Bengali drama MCQs
Showing 50 questions (Total: 229)
"রক্তকরবী" কি?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথের নাটক
Explanation:
"রক্তকরবী" কি? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথের নাটক 'রক্তকবরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সাংকেতিক নাটক। নাটকটি ১৯২৬ সালে 'প্রবাসী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?
Correct Answer:
গ: বসন্ত
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন? সঠিক উত্তর বসন্ত বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ঋতুনাট্য। ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ১০ ফাল্গুন নাটকটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এটি একটি পালাগান এবং নাটকের আঙ্গিকে রচিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম পালাগান। এটি কবির প্রথম ঋতুনাট্যও বটে। নাটকের বিষয়বস্তু বসন্তের আগমন ও বিদায়। নাটকে ব্যবহৃত গানগুলি গীতবিতান গীতিসংকলনের প্রকৃতি পর্যায়ের বসন্ত উপপর্যায়ের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ নাটকটি উৎসর্গ করেন কাজী নজরুল ইসলামের উদ্দেশ্যে। পরে এই নাটকটি ঋতু - উৎসব (১৯২৬) সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়।
'কবর' নাটকটির লেখক----
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
'কবর' নাটকটির লেখক---- সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী কবর নাটকটি লিখেছেন মুনীর চৌধুরী।নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে রচিত। তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকাকালীন ১৯৫৩ সালে প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে লেখেন নাটকটি কারাগারে বসে নাটকটি রচনা করেন। মুর্দা ফকির অন্যতম চরিত্র। উল্লেখ্য যে, কবর কবিতা রচনা করেছেন পল্লীকবি জসিমউদ্দীন ।
'কবর ' নাটকটি কোন পটভুমিতে লেখা?
Correct Answer:
খ: ভাষা আন্দোলন
Explanation:
'কবর ' নাটকটি কোন পটভুমিতে লেখা? সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলন ১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি।
"To be or not to be that's the question" এ লাইনটি শেক্সপিয়র এর কোন নাটক থেকে নেয়া হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: Hamlet
Explanation:
"To be or not to be that's the question" এ লাইনটি শেক্সপিয়র এর কোন নাটক থেকে নেয়া হয়েছে? সঠিক উত্তর Hamlet বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১৯৫৩ সালের পাকিস্তান নৌবাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তাকে নৌবাহিনীর আর্টিফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। ১৯৬৮ সালে তাকে চট্রগ্রামের পিএএএস বখতিয়ার নৌঘাঁটিতে বদলি করা হয়। ১৯৭১ সালের এপ্রিল তিনি গোপনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। সেপ্টেম্বর মাসে তিনি নবগঠিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ শহীদ হন।
"হাত হদাই" নাটকের নাট্যকার কে?
Correct Answer:
খ: সেলিম আল দীন
Explanation:
"হাত হদাই" নাটকের নাট্যকার কে? সঠিক উত্তর সেলিম আল দীন 'হাত - হদাই' নাটকের নাট্যকার - সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন - এর হাত হদাই বাংলা নাট্যধারায় প্রবর্তিত কথানাট্যের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছে। রূপকথার সার আরব্য রজনীর কাহিনী, সিন্দবাদের দুরন্ত ভ্রমণগাথা, পাশ্চাত্যের ওডিসি ও ঈনিড ভাবরস পানে মুগ্ধ সেলিম আল দীন হাত হদাই নাটক রচনা করেছেন। বঙ্গভূমির সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মৌখিক শব্দ 'হাত হদাই'; এর আক্ষরিক অর্থ - সাত সওদা ।সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন (১৮ আগস্ট, ১৯৪৯ - ১৪ জানুয়ারি, ২০০৮ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। সেলিম আল দীন সেলিম আল দীন জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ (বয়স ৭০) সোনাগাজী, ফেনী, বাংলাদেশ মৃত্যু ১৪ জানুয়ারি ২০০৮ (বয়স ৫৮) ঢাকা, বাংলাদেশ পেশা নাট্যকার, লেখক, অধ্যাপক জাতীয়তা বাংলাদেশী (বাংলা) নাগরিকত্ব বাংলাদেশী দম্পতি বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম তথ্য ধারা নাটক উল্লেখযোগ্য কাজ কিত্তনখোলা (১৯৮৬) কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮) চাকা (১৯৯১) হরগজ (১৯৯২) যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩) হাতহদাই (১৯৯৭) প্রাচ্য (২০০০) নিমজ্জন (২০০২) পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (সাহিত্য) (১৯৮৪) একুশে পদক (২০০৭) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩, ১৯৯৪) নান্দিকার পুরস্কার (আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা) ১৯৯৪ শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪) মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)
কোনটি ঐতিহাসিক নাটক?
Correct Answer:
ঘ: রক্তাক্ত প্রান্তর
Explanation:
কোনটি ঐতিহাসিক নাটক? সঠিক উত্তর রক্তাক্ত প্রান্তর রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২): পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এর মূল উপজীব্য। এতে তিনি যুদ্ধবিরোধী মনোভাব প্রকাশ করেন। নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
‘কবর‘ নাটকটির লেখক-
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
‘কবর‘ নাটকটির লেখক- সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ‘কবর‘ নাটকটির লেখক - মুনীর চৌধুরী মুনীর চৌধুরীর 'কবর': ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথম প্রতিবাদী নাটক১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে জেলখানায় নাটকটি মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা ছিল, তাই জেলখানার অপ্রতুল ব্যবস্থার মাঝেই নাটকটি মঞ্চস্থ করার ব্যাপারটি সবার আগে সামনে চলে এল। সবকিছু মাথায় রেখেই মুনীর চৌধুরী লিখলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম এক কালজয়ী নাটক, নাম দেওয়া হলো ‘কবর’। এ ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন,জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো 'কবর' নাটকটিতে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে, সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যেই নাটকটি জেলখানায় সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়। জর্জ বার্নাড'শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা মুনীর চৌধুরীকে বরাবরই প্রভাবিত করেছে, ‘কবর’ নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ভাষা আন্দোলনে বহু মানুষ শহীদ হলেও অল্প ক'জনের পরিচয় আমরা জানতে পেরেছিলাম; কত শত লাশ গুম করা হয়েছিল, তার প্রকৃত হিসাব আজও জানা যায়নি। লাশ গুমের এই ঘৃণ্য রাজনীতিকে উপজীব্য করেই নাটকটির পুরো গল্প এগিয়ে গেছে।নাটকটির সমগ্র ঘটনাস্থল ছিল গোরস্থান, ভাষা শহীদদের লাশ গুম করার নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য একজন অসৎ নেতা তার দলবল নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। নেতার এই নীলনকশা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ছিলেন ইন্সপেক্টর হাফিজ। নাটকের শুরু থেকেই অসৎ নেতাকে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়ে লোভী হাফিজও নেতার সাথে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শেষ চিহ্নটুকু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা করতে থাকেন তারা। সবকিছু যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছিল, তখুনি মুর্দা ফকির নামক এক চরিত্রের আগমন ঘটে, আধপাগল এই মানুষটি যেন সমাজের বিবেক হিসেবে আবির্ভূত হন। লাশগুলো এখনো জীবিত আর তাদের কবর থেকে উঠিয়ে তিনি মিছিল করবেন– এমন অদ্ভুত একটি কথা বলে তাদের ভড়কে দেন মুর্দা ফকির। এরপর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আবর্তনে এগিয়ে গেছে সম্পূর্ণ গল্প।একটি নাটক সার্থক করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান থাকে নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের। চরিত্রগুলো যত শক্তিশালী হবে, নাটকের বুনিয়াদ তত মজবুত হবে। 'কবর' নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না, তিনটি কেন্দ্রীয় চরিত্র পুরোটা সময় দারুণভাবে নাটকটির গল্প টেনে নিয়ে গেছে।নেতাএকজন আগাগোড়া অসৎ মানুষ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনের মতো মহান এক ঘটনাকে ‘সামান্য গণ্ডগোল’ হিসেবে চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তার ভাষ্যমতে, ভাষা শহীদেরা ছিলেন অবাধ্য দুষ্টু ছেলে, অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চলেছিল! পুরোটা সময় জুড়ে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকাটা তার চারিত্রিক দোষের দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া সমাজের অন্যান্য অসৎ নেতাকর্মীর নানা আচরণ 'কবর' নাটকের নেতার মাঝেও ফুটে উঠেছিল। বুকে সাহস না থাকলেও সবধরনের পরিস্থিতিতে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়ার প্রবণতা ছিল নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। মানুষ হিসেবে তাকে বেশ হঠকারী মনে হয়েছে, সবধরনের পরিস্থিতিতে শুধু গুলি চালানোর কথা বলাটা মোটেও বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়নি। তবে নাটকের একদম শেষদিকে মুর্দা ফকিরকে কিছুদিনের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার কথাটা অবশ্য তার দূরদর্শী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বাংলার যেসব অসৎ নেতার কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষণের জালে আমরা বন্দী ছিলাম, তাদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে নেতা চরিত্রটি দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।হাফিজহাফিজ ছিলেন একজন চাটুকার পুলিশ কর্মকর্তা, নাটকের সিংহভাগ সময় জুড়ে তাকে নেতার চামচামি করতে দেখা গেছে। আদর্শ বিবর্জিত এই মানুষটি নিজের সুবিধার জন্য যেকোনো কিছু করতে তৈরি ছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত, নানা কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা হঠকারী আচরণ করলেও হাফিজকে পুরো নাটকেই দূরদর্শী হিসেবে দেখা গেছে।বিশেষ করে মুর্দা ফকিরের আগমনের পর যে আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দেখে পর্যুদস্ত না হয়ে হাফিজ যেভাবে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করে গেছেন, সেটা তার চারিত্রিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তবে তার সকল বুদ্ধি অপাত্রে কাজে লাগায় দিনশেষে মানুষ হিসেবে একজন মেরুদণ্ডহীন কাপুরুষ হিসেবেই তিনি বিবেচিত হবেন।মুর্দা ফকিরপুরো নাটকটিকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন মুর্দা ফকির। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষে নিজের চোখের সামনে সমস্ত আপনজনকে মারা যেতে দেখেছেন, মানুষগুলোকে কবর দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না। সেই থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি, নাম হয় মুর্দা ফকির। আচমকা 'ঝুঁটা' বলার মাধ্যমে দৃশ্যপটে তার নাটকীয় আগমন ঘটে।আগমনের পর থেকেই নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন তিনি, যা আপাতদৃষ্টিতে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। কিন্তু একটু ভাবলে তার প্রতিটি সংলাপের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। তার মতে, মাটিচাপা দেওয়া লাশগুলোর দেহে এখনো প্রাণ আছে, হাফিজ আর নেতাকেই তিনি মৃত বলে অভিহিত করেন। এই কথার মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের তো মৃত্যু হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তারা সর্বদা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের আশায় যারা সেদিন নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়েছিল, মৃত্যু আসলে তাদেরই হয়েছিল। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েতে। ১৯৩৬ সালে রচিত মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র 'বেরি দ্য ডেড' এর প্রভাব রয়েছে ‘কবর’ নাটকে। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নিজেও তা স্বীকার করেছেন। কবরে যেতে অস্বীকার করার ব্যাপারে দুই নাটকের মাঝেই মিল রয়েছে, তবে তা কেবলমাত্র ভাবগত ঐক্যের মিল। মুনীর চৌধুরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় নাটকটির বুনিয়াদ যেভাবে গড়ে তুলেছিলেন, তা এক কথায় অসাধারণ। তাছাড়া ‘বেরি দ্য ডেড’ নাটকে মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহকে সত্য বলে তুলে ধরে কিছুটা আধিভৌতিক ঘটনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা প্রতিবাদী ভাব তুলে ধরে হয়েছিল।অসহসাহসী লেখক মুনীর চৌধুরী; Image Source: samakalকিন্তু ‘কবর’ নাটকে নেতা ও হাফিজের মাতাল অবস্থায় অপ্রকৃতিস্থ দেখানো হয়, ফলে শহীদদের কবরে যেতে অস্বীকার করার দৃশ্যটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে নেতা ও হাফিজের বিভ্রমকে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই মিল থাকার প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন,এই সামান্য ভারসাম্যটির জন্য 'কবর'কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে।সবচেয়ে বড় কথা, ওই সময়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলে এমন একটি নাটক লেখাটা সত্যিই অনবদ্য নিদর্শন। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। সাহসী ভঙ্গিতে এভাবে প্রতিবাদ করতে পারতেন বলেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে মুনীর চৌধুরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। তবে একজন মানুষকে মেরে ফেললেই কি তার আদর্শকে মুছে ফেলা যায়?না, যায় না। আর যায় না বলেই যুগের পর পর ‘কবর’ নাটকটিকে শ্রদ্ধাভরে মানুষ স্মরণ করবে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যত নাটকই হোক, মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। সুত্রঃ রোর মিডিয়া
বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
খ: বসন্ত কুমারী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর বসন্ত কুমারী মীর মশাররফ হোসেন ‘বসন্ত কুমারী' নাটকটি রচনা করেছেন কল্পনাকে আশ্রয় করে কিন্তু বাস্তবতার চিত্র এতে প্রস্ফুটিত। হিংসা, দ্বেষ, লোলুপতার জন্য যে ভয়াবহতা সৃষ্টি হয় জীবনে তারই চিত্র তুলে ধরেছেন মীর মশাররফ হোসেন।
' কবর' নাটক কার রচনা ?
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
' কবর' নাটক কার রচনা ? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও বাগ্মী মুনীর চৌধুরী (১৯২৫ - ১৯৭১ খ্রি.) 'কবর' (১৯৬৬) নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচনা করেন। তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য নাটক হলো - 'রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২), 'চিঠি' (১৯৬৬) দাওরণ্য (১৯৬৬) ইত্যাদি।
কোনটি নাটক?
Correct Answer:
ঘ: সাজাহান
Explanation:
কোনটি নাটক? সঠিক উত্তর সাজাহান 'সাজাহান' (১৯০৯) কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬০ - ১৯১৩ খ্রি.) রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক।'গড্ডলিকা' (১৯২৪) বিশিষ্ট লেখক রাজশেখর বসু (১৮৮০ - ১৯৬০ খ্রি.) রচিত একটি ছোটগল্প। অন্যদিকে 'পল্লী সমাজ' (১৯১৬) খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮)। রচিত একটি উপন্যাস।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
গ: শর্মিষ্ঠা
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর শর্মিষ্ঠা মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা নাটক তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক বাংলা নাটক শর্মিষ্ঠা সম্পর্কে সংক্ষেপে সাধারণ তথ্য: - - - - - - - - - - - # এটি রচিত হয় ১৮৫৯ সালে। # এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক। # নাটকটি মহাভারতের কাহিনীকে উপজীব্য করে পাশ্চাত্য রীতিতে রচিত হয়। # নাটকটির কাহিনী মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত রাজা যযাতি, শর্মিষ্ঠা ও দেবযানির ত্রিকোন প্রেমের কাহিনী কেন্দ্রিক। # নাটকটি রচনার পর সাফল্যের সাথে পাইকপারা বেলগাছিয়া নাট্যমঞ্চে মঞ্চায়িত হয়। # মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর এই নাটকটি রচনা মহাকবি কালিদাসের প্রতি উৎসর্গ করেন। # ১৮৫৯ সালে লেখক নিজেই ইংরেজিতে অনুবদি করেন।
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা-
Correct Answer:
খ: সেলিম আল দীন
Explanation:
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা- সঠিক উত্তর সেলিম আল দীন সেলিম আল দীনের প্রথমদিককার নাটকের মধ্যে সর্প বিষয়ক গল্প, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, এক্সপ্লোসিভ ওমূল সমস্যা, এগুলোর নাম ঘুরে ফিরে আসে। সেই সঙ্গে প্রাচ্য, কীত্তনখোলা, বাসন, আততায়ী, সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান, কেরামত মঙ্গল, হাত হদাই, যৈবতী কন্যার মন, মুনতাসির ফ্যান্টাসি ও চাকা তাকে ব্যতিক্রমধর্মী নাট্যকার হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নাট্যকার-
Correct Answer:
খ: সিকান্দার আবুজাফর
Explanation:
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নাট্যকার- সঠিক উত্তর সিকান্দার আবুজাফর সিকান্দার আবু জাফর ১৯১৯ সালের ৩১ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ মঈনুদ্দীন হাশেমী, আর মাতা জোবেদা খানম। কবির প্রকৃত নাম ছিল সৈয়দ সিকান্দার আবু জাফর হাশেমী বখত। স্থানীয় তালা বিডি ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৩৬ সনে তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে কিছুদিন অধ্যয়ন করেন। প্রথমে তিনি কলকাতার একটি সরকারী সংস্থায় চাকরি করেন। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত দৈনিক নবযুগ পত্রিকার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হন। চাকরি এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্বাধীন ব্যবসায়ের প্রতিও তিনি একসময় মনোযোগী হয়ে ওঠেন। ভারত বিভক্তির পর তিনি কলকাতার জীবন ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে একদিকে সাহিত্যচর্চা, অন্যদিকে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন তিনি। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি রেডিও পাকিস্তান ঢাকা কেন্দ্রে স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। সিকান্দার আবু জাফরের জীবনের একটা বৃহত্তর অংশ জুড়ে আছে তাঁর সাংবাদিক কর্মধারা। কলকাতা থেকে ঢাকায় আসার পরে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সম্পাদীয় বিভাগে কিছুদিন কাজ করেন। দৈনিক সংবাদের প্রথম সম্পাদকীয় তাঁরই লেখা। সংবাদের পর তিনি ইত্তেফাক এবং মিল্লাত পত্রিকায়ও সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন। ১৯৫৭ সালে সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় বিখ্যাত সমকাল পত্রিকা। বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে সমকাল পত্রিকার অবদান অসামান্য। নতুন লেখক সৃষ্টিতে সমকাল-এর সম্পাদক ও সহকারী সম্পাদক পালন করেন ঐতিহাসিক ভূমিকা। ১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অভিযান পত্রিকা। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অভিযান পত্রিকার প্রকাশ একটি দুঃসাহসী এবং ঐতিহাসিক ঘটনা। সিকান্দার আবু জাফরের সাহিত্যজীবনও গৌরবোজ্জ্বল কীর্তিতে ভাস্বর। স্কুল জীবন থেকেই তিনি কবিতা লিখতে আরম্ভ করেন। কর্মজীবনের সঙ্গে সঙ্গে অগ্রসর হতে থাকে তাঁর সাহিত্যসাধনা। একে একে প্রকাশিত হতে থাকে তাঁর কাব্য, উপন্যাস, নাটক, ছড়া ও অনুবাদগ্রন্থসমূহ। গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গেও সিকান্দার আবু জাফরের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। তাঁর ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই চলবে' গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিপুল প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করেছে। বাংলাদেশের সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের জন্য তাঁর সংগ্রাম ছিল নিরলস ও অকুণ্ঠ। নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৬৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন । সিকান্দার আবু জাফরের প্রধান সাহিত্যকর্ম : কবিতা: প্রসন্ন প্রহর (১৯৬৫), বৈরীবৃষ্টিতে (১৯৬৫), তিমিরান্তিক (১৯৬৫), কবিতা ১৩৭২ (১৯৬৮), কবিতা- ১৩৭৪ (১৯৬৮), বৃশ্চিক লগ্ন (১৯৭১), বাঙলা ছাড়ো (১৯৭২)।গানের বই : মালব কৌশিক (১৯৬৬)উপন্যাস : মাটি আর অশ্রু (১৯৪২), জয়ের পথে (১৯৪৩), পূরবী (১৯৪৪), নতুন সকাল (১৯৪৫)নাটক: শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫৮), সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৫), মহাকবি আলাউল (১৯৬৬);অনুবাদ: যাদুর কলস (১৯৫৯), সেন্ট লুইয়ের সেতু (১৯৬১), পশ্চিমের পারাবাত (১৯৬২), রুবাইয়াৎ-ই ওমর খৈয়াম (১৯৬৬), সিংয়ের নাটক (১৯৭১)।:
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি-
Correct Answer:
খ: নাটক
Explanation:
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি- সঠিক উত্তর নাটক মীর মশাররফ হোসেন ১৩ই নবেম্বর ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যিক বা গদ্য লেখক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। তিনি কলকাতার ‘সংবাদ প্রভাকর’ এবং কুমারখালির ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করতেন। তাছাড়ও তার সম্পাদিত দুটি পত্রিকা – আজিজননেহার ও হিতকরী।তিনি ‘গাজী মিয়া’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে লিখতেন।তাঁর সাহিত্য গুরু ছিলেন কাঙাল হরিনাথ। তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। বসন্তকুমারী - বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক ‘বসন্তকুমারী’। নাটকটি তিনি নওয়াব আবদুল লতিফকে উৎসর্গ করেন।
'হাত- হদাই' একটি-
Correct Answer:
ঘ: নাটক
Explanation:
'হাত- হদাই' একটি- সঠিক উত্তর নাটক 'হাত - হদাই' নাটকের নাট্যকার - সেলিম আল দীন সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন (১৮ আগস্ট, ১৯৪৯ - ১৪ জানুয়ারি, ২০০৮ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। সেলিম আল দীন সেলিম আল দীন জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ (বয়স ৭০) সোনাগাজী, ফেনী, বাংলাদেশ মৃত্যু ১৪ জানুয়ারি ২০০৮ (বয়স ৫৮) ঢাকা, বাংলাদেশ পেশা নাট্যকার, লেখক, অধ্যাপক জাতীয়তা বাংলাদেশী (বাংলা) নাগরিকত্ব বাংলাদেশী দম্পতি বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম তথ্য ধারা নাটক উল্লেখযোগ্য কাজ কিত্তনখোলা (১৯৮৬) কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮) চাকা (১৯৯১) হরগজ (১৯৯২) যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩) হাতহদাই (১৯৯৭) প্রাচ্য (২০০০) নিমজ্জন (২০০২) পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (সাহিত্য) (১৯৮৪) একুশে পদক (২০০৭) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩, ১৯৯৪) নান্দিকার পুরস্কার (আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা) ১৯৯৪ শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪) মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ' ভ্রান্তিবিলাস' কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ?
Correct Answer:
খ: কমেডি অব এররস
Explanation:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ' ভ্রান্তিবিলাস' কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ? সঠিক উত্তর কমেডি অব এররস ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪ - ১৬১৬ খ্রি.) রচিত নাটক কমেডি অফ এররস অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১ খ্রি.) 'ভ্রান্তিবিলাস' রচনা করেন। ১৮৬৯ সালে তিনি শেক্সপিয়রের এ নাটকটির বঙ্গানুবাদ করেন।
‘বিসর্জন’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
‘বিসর্জন’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বিসর্জন’ নাটকে বরাবর এই দুটি ভাবের বিরোধ বেধেছে - প্রেম আর প্রতাপ। রঘুপতির প্রভুত্বের ইচ্ছার সঙ্গে গোবিন্দমাণিক্যের প্রেমের শক্তির দ্বন্দ্ব বেধেছিল। রাজা প্রেমকে জয়যুক্ত করতে চান, রাজপুরোহিত নিজের প্রভুত্বকে। নাটকের শেষে রঘুপতিকে হার মানতে হয়েছিল। তাঁর চৈতন্য হল, বোঝবার বাধা দূর হল, প্রেম হল জয়যুক্ত। ” - বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগ এইভাবেই ‘বিসর্জন’ নাটকের পরিচয় তুলে ধরেছে।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পটভূমিতে রচতি ' কবর' নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পটভূমিতে রচতি ' কবর' নাটকের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী জেলখানায় নারী চরিত্রের অভিনেত্রী পাওয়া যাবে না বলে কবর নাটকে নাট্যকার কোনো নারী চরিত্র রাখেননি। কেবল নাটকীয় মুহূর্তে ইন্সপেক্টর হাফিজ মাথায় চাদর টেনে নারীর অভিনয় করেন। নাটকটি মুনীর চৌধুরী লেখা শেষ করেছিলেন ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি আর জেলখানায় অভিনীত হয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারি।
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: সৈয়দ শাসমুল হক
Explanation:
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শাসমুল হক সৈয়দ হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ - অনুভূতি ও ভালো - মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন - এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।
‘মানচিত্র’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আনিস চৌধুরী
Explanation:
‘মানচিত্র’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আনিস চৌধুরী সমাসচেতন নাট্যকার আনিস চৌধুরী রচিত নাটক 'মানচিত্র'। মধ্যবিত্ত মানুষের দ্বন্দ্ব - সংঘাত, দুঃখ - দারিদ্র্য ও সংগ্রামী চেতনা সার্থক ভাবে ফুটে উঠেছে তার নাটকে।
কোনটি ঠিক?
Correct Answer:
গ: বহিপীর(নাটক)
Explanation:
কোনটি ঠিক? সঠিক উত্তর বহিপীর(নাটক) 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৩) হলো জসীমউদ্দীন রচিত কাহিনী কাব্য। 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) ও 'বহিপীর' (১৯৬০) যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস ও নাটক । আর 'মহাশ্মশান ' (১৯০৪) হলো কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য -
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?
Correct Answer:
ঘ: রক্তকরবী
Explanation:
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক? সঠিক উত্তর রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো 'চিত্রাঙ্গদা' (১২৯৯), 'প্রায়শ্চিত্ত ' (১৯০৯) , 'রাজা' (১৯১০), 'অচলায়তন' (১৯১১), 'ডাকঘর' (১৯১২), 'রক্তকরবী' (১৯২৪), 'তাসের দেশ ' (১৯৩৩), চণ্ডালিকা' (১৯৩৩) ইত্যাদি।
'নীল দর্পণ' নাটকের নাট্যকার কে?
Correct Answer:
খ: দীনবন্ধু মিত্র
Explanation:
'নীল দর্পণ' নাটকের নাট্যকার কে? সঠিক উত্তর দীনবন্ধু মিত্র দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম প্রকাশিত নাটক নীলদর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে। এর পরে ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় নাটক নবীন তপস্বিনী। দীনবন্ধুর দুটি উৎকৃষ্ট প্রহসন হল ''সধবার একাদশী'' ও বিয়ে পাগলা বুড়ো। ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে তার অপর এক প্রহসন জামাই বারিক প্রকাশিত হয়। ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় তার সর্বশেষ নাটক কমলে কামিনী। নাটক ছাড়াও দুখানি কাব্যগ্রন্থও দীনবন্ধু রচনা করেছিলেন – দ্বাদশ কবিতা (১৮৭২) ও সুরধুনী কাব্য (প্রথম ভাগ – ১৮৭১ ও দ্বিতীয় ভাগ – ১৮৭৬) ।
সৈয়দ শামসুল হকের লেখা নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
সৈয়দ শামসুল হকের লেখা নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ - অনুভূতি ও ভালো - মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন - এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।
'ঝিলিমিলি' নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
'ঝিলিমিলি' নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম আলেয়া কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম নাট্যগ্রন্থ। এটি ১৯৩০ সালে (১৩৩৭ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে) গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এতে ঝিলিমিলি, সেতুবন্ধ ও শিল্পী নামে তিনটি ছোট নাটক রয়েছে। বাস্তবজীবনে প্রেম ও বিরহ ঝিলিমিলি নাটকের উপজীব্য বিষয়। সেতুবন্ধ তিনটি দৃশ্যবিশিষ্ট একাঙ্কিকা। এই নাটকে প্রকৃতির প্রতিবাদী সত্ত্বা তুলে ধরা হয়েছে। পদ্মার উপর সেতু নির্মাণে পদ্মার প্রতিবাদ ও পরিশেষে প্রকৃতির বিজয় এই নাটকের প্রধান বিষয়বস্তু। শিল্পী নাটকে নজরুলের কবিসত্ত্বা ও শিল্পীস্বত্ত্বার মধ্যে বিরোধ ও সমন্বয় তুলে ধরেছেন।
' সাজাহান' নাটকের প্রথম রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Explanation:
' সাজাহান' নাটকের প্রথম রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় 'সাজাহান' একটি ঐতিহাসিক নাটক। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩ - ১৯১৩) রচিত এ নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকের মধ্যে রয়েছে - নূরজাহান (১৯০৮) , প্রতাপসিংহ (১৯০৫) , সিংহল বিজয় (১৯১৬) ইত্যাদি।
' নেমেসিস' নাটকে নূরুল মোমেন কোন বিষয়কে তুলে ধরেছেন?
Correct Answer:
খ: ঊনপঞ্চাশের মন্বন্তর
Explanation:
' নেমেসিস' নাটকে নূরুল মোমেন কোন বিষয়কে তুলে ধরেছেন? সঠিক উত্তর ঊনপঞ্চাশের মন্বন্তর বিশিষ্ট নাট্যকার নূরুল মোমেন (১৯০৬ - ১৯৮৯ ) তার কর্মজীবনে সমাজের সংকটের পটভূমিকায় অন্তর্দ্বন্দ্বমূলক নাট্য - চরিত্র অংকন করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। 'নেমেসিস' (১৯৪৮), 'রুপান্ত' (১৯৪৭), 'আলোছায়া' (১৯৬২) ইত্যাদি তার এরুপ কিছু নাটক। 'নেমেসিস' নাটকে তিনি ঊনপঞ্চাশের মন্বন্তরকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
কোন নাটকটি সেলিম আল দীনের?
Correct Answer:
ক: মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
Explanation:
কোন নাটকটি সেলিম আল দীনের? সঠিক উত্তর মুনতাসীর ফ্যান্টাসী 'মুনতাসীর ফ্যান্টাসী' বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আলদীনের একটি প্রতীকাশ্রয়ী কৌতুক নাটক। নাট্যকার তার নাট্যচর্চার শুরুর দিকে লেখা ও নাটকটির নাম 'মুনতাসীর ফ্যান্টসী' রাখলেও পরে ফ্যান্টাসী বাদ দিয়ে শুধুই 'মুনতাসীর' নামকরণ করেন। 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'সৈয়দ শামসুল হকের, 'কবর' (১৯৬৬) মুনীর চৌধুরীর এবং 'বহুব্রীহি' হুমায়ূন আহমেদের উল্লেখ্যযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
’’কবর’’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
’’কবর’’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় কবর নাটকটি রচনা করেন। ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা - সংস্কার কমিটির রিপোর্টের অবৈজ্ঞানিক ও সাম্প্রদায়িক বিষয়বস্তুর তীব্র সমালোচনা করে মুনীর চৌধুরী পূর্ববঙ্গের ভাষা কমিটির রিপোর্ট আলোচনা প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ ভাষাতাত্ত্বিক প্রবন্ধ লেখেন। ১৯৫৯ সালের ২৭শে এপ্রিল প্রবন্ধটি বাংলা একাডেমিতে পঠিত হয়। কিন্তু মুসলিম ধর্মবিশ্বাসে আঘাতের অভিযোগে সামরিক সরকারের কাছে তাকে কৈফিয়ৎ দিতে হয়। এরপর তিনি সাহিত্যে মনোনিবেশ করেন ও বেশ কিছু মৌলিক ও অনুবাদ নাটক লেখেন। অনেকগুলি প্রবন্ধের সংকলনও প্রকাশ করেন। মীর মানস (১৯৬৫) প্রবন্ধ সংকলনের জন্য দাউদ পুরস্কার এবং পাক - ভারত যুদ্ধ সম্পর্কে লেখা সাংবাদিকতাসুলভ রচনা - সংকলন রণাঙ্গন (১৯৬৬) - এর জন্য সিতারা - ই - ইমতিয়াজ উপাধি লাভ করেন। ১৯৬৭ - ৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলা বর্ণমালা ও বানান - পদ্ধতির সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে প্রবন্ধ লেখেন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ক বিতর্কে সক্রিয় অংশ নেন। সূত্র: উইকিপিডিয়া
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় কোন নাট্যকারের হাতে?
Correct Answer:
ঘ: রামনারায়ণ তর্করত্ন
Explanation:
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় কোন নাট্যকারের হাতে? সঠিক উত্তর রামনারায়ণ তর্করত্ন উনিশ শতকের গোড়ার দিকে সংস্কৃত নাটকের অনুবাদ শুরু হলেও তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' (১৮৫২) ও রামনারায়ণ তর্করত্নের 'কুলীনকুল সর্বস্ব' (১৮৫৪) নাটক থেকে প্রকৃত পক্ষে বাংলা মৌলিক নাট্যসাহিত্যের সূত্রপাত হয়।
মীর মশাররফ হোসেনের নাটক কোনটি ?
Correct Answer:
খ: বেহুলা গীতাভিনয়
Explanation:
মীর মশাররফ হোসেনের নাটক কোনটি ? সঠিক উত্তর বেহুলা গীতাভিনয় মীর মশাররফ হোসেন রচিত নাটক হলো ' বসন্তকুমারী' (১৮৭৩), 'জমিদার দর্পণ' (১৮৭৩), 'বেহুলা গীতাভিনয়' (১৮৮৯), । মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা নাটক 'পদ্মবতী' (১৮৬০), 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৮) , 'মায়াকানন'। উল্লেখ্য, 'কৃষ্ণকুমারী' বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। 'নবীন তপস্বিনী' (১৮৬৬) নাটকের রচিয়তা দীনবন্ধু মিত্র। দীনবন্ধু মিত্রের অন্য নাটকগুলোর হলো 'লীলাবতী' (১৮৬৭), 'জামাই বারিক' (১৮৭২), কমলে কামিনী' (১৮৭৩)।
মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: মুখরা রমণী বশীকরণ
Explanation:
মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর মুখরা রমণী বশীকরণ শেক্সপিয়ারের 'টেমিং অব দ্য শ্রু' নাটকের অনুবাদ করে মুনীর চৌধুরী রচনা করেন 'মুখরা রমণী বশীকরণ' এছাড়া তার রচিত 'কবর' ভাষা আন্দোলনভিত্তিক, রক্তাক্ত ' নাটকটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা বিশেষ সময়কে ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
কুলীন কুলসর্বস্ব নাটকটি কার লেখা?
Correct Answer:
গ: রামনারায়ণ তর্করত্ন
Explanation:
কুলীন কুলসর্বস্ব নাটকটি কার লেখা? সঠিক উত্তর রামনারায়ণ তর্করত্ন 'কুলীনকুল সর্বস্ব' নাটকটির রচয়িতা রামনারায়ণ তর্করত্ন। মাইকেলের রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী, পদ্মাবতী ।দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক 'নীল দর্পণ'। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য নাটক রক্তকরবী, ডাকঘর , বিসর্জন।
' নীল দর্পণ' নাটকটির বিষবস্তু কি?
Correct Answer:
ক: নীলকরদের অত্যাচার
Explanation:
' নীল দর্পণ' নাটকটির বিষবস্তু কি? সঠিক উত্তর নীলকরদের অত্যাচার ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে নীলকরদের অত্যাচারে পীড়িত সাধারণ কৃষক - জীবনের মর্মন্তুদ ছবি 'নীল দর্পণ' নাটক প্রকাশিত হয় । গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ করেন মধুসূদন দত্ত এবং তা প্রকাশ করেন রেভারেন্ড জেমস্ লঙ। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: গোলক বসু, নবীন মাধব, তোরাপ ,সাবিত্রী।
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ক: কবর
Explanation:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর কবর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক 'কবর' যার রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। ১৯৫৫ সালের আগস্ট মাসে 'সংবাদ' পত্রিকার আজাদী সংখ্যায় কবর প্রথম প্রকাশিত হয় । এর ১০ বছর পর হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের দ্বিতীয় সংস্করণে নাটকটি পুনর্মুদ্রিত হয়।'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়?
Correct Answer:
ঘ: ইবলিশ
Explanation:
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়? সঠিক উত্তর ইবলিশ মামুনুর রশীদের উল্লেখযোগ্য নাট্যকর্মবছরনাটকভূমিকাপরিচালকসহশিল্পীনোট১৯৭২পশ্চিমের সিঁড়ি মঞ্চ নাটক১৯৭৪গন্ধর্ব নগরী মঞ্চ নাটক১৯৭৬ওরা কদম আলী মামুনুর রশীদ মঞ্চ নাটক১৯৮১ওরা আছে বলেই মামুনুর রশীদ মঞ্চ নাটক১৯৮৩ইবলিশ মামুনুর রশীদ মঞ্চ নাটক১৯৮৪এখানে নোঙর মঞ্চ নাটক
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণকুমারী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকুমারী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক 'কৃষ্ণকুমারী' । এই নাটকের কাহিনি উইলিয়াম টডের 'রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত ।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রধম নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ক: ভদ্রার্জুন
Explanation:
বাংলা ভাষায় রচিত প্রধম নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর ভদ্রার্জুন তারাচরণ শিকদার একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও নাট্যকার। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক ভদ্রার্জুন (১৮৫২) এর রচয়িতা। প্রকৃতপক্ষে এটি বাঙালি কর্তৃক রচিত প্রথম নাটক। তবে শর্মিষ্ঠা - কে (১৮৫৯) প্রথম সার্থক ও আধুনিক নাটক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
নাটক কি?
Correct Answer:
ক: দৃশ্যকাব্য
Explanation:
নাটক কি? সঠিক উত্তর দৃশ্যকাব্য নাটক (English: Drama) = সাহিত্যের একটি বিশেষ ধরণ। সাধারণত একটি লিখিত পাণ্ডুলিপি অনুসরণ করে অভিনয় করে নাটক পরিবেশিত হয়ে থাকে। নাটকে স্থান, সময় ও পরিবেশের বর্ণনা ছাড়াও সংলাপ লেখা থাকে। ত্রিমাত্রিক আয়তনে দর্শকদের সামনে অভিনেতা - অভিনেত্রীদের মাধ্যমে সমাজের কিছু ঘটনা বা কোন একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে যোগাযোগ মাধ্যম সৃষ্টি করা হয়, তাকে নাটক বলে ।
মুনীর চৌধুরী রচিত নাটকের নাম-
Correct Answer:
ক: রক্তাক্ত প্রান্তর
Explanation:
মুনীর চৌধুরী রচিত নাটকের নাম- সঠিক উত্তর রক্তাক্ত প্রান্তর রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২): পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এর মূল উপজীব্য। এতে তিনি যুদ্ধবিরোধী মনোভাব প্রকাশ করেন। নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
'নবান্ন' নাটক লিখেছেন-
Correct Answer:
ঘ: বিজন ভট্টাচার্য
Explanation:
'নবান্ন' নাটক লিখেছেন- সঠিক উত্তর বিজন ভট্টাচার্য বিজন ভট্টাচার্য ১৯০৬ সালে ফরিদপুর জেলার খানখানপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ‘নবান্ন’ নাটকটি রচনা করে তিনি প্রভৃত খ্যাতি অর্জন করেন। তার রচিত অপরাপর নাটকের মধ্যে জনপদ (১৯৪৫), কলঙ্ক (১৯৪৬), মরাচাদ (১৯৪৬), অবরোধ (১৯৪৭), গোত্রান্তর (১৯৬০) অন্যতম।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক ---
Correct Answer:
ঘ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক --- সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় 'সুবচন নির্বাসনে' আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। | 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। 'নূরলদীনের সারা জীবন সৈয়দ শামসুল হকের একটি ঐতিহাসিক নাটক। 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি কাব্যনাট্য।
কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক?
Correct Answer:
গ: বেদের মেয়ে
Explanation:
কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক? সঠিক উত্তর বেদের মেয়ে 'রাখালী' পল্লিকবি জসীম উদ্দিন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া ' মাটির কান্না' তার আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। 'বোবাকিহিনী 'তার রচিত একমাত্র উপন্যাস। 'বেদের মেয়" জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত লোকনাট্য।
নাটকের সংলাপে উপযোগী ভাষার কোন রীতি ?
Correct Answer:
খ: চলিত
Explanation:
নাটকের সংলাপে উপযোগী ভাষার কোন রীতি ? সঠিক উত্তর চলিত বাংলা ভাষার লৈখিক বা লেখ্যরূপের দুটি রীতি : একটি চলিত রীতি, অন্যটি সাধু রীতি। সাধু ভাষার তুলনায় চলিত ভাষা নবীন। নির্দিষ্ট অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট এলাকার শিক্ষিত ও শিষ্টজনের মৌখিক ভাষাকে মান ধরে চলিত ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাংলা সাহিত্যের সার্থক ট্রাজেডি নাটক কোনটি ?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণকুমারী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের সার্থক ট্রাজেডি নাটক কোনটি ? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকুমারী কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১), মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বা্ংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক। নাটকটির কাহিনি উইলিয়াম টডের 'রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত হয়েছে। এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, বিলাসবতী, ভীমসিংহ, জগৎসিংহ, মানসিংহ, ধনদাস প্রমুখ। নাটকটি ১৮৬০ সালে রচিত হলেও প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের কৃষ্ণকুমারী নাটকে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন কৃষ্ণকুমারী নিজে। নাটকে কাহিনী প্রবাহিত হয় মদনিকা এবং ধনদাস চরিত্রের মাধ্যমে। নাটকের মূল বিষয়বস্তু হল কৃষ্ণকুমারীর নিজের জীবন বিসর্জন। কৃষ্ণকুমারী রূপে গুণে অনন্য। তার একটি চিত্রপট দেখে জগৎসিংহ তাকে বিবাহ করার জন্য ব্যাকুল হয়েপড়ে। ধনদাসের মাধ্যমে ভীমসিংহের কাছে রাজা জগৎসিংহ কৃষ্ণার বিবাহের পয়গাম পাঠান। ধনদাস এই নাটকে একটি হীন চরিত্র সে টাকার জন্য সব করতে পারে। নাটকের মদনিকা চরিত্র হল বিলাসবতীর সখী। ধনদাস হল জগৎসিংহের নারী সংগ্রহকা। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও নাট্যকার। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়।
বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: ভদ্রার্জুন
Explanation:
বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর ভদ্রার্জুন ভদ্রার্জুন (বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক নাটক) - তারাচরণ শিকদার। কীর্তিবিলাস (বাংলা ভাষায় প্রথম ট্র্যাজেডি নাটক) - যোগেন্দ্র চন্দ্র গুপ্ত। বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস - কপাল কুণ্ডুলা, ১৮৬৬. বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাটক - ভদ্রার্জুন (তারাচরণ শিকদার, ১৮৫২).
কোনটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক ?
Correct Answer:
গ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
কোনটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক ? সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় "পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়" সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।‘নূরলদীনের সারাজীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের নাটক। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। ‘কবর’ মুনির চৌধুরী রাচিত '৫২ - এর ভাষা আন্দোলন বিষয়ক নাটক এবং কিত্তনখোলা সেলিম - আল দীন রচিত নাটক।
'সাজাহান' নাটকটির নাট্যকার কে?
Correct Answer:
খ: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Explanation:
'সাজাহান' নাটকটির নাট্যকার কে? সঠিক উত্তর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ‘সাজাহান’ নামক ঐতিহাসিক নাটকটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচনা করেন। তার অন্যান্য বিখ্যাত নাটক হচ্ছে - তারবাঈ, নূরজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিঙ্ঘল বিজয় ইত্যাদি। গিরিশচন্দ্র ঘোষের বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে - সিরাজদ্দৌলা, চৈতন্যলীলা, সীতার বনবাস, রামের বনবাস, মুকুল্মুঞ্জরা, প্রফুল্ল, বলিদান ইত্যাদি।
সেলিম আল দীনের রচিত নাটক কোনটি?
Correct Answer:
গ: কেরামত মঙ্গল
Explanation:
সেলিম আল দীনের রচিত নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর কেরামত মঙ্গল আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নাট্যকার সেলিম ও আল দীন রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো - ‘কেরামত মঙ্গল’(১৯৮৫), ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’, ‘বাসন’, ‘চাকা’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘হরগজ’, ‘হাতহদাই’ ‘একটি মারমা রূপকথা’, ‘কিত্তনখোলা’, ‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসি’ প্রভৃতি।