Government Job and Other Recruitment Exams MCQs
Showing 50 questions (Total: 12229)
বর্তমান বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ মুদ্রাস্ফীতির দেশ কোনটি?
Correct Answer:
ক: জিম্বাবুয়ে
নিজের 'চেষ্টায়' বড় হও । 'চেষ্টায়' কোন কারক?
Correct Answer:
গ: করণ কারক
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ উক্তিটি কোন কাব্য গ্রন্থের?
Correct Answer:
গ: অন্নদামঙ্গল
Explanation:
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ উক্তিটি কোন কাব্য গ্রন্থের? সঠিক উত্তর অন্নদামঙ্গল 'মৌমাছি’ (মৌ - সঞ্চয়কারী মাহি) কর্মধারয় সমাস। উল্লেখ্য, বিশেষণ পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের যে সমাস হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এ সমাসে পর পদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় ।
গগণে গরজে 'মেঘ'। মেঘ কোন কারক?
Correct Answer:
খ: কর্তৃকারক
'উল্লেখ' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: উৎ+লেখ
'অনুচ্ছেদ' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: অনু+ছেদ
'উন্নয়ন' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: উৎ+নয়ন
‘নাসিক্য’ বর্ণ কোনগুলো?
Correct Answer:
খ: ঙ, ঞ, ণ
Explanation:
‘নাসিক্য’ বর্ণ কোনগুলো? সঠিক উত্তর ঙ, ঞ, ণ যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণকালে শ্বাসের বায়ু মুখ দিয়ে বের না হয়ে নাক দিয়ে বের হয়, সেগুলোকে নাসিক্য বা আনুনাসিক ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয়। বর্তমান বাংলা ভাষায় তিনটি নাসিক্য ধ্বনিমূলগুলো আছেঃ "ঙ", "ন", ও "ম"। কিছু কিছু ব্রাউজার এই পৃষ্ঠার আ-ধ্ব-ব বর্ণগুলো ঠিক মত প্রদর্শন করতে পারবে না।
Bangladesh is to graduate itself from status of LDC to developing nations in --------.
Correct Answer:
D: 2024
Explanation:
Bangladesh is to graduate itself from status of LDC to developing nations in --------. Correct Answer 2024 জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে স্বল্পোন্নত দেশ বা LDC থেকে উত্তরণ বিষয়ে এক ঘোষণায় বাংলাদেশের এ যোগ্যতা অর্জনের তথ্য দেয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা এই তিনটি সূচকের দু'টিতে উত্তীর্ণ হলে কোনো দেশ LDC থেকে উত্তরণের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তবে শুধু মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতেও কোনো দেশ যোগ্য হতে পারে। সে ক্ষেত্রে মাথাপিছু আয়ের যে মানদণ্ড রয়েছে ঐ দেশের মাথাপিছু আয় তার দ্বিগুণ হতে হবে। বাংলাদেশ ২০২৪ সালে LDC থেকে বেরিয়ে গেলে ২০২৭ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের 'এভরিথিং বাট আর্মস’ উদ্যোগের আওতায় পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পারে। বাংলাদেশ মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার, পরিবেশ ও সুশাসন বিষয়ে ইইউর নিয়ম কানুনের শর্ত পূরণ করলে জিএসপি প্লাস নামে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে।
Give the all.... this pen.
Correct Answer:
B: but
নিচের কোনটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: দেশে-বিদেশে
Explanation:
নিচের কোনটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর দেশে-বিদেশে যে দ্বন্দ্ব সমাসের সমস্যমান পদের বিভক্তি সমস্ত পদে অক্ষুন্ন থাকে তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে ।যেমন: জলে - স্থলে, হাতে - কলমে, দুধে - ভাতে, দেশে - বিদেশে ইত্যাদি।
‘কাজটা ভালো দেখায় না’ এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: কর্মকর্তৃবাচ্য
Explanation:
‘কাজটা ভালো দেখায় না’ এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ? সঠিক উত্তর কর্মকর্তৃবাচ্য যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলা হয়। যেমনঃ কাজটা ভালো দেখায় না। সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
Select the correct sentence-
Correct Answer:
C: The man who stole my bag was tall.
Choose the indirect speech of the sentence- He said to me "Thank you".
Correct Answer:
D: He thanked me.
Identify the correct synonym for the word "Magnanimous" -
Correct Answer:
A: Generous
What is the meaning of "White Elephant'
Correct Answer:
C: A very costly
‘ভাসানচর’ কোন জেলায় অবস্থিত?
Correct Answer:
গ: নোয়াখালী
Explanation:
‘ভাসানচর’ কোন জেলায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর নোয়াখালী নোয়াখালীতে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত ভাসানচর।
A "bull market' means that share prices are -
Correct Answer:
B: Rising
What is the masculine form of "bee' -
Correct Answer:
A: Drone
........ among you are from class x?
Correct Answer:
A: Who
An adverb does not modify -
Correct Answer:
A: Nouns
মুদ্রাস্ফীতি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোন পদক্ষেপ নেবে?
Correct Answer:
গ: ব্যাংক হা বাড়িয়ে দেবে
He struck me on.... head.
Correct Answer:
A: the
Life is not a bed of roses' means -
Correct Answer:
C: Life is a painful journey.
Please lean the ladder..... the wall.
Correct Answer:
C: against
A rolling stone gathers no moss. Here 'rolling' is -
Correct Answer:
C: participle
Which one of the verb?
Correct Answer:
B: Reopen
বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত?
Correct Answer:
ঘ: ২০২৭ মার্কিন ডলার
Explanation:
বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? সঠিক উত্তর ২০২৭ মার্কিন ডলার বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২,২২৭ মার্কিন ডলার ।
Which one is a material noun?
Correct Answer:
B: Meat
Have you finished..... the book?
Correct Answer:
B: reading
বরেন্দ্র রিসার্চ সােসাইটি' কোথায় এবং কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
গ: রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
Explanation:
বরেন্দ্র রিসার্চ সােসাইটি' কোথায় এবং কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি (১৯১০ - ১৯৬৩) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান। সাধারণভাবে বাংলার ও বিশেষভাবে বরেন্দ্র অঞ্চলের গৌরবময় অতীত সম্পর্কে অধ্যয়ন ও গবেষণার উদ্দেশ্যে ১৯১০ সালে রাজশাহীতে এ সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দিঘাপতিয়া রাজ পরিবারের বংশধর শরৎকুমার রায়, রাজশাহীর নেতৃস্থানীয় আইনজীবী ও ইতিহাসবিদ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং ইতিহাস, শিল্পকলা ও প্রত্নতত্ত্বে সুপন্ডিত রামপ্রসাদ চন্দ হলেন এর প্রতিষ্ঠাতা। বাংলার শিল্পকলা ও প্রত্নতত্ত্ব সম্পর্কে অধ্যয়ন ও গবেষণায় তাঁদের অভিন্ন আগ্রহ ছিল। মানুষ ও প্রকৃতির ধ্বংসলীলা এড়িয়ে যেসব সৌধ এখনও টিকে আছে সেগুলির তথ্য উদ্ঘাটন করে অতীত ঐতিহ্য তুলে ধরাই ছিল তাঁদের আজীবন প্রয়াস। ১৯১০ সালের এপ্রিলের গোড়ার দিকে অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ও রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়সহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে শরৎকুমার রায় দেওপাড়া, পালপাড়া, মালঞ্চ, জাগপুর, ইতাহার, চবিবশনগর, মান্দইল, কুমারপুর, খেতুর, বিজয়নগর ও রাজশাহীর সংলগ্ন এলাকাগুলিতে এক অনুসন্ধানমূলক সফরে যান। তাঁরা মান্দইল থেকে পূর্ণাবয়ব একটি চন্ডীমূর্তিসহ বত্রিশটি ভাস্কর্য সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। রাজশাহীতে ফেরার পর কুমার ও তাঁর সহকর্মীদেরকে শহরের নেতৃস্থানীয় অধিবাসীরা তাঁদের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এক জনসংবর্ধনা প্রদান করেন। এ সংবর্ধনা সভাতেই ভুবনমোহন মৈত্র ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের স্থানীয় শাখার অবৈতনিক সম্পাদক শশধর রায় সংগৃহীত সামগ্রীগুলি রাজশাহীতেই সংরক্ষণ করার জন্য কুমারের প্রতি অনুরোধ জানান। কুমার এর প্রয়োজন উপলব্ধি করে রাজশাহীতে একটি প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেন। এভাবেই বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীকালে উদ্যোক্তারা বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। ১৯১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সোসাইটির উদ্বোধন করা হয়। কুমার চলতি ব্যয় নির্বাহ ও পুরাকীর্তি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় বাবদ মাসিক ২০০ টাকা হারে অনুদান প্রদানের অঙ্গীকার করেন। ১৯১০ সালে কলকাতাস্থ ভারতীয় জাদুঘর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে সংগৃহীত সকল নিদর্শন চেয়ে পাঠালে এর অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন হয়। অবশ্য রাজশাহী বিভাগের তৎকালীন কমিশনার এফ.জে মোনাহানের সহানুভূতিশীল মনোভাবের সুবাদে এ পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়। বাংলার গভর্নর লর্ড কারমাইকেল ১৯১২ সালে রাজশাহীতে এসে সোসাইটির সংগৃহীত নিদর্শনগুলি দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হন। এর কিছুদিন পর বঙ্গীয় সরকার ১৯১৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ১১নং সার্কুলারের মাধ্যমে প্রাচীন ভাস্কর্য ও অন্যান্য প্রত্ননিদর্শনাবলি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের প্রশ্নে স্থানীয় জাদুঘরগুলির পরিচালকদের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। কুমার পূর্বের মতোই অনুসন্ধানমূলক প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযানের ব্যয় বহন করতে থাকেন। ১৯১০ সালের ডিসেম্বর, ১৯১১ সালের এপ্রিল ও ১৯১২ সালের অক্টোবর মাসে এবং পরবর্তী বছরগুলিতে বিভিন্ন সময়ে প্রত্নতাত্বিক অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ১৯১৪ সালে সমিতি হিসেবে নিবন্ধিত এ সোসাইটি বাংলার প্রাচীন স্থানগুলিতে অনুসন্ধান, বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস সম্পর্কে গবেষণা, প্রত্ন - নিদর্শনাবলি ও প্রাচীন পান্ডুলিপি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন গবেষণাকর্ম ও বিরল পান্ডুলিপি প্রকাশনার কাজ হাতে নেয়। সোসাইটির জাদুঘর ও গ্রন্থাগারের জন্য কুমার নিজ ব্যয়ে একটি ভবন নির্মাণ করেন এবং ভবনে প্রয়োজনীয় আসবাবেরও ব্যবস্থা করেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা দিঘাপতিয়ার রাজা প্রমদনাথ রায় ভবন নির্মাণের জন্য জমি দান করেন। লর্ড কারমাইকেল ১৯১৬ সালের ১৩ নভেম্বর এ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯১৯ সালের ২৭ নভেম্বর একটি অছিনামা সম্পাদিত হয় এবং ঐ একই দিন বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড রোনাল্ডসে জনসাধারণের জন্য এ জাদুঘর উন্মুক্ত করেন। ভাস্কর্য, শিলালিপি, পান্ডুলিপি, মুদ্রা ও অন্যান্য প্রত্নতাত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন সামগ্রী সংগ্রহের জন্য কুমার ও তাঁর সহযোগীরা বেশ কয়েকটি অনুসন্ধানমূলক সফরের আয়োজন করেন। সফরগুলি রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, ঢাকা, মালদহ, ২৪ পরগনা ইত্যাদি জেলার প্রত্নস্থলগুলিতে পরিচালিত হয়। এ সফরগুলি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয় এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রত্ননিদর্শন আবিষ্কৃত, শনাক্তীকৃত ও সংগৃহীত হয়। এসব অনুসন্ধানের সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে সোসাইটি বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানে খননকার্য পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজশাহী জেলার দেওপাড়ার পদ্যুম্নেশ্বর পুষ্করিণী খনন করে এর তলদেশ থেকে ৬৪টি ভাস্কর্য ও পোড়ামাটির তিনটি ‘মনসা - ঘট’ উদ্ধার করা হয়। ১৯১১ সালে সোসাইটির কয়েকজন সদস্য পশ্চিম দিনাজপুরের বালুরঘাট থেকে ৫ মাইল দূরে কাশীপুরে এক সুউচ্চ স্তূপের সন্ধান পান। তাঁরা এ স্তূপ খনন করে ইটের প্রাচীর, স্তূপাভিমুখী ইটের রাস্তা ও কয়েকটি ভাস্কর্য আবিষ্কার করেন। এ ভাবেই সোসাইটির সদস্যরা ১৯১৬ সালের নভেমতরে মাহীসন্তোষে এবং রাজশাহী জেলার কুমারপুরে খননকার্যের মাধ্যমে প্রচুর প্রত্ননিদর্শন সংগ্রহ করেন। ১৯২৩ সালে সোসাইটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর সহযোগিতায় ও অধ্যাপক ডি.আর ভান্ডারকরের নির্দেশনায় পাহাড়পুরে খননকার্য শুরু করে। কুমার এ প্রকল্পে পাঁচ বছরের জন্য বার্ষিক ২০০০ টাকা হারে অনুদান প্রদানের অঙ্গীকার করলেও প্রথম পর্যায়ের শেষেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ প্রকল্প পরিত্যাগ করে। পরে এ খননকার্য চলতে থাকে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে। বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের কিউরেটর এ কাজে সক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। কুমার এ কাজে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে ১৯২৫ - ২৬, ১৯৩০ - ৩১ ও ১৯৩৪ - ৩৫ সালে তিনটি পর্যায়ে প্রতি বছর ২০০০ টাকা করে অনুদান প্রদান করেন। পাহাড়পুরে উৎখননের ফলে প্রাপ্ত প্রত্ননিদর্শনের মধ্যে বরেন্দ্র জাদুঘর তার প্রাপ্য অংশ হিসেবে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া এর কাছ থেকে ২৬৫টি নিদর্শন লাভ করে। ১৯৩৭ সালের ৬ নভেম্বর সরকারি বিজ্ঞপ্তি বলে বরেন্দ্র জাদুঘর একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হলে বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি সরকারি নির্দেশ মোতাবেক গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট জাদুঘর ভবনের দায়িত্ব হস্তান্তর করে। একই সাথে সোসাইটির সংগৃহীত সকল প্রত্ননিদর্শন, পান্ডুলিপি, মুদ্রিত পুস্তক ও আসবাবও কমিটিকে বুঝিয়ে দেয়। সোসাইটির পরিচালক অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়র সুযোগ্য নির্দেশনায় এখানে পরিচালিত গবেষণা - কর্মের বিষয় কলকাতা ও অন্যান্য স্থান থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়াও সোসাইটি ১২টি বার্ষিক প্রতিবেদন ও ৩১টি প্রবন্ধ সম্বলিত ৯টি মনোগ্রাফ, শিলালিপিভিত্তিক দুটি প্রকাশনা (জাতিতত্ত্ব সংক্রান্ত একটি, রাজবংশীয় ইতিহাসের উপর একটি), জাদুঘরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ক্যাটালগ, সংগৃহীত শিলালিপির তালিকা এবং কয়েকটি সংস্কৃত পান্ডুলিপির সম্পাদিত সংস্করণ প্রকাশ করেছে। জাদুঘরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সোসাইটি টিকে থাকতে পারে নি। ১৯৩০ সালে অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, এস.সি চক্রবর্তী ও ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে কুমারের মৃত্যুর কারণে এবং আর.জি বসাক, ইউ.এন ঘোষাল, আর.পি চন্দ, এন.জি মজুমদার প্রমুখের দেশত্যাগের ফলে সোসাইটি তার পৃষ্ঠপোষক ও কর্মীদের হারায়। ১৯৪৭ সালের আগস্টে দেশ বিভাগের পরবর্তী ১৮ বছর ছিল সোসাইটির জন্য প্রকৃতই ক্ষীণ তৎপরতার কাল। অবশেষে ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি বিলুপ্ত হয়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও জ্ঞানচর্চার বিকাশে সোসাইটির প্রচেষ্টা ও গৌরবের স্মারক হিসেবে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর আজও টিকে আছে। [সাইফুদ্দীন চৌধুরী]
“A Brief History of Seven Killings” বইটির লেখক কে?
Correct Answer:
ক: মারলন জেমস
Have you ever .... to London?
Correct Answer:
A: been
Which English poet is known as the poet of nature?
Correct Answer:
A: William Wordsworth
বাংলাদেশ কোন পণ্য রপ্তানি থেকে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে?
Correct Answer:
খ: তৈরি পোশাক
Which of the following is a strong verb?
Correct Answer:
A: Run
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র -
Correct Answer:
ঘ: ভূমি × উচ্চতা
He works by "fits and starts" in the office. Here the words quoted means -
Correct Answer:
C: Irregularly
I need ——— milk.
Correct Answer:
C: a little
Explanation:
I need ——— milk. Correct Answer a little Handy অর্থ সুবিধাজনক; দরকারি। Very easy to carry অর্থ সহজে বহন করা যায়।
কৃষক প্রজা পার্টি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
ক: ১৯৩৬ সাল
Explanation:
কৃষক প্রজা পার্টি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৩৬ সাল কৃষক প্রজা পার্টি আর্থ - সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত এ রাজনৈতিক দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল। ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কৃষক প্রজা পার্টি ছিল নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির ফসল। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় মুসলমান গণ্যমান্য ব্যক্তিদের রাজনৈতিক দলসমূহ ও সমিতিগুলির দ্রুত ভাঙ্গাগড়া চলতে থাকে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মুসলমান নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি (All Bengal Tenants Association) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে। স্যার আব্দুর রহিম এ সমিতির সভাপতি এবং আরও পাঁচজন সহ - সভাপতি ছিলেন। এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ পাঁচজনের মধ্যে প্রথম সহ - সভাপতি। ১৯৩০ দশকের মন্দার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গের প্রায় সকল জেলায় প্রজা সমিতি গঠিত হয়। ফজলুল হক প্রজা রাজনীতির মধ্যে উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখতে পান এবং পূর্ব বাংলার অংশকে সঙ্গে করে তিনি নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি থেকে বেরিয়ে এসে কৃষক প্রজা পার্টি (কে.পি.পি) নামে একটি নিয়মিত রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এ পদক্ষেপের পূর্বে সমিতির সভাপতির পদ পূরণ নিয়ে একটি বিবাদের সূত্রপাত হয়। ১৯৩৪ সালে ভারতের আইন সভার সভাপতি নির্বাচিত হলে স্যার আব্দুর রহিম নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। সমিতির সদস্যরা পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম বাংলা - এ বৃহূৎ আঞ্চলিক ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। পূর্ব বাংলার পক্ষ থেকে এ.কে ফজলুল হক সভাপতির পদের প্রত্যাশী ছিলেন, অন্যদিকে পশ্চিম বাংলা দলের পক্ষ থেকে খান বাহাদুর এ. মমিন এ পদের জন্য খুবই আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ পরিস্থিতিতে বিতর্ক মীমাংসার জন্য উভয় দল বিদায়ী সভাপতির মধ্যস্থতা মেনে নিতে সম্মত হয়। তিনি খান বাহাদুরের প্রতি সমর্থন দেন। এ প্রেক্ষাপটে এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলায় তার সমর্থকদের নিয়ে প্রজা সমিতি ত্যাগ করলেন এবং ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত করেন। গ্রামীণ সমাজের নেতা হিসেবে ফজলুল হক আসন্ন নির্বাচনে জনগণের মন জয় করার জন্য একটি কৃষি - ভিত্তিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভালভাবে ওয়াকিবহাল ছিলেন। কে.পি.পি কর্মসূচিতে কৃষককে জমির একচ্ছত্র মালিকানা দিয়ে জমিদারি প্রথা বিলোপ, খাজনার হার হ্রাস, কৃষক সম্প্রদায়ের ঋণ মওকুফের মাধ্যমে মহাজন শ্রেণির শৃঙ্খল থেকে তাদের মুক্তিদান, কৃষকের মাঝে সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ, দেশব্যাপী খাল খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সৃষ্টি, সর্বগ্রাসী কচুরীপানা পরিষ্কার করে নৌচলাচল সচল করা, বিনাবেতনে প্রাথমিক শিক্ষা চালু ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কৃষককুলের কাছে ফজলুল হকের বক্তৃতা ছিল তার কর্মসূচির মতই আকর্ষণীয়। ফজলুল হকের আবেদন ছিল অসম্প্রদায়িক এবং সে কারণে তিনি নিম্নবর্ণের হিন্দু কৃষক সমাজের কাছেও শ্রদ্ধাভাজন হয়ে ওঠেন। কে.পি.পি নির্বাচনী ইশতাহার শেষ পর্যন্ত সকলের জন্য ‘ডাল ভাত’ এ একটি শ্লোগানে পরিণত হয়। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কে.পি.পি - র প্রধান দু প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ। কৃষক ভোটাররা হকের প্রতি বিশাল সমর্থন জানায়। যদিও তার দল মাত্র এক বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু নির্বাচনে প্রাপ্ত আসন হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কেপিপি তৃতীয় স্থান দখল করে। কংগ্রেস পায় ৫২টি আসন, মুসলিম লীগ ৩৯টি, কে.পি.পি ৩৬টি এবং অন্যান্য খন্ডিত দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২৫০ আসনের বাকিগুলি দখল করে। কে.পি.পি - র টিকেটে নির্বাচিত ৩৬ আসনের ৩৩টি আসে পূর্ব বঙ্গ থেকে। এর ফলে কে.পি.পি পূর্ব বঙ্গের একটি দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, অভাবনীয় নির্বাচনী বিজয়ের পর পরই কে.পি.পির পতন শুরু হয়। কে.পি.পি নেতা এ.কে ফজলুল হক মুসলিম লীগ ও আরও কয়েকটি ক্ষুদ্র দল ও স্বতন্ত্র সদস্যের সমর্থনে ও অংশগ্রহণে একটি কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠন করেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ফজলুল হককে দলকে সংহত করার পরিবর্তে ক্ষমতার রাজনীতিতে বেশি মনোযোগী হতে দেখা যায়। তার মন্ত্রিসভার ১১ জনের মধ্যে মাত্র ২ জন ছিলেন কে.পি.পি এবং বাকিরা মুসলিম লীগ ও সংখ্যালঘু দলগুলি থেকে। দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে অসন্তষ্ট কে.পি.পি নেতৃবৃন্দ সংসদে আলাদা দল হিসেবে আসন গ্রহণ করেন। বিদ্রোহী গ্রুপটি ১৯৩৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রংপুরের গাইবান্ধায় দলের সাধারণ সভা ডাকেন এবং হক ও তার অনুসারীদের দল থেকে বহিষ্কার করেন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে হকও বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করেন। কংগ্রেসের প্রচন্ড বিরোধিতার মুখে ক্ষমতা ধরে রাখতে, ১৯৩৭ সালের ১৫ অক্টোবর লক্ষ্ণৌ অধিবেশনে ফজলুল হক মুসলিম লীগে যোগদান করেন। লীগের চাপে হকের মন্ত্রিসভার কে.পি.পি সদস্য নওশের আলীকে ১৯৩৮ সালের ২২ জুন পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এদিকে মন্ত্রিসভায় হক কে.পি.পি - র একমাত্র সদস্য থাকেন। নভেম্বর ১৯৩৭ সাল থেকে মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দ তৃণমূল পর্যায় থেকে দলকে সংগঠিত শুরু করেন। মুসলিম লীগের দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে কে.পি.পি সংকুচিত হতে থাকে। লীগের উত্থান এতটাই দ্রুত ও সাবলিল ছিল যে, ১৯৪৩ সালে যখন হক মন্ত্রিসভার পতন হয়, তখন বাস্তবে কে.পি.পি অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। এ ক্ষয়িষ্ণু দল অবশ্য ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং মাত্র ৪টি আসন লাভ করে। অন্যদিকে ১৯৩৭ সালে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুসলিম লীগ ১১৪টি আসন পায়। দেশ বিভাগের পর এ.কে. ফজলুল হক ঢাকায় চলে আসেন এবং কৃষক - শ্রমিক পার্টি নামে তার দলকে নতুন নামে পুনরজ্জীবিত করেন। ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত এ দল কোন মতে অস্ত্বিত্ব রক্ষা করে। [সিরাজুল ইসলাম]
Justice delayed is justice denied' was stated by-
Correct Answer:
C: Gladstone
Explanation:
Justice delayed is justice denied' was stated by- Correct Answer Gladstone According to Respectfully Quoted: A Dictionary of Quotations, it is attributable to William Ewart Gladstone, but such attribution was not verifiable. Alternatively, it may be attributed to William Penn in the form "to delay Justice is Injustice".
ঐতিহাসিক 'ছয় দফায়' কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
Correct Answer:
ঘ: বিচার ব্যবস্থা
বাংলাদেশ এলডিসি (LDC) থেকে বের হবে কত সালে?
Correct Answer:
ঘ: 2026
ঢাকা সেনানিবাসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার স্মৃতি বিজড়িত জাদুঘর কোনটি?
Correct Answer:
খ: ঢাকা সেনানিবাস জাদুঘর
Explanation:
ঢাকা সেনানিবাসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার স্মৃতি বিজড়িত জাদুঘর কোনটি? সঠিক উত্তর ঢাকা সেনানিবাস জাদুঘর ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য' নামের মামলার বিচার কাজের জন্য গঠিত হয়। একটি ট্রাইব্যুনাল। শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে ২৭ জন সামরিক ও ৮ জন বেসামরিক নাগরিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার বিচারকাজ হয় ঢাকা সেনানিবাস এর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে। উল্লেখ্য, বিজয় কেতন জাদুঘর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত যা মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরত্বসূচক খেতাব প্রাপ্তদের স্মরণে নির্মিত। ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মৃতি জাদুঘর রয়েছে।
১৯৬৯ সালের কোন তারিখের জনসভায় জাতির পিতা বঙ্গবধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবদ্ধু' উপাধি দেওয়া হয়?
Correct Answer:
গ: ২৩ ফেব্রুয়ারি
The World Wide Web (WWW) was invented by:
Correct Answer:
A: Tim Berners Lee
Explanation:
The World Wide Web (WWW) was invented by: Correct Answer Tim Berners Lee সুইজারল্যান্ডের CERN এর বিজ্ঞানীগণ তাদের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা কর্মের বিস্তারিত বিবরণ, গ্রাফিক্স এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক তথ্যটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সহজে পাওয়ার লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে একটি বিশেষ তথ্য আহরণ এবং সেবা প্রদান ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেন। তাদের উদ্ভাবিত এ ব্যবস্থায় পরবর্তীতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে world - wide - web নামে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। একে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীগণ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে যে তথ্য ভান্ডার রয়েছে তার যেকোনটিতে পৌঁছে যেতে পারেন। সাধারণ টেক্সট গ্রাফিক্স অডিও বা ভিডিও যেভাবেই এর তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকুক না কেন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীগণ নিজেদের কম্পিউটারের পর্দায় তা অরিজিনাল অবস্থায় দেখতে পান। একে ইন্টারনেটের মাল্টিমিডিয়া ও বলা হয়। টিম বার্নাস লি কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: মোড়ক
Explanation:
বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর মোড়ক বাংলা কৃৎ - প্রত্যয় 'অক - প্রত্যয়' যোগে গঠিত শব্দ √মুড় + অক = মোড়ক; √ঝল্ + অক = ঝলক। উল্লেখ্য, 'চামার' হলো তদ্ভব শব্দ; 'ধারালো' হলো বিশেষণ পদ; আর 'পোস্টার' হলো তদ্ভব পদ।
চাচা-কাহিনী'র লেখক-
Correct Answer:
ঘ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
চাচা-কাহিনী'র লেখক- সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী সরস, মার্জিত , বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্য ধারার প্রবর্তক সৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ রসিকতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। 'চাচা কাহিনী' (১৯৫৯) তার বিখ্যাত গ্রন্থ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ কমান্ড গঠিত হয় কোন সেক্টর নিয়ে?
Correct Answer:
ক: ১০ নং সেক্টর
“আনারস" শব্দটি কোন ভাষা হতে এসেছে?
Correct Answer:
ক: পর্তুগিজ
Explanation:
“আনারস" শব্দটি কোন ভাষা হতে এসেছে? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ র্তুগিজ শব্দ: বারান্দা, পরাত( বড়ো থালাবিশেষ), আয়া, আচার, পাচার, পেয়ারা, যীশু, ক্রুশ, গরাদ, জানলা, নোনা, বালতি, পেঁপে, পাউরুটি, সাবান, তোয়ালে, গামলা, বালতি , বোতাম, বিন্তি/বিন্তী(এক প্রকার তাস খেলা), মিস্ত্রী, নিলাম, ফিতা, কাবাব, কামিজ, সেমিজ, কপি, মার্কা, আলপিন, আলকাতরা, ইস্পাত, এনতার(অজস্র, প্রচুর, দেদার), কামরা, কেদারা, কেরানি, তামাক, নীলাম, পারদ, পাউরুটি, পাদ্রি/পাদ্রী, পিস্তল, ফিতা, বোমা, সাগু, গুদাম, আলমারি, আতা, আনারস , পিপে/পিপা(তরল পদার্থ রাখার জন্য ঢাকের আকৃতিবিশিষ্ট কাঠের তৈরি বড়ো পাত্রবিশেষ), বেহালা, পেরেক, চাবি ইত্যাদি।