general knowledge MCQs
Showing 50 questions (Total: 19105)
বর্তমান গ্রামীণ ব্যাংক "গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প" রূপে কবে কাজ শুরু করে?
Correct Answer:
ঘ: ১৯৭৬ সালে
Explanation:
বর্তমান গ্রামীণ ব্যাংক "গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প" রূপে কবে কাজ শুরু করে? সঠিক উত্তর ১৯৭৬ সালে ১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে চট্টড়্রামের হাটহাজারি উপজেলায় বুড়িশ্চর ইউনিয়নের জোবরা গ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে চালুকৃত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের সূচনা। প্রকল্পটির আশাব্যঞ্জক সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এ প্রকল্পকে ১৯৭৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করে। ১৯৮১ সালে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) এ প্রকল্পে ঋণদানের জন্যে এগিয়ে আসে। ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে প্রকল্পের অবয়ব ছেড়ে গ্রামীণ ব্যাংক একটি বিশেষ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
Correct Answer:
খ: ইউরিয়া
Explanation:
ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি? সঠিক উত্তর ইউরিয়া ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম ইউরিয়া। ঘোড়াশাল সারকারখানা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ সারকারখানা। এটি নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ার জন্য দেশের অনেক অঞ্চলের সারের চাহিদা এ সারকারখানা পূরণ করে। দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩, ৪০, ০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫, ০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।
ঐতিহাসিক ৬ দফা কবে ঘোষণা করা হয়?
Correct Answer:
খ: ৫ ফেব্রুয়ারি
Explanation:
ঐতিহাসিক ৬ দফা কবে ঘোষণা করা হয়? সঠিক উত্তর ৫ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে -----
Correct Answer:
ক: গোয়ালন্দ
Explanation:
বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে ----- সঠিক উত্তর গোয়ালন্দ বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র - যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে - - - - - গোয়ালন্দ। বাংলাদেশে যমুনা নদীর (ব্রহ্মপুত্রের বৃহত্তম শাখানদী) সঙ্গমস্থল পর্যন্ত গঙ্গার মূল শাখাটি পদ্মা নামে পরিচিত। আরও দক্ষিণে গিয়ে গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শাখানদী মেঘনার সঙ্গে মিশে মেঘনা নাম ধারণ করে শেষপর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র নদীর বদ্বীপ বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও সুরমা - মেঘনা নদীর মিলিত জলপ্রবাহের চেয়ে একমাত্র আমাজন ও কঙ্গো নদীর জলপ্রবাহের পরিমাণ বেশি। পূর্ণ প্লাবনের ক্ষেত্রে একমাত্র আমাজনই দুই নদীর মধ্যে বৃহত্তর।
পপি উৎপাদনে কোন দেশগুলোকে ' গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেল' বলা হয়?
Correct Answer:
খ: মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
Explanation:
পপি উৎপাদনে কোন দেশগুলোকে ' গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেল' বলা হয়? সঠিক উত্তর মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস Golden Triangle : যেখানে মায়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমান মিলিত হয়, সেই মিলিত স্হানটিকে Golden Triangle বলা হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সংবিধান দিবস কত তারিখ?
Correct Answer:
ঘ: ৪ নভেম্বর
Explanation:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সংবিধান দিবস কত তারিখ? সঠিক উত্তর ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অদিবেশনে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির দায়িত্ব ছিল সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করা। কমিটি ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পেশ করে, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। তাই ৪ নভেম্বর হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সংবিধান দিবস। এ সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে আসন সংখ্যা কত?
Correct Answer:
ঘ: ৩৫০
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে আসন সংখ্যা কত? সঠিক উত্তর ৩৫০ ৩০ জুন ২০১১ জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীয় মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়। তাই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মোট আসন সংখ্যা ৩৫০ টি । এর মধ্যে ৩০০টি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত আসন, নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রাপ্ত আসন অনুপাতে বন্টন করা হয়।
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়েছিল -----
Correct Answer:
ক: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
Explanation:
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়েছিল ----- সঠিক উত্তর ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়েছিল - - - - - ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯। উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো North Atlantic Treaty Organisation বা NATO; ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত একটি সামরিক সহযোগিতার জোট। ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
কোন বিদেশী রাষ্ট্রপধান প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন?
Correct Answer:
খ: মার্শাল জোসেফ টিটো
Explanation:
কোন বিদেশী রাষ্ট্রপধান প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন? সঠিক উত্তর মার্শাল জোসেফ টিটো যুগোস্লাভিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ কোনো বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এ পর্যন্ত দুটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ দেন। অপর জন হলেন ভারতের প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি (১৮ জুন ১৯৭৪)।
ওপেকভুক্ত একমাত্র অ-আরব এশীয় দেশ-----
Correct Answer:
ক: ইন্দোনেশিয়া
Explanation:
ওপেকভুক্ত একমাত্র অ-আরব এশীয় দেশ----- সঠিক উত্তর ইন্দোনেশিয়া ১ জানুয়ারি ২০১৬ ইন্দোনেশিয়া OPEC - এ পুনরায় যোগদান করে। তাই বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া ও ইরান OPEC - ভুক্ত অ - আরব মুসলিম দেশ।
' করনার স্টোন অব পিস' --এই স্মৃতিসৌধটি সম্প্রতি স্থাপিত হয়েছে ----
Correct Answer:
গ: ওকিনাওয়া
Explanation:
' করনার স্টোন অব পিস' --এই স্মৃতিসৌধটি সম্প্রতি স্থাপিত হয়েছে ---- সঠিক উত্তর ওকিনাওয়া ' করনার স্টোন অব পিস' - - এই স্মৃতিসৌধটি সম্প্রতি স্থাপিত হয়েছে - - - - ওকিনাওয়া। ওকিনাওয়া প্রশাসনিক অঞ্চল হল জাপানের দক্ষিণে অবস্থিত ১০০০ কিমি দীর্ঘ রিউকিউ দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণের দুই তৃতীয়াংশ। এটি জাপানের দক্ষিণতম প্রশাসনিক অঞ্চল। এর রাজধানী ওকিনাওয়া দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত নাহা নগর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১, ৮৫, ০০০ সেনা নিয়ে ওকিনাওয়া অধিকার করে। প্রশাসনিক অঞ্চলটির এক তৃতীয়াংশ মানুষ প্রাণ হারান। কেবল ১৯৪৫ এর ওকিনাওয়ার যুদ্ধেই এক চতুর্থাংশের মৃত্যু হয়। মৃতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছে শান্তির প্রস্তরফলক। এই সময় থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওকিনাওয়ায় তার সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
বিশ্বখ্যাত ' মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর কে?
Correct Answer:
খ: লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
Explanation:
বিশ্বখ্যাত ' মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর কে? সঠিক উত্তর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বিশ্বখ্যাত ' মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দা ভিঞ্চি। লিওনার্দো দা ভিঞ্চি (এপ্রিল ১৪/এপ্রিল ১৫, ১৪৫২ - মে ২, ১৫১৯) ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী। অবশ্য বহুমুখী প্রতিভাধর লিওনার্দো দা ভিঞ্চির অন্যান্য পরিচয়ও সুবিদিত - ভাস্কর, স্থপতি, সঙ্গীতজ্ঞ, সমরযন্ত্রশিল্পী এবং বিংশ শতাব্দীর বহু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের নেপথ্য জনক। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির জন্ম ফ্লোরেন্সের অদূরবতী ভিঞ্চি নগরের এক গ্রামে, ১৪৫২ সালের ১৪/১৫ই এপ্রিল। তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে মোনালিসা, দ্য লাস্ট সাপার অন্যতম। তার শৈল্পিক মেধার বিকাশ ঘটে খুব অল্প বয়সেই। আনুমানিক ১৪৬৯ সালে রেনেসাঁসের অপর বিশিষ্ট শিল্পী ও ভাস্কর আন্দ্রেয়া ভেরোচ্চিয়োর কাছে ছবি আঁকায় ভিঞ্চির শিক্ষানবিশ জীবনের সূচনা। এই শিক্ষাগুরুর অধীনেই তিনি ১৪৭৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষত চিত্রাঙ্কনে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন।
Persona-non-grata শব্দসমষ্টি যে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ------
Correct Answer:
ঘ: কূটনীবিদ
Explanation:
Persona-non-grata শব্দসমষ্টি যে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ------ সঠিক উত্তর কূটনীবিদ Persona - non - grata শব্দসমষ্টি যে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য - - - - - - কূটনীবিদ। পার্সোনা নন গ্রাটা (Persona non grata) শব্দের আক্ষরিক অর্থ অবাঞ্চিত বা অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। কূটনীতিতে পার্সোনা নন গ্রাটা বলতে এমন বহির্দেশীয় ব্যক্তিকে বোঝায় যার নির্দিষ্ট কোন একটি রাষ্ট্রে অবস্থান ও প্রবেশ ঐ রাষ্ট্রের সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংক্ষেপে পার্সোনা নন গ্রাটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি গ্রাহক রাষ্ট্র কর্তৃক অগ্রহণযোগ্য ও অবাঞ্চিত ঘোষিত হয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তি অবাঞ্চিত বলে ঘোষিত হলেই ঐ দেশ থেকে "প্রত্যাহারযোগ্য" বলে বিবেচিত হবে।
অক্সফাম(Oxfam) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: লন্ডন
Explanation:
অক্সফাম(Oxfam) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর লন্ডন অক্সফাম (Oxfam) ব্রিটেনের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা। সদর দপ্তর লন্ডনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর যেসব যোগাযোগা ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল তার পুনর্গঠনে এ সংস্থাটি বিশেষভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে।
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট 2022 অনুসারে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ?
Correct Answer:
গ: ৮ম
Explanation:
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট 2022 অনুসারে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ? সঠিক উত্তর ৮ম বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০১৪ মতে, জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যায় শীর্ষ ১০ দেশ হলো : ১. চীন, ২. ভারত, ৩. যুক্তরাষ্ট্র, ৪. ইন্দোনেশিয়া, ৫. ব্রাজিল, ৬. পাকিস্তান, ৭. নাইজেরিয়া, ৮. বাংলাদেশ, ৯. রাশিয়া ও ১০. জাপান। উল্লেখ্য, জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০০৯ অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল সপ্তম।
তাসখন্দ চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
Explanation:
তাসখন্দ চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি। তাশখন্দ চুক্তি হচ্ছে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দে পাকিস্তান ও ভারত এর মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তি, যা ১৯৬৫ সালের ভারত - পাকিস্তান যুদ্ধের সমাধান করে। জাতিসংঘ, আমেরিকা ও সোভিয়েতর চাপে তাশখন্দ সম্মেলনে, ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের পূর্বের চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে বাধ্য করেছিল - এক এ অপরের জয়যুক্ত অঞ্চলগুলি ছেড়ে দিতে এবং কাশ্মীরের ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতির সীমান্ত চুক্তি মেনে চলা।
কোনটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়?
Correct Answer:
গ: সংস্কৃতি
Explanation:
কোনটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়? সঠিক উত্তর সংস্কৃতি সংস্কৃতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়। সংস্কৃতি (বা কৃষ্টি) হলো সেই জটিল সামগ্রিকতা যাতে অন্তর্গত আছে জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, শিল্প, আইন, আচার এবং সমাজের একজন সদস্য হিসেবে মানুষের দ্বারা অর্জিত অন্য যেকোনো সম্ভাব্য সামর্থ্য বা অভ্যাস। সংস্কৃতি হলো কিছু বুনিয়াদি অনুমান, মূল্যবোধ ও জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির, বিশ্বাস, নীতিমালা, প্রক্রিয়া এবং আচরণিক প্রথার অস্পষ্ট সমষ্টি–যা এক দল মানুষ ভাগ করে নেয় এবং সেই সমষ্টি দলের প্রত্যেক সদস্যের আচরণকে এবং তার নিকট অন্য সদস্যের আচরণের 'অর্থ' বা সংজ্ঞায়নকে প্রভাবিত করে (কিন্তু নির্ধারিত করে না)।
যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদে 'Uniting for peace resolution' গৃহীত হয়েছিল -----
Correct Answer:
খ: কোরীয়া যুদ্ধ
Explanation:
যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদে 'Uniting for peace resolution' গৃহীত হয়েছিল ----- সঠিক উত্তর কোরীয়া যুদ্ধ যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদে 'Uniting for peace resolution' গৃহীত হয়েছিল - - - - - কোরীয়া যুদ্ধ। কোরীয় যুদ্ধ (২৫ জুন ১৯৫০ – ২৭ জুলাই ১৯৫৩) জাতিসংঘ সমর্থিত কোরিয়া প্রজান্ত্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সমর্থিত গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া মধ্যকার ১৯৫০ - এর দশকের প্রথম দিকে শুরু হওয়া তিন বছরের অধিক সময় ব্যাপী সংঘটিত হওয়া একটি আঞ্চলিক সামরিক যুদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে সংঘটিত হওয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ নিয়ে বিজয়ী মিত্রশক্তির মধ্যকার একটি চুক্তিকে কেন্দ্র করে কোরীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন এই যুদ্ধের প্রাথমিক কারণ ধরা হয়। ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত জাপানী সাম্রাজ্য কোরীয় উপদ্বীপ শাসন করে।
কোন দেশটি আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়?
Correct Answer:
গ: ইরান
Explanation:
কোন দেশটি আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়? সঠিক উত্তর ইরান ইরান আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়। আরব লীগ আরব দেশসমূহের সংস্থা। ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়। মিশরের রাজধানী কায়রোতে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। অধুনা বহিষ্কৃত সিরিয়া সহ মোট ২২টি রাষ্ট্র আরব লীগের সদস্য কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্দান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, সোমালিয়া।
ঢাকার বড় কাটরা ও ছোট কাটরা শহরের নিম্নোক্ত একটি এলাকায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ক: চকবাজার
Explanation:
ঢাকার বড় কাটরা ও ছোট কাটরা শহরের নিম্নোক্ত একটি এলাকায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর চকবাজার কাটরা বা কাটারা এর আরবি ও ফরাসি অর্থ হলো ক্যারাভ্যানসারাই বা অবকাশযাপন কেন্দ্র। বাংলাদেশের ঢাকায় মুঘল শাসনামলে দুটি অন্যন্য কাটরা নির্মাণ করা হয়। এরমধ্যে একটি হলো বড় কাটারা ও অপরটি হলো ছোট কাটারা। সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে ১৬৪১ খ্রিষ্টাব্দে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়। এর নির্মাণ করেন আবুল কাসেম যিনি মীর - ই - ইমারত নামে পরিচিত ছিলেন। প্রথমে এতে শাহ সুজার বসবাস করার কথা থাকলেও পরে এটি মুসাফিরখানা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মুঘল আমলে এটি নায়েবে নাজিমদের বাসস্থান তথা কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হত। এটি চকবাজারের পাশেই অবস্থিত। সুবেদার শায়েস্তা খান ছোট কাটারা নির্মাণ করেছিলেন। আনুমানিক ১৬৬৩ - ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং এটি ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল। এটির অবস্থান ছিল বড় কাটারার পূর্বদিকে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: খুলনা
Explanation:
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর খুলনা বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত। জাহাজ নির্মাণ বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় এবং ক্রমবিকাশমান শিল্প। আধুনিক যুগের শুরু থেকে বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণের একটি দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও স্থানীয়ভাবে তৈরি জাহাজ রপ্তানি করার মাধ্যমেই মুলতঃ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাহাজ নির্মাণ একটি প্রধান প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশের নাম -----
Correct Answer:
ক: ভারত
Explanation:
বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশের নাম ----- সঠিক উত্তর ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশের নাম - - - - - ভুটান। দক্ষিণ এশিয়ার দুটি প্রতিবেশি দেশ ভুটান ও ভারত ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ভুটানের স্বীকৃতি প্রদানের আনুষ্ঠানিক খবর তারবার্তার মাধ্যমে মুজিবনগর সরকারের কাছে পৌঁছার কয়েক ঘণ্টা পর আর একটি তারবার্তার মাধ্যমে ভারত, বাংলাদেশকে দ্বিতীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বিভিন্ন তথ্য ও দাপ্তরিক প্রমাণক হতে জানা যায়, ভুটান ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই ডিসেম্বর অনুমান সকাল দশ ঘটিকায় এবং ভারত ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর সকাল অনুমান ১১.০০ - ১১.৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশকে তারবার্তার মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত করায়। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বরে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় বাংলাদেশ সম্পর্কে ক‚টনৈতিক স্বীকৃতি। “বেলা এগারোটার সময় ‘অল ইন্ডিয়া রেডিও’ মারফত ঘোষণা করা হয় যে, ভারত বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
সার্ক-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল -----
Correct Answer:
খ: কলম্বোতে
Explanation:
সার্ক-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ----- সঠিক উত্তর কলম্বোতে সার্ক - এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল - - - - - কলম্বোতে। সার্কের ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে। সেই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন দীনগিরী বান্দা বিজেতুঙ্গে।
রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম-----
Correct Answer:
ক: Budennovsk
Explanation:
রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম----- সঠিক উত্তর Budennovsk রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম - - - - - Budennovsk। চেচেন - রুশ সংঘর্ষ হল রাশিয়ার (পূর্বে সোভিয়েত) সরকার এবং বিভিন্ন চেচেন বাহিনীগুলির মধ্যে শতাব্দীব্যাপী চলা দীর্ঘ বিরোধ, যা প্রায়শই সশস্ত্র হত। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই অশান্তির শুরু ১৭৮৫ সাল থেকে, কিন্তু যুদ্ধের শুরু আরও অনেক আগেই হয়েছিল।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
Correct Answer:
ক: কামরুল হাসান
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে? সঠিক উত্তর কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়। ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার শিবনারায়ন দাশের ডিজাইন কৃত পতাকার মাঝে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকার মাপ, রঙ, ও তার ব্যাখ্যা সম্বলিত একটি প্রতিবেদন দিতে বলে পটূয়া কামরুল হাসানকে। কামরুল হাসান দ্বারা পরিমার্জিত রূপটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা
কোনটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত?
Correct Answer:
ক: হেমারফেস্ট
Explanation:
কোনটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত? সঠিক উত্তর হেমারফেস্ট নরওয়ের উত্তরাঞ্চলীয় হেমারফেস্ট শহরটি সাড়ে ৭০° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। ২১ জুন তারিখে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে বা ৯০° কোণে এবং নিরপেক্ষরেখার ওপর সাড়ে ৬৬° কোণে হেলে কিরণ দেয়। এ সময় সাড়ে ৬৬° উত্তর অক্ষাংশ থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত যে কোনো স্থান সূর্যরশ্মিতে আলোকিত থাকে। ফলে এ অঞ্চলে স্থানীয় সময় মধ্যরাত হলে ও দূর মহাকাশের দিগন্তে সূর্যকে দেখা যায়। তাই এ অঞ্চলকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় । অন্যদিকে কুইবেককে পশ্চিমের জিব্রাল্টার এবং তিব্বতকে নিষিদ্ধ দেশ বলা হয় ।
মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
Explanation:
মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল? সঠিক উত্তর ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ মুজিবনগরে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল ২৬ মার্চ, ১৯৭১। ১৭ এপ্রিল তারিখে মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী স্থান বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদের সদস্য অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়া হয় এবং একই সাথে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। এর ফলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকারও বৈধ বলে স্বীকৃত হয়। এ ঘোষণায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে চেইন অফ কমান্ড স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়।
ম্যাকমোহন লাইন কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে?
Correct Answer:
খ: চীন ও ভারত
Explanation:
ম্যাকমোহন লাইন কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে? সঠিক উত্তর চীন ও ভারত ভারতের ১১২৬.৫৪ কিলোমিটার বা ৭০০ মাইলব্যাপী অরুণাচল প্রদেশ এবং চীনের অন্তর্গত তিব্বতের সুবর্ণ সিঁড়ি সিয়াং ও লোহিত সীমান্তজুড়ে ম্যাকমোহন লাইন অবস্থিত। অন্যদিকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ডুরান্ড লাইন সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সীমানা নির্ধারণ করেছে।
ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন?
Correct Answer:
ঘ: এডিসন
Explanation:
ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন? সঠিক উত্তর এডিসন 'রন্টজেন' আবিষ্কার করেন 'এক্স - রে', 'ফ্যারাডে' আবিষ্কার করেন 'বেতার ' এবং এডিসন আবিষ্কার করেন 'ফনোগ্রাফ'।
বাংলাদেশের অতি পরিচিত খাদ্য গোলআলু । এ খাদ্য আমাদের দেশে আনা হয়েছিল -----
Correct Answer:
ক: ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
Explanation:
বাংলাদেশের অতি পরিচিত খাদ্য গোলআলু । এ খাদ্য আমাদের দেশে আনা হয়েছিল ----- সঠিক উত্তর ইউরোপের হল্যান্ড থেকে বাংলাদেশের অতি পরিচিত খাদ্য গোলআলু । এ খাদ্য আমাদের দেশে আনা হয়েছিল - - - - - ইউরোপের হল্যান্ড থেকে। আলু বহুল প্রচলিত উদ্ভিজ্জ খাদ্য। এটি কন্দজাতীয় (tuber) এক প্রকারের সবজি, যা মাটির নিচে জন্মে। এর আদি উৎস ভারত, এশিয়া মহাদেশ, সেখান থেকে ১৬শ শতকে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। উচ্চ পুষ্টিমান এবং সহজে ফলানো ও সংরক্ষণ করা যায় বলে এটি বিশ্বের সর্বাপেক্ষা প্রচলিত সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম। আন্দেস পার্বত্যাঞ্চলের আশেপাশের এলাকা আলুর বেশ কিছু সংখ্যক প্রজাতির স্বাভাবিক উৎসস্থল। ৪০০ বছরেরও কিছু বেশি পূর্বে ষোড়শ শতাব্দীর প্রথমদিকে স্পেনীয়রা যখন আন্দেস পর্বত এলাকায় পৌঁছয়, তখনই তা প্রথম ইউরোপীয়দের গোচরে আসে; তাদের হাত ধরেই পরবর্তীকালে তা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ধান, গম এবং ভুট্টার পর আজ এটি পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম ফসল।
কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা------
Correct Answer:
ঘ: ভেঙ্গী ভ্যালি
Explanation:
কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা------ সঠিক উত্তর ভেঙ্গী ভ্যালি কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা - - - - - - ভেঙ্গী ভ্যালি। 'উপত্যকা' দুইটি পাহাড়ের মধ্যে অবস্থিত সমতল হতে পারে বা অসমতল হতে পারে , ঢালু, প্রশস্ত ভূমিক্ষেত্র। এর ভেতর দিয়ে নদী প্রবাহিত হতে পারে বা না - ও পারে। পর্বতের শীর্ষ থেকে যখন বরফ গলা পানি বা বৃষ্টির পানির স্রোত যখন পর্বতের খাড়া ঢাল বেয়ে দ্রুতবেগে নেমে আসে, তখন পাহাড়ের শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্রমান্বয়ে ধীরে ধীরে, হাজার হাজার বছর ধরে উপত্যকার সৃষ্টি হয়। ভেঙ্গি ভ্যালি কাপ্তাই থেকে প্লাবিত একটি উপত্যকা।
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয় -----
Correct Answer:
ক: সিলেটের মালনীছড়ায়
Explanation:
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয় ----- সঠিক উত্তর সিলেটের মালনীছড়ায় বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয় - - - - - সিলেটের মালনীছড়ায়। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশরা সিলেটে সর্বপ্রথম চায়ের গাছ খুঁজে পায়। এরপর ১৮৫৭ সালে সিলেটের মালনীছড়ায় শুরু হয় বাণিজ্যিক চা - চাষ। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে সমগ্র বিশ্বে ৩৮, ০০, ০০০ টন চা পাতা উৎপাদিত হয়েছে।
বেলজিয়ামের মুদ্রার নাম কি?
Correct Answer:
খ: ইউরো
Explanation:
বেলজিয়ামের মুদ্রার নাম কি? সঠিক উত্তর ইউরো ফ্রাংক বেলজিয়ামের সাবেক মুদ্রা। ইউরো চালু হওয়ার পর ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে বেলেজিয়ামের মুদ্রা ফ্রাংক বিলুপ্ত করা হয়। অন্যদিকে, শিলিং অস্ট্রিয়ার ইউরো গ্রহণের পূর্বের মুদ্রা, পাউন্ড স্টারলিং যুক্তরাজ্যের মুদ্রা, সুইডিস মুদ্রা এবং ডেনিস ক্রোনা ডেনমার্কের মুদ্রা।
' স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম -----
Correct Answer:
খ: হামিদুজ্জামান খান
Explanation:
' স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম ----- সঠিক উত্তর হামিদুজ্জামান খান ' স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম - - - - হামিদুজ্জামান খান। হামিদুজ্জামান খান একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশী শিল্পী ও ভাস্কর। ফর্ম, বিষয়ভিত্তিক ও নিরীক্ষাধর্মী ভাস্কর্যের জন্য তিনি সুপরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত একাত্তর স্মরণে শীর্ষক কাজের জন্য তিনি ভাস্কর হিসেবে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে খ্যাতি লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাজধানী সিউলে অলিম্পিক ভাস্কর্য পার্কে ভাস্কর্য স্থাপনের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচিতি অর্জন করেন। ভাস্কর্যটির নাম স্টেপস্ (সিড়ি)। এটি কপার দিয়ে তৈরি, উচ্চতা ১৩ ফুট। সিউল অলিম্পিক পার্কের ভাস্কর্য উদ্যানে একশ পঞ্চাশটি দেশের ভাস্কর্যের পাশাপাশি এটি বাংলাদেশের অংশগ্রহণ হিসেবে স্থান পায়।
কোনটি ' চির শান্তির শহর' নামে পরিচিত?
Correct Answer:
ক: রোম
Explanation:
কোনটি ' চির শান্তির শহর' নামে পরিচিত? সঠিক উত্তর রোম রোম নীরব শহর, চির শান্তির শহর, পোপের শহর এবং সাত পাহাড়ের শহর নামে পরিচিত। অন্যদিকে ভেনিস রাজপ্রাসাদের নগরী, দ্বীপরে নগরী, নিশ্চুপ সড়কের শহর, অ্যাডিয়াটিকের রানী নামে পরিচিত।
চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল কি?
Correct Answer:
খ: বাঁশ
Explanation:
চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল কি? সঠিক উত্তর বাঁশ চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ। কর্ণফুলী পেপার মিল - কেপিএম (ইংরেজি: Karnaphuli Paper Mills) হল চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কাগজের মণ্ড ও কাগজ উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি। কোম্পানিটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন কর্তৃক পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-----
Correct Answer:
খ: মাওরি
Explanation:
বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম----- সঠিক উত্তর মাওরি মাওরি সম্প্রদায় নিউজিল্যান্ডের একট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
'No Fly Zone' কোন দেশে অবস্থিত?
Correct Answer:
ক: ইরাক
Explanation:
'No Fly Zone' কোন দেশে অবস্থিত? সঠিক উত্তর ইরাক No Fly Zone হচ্ছে বিমান চলাচলে নিষিদ্ধ এলাকা। আকাশসীমায় সংরক্ষিত এলাকায় কোনো ধরনের বিমান চলাচল করতে পারে না। ১৯৯২ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত উত্তর ইরাকে এমন একটি No Fly Zone স্থাপন করেছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত -----
Correct Answer:
ঘ: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
Explanation:
কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত ----- সঠিক উত্তর পটুয়াখালীর কুয়াকাটা কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত - - - - - পটুয়াখালীর কুয়াকাটা। কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ - পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত। ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়।
কোন ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে?
Correct Answer:
খ: গ্রামীণ ব্যাংক
Explanation:
কোন ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে? সঠিক উত্তর গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক। এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ এবং স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের হার ৯৮%।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ কত জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে?
Correct Answer:
গ: পাঁচজন
Explanation:
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ কত জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে? সঠিক উত্তর পাঁচজন জাতিসংঘের বিধান অনুযায়ী সাধারণ পরিষদে প্রত্যেক সদস্যরাষ্ট্র পাঁচজন করে প্রতিনিধি পাঠাতে পারে। তবে কোনো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রত্যেক সদস্যরাষ্ট্র শুধু একটি ভোট প্রদান করতে পারে।
বাবেল মান্দেব কোন ভাষার শব্দ?
Correct Answer:
ক: ফারসি
Explanation:
বাবেল মান্দেব কোন ভাষার শব্দ? সঠিক উত্তর ফারসি বাবেল মান্দেব ফারসি শব্দ। এর অর্থ মৃত্যু দরজা। এখানে এক সময় প্রচুর জাহাজ ডুবি হতো ও অনেক মানুষ মারা যেত। এটি বর্তমানে একটি প্রণালী, যা এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে এবং এডেন সাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। সঞ্চিতা (কাব্যগ্রন্থ)সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে। এর মধ্যে - ‘বিদ্রোহী’, ‘সর্বহারা’, ‘সাম্যবাদী’, ‘মানুষ’, ‘জীবন বন্দনা’, ‘খুকী ও কাঠবেড়ালী’, ‘চল্ চল্ চল্’ প্রভৃতি প্রধান।গ্রন্থটির উৎসর্গ পত্রে লেখা আছে: “বিশ্বকবিসম্রাট শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। সঞ্চিতা লেখক কাজী নজরুল ইসলাম দেশ ভারত, বাংলাদেশ ভাষা বাংলা ধরন কবিতা মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৭৮ (বাংলাদেশ সংস্করণ) এক নজরে - কাজী নজরুল ইসলাম জীবন পর্ব প্রাথমিক জীবন(১৮৯৯ - ১৯১৭) সৈনিক জীবন (১৯১৭–১৯২০) সাহিত্য জীবন (১৯২০–১৯৪২) অসুস্থতা (১৯৪২–১৯৭৬) দৃষ্টিভঙ্গি রাজনৈতিক মতাদর্শ সৃষ্টিকর্ম কবিতা অগ্নিবীণা (১৯২২) সঞ্চিতা (১৯২৫) ফনীমনসা (১৯২৭) চক্রবাক (১৯২৯) সাতভাই চম্পা (১৯৩৩) নির্ঝর (১৯৩৯) নতুন চাঁদ (১৯৩৯) মরুভাস্কর (১৯৫১) সঞ্চয়ন (১৯৫৫) নজরুল ইসলাম ইসলামী কবিতা (১৯৮২) কবিতা ও সংগীত দোলন - চাঁপা (১৯২৩) বিষের বাঁশি (১৯২৪) ভাঙ্গার গান (১৯২৪) ছায়ানট (১৯২৫) চিত্তনামা (১৯২৫) সাম্যবাদী (১৯২৬) পুবের হাওয়া (১৯২৬) সর্বহারা (১৯২৬) সিন্ধু হিন্দোল (১৯২৭) জিঞ্জীর (১৯২৮) প্রলয় শিখা (১৯৩০) শেষ সওগাত (১৯৫৮) সংগীত বুলবুল (১৯২৮) সন্ধ্যা (১৯২৯) চোখের চাতক (১৯২৯) নজরুল গীতিকা (১৯৩০) নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) চন্দ্রবিন্দু (১৯৩১) সুরসাকী (১৯৩২) বনগীতি (১৯৩১) জুলফিকার (১৯৩১) গুল বাগিচা (১৯৩৩) গীতি শতদল (১৯৩৪) সুর মুকুর (১৯৩৪) গানের মালা (১৯৩৪) স্বরলিপি (১৯৪৯) বুলবুল দ্বিতীয় ভাগ (১৯৫২) রাঙ্গা জবা (১৯৬৬) ছোট গল্প ব্যথার দান (১৯২২) রিক্তের বেদন (১৯২৫) শিউলি মালা (১৯৩১) উপন্যাস বাঁধন হারা (১৯২৭) মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) কুহেলিকা (১৯৩১) নাটক ঝিলিমিলি (১৯৩০) আলেয়া (১৯৩১) পুতুলের বিয়ে (১৯৩৩) মধুমালা (১৯৬০) ঝড় (১৯৬০) পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (১৯৬৪) প্রবন্ধ এবং নিবন্ধ যুগবানী (১৯২৬) ঝিঙ্গে ফুল (১৯২৬) দুর্দিনের যাত্রী (১৯২৬) রুদ্র মঙ্গল (১৯২৭) ধূমকেতু (১৯৬১) অনুবাদ এবং বিবিধ রাজবন্দীর জবানবন্দী (১৯২৩) দিওয়ানে হাফিজ (১৯৩০) কাব্যে আমপারা (১৯৩৩) মক্তব সাহিত্য (১৯৩৫) রুবাইয়াৎ - ই - ওমর খৈয়াম (১৯৫৮) নজরুল রচনাবলী ১ - ৪ খন্ড (১৯৯৩) পরিচালিত চলচ্চিত্র ধূপছায়া বিদ্যাপতি(১৯৩৭) - কাহিনীকার সাপুড়ে (১৯৩৯) - কাহিনীকার সঙ্গীত পরিচালনা ও গীতিকার জামাই ষষ্ঠী (১৯৩১) পাতালপুরী (১৯৩৫) গৃহদাহ (১৯৩৬) গ্রহেরফের (১৯৩৭) বিদ্যাপতি(১৯৩৭) গোরা (১৯৩৮) হাল বাংলা (১৯৩৮) সাপুড়ে (১৯৩৯) রজতজয়ন্তী (১৯৩৯) নন্দিনী (১৯৪১) অভিনয় (১৯৪১) দিকশূল (১৯৪১) মদিনা (১৯৪১) চৌরঙ্গী (১৯৪২) দিলরুবা (১৯৪২) চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ঠতা ‘জ্যোৎস্নার রাত’ (১৯৩১) ‘প্রহ্লাদ’ (১৯৩১) ‘ঋষির প্রেম’ (১৯৩১) ‘বিষ্ণুমায়া’ (১৯৩২) ‘চিরকুমারী’ (১৯৩২) ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৯৩২) ‘কলঙ্ক ভঞ্জন‘ (১৯৩২) ‘ধ্রুব‘ (১৯৩৩) ‘রাধাকৃষ্ণ’ (১৯৩৩) ‘জয়দেব’ (১৯৩৩) অভিযোজন বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) বিদ্রোহী কবি (তথ্যচিত্র) কাজী নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) - ভারত সরকার কবি নজরুল (তথ্যচিত্র) কাজী নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) - চ্যানেল ফোর নজরুল (তথ্যচিত্র) মৃত্যুক্ষুধা (ধারাবাহিক নাটক) জিনের বাদশাহ (চলচ্চিত্র) মেহের নেগার রাক্ষুসী (চলচ্চিত্র) লিচু চোর (চলচ্চিত্র) খুকি ও কাঠবিড়ালী (চলচ্চিত্র) মৃত্যুক্ষুধা (চলচ্চিত্র) ব্যথার দান (চলচ্চিত্র) পদ্মগোখরা (চলচ্চিত্র) স্থান আসানসোল ত্রিশাল কুমিল্লা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার প্রমীলা দেবী কাজী অনিরুদ্ধ কাজী সব্যসাচী অরিন্দম খালেদ খিলখিল কাজী কৃষ্ণ মোহাম্মদ স্মারক নজরুল ইন্সটিটিউট নজরুল একাডেমি বুলবুল ললিতকলা একাডেমি বাংলাদেশ নজরুল সেনা কাজী নজরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কবি নজরুল মেট্রো স্টেশন কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাজী নজরুল ইসলাম সরণি নজরুল চত্বর
পিএলও কখন গঠিত হয়?
Correct Answer:
ক: ১৯৬৪ সালে
Explanation:
পিএলও কখন গঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশরা ইহুদিদের পক্ষে ফিলিস্তিন ত্যাগ করলে ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনে ইহুদিরা ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। এমতাবস্থায় স্বদেশভূমি উদ্ধারের জন্য প্রখ্যাত গেরিলা নেতা ইয়াসির আরাফাত ১৯৬৪ সালে পিএলও প্রতিষ্ঠা করেন। পিএলও'র পূর্ণরুপ প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন । ১১ নভেম্বর ২০০৪ ইয়াসির আরাফাত মৃত্যুবরণ করলে এর দায়িত্ব গ্রহণ করে মাহমুদ আব্বাস।
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদর সপ্তর কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: জেদ্দা
Explanation:
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদর সপ্তর কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর জেদ্দা ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB) - এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় । এটি প্রতিষ্ঠিত হিয় ডিসেম্বর, ১৯৭৩ এবং কার্যক্রম শুরু হয় ২০ অক্টোবর ১৯৭৫।
নক্রুমা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
Correct Answer:
ঘ: ঘানা
Explanation:
নক্রুমা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন? সঠিক উত্তর ঘানা কোয়ামে নক্রুমা ঘানার জাতীয়তাবাদী নেতা, প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট এবং উপনিবেশবাদ ও নব্য উপনিবেশবাদের কট্রর বিরোধী ব্যক্তিত্ব।
'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' -- এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো?
Correct Answer:
ঘ: শিখা
Explanation:
'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' -- এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো? সঠিক উত্তর শিখা 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' এই উক্তিটি শিখা পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো । শিখা পত্রিকাশিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা। এটি উনিশ শতকের বিশের দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হত। এর প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭) এবং এর প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেন। এটি বাৎসরিক পত্রিকা ছিল ও ১৯৩১ সালে এর পঞ্চম ও শেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এর প্রধান কারণ ১৯৩২ সালের মার্চ মাসে আবুল হুসেনের ঢাকা ত্যাগ। তিনিই মূলত প্রকাশনার সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করতেন ও প্রকাশনা - ব্যয়ের একটি বড় অংশও বহন করতেন। এ পত্রিকার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মডার্ন লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন আবুল হুসেন। এ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। একে বলা হয়ে থাকে ঢাকার যুক্তিবাদী আন্দোলন।ধরণ - শিখা পত্রিকাসমকালের অন্যান্য সাময়িকপত্র থেকে শিখা ভিন্ন ধরনের ছিল। মুসলিম সাহিত্য - সমাজের সারা বছরের কর্মকাণ্ডের পরিচয় বহন করত এটি। শিখার প্রতিটি সংখ্যার উপরে "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব" কথাটি লেখা থাকত। এটি বাঙালি মুসলিম সমাজে নতুন যুগের হাওয়া বইয়ে দিতে চেয়েছিল। তাদের আদর্শ ছিল উনিশ শতকের নবজাগরণ, ইউরোপের নবজাগরণ, কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুরস্কের বুকে জন্ম নেওয়া নবজাগরণ।সম্পাদকমন্ডলী - শিখা পত্রিকাশিখা ১৯২৭ সাল থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত বছরে একবার প্রকাশিত হত। এর মোট পাঁচটি সংখ্যার সম্পাদকের নাম নিচে দেয় হলো : আবুল হুসেন, (১ম সংখ্যা) কাজী মোতাহার হোসেন, (২য় ও ৩য় সংখ্যা) মোহাম্মদ আবদুর রশিদ, (৪র্থ সংখ্যা) আবুল ফজল, (৫ম সংখ্যা)সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Correct Answer:
গ: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল 'রোহিনী' চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে পাওয়া যায়। কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মসাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে, "সংবাদ প্রভাকর" পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে। বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) তাঁর লেখা। সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের পূর্ণ তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হলো: উপন্যাস প্রকাশকাল বিস্তারিত তথ্য Rajmohans Wife ১৮৬৪ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস। এটি ১৮৬৪ সালে 'Indian Field' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী মার্চ, ১৮৬৫ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস। রচনাকাল ১৮৬২ - ৬৪। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে উপন্যাসের তেরটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯৩ সালে। কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ কাব্যিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস। মেদিনীপুর জেলার নেগুঁয়া মহকুমায় (বর্তমানে কাঁথি মহকুমা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা) অবস্থানকালে অর্জিত কিছু অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই উপন্যাস রচনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র। সমালোচক মহলে উচ্চ - প্রশংসিত হয় এই উপন্যাস। মৃণালিনী ১৮৬৯ ঐতিহাসিক উপন্যাস। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত। বিষবৃক্ষ ১৮৭৩ সামাজিক উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা (বৈশাখ, ১২৭৯) থেকে ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়। মোট সংস্করণের সংখ্যা আট। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯২ সালে। ইন্দিরা ১৮৭৩ অনু - উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৭৯) ছোটোগল্প আকারে প্রকাশিত হয়। ১৮৭৩ সালে ৪৫ পৃষ্ঠার ক্ষুদ্র গ্রন্থাকারে প্রকাশিত। ১৮৯৩ সালে ১৭৭ পৃষ্ঠার একটি অনু - উপন্যাসের আকারে এই গ্রন্থের পঞ্চম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। যুগলাঙ্গুরীয় ১৮৭৪ ঐতিহাসিক অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (বৈশাখ, ১২৮০)। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৬। ১৮৯৩ সালে পঞ্চম তথা সর্বশেষ সংস্করণে পৃষ্ঠা সংখ্যা হয় ৫০। চন্দ্রশেখর ১৮৭৫ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৮০ – ভাদ্র, ১২৮১)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৯ সালে মুদ্রিত। রাধারাণী ১৮৮৬ অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (কার্তিক - অগ্রহায়ণ, ১২৮২)। ১৮৭৭ ও ১৮৮১ সালে উপন্যাস – অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপন্যাস সংগ্রহ গ্রন্থে সংকলিত হয়। ১৮৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশের সময় পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৮। ১৮৯৩ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৬৫। রজনী ১৮৭৭ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (১২৮১ - ৮২)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৭ সালে মুদ্রিত। কৃষ্ণকান্তের উইল ১৮৭৮ সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। রাজসিংহ ১৮৮২ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪। আনন্দমঠ ১৮৮২ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৭ – জ্যৈষ্ঠ, ১২৮৯)। - ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় স্তোত্র বন্দেমাতরম এই উপন্যাস থেকে গৃহীত। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে রচিত। এই উপন্যাসে লেখকের দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। দেবী চৌধুরাণী ১৮৮৪ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বিভিন্ন সময়ে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে ছয়টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯১ সালে মুদ্রিত। সীতারাম মার্চ, ১৮৮৭ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের শেষ উপন্যাস। প্রচার পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৯১ – মাঘ, ১২৯৩; মাঝে কয়েকমাসের বিরতি সহ) প্রকাশিত হয়। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৪১৯। তৃতীয় ও শেষ সংস্করণ বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় মুদ্রিত হলেও প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পরে, ১৮৯৪ সালের মে মাসে। প্রবন্ধ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লোকরহস্য (১৮৭৪) বিজ্ঞান রহস্য (১৮৭৫) কমলাকান্তের দপ্তর (১৮৭৫) বিবিধ সমালোচনা (১৮৭৬) সাম্য (১৮৭৯) কৃষ্ণচরিত্র (১৮৮৬) বিবিধ প্রবন্ধ (১ম খন্ড - ১৮৮৭, ২য় খন্ড - ১৮৯২) ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন (১৮৮৮) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১৯০২) তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?
Correct Answer:
ক: বাংলার প্রকৃতির কথা
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে? সঠিক উত্তর বাংলার প্রকৃতির কথা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে বাংলার প্রকৃতির কথা প্রধানভাবে আছে। আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গাঁথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিল। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সম্পূর্ণ আমার সোনার বাংলা গানটি এখানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এই গানের প্রথম দশ লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,মরি হায়, হায় রে—ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,মরি হায়, হায় রে—মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিলে রে,তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,মরি হায়, হায় রে—তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি॥ধেনু - চরা তোমার মাঠে, পারে যাবার খেয়াঘাটে,সারা দিন পাখি - ডাকা ছায়ায় - ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,তোমার ধানে - ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,মরি হায়, হায় রে—ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি॥ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,মরি হায়, হায় রে—আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি
'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
ক: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন - হাসান হাফিজুর রহমানএকুশে ফেব্রুয়ারী (উপন্যাস)একুশে ফ্রেব্রুয়ারী উপন্যাসটি বিখ্যাত উপন্যাসিক জহির রায়হান - এর এক অনবদ্য সৃষ্টি। তিনি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, এ উপন্যাসটি সেই উদ্দেশ্যেই ১৯৭০ সালে লেখা।প্রেক্ষাপট - একুশে ফেব্রুয়ারী (উপন্যাস)বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলন শুধু এদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে নয়, শিল্প সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও নতুন চেতনাপ্রবাহ সৃষ্টি করেছিল; এই চেতনা ছিল অসাম্প্রদায়িক, গণতান্তিক এবং সামাজিক মূল্যবোধসঞ্জাত| কাচের দেয়াল চলচ্চিত্র নির্মাণের পরে তিনি একুশে ফেব্রুয়ারি নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করেন; কিন্তু তিনি তা করতে পারেননি| পরবর্তিতে তিনি জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট যোগ করেন এবং তার অপ্রকাশিত চলচ্চিত্রকে উপন্যাস আকারে প্রকাশ করেন| একুশে ফেব্রুয়ারি লেখক জহির রায়হান দেশ বাংলাদেশ ভাষা বাংলা বিষয় বাংলা ভাষা আন্দোলন ধরন ঐতিহাসিক প্রকাশক পল্লব পাবলিশার্স প্রকাশনার তারিখ আগস্ট, ১৯৯২ পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪০ আইএসবিএন 984 - 404 - 095 - 7