Saratchandra Chatterjee MCQs
Showing 29 questions (Total: 29)
অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত-
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
Explanation:
অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত- সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত - শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: বাংলা সাহিত্যে বহু অমর চরিত্রের স্রষ্টাবাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পী বলা হয় তাকে। ছোটবেলায় একবার মাথায় একটা ফোঁড়া হওয়ায় সব চুল ফেলে দেয়া হয়। সেই থেকে সবাই তাকে ডাকতো ‘ন্যাড়া’ বলে। নামটি শুনে কিছু মনে পড়লো কি? নিশ্চয়ই ‘বিলাসী’ গল্পের কথা। পাঠ্যবইয়ের বদৌলতে প্রায় সবাই - ই পড়েছেন হয়তো। মৃত্যুঞ্জয়ের সকল গল্পের ঝুলি নিয়ে পাঠকদের কাছে যে গল্প বলেছিলো, সে কথকের নামও কিন্তু ছিল ‘ন্যাড়া’। এই দুজন ব্যক্তিই এক। আজ আমরা বলছি বিলাসী গল্পের কথক শরৎচন্দ্রের কথা। পুরো নাম শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যিনি ব্যক্তিজীবনেও সাপুড়েদের মতো পটু ছিলেন বিষধর সাপ ধরার ক্ষেত্রে।গল্প - উপন্যাস - প্রবন্ধ সব জায়গায়ই পাঠককূলে সমাদৃত এক সাহিত্যিক। রোম্যান্টিক ট্র্যাজেডি কিংবা সমাজ সংস্কার, আবহমান বাংলার আত্মকথা কিংবা স্যুট - ব্যুট পরা কোনো বিলেতফেরত নায়ক, আত্মত্যাগে নিজেকে বিলীন করে দেয়া নায়িকা কিংবা প্রতিবাদে মাথাচাড়া দেয়া কোনো অরক্ষণীয়া। শরৎচন্দ্র এদের সবাইকেই খুব গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন আমাদের কাছে। নারীর প্রতি বিশেষ একধরনের স্থান থাকতো শরতের গল্প - উপন্যাসে, তার সমসাময়িক অন্যদের মতো নারীকে তিনি শুধু অবলা বলেই রেখে দেননি, তাদের মুখে বুলি ফুটিয়েছেন, কিছুটা হলেও তাকে দাঁড় করিয়েছেন সমাজের স্রোতের বিরুদ্ধে। রবি ঠাকুরের হৈমন্তী যখন স্বামী সংসার আর যৌতুকের পরাকাষ্ঠার বলি হয়, শরতের বিলাসী তখনো লড়ে যাচ্ছে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু জয়ে।শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮); The New Nationsতার চরিত্রগুলোর অনেকেই আত্মজৈবনিক। বলা যায়, তার জীবনদর্শন ও বিশ্বাস প্রতিফলিত হয়েছে তাদের মধ্য দিয়ে। তার চরিত্রগুলোর কেউ কারো চেয়ে কম নয়। সবাই নিজস্ব আবেদনে ভাস্বর। কোন পরিস্থিতিতে কোন চরিত্র ঠিক কীরকম আচরণ করবে, তা যেন পাঠকের কাছে একধরনের চমক। এই ‘চরিত্রহীন’ - এর সতীশের কথাই ধরা যাক না, মাতাল এবং খামখেয়ালী সতীশকে কোনো পাঠক কি একটু সময়ের জন্যও ভালো না বেসে পেরেছেন? কারণ সে সবসময় একটা সমান্তরাল চরিত্রে অবতীর্ণ হয়ে গিয়েছে উপন্যাস জুড়ে, সাবিত্রীর প্রতি তার প্রেম সতীশের জন্য আপনাকে কখনোই কোনো ভালো না লাগা আনতে দেবে না। আর কিরণময়ী? রহস্যময়ী সেই সিঁড়ির কাছটাতে সতীশ ও উপেনের প্রথম দেখা মুখ, সময়ের প্রবাহমানতায় যার প্রতি প্রচন্ড রাগ হবে! কিন্তু তারপরও তাকে কাছে টানতেই হয়। কি এক অদ্ভুত আকর্ষণী শক্তি এদের যে কখনো কোনো নেতিবাচক চরিত্রকেও ঠিক দূরে ঠেলে দেয়া যায় না। এদের জন্যও একটা মায়া কাজ করতে থাকে। সংস্কারাচ্ছন্ন সমাজে পরিবর্তনের জোয়ার বয়েছে শরত - রচনায়।‘দেবদাস’ উপন্যাসে দেবদাস কিংবা পার্বতী, চন্দ্রমুখী কিংবা চুনিলাল। ভুল এরা করেই গিয়েছে কাহিনীর বিভিন্ন অংশে, তারপরেও সেসব ভুলকে একটা মায়ার দৃষ্টি থেকে দেখবার জায়গা করে দিয়েছেন শরৎচন্দ্র। একে অপরকে এতো ভালোবাসবার পরও দেবদাস - পার্বতী নিজেদের সাথে এমন কেন করে? ঠিক এই প্রশ্নের জবাবে লেখক দিয়েছেন আত্মসম্মানের ব্যাখ্যা। কখনো কখনো ব্যক্তিপ্রেমের চাইতেও আত্মসম্মান কত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে এবং তখন প্রেমও এই সীমানা অতিক্রম করতে পারে না। এদের প্রেমটাও ঠিক তেমনই। পড়তে পড়তে খারাপ লাগে, তারপর আবার মনে হয়, “নাহ ঠিকই আছে!”। এভাবে চরিত্র আর কাহিনীর মধ্য দিয়ে চলতে চলতে কোনো এক পথের মোড়ে এসে লেখক যেন একটা দ্বিধা সৃষ্টি করে দেন পাঠকমনে। এর ব্যাখ্যা চেয়ে বসেন হঠাৎ করেই। পাঠক যখন নিজের মতো করে একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে চায়, “এ ভালো ও মন্দ” - এমন একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে চায়, ঠিক তখনই পাশার দান উল্টে দেবার মতো করে লেখক সিদ্ধান্ত দেন। ভালো বা মন্দের সীমানা ছাড়িয়ে চরিত্রগুলো তখন হয়ে ওঠে সময় ও স্থানের মুখাপেক্ষী, তারা পরিচালিত হতে থাকে আপেক্ষিকতার মধ্য দিয়ে। পাঠকেরা একটু আগে নেয়া সিদ্ধান্ত দোলাচলে ভোগে। চরিত্রগুলোর আবেদন ক্রমশ বাড়তে থাকে। এভাবেই বোধ হয় কাহিনীকে ধরে রাখেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।শরৎচন্দ্রের জন্ম হয় ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১৫ই সেপ্টেম্বর (বাংলা ১২৮৩ সালের ৩১শে ভাদ্র) হুগলি জেলায় দেবানন্দপুর গ্রামে। গ্রামটি ইস্টার্ন রেলওয়ের ব্যান্ডেল রেলস্টেশন থেকে দু’মাইল উত্তর - পশ্চিমে অবস্থিত। তার পিতার নাম মতিলাল চট্টোপাধ্যায় এবং মাতার নাম ভুবনমোহিনী দেবী। তার ভাইবোনেরা হলেন অনিলা দেবী, প্রভাসচন্দ্র, প্রকাশচন্দ্র, সুশীলা দেবী। বোনের নামে ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামেও তিনি লিখেছেন।লেখালেখির শুরুটা হয়েছিল কিশোরবেলাতেই, এরপর আর থেমে থাকা হয়নি; Sourcee: subhaditya - infoworld.blogspot.comশরৎচন্দ্রের পিতা প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কিছুদিন এফ.এ. পড়েছিলেন। অস্থিরচিত্ত ও অনেকটা ভবঘুরে প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় অল্প কিছুদিন চাকরি করা ছাড়া আর তেমন কিছু করা হয়ে ওঠেনি। তিনি গল্প - উপন্যাসও লিখতেন; যদিও চিত্তচাঞ্চল্যের কারণে কোনো লেখা সম্পূর্ণ করতেন না। আর্থিক অসচ্ছলতা জন্য তিনি প্রায় সময়ই পরিবার নিয়ে ভাগলপুরে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। তাই শরৎচন্দ্রের ছেলেবেলার অনেকগুলো বছর কেটেছিল ভাগলপুরে, মাতুলালয়ে।ছোটবেলায় শরৎচন্দ্রকে ভর্তি করানো হয় প্যারী পন্ডিতের পাঠশালায়। ছাত্র হিসেবে মেধাবী হলেও, স্বভাবে ছিলেন প্রচুর দুরন্ত। তার দৌরাত্ম্যে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়তো। পিতামহী ছিলেন তাকে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলতেন, “ন্যাড়া একটু দুরন্ত আছে বটে, কিন্তু বড় হলেই ঠান্ডা হয়ে যাবে”।দু - তিন বছর এখানে পড়ার পর এলাকায় একটি সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের বাংলা স্কুল স্থাপিত হলে, তাকে এতে ভর্তি করানো হয়। এখানেও বছর তিনেক পড়াশোনা করেন তিনি।১৮৯২ সালে ১৬ বছর বয়সে তার জীবনে সাহিত্যচর্চার শুরু হয়। প্রথমেই গল্প রচনা করেন। ‘কাশীনাথ’, ‘ব্রহ্মদৈত্য’, ‘কাকবাসা’ এগুলো তার প্রথমদিকের রচনা। ১৮৯৪ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন।এই সাহিত্যিকের বাল্যকালের স্মৃতিতে উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় ছিলো ‘ভাগলপুর সাহিত্য সভা’। ১৮৯৪ সালেই এর স্থাপনা হয়।এ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁর ‘বাল্য স্মৃতি’ প্রবন্ধে তিনি বলেন,আমি ছিলাম সভাপতি, কিন্তু আমাদের সাহিত্য সভায় গুরুগিরি করিবার অবসর কিংবা প্রয়োজন আমার কোনোকালেই ঘটে নাই। সপ্তাহে একদিন করিয়া সভা বসিত এবং অভিভাবক গুরুজনদের চোখ এড়াইয়া কোনো একটি নির্জন মাঠেই বসিত। জানা আবশ্যক যে, সে - সময়ে সে - দেশে সাহিত্যচর্চা একটি গুরুতর অপরাধের মধ্যেই গণ্য হইত।১৮৯৫ সালে তার মায়ের মৃত্যু হয় এবং অর্থাভাবের দরুন কলেজ ত্যাগ করতে হয়। তারপর ১৯০০ সালে বিহারের গোড্ডায় রাজ বনালী এস্টেটে একটি চাকরি পান। কিন্তু পিতার অনেক বৈশিষ্ট্য তার মধ্যেও ছিল। সে চাকরি তিনি ছেড়ে দেন এবং এরপর কিছুদিন সাঁওতাল পরগণায় সেটেলমেন্টে কাজে যোগ দেন। ১৯০৩ সালে তার পিতাও ইহলোক ত্যাগ করেন এবং তিনি তখন হাইকোর্টে অনুবাদকের কাজ নেন। সে বছরই ‘মন্দির’ নামে তার প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়। গল্পটি মামা সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে কুন্তলীন প্রতিযোগিতায় পাঠানো হয়েছিলো। তার প্রথম মুদ্রিত রচনাটি তার নিজের নামেই প্রকাশ পায়নি, ভাগ্যের অদ্ভুত চক্র! সেবার দেড়শ গল্পের মধ্যে ‘মন্দির’ শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছিলো ‘বসুমতি’ পত্রিকার সম্পাদক জলধর সেন দ্বারা।শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ এর নামচরিত্রটি অনেকাংশে তার নিজের উপর ভিত্তি করেই সৃষ্টি। শ্রীকান্তের মতোই তিনিও বার্মা তথা বর্তমান মায়ানমারে ভাগ্যান্বেষণে যাত্রা করেন ১৯০৩ সালেই। রেঙ্গুনে থাকা অবস্থাতেই তিনি বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রী শান্তিদেবী ও এক বছর বয়সী পুত্রসন্তানের প্লেগে মৃত্যু হয়। এরপর মোক্ষদা দেবীর পিতার বিশেষ অনুরোধে শরৎচন্দ্র তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর মোক্ষদার নাম পাল্টে তিনি রেখেছিলেন হিরন্ময়ী।ভারতের মুক্তি আন্দোলনে সশস্ত্র বিপ্লবীদের প্রতি তার ছিল পূর্ণ সমর্থন; Source: subhaditya - infoworld.blogspot.comশরৎচন্দ্র হাওড়া কংগ্রেসে সভাপতি ছিলেন, কিন্তু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাকে সবসময়ই সশস্ত্র বিপ্লবীদের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তিনি ১৯২২ সালে তাই একবার কংগ্রেস ত্যাগ করতে চান, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ তাকে বাধা দেন। তিনি সশস্ত্র সংগ্রামীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগও রাখতেন। বিপ্লবী বিপিন গাঙ্গুলী তার মামা ছিলেন। তার ভালো সম্পর্ক ছিল বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্সের সর্বাধিনায়ক হেমযন্দ্র ঘোষ, কাকোরী ষড়যন্ত্র মামলার আসামী বিপ্লবী শ্চীন স্যান্যাল, বারীন ঘোষ, উপেন বন্দোপাধ্যায়, অমরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখের সঙ্গে। শরৎচন্দ্র বিপ্লবীদের নিজের রিভলবার, বন্দুকের গুলি দিয়ে এবং আর্থিকভাবে সাহায্য করতেন। মাস্টারদা সূর্য সেনকেও তিনি আন্দোলনের কাজের জন্য অর্থ দিয়েছিলেন।আত্মপ্রচারবিমুখ ছিলেন এই লেখক। পরিচিতদের মধ্যে নিজস্ব বৃত্তে স্বচ্ছন্দ থাকতেন, ছিলেন হাস্যরসে ভরপুর এবং প্রচণ্ড পারিবারিক। বেশভূষার ক্ষেত্রে শৌখিনতা ছিল। দক্ষ সাঁতারু হবার পাশাপাশি শিকারেও পারদর্শী ছিলেন, কিন্তু পরে শিকার করা ছেড়ে দেন। হয়তো একটা সময় জীবপ্রেম এতটাই প্রকট হয়ে ওঠে তার মধ্যে, তখন আর শিকারী পরিচয় তার কাছে বোঝার মতো ঠেকতো। এরপর অনেক বছর তিনি সি.এস.পি.সি.এ. অর্থাৎ কলকাতা পশুক্লেশ নিবারণী সমিতির হাওড়া শাখার চেয়ারম্যান ছিলেন। ‘মহেশ’ গল্পে তার জীবপ্রেমের প্রকাশ ঘটেছে।১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি.লিট উপাধি লাভ করেন। এছাড়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পেয়েছিলেন জগত্তারিণী পদক। লেখক পরিচয় তার জীবনে প্রবল ভূমিকা নিয়েছে, কিন্তু গায়ক, বাদক, চিকিৎসক ও চিত্রশিল্পী হিসেবেও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন।জীবনের শেষ ক’টি বছর অসুস্থতার দরুন অনেক ভুগেছেন তিনি। যকৃতে ক্যান্সার হয়েছিলো, যা পরে পাকস্থলীও আক্রান্ত করে। কলকাতার একটি ইউরোপিয়ান নার্সিং হোমে তার পেটে অপারেশন করা হয়েছিলো। কিন্তু অপারেশনের চারদিন পর, ১৯৩০ সালের ১৬ই জানুয়ারি মৃত্যু হয় তার।তার সবচেয়ে জনপ্রিয় রচনার একটি ‘শ্রীকান্ত’; Source: subhaditya infoworld.blogspot.comশরৎচন্দ্র সৃষ্ট রাজলক্ষ্মী - শ্রীকান্ত - ইন্দ্রলাল, রমা - রমেশ, সব্যসাচী, বড়দিদি, সতীশ - সাবিত্রী, বিলাসী সহ আরো বহু অমর চরিত্র বাংলা সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধতর। তার শক্তিশালী লেখনী ও সমাজকদে ভিন্নভাবে দেখবার চোখ সাহিত্যজগতে যুক্ত করেছে বহু কালজয়ী রচনা, যার আবেদন পাঠকসমাজে বছরের পর তাকে জীবিত রাখবে একজন অপরাজেয় কথাশিল্পীর পরিচয়ে।সুত্রঃ রোর বাংলা
শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' কোন শ্রেনীর উপন্যাস ?
Correct Answer:
খ: আত্নজৈবনিক
Explanation:
শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' কোন শ্রেনীর উপন্যাস ? সঠিক উত্তর আত্নজৈবনিক শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন।
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পল্লী - সমাজ উপন্যাসটির প্রথম নয়টি পরিচ্ছেদ ১৩২২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই নয়টি পরিচ্ছেদে উপন্যাসটি শেষ করার কথা ভাবলেও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরে আরো দশটি পরিচ্ছেদ রচনা করেন, যা এক সঙ্গে ১৩২৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দের ভারতবর্ষ পত্রিকার মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স এই উনিশটি পরিচ্ছেদ পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।
‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গৃহদাহ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৯২০ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়। গৃহদাহ উপন্যাসে, তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছেঃ অচলা, মহিম ও সুরেশ।
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: পথের দাবী
Explanation:
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল? সঠিক উত্তর পথের দাবী বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় । তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪) ,বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬) ,দেবদাস (১৯১৭) চরিত্রহীন (১৯১৭) , শ্রীকান্ত (১ম পর্ব - ১৯৩৩) ,দত্তা (১৯১৮) , গৃহদাহ (১৯২০) ,দেনাপাওনা (১৯২৩) ,শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ,বিপ্রদাস (১৯৩৫) নিস্কৃতি ইত্যাদি।
' পথের দাবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
' পথের দাবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের 'পথের দাবি' ১৯২৬ সালে প্রকাশিত রাজনৈতিক পটভূমিতে লিখিত উপন্যাস, যা তৎকালীন সময়ে রাজরোষে বাজেয়াপ্ত ও হয়েছিল। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো 'পরিণীতা' (১৯১৪), 'বিরাজ বৌ' (১৯১৪) , 'বৈকুণ্ঠের উইল' (১৯১৬) , 'দেবদাস' (১৯১৭), 'চরিত্রহীন' (১৯১৭) , 'শ্রীকান্ত' (১ম পর্ব - ১৯১৭), ২য় পর্ব ১৯১৮ , ৩য় পর্ব ১৯২৭), ৪র্থ পর্ব ১৯৩৩) ,'শেষ প্রশ্ন' (১৯৩১) 'বিপ্রদাস' (১৯৩৫) ।
কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ' জগত্তারিণী' পদক লাভ করেন?
Correct Answer:
খ: ১৯২৩
Explanation:
কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ' জগত্তারিণী' পদক লাভ করেন? সঠিক উত্তর ১৯২৩ অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় তার সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে ' জগত্তারিণী ' স্বর্ণপদক এবং ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডি লিট' উপাধি লাভ করেন।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়?
Correct Answer:
খ: দেবানন্দপুর গ্রাম
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়? সঠিক উত্তর দেবানন্দপুর গ্রাম শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের প্রেসিডেন্সি বিভাগের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মতিলাল চট্টোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভুবনমোহিনী দেবী। পাঁচ ভাই আর বোনের মধ্যে শরৎচন্দ্র ছিলেন দ্বিতীয়। তার দিদি অনিলা দেবী ছাড়াও প্রভাসচন্দ্র ও প্রকাশচন্দ্র নামে তার দুই ভাই ও সুশীলা দেবী নামে তার এক বোন ছিল। শরৎচন্দ্রের ডাকনাম ছিল ন্যাঁড়া। দারিদ্র্যের কারণে মতিলাল স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ভাগলপুরে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন বলে শরৎচন্দ্রের শৈশবের অধিকাংশ সময় এই শহরেই কেটেছিল।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম গল্পের নাম-
Correct Answer:
গ: মন্দির
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম গল্পের নাম- সঠিক উত্তর মন্দির বাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত প্রথম গল্প বা সাহিত্যকর্ম হচ্ছে ‘মন্দির’ (১৯০৩) এবং দ্বিতীয় সাহিত্যকর্ম হচ্ছে ‘বড় দিদি’ (১৯১৩)। তার অন্যান্য গল্পের মধ্যে মহেশ, বিলাসী, সতী, অভাগীর স্বর্গ, মামলার ফল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
Correct Answer:
গ: উপন্যাস
Explanation:
‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি- সঠিক উত্তর উপন্যাস ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি - উপন্যাস। পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এক অসাধারণ বিপ্লবী সব্যসাচী ও তার সাথীদের সংগ্রামের কাহিনী নিয়ে ব্রিটিশ শাসনামলে লিখিত একটি সাহসী উপন্যাস। যেটি ব্রিটিশ শাসিত ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছিল।
'শ্রীকান্ত" বইটির লেখক কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র
Explanation:
'শ্রীকান্ত" বইটির লেখক কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো: পল্লীসমাজ, দেবদাস, চরিত্রহীন, দত্তা, গৃহদাহ, দেনা পাওনা ও পথের দাবী ।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?
Correct Answer:
খ: শ্রীকান্ত
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি? সঠিক উত্তর শ্রীকান্ত শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন। শ্রীকান্ত উপন্যাসে প্রধান চরিত্র শ্রীকান্ত। এছাড়া এখানে অসংখ্য নরনারীর সমাবেশ ঘটেছে। উপন্যাসের মূল চরিত্র শ্রীকান্ত - রাজলক্ষ্মী। শ্রীকান্ত - রাজলক্ষ্মীর পাশাপাশি শ্রীকান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রথম পর্বের ইন্দ্রনাথ ও অন্নদাদিদি, দ্বিতীয় পর্বের অভয়া, তৃতীয় পর্বের ব্রজানন্দ ও সুনন্দা এবং চতুর্থ পর্বের গহর ও কমললতার হার্দিক ও সামাজিক সম্পর্কের বহু বর্ণিল বিষয় এতে চিত্রিত হয়েছে। সেই সঙ্গে তৎকালীন বাংলার আর্থ - সামাজিক অবস্থারও একটি বাস্তবানুগ চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে।
নিচের কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় -এর লেখা নয়?
Correct Answer:
ঘ: অপরাজিত
Explanation:
নিচের কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় -এর লেখা নয়? সঠিক উত্তর অপরাজিত অপরাজিত - বিভুতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় ছিলেন একজন ভারতীয় বাংলা কথাসাহিত্যিক। তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোট গল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। "পথের পাঁচালী " ও "অপরাজিত " এই দুইটি তার বিখ্যাত উপন্যাস। তাই সঠিক উত্তর : অপরাজিত
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন গ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল?
Correct Answer:
গ: পথের দাবী
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন গ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল? সঠিক উত্তর পথের দাবী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পথের দাবী গ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল । পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এক অসাধারণ বিপ্লবী সব্যসাচী ও তার সাথীদের সংগ্রামের কাহিনী নিয়ে ব্রিটিশ শাসনামলে লিখিত একটি সাহসী উপন্যাস। যেটি ব্রিটিশ শাসিত ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছিল।
'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি --
Correct Answer:
গ: উপন্যাস
Explanation:
'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি -- সঠিক উত্তর উপন্যাস শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন। শ্রীকান্ত উপন্যাসে প্রধান চরিত্র শ্রীকান্ত। এছাড়া এখানে অসংখ্য নরনারীর সমাবেশ ঘটেছে। উপন্যাসের মূল চরিত্র শ্রীকান্ত - রাজলক্ষ্মী। শ্রীকান্ত - রাজলক্ষ্মীর পাশাপাশি শ্রীকান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রথম পর্বের ইন্দ্রনাথ ও অন্নদাদিদি, দ্বিতীয় পর্বের অভয়া, তৃতীয় পর্বের ব্রজানন্দ ও সুনন্দা এবং চতুর্থ পর্বের গহর ও কমললতার হার্দিক ও সামাজিক সম্পর্কের বহু বর্ণিল বিষয় এতে চিত্রিত হয়েছে। সেই সঙ্গে তৎকালীন বাংলার আর্থ - সামাজিক অবস্থারও একটি বাস্তবানুগ চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। শ্রীকান্ত চরিত্রটির মধ্য দিয়ে লেখকের ব্যক্তিজীবন বহুলাংশে প্রতিফলিত হয়েছে।
'অন্নদা দিদি ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
গ: শ্রীকান্ত
Explanation:
'অন্নদা দিদি ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের চরিত্র? সঠিক উত্তর শ্রীকান্ত অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস "শ্রীকান্ত "। উল্লেখযোগ্য চরিত্র শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, অন্নদা দিদি, রাজলক্ষ্মী, অভয়া, রোহিণী, যদুনাথ ইত্যাদি।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কি?
Correct Answer:
গ: অনিলা দেবী
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কি? সঠিক উত্তর অনিলা দেবী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছদ্মনাম 'অনিলা দেবী'। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের ছদ্মনাম 'দৃষ্টিহীন'। বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - যযাবর। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - নীল লোহিত।
নিচের কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস?
Correct Answer:
ঘ: গৃহদাহ্
Explanation:
নিচের কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস? সঠিক উত্তর গৃহদাহ্ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ত্রিভুজ প্রেমের একটি উপন্যাস - গৃহদাহ। এ উপন্যাসটি মাসিক "ভারতবর্ষ " পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসের মূল চরিত্র হলো - মহিম, অচলা, সুরেশ, মৃণাল।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ডি .লিট ডিগ্রি প্রদান করে-
Correct Answer:
খ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ডি .লিট ডিগ্রি প্রদান করে- সঠিক উত্তর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট লাভ করেন। এবং ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পুরস্কার লাভ করে। সঠিক উত্তর - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর কোন উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: গৃহদাহ
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর কোন উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে? সঠিক উত্তর গৃহদাহ গৃহদাহ উপন্যাসে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাসে মহিম ও সুরেশ এই দুই পুরুষের প্রতি অচলার আকর্ষণ - বিকর্ষণ কেন্দ্রীয় উপকরণ হিসেবে উপজীব্য করা হয়েছে। বিবাহ - বহির্ভূত কথিত অসামাজিক প্রেমের কাহিনী ও সমস্যা এতে তুলে ধরা হয়েছে।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বইটি লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: চরিত্রহীন
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বইটি লিখেছেন? সঠিক উত্তর চরিত্রহীন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর লেখা বিষয় হলো "চরিত্রহীন"। পদ্মাবতী - আলাওল এর লেখা। ব্যাথারদান - কাজী নজরুল ইসলাম এর লেখা। উন্নতজীবন - ডা. লুৎফর রহমান।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ গল্পের প্রধান চরিত্র কে?
Correct Answer:
খ: গফুর
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ গল্পের প্রধান চরিত্র কে? সঠিক উত্তর গফুর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত গল্প হলো - মহেশ, বিলাসী, সতী, মামলার ফল, রামের সুমতি, মেজদিদি, ছবি, বিন্দুর ছেলে প্রভৃতি।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?
Correct Answer:
গ: শ্রীকান্ত
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি? সঠিক উত্তর শ্রীকান্ত ব্যাখ্যাঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শ্রেষ্ঠ রচনা "শ্রীকান্ত "। চার খন্ডে বিভক্ত এটি লেখকের আত্নচরিতমূলক উপন্যাস। প্রথম খন্ড ১৯১৭, ২য় খন্ড ১৯১৮, ৩য় খন্ড ১৯২৭ এবং ৪র্থ খন্ড ১৯৩৩ সালে গ্রন্থকারে প্রকাশিত হয়। তার রচিত "দেবদাস", গৃহদাহ, চরিত্রহীন, উপন্যাসে সামাজিক দ্বন্দ্ব মূলক বা সমাজ অননুমোদিত প্রেমের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।
শ্রীকান্ত উপন্যাসটির কয় খন্ডে রচিত?
Correct Answer:
গ: ৪
Explanation:
শ্রীকান্ত উপন্যাসটির কয় খন্ডে রচিত? সঠিক উত্তর ৪ শ্রীকান্ত বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আত্মচরিত মুলক উপন্যাস। এর ৪ টি খন্ড যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭, ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাস টির প্রথম খন্ড প্রকাশের সময় শ্রীকান্ত নিজের নাম শ্রীকান্ত শর্মা ব্যবহার করেন।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন ডিগ্রি প্রদান করে?
Correct Answer:
ক: সম্মানসূচক ডি. লিট
Explanation:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন ডিগ্রি প্রদান করে? সঠিক উত্তর সম্মানসূচক ডি. লিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালে সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মানসূচক ডি - লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
নিচের যেটি শরৎচন্দ্রের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক-
Correct Answer:
ঘ: চিত্রশিল্পী
নিচের কোন দুজন শরৎচন্দ্র - সৃষ্ট নারী চরিত্র?
Correct Answer:
গ: অভয়া, অন্নদা
Explanation:
নিচের কোন দুজন শরৎচন্দ্র - সৃষ্ট নারী চরিত্র? সঠিক উত্তর অভয়া, অন্নদা অন্নদা ও অভয়া শ্রীকান্ত উপন্যাসের দুটি চরিত্র।
‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি?
Correct Answer:
ক: উপন্যাস