19th (Special) BCS Preliminary Test (Livestock) MCQs
Showing 47 questions (Total: 47)
'বিদ্র্যেহী' কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
Correct Answer:
ক: অগ্নিবীণা
Explanation:
'বিদ্র্যেহী' কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? সঠিক উত্তর অগ্নিবীণা অগ্নিবীণা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা আছে।কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস (কবিতা)’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর - ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত - ইল - আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’।
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারি' গানের রচিয়তা কে?
Correct Answer:
ক: আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
Explanation:
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারি' গানের রচিয়তা কে? সঠিক উত্তর আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী ১. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। " এ গানের গীতিকার - আব্দুল গাফফার চৌধুরী। ২.'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। " এ গানের ১ম সুরকার - আব্দুল লতিফ। ৩. "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। " গানটির বর্তমান সুরকার - আলতাফ মাহমুদ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম হলো -----
Correct Answer:
গ: ভানুসিংহ ঠাকুর
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম হলো ----- সঠিক উত্তর ভানুসিংহ ঠাকুর ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্রনাথ কৈশোর ও প্রথম যৌবনে "ভানুসিংহ" ছদ্মনামে বৈষ্ণব কবিদের অনুকরণে কিছু পদ রচনা করেছিলেন। ১৮৮৪ সালে সেই কবিতাগুলিই ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে প্রকাশিত হয়। কবিতাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের পূর্বে বিভিন্ন সময়ে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার?
Correct Answer:
ক: ইনসুলিন
Explanation:
বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার? সঠিক উত্তর ইনসুলিন মানুষের শরীরে যে শর্করা তৈরি হয় তাকে ভেঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে ইনসুলিন। কোনো কারণে শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি দেখা দিলে রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) বেড়ে যায়। একেই বহুমূত্ররোগ বা ডায়াবেটিস বলে।
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে?
Correct Answer:
গ: নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
Explanation:
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে? সঠিক উত্তর নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে গ্রীনহাউজের পরিণতিতে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব যে দেশগুলোতে মারাত্বক আকার ধারণ করবে বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। পরিবেশবাদী সংস্থা জার্মান ওয়াচের প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ৭ম ঝুকিপূর্ন দেশ বলে চিহ্নিত হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২ - ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধিতে তলিয়েযাবে বাংলাদেশের ১৭% নিম্নাঞ্চল আর সেই সাথে ৩কোটি মানুষ হবে ক্লাইমেট রিফিউজি।
মানুষের ক্রোমোজমের সংখ্যা কত?
Correct Answer:
গ: ২৩ জোড়া
Explanation:
মানুষের ক্রোমোজমের সংখ্যা কত? সঠিক উত্তর ২৩ জোড়া মানবদেহে সাধারণত ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম, এদেরকে অটোজম বলা হয়। বাকি ১ জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলা হয়।
ভায়াগ্রা কি?
Correct Answer:
খ: নতুন একটি ঔষধ
Explanation:
ভায়াগ্রা কি? সঠিক উত্তর নতুন একটি ঔষধ ভায়াগ্রা একটি যৌন উত্তেজক ঔষধ। কিন্তু সাথে সাথে আমাদের এটিও জেনে রাখা উচিৎ যে, ইচ্ছা হলেই আপনি ভায়াগ্রা সেবন করতে পারবেন না। এই ঔষধটি সেবনের জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে।
ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস?
Correct Answer:
ক: ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
Explanation:
ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস? সঠিক উত্তর ক্লোরোফ্লোরো কার্বন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লুরোকার্বন অবমুক্ত হয়ে বায়ুমন্ডলের ওজনস্তরের সাথে সারায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ফাটলের সৃষ্টি করছে। ক্লোরোফ্লুরোকার্বন থেকে অতিবেগুনীরশ্মির প্রভাবে ক্লোরিন অনু মুক্ত হয়ে আসে। এই ক্লোরিন অনুই পরবর্তীতে ওজোন অনুর সাথে বিরকিয়ে ঘটিয়ে ক্ষয় করতে থাকে। এইভাবে ওজনস্তরে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
'দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ' গ্রন্থের রচিয়তা------
Correct Answer:
গ: মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
Explanation:
'দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ' গ্রন্থের রচিয়তা------ সঠিক উত্তর মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং মুক্তিযুদ্ধকালে ইস্টার্ন জোনের ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিংয়ের লেখা বই - ইন্ডিয়াস ওয়ারস সিন্স ইনডিপেনডেন্টস: দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ (ভলিউম: ওয়ান)।
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় ----
Correct Answer:
গ: মিথেন
Explanation:
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় ---- সঠিক উত্তর মিথেন প্রাণীর মূত্রে থাকে এমোনিয়া অপরদিকে মল - মূত্র গাজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় মিথেন গ্যাস
কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়?
Correct Answer:
গ: রেনিন
Explanation:
কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়? সঠিক উত্তর রেনিন অপরদিকে, দুধের প্রোটিনের নাম - কেসিন দুধের কার্বোহাইড্রেড - ল্যাকটোজেন
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কি?
Correct Answer:
ঘ: ডলি
Explanation:
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কি? সঠিক উত্তর ডলি ক্লোন হলো কোনো জীব বা কোষ বা বৃহৎ অণুর হুবুহু নকল৷ কোনো জীবের দেহ কোষ হতে হুবুহু ঐ জীবটিকে পুনরায় তৈরি করার পদ্ধতিকে ক্লোনিং বলা হয়৷ এটা প্রথম১৯৯২ সালে রোজলিন ইনস্টিটিউট, স্কটল্যান্ডের গবেষক, ডাঃ আয়ান উইলমুট তার ২৭৩ তম চেষ্টায় সফলভাবে একটি ভেড়া তৈরি করতে সক্ষম হন৷
গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক-ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
Correct Answer:
খ: লর্ড লিনলিথগো
Explanation:
গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক-ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন? সঠিক উত্তর লর্ড লিনলিথগো গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক - ভারত উপমহাদেশে ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন লর্ড লিনলিথগো। ভিক্টর আলেকজান্ডার জন হোপ, লিনলিথগোর ২ য় মার্কেস, (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৭ - ৫ জানুয়ারী ১৯৫২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ ইউনিয়নবাদী রাজনীতিবিদ, কৃষিবিদ এবং ঐপনিবেশিক প্রশাসক। তিনি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল এবং ভাইসরয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁকে সাধারণত লিনলিথগো বলেই অভিহিত করা হত।
বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত?
Correct Answer:
ঘ: ২৬০ মার্কিন ডলার
Explanation:
বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত? সঠিক উত্তর ২৬০ মার্কিন ডলার ২০১৭ - ১৮ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১, ৭৫২ মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে?
Correct Answer:
ক: সিরাজগঞ্জ
Explanation:
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে? সঠিক উত্তর সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশের গো - চারণের জন্য বাথান আছে সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে। শাহজাদপুরের অনেক ঐতিহ্যের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো এখানকার অসাধারণ বৈশিষ্ট্য মণ্ডিত বাথান ভূমি - অর্থাৎ বিশাল সুবিস্তৃত গো - চারণ ভূমি। বাংলাদেশে আর কোথাও এতো বড় এতো উর্বর গো - চারণ ভূমি বোধ হয় নেই। এর আয়তন প্রায় ১, ২০০ (বারশো) একর। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিল 'চলন বিল' এর দক্ষিণ - পূর্বাংশ এই ঐতিহ্যবাহী বাথান ভূমি। এটি প্রতি বছর আষাঢ়ের শেষ দিকে পনিতে ডুবে যায় এবং আশ্বিন মাসে ধীরে ধীরে জেগে উঠে। প্রায় তিন মাসকাল বন্যার পানির নিচে ডুবে থাকে। পৌষমাস থেকে এখানে আসে গরুর পাল। নানা রং চেহারার অগুনতি গরু মহানন্দে লেজ নেড়ে নেড়ে কচি কচি মাসকলাইয়ের গাছগুলো দাঁতে কেটে কেটে খেতে থাকে পরম তৃপ্তিতে। বক, শালিক, ফিঙে, দোয়েলসহ নানা জাতের পাখি গরুগুলোর চারপাশে উড়তে থাকে। কখনো বা গরুর পিঠের উপর বসে দোল খায়। গরুর গায়ের আটালি বা অন্য কোনো পোকা ধরে খায়। পাখিগুলো এ অপূর্ব দৃশ্যে সৌর্ন্দযের এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
বাংলাদেশের পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ----
Correct Answer:
ক: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
Explanation:
বাংলাদেশের পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ---- সঠিক উত্তর ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ বাংলাদেশের পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - - - - ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭। পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি পাহাড়ীদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্পাদিত একটি শান্তি চুক্তি। পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের প্রতিনিধি জনসংহতি সমিতির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং শান্তি বাহিনীর পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তু লারমা।
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: গ্যাস
Explanation:
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি? সঠিক উত্তর গ্যাস ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভূতাত্ত্বিক পরিবেশে সঞ্চিত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদসমূহ হচ্ছেঃ প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, নুড়িপাথর, গন্ডশিলা (Boulder), কাচবালি, নির্মাণকার্যে ব্যবহূত বালু, চীনামাটি, ইটের মাটি, পিট এবং সৈকত বালি ভারি মণিক (Beach Sand Heavy Minerals)।
বাংলাদেশে একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স কত?
Correct Answer:
খ: ১৮ বছর
Explanation:
বাংলাদেশে একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স কত? সঠিক উত্তর ১৮ বছর বাংলাদেশে একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিবছর ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার নিয়ম রয়েছে। ১৮ বছর বয়সের যে কোনো নাগরিক ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তের নিয়ম রয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুযায়ী কমিশন অন্যান্য নাগরিককে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও শর্ত সাপেক্ষে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কি?
Correct Answer:
খ: আব্রাহাম লিংকন
Explanation:
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কি? সঠিক উত্তর আব্রাহাম লিংকন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম আব্রাহাম লিংকন। আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln) (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৮০৯ - মৃত্যু: ১৫ এপ্রিল, ১৮৬৫) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি। তিনি রিপাবলিকান পার্টির প্রথম রাষ্ট্রপতি, এবং ১৮৬১ হতে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। দাস প্রথার চরম বিরোধী। লিংকন ১৮৬০ সালে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৮৬৩ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাস প্রথার অবসান ঘটান ও মুক্তি ঘোষণার মাধ্যমে দাসদের মুক্ত করে দেন। দাস প্রথাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় তিনি উত্তরাঞ্চলীয় ইউনিয়ন বাহিনীর নেতৃত্ব দেন, এবং দক্ষিণের কনফেডারেট জোটকে পরাজিত করেন।
বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস -----
Correct Answer:
ক: ১৪ ডিসেম্বর
Explanation:
বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ----- সঠিক উত্তর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস - - - - ১৪ ডিসেম্বর। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।
উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: নাটোর
Explanation:
উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর নাটোর নাটোরশহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে এক মনোরম পরিবেশে ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়ারাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন অবস্থিত। নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামেরউপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। ১৯৪৭ সালে তৎকালীনপাকিস্তান সরকার জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করার পর ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজ প্রাসাদটি পরিত্যাক্ত থাকে।
বাগেরহাটে খান জাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজ বিশিষ্ট?
Correct Answer:
খ: একাশি
Explanation:
বাগেরহাটে খান জাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজ বিশিষ্ট? সঠিক উত্তর একাশি হযরত খানজাহান (রঃ) কর্তৃক নির্মিত অপূর্ব কারম্নকার্য খচিত পাঁচ শতাব্দীরও অধিক কালের পুরাতন বিশালায়তন এ মসজিদটি তাঁর দরগাহ হতে প্রায় দেড় কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। স্থাপত্য কৌশলে ও লাল পোড়া মাটির উপর লতাপাতার অলংকরণে মধ্য যুগীয় স্থাপত্য শিল্পে এ মসজিদ এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। যদিও ইহা ষাটগম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে চতুস্কোনের বুরম্নজের উপর চারটি গম্বু^জসহ এতে মোট ৭৪টি গুম্বজ আছে এবং মধ্যের সারির বাংলা চালের অনুরূপ ৭টি চৌচালা গম্বু^জসহ এতে মোট ৮১টি গম্বু^জ আছে। বিশেষভাবে লক্ষনীয় যে, এর প্রার্থনা কক্ষের চৌচালা ছাদ ও গম্বু^জগুলি ইট ও পাথরের ষাটটি খাম্বার দ্বারা সমর্থিত খিলানের উপর নির্মিত। জনশ্রুতি আছে যে, হযরত খানজাহান (রঃ) ষাটগম্বু^জ মসজিদ নির্মাণের জন্য সমুদয় পাথর সুদুর চট্রগ্রাম, মতামত্মরে ভারতের উড়িষ্যার রাজমহল থেকে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা বলে জলপথে ভাসিয়ে এনেছিলেন। ইমারতটির গঠন বৈচিত্রে তুঘলক স্থাপত্যের বিশেষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে। দক্ষিণ দিকের মিনারের শীর্ষে কুঠিরের নাম রোশনাই কুঠির এবং এ মিনারে উপরে উঠার সিড়ি আছে। মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট। মসজিদের সম্মুখ দিকের মধ্যস্থলে একটি বড় খিলান এবং তার দুই পাশে পাঁচটি করে ছোট খিলান আছে। মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে। সরকারের প্রত্নতত্ত্ব ও যাদুঘর বিভাগ পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণের জন্য এ ঐতিহাসিক মসজিদ এবং খানজাহান (রঃ) এর মাজার শরীফের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে । ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অমত্মর্ভূক্ত করেছে।
১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট পান কে?
Correct Answer:
গ: সুকের
Explanation:
১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট পান কে? সঠিক উত্তর সুকের সর্বশেষ ২০১৮ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট লাভ করেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন (৬ গোল)।
বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: রোম
Explanation:
বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর রোম জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা Food and Agriculture Organization । উন্নত ও উন্নয়নশীল দুই ধরনের দেশেই সক্রিয়। বিভিন্ন দেশকে আধুনিক ও উন্নত কৃষি, বনায়ন ও মৎস্য চাষে সহায়তা করে। ফলে সবার জন্য খাদ্যের নিশ্চয়তার সুযোগ তৈরি হয়। লাতিন ভাষায় এর স্লোগান ‘ফিয়াত পানিস’—‘সবার জন্য রুটি’। সদস্যসংখ্যা ১৯৭টি রাষ্ট্র। এফএওর সদস্য সংগঠন ইউরোপীয় ইউনিয়ন।আন্তর্জাতিক খাদ্য ও কৃষি সংস্থা গঠনের ধারণাটি প্রথম আসে মার্কিন কৃষিবিদ ডেভিড লুবিনের মাথায়। ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর কানাডার কুইবেক শহরে ‘আন্তর্জাতিক কৃষি ইনস্টিটিউট’ গঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংগঠনের ইতি ঘটে। পরে এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থা নামে আত্মপ্রকাশ করে। গত শতাব্দীর চল্লিশের দশকের শেষ সময় থেকে এফএও জাতিসংঘের কাঠামোর মধ্যে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এফএও বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে মিলে নানা প্রকল্প হাতে নেয়। মূলত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থের বিনিময়ে এফএও পরিচালিত হয়।একনজরেগঠন : ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫।স্থান : কুইবেক, কানাডা।ধরন : বিশেষায়িত সংগঠন।প্রধান কার্যালয় : এফএও প্রধান কার্যালয়, রোম, ইতালি।সংগঠনের প্রধান : হোসে গ্রাজিয়ানো দ্য সিলভা।অভিভাবক সংস্থা : জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদ।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
খ: নিউইয়র্ক
Explanation:
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর নিউইয়র্ক জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক এ অবস্থিত. ১৯৪৫, ২৪শে অক্টোবর ৫১ টি সদস্য নিয়ে এর আবির্ভাব হয়। বর্তমানের সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি দেশ।
রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ----
Correct Answer:
খ: বরেন্দ্রভূমি
Explanation:
রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ---- সঠিক উত্তর বরেন্দ্রভূমি রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত - - - - বরেন্দ্রভূমি। বরেন্দ্র ভূমি হলো বেঙ্গল বেসিনের বৃহত্তম প্লেইস্টোসিন যুগের ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট। এটি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ ও রংপুর বিভাগের অধিকাংশ দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলা অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ, ভারতের সম্পূর্ণ উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং অধিকাংশ মালদহ জেলা পূর্ণ করে। এটিবাংলাদেশের বিভিন্ন পৃথক বিভাগে উত্তর - পশ্চিম অংশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ আচ্ছাদিত এলাকা নিয়ে গঠিত যার মোট এলাকা প্রায় ১০০০০ বর্গকিমি যার বেশিরভাগই পুরাতন পলি সম্বলিত।
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ?
Correct Answer:
ক: ১৭.৫০ শতাংশ
Explanation:
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ? সঠিক উত্তর ১৭.৫০ শতাংশ বর্তমানে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১৭.৫০% (প্রায়) । FAO - এর মতে বাংলাদেশে বনভূমি রয়েছে মোট ভূমির ১০% (প্রায়)।
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি -----
Correct Answer:
ঘ: দোয়েল
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি ----- সঠিক উত্তর দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় বিষয় সমূহ · জাতীয় ভাষাঃ বাংলা· জাতীয় সঙ্গীতঃ আমার সোনার বাংলা(প্রথম ১০ চরণ)· জাতীয় পাখিঃ দোয়েল· জাতীয় ফুলঃ শাপলা· জাতীয় পশুঃ রয়েল বেঙ্গল টাইগার· জাতীয় বনঃ সুন্দরবন· জাতীয় ফলঃ কাঁঠাল· জাতীয় মাছঃ ইলিশ· জাতীয় মসজিদঃ বায়তুল মোকাররম· জাতীয় জাদুঘরঃ জাতীয় জাদুঘর শাহবাগ, ঢাকা· জাতীয় পতাকাঃ সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত· জাতীয় কবিঃ কাজী নজরুল ইসলাম· জাতীয় পার্কঃ শহীদ জিয়া শিশু পার্ক· জাতীয় খেলাঃ কাবাডি· জাতীয় সৃতিসৌধঃ সম্মিলিত প্রয়াস· জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবসঃ ২৬ শে মার্চ· জাতীয় প্রতীকঃ উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা। তার মাথায় পাট গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটি করে তারকা।· জাতীয় গাছঃ আম গাছ।
কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির ----
Correct Answer:
গ: ২৫ শতাংশ
Explanation:
কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির ---- সঠিক উত্তর ২৫ শতাংশ একটি দেশের আয়তনের কমপক্ষে ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা বাঞ্ছনীয়। বাংলাদেশে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় আঠারো শতাংশ।
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য -----
Correct Answer:
ক: ৪.৮ কিমি
Explanation:
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য ----- সঠিক উত্তর ৪.৮ কিমি Padma Bridge:Main Bridge Length6.15 kmViaduct3.148 km (Road), 532 m (Rail)Approach Road12.117 kmRiver Training Works14 km (1.6 Mawa + 12.4 in Janjira)
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
Correct Answer:
ঘ: ১১টি
Explanation:
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল? সঠিক উত্তর ১১টি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কথা আমরা সবাই জানি। জানি আমাদের মুক্তির কথা, স্বাধীনতার কথা। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ, মানে সে সময়ের পূর্ব পাকিস্তানকে যে কতগুলো সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল, তাও জানো নিশ্চয়ই। যুদ্ধ করার জন্য পুরো দেশটাকে ১১টা ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। এগুলোই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর। চলো আজ জেনে নিই কোন কোন জেলা নিয়ে কোন কোন সেক্টর গঠিত হয়েছিল এবং কারা ছিলেন কমান্ডার।সেক্টর ১ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও ফেনী পর্যন্ত ছিল সেক্টর ১। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম।সেক্টর ২ঢাকা, ফরিদপুরের কিছু অংশ, নোয়াখালী ও কুমিল্লা নিয়ে গঠিত হয়েছিল সেক্টর ২। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ ও সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর হায়দার।সেক্টর ৩ঢাকার কিছু অংশ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও কুমিল্লা ছিল সেক্টর ৩ এর আওতায়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর শফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর নুরুল্লাহ।সেক্টর ৪সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল সেক্টর ৪। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সি এর দত্ত।সেক্টর ৫সেক্টর ৫ গঠিত হয় সিলেট জেলার অংশ বিশেষ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে। মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার।সেক্টর ৬রংপুর ও দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা নিয়ে গঠিত হয় সেক্টর ৬। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন ইউং কমান্ডার বাশার।সেক্টর ৭দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও রংপুরের কিছু অংশ ছিল এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কাজী নুরুজ্জামান।সেক্টর ৮কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল সেক্টর ৭ এর অন্তর্ভুক্ত। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এম এ মঞ্জুর।সেক্টর ৯খুলনার কিছু অংশ, বরিশাল ও পটুয়াখালী নিয়ে গঠিত হয় সেক্টর ৯। ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল ও তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন।সেক্টর ১০এ সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও আভ্যন্তরীন নৌ - পরিবহন। এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।সেক্টর ১১কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় সেক্টর ১১। এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট এম হামিদুল্লাহ।
কসোভো কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ক: ইউরোপে
Explanation:
কসোভো কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর ইউরোপে কসোভো ইউরোপের নবীনতম স্বাধীন দেশ, যার রাজধানী প্রিস্টিনা। ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৮ সালে দেশটি সার্বিয়ার নিকট থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর প্রতীক কি?
Correct Answer:
গ: কাছিবেষ্টিত নোঙর
Explanation:
বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর প্রতীক কি? সঠিক উত্তর কাছিবেষ্টিত নোঙর বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রতীক কাছিবেষ্টিত নোঙর। শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। বিমানবাহিনীর প্রতীক বলাকা।
গিন্ডার কোন দেশের মুদ্রার নাম?
Correct Answer:
খ: নেদারল্যান্ডস
Explanation:
গিন্ডার কোন দেশের মুদ্রার নাম? সঠিক উত্তর নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডসের সাবেক মুদ্রার নাম গিল্ডার। ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ ইউরোপ একক মুদ্রা ইউরো চালু হলে ও পাশাপাশি গিল্ডার চালু থাকে। তবে ১ জুলাই ২০০২ স্থানীয় মুদ্রা সরকাবিভাবে বিলুপ্ত হলে গিল্ডারও বিলুপ্ত হয় এবং ইউরো নেদারল্যান্ডসের একক মুদ্রা হিসেবে চালু হয়।
জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: ইন্দোনেশিয়া
Explanation:
জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ কোনটি? সঠিক উত্তর ইন্দোনেশিয়া জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ - পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। ল্যাটিন ইন্ডাস থেকে ইন্দোনেশিয়া শব্দটি এসেছে। ল্যাটিন শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় দ্বীপ। ডাচ উপনিবেশের কারণে তাদের দেয়া নামটি ওই অঞ্চলের জন্য প্রচলিত হয়। ১৯০০ সাল থেকে জায়গাটি ইন্দোনেশিয়া নামে পরিচিতি পায়। প্রায় ৫, ০০০ দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এই দেশটি পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম জাকার্তা।
নাসা কোন দেশের সংস্থা?
Correct Answer:
ঘ: যুক্তরাষ্ট্র
Explanation:
নাসা কোন দেশের সংস্থা? সঠিক উত্তর যুক্তরাষ্ট্র নাসা যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা। নাসা (ইংরেজি: National Aeronautics and Space Administration (NASA), ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সদর দফতর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। পূর্বতন নাকা (ন্যাশনাল অ্যাডভাজরি কমিটি ফর অ্যারোনটিক্স) অবলুপ্ত হয়ে ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাক্ট অনুসারে নাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্কিন মহাকাশ যাত্রায় এই প্রতিষ্ঠানে ভূমিকা অ্যাপোলো চন্দ্রযাত্রা, স্কাইল্যাব মহাকাশ স্টেশন ও স্পেস শাটল প্রভৃতিতে লক্ষ্য করা যায়। নাসা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন প্রকল্পের সাথে যুক্ত ৫টি সংস্থার একটি।
কম্পিউটার সফটওয়ারের জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: মাইক্রোসফট্
Explanation:
কম্পিউটার সফটওয়ারের জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান কোনটি? সঠিক উত্তর মাইক্রোসফট্ কম্পিউটার সফটওয়ারের জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট্। মাইক্রোসফট কর্পোরেশন (ইংরেজি: Microsoft Corporation) একটি বহুজাতিক আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি। এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রেডমন্ড, ওয়াশিংটনে অবস্থিত। মাইক্রোসফট সফটওয়্যার, ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স, ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও এর সাথে আনুষাঙ্গিক বিভিন্ন সেবা উন্নয়ন, উৎপাদন, অনুমোদন, সমর্থন, ও বিক্রি করে থাকে। কোম্পানিটিরবহুল পরিচিত সফটওয়্যার পণ্য এর উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ধারা, অফিস স্যুট, এবং ইন্টারনেট এক্সফ্লোরার ও বর্তমানে এজ ওয়েব ব্রাউজার। আর উল্লেখযোগ্য হার্ডওয়্যার পণ্যের মধ্যে আছে এক্সবক্স ভিডিও গেম কনসোল ও সারফেস ব্যক্তিগত কম্পিউটার ধারা। ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট ছিলো আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর বৃহত্তর সফটওয়্যার নির্মাতা (বর্তমানে সে জায়গা আলফাবেটের দখলে)।
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরাইল কত শতাংশ জায়গা ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তত করবে?
Correct Answer:
গ: ১৩ শতাংশ
Explanation:
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরাইল কত শতাংশ জায়গা ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তত করবে? সঠিক উত্তর ১৩ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরাইল ১৩ শতাংশ জায়গা ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তত করবে। ইসরায়েলি - ফিলিস্তিনি সংঘাত অনেক দিন ধরে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল এর মধ্যে চলে আসা সংঘাতকে নির্দেশ করে। একে বৃহত্তর অর্থে আরব - ইসরায়েল সংঘাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবেও আখ্যায়িত করা যায়। দুইটি আলাদা জাতি করার জন্য অনেক পরিকল্পনাই করা হয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ইসরায়েলের পাশে একটি স্বাধীন - সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রও গঠিত হতো। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, দুই দেশের অধিকাংশ মানুষই এই সংঘাত নিরসনে অন্য যেকোন পরিকল্পনার তুলনায় দুই - জাতি পরিকল্পনাকে বেশি সমর্থন করে। এই দুই পক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা তৈরীতে কেন্দ্রী চরিত্র হিসেবে কাজ করে কোয়ার্টেট অফ দ্য মিড্ল ইস্ট (বা শুধু কোয়ার্টেট) নামে পরিচিত একটি দল। এই দলে কূটনৈতিকভাবে অংশ নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ। আরব লীগ এই সংঘাতের আরেক নায়ক যারা একটি বিকল্প শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে। আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিশর এতে মুখ্য ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশে জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান কত?
Correct Answer:
ক: ১.৬৬%
Explanation:
বাংলাদেশে জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান কত? সঠিক উত্তর ১.৬৬% বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ অনুসারে ২০১৭ - ১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান ১.৬০% (প্রাক্কলিত)।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায়?
Correct Answer:
ঘ: ম্যানিলা
Explanation:
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায়? সঠিক উত্তর ম্যানিলা ADB HQ - Mandaluyong, Manila, Philippines ASEAN HQ - Jakarta BIMSTEC - Bangkok
বর্তমানে বিদেশ থেকে কত টাকার গুড়োদুধ আমদানি করা হয়?
Correct Answer:
ক: ৭৫০ কোটি টাকা
Explanation:
বর্তমানে বিদেশ থেকে কত টাকার গুড়োদুধ আমদানি করা হয়? সঠিক উত্তর ৭৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৫ - ১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ১, ০৪, ০০০ টন গুড়ো দুধ আমদানি করে। যার বাজারমূল্য ছিল ৩, ৬০০ কোটি টাকা।
বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: রয়েল বেঙ্গল টাইগার
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি ? সঠিক উত্তর রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহ বাংলাদেশের ইতিহাস, বাংলাদেশী ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক জীবনধারা ও আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক দলিল, পতাকা, রাষ্ট্রীয় প্রতীক, জাতীয় সঙ্গীত ও স্মৃতিসৌধসহ বিভিন্ন সরকারি জাতীয় প্রতীক রয়েছে, যেগুলো স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় গৃহীত হয়। এগুলো ছাড়া আরও কিছু জাতীয় প্রতীক রয়েছে। যেমন: জাতীয় পাখি, জাতীয় পশু, জাতীয় ফুল ও জাতীয় গাছ প্রভৃতি।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: সাভার
Explanation:
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর সাভার বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো - প্রজনন খামার সাভারে অবস্থিত। কেন্দ্রীয় গো - প্রজনন ও দুগ্ধ খামার মূলত একটি গবেষণা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলার অন্তর্গত সাভার উপজেলাধীন আশুলিয়া থানায় ঢাকা - আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে অবস্থিত।
দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান কত?
Correct Answer:
গ: ৩য়
Explanation:
দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান কত? সঠিক উত্তর ৩য় অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ - এর তথ্য মতে, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান তৃতীয়।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: ড. ওসমান গণি
Explanation:
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন? সঠিক উত্তর ড. ওসমান গণি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য ডঃ মোঃ আলী আকবর।
রপ্তানি আয়ে বর্তমানে প্রাণিসম্পদের অবদান কত?
Correct Answer:
ক: ৪.৯ ভাগ
Explanation:
রপ্তানি আয়ে বর্তমানে প্রাণিসম্পদের অবদান কত? সঠিক উত্তর ৪.৯ ভাগ ২০১৭ - ১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে প্রাণিসম্পদের (মৎস ও চামড়া) অবদান ছিল ৪.৭৯ শতাংশ।
সাম্প্রতিককালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কোন কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন?
Correct Answer:
খ: প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
Explanation:
সাম্প্রতিককালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কোন কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন? সঠিক উত্তর প্রফেসর নরম্যান বোরলগ সাম্প্রতিককালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন প্রফেসর নরম্যান বোরলগ। নরম্যান বোরলাউগ (মার্চ ২৫, ১৯১৪ – সেপ্টেম্বর ১২, ২০০৯) বিখ্যাত মার্কিন কৃষিবিজ্ঞানী এবং শান্তিতে নোবেল বিজয়ী, যিনি সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে খ্যাত। বোরলাউগ পাঁচ জনের মধ্যে একজন তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম এবং কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল তিনটি পদক লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা পদ্মভূষণ লাভ করেন।