Ministry of Foreign Affairs Assistant Cipher MCQs
Showing 50 questions (Total: 70)
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
গ: নয়াদিল্লি
Explanation:
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর নয়াদিল্লি দক্ষিণ এশিয়ার ৮ টি দেশ নিয়ে সার্ক গঠিত হয়। সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত। এ সংস্থার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত, যা প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে। সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি শ্রীলংকার কলম্বোয় এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত। সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস, সার্ক তথ্য কেন্দ্র নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জণবর্ণ কয়টি?
Correct Answer:
খ: ৩৯টি
Explanation:
বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জণবর্ণ কয়টি? সঠিক উত্তর ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ হচ্ছে এমন কিছু বর্ণ যারা অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে না। বিশ্বের প্রতিটি ভাষায় এধরনের কিছু বর্ণ রয়েছে। বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা মোট ৩৯টি।
আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি কে?
Correct Answer:
গ: দৌলত কাজী
Explanation:
আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি কে? সঠিক উত্তর দৌলত কাজী দৌলত কাজী (কাজী দৌলত নামেও পরিচিত), ছিলেন মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। তিনি ১৭শ শতাব্দীর প্রারম্ভে কোন এক সময় চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে সুলতানপুরের কাজী পাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন, যদিও তার লেখার ভাষা ছিলো বাংলা।
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি
Correct Answer:
ঘ: 180 ডিগ্রি
Explanation:
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি সঠিক উত্তর 180 ডিগ্রি বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি।
WTO প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
Correct Answer:
ঘ: ১৯৯৫
Explanation:
WTO প্রতিষ্ঠিত হয় কবে? সঠিক উত্তর ১৯৯৫ GATT কখন WTO - তে রুপান্তরিত হয় ১৯৯৫ সালে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ইংরেজি World Trade Organization ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বিশ্বের বাণিজ্য সংক্রান্ত নীতি প্রবর্তন এবং সদস্য রাষ্ট্র বা পক্ষ সমূহের মধ্যকার মতপার্থক্য দূর করতে সাহায্য করে থাকে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সিল্ক রোডের প্রারম্ভিক দিনগুলি থেকে ট্যারিফ এবং ট্রেডের সাধারণ চুক্তি (জিএটিটি) এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার জন্মের থেকে, বাণিজ্য অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে এবং জাতিগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
The bus _____arrives late during bad weather.
Correct Answer:
C: always
Explanation:
The bus _____arrives late during bad weather. Correct Answer always present indefinite/present simple tense এ সাধারণত always হয় । যেহেতু বাক্য present indefinite/present simple tense এ আছে সুতরাং adverb হিসাবে always বসানো শ্রেয়।
১, ২, ৩, ৪ .........১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো যোগফল কত?
Correct Answer:
খ: ৫০৫০
Explanation:
১, ২, ৩, ৪ .........১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো যোগফল কত? সঠিক উত্তর ৫০৫০ ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল = n(n + 1)/2 = ১০০×(১০০ + ১)/২ = ১০০×১০১/২ = ৫০×১০১ = ৫০৫০
Identify the correct question tag: Let us attend the party.
Correct Answer:
B: shall we?
Explanation:
Identify the correct question tag: Let us attend the party. Correct Answer shall we? Rules - 01: Imperative sentence যদি Let us / Let’s দ্বারা শুরু হয় তাহলে shall we বসে। যেমন: Let’s have a party , shall we ? / Let’s go out for a walk , shall we ? Rules - 02: Imperative sentence যদি Let him / her / them দ্বারা শুরু হয় তাহলে will you বসে। যেমন: Don’t forget me , will you? / Don’t make a noise , will you?
‘আলালের ঘরের দুলাল’ কার রচনা?
Correct Answer:
ক: টেকচাঁদ ঠাকুর
Explanation:
‘আলালের ঘরের দুলাল’ কার রচনা? সঠিক উত্তর টেকচাঁদ ঠাকুর আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল উপন্যাস। প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর (১৮১৪ - ১৮৮৩) ১৮৫৮ সালে এটি রচনা করেন।
১ ঘণ্টা ২০ মিনিট ৪ ঘণ্টা কত অংশ?
Correct Answer:
ক: ১/৩ অংশ
Explanation:
১ ঘণ্টা ২০ মিনিট ৪ ঘণ্টা কত অংশ? সঠিক উত্তর ১/৩ অংশ 1 ঘন্টা 20 মিনিট = 60+20=80 মিনিট4 ঘন্টা = 4 x 60 = 240 মিনিটঅতএব 80 মিনিট 240 মিনিটের 80240=13 অংশ
একটি বৃত্তের পরিধি ৪৪ সে.মি হলে বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি?
Correct Answer:
খ: ১৫৪ বর্গ সে.মি
Explanation:
একটি বৃত্তের পরিধি ৪৪ সে.মি হলে বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি? সঠিক উত্তর ১৫৪ বর্গ সে.মি 2πr = 44cm⇒2×227r = 44cm⇒r = 44×72×2⇒r = 7πr2 = 227(7)2 = 154
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫: ৮ উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২:৩ হয়। সংখ্যাটি দুটি কত?
Correct Answer:
ঘ: ১০ ও ১৬
Explanation:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫: ৮ উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২:৩ হয়। সংখ্যাটি দুটি কত? সঠিক উত্তর ১০ ও ১৬ ধরি সংখ্যা দুটি a ও b । প্রথম ক্ষেত্রে , সংখ্যা দুইটির অনুপাত a:b = 5:8 বা, a/b = 5/8 .........(1) দ্বিতীয় ক্ষেত্রে , অনুপাত দুইটির সাথে 2 যোগ করলে নতুন অনুপাত হয় = 2:3 অর্থাৎ , a + 2 : b + 2 = 2:3 বা, a + 2 / b + 2 = 2/3 .........(২) সমীকরণ ১ থেকে পাই , a/b = 5/8 বা, 8a = 5b বা, a = 5b/8 সমীকরণ ২ নং এ a এর মান বসিয়ে দিই (a + 2 )/(b + 2) = 2/3 বা, 3a + 6 = 2b + 4 বা, 3 ( 5b / 8) + 6 = 2b + 4 বা, ( 15b /8 ) + 6 = 2b + 4 বা, ( 15b + 48 ) / 8 = 2b + 4 [ বাম পক্ষে লসাগু করেছি ] বা, 16b + 32 = 15b + 48 বা, 16b - 15b = 48 - 32 = 16 বা, b = 16 সুতরাং b = 16 হলে, a = 5b / 8 = (16× 5)/8 = 10 উত্তর : a = 10 , b = 16
মহাবীর আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন কে?
Correct Answer:
খ: অ্যারিস্টটল
Explanation:
মহাবীর আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন কে? সঠিক উত্তর অ্যারিস্টটল অবশেষে দ্বিতীয় ফিলিপ গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে আলেকজান্ডারের শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করেন এবং মিয়েজার মন্দিরকে শ্রেণীকক্ষ হিসেবে প্রদান করেন। আলেকজান্ডারকে শিক্ষাপ্রদান করায় দ্বিতীয় ফিলিপ অ্যারিস্টটলের শহর স্তাগেইরা পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।
১+২+২২=......n সংখ্যক পদ পর্যন্ত = কত?
Correct Answer:
ক: ২n-১
‘তাপ’ শব্দের বিপরীতার্থক কোনটি?
Correct Answer:
খ: শৈত্য
Explanation:
‘তাপ’ শব্দের বিপরীতার্থক কোনটি? সঠিক উত্তর শৈত্য তাপ শব্দের অর্থ - উত্তাপ, ভাপ, গরম, উষ্ণ, উষ্মতা, উষ্ণতা, আঁচ ইত্যাদি। শৈত্য শব্দের অর্থ - বাষ্প, আর্দ্র, স্যাঁতসেঁতে, ক্লেদ ইত্যাদি। তাই তাপ শব্দের বিপরীত শব্দ শৈত্য।
ঢাকায় কবে প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯৮৫
Explanation:
ঢাকায় কবে প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৮৫ প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। সাফ গেমস এর নাম ২০০৬ সালে এস এ গেমস বা সাউথ এশিয়ান গেমস করা হয়। প্রতি দুই বছর অন্তর সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ সালের নেপালের কাঠমুন্ডুতে প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
নিচের কোন সংখ্যাটি অমূলদ নয়?
Correct Answer:
ক: 83
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় .......” রচিত হয় বাংলা কোন সনে?
Correct Answer:
গ: ১৩১২
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় .......” রচিত হয় বাংলা কোন সনে? সঠিক উত্তর ১৩১২ আমার সোনার বাংলা হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।[১][২ বঙ্গদেশ lসম্পর্কে এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত হয়। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।
‘স্বেচ্ছা’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
Correct Answer:
ক: স্ব+ ইচ্ছা
Identify the incorrect word /phrase indicated by A, B, C or D in the following sentence: Jahanara →Ahad better →Bto change her subject →CIf she plans →Dto be admitted to a good university
Correct Answer:
B: to change
He is _____to_____any kind of work with due sincerity .
Correct Answer:
C: determind,undertake
`কল্কে পাওয়া’বাগধারার অর্থ কী?
Correct Answer:
ক: পাত্তা পাওয়া
Explanation:
`কল্কে পাওয়া’বাগধারার অর্থ কী? সঠিক উত্তর পাত্তা পাওয়া কল্কে পাওয়া (পাত্তা পাওয়া): কেমন ভাই নতুন জামাই, বিয়ে করতে যাবার সময় আমাদের নিয়ে যাবে, এখন দেখছি, তোমার কল্কে পাওয়াই ভার হল।
`Bureau' is orginally a/an _____word.
Correct Answer:
D: French
বাক্যের ৩টি গুণ কী কী?
Correct Answer:
গ: আকাঙ্খা, আসত্তি ও যোগ্যতা
Explanation:
বাক্যের ৩টি গুণ কী কী? সঠিক উত্তর আকাঙ্খা, আসত্তি ও যোগ্যতা ভাষার বিচারে বাক্যের ৩ টি গুণ থাকা আবশ্যক - ১. আকাঙ্ক্ষা , ২. আসত্তি ও ৩. যোগ্যতা । বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা - ই আকাঙক্ষা । বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি। আর বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা ।
রক্তশূন্যতা দেখা দেয় নিচের কোনটির অভাবে?
Correct Answer:
ক: আয়রন
Explanation:
রক্তশূন্যতা দেখা দেয় নিচের কোনটির অভাবে? সঠিক উত্তর আয়রন রক্তশূন্যতা বলতে সবাই আয়রন বা লৌহ উপাদানের অভাবের কারণকে বোঝেন। কিন্তু নানা কারণেই রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে। রক্তের লোহিতকণিকার হিমোগ্লোবিন তৈরিতে শরীর আয়রন ব্যবহার করে থাকে। আয়রনের মতো ভিটামিন বি – ১২ ও ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি হলেও রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
Which one is the correct passive voice in the following sentence? Who taught her grammar?
Correct Answer:
B: By whom was she taught grammar?
‘পতাকা’ শব্দের সমার্থক কোনটি?
Correct Answer:
খ: কেতন
Explanation:
‘পতাকা’ শব্দের সমার্থক কোনটি? সঠিক উত্তর কেতন পতাকা - ' এর সমার্থক শব্দ হলো ' কেতন'। এরুপ - ঝাণ্ডা, ধ্বজা, নিশান বৈজয়ন্তী।
Let us go for walk ____the river.
Correct Answer:
C: along
`আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থের লেখক কে?
Correct Answer:
ক: শেখ মুজিবুর রহমান
Explanation:
`আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থের লেখক কে? সঠিক উত্তর শেখ মুজিবুর রহমান আমার দেখা নয়াচীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৫২ সালের রাজনৈতিক জীবনের প্রথমদিকে গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি শেখ মুজিবর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে।
P সংখ্যক সংখ্যার গড় M এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N হলে, সবগুলো সংখ্যার গড় কত?
Correct Answer:
গ: PM+QNP+Q
GMT বা গ্রিনিচমান সময়ের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য কত ঘণ্টা?
Correct Answer:
ক: ৬ ঘণ্টা
Explanation:
GMT বা গ্রিনিচমান সময়ের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য কত ঘণ্টা? সঠিক উত্তর ৬ ঘণ্টা গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ ৬ ঘন্ট আগে। জিএমটি বা গ্রীনিচ মান সময় (ইংরেজি: Greenwich Mean Time) এক ধরনের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি। এ সময় অঞ্চলটি যুক্তরাজ্য, পর্তুগালসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনুসরণ করা হয়। ইউটিসি’র সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও উভয়ের মধ্যে খুবই স্বল্পপরিসরে পার্থক্য বিরাজমান। এ নামের অর্থ হচ্ছে ইংল্যান্ডের জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত মান - মন্দির থেকে , সৌর সময়ে 0° দ্রাঘিমায় অবস্থিত। এর মাধ্যমে মধ্যরেখা থেকে সৌর সময়ের দ্বারা অন্যান্য অঞ্চলের সময়ের হিসাব - নিকাশ করা হয়। মধ্যরেখা বা দ্রাঘিমা রেখার এ দ্রাঘিমাকে মূল মধ্যরেখা বা গ্রীনিচ মধ্যরেখা নামে অভিহিত। [ "জিএমটি" সাধারণত ইংল্যান্ড এ অধিক ব্যবহৃত হয়ে থাকে যেমন বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস, রয়েল ন্যাভি, মেট অফিস। তাছাড়া এটি কমন ওয়েলথ দেশেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ায় এর নীতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
Cynophobia কী?
Correct Answer:
D: Fear of dogs
Explanation:
Cynophobia কী? Correct Answer Fear of dogs সাইনোফোবিয়া হল কুকুরের চরম ভয়।এই ফোবিয়ার নামটি এসেছে কুকুরের গ্রীক শব্দ "cyno" থেকে। এই ব্যাধিতে আক্রান্ত শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্করা কুকুর এড়াতে তাদের পথের বাইরে চলে যায়।
”বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর” - এখানে টাপুর টুপুর’ কোন পদ?
Correct Answer:
ঘ: অব্যয়
Explanation:
”বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর” - এখানে টাপুর টুপুর’ কোন পদ? সঠিক উত্তর অব্যয় অব্যয় ব্যাকরণে বর্ণিত পদ বিশেষ। বিভিন্ন ভাষায় অব্যয়ের প্রকৃতি শব্দানুসারে বিভিন্নভাবে নির্ধারিত হয়। বাংলা ব্যাকরণ মতে– বাক্যে বা শব্দের সাথে ব্যবহৃত যে সকল ধ্বনি - বিভক্তি, বচন, লিঙ্গ ও কারকভেদে কোনভাবে পরিবর্তন হয় না, সে সকল পদকে অব্যয় বলে।
ঢাকার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
Correct Answer:
ঘ: মোস্তফা হারুণ কুদ্দুস
Explanation:
ঢাকার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে? সঠিক উত্তর মোস্তফা হারুণ কুদ্দুস ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর আল বদর বাহিনীর হাতে নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এটি নির্মিত হয়। ১৯৭২ সালের ২২শে ডিসেম্বর এই সৌধের ফলক উন্মোচন করেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান। এটির স্থপতি ছিলেন মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি।
Which one is correct in meaning ? To read between the lines" means-
Correct Answer:
D: To grasp the hidden meaning
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য কোন অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে?
Correct Answer:
খ: অনুচ্ছেদ ২১
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু ১৬ এবং ল.সা.গু ১৯২ । একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপর সংখ্যাটি কত?
Correct Answer:
গ: ৬৪
Explanation:
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু ১৬ এবং ল.সা.গু ১৯২ । একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপর সংখ্যাটি কত? সঠিক উত্তর ৬৪ আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুটির ল.সা.গু × গ.সা.গু বা, ৪৮ × অপর সংখ্যা = ১৯২ × ১৬ বা, অপর সংখ্যা = (১৯২×১৬)/৪৮ ∴ অপর সংখ্যা = ৬৪
‘অপরের ধন’ এর এককথায় প্রকাশ কী?
Correct Answer:
খ: পরস্ব
কোন সনে সুয়েজ খালের কাজ শেষ হয়?
Correct Answer:
ঘ: ১৮৬৯
Explanation:
কোন সনে সুয়েজ খালের কাজ শেষ হয়? সঠিক উত্তর ১৮৬৯ ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকালীন সুয়েল খাল খনন শুরু হয় ২৪ এপ্রিল ১৮৫৯। এটি প্রথম চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর মিশর এ খালটি জাতীয়করণ করে ২৬ জুলাই ১৯৫৬ ।
Which one is the incorrect spelling:
Correct Answer:
A: Freshner
`মহুয়া’ পালার কবি কে?
Correct Answer:
ঘ: দ্বিজ কানাই
Explanation:
`মহুয়া’ পালার কবি কে? সঠিক উত্তর দ্বিজ কানাই বাংলার লোকগীতি বা গীতিকার ইতিহাস অনেক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। কবি দ্বিজ কানাই প্রণীত "মহুয়া" পালাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গীতিকা ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য সম্পদ। দ্বিজ কানাই প্রায় ৩৭০ বছর পূর্বে এই পালাগানটি রচনা করেন, যা বর্তমানে 'নদের চাঁদ ও মহুয়া'র পালা বা গাথা নামে পরিচিত।
Find the correct one: He is coming back-
Correct Answer:
A: on next Thusday
`Beggarly' is a/an-
Correct Answer:
B: Adjective
বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত গ্রান্ডমাস্টার কে?
Correct Answer:
গ: নিয়াজ মোরশেদ
Explanation:
বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত গ্রান্ডমাস্টার কে? সঠিক উত্তর নিয়াজ মোরশেদ নিয়াজ মোরশেদ (জন্ম: ১৩ মে ১৯৬৬), যিনি মোর্শেদ নামে পরিচিত, হলেন বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুপরিচিত দাবাড়ু। . দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে ১ম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাবধারী হবার বিরল কৃতিত্বের দাবীদার তিনি।
৫৭×৭৫÷১-০.০১= কত?
Correct Answer:
গ: ০.৯৯
Explanation:
৫৭×৭৫÷১-০.০১= কত? সঠিক উত্তর ০.৯৯ 57×75÷1-0.01=1÷1-0.01=1-0.01=0.99
‘কবর’ নাটকটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
Correct Answer:
ঘ: ভাষা আন্দোলন
Explanation:
‘কবর’ নাটকটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত? সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলন মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটকের পটভূমি ভাষা আন্দোলনে । বাংলাদেশর নাট্যসাহিত্যে মুনীর চৌধুরী (২৭ নবম্বর ১৯২৫, ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) এক অবিস্মরণীয় নাম। অসাধারণ প্রতিভাধর এ নাট্যকার মৌলিক ও অনুবাদ নাটক দিয়ে বাংলা নাট্যসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি এ দেশের নবনাট্যের পথ দেখিয়েছেন। তার নাটকগুলো স্বদেশপ্রেম ও সমাজচেতনায় উদ্দীপ্ত। অল্পকাল ব্যবধানে দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পর দুনিয়াব্যাপী চিন্তা - চেতনায় পরিবর্তন ঘটে; এর অনিবার্য প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের শিল্প - সাহিত্যেও। শিক্ষিত - সচেতন মানুষ হিসেবে নাট্যকার মুনীর চৌধুরীও বিশ্বমননে স্নাত হয়েছিলেন। পৃথিবীখ্যাত নাট্যনির্মাতা ইবসেনের সামাজিক - বাস্তবতাবোধ, বার্নার্ড শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা, পিরান্দেলো - ব্রেখট - বেকেটের প্রগাঢ় শিল্পলগ্নতা আর মন্মথ রায়ের ভাষার গভীরতা প্রভৃতি অগ্রসর ভাবনা - প্রবণতা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন তিনি। আর এ কারণেই বিষয় - কাঠামো আর মঞ্চে পরিবেশনের কলা - কৌশলের দিক থেকে তার নাটকগুলো স্বতন্ত্র মর্যাদায় অভিসিক্ত হয়েছে। মুনীর চৌধুরী ঐতিহাসিক কাহিনী নিয়ে অনেক নাটক ও একাঙ্কিকা লিখেছেন; তার মধ্যে ‘কবর’ অন্যতম। তার রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি প্রভৃতি নাটক সবিশেষ সাফল্য লাভ করলেও জনমানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রশংসা পেয়েছে ‘কবর’ নাটকটি। বিষয় - ভাবনা এবং পরিবেশন - শৈলীর কারণেই সম্ভবত এটির প্রচার ও প্রসার অসামান্য। ‘কবর’ গভীর জীবনবোধের আলোকে সজ্জিত একাঙ্গ নাটক। এ ধরনের নাটক অপেক্ষাকৃত আধুনিককালের সৃষ্টি। যেখানে সহজ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে অনায়াসে দেখে নেয়া যায় জীবনের রূপ - নিবিড়তা ও গন্ধ - গভীরতা। এখানে পাওয়া যায় সমকালের সহজ অনুভবের শিল্পঋদ্ধ জীবন নিষ্ঠ কথা। ‘কবর’ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত। ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি নাটকটি রচিত হয়; তখন তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দী জানা যায়, আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন জেলখানায় মঞ্চস্থ করা যায় এমন একটি নাটক লিখে দেয়ার জন্য। যেখানে দেশপ্রেম থাকবে, আলো - আঁধারি পরিবেশ থাকবে এবং নারী চরিত্র এমন ভাবে থাকবে যাতে পুরুষ অভিনয় করতে পারে। মুনীর চৌধুরী রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধ মাথায় রেখেই ‘কবর’ নাটিকাটি রচনা করেছিলেন। তিনি তার স্মৃতিচারণে বলেছেন, ‘জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো ‘কবর’ নাটকটির আঙ্গিকে নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ’ নাটকটি সর্বপ্রথম ১৯৫৩ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি জেলখানাতে মঞ্চস্থ হয়েছিল। ‘কবর’ নাটকে গোরস্তানের অতিপ্রাকৃত রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পুরো ঘটনাই গোরস্তানের ভেতর সংঘটিত হয়েছে। নেতা আর ইন্সপেক্টর হাফিজের অর্ধ - মাতাল অবস্থায় সংলাপের মধ্য দিয়ে নাটকটি সামনের দিকে আগাতে থাকে। এর মধ্যে অশরীরী আত্মার মতো হঠাৎ এসে উপস্থিত হয় মুর্দা ফকির। মুর্দা ফকির ‘মুর্দা’ নয়, জীবিত। তবুও নেতা ও হাফিজ দুজনেই তাকে মনে মনে ভয় পায়। আপাতদৃষ্টিতে তার কথার মধ্যে পাগলামির সংমিশ্রণ আছে তবে এটা নাটকের বহিরাঙ্গ। তার প্রতিটি কথাই রূপকধর্মী। তার বুকে যে হাহাকার তা বিবেকেরই হাহাকার দেশ ও জাতির কান্না। মুর্দা ফকির নেতা ও হাফিজের কাছে বিদায় নিয়ে কিছুদূর গিয়ে আবার ফিরে এসে বলে, ‘গন্ধ! তোমাদের গায়ে মরা মানুষের গন্ধ! তোমরা এখানে কি করছ? যাও, তাড়াতাড়ি কবরে যাও। ফাঁকি দিয়ে ওদের পাঠিয়ে দিয়ে নিজেরা বাইরে থেকে মজা লুটতে চাও, না? না, না আমার রাজ্যে এসব চলবে না। মুর্দা ফকিরের এই সংলাপের মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। এখানে যারা জীবিত মূলত তারা প্রকৃত জীবিত নয়; জীবন্মৃত অবস্থায় তারা আছে তারা জীবন্ত লাশ মাত্র। আর যাদের তারা অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে তারাই জীবিত চির জাগরূক। তাই তো লাশগুলো কবরে ঢুকতে চায় না, বিদ্রোহ করে। ওরা হাফিজের কথার প্রতিবাদ করে বলে, ‘মিথ্যে কথা। আমরা মরিনি। আমরা মরতে চাইনি। আমরা মরব না। ...কবরে যাব না। ‘কবর’ নাটকের মুর্দা ফকির, মূর্তিদের (ভাষা আন্দোলনে শহীদেরা) হাহাকার শুধু নিজেদের নয়, তাদের জীবন - উৎসর্গ শুধু ব্যক্তির উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার জন্য নয়, নয় শুধু ভাষা আন্দোলনে আবেগ - উচ্ছ্বাসে জড়িত। এখানে রাজনৈতিক অবস্থা, গোপন ছলনা এবং বাঙালীর অস্তিত্বের সংগ্রাম নাটকজুড়ে নিহিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট গবেষক ও মুনীর চৌধুরীর ছাত্র আনিসুজ্জামানের উক্তিটি স্মর্তব্য, ‘পরিহাসতরল আবহাওয়ার ছদ্মাবরণের সাহায্যে দুটি করুণ দৃশ্যের সাঙ্গীকরণ নাটকীয়তা সৃষ্টিতে বিশেষভাবে কার্যকর হয়েছে। এ দুই অংশে এবং মুর্দা ফকিরের বৃত্তান্তে ভাষা আন্দোলনকে অতিক্রম করে মুনীর চৌধুরী আমাদের সামাজিক জীবনের বৃহত্তর দ্বন্দ্বের প্রতি অঙ্গুলি সঙ্কেত করেছেন। প্রগতিশীল চিন্তার লালনকারী নাট্যকার মুনীর তার নাটকে মানবতাবাদী ভাবনার প্রকাশ দেখাতে চেয়েছেন। রক্ষণশীলতা আর প্রগতিশীলতার যে দ্বন্দ্ব, তা তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে। পরাক্রমশালী রাজনীতির দৌরাত্ম্য ও জনগণের অসহায়তা এবং আদর্শবাদী চিন্তাধারার মাহাত্ম্য রচিত হয়েছে নাটকটির সংলাপের অভিনবত্বে ও উপস্থাপনার চমৎকারিত্বে। রাজনৈতিক প্রতাপ, অহমিকা, জনগণের নাম করে নিজেদের উদরপূর্তি, ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যে জাতিগতভাবে হীনম্মন্যতাকে লালন করে, তার বাস্তব চিত্র মুনীর চৌধুরী নির্মাণ করেছেন ‘কবর’ নাটকে। ‘কবর’ নাটকে মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র ‘বেরি দ্য ডেড’ (১৯৩৬) নাটকটির প্রভাব আছে বলে মনে করা হয়। মুনীর চৌধুরীও নাটকটির অবচেতন প্রভাবের কথা স্বীকার করেছেন। ওই নাটকে বিশ্বযুদ্ধে নিহত তরুণরা কবরে যেতে অস্বীকার করেছে। ‘কবর’ নাটকে শহীদেরাও কবরে যেতে অস্বীকার করেছে। আর উইন শ’র নাটকটির সঙ্গে ‘কবর’ - এর ভাবগত ঐক্যে কিছুটা মিল আছে বৈকি! কিন্তু ‘কবর’ - এ মুনীর চৌধুরীর উদ্ভাবনী চিন্তা এবং রচনাকুশলতায় স্বকীয়তা বিদ্যমান। মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহ শ’র নাটকে প্রত্যক্ষ ও বাস্তব রূপে উপস্থাপিত আর ‘কবর’ - এ বাস্তবতার বিভ্রম সৃষ্টি করা হয়েছে নেতা ও ইন্সপক্টরকে অর্ধ - মাতালÑ অপ্রকৃতিস্থ করে। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন, ‘...এই সুদূর এবং প্রান্তিক ভারসাম্যটির জন্য ‘কবর’কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে। ’ পরিশেষে বলা যায়, ‘কবর’ নাটকে চমকপ্রদ রহস্যজাল, কৌতুকাবহ যেমন আছে তেমনি আওছ এর অন্তর্মুখী বিষাদময় ঘটনা। এই কৌতুক আবহ থেকেই বিকশিত হয়েছে বিষাদাত্মক ঘটনা। রাজনৈতিক সচেতন মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের বাস্তব ঘটনাকে অবলম্বন করে নাটক রচনা করলেও তা সমাজের বুর্জোয়া শ্রেণীর বিরুদ্ধে বাঙালীর অস্তিত্বের সংগ্রামে পরিণত করছেন; আর এখানেই তার কৃতিত্ব। মুনীর চৌধুরীর 'কবর': ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথম প্রতিবাদী নাটক । ১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে জেলখানায় নাটকটি মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা ছিল, তাই জেলখানার অপ্রতুল ব্যবস্থার মাঝেই নাটকটি মঞ্চস্থ করার ব্যাপারটি সবার আগে সামনে চলে এল। সবকিছু মাথায় রেখেই মুনীর চৌধুরী লিখলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম এক কালজয়ী নাটক, নাম দেওয়া হলো ‘কবর’। এ ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো 'কবর' নাটকটিতে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে, সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যেই নাটকটি জেলখানায় সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়। জর্জ বার্নাড'শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা মুনীর চৌধুরীকে বরাবরই প্রভাবিত করেছে, ‘কবর’ নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ভাষা আন্দোলনে বহু মানুষ শহীদ হলেও অল্প ক'জনের পরিচয় আমরা জানতে পেরেছিলাম; কত শত লাশ গুম করা হয়েছিল, তার প্রকৃত হিসাব আজও জানা যায়নি। লাশ গুমের এই ঘৃণ্য রাজনীতিকে উপজীব্য করেই নাটকটির পুরো গল্প এগিয়ে গেছে। নাটকটির সমগ্র ঘটনাস্থল ছিল গোরস্থান, ভাষা শহীদদের লাশ গুম করার নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য একজন অসৎ নেতা তার দলবল নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। নেতার এই নীলনকশা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ছিলেন ইন্সপেক্টর হাফিজ। নাটকের শুরু থেকেই অসৎ নেতাকে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়ে লোভী হাফিজও নেতার সাথে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শেষ চিহ্নটুকু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা করতে থাকেন তারা। সবকিছু যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছিল, তখুনি মুর্দা ফকির নামক এক চরিত্রের আগমন ঘটে, আধপাগল এই মানুষটি যেন সমাজের বিবেক হিসেবে আবির্ভূত হন। লাশগুলো এখনো জীবিত আর তাদের কবর থেকে উঠিয়ে তিনি মিছিল করবেন– এমন অদ্ভুত একটি কথা বলে তাদের ভড়কে দেন মুর্দা ফকির। এরপর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আবর্তনে এগিয়ে গেছে সম্পূর্ণ গল্প। একটি নাটক সার্থক করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান থাকে নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের। চরিত্রগুলো যত শক্তিশালী হবে, নাটকের বুনিয়াদ তত মজবুত হবে। 'কবর' নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না, তিনটি কেন্দ্রীয় চরিত্র পুরোটা সময় দারুণভাবে নাটকটির গল্প টেনে নিয়ে গেছে। নেতা: একজন আগাগোড়া অসৎ মানুষ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনের মতো মহান এক ঘটনাকে ‘সামান্য গণ্ডগোল’ হিসেবে চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তার ভাষ্যমতে, ভাষা শহীদেরা ছিলেন অবাধ্য দুষ্টু ছেলে, অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চলেছিল! পুরোটা সময় জুড়ে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকাটা তার চারিত্রিক দোষের দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া সমাজের অন্যান্য অসৎ নেতাকর্মীর নানা আচরণ 'কবর' নাটকের নেতার মাঝেও ফুটে উঠেছিল। বুকে সাহস না থাকলেও সবধরনের পরিস্থিতিতে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়ার প্রবণতা ছিল নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। মানুষ হিসেবে তাকে বেশ হঠকারী মনে হয়েছে, সবধরনের পরিস্থিতিতে শুধু গুলি চালানোর কথা বলাটা মোটেও বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়নি। তবে নাটকের একদম শেষদিকে মুর্দা ফকিরকে কিছুদিনের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার কথাটা অবশ্য তার দূরদর্শী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বাংলার যেসব অসৎ নেতার কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষণের জালে আমরা বন্দী ছিলাম, তাদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে নেতা চরিত্রটি দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। হাফিজ: হাফিজ ছিলেন একজন চাটুকার পুলিশ কর্মকর্তা, নাটকের সিংহভাগ সময় জুড়ে তাকে নেতার চামচামি করতে দেখা গেছে। আদর্শ বিবর্জিত এই মানুষটি নিজের সুবিধার জন্য যেকোনো কিছু করতে তৈরি ছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত, নানা কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা হঠকারী আচরণ করলেও হাফিজকে পুরো নাটকেই দূরদর্শী হিসেবে দেখা গেছে। বিশেষ করে মুর্দা ফকিরের আগমনের পর যে আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দেখে পর্যুদস্ত না হয়ে হাফিজ যেভাবে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করে গেছেন, সেটা তার চারিত্রিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তবে তার সকল বুদ্ধি অপাত্রে কাজে লাগায় দিনশেষে মানুষ হিসেবে একজন মেরুদণ্ডহীন কাপুরুষ হিসেবেই তিনি বিবেচিত হবেন। মুর্দা ফকির: পুরো নাটকটিকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন মুর্দা ফকির। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষে নিজের চোখের সামনে সমস্ত আপনজনকে মারা যেতে দেখেছেন, মানুষগুলোকে কবর দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না। সেই থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি, নাম হয় মুর্দা ফকির। আচমকা 'ঝুঁটা' বলার মাধ্যমে দৃশ্যপটে তার নাটকীয় আগমন ঘটে। আগমনের পর থেকেই নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন তিনি, যা আপাতদৃষ্টিতে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। কিন্তু একটু ভাবলে তার প্রতিটি সংলাপের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। তার মতে, মাটিচাপা দেওয়া লাশগুলোর দেহে এখনো প্রাণ আছে, হাফিজ আর নেতাকেই তিনি মৃত বলে অভিহিত করেন। এই কথার মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের তো মৃত্যু হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তারা সর্বদা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের আশায় যারা সেদিন নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়েছিল, মৃত্যু আসলে তাদেরই হয়েছিল। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েতে। ১৯৩৬ সালে রচিত মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র 'বেরি দ্য ডেড' এর প্রভাব রয়েছে ‘কবর’ নাটকে। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নিজেও তা স্বীকার করেছেন। কবরে যেতে অস্বীকার করার ব্যাপারে দুই নাটকের মাঝেই মিল রয়েছে, তবে তা কেবলমাত্র ভাবগত ঐক্যের মিল। মুনীর চৌধুরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় নাটকটির বুনিয়াদ যেভাবে গড়ে তুলেছিলেন, তা এক কথায় অসাধারণ। তাছাড়া ‘বেরি দ্য ডেড’ নাটকে মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহকে সত্য বলে তুলে ধরে কিছুটা আধিভৌতিক ঘটনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা প্রতিবাদী ভাব তুলে ধরে হয়েছিল। কিন্তু ‘কবর’ নাটকে নেতা ও হাফিজের মাতাল অবস্থায় অপ্রকৃতিস্থ দেখানো হয়, ফলে শহীদদের কবরে যেতে অস্বীকার করার দৃশ্যটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে নেতা ও হাফিজের বিভ্রমকে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই মিল থাকার প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন, এই সামান্য ভারসাম্যটির জন্য 'কবর'কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, ওই সময়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলে এমন একটি নাটক লেখাটা সত্যিই অনবদ্য নিদর্শন। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। সাহসী ভঙ্গিতে এভাবে প্রতিবাদ করতে পারতেন বলেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে মুনীর চৌধুরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। তবে একজন মানুষকে মেরে ফেললেই কি তার আদর্শকে মুছে ফেলা যায়? না, যায় না। আর যায় না বলেই যুগের পর পর ‘কবর’ নাটকটিকে শ্রদ্ধাভরে মানুষ স্মরণ করবে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যত নাটকই হোক, মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
a+1a=5, হলেaa2+a+1=কত?
Correct Answer:
C: 1/6
Explanation:
a+1a=5, হলেaa2+a+1=কত? Correct Answer 1/6 দেওয়া আছে, a + 1a = 5⇒a2 + 1a = 5⇒a2 + 1 = 5aaa2 + a + 1 = aa2 + 1 + a = a5a + a = a6a = 16
‘কতরূপ স্নেহ করি’ দেশের কুকর ধরি’/বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া।” কার উক্তি?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরগুপ্ত
একটি অষ্টভূজ ক্ষেত্রের অন্তস্থ:কোণের পরিমাণ কত সমকোণ?
Correct Answer:
খ: ১২ সমকোণ
Explanation:
একটি অষ্টভূজ ক্ষেত্রের অন্তস্থ:কোণের পরিমাণ কত সমকোণ? সঠিক উত্তর ১২ সমকোণ এখানে , (2n - 4) সমকোণ ( n বাহু সংখ্যা) = ( 2 × 8 - 4) সমকোণ = (16 - 4 ) সমকোণ = 12 সমকোণ
‘পঞ্চগ্রাম’ উপন্যাস কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
‘পঞ্চগ্রাম’ উপন্যাস কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় তারাশঙ্করের উপন্যাস গুলি :চৈতালি ঘুর্ণি (১৯৩২), পাষাণ পুরী (১৯৩৩), নীলকন্ঠ (১৯৩৩), রাইকমল (১৯৩৫), ধাত্রীদেবতা (১৯৩৫), কালিন্দী (১৯৪০), গনদেবতা (১৯৪৩), মন্বন্তর (১৯৪৪), পঞ্চগ্রাম (১৯৪৪), কবি (১৯৪৪), সন্দীপন পাঠশালা (১৯৪৬), হাঁসুলী বাঁকের উপকথা (১৯৫১), নাগিনী কন্যার কাহিনী (১৯৫৩), আরোগ্য নিকেতন (১৯৫৩), সপ্তপদী (১৯৫৮), ডাকহরকরা (১৯৫৯), মহাশ্বেতা (১৯৬১), যোগভ্রষ্ট (১৯৬১), নিশিপদ্ম (১৯৬২), ছায়াপথ (১৯৬৯), কালরাত্রি (১৯৭০)