Bengali drama MCQs
Showing 50 questions (Total: 229)
কোন বাঙালি নাট্যকার বাংলা নাটকের পথিকৃৎ-?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
কোন বাঙালি নাট্যকার বাংলা নাটকের পথিকৃৎ-? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাঙালি নাট্যকার বাংলা নাটকের পথিকৃৎ - মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত।
কবর নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
কবর নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ভাষা - আন্দোলনভিত্তিক একাঙ্ক বিশিষ্ট "কবর" (১৯৫৩) নাটকটি মুনীর চৌধুরী, বিপ্লবী রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জেলবন্দিদের দ্বারা অভিনয়ের জন্য রচনা করেন।
'মহাকবি আলাওল' নাটকটির রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
ক: সিকান্দার আবু জাফর
Explanation:
'মহাকবি আলাওল' নাটকটির রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর সিকান্দার আবু জাফর মহাকবি আলাওল - নাটকটির রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর। সিকান্দার আবু জাফর একজন বাঙালি কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তিনি ভারত বিভাগোত্তর কালে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা "সমকাল" সম্পাদনার জন্য বিশেষ ভাবে খ্যাত। তার উল্লেখযোগ্য নাটক - মহাকবি আলাওল (১৯৬৬), সিরাজউদ্দৌলা(১৯৬৫) ইত্যাদি।
একুশে ফেব্রুয়ারি পটভুমিতে রচিত কবর নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
একুশে ফেব্রুয়ারি পটভুমিতে রচিত কবর নাটকের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ‘কবর’ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত। ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি নাটকটি রচিত হয়; তখন তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দী জানা যায়, আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন জেলখানায় মঞ্চস্থ করা যায় এমন একটি নাটক লিখে দেয়ার জন্য।
'এইসব দিনরাত্রি' নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: হুমায়ূন আহমেদ
Explanation:
'এইসব দিনরাত্রি' নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর হুমায়ূন আহমেদ 'এইসব দিনরাত্রি' নাটকটির রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮–১৯ জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ।
’নেমেসিস’ নাটকটি কার লেখা?
Correct Answer:
ক: নূরুল মোমেন
Explanation:
’নেমেসিস’ নাটকটি কার লেখা? সঠিক উত্তর নূরুল মোমেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলা (১৩৪৯ - ৫০ সাল) সংঘটিত মন্বন্তরের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক "নেমেসিস" যার রচয়িতা নূরুল মোমেন।
'আজ রবিবার' নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: হুমায়ূন আহমেদ
Explanation:
'আজ রবিবার' নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর হুমায়ূন আহমেদ "আজ রবিবার" - নাটকটির রচয়িতা - হুমায়ূন আহমেদ। "আজ রবিবার" - হুমায়ূন আহমেদের তৈরী একটি বাংলাদেশি টেলিভিশন সাইটকম যা মূলত বিটিভি তে ১৯৯৯ সালে সম্প্রচারিত হয়েছিল। এটি ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল স্টার প্লাসে ২০১৭ সালে হিন্দিতে পুনরায় প্রচারিত হয়েছিল। নাটকটির। পর্বের সংখ্যা ছিল ৭।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
খ: সাজাহান
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর সাজাহান বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক নাটক ' সাজাহান' (প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে) । বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলো - 'সিরাজদ্দৌলা ' (১৯০৫) , 'মীর কাসিম' (১৯০৬) , 'ছত্রপতি শিবাজী '(১৯০৭) , 'তারাবাঈ' (১৯০৩) ,'নূরজাহান ' (১৯০৮) , 'চন্দ্রগুপ্ত' (১৯১১) , 'সিংহল বিজয়' (১৯১৬) ইত্যাদি।
’বিজয়া’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎপন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
’বিজয়া’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎপন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাটকসমূহ: ষোড়শী , ১৯২৮ রমা , ১৯২৮ বিরাজ বউ , ১৯৩৪ বিজয়া , ১৯৩৫
কোনটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক?
Correct Answer:
খ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
কোনটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক? সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। সৈয়দ হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ - অনুভূতি ও ভালো - মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন - এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।
'তারাবাঈ' নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
যে নাটকের অভিনয় দেখে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মঞ্চে জুতো ছুঁড়ে মারেন তার নাম কি?
Correct Answer:
খ: নীল দর্পণ
'ছেড়া তাঁর' নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: তুলসী লাহিড়ী
'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের পটভূমি ছিল?
Correct Answer:
খ: পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
'পুতুলের বিয়ে' কার রচিত নাটক?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
’কবর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
’কবর’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ১৯৫২ সালের পটভূমিতে রচিত কবর নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী।
মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটকের পটভূমি কি?
Correct Answer:
খ: ভাষা আন্দোলনে
Explanation:
মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটকের পটভূমি কি? সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলনে মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটকের পটভূমি ভাষা আন্দোলনে । বাংলাদেশর নাট্যসাহিত্যে মুনীর চৌধুরী (২৭ নবম্বর ১৯২৫, ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) এক অবিস্মরণীয় নাম। অসাধারণ প্রতিভাধর এ নাট্যকার মৌলিক ও অনুবাদ নাটক দিয়ে বাংলা নাট্যসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি এ দেশের নবনাট্যের পথ দেখিয়েছেন। তার নাটকগুলো স্বদেশপ্রেম ও সমাজচেতনায় উদ্দীপ্ত। অল্পকাল ব্যবধানে দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পর দুনিয়াব্যাপী চিন্তা - চেতনায় পরিবর্তন ঘটে; এর অনিবার্য প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের শিল্প - সাহিত্যেও। শিক্ষিত - সচেতন মানুষ হিসেবে নাট্যকার মুনীর চৌধুরীও বিশ্বমননে স্নাত হয়েছিলেন। পৃথিবীখ্যাত নাট্যনির্মাতা ইবসেনের সামাজিক - বাস্তবতাবোধ, বার্নার্ড শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা, পিরান্দেলো - ব্রেখট - বেকেটের প্রগাঢ় শিল্পলগ্নতা আর মন্মথ রায়ের ভাষার গভীরতা প্রভৃতি অগ্রসর ভাবনা - প্রবণতা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন তিনি। আর এ কারণেই বিষয় - কাঠামো আর মঞ্চে পরিবেশনের কলা - কৌশলের দিক থেকে তার নাটকগুলো স্বতন্ত্র মর্যাদায় অভিসিক্ত হয়েছে। মুনীর চৌধুরী ঐতিহাসিক কাহিনী নিয়ে অনেক নাটক ও একাঙ্কিকা লিখেছেন; তার মধ্যে ‘কবর’ অন্যতম। তার রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি প্রভৃতি নাটক সবিশেষ সাফল্য লাভ করলেও জনমানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রশংসা পেয়েছে ‘কবর’ নাটকটি। বিষয় - ভাবনা এবং পরিবেশন - শৈলীর কারণেই সম্ভবত এটির প্রচার ও প্রসার অসামান্য। ‘কবর’ গভীর জীবনবোধের আলোকে সজ্জিত একাঙ্গ নাটক। এ ধরনের নাটক অপেক্ষাকৃত আধুনিককালের সৃষ্টি। যেখানে সহজ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে অনায়াসে দেখে নেয়া যায় জীবনের রূপ - নিবিড়তা ও গন্ধ - গভীরতা। এখানে পাওয়া যায় সমকালের সহজ অনুভবের শিল্পঋদ্ধ জীবন নিষ্ঠ কথা। ‘কবর’ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত। ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি নাটকটি রচিত হয়; তখন তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দী জানা যায়, আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন জেলখানায় মঞ্চস্থ করা যায় এমন একটি নাটক লিখে দেয়ার জন্য। যেখানে দেশপ্রেম থাকবে, আলো - আঁধারি পরিবেশ থাকবে এবং নারী চরিত্র এমন ভাবে থাকবে যাতে পুরুষ অভিনয় করতে পারে। মুনীর চৌধুরী রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধ মাথায় রেখেই ‘কবর’ নাটিকাটি রচনা করেছিলেন। তিনি তার স্মৃতিচারণে বলেছেন, ‘জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো ‘কবর’ নাটকটির আঙ্গিকে নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ’ নাটকটি সর্বপ্রথম ১৯৫৩ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি জেলখানাতে মঞ্চস্থ হয়েছিল। ‘কবর’ নাটকে গোরস্তানের অতিপ্রাকৃত রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পুরো ঘটনাই গোরস্তানের ভেতর সংঘটিত হয়েছে। নেতা আর ইন্সপেক্টর হাফিজের অর্ধ - মাতাল অবস্থায় সংলাপের মধ্য দিয়ে নাটকটি সামনের দিকে আগাতে থাকে। এর মধ্যে অশরীরী আত্মার মতো হঠাৎ এসে উপস্থিত হয় মুর্দা ফকির। মুর্দা ফকির ‘মুর্দা’ নয়, জীবিত। তবুও নেতা ও হাফিজ দুজনেই তাকে মনে মনে ভয় পায়। আপাতদৃষ্টিতে তার কথার মধ্যে পাগলামির সংমিশ্রণ আছে তবে এটা নাটকের বহিরাঙ্গ। তার প্রতিটি কথাই রূপকধর্মী। তার বুকে যে হাহাকার তা বিবেকেরই হাহাকার দেশ ও জাতির কান্না। মুর্দা ফকির নেতা ও হাফিজের কাছে বিদায় নিয়ে কিছুদূর গিয়ে আবার ফিরে এসে বলে, ‘গন্ধ! তোমাদের গায়ে মরা মানুষের গন্ধ! তোমরা এখানে কি করছ? যাও, তাড়াতাড়ি কবরে যাও। ফাঁকি দিয়ে ওদের পাঠিয়ে দিয়ে নিজেরা বাইরে থেকে মজা লুটতে চাও, না? না, না আমার রাজ্যে এসব চলবে না। মুর্দা ফকিরের এই সংলাপের মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। এখানে যারা জীবিত মূলত তারা প্রকৃত জীবিত নয়; জীবন্মৃত অবস্থায় তারা আছে তারা জীবন্ত লাশ মাত্র। আর যাদের তারা অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে তারাই জীবিত চির জাগরূক। তাই তো লাশগুলো কবরে ঢুকতে চায় না, বিদ্রোহ করে। ওরা হাফিজের কথার প্রতিবাদ করে বলে, ‘মিথ্যে কথা। আমরা মরিনি। আমরা মরতে চাইনি। আমরা মরব না। ...কবরে যাব না। ‘কবর’ নাটকের মুর্দা ফকির, মূর্তিদের (ভাষা আন্দোলনে শহীদেরা) হাহাকার শুধু নিজেদের নয়, তাদের জীবন - উৎসর্গ শুধু ব্যক্তির উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার জন্য নয়, নয় শুধু ভাষা আন্দোলনে আবেগ - উচ্ছ্বাসে জড়িত। এখানে রাজনৈতিক অবস্থা, গোপন ছলনা এবং বাঙালীর অস্তিত্বের সংগ্রাম নাটকজুড়ে নিহিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট গবেষক ও মুনীর চৌধুরীর ছাত্র আনিসুজ্জামানের উক্তিটি স্মর্তব্য, ‘পরিহাসতরল আবহাওয়ার ছদ্মাবরণের সাহায্যে দুটি করুণ দৃশ্যের সাঙ্গীকরণ নাটকীয়তা সৃষ্টিতে বিশেষভাবে কার্যকর হয়েছে। এ দুই অংশে এবং মুর্দা ফকিরের বৃত্তান্তে ভাষা আন্দোলনকে অতিক্রম করে মুনীর চৌধুরী আমাদের সামাজিক জীবনের বৃহত্তর দ্বন্দ্বের প্রতি অঙ্গুলি সঙ্কেত করেছেন। প্রগতিশীল চিন্তার লালনকারী নাট্যকার মুনীর তার নাটকে মানবতাবাদী ভাবনার প্রকাশ দেখাতে চেয়েছেন। রক্ষণশীলতা আর প্রগতিশীলতার যে দ্বন্দ্ব, তা তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে। পরাক্রমশালী রাজনীতির দৌরাত্ম্য ও জনগণের অসহায়তা এবং আদর্শবাদী চিন্তাধারার মাহাত্ম্য রচিত হয়েছে নাটকটির সংলাপের অভিনবত্বে ও উপস্থাপনার চমৎকারিত্বে। রাজনৈতিক প্রতাপ, অহমিকা, জনগণের নাম করে নিজেদের উদরপূর্তি, ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যে জাতিগতভাবে হীনম্মন্যতাকে লালন করে, তার বাস্তব চিত্র মুনীর চৌধুরী নির্মাণ করেছেন ‘কবর’ নাটকে। ‘কবর’ নাটকে মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র ‘বেরি দ্য ডেড’ (১৯৩৬) নাটকটির প্রভাব আছে বলে মনে করা হয়। মুনীর চৌধুরীও নাটকটির অবচেতন প্রভাবের কথা স্বীকার করেছেন। ওই নাটকে বিশ্বযুদ্ধে নিহত তরুণরা কবরে যেতে অস্বীকার করেছে। ‘কবর’ নাটকে শহীদেরাও কবরে যেতে অস্বীকার করেছে। আর উইন শ’র নাটকটির সঙ্গে ‘কবর’ - এর ভাবগত ঐক্যে কিছুটা মিল আছে বৈকি! কিন্তু ‘কবর’ - এ মুনীর চৌধুরীর উদ্ভাবনী চিন্তা এবং রচনাকুশলতায় স্বকীয়তা বিদ্যমান। মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহ শ’র নাটকে প্রত্যক্ষ ও বাস্তব রূপে উপস্থাপিত আর ‘কবর’ - এ বাস্তবতার বিভ্রম সৃষ্টি করা হয়েছে নেতা ও ইন্সপক্টরকে অর্ধ - মাতালÑ অপ্রকৃতিস্থ করে। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন, ‘...এই সুদূর এবং প্রান্তিক ভারসাম্যটির জন্য ‘কবর’কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে। ’ পরিশেষে বলা যায়, ‘কবর’ নাটকে চমকপ্রদ রহস্যজাল, কৌতুকাবহ যেমন আছে তেমনি আওছ এর অন্তর্মুখী বিষাদময় ঘটনা। এই কৌতুক আবহ থেকেই বিকশিত হয়েছে বিষাদাত্মক ঘটনা। রাজনৈতিক সচেতন মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের বাস্তব ঘটনাকে অবলম্বন করে নাটক রচনা করলেও তা সমাজের বুর্জোয়া শ্রেণীর বিরুদ্ধে বাঙালীর অস্তিত্বের সংগ্রামে পরিণত করছেন; আর এখানেই তার কৃতিত্ব। মুনীর চৌধুরীর 'কবর': ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথম প্রতিবাদী নাটক । ১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে জেলখানায় নাটকটি মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা ছিল, তাই জেলখানার অপ্রতুল ব্যবস্থার মাঝেই নাটকটি মঞ্চস্থ করার ব্যাপারটি সবার আগে সামনে চলে এল। সবকিছু মাথায় রেখেই মুনীর চৌধুরী লিখলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম এক কালজয়ী নাটক, নাম দেওয়া হলো ‘কবর’। এ ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো 'কবর' নাটকটিতে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে, সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যেই নাটকটি জেলখানায় সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়। জর্জ বার্নাড'শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা মুনীর চৌধুরীকে বরাবরই প্রভাবিত করেছে, ‘কবর’ নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ভাষা আন্দোলনে বহু মানুষ শহীদ হলেও অল্প ক'জনের পরিচয় আমরা জানতে পেরেছিলাম; কত শত লাশ গুম করা হয়েছিল, তার প্রকৃত হিসাব আজও জানা যায়নি। লাশ গুমের এই ঘৃণ্য রাজনীতিকে উপজীব্য করেই নাটকটির পুরো গল্প এগিয়ে গেছে। নাটকটির সমগ্র ঘটনাস্থল ছিল গোরস্থান, ভাষা শহীদদের লাশ গুম করার নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য একজন অসৎ নেতা তার দলবল নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। নেতার এই নীলনকশা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ছিলেন ইন্সপেক্টর হাফিজ। নাটকের শুরু থেকেই অসৎ নেতাকে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়ে লোভী হাফিজও নেতার সাথে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শেষ চিহ্নটুকু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা করতে থাকেন তারা। সবকিছু যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছিল, তখুনি মুর্দা ফকির নামক এক চরিত্রের আগমন ঘটে, আধপাগল এই মানুষটি যেন সমাজের বিবেক হিসেবে আবির্ভূত হন। লাশগুলো এখনো জীবিত আর তাদের কবর থেকে উঠিয়ে তিনি মিছিল করবেন– এমন অদ্ভুত একটি কথা বলে তাদের ভড়কে দেন মুর্দা ফকির। এরপর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আবর্তনে এগিয়ে গেছে সম্পূর্ণ গল্প। একটি নাটক সার্থক করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান থাকে নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের। চরিত্রগুলো যত শক্তিশালী হবে, নাটকের বুনিয়াদ তত মজবুত হবে। 'কবর' নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না, তিনটি কেন্দ্রীয় চরিত্র পুরোটা সময় দারুণভাবে নাটকটির গল্প টেনে নিয়ে গেছে। নেতা: একজন আগাগোড়া অসৎ মানুষ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনের মতো মহান এক ঘটনাকে ‘সামান্য গণ্ডগোল’ হিসেবে চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তার ভাষ্যমতে, ভাষা শহীদেরা ছিলেন অবাধ্য দুষ্টু ছেলে, অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চলেছিল! পুরোটা সময় জুড়ে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকাটা তার চারিত্রিক দোষের দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া সমাজের অন্যান্য অসৎ নেতাকর্মীর নানা আচরণ 'কবর' নাটকের নেতার মাঝেও ফুটে উঠেছিল। বুকে সাহস না থাকলেও সবধরনের পরিস্থিতিতে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়ার প্রবণতা ছিল নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। মানুষ হিসেবে তাকে বেশ হঠকারী মনে হয়েছে, সবধরনের পরিস্থিতিতে শুধু গুলি চালানোর কথা বলাটা মোটেও বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়নি। তবে নাটকের একদম শেষদিকে মুর্দা ফকিরকে কিছুদিনের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার কথাটা অবশ্য তার দূরদর্শী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বাংলার যেসব অসৎ নেতার কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষণের জালে আমরা বন্দী ছিলাম, তাদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে নেতা চরিত্রটি দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। হাফিজ: হাফিজ ছিলেন একজন চাটুকার পুলিশ কর্মকর্তা, নাটকের সিংহভাগ সময় জুড়ে তাকে নেতার চামচামি করতে দেখা গেছে। আদর্শ বিবর্জিত এই মানুষটি নিজের সুবিধার জন্য যেকোনো কিছু করতে তৈরি ছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত, নানা কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা হঠকারী আচরণ করলেও হাফিজকে পুরো নাটকেই দূরদর্শী হিসেবে দেখা গেছে। বিশেষ করে মুর্দা ফকিরের আগমনের পর যে আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দেখে পর্যুদস্ত না হয়ে হাফিজ যেভাবে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করে গেছেন, সেটা তার চারিত্রিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তবে তার সকল বুদ্ধি অপাত্রে কাজে লাগায় দিনশেষে মানুষ হিসেবে একজন মেরুদণ্ডহীন কাপুরুষ হিসেবেই তিনি বিবেচিত হবেন। মুর্দা ফকির: পুরো নাটকটিকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন মুর্দা ফকির। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষে নিজের চোখের সামনে সমস্ত আপনজনকে মারা যেতে দেখেছেন, মানুষগুলোকে কবর দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না। সেই থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি, নাম হয় মুর্দা ফকির। আচমকা 'ঝুঁটা' বলার মাধ্যমে দৃশ্যপটে তার নাটকীয় আগমন ঘটে। আগমনের পর থেকেই নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন তিনি, যা আপাতদৃষ্টিতে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। কিন্তু একটু ভাবলে তার প্রতিটি সংলাপের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। তার মতে, মাটিচাপা দেওয়া লাশগুলোর দেহে এখনো প্রাণ আছে, হাফিজ আর নেতাকেই তিনি মৃত বলে অভিহিত করেন। এই কথার মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের তো মৃত্যু হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তারা সর্বদা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের আশায় যারা সেদিন নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়েছিল, মৃত্যু আসলে তাদেরই হয়েছিল। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েতে। ১৯৩৬ সালে রচিত মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র 'বেরি দ্য ডেড' এর প্রভাব রয়েছে ‘কবর’ নাটকে। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নিজেও তা স্বীকার করেছেন। কবরে যেতে অস্বীকার করার ব্যাপারে দুই নাটকের মাঝেই মিল রয়েছে, তবে তা কেবলমাত্র ভাবগত ঐক্যের মিল। মুনীর চৌধুরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় নাটকটির বুনিয়াদ যেভাবে গড়ে তুলেছিলেন, তা এক কথায় অসাধারণ। তাছাড়া ‘বেরি দ্য ডেড’ নাটকে মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহকে সত্য বলে তুলে ধরে কিছুটা আধিভৌতিক ঘটনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা প্রতিবাদী ভাব তুলে ধরে হয়েছিল। কিন্তু ‘কবর’ নাটকে নেতা ও হাফিজের মাতাল অবস্থায় অপ্রকৃতিস্থ দেখানো হয়, ফলে শহীদদের কবরে যেতে অস্বীকার করার দৃশ্যটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে নেতা ও হাফিজের বিভ্রমকে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই মিল থাকার প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন, এই সামান্য ভারসাম্যটির জন্য 'কবর'কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, ওই সময়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলে এমন একটি নাটক লেখাটা সত্যিই অনবদ্য নিদর্শন। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। সাহসী ভঙ্গিতে এভাবে প্রতিবাদ করতে পারতেন বলেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে মুনীর চৌধুরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। তবে একজন মানুষকে মেরে ফেললেই কি তার আদর্শকে মুছে ফেলা যায়? না, যায় না। আর যায় না বলেই যুগের পর পর ‘কবর’ নাটকটিকে শ্রদ্ধাভরে মানুষ স্মরণ করবে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যত নাটকই হোক, মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
’কবর’ নাটকটি কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
’কবর’ নাটকটি কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী জার্মানির অর্থমন্ত্রী থিও ওয়েইগেল প্রথম ইউরো মুদ্রা চালু করেন। ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ এটি চালু হয় এবং ২০০২ সালে ইউরো মুদ্রা বাজারে আসে। বিশ্বের ২৩ টি দেশ ইউরো মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে এর মধ্যে ১৯ টি দেশ ইউরো জোনের অন্তর্ভুক্ত।The euro (sign : €; code: EUR) is the official currency of the European Union. Currently the total number of countries that officially use Euro as Currency is 19.
কোনটি রবীন্দ্রনাথের নাটক ?
Correct Answer:
গ: রাজা
Explanation:
কোনটি রবীন্দ্রনাথের নাটক ? সঠিক উত্তর রাজা কোনো Actor যখন একা একাই স্বাগতভাবে সংলাপ বলেন তখন সেই সংলাপকে Soliloquy বলে। আবার Musician যখন একাকী গান করেন তখন তাকে solo বলে। অর্থাৎ Actor : Soliloquy :: Musician : Solo । সঠিক উত্তর - d ।
কবর নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
কবর নাটকের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ভাষা - আন্দোলনভিত্তিক একাঙ্ক বিশিষ্ট "কবর" (১৯৫৩) নাটকটি মুনীর চৌধুরী, বিপ্লবী রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জেলবন্দিদের দ্বারা অভিনয়ের জন্য রচনা করেন।
' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ' নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ' নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক "পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় " সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক। এছাড়াও তার আরও কয়েকটি নাটক - নূরলদীনের সারাজীবন, এখানে এখন, গণনায়ক, ঈর্ষা ইত্যাদি।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রথম কাব্যনাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'। এটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তার সর্বাধিক সার্থক ও মঞ্চসফল কাব্যনাটক। 'নূরলদীনের সারাজীবন’ তার রচিত দ্বিতীয় কাব্যনাটক। এটি ঐতিহাসিক ঘটনা ও চরিত্রের আলােকে রচিত। 'সুবচন নির্বাসনে’ আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত বিখ্যাত নাটক। 'রক্তাক্ত প্রান্তর’ মুনীর চৌধুরী রচিত পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধের কাহিনি নিয়ে প্রকাশিত তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাটক।
কবর নাটক কোন পটভূমিতে রচিত?
Correct Answer:
খ: বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন
Explanation:
কবর নাটক কোন পটভূমিতে রচিত? সঠিক উত্তর বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন ‘কবর’ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত। ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি নাটকটি রচিত হয়; তখন তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দী জানা যায়, আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন জেলখানায় মঞ্চস্থ করা যায় এমন একটি নাটক লিখে দেয়ার জন্য।
মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' কোন শ্রেণীর নাটক ?
Correct Answer:
ক: ঐতিহাসিক
Explanation:
মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' কোন শ্রেণীর নাটক ? সঠিক উত্তর ঐতিহাসিক মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর’ ঐতিহাসিক নাটক, যা ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে রচিত। তার আরাে কয়েকটি নাটক : চিঠি, কবর, দণ্ডকারণ্য। তার অনুবাদ নাটক : কেউ কিছু বলতে পারে না, রূপার কৌটা, মুখরা রমণী বশীকরণ ।
ভাষার কোন রীতি নাটকে ও বক্তৃতায় আনুপযোগ?
Correct Answer:
গ: সাধুভাষা
Explanation:
ভাষার কোন রীতি নাটকে ও বক্তৃতায় আনুপযোগ? সঠিক উত্তর সাধুভাষা সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারি। সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় উপযোগী নয়। চলিত ভাষা সহজ, অপরিবর্তনীয় এবং নাটক ও আলাপ আলোচনার জন্য উপযোগী।
'সুড়ঙ্গ' নাটকটির রচয়িতা -
Correct Answer:
ক: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation:
'সুড়ঙ্গ' নাটকটির রচয়িতা - সঠিক উত্তর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ 'সুড়ঙ্গ' নাটকটির রচয়িতা - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ (জন্ম; ১৫ আগস্ট, ১৯২২ - মৃত্যু: ১০ অক্টোবর, ১৯৭১) যেমন একজন শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক তেমনি একজন সার্থক নাট্যকার। তাঁর কথাসাহিত্যের চেয়ে নাটকের প্রচার বা আলোচনা অত্যন্ত কম। তিনি ‘বহিপীর’, ‘তরঙ্গভঙ্গ’, ‘সুড়ঙ্গ’ ও ‘উজানে মৃত্যু’ নামে ৪টি নাটক লিখেছেন। এরমধ্যে শ্রেষ্ঠতর নাটক হলো ‘বহিপীর’ ও ‘তরঙ্গভঙ্গ’। অন্য দুটি নাটকের মধ্যে ‘সুড়ঙ্গ’ হলো শিশু - কিশোরদের জন্য রচিত এবং ‘উজানে মৃত্যু’ অপ্রকাশিত নাটক। এখন আমরা ‘বহিপীর’ ও ‘তরঙ্গভঙ্গ’ নাটক দুটি নিয়ে আলোকপাত করব।
' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটির নাট্যকার কে?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটির নাট্যকার কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটির নাট্যকার - সৈয়দ শামসুল হক। সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ - অনুভূতি ও ভালো - মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন - এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।
কোনটি মুনীর চৌধুরীর নাটক?
Correct Answer:
খ: কবর
Explanation:
কোনটি মুনীর চৌধুরীর নাটক? সঠিক উত্তর কবর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত মুনীর চৌধুরীর নাটক 'কবর' (১৯৬৬) । এটি মার্কিন নাট্যকার I Irwin Shaw রচিত Bury the Dead (১৯৩৬) নাটক অনুসরণে দেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে রচিত।
কোনটি মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক ?
Correct Answer:
ক: কবর
Explanation:
কোনটি মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক ? সঠিক উত্তর কবর মুনির চৌধুরী রচিত নাটক কবর । এ নাটকটি ভাষা আন্দোলন ভাষা শহীদদের নিয়ে লেখা। এছাড়াও মুনীর চৌধুরী রচিত অন্যান্য নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি প্রভৃতি।
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পটভূমিকায় রচিত 'কবর' নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: বসন্ত
Explanation:
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পটভূমিকায় রচিত 'কবর' নাটকের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বসন্ত ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পটভূমিকায় রচিত 'কবর' নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। কবর (রচনাকাল ১৯৫৩, প্রকাশকাল ১৯৬৬) পূর্ববাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। নাটকটির পটভূমি হলো ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন।
সেলিম আল দীন রচিত নাটক হচ্ছে--
Correct Answer:
খ: হাত হদাই
Explanation:
সেলিম আল দীন রচিত নাটক হচ্ছে-- সঠিক উত্তর হাত হদাই সেলিম আল দীন রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক - হাত হদাই, ঘুম নেই, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, চাকা, মুনতাসীর ফ্যান্টাসী, কেরামতমঙ্গল, হরগজ, যৈবতী কন্যার মন, বনপাংশুল, নিমজ্জন। মুনীর চৌধুরীর নাটক ' রক্তাক্ত প্রান্তর'।
'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের পটভুমি হচ্ছে?
Correct Answer:
ক: পানিপথের যুদ্ব
Explanation:
'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের পটভুমি হচ্ছে? সঠিক উত্তর পানিপথের যুদ্ব মুনীর চৌধুরী রচিত প্রথম নাটক ' রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২)। কায়কোবাদের ' মহাশ্মশান ' মহাকাব্যের বিষয় অবলম্বনে রচিত ও নাটকের মূল পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এ নাটকের জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরষ্কার পান। তার রচিত আরো কয়েকটি নাটক - কবর, দন্ডকারণ্য, চিঠি ( মৌলিক) কেউ কিছু বলতে পারেনা, মুখরা রমণী নশীকরণ ( অনুবাদ)।
মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকের পটভুমি---
Correct Answer:
ক: ৫২ এর ভাষা আন্দোলন
Explanation:
মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকের পটভুমি--- সঠিক উত্তর ৫২ এর ভাষা আন্দোলন মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ১৯৫২ র ২১ ফেব্রুয়ারির পটভূমিতে রচিত। কবর একুশের পটভূমিতে রচিত প্রথম বাংলা নাটক।
ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত মুনীর চৌধুরীর নাটক কোনটি?
Correct Answer:
খ: কবর
Explanation:
ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত মুনীর চৌধুরীর নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর কবর মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক 'কবর'।
মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাত প্রান্তর ' কোন শ্রেনীর নাটক?
Correct Answer:
গ: ঐতিহাসিক
Explanation:
মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাত প্রান্তর ' কোন শ্রেনীর নাটক? সঠিক উত্তর ঐতিহাসিক মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর’ ঐতিহাসিক নাটক, যা ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে রচিত। তার আরাে কয়েকটি নাটক : চিঠি, কবর, দণ্ডকারণ্য। তার অনুবাদ নাটক : কেউ কিছু বলতে পারে না, রূপার কৌটা, মুখরা রমণী বশীকরণ ।
’কবর’ নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
’কবর’ নাটকের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক একাঙ্ক বিশিষ্ট 'কবর' (১৯৫৩) নাটকটি মুনীর চৌধুরী, বিপ্লবী রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জেলবন্দিদের দ্বারা অভিনয়ের জন্য রচনা করেন।
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। এছাড়াও তারা আরো কয়েকটি নাটক - নুরুলদীনের সারাজীবন, এখানে এখন, গণনায়ক, ঈর্ষা ইত্যাদি।
বাংলার চাষীদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচার নিয়ে রচিত নাটক কোনটি?
Correct Answer:
গ: নীলদর্পণ
Explanation:
বাংলার চাষীদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচার নিয়ে রচিত নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর নীলদর্পণ নীল দর্পন হলো দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বাংলা নাটক। এই নাটকের পটভূমি নীল চাষের জন্য সাধারণ কৃষকদের উপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন।
'কবর' নাটক কোন পটভূমিতে রচিত?
Correct Answer:
খ: বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
Explanation:
'কবর' নাটক কোন পটভূমিতে রচিত? সঠিক উত্তর বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন মুনীর চৌধুরী রচিত বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক: 'কবর' (১৯৬৬)। তার আরো কয়েকটি নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক __
Correct Answer:
গ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক __ সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরো কয়েকটি নাটক : কি চাহ শঙ্খচিল (মমতাজউদ্দীন আহমেদ), প্রতিদিন একদিন (সাঈদ আহমদ), নরকে লাল গোলাপ (আলাউদ্দিন আল আজাদ)।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: পায়ের আওয়ার পাওয়া যায়
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর পায়ের আওয়ার পাওয়া যায় সৈয়দ হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত।সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ - অনুভূতি ও ভালো - মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন - এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।
মুনীর চৌধুরী অনূদিত নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: মুখরা রমণী বশীকরণ
Explanation:
মুনীর চৌধুরী অনূদিত নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর মুখরা রমণী বশীকরণ মুনীর চৌধুরী অনূদীত নাটক ' মুখটা রমণী বশীকরণ', যা শেক্সপিয়ারের The Taming of the The Shrew - এর অনুবাদ। তার আরো অনূদিত নাটক - কেউ কিছু বলতে পারে না, রূপার কৌটা।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ' নাটকের রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ' নাটকের রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কালজয়ী নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' - এর গল্প এটি। আবদুল্লাহ আল - মামুন নির্দেশিত থিয়েটারের মুক্তিযুদ্ধের নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' অভিনয়ের ৪৩ বছর পূর্তি হয়েছে গত ২৫ নভেম্বর। ১৯৭৬ সালের ২৫ নভেম্বর, ঢাকার মহিলা সমিতি মঞ্চে প্রথম অভিনীত হয়েছিল কালজয়ী এ কাব্যনাট্য।
মামাগো ! নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: সুকুমার রায়
Explanation:
মামাগো ! নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সুকুমার রায় সুকুমার রায় চৌধুরী (৩০ অক্টোবর ১৮৮৭ - ১০ সেপ্টেম্বর ১৯২৩) ছিলেন একজন বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স ছড়া"র প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সন্তান এবং তার পুত্র খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। মামাগো নাটকটির রচয়িতা হলেন সুকুমার রায়।
'নীলদর্পণ' নাটকটির বিষয়বস্তু কী?
Correct Answer:
ক: নীলকরদের অত্যাচার
Explanation:
'নীলদর্পণ' নাটকটির বিষয়বস্তু কী? সঠিক উত্তর নীলকরদের অত্যাচার দীনবন্ধু মিত্র রচিত 'নীলদর্পণ' (১৮৬০) ঢাকার বাংলা প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ। নাটকটি প্রথম মঞ্চায়ন হয় ঢাকায়। নাটকটির ঘটনা, রচনা, মুদ্রণ, প্রকাশ ও প্রথম মঞ্চায়ন সব কিছুই বাংলাদেশে বলে, একে 'বাংলাদেশের নাটক' বলা হয়। এতে মেহেরপুরের কৃষকদের ওপর নীলকরদের নির্মম নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে।
দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
Correct Answer:
খ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত নীলদর্পণ নাটকটি লিখেন দীনবন্ধু মিত্র। নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ - কষ্ট নিয়ে রচিত হয়েছে । এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
কোনটি নজরুল রচিত নাটক নয়?
Correct Answer:
খ: পদ্মাবতী
Explanation:
কোনটি নজরুল রচিত নাটক নয়? সঠিক উত্তর পদ্মাবতী কাজী নজরুলের উপন্যাস হলো - বাঁধন হারা ১৯২৭ মৃত্যুক্ষুধা ১৯৩০ কুহেলিকা ১৯৩১ জীবনের জয়যাত্রা ১৯৩৯ নাটক সম্পাদনা ঝিলিমিলি (নাট্যগ্রন্থ) ১৯৩০ আলেয়া (গীতিনাট্য) ১৯৩১। পুতুলের বিয়ে (কিশোর নাটক) ১৯৩৩ মধুমালা (গীতিনাট্য) ১৯৬০ ঝড় (কিশোর কাব্য - নাটক) ১৯৬০ পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (কিশোর কাব্য - নাটক) ১৯৬৪
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ' নাটকের পটভূমি কে?
Correct Answer:
খ: মুক্তিবাহিনীর গ্রামে প্রবেশরে ঘটনা
Explanation:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ' নাটকের পটভূমি কে? সঠিক উত্তর মুক্তিবাহিনীর গ্রামে প্রবেশরে ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের সময় এক রাতে একটি গ্রামের নারী - পুরুষেরা এসেছে মাতবরের কাছে। তাদের চোখে - মুখে উৎকণ্ঠা। গত রাতেও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মাতবরের সঙ্গে দেখা করেছে জানিয়ে সবাইকে আশ্বস্ত করেছে সে। পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর ভরসা রাখতে বলছে উপস্থিত লোকজনকে। গ্রামবাসী সহজে আশ্বস্ত হতে পারে না। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কালজয়ী নাটক পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় - এর পটভূমি এটি।
'বসন্তকুমারী' নাটকের নাট্যকার হলেন-----।
Correct Answer:
ঘ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
'বসন্তকুমারী' নাটকের নাট্যকার হলেন-----। সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন 'বসন্তকুমারী' নাটকের নাট্যকার হলেন - - মীর মশাররফ হোসেন। বসন্তকুমারী নাটক ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক। নাটকটি তিনি নওয়াব আবদুল লতিফকে উৎসর্গ করেন।
'দণ্ডকারণ্য' নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
'দণ্ডকারণ্য' নাটকের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী নাট্যকার মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক - দণ্ডকারণ্য, রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, কবর। তাঁর রচিত অনুবাদ নাটক - কেউ কিছু বলতে পারে না, রূপার কৌটা, মুখরা রমণী বশীকরণ। শওকত ওসমান রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক - আমলার মামলা, তস্কর ও লস্কর, কাকর মণি।