Bengali literature MCQs
Showing 50 questions (Total: 1027)
”চকিত হইয়া” এর চলিত রূপ--
Correct Answer:
ঘ: চমকে
Explanation:
”চকিত হইয়া” এর চলিত রূপ-- সঠিক উত্তর চমকে চকিত হওয়া মানে চমকে যাওয়া
দেশ কাল ও পরিবেশ ভেদে কিসের পার্থক্য ঘটে?
Correct Answer:
খ: ভাষার
Explanation:
দেশ কাল ও পরিবেশ ভেদে কিসের পার্থক্য ঘটে? সঠিক উত্তর ভাষার দেশ কাল ও পরিবেশের ভেদে ভাষার পার্থক্য ঘটে।
শরৎচন্দ্রের প্রথম সাহিত্য কর্ম কোনটি ?
Correct Answer:
ক: মন্দির
Explanation:
শরৎচন্দ্রের প্রথম সাহিত্য কর্ম কোনটি ? সঠিক উত্তর মন্দির শরৎচন্দ্রের প্রথম সাহিত্যকর্ম " মন্দির গল্প "। তার প্রথম উপন্যাস " বড়দিদি"
বাংলা সাহিত্যের ”দুঃখবাদী কবি” কে?
Correct Answer:
খ: যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের ”দুঃখবাদী কবি” কে? সঠিক উত্তর যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কবিতায় মধ্যবিত্ত বাঙালি জীবনের সপ্ন ও বাস্তবের সংঘাত ভাবের দৃড়তার প্রকাশ পেয়েছে। তাকে " দু:খবাদী " কবি হিসাবে অবিহিত করা হয়।
”চাষী ওরা, নয়কো চাষা, নয়কো ছোটলোক” বলেছেন--
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
”চাষী ওরা, নয়কো চাষা, নয়কো ছোটলোক” বলেছেন-- সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম উদ্বৃতিটি কাজী নজরুল ইসলামের " সাম্যবাদী " কাব্য গ্রন্থের ' কুলি - মজুর ' কনিতার অংশ বিশেষ। তার এ গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো সাম্যবাদী, ঈশ্বর, মানুষ, পাপ, চোর - ডাকাত, বারাঙ্গনা।
যে নারীর স্বামী বিদেশ থাকে- এর সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
Correct Answer:
ঘ: সঠিক উত্তর নেই
Explanation:
যে নারীর স্বামী বিদেশ থাকে- এর সংক্ষিপ্ত রূপ কি? সঠিক উত্তর সঠিক উত্তর নেই যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে = প্রোষিতভর্তৃকা।
কোনটি বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্য ?
Correct Answer:
খ: মেঘনাদ বধ
Explanation:
কোনটি বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্য ? সঠিক উত্তর মেঘনাদ বধ বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্য মেঘনাদ বধ। মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। কাব্যটি তার শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।
" হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধারে-- এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে ।" চরণগুলো কার রচিত?
Correct Answer:
গ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
" হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধারে-- এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে ।" চরণগুলো কার রচিত? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর " হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধারে - - এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে । " চরণগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকর্ম তাঁর রচিত কাব্য, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাট্যসাহিত্য, প্রবন্ধ, চিত্রকলা ও সঙ্গীতের মধ্যে ছড়িয়ে আছে। বলাকা রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে দেখা যায় পূর্ববর্তী গীতাঞ্জলি - পর্বের ঈশ্বরানুভূতি ও অতীন্দ্রিয় চেতনা থেকে মুক্ত হয়ে কবি একটি স্বতন্ত্র জগৎ সৃষ্টি করেছেন। "যৌবনের জয়গান, চলমান বিশ্বের অনিঃশেষ যাত্রা, ভাষার বর্ণাঢ্য উজ্জ্বলতা ও ছন্দের অপ্রতিহত প্রবাহ বলাকার বৈশিষ্ট্য। "[
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে?
Correct Answer:
খ: ফ্রান্সিস জুলিয়ান
Explanation:
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে? সঠিক উত্তর ফ্রান্সিস জুলিয়ান 'Friends of Bangladesh' পুরস্কার দেয়া হয়েছে ফ্রান্সিস জুলিয়ান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১২ সালের মার্চে ফ্রান্সিসকে ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ সম্মাননা দেওয়া হয়। বাংলাদেশী বন্ধুদের কাছে ‘জুলিয়ান ভাই’ হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সিস ১৯৬৮ সালে ভারতের বিহারে অক্সফামের একটি প্রকল্পে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশ শরণার্থী শিবিরে তিনি কাজ শুরু করেন। তিনি ১৯৭১ সালে অক্সফামের ত্রাণ তৎপরতায় সমন্বয় করেন। ভারতের সীমান্ত এলাকাগুলোতে তখন অক্সফাম বাংলাদেশি শরণার্থী শিবিরগুলোতে সহায়তা দেয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্সিস বাংলাদেশের ত্রাণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ফ্রান্সিসের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৯ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের মলভারেনে। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর বলে খ্যাত কে?
Correct Answer:
ক: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর বলে খ্যাত কে? সঠিক উত্তর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে - ছন্দের যাদুকর বলা হয়। শামসুর রাহমান - নাগরিক কবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বিশ্বকবি। উত্তরঃ - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
শ্রীচৈতন্যদেব কেন বিখ্যাত?
Correct Answer:
ক: বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক
Explanation:
শ্রীচৈতন্যদেব কেন বিখ্যাত? সঠিক উত্তর বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্রীচৈতন্যদেব বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক বলা হয়। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে তার প্রভাব অপরিসীম। বাংলা সাহিত্যে ' চৈতন্যযুগ' নামে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমান?
Correct Answer:
গ: অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য
Explanation:
আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমান? সঠিক উত্তর অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য মধ্যযুগে বাংলা অনুবাদ সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে মুসলমান শাসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুবাদ সাহিত্যের জন্যে আলাউদ্দীন হুসেন শাহের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে খ্যাত সাহিত্যিকের নামঃ
Correct Answer:
খ: ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে খ্যাত সাহিত্যিকের নামঃ সঠিক উত্তর ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে বিদ্যাসাগর সুশৃংখলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।
”বন্দী শিবির থেকে” এর বন্দী কে?
Correct Answer:
ক: শামসুর রাহমান
Explanation:
”বন্দী শিবির থেকে” এর বন্দী কে? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান বন্দী শিবির থেকে - শামসুর রাহমান ঈর্ষাতুর নই, তবু আমি তোমাদের আজ বড় ঈর্ষা করি। তোমরা সুন্দর জামা পরো, পার্কের বেঞ্চিতে বসে আলাপ জমাও, কখনো সেজন্যে নয়। ভালো খাও দাও, ফুর্তি করো সবান্ধব সেজন্যেও নয়। বন্ধুরা তোমরা যারা কবি, স্বাধীন দেশের কবি, তাদের সৌভাগ্যে আমি বড়ো ঈর্ষান্বিত আজ। যখন যা খুশি মনের মতো শব্দ কী সহজে করো ব্যবহার তোমরা সবাই। যখন যে শব্দ চাও, এসে গেলে সাজাও পয়ারে, কখনো অমিত্রাক্ষরে, ক্ষিপ্র মাত্রাবৃত্তে কখনো - বা। সেসব কবিতাবলী, যেন রাজহাঁস দৃপ্ত ভঙ্গিমায় মানুষের অত্যন্ত নিকটে যায়, কুড়ায় আদর। অথচ এদেশে আমি আজ দমবদ্ধ এ বন্দী - শিবিরে মাথা খুঁড়ে মরলেও পারি না করতে উচ্চারণ মনের মতন শব্দ কোনো। মনের মতন সব কবিতা লেখার অধিকার ওরা করেছে হরণ। প্রকাশ্য রাস্তায় যদি তারস্বরে চাঁদ, ফুল, পাখি এমনকি নারী ইত্যাকার শব্দাবলী করি উচ্চারণ, কেউ করবে না বারণ কখনো। কিন্তু কিছু শব্দকে করেছে বেআইনী ওরা ভয়ানক বিস্ফোরক ভেবে। স্বাধীনতা নামক শব্দটি ভরাট গলায় দীপ্ত উচ্চারণ করে বারবার তৃপ্তি পেতে চাই। শহরের আনাচে কানাচে প্রতিটি রাস্তায় অলিতে - গলিতে, রঙিন সাইনবোর্ড, প্রত্যেক বাড়িতে স্বাধীনতা নামক শব্দটি আমি লিখে দিতে চাই বিশাল অক্ষরে। স্বাধীনতা শব্দ এত প্রিয় যে আমার কখনো জানিনি আগে। উঁচিয়ে বন্দুক, স্বাধীনতা, বাংলাদেশ - এই মতো শব্দ থেকে ওরা আমাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখছে সর্বদা। অথচ জানেনা ওরা কেউ গাছের পাতায়, ফুটপাতে পাখির পালকে কিংবা নারীর দু’চোখে পথের ধুলায় বস্তির দুরন্ত ছেলেটার হাতের মুঠোয় সর্বদাই দেখি জ্বলে স্বাধীনতা নামক শব্দটি।
বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক-
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক- সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগ সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
'সব কটি জানালা খুলে দাও না' -এই গানটির গীতিকার কে?
Correct Answer:
খ: নজরুল ইসলাম বাবু
Explanation:
'সব কটি জানালা খুলে দাও না' -এই গানটির গীতিকার কে? সঠিক উত্তর নজরুল ইসলাম বাবু 'সব কটি জানালা খুলে দাও না' - এই গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। নজরুল ইসলাম বাবু (১৭ জুলাই ১৯৪৯ - ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯০) বাংলাদেশের একজন গীতিকবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। "সব কটা জানালা খুলে দাও না", "একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার" গানের গীতিকার তিনি। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পদ্মা মেঘনা যমুনা চলচ্চিত্রের গীত রচনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর-
Correct Answer:
ক: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর- সঠিক উত্তর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত দত্ত, সত্যেন্দ্রনাথ (১৮৮২ - ১৯২২) কবি ও ছান্দসিক। কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস বর্ধমানের চুপী গ্রামে। পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক। সত্যেন্দ্রনাথ কলকাতার সেন্ট্রাল কলেজিয়েট স্কুল থেকে এন্ট্রান্স (১৮৯৯) এবং জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশন (বর্তমান স্কটিশ চার্চ কলেজ) থেকে এফএ (১৯০১) পাস করেন; কিন্তু পরে বিএ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তিনি প্রথমে পিতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন এবং পরে ব্যবসা ছেড়ে কাব্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি। প্রথম জীবনে তিনি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দেবেন্দ্রনাথ সেন, অক্ষয়কুমার বড়াল প্রমুখের দ্বারা প্রভাবিত হন। পরে রবীন্দ্রানুসারী হলেও তিনি কবিস্বভাবে হয়ে ওঠেন স্বতন্ত্র। তিনি নানাবিধ ছন্দোনির্মাণ ও ছন্দ উদ্ভাবনে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত। ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা ‘ছন্দ - সরস্বতী’ প্রকাশিত হয়। বাংলা শব্দের সঙ্গে আরবি - ফারসি শব্দের সমন্বিত ব্যবহার দ্বারা বাংলা কাব্যভাষার শক্তি বৃদ্ধির প্রাথমিক কৃতিত্ব তাঁরই। তাঁর অপর কৃতিত্ব বিদেশি কবিতার সফল অনুবাদ। আরবি, ফারসি, চীনা, জাপানি, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষার বহু কবিতা অনুবাদ করে তিনি বাংলা সাহিত্যএর বৈচিত্র্য ও সমৃদ্ধি সাধন করেন। অনুবাদের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের কাব্যসাহিত্যের সঙ্গে বাংলার যোগাযোগ ঘটান। দেশাত্মবোধ, মানবপ্রীতি, ঐতিহ্যচেতনা, শক্তিসাধনা প্রভৃতি তাঁর কবিতার বিষয়বস্ত্ত। মেথরদের মতো অস্পৃশ্য ও অবহেলিত সাধারণ মানুষ নিয়েও তিনি কবিতা লিখেছেন। সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাবলি হলো: সবিতা (১৯০০), সন্ধিক্ষণ (১৯০৫), বেণু ও বীণা (১৯০৬), হোম শিখা (১৯০৭), ফুলের ফসল (১৯১১), কুহু ও কেকা (১৯১২), তুলির লিখন (১৯১৪), অভ্র - আবীর (১৯১৬), হসন্তিকা (১৯১৯), বেলা শেষের গান (১৯২৩), বিদায় - আরতি (১৯২৪), কাব্যসঞ্চয়ন (১৯৩০), শিশু - কবিতা (১৯৪৫) ইত্যাদি। তাঁর অনুবাদ কাব্যগুলি হলো: তীর্থরেণু (১৯১০), তীর্থ - সলিল (১৯১৮), মণিমঞ্জুষা (১৯১৫) এবং গদ্যরচনা জন্মদুঃখী (উপন্যাস, ১৯১২), চীনের ধূপ (প্রবন্ধ, ১৯১২), ছন্দ - সরস্বতী (প্রবন্ধ, ১৯১৯), রঙ্গমল্লী (নাট্যানুবাদ, ১৯১৩) ইত্যাদি। ১৯২২ সালের ২৫ জুন তাঁর মৃত্যু হয়।
'ভারতেশ্বরী হোমস্' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আর পি সাহা
Explanation:
'ভারতেশ্বরী হোমস্' এর প্রতিষ্ঠাতা কে? সঠিক উত্তর আর পি সাহা বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' -পঙক্তিটির উৎস কি?
Correct Answer:
ঘ: লালন গীতি
Explanation:
'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' -পঙক্তিটির উৎস কি? সঠিক উত্তর লালন গীতি 'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' - পঙক্তিটির উৎস লালন গীতি। সমগ্র বিশ্বে, বিশেষ করে বাংলাদেশসহ সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে লালনের গান বেশ জনপ্রিয়। শ্রোতার পছন্দ অনুসারে বিবিসি বাংলার করা সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় লালনের "খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়" গানটির অবস্থান ১৪তম। [৫৯] আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, গুরু বা মুর্শিদতত্ত্ব, প্রেম - ভক্তিতত্ত্ব, সাধনতত্ব, মানুষ - পরমতত্ত্ব, আল্লাহ্ - নবীতত্ত্ব, কৃষ্ণ - গৌরতত্ত্ব এবং আরও বিভিন্ন বিষয়ে লালনের গান রয়েছে। লালনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গানঃ আমি অপার হয়ে বসে আছি সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে জাত গেলো জাত গেলো বলে খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় আপন ঘরের খবর লে না আমারে কি রাখবেন গুরু চরণদাসী মন তুই করলি একি ইতরপনা এই মানুষে সেই মানুষ আছে
'এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি'-- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: সুকান্ত ভট্রাচার্য
Explanation:
'এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি'-- পঙক্তিটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সুকান্ত ভট্রাচার্য ভট্টাচার্য, সুকান্ত (১৯২৬ - ১৯৪৭) মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়। পিতা নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য কলকাতায় পুস্তক ব্যবসা করতেন। সুকান্তের বাল্যশিক্ষা শুরু হয় কলকাতার কমলা বিদ্যামন্দিরে; পরে তিনি বেলেঘাটা দেশবন্ধু হাইস্কুলে ভর্তি হন এবং ১৯৪৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন। এ সময় ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত হওয়ায় তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তেতাল্লিশের মন্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেন। ১৯৪৪ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। এ বছর আকাল নামক একটি সংকলনগ্রন্থ তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। সুকান্ত কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা - র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন। মার্কসবাদী চেতনায় আস্থাশীল কবি হিসেবে সুকান্ত কবিতা লিখে বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান করে নেন। তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: ছাড়পত্র (১৯৪৭), পূর্বাভাস (১৯৫০), মিঠেকড়া (১৯৫১), অভিযান (১৯৫৩), ঘুম নেই (১৯৫৪), হরতাল (১৯৬২), গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি। পরবর্তীকালে উভয় বাংলা থেকে সুকান্ত সমগ্র নামে তাঁর রচনাবলি প্রকাশিত হয়। সুকান্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পিসঙ্ঘের পক্ষে আকাল (১৯৪৪) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন। সুকান্তের সাহিত্য - সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্ত্ত। তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা - আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে। রবীন্দ্রোত্তর বাংলা কবিতার বৈপ্লবিক ভাবধারাটি যাঁদের সৃষ্টিশীল রচনায় সমৃদ্ধ হয়েছে, সুকান্ত তাঁদের অন্যতম। তাঁর কবিতার ছন্দ, ভাষা, রচনাশৈলী এত স্বচ্ছন্দ, বলিষ্ঠ ও নিখুঁত যে, তাঁর বয়সের বিবেচনায় এরূপ রচনা বিস্ময়কর ও অসাধারণ বলে মনে হয়। ১৯৮৭ সালের ১৩ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয় ।
একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল, ঐ সরলরেখার এক চতুর্থাংশের ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কতগুণ?
Correct Answer:
গ: ১৬ গুন
Explanation:
একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল, ঐ সরলরেখার এক চতুর্থাংশের ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কতগুণ? সঠিক উত্তর ১৬ গুন একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল, ঐ সরলরেখার এক চতুর্থাংশের ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের ১৬ গুন।
সারেং বৌ এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
সারেং বৌ এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সারেং বৌ এর রচয়িতা শহীদুল্লাহ কায়সার। শহীদুল্লা কায়সার (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯২৭ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী। তার প্রকৃত নাম ছিল আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লা। তিনি ১৯৬৯ সালে উপন্যাসে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে সাংবাদিকতায় মরণোত্তর একুশে পদক এবং সাহিত্যে ১৯৯৮ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন(গল্পে অবদান রাখার জন্য)। উপন্যাস সম্পাদনা: সারেং বৌ (১৯৬২) (চলচ্চিত্র রূপ ১৯৭৮) সংশপ্তক (১৯৬৫) কৃষ্ণচূড়া মেঘ তিমির বলয় দিগন্তে ফুলের আগুন সমুদ্র ও তৃষ্ণা
সর্বাধিক বাংলাদেশী জনশক্তি রপ্তানি করা হয় কোন দেশে?
Correct Answer:
ক: সৌদি আরব
Explanation:
সর্বাধিক বাংলাদেশী জনশক্তি রপ্তানি করা হয় কোন দেশে? সঠিক উত্তর সৌদি আরব সর্বাধিক বাংলাদেশী জনশক্তি রপ্তানি করা হয় সৌদি আরবে। প্রবাসী বাংলাদেশী তাদেরকে বলা হয় যারা বাংলাদেশে জন্ম গ্রহণ করার পর অন্য কোনো দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। ভালো পরিবেশে বসবাস করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও পরিবারকে অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বী করার আশায় বাংলাদেশীরা প্রবাসে পাড়ি জমায়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বসবাস, করে তাদের সংখ্যা প্রায় ১.২ মিলিয়ন। সৌদি আরব ছাড়াও আরব বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশে যেমন: সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার ও বাহরাইনে প্রচুর পরিমানের বাংলাদেশী প্রবাসী বসবাস করে। সেখানে বাংলাদেশীদেরকে বিদেশী কর্মী হিসেবে ধরা হয়।
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী
Correct Answer:
ঘ: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
Explanation:
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী সঠিক উত্তর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী (জন্ম: সেপ্টেম্বর ৮, ১৮৯২ - মৃত্যু: ডিসেম্বর ৫, ১৯৬৩) বিখ্যাত বাঙ্গালী রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ছিলেন। যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূলনেতাদের মধ্যে অন্যতম। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তাই সুধী সমাজ কর্তৃক 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলে আখ্যায়িত হন।
'পোস্টাল কোড' কী নির্দেশ করে?
Correct Answer:
খ: প্রাপকের এলাকা
Explanation:
'পোস্টাল কোড' কী নির্দেশ করে? সঠিক উত্তর প্রাপকের এলাকা পোস্টাল কোড হচ্ছে " প্রাপকের এলাকা " নির্দেশ করে। আমরা যে পোস্ট অফিসে পোস্ট টা পাঠাবো সেই কোড নির্দেশ করে।
'বীরবল' নামে কাকে অভিহিত করা হয়?
Correct Answer:
খ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
'বীরবল' নামে কাকে অভিহিত করা হয়? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীকে 'বীরবল' নামে অবিহিত করা হয়। ' বীরবল' তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম। অন্যদিকে মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যিক ছদ্মনাম ' গাজী মিয়া' উদাসীন পথিক '। বিশিষ্ট অধ্যাপক প্রমথনাথ বিশী ছিলেন রবীন্দ্র সাহিত্যিক একজন নিপুণ বিশ্লেষক।
'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'- গানটির রচিয়তা কে ?
Correct Answer:
ক: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Explanation:
'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'- গানটির রচিয়তা কে ? সঠিক উত্তর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় 'ধনে ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'_ দেশাত্মবোধক গানটির রচয়িতা নাট্যকার ও গীতিকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। তাঁর উল্লেখযোগ্য আরো দুটি গান - বঙ্গ আমার জননী আমার, যে দিন সুনীল জলধি হতে, । তার উল্লেখযোগ্য নাটক - তারাবাঈ, প্রতাপ সিংহ, নুরজাহান, মেবার পতন, শাজাহান, পাষানী, বঙ্গনারী।
শ্রীরামপুরের মিশনারিরা স্মরণীয় যে জন্য--
Correct Answer:
খ: প্রথম বাংলায় মুদ্রণ
Explanation:
শ্রীরামপুরের মিশনারিরা স্মরণীয় যে জন্য-- সঠিক উত্তর প্রথম বাংলায় মুদ্রণ শ্রীরামপুরের মিশনারিরা স্মরণীয় যে জন্য - - প্রথম বাংলায় মুদ্রণ। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস উনিশ শতকের গোড়ার দিকে ব্রিটিশ ভারতে স্থাপিত একটি ছাপাখানা। ১৮০০ সালের ১০ জানুয়ারি অধুনা পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুরে স্থাপিত হয় শ্রীরামপুর মিশন। ওই বছরই মার্চ মাসে উইলিয়াম কেরি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস নামে ছাপাখানাটি খোলেন। এই মাসেই পঞ্চানন কর্মকারের সহযোগিতায় প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ মথী রচিত মঙ্গল সমাচার ছাপা হয় মিশন প্রেস থেকে। উইলিয়াম কেরি অনূদিত বাইবেল প্রকাশ করেন এই প্রেস। তাছাড়া রামায়ণ, মহাভারত, সমাচার দর্পণ ও দিগদর্শন পত্রিকাও শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়।
মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা কোনটি?
Correct Answer:
গ: মঙ্গলকাব্য
Explanation:
মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা কোনটি? সঠিক উত্তর মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা মঙ্গলকাব্য। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য - কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকে বলা হয় মঙ্গলকাব্য। ১৭০০ সালের শেষের পর্যায়ে মঙ্গলকাব্য সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে। মাজিলপুর শহরে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা যায় যে এই অঞ্চলে মঙ্গলকাব্য রচিত ও প্রচারিত হবার পর থেকে শিব মন্দিরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছিল।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ আলী আহসান
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক সৈয়দ আলী আহসান। সৈয়দ আলী আহসান (২৬ মার্চ ১৯২২ - ২৫ জুলাই ২০০২) বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক, কবি, সাহিত্য সমালোচক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। তিনি তাঁর পাণ্ডিত্যের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। সৈয়দ আলী আহসানকৃত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ সরকারি ভাষান্তর হিসাবে স্বীকৃত।
'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: দ্বিজ কানাই
Explanation:
'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর দ্বিজ কানাই 'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা দ্বিজ কানাই। দ্বিজ কানাই হলেন একজন মধ্যযুগের কবি। দ্বিজ কানাই পূর্ব ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। দল গঠন করে তিনি তৎকালীন লোকনাট্যরীতিতে নাটকের অভিনয় করিয়েছিলেন। বাংলার লোকগীতি বা গীতিকার ইতিহাস অনেক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। কবি দ্বিজ কানাই প্রণীত "মহুয়া" পালাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গীতিকা ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য সম্পদ। দ্বিজ কানাই প্রায় ৩৭০ বছর পূর্বে এই পালাগানটি রচনা করেন, যা বর্তমানে 'নদের চাঁদ ও মহুয়া'র পালা বা গাথা নামে পরিচিত। এটি একটি দৃশ্য কাব্য (প্রাচীন পল্লীনাটিকা)। মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে এটি অন্যতম।
আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত কে?
Correct Answer:
গ: মীর মোশারফ হোসেন
Explanation:
আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত কে? সঠিক উত্তর মীর মোশারফ হোসেন আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত মীর মোশারফ হোসেন। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
'উত্তম মধ্যম' বলতে কি বোঝায় ?
Correct Answer:
গ: প্রহার করা
Explanation:
'উত্তম মধ্যম' বলতে কি বোঝায় ? সঠিক উত্তর প্রহার করা উত্তম মাধ্যম একটি বাগধার। যার অর্থ প্রহার করা
রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান “ইউসুফ জোলেখা”র রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শাহ্ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান “ইউসুফ জোলেখা”র রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শাহ্ মুহম্মদ সগীর রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান “ইউসুফ জোলেখা”র রচয়িতা শাহ্ মুহম্মদ সগীর। ইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।
বাংলা সাহিত্যে “ভোরের পাখি” কে?
Correct Answer:
খ: বিহারীলাল চক্রবর্তী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে “ভোরের পাখি” কে? সঠিক উত্তর বিহারীলাল চক্রবর্তী ইশ্বর গুপ্ত - যুগসন্ধিক্ষনের কবি/ভ্রমনকারী বন্ধু বুদ্ধদেব বসু - বিপ্রদাস মিত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - ভানু সিংহ/নাইট বিহারীলাল চক্রবর্তী - ভোরের পাখি
”বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের" দলিলপত্র” সম্পাদনা করেন--
Correct Answer:
ক: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
”বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের" দলিলপত্র” সম্পাদনা করেন-- সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান ”বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের" দলিলপত্র” সম্পাদনা করেন - - হাসান হাফিজুর রহমান। হাসান হাফিজুর রহমান (জুন ১৪, ১৯৩২ – এপ্রিল ১, ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ জামালপুর জেলার অন্তর্গত কুলকান্দি গ্রামে বাস করতেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত।
'আমরা সবাই রাজা' এই পঙক্তির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
'আমরা সবাই রাজা' এই পঙক্তির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'আমরা সবাই রাজা' এই পঙক্তির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে - গীতবিতান লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সঙ্কোচের বিহ্বলতা→ আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে - - - নইলে মোদের রাজার সনে মিলব কী স্বত্বে?।
'কুলের সমীপে' এর সংক্ষেপ কি?
Correct Answer:
ঘ: উপকূল
Explanation:
'কুলের সমীপে' এর সংক্ষেপ কি? সঠিক উত্তর উপকূল কূলের যোগ্য - অনুকূল। বিরুদ্ধ কূল - প্রতিকূল। কূলের সমীপে - উপকূল।
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে বস্তুটিকে বলা হয়--
Correct Answer:
ঘ: উপমেয়
Explanation:
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে বস্তুটিকে বলা হয়-- সঠিক উত্তর উপমেয় প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে বস্তুটিকে বলা হয় - - উপমেয়। উপমেয় শব্দের বাক্যে যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমা। যেমন : আকাশের রং = উপমেয়।
'সোজন বাদিয়ার ঘাট'-- এর রচয়িতা কে-
Correct Answer:
ঘ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
'সোজন বাদিয়ার ঘাট'-- এর রচয়িতা কে- সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন সোজন বাদিয়ার ঘাট পল্লীকবি জসীম উদ্দীন রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। গ্রাম বাংলার অপুর্ব অনবদ্য রুপকল্প এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যের প্রধান চরিত্র সোজন ও দুলী।
সব ক'টি জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার কে?
Correct Answer:
ঘ: নজরুল ইসলাম বাবু
Explanation:
সব ক'টি জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার কে? সঠিক উত্তর নজরুল ইসলাম বাবু সব ক'টি জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। নজরুল ইসলাম বাবু (১৭ জুলাই ১৯৪৯ - ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯০) বাংলাদেশের একজন গীতিকবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। "সব কটা জানালা খুলে দাও না", "একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার" গানের গীতিকার তিনি। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পদ্মা মেঘনা যমুনা চলচ্চিত্রের গীত রচনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
'পাণিগ্রহণ' কথাটি যা গ্রহণ থেকে এসেেছে--
Correct Answer:
ঘ: হাত
Explanation:
'পাণিগ্রহণ' কথাটি যা গ্রহণ থেকে এসেেছে-- সঠিক উত্তর হাত বাঙালি বিবাহের বৈদিক আচার, শাস্ত্রীয় প্রথা ও রীতি:পাণিগ্রহণ (কন্যার পাণি অর্থাৎ হস্ত গ্রহণ)
'নদী ও নারী' এর রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
খ: হুমায়ুন কবির
Explanation:
'নদী ও নারী' এর রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর হুমায়ুন কবির 'নদী ও নারী' এর রচয়িতা হুমায়ুন কবির। হুমায়ুন কবির (২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৬ - ১৮ আগস্ট, ১৯৬৯) একজন ভারতীয় বাঙালি শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, লেখক ও দার্শনিক। তার উল্লেখযোগ্য রচনাবলী: নদী ও নারী (উপন্যাস) ইমানুয়েল কান্ট (১৯৩৬) শরৎ সাহিত্যের মূলতত্ত্ব (১৯৪২) বাংলার কাব্য (১৯৪৫) (সমালোচনা গ্রন্থ)।
'বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে " এটি কী?
Correct Answer:
ক: প্রবাদ
Explanation:
'বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে " এটি কী? সঠিক উত্তর প্রবাদ "বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে" - এটি একটি প্রবাদ প্রবচন। প্রদত্ত প্রবার প্রবচনের মুল ভাব হচ্ছে যে ব্যাক্তি বা বস্তুকে যে কাজে বা পরিবেশে মানায়, তাকে সেটাই করা উচিত, অন্যথা করলে কারো জন্য সেটা ভালো হয় না।
”জীবনতরী” কি?
Correct Answer:
খ: ভাসমান হাসপাতাল
Explanation:
”জীবনতরী” কি? সঠিক উত্তর ভাসমান হাসপাতাল উপকূলীয় এলাকা এবং চরাঞ্চলের মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ‘জীবন খেয়া’ নামে একটি ভাসমান হাসপাতাল চালু হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপরে খুলনার দাকোপ উপজেলার বানীশান্ত পল্লীতে চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে এ হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়।
”নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা” - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: রামনিধি গুপ্ত
Explanation:
”নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা” - পঙক্তিটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রামনিধি গুপ্ত ”নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা” - পঙক্তিটির রচয়িতা রামনিধি গুপ্ত। অন্যদিকে আব্দুল হাকিম অতুলপ্রসাদ সেন ও শেখ ফজলুল করিমের বিখ্যাত উক্তি হল যথাক্রমে "দেশী ভাষা বিদ্যা যার মনে ন জুয়ায়/ নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়", "মোদের গরব মোদের আশা / আ মরি বাংলা ভাষা", ও "সুন্দর হে দাও দাও সুন্দর জীবন / হোক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন"।
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক কে ?
Correct Answer:
খ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক কে ? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
ভাবের সার্থক ও সুসঙ্গত প্রসারণই--
Correct Answer:
ঘ: ভাবসম্প্রসারণ
Explanation:
ভাবের সার্থক ও সুসঙ্গত প্রসারণই-- সঠিক উত্তর ভাবসম্প্রসারণ ভাবসম্প্রসারণ' কথাটির অর্থ কবিতা বা গদ্যের অন্তনির্হিত তৎপর্যকে ব্যাখ্যাসহ বিস্তারিত লেখা। অর্থাৎ ভাবের সার্থক ও সুসংগত সম্প্রসারণই ভাবসসম্প্রসারণ
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ মঈনুল হোসেন
Explanation:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ? সঠিক উত্তর সৈয়দ মঈনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন (জন্ম: ৫ মে, ১৯৫২ ঢাকা বিক্ৰমপুৱ; এবং মৃত্যু: ১০ নভেম্বর, ২০১৪)বাংলাদেশের প্রখ্যাত স্থপতি। তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের স্থপতি।
'সোজান বাদিয়ার ঘাট' -এর রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
খ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
'সোজান বাদিয়ার ঘাট' -এর রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন 'সোজান বাদিয়ার ঘাট' - এর রচয়িতা জসীমউদ্দীন। জসীম উদ্দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৪ মার্চ ১৯৭৬) একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক। 'পল্লীকবি' উপাধিতে ভূষিত, জসীম উদ্দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি। ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগরসভায় নিয়ে আসার কৃতিত্ব জসীম উদ্দীনের। তার নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম। তার কবিতা বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।