Upazila Postmaster of Postal Directorate MCQs
Showing 50 questions (Total: 80)
ব্লটুথ (Bluetooth) কার নামানুসারে নামকরন করা হয়?
Correct Answer:
ক: ডেকমার্কের রাজা
Explanation:
ব্লটুথ (Bluetooth) কার নামানুসারে নামকরন করা হয়? সঠিক উত্তর ডেকমার্কের রাজা Bluetooth) ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল। এটি ১ - ১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ - এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ - এ কাজ করে। ৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth - এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। ব্লুটুথ ১.০ - এর তথ্য আদান - প্রদান - এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ১ মেগাবিট। বর্তমানে ব্লুটুথ ৫.০ - এর সর্বোচ্চ গতি হল সেকেন্ডে ২ মেগাবাইট। এটা পারসোনাল এরিয়া নেটও্যার্কের উদাহরণ। Bluetooth IEEE Standard: IEEE 802.15
নেটওয়ার্ক কারডের ইউনিক ক্রমিক নম্বরকে কী বলে?
Correct Answer:
খ: ম্যাক এড্রেস
Explanation:
নেটওয়ার্ক কারডের ইউনিক ক্রমিক নম্বরকে কী বলে? সঠিক উত্তর ম্যাক এড্রেস প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে uniquely identify এর জন্য একটি unique address থাকে, যাকে বলা হয় ম্যাক(MAC) address বা physical address. এটি কম্পিউটারের Network card এ লিপিবদ্ধ থাকে।
কম্পিউটারে GUI শব্দটির পুর্নরুপ কী?
Correct Answer:
গ: Graphical User Interface
Explanation:
কম্পিউটারে GUI শব্দটির পুর্নরুপ কী? সঠিক উত্তর Graphical User Interface GUI = Graphical User Interface A GUI (graphical user interface) is a system of interactive visual components for computer software. A GUI displays objects that convey information, and represent actions that can be taken by the user. The objects change color, size, or visibility when the user interacts with them.
মেমরি ও ALU- এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে-
Correct Answer:
গ: কন্ট্রোল ইউনিট
Explanation:
মেমরি ও ALU- এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে- সঠিক উত্তর কন্ট্রোল ইউনিট ALU এর পূর্ণরুপ Arithmetic Logical Unit. যা ডাটার উপর যাবতীয় কাজ করে এবং যুক্তিগত কাজ ও সম্পন্ন করে থাকে। কাজ শেষে ফলাফল মেমরিতে জমা হয়। মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে এবং মেমরিতে ইনপুট গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ শেষে তথ্য আউটপুট এর মাধ্যমে বের করে দেওয়ার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে Control Unit।
OMR- এর পূর্নরুপ কোনটি?
Correct Answer:
গ: Optical Mark Reader
Explanation:
OMR- এর পূর্নরুপ কোনটি? সঠিক উত্তর Optical Mark Reader OMR এর পুর্ণরুপ Optical Mark Reader. OMR একটি ইনপুট ডিভাইস। কম্পিউটারে ডাটা প্রবেশের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। নির্দিষ্ট পজিশনে পেন্সিল বা কলমের দাগ চিহ্নিত করতে এটি সাহায্য করে। OMR প্রযুক্তির কিছু সুবিধা হচ্ছে এটি অনেক দ্রুত এবং নির্ভুল তথ্য দেয় আর একসাথে অনেক কাগজ পরীক্ষা করা যায়। সাথে এটি একটি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিও বটে।
বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগের জন্য যে জ্যামিতিক সন্নিবেশ করা হয় তাকে বলে-
Correct Answer:
ঘ: টপোলজি
Explanation:
বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগের জন্য যে জ্যামিতিক সন্নিবেশ করা হয় তাকে বলে- সঠিক উত্তর টপোলজি নেটওয়ার্ক টপোলজি (ইংরেজি: Network Topology) হলো এটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস বা কম্পোনেন্ট। যেমন - ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে বলা হয় টপোলজি। নেটওয়ার্ক টপোলজি মূলত নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল লেআউট (Layout) বর্ণনা করে থাকে। বিভিন্ন প্রকার টপোলজিঃ ১) বাস টপোলজি ২) রিং টপোলজি ৩) স্টার টপোলজি ৪) মেষ টপোলজি ৫) ট্রি টপোলজি ৬) হাইব্রিড টপোলজি।।
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে তাকে বলে-
Correct Answer:
ক: স্টার্ট আপ ডিস্ক
Explanation:
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে তাকে বলে- সঠিক উত্তর স্টার্ট আপ ডিস্ক কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে তাকে স্টার্ট আপ ডিস্ক বলে । সিস্টেম সফটওয়্যার একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটার নকশা করা হয়েছে, কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার কে পরিচালনা করার জন্য এবং এপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোকে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ প্রদানের জন্য। সাধারন সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রকারগুলো হল: কম্পিউটারের বাইওস (BIOS) এবং ডিভাইস ফার্মওয়্যার ( firmware) যেটা হার্ডওয়্যার (আগে থেকে অর্ন্তভুক্ত বা পরে লাগানো) পরিচালনার এবং নিয়ন্ত্রনের সাধারণ কাজ করে থাকে।অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটারের সকল অংশকে একত্রে কাজ করায়। যেমন ডেটা আদান প্রদান, আউটপুট তৈরী এবং প্রদর্শন। এটা উচ্চ - স্তরের সিস্টেম সফটওয়্যার চালানোর এবং এপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর একটি প্লাটফর্ম ও বটে।ইউটিলিটি সফটওয়্যার এটা কোন কিছু বিশ্লেষণ, বাছাই বা পছন্দ নির্ধারণ, তরান্বিতকরণ এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা দেয়।কিছু কিছু প্রকাশনায়, সিস্টেম সফটওয়্যারের ব্যাখ্যায় সফটওয়্যার উন্নয়নের টুলস যেমন কম্পাইলার, লিঙ্কার অথবা ডিভাগার ইত্যাদিকেও এর আওতায় ফেলা হয়েছে। সিস্টেম সফটওয়্যারের বিপরীতে, এপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলতে বুঝায় যে সফটওয়্যার দ্বারা ব্যবহারকারী লেখা লিখতে পারে, গেমস খেলতে পারে, গান শুনতে পারে অথবা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে।
RAM - কোথায় লাগানো থাকে
Correct Answer:
গ: মাদার বোর্ডে
Explanation:
RAM - কোথায় লাগানো থাকে সঠিক উত্তর মাদার বোর্ডে RAM = Random Access Memory RAM ভোলাটাইল মেমোরি। RAM মাদারবোর্ডে থাকে।
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
Correct Answer:
খ: মজিলা
Explanation:
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়? সঠিক উত্তর মজিলা কিছু পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম - - - - Android, IOS, Linux, MAC, MS - DOS, Unix, vector Linux, Xenixa, Windows - vista, XP, 7, 8, 10. Mozila একটি Browser. এরকম আরো কয়েকটি ব্রাউজার হচ্ছে - - - Nexus(www এর পরিবর্তিত রুপ), Nescape Navigator(1994), Internet Explorer (1995), Safari (2003) Google chrome, মজিলা হচ্ছে ব্রাউজার
নিচের কোন প্রটোকল ব্যবহার করে ইমেইল ক্লায়েন্টরা কারো কম্পিউটারে ই-মেইল ডাউনলোড করে ?
Correct Answer:
গ: POP
Explanation:
নিচের কোন প্রটোকল ব্যবহার করে ইমেইল ক্লায়েন্টরা কারো কম্পিউটারে ই-মেইল ডাউনলোড করে ? সঠিক উত্তর POP পোস্ট অফিস প্রোটোকল ৩ (POP3) এক ধরণের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং এবং ইন্টারনেট স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা হোস্ট মেশিনের অ্যাক্সেসের মাধ্যমে একটি রিমোট মেল সার্ভার থেকে ইমেল উত্তোলন ও পুনরুদ্ধার করে। পিওপি হলো OSI মডেলের একটি Application Layer Protocol.আর ইমেইল পাঠানোর জন্য প্রোটোকল হলো SMTP
কত গিগাবাইটে এক পেটাবাইট
Correct Answer:
ক: ১০০০০০০
Explanation:
কত গিগাবাইটে এক পেটাবাইট সঠিক উত্তর ১০০০০০০ পেটাবাইট হল ডিজিটাল তথ্য স্টোরেজের জন্য একাধিক একক বাইট। এটি স্টোরেজ ডিভাইসসমূহের ধারণক্ষমতার একক। আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে প্রেফিক্স পেটা অর্থ ১০১৫, সুতরাং ১ পেটাবাইট হয় ১০০০ ০০০০ ০০০ ০০০ ০০০ বাইট। পেটাবাইটের এককের প্রতীক হল PB বা PByte। কিন্তু Pb বলতে বুঝায় পেটাবিট। কিলো বাইট = ১০৩ মেগা বাইট = ১০৬ গিগা বাইট = ১০৯ টেরা বাইট = ১০১২ পেটা বাইট = ১০১৫ 1024*1024
নিচের কোনটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যাবহৃত হয়?
Correct Answer:
গ: মডেম
Explanation:
নিচের কোনটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যাবহৃত হয়? সঠিক উত্তর মডেম modem (মডেম) stands for mo = modulator and dem = demodulator. hence it makes analog to digital and digital to analog signals. when you pass a signal then it sends this signal to the BTS(base transceiver station) from MS(mobile station) and does reverse. so it is a input and output device. mouse , keyboard = only for input becasue it sends signal to the computer. plotter is an printing machine thus we can say it an output device. টাচ স্কিনও একটি ইনপুট আউটপুট ডিভাইস।
বাইনারি পদ্দ্বতিতে তথ্য প্রকাশের মৌলিক একক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: বিট
Explanation:
বাইনারি পদ্দ্বতিতে তথ্য প্রকাশের মৌলিক একক কোনটি? সঠিক উত্তর বিট কম্পিউটারে তথ্য প্রকাশের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট। আর বাইনারী পদ্ধতিতে তথ্য প্রকাশের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বাইট। ১ বাইট = ৮ বিট
Office 2007-এর MS- Word ডকুমেন্টের ফাইল এক্সটেনশন কি?
Correct Answer:
গ: .docx
Explanation:
Office 2007-এর MS- Word ডকুমেন্টের ফাইল এক্সটেনশন কি? সঠিক উত্তর .docx কোন ফাইলের নামের পরে (. ডট) চিহ্নের পরের অংশকে এক্সটেনশন বলে । পিডিফ ফাইল এর জন্য এক্সটেনশন হচ্ছে .pdf টেক্সট ফাইলের জন্য এক্সটেনশন হচ্ছে .txt অফিস ২০০৭ এর ওয়ার্ড ফাইলের এক্সটেনশন হচ্ছে .docx এর আগের ভার্সনগুলায় ওয়ার্ড ফাইলের এক্সটেনশন ছিলো .doc
বাংলাদেশের ডাক জাদুঘরটি অবস্থিত-
Correct Answer:
ক: ঢাকায়
Explanation:
বাংলাদেশের ডাক জাদুঘরটি অবস্থিত- সঠিক উত্তর ঢাকায় প্রশ্ন: বাংলাদেশে ডাক জাদুঘর টি অবস্থিত - - - - উত্তর: ঢাকায ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের ডাক জাদুঘরটি ঢাকায় অবস্থিত । 1966 সালের 9 সেপ্টেম্বর দেশের প্রথম প্রশ্ন মিউজিয়াম হিসাবে ঢাকার জিপিওতে চালু হয় এবং পরে তা 1980 সালের 30 জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ পোস্টাল মিউজিয়াম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে । অন্যদিকে, দেশের চারটি জিপিওর মধ্যে অবস্থিত তিনটি চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীতে অবস্থিত । তাছাড়া দেশের একমাত্র পোস্টাল একাডেমী টি রাজশাহীতে অবস্থিত।
নিচের কোন দেশের কোনো লিখিত সংবিধান নেই?
Correct Answer:
ক: ব্রিটেন
Explanation:
নিচের কোন দেশের কোনো লিখিত সংবিধান নেই? সঠিক উত্তর ব্রিটেন গ্রেট ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্যের কোন লিখিত সংবিধান নেই। এদেশে অধিকাংশ আইন প্রথার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। দেশটিকে আধুনিক গনতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। নিউজিল্যান্ড ও স্পেনে লিখিত সংবিধান রয়েছে।
কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
Correct Answer:
খ: ব্রিটেন
Explanation:
কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে? সঠিক উত্তর ব্রিটেন প্রশ্ন : কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে? উত্তর: ব্রিটেন ব্যাখ্যা: 2016 সালের 23 জুন অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক গণভোটের মধ্য দিয়ে EU'এর সাথে বন্ধন ছেরার রায় প্রদান করে যুক্তরাজ্যের জনগণ। এতে 28 জাতির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU') সাথে চার দশকের সম্পর্ক ছিন্ন হয় যুক্তরাজ্যের। লক্ষনীয়, EU' গঠনের পর যুক্তরাজ্যেোই EU' এর প্রথম দেশ , যারা এ জোট ছেড়ে বেরিয়ে যায়।
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য
Correct Answer:
ক: ১৩৬
Explanation:
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য সঠিক উত্তর ১৩৬ বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। ১৯৭২ এবং ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে ব্যর্থ হয়েছিল কারণ চীন পাকিস্তানের পক্ষে ভেটো ব্যবহার করে বাংলাদেশে পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তি রোধ করেছিল। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ অধিবেশনে বাংলা ভাষায় একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালে, বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ - সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল। ১৯৭৬থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের (ইসোসোক) নির্বাচিত সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে। ১৯৭৯ সালে, বাংলাদেশ জাতিসংঘের সুরক্ষা কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়েছিল।
OIC এর প্রথম মহাসচিবের নাম কি?
Correct Answer:
খ: টেংকু আব্দুল রহমান
Explanation:
OIC এর প্রথম মহাসচিবের নাম কি? সঠিক উত্তর টেংকু আব্দুল রহমান টেংকু আবদুল রহমান ওআইসির প্রথম মহাসচিব। তিনি মালয়েশিয়ার প্রথম রাজা ও প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ওআইসির দশম মহাসচিব সৌদি আরবের আইয়াদ বিন মাদানী। ড. মাহাথির মোহাম্মদ আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি।
সার্কের প্রথম।মহাসচিব কে ছিলেন ?
Correct Answer:
ক: আবুল আহসান
Explanation:
সার্কের প্রথম।মহাসচিব কে ছিলেন ? সঠিক উত্তর আবুল আহসান প্রশ্ন: সার্কের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন ? উত্তর: আবুল আহসান ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের আবুল আহসান ছিলেন সার্কের প্রথম মহাসচিব (16জানুয়ারি 1987 - অক্টোবর 1989)। অন্যদিকে, চেনকিয়ার দোর্জি সার্কের অষ্টম মহাসচিব এবং মনমোহন সিং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন । উল্লেখ্য, সার্কের বর্তমান মহাসচিব হলেন পাকিস্তানের আমজাদ হোসেন বি সিয়াল (1 মার্চ 2017 - বর্তমান)।
কোন সংস্থা সুন্দরবনকেকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: ইউনেস্কো
Explanation:
কোন সংস্থা সুন্দরবনকেকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছে? সঠিক উত্তর ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ' ইউনেস্কো ' সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
মহাত্না গান্ধীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে কোন দেশে ?
Correct Answer:
খ: দঃ আফ্রিকা
Explanation:
মহাত্না গান্ধীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে কোন দেশে ? সঠিক উত্তর দঃ আফ্রিকা প্রশ্ন: মহাত্মা গান্ধীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে কোন দেশে? উত্তর :দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাখ্যা: ভারতের জনক ও অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা মহাত্মা গান্ধীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকায়। তার আসল নাম মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক 'মহাত্মা' উপাধি দেওয়ার পর সে মহাত্মা গান্ধী নামে অধিক পরিচিত হয়ে উঠে। উল্লেখ্য তিনি 'দি ক্রনিকেল' নামে দক্ষিণ আফ্রিকার পত্রিকাটি সম্পাদনা করতেন এবং সেইসাথে ঐখানে থাকাকালীন 'ইন্ডিয়ান অপিনিয়ন ' নামে পত্রিকাটির ও সম্পাদক ছিলেন।
বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত.?
Correct Answer:
খ: ৪৮
Explanation:
বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত.? সঠিক উত্তর ৪৮ প্রশ্ন : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত ? উত্তর: 48 ব্যাখ্যা : বাংলাদেশী মুদ্রার রিজার্ভের ভিত্তিতে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান 48 তম । যার পরিমাণ 32, 951 মিলিয়ন মার্কিন ডলার (IME Report - 2016)। লক্ষনীয়, বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণ ছাড়াও বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রায় রিজার্ভ সংরক্ষণ করে । যেমন - মার্কিন ডলার , অস্ট্রেলিয়ান ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার , ইউরো ও পাউন্ড স্টার্লিং । এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাখা হয় মার্কিন ডলারে । তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে করা হয় মার্কিন ডলারের ভিত্তিতে।
গবেষনায় একুশে পদক ২০১৬ কে পেয়েছেন?
Correct Answer:
ঘ: ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
Explanation:
গবেষনায় একুশে পদক ২০১৬ কে পেয়েছেন? সঠিক উত্তর ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রশ্ন : গবেষণায় একুশে পদক 2016 কে পেয়েছেন ? উত্তর: ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ ব্যাখ্যা :সম্প্রতি 'গবেষণায় ' একুশে পদক 2016 দুইজনকে প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে একজন অধ্যাপক ড। . এ বি এম আব্দুল্লাহ এবং অন্যজন মংছেন চীং মংছিন। এতে, উক্ত প্রত্যেকটি পদকের সম্মাননা হিসেবে 18 ক্যারেট মানে 35 গ্রাম স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত একটি পদক, পদক এর একটি রেপ্লিকা , দুই লাখ টাকা ও একটি সম্মাননা পত্র রয়েছে । 2018 সালে 'গবেষণা' একুশে পদক পান ভাষাসৈনিক প্রফেসর জুলেখা হক (মরণোত্তর)।
কোপা আমেরিকা ২০১৬ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?
Correct Answer:
গ: চিলি
Explanation:
কোপা আমেরিকা ২০১৬ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ? সঠিক উত্তর চিলি কোপা আমেরিকার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট ৪৫ তম কোপা আমেরিকা কাপ ২০১৬ এর বিশেষ আয়োজন করে। এতে চিলি চ্যম্পিয়ান এবং আর্জেন্টিনা রানার্স আপ। ২০১৯ সালে ব্রাজিলে ৪৬ তম কোপা আমেরিকা কাপটি অনুষ্ঠিত হবে।
ক্রিকেট খেলার জন্ম কোন দেশে?
Correct Answer:
ক: ইংল্যান্ড
Explanation:
ক্রিকেট খেলার জন্ম কোন দেশে? সঠিক উত্তর ইংল্যান্ড প্রশ্ন: ক্রিকেট খেলার জন্ম হয় কোন দেশে ? উত্তর : ইংল্যান্ডে ব্যাখ্যা : ইংল্যান্ডে ক্রিকেট খেলার জন্ম হয় ত্রয়োদশ শতাব্দীতে । এছাড়াও ইংল্যান্ডে জন্ম বা উৎপত্তি হওয়া আরো কিছু খেলা হলো - টেনিস , বেসবল, টেবিল টেনিস বা পিংপং এবং ওয়াটার পোলো। অন্যদিকে ভারতে উৎপত্তি হওয়া খেলা গুলো হলো - কারাতে, দাবা এবং কাবাডি বা হা - ডু - ডু।
উত্তরা গণভবন অবস্থিত কোন জেলায়
Correct Answer:
ঘ: নাটোরে
Explanation:
উত্তরা গণভবন অবস্থিত কোন জেলায় সঠিক উত্তর নাটোরে প্রশ্ন: উত্তরা গণভবন অবস্থিত কোন জেলায়? উত্তর : নাটোরে ব্যাখ্যা: রাজশাহীর নাটোর জেলায় উত্তরা গণভবন অবস্থিত। যা বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের উত্তরাঞ্চলীয় সদরদপ্তর হিসেবে বিখ্যাত। উল্লেখ্য , ঐতিহাসিক এ ভবনটি সাবেক দিঘাপাতিয়ার রাজপ্রসাদ ছিল। এছাড়া চলনবিল , দেশের সর্ববৃহৎ চিনিকল নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল, উষ্ণতম স্থান লালপুর সহ গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থানগুলো এ জেলায় বিদ্যমান।
কোনটি সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা?
Correct Answer:
ক: মিশরীয়
Explanation:
কোনটি সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা? সঠিক উত্তর মিশরীয় প্রশ্ন: কোনটি সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা? উত্তর :মিশরীয় ব্যাখ্যা: প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে মিশরীয় সভ্যতা হচ্ছে সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা । খ্রিস্টপূর্ব 5000 অব্দে, বিশেষ করে নবোপলীয় যুগে এ সভ্যতা বা মিশরীয় ইতিহাসের সূচনা হয় । যা 2500 বছরের বেশি সময় ধরে স্থায়ী ছিল । বস্তুত, মেসোপটেমীয় সভ্যতা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।
'মেঘনাবধ' গ্রন্থে কোনটির প্রবল প্রকাশ ঘটেছে
Correct Answer:
খ: দেশপ্রেম
Explanation:
'মেঘনাবধ' গ্রন্থে কোনটির প্রবল প্রকাশ ঘটেছে সঠিক উত্তর দেশপ্রেম মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।প্রথম সর্গমেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম ‘অভিষেক’। এই সর্গের সূচনায় কবি বাগ্দেবী সরস্বতী ও দেবী কল্পনার আবাহন করেছেন। লঙ্কার রাজসভায় রাজা রাবণ বসে আছেন। ভগ্নদূত মকরাক্ষ এসে যুদ্ধে রাজপুত্র বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ দিলেন। পুত্রের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে রাবণ শোকে অভিভূত হলেন। মন্ত্রী সারণ তাকে সান্ত্বনা দিলেন। দূতের মুখে পুত্রের বীরত্বের কাহিনী শুনে যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থা দেখতে রাবণ স্বয়ং প্রাসাদশিখরে আরোহণ করলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি নিহত পুত্রের জন্য বিলাপ করতে লাগলেন। সেতুবন্ধনে রামকে সাহায্য করার জন্য সমুদ্রদেবতা বরুণকেও ধিক্কার দিলেন। তারপর ফিরে এসে বসলেন সভায়। রাবণের অন্যতমা পত্নী তথা বীরবাহুর মা চিত্রাঙ্গদা তার একমাত্র আত্মজ পুত্রের মৃত্যুতে আকুল হয়ে রাজসভায় ছুটে এলেন। বিলাপ করতে করতে তিনি সীতাহরণের জন্য রাবণকে ধিক্কার দিলেন। চিত্রাঙ্গদা সভা থেকে প্রস্থান করলে রাবণ স্বয়ং যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। রাক্ষসসেনার পদভরে পৃথিবী টলমল করে উঠল। তা শুনে শঙ্কিত হয়ে বরুণের পত্নী বারুণী যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের জন্য সখী মুরলাকে পাঠালেন লঙ্কার রাজলক্ষ্মীর মন্দিরে। মুরলা রাজলক্ষ্মীর কাছে গিয়ে যুদ্ধের সংবাদ শ্রবণ করলেন এবং এও শুনলেন যে রাবণের অপর পুত্র মহাবীর মেঘনাদ যুদ্ধে না গিয়ে প্রমোদ উদ্যানে বিহার করছেন। মুরলা ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশে মেঘনাদের কাছে গিয়ে যুদ্ধের সংবাদ ও রাবণের রণসজ্জার আয়োজনের কথা জানালেন। দেশের আপদকালের কথা বিস্মৃত হয়ে আমোদপ্রমোদে মেতে থাকার জন্য মেঘনাদ নিজেকে ধিক্কার জানিয়ে তখনই যুদ্ধে যাওয়ার সংকল্প নিলেন। পত্নী প্রমীলা কেঁদে বললেন, “কোথা প্রাণসখে,/ রাখি এ দাসীরে, কহ, চলিলা আপনি?” মেঘনাদ উত্তরে বললেন, “ত্বরায় আমি আসিব ফিরিয়া/ কল্যাণি, সমরে নাশি তোমার কল্যাণে,/ রাঘবে। বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখি।” রাবণের কাছে গিয়ে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন মেঘনাদ। রামের সঙ্গে যুদ্ধে লঙ্কার অনেক পরাক্রমী বীর নিহত হয়েছেন, তাই রাবণ ইষ্টদেবের পূজা ও নিকুম্ভিলা যজ্ঞ সমাপ্ত করে যুদ্ধে যাওয়ার পরামর্শ দিলেন তার প্রিয় পুত্রকে। তারপর গঙ্গাজল দিয়ে শাস্ত্রবিধি অনুসারে সেনাপতিপদে মেঘনাদের অভিষেক করলেন।দ্বিতীয় সর্গদ্বিতীয় সর্গের নাম ‘অস্ত্রলাভ’। লঙ্কার রাজলক্ষ্মী স্বর্গে এসে ইন্দ্রকে মেঘনাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবহিত করলেন। বললেন, “নিকুম্ভিলা যজ্ঞ সাঙ্গ করি, আরম্ভিলে/ যুদ্ধ দম্ভী মেঘনাদ, বিষম সঙ্কটে/ ঠেকিবে বৈদেহীনাথ, কহিনু তোমারে।” এই কথা শুনে ইন্দ্র শচীকে নিয়ে কৈলাসে এলেন। শিব তখন কৈলাসে ছিলেন না, যোগাসন নামে এক শৃঙ্গে ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। তাই ইন্দ্র দুর্গাকেই অনুরোধ করলেন মেঘনাদের বিরুদ্ধে রামকে সাহায্য করার জন্য। এদিকে সখী জয়ার মুখে দুর্গা সংবাদ পেলেন যুদ্ধে বিজয় কামনায় রামচন্দ্রও দুর্গাপূজায় বসেছেন। দুর্গা তখন ইন্দ্র, শচী, কামদেব ও রতিকে নিয়ে যোগাসনে গেলেন। কামদেবের সাহায্যে শিবের ধ্যান ভঙ্গ করে রামের জন্য সাহায্যপ্রার্থনা করলেন। শিব ইন্দ্রকে দেবী মায়ার কাছে যেতে বললেন, “মায়ার প্রসাদে,/ বধিবে লক্ষ্মণ শূর মেঘনাদ শূরে।” মায়া সব শুনে ইন্দ্রকে কিছু মহাস্ত্র দিয়ে বললেন, “ওই সব অস্ত্রবলে নাশিলা তারকে/ ষড়ানন। ওই সব অস্ত্রবলে, বলি,/ মেঘনাদ - মৃত্যু, সত্য কহিনু তোমারে।/ কিন্তু হেন বীর নাহি এ তিন ভুবনে,/ দেব কি দানব, ন্যায়যুদ্ধে যে বধিবে/ রাবণিরে!” দেবী মায়ার অস্ত্র নিয়ে ইন্দ্র স্বর্গে ফিরে এলেন। পরে সহচর চিত্ররথের মারফৎ সেই সব অস্ত্র পাঠালেন রামের কাছে।তৃতীয় সর্গতৃতীয় সর্গের নাম ‘সমাগম’। প্রমোদ উদ্যানে প্রমীলা মেঘনাদের বিলম্ব দেখে শঙ্কিত হলেন। স্বয়ং লঙ্কাপুরীতে গিয়ে পতির সঙ্গে মিলিত হওয়ার বাসনা প্রকাশ করলেন সখীদের কাছে। কিন্তু সেই রাতে রামের অনুচরবৃন্দ লঙ্কাপুরী ঘিরে রেখেছিল। তাদের এড়িয়ে লঙ্কায় প্রবেশ অসম্ভব জেনে প্রমীলা সাজলেন যুদ্ধসাজে। “আমি কি ডরাই, সখি, ভিখারী রাঘবে?/ পশিব লঙ্কায় আজি নিজ ভুজ - বলে;/ দেখিব কেমনে মোরে নিবারে নৃমণি?” তারপর বীরাঙ্গনার বেশে সখীদের নিয়ে চললেন লঙ্কার উদ্দেশ্যে। পশ্চিম দ্বারে তাদের বাধা দিলেন হনুমান। তখন প্রমীলা গর্জন করে বললেন, “অরিন্দম ইন্দ্রজিৎ—প্রমীলা সুন্দরী/ পত্নী তার; বাহু - বলে প্রবেশিবে এবে/ লঙ্কাপুরে, পতিপদ পূজিতে যুবতী!/ কোন্ যোধ সাধ্য, মূঢ়, রোধিতে তাঁহারে?” প্রমীলার পরাক্রমে আশ্চর্যান্বিত হয়ে প্রমীলারই অনুরোধে রামকে ডেকে আনলেন হনুমান। সখী নৃমুণ্ডমালিনীর মাধ্যমে প্রমীলা রামকে জানালেন তার আগমনের উদ্দেশ্যের কথা। রাম বললেন, “অরি মম রক্ষঃ - পতি; তোমরা সকলে/ কুলবালা; কুলবধূ; কোন্ অপরাধে/ বৈরি - ভাব আচরিব তোমাদের সাথে?/ আনন্দে প্রবেশ লঙ্কা নিঃশঙ্ক হৃদয়ে।” রামের আদেশে হনুমান পথ ছেড়ে দিল। কিন্তু বীরাঙ্গনাবেশি প্রমীলাকে দেখে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হতে পারলেন না রাম। বিভীষণ তাকে জানালেন, যে নারী ইন্দ্র - জয়ী মেঘনাদকে নিজ পদতলে রাখার ক্ষমতা ধরে সে সামান্য মেয়ে নয়। কালনেমির কন্যা প্রমীলা মহাশক্তির অংশসম্ভূতা। পতিসম্মিলনের পর তিনি যদি গোপনে রামের শিবির আক্রমণ করেন, তাহলে যুদ্ধে এঁটে ওঠা কঠিন হবে। রাম তখন তার সকল অনুচরদের নিয়ে লঙ্কার প্রধান ফটকগুলি পাহারা দিতে লাগলেন। এদিকে লঙ্কায় প্রবেশ করে পতি মেঘনাদের সঙ্গে সম্মিলিত হলেন প্রমীলা। এই দৃশ্য দেখে কৈলাসে সখী বিজয়া দুর্গাকে জিজ্ঞাসা করলেন, যে প্রমীলা দুর্গার অংশে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই প্রমীলা কাছে থাকলে যুদ্ধে কীভাবে মেঘনাদের পরাজয় সম্ভব হবে? দুর্গা বললেন, যুদ্ধের পূর্বে তিনি প্রমীলার তেজ হরণ করবেন। তখন লক্ষ্মণ সহজেই মেঘনাদকে বধ করতে পারবে।চতুর্থ সর্গচতুর্থ সর্গের নাম ‘অশোকবন’॥চতুর্থ সর্গের শুরুতে মধুসূদন প্রথমেই "বাল্মিকী'কে বন্দনা করেছেন। অতঃপর তিনি শ্রীভর্তৃহরি, ভবভুতি এবং মহাকবি কালিদাসকে স্মরণ করেছেন। অবশেষে কীর্তিবাস তথা কৃত্তিবাসের নাম স্মরণ করে তাঁদের মতো খ্যাত হওয়ার বাসনা প্রকাশ করেছেন। চতুর্থ সর্গে বন্দিনী সীতার সঙ্গে বিভীষণপত্নী সরমার কথোপকথন বর্ণিত হয়েছে। " বৃথা গঞ্জ দশাননে তুমি, বিধুমুখী। - সীতা সরমার উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছেন। মারীচ মায়ামৃগ রূপে সীতাকে প্রলুব্ধ করলে, রামচন্দ্র সীতার মনোবাসনা পূরণ করবার জন্য তাকে ধরতে পিছু ধাওয়া করেন। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হয়ে রামচন্দ্র কঠিন শরে তাকে বিদ্ধ করেন। মরণকালে মারীচ রামের স্বর নকল করে আর্তনাদ করে। তাতেই সীতার অনুরোধ ও গঞ্জনায় লক্ষ্মণ রামের সাহায্যার্থে বনে গমন করলে, সেই অবকাশে জটাজুট যোগীর ছদ্মবেশে রাবণ সীতাকে হরণ করে। সীতা স্বপনে রাবণানুজ কুম্ভকর্ণের মৃত্যু দর্শন করেছিলেন। বিভীষণের স্ত্রী সরমা গন্ধর্বরাজ শৈলুষের কন্যা।পঞ্চম সর্গপঞ্চম সর্গের নাম ‘উদ্যোগ’।ষষ্ঠ সর্গষষ্ঠ সর্গের নাম ‘বধো’। এই পর্বে মেঘনাদকে বধ করা হয়। লক্ষণ রাম - লক্ষণের শিবিরে পৌঁছে বিভীষণকে বলে যে মায়াদেবী তাকে কী বর দিয়েছিল। মায়াদেবী বলেছিল, নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে আচমকা বাঘের মত আক্রমণ করে মেঘনাদকে হত্যা করতে। এবার রামের পরামর্শ চাইলে রাম বলে যে, সর্পবিবরে কী করে প্রাণাধিক লক্ষণকে পাঠাবে। "নাহি কাজ সীতায় উদ্ধারি।" লক্ষণ প্রশ্ন করে, দৈব - বলে যে শক্তিমান সে কেন ভয়ে পিছিয়ে আসবে? বিভীষণও তার সঙ্গে একমত হয়ে বলে, দেবতার আদেশ মানা কর্তব্য। আমিও লক্ষণের সাথে যাব। তখন রাম লক্ষণের মা সুমিত্রার কথা স্মরণ করে, যার অনুরোধ ছিল লক্ষণকে রক্ষা করা। তাই রাম বলে, "নাহি কাজ, মিত্রবর, সীতায় উদ্ধারি।" তখন সহসা স্বরস্বতী আবির্ভূত হয়ে ভবিষ্যত দেখায়। এবং বলে যে, দেববাক্যে তার সন্দেহ থাকা উচিত নয়। এবার রাম রাজি হয়ে লক্ষণকে প্রস্তুত করে এবং বিভীষণকে বলে, আমি ভিখারী রাঘব আমার অমূল্য রত্ন লক্ষণকে আজ তোমার হাতে তুলে দিলাম। আমার জীবন - মরণ সবই তোমার হাতে। এবার লক্ষণ - বিভীষণ যাত্রা করল লঙ্কা অভিমুখে।সপ্তম সর্গসপ্তম সর্গের নাম ‘শক্তিনির্ভেদ’।অষ্টম সর্গঅষ্টম সর্গের নাম ‘প্রেতপুরী’। এখানে আলোচ্য বিষয় হলো তিনটি। যথা, ১ - লক্ষ্মণের শোকে রামের বিলাপ। ২ - কৈলেশের শীব - পারবতীর কথোপকোথন ও মায়াদেবীর প্রতি নির্দেশ। ৩ - রামচন্দ্রের প্রেতপুরী দর্শন।নবম সর্গনবম সর্গের নাম ‘সংস্ক্রিয়া’।রচনাকাল ও প্রকাশেতিহাসমধুসূদন ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে এ কাব্যটি রচনা করেন। কাব্যটি দুটি খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ড (১ - ৫ সর্গ) ১৮৬১ সালের জানুয়ারি মাসে, আর দ্বিতীয় খন্ড (৬ - ৯ সর্গ) ঐ বছরেই রচনা করেন।বিষয়বস্তু ও কাঠামোগ্রিক রীতিতে হিন্দু পূরাণের কাহিনী অবলম্বন করে এই কাব্যটি রচিত। এর মূল উপজীব্য রামায়ণ। মধুসূদনের মেঘনাদ বধ কাব্য সর্বাংশে আর্য রামায়নকে অনুসরণ করে রচনা করেন নি। প্রতিটি চরিত্রের উপর বাল্মীকির থেকে ইংবেঙ্গলের প্রভাব অনেক বেশি৷ ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যের লঙ্কা কাণ্ডের স্থান লঙ্কা দ্বীপের পরিবর্তে হল হিন্দু কলেজ, ভাষাতেও আধুনিকতার প্রচ্ছাপ৷ কবি মিলটন বিরচিত প্যারাডাইয লস্ট - এর রচনারীতির অনুগামীতা এতে পরিস্ফুট। প্রথম সর্গ "অভিষেক" - এ মোট ৭৮৫টি চরণ আছে।ছন্দএটি অমিত্রাক্ষর ছন্দ বা 'ফ্রি ভার্সে' রচিত। অমিত্রাক্ষরে প্রথম রচনা করেন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য(১৮৬০)। এরপর মেঘনাদ বধ কাব্য(১৮৬১) রচনা করেন অমিত্রাক্ষর ছন্দে। নিচের উদ্ধৃতি থেকে এ কাব্যের ছন্দ - প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ অংশটি ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ এবং মেঘনাদ ও বিভীষণ নামে পরিচিত। “ "এতক্ষণে" - - অরিন্দম কহিলা বিষাদে "জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ? - - শূলী - শম্ভূনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী? নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে? কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে, পাঠাইব রামানুজে শমন - ভবনে, লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।" ” সূত্রঃ ইউকিপিডিয়া
'রক্তাক্ত প্রান্তর' এর পটভুমি ছিলো-
Correct Answer:
গ: পানি পথের ৩য় যুদ্ধ
Explanation:
'রক্তাক্ত প্রান্তর' এর পটভুমি ছিলো- সঠিক উত্তর পানি পথের ৩য় যুদ্ধ রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২): পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এর মূল উপজীব্য। এতে তিনি যুদ্ধবিরোধী মনোভাব প্রকাশ করেন। নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
"কি করিতে হইবে বুঝিতে না পারা" এক কথায় হবে-
Correct Answer:
ঘ: কিংকর্তব্যবিমুঢ়
Explanation:
"কি করিতে হইবে বুঝিতে না পারা" এক কথায় হবে- সঠিক উত্তর কিংকর্তব্যবিমুঢ় এক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
Correct Answer:
খ: গীতাঞ্জলি
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন সঠিক উত্তর গীতাঞ্জলি গীতাঞ্জলি হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে মোট ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলি ব্রাহ্ম - ভাবাপন্ন ভক্তিমূলক রচনা। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। ১৯০৮ - ০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এই কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের সং অফারিংস (ইংরেজি: Song Offerings) কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এতে গীতাঞ্জলি ও সমসাময়িক আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের কবিতা রবীন্দ্রনাথ নিজে অনুবাদ করে প্রকাশ করেন। ১৯১৩ সালে ইংরেজি কাব্যগ্রন্থটির জন্য রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।২০১০ সালে গীতাঞ্জলি প্রকাশের শতবর্ষ - পুর্তি উপলক্ষে কলকাতা মেট্রোর নাকতলা স্টেশনটির নামকরণ করা হয় "গীতাঞ্জলি মেট্রো স্টেশন"।রচনা১৯০৮ সালের পূজার ছুটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহে গিয়েছিলেন। ছুটির পর ফিরে শান্তিনিকেতনে একটানা পাঁচ মাস ছিলেন। এই সময় তিনি তার বিখ্যাত শান্তিনিকেতন প্রবন্ধ গ্রন্থটি রচনা করেন। পরের বছর বর্ষা ও শরৎ কালে তিনি কিছুদিন শিলাইদহে গিয়েছিলেন। ফিরে কিছুদিন কলকাতায় জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে কাটান। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের কবিতা ও গানগুলি শিলাইদহ, শান্তিনিকেতন ও কলকাতায় রচিত হয়। জানা যায়, রবীন্দ্রনাথ এই সময় কঠোর নিরামিশাষী ছিলেন। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশ্রম পরিচালনার আদেশগুলি এই সময় তিনি কঠোরভাবে মেনে চলতেন। এমনকি অসুস্থতার সময় ডাক্তার আমিষ খাওয়ার পরামর্শ দিলেও, তিনি তা শোনেননি।গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ রচনার প্রসঙ্গে রবীন্দ্র - গবেষক সুকুমার সেন লিখেছেন:উৎসর্গ' আর 'খেয়া'র সময়ে গান লেখা চলিয়াছিল প্রচুর। ইতিমধ্যে (১৩১৪ সালের মাঝামাঝি) কনিষ্ঠ পুত্রের [শমীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৯৬ - ১৯০৭)] আকস্মিক মৃত্যুতে কবিধর্ম কিছুদিনের মতো যেন বিচলিত হইল। তখন শোকবেদনার উৎসাহ হইল এক অভিনব ভক্তিরসে। তাহার মুখ্য প্রকাশ 'গীতাঞ্জলি'তে (১৩১৭)।রবীন্দ্র - জীবনীকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের মতে:প্রায়শ্চিত্ত' [১৯০৯] নাটক লিখতে লিখতে অনেকগুলি গান লিখলেন [রবীন্দ্রনাথ] - তার কয়েকটির মধ্যে 'গীতাঞ্জলি' পর্বের পদধ্বনি শোনা গেল। জীবন গভীর একটা রসের স্তরে প্রবেশ করছে, গানগুলি তারই আগমনী।ইংরেজি অনুবাদরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই গীতাঞ্জলি - র কবিতা ও গানগুলি ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করার কাজ শুরু করেছিলেন। মূল বাংলা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ৫৩টি গান সং অফারিংস সংকলনে প্রকাশিত হয়। তবে রবীন্দ্রনাথ নিজে সব কটি কবিতা ও গানের অনুবাদ করেননি। কয়েকটি অনুবাদ করেছিলেন ব্রাদার জেমস। ব্রিটিশ কবি ও অনুবাদক জো উইন্টার বাংলাভাষা শিখে মূল বাংলা গীতাঞ্জলি সর্বাংশে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেছেন। নিচে গীতাঞ্জলি কাব্যের ১২৫ সংখ্যক গানটি উদ্ধৃত করা হল: “ আমার এ গান ছেড়েছে তার সকল অলংকার তোমার কাছে রাখেনি আর সাজের অহংকার। অলংকার যে মাঝে প’ড়ে মিলনেতে আড়াল করে, তোমার কথা ঢাকে যে তার মুখর ঝংকার। তোমার কাছে খাটে না মোর কবির গরব করা– মহাকবি, তোমার পায়ে দিতে চাই যে ধরা। জীবন লয়ে যতন করি যদি সরল বাঁশি গড়ি, আপন সুরে দিবে ভরি সকল ছিদ্র তার। ” রবীন্দ্রনাথের করা ইংরেজি অনুবাদে এটি হয়েছে (Gitanjali, verse VII) "My song has put off her adornments. She has no pride of dress and decoration. Ornaments would mar our union; they would come between thee and me; their jingling would drown thy whispers." "My poet's vanity dies in shame before thy sight. O master poet, I have sat down at thy feet. Only let me make my life simple and straight, like a flute of reed for thee to fill with music." গীতাঞ্জলি: সং অফারিংসগীতাঞ্জলি: সং অফারিংস - এর প্রথম ম্যাকমিলান সংস্করণের প্রচ্ছদ, ১৯১৩গীতাঞ্জলি: সং অফারিংস (ইংরেজি: Gitanjali - Song Offerings) ইংরেজি ভাষায় অনূদিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম সংকলনগ্রন্থ। এর কবিতাগুলি পাশ্চাত্যে খুবই সমাদৃত হয়। কিন্তু গ্রন্থদুটির নাম অভিন্ন হলেও ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে বাংলা গীতাঞ্জলি'র একচ্ছত্র আধিপত্য নেই। রবীন্দ্রনাথ বাংলা গীতাঞ্জলি'র ১৫৭টি গান/কবিতা থেকে ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে (Song Offerings) মাত্র ৫৩টি স্থান দিয়েছেন। বাকি ৫০টি বেছে নিয়েছেন গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া, শিশু, কল্পনা, চৈতালি, উৎসর্গ, স্মরণ ও অচলায়তন থেকে। গীতিমাল্য থেকে ১৬টি, নৈবেদ্য থেকে ১৫টি, খেয়া থেকে ১১টি, শিশু থেকে ৩টি, কল্পনা থেকে ১টি, চৈতালি থেকে ১টি, উৎসর্গ থেকে ১টি, স্মরণ থেকে ১টি এবং অচলায়তন থেকে ১টি কবিতা/গান নিয়ে তিনি ইংরেজি গীতাঞ্জলির বিন্যাস করেছেন। অর্থাৎ ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে তিনি মোট ৯টি গ্রন্থের কবিতা বা গানের সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন।অনুবাদের ইতিহাস১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের শুরুর দিকে রবীন্দ্রনাথের জাহাজযোগে লন্ডন যাওয়ার কথা ছিল। যাত্রার পূর্বে তিনি অর্শ রোগের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পদ্মা নদীতে নৌকায় বিশ্রাম নিতে শুরু করেন। এ সময় তিনি তার গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ থেকে সহজ ইংরেজিতে অনুবাদ শুরু করেন। পরবর্তীকালে গীতাঞ্জলি ৫৩টি এবং গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া প্রভৃতি আরো নয়টি কাব্যগন্থ থেকে ৫০টি - সর্বমোট ১০৩টি কবিতার অনুবাদ নিয়ে একটি পাণ্ডুলিপি তৈরি করেন। এই পাণ্ডুলিপি সঙ্গে করে রবীন্দ্রনাথ ২৭ মে ১৯১২ বোম্বাই বন্দর থেকে বিলেত যাত্রা করেন। যাত্রকালে আরো কিছু কবিতা অনুবাদ করে সংযোজন করেন। তিনি লন্ডনে পৌঁছান ১৬ জুন। এ সময় উইলিয়াম রোটেনস্টাইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় এবং পাণ্ডুলিপিটি তাকে দেয়া হয়। তিনি টাইপ করিয়ে পাণ্ডুলিপিটি কবি ইয়েটস সহ আরো কয়েকজন কাব্যবোদ্ধাকে প্রদান করেন। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের শেষের দিকে লন্ডনে ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। সঙ্গ অফরিংস - এর ভূমিকা লিখেছিলেন স্বয়ং কবি ইয়েটস্। এ ভূমিকাটি ছিল একই সঙ্গে আন্তরিক ও যথেষ্ট প্রশস্তিতমূলক।নিজ অনুবাদে রবীন্দ্রনাথ বেশ স্বাধীনতা নিয়েছিলেন। আক্ষরিক তো নয়ই বরং ভাবানুবাদেরও বেশি ; কখনো কবিতাংশ সংক্ষেপিত করা হয়েছে কখনো বা স্রেফ ভাবার্থ করা হয়েছে ; কেবল কবিতার ভাবসম্পদ অক্ষত রাখা হয়েছে। পুস্তকাকারে প্রকাশ কালে কবি ইয়েটস কিছু সম্পাদনার কাজ করেছিলেন। ইংরেজিভাষী সমালোচকরা সানন্দে তার অনুবাদের উৎকর্ষ স্বীকার করেছেন। তবে এ উৎকর্ষর ক্রমাবনতি হয়েছিল বলে মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় ইংরেজ পাঠক ও সমালোচক এবং রবি - জীবনীকার এডওয়ার্ড টম্পসন মন্তব্য করেছেন, "প্রথম দিকের অনুবাদ ছিল নিখুঁত ও মনোরম ; শেষের দিকে অযত্নে ও নৈমিত্তিকভাবে অনুবাদের কাজ সারা হয়েছে"। তবে স্বকৃত অনুবাদ নিয়ে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের মনেই দ্বিধা - দ্বন্দ্ব্ব ছিল। ইয়োরোপে যাওয়ার আগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে শিলাইদহে নীত হন, তখন সময় কাটানোর ছলেই তিনি গীতাঞ্জলি’র অনুবাদে হাত দেন। কিন্তু প্রিয় কবিতাগুলোর অনুবাদ তাঁর কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি, মনে হয়েছিল ‘school - boy exercise'।প্রকাশনা ইতিহাস১৯১২ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনের ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণের মুদ্রণ সংখ্যা ছিল ৭৫০। মূল্য সাড়ে চার শিলিং। এবং আমেরিকায় সোয়া এক ডলার। এতে কবি ইয়েটস - এর ভূমিকা এবং রটেনস্টেইন অঙ্কিত কবির একটি পেন্সিল স্কেচ প্রতিকৃতি সংযোজন করা হয়। পরে ম্যাকমিলান কোম্পানী এই গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ একযোগে লন্ডন ও নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশ করে। মূল্য কমিয়ে রাখা হয় ইংল্যান্ডে সাড়ে চার শিলিং এবং আমেরিকায় সোয়া এক ডলার। উল্লেখ্য যে ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে ম্যাকমিলান কোম্পানী কর্তৃক প্রকাশিত সংস্করণটিকে প্রামাণ্য ধরা হয়। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত দি রেমিনিসেন্স অনুবাদ গ্রন্থটির শেষে প্রদত্ত বিজ্ঞাপন থেকে দেখা যায় যে ততোদিনে "স্যার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর" - এর গীতাঞ্জলি - র সাঁইত্রিশ সহস্রতম মুদ্রণ বাজারে ছাড়া হয়েছে।ইয়েটস - এর ভূমিকাএই সংকলন গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছিলেন ইংরেজ কবি ডব্লু বি ইয়েটস।পাশ্চাত্যে সমালোচনাগীতাঞ্জলি: দ্য সং অফারিংস প্রকাশনার পর লন্ডনের পত্র - পত্রিকায় আলোচনা - সমালোচনা মুদ্রিত হয়। লন্ডনে রথেনস্টাইনের বাসগৃহে কবি ইয়েটস্ যেদিন বন্ধু - বান্ধবকে গীতাঞ্জলি থেকে পাঠ করে শুনিয়েছিলেন সেদিন ঐ আসরে কবি মে সিনক্লেয়ার উপস্থিত ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় অভিভূত হয়ে তিনি নিঃসংকোচে লিখেছিলেন : “রবীন্দ্রনাথের কবিতায় মানুষের সাধারণ আবেগমথিত নিবেদনের মিলন হয়েছে এমন এক সঙ্গীত ও ছন্দে যা সুইনবার্নসুইনবার্নের চেয়েও পরিশীলীত। এমন এক সঙ্গীত ও ছন্দ যা পশ্চিমী শ্রোতার কাছে অচিন্তনীয়, যাতে আছে শেলীর অপার্থিব চেতনা, অদ্ভুত সূক্ষ্মতা ও তীব্রতা.... এবং তা এমন সহজিয়া রীতিতে যাতে এই যাদুকরী - আবেশকেও মনে হয় পৃথিবীর সবচে’ স্বাভাবিক রূপবন্ধ। মিল্টনও না, সে মানুষের হৃদয়ের তুলনায় বড় বেশি জাঁকালো ; ওয়ার্ডসওয়ার্থও নয়, সে বড় সূক্ষ্ম আর অন্তর্লীন .... এমনকি দান্তেও নয় যদিও তিনি বাংলার এই মরমিয়া কবির খুব কাছাকাছি।”দি টাইমস্ - এর সুবিখ্যাত সাহিত্য - সাময়িকী যা টাইমস লিটারেরী সাপ্লিমেন্ট (টিএলএস) নামে খ্যাত তার ৭ নভেম্বর ১৯১২ সংখ্যায় (পৃ. ৪৯২) প্রকাশিত আলোচনাটিই প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থালোচনা। তখনো রবীন্ত্রনাথ নোবেল পুরস্কার লাভ করেনি নি। আলোচনাটির শুরুতে বলা হয়েছে, "যে - কোনো শিল্পের অধোগতির কারণ হলো বিষয় - বস্তুর দীনতা, আর ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার আদি স্তর থেকে সার্বজনীনতার পর্যায়ে উত্তরণের প্রয়োজনীয় মননশক্তি যদি না থাকে তাহলে কবিতা সবসময়ই এই দীনতায় আক্রান্ত হবে। যে - সমাজে ভাববাদিতা বিপুলভাবে বর্তমান, সে - সমাজে প্রাণময় শিল্প হিসেবে বেঁচে থাকতে হ’লে কবিতাকে উৎক্রান্তি সাধন করতেই হবে। তা’ না হ’লে, শিল্পের খাতিরে, কবি - শক্তি পর্যবসিত হবে অচল মননশীলতায়, ব্যর্থ হবে নিছক বিদগ্ধ ব্যতিরেকে অন্য কারো মনে সাড়া জাগাতে। ভাবকে জয় করতে না - পারলে ভাবের কাছে পর্যদুস্ত কাব্য পরিণত হ’বে গদ্যে। অতীতে কবিতা যেমন ঘটনা - আলোড়িত আবেগের বাহন হয়েছে, তেমনি (এখন) কবিতাকে লিখতে হবে কী ক’রে ফুটিয়ে তোলা যায় ভাবোৎসারিত আবেগ ; আর তা’ করতে যেয়ে কবিতাকে সেই কবিতাই থাকতে হ’বে যার রয়েছে প্রৌঢ় সাংগীতিকতা, উপমা - অলংকার আর নিষ্কম্প্র মূল্যবোধ। আর এই সমস্যাতেই এ যুগের কবিতা আক্রান্ত্র, এর অস্তিত্ব বিপন্ন ; এবং অবাক হওয়ার কিছু নেই যে ইয়েটস সাহেব সেই ভারতীয় কবির রচনাকে সানন্দে সম্ভাষণ জানাবেন যিনি অনায়াসে ঐ সমস্যাটির সমাধান করেছেন বলে মনে হয়, যেভাবে হাজার বছর আগে চীনা চিত্রকলা রাহুমুক্ত হয়েছিল।"এথেমিয়াম পত্রিকায় লেখা হয়েছিল, "তাঁর (রবীন্দ্রনাথের) কবিতামালায় এমন এক স্নিগ্ধ প্রশান্তি রয়েছে যার শিক্ষা পশ্চিমের অশান্ত - চিত্ত মানুষের বড় দরকার।"টি. ডব্লু. রলেস্টন ১১০০ শব্দের দীর্ঘ প্রবন্ধে লিখেছিলেন, "জীবনের মৌল বিষয়ের সঙ্গে এই কবিতাগুলি এতো ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট যে এর চেতনা, এবং এমনকি, এর বাকপ্রতিমার একটি বিশ্বজনীন তাৎপর্য রয়েছে।দি নেশান পত্রিকায় লেখা হয়েছিল, "ভুলে যাও ইয়েটস্ - এর তদ্বির, ভুলে যাও যে ‘এটি সাহিত্য - বিশ্বের একটি শীর্ষ - ঘটনা’, এবং (তবু) গীতাঞ্জলি’তে পাবে প্রণয়াকুল হেমন্তের নিখাদ পুষ্পকোরক যাতে রয়েছে (মানুষের) সনাতন বিশ্বাসের ইঙ্গিত।নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে এই গ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। ইংরেজ লেখক এবং রয়্যাল সোসাইটির সদস্য স্টার্জ মুর নোবেল পুরস্কারের জন্য রবীন্দ্রনাথকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এই মনোনয়ন সুইডিশ একাডেমীকে বিস্মিত করেছিল। তবে একাডেমীর সদস্য পার হলস্টর্ম রবীন্দ্রনাথের ব্যাপারে উৎসাহী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফরাসি লেখক এমিল ফগ। তবে আরেকজন একাডেমী সদস্য ভার্নার লন হেইডেনস্টাম রবীন্দ্রনাথের পক্ষে প্রশস্তিপূর্ণ এমন জোরালো ও লিখিত বক্তব্য দেন যাতে সকল সংশয়ের অবসান হয় এবং রবীন্দ্রনাথকে নোবেল পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১০ নভেম্বর বুধবার সাহিত্যে নোবেল ঘোষণা করা হয়। পর দিন খবরটি ইংল্যান্ডের বিভিন্ন পত্র - পত্রিকায় মুদ্রিত হয় ; কিন্তু তা বিলম্বে কলকাতায় পৌঁছে। ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় তারবার্তার মাধ্যমে খবর আসে যে রবীন্দ্রনাথকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। গীতাঞ্জলি (১৯১২) সহ সেই সময় সামান্য যে কিছু রবীন্দ্ররচনার অনুবাদ পাশ্চাত্য পাঠক মহলে পরিচিতি লাভ করেছিল, পুরস্কারের ঘোষণাপত্রে সেসবের ভূয়সী প্রশংসা করে সুইডিশ আকাদেমি।সূত্র উইকিপিডিয়া
অভিধানে কোন শব্দটি আগে আসবে?
Correct Answer:
ঘ: চাঁটি
Explanation:
অভিধানে কোন শব্দটি আগে আসবে? সঠিক উত্তর চাঁটি অভিধানঅভিধান বা শব্দকোষ (ইংরেজি: Dictionary, wordbook, lexicon অথবা vocabulary) এক ধরনের বই, যাতে একটি নির্দিষ্ট ভাষার শব্দসমূহ বর্ণানুক্রমে তালিকাভূক্ত থাকে এবং শব্দসমূহের অর্থ, উচ্চারণ, ব্যূৎপত্তি, ব্যবহার ইত্যাদি বর্ণিত ও ব্যাখ্যায়িত থাকে। অভিধান বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যেমন কোন অভিধানে শব্দের এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ থাকতে পারে, কোন অভিধানে কোন শব্দ কীভাবে ব্যবহার হবে সেটির বর্ণনা থাকতে পারে; জীবনীর অভিধানে বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনীর সঙ্কলন থাকতে পারে, প্রযুক্তি সম্পর্কিত অভিধানে প্রযুক্তির সুনির্দিষ্ট বিভাগ সম্পর্কিত শব্দসমূহের অর্থ ও ব্যাখ্যা থাকে। অনেক সময় অভিধানের ব্যাপ্তি বিস্তৃত হয়ে বিশ্বকোষের কাছাকাছি চলে যেতে পারে। যদিও বিশ্বকোষে ভুক্তিসমূহের বিস্তৃত ব্যাখ্যা থাকে যেখানে অভিধান শব্দসমূহের ভাষাগত দিক সম্পর্কে মনযোগ দিয়ে থাকে।অভিধান এর ইতিহাসসবচেয়ে পুরাতন অভিধান পাওয়া গেছে আকাডিয়ান সাম্রাজ্যের সময়কার দ্বিভাষিক সুমেরীয় - আকাডিয়ান শব্দমালার উপর। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২৩০০ অব্দে রচিত এই অভিধান এবলা (বর্তমান সিরিয়া) এলাকাতে সন্ধান পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে জানা মতে, বিশ্বে প্রথম অভিধান লেখা হয় ল্যাটিন ভাষায় ১২২৫ সালে, যার সংকলন ছিলেন জন গারল্যান্ড। তবে ইংরেজি ভাষায় প্রথম ইংরেজি অভিধান সংকলন করেন রিচার্ড হুলোয়েট; ১৫৫২ সালে। এর শব্দ সংখ্যা ছিল প্রায় ২৬,০০০ এবং এতে প্রথম ইংরেজি শব্দের ইংরেজি অর্থ, পরে তার ল্যাটিন প্রতিশব্দ ছিল। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় অভিধান The Oxford English Dictionary যেটা ২০ খন্ডে প্রকাশিত। বাংলা ভাষায় (বাংলা থেকে বাংলা) প্রথম অভিধান সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ; ১৮১৭ সালে। বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালে অখণ্ড পূর্ণাঙ্গ সংস্করণে 'বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান' নামে অভিধান প্রকাশ করে। খ্রিস্টীয় ২য় শতকের সময়ে ব্যবলীয়ন অভিধান উর্রা = হুবুল্লু সুমেরীয় ভাষার আরেকটি পুরাতন অভিধান।
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
Correct Answer:
ঘ: আমার কথাই প্রমাণিত হলো
Explanation:
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক? সঠিক উত্তর আমার কথাই প্রমাণিত হলো প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ ও বাক্যশুদ্ধি অশুদ্ধ শুদ্ধ প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ ও বাক্যশুদ্ধি ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধ ও ভাতে’, এই কথা কবি বলেছেন। আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ও ভাতে, এই কথা কবি বলেছেন।/আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে, এই কথা কবি বলেছেন। দুধ ও ভাতে> দুধে ও ভাতে অক্লান্তি হীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে। ক্লান্তি হীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে। অক্লান্তি হীনভাবে> ক্লান্তি হীনভাবে অক্ষির জলে বুকে ভেসে গেল চোখের জলে বুক ভেসে গেল। অক্ষির> চোখের অধ্যায়ন ছাত্রদের তপস্যা। অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা। অধ্যায়ন> অধ্যয়নই অনুমতি ছাড়া কারখানায় ঢুকা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া কারখানায় ঢুকা আইনত দণ্ডনীয়/আইনত অপরাধ। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ> আইনত দণ্ডনীয়/আইনত অপরাধ অন্য কোন উপায়ন্তর না দেখে তারা গুলি ছুড়তে লাগল। অন্য কোন উপায় না দেখে তারা গুলি ছুড়তে লাগল। উপায়ন্তর> উপায় অন্যাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার অন্নাভাবে প্রতি ঘরে হাহাকার। অন্যাভাবে> অন্নাভাবে অন্যায়ের প্রতিফল দুর্নিবার্য। অন্যায়ের প্রতিফলন অনিবার্য। প্রতিফল> প্রতিফলন অভাবে চরিত্র নষ্ট। অভাবে স্বভাব নষ্ট। চরিত্র> স্বভাব অরন্য জনপদে একটি চমৎকার পুস্তক। ‘অরণ্য জনপদে’ একটি চমৎকার পুস্তক। অরন্য> অরণ্য অল্পদিনের মধ্যে তিনি আরোগ্য হলেন। অল্পদিনের মধ্যে তিনি আরোগ্য লাভ করলেন। আরোগ্য হলেন> আরোগ্য লাভ করলেন অশ্রুজলে তার কপল ভিজে গেছে। অশ্রুতে তার কপল ভিজে গেছে। অশ্রুজলে> অশ্রুতে আইনানুসারে তিনি একাজ করতে পারেন না। আইনত তিনি একাজ করতে পারেন না। আইনানুসারে> আইনত আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন ভাল নয় আকণ্ঠ ভোজন ভাল নয়। আকণ্ঠ পর্যন্ত> আকণ্ঠ আগুনের দ্বারা নিভে গেছে কতগুলো প্রাণ। আগুনে নিভে গেছে কতগুলো প্রাণ। আগুনের দ্বারা> আগুনে আগে সিংহচিহ্নিত আসনে বসে রাজা দেশ চালাতেন। আগে সিংহাসনে বসে রাজা দেশ চালাতেন। সিংহচিহ্নিত আসনে> সিংহাসনে আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই। বিদ্বান> বিদুষী আজকের সন্ধ্যা বড়ই মনমুগ্ধকর। আজকের সন্ধ্যা বড়ই মনোমুগ্ধকর। মনমুগ্ধকর> মনোমুগ্ধকর আপনার এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনি দিবারাত্রি পরিশ্রম করেছেন। আপনার এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনি দিবারাত্র/দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। দিবারাত্রি> দিবারাত্র/দিনরাত আপনারাই প্রথম তাদেরকে সুস্বাগতম জানালেন। আপনারাই প্রথম তাদের স্বাগত জানালেন। তাদেরকে সুস্বাগতম> তাদের স্বাগত আপনি জনগণের হয়েও তাদের পক্ষে সাক্ষী দেননি। আপনি জনগণের হয়েও তাদের পক্ষে সাক্ষ্য দেননি। সাক্ষী> সাক্ষ্য আপনি তো গরিবদেরকে সাহায্য করেন না। আপনি তো গরিবদের সাহায্য করেন না। /আপনি তো গরিবকে সাহায্য করেন না। গরিবদেরকে> গরিবদের/ গরিবকে আপনি তো ছুরিতে মানুষ মারেন। আপনি তো ছুরি দিয়ে মানুষ মারেন। ছুরিতে> ছুরি দিয়ে আপনি বা হুজুর যদি বলেন, তাহলে (আমি) যাই। আপনি বা হুজুর যদি বলেন, তাহলে (আমি) যাব। যাই> যাব আপনি রবীন্দ্রনাথ পড়ে কী পেলেন? আপনি রবীন্দ্রনাথকে পড়ে কী পেলেন? রবীন্দ্রনাথ> রবীন্দ্রনাথকে আপনি সদাসর্বদা জনগণের মঙ্গল চেয়েছেন। আপনি সর্বদা/সব সময় জনগণের মঙ্গল চেয়েছেন। সদাসর্বদা> সর্বদা/সব সময় আপনি সপরিবার আমন্ত্রিত আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত সপরিবার> সপরিবারে আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্যতা অনুচিৎ। আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত। কার্পণ্যতা অনুচিৎ> কার্পণ্য অনুচিত আবাল্য হতে তিনি কাব্য প্রিয়। বাল্য হতেই তিনি কাব্য প্রিয়। আবাল্য> বাল্য আমরা এমন কিছু মানুষদের চিনি, যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে। আমরা এমন কিছু মানুষকে চিনি যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে। মানুষদের> মানুষকে আমরা বাংলা দেশের সুসন্তান এই কথা যেন কদাপিও না ভুলি আমরা বাংলাদেশের সুসন্তান এই কথা যেন কদাপি না ভুলি। কদাপিও> কদাপি আমাদের প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন নর - নারীর বৈষম্যতা দূর করতে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন নর - নারীর বৈষম্য দূর করতে। বৈষম্যতা> বৈষম্য আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নেই। আমার আর বাঁচার সাধ নেই। বাঁচিবার> বাঁচার আমার এ কাজে মনোযোগীতা নাই আমার এ কাজে মনোযোগ নেই। মনোযোগীতা> মনোযোগ আমি অপমান হয়েছি। আমি অপমানিত হয়েছি। অপমান> অপমানিত আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করে না। করি> করে আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করিয়াছি। আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ দেখিয়াছি (বা প্রত্যক্ষ করিয়াছি)। প্রত্যক্ষ করিয়াছি> দেখিয়াছি/ প্রত্যক্ষ করিয়াছি আমি এই মানুষটিকে চিনি। আমি এই মানুষকে চিনি। /আমি মানুষটিকে চিনি। এই মানুষটিকে> এই মানুষকে/ মানুষটিকে আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত। আমি এখন ভীষণ ব্যস্ত। ব্যাস্ত> ব্যস্ত আমি বড় অপমান হইয়াছি আমি বড় অপমানিত হইয়াছি। অপমান> অপমানিত আমি সন্তোষ্ট হইলাম আমি সন্তুষ্ট হলাম সন্তোষ্ট হইলাম> সন্তুষ্ট হলাম আমি সাক্ষী দিয়েছি। আমি সাক্ষ্য দিয়েছি। সাক্ষী> সাক্ষ্য আমি, সে আর তুমি কাজটি করব। সে, তুমি আর আমি কাজটি করব। আমি, সে আর তুমি> সে, তুমি আর আমি আশাকরি তুমি আরোগ্য হইয়াছ। আশাকরি তুমি আরোগ্য লাভ করিয়াছ । আরোগ্য হইয়াছ> আরোগ্য লাভ করিয়াছ ইতিপূর্বে তার সাথে দেখা হয় নাই। ইতঃপূর্বে তার সঙ্গে দেখা হয় নি। ইতিমধ্যে আপনি বলেছেন, আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ইতোমধ্যে আপনি বলেছেন, আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ইতিমধ্যে> ইতোমধ্যে ইত্যাবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে। ইত্যবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে। ইত্যাবসারে> ইত্যবসারে ইহা একটি কিম্বদন্তী ইহা একটি কিংবদন্তি । কিম্বদন্তী> কিংবদন্তি ইহা প্রমাণ হইয়াছে । ইহা প্রমাণিত হইয়াছে। প্রমাণ> প্রমাণিত ইহার আবশ্যক নাই। ইহার আবশ্যকতা নাই। আবশ্যক> আবশ্যকতা উৎপন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। উৎপন্ন> উৎপাদন উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। উপরোক্ত> উপর্যুক্ত উল্লেখিত বিষয় হলো তিনি এখন সমাজসেবী। উল্লিখিত বিষয় হলো তিনি এখন সমাজসেবী। উল্লেখিত> উল্লিখিত উহার আবশ্যক নাই। ইহার আবশ্যকতা নাই। উহার আবশ্যক> ইহার আবশ্যকতা উহার উদ্ধতপূর্ণ আচারণে ব্যাথিত হইয়াছি। তাহার উদ্ধত (বা ঔদ্ধতপূর্ণ) আচরণে ব্যথিত হইয়াছি। উদ্ধতপূর্ণ> উদ্ধত/ঔদ্ধতপূর্ণ এ কলম দিয়ে কাজ হবে না। এ কলমকে দিয়ে কাজ হবে না। কলম> কলমকে এ কাজটি আমার পক্ষে সম্ভব নহে। এ কাজটি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কাজটি> কাজটি করা এ কাজে তাহার হস্ত পাকা। এ কাজে তার হাত পাকা। তাহার হস্ত> তার হাত এ প্রেক্ষিতে আমরা ঘটনাটি ঘটিয়েছি। এ পরিপ্রেক্ষিতে (প্রেক্ষাপটে) আমরা ঘটনাটি ঘটিয়েছি। এ প্রেক্ষিতে> এ পরিপ্রেক্ষিতে/প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে তাহারা সচেষ্টিত নহে। এ বিষয়ে তাহারা সচেষ্ট নহে। সচেষ্টিত> সচেষ্ট এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হবে না। এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হয় না। হবে না> হয় না এ মহান নারীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এই মহিয়সী নারীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। মহান নারীর > মহিয়সী নারীর এ রূপ জীবন কল্পনা করিতেও আমাদের আতঙ্কিত হয়েছিল। এরূপ জীবন কল্পনা করিতেও আমাদের আতঙ্ক হয়েছিল। আতঙ্কিত> আতঙ্ক এই কলমটিকে দিয়ে ভালো লেখা হয়। কলমটি দিয়ে ভালো লেখা হয়। এই কলমটিকে> কলমটি দিয়ে এই কাজে স্বার্থকতা লাভ করিতে চাইলে আরো মনযোগ করিতে হইবে এই কাজে সার্থকতা লাভ করতে চাইলে আরো মনোযোগ দিতে হবে। স্বার্থকতা> সার্থকতা, মনযোগ> মনোযোগ এক অগ্রহায়ণে শীত যায় না। এক মাঘে শীত যায় না। অগ্রহায়ণে> মাঘে এক সদ্যজাত শিশুর সর্বাংগীন কুশলতা কামনা করে তিনি কাব্যিকতা করেছেন। এক সদ্যোজাত শিশুর সর্বাঙ্গীণ কুশল কামনা করে তিনি কাব্য রচনা করেছেন। সর্বাংগীন কুশলতা> সর্বাঙ্গীণ কুশল, কাব্যিকতা> কাব্য রচনা একসময় আমের কাননে মিটিং বসেছিল। একসময় আম্রকাননে মিটিং বসেছিল। /একসময় আমের বাগানে মিটিং বসেছিল। আমের কাননে> আম্রকাননে/ আমের বাগানে একের লাঠি দশের বোঝা। দশের লাঠি একের বোঝা । একের লাঠি দশের> দশের লাঠি একের এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়। এখানে গরুর খাঁটি দুধ পাওয়া যায়। খাটি গরুর দুধ> গরুর খাঁটি দুধ এটা অপক্ক হাতের লেখা। এটা কাঁচা হাতের লেখা। অপক্ক> কাঁচা এটি অপক্ক হাতের কাজ। এটি অপটু হাতের কাজ। অপক্ক> অপটু এটি একটি মহৎ আবিস্কার। এটি একটি মহৎ আবিষ্কার। আবিস্কার> আবিষ্কার এটি দল কোন্দল। এটি দলীয় কোন্দল। দল কোন্দল> দলীয় কোন্দল এটি সার্বজনীন ব্যাপার। এটি সর্বজনীন ব্যাপার। সার্বজনীন> সর্বজনীন এত বড় মানুষ হয়েও আপনার সৌজন্যতার কমতি নাই। এত বড় মানুষ হয়েও আপনার সৌজন্যের/সুজনতার কমতি নাই। সৌজন্যতার> সৌজন্যের/সুজনতার এমন অষহনীয় ব্যাথা কখনো অনুভব করিনি। এমন অসহ্য ব্যথা কখনো অনুভব করি নি। অষহনীয়> অসহ্য এমন কিছু লোকদের কথা বললেন, যারা রাজাকার। এমন কিছু লোকের কথা বললেন, যারা রাজাকার। লোকদের> লোকের এমন লজ্জাস্কর ব্যাপার যে ঘটবে তাহা কদাপিও চিন্তা করিনি এমন লজ্জাকর ব্যাপার যে ঘটবে তা কখনও চিন্তা করি নি। লজ্জাস্কর> লজ্জাকর, তাহা কদাপিও> তা কখনও এর একটা ব্যাবস্থা কর। এর একটা ব্যবস্থা কর। ব্যাবস্থা> ব্যবস্থা ঐ লোকটি খুব সৎ। লোকটি খুব সৎ। খুব সৎ> সৎ কস্ট অর্থ ক্লেস। কষ্ট অর্থ ক্লেশ। কস্ট> কষ্ট, ক্লেস> ক্লেশ কায়কবাদ মহাশশান লেখেন। কায়কোবাদ ‘মহাশ্মশান’ লেখেন। কায়কবাদ> কায়কোবাদ, মহাশশান> মহাশ্মশান কালীদাস বিখ্যাত কবি । কালিদাস বিখ্যাত কবি। কালীদাস> কালিদাস কিছু কিছু মানুষ আছে যে অন্যের ভালো দেখতে পারে না। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্যের ভালো দেখতে পারে না। যে> যারা কীতির্বাস বাঙলা রামায়ণ রচনা করেছিলেন। কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ রচনা করেছিলেন। কীতির্বাস বাঙলা> কৃত্তিবাস বাংলা কুআকারের মানুষগুলো ভালো স্বভাবেরও হয়। কদাকার মানুষগুলো ভালো স্বভাবেরও হয়। কুআকারের> কদাকার কুপুরুষের মত কথা বল কেন? কাপুরুষের মতো কথা বল কেন? কুপুরুষের> কাপুরুষের ক্রিয়ার সঙ্গে যেসব বিভক্তি যুক্ত হয় তাদেরকে ক্রিয়াবিভক্তি বলে। ক্রিয়ার সঙ্গে যেসব বিভক্তি যুক্ত হয় তাদের ক্রিয়াবিভক্তি বলে। তাদেরকে> তাদের ক্ষমা একটি মহানগুণ ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। মহানগুণ> মহৎ গুণ গরুকে দিয়ে শুধু লাঙল না গাড়িও টানা হয়। গরু দিয়ে শুধু লাঙল না গাড়িও টানা হয়। গরুকে> গরু গেলাসে করে দুধ দাও। গেলাসে দুধ দাও। গেলাসে করে> গেলাসে ঘটনাটি শুনে আপনি তো উদ্বেলিত হয়ে পড়েছিলেন। ঘটনাটি শুনে আপনি তো উদ্বেল হয়েছিলেন। উদ্বেলিত হয়ে পড়েছিলেন> উদ্বেল হয়েছিলেন ঘড়িকে হাতে দাও। ঘড়ি হাতে দাও /ঘড়িটি হাতে দাও। ঘড়িকে> ঘড়ি/ ঘড়িটি ঘরটি ছিমছিমে অন্ধকার। ঘরটি ঘুটঘুটে অন্ধকার। ছিমছিমে> ঘুটঘুটে ঘামজলে তার শার্ট ভিজে গেছে। ঘামে তার শার্ট ভিজে গেছে। ঘামজলে> ঘামে ঘি মাখা ভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা। ঘিভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা। ঘি মাখা ভাত> ঘিভাত ছয়টি ঋতুর সমাহারের দেশ বাংলাদেশ। ছয়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। সমাহারের দেশ > দেশ ছেলেটি নিস্পাপী নিরপরাধী কিন্তু সেই সেষ বংশের মাথায় চূণকালী দিল। ছেলেটি নিস্পাপ, নিরপরাধ কিন্তু সেই পর্যন্ত বংশের মুখে চুনকালি দিল । নিস্পাপী নিরপরাধী> নিস্পাপ, নিরপরাধ, মাথায় চূণকালী> মুখে চুনকালি ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী। ভয়ানক> অত্যন্ত ছোট নাটকটি সবাইকে মুগ্ধ করল । নাটিকাটি সবাইকে মুগ্ধ করল । ছোট নাটকটি> নাটিকাটি জ্যোৎস্না রাত বড়ই মাধুর্যময়। জ্যোৎস্না রাত বড়ই মধুর। মাধুর্যময়> মধুর ঢাকা দিন দিন তার ভারসাম্যতা হারিয়ে ফেলছে। ঢাকা দিন দিন তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। ভারসাম্যতা> ভারসাম্য ঢাকার সৌন্দর্যতা বৃদ্ধিতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। সৌন্দর্যতা> সৌন্দর্য তপ্ত ভাতে নুন জোটে না, ঠাণ্ডা ভাতে ঘি। তপ্ত ভাতে নুন জোটে না, পান্তা ভাতে ঘি। ঠাণ্ডা> পান্তা তবলাওয়ালা ভালোই তবলা বাজায়। তবলচি /তবলাবাদক ভালোই তবলা বাজায়। তবলাওয়ালা> তবলচি /তবলাবাদক তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। তারা আমড়াতলায় বসে আমড়া খাওয়ার সময় মালির তাড়া খেয়েছে। তাড়া আমরাতলায়> তারা আমড়াতলায়, আমরা> আমড়া, তারা খেয়েছে> তাড়া খেয়েছে তাদের যথোচিত পুরষ্কার দাও। তাদের যথোচিত পুরস্কার দাও। পুরষ্কার> পুরস্কার তাদেরকে দিয়ে একাজ করিও না। তাদের দিয়ে একাজ করিও না। তাদেরকে> তাদের তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন। তার অন্তর তিমিরাচ্ছন্ন। অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন> তিমিরাচ্ছন্ন তার কথার মাধুর্যতা নাই। তার কথার মাধুর্য/মধুরতা নাই। মাধুর্যতা> মাধুর্য/মধুরতা তার দারিদ্রতা অসহনীয় তার দারিদ্র্য অসহনীয়/ তার দরিদ্রতা অসহনীয় দারিদ্রতা> দারিদ্র্য/ দরিদ্রতা তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল। তার দুচোখ অশ্রুতে ভেসে গেল। অশ্রুজলে> অশ্রুতে তার দুরাবস্থা দেখিলে দুঃখী হয়। তার দুরবস্থা দেখলে দুঃখ হয় । দুরাবস্থা> দুরবস্থা, দুঃখী> দুঃখ তার মা খুব মহান নেতা ছিলেন। তার মা খুব মহিয়সী নেতা ছিলেন। মা খুব মহান নেতা> মা খুব মহিয়সী নেতা তার সব ছেলেরাই কৃতি তার সব ছেলেই কৃতী। ছেলেরাই কৃতি> ছেলেই কৃতী তারকাবৃন্দ আকাশে মিটিমিটি করে জ্বলছে। তারকারাজি আকাশে মিটিমিটি করে জ্বলছে। তারকাবৃন্দ> তারকারাজি তারা শব পোড়াতে গেল। তারা শবদাহ করতে গেল। শব পোড়াতে> শবদাহ করতে তারা সকলেই এলো। তারা এলো/ সকলেই এলো। সকলেই এলো> এলো, তারা সকলেই> সকলেই তালে কানা লোককে দিয়ে কিছুই হবে না। তালকানা লোককে দিয়ে কিছুই হবে না। তালে কানা> তালকানা তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্যতা দেখিতে পাই। তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই। সখ্যতা> সখ্য তাহার জীবন সংশয়ময় । তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ । সংশয়ময়> সংশয়াপূর্ণ তাহার দুর্দমনীয় অধ্যাবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়। তাহার অধ্যবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্দমনীয় অধ্যাবসায়> অধ্যাবসায় তাহার বৈমাত্রেয় সহোদর অসুস্থ। তাহার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা অসুস্থ। বৈমাত্রেয় সহোদর> বৈমাত্রেয় ভ্রাতা তাহার সাংঘাতিক আনন্দ হইল। তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল। সাংঘাতিক আনন্দ> অপরিসীম আনন্দ তাহার সৌন্দর্যবোধ আমাকে অভিভূত করেছে তার সৌজন্যবোধ আমাকে অভিভূত করেছে। সৌন্দর্যবোধ> সৌজন্যবোধ তাহারা যেন ভূল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা যেন ভুল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ভূল> ভুল তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলেন তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন। সাক্ষী> সাক্ষ্য তিনি মনোকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন তিনি মনঃকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন। মনোকষ্টে> মনঃকষ্টে তিনি স্বসম্মানে হল ত্যাগ করলন। তিনি সসম্মানে হল ত্যাগ করলন। স্বসম্মানে> সসম্মানে তিনি স্বস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন। তিনি সস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন। স্বস্ত্রীক> সস্ত্রীক তুমি কী ঢাকা যাবে? তুমি কি ঢাকা যাবে? কী> কি তুমি নির্দোষী নও তুমি নির্দোষ নও। নির্দোষী> নির্দোষ তুমি, করিম ও আমি আজ পড়িতে যাইব করিম, তুমি ও আমি আজ পড়িতে যাইব। তুমি, করিম ও আমি> করিম, তুমি ও আমি তোমার কথায় বুকেতে আঘাত পাই। তোমার কথায় বুকে আঘাত পাই। বুকেতে> বুকে তোমার তিরষ্কার বা পুরষ্কার কিছুই চাই না। তোমার তিরস্কার বা পুরস্কার কিছুই চাই না। তিরষ্কার বা পুরষ্কার> তিরস্কার বা পুরস্কার তোমার সাথে আমার একটি গোপন পরামর্শ আছে । তোমার সঙ্গে আমার একটি গোপনীয় পরামর্শ আছে। গোপন পরামর্শ> গোপনীয় পরামর্শ দরিদ্র আমাদের দেশের একটি অভিশাপ। দারিদ্র্য আমাদের দেশের একটি অভিশাপ। দরিদ্র> দারিদ্র্য দরীদ্রকে দয়া কর । দরিদ্রকে দয়া কর । দরীদ্রকে> দরিদ্রকে দারিদ্র কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে। দারিদ্র্য কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে। দারিদ্র> দারিদ্র্য দারিদ্রতার মধ্যেই মহত্ব আছে। দরিদ্রতার মধ্যেই মহত্ত্ব আছে। দারিদ্রতার> দরিদ্রতার দিবারাত্র পরিশ্রমে তাহার শারীরিক স্বাস্থ্য ভঙ্গ হইয়াছে। দিবারাত্র পরিশ্রমে তাহার স্বাস্থ্য ভঙ্গ হইয়াছে। শারীরিক স্বাস্থ্য> স্বাস্থ্য দুধ মাখা ভাত কাকে খায়। দুধভাত কাকে খায়। দুধ মাখা ভাত> দুধভাত দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী> দুর্বলতাবশত অনাথা দুর্বিসহ বানানটি অধিকাংশ ব্যাক্তি ভূল লেখে। দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লেখে। দুর্বিসহ> দুর্বিষহ, ব্যাক্তি ভূল> ব্যক্তি ভুল দৈনতা সব সময় ভাল নয়। দীনতা সব সময় ভাল নয়। দৈনতা> দীনতা দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়। মহত্বের> মহত্ত্বের ধর্মের কল বাতাসেতে নড়ে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। বাতাসেতে> বাতাসে নদীর ঘাটে যাইয়া আমরা মরাদাহ দেখিতে লাগিলাম। চিতার ধোঁয়ায় সমস্ত জায়গাটা সমাচ্ছন্ন হইয়া আঁধার করে তুলিছিল যে আমাদের নিঃশ্বাস আটকাইয়া যাইতেছিল। নদীর তীরে যাইয়া আমরা শবদাহ দেখিতে লাগিলাম। তার ধূমে সমস্ত স্থান সমাচ্ছন্ন হইয়া এরূপ অন্ধকার হইয়া গিয়াছিল যে আমাদের নিঃশ্বাস রোধ হইয়া যাইতেছিল। নদীর ঘাটে> নদীর তীরে, মরাদাহ> শবদাহ, চিতার ধোঁয়ায় সমস্ত জায়গাটা> তার ধূমে সমস্ত স্থান, আঁধার করে তুলিছিল> এরূপ অন্ধকার হইয়া গিয়াছিল, নিঃশ্বাস আটকাইয়া> নিঃশ্বাস রোধ হইয়া পয়লা বৈশাখ বাঙালির আসল উৎসবের দিন। (ভুলটাই শুদ্ধ) পয়লা বৈশাখ বাঙালির আসল উচ্ছবের দিন। পরবর্তিকালে /পরবর্তী সময়ে আপনি আসবেন। পরবর্তীতে আপনি আসবেন। পরবর্তিকালে /পরবর্তী সময়ে > পরবর্তীতে পরের মাথায় বন্দুক রেখে শিকার। পরের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকার। মাথায়> কাঁধে পাহাড়কে নাড়ায় সাধ্য কার। পাহাড় নাড়ায় সাধ্য কার। পাহাড়কে> পাহাড় পিপিলিকা আর মরিচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা। পিপীলিকা আর মরীচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা। পিপিলিকা আর মরিচিকার> পিপীলিকা আর মরীচিকার প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীবর্গ> মন্ত্রী প্রাতকালে লোকটি গাত্রস্থান করে। প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোখান করে। প্রাতকালে> প্রাতঃকালে, গাত্রস্থান> গাত্রোখান প্রায়ই অর্থ কথাগুলো বড় অস্পষ্ট হয়ে থাকে বড় কথাগুলোর অর্থ প্রায়ই অস্পষ্ট হয়ে থাকে। প্রায়ই অর্থ কথাগুলো বড় অস্পষ্ট হয়ে> বড় কথাগুলোর অর্থ প্রায়ই অস্পষ্ট হয়ে প্রেমগঙ্গা আজ এমন করিয়া উদ্বেল আর হইল কেন? প্রেমযমুনা আজ এমন উদ্বেল হইল কেন? প্রেমগঙ্গা> প্রেমযমুনা, এমন করিয়া উদ্বেল আর> এমন উদ্বেল ফুল দিয়ে তাঁকে সুস্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য। ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য। সুস্বাগতম> স্বাগতম বংকিমচন্দ্রের ভয়ানক প্রতিভা ছিল। বঙ্কিমচন্দ্রের অসাধারণ প্রতিভা ছিল। বংকিমচন্দ্রের ভয়ানক> বঙ্কিমচন্দ্রের অসাধারণ বইকে পুড়িয়ে ফেলো/বইগুলোকে পুড়িয়ে ফেলো। বই/বইটি পুড়িয়ে ফেলো (একবচন)/বইগুলো পুড়িয়ে ফেলো (বহুবচন) বইকে> বই/বইটি, বইগুলোকে> বইগুলো বইটি তার জরুরি প্রয়োজন। বইটি তার (খুব) প্রয়োজন। জরুরি> খুব বমালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে। বমাল বা মালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে। বমালশুদ্ধ> বমাল বা মালশুদ্ধ বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। উন্নতশীল> উন্নয়নশীল বাংলা বানান আয়ত্ব করা কঠিন নয়। বাংলা বানান আয়ত্ত করা কঠিন নয়। আয়ত্ব> আয়ত্ত বাংলা ব্যাকরণ অত্যান্ত জটিল বাংলা ব্যাকরণ অত্যন্ত জটিল। অত্যান্ত> অত্যন্ত বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল আধুনিক রাষ্ট্র। বাংলাদেশ একটি উন্নতিশীল (বা উন্নয়নশীল) আধুনিক রাষ্ট্র। উন্নতশীল> উন্নতিশীল/ উন্নয়নশীল বাজীকরের অদ্ভুত ক্রিয়া দেখিয়া ছাত্রগণেরা প্রফুল্লিত হল । বাজিকরের অদ্ভুত খেলা দেখে ছাত্ররা আনন্দিত হল। ক্রিয়া দেখিয়া ছাত্রগণেরা প্রফুল্লিত> খেলা দেখে ছাত্ররা আনন্দিত বাসের ধাক্কায় তিনি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। বাসের ধাক্কায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। চোখের দৃষ্টিশক্তি> দৃষ্টিশক্তি বিকার লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে। বিকৃত লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে। বিকার লোক> বিকৃত লোক বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। শ্রেষ্ঠতর> শ্রেষ্ঠ বিদ্যান বক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন বিদ্যান বক্তিগণ দরিদ্রের > বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের বিদ্যান লোকেরা মনে করেন আমাদের ছেলেমেয়েরা অধ্যায়ন ছেড়েছে বলেই তারা ব্যাথা, আকাঙ্খা, মুহুর্ত, প্রতিযোগীতা, দরিদ্রতা ইত্যাদি বানান ভূল করে। বিদ্বান লোকেরা মনে করেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা অধ্যয়ন ছেড়েছে বলেই তারা ব্যথা, আকাক্ষা, মুহুর্ত, প্রতিযোগিতা, দরিদ্রতা ইত্যাদি বানান ভুল করে। বিদ্যান> বিদ্বান, অধ্যায়ন> অধ্যয়ন, ব্যাথা, আকাঙ্খা> ব্যথা, আকাক্ষা, প্রতিযোগীতা> প্রতিযোগিতা বিদ্যান হইতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হয়। বিদ্বান হতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হয়। বিদ্যান হইতে হলে> বিদ্বান হতে হলে বিপদগ্রস্থকে সাহায্য কর। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য কর। বিপদগ্রস্থকে> বিপদগ্রস্তকে বুনো কচু, বাঘা তেঁতুল। বুনো ওল, বাঘা তেতুল। বুনো কচু> বুনো ওল, বাঘা তেঁতুল> বাঘা তেতুল বৃক্ষটি সমূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে। বৃক্ষটি মূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে। সমূলসহ> মূলসহ বেশি চাতুর্যতা দেখাতে গিয়ে শেষে নিজেই দল থেকে বাদ পড়লেন। বেশি চাতুর্য/চতুরতা দেখাতে গিয়ে শেষে নিজেই দল থেকে বাদ পড়লেন। চাতুর্যতা> চাতুর্য/চতুরতা ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জাস্কর। ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জাকর বা লজ্জাজনক। লজ্জাস্কর> লজ্জাকর/ লজ্জাজনক ভাত ছড়ালে শালিখের অভাব হয় না। ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না। শালিখের> কাকের ভারত ব্রিটিশদের অধীনস্থ ছিল বলেই তারা যুদ্ধ করেছিল। ভারত ব্রিটিশদের অধীনে ছিল বলেই তারা যুদ্ধ করেছিল। অধীনস্থ> অধীনে ভিক্ষুকদেরকে ভিক্ষা দাও। ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও। (একবচন) /ভিক্ষুকদের ভিক্ষা দাও। (বহুবচন) ভিক্ষুকদেরকে> ভিক্ষুককে/ ভিক্ষুকদের মনরঞ্জন মনমোহনের বড় ভাই। মনোরঞ্জন মনোমোহনের বড় ভাই। মনরঞ্জন মনমোহনের> মনোরঞ্জন মনোমোহনের মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় সে মনোস্তাপ ভুগছে। মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় সে মনস্তাপে ভুগছে। মনোস্তাপ> মনস্তাপে মহারাজ সভাগৃহে প্রবেশ করলেন। মহারাজ সভাকক্ষে প্রবেশ করলেন। সভাগৃহে> সভাকক্ষে মাতাহীন শিশুর অনেক দুঃখ। মাতৃহীন শিশুর অনেক দুঃখ। মাতাহীন> মাতৃহীন মাতাহীন শিশুর কি দুঃখ। মাতৃহীন শিশুর কি দুঃখ! মাতাহীন> মাতৃহীন মাল বহনকারী গাড়িগুলোতে আগুন ধরিয়ে তারা পালালো। মালগাড়িগুলোতে আগুন ধরিয়ে তারা পালালো। মাল বহনকারী গাড়িগুলোতে> মালগাড়িগুলোতে মুমুর্ষ রোগীকে শুশ্রসা কর । মুমূর্ষ রোগীকে শুশ্রুষা কর। মুমুর্ষ> মুমূর্ষ, শুশ্রসা> শুশ্রুষা মেয়েটি সুকেশৈলী ও সুহাসি মেয়েটি সুকেশী ও সুহাসিনী । সুকেশৈলী ও সুহাসি> সুকেশী ও সুহাসিনী মেয়েটি স্বয়ম্বর। মেয়েটি স্বয়ংবরা। স্বয়ম্বর> স্বয়ংবরা যাদুঘরে কিন্তু যাদু দেখানো হয় না। জাদুঘরে কিন্তু জাদু দেখানো হয় না। যাদুঘরে কিন্তু যাদু> জাদুঘরে কিন্তু জাদু যাবতীয় লোক সমূহ সভায় উপস্থিত ছিল । যাবতীয় লোক সভায় উপস্থিত ছিল। লোক সমূহ> লোক যার লাঠি, তার ঘাটি। যার লাঠি, তার মাটি। তার ঘাটি> তার মাটি যেসব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেসব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাদের প্রত্যয় বলে। তাকে > তাদের যেসব ছাত্রদের নিয়ে কথা তারা বখাটে। যেসব ছাত্রকে নিয়ে কথা তারা বখাটে। যেসব ছাত্রদের> যেসব ছাত্রকে রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য। রচনাটির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য। উৎকর্ষতা> উৎকর্ষ রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠতম/তর। রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠ। কনিষ্ঠতম/তর> কনিষ্ঠ রহিমসহ আরো অনেকেই আছেন এই নাটকে। রহিমসহ অনেকেই আছেন এই নাটকে। আরো অনেকেই> অনেকেই রহিমা পাগলিনী হয়ে গেছে রহিমা পাগল হয়ে গেছে রহিমা পাগলিনী> রহিমা পাগল রাত্রিতে আসন্ন পরীক্ষার বিভীষিকা, উপেক্ষা করে তাড়াতাড়ি গেলাম শয়ন করতে ভাল নিদ্রা না হলেপাছে অসুখ বিসুখ হতে পারে এই ভয়ে। পাছে রাতে ভাল ঘুম না হলে অসুখ বিসুখ হতে পারে এই ভয়ে আসন্ন পরীক্ষার বিভীষিকা উপেক্ষা করে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে গেলাম। রীতিকে অতিক্রম না করেও যথারীতি সে বড়লোক। রীতিকে অতিক্রম না করেও সে বড়লোক। যথারীতি সে> সে লক্ষ লক্ষ জনতারা সব সভায় উপস্থিত হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ জনতা সভায় উপস্থিত হয়েছিল। জনতারা> জনতা লালালু খুব পুষ্টিকর। লাল আলু খুব পুষ্টিকর। লালালু> লাল আলু লেখাপড়ায় তার মনযোগ নেই। লেখাপড়ায় তার মনোযোগ নেই। মনযোগ> মনোযোগ লোকজন তার প্রতিকূলে নাই। লোকজন তার অনুকূলে নাই। প্রতিকূলে> অনুকূলে লোকটি কায়দায় নাই। লোকটি বেকায়দায় আছে। কায়দায় নাই> বেকায়দায় আছে লোকটি মিশির মতো কালো হয়েও সাদা মনের মানুষ। লোকটি মিশকালো হয়েও সাদা মনের মানুষ। মিশির মতো কালো> মিশকালো শওকত ওসমানের কৃতদাসের হাসি একটি আদমজি পুরষ্কার প্রাপ্ত উপন্যাস। শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি’ আদমজি পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস। কৃতদাসের হাসি> ক্রীতদাসের হাসি শরীর অসুস্থ্যের জন্য আমি কাল আসিতে পারি নাই। অসুস্থতার জন্য আমি কল্য আসিতে পারি নাই। শরীর অসুস্থ্যের জন্য আমি কাল> অসুস্থতার জন্য আমি কল্য শশান ঘাট কোথায়। শ্মশান ঘাট কোথায়? শশান> শ্মশান শশীভূষণ কি আসে নাই? শশিভূষণ কি আসে নাই? শশীভূষণ> শশিভূষণ শহর ও গ্রামে এখন ইলেকশনের আমেজ। শহরে ও গ্রামে এখন ইলেকশনের আমেজ। শহর ও গ্রামে> শহরে ও গ্রামে শহীদুল্লাহ কায়সার এবং মুনীর চৌধুরী দুজনই দেশের জন্য প্রাণ দিলেন। শহীদুল্লাহ কায়সার ও মুনীর চৌধুরী দুজনই দেশের জন্য প্রাণ দিলেন। এবং> ও শিক্ষা উপ - পরিচালক ও সহ - উপ পরিচালক আজ এই স্কুলে আসবেন। শিক্ষা উপপরিচালক ও সহউপপরিচালক আজ এই স্কুলে আসবেন। উপ - পরিচালক ও সহ - উপ পরিচালক> উপপরিচালক ও সহউপপরিচালক শিল্পায়নের সাহায্যে দেশ সমৃদ্ধশালী হইতে পারে। শিল্পায়নের সাহায্যে দেশ সমৃদ্ধ (বা সমৃদ্ধিশালী) হইতে পারে। সমৃদ্ধশালী> সমৃদ্ধ/ সমৃদ্ধিশালী শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত। শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত। উৎকর্ষতা> উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা শুধুমাত্র গায়ের জোরে কাজ হয় না শুধু গায়ের জোরে কাজ হয় না। শুধুমাত্র> শুধু শুনেছি আপনি স্বস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন। শুনেছি আপনি সস্ত্রীক/স্ত্রীসহ ঢাকায় থাকেন। স্বস্ত্রীক> সস্ত্রীক/স্ত্রীসহ সকল দৈন্যতা দূর হয়ে যাক। সকল দৈন্য দূর হয়ে যাক। সকল দীনতা দূর হয়ে যাক। দৈন্যতা> দৈন্য/ দীনতা সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। সকল সভ্যগণ> সভ্যগণ সকল সুধীমণ্ডলী উপস্থিত আছেন। সুধীমণ্ডলী উপস্থিত আছেন। সকল সুধীমণ্ডলী> সুধীমণ্ডলী সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করেছে জনতা। সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবি করেছে জনতা। সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের> সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীর সৎ চরিত্রবান লোক সবার কাছে প্রিয়। চরিত্রবান লোক সবার কাছে প্রিয়। সৎ চরিত্রবান> চরিত্রবান সত্য প্রমাণ হোক। সত্য প্রমাণিত হোক। প্রমাণ> প্রমাণিত সব পাখিরা ঘর বাঁধে না। সব পাখি ঘর বাঁধে না। সব পাখিরা> সব পাখি সব মাছগুলোর দাম কত? মাছগুলোর দাম কত ? সব মাছগুলোর> মাছগুলোর সবাই বাবা - মার সুস্বাস্থ্য কামনা করে। সবাই বাবা - মার সুস্থতা কামনা করে। সুস্বাস্থ্য> সুস্থতা সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি বিনয়পূর্বক নিবেদন করি। সবিনয় পূর্বক> বিনয়পূর্বক সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করিবে সর্ব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করিবে। বাহুল্যতা> বাহুল্য সশঙ্কিত চিত্তে সে বলল শঙ্কিত চিত্তে সে বলল। সশঙ্কিত> শঙ্কিত সাপুড়ে সাপকে খেলায়। সাপুড়ে সাপ খেলায়। সাপুড়ে সাপকে> সাপুড়ে সাপ সারা জীবন ভুতের মজুরী খেটে মরলাম। সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম। ভুতের মজুরী খেটে> ভূতের বেগার খেটে সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক> সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সুজন, অন্যান্য মেয়র প্রার্থীদের খবর কী? সুজন, অন্যান্য মেয়র প্রার্থীর খবর কী? মেয়র প্রার্থীদের> মেয়র প্রার্থীর সূর্য উদয় হয়নি। সূর্য উদিত হয়নি। সূর্য উদয়> সূর্য উদিত সে এমন রূপসী যেন অপ্সরী। সে এমন রূপবতী যেন অপ্সরা। রূপসী যেন অপ্সরী> রূপবতী যেন অপ্সরা সে কৌতুক করার কৌতুহল সম্বরণ করিতে পারিল না। সে কৌতুক করার কৌতূহল সংবরণ করিতে পারিল না। সম্বরণ> সংবরণ সে ক্যান্সারজনিত কারণে মারা গিয়েছে। সে ক্যান্সার/ক্যান্সারজনিক রোগে মারা গিয়েছে। ক্যান্সারজনিত কারণে. ক্যান্সার/ক্যান্সারজনিক রোগে সে ক্রোধে আত্মহারা হইয়া উঠিয়াছে। সে ক্রোধান্ধ হইয়াছে। ক্রোধে আত্মহারা হইয়া> ক্রোধান্ধ হইয়াছে সে ভুড়ি ভুড়ি খেয়ে ভুরিটি বাড়িয়েছে। সে ভুরি ভুরি খেয়ে ভুঁড়িটি বাড়িয়েছে। ভুড়ি ভুড়ি খেয়ে ভুরিটি> ভুরি ভুরি খেয়ে ভুঁড়িটি সে শৈশবেই মাতা বাপ হারিয়েছে। সে শৈশবেই মা - বাপ হারিয়েছে। মাতা বাপ> মা - বাপ সে সঙ্কট অবস্থায় পড়েছে। সে সঙ্কটে পড়েছে। সঙ্কট অবস্থায়> সঙ্কটে সেখানে গেলে তুমি অপমান হবে। সেখানে গেলে তুমি অপমানিত হবে। অপমান> অপমানিত সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখিকা। সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখক। /সেলিনা হোসেন একজন বিদুষী লেখিকা। বিদ্বান লেখিকা> বিদ্বান লেখক/বিদুষী লেখিকা স্নেহভাজন পুরুষলোককে পত্রের মূল আদিতে কল্যানীয়াসু বলিয়া সম্বোধন করিবে। স্নেহভাজন পুরুষলোককে লিখিত পত্রের আদিতে কল্যাণীয়েষু’ বলিয়া সম্বোধন করিবে। কল্যানীয়াসু> কল্যাণীয়েষু স্বল্পবিদ্যা ভয়ংকরী। অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী। স্বল্পবিদ্যা> অল্পবিদ্যা হাতে ব্যাথা পেয়েছি হাতে ব্যথা পেয়েছি। ব্যাথা> ব্যথা হীন চরিত্রবান লোক পশ্বাধম চরিত্রহীন লোক পশ্বধম । হীন চরিত্রবান> চরিত্রহীন, পশ্বাধম> পশ্বধম হে ত্রিনয়নী আমাকে রক্ষা কর হে ত্রিনয়না, আমাকে রক্ষা কর । ত্রিনয়নী> ত্রিনয়না
'মৃন্ময়' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
গ: মৃৎ +ময়
Explanation:
'মৃন্ময়' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর মৃৎ +ময় মৃন্ময় /বিশেষণ পদ/ মাটির তৈরী, মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত। /বিশেষণ পদ/ স্ত্রীলিঙ্গ. মৃন্ময়ী।মৃন্ময় /adjective/ earthen; clayey.সন্ধি বিচ্ছেদ : প্রারম্ভিক আলোচনাসন্ধি: সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। যেমন - আশা + অতীত = আশাতীত। হিম + আলয় = হিমালয়। প্রথমটিতে আ + অ = আ (া) এবং দ্বিতীয়টিতে অ + আ = আ (া) হয়েছে। আবার, তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে, এখানে ত + ম = ন্ম হয়েছে।সন্ধির উদ্দেশ্য(ক) সন্ধির উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা এবং(খ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।তাই যে ক্ষেত্রে আয়াসের লাঘব হয় কিন্তু ধ্বনি - মাধুর্য রক্ষিত হয় না, সে ক্ষেত্রে সন্ধি করার নিয়ম নেই। যেমন - কচু + আদা + আলু = কচ্চাদালু হয় না। অথবা কচু + আলু + আদা = কচ্চান্বাদা হয় না।বাংলা শব্দের সন্ধিবাংলা সন্ধি দুই রকমের:১. স্বরসন্ধি২. ব্যঞ্জনসন্ধি।১. স্বরসন্ধি : স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি মিলে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে।১. সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত ঘরের একটির লোপ হয়। যেমন - (ক) অ + এ = এ (অ লােপ) যেমন – শত + এক = শতেক। এরূপ – কতেক। (খ) আ + আ = আ (একটি আ লােপ)। যেমন – শাঁখা + আরি = শাঁখারি। এরূপ – রুপা + আলি = রূপালি। (গ) আ + উ = উ (আ লােপ)। যেমন – মিথ্যা + উ = মিথুক। এরূপ – হিংসুক, নিন্দুক ইত্যাদি। (ঘ) ই + এ = ই (এ লােপ)। যেমন – কুড়ি + এক = কুড়িক। এরূপ – ধনিক, গুটিক ইত্যাদি। আশি + এর = আশির (এ লােপ)। এরূপ — নদীর (নদী + এর)। ২. কোনাে কোনাে স্থলে পাশাপাশি দুটি ঘরের শেষেরটি লােপ পায়। যেমন – যা + ইচ্ছা + তাই = যাচ্ছেতাই। এখানে (আ + ই) এর মধ্যে ই লােপ পেয়েছে।২। ব্যঞ্জন সন্ধিসরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর সরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি সমীভবন (Assimilation) - এর নিয়মেই হয়ে থাকে। আর তা - ও মূলত কথ্যরীতিতে সীমাবদ্ধ।১. প্রথম ধ্বনি অঘােষ এবং পরবর্তী ধ্বনি ঘােষ হলে, দুটি মিলে ঘােষ ধ্বনি দ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ সন্ধিতে ঘােষ ধ্বনির পূর্ববর্তী অঘােষ ধ্বনিও ঘােষ হয়। যেমন – ছােট + দ = ছােড়দা।২. হলন্ত র (বদ্ধ অক্ষর বিশিষ্ট) ধ্বনির পরে অন্য ব্যঞ্জন ধ্বনি থাকলে রু লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনি দ্বিত্ব হয়।যেমন— আর + না = আন্না ধর, + না = ধন্না চার + টি = চাট্টি দুর, + ছাই = দুচ্ছাই ইত্যাদি। ৩. চ - বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ত - বর্গীয় ধ্বনি আসে তাহলে, ত - বর্গীয় ধ্বনি লােপ হয় এবং চ - বর্গীয় ধ্বনিরদ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ ত - বর্গীয় ধ্বনি ও চ - বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়। যেমন - নাত + জামাই = নাজ্জামাই (ত্ + জ = জ্জ) বদ্ + জাত = বজ্জাত হাত + ছানি = হাচ্ছানি ইত্যাদি। ৪. ‘প’ - এর পরে ‘চ’ এবং “স’ - এর পরে ‘ত এলে চ ও ত এর স্থলে শ হয়। যেমন – পাঁচ + শ = পাশ সাত + শ = সাশ পাঁচ + সিকা = পাশিকা ৫. হলন্ত ধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে ঘরের লােপ হয় না। যেমন – বােন + আই = বােনাই বার + এক = বারেক চুন + আরি = চুনারি তিন + এক = তিনেক তিল + এক = তিলেক ৬. স্বরধ্বনির পরে ব্যঞ্জনধ্বনি এলে স্বরধ্বনিটি লুপ্ত হয়। যেমন – কঁচা + কলা = কাঁচকলা ঘােড়া + দৌড় = ঘােড়দৌড় নাতি + বৌ = নাতবৌ ঘােড়া + গাড়ি = ঘােড়গাড়ি ইত্যাদি। তৎসম শব্দের সন্ধিবাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। এসব শব্দই তৎসম (তৎ = তার + সম = সমান)। তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। এ শ্রেণির শব্দের সন্ধি সংস্কৃত ভাষার নিয়মেই সম্পাদিত হয়ে এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম সন্ধি তিন প্রকার:(১) স্বরসন্ধি(২) ব্যঞ্জন সন্ধি(৩) বিসর্গ সন্ধি১. স্বরসন্ধিস্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি।১. অ - কার কিংবা আকারের পর অ - কার কিংবা আ - কার থাকলে উভয়ে মিলে আ - কার হয়, আ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - অ + অ = আ নর + অধম = নরাধম এরূপ - হিমাচল, প্রাণাধিক, হস্তান্তর, হিতাহিত ইত্যাদি অ + আ = আ হিম + আলয় = হিমালয়। এরূপ – দেবালয়, রত্নাকর, সিংহাসন ইত্যাদি। আ + অ = আ যথা + অর্থ = যথার্থ। এরূপ — আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি। আ + আ = আ বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এরূপ - কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি। ২. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে এ - কার হয়; এ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন— অ + ই = এ শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। আ + ই = এ যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট। অ + ঈ = এ পরম + ঈশ = পরমেশ। আ + ঈ = এ মহা + ঈশ = মহেশ। এরূপ –পূর্ণেন্দু, শ্রবণেন্দ্রিয়, স্বেচ্ছা, নরেশ, রমেশ, নরেন্দ্র ইত্যাদি। ৩. অ - কার কিংবা আ - কারের পর উ - কার কিংবা ঊ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ও - কার হয়; ও - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়। যেমন - অ + উ = ও সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়। আ + উ = ও যথা + উচিত = যথােচিত। অ + ঊ = ও গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহাের্ধ্ব। আ + ঊ = ও গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি। এরূপ — নীলােৎপল, চলাের্মি, মহােৎসব, নবােঢ়া, ফলােদয়, যথােপযুক্ত, হিতােপদেশ, পরােপকার, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি। ৪. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ঋ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ‘অর’ হয় এবং তা রেফ () রূপে পরবর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = অ দেব + ঋষি = দেবর্ষি। আ + ঋ = অর মহা + ঋষি = মহর্ষি। এরূপ — অধমর্ণ, উত্তমর্ণ, সপ্তর্ষি, রাজর্ষি ইত্যাদি। ৫. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ‘ঋত’ - শব্দ থাকলে (অ, আ + ঋ) উভয় মিলে ‘আর’ হয় এবং বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে আ ও পরবর্তী বর্ণে রেফ লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = আর শীত + ঋত = শীতার্ত। আ + ঋ = আর তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত। এরূপ —ভয়ার্ত, ক্ষুধার্ত ইত্যাদি। ৬. অ - কার কিংবা আ - কারের পর এ - কার কিংবা ঐ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ - কার হয়; ঐ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন— অ + এ = ঐ জন + এক = জনৈক। আ + এ = ঐ সদা + এব = সদৈব। অ + ঐ = ঐ মত + ঐক্য = মতৈক্য। আ + ঐ = ঐ মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য। এরূপ - হিতৈষী, সর্বৈব, অতুলৈশ্বর্য ইত্যাদি। ৭. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ও - কার কিংবা ঔ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ - কার হয়; ঔ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - অ + ও = ঔ বন + ওষধি = বনৌষধি। আ + ও = ঔ মহা + ওষধি = মহৌষধি। অ + ঔ = ঔ পরম + ঔষধ = পরমৌষধ। আ + ঔ = ঔ মহা + ঔষধ = মহৌষধ। ৮. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ - কার হয়। দীর্ঘ ঈ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - ই + ই = ঈ অতি + ইত = অতীত ই + ঈ = ঈ পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা। ঈ + ই = ঈ সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র। ঈ + ঈ = ঈ সতী + ঈশ = সতীশ। এরূপ - গিরীন্দ্র, ক্ষিতীশ, মহীন্দ্র, শ্রীশ, পৃথ্বীশ, অতীব, প্রতীক্ষা, প্রতীত, রবীন্দ্র, দিল্লীশ্বর ইত্যাদি। ৯. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে ই বা ঈ স্থানে ‘য বা য() ফলা হয়। য - ফলা।লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়। যেমন - ই + অ = + অ অতি + অন্ত = অত্যন্ত। ই + আ = ঘৃ + আ ইতি + আদি = ইত্যাদি। ই + উ = খৃ + উ অতি + উক্তি = অত্যুক্তি। ই + উ = য + উ প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ। ঈ + আ = + আ মসী + আধার = মস্যাধার। ই + এ = য + এ প্রতি + এক = প্রত্যেক। ঈ + অ = ঘৃ + অ নদী + অ = নদঘু। এরূপ - প্রত্যহ, অত্যধিক, গত্যন্তর, প্রত্যাশা, প্রত্যাবর্তন, আদ্যন্ত, যদ্যপি, অভ্যুত্থান, অত্যাশ্চর্য, প্রত্যুপকার ইত্যাদি। ১০. উ - কার কিংবা উ - কারের পর উ - কার কিংবা উ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঊ - কার হয়; উ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। যেমন— উ + উ = উ মরু + উদ্যান = মরুদ্যান। উ + উ = উ বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব। ঊ + উ = উ বধূ + উৎসব = বধূৎসব। ঊ + উ = উ ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব। ১১. উ - কার কিংবা ঊ - কারের পর উ - কার ও উ - কার ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব - ফলা হয় এবং লেখার সময় ব - ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন - উ + অ = ব + অ সু + অল্প = স্বল্প উ + আ = ব + আ সু + আগত = স্বাগত উ + ই = ব + ই অনু + ই = অন্বিত উ + ঈ = ব + ঈ তনু + ঈ = তন্বী উ + এ = ব + এ অনু + এষণ = অন্বেষণ এরুপ - পশ্বধম, পশ্বাচার, অন্বয়, মন্বন্তর ইত্যাদি। ১২. এ, ঐ, ও, ঔ - কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আবু হয়। যেমন - এ + অ = অহ্ + অ নে + অন = নয়ন। শে + অন = শয়ন। ঐ + অ = আয়ু + অ নৈ + অক = নায়ক। গৈ + অক = গায়ক। ও + অ = অব + অ পাে + অন = পবন। লাে + অন = লবণ। ঔ + অ = আবৃ + অ পৌ + অক = পাবক। ও + আ = অ + আ গাে + আদি = গবাদি। ও + এ = অ + এ গাে + এষণা = গবেষণা। ও + ই = অ + ই পাে + ইত্র = পবিত্র ঔ + ই = আবৃ + ই নৌ + ইক = নাবিক। ঔ + উ = আবৃ + উ ভৌ + উক = ভাবুক ২. ব্যঞ্জনসন্ধিস্বরে - ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে - স্বরে ও ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এদিক থেকে ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি৩, ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনিক, চ, ট, ত, পৃ - এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলাে যথাক্রমে গ, জ্ব, ডু (ড়), দৃ, বৃ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - ক্ + অ = গ দিক্ + অন্ত = দিগন্ত। চ্ + অ = জ ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত। ট্ + আ = ড় ষট্ + আনন = ষড়ানন। ত্ + অ = দ তৎ + অবধি = তদবধি। প + অ = ব সুপ + অন্ত = সুবন্ত। এরূপ - বাগীশ, তদন্ত, বাগাড়ম্বর, কৃদন্ত, সদানন্দ, সদুপায়, সদুপদেশ, জগদিন্দ্র ইত্যাদি। ২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনিস্বরধ্বনির পর ছ থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়। যথা— অ + ছ = চ্ছ এক + ছত্র = একচ্ছত্র আ + ছ = চ্ছ কথা + ছলে = কথাচ্ছলে ই + ছ = চ্ছ পরি + ছ = পরিচ্ছদ। এরূপ – মুখচ্ছবি, বিচ্ছেদ, পরিচ্ছেদ, বিচ্ছিন্ন, অঙ্গচ্ছেদ, আলােকচ্ছটা, প্রতিচ্ছবি, প্রচ্ছদ, আচ্ছাদন, বৃক্ষচ্ছায়া, বচ্ছন্দে, অনুচ্ছেদ ইত্যাদি। ৩. ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি(ক) ১. ত্ ও দৃ - এর পর চূ ও ছ, থাকলে ত্ ও দৃ স্থানে চ হয়। যেমন— ত্ + চ = চ্চ সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা। ত্ + ছ উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ। দ্ + চ = চ্চ বিপদ + চয় = বিপচ্চয়। দৃ + ছ = চ্ছ বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া। এরূপ — উচ্চারণ, শরচ্চন্দ্র, সচ্চরিত্র, তচ্ছবি ইত্যাদি। ২. ত্ ও দ্ এরপর জ্ব ও ঝ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থানে জ্ব হয়। যেমন— ত্ + জ = জ্জ সৎ + জন = সজ্জন। দৃ + জ = জ্জ বিপদ + জাল = বিপজ্জাল ত্ + ঝ = দ্রু কুৎ + ঝটিকা = কুক্কটিকা এরূপ – উজ্জ্বল, তজ্জন্য, যাবজ্জীবন, জগজ্জীবন ইত্যাদি। ৩. ত্ ও দৃ - এরপর শ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থলে চ্ এবং শ্ - এর স্থলে ছ উচ্চারিত হয়। যেমন - ত্ + শ = চ + ছ = চ্ছ উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাসএরূপ — চলচ্ছক্তি, উচ্ছঙ্খল ইত্যাদি।৪. ত্ ও দৃ - এর পর ডু থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থানে ড্র হয়। যেমন - ত্ + ড = ডড় উৎ + ডীন = উড্ডীন।এরূপ – বৃহড্ঢক্কা৫. ত্ ও দৃ এর পর হ থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থলে দ এবং হ এর স্থলে ধূ হয়। যেমন - ত্ + হ = দৃ + ধ = দ্ধ উৎ + হার = উদ্ধার।দৃ + = দৃ + ধ = দ্ধ পদ + হতি = পদ্ধতি।এরূপ – উদ্ধৃত, উদ্ধত, তদ্ধিত ইত্যাদি।৬. ত্ ও দ, এর পর নৃ থাকলে ত্ ও - এর স্থলে ল উচ্চারিত হয়। যেমনত্ + ল = ল্ল উৎ + লাস = উল্লাস।এরূপ – উল্লেখ, উল্লিখিত, উল্লেখ্য, উল্লম্ফন ইত্যাদি।(খ) ১. ব্যঞ্জন ধ্বনিসমূহের যে কোনাে বর্গের অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পর যে কোনাে বর্গের ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনি, (য ) জ), ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ ধ্বনি (ব), ঘােষ কম্পনজাত দন্তমূলীয় ধ্বনি (র) কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনি (ব) থাকলে প্রথম অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘােষ অল্পপ্রাণরূপে উচ্চারিত হয়। যথা : ক্ + দ = গ + দ বাক্ + দান = বাগদান টু + য = ডু + য ষ + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র ত্ + ঘ = দ্ + ঘ উৎ + ঘাটন = উদ্ঘাটন ত্ + য = দৃ + য উৎ + যােগ = উদ্যোগ ত্ + ব = দৃ + ব উৎ + বন্ধন = উদ্বন্ধন। ত্ + র = দৃ + র তৎ + রূপ = তদুপ এরূপ - দিগ্বিজয়, উদ্যম, উদ্গার, উদ্গিরণ, উদ্ভব, বাগ্জাল, সদ্গুরু, বাগদেবী ইত্যাদি। ২. ঙ, ঞ, ণ, ন, ম পরে থাকলে পূর্ববর্তী অঘােষ অল্পপ্রাণ স্পর্শধ্বনি সেই বর্গীয় ঘােষ স্পর্শধ্বনি কিংবা নাসিক্যধ্বনি হয়। যথা :ক্ + ন = গ + ন দিক্ + নির্ণয় = দিগনির্ণয় বা দিনির্ণয়ত্ + ম = দ/ন + ম তৎ + মধ্যে = তদ্মধ্যে বা তন্মধ্যে।লক্ষণীয়: এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণত নাসিক্য ব্যঞ্জনই বেশি প্রচলিত। যেমন – বাক্ + ময় = বাঙ্ময়, জগৎ + নাথ = জগন্নাথ ইত্যাদি। তৎ + ময় = তন্ময়, এরূপ—উন্নয়ন, উন্নীত, চিন্ময় ইত্যাদি। মৃৎ + ময় = মৃন্ময়, ৩. ম্ এর পর যে কোনাে বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম্ ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়। যেমন— মৃ + ক = ঙ + ক্ শম্ + ক = শঙ্কা। ম্ + চ = ঞ + চ্ সম্ + চয় = সঞ্চয়। ম + ত = নৃ + ত্ সম্ + তাপ = সন্তাপ। এরূপ – কিম্ভূত, সন্দর্শন, কিন্নর, সম্মান, সন্ধান, সন্ন্যাস ইত্যাদি। দ্রষ্টব্য : আধুনিক বাংলায় মূ - এর পর কণ্ঠ্য - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে মৃ স্থানে প্রায়ই ঙ না হয়ে অনুস্বার (ং) হয়। যেমন - সম্ + গত = সংগত, অহম্ + কার = অহংকার, সম্ + খ্যা = সংখ্যা এরূপ –সংকীর্ণ, সংগীত, সংগঠন, সংঘাত ইত্যাদি। ৪. ম্ - এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, মৃ স্থলে অনুবার (ং) হয়। যেমন - সম্ + যম = সংযম, সম্ + বাদ = সংবাদ, সম্ + রক্ষণ = সক্ষণ সম্ + লাপ = সংলাপ সম্ + শয় = সংশয় সম্ + সার = সংসার সম্ + হার = সংহার। এরূপ - বারংবার, কিংবা, সংবরণ, সংযােগ, সংযােজন, সংশােধন, সর্বংসহা, সয়ংবরা। ব্যতিক্রম : সম্রাট (সম্ + রাট)। ৫. চু ও জু - এর পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হয়। যেমন –চ + ন = চ + ঞ যাচ্ + না = যাচ্ঞা, রাজ্ + নী = রাজ্ঞী।জ + ন = জ + ঞ, যজ্ + ন = যজ্ঞ,৬. দৃ ও ধ এর পরে ক, চ, ট, ত, প, খ, ছ, ঠ, থ, ফ, থাকলে দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - দ্> ত্ তদ্ + কাল = তৎকালধূ > ত্ ক্ষুধ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।এরূপ —হৃৎকম্প, তৎপর, তত্ত্ব ইত্যাদি।৭. দৃ কিংবা ধূ - এর পরে স্ থাকলে, দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - বিপদ + সংকুল = বিপৎসংকুল।এরূপ — তৎসম।৮. যু - এর পরে ত্ বা থু থাকলে, যথাক্রমে ত্ ও থু স্থানে ট ও ঠ হয়। যেমনকৃষ + তি = কৃষ্টি, ষষ্ + থ্ = ষষ্ঠ। বিসর্গ সন্ধিসংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত বৃ ও স্ অনেক ক্ষেত্রে অঘােষ উম্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ(ঃ) রূপে লেখা হয়। র্ ও সূ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিমালার অন্তর্গত। সে কারণে বিসর্গ সন্ধি ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত। বস্তুত বিসর্গ র্ এবং স্ - এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে :১. র - জাত বিসর্গ ও২. সৃ - জাত বিসর্গ।১. র - জাত বিসর্গ : র স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে র - জাত বিসর্গ। যেমন:অন্তর অন্তঃ, প্রাতরপ্রাতঃ, পুনর – পুনঃ ইত্যাদি।২. স - জাত বিসর্গ : স্ স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে স্ - জাত বিসর্গ। যেমন :নমস্ – নমঃ, পুরস্ – পুরঃ, শিরস্ – শিরঃ ইত্যাদি।বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র ও স্ - এর সাথে স্বরধ্বনির কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।বিসর্গ সন্ধি দুইভাবে সাধিত হয়:১. বিসর্গ + স্বর এবং২. বিসর্গ + ব্যঞ্জন।১. বিসর্গ ও স্বরের সন্ধিঅ - ধ্বনির পরস্থিত (অঘােষ উধ্বনি) বিসর্গের পর অ ধ্বনি থাকলে অ + ও + অ – এ তিনে মিলে ও - কার হয়। যেমন - ততঃ + অধিক = ততােধিক।২. বিসর্গ ও ব্যঞ্জনের সন্ধি১. অ - কারের পরস্থিত স - জাত বিসর্গের পর ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্যধ্বনি কিংবা অন্তস্থ য, অন্তস্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ - কার ও স্ - জাত বিসর্গ উভয় স্থলে ও - কার হয়। যেমন – তিরঃ + ধান = তিরােধান, মনঃ + ম = মনােরম, মনঃ + হর = মনােহর, তপঃ + বন = তপােবন ইত্যাদি। ২. অ - কারের পরঙ্খিত রূ - জাত বিসর্গের পর উপযুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনােটি থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন— অন্তঃ + গত = অন্তর্গত, অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান, পুনঃ + আয় = পুনরায়, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত, অহঃ + অহ = অহরহ। এরূপ — পুনর্জন্ম, পুনর্বার, প্রাতরুথান, অন্তর্ভুক্ত, পুনরপি, অন্তবর্তী ইত্যাদি। ৩. অ ও আ ভিন্ন অন্য ঘরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ - এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন - নিঃ + আকার = নিরাকার, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ, দুঃ + যােগ = দুর্যোগ ইত্যাদি। এরূপ – নিরাকরণ, জ্যোতির্ময়, প্রাদুর্ভাব, নির্জন, বহির্গত, দুর্লোভ, দুরন্ত ইত্যাদি। ব্যতিক্রম : ই কিংবা উ ধ্বনির পরের বিসর্গের সঙ্গে ‘র’ এর সন্ধি হলে বিসর্গের লােপ হয় ও বিসর্গের পূর্ববর্তী ব্ৰস ঘর দীর্ঘ হয়। যেমন –নিঃ + রব = নীরব, নিঃ + রস = নীরস ইত্যাদি।৪. বিসর্গের পর অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে দন্ত্য শিশ ধ্বনি হয়। যেমনঃ ঃ + চ + ছ = শ + চ / ছ নিঃ + চয় = নিশ্চয়, শিরঃ + ছেদ = শিরচ্ছেদ। ঃ + ট /ঠ = ষ + ট ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার, নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর। ঃ + ত + থ = স + ত + থ দুঃ + তর = দুস্তর, দুঃ + থ = দুস্থ। ৫. অঘােষ অল্পপ্রাণ ও অঘােষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘােষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ হলে অঘোেষ মূর্ধন্য শিশূ ধ্বনি (ষ) হয়। যেমন - অ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = স + ক নমঃ + কার = নমস্কার। অ এর পরে বিসর্গ ঃ + খ = স + খ পদঃ + খলন = পদখলন। ই এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক নিঃ + কর = নিষ্কর। উ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক দুঃ + কর = দুষ্কর। এরূপ – পুরস্কার, মনস্কামনা, তিরস্কার, চতুষ্পদ, নিষ্ফল, নিস্পাপ, দুষ্প্রাপ্য, বহিস্কৃত, দুস্কৃতি, আবিষ্কার, চতুষ্কোণ, বাচস্পতি, ভাস্কর ইত্যাদি। ৬. কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে সন্ধির বিসর্গ লােপ হয় না। যেমন - প্রাতঃ + কাল = প্রাতঃকাল মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া ৭. যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনি ত, স্থ কিংবা স পরে থাকলে পূর্ববর্তী বিসর্গ অবিকৃত থাকে অথবা লােপ পায়। যেমন— নিঃ + স্তন্ধ = নিঃস্তব্ধ কিংবা নিস্তব্ধ। দুঃ + থ = দুঃস্থ কিংবা দুস্থ। নিঃ + প = নিঃস্পন্দ কিংবা নিস্পন্দ। সন্ধি বিচ্ছেদ : আলোচনার সারসংক্ষেপসন্ধি বিচ্ছেদ এর উপরিউক্ত আলোচনা আপনার ভাল না লাগাই স্বাভাবিক। ফাঁকি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ২১০টি সন্ধি বিচ্ছেদ ঝেড়ে ফেলুন। ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ১ অক্ষৌহিণী = অক্ষ + ঊহিণী ৭ মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড ২ কুলটা = কুল + অটা ৮ রক্তোষ্ঠ = রক্ত + ওষ্ঠ ৩ গবাক্ষ = গাে + অক্ষ ৯ শারঙ্গ = শার + অঙ্গ ৪ গবেন্দ্র = গাে + ইন্দ্র ১০ শুদ্ধোধন = শুদ্ধ + ওদন ৫ গবেশ্বর = গাে + ঈশ্বর ১১ সীমন্ত = সীমন + অত ৬ প্রৌঢ় = প্র + ঊঢ় ১২ স্বৈর = স্ব + ঈর ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ১ অহর্নিশ = অহঃ + নিশ ৫ মনঃকষ্ট = মনঃ + কষ্ট ২ আস্পদ = আঃ + পদ ৬ শিরঃপীড়া = শিরঃ + পীড়া ৩ প্রাতঃকাল = প্রাতঃ + কাল ৭ হরিশ্চন্দ্র = হরিঃ + চন্দ্র ৪ বাচস্পতি = বাচঃ + পতি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ১ আশ্চর্য = আ + চর্য ৭ পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি ২ একাদশ = এক + দশ ৮ পরস্পর = পর + পর ৩ গােস্পদ = গাে + পদ ৯ বনস্পতি = বন + পতি ৪ ঘােড়শ = ষ + দশ ১০ বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি ৫ তস্কর = তৎ + কর ১১ মনীষা = মনস + ঈষা ৬ দ্যুলােক = দিক্ + লােক ১২ ষােড়শ = ষট্ + দশ ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ১ অন্যান্য = অন্য + অন্য ২ শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ১ উত্থান = উৎ + স্থান ৫ সংস্কার = সম + কার ২ উত্থাপন = উৎ + স্থাপন ৬ সংস্কৃত = সম + কৃত ৩ পরিকৃত = পরি + কৃত ৭ সংস্কৃতি = সুম + কৃতি ৪ পরিষ্কার = পরি + কার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ১ অতএব = অতঃ + এব ২১ দুস্থ = দুঃ + থ ২ অন্তর্লীন = অন্তঃ + লীন ২২ ধনুষ্টঙ্কার = ধনুঃ + টঙ্কার ৩ অহরহ = অহঃ + অহ ২৩ নিরাকার = নিঃ + আকার ৪ আবিষ্কার = আবিঃ + কার ২৪ নিশ্চয় = নিঃ + চয়ন ৫ আশীর্বাদ = আশীঃ + বাদ ২৫ নীরব = নিঃ + রব ৬ ইতস্তত = ইতঃ + তত ২৬ নীরস = নিঃ + রস ৭ চতুষ্কোণ = চতুঃ + কোণ ২৭ পুনরায় = পুনঃ + আয় ৮ যশােচ্ছা = যশঃ + ইচ্ছা ২৮ পুনর্জন্ম = পুনঃ + জন্ম ৯ যশােভিলাষ = যশঃ + অভিলাষ ২৯ প্রাতরাশ = প্রাতঃ + আশ ১০ যশােলাভ = যশঃ + লাভ ৩০ পুরস্কার = পুরঃ + কার ১১ তিরস্কার = তিরঃ + কার ৩১ বহিষ্কার = বহিঃ + কার ১২ ততােধিক = ততঃ + অধিক ৩২ ভাস্কর = ভাঃ + কর ১৩ তপােধিক্য = তপঃ + আধিক্য ৩৩ ভ্রাতুস্পুত্র = ভ্রাতুঃ + পুত্র ১৪ তপােবন = তপঃ + বন ৩৪ মনােজ = মনঃ + জ ১৫ দ্বিরাগমন = দ্বিঃ + আগমন ৩৫ মনােযােগ = মনঃ + যােগ ১৬ দুরাত্মা = দুঃ + আত্মা ৩৬ মনােহর = মনঃ + হর ১৭ দুর্যোগ = দুঃ + যােগ ৩৭ শিরােপরি = শিরঃ + উপরি ১৮ দুরবস্থা = দুঃ + অবস্থা ৩৮ শিরচ্ছেদ = শিরঃ + ছেদ ১৯ দুর্লোভ = দুঃ + লােভ ৩৯ শ্রেয়স্কর = শ্রেয়ঃ + কর ২০ দুস্তর = দুঃ + তরকার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ১ অহংকার = অহম্ + কার ৩১ বাগলােপ = বাক্ + লােপ ২ উচ্চারণ = উৎ + চারণ ৩২ বাঙ্ময় = বাক্ + ময় ৩ উচ্ছ্বাস = উৎ + শ্বাস ৩৩ বিচ্ছেদ = বি + ছেদ ৪ উজ্জ্বল = উৎ + জ্বল ৩৪ বুদ্ধ = বুধ + ত ৫ উডডীন = উৎ + ডীন ৩৫ বরঞ্চ = বরম্ + চ ৬ উদ্যোগ = উৎ + যােগ ৩৬ বসুন্ধরা = বসুম্ + ধরা ৭ উদ্যম = উৎ + যম ৩৭ মুখচ্ছবি = মুখ + ছবি ৮ উদ্ধৃঙ্খল = উৎ + শৃঙ্খল ৩৮ রাজ্ঞী = রাজ + নী ৯ উদ্ধত = উৎ + হত ৩৯ শঙ্কা = শম্ + কান ১০ কিংবা = কিম্ + বা ৪০ শরচ্চন্দ্র = শরৎ + চন্দ্র ১১ কিন্তু = কিম্ + তু ৪১ ষড়ঋতু = ষট + ঋতু ১২ কিন্নর = কিম্ + নর ৪২ ষড়ানন = ষট + আনন ১৩ কিম্ভুত = কিম্ + ভূত ৪৩ ষড়যন্ত্র = ষট + যন্ত্র ১৪ কুটিকা = কুৎ + ঝটিকা ৪৪ ষষ্ঠ = ষষ + থ ১৫ কৃদন্ত = কৃৎ + অন্ত ৪৫ সংখ্যা = সম্ + খ্যা ১৬ কৃষ্টি = কৃ + তি ৪৬ সংগত = সম + গত ১৭ ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা ৪৭ সংঘ = সম্ + ঘ ১৮ চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র ৪৮ সংলাপ = সম্ + লাপ ১৯ জগন্নাথ = জগৎ + নাথ ৪৯ সিংহ = সিন্ + হ ২০ যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন ৫০ সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা ২১ যজ্ঞ = যজু + ন ৫১ সচ্চরিত্র = সৎ + চরিত্র ২২ ণিজন্ত = ণিচ্ + অন্ত ৫২ সঞ্চয় = সম্ + চয় ২৩ দিগন্ত = দিক্ + অন্ত ৫৩ সদুপদেশ = সৎ + উপদেশ ২৪ পদ্ধতি = পদ্ + হতি ৫৪ সন্ধান = সম্ + ধান ২৫ পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ ৫৫ স্বয়ংবরা = স্বয়ম্ + বরা ২৬ প্রিয়ংবদা = প্রিয়ম্ + বদা ৫৬ সুবন্ত = সুপ + অন্ত ২৭ বৃক্ষচ্ছায়া = বৃক্ষ - + ছায়া ৫৭ সম্পল্লাভ = সম্পন্ + লাভ ২৮ বাগীশ = বাক্ + ঈশ ৫৮ সম্মান = সম্ + মান ২৯ বাগদত্তা = বাক্ + দত্তা ৫৯ সম্রাট = সম্ + রাট ৩০ বাগধারা = বাক্ + ধারা ৬০ হিংসা = হিন্ + সা ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ১ অত্যন্ত = অতি + অন্ত ৩৭ প্রত্যহ = প্রতি + অহ ২ অধমর্ণ = অধম + ঋণ ৩৮ পশ্বাচার = পশু + আচার ৩ অন্বেষণ = অনু + এষণ ৩৯ পশ্বধম = পশু + অধম ৪ অর্ধেক = অর্ধ + এক ৪০ বেশকম = বেশি + কম ৫ ইত্যাদি = ইতি + আদি ৪১ বধূক্তি = বধূ + উক্তি ৬ উত্তমর্ণ = উত্তম + ঋণ ৪২ বধূৎসব = বধূ + উৎসব ৭ উপযুক্ত = উপরি + উক্ত ৪৩ ভয়ার্ত = ভয় + ঋত ৮ একেক = এক + এক ৪৪ ভবন = ভাে + অন ৯ একোন = এক + উন ৪৫ মাত্ৰাদেশ = মাতৃ + আদেশ ১০ একত্রিত = একত্র + ইত ৪৬ মাত্রুপদেশ = মাতৃ + উপদেশ ১১ কাঁচকলা = কাঁচা + কলা ৪৭ মিশকাল = মিশি + কাল ১২ কথােপকথন = কথা + উপকথন ৪৮ মতৈক্য = মত + ঐক্য ১৩ কথামৃত = কথা + অমৃত ৪৯ মন্বন্তর = মনু + অন্তর ১৪ ক্ষুধার্ত = ক্ষুধা + ঋত ৫০ মস্যাধার = মসী + আধার ১৫ গায়ক = গৈ + অক ৫১ মহৈশ্বর্য = মহা + ঐশ্বর্য ১৬ গত্যন্তর = গতি + অন্তর ৫২ মহৌষধি = মহা + ওষধি ১৭ গবেষণা = গাে + এষণা ৫৩ রাজর্ষি = রাজা + ঋষি ১৮ চন্দ্রানন = চন্দ্র + আনন ৫৪ রত্নাকর = রত্ন + আকর ১৯ জনৈক = জন + এক ৫৫ রবীন্দ্র = রবি + ইন্দ্র ২০ যথার্থ = যথা + অর্থ ৫৬ লঘূর্মি = লঘু + ঊর্মি ২১ যদ্যপি = যদি + অপি ৫৭ লবণ = লাে + অন ২২ তথৈবচ = তথা + এবচ ৫৮ শায়ন = শে + অন ২৩ তষী = তনু + ঈ ৫৯ শীতার্ত = শীত + ঋত ২৪ তৃষ্ণার্ত = তৃষ্ণা + ঋত ৬০ শতেক = শত + এক ২৫ ধর্মাধর্ম = ধর্ম + অধর্ম ৬১ শুভেচ্ছা = শুভ + ইচ্ছা ২৬ নিন্দাহ = নিন্দা + অর্থ ৬২ সৃক্ত = সু + উক্ত ২৭ নীলােৎপল = নীল + উৎপল ৬৩ সানুনাসিক = স + অনুনাসিক ২৮ নদ্যম্বু = নদী + অষু ৬৪ স্বাধিকার = স + অধিকার ২৯ নদপকণ্ঠ = নদী + উপকণ্ঠ ৬৫ স্বাধীন = স্ব + অধীন ৩০ নবােঢ়া = নব + ঊঢ়া ৬৬ স্বেচ্ছা = স + ইচ্ছা ৩১ নরাধম = নর + অধম ৬৭ স্বল্প = সু + অল্প ৩২ নরেন্দ্র = নর + ইন্দ্র ৬৮ হিতােপদেশ = হিত + উপদেশ ৩৩ পিত্রালয় = পিতৃ + আলয় ৬৯ হিতৈষী = হিত + ঐষী ৩৪ পবিত্র = পাে + ইত্ৰ ৭০ হিমাচল = হিম + অচল ৩৫ পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা ৭১ হস্তান্তর = হস্ত + অন্তর ৩৬ প্রত্যেক = প্রতি + এক
অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত-
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
Explanation:
অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত- সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত - শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: বাংলা সাহিত্যে বহু অমর চরিত্রের স্রষ্টাবাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পী বলা হয় তাকে। ছোটবেলায় একবার মাথায় একটা ফোঁড়া হওয়ায় সব চুল ফেলে দেয়া হয়। সেই থেকে সবাই তাকে ডাকতো ‘ন্যাড়া’ বলে। নামটি শুনে কিছু মনে পড়লো কি? নিশ্চয়ই ‘বিলাসী’ গল্পের কথা। পাঠ্যবইয়ের বদৌলতে প্রায় সবাই - ই পড়েছেন হয়তো। মৃত্যুঞ্জয়ের সকল গল্পের ঝুলি নিয়ে পাঠকদের কাছে যে গল্প বলেছিলো, সে কথকের নামও কিন্তু ছিল ‘ন্যাড়া’। এই দুজন ব্যক্তিই এক। আজ আমরা বলছি বিলাসী গল্পের কথক শরৎচন্দ্রের কথা। পুরো নাম শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যিনি ব্যক্তিজীবনেও সাপুড়েদের মতো পটু ছিলেন বিষধর সাপ ধরার ক্ষেত্রে।গল্প - উপন্যাস - প্রবন্ধ সব জায়গায়ই পাঠককূলে সমাদৃত এক সাহিত্যিক। রোম্যান্টিক ট্র্যাজেডি কিংবা সমাজ সংস্কার, আবহমান বাংলার আত্মকথা কিংবা স্যুট - ব্যুট পরা কোনো বিলেতফেরত নায়ক, আত্মত্যাগে নিজেকে বিলীন করে দেয়া নায়িকা কিংবা প্রতিবাদে মাথাচাড়া দেয়া কোনো অরক্ষণীয়া। শরৎচন্দ্র এদের সবাইকেই খুব গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন আমাদের কাছে। নারীর প্রতি বিশেষ একধরনের স্থান থাকতো শরতের গল্প - উপন্যাসে, তার সমসাময়িক অন্যদের মতো নারীকে তিনি শুধু অবলা বলেই রেখে দেননি, তাদের মুখে বুলি ফুটিয়েছেন, কিছুটা হলেও তাকে দাঁড় করিয়েছেন সমাজের স্রোতের বিরুদ্ধে। রবি ঠাকুরের হৈমন্তী যখন স্বামী সংসার আর যৌতুকের পরাকাষ্ঠার বলি হয়, শরতের বিলাসী তখনো লড়ে যাচ্ছে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু জয়ে।শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮); The New Nationsতার চরিত্রগুলোর অনেকেই আত্মজৈবনিক। বলা যায়, তার জীবনদর্শন ও বিশ্বাস প্রতিফলিত হয়েছে তাদের মধ্য দিয়ে। তার চরিত্রগুলোর কেউ কারো চেয়ে কম নয়। সবাই নিজস্ব আবেদনে ভাস্বর। কোন পরিস্থিতিতে কোন চরিত্র ঠিক কীরকম আচরণ করবে, তা যেন পাঠকের কাছে একধরনের চমক। এই ‘চরিত্রহীন’ - এর সতীশের কথাই ধরা যাক না, মাতাল এবং খামখেয়ালী সতীশকে কোনো পাঠক কি একটু সময়ের জন্যও ভালো না বেসে পেরেছেন? কারণ সে সবসময় একটা সমান্তরাল চরিত্রে অবতীর্ণ হয়ে গিয়েছে উপন্যাস জুড়ে, সাবিত্রীর প্রতি তার প্রেম সতীশের জন্য আপনাকে কখনোই কোনো ভালো না লাগা আনতে দেবে না। আর কিরণময়ী? রহস্যময়ী সেই সিঁড়ির কাছটাতে সতীশ ও উপেনের প্রথম দেখা মুখ, সময়ের প্রবাহমানতায় যার প্রতি প্রচন্ড রাগ হবে! কিন্তু তারপরও তাকে কাছে টানতেই হয়। কি এক অদ্ভুত আকর্ষণী শক্তি এদের যে কখনো কোনো নেতিবাচক চরিত্রকেও ঠিক দূরে ঠেলে দেয়া যায় না। এদের জন্যও একটা মায়া কাজ করতে থাকে। সংস্কারাচ্ছন্ন সমাজে পরিবর্তনের জোয়ার বয়েছে শরত - রচনায়।‘দেবদাস’ উপন্যাসে দেবদাস কিংবা পার্বতী, চন্দ্রমুখী কিংবা চুনিলাল। ভুল এরা করেই গিয়েছে কাহিনীর বিভিন্ন অংশে, তারপরেও সেসব ভুলকে একটা মায়ার দৃষ্টি থেকে দেখবার জায়গা করে দিয়েছেন শরৎচন্দ্র। একে অপরকে এতো ভালোবাসবার পরও দেবদাস - পার্বতী নিজেদের সাথে এমন কেন করে? ঠিক এই প্রশ্নের জবাবে লেখক দিয়েছেন আত্মসম্মানের ব্যাখ্যা। কখনো কখনো ব্যক্তিপ্রেমের চাইতেও আত্মসম্মান কত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে এবং তখন প্রেমও এই সীমানা অতিক্রম করতে পারে না। এদের প্রেমটাও ঠিক তেমনই। পড়তে পড়তে খারাপ লাগে, তারপর আবার মনে হয়, “নাহ ঠিকই আছে!”। এভাবে চরিত্র আর কাহিনীর মধ্য দিয়ে চলতে চলতে কোনো এক পথের মোড়ে এসে লেখক যেন একটা দ্বিধা সৃষ্টি করে দেন পাঠকমনে। এর ব্যাখ্যা চেয়ে বসেন হঠাৎ করেই। পাঠক যখন নিজের মতো করে একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে চায়, “এ ভালো ও মন্দ” - এমন একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে চায়, ঠিক তখনই পাশার দান উল্টে দেবার মতো করে লেখক সিদ্ধান্ত দেন। ভালো বা মন্দের সীমানা ছাড়িয়ে চরিত্রগুলো তখন হয়ে ওঠে সময় ও স্থানের মুখাপেক্ষী, তারা পরিচালিত হতে থাকে আপেক্ষিকতার মধ্য দিয়ে। পাঠকেরা একটু আগে নেয়া সিদ্ধান্ত দোলাচলে ভোগে। চরিত্রগুলোর আবেদন ক্রমশ বাড়তে থাকে। এভাবেই বোধ হয় কাহিনীকে ধরে রাখেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।শরৎচন্দ্রের জন্ম হয় ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১৫ই সেপ্টেম্বর (বাংলা ১২৮৩ সালের ৩১শে ভাদ্র) হুগলি জেলায় দেবানন্দপুর গ্রামে। গ্রামটি ইস্টার্ন রেলওয়ের ব্যান্ডেল রেলস্টেশন থেকে দু’মাইল উত্তর - পশ্চিমে অবস্থিত। তার পিতার নাম মতিলাল চট্টোপাধ্যায় এবং মাতার নাম ভুবনমোহিনী দেবী। তার ভাইবোনেরা হলেন অনিলা দেবী, প্রভাসচন্দ্র, প্রকাশচন্দ্র, সুশীলা দেবী। বোনের নামে ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামেও তিনি লিখেছেন।লেখালেখির শুরুটা হয়েছিল কিশোরবেলাতেই, এরপর আর থেমে থাকা হয়নি; Sourcee: subhaditya - infoworld.blogspot.comশরৎচন্দ্রের পিতা প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কিছুদিন এফ.এ. পড়েছিলেন। অস্থিরচিত্ত ও অনেকটা ভবঘুরে প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় অল্প কিছুদিন চাকরি করা ছাড়া আর তেমন কিছু করা হয়ে ওঠেনি। তিনি গল্প - উপন্যাসও লিখতেন; যদিও চিত্তচাঞ্চল্যের কারণে কোনো লেখা সম্পূর্ণ করতেন না। আর্থিক অসচ্ছলতা জন্য তিনি প্রায় সময়ই পরিবার নিয়ে ভাগলপুরে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। তাই শরৎচন্দ্রের ছেলেবেলার অনেকগুলো বছর কেটেছিল ভাগলপুরে, মাতুলালয়ে।ছোটবেলায় শরৎচন্দ্রকে ভর্তি করানো হয় প্যারী পন্ডিতের পাঠশালায়। ছাত্র হিসেবে মেধাবী হলেও, স্বভাবে ছিলেন প্রচুর দুরন্ত। তার দৌরাত্ম্যে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়তো। পিতামহী ছিলেন তাকে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলতেন, “ন্যাড়া একটু দুরন্ত আছে বটে, কিন্তু বড় হলেই ঠান্ডা হয়ে যাবে”।দু - তিন বছর এখানে পড়ার পর এলাকায় একটি সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের বাংলা স্কুল স্থাপিত হলে, তাকে এতে ভর্তি করানো হয়। এখানেও বছর তিনেক পড়াশোনা করেন তিনি।১৮৯২ সালে ১৬ বছর বয়সে তার জীবনে সাহিত্যচর্চার শুরু হয়। প্রথমেই গল্প রচনা করেন। ‘কাশীনাথ’, ‘ব্রহ্মদৈত্য’, ‘কাকবাসা’ এগুলো তার প্রথমদিকের রচনা। ১৮৯৪ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন।এই সাহিত্যিকের বাল্যকালের স্মৃতিতে উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় ছিলো ‘ভাগলপুর সাহিত্য সভা’। ১৮৯৪ সালেই এর স্থাপনা হয়।এ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁর ‘বাল্য স্মৃতি’ প্রবন্ধে তিনি বলেন,আমি ছিলাম সভাপতি, কিন্তু আমাদের সাহিত্য সভায় গুরুগিরি করিবার অবসর কিংবা প্রয়োজন আমার কোনোকালেই ঘটে নাই। সপ্তাহে একদিন করিয়া সভা বসিত এবং অভিভাবক গুরুজনদের চোখ এড়াইয়া কোনো একটি নির্জন মাঠেই বসিত। জানা আবশ্যক যে, সে - সময়ে সে - দেশে সাহিত্যচর্চা একটি গুরুতর অপরাধের মধ্যেই গণ্য হইত।১৮৯৫ সালে তার মায়ের মৃত্যু হয় এবং অর্থাভাবের দরুন কলেজ ত্যাগ করতে হয়। তারপর ১৯০০ সালে বিহারের গোড্ডায় রাজ বনালী এস্টেটে একটি চাকরি পান। কিন্তু পিতার অনেক বৈশিষ্ট্য তার মধ্যেও ছিল। সে চাকরি তিনি ছেড়ে দেন এবং এরপর কিছুদিন সাঁওতাল পরগণায় সেটেলমেন্টে কাজে যোগ দেন। ১৯০৩ সালে তার পিতাও ইহলোক ত্যাগ করেন এবং তিনি তখন হাইকোর্টে অনুবাদকের কাজ নেন। সে বছরই ‘মন্দির’ নামে তার প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়। গল্পটি মামা সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে কুন্তলীন প্রতিযোগিতায় পাঠানো হয়েছিলো। তার প্রথম মুদ্রিত রচনাটি তার নিজের নামেই প্রকাশ পায়নি, ভাগ্যের অদ্ভুত চক্র! সেবার দেড়শ গল্পের মধ্যে ‘মন্দির’ শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছিলো ‘বসুমতি’ পত্রিকার সম্পাদক জলধর সেন দ্বারা।শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ এর নামচরিত্রটি অনেকাংশে তার নিজের উপর ভিত্তি করেই সৃষ্টি। শ্রীকান্তের মতোই তিনিও বার্মা তথা বর্তমান মায়ানমারে ভাগ্যান্বেষণে যাত্রা করেন ১৯০৩ সালেই। রেঙ্গুনে থাকা অবস্থাতেই তিনি বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রী শান্তিদেবী ও এক বছর বয়সী পুত্রসন্তানের প্লেগে মৃত্যু হয়। এরপর মোক্ষদা দেবীর পিতার বিশেষ অনুরোধে শরৎচন্দ্র তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর মোক্ষদার নাম পাল্টে তিনি রেখেছিলেন হিরন্ময়ী।ভারতের মুক্তি আন্দোলনে সশস্ত্র বিপ্লবীদের প্রতি তার ছিল পূর্ণ সমর্থন; Source: subhaditya - infoworld.blogspot.comশরৎচন্দ্র হাওড়া কংগ্রেসে সভাপতি ছিলেন, কিন্তু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাকে সবসময়ই সশস্ত্র বিপ্লবীদের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তিনি ১৯২২ সালে তাই একবার কংগ্রেস ত্যাগ করতে চান, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ তাকে বাধা দেন। তিনি সশস্ত্র সংগ্রামীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগও রাখতেন। বিপ্লবী বিপিন গাঙ্গুলী তার মামা ছিলেন। তার ভালো সম্পর্ক ছিল বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্সের সর্বাধিনায়ক হেমযন্দ্র ঘোষ, কাকোরী ষড়যন্ত্র মামলার আসামী বিপ্লবী শ্চীন স্যান্যাল, বারীন ঘোষ, উপেন বন্দোপাধ্যায়, অমরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখের সঙ্গে। শরৎচন্দ্র বিপ্লবীদের নিজের রিভলবার, বন্দুকের গুলি দিয়ে এবং আর্থিকভাবে সাহায্য করতেন। মাস্টারদা সূর্য সেনকেও তিনি আন্দোলনের কাজের জন্য অর্থ দিয়েছিলেন।আত্মপ্রচারবিমুখ ছিলেন এই লেখক। পরিচিতদের মধ্যে নিজস্ব বৃত্তে স্বচ্ছন্দ থাকতেন, ছিলেন হাস্যরসে ভরপুর এবং প্রচণ্ড পারিবারিক। বেশভূষার ক্ষেত্রে শৌখিনতা ছিল। দক্ষ সাঁতারু হবার পাশাপাশি শিকারেও পারদর্শী ছিলেন, কিন্তু পরে শিকার করা ছেড়ে দেন। হয়তো একটা সময় জীবপ্রেম এতটাই প্রকট হয়ে ওঠে তার মধ্যে, তখন আর শিকারী পরিচয় তার কাছে বোঝার মতো ঠেকতো। এরপর অনেক বছর তিনি সি.এস.পি.সি.এ. অর্থাৎ কলকাতা পশুক্লেশ নিবারণী সমিতির হাওড়া শাখার চেয়ারম্যান ছিলেন। ‘মহেশ’ গল্পে তার জীবপ্রেমের প্রকাশ ঘটেছে।১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি.লিট উপাধি লাভ করেন। এছাড়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পেয়েছিলেন জগত্তারিণী পদক। লেখক পরিচয় তার জীবনে প্রবল ভূমিকা নিয়েছে, কিন্তু গায়ক, বাদক, চিকিৎসক ও চিত্রশিল্পী হিসেবেও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন।জীবনের শেষ ক’টি বছর অসুস্থতার দরুন অনেক ভুগেছেন তিনি। যকৃতে ক্যান্সার হয়েছিলো, যা পরে পাকস্থলীও আক্রান্ত করে। কলকাতার একটি ইউরোপিয়ান নার্সিং হোমে তার পেটে অপারেশন করা হয়েছিলো। কিন্তু অপারেশনের চারদিন পর, ১৯৩০ সালের ১৬ই জানুয়ারি মৃত্যু হয় তার।তার সবচেয়ে জনপ্রিয় রচনার একটি ‘শ্রীকান্ত’; Source: subhaditya infoworld.blogspot.comশরৎচন্দ্র সৃষ্ট রাজলক্ষ্মী - শ্রীকান্ত - ইন্দ্রলাল, রমা - রমেশ, সব্যসাচী, বড়দিদি, সতীশ - সাবিত্রী, বিলাসী সহ আরো বহু অমর চরিত্র বাংলা সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধতর। তার শক্তিশালী লেখনী ও সমাজকদে ভিন্নভাবে দেখবার চোখ সাহিত্যজগতে যুক্ত করেছে বহু কালজয়ী রচনা, যার আবেদন পাঠকসমাজে বছরের পর তাকে জীবিত রাখবে একজন অপরাজেয় কথাশিল্পীর পরিচয়ে।সুত্রঃ রোর বাংলা
'মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রুপ!' এই বাক্যে মর মরি-
Correct Answer:
ঘ: অনন্বয়ী অব্যয়
Explanation:
'মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রুপ!' এই বাক্যে মর মরি- সঠিক উত্তর অনন্বয়ী অব্যয় 'মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রুপ!' এই বাক্যে মর মরি - অনন্বয়ী অব্যয়অনন্বয়ী অব্যয় : যেসব অব্যয় বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে । যেমন - ভাব প্রকাশে মরি মরি !কী সুন্দর প্রভাতের রূপ! স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপনে হ্যা, আমি যাব । না, আমি যাব না। সম্মত প্রকাশে আমি আজ আলবত যাব । নিশ্চয়ই পারব অনুমোচনবাচকতায় আপনি ঘখন বলছেন, বেশ তো আমি যাব। সমর্ঘনসূচক জবাবে আপনি যা জানেন তা তো ঠিকই বটে । যন্ত্রণা প্রকাশে উঃ! পায়ে বড্ড লেগেছে । নাঃ ! এ কষ্ট অসহ্য । ঘৃণা বা বিরক্তি প্রকাশে ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ! সম্বোধনে ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে । সম্ভাবনায় সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, পাছে লোকে কিছু বলে। অনিশ্চিয়তা কে জানে দেশে সুদিন আবার আসবে কিনা। আনন্দ প্রকাশে আ মরি বাংলা ভাষা ।
বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী কোন দুটি বানান শুদ্ধ?
Correct Answer:
ক: হাতি/হাতী
Explanation:
বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী কোন দুটি বানান শুদ্ধ? সঠিক উত্তর হাতি/হাতী বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী হাতি/হাতী শব্দ দুটির বানান শুদ্ধনারী - মহিলা; নাড়ী - শিরা; নারি - না পারি; নিম্নে কিছু অশুদ্ধ - শুদ্ধ বানান তুলে ধরা হল: অশুদ্ধ - শুদ্ধ অশুদ্ধ - শুদ্ধ অংক - অঙ্ক অংকন - অঙ্কন অংকুর - অঙ্কুর অংগ - অঙ্গ অংগন - অঙ্গন অংগাংগী - অঙ্গাঙ্গি অকল্যান - অকল্যাণ অকারন - অকারণ অগ্রগন্য - অগ্রগণ্য অগ্রহায়ন - অগ্রহায়ণ অচিন্ত - অচিন্ত্য অচিন্ত্যনীয় - অচিন্তনীয় অঞ্জলী - অঞ্জলি অণ্বেষণ - অন্বেষণ অতিথী - অতিথি অতিব - অতীব অতিষ্ট - অতিষ্ঠ অত্যাধিক - অত্যধিক অত্যান্ত - অত্যন্ত অদ্ভূত - অদ্ভুত অদ্যপি - অদ্যাপি অদ্যবদি - অদ্যাবধি অধঃস্তন - অধস্তন অধিকরন - অধিকরণ অধীনস্ত - অধীনস্থ অধ্যাবসায় - অধ্যবসায় অধ্যায়ণ - অধ্যয়ন অধ্যূষিত - অধ্যুষিত অনিন্দসুন্দর - অনিন্দ্যসুন্দর অনিষ্ঠ - অনিষ্ট অনু - অণু অনুকুল - অনুকূল অনুর্ধ্ব - অনূর্ধ্ব অনুসঙ্গ - অনুষঙ্গ অন্তঃসত্তা - অন্তসত্ত্বা অন্তকরণ - অন্তঃকরণ অন্তর্ভূক্ত - অন্তর্ভুক্ত অন্তর্মুখি - অন্তর্মুখী অন্যমনষ্ক - অন্যমনস্ক অপসৃয়মান - অপসৃয়মাণ অপাংক্তেয় - অপাঙ্ক্তেয় অপেক্ষমান - অপেক্ষমাণ অভিভুত - অভিভূত অভিমুখি - অভিমুখী অভ্যন্তরিক - আভ্যন্তরিক অভ্যস্থ - অভ্যস্ত অমানুসিক - অমানুষিক অমাবশ্যা - অমাবস্যা অমিতাক্ষর - অমিত্রাক্ষর অর্ধ্ব - অর্ধ অর্পণা - অপর্ণা অলংঘ - অলঙ্ঘ্য অশিরিরী - অশরীরী অসুয়া - অসূয়া অস্তমান - অস্তায়মান অহঃরহ - অহরহ আঁড়াআড়ি - আড়াআড়ি আঁড়িপাতা - আড়িপাতা আকষ্কিক - আকস্মিক আকাংখা - আকাঙ্ক্ষা আকাবাকা - আঁকাবাঁকা আকুতি - আকূতি আকূল - আকুল আক্রমন - আক্রমণ আটপৌড়ে - আটপৌরে আড়ষ্ঠ - আড়ষ্ট আড়ৎ - আড়ত আতংক - আতঙ্ক আত্মস্যাৎ - আত্মসাৎ আদ্যান্ত - আদ্যন্ত আদ্র - আর্দ্র আনবিক - আণবিক আনুষাঙ্গিক - আনুষঙ্গিক আপাতঃদৃষ্টে - আপাতদৃষ্টে আপাততঃ - আপাতত আপোষ - আপোস আভ্যন্তরীণ - অভ্যন্তরীণ আয়ত্ব - আয়ত্ত আয়ত্বাধীন - আয়ত্তাধীন আরাম্ভ - আরম্ভ আলিংগন - আলিঙ্গন আলোচ্যমান - আলোচ্য আশংকা - আশঙ্কা আশক্তি - আসক্তি আশ্বস্থ - আশ্বস্ত আস্তাকুঁড় - আঁস্তাকুড় ইংগিত - ইঙ্গিত ইতঃস্তত - ইতস্তত ইতিপূর্বে - ইতঃপূর্বে ইতিমধ্যে - ইতোমধ্যে ইদানিং - ইদানীং ইয়ত্বা - ইয়ত্তা ইষ্ঠ - ইষ্ট ইষৎ - ঈষৎ ঈস্পিত - ঈপ্সিত উচিৎ - উচিত উচ্চৈস্বরে - উচ্চৈঃস্বরে উচ্ছ্বল - উচ্ছল উজ্বল - উজ্জ্বল উত্তরন - উত্তরণ উত্তরসুরী - উত্তরসূরি উত্তলন - উত্তোলন উত্যক্ত - উত্ত্যক্ত উদীচি - উদীচী উদ্দান - উদ্যান উদ্দ্যোগ - উদ্যোগ উদ্ধত্য - ঔদ্ধত্য উদ্বিঘ্ন - উদ্বিগ্ন উদ্ভিজ - উদ্ভিজ্জ উদ্ভুত - উদ্ভূত উনবিংশ - ঊনবিংশ উপকুল - উপকূল উপচার্য - উপাচার্য উপরোক্ত - উপরিউক্ত উপলক্ষ্য - উপলক্ষ উভয়চর - উভচর উর্ধ্ব - ঊর্ধ্ব উর্মি - ঊর্মি উশৃঙ্খল - উচ্ছৃঙ্খল উষর - ঊষর উহ্য - ঊহ্য উৎকর্ষতা - উৎকর্ষ ঊনিশ - উনিশ এককৃত - একীকৃত একনিষ্ট - একনিষ্ঠ একভূত - একীভূত একাধিক্রমে - একাদিক্রমে এক্ষুণি - এক্ষুনি এতদ্সঙ্গে - এতৎসঙ্গে এতদ্সত্ত্বেও - এতৎসত্ত্বেও এশিয় - এশীয় ঐকবদ্ধ - ঐক্যবদ্ধ ঐক্যতা - একতা ঐক্যতান - ঐকতান ঐক্যমত - ঐকমত্য ওতঃপ্রোত - ওতপ্রোত ঔচিত্ত - ঔচিত্য কংকণ - কঙ্কণ কংকাল - কঙ্কাল কচিৎ - ক্বচিৎ কটুক্তি - কটূক্তি কতৃক - কর্তৃক কতৃত্ত্ব - কর্তৃত্ব কতৃপক্ষ - কর্তৃপক্ষ কথপোকথন - কথোপকথন কদাচিত - কদাচিৎ কনা - কণা কনিষ্ট - কনিষ্ঠ কন্ঠশিল্পী - কণ্ঠশিল্পী কন্ঠস্ত - কণ্ঠস্থ কয়েদী - কয়েদি করনিক - করণিক কর্তী - কর্ত্রী কর্মচারি - কর্মচারী কলংক - কলঙ্ক কলসী - কলসি কল্যান - কল্যাণ কল্যানীয়াষু - কল্যাণীয়াসু কল্যানীয়েসু - কল্যাণীয়েষু কষ্ঠি - কষ্টি কাঁচ - কাচ কাঁছাকাছি - কাছাকাছি কাংখিত - কাঙ্খিত কাকলী - কাকলি কাচা - কাঁচা কাতলা - কাৎলা কার্যতঃ - কার্যত কিংবদন্তী - কিংবদন্তি কিম্বা - কিংবা কুটনীতি - কূটনীতি কুৎসিৎ - কুৎসিত কূটিল - কুটিল কৃচ্ছতা - কৃচ্ছ্রতা কৃচ্ছসাধন - কৃচ্ছ্রসাধন কৃষিজীবি - কৃষিজীবী কৃষ্টিবান - কৃষ্টিমান কেন্দ্রিয় - কেন্দ্রীয় কেরাণী - কেরানি কোণাকুণি - কোনাকুনি কৌতুহল - কৌতূহল কৌতূক - কৌতুক ক্রুর - ক্রূর ক্ষীয়মান - ক্ষীয়মাণ ক্ষুন্ন - ক্ষুণ্ণ ক্ষুব্দ - ক্ষুব্ধ ক্ষেপন - ক্ষেপণ ক্ষেপনাস্ত্র - ক্ষেপণাস্ত্র খঞ্জনী - খঞ্জনি খুটিনাটি - খুঁটিনাটি খুড়ী - খুড়ি খুশী - খুশি খেতমজুর - ক্ষেতমজুর খেলাধূলা - খেলাধুলা খেলোয়ার - খেলোয়াড় খোজ - খোঁজ খোলাখোলি - খোলাখুলি গংগা - গঙ্গা গগণ - গগন গড্ডালিকা - গড্ডলিকা গত্যান্তর - গত্যন্তর গন - গণ গননা - গণনা গনিত - গণিত গন্য - গণ্য গন্জ - গঞ্জ গবেষনা - গবেষণা গরীব - গরিব গর্ধব - গর্ধভ গাড়ী - গাড়ি গার্হস্থ - গার্হস্থ্য গীর্জা - গির্জা গুড়া - গুঁড়া গুড়ো - গুঁড়ো গুণে গুণে - গুনে গুনে গৃহস্ত - গৃহস্থ গৃহিত - গৃহীত গোধুলি - গোধূলি গোষ্ঠি - গোষ্ঠী গোস্পদ - গোষ্পদ গ্রন্থী - গ্রন্থি গ্রহন - গ্রহণ গ্রহিতা - গ্রহীতা গ্রামীন - গ্রামীণ গ্রীক - গ্রিক গ্রীস - গ্রিস ঘনিষ্ট - ঘনিষ্ঠ ঘরণী - ঘরনি ঘাটি - ঘাঁটি ঘুরাঘুরি - ঘোরাঘুরি ঘুর্ণীয়মান - ঘূর্ণায়মান ঘুর্নি - ঘূর্ণি ঘুসখোর - ঘুষখোর ঘূণ - ঘুণ ঘোষনা - ঘোষণা ঘ্রান - ঘ্রাণ চত্তর - চত্বর চরক - চড়ক চাকরানী - চাকরানি চাকরী - চাকরি চাকুরী - চাকুরী চাতুর্যতা - চাতুর্য চীৎকার - চিৎকার চুড়মার - চুরমার চুড়ান্ত - চূড়ান্ত চূষ্য - চোষ্য চৌচিড় - চৌচির ছাকনি - ছাঁকনি ছাকা - ছাঁকা ছাত্রীবাস - ছাত্রীনিবাস ছোওয়া - ছোঁয়া ছোকড়া - ছোকরা ছোটখাট - ছোটোখাটো ছোটাছোটি - ছোটাছুটি জংগল - জঙ্গল জগত - জগৎ জঘণ্য - জঘন্য জটীল - জটিল জবানবন্দী - জবানবন্দি জরুরী - জরুরি জাগরুক - জাগরূক জাতিয় - জাতীয় জাতী - জাতি জাতীয়করন - জাতীয়করণ জানুয়ারী - জানুয়ারি জিনিষ - জিনিস জীবীকা - জীবিকা জেষ্ঠ্য - জ্যেষ্ঠ জৈষ্ঠ্য - জ্যৈষ্ঠ জ্বরাজীর্ণ - জরাজীর্ণ টাকশাল - টাঁকশাল টেঁকসই - টেকসই ডাইনী - ডাইনি তক্ষুণি - তক্ষুনি তছরূপ - তছরুপ তড়িত - তড়িৎ ততক্ষণাৎ - তৎক্ষণাৎ ততধিক - ততোধিক তত্তজ্ঞান - তত্ত্বজ্ঞান তত্তাবদায়ক - তত্ত্বাবধায়ক তত্তাবধান - তত্ত্বাবধান তদসংক্রান্ত - তৎসংক্রান্ত তদানুসারে - তদনুসারে তদ্রুপ - তদ্রূপ তফাত - তফাৎ তরংগ - তরঙ্গ তরান্বিত - ত্বরান্বিত তর্জনি - তর্জনী তষ্কর - তস্কর তাঁতী - তাঁতি তাবত - তাবৎ তিতীক্ষা - তিতিক্ষা তিরষ্কার - তিরস্কার ত্বরিৎ - ত্বরিত ত্যজ্য - ত্যাজ্য ত্রান - ত্রাণ ত্রিভূজ - ত্রিভুজ তৎবিষয়ক - তদ্বিষয়ক থুত্থুরে - থুত্থুড়ে দক্ষিন - দক্ষিণ দণ্ডবত - দণ্ডবৎ দরকারী - দরকারি দরুণ - দরুন দারিদ্রতা - দরিদ্রতা, দারিদ্র দারুন - দারুণ দিকভ্রান্ত - দিগভ্রান্ত দিক্ষা - দীক্ষা দিঘী - দিঘি দীর্ঘসূত্রিতা - দীর্ঘসূত্রতা দুতাবাস - দূতাবাস দুরবীক্ষন - দূরবীক্ষণ দুরাবস্থা - দুরবস্থা দুষ - দোষ দুষ্কৃতীকারী - দুষ্কৃতকারী দূরবীক্ষন - দূরবীক্ষণ দূরবীণ - দূরবীন দূরারোগ্য - দুরারোগ্য দূরুহ - দুরূহ দূর্গ - দুর্গ দৃঢ়করণ - দৃঢ়ীকরণ দৃষ্টিকোন - দৃষ্টিকোণ দৃষ্ঠিভঙ্গি - দৃষ্টিভঙ্গি দেদীপ্যমাণ - দেদীপ্যমান দেরী - দেরি দৈনতা - দীনতা, দৈন্য দোষনীয় - দূষণীয় দৌরাত্ম - দৌরাত্ম্য দ্বন্দ - দ্বন্দ্ব দ্বিতীয়তঃ - দ্বিতীয়ত ধজা - ধ্বজা ধরণ - ধরন ধাধা - ধাঁধা ধারন - ধারণ ধারনা - ধারণা ধুমপান - ধূমপান ধুর্ত - ধূর্ত ধুলি - ধূলি ধুসর - ধূসর ধূলা - ধুলা ধ্বনী - ধ্বনি ধ্বস - ধ্স ধ্বস্তাধ্বস্তি - ধ্স্তাধস্তি নচেত - নচেৎ নচ্ছাড় - নচ্ছাড় নবীণ - নবীন নমষ্কার - নমস্কার নিক্কন - নিক্বণ নিন্দ্যনীয় - নিন্দনীয় নিরব - নীরব নিরস - নীরস নিরুপন - নিরূপণ নিরোগ - নীরোগ নির্দোষী - নির্দোষ নির্ধনী - নির্ধন নির্নয় - নির্ণয় নিস্কাশন - নিষ্কাশন নিস্প্রভ - নিষ্প্রভ নিস্প্রয়োজন - নিষ্প্রয়োজন নিহারীকা - নীহারিকা নীচে - নিচে নীজ - নিজ নীরলস - নিরলস নূন্যতম - ন্যূনতম নৃসংশ - নৃশংস নৈশব্দ্য - নৈঃশব্দ্য ন্যয় - ন্যায় ন্যয্য - ন্যায্য পংক - পঙ্ক পংক্তি - পঙক্তি পক্ক - পক্ব পড়শী - পড়শি পড়াশুনা - পড়াশোনা পথমধ্যে - পথিমধ্যে পথিকৃত - পথিকৃৎ পন্য - পণ্য পরবর্তীতে - পরবর্তীকালে পরমানু - পরমাণু পরমানু - পরমাণু পরষ্পর - পরস্পর পরাস্থ - পরাস্ত পরিনাম - পরিণাম পরিবহণ - পরিবহন পরিমান - পরিমাণ পরিষ্ফুট - পরিস্ফুট পরিস্কার - পরিষ্কার পশ্চাদপট - পশ্চাৎপট পশ্চাদপদ - পশ্চাৎপদ পশ্চাৎগামী - পশ্চাদগামী পশ্চাৎভূমি - পশ্চাদভূমি পারদর্শীতা - পারদর্শিতা পারমানবিক - পারমাণবিক পার্বন - পার্বণ পালংক - পালঙ্ক পাষান - পাষাণ পিচাশ - পিশাচ পিঠস্থান - পীঠস্থান পিপিলিকা - পিপীলিকা পুংখানুপুংখ - পুঙ্খানুপুঙ্খ পুজা - পূজা পুণবিবেচনা - পুনর্বিবেচনা পুন্য - পুণ্য পুরষ্কার - পুরস্কার পুর্ন - পূর্ণ পুস্করিনী - পুষ্করিণী পূজো - পুজো পূবালী - পুবালি পূর্ণগঠন - পুনর্গঠন পৈত্রিক - পৈতৃক পোষাক - পোশাক পৌনঃপৌনিক - পৌনঃপুনিক পৌরহিত্য - পৌরোহিত্য প্রজ্জলন - প্রজ্বলন প্রজ্জলিত - প্রজ্বলিত প্রণয়ণ - প্রণয়ন প্রতিকুল - প্রতিকূল প্রতিযোগীতা - প্রতিযোগিতা প্রত্যয়ণ - প্রত্যায়ন প্রথমতঃ - প্রথমত প্রধানতঃ - প্রধানত প্রনালী - প্রণালী প্রনিধান - প্রণিধান প্রবাহমাণ - প্রবাহমান প্রবীন - প্রবীণ প্রভুত - প্রভূত প্রয়ান - প্রয়াণ প্রশস্থ - প্রশস্ত প্রসংগ - প্রসঙ্গ প্রসংশা - প্রশংসা প্রাংগন - প্রাঙ্গণ প্রাণপন - প্রাণপণ প্রানীজগৎ - প্রাণীজগৎ প্রানীবিদ্যা - প্রাণীবিদ্যা ফলতঃ - ফলত ফলপ্রসু - ফলপ্রসূ ফাল্গুণ - ফাল্গুন ফেব্রুয়ারী - ফেব্রুয়ারি বংগ - বঙ্গ বনষ্পতি - বনস্পতি বনিক - বণিক বন্টন - বণ্টন বন্দোপাধ্যায় - বন্দ্যোপাধ্যায় বয়ষ্ক - বয়স্ক বয়োকনিষ্ট - বয়ঃকনিষ্ঠ বর্ণালী - বর্ণালি বর্ত্তমান - বর্তমান বর্ষন - বর্ষণ বাঁশী - বাঁশি বাকদত্তা - বাগদত্তা বাঞ্চনীয় - বাঞ্ছনীয় বাঞ্চা - বাঞ্ছা বাড়ী - বাড়ি বাদুর - বাদুড় বানিজ্য - বাণিজ্য বিদ্যান - বিদ্বান বিপদগ্রস্থ - বিপদগ্রস্ত বিপদজনক - বিপজ্জনক বিপনন - বিপণন বিপনী - বিপণী বিশ্বস্থ - বিশ্বস্ত বিষ্ফোরণ - বিস্ফোরণ বীভৎস্য - বীভৎস বুদ্ধিজীবি - বুদ্ধিজীবী বেশী - বেশি ব্যকরণ - ব্যাকরণ ব্যপক - ব্যাপক ব্যহত - ব্যাহত ব্যাতিক্রম - ব্যতিক্রম ব্যাথা - ব্যথা ব্যাপি - ব্যাপী ব্যাবধান - ব্যবধান ব্যাবহার - ব্যবহার ব্যাভিচার - ব্যভিচার ব্যায় - ব্যয় ব্যার্থ - ব্যর্থ ব্যুৎপত্তি - বুৎপত্তি ব্রাক্ষণ - ব্রাহ্মণ ভংগ - ভঙ্গ ভংগী - ভঙ্গি ভংগুর - ভঙ্গুর ভনিতা - ভণিতা ভবিষ্যৎবাণী - ভবিষ্যদ্বাণী ভরনপোষণ - ভরণপোষণ ভষ্ম - ভস্ম ভাষ্কর - ভাস্কর ভিখারী - ভিখারি ভিরু - ভীরু ভীড় - ভিড় ভুড়ি - ভুঁড়ি ভুতপূর্ব - ভূতপূর্ব ভুমিষ্ট - ভূমিষ্ঠ ভুয়সী - ভূয়সী ভুরিভোজন - ভূরিভোজন ভূবন - ভুবন ভূয়া - ভুয়া ভূল - ভুল ভৌগলিক - ভৌগোলিক ভ্রমন - ভ্রমণ ভ্রাম্যমান - ভ্রাম্যমাণ ভ্রুক্ষেপ - ভ্রূক্ষেপ মজুরী - মজুরি মণিষা - মনীষা মনমালিন্য - মনোমালিন্য মনিষী - মনীষী মন্ত্রনালয় - মন্ত্রণালয় ময়ুর - ময়ূর মরুদ্যান - মরূদ্যান মশারী - মশারি মস্তিস্ক - মস্তিষ্ক মহত্ত - মহত্ত্ব মহামতী - মহামতি মহামারি - মহামারী মহিয়সী - মহীয়সী মাংশ - মাংস মানিক্য - মানিক মাসী - মাসি মাহাত্ম - মাহাত্ম্য মিতালী - মিতালি মিমাংসা - মীমাংসা মিরিচিকা - মরীচিকা মুখস্ত - মুখস্থ মুঢ় - মূঢ় মুত্র - মূত্র মুদ্রন - মুদ্রণ মুমুর্ষ - মুমূর্ষু মুর্খ - মূর্খ মুর্তি - মূর্তি মুর্ধন্য - মূর্ধন্য মুষ্ঠি - মুষ্টি মুহুর্ত - মুহূর্ত মুহূর্মুহু - মুহুর্মুহু মুহ্যবান - মোহ্যমান/মুহ্যমান মূখ্য - মুখ্য মূল্যায়ণ - মূল্যায়ন মৃয়মান - ম্রিয়মাণ মোটামোটি - মোটামুটি মৌনতা - মৌন যক্ষা - যক্ষ্মা যথেষ্ঠ - যথেষ্ট যদ্যাপি - যদ্যপি যন্ত্রনা - যন্ত্রণা যাদুঘর - জাদুঘর রংগ - রঙ্গ রঙিণ - রঙিন রঙ্গিণ - রঙ্গিন রথি - রথী রসায়ণ - রসায়ন রাংগামাটি - রাঙ্গামাটি রামায়ন - রামায়ণ রাষ্ট্রিয় - রাষ্ট্রীয় রূপায়ন - রূপায়ণ রোপন - রোপণ লংকা - লঙ্কা লংঘন - লঙ্ঘন লক্ষী - লক্ষ্মী লক্ষ্যণীয় - লক্ষণীয় লঘুকরণ - লঘূকরণ লজ্জাষ্কর - লজ্জাকর লবন - লবণ লাইব্রেরী - লাইব্রেরি লাবন্য - লাবণ্য শংকর - শঙ্কর শংকা - শঙ্কা শংকিত - শঙ্কিত শরীক - শরিক শশাংক - শশাঙ্ক শশুর - শ্বশুর শশ্মান - শ্মশান শাড়ী - শাড়ি শাষণ - শাসন শারীরীক - শারীরিক শাশুড়ী - শাশুড়ি শিক্ষাঙ্গন - শিক্ষাঙ্গণ শিরচ্ছেদ - শিরশ্ছেদ শিরধার্য - শিরোধার্য শিরনাম - শিরোনাম শিরমণি - শিরোমণি শুভাকাংখী - শুভাকাঙ্খী শুশ্রুষা - শুশ্রূষা শূণ্য - শুন্য শৃংখলা - শৃঙ্খলা শ্বাশত - শাশ্বত শ্রদ্ধাঞ্জলী - শ্রদ্ধাঞ্জলি শ্রদ্ধাভাজনীয় - শ্রদ্ধাভাজন শ্রদ্ধাষ্পদ - শ্রদ্ধাস্পদ শ্রমজীবি - শ্রমজীবী শ্রাবন - শ্রাবণ শ্রীমতি - শ্রীমতী শ্রেষ্ট - শ্রেষ্ঠ ষষ্ট - ষষ্ঠ ষষ্ঠদশ - ষোড়শ সংগা - সংজ্ঞা সংগী - সঙ্গী সখ - শখ সতীন - সতিন সত্বেও - সত্ত্বেও সত্যয়িত - সত্যায়িত সদ্যজাত - সদ্যোজাত সদ্যস্নাত - সদ্যঃস্নাত সনাক্ত - শনাক্ত সন্মান - সম্মান সন্মানীত - সম্মানীত সন্মুখ - সম্মুখ সন্মেলন - সম্মেলন সমীচিন - সমীচীন সম্বরণ - সংবরণ সম্বর্ধনা - সংবর্ধনা সম্বলিত - সংবলিত সরকারী - সরকারি সরণী - সরণি সরনী - সরণি সর্বাঙ্গীন - সর্বাঙ্গীণ সলজ্জিত - সলজ্জ সশংকিত - সশঙ্ক সহকারি - সহকারী সাংগ - সাঙ্গ সাক্ষাতকার - সাক্ষাৎকার সাড়াশী - সাঁড়াশি সাধারন - সাধারণ সান্তনা - সান্ত্বনা সামগ্রীক - সামগ্রিক সৌখিন - শৌখিন স্বচ্ছল - সচ্ছল স্বরস্বতী - সরস্বতী স্বস্ত্রীক - সস্ত্রীক স্বাতন্ত্র - স্বাতন্ত্র্য স্বাধীকার - স্বাধিকার স্বায়ত্ত্বশাসন - স্বায়ত্তশাসন স্মরন - স্মরণ স্রোতঃস্বতী - স্রোতস্বতী হীনমন্যতা - হীনম্মন্যতা হৃদপিণ্ড - হৃৎপিণ্ড হৃদস্পন্দন - হৃৎস্পন্দন হৃৎরোগ - হৃদরোগ শুদ্ধ শব্দের তালিকা অশ্বত্থ আপস আয়ত্ত [সাধারণ ভুল: আয়ত্ব, আয়ত্ত্ব] উচ্ছ্বাস [সাধারণ ভুল: উচ্ছাস] উপার্জন [ভুল: উপার্যন] কোমর [ভেরি সাধারণ ভুল: কোমড়] ক্ষতিগ্রস্ত [ভুল: ক্ষতিগ্রস্থ] খ্রিস্টাব্দ [ভুল: খ্রিষ্টাব্দ] গোষ্ঠী [ভুল: গোষ্ঠি] জ্বর (fever) [ভুল: জর] জ্বালা [ভুল: জালা] জ্যোৎস্না [জোৎস্না] ঠাঁই [ভুল: ঠাই] তত্ত্ব [ভুল: তত্ত, তত্ব] তোড়জোড় [সাধারণ ভুল: তোরজোর] দীর্ঘজীবী [ভুল: দীর্ঘজীবি] দুর্নীতি দুর্যোগ দুরাকাঙ্ক্ষা [ভুল: দূরাকাঙ্ক্ষা] দুরাশা [ভুল: দূরাশা] দূরবর্তী দুর্গা [ভুল: দূর্গা] দ্ব্যর্থ ধোঁয়া (vapour) [ধোয়া] নিয়ন্ত্রণ [সাধারণ ভুল: নিয়ন্ত্রন] নূপুর [ভুল: নুপূর] ন্যস্ত পরিপূরক [ভুল: পরিপুরক] পুব - পুবাকাশ (পূর্ব দিক অর্থে) [ভুল: পূব] পুরোনো [সাধারণ ভুল: পুরান, পুরনো, পুরানো] পুরস্কার [সাধারণ ভুল: পুরষ্কার] পূজা [সাধারণ ভুল: পুজা] প্রচণ্ড [সাধারণ ভুল: প্রচন্ড] প্রতিদ্বন্দ্বী বাঁধা (বন্ধন বোঝাতে, বা যুদ্ধ বাঁধা) বাধা (প্রতিবন্ধকতা) বিষণ্ণ [ভুল: বিষন্ন] বৃষ্টি [ভুল: বৃস্টি] ব্যক্তি [ভুল: ব্যাক্তি] ব্যবহার [ভুল: ব্যবহার] ব্যতিক্রম ব্যতীত ব্যতিরেকে ব্যতিব্যস্ত ব্যত্যয় ব্যভিচার ব্যাকরণ [ভুল: ব্যকরণ] ব্যাধি [ভুল: ব্যধি] ব্যাহত [ভুল: ব্যহত] ভালো [সাধারণ ভুল: ভাল] মর্ত্য [ভুল: মর্ত] মনোযোগ [ভুল: মনযোগ] মুমূর্ষু [সাধারণ ভুল: মুমুর্ষ, মুমুর্ষু, মুমুর্ষূ] শ্বশুর [সাধারণ ভুল: শ্শুর, শ্বশুড়] শাশুড়ি [সাধারণ ভুল: শ্বাশুরি, শাশুরি, শাশুড়ী] শূন্য [সাধারণ ভুল: শুন্য, শুণ্য] শূন্যতা [সাধারণ ভুল: শুন্যতা] শ্যেন [ভুল: শেন] শেষমেশ [সাধারণ ভুল: শেষমেষ] শখ [সাধারণ ভুল: সখ] সত্তা (being) [সাধারণ ভুল: সত্বা, সত্ত্বা] সত্ত্বেও [সাধারণ ভুল: সত্তেও/সত্বেও] সহ্য [ভুল: সজ্য] সাঁতার [ভুল: সাতার] সাধ (শখ বোঝাতে) [ভুল: সাদ] স্বাচ্ছন্দ্য [ভুল: সাচ্ছন্দ] স্বাদ [ভুল: স্বাধ, সাধ] নোটিশ [ভুল: নোটিস, নোটিষ] প্রাণিবিদ্যা [ভুল:প্রাণীবিদ্যা] পরিপক্ব [ ভুল: পরিপক্ক]
বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হলেন-
Correct Answer:
গ: প্যারীচাদ মিত্র
Explanation:
বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হলেন- সঠিক উত্তর প্যারীচাদ মিত্র বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কী?
Correct Answer:
খ: মুক্তি
Explanation:
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কী? সঠিক উত্তর মুক্তি প্রশ্নঃ কাজী নজরুল কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?উত্তরঃ ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ (২৪ মে ১৮৯৯) খ্রি:) চুরুলিয়া গ্রাম, আসানসোল, বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গ।প্রশ্নঃ তিনি মৃত্যুবরণ করেন কবে?উত্তরঃ ২৯ আগষ্ট, ১৯৭৬; ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ।
What is the synonym of "competent"?
Correct Answer:
B: capable
Explanation:
What is the synonym of "competent"? Correct Answer capable Competent - দক্ষ Discrete - বিযুক্ত Capable - সমর্থ Prudent - বিজ্ঞ Cautiou.. সতর্ক Correct Ans: Competent
Antonym of 'enormous'
Correct Answer:
A: tiny
Explanation:
Antonym of 'enormous' Correct Answer tiny Enormous শব্দের অর্থ প্রচুর। আর tiny শব্দের অর্থ অল্প বা কম।
Correct the sentence "The father could not help but cry at his condition"
Correct Answer:
C: crying
Explanation:
Correct the sentence "The father could not help but cry at his condition" Correct Answer crying Can't/ couldn’t help এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। correct ans..crying
বাংলা লিপির উৎপত্তি কোন লিপি থেকে?
Correct Answer:
খ: ব্রাক্ষী লিপি
Explanation:
বাংলা লিপির উৎপত্তি কোন লিপি থেকে? সঠিক উত্তর ব্রাক্ষী লিপি প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি – ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী। ব্রাহ্মীলিপি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা –পূর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি । পূর্বী লিপির কুটিল রূপ থেকে বাংলা লিপির উদ্ভব ।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম কি?
Correct Answer:
খ: নীলদর্পণ
Explanation:
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম কি? সঠিক উত্তর নীলদর্পণ ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ হচ্ছে ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০) নাটক। বাংলা ভাষায় প্রথম আর্থ - সামাজিক, রাজনৈতিক বিষয়ে এ নাটক লেখেন দীনবন্ধু মিত্র। নাটকটি ১৮৬০ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার বাংলাবাজারস্থ বাঙালাযন্ত্রে রামচন্দ্র ভৌমিক কর্তৃক মুদ্রিত হয়েছিল। ‘কপালকুন্ডলা’ (১৯২৮) যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ। ‘মেঘনাদবধ’ (১৮৬১) মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৮০০
Explanation:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৮০০ বাংলাদেশে কর্মরত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষায় শিক্ষাদানের জন্য তৎকালীন ইংরেজ শাসিত ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক ১৮০০ খ্রিস্টব্দে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪ মে কলেজের প্রতিষ্ঠা - দিবস হলেও ২৪ নভেম্বর থেকে কলেজের কাজ শুরু হয়েছিল। এ কলেজে ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে বাংলা বিভাগ প্রবর্তিত হলে অধ্যক্ষ হিসেবে আসেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদ্রি এবং বাইবেলের অনুবাদক বাংলায় অভিজ্ঞ উইলিয়াম কেরি।
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রা বর্ণ কতটি?
Correct Answer:
খ: ৮ টি
Explanation:
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রা বর্ণ কতটি? সঠিক উত্তর ৮ টি বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে ৩২টিতে পূর্ণমাত্রা, ৮টিতে অর্ধমাত্রা এবং ১০টিতে কোনো মাত্রা ব্যবহৃত হয় না। পূর্ণমাত্রা সম্পন্ন বর্ণ : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য় = ৩২টি। অর্ধমাত্রা সম্পন্ন বর্ণ : ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ = ৮টি। মাত্রাহীন বর্ণ : এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ = ১০টি।
Find the idioms and phrases of "tall talk".
Correct Answer:
B: to frown
Explanation:
Find the idioms and phrases of "tall talk". Correct Answer to frown 'tall talk' একটি phrase যার অর্থ তিরস্কার করা। অপশন গুলোর মধ্যে secrets - গোপনীয়, to frown - বকা ঝকা করা, to bribe - ঘুষ দেয়া, in dumps - বিষণ্ণ। সুতরাং সঠিক উত্তরঃ to frown
এক কথায় প্রকাশ করুনঃ "একবার ফল দিয়ে মারা যায়"-
Correct Answer:
খ: ওষধি
Explanation:
এক কথায় প্রকাশ করুনঃ "একবার ফল দিয়ে মারা যায়"- সঠিক উত্তর ওষধি ঔষধি - যে সকল গাছগাছড়া থেকে ঔষেধ প্রস্তুত হয়। ওষধি - যে গাছ একবার ফল দিয়েই মরে যায়।
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
Correct Answer:
গ: হাটেবাজারে
Explanation:
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস? সঠিক উত্তর হাটেবাজারে a. কোকিলকন্ঠী - কোকিলের ন্যায় কন্ঠ যার (বহুব্রীহি সমাস) b. রাতজাগা - রাতে জাগা (সপ্তমী তৎপুরুষ) c. হাটেবাজারে - হাটে ও বাজারে (দ্বন্দ্ব সমাস)। d. মেনিমুখো - মেনির (বিড়াল) মতো মুখ (উপমিত কর্মধারায় সমাস)।