Bengali literature MCQs
Showing 50 questions (Total: 1027)
'বিষাদ-সিন্ধু' কার রচনা?
Correct Answer:
খ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
'বিষাদ-সিন্ধু' কার রচনা? সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন 'বিষাদ - সিন্ধু' মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উপন্যাসটিতে তিনটি পর্ব আছে। 'মহরম পর্ব' (১৮৯৫), 'উদ্ধার পর্ব' (১৮৮৭) , 'এজিদবধ পর্ব' (১৮৯১) । উপন্যাসটি কারবালার বিষাদময় কাহিনী অবলম্বনে রচিত । মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের সঙ্গে দামেঙ্ক অধিপতি মুয়াবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের বিরোধ ও যুদ্ধ এই উপন্যাসের মূল কাহিনী।
নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
খ: ব্যথার দান
Explanation:
নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর ব্যথার দান নজরুল ইসলারে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ'ব্যথার দান' (ফেব্রুয়ারি ১৯২২) । 'ব্যথার দান' নজরুলের গল্পগ্রন্থ। 'অগ্নিবীণা' তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ (সেপ্টেম্বর, ১৯২২) । 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' তার প্রবন্ধগ্রন্থ (১৯২৩) এবং 'নবযুগ ' তার সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকা (১৯২০)।
কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
Correct Answer:
গ: নিরালোকে দিব্যরথ
Explanation:
কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা? সঠিক উত্তর নিরালোকে দিব্যরথ নিরালোক দিব্যরথ (কাব্যগ্রন্থ) : শামসুর রাহমান, নির্জন স্বাক্ষর (উপন্যাস) : বুদ্ধদেব বসু; নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি (উপন্যাস) : সেলিনা হোসেন।
কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয় ?
Correct Answer:
ক: ঘুম নেই
Explanation:
কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয় ? সঠিক উত্তর ঘুম নেই ঘুম নেই কাব্যগ্রন্থের লেখক সুকান্ত ভট্টাচার্যসুকান্ত ভট্টাচার্যের "ঘুমনেই" কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয় - শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা - এ তার "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক। ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন। রবীন্দ্রনাথের গান তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তার রচিত আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন - অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ জন্ম ৭ মে ১৮৬১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০) জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) সমাধিস্থল কলকাতা ছদ্মনাম ভানুসিংহ ঠাকুর (ভণিতা) পেশা কবি ঔপন্যাসিক নাট্যকার প্রাবন্ধিক দার্শনিক সঙ্গীতজ্ঞ চিত্রশিল্পী গল্পকার ভাষা বাংলা, ইংরেজি নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয় সময়কাল বঙ্গীয় নবজাগরণ সাহিত্য আন্দোলন প্রাসঙ্গিক আধুনিকতা উল্লেখযোগ্য রচনাবলি গীতাঞ্জলি (১৯১০), রবীন্দ্র রচনাবলী "গোরা" "আমার সোনার বাংলা" "ঘরে বাইরে" উল্লেখযোগ্য পুরস্কার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯১৩) দাম্পত্যসঙ্গী মৃণালিনী দেবী (বি. ১৮৭৩–১৯০২) আত্মীয় ঠাকুর পরিবার স্বাক্ষর সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
'কালো বরফ' রচনা করেন
Correct Answer:
গ: মাহমুদুল হক
Explanation:
'কালো বরফ' রচনা করেন সঠিক উত্তর মাহমুদুল হক 'কালো বরফ' রচনা করেন মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকমাহমুদুল হক (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৪০ - জুলাই ২১, ২০০৮) একজন বাংলাদেশি লেখক। তাকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে। তার লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ।প্রাথমিক জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হক ১৯৪০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সিরাজুল ইসলাম, মায়ের নাম মাহমুদা বেগম। ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় পর পিতা সরকারের উচ্চপদে চাকরিসূত্রে পূর্ব পাকিস্তানে যোগদান করেন এবং বেশ পরে তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ১৯৫১ সালে আজিমপুরে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।শিক্ষা ও পেশাগত জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের পড়ালেখার হাতেখড়ি হয়েছিল বারাসাতের কালীকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৯৫২ সালে ঢাকার লালবাগের ওয়েস্ট এন্ড স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। রাতকানা রোগের কারণে মাঝখানে কিছুদিন তিনি পড়ালেখায় বিরতি দেন। পরে তিনি ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হলেও পড়ালেখার চেয়ে আড্ডাবাজিতে মগ্ন হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার ইতি ঘটান। দৈনিক সংবাদ পত্রিকার অনুবাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তিন মাসের মাথায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি প্রথমে মনোহারি, পরে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে যুক্ত হন। পরে অবশ্য মীজানুর রহমান এবং প্রতাপউদ্দিনের সাথে মিলি ‘গাঙচিল প্রেস’ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৬৭ সালে; কিন্তু এ ব্যবসাও তার টেকে নি।সাহিত্যজীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের শিক্ষক ছিলেন কথাশিল্পী শহীদ সাবের। তার প্রত্যক্ষ প্রেরণায় তিনি সাহিত্যের সাথে যুক্ত হন এবং প্রথমে ‘অগ্রগামী’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির মাত্র ৩টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল। মাহমুদুল হক যখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তখন ‘রেড হর্নেট’ (১৯৫৪) ডিটেকটিভ উপন্যাস রচনা করেন। এ সময় তিনি ‘অরণ্য বাসর’ ও ‘আমি সম্রাট’ নামি দুটি রোমাঞ্চধর্মী উপন্যাসও লিখেছিলেন। তবে তিনি ১৯৮৪ সালের পর আর লেখালেখি করেন নি।সাহিত্যকর্ম - মাহমুদুল হকউপন্যাস অনুর পাঠশালা (১৯৬৭) নিরাপদ তন্দ্রা (১৯৬৮) জীবন আমার বোন (১৯৭২) কালো বরফ (১৯৭৭) অশরীরী (১৯৭৯) পাতালপুরী (১৯৮১) খেলাঘর (১৯৮৮) মাটির জাহাজ (১৯৭৭)শিশুতোষ উপন্যাস চিক্কোর কাবুক (১৯৭৯)গল্পগ্রন্থ প্রতিদিন একটি রুমাল (১৯৯৪) মাহমুদুল হকের নির্বাচিত গল্প (১৯৯৯) মানুষ মানুষ খেলা (২০০৯) অগ্রন্থিত গল্প [সংগ্রহ ও সম্পাদনা, আবু হেনা মোস্তফা এনাম] (২০১০)অন্যান্য মাহমুদুল হক শিশুদের কাগজ আলাপনী, শাহীন সেতারা প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। তার কিছু সাড়া জাগানো উপন্যাসের মধ্যে খেলাঘর - চলচ্চিত্ররূপ ২০০৬। মাহমুদুল হক জন্ম ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪০ বারাসাত মৃত্যু ২১ জুলাই ২০০৮ (বয়স ৬৭) ঢাকা জাতীয়তা বাংলাদেশি যেখানের শিক্ষার্থী জগন্নাথ কলেজ পেশা সাহিত্যিক পরিচিতির কারণ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার উল্লেখযোগ্য কর্ম কালো বরফ, জীবন আমার বোন, মাটির জাহাজ, প্রতিদিন একটি রুমাল পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৯৭) সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পল্লী - সমাজ উপন্যাসটির প্রথম নয়টি পরিচ্ছেদ ১৩২২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই নয়টি পরিচ্ছেদে উপন্যাসটি শেষ করার কথা ভাবলেও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরে আরো দশটি পরিচ্ছেদ রচনা করেন, যা এক সঙ্গে ১৩২৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দের ভারতবর্ষ পত্রিকার মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স এই উনিশটি পরিচ্ছেদ পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' , এ পঙক্তির স্রষ্টা কে?
Correct Answer:
গ: ভারতচন্দ্র
Explanation:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' , এ পঙক্তির স্রষ্টা কে? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কে রচনা করেছেন ?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কে রচনা করেছেন ? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০ - ১৯৯১ খ্রি.) একটি মৌলিক গ্রন্থ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ । তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (হিন্দি বৈতালপচ্চীসীর বঙ্গানুবাদ), ‘শকুন্তলা’ (কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম’ নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ), ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (শেক্সপিয়ারের ‘Comedy of Errors’ - এর বঙ্গানুবাদ) ইত্যাদি ।
"বিষের বাঁশি" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
"বিষের বাঁশি" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম বিষের বাঁশি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। এই গ্রন্থে ২৭ টি কবিতা রয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত ৫টি গ্রন্থের মধ্যে এটি অন্যতম।
"হাজার বছর ধরে" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: জহির রায়হান
Explanation:
"হাজার বছর ধরে" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর জহির রায়হান হাজার বছর ধরে প্রখ্যাত বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে এ উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজী পুরষ্কারে সম্মানিত হন।
' নদী ও নারী' কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: হুমায়ুন কবির
Explanation:
' নদী ও নারী' কার রচনা? সঠিক উত্তর হুমায়ুন কবির 'নদী ও নারী' (১৯৪৫) হুমায়ুন কবির রচিত একটি উপন্যাস। কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস 'নদীবক্ষে' (১৯১৮) । শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' আবুল ফজল রচিত উপন্যাস 'রাঙা প্রভাত' (১৩৬৪) , 'প্রদীপ ও পতঙ্গ' (১৩৪৭), 'চৌচির' (১৯৩৪)।
'সংশপ্তক' কার রচনা?
Correct Answer:
খ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
'সংশপ্তক' কার রচনা? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার 'সংশপ্তক' (১৯৬৫) শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস। তার অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বৌ' । শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বের তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তার আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। জহির হয় । এরপর তার আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। জহির রায়হান তার সহোদর। নাট্যকার গল্প লেখক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক 'কবর' (১৯৬৬), 'রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২) , 'মুখরা রমণী বশীকরণ' (১৯৭০) । তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। জহির রায়হান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' 'হাজার বছর ধরে', 'বরফ গলা নদী' । শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'ক্রীতদাসের হাসি' (১৯৬২) 'জননী' (১৯৬১) ,'জাহান্নাম হইতে বিদায়' (১৯৭১) , 'দুই সৈনকি' (১৯৭৩) প্রভৃতি।
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার চরিত্র?
Correct Answer:
খ: মনসামঙ্গল
Explanation:
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার চরিত্র? সঠিক উত্তর মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে মনসাঙ্গল প্রাচীনতম। সাপের দেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনীই এ কাব্যের বিষয়বস্তু। এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো চাঁদ সওদাগর, বেহুলা, লখিন্দর ও মনসা দেবী। চণ্ডীমঙ্গল কাব্য হলো চণ্ডীমঙ্গল কাব্য হলো চণ্ডী ( পার্বতীর রুপভেদ) দেবীকে অবলম্বন করে রচিত মঙ্গলাকব্য। ধর্মমঙ্গল হলো পঞ্চদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম,বর্ধমান, বাকুঁড়া মেদিনীপুর ইত্যাদি অঞ্চলে ধর্মঠাকুর বা ধর্ম নামের যে দেবতাকে নিম্নশ্রেণী ও কোথাও কোথাও উচ্চশ্রেণীর হিন্দুরা পূজা করত, সেই কাহিনী অবলম্বনে রচিত কাব্য। এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো - হরিশ্চন্দ্র, মদনা, লুইচন্দ্র, কর্ণসেন ,গৌড়েশ্বর, লাউসেন । অন্নদামঙ্গল হলো দেবী অন্নদার মাহাত্ম্য প্রচারে ভবানন্দ মজুমদারের জীবন নিয়ে রচিত কাব্য । কবি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর রচিত এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো ভবানন্দ, হরিহোড়, মানসিংহ ,ঈশ্বরী পাটনী।
' দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা -----
Correct Answer:
গ: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
Explanation:
' দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা ----- সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস 'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩ - ১৯৯৭ খ্রি). কর্তৃক রচিত। ১৯৮৫ সালে এটি প্রকাশিত হয় । তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭), খোয়াবনামা (১৯৯৬) ইত্যাদি।
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: রাঙাজবা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর রাঙাজবা রাঙাজবা: কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গীতবিষয়ক গ্রন্থ। মরুশিখা: যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ। মরুসূর্য: আ. ন. ম. বজলুর রশীদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।
' আত্মঘাতী বাঙালি' কার রচিত গ্রন্থ?
Correct Answer:
গ: নীরদচন্দ্র চৌধুরী
Explanation:
' আত্মঘাতী বাঙালি' কার রচিত গ্রন্থ? সঠিক উত্তর নীরদচন্দ্র চৌধুরী 'আত্মঘাতী বাঙালি' রচনা করেন নীরদ চন্দ্র চৌধুরী। অশোক মিত্র রচিত গ্রন্থ 'কবিতা থেকে মিছিল' । দেবী প্রসাদ চট্রোপাধ্যায় রচিত গ্রন্থ 'যে গল্পের শেষ নেই, 'লোকায়থ দর্শন' ।
' আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এ প্রার্থনাটি করেছে -----
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরী পাটনী
Explanation:
' আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এ প্রার্থনাটি করেছে ----- সঠিক উত্তর ঈশ্বরী পাটনী অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (আনুমানিক ১৭০৭ - ১৭৬০ খ্রি.) রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী, হীরা মালিনী প্রভৃতি চরিত্র একান্ত বাস্তব হয়ে ফুটে উঠেছে। আলোচ্য উক্তিটির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের অমর চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী অন্নদা (চণ্ডী) দেবীর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।
'শিউলি-মালা' গল্পের লেখক কে?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
'শিউলি-মালা' গল্পের লেখক কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম শিউলি মালা কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি গল্পগ্রন্থ। শিউলি মালা গ্রন্থটি ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট ৪টি গল্প আছে। গল্পের তালিকা: পদ্ম - গোখরো; জিনের বাদ্শা; অগ্নি - গিরি; শিউলি - মালা।
কোন গ্রন্থখানি বেগম রোকেয়ার লেখা?
Correct Answer:
ঘ: মতিচুর
Explanation:
কোন গ্রন্থখানি বেগম রোকেয়ার লেখা? সঠিক উত্তর মতিচুর বেগম রোকেয়ার প্রথম রচনা ‘পিপাসা’ ১৯৩২ সালে ‘নবপ্রভা’ (চৈত্র ও বৈশাখ - ১৩০৮ - ১৩০৯ সংখ্যা) - এ প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘মতিচুর’ (প্রথমখণ্ডে) প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং এর দ্বিতীয়খণ্ডে - প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। ‘মতিচুর’ - এর প্রথমখণ্ডে ৭টি এবং দ্বিতীয়খণ্ডে ১০টি প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। এর মধ্যে দু - একটি প্রবন্ধ বাদে প্রায় সবগুলো প্রবন্ধই নারী জাগরণ মূলক। এরমধ্যে ‘স্ত্রী জাতির অবনতি’, অর্ধাঙ্গী’, ‘বোরকা’, ‘সুলতানার স্বপ্ন’, ‘নারীসৃষ্টি’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ। এ সব প্রবন্ধে রোকেয়ার নারীমানসের বিভিন্ন দিক ফুটে উঠেছে।
আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ কোনটি ?
Correct Answer:
খ: সোনালী কাবিন
Explanation:
আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ কোনটি ? সঠিক উত্তর সোনালী কাবিন সোনালী কাবিন আল মাহামুদের সনেট জাতীয় কাব্য যা ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। আল মাহমুদ যে সকল সাহিত্য রচনা করেছেন তার মধ্যে সোনালী কাবিন তাকে বেশি পরিচিতি প্রদান করেছে। এতে মোট ১৪টি সনেট রয়েছে এবং ৪১টি কবিতা রয়েছে।
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কি?
Correct Answer:
ক: বীরবল
Explanation:
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কি? সঠিক উত্তর বীরবল সাহিত্যাঙ্গনে প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল 'বীরবল'। এ ছদ্মনামে পত্রিকার পাতায় লেখালেখি করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তাই তাঁকে বলা হতো বাংলা সাহিত্যের বীরবল। সম্রাট আকবরের দরবারে নবরেত্নর একজন ছিলেন বীরবল। বাংলা সাহিত্যে প্রথম চৌধুরীও তেমনি এক রত্ন।
'পাঞ্জেরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
Correct Answer:
গ: মাত্রাবৃত্ত
Explanation:
'পাঞ্জেরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? সঠিক উত্তর মাত্রাবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (কলাবৃত্ত বা ধ্বনিপ্রধান ছন্দ) বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত প্রধান তিনটি ছন্দের একটি। অন্য দুটি হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতাগুলোর মূলপর্ব ৪, ৫, ৬, ৭ মাত্রার হতে পারে।
অমিত ও লাবণ্য চরিত্র দুটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
অমিত ও লাবণ্য চরিত্র দুটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অমিত ও লাবণ্য বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস শেষের কবিতার দুটি চরিত্র। উপন্যাসের প্রধান বিষয়বস্তু হলো পুরুষ বা নারীর পক্ষে একসাথে দু'জনকে অবিরোধে ভালোবাসা সম্ভব এবং সে ভালোবাসা এক পাত্র সম্পর্কিত , অপর পাত্র নিঃসম্পর্কিত । লাবণ্য - অমিত রায় - কেতকী - শোভনলালের চরিত্রের মাধ্যমে এ উপন্যাসে প্রেমের বিচিত্র বিকাশ দেখানো হয়েছে।
"কবর" কবিতার কবি কে?
Correct Answer:
ঘ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
"কবর" কবিতার কবি কে? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন কবর কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে জসীমউদ্দিনের এক অবিস্মরণীয় অবদান। ১ জানুয়ারি ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে কবির জন্ম। কবি যে ঘরে থাকতেন সে বাড়ির সামনে সিঁড়ি, সিঁড়ির দু'দিকে লেবু গাছ, মাঝখানে ডালিম গাছ। এই জায়গাটিই তাঁর কবিতার সৃষ্টির উৎসভূমি। তাঁর লেখনীতে উঠে এসেছে পল্লীমানুষের জীবনের হালচাল নিয়ে।
শেষের কবিতার রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
শেষের কবিতার রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' (১৯২৮) একটি অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প! রঙমাখা ফ্যাশনের রুচিশীল ব্যক্তিত্ব মানুষের এক্সট্রাগুণের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। সমস্ত শেষের কবিতায় আমরা তাই দার্শনিক দৃষ্টি দান করি, মেনে নেয়া আর মনে নেয়ার মধ্য দিয়ে। শেষ জীবনে রবীন্দ্রনাথের কথাসাহিত্যে কিছু নতুনত্ব দেখা যায়।
'ফণি-মনসা' কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
'ফণি-মনসা' কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা অগ্নিবীণা (১৯২২)সঞ্চিতা (১৯২৫)ফনীমনসা (১৯২৭)চক্রবাক (১৯২৯)সাতভাই চম্পা (১৯৩৩)নির্ঝর (১৯৩৯)নতুন চাঁদ (১৯৩৯)মরুভাস্কর (১৯৫১)সঞ্চয়ন (১৯৫৫)নজরুল ইসলাম ইসলামী কবিতা (১৯৮২)
' সাম্য' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
' সাম্য' গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে, "সংবাদ প্রভাকর" পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে। বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) তাঁর লেখা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধগ্রন্থ: লোকরহস্য (১৮৭৪) বিজ্ঞান রহস্য (১৮৭৫) কমলাকান্তের দপ্তর (১৮৭৫) বিবিধ সমালোচনা (১৮৭৬) সাম্য (১৮৭৯) কৃষ্ণচরিত্র (১৮৮৬) বিবিধ প্রবন্ধ (১ম খন্ড - ১৮৮৭, ২য় খন্ড - ১৮৯২) ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন (১৮৮৮) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১৯০২)
কোন গ্রন্থটি এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত?
Correct Answer:
ঘ: মানব-মুকুট
Explanation:
কোন গ্রন্থটি এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত? সঠিক উত্তর মানব-মুকুট মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী (১৮৮৮ - ১৯৪০) লেখক, সাংবাদিক। ১৩৯৫ বঙ্গাব্দের ১৮ কার্তিক (নভেম্বর, ১৮৮৮) ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার অন্তর্গত মাগুরাডাঙ্গা গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ অফিসার। তাঁর প্রধান রচনা হলো: ধর্মের কাহিনী (১৯১৪), নূরনবী (১৯১৮), শান্তিধারা (১৯১৮) ও মানব মুকুট (১৯২৬)।
' বীরবলের হালখাতা' গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: প্রবন্ধ
Explanation:
' বীরবলের হালখাতা' গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর প্রবন্ধ প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ তেল - নুন - লাকড়ী (১৯০৬) বীরবলের হালখাতা (১৯১৬) নানাকথা (১৯১৯) আমাদের শিক্ষা (১৯২০) রায়তের কথা (১৯১৯) নানাচর্চা (১৯৩২) প্রবন্ধ সংগ্রহ(১৯৫২ ১ম খণ্ড ও ১৯৫৩ ২য় খণ্ড)
‘হাসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
খ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
‘হাসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় হাঁসুলী বাঁকের উপকথা হল তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস। প্রকাশ কাল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ। উপন্যাসটি গ্রামীণ বাংলার জীবন, জমিদারী ব্যবস্থার বাস্তবতা (যা বাংলার সামাজিক বৈষম্যের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী ছিল) ও পাশাপাশি সময়ের সাথে সামাজিক ধারণার পরিবর্তনগুলিকে অন্বেষণ করে।
‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
ক: আবু ইসহাক
Explanation:
‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর আবু ইসহাক সূর্য দীঘল বাড়ী ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। বিশিষ্ঠ গ্রন্থকার আবু ইসহাক এর ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত কালজয়ী (উপন্যাস) সূর্য দীঘল বাড়ী অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদান প্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রধান প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ডলি আনোয়ার, রওশন জামিল, জহিরুল হক, আরিফুল হক, কেরামত মাওলা, এ টি এম শামসুজ্জামান।
‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন বাক্যের অন্তর্ভূক্ত?
Correct Answer:
খ: সিন্ধু হিন্দোল
Explanation:
‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন বাক্যের অন্তর্ভূক্ত? সঠিক উত্তর সিন্ধু হিন্দোল সিন্ধু হিন্দোল কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা রয়েছে। কাব্যগ্রন্থটি "বাহার ও নাহার" - কে (হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী ও শামসুন নাহার) উৎসর্গ করেন।
পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ?
Correct Answer:
গ: দুই বিঘা জমি
Explanation:
পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ? সঠিক উত্তর দুই বিঘা জমি দুই বিঘা জমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কথা ও কাহিনী' নামক কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা। বাংলার গ্রামীণ সমাজের শ্রেণীবিভেদ আর দুর্বলের উপর সবলের অনাচার - অবিচার নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতাটি লিখেছেন। এই কবিতায় গরীব শ্রেণীর অসহায়ত্বের দিক দেখানো হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
Correct Answer:
ক: শেষের কবিতা
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস? সঠিক উত্তর শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - বৌ ঠাকুরাণীর হাট (১৮৮৩), রাজর্ষি (১৮৮৩), চোখের বালি (১৯০৩) , নৌকাডুবি (১৯০৬) , গোরা (১৯১০) , চতুরঙ্গ (১৯১৬), ঘরে বাইরে (১৯১৬) , যোগাযোগ (১৯২৯) , শেষের কবিতা (১৯২৯) ইত্যাদি।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা ?
Correct Answer:
ক: দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা ? সঠিক উত্তর দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন (১৮৬৬ - ১৯৩৯ খ্রি). কর্তৃক রচিত 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাস গ্রন্থ। 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা' ও 'মৈমনসিংহ গীতিকা' সম্পাদনা তার বঙ্গ - সংস্কৃতি সেবার আর এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
'মা যে জননী কান্দে' কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: কাব্য
Explanation:
'মা যে জননী কান্দে' কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর কাব্য পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত 'মা যে জননী কান্দে' কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - রাখালী (১৯২৭) , নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯) , বালুচর (১৯৩০) ,ধানক্ষেত (১৯৩১) ,সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩) ,হাসু (১৯৩৮) , মাটির কান্না (১৯৫১) ইত্যাদি। তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে - পদ্মাপাড় (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা - (১৯৫১) ইত্যাদি। তার রচিত একমাত্র উপন্যাস হলো - বোবা কাহিনী (১৯৬৪) এবং প্রবন্ধ ও সম্পাদিত গ্রন্থ হলো জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শিদী গান (১৯৭৭) ।
' রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আনোয়ার পাশা
Explanation:
' রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আনোয়ার পাশা বিশিষ্ট কবি, কথাসাহিত্যিক , সমালোচক ও শিক্ষাবিদ আনোয়ার পাশা (১৯২৮ - ১৯৭১ খ্রি) রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস হলো 'রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩) । তার রচিত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - 'নীড় সন্ধানী' (১৯৬৮) এবং 'নিষুতি রাতের গাধা' (১৯৬৯)। বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান (১৯৩৫ - ১৯৭২ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - 'হাজার বছর ধরে' (১৩৭১) , 'আরেক ফাল্গুন' (১৩৭৫) , 'বরফগলা নদী' (১৩৭৬) , 'শেষ বিকেলের মেয়ে ' (১৩৬৭) ইত্যাদি। সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার (১৯২৭ - ১৯৭১ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - সারেং বৌ ' (১৯৬২) , ' সংশপ্তক ' (১৯৬৫) ইত্যাদি।
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: পথের দাবী
Explanation:
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল? সঠিক উত্তর পথের দাবী বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় । তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪) ,বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬) ,দেবদাস (১৯১৭) চরিত্রহীন (১৯১৭) , শ্রীকান্ত (১ম পর্ব - ১৯৩৩) ,দত্তা (১৯১৮) , গৃহদাহ (১৯২০) ,দেনাপাওনা (১৯২৩) ,শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ,বিপ্রদাস (১৯৩৫) নিস্কৃতি ইত্যাদি।
কোনটি ঠিক?
Correct Answer:
গ: বহিপীর(নাটক)
Explanation:
কোনটি ঠিক? সঠিক উত্তর বহিপীর(নাটক) 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৩) হলো জসীমউদ্দীন রচিত কাহিনী কাব্য। 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) ও 'বহিপীর' (১৯৬০) যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস ও নাটক । আর 'মহাশ্মশান ' (১৯০৪) হলো কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য -
কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?
Correct Answer:
খ: ভবিষ্যতের বাঙালি
Explanation:
কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী? সঠিক উত্তর ভবিষ্যতের বাঙালি বিশিষ্ট সাহিত্যিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০ - ১৯৫১ খ্রি) রচিত 'ভবিষ্যতের বাঙালী' (১৯৪৩) একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ (প্রবন্ধ), গুলদাস্তা (১৯২৭) ,প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) ইত্যাদি।
' সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?
Correct Answer:
ক: ফররুখ আহমদ
Explanation:
' সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে? সঠিক উত্তর ফররুখ আহমদ চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ খ্রি.) তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'সিরাজাম মুনীরা' (১৯৫২) , 'নৌফেল ও হাতেম' (কাব্যনাট্য, ১৯৬১ ), 'মুহূর্তের কবিতা' (সনেট সংকলন' ১৯৬৩), 'হাতেমতায়ী' (কাহিনী কাব্য, ১৯৬৬) ইত্যাদি।
পদ্মানদীর মাঝি কার রচনা?
Correct Answer:
খ: মানিক বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
পদ্মানদীর মাঝি কার রচনা? সঠিক উত্তর মানিক বন্দোপাধ্যায় পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসটির রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় । এ উপন্যাসে পদ্মানদীর তীরবর্তী জেলে জীবনের সুখ - দুঃখের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি?
Correct Answer:
গ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি? সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদ হলো মূলত: গানের সংকলন, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ গ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
'শেষের কবিতা' পুস্তকটি কোন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম?
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
Explanation:
'শেষের কবিতা' পুস্তকটি কোন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক , কবি, প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জীবনের শেষ পর্যায়ের উপন্যাস শেষের কবিতা। এ উপন্যাসে দেখানো হয়েছে পুরুষ বা নারীর পক্ষে একসাথে দু'জনকে অবিরোধে ভালোবাসা সম্ভব এবং এ ভালোবাসা একপাত্র সম্পর্কিত , অপরপাত্র নিঃসম্পর্কিত।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালে ইতালীয় কবি পেত্রার্ক - এর অনুকরণে চতুর্দশপদী কবিতা (সনেট) রচনা করেন। যা পরবর্তীতে চতুর্দশপদী কবিতাবলী নামে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়।
'সংশপ্তক' রচনা করেন কে?
Correct Answer:
ঘ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
'সংশপ্তক' রচনা করেন কে? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সংশপ্তক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে রচিত এই উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে আবদুল্লাহ আল মামুন নাট্যরূপ প্রদান করেন এবং যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়। সংশপ্তক নাটকটি বাংলাদেশে টিভি নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় নাটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংশপ্তক শব্দের অর্থ হয় জয় না হয় মৃত্যু।
' কাশবনের কন্যা' গ্রন্থটির লেখক কে?
Correct Answer:
খ: শামসুদ্দীন আবুল কালাম
Explanation:
' কাশবনের কন্যা' গ্রন্থটির লেখক কে? সঠিক উত্তর শামসুদ্দীন আবুল কালাম কাশবনের কন্যা - শামসুদ্দীন আবুল কালাম আখ্যান খুব জটিল নয়। মূলত দু’জোড়া নায়ক - নায়িকার দুটি প্রায় সমান্তরাল উপকাহিনী এ উপন্যাসে বিবৃত হয়েছে। দুই নায়ক পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও সময়ক্রমে একে অন্যের অনুবতী—সখিনা আর মেহেরজান। শিকদারের ক্ষেত্রে একটি, জুবেদা। হোসেনের উপাখ্যানে হোসেন - সখিনার সম্পর্কের মধ্যে গ্রাম্য প্রেমের চেহারাটাও তত স্পষ্ট হয়নি। সখিনাকে বিয়ে করার কথা হোসেন ভেবেছে অনেকটা হঠাৎ কিশোরী সখিনাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে, নিজের সাংসারিক প্রয়োজনের কথা হিসেব করে।
' শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: কাজী আবদুল ওদুদ
Explanation:
' শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী আবদুল ওদুদ গত শতাব্দীর বিশের দশকের প্রারম্ভেই বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে কাজী আবদুল ওদুদের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সাহিত্য জীবন ‘মীর পরিবার’ নামক ছোট গল্প গ্রন্থ দিয়ে শুরু হলেও তাঁর আসল ও প্রধান পরিচয় তিনি একজন পরিশ্রমী প্রবন্ধকার ও সমালোচক। তিনি সর্বমোট বাইশ খানা গ্রন্থের রচয়িতা। সাহিত্য, সমাজ, ধর্ম, দর্শন ও রাজনীতি প্রভৃতি বিষয়ে তাঁর অসংখ্য প্রবন্ধ রয়েছে। ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ’ (দুই খণ্ড), ‘কবিগুরু’ গ্যেটে (দুই খণ্ড) ও শাশ্বত বঙ্গ’’ - এই তিনখানা তাঁর কালজয়ী গ্রন্থ। এই তিনখানি গ্রন্থের জন্য তিনি বাংলা প্রবন্ধ ও সমালোচনা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
' সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
' সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে। এর মধ্যে - ‘বিদ্রোহী’, ‘সর্বহারা’, ‘সাম্যবাদী’, ‘মানুষ’, ‘জীবন বন্দনা’, ‘খুকী ও কাঠবেড়ালী’, ‘চল্ চল্ চল্’ প্রভৃতি প্রধান। গ্রন্থটির উৎসর্গ পত্রে লেখা আছে: “বিশ্বকবিসম্রাট শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”।
'বনফুল' কার ছদ্মনাম?
Correct Answer:
খ: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
Explanation:
'বনফুল' কার ছদ্মনাম? সঠিক উত্তর বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল’। প্রমথ চৌধুরি - এর ছদ্মনাম ‘বীরবল’। মোহিতলাল মজুমদার - এর ছদ্মনাম ‘সত্যসুন্দর দাস।