Bengali literature MCQs
Showing 50 questions (Total: 1027)
' যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে মুখ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
Correct Answer:
ক: শক্তি
Explanation:
' যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে মুখ বলতে কী বুঝানো হয়েছে? সঠিক উত্তর শক্তি “মুখ” শব্দের বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ:মেয়েটির মুখটি বড় মিষ্টি(দেহের অঙ্গ)। মুখের জোরেই সে করে খাচ্ছে(বক্তৃতার ক্ষমতা)। এমন কথা মুখে আনাও পাপ (বলা)। তুমি আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছ (সম্মান বাড়ানো)। মুখে মুখে কথা বলবে না(তর্ক করা)।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা ?
Correct Answer:
ঘ: বাংলা সাহিত্যের কথা
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা ? সঠিক উত্তর বাংলা সাহিত্যের কথা বহুভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর (১৮৮৫ - ১৯৬৯) দুই খণ্ডে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ - 'বাংলা সাহিত্যের কথা' (১ম খণ্ড) ১৯৫৩ , ২য় খণ্ড ১৯৬৫) । তার ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ - ' ভাষা ও সাহিত্য , বাংলা ব্যাকরণ, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। তার শিশুতোষ গ্রন্থ: শেষ নবীর সন্ধানে, ছোটদের রসুলুল্লাহ, সেকালের রুপকথা প্রভৃতি। অন্যদিকে 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' ও 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস ' গ্রন্থ দুটির লেখক যথাক্রমে ' ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং ড. সুকুমার সেন। মুহম্মদ আবদুল হাই এবং সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' গ্রন্থটি রচনা করেন।
'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
Correct Answer:
গ: চন্দ্রকুমার দে
Explanation:
'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে? সঠিক উত্তর চন্দ্রকুমার দে বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা প্রচলিত রয়েছে। যথা : নাথ গীতিকা , মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা। 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তার সংগৃহীত পূর্ববঙ্গ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালা : মইষাল বন্ধু, ভেলুয়া, কমলারানী , দেওয়ান ঈসা খাঁ, আয়না বিবি, শিলাদেবী বণ্ডুলার বারমাসী, ভারাইয়া রাজা। এসব পালা দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা ' নামে ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় । অন্যদিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অমরকীর্তি হলো বাংলাভাষার প্রথম'চর্যাপদ' উদ্ধার। শিশুসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য গ্রন্থ: ঠাকুরমার ঝুলি, ঠাকুর দাদার ঝুলি।
Ode কী?
Correct Answer:
D: কোরাসগান
Explanation:
Ode কী? Correct Answer কোরাসগান Ode - এর আভিধানিক বা গাথাকবিতা । অনেকে Ode - কে স্ত্রোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক Elegy অর্থ শোককবিতা।
ব্রজবুলি কি?
Correct Answer:
ঘ: মিথিলা ও বাংলার মিশ্র ভাষা
Explanation:
ব্রজবুলি কি? সঠিক উত্তর মিথিলা ও বাংলার মিশ্র ভাষা ব্রজবুলি ভাষায় বিদ্যাপতি রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ লিখেছেন।
ওমর খৈয়ামের দেশের নাম কি?
Correct Answer:
ক: ইরান
Explanation:
ওমর খৈয়ামের দেশের নাম কি? সঠিক উত্তর ইরান ওমর খৈয়াম ফারসি ভাষার কবি। তার বিখ্যাত রচনা 'রুবাইয়াত' ।
বাংলা সাহিত্যের যুগকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
Correct Answer:
ক: ৩ ভাগে
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের যুগকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়? সঠিক উত্তর ৩ ভাগে বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের ইতিহাস প্রধানত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: আদিযুগ বা প্রাচীন যুগ (আনুমানিক ৬৫০ খ্রি. মতান্তরে ৯৫০ খ্রি.–১২০০ খ্রি.) মধ্যযুগ (১২০১ খ্রি.–১৮০০ খ্রি.) আধুনিক যুগ (১৮০১ খ্রি.–বর্তমান কাল)
বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার জনক কে?
Correct Answer:
ঘ: মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার জনক কে? সঠিক উত্তর মধুসূদন দত্ত মধুসূদন দত্ত নাট্যকার হিসেবেই প্রথম বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনে পদার্পণ করেন। রামনারায়ণ তর্করত্ন বিরচিত 'রত্নাবলী' নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করতে গিয়ে তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে উপযুক্ত নাটকের অভাব বোধ করেন। এই অভাব পূরণের লক্ষ্য নিয়েই তিনি নাটক লেখায় আগ্রহী হয়েছিলেন। ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি রচনা করেন ‘শর্মিষ্ঠা' নাটক। এটিই প্রকৃত অর্থে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক। ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি রচনা করেন দুটি প্রহসন, যথা: 'একেই কি বলে সভ্যতা' এবং 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' এবং পূর্ণাঙ্গ 'পদ্মাবতী' নাটক। পদ্মাবতী নাটকেই তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অমিত্রাক্ষরে লেখেন 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্য। এরপর একে একে রচিত হয় 'মেঘনাদ বধ কাব্য' (১৮৬১) নামে মহাকাব্য, 'ব্রজাঙ্গনা' কাব্য (১৮৬১), 'কৃষ্ণকুমারী' নাটক (১৮৬১), 'বীরাঙ্গনা' কাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতা (১৮৬৬)।
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় '-- পঙক্তিটির রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
খ: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় '-- পঙক্তিটির রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত স্বদেশপ্রেমিক কবিরূপে বিখ্যাত। তার রচিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদ্মিনী উপাখ্যান, কর্মদেবী এবং শূরসুন্দরী। টডের অ্যানাল্স্ অফ রাজস্থান থেকে কাহিনীর অংশ নিয়ে তিনি পদ্মিনী উপাখ্যান রচনা করেন। তার মৃত্যুর পর স্বদেশী যুগের বিপ্লবীদের মধ্যে পদ্মিনী উপাখ্যানের অংশ - “ স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় ” খুবই বিখ্যাত ছিল।
A bad workman quarrels with his tools---
Correct Answer:
B: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
Explanation:
A bad workman quarrels with his tools--- Correct Answer নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। →A bad workman quarrels with his tools..ন্যাংটার নাই বাটপাড়ের ভয়। →A beggar may sing before a pick - pocket..ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়। →A burnt child dreads the fire..দুঃখের পরিণতি সুখে। →Adversity often leads to prosperity..অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু। →A friend in need is a friend indeed..চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। →After death comes the doctor..নুন আনতে পান্তা ফুরায়। →After meat comes mustard..অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী। →A little learning is a dangerous thing..অতি লোভে তাঁতি নষ্ট। →All covet, all lost..সব ভাল যার শেষ ভাল তার। →All's well that ends well..চকচক করলেই সোনা হয় না। →All that glitters is not gold..সবুরে মেওয়া ফলে। →All things come to him who waits..
'একাত্তরের দিনগুলি' কী জাতীয় গ্রস্থ?
Correct Answer:
ক: স্মৃতিকথা
Explanation:
'একাত্তরের দিনগুলি' কী জাতীয় গ্রস্থ? সঠিক উত্তর স্মৃতিকথা একাত্তরের দিনগুলি বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গ্রন্থ। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, এরপর আরো অনেকবার এটি পুনঃমুদ্রিত হয়। বইটি ব্যক্তিগত দিনলিপি আকারে লেখা, যার শুরু ১৯৭১ সালের ১ মার্চ এবং সমাপ্তি সেই বছরের ১৭ ডিসেম্বর। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকা শহরের অবস্থা ও গেরিলা তৎপরতার বাস্তব চিত্র এতে উঠে এসেছে। বইটিতে তার সন্তান শফি ইমাম রুমী অন্যতম প্রধান চরিত্র হিসেবে দেখা দেয় এবং তার মৃত্যুর জন্য জাহানারা ইমাম শহীদ জননী উপাধি পান।
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত কে?
Correct Answer:
খ: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
Explanation:
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত কে? সঠিক উত্তর রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বেগম রোকেয়া ছিলেন সাহিত্যিক, সমাজসেবী ও শিক্ষাব্রতী। তিনি আজীবন মুসলমান নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করেছেন। তাকে বলা হয় মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ।
বাংলা সাহিত্যে শ্রেষ্ঠ কিশোর চরিত্র কোনটি?
Correct Answer:
খ: ইন্দ্রনাথ
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে শ্রেষ্ঠ কিশোর চরিত্র কোনটি? সঠিক উত্তর ইন্দ্রনাথ শরৎচন্দ্রের আত্নজৈবনিক উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' এর প্রথম পর্বের সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় চরিত্র 'ইন্দ্রনাথ' । বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কিশোর চরিত্র ইন্দ্রনাথ ।
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'- এই প্রার্থনা কার?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরী পাটনী
Explanation:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'- এই প্রার্থনা কার? সঠিক উত্তর ঈশ্বরী পাটনী ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ উক্তিটি করেছিলেন ঈশ্বরী পাটনি। ইক্তিটি পাওয়া যায় ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে। ‘ভাডু দত্ত’ চন্ডীমঙ্গলের এবং ‘চাঁদ সওদাগর’ পদ্মপুরাণের বিখ্যাত চরিত্র।
বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম কি ?
Correct Answer:
ক: সুন্দরম
Explanation:
বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম কি ? সঠিক উত্তর সুন্দরম বর্তমানে বাংলা একাডেমি থেকে ‘ধান শালিকের দেশ’, ‘উত্ত্রাধিকার’, ‘বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা’, ‘বাংলা একাডেমি পত্রিকা;, ‘লেখা’ ও ‘বাংলা একাডেমি জার্নাল’ নামে ৬ টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে শুরুর দিকে ‘উত্তরাধিকার’ ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হলেও বর্তমানে পত্রিকাটি মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। অন্যদিকে ‘ধান শালিকের দেশ’ হচ্চে ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা। কাজেই প্রশ্নে সঠিক উত্তর দেয়া নেই।
একজন ভালো শিক্ষকের কি কি যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার?
Correct Answer:
ঘ: পড়ানো, সঠিক পরিচালনা ও গাইড করা
Explanation:
একজন ভালো শিক্ষকের কি কি যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার? সঠিক উত্তর পড়ানো, সঠিক পরিচালনা ও গাইড করা সফল শিক্ষকের গুনাবলীর বর্ণনায় গবেষক Trever kdrry - 1981 বলেন, 1. শিক্ষক নিজের জন্য একটি স্পষ্ট টার্গেট নির্ধারণ করবেন যা বাস্তবায়নের জন্য তিনি কাজ করে যাবেন। 2. তিনি যা করতে যাচ্ছেন তার স্পষ্টাকারে বর্ণনা দেবেন। 3. তিনি মনোযোগসহ ছাত্রদের কথা শুনবেন। 4. তিনি সজাগ দৃষ্টির অধিকারি হবেন। 5. ছাত্রদের মাঝে সামাজিক ও বৈষয়িক পার্থক্যসমূহ দূরীভূত করার জন্য উৎসাহী হবেন। 6. শিক্ষক তার অভিমত ও রায় বস্তুনিষ্ঠ দলিল প্রমাণের ভিত্তিতে দাঁড় করাবেন। 7. শিক্ষক তার ছাত্রদেরকে এমন প্রশ্ন করবেন যার দ্বারা ছাত্রদের চিন্তাশক্তি শানিত হয়, তাদের উদ্ভাবন ক্ষমতা বাড়ে। 8. দলিল - প্রমাণ বিবর্জিত পূর্বনির্ধারিত যে - কোন সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকবেন। 9. আলোচনা - পর্যালোচনা, পাঠদান সুনির্দিষ্ট একটি বিষয়ে সীমিত রাখবেন। বিক্ষিপ্ত হবেন না। 10. শেখা ও জ্ঞান লাভের প্রতি ছাত্রদেরকে আগ্রহী করে তুলবেন এবং নিজেও আগ্রহী হবেন। 11. যেসব তথ্য ছাত্রদের জানা প্রয়োজন বা ছাত্ররা যেসব তথ্য জানতে আগ্রহী সেগুলো তিনি জানাবেন। 12. ছাত্রদেরকে মূল্যানের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠার আশ্রয় নেবেন। ব্যক্তিগত রায় অথবা স্বেচ্ছায়চারিত বর্জন করবেন।
'আমার সোনার বাংলা' রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রথম কত পঙ্ক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত?
Correct Answer:
গ: ১০
Explanation:
'আমার সোনার বাংলা' রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রথম কত পঙ্ক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত? সঠিক উত্তর ১০ ‘আমার সোনার বাংলা’ রবিন্দ্রসঙ্গীতের প্রথম ১০ পঙক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত। ‘আমার সোনার বাংলা’ গান্টির গীতিকার ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরধের আন্দোলনের সময় পূর্ব ও পশ্চিম বঙ্গকে একীভূত ক্রার উদ্দেশ্যে এ গানটি রচনা করেন। গানটি ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কোলকাতায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সমাবেশে প্রথম গাওয়া হয়।
'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়'-গানটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: আব্দুল লতিফ
Explanation:
'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়'-গানটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আব্দুল লতিফ 1. “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি” গানটির গীতিকার কে.?_____গোবিন্দ হালদার [সুরকার এবং গায়কঃ→আপেল মাহমুদ]। 2. “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি” গানটির বর্তমান সুরকার কে.? _____আলতাফ মাহমুদ [লেখকঃ→আব্দুল গাফফার চৌধুরী] [১ম সুরকারঃ→আব্দুল লতিফ]। 3. “সালাম সালাম হাজার সালাম”এই গানটির সুরকার ও শিল্পী কে.?_____আব্দুল জব্বার [গীতিকারঃ→ফজল এ খোদা]। 4. “জয় বাংলা বাংলার জয়” গানটির গীতিকার কে.?_____গাজী মাজহারুল আনোয়ার [সুরকারঃ→আনোয়ার পারভেজ]। 5. “এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা…” গানটির রচয়িতা কে.?_____গোবিন্দ হালদার [সুরকারঃ→আপেল মাহমুদ] [১ম শিল্পীঃ→স্বপ্না রায়]। 6. “এক নদী রক্ত পেরিয়ে…” গানটির গীতিকার ও সুরকার কে.?_____খান অাতাউর রহমান [শিল্পীঃ→শাহনাজ রহমতুল্লাহ]। 7. “ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়” গানটির রচয়িতা ও সুরকার কে.?_____আব্দুল লতিফ। 8. “ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা” গানটির গীতিকার ও সুরকার কে.?_____দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা নাম কি?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা নাম কি? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটির গীতিকার ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধে আন্দোলনের সময় পূর্ব ও পশ্চিমে উভয় বঙ্গকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে এ গানটি রচনা করেন। গানটি ১৯০৫ সালের ৭ আগষ্ট কোলকাতার বিরোধী আন্দোলনের সমাবেশে প্রথম গাওয়া হয়।
বাংলা সাহিত্যের আদি নির্দশন কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের আদি নির্দশন কোনটি? সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ হলো গানের সংকলন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে চর্যাপদ আবিস্কার করেন। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। এর বিষয়বস্তু বৌদ্ধধর্ম মতে সাধন - ভজনের তত্ত্ব প্রকাশ। চর্যার পদগুলো ‘সন্ধ্যা ভাষায়’ রচিত।
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি কে?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে ‘বিদ্রোহী’ কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ‘অগ্নিবীণা’। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে। এ কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা ‘বিদ্রোহী’ এবং প্রথম কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’।
”নকশী কাঁথার মাঠ” এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: জসীমউদ্দিন
Explanation:
”নকশী কাঁথার মাঠ” এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দিন পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ (১৯২৯) একটি কাব্যগ্রন্থ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে রাখালী (১৯২৭), বালুচর (১৯৩০), মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), ধানক্ষেত (১৯৩১), সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩), হাসু (১৯৩৮), মাটির কান্না (১৯৫১) ইত্যাদি। তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে - পদ্মাপাড় (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা (১৯৫১) ইত্যাদি। তার রচিত উপন্যাস হলো - বোবা কাহিনী (১৯৬৪) এবং প্রবন্ধ ও সম্পাদিত গ্রন্থ হলো - জারি গান (১৯৬৮) ও মুর্শিদী গান (১৯৭৭)।
বিভীষণের স্ত্রীর নাম কি?
Correct Answer:
ঘ: সরমা
Explanation:
বিভীষণের স্ত্রীর নাম কি? সঠিক উত্তর সরমা রামায়ণের ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনী অবলম্বনে রচিত মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাবধ কাব্যের অন্যতম প্রধান চরিত্রগুলো হলো বিভীষণ, রাম, রাবণ, সরমা, লক্ষন, সীতা, মেঘনাদ প্রমুখ। এখানে বিভীষণের স্ত্রী ছিলেন সরমা, যিনি বিভীষণকে খারাপ পথ থেকে ভালো পথে আসতে উদ্বুদ্ধ করেন। অবশ্য পরবর্তীতে রাবনের মৃত্যের পর তার বিধবা স্ত্রী মন্দোদরীকে ও রামের পরামর্শক্রমে বিভীষণ বিয়ে করেন।
প্রাণদ : জল : : মহীজ : ?
Correct Answer:
খ: গ্রহ
Explanation:
প্রাণদ : জল : : মহীজ : ? সঠিক উত্তর গ্রহ মহীজ শব্দের অর্থ আসামি। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Mars। আবার এর বাংলা অর্থ মঙ্গলগ্রহ, যা গ্রহের একক রুপ। সুতরাং মহীজের সমার্থক গ্রহ। অন্যদিকে নিঃসর্গ পৃথিবীর সমার্থক শব্দ মহী, মহীজ নয়।
বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কাকে?
Correct Answer:
খ: চার্লস উইলকিন্স
Explanation:
বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কাকে? সঠিক উত্তর চার্লস উইলকিন্স বাংলা মুদ্রাক্ষরেরে জনক বলা হয় চার্লস উইলকিন্সকে। তিনি ১৭৭৮ সালে হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি নিজেই বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন। তবে তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তীতে পঞ্চানন কর্মকার বাংলা অক্ষর খোদাই করেন।
”আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী”- গানটির সুরকার কে?
Correct Answer:
ক: আলতাফ মাহমুদ
Explanation:
”আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী”- গানটির সুরকার কে? সঠিক উত্তর আলতাফ মাহমুদ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বিখ্যাত এই গানটির প্রথম সুরকার প্রয়াত আবদুল লতিফ এবং বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ। উল্লেখ্য, গানটির গীতিকার বা রচিয়তা আবদুল গাফফার চৌধুরী।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধানত কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন ?
Correct Answer:
ঘ: ভাষাতত্ত্ববিদ
Explanation:
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধানত কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন ? সঠিক উত্তর ভাষাতত্ত্ববিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক, অনুবাদক,চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যারা অবদান রেখেছেন, তাদের মধ্যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অন্যতম। জন্ম : ১০ জুলাই ১৮৮৫, পশ্চিমবঙ্গের পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে।
বুলবুল চৌধুরী খ্যাত-
Correct Answer:
খ: নৃত্যের জন্য
Explanation:
বুলবুল চৌধুরী খ্যাত- সঠিক উত্তর নৃত্যের জন্য বুলবুল চৌধুরি (১৯১৯ - ১৯৫৪) নৃত্যশিল্পী ও লেখক হিসেবে খ্যাত হলেও তিনি তার নৃত্যের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তার আসল নাম রশীদ আহমদ চৌধুরী। বুলবুল চৌধুরীর নাচ দেখে ইরানের শাহেন শাহ, ভারতের তৎকালীর প্রধানমন্ত্রী জওহরলার নেহেরু, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান, সাম্যবাদী নেতা রজনী পাম দত্ত প্রমুখ রাষ্ট্রনায়ক ও মনীষী বিমুগ্ধ হন এবং তারা বুলবুল চৌধুরীকে ‘মহৎ নৃত্যুশিল্পী’ রুপে আখ্যায়িত করেন। তার স্মৃতিকে অম্লান রাখার জন্য মাহমুদ নুরুল হুদা কর্তৃক ১৯৫৫ সালে ঢাকায় ‘বুলবুল ললিতকলা একাডেমি’ প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য বুলবুল চৌধুরী নামে পুরাতন ঢাকার আরেক জন লেখক রয়েছেন।
বাংলা সাহিত্যের আদিগ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের আদিগ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা সাহি্ত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ। সে হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম গ্রস্থ। ‘চর্যাপদ’ হলো গানের সংকলন, যা রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রস্থশালা থেকে ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে ‘চর্যাপদ’ আবিস্কার করনে। ‘শূন্যপুরাণ’ রামাইপগিুত রচিত মধ্যযুগের প্রথম দিককার বৌদ্ধ ধর্মীয় গ্রস্থ।
মানুষের ভাব প্রকাশের বাহন কোনটি?
Correct Answer:
গ: ভাষা
Explanation:
মানুষের ভাব প্রকাশের বাহন কোনটি? সঠিক উত্তর ভাষা ভাষা মানুষে - মানুষে যোগাযোগের প্রধানতম বাহন। ভাষার কতটুকু মানুষের কোন জন্মগত বৈশিষ্ট্য আর কতটুকু পরিবেশনির্ভর সে ব্যাপারে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীদের মতভেদ আছে। তবে সবাই একমত যে স্বাভাবিক মানুষমাত্রেই ভাষা অর্জনের মানসিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়, এবং একবার ভাষার মূলসূত্রগুলি আয়ত্ত করে ফেলার পর বাকী জীবন ধরে মানুষ তার ভাষায় অসংখ্য নতুন নতুন বাক্য সৃষ্টি করতে পারে। এরকম অসীম প্রকাশক্ষমতাসম্পন্ন ভাষা একান্তই একটি মানবিক বৈশিষ্ট্য; মানুষ ছাড়া আর কোন প্রাণী এই ক্ষমতার অধিকারী নয়। প্রতিটি মানুষ ভাষা আয়ত্ত করার সহজাত বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্ম নেয় এবং ঐ মানুষটি যে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক পর্যায়ের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিবেশ - বেষ্টিত ভাষিক সমাজের অন্তর্গত, সেই সমাজে সে দৈনন্দিন ভাষাপ্রয়োগের মাধ্যমে তার নিজস্ব ভাষাজ্ঞান বিকশিত করে।
স্বদেশী আন্দোলন কি?
Correct Answer:
খ: ইংরেজ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন
Explanation:
স্বদেশী আন্দোলন কি? সঠিক উত্তর ইংরেজ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন স্বদেশী আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি অংশ। স্বদেশী আদর্শে উদ্বুদ্ধ এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিকভাবে ব্রিটিশ শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্থ করে ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসনের উচ্ছেদসাধন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নতিসাধন। আন্দোলনের রণকৌশলের অন্তর্গত ছিল ব্রিটিশ পণ্য বয়কট এবং দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার উন্নতিসাধন। স্বদেশী আন্দোলনের উৎস ছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী গণজাগরণ। এটি ১৯১১ সাল পর্যন্ত চলেছিলো।
”প্রতীকধর্মী” মানে হচ্ছে-
Correct Answer:
ক: নিদর্শন জ্ঞাপক
Explanation:
”প্রতীকধর্মী” মানে হচ্ছে- সঠিক উত্তর নিদর্শন জ্ঞাপক ক্রীতদাসের হাসি প্রতীকধর্মী উপন্যাস ।
আদিস্বর অনুযায়ী অন্ত্যস্বর পরিবর্তিত হলে কোন ধরনের স্বরসংগতি হয়?
Correct Answer:
গ: প্রগত
Explanation:
আদিস্বর অনুযায়ী অন্ত্যস্বর পরিবর্তিত হলে কোন ধরনের স্বরসংগতি হয়? সঠিক উত্তর প্রগত প্রগত :আগের স্বরধ্বনি অনুযায়ী পরের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হলে, তাকে প্রগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন, মুলা˃ মুলো, শিকা˃ শিকে, তুলা˃ তুলো । পরাগত : পরের স্বরধ্বনি অনুযায়ী আগের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হলে, তাকে পরাগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন, আখো˃ আখুয়া˃ এখো, দেশি˃ দিশি।
খাদি কাপড়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য কি?
Correct Answer:
ঘ: এটি হাতের তৈরী
Explanation:
খাদি কাপড়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য কি? সঠিক উত্তর এটি হাতের তৈরী খাদি কাপড় মূলত মোটা। কারণ তুলার গোলা নিয়ে নাটাইয়ের মতো চড়কা ঘুরিয়ে হাতে খাদির সুতা তৈরি করা হয়। খালি হাতে সুতার সরু ও মসৃণতা ধরে রাখা যায় না। আর এটাই খাদি কাপড়ের মূল বৈশিষ্ট্য। কাপড় মোটা হলেও পরিধানে খুবই আরামদায়ক।
বাংলাদেশে বড় বড় শিল্প কারখানা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছে?
Correct Answer:
ক: শীতলক্ষ্যা
Explanation:
বাংলাদেশে বড় বড় শিল্প কারখানা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছে? সঠিক উত্তর শীতলক্ষ্যা শীতলক্ষ্যা নদী বা লক্ষ্ম্যা নদী বাংলাদেশের উত্তর - কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নরসিংদী গাজীপুর, ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১০৮ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২২৮ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক শীতলক্ষ্যা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর - কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী নং ৫৫। এটি নারায়ণগড় জেলার রুপগনজ এ অবস্থিত।
বাংলা সাহিত্যে কথ্য রীতির প্রচলনে কোন পত্রিকার অবদান বেশি?
Correct Answer:
খ: সবুজপত্র
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে কথ্য রীতির প্রচলনে কোন পত্রিকার অবদান বেশি? সঠিক উত্তর সবুজপত্র প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে ‘সবুজপর’ পরিকাটি প্রকাশিত হয় । বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এ পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম । কেননা এর মাধ্যমে সাধু গদ্যরীতির পরিবর্তে চলিত গদ্যরীতির ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের রণসংগীতের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
বাংলাদেশের রণসংগীতের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'সন্ধ্যা' কাব্যের একটি কবিতা 'চল চল চল'। এটি প্রথম 'নতুনের গান' শিরোনামে 'শিখা' পত্রিকায় ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারী স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ কবিতার ২১ চরণ বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
পূঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ হামজা
Explanation:
পূঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ হামজা পূঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক সৈয়দ হামজা। সৈয়দ হামজা (জন্ম: ১৭৫৫ - মৃত্যু: ১৮১৫) সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। তিনি পুথিঁ সাহিত্যিক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
ঘ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক কে? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী প্রমথ চৌধুরী (১৮৬৮ - ১৯৪৬) কে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়। তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি চলিত ভাষার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল।
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কি?
Correct Answer:
গ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কি? সঠিক উত্তর চর্যাপদ চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন।
আধুনিক শিক্ষার সর্বনাশা স্রোতে তলিয়ে যাচ্ছে---
Correct Answer:
খ: পল্লী সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা
Explanation:
আধুনিক শিক্ষার সর্বনাশা স্রোতে তলিয়ে যাচ্ছে--- সঠিক উত্তর পল্লী সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা বর্ণনাঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর ‘পল্লীসাহিত্য’ প্রবন্ধে লেখক পল্লীসাহিত্যের প্রাচীন সম্পদগুলোর পরিচয় তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে পল্লীর রূপকথা, উপকথা, প্রবাদ - প্রবচন, ডাক ও খনার বচন, ঘুম পাড়ানি গান, খোকাখুকির ছড়া, খেলাধুলার বাঁধা গৎ ও পল্লীর বিভিন্ন গান আছে। পল্লীর রূপকথা - উপকথাগুলো আরব্য উপন্যাস অথবা চার্লস ল্যাম্ব কর্তৃক অনূদিত শেকসপিয়ারের গল্পগুলো থেকে কম মনোহর নয়। সেগুলো সংগ্রহ করলে বিশ্বকোষের মতো কয়েক বালামে তার স্থান সংকুলান হতো না। পল্লীর বাদ - প্রবচনগুলো, যেমন—‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা নেই’, ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’। ‘আপনি বাঁচলে বাপের নাম’, ডাক ও খনার বচনে বহু যুগের ভূয়োদর্শনের পরিপক্ব ফল সঞ্চিত হয়ে আছে। জাতির পুরনো ইতিহাসের গোপন কথাও এর মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন—পিঁড়েয় বসে পেঁড়োর খবর’—এই প্রবাদটি সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন পাণ্ড্রুয়া বঙ্গের রাজধানী ছিল। তারপর পল্লীর ছড়া যেমন—‘রৌদ্র হচ্ছে, পানি হচ্ছে/খেঁকশিয়ালীর বিয়ে হচ্ছে’—এগুলো সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস। আজ দুঃখ - দৈন্যে মানুষের প্রাণে সুখ নেই বলে লোকে ক্রমেই ছড়া ভুলে যাচ্ছে। আবার খেলাধুলার বাঁধা বুলি যেমন—‘এক হাত বোল্লা, বারো হাত শিং/ উড়ে যায় বোল্লা ধা তিং তিং’—বিদেশি খেলা প্রচলনের সঙ্গে সঙ্গে এগুলোও লোপ পাওয়ার উপক্রম করেছে। পল্লীর জারি, ভাটিয়ালি, রাখালি, মারফতি গানগুলো, যা অমূল্য রতন বিশেষ, সেগুলোও আজ শহুরে সমাজে অপাঙেক্তয়, অবহেলিত অথচ ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নে রে / আমি আর বাইতে পারলাম না’—এ গানটির সঙ্গে শহুরে গানের কোনো তুলনাই চলে না। অথচ পল্লীর এই প্রাচীন সাহিত্য সম্পদগুলো ধারাবাহিকভাবে সংগ্রহের কোনো চেষ্টায় চলছে না। উদ্দীপকের ঐশী - শশীর ডাক্তার মা মেয়েদের বিদেশি গল্পের অনুবাদ শোনান বলে ওরা দাদির মুখে উপকথা - রূপকথা শুনতে পারছে না। আর ওগুলো ক্রমেই বিস্মৃতির অতলগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে শুধু এটুকুই বলা হয়েছে।
পল্লী সাহিত্যের কোন বিষয় নৃতত্ত্বের মূল্যবান উপকরণ বলে পন্ডিত সমাজ মনে করছেন?
Correct Answer:
গ: বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
Explanation:
পল্লী সাহিত্যের কোন বিষয় নৃতত্ত্বের মূল্যবান উপকরণ বলে পন্ডিত সমাজ মনে করছেন? সঠিক উত্তর বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ভ্রমণকাহিনী বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। তার রম্যরচনা তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা।
'বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয় ' -- মেয়েটি কে?
Correct Answer:
ক: কদম্ব ফুল
Explanation:
'বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয় ' -- মেয়েটি কে? সঠিক উত্তর কদম্ব ফুল 'বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয়'_ জসীমউদ্দীন রচিত'পল্লী বর্ষা' কবিতার পঙ্ক্তিটিতে 'মেয়ে' বলতে বোঝানো হয়েছে কদম ফুল
”বৈরাগ্য সাধনে ------ সে আমার নয়।” (শুন্যস্থান পূরণ করুন)
Correct Answer:
খ: মুক্তি
Explanation:
”বৈরাগ্য সাধনে ------ সে আমার নয়।” (শুন্যস্থান পূরণ করুন) সঠিক উত্তর মুক্তি বৈরাগ্যসাধনে মুক্তি, সে আমার নয়। অসংখ্যবন্ধন - মাঝে মহানন্দময় লভিব মুক্তির স্বাদ। এই বসুধার মৃত্তিকার পাত্রখানি ভরি বারম্বার তোমার অমৃত ঢালি দিবে অবিরত নানাবর্ণগন্ধময়। প্রদীপের মতো সমস্ত সংসার মোর লক্ষ বর্তিকায় জ্বালায়ে তুলিবে আলো তোমারি শিখায় তোমার মন্দির - মাঝে। ইন্দ্রিয়ের দ্বার রুদ্ধ করি যোগাসন, সে নহে আমার। যে কিছু আনন্দ আছে দৃশ্যে গন্ধে গানে তোমার আনন্দ রবে তার মাঝখানে। মোহ মোর মুক্তিরূপে উঠিবে জ্বলিয়া, প্রেম মোর ভক্তিরূপে রহিবে ফলিয়া।
সুযোগ-সুবিধা প্রার্থনা করে কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত পত্রের নাম--
Correct Answer:
ঘ: আবেদনপত্র
Explanation:
সুযোগ-সুবিধা প্রার্থনা করে কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত পত্রের নাম-- সঠিক উত্তর আবেদনপত্র সুযোগ সুবিধা প্রার্থনা করে কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিতত পত্রের নাম দরখাস্ত বা আবেদন পত্র।আবেদন পত্র লেখার সময় যার কাছে আবেদন পত্র দেয়া হয় তা সঠিক ভাবে লিখতে হয়।যেমন: বিদ্যালয় নিয়ে লেখার সময় প্রধান শিক্ষক,অফিস এ কারো কাছে আবেদন লিখলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নাম উল্লেখ করতে হয়।
চৈতন্য দেব ছিলেন--
Correct Answer:
ক: বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক
Explanation:
চৈতন্য দেব ছিলেন-- সঠিক উত্তর বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক শ্রীচৈতন্যদেব ১৪৮৬ সালে জন্মগ্রহন করেন। তার ভক্ত - শিষ্যরা তার জীবনবস্থায় তার জীবন কাহিনী নিয়ে কাব্য রচনা করেন। এ জীবনি কাব্য বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। তিনি ছিলেন বৈঞ্চব ধর্মের প্রচারক। তিনি কোন সাহিত্যে রচনা না করে ও বাংলা সাহিত্যে একটি যুগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
”আধেক” কথাটির শিষ্টরুপ কি?
Correct Answer:
ক: অর্ধেক
Explanation:
”আধেক” কথাটির শিষ্টরুপ কি? সঠিক উত্তর অর্ধেক আধেক শব্দটীর শিষ্টরুপ হলো " অর্ধেক "
মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কে?
Correct Answer:
খ: কাশীরাম দাস
Explanation:
মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কে? সঠিক উত্তর কাশীরাম দাস কাশীরাম দাস (১৬শ - ১৭শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি। তাঁর রচিত বাংলা মহাভারত সর্বাধিক জনপ্রিয়। আনুমানিক ষোলো শতকের মধ্যভাগে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার ইন্দ্রাণী পরগনার সিঙ্গি গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা রমাকান্ত দাস উড়িষ্যার পুরীতে জগন্নাথ দর্শনে গিয়ে সেখানেই বসতি স্থাপন করেন। কাশীরাম মেদিনীপুরের আওয়াসগড় রাজার শাসনাধীন কোনো এক স্থানে পাঠশালা খুলে শিক্ষকতা করেন। হরহরপুরের অভিরাম মুখুটি ছিলেন কাশীরামের গুরু। তিনি তাঁরই নির্দেশে মহাভারত রচনা করেন।
লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা--
Correct Answer:
গ: দৌলত কাজী
Explanation:
লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা-- সঠিক উত্তর দৌলত কাজী দৌলত কাজী - ই একমাত্র বাংলা ভাষার কবি, যিনি তাঁর রচনা দিয়ে প্রমান করেছেন দেব - দেবীকেন্দ্রিক কাহিনী উপজীব্য না করেও ব্রজবুলি ভাষার সার্থক ব্যবহার করা সম্ভব। দেব - দেবীদের স্তুতি, ও অলৌকিক কাহিনির বৃত্ত থেকে বেড়িয়ে বাংলা সাহিত্যে প্রথম তিনিই লৌকিক কাহিনি রচনা করেন।
টি ,টা,খানা ,খানি ইত্যাদি-
Correct Answer:
ক: পদাশ্রিত নির্দেশক
Explanation:
টি ,টা,খানা ,খানি ইত্যাদি- সঠিক উত্তর পদাশ্রিত নির্দেশক পদাশ্রিত নির্দেশক : বাংলা ভাষায় কিছু কিছু প্রত্যয় বা শব্দাংশ শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে পদটির নির্দিষ্টতা কিংবা অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। অর্থাৎ, যে সব প্রত্যয় বা শব্দাংশ পদের নির্দিষ্টতা কিংবা অনির্দিষ্টতা নির্দেশ বা প্রকাশ করে, তাদেরকেই পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। এরা সাধারণত পদের শেষে যুক্তভাবে বসে। তবে অনেক পদাশ্রিত নির্দেশক পদের আগেও বসে। [পদাশ্রিত নির্দেশক ইংরেজি Article (a(n), the) এর মতো কাজ করে। ] বচনভেদে বিভিন্ন পদাশ্রিত নির্দেশক ব্যবহৃত হয়। যেমন - একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক : টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি, ইত্যাদি। যেমন - টাকাটা, ছেলেটি, কাপড়খানা, বইখানা, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি, ইত্যাদি। বহুবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক : গুলি, গুলা, গুলো, গুলিন, ইত্যাদি। যেমন - মানুষগুলি, লোকগুলো, আমগুলো, পটলগুলিন, ইত্যাদি। বিশেষ প্রয়োগ ; পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে : কোনো সংখ্যা বা পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক - টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা, ইত্যাদি। যেমন - চারটে ভাত, দুধটুকু, দুধটুকুন, দুটো ভাত, গোটা চারেক আম, ইত্যাদি।