Bengali literature MCQs
Showing 50 questions (Total: 1027)
গণনাবাচক সংখ্যা কোনটি?
Correct Answer:
ক: আট
Explanation:
গণনাবাচক সংখ্যা কোনটি? সঠিক উত্তর আট এক, দুই, তিন, ইত্যাদি গণনাবাচক শব্দ। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় পূরণবাচক বা ক্রমবাচক শব্দ। পহেলা, দোসরা, তেসরা ইত্যাদি তারিখবাচক শব্দ।
বাংলা সাহিত্যে 'ছন্দের যাদুকর ' বলা হয় কাকে?
Correct Answer:
খ: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে 'ছন্দের যাদুকর ' বলা হয় কাকে? সঠিক উত্তর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বলা হয় - ছন্দের যাদুকর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে লিখতেন। কাজী নজরুল ইসলাম - ধূমকেতু ছদ্মনামে লিখতেন। সঠিক উত্তর হবে - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
”আমি আজ জ্বর জ্বর বোধ করছি এখানে “জ্বর জ্বর” দ্বিরুক্তি কি বুঝাচ্ছে?
Correct Answer:
খ: সামান্য
Explanation:
”আমি আজ জ্বর জ্বর বোধ করছি এখানে “জ্বর জ্বর” দ্বিরুক্তি কি বুঝাচ্ছে? সঠিক উত্তর সামান্য বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ বা পদ দুইবার ব্যবহৃত হয়ে অন্য একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। কোন শব্দ বা পদ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। যেমন - ‘আমার জ্বর জ্বর লাগছে। ’ এখানে ‘জ্বর জ্বর’ দ্বিরুক্ত শব্দটি ঠিক ‘জ্বর’ অর্থ প্রকাশ করছে না। জ্বরের ভাব প্রকাশ করছে।
কোন দুটি মূল স্বরধনি নয়?
Correct Answer:
ঘ: ঐ,ঔ
Explanation:
কোন দুটি মূল স্বরধনি নয়? সঠিক উত্তর ঐ,ঔ যে স্বরধ্বনি ভেঙে উচ্চারণ করা যায় না তথা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মূল স্বরধ্বনি বলে। বাংলা ভাষার মূল স্বরধ্বনি ৬ টি - - অ, আ, ই, উ, এ, ও। যৌগিক স্বরধ্বনি দুইটি হলো - ঐ, ঔ।
বাংলা সাহিত্যের গদ্যের জনক কে?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের গদ্যের জনক কে? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল তাঁর। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ ও অপরবোধ্য করে তোলেন। বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। তাঁকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলে অভিহিত করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: শেখ আজিজুর রহমান
Explanation:
প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম কোনটি? সঠিক উত্তর শেখ আজিজুর রহমান কথা সাহিত্যক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। গ্রন্থাগারে প্রকাশিত তার প্রথম গ্রন্থ জননী। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - ক্রীতদাসদের হাসি, চৌরসন্ধি, জাহান্নাম হয়তে বিদায়, নেকড়ে অরণ্য।
যা কষ্টে লাভ করা যায় ----
Correct Answer:
খ: দুর্লভ
Explanation:
যা কষ্টে লাভ করা যায় ---- সঠিক উত্তর দুর্লভ লাভ করা বা পাওয়া যায় না এমন - অলভ্য . যা কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ যাকে সহজে জয় করা বা দমন করা যায় না এমন – দুর্জয় যা শ্রমসাধ্য - কষ্টসাধ্য
'জন্ডিস' একটি-
Correct Answer:
ঘ: নাটক
Explanation:
'জন্ডিস' একটি- সঠিক উত্তর নাটক সেলিম আল দীন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকসমূহ: জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন (১৯৭৫), বাসন (১৯৮৫), মুনতাসির ফ্যান্টাসী (তন্ময় দাস ), শকুন্তলা, কীত্তনখোলা (১৯৮৬), কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮), যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩), চাকা (১৯৯১), হরগজ (১৯৯২), প্রাচ্য (২০০০), হাতহদাই (১৯৯৭), নিমজ্জন (২০০২), ধাবমান, স্বর্ণবোয়াল (২০০৭), পুত্র, বনপাংশুল।
বাংলা ভাসার মধ্যযুগ-
Correct Answer:
গ: ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ
Explanation:
বাংলা ভাসার মধ্যযুগ- সঠিক উত্তর ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ মধ্যযুগ ১২০০ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সম্প্রসারিত। মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’। আনুমানিক চৌদ্দ শতকের শেষার্ধে বা পনেরো শতকের প্রথমার্ধে বড়ু চণ্ডীদাস রাধাকৃষ্ণের প্রেমকাহিনি অবলম্বনে এ কাব্য রচনা করেন। এ সময় মৈথিলি কবি বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় রাধাকৃষ্ণের প্রেমবিষয়ক পদ রচনা করেছিলেন। মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর পঞ্চদশ শতকে প্রণয়োপখ্যান জাতীয় কাব্য “ইউসুফ - জোলেখা” রচনা করেন। এর বাইরে অনুবাদসাহিত্য মধ্যযুগের অনেকখানি অংশজুড়ে আছে। এ ধারার সূত্রপাত হয় কবি কৃত্তিবাস কর্তৃক রামায়ণের বঙ্গানুবাদের মাধ্যমে। পরবর্তীতে বাংলায় আরও অনূদিত হয়েছে অসংখ্য গ্রন্থ। মধ্যযুগের বিশাল পরিসর জুড়ে ছিলো মঙ্গলকাব্য। দেবদেবীর মাহাত্ম্যসূচক এই কাব্যধারার সূত্রপাত হয় পনের শতকে। তবে ষোল শতকে এর সর্বাধিক প্রসার ঘটে। ধর্মমঙ্গল, মনসামঙ্গল, শিবমঙ্গল বা শিবায়ন, চণ্ডীমঙ্গল ইত্যাদি এ পর্যায়েরই নানা শাখা। এই ধারার অন্যতম কবি মাণিক দত্ত, কানাহরি দত্ত, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর প্রমুখ। শ্রীচৈতন্যদেবের (১৪৮৬ - ১৫৩৩) আবির্ভাবের ফলে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ সমৃদ্ধির পথে অনেকখানি এগিয়ে যায়। মধ্যযুগেই আরাকানের রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের চর্চা আরম্ভ হয়। এছাড়া শাক্ত পদাবলী, নাথসাহিত্য, বাউল ও অপরাপর লোকসঙ্গীত, ময়মনসিংহ গীতিকা, পূর্ববঙ্গ - গীতিকা ইত্যাদি অমূল্য সাহিত্য মধ্যযুগেরই সৃষ্টি।
'দুধে ভাতে উৎপাত' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর একটি-
Correct Answer:
গ: গল্পগ্রন্থ
Explanation:
'দুধে ভাতে উৎপাত' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর একটি- সঠিক উত্তর গল্পগ্রন্থ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ হচ্ছে - অন্য ঘরে অন্য স্বর, খোঁয়ারী, দুধে ভাতে উৎপাত, দোজখের ওম। আনাহার, দারিদ্র্য ও শোষনের শিকার হয়ে যারা মানবেতর জীবনযাপন করছে সেসব অবহেলিত মানুষের জীবনাচার তার গল্প - উপন্যাসে ফুটে উঠেছে।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কাকে বলে?
Correct Answer:
ক: লুই পা
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কাকে বলে? সঠিক উত্তর লুই পা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নির্দশন "চর্যাপদ" এর প্রথম পদটির রচয়িতা লুই পা। এ পদের প্রথম দুটি চরণ হলো - কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল, / চঞ্চল চীএ পইঠা কাল।
এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হলেন-
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হলেন- সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। তাকে বিশ্বকবি, কবিগুরু, গুরুদেব উপাধায় আখ্যায়িত করা হয়। ১৯১০ সালে তার গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ১৯১২ সালে গীতাঞ্জলি এর ইংরেজি অনুবাদ "Song offerings " প্রকাশিত হয়। আর এই অনুবাদ গ্রন্থের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম মুসলিম কবি কে?
Correct Answer:
ঘ: শাহ্ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম মুসলিম কবি কে? সঠিক উত্তর শাহ্ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি। বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনি প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে "ইউসুফ জোলেখা " কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজ - কর্মচারী।
'হুতোম প্যাঁচার নকশা'র রচয়িতা -
Correct Answer:
গ: কালীপ্রসন্ন সিংহ
Explanation:
'হুতোম প্যাঁচার নকশা'র রচয়িতা - সঠিক উত্তর কালীপ্রসন্ন সিংহ "হুতোম প্যাঁচার নকশা" এর রচয়িতা - কালীপ্রসন্ন সিংহ। এটি তার রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের গোড়াপত্তনকালীন পর্যায়ের একটি গদ্য উপখ্যান যা তিনি " হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে লিখেছেন। এটি মূলত ব্যঙ্গ বিদ্রুপাত্মক সামাজিক নকশা জাতীয় রচনা। ১৮৬১ সালে "চড়ক" শিরোনামে একটি নকশায় এটি প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ১৮৬৩ সালে প্রথম ভাগ এবং ১৮৬৪ সালে ২য় ভাগ প্রকাশিত হয়।
'আলালের ঘরের দুলাল-
Correct Answer:
খ: বঙ্কিমচন্দ্র প্রশংসিত গ্রন্থ
Explanation:
'আলালের ঘরের দুলাল- সঠিক উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র প্রশংসিত গ্রন্থ আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল উপন্যাস। প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর ১৮৫৮ সালে এটি রচনা করেন। কলকাতার সমকালীন সমাজ এর প্রধান বিষয়বস্তু। উচ্চবিত্ত ঘরের আদুরে সন্তান মতিলালের উচ্ছৃঙ্খল জীবনাচার এতে বর্ণিত হয়েছে। ‘ঠকচাচা’ এর অন্য একটি প্রধান চরিত্র। কথ্যভঙ্গির গদ্য ব্যবহার করে লেখক উপন্যাসকে বাস্তবধর্মী করে তুলেছেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার নতুন সম্ভাবনাও আবিষ্কৃত হয়েছে। প্যারীচাঁদ প্রথমবারের মতো এতে যে কথ্য চলিত ভাষা ব্যবহার করেছেন, পরবর্তীকালে তা ‘আলালী ভাষা’ নামে পরিচিতি লাভ করে। কাহিনী ও চরিত্রের যথাযথ পরিস্ফুটনের উদ্দেশ্যে লেখক এতে প্রচুর তদ্ভব, চলিত এবং বিদেশি শব্দও ব্যবহার করেছেন। উপন্যাসটি প্রথমে তার প্রতিষ্ঠিত মাসিক পত্রিকায় (১৮৫৪) ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে হীরালাল মিত্রকৃত এর নাট্যরূপ বেঙ্গল থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয় (জানুয়ারি ১৮৭৫)। গ্রন্থটি ইংরেজি ভাষায়ও অনূদিত হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচয়িতার নাম কি?
Correct Answer:
ঘ: কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচয়িতার নাম কি? সঠিক উত্তর কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা ও সুরকার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আমার সোনার বাংলা - কবিতার প্রথম ১০ টি ছত্র আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয় ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে। ঘোষিত হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে।
ণত্ব-বিধান কি?
Correct Answer:
গ: তৎসম শব্দের রীতি
Explanation:
ণত্ব-বিধান কি? সঠিক উত্তর তৎসম শব্দের রীতি বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য - ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই। সেজন্য বাংলা( দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য - ণ লেখার প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ তৎসম শব্দের বানানে ণ - এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ - ত্ব বিধান। অর্থাৎ ণ - ত্ব বিধান হচ্ছে তৎসম শব্দ রীতি।
'কান্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা, দাঁড়ী -মুখে সারি গান -লা শরিক আল্লাহ।' দাঁড়ী -মুখে ' বলতে কি বোঝানো হয়েছে ?
Correct Answer:
ঘ: দাঁড়বাহীদের মুখে
Explanation:
'কান্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা, দাঁড়ী -মুখে সারি গান -লা শরিক আল্লাহ।' দাঁড়ী -মুখে ' বলতে কি বোঝানো হয়েছে ? সঠিক উত্তর দাঁড়বাহীদের মুখে কাণ্ডারি এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা দাড়ি মুখে সারিগান – লা শরীক আল্লাহ’ - উদ্ধৃতাংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের খেয়াপারের তরণী কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। এখানে দাড়ি – মুখে’ বলতে দাড় বাহী দের মুখে বোঝানো হয়েছে ।
বাংলাদেশের সাহিত্যে “শামসুর রাহমান” এর পরিচয় কি?
Correct Answer:
ক: কবি
Explanation:
বাংলাদেশের সাহিত্যে “শামসুর রাহমান” এর পরিচয় কি? সঠিক উত্তর কবি বাংলাদেশের সাহিত্যে শামসুর রাহমান মূলত একজন কবি। তার রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ১৯৬০। তার প্রকাশিত কাব্যের সংখ্যা ৬৫ টি। তিনি ১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মৃত্যু বরণ করেন ২০০৬ সালে।
মুনীর চৌধুরী রচিত 'মুখরা রমণী বশীকরণ' একটি -
Correct Answer:
ঘ: অনুবাদ নাটক
Explanation:
মুনীর চৌধুরী রচিত 'মুখরা রমণী বশীকরণ' একটি - সঠিক উত্তর অনুবাদ নাটক মুনীর চৌধুরী রচিত 'মুখরা রমণী বশীকরণ' একটি - - অনুবাদ নাটক। ব্রিটিশ নাট্যকার শেক্সপিয়রের 'The Taming of The Shrew' এর আদলে মুনীর চৌধুরী রচনা করেন তার অনুবাদ নাটক 'মুখরা রমণী বশীকরণ'। তার আরও দুটি অনুবাদ নাটক হলো 'কেউ কিছু বলতে পারে না' ও 'রূপার কৌটা'।
গ্রিক ট্রাজেডি 'ইডিপাস' বাংলায় কে অনুবাদ করেন?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ আলী আহসান
Explanation:
গ্রিক ট্রাজেডি 'ইডিপাস' বাংলায় কে অনুবাদ করেন? সঠিক উত্তর সৈয়দ আলী আহসান গ্রিক ট্রাজেডি 'ইডিপাস' সৈয়দ আলী আহসান বাংলায় অনুবাদ করেন। গ্রিক ট্রাজেডি নাটক 'ইডিপাস' বাংলায় অনুবাদ করেন সৈয়দ আলী আহসান। তার প্রবন্ধ গবেষণাগ্রন্থ হলো - পদ্মাবতী, মধুমালতী, বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (মোঃ আব্দুল হাই এর সাথে যুগ্মভাবে রচিত)। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: অনেক আকাশ, একক সন্ধ্যায় বসন্ত, সহসা সচকিত।
”অক্ষির সমীপে” এর সংক্ষেপণ হলো---
Correct Answer:
ক: সমক্ষ
Explanation:
”অক্ষির সমীপে” এর সংক্ষেপণ হলো--- সঠিক উত্তর সমক্ষ এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচনের মাধ্যমে মূলত বহুপদকে একপদে পরিণত করা হয়। যেমন - অক্ষির সমীপে - সমক্ষ। অক্ষির অগোচর - পরোক্ষ।
রামায়ণের রচয়িতা ---
Correct Answer:
ক: রত্নাকর দস্যু
Explanation:
রামায়ণের রচয়িতা --- সঠিক উত্তর রত্নাকর দস্যু মহাকাব্য রামায়ণের রচয়িতা রত্নাকর দস্যু। মহামুনি বাল্মিকীর মূল নাম রত্নাকর দস্যু। রামায়ণের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কবি কৃত্তিবাস ওঝা। সাতকাণ্ডে রচিত রামায়ণে শ্লোক সংখ্যা ২৪ হাজার। কবীন্দ্র পরমেশ্বর "মহাভারত " প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন।
'ক্রীতদাসের হাসি' শওকত ওসমান রচিত একটি ----
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
'ক্রীতদাসের হাসি' শওকত ওসমান রচিত একটি ---- সঠিক উত্তর উপন্যাস 'ক্রীতদাসের হাসি' শওকত ওসমান রচিত একটি - - - - উপন্যাস। শেখ আজিজুর রহমান (২ জানুয়ারি ১৯১৭–মে ১৪, ১৯৯৮), যিনি শওকত ওসমান কলমি নামে অধিক পরিচিত, বাংলাদেশের একজন চিন্তক, লেখক ও কথাসাহিত্যিক। তিনি একাধারে নাটক, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা, রাজনৈতিক লেখা, শিশু - কিশোর সাহিত্য রচনা করেছেন। তার কিছু উপন্যাস সম্পাদনা: জননী (১৯৫৮) (১ম উপন্যাস), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), রাজা উপাখ্যান (১৯৭১), জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩), নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩)।
কোনটি মুসিলম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র?
Correct Answer:
খ: শিখা
Explanation:
কোনটি মুসিলম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র? সঠিক উত্তর শিখা "শিখা" পত্রিকাটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপাত্র বলা হয়। ১৯২৭ সালে প্রকাশিত এ পত্রিকার স্লোগান ছিল " জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
'জন্ডিস' একটি ----
Correct Answer:
গ: নাটক
Explanation:
'জন্ডিস' একটি ---- সঠিক উত্তর নাটক সেলিম আল দীনের প্রথমদিককার নাটকের মধ্যে সর্প বিষয়ক গল্প, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন ।
বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে কোন প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ অবদান রয়েছে?
Correct Answer:
খ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
Explanation:
বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে কোন প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ অবদান রয়েছে? সঠিক উত্তর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ অবদান রয়েছে । ১৮০০ খ্রি. ৪ মে ফোট ইউনলয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় । ১৮০১ খ্রি. এ কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয় । ব্রিটিশ অফিসারদের বাংলা শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে এ কলেজে বাংলা বিভাগ চালু করা হয় । বাংলা বিভাগের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন ইউলিয়াম কেরি ।
কল্লোল সাহিত্য প্রত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: দীনেশরঞ্জন দাস
Explanation:
কল্লোল সাহিত্য প্রত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর দীনেশরঞ্জন দাস ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে মাসিক "কল্লোল " পত্রিকার প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস। কল্লোল পত্রিকায় লিখতেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, বুদ্ধদেব বসু মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।
বিভা : কিরণ :: সুবলিত : ?
Correct Answer:
খ: সুগঠিত
Explanation:
বিভা : কিরণ :: সুবলিত : ? সঠিক উত্তর সুগঠিত বিভা : কিরণ :: সুবলিত : সুগঠিত । বিভা শব্দটির সমার্থক বা প্রতিশব্দ কিরণ, প্রভা, কর, রশ্মি, দীপ্তি, অংশু, ময়ূখ । আর সুবলিত শব্দের সমার্থক শব্দ সুগঠিত, শক্তিমান, বলশালী । সুবিদিত অর্থ সুবিঙ্গাত, উত্তমরূপে ঙ্গাত । সুবিনীত শব্দের অর্থ বিনীত, বিনম্র ও সংযম ।
ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ---
Correct Answer:
খ: ইতিহাসবেত্তা
Explanation:
ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি --- সঠিক উত্তর ইতিহাসবেত্তা ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস জানেন যিনি - ঐতিহাসিক। সঠিক উত্তর - ইতিহাসবেত্তা।
প্রাণদ : জল :: মহীজ : ?
Correct Answer:
খ: গ্রহ
Explanation:
প্রাণদ : জল :: মহীজ : ? সঠিক উত্তর গ্রহ প্রাণদ : জল :: মহীজ : গ্রহ । 'মহীজ' শব্দের অর্থ আসামি । এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Mars । আবার Mars - এর বাংলা অর্থ মঙ্গলগ্রহ, যা গ্রহের একটি রুপ । সুতরাং মহীজের সমর্থক গ্রহ । অন্যদিকে নিঃসর্গ বা পৃথিবীর সমার্থক শব্দ মহী, মহীজ নয় ।
”পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল” পঙ্ক্তির রচয়িতা ---
Correct Answer:
ঘ: মদনমোহন তর্কালংকার
Explanation:
”পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল” পঙ্ক্তির রচয়িতা --- সঠিক উত্তর মদনমোহন তর্কালংকার ”পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল” পঙ্ক্তির রচয়িতা - - - মদনমোহন তর্কালংকার । পঙ্ ক্তিটির রচয়িতা মদনমোহন তর্কালঙ্কার (১৮১৭ - ১৮৫৮) 'শিশুশিক্ষা' (১ম ও ২য় ভাগ - ১৮৪৯ এবং ৩য় ভাগ - ১৮৫০) নামক শিশুতোষ গ্রন্থ রচনা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন । 'পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল' পঙ্ ক্তিটি এ গ্রন্থের প্রথমভাগের একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা । কবির অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে - 'রসতরঙ্গিনী' ও 'বাসবদক্তা' । কবি প্রতিভার জন্য সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপকগণ কর্তৃক 'কাব্যরত্নাকর' ও 'তর্কালঙ্কার' উপাধি পান ।
রামায়ণের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: বাল্মিকী
Explanation:
রামায়ণের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বাল্মিকী হিন্দুদের জাতীয় মহাকাব্য "রামায়ণ'র মূল রচয়িতা বাল্মিকী। এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত আদি মহাকাব্য। এটিকে জাত মহাকাব্য হিসেবে অভিহিত করা হয়। বাল্মিকীর মূল নাম দস্যু রত্নাকর। বাল্মিকী মানে হলো - উইপোকা।
”এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দ্বার? আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হলো কার? পঙ্ক্তিটি কার?
Correct Answer:
ঘ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
”এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দ্বার? আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হলো কার? পঙ্ক্তিটি কার? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ”এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দ্বার? আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হলো কার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতালি' কাব্যগ্রন্থের 'সুপ্রভাত' কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি । তার আরো কয়েকটি বিখ্যাত পঙক্তি - 'মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ', 'গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়', 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর' ।
”বনফুলের” পৃকত নাম কি?
Correct Answer:
ক: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
Explanation:
”বনফুলের” পৃকত নাম কি? সঠিক উত্তর বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল ' - ছদ্মনামধারীর প্রকৃত নাম হলো - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম হলো - অনিলা দেবী। সঠিক উত্তর - ৷ বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
সার্কের প্রথম মহাসচিব কে?
Correct Answer:
ক: জনাব আবুল আহসান
Explanation:
সার্কের প্রথম মহাসচিব কে? সঠিক উত্তর জনাব আবুল আহসান ১৯৮১ সালে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা প্রতিনিধিগন কলোম্বোতে মিলিত হয়। এরপর আগস্ট ১৯৮৩ সালে, দিল্লিতে রাষ্ট্রপ্রধানগনের এক সম্মেলনে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটানসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশ নিয়ে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
আরব দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় কোন দেশ?
Correct Answer:
খ: ইরাক
Explanation:
আরব দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় কোন দেশ? সঠিক উত্তর ইরাক ব্যাখ্যা : আরব ভূখন্ডের দেশ হিসাবে প্রথম ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ৮ জুলাই ১৯৭২ এবং প্রথম মুসলিম দেশ হিসাবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে । মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩, কুয়েত স্বীকৃতি দেয় ৪ নভেম্বর ১৯৭৩ । উল্লেখ্য, বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ভারত (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ।
কোন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে?
Correct Answer:
গ: তৈরি পোশাক
Explanation:
কোন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে? সঠিক উত্তর তৈরি পোশাক বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প যাত্রা শুরু করে ষাটের দশকে। তবে সত্তরের দশকের শেষের দিকে রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে এই শিল্পের উন্নয়ন ঘটতে থাকে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প - এর কৌশল হলো কম মূল্যে বিশ্ববাজারে উন্নত মানের পোশাক সরবরাহ করা। শস্তায় শ্রমিক পাওয়া যায় বলেই এটি সম্ভব হয়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প - এ নারী ম্রমিকের নিয়োগ প্রায় ৭০ শতাংশ।
স্বাধীনতার স্বরণে নির্মিত ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ক: জয়দেবপুর
Explanation:
স্বাধীনতার স্বরণে নির্মিত ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর জয়দেবপুর জাগ্রত চৌরঙ্গী মুক্তিযুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য যা ১৯৭৩ সালে ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক নির্মাণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত এটিই প্রথম ভাস্কর্য।
ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
Correct Answer:
খ: হাজী শরিয়তউল্লাহ
Explanation:
ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন? সঠিক উত্তর হাজী শরিয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলন হলো একটি ও রাজনৈতিক আন্দোলন ১৯ শতকের প্রথম দিকে সূচিত হয়ে ছিলো। ফরায়েজি আন্দোলনের মুখপাত্র ছিলেন বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক হাজী শরীয়তুল্লাহ। ইসলামের অবশ্য করণীয় কাজকে বলে 'ফরজ'। এই 'ফরজ' শব্দ থেকেই 'ফরায়েজি' এসেছে। ফরাজী আন্দোলন ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে সূচিত হলেও পরবর্তীতে এটি কৃষকদের আন্দোলনে রূপ লাভ করে। হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরিদপুর ও তার আশে পাশের অঞ্চলে সংগঠিত এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। [১] ধর্মীয় সংস্কারের পাশপাশি কৃষকদের জমিদার, নীলকরদের অত্যাচার ও শোষন হতে মুক্ত করা ছিল এই আন্দোলনের লক্ষ্য। [২] হাজী শরিয়তুল্লাহ - র মৃত্যুর পর তার পুত্র দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
'মহাস্থান' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
Correct Answer:
খ: করতোয়া
Explanation:
'মহাস্থান' কোন নদীর তীরে অবস্থিত? সঠিক উত্তর করতোয়া মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। যিশু খ্রিষ্টের জন্মেরও আগে অর্থাৎ প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এখানে সভ্য জনপদ গড়ে উঠেছিল প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবেই তার প্রমাণ মিলেছে। ২০১৬ সালে এটি সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা হয়। প্রাচীর বেষ্টিত এই নগরীর ভেতর রয়েছে বিভিন্ন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সামন্ত রাজাদের রাজধানী ছিল। তৃতীয় খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে পঞ্চদশ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অসংখ্য হিন্দু রাজা ও অন্যান্য ধর্মের রাজারা রাজত্ব করেন। মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় । বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কি.মি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গেলে এই শহরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়৷।
'সোমপুর বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: নওগাঁ
Explanation:
'সোমপুর বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর নওগাঁ বদলগাছী উপজেলা তথা নওগাঁ জেলার সর্বাপেক্ষা গৌরবময় দর্শনীয় স্থান হলো সোমপুর বিহার বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার। বর্তমান পাহাড়পুর ইউনিয়ন পরিষদের অর্ন্তগত পাহাড়পুর গ্রামে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত। পাহাড়পুর নামটি আধুনিক এর প্রাচীন নাম সোমপুর। বাংলাদেশে সপ্তম শতাব্দিতে (৭৭০ - ৮১০ খ্রি:) বৌদ্ধ ধর্মীয় পাল রাজ বংশের প্রতিষ্ঠা হয়। খ্রীষ্টিয় অষ্টম ও নবম শতাব্দিতে পাল বংশের দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাজা ধর্মপাল ও তার পুত্র দেবপাল বাংলা, বিহার এবং কনৌজ পর্যন্ত বিরাট সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। বৌদ্ধ ধর্মের চরম উৎকর্ষতার যুগেতাদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে এই পাহাড়পুর বিহার ও মন্দির গড়ে ওঠে। ঐতিহাসিক ও ভৌগলিক কারণে এই মহাবিহারটি ধ্বংসস্তুপে পরিনত হলেও আজও এই অপূর্ব বিহারটি এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ বিহার বলে সগৌরবে দন্ডায়মান।
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-পথ কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
Correct Answer:
গ: ১০ নং
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-পথ কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল? সঠিক উত্তর ১০ নং মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরমুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে - ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো। নৌ - বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল নাচট্টগ্রাম - ১নং সেক্টরঢাক - ২ নং সেক্টররাজশাহী - ৭ নং সেক্টরমুজিব নগর - ৮ নং সেক্টরসুন্দরবন - ৯ নং সেক্টর
বাংলা টাইপ রাইটার নির্মান করেন-
Correct Answer:
ক: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
বাংলা টাইপ রাইটার নির্মান করেন- সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী বাংলা টাইপ রাইটার নির্মাণ করেন - মুনীর চৌধুরী। মুনীর চৌধুরী উদ্ভাবিত বাংলা টাইপ রাইটিং - এর নাম "মুনীর অপটিমা"।
ক্যালকুলাস কে আবিষ্কার করেন?
Correct Answer:
খ: নিউটন
Explanation:
ক্যালকুলাস কে আবিষ্কার করেন? সঠিক উত্তর নিউটন ক্যালকুলাস গণিতের একটি শাখা যেখানে সীমা, অন্তরকলন, সমাকলন ও অসীম শ্রেণী নিয়ে আলোচনা করা হয়। ক্যালকুলাস শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "নুড়িপাথর"। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যালকুলাস একটি বাধ্যতামূলক বিষয়। মূলত হসডর্ফ তৌকীর,আইজ্যাক নিউটন ও গটফ্রেড লিবনিজকে এই বিদ্যার জনক বলা হয়। বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে ক্যালকুলাসের ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। প্রাথমিক বীজগণিত দিয়ে যেসব জটিল ও বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, সেগুলি সমাধান করতে ক্যালকুলাস কাজে লাগানো হয়। ক্যালকুলাস বিশ্লেষণী জ্যামিতি ও বিশ্লেষণ গণিত শাখার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। অন্তরকলন এবং সমাকলন ক্যালকুলাসের দুইটি প্রধান শাখা। এই দুই শাখা ক্যালকুলাসের মৌলিক উপপাদ্য দিয়ে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত।
দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘঃতম সেতু ঢোলা-সাদিয়া কোন দেশে অবস্থিত?
Correct Answer:
খ: ভারত
Explanation:
দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘঃতম সেতু ঢোলা-সাদিয়া কোন দেশে অবস্থিত? সঠিক উত্তর ভারত ভূপেন হাজারিকা সেতু বা ঢোলা - সাদিয়া সেতু হল পূর্ব ভারতের অসম রাজ্যে লোহিত নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু। এটি ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সড়ক সেতুর। ঢোলা থেকে সাদিয়া পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারের বেশি দৈর্ঘ্য জুড়ে ব্রহ্মপুত্রের উপনদী লোহিত নদীর উপরে তৈরি হয়েছে ভূপেন হাজারিকা সেতু। এই সেতু প্রতিবেশী দুই রাজ্য অসম আর অরুণাচল প্রদেশকে যুক্ত করেছে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি কে?
Correct Answer:
খ: হামিদুর রহমান
Explanation:
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি কে? সঠিক উত্তর হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি হামিদুর রহমান। হামিদুর রহমান (জন্ম: ১৯২৮ - মৃত্যু: নভেম্বর ১৯, ১৯৮৮) ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী। তিনিই ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিমাখা শহীদ মিনারের নকশা করেন। ১৯৮০ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
”একুশে ফেব্রুয়ারি” প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ঘ: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
”একুশে ফেব্রুয়ারি” প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান ”একুশে ফেব্রুয়ারি” প্রথম সংকলনের সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। হাসান হাফিজুর রহমান (জুন ১৪, ১৯৩২ – এপ্রিল ১, ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ জামালপুর জেলার অন্তর্গত কুলকান্দি গ্রামে বাস করতেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অবদান রাখেন। একুশের চেতনার উপর ভিত্তি করে তার কবিতা অমর একুশে প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালেই। এটি সহ আরও কিছু লেখা একত্রিত করে ১৯৫৩ সালে তিনি তাঁর প্রথম বই একুশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করেন।
কাহ্নপা কী ধরনের সাহিত্য রচনা করেছেন?
Correct Answer:
খ: চর্যাপদ
Explanation:
কাহ্নপা কী ধরনের সাহিত্য রচনা করেছেন? সঠিক উত্তর চর্যাপদ কাহ্নপা চর্যাপদ রচনা করেছেন। চর্যাপদের কবিগণের মধ্যে সর্বাধিক পদরচয়িতার গৌরবের অধিকারী কাহ্নপা। তার রচিত তেরটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে গৃহীত হয়ে। ।
একটি দেশে উৎপাদন বাড়লে কি হবে?
Correct Answer:
ঘ: কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে
Explanation:
একটি দেশে উৎপাদন বাড়লে কি হবে? সঠিক উত্তর কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে একটি দেশে উৎপাদন বাড়লে কর্মসংস্থান এর সুযোগ বেড়ে যাবে।যত বেশি উৎপাদন বাড়বে,তত বেশি মানুষের কাজের সুযোগ বাড়বে।বেশি উৎপাদন সামলানোর জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশি জনবলের প্রয়োজন হবে,ফলে কর্মসংস্থান এর সুযোগ সৃষ্টি হবে।