রূপায়নে তিনি অবিকল্প নির্মাতা। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ (রচনাকাল ও স্থান: ১ মে - ১৩ জুন, ১৯৭৫, হ্যাম্পস্টেড, লন্ডন) মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক সমকালীন বাস্তবতা এবং ব্রাত্যজনের অমিত তেজের সরল সত্যের অকৃত্রিম ও শৈল্পিক প্রকাশ।
'সংস্কৃতির কথা ' গ্রন্থটির লেখক কে ?
Correct Answer:
ক: কাজী মোতাহার হোসেন
Explanation:
'সংস্কৃতির কথা ' গ্রন্থটির লেখক কে ? সঠিক উত্তর কাজী মোতাহার হোসেন 'সংস্কৃতির কথা ' গ্রন্থটির লেখক কাজী মোতাহার হোসেন। মোতাহের হোসেন চৌধুরী (১৯০৩ - ১৯৫৬) একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখক ছিলেন। মোতাহের হোসেন চৌধুরী কিশোর বয়স থেকেই সাহিত্যে আগ্রহী হয়ে উঠেন। তিনি প্রথমদিকে কবিতা বেশি লিখতেন। বাঙালী মুসলমান সমাজের অগ্রগতির আন্দোলন হিসেবে পরিচিত "বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের" সাথে যুক্ত ছিলেন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ "সংস্কৃতি কথা" (১৯৫৮)।
'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির লেখক কে?
Correct Answer:
গ: কাজী আবদুল ওদুদ
Explanation:
'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির লেখক কে? সঠিক উত্তর কাজী আবদুল ওদুদ 'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির লেখক কাজী আবদুল ওদুদ। কাজী আবদুল ওদুদ (২৬ এপ্রিল ১৮৯৪ - ১৯ মে ১৯৭০) একজন বাঙালি প্রাবন্ধিক, বিশিষ্ট সমালোচক, নাট্যকার ও জীবনীকার ছিলেন। তিনি বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার (বর্তমান রাজবাড়ী জেলার) পাংশায় একটি নিম্ন - মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ সম্পাদনা: শাশ্বত বঙ্গ(১৯৫১) সমাজ ও সাহিত্য (১৯৩৪) রবিন্দ্রকাব্য পাঠ (১৩৩৪) হিন্দু - মুসলমান বিরোধ (১৯৩৬) নব পর্যায় (২খণ্ড)
”লালসালু” উপন্যাসের লেখক কে?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation:
”লালসালু” উপন্যাসের লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ”লালসালু” উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। লালসালু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি উপন্যাস। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী সৃষ্টি। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এই উপন্যাসের জন্যে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান।
”ওয়ারিশ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন--
Correct Answer:
গ: শওকত আলী
Explanation:
”ওয়ারিশ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন-- সঠিক উত্তর শওকত আলী ”ওয়ারিশ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন - - শওকত আলী। তার অন্যান্য উপন্যাস গুলো হল: পিঙ্গল আকাশ (১৯৬৩), যাত্রা (১৯৭৬), প্রদোষে প্রাকৃতজন (১৯৮৪), অপেক্ষা (১৯৮৪), দক্ষিণায়নের দিন (১৯৮৫), কুলায় কালস্রোত (১৯৮৬), পূর্বরাত্রি পূর্বদিন (১৯৮৬), সম্বল (১৯৮৬), গন্তব্যে অতঃপর (১৯৮৭), ভালোবাসা কারে কয় (১৯৮৮), যেতে চাই (১৯৮৮), ওয়ারিশ (১৯৮৯), বাসর ও মধুচন্দ্রিমা (১৯৯০), উত্তরের খেপ (১৯৯১), প্রেম কাহিনী (১৯৯১)।
'বনফুল' নিম্নোক্ত কোন লেখকের নাম?
Correct Answer:
গ: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
Explanation:
'বনফুল' নিম্নোক্ত কোন লেখকের নাম? সঠিক উত্তর বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল ছদ্মনাম - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এর। বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় একজন বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার এবং কবি। তিনি বনফুক ছদ্মনামেই অধিক পরিচিত। লেখক হিসেবে বনফুল হাজারের ও বেশি কবিতা, ৫৮৬ টি ছোটগল, ৬০ টি উপন্যাস, ৫ টি নাটকসহ আরো অনেক প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
”বাঙ্গালীর ইতিহাস” বইটির লেখক কে?
Correct Answer:
গ: নীহার রঞ্জন রায়
Explanation:
”বাঙ্গালীর ইতিহাস” বইটির লেখক কে? সঠিক উত্তর নীহার রঞ্জন রায় 'বাঙালির ইতিহাস' গবেষণাধর্মী গ্রন্থ। এই ইতিহাস গ্রন্থের লেখক নীহাররঞ্জন রায়। তিনি 'বাঙালির ইতিহাস' গ্রন্থটির জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন ১৯৪৮ সালে।
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটির লেখক কে?
Correct Answer:
ক: অদ্বৈত মল্লবর্মণ
Explanation:
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটির লেখক কে? সঠিক উত্তর অদ্বৈত মল্লবর্মণ অদ্বৈত মল্লবর্মণের সমগ্র সাহিত্যিক জীবনে 'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটি অমর কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। প্রতিকূল সংঘাতে ক্রমশ মুছে - আসা মৎস্যজীবী যে মানুষদের কাহিনী এই উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে তিনি সেই 'মালো' সম্প্রদায়েরই লোক ছিলেন।
'Long walk to freedom' এর লেখক কে ?
Correct Answer:
গ: নেলসন ম্যান্ডেলা
Explanation:
'Long walk to freedom' এর লেখক কে ? সঠিক উত্তর নেলসন ম্যান্ডেলা ' Long Walk for Freedom ' বইটির লেখক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলা। এটি তার একটি আত্মজীবনীমূলক বই। রাষ্ট্রদ্রোহ আর অন্তর্ঘাতের অভিযোগে 1964 সালে তাকে আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাকে ' রোবেন ' দ্বীপে অন্তরীণ করা হয়। লেনসন মেনডেলা এই বইয়ে তার 1963 থেকে 1990 সাল পর্যন্ত দীর্ঘ 27 বছরের কারাজীবন সহ নানা ঘটনা বর্ণনা করেছেন।
'ধানকন্যা' -এর লেখক কে?
Correct Answer:
খ: আলাউদ্দিন আল- আজাদ
Explanation:
'ধানকন্যা' -এর লেখক কে? সঠিক উত্তর আলাউদ্দিন আল- আজাদ ধানকন্যা - এর লেখক আলাউদ্দিন আল আজাদ। তিনি বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, নাট্যকার, গবেষক ও অধ্যাপক। তিনি ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। "ধানকন্যা" তার রচিত গল্পগ্রন্থ। তার রচিত প্রথম উপন্যাস "তেইশ নাম্বার তৈলচিত্র " ১৯৬০ সালে ছাপা হয়।
'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' গ্রন্থটির লেখক ?
Correct Answer:
ঘ: শামসুর রাহমান
Explanation:
'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' গ্রন্থটির লেখক ? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান " বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে" - গ্রন্থটির লেখক শামসুর রহমান। এটি শামসুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ। তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো - প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, বন্দি শিবির থেকে, রৌদ্র করোটিতে ইত্যাদি।
”জমিদার দর্পণ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন ---
Correct Answer:
খ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
”জমিদার দর্পণ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন --- সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন " জমিদার দর্পণ "নাটকটির লেখক মীর মশাররফ হোসেন। মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং প্রাবন্ধিক। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত " বিষাদ সিন্ধু" তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৭৩ সালে তার জমিদার দর্পণ নাটক প্রকাশিত হয়।
কোন লেখক মুসলিম নারী জাগরনের অগ্রদুত?
Correct Answer:
খ: বেগম রোকেয়া
Explanation:
কোন লেখক মুসলিম নারী জাগরনের অগ্রদুত? সঠিক উত্তর বেগম রোকেয়া বেগম রোকেয়া ছিলেন সাহিত্যিক, সমাজসেবী, ও শিক্ষাব্রতী। তিনি আজীবন মুসলমান নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের কাজ করেছেন। তাকে বলা হয় মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত।
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের লেখক-
Correct Answer:
ক: কবি আল মাহমুদ
Explanation:
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের লেখক- সঠিক উত্তর কবি আল মাহমুদ 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের লেখক - কবি আল মাহমুদ। মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা - পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী সংবাদপত্র দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২ - ১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থ সম্পাদনা: লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬), আরব্য রজনীর রাজহাঁস, বখতিয়ারের ঘোড়া।
'রায় নন্দিনী' গ্রন্থের লেখক -
Correct Answer:
গ: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
Explanation:
'রায় নন্দিনী' গ্রন্থের লেখক - সঠিক উত্তর সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী "রায় নন্দিনী " - গ্রন্থের লেখক সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী। সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন একজন বাঙালী লেখক ও কবি। তিনি ১৯ ও ২০ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের মধ্যে একজন। "রায় নন্দিনী" (১৯১৫) তার রচিত একটি উপন্যাস। তার উপন্যাস সমূহ বাংলা একাডেমী হতে প্রকাশিত হয়েছে।
'Origin and Development of the Bengali Language' গ্রন্থটির লেখক কে?
Correct Answer:
গ: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'Origin and Development of the Bengali Language' গ্রন্থটির লেখক কে? সঠিক উত্তর ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ড. সুকুমার সেন রচিত বাংলা ভাষার উপর লিখিত গ্রন্থ "ভাষার ইতিবৃত্ত". ডা. মুহম্মদ শশহীদুল্লাহর রচিত গ্রন্থ বাঙলা ব্যাকরন, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। বাংলা সাহিত্যেরকথা। ড. সুনীতি কুমারের লেখা গ্রন্থ বাঙালা ব্যাকরণ, Origin and development of the Bengali language. ড. দীনেশ চন্দ্রের লেখা History of Bengali Language and literatur.
'জোহরা' উপন্যাসের লেখক কে?
Correct Answer:
গ: মোজাম্মেল হক
Explanation:
'জোহরা' উপন্যাসের লেখক কে? সঠিক উত্তর মোজাম্মেল হক কাজী আবদুল ওদুদ এর উপন্যাস নদীবৃক্ষ। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ এর উপন্যাস লালসালু, চাদের আমাবস্যা, কাদো নদী কাদো। মোজাম্মেল হকের উপন্যাস জোহরা দরাফ খান গাজী। আবু ইসহাকের উপন্যাস সৃর্য দীঘল বাড়ি, পদ্মার পল দ্বীপ , জাল ইত্যাদি।
ইদানিং এখানকার কোন লেখক অনেক সায়েন্স ফিকশন লিখছেন?
Correct Answer:
গ: মুহম্মদ জাফর ইকবাল
Explanation:
ইদানিং এখানকার কোন লেখক অনেক সায়েন্স ফিকশন লিখছেন? সঠিক উত্তর মুহম্মদ জাফর ইকবাল বর্তমান কালে অনেক সায়েন্স ফিকশন রচনা করছেন - মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। মুহাম্মদ জাফর ইকবাল একজন বাংলাদেশি কথা সাহিত্যিক, কলাম লেখক, বিজ্ঞান কল্পকাহিনকল্পকাহিনী লেখক, শিক্ষাবিদ, পদার্থবিদ এবং আন্দোলনকর্মী। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ - নিউরনে অনুরণন, কপোট্রনিক ভালোবাসা ইত্যাদি।
'নকশী কাঁথার মাঠ' এর লেখক কে?
Correct Answer:
ঘ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
'নকশী কাঁথার মাঠ' এর লেখক কে? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন " নকশী কাঁথার মাঠ" - ১৯২৯ খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য আখ্যান কাব্য। বাংলা ভাষায় রচিত এ আখ্যান কাব্যের রচয়িতা বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। এটি জসীমউদ্দীনের একটি অনবদ্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজি ভাষায় অনুদিত হয়ে বিশ্বপাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
'বীরবল' নিম্নোক্ত একজন লেখকের ছদ্মনাম-
Correct Answer:
ক: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
'বীরবল' নিম্নোক্ত একজন লেখকের ছদ্মনাম- সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বীরবল প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। তিনি সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন।
”নয়নচারা” গল্পের লেখক কে?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation:
”নয়নচারা” গল্পের লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ নয়ন চারা - গল্পের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। তার রচিত কয়েকটি গল্প গ্রন্থ নয়নচারা (১৯৫১) , দুই তীর ও অন্যান্য (১৯৬৫) , গল্প সমগ্র (১৯৭২)।
১৯ শতকের প্রথম মুসলিম লেখক-
Correct Answer:
গ: খন্দকার শামসুদ্দিন মুহম্মদ সিদ্দিকী
Explanation:
১৯ শতকের প্রথম মুসলিম লেখক- সঠিক উত্তর খন্দকার শামসুদ্দিন মুহম্মদ সিদ্দিকী সিদ্দিকী, খোন্দকার শামসুদ্দীন মোহাম্মদ উনিশ শতকের প্রথম মুসলমান গদ্যলেখক। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার সর্বমঙ্গল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা খোন্দকার গোলাম ফরিদ ছিলেন একজন পীর। সুফি সাধক ও তত্ত্বজ্ঞানী হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিল। তিনি ফকিরিমতে বহু লোককে দীক্ষিত করেন। শামসুদ্দীন নিজেও এ ধারার অনুসারী ছিলেন। তাঁর রচিত দুখানি গ্রন্থ হলো ভাবলাভ (১৮৫৩) ও উচিৎ শ্রবণ অর্থাৎ পারমার্থিক ভাব (১৮৬০)। প্রথমটি পদ্যে এবং দ্বিতীয়টি গদ্য - পদ্যের মিশ্রণে রচিত সুফিতত্ত্বের গ্রন্থ। শামসুদ্দীনের গদ্যের ভাষা আধুনিক, কিন্তু আড়ষ্ট। তবে তাঁর কবিতার ভাষা শুদ্ধ, প্রাঞ্জল ও অর্থবহ। বিশেষত গানের আঙ্গিকে রচিত কবিতায় তাঁর সৃজনশীল শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। ‘আমার প্রাণ - প্রেয়সী সরদ শশী হাস্যবদনী/ দীর্ঘনাসি কুটিলকেশী মৃগনয়নী/ জিজ্ঞাসিলে কেহে তুমি, কৈলাস অনুগত আমি/ যাবে কোথা জিজ্ঞাসিল আবার কামিনী। ’ তাঁর উচিৎ শ্রবণ গ্রন্থের এই গানে গজলের প্রভাব আছে।
'বিষাদ সিন্ধু' লেখকের পরিচয়-
Correct Answer:
ক: গৌরনদীর তীরে লাহিনীপাড়ার লোক
Explanation:
'বিষাদ সিন্ধু' লেখকের পরিচয়- সঠিক উত্তর গৌরনদীর তীরে লাহিনীপাড়ার লোক বিষাদ - সিন্ধু হল মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে (বর্তমান বাংলাদেশ) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
'এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে'র লেখক কে?
Correct Answer:
খ: আবদুল্লাহ আল মুতী
Explanation:
'এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে'র লেখক কে? সঠিক উত্তর আবদুল্লাহ আল মুতী আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন (১৯৩০ - ১৯৯৮) এর বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রঞ্ছ ‘এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে’, ‘অবাক পৃথিবী’, ‘রহস্যের শেষ নেই’, ‘জানা অজানা দেশে’, ‘আবিষ্কারের নেশায়’, ‘সাগরী রহস্যপুরী, ‘বিজ্ঞান ও মানুষ’, ‘এ যুগে বিজ্ঞান’।