Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়----
Correct Answer:
খ: ধাতু
Explanation:
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়---- সঠিক উত্তর ধাতু ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় 'ধাতু'।আর 'ধাতু' বলতে ক্রিয়া পদের এমন একটি অংশকে বুঝানো হয়,যে অংশকে আর ভাঙ্গা যায় না।
কোন ক্ষেত্রে বিভক্তির প্রয়োজন হয়?
Correct Answer:
ঘ: কারক
Explanation:
কোন ক্ষেত্রে বিভক্তির প্রয়োজন হয়? সঠিক উত্তর কারক কারকে বিভক্তির প্রয়োজন হয়। বাক্যস্থিত একটি শব্দের সাথে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সাথে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদের বিভক্তি বলে। কারক শব্দটির অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে।
'কবর' নাটকটির লেখক----
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
'কবর' নাটকটির লেখক---- সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী কবর নাটকটি লিখেছেন মুনীর চৌধুরী।নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে রচিত। তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকাকালীন ১৯৫৩ সালে প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে লেখেন নাটকটি কারাগারে বসে নাটকটি রচনা করেন। মুর্দা ফকির অন্যতম চরিত্র। উল্লেখ্য যে, কবর কবিতা রচনা করেছেন পল্লীকবি জসিমউদ্দীন ।
কোন প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক ?
Correct Answer:
খ: অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
Explanation:
কোন প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক ? সঠিক উত্তর অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট বাকি গুলো হবে - যত গর্জে তত বর্ষে না, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা এবং যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়।
'রত্নাকর' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ ----
Correct Answer:
ঘ: রত্ন + আকর
Explanation:
'রত্নাকর' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ ---- সঠিক উত্তর রত্ন + আকর অ/আ কারের সাথে অ/আ কার যোগ হলে আ কার হয়। যেমনঃ - রত্ন + আকর = রত্নাকর, বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ইত্যাদি।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে পরলোক গমন করেন?
Correct Answer:
খ: ১৯৭৬
Explanation:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে পরলোক গমন করেন? সঠিক উত্তর ১৯৭৬ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট (১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র) পরলোকগমন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। ২৪ মে ১৮৯৯ (১১ জৈষ্ঠ্য ১৩০৬) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
'উভয়কূল রক্ষা' অর্থে ব্যবহৃত প্রবচন কোনটি?
Correct Answer:
গ: সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
Explanation:
'উভয়কূল রক্ষা' অর্থে ব্যবহৃত প্রবচন কোনটি? সঠিক উত্তর সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে 'উভয়কূল রক্ষা' বলতে বুঝানো হয় যে - একসাথে দু'টি কাজ সম্পন্ন করা।
বাংলায় টিএস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক-----
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
বাংলায় টিএস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক----- সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাংলায় টিএস ইলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। টি এস এলিয়ট - এর The Journey of the Magi কবিতার অনুবাদ করা হয়েছিলো। রবীন্দ্রনাথ তার "পুনশ্চ" কাব্যে "তীর্থযাত্রী" কবিতা নামে এটি সংকলন করেছিলেন।
'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ রচিত-----
Correct Answer:
গ: উপন্যাসের নাম
Explanation:
'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ রচিত----- সঠিক উত্তর উপন্যাসের নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে, গোরা, চতুরঙ্গ, ঘরে বাইরে, চোখের বালি, চার অধ্যায় ইত্যাদি। উপন্যাসের চরিত্রঃঃ অমিত লাবন্য
দ্যুলোকে শব্দের যথার্থ সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
খ: দিব্ + লোক
Explanation:
দ্যুলোকে শব্দের যথার্থ সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর দিব্ + লোক সন্ধি বিচ্ছেদ : প্রারম্ভিক আলোচনাসন্ধি: সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। যেমন - আশা + অতীত = আশাতীত। হিম + আলয় = হিমালয়। প্রথমটিতে আ + অ = আ (া) এবং দ্বিতীয়টিতে অ + আ = আ (া) হয়েছে। আবার, তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে, এখানে ত + ম = ন্ম হয়েছে।সন্ধির উদ্দেশ্য(ক) সন্ধির উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা এবং(খ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।তাই যে ক্ষেত্রে আয়াসের লাঘব হয় কিন্তু ধ্বনি - মাধুর্য রক্ষিত হয় না, সে ক্ষেত্রে সন্ধি করার নিয়ম নেই। যেমন - কচু + আদা + আলু = কচ্চাদালু হয় না। অথবা কচু + আলু + আদা = কচ্চান্বাদা হয় না।বাংলা শব্দের সন্ধিবাংলা সন্ধি দুই রকমের:১. স্বরসন্ধি২. ব্যঞ্জনসন্ধি।১. স্বরসন্ধি : স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি মিলে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে।১. সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত ঘরের একটির লোপ হয়। যেমন - (ক) অ + এ = এ (অ লােপ) যেমন – শত + এক = শতেক। এরূপ – কতেক। (খ) আ + আ = আ (একটি আ লােপ)। যেমন – শাঁখা + আরি = শাঁখারি। এরূপ – রুপা + আলি = রূপালি। (গ) আ + উ = উ (আ লােপ)। যেমন – মিথ্যা + উ = মিথুক। এরূপ – হিংসুক, নিন্দুক ইত্যাদি। (ঘ) ই + এ = ই (এ লােপ)। যেমন – কুড়ি + এক = কুড়িক। এরূপ – ধনিক, গুটিক ইত্যাদি। আশি + এর = আশির (এ লােপ)। এরূপ — নদীর (নদী + এর)। ২. কোনাে কোনাে স্থলে পাশাপাশি দুটি ঘরের শেষেরটি লােপ পায়। যেমন – যা + ইচ্ছা + তাই = যাচ্ছেতাই। এখানে (আ + ই) এর মধ্যে ই লােপ পেয়েছে।২। ব্যঞ্জন সন্ধিসরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর সরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি সমীভবন (Assimilation) - এর নিয়মেই হয়ে থাকে। আর তা - ও মূলত কথ্যরীতিতে সীমাবদ্ধ।১. প্রথম ধ্বনি অঘােষ এবং পরবর্তী ধ্বনি ঘােষ হলে, দুটি মিলে ঘােষ ধ্বনি দ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ সন্ধিতে ঘােষ ধ্বনির পূর্ববর্তী অঘােষ ধ্বনিও ঘােষ হয়। যেমন – ছােট + দ = ছােড়দা।২. হলন্ত র (বদ্ধ অক্ষর বিশিষ্ট) ধ্বনির পরে অন্য ব্যঞ্জন ধ্বনি থাকলে রু লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনি দ্বিত্ব হয়।যেমন— আর + না = আন্না ধর, + না = ধন্না চার + টি = চাট্টি দুর, + ছাই = দুচ্ছাই ইত্যাদি। ৩. চ - বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ত - বর্গীয় ধ্বনি আসে তাহলে, ত - বর্গীয় ধ্বনি লােপ হয় এবং চ - বর্গীয় ধ্বনিরদ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ ত - বর্গীয় ধ্বনি ও চ - বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়। যেমন - নাত + জামাই = নাজ্জামাই (ত্ + জ = জ্জ) বদ্ + জাত = বজ্জাত হাত + ছানি = হাচ্ছানি ইত্যাদি। ৪. ‘প’ - এর পরে ‘চ’ এবং “স’ - এর পরে ‘ত এলে চ ও ত এর স্থলে শ হয়। যেমন – পাঁচ + শ = পাশ সাত + শ = সাশ পাঁচ + সিকা = পাশিকা ৫. হলন্ত ধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে ঘরের লােপ হয় না। যেমন – বােন + আই = বােনাই বার + এক = বারেক চুন + আরি = চুনারি তিন + এক = তিনেক তিল + এক = তিলেক ৬. স্বরধ্বনির পরে ব্যঞ্জনধ্বনি এলে স্বরধ্বনিটি লুপ্ত হয়। যেমন – কঁচা + কলা = কাঁচকলা ঘােড়া + দৌড় = ঘােড়দৌড় নাতি + বৌ = নাতবৌ ঘােড়া + গাড়ি = ঘােড়গাড়ি ইত্যাদি। তৎসম শব্দের সন্ধিবাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। এসব শব্দই তৎসম (তৎ = তার + সম = সমান)। তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। এ শ্রেণির শব্দের সন্ধি সংস্কৃত ভাষার নিয়মেই সম্পাদিত হয়ে এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম সন্ধি তিন প্রকার:(১) স্বরসন্ধি(২) ব্যঞ্জন সন্ধি(৩) বিসর্গ সন্ধি১. স্বরসন্ধিস্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি।১. অ - কার কিংবা আকারের পর অ - কার কিংবা আ - কার থাকলে উভয়ে মিলে আ - কার হয়, আ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - অ + অ = আ নর + অধম = নরাধম এরূপ - হিমাচল, প্রাণাধিক, হস্তান্তর, হিতাহিত ইত্যাদি অ + আ = আ হিম + আলয় = হিমালয়। এরূপ – দেবালয়, রত্নাকর, সিংহাসন ইত্যাদি। আ + অ = আ যথা + অর্থ = যথার্থ। এরূপ — আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি। আ + আ = আ বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এরূপ - কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি। ২. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে এ - কার হয়; এ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন— অ + ই = এ শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। আ + ই = এ যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট। অ + ঈ = এ পরম + ঈশ = পরমেশ। আ + ঈ = এ মহা + ঈশ = মহেশ। এরূপ –পূর্ণেন্দু, শ্রবণেন্দ্রিয়, স্বেচ্ছা, নরেশ, রমেশ, নরেন্দ্র ইত্যাদি। ৩. অ - কার কিংবা আ - কারের পর উ - কার কিংবা ঊ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ও - কার হয়; ও - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়। যেমন - অ + উ = ও সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়। আ + উ = ও যথা + উচিত = যথােচিত। অ + ঊ = ও গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহাের্ধ্ব। আ + ঊ = ও গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি। এরূপ — নীলােৎপল, চলাের্মি, মহােৎসব, নবােঢ়া, ফলােদয়, যথােপযুক্ত, হিতােপদেশ, পরােপকার, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি। ৪. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ঋ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ‘অর’ হয় এবং তা রেফ () রূপে পরবর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = অ দেব + ঋষি = দেবর্ষি। আ + ঋ = অর মহা + ঋষি = মহর্ষি। এরূপ — অধমর্ণ, উত্তমর্ণ, সপ্তর্ষি, রাজর্ষি ইত্যাদি। ৫. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ‘ঋত’ - শব্দ থাকলে (অ, আ + ঋ) উভয় মিলে ‘আর’ হয় এবং বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে আ ও পরবর্তী বর্ণে রেফ লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = আর শীত + ঋত = শীতার্ত। আ + ঋ = আর তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত। এরূপ —ভয়ার্ত, ক্ষুধার্ত ইত্যাদি। ৬. অ - কার কিংবা আ - কারের পর এ - কার কিংবা ঐ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ - কার হয়; ঐ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন— অ + এ = ঐ জন + এক = জনৈক। আ + এ = ঐ সদা + এব = সদৈব। অ + ঐ = ঐ মত + ঐক্য = মতৈক্য। আ + ঐ = ঐ মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য। এরূপ - হিতৈষী, সর্বৈব, অতুলৈশ্বর্য ইত্যাদি। ৭. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ও - কার কিংবা ঔ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ - কার হয়; ঔ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - অ + ও = ঔ বন + ওষধি = বনৌষধি। আ + ও = ঔ মহা + ওষধি = মহৌষধি। অ + ঔ = ঔ পরম + ঔষধ = পরমৌষধ। আ + ঔ = ঔ মহা + ঔষধ = মহৌষধ। ৮. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ - কার হয়। দীর্ঘ ঈ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - ই + ই = ঈ অতি + ইত = অতীত ই + ঈ = ঈ পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা। ঈ + ই = ঈ সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র। ঈ + ঈ = ঈ সতী + ঈশ = সতীশ। এরূপ - গিরীন্দ্র, ক্ষিতীশ, মহীন্দ্র, শ্রীশ, পৃথ্বীশ, অতীব, প্রতীক্ষা, প্রতীত, রবীন্দ্র, দিল্লীশ্বর ইত্যাদি। ৯. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে ই বা ঈ স্থানে ‘য বা য() ফলা হয়। য - ফলা।লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়। যেমন - ই + অ = + অ অতি + অন্ত = অত্যন্ত। ই + আ = ঘৃ + আ ইতি + আদি = ইত্যাদি। ই + উ = খৃ + উ অতি + উক্তি = অত্যুক্তি। ই + উ = য + উ প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ। ঈ + আ = + আ মসী + আধার = মস্যাধার। ই + এ = য + এ প্রতি + এক = প্রত্যেক। ঈ + অ = ঘৃ + অ নদী + অ = নদঘু। এরূপ - প্রত্যহ, অত্যধিক, গত্যন্তর, প্রত্যাশা, প্রত্যাবর্তন, আদ্যন্ত, যদ্যপি, অভ্যুত্থান, অত্যাশ্চর্য, প্রত্যুপকার ইত্যাদি। ১০. উ - কার কিংবা উ - কারের পর উ - কার কিংবা উ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঊ - কার হয়; উ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। যেমন— উ + উ = উ মরু + উদ্যান = মরুদ্যান। উ + উ = উ বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব। ঊ + উ = উ বধূ + উৎসব = বধূৎসব। ঊ + উ = উ ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব। ১১. উ - কার কিংবা ঊ - কারের পর উ - কার ও উ - কার ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব - ফলা হয় এবং লেখার সময় ব - ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন - উ + অ = ব + অ সু + অল্প = স্বল্প উ + আ = ব + আ সু + আগত = স্বাগত উ + ই = ব + ই অনু + ই = অন্বিত উ + ঈ = ব + ঈ তনু + ঈ = তন্বী উ + এ = ব + এ অনু + এষণ = অন্বেষণ এরুপ - পশ্বধম, পশ্বাচার, অন্বয়, মন্বন্তর ইত্যাদি। ১২. এ, ঐ, ও, ঔ - কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আবু হয়। যেমন - এ + অ = অহ্ + অ নে + অন = নয়ন। শে + অন = শয়ন। ঐ + অ = আয়ু + অ নৈ + অক = নায়ক। গৈ + অক = গায়ক। ও + অ = অব + অ পাে + অন = পবন। লাে + অন = লবণ। ঔ + অ = আবৃ + অ পৌ + অক = পাবক। ও + আ = অ + আ গাে + আদি = গবাদি। ও + এ = অ + এ গাে + এষণা = গবেষণা। ও + ই = অ + ই পাে + ইত্র = পবিত্র ঔ + ই = আবৃ + ই নৌ + ইক = নাবিক। ঔ + উ = আবৃ + উ ভৌ + উক = ভাবুক ২. ব্যঞ্জনসন্ধিস্বরে - ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে - স্বরে ও ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এদিক থেকে ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি৩, ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনিক, চ, ট, ত, পৃ - এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলাে যথাক্রমে গ, জ্ব, ডু (ড়), দৃ, বৃ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - ক্ + অ = গ দিক্ + অন্ত = দিগন্ত। চ্ + অ = জ ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত। ট্ + আ = ড় ষট্ + আনন = ষড়ানন। ত্ + অ = দ তৎ + অবধি = তদবধি। প + অ = ব সুপ + অন্ত = সুবন্ত। এরূপ - বাগীশ, তদন্ত, বাগাড়ম্বর, কৃদন্ত, সদানন্দ, সদুপায়, সদুপদেশ, জগদিন্দ্র ইত্যাদি। ২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনিস্বরধ্বনির পর ছ থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়। যথা— অ + ছ = চ্ছ এক + ছত্র = একচ্ছত্র আ + ছ = চ্ছ কথা + ছলে = কথাচ্ছলে ই + ছ = চ্ছ পরি + ছ = পরিচ্ছদ। এরূপ – মুখচ্ছবি, বিচ্ছেদ, পরিচ্ছেদ, বিচ্ছিন্ন, অঙ্গচ্ছেদ, আলােকচ্ছটা, প্রতিচ্ছবি, প্রচ্ছদ, আচ্ছাদন, বৃক্ষচ্ছায়া, বচ্ছন্দে, অনুচ্ছেদ ইত্যাদি। ৩. ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি(ক) ১. ত্ ও দৃ - এর পর চূ ও ছ, থাকলে ত্ ও দৃ স্থানে চ হয়। যেমন— ত্ + চ = চ্চ সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা। ত্ + ছ উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ। দ্ + চ = চ্চ বিপদ + চয় = বিপচ্চয়। দৃ + ছ = চ্ছ বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া। এরূপ — উচ্চারণ, শরচ্চন্দ্র, সচ্চরিত্র, তচ্ছবি ইত্যাদি। ২. ত্ ও দ্ এরপর জ্ব ও ঝ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থানে জ্ব হয়। যেমন— ত্ + জ = জ্জ সৎ + জন = সজ্জন। দৃ + জ = জ্জ বিপদ + জাল = বিপজ্জাল ত্ + ঝ = দ্রু কুৎ + ঝটিকা = কুক্কটিকা এরূপ – উজ্জ্বল, তজ্জন্য, যাবজ্জীবন, জগজ্জীবন ইত্যাদি। ৩. ত্ ও দৃ - এরপর শ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থলে চ্ এবং শ্ - এর স্থলে ছ উচ্চারিত হয়। যেমন - ত্ + শ = চ + ছ = চ্ছ উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাসএরূপ — চলচ্ছক্তি, উচ্ছঙ্খল ইত্যাদি।৪. ত্ ও দৃ - এর পর ডু থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থানে ড্র হয়। যেমন - ত্ + ড = ডড় উৎ + ডীন = উড্ডীন।এরূপ – বৃহড্ঢক্কা৫. ত্ ও দৃ এর পর হ থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থলে দ এবং হ এর স্থলে ধূ হয়। যেমন - ত্ + হ = দৃ + ধ = দ্ধ উৎ + হার = উদ্ধার।দৃ + = দৃ + ধ = দ্ধ পদ + হতি = পদ্ধতি।এরূপ – উদ্ধৃত, উদ্ধত, তদ্ধিত ইত্যাদি।৬. ত্ ও দ, এর পর নৃ থাকলে ত্ ও - এর স্থলে ল উচ্চারিত হয়। যেমনত্ + ল = ল্ল উৎ + লাস = উল্লাস।এরূপ – উল্লেখ, উল্লিখিত, উল্লেখ্য, উল্লম্ফন ইত্যাদি।(খ) ১. ব্যঞ্জন ধ্বনিসমূহের যে কোনাে বর্গের অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পর যে কোনাে বর্গের ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনি, (য ) জ), ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ ধ্বনি (ব), ঘােষ কম্পনজাত দন্তমূলীয় ধ্বনি (র) কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনি (ব) থাকলে প্রথম অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘােষ অল্পপ্রাণরূপে উচ্চারিত হয়। যথা : ক্ + দ = গ + দ বাক্ + দান = বাগদান টু + য = ডু + য ষ + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র ত্ + ঘ = দ্ + ঘ উৎ + ঘাটন = উদ্ঘাটন ত্ + য = দৃ + য উৎ + যােগ = উদ্যোগ ত্ + ব = দৃ + ব উৎ + বন্ধন = উদ্বন্ধন। ত্ + র = দৃ + র তৎ + রূপ = তদুপ এরূপ - দিগ্বিজয়, উদ্যম, উদ্গার, উদ্গিরণ, উদ্ভব, বাগ্জাল, সদ্গুরু, বাগদেবী ইত্যাদি। ২. ঙ, ঞ, ণ, ন, ম পরে থাকলে পূর্ববর্তী অঘােষ অল্পপ্রাণ স্পর্শধ্বনি সেই বর্গীয় ঘােষ স্পর্শধ্বনি কিংবা নাসিক্যধ্বনি হয়। যথা :ক্ + ন = গ + ন দিক্ + নির্ণয় = দিগনির্ণয় বা দিনির্ণয়ত্ + ম = দ/ন + ম তৎ + মধ্যে = তদ্মধ্যে বা তন্মধ্যে।লক্ষণীয়: এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণত নাসিক্য ব্যঞ্জনই বেশি প্রচলিত। যেমন – বাক্ + ময় = বাঙ্ময়, জগৎ + নাথ = জগন্নাথ ইত্যাদি। তৎ + ময় = তন্ময়, এরূপ—উন্নয়ন, উন্নীত, চিন্ময় ইত্যাদি। মৃৎ + ময় = মৃন্ময়, ৩. ম্ এর পর যে কোনাে বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম্ ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়। যেমন— মৃ + ক = ঙ + ক্ শম্ + ক = শঙ্কা। ম্ + চ = ঞ + চ্ সম্ + চয় = সঞ্চয়। ম + ত = নৃ + ত্ সম্ + তাপ = সন্তাপ। এরূপ – কিম্ভূত, সন্দর্শন, কিন্নর, সম্মান, সন্ধান, সন্ন্যাস ইত্যাদি। দ্রষ্টব্য : আধুনিক বাংলায় মূ - এর পর কণ্ঠ্য - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে মৃ স্থানে প্রায়ই ঙ না হয়ে অনুস্বার (ং) হয়। যেমন - সম্ + গত = সংগত, অহম্ + কার = অহংকার, সম্ + খ্যা = সংখ্যা এরূপ –সংকীর্ণ, সংগীত, সংগঠন, সংঘাত ইত্যাদি। ৪. ম্ - এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, মৃ স্থলে অনুবার (ং) হয়। যেমন - সম্ + যম = সংযম, সম্ + বাদ = সংবাদ, সম্ + রক্ষণ = সক্ষণ সম্ + লাপ = সংলাপ সম্ + শয় = সংশয় সম্ + সার = সংসার সম্ + হার = সংহার। এরূপ - বারংবার, কিংবা, সংবরণ, সংযােগ, সংযােজন, সংশােধন, সর্বংসহা, সয়ংবরা। ব্যতিক্রম : সম্রাট (সম্ + রাট)। ৫. চু ও জু - এর পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হয়। যেমন –চ + ন = চ + ঞ যাচ্ + না = যাচ্ঞা, রাজ্ + নী = রাজ্ঞী।জ + ন = জ + ঞ, যজ্ + ন = যজ্ঞ,৬. দৃ ও ধ এর পরে ক, চ, ট, ত, প, খ, ছ, ঠ, থ, ফ, থাকলে দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - দ্> ত্ তদ্ + কাল = তৎকালধূ > ত্ ক্ষুধ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।এরূপ —হৃৎকম্প, তৎপর, তত্ত্ব ইত্যাদি।৭. দৃ কিংবা ধূ - এর পরে স্ থাকলে, দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - বিপদ + সংকুল = বিপৎসংকুল।এরূপ — তৎসম।৮. যু - এর পরে ত্ বা থু থাকলে, যথাক্রমে ত্ ও থু স্থানে ট ও ঠ হয়। যেমনকৃষ + তি = কৃষ্টি, ষষ্ + থ্ = ষষ্ঠ। বিসর্গ সন্ধিসংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত বৃ ও স্ অনেক ক্ষেত্রে অঘােষ উম্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ(ঃ) রূপে লেখা হয়। র্ ও সূ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিমালার অন্তর্গত। সে কারণে বিসর্গ সন্ধি ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত। বস্তুত বিসর্গ র্ এবং স্ - এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে :১. র - জাত বিসর্গ ও২. সৃ - জাত বিসর্গ।১. র - জাত বিসর্গ : র স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে র - জাত বিসর্গ। যেমন:অন্তর অন্তঃ, প্রাতরপ্রাতঃ, পুনর – পুনঃ ইত্যাদি।২. স - জাত বিসর্গ : স্ স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে স্ - জাত বিসর্গ। যেমন :নমস্ – নমঃ, পুরস্ – পুরঃ, শিরস্ – শিরঃ ইত্যাদি।বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র ও স্ - এর সাথে স্বরধ্বনির কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।বিসর্গ সন্ধি দুইভাবে সাধিত হয়:১. বিসর্গ + স্বর এবং২. বিসর্গ + ব্যঞ্জন।১. বিসর্গ ও স্বরের সন্ধিঅ - ধ্বনির পরস্থিত (অঘােষ উধ্বনি) বিসর্গের পর অ ধ্বনি থাকলে অ + ও + অ – এ তিনে মিলে ও - কার হয়। যেমন - ততঃ + অধিক = ততােধিক।২. বিসর্গ ও ব্যঞ্জনের সন্ধি১. অ - কারের পরস্থিত স - জাত বিসর্গের পর ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্যধ্বনি কিংবা অন্তস্থ য, অন্তস্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ - কার ও স্ - জাত বিসর্গ উভয় স্থলে ও - কার হয়। যেমন – তিরঃ + ধান = তিরােধান, মনঃ + ম = মনােরম, মনঃ + হর = মনােহর, তপঃ + বন = তপােবন ইত্যাদি। ২. অ - কারের পরঙ্খিত রূ - জাত বিসর্গের পর উপযুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনােটি থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন— অন্তঃ + গত = অন্তর্গত, অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান, পুনঃ + আয় = পুনরায়, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত, অহঃ + অহ = অহরহ। এরূপ — পুনর্জন্ম, পুনর্বার, প্রাতরুথান, অন্তর্ভুক্ত, পুনরপি, অন্তবর্তী ইত্যাদি। ৩. অ ও আ ভিন্ন অন্য ঘরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ - এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন - নিঃ + আকার = নিরাকার, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ, দুঃ + যােগ = দুর্যোগ ইত্যাদি। এরূপ – নিরাকরণ, জ্যোতির্ময়, প্রাদুর্ভাব, নির্জন, বহির্গত, দুর্লোভ, দুরন্ত ইত্যাদি। ব্যতিক্রম : ই কিংবা উ ধ্বনির পরের বিসর্গের সঙ্গে ‘র’ এর সন্ধি হলে বিসর্গের লােপ হয় ও বিসর্গের পূর্ববর্তী ব্ৰস ঘর দীর্ঘ হয়। যেমন –নিঃ + রব = নীরব, নিঃ + রস = নীরস ইত্যাদি।৪. বিসর্গের পর অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে দন্ত্য শিশ ধ্বনি হয়। যেমনঃ ঃ + চ + ছ = শ + চ / ছ নিঃ + চয় = নিশ্চয়, শিরঃ + ছেদ = শিরচ্ছেদ। ঃ + ট /ঠ = ষ + ট ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার, নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর। ঃ + ত + থ = স + ত + থ দুঃ + তর = দুস্তর, দুঃ + থ = দুস্থ। ৫. অঘােষ অল্পপ্রাণ ও অঘােষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘােষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ হলে অঘোেষ মূর্ধন্য শিশূ ধ্বনি (ষ) হয়। যেমন - অ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = স + ক নমঃ + কার = নমস্কার। অ এর পরে বিসর্গ ঃ + খ = স + খ পদঃ + খলন = পদখলন। ই এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক নিঃ + কর = নিষ্কর। উ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক দুঃ + কর = দুষ্কর। এরূপ – পুরস্কার, মনস্কামনা, তিরস্কার, চতুষ্পদ, নিষ্ফল, নিস্পাপ, দুষ্প্রাপ্য, বহিস্কৃত, দুস্কৃতি, আবিষ্কার, চতুষ্কোণ, বাচস্পতি, ভাস্কর ইত্যাদি। ৬. কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে সন্ধির বিসর্গ লােপ হয় না। যেমন - প্রাতঃ + কাল = প্রাতঃকাল মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া ৭. যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনি ত, স্থ কিংবা স পরে থাকলে পূর্ববর্তী বিসর্গ অবিকৃত থাকে অথবা লােপ পায়। যেমন— নিঃ + স্তন্ধ = নিঃস্তব্ধ কিংবা নিস্তব্ধ। দুঃ + থ = দুঃস্থ কিংবা দুস্থ। নিঃ + প = নিঃস্পন্দ কিংবা নিস্পন্দ। সন্ধি বিচ্ছেদ : আলোচনার সারসংক্ষেপসন্ধি বিচ্ছেদ এর উপরিউক্ত আলোচনা আপনার ভাল না লাগাই স্বাভাবিক। ফাঁকি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ২১০টি সন্ধি বিচ্ছেদ ঝেড়ে ফেলুন। ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ১ অক্ষৌহিণী = অক্ষ + ঊহিণী ৭ মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড ২ কুলটা = কুল + অটা ৮ রক্তোষ্ঠ = রক্ত + ওষ্ঠ ৩ গবাক্ষ = গাে + অক্ষ ৯ শারঙ্গ = শার + অঙ্গ ৪ গবেন্দ্র = গাে + ইন্দ্র ১০ শুদ্ধোধন = শুদ্ধ + ওদন ৫ গবেশ্বর = গাে + ঈশ্বর ১১ সীমন্ত = সীমন + অত ৬ প্রৌঢ় = প্র + ঊঢ় ১২ স্বৈর = স্ব + ঈর ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ১ অহর্নিশ = অহঃ + নিশ ৫ মনঃকষ্ট = মনঃ + কষ্ট ২ আস্পদ = আঃ + পদ ৬ শিরঃপীড়া = শিরঃ + পীড়া ৩ প্রাতঃকাল = প্রাতঃ + কাল ৭ হরিশ্চন্দ্র = হরিঃ + চন্দ্র ৪ বাচস্পতি = বাচঃ + পতি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ১ আশ্চর্য = আ + চর্য ৭ পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি ২ একাদশ = এক + দশ ৮ পরস্পর = পর + পর ৩ গােস্পদ = গাে + পদ ৯ বনস্পতি = বন + পতি ৪ ঘােড়শ = ষ + দশ ১০ বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি ৫ তস্কর = তৎ + কর ১১ মনীষা = মনস + ঈষা ৬ দ্যুলােক = দিক্ + লােক ১২ ষােড়শ = ষট্ + দশ ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ১ অন্যান্য = অন্য + অন্য ২ শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ১ উত্থান = উৎ + স্থান ৫ সংস্কার = সম + কার ২ উত্থাপন = উৎ + স্থাপন ৬ সংস্কৃত = সম + কৃত ৩ পরিকৃত = পরি + কৃত ৭ সংস্কৃতি = সুম + কৃতি ৪ পরিষ্কার = পরি + কার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ১ অতএব = অতঃ + এব ২১ দুস্থ = দুঃ + থ ২ অন্তর্লীন = অন্তঃ + লীন ২২ ধনুষ্টঙ্কার = ধনুঃ + টঙ্কার ৩ অহরহ = অহঃ + অহ ২৩ নিরাকার = নিঃ + আকার ৪ আবিষ্কার = আবিঃ + কার ২৪ নিশ্চয় = নিঃ + চয়ন ৫ আশীর্বাদ = আশীঃ + বাদ ২৫ নীরব = নিঃ + রব ৬ ইতস্তত = ইতঃ + তত ২৬ নীরস = নিঃ + রস ৭ চতুষ্কোণ = চতুঃ + কোণ ২৭ পুনরায় = পুনঃ + আয় ৮ যশােচ্ছা = যশঃ + ইচ্ছা ২৮ পুনর্জন্ম = পুনঃ + জন্ম ৯ যশােভিলাষ = যশঃ + অভিলাষ ২৯ প্রাতরাশ = প্রাতঃ + আশ ১০ যশােলাভ = যশঃ + লাভ ৩০ পুরস্কার = পুরঃ + কার ১১ তিরস্কার = তিরঃ + কার ৩১ বহিষ্কার = বহিঃ + কার ১২ ততােধিক = ততঃ + অধিক ৩২ ভাস্কর = ভাঃ + কর ১৩ তপােধিক্য = তপঃ + আধিক্য ৩৩ ভ্রাতুস্পুত্র = ভ্রাতুঃ + পুত্র ১৪ তপােবন = তপঃ + বন ৩৪ মনােজ = মনঃ + জ ১৫ দ্বিরাগমন = দ্বিঃ + আগমন ৩৫ মনােযােগ = মনঃ + যােগ ১৬ দুরাত্মা = দুঃ + আত্মা ৩৬ মনােহর = মনঃ + হর ১৭ দুর্যোগ = দুঃ + যােগ ৩৭ শিরােপরি = শিরঃ + উপরি ১৮ দুরবস্থা = দুঃ + অবস্থা ৩৮ শিরচ্ছেদ = শিরঃ + ছেদ ১৯ দুর্লোভ = দুঃ + লােভ ৩৯ শ্রেয়স্কর = শ্রেয়ঃ + কর ২০ দুস্তর = দুঃ + তরকার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ১ অহংকার = অহম্ + কার ৩১ বাগলােপ = বাক্ + লােপ ২ উচ্চারণ = উৎ + চারণ ৩২ বাঙ্ময় = বাক্ + ময় ৩ উচ্ছ্বাস = উৎ + শ্বাস ৩৩ বিচ্ছেদ = বি + ছেদ ৪ উজ্জ্বল = উৎ + জ্বল ৩৪ বুদ্ধ = বুধ + ত ৫ উডডীন = উৎ + ডীন ৩৫ বরঞ্চ = বরম্ + চ ৬ উদ্যোগ = উৎ + যােগ ৩৬ বসুন্ধরা = বসুম্ + ধরা ৭ উদ্যম = উৎ + যম ৩৭ মুখচ্ছবি = মুখ + ছবি ৮ উদ্ধৃঙ্খল = উৎ + শৃঙ্খল ৩৮ রাজ্ঞী = রাজ + নী ৯ উদ্ধত = উৎ + হত ৩৯ শঙ্কা = শম্ + কান ১০ কিংবা = কিম্ + বা ৪০ শরচ্চন্দ্র = শরৎ + চন্দ্র ১১ কিন্তু = কিম্ + তু ৪১ ষড়ঋতু = ষট + ঋতু ১২ কিন্নর = কিম্ + নর ৪২ ষড়ানন = ষট + আনন ১৩ কিম্ভুত = কিম্ + ভূত ৪৩ ষড়যন্ত্র = ষট + যন্ত্র ১৪ কুটিকা = কুৎ + ঝটিকা ৪৪ ষষ্ঠ = ষষ + থ ১৫ কৃদন্ত = কৃৎ + অন্ত ৪৫ সংখ্যা = সম্ + খ্যা ১৬ কৃষ্টি = কৃ + তি ৪৬ সংগত = সম + গত ১৭ ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা ৪৭ সংঘ = সম্ + ঘ ১৮ চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র ৪৮ সংলাপ = সম্ + লাপ ১৯ জগন্নাথ = জগৎ + নাথ ৪৯ সিংহ = সিন্ + হ ২০ যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন ৫০ সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা ২১ যজ্ঞ = যজু + ন ৫১ সচ্চরিত্র = সৎ + চরিত্র ২২ ণিজন্ত = ণিচ্ + অন্ত ৫২ সঞ্চয় = সম্ + চয় ২৩ দিগন্ত = দিক্ + অন্ত ৫৩ সদুপদেশ = সৎ + উপদেশ ২৪ পদ্ধতি = পদ্ + হতি ৫৪ সন্ধান = সম্ + ধান ২৫ পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ ৫৫ স্বয়ংবরা = স্বয়ম্ + বরা ২৬ প্রিয়ংবদা = প্রিয়ম্ + বদা ৫৬ সুবন্ত = সুপ + অন্ত ২৭ বৃক্ষচ্ছায়া = বৃক্ষ - + ছায়া ৫৭ সম্পল্লাভ = সম্পন্ + লাভ ২৮ বাগীশ = বাক্ + ঈশ ৫৮ সম্মান = সম্ + মান ২৯ বাগদত্তা = বাক্ + দত্তা ৫৯ সম্রাট = সম্ + রাট ৩০ বাগধারা = বাক্ + ধারা ৬০ হিংসা = হিন্ + সা ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ১ অত্যন্ত = অতি + অন্ত ৩৭ প্রত্যহ = প্রতি + অহ ২ অধমর্ণ = অধম + ঋণ ৩৮ পশ্বাচার = পশু + আচার ৩ অন্বেষণ = অনু + এষণ ৩৯ পশ্বধম = পশু + অধম ৪ অর্ধেক = অর্ধ + এক ৪০ বেশকম = বেশি + কম ৫ ইত্যাদি = ইতি + আদি ৪১ বধূক্তি = বধূ + উক্তি ৬ উত্তমর্ণ = উত্তম + ঋণ ৪২ বধূৎসব = বধূ + উৎসব ৭ উপযুক্ত = উপরি + উক্ত ৪৩ ভয়ার্ত = ভয় + ঋত ৮ একেক = এক + এক ৪৪ ভবন = ভাে + অন ৯ একোন = এক + উন ৪৫ মাত্ৰাদেশ = মাতৃ + আদেশ ১০ একত্রিত = একত্র + ইত ৪৬ মাত্রুপদেশ = মাতৃ + উপদেশ ১১ কাঁচকলা = কাঁচা + কলা ৪৭ মিশকাল = মিশি + কাল ১২ কথােপকথন = কথা + উপকথন ৪৮ মতৈক্য = মত + ঐক্য ১৩ কথামৃত = কথা + অমৃত ৪৯ মন্বন্তর = মনু + অন্তর ১৪ ক্ষুধার্ত = ক্ষুধা + ঋত ৫০ মস্যাধার = মসী + আধার ১৫ গায়ক = গৈ + অক ৫১ মহৈশ্বর্য = মহা + ঐশ্বর্য ১৬ গত্যন্তর = গতি + অন্তর ৫২ মহৌষধি = মহা + ওষধি ১৭ গবেষণা = গাে + এষণা ৫৩ রাজর্ষি = রাজা + ঋষি ১৮ চন্দ্রানন = চন্দ্র + আনন ৫৪ রত্নাকর = রত্ন + আকর ১৯ জনৈক = জন + এক ৫৫ রবীন্দ্র = রবি + ইন্দ্র ২০ যথার্থ = যথা + অর্থ ৫৬ লঘূর্মি = লঘু + ঊর্মি ২১ যদ্যপি = যদি + অপি ৫৭ লবণ = লাে + অন ২২ তথৈবচ = তথা + এবচ ৫৮ শায়ন = শে + অন ২৩ তষী = তনু + ঈ ৫৯ শীতার্ত = শীত + ঋত ২৪ তৃষ্ণার্ত = তৃষ্ণা + ঋত ৬০ শতেক = শত + এক ২৫ ধর্মাধর্ম = ধর্ম + অধর্ম ৬১ শুভেচ্ছা = শুভ + ইচ্ছা ২৬ নিন্দাহ = নিন্দা + অর্থ ৬২ সৃক্ত = সু + উক্ত ২৭ নীলােৎপল = নীল + উৎপল ৬৩ সানুনাসিক = স + অনুনাসিক ২৮ নদ্যম্বু = নদী + অষু ৬৪ স্বাধিকার = স + অধিকার ২৯ নদপকণ্ঠ = নদী + উপকণ্ঠ ৬৫ স্বাধীন = স্ব + অধীন ৩০ নবােঢ়া = নব + ঊঢ়া ৬৬ স্বেচ্ছা = স + ইচ্ছা ৩১ নরাধম = নর + অধম ৬৭ স্বল্প = সু + অল্প ৩২ নরেন্দ্র = নর + ইন্দ্র ৬৮ হিতােপদেশ = হিত + উপদেশ ৩৩ পিত্রালয় = পিতৃ + আলয় ৬৯ হিতৈষী = হিত + ঐষী ৩৪ পবিত্র = পাে + ইত্ৰ ৭০ হিমাচল = হিম + অচল ৩৫ পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা ৭১ হস্তান্তর = হস্ত + অন্তর ৩৬ প্রত্যেক = প্রতি + এক
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় ----
Correct Answer:
খ: ধাতু
Explanation:
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় ---- সঠিক উত্তর ধাতু যা থেকে ক্রিয়াপদের জন্ম সেটাই ধাতু। যেমন, করি, একটি ক্রিয়াপদ। একে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় কর + ই। কর ক্রিয়াপদের. মূল অংশ, এটিই ধাতু। সংজ্ঞা : ক্রিয়াপদের মূল অংশকেই ধাতু বলে। অর্থাৎ ক্রিয়ার মূল অর্থ যার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় তাকেই ধাতু বলে। যেমন - ক, চল, পড়ু, এগুলাে ধাতুর উদাহরণ।
ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য ------
Correct Answer:
ক: জীবনানুভূতির গভীরতায়
Explanation:
ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য ------ সঠিক উত্তর জীবনানুভূতির গভীরতায় নাটকনাটক সাহিত্যের একটি বিশেষ ধরন। সাধারণত একটি লিখিত পাণ্ডুলিপি অনুসরণ করে অভিনয় করে নাটক পরিবেশিত হয়ে থাকে। নাটক লেখা হয় অভিনয় করার জন্য। তাই নাটক লেখার আগেই তার অভিনয় করার যোগ্য হতে হয়। নাটকে স্থান, সময় ও পরিবেশের বর্ণনা ছাড়াও সংলাপ লেখা থাকে। সংলাপ বলেই একজন অভিনেতা নাটকের বিভিন্ন বিষয়ে বলে থাকেন। তবে সংলাপই শেষ কথা নয়। সংলাপবিহীন অভিনয়ও নাটকের অংশ।নাটক এর প্রেক্ষাপটসাধারণ মানুষের মধ্যে গল্পে গল্পে যে নাটক গড়ে ওঠে, সাধারণ মানুষের গল্প অবলম্বন করে যার কাহিনি আবর্তিত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে কথ্যরীতিতে যে নাটক বেঁচে থাকে তাই লোকনাট্য।সংস্কৃত আলঙ্কারিকগণ নাট্যসাহিত্যকে কাব্য সাহিত্যের মধ্যে স্থান দিয়েছেন। তাদের মতে কাব্য দুই প্রকার - দৃশ্য কাব্য ও শ্রব্য কাব্য। নাটক প্রধানত দৃশ্য কাব্য এবং এটি সকল প্রকার কাব্য সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ - “ কাব্যেষু নাটকং রম্যম্। ” নাটক দৃশ্য ও শ্রব্যকাব্যের সমন্বয়ে রঙ্গমঞ্চের সাহায্যে গতিমান মানবজীবনের প্রতিচ্ছবি আমাদের সম্মুখে মূর্ত্ত করে তোলে। রঙ্গমঞ্চের সাহায্য ব্যতীত নাটকীয় বিষয় পরিস্ফুট হয় না। নাট্যোল্লিখিত কুশীলবগণ তাদের অভিনয় - নৈপুণ্যে নাটকের কঙ্কালদেহে প্রাণসঞ্চার করেন, তাকে বাস্তব রূপৈশ্বর্য্য দান করেন। নাটকে অনেক সময় পাত্র - পাত্রীদের কথায় নাট্যকার নিজের ধ্যান - ধারণার কথাও সংযোগ করে দেন। এইজন্য এটি সম্পূর্ণরূপে বস্তুনিষ্ঠ বা তন্ময় বা অবজেকটিভস্ না - ও হতে পারে। কিন্তু শ্রেষ্ঠ নাট্যকার নিজেকে যথাসাধ্য গোপনে রাখেন এবং তার চরিত্র - সৃষ্টির মধ্যে বিশেষ একটি নির্লিপ্ততা বর্তমান থাকে। সংস্কৃত নাটকসংস্কৃত নাটকে দেখা যায় যে, প্রথমতঃ পূর্বরঙ্গ বা মঙ্গলাচরণ, দ্বিতীয়তঃ সভাপূজা (সামাজিকগণের), তৃতীয়তঃ কবিসংজ্ঞা বা নাটকীয় বিষয় - কথন এবং তারপর প্রস্তাবনা। 'মঙ্গলাচরণে' সূত্রধর (তিনি জাতিতে ব্রাহ্মণ, সংস্কৃতজ্ঞ ও অভিনয় - পটু) রঙ্গভূমিতে উপস্থিত থেকে অভিনয় - কার্য্যের বিঘ্নপরিসমাপ্তির জন্য যে মঙ্গলাচরণ করেন তার নাম 'নান্দী'।প্রস্তাবনার পর সাধারণতঃ প্রথম অঙ্ক আরম্ভ হয়। নাটকীয় কুশীলবগণ 'সূচিত' না হয়ে রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করতে পারে না। শুধু নায়ক বা আর্ত্ত যে - কোন চরিত্রের প্রবেশের জন্য সূচনার প্রয়োজন নেই। নাটকের ভাষায় গদ্য ও পদ্য উভয়ই ব্যবহৃত হয়। তবে, সংস্কৃত নাটকে বিদ্বানপুরুষ সাধারণতঃ সংস্কৃত, বিদুষী মহিলাগণ শৌরসেনী, রাজপুত্র ও শ্রেষ্ঠিগণ অর্দ্ধমাগধী, বিদূষক প্রাচ্যা এবং ধূর্ত্ত অবন্তিক ভাষা ব্যবহার করতেন।ঐক্যনীতিসনাতনপন্থী নাট্যকারগণ নাটকে তিনটি ঐক্যনীতি মেনে চলতেন। সেগুলো হলোঃ - সময়ের ঐক্যঃ নাটকীয় আখ্যানভাগ রঙ্গমঞ্চে দেখাতে যতক্ষণ সময় লাগে, বাস্তব জীবনে সংঘটিত হতে যেন ঠিক ততক্ষণ লাগে, এদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এরিস্টটল এই কাল - নির্দেশ করতে গিয়ে একে 'সিঙ্গেল রিভোলিউশন অব দ্য সান' অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ করেছেন। স্থানের ঐক্যঃ নাটকে এমন কোন স্থানের উল্লেখ থাকতে পারবে না, যেখানে নাট্য - নির্দেশিত সময়ের মধ্যে নাটকের কুশীলবগণ যাতায়াত করতে পারে না। ঘটনার ঐক্যঃ নাটকে এমন কোন দৃশ্য বা চরিত্র সমাবেশ থাকবে না, যাতে নাটকের মূল সুর ব্যাহত হতে পারে। সমস্ত চরিত্র ও দৃশ্যই নাটকের মূল বিষয় ও সুরের পরিপোষকরূপে প্রদর্শিত হওয়া চাই এবং নাটকটি যেন আদি, মধ্য ও অন্ত - সমন্বিত একটি অখণ্ডরূপে পরিস্ফুট হয়।ইংরেজি সাহিত্যে বেন জনসন ঐক্যনীতি মেনে চলেছেন এবং শেক্সপিয়ার মাত্র দ্য টেম্পেস্ট এবং দ্য কমেডি অব এরর'স - এ এই নিয়ম মেনে চলেছেন। এইখানে উল্লেখযোগ্য যে, প্রাচীন সংস্কৃত নাটকে কাল, স্থান ও ঘটনার ঐক্য অনুঃসৃত হয়নি। ভবভূতির 'মহাবীর চরিত্রে' দ্বাদশবর্ষের ঘটনা নাট্যাকারে পরিবেশিত হয়েছে। চরিত্রে দ্বাদশবর্ষের ঘটনা নাট্যাকারে পরিবেশিত হয়েছে।নাটকের উপাদান মূল ভাবনা বা প্রেমিজ: একটা নাটক তার দর্শককে কিছু বলতে চায়। নাট্যকার একটি ধারণাকে অবলম্বন করে একটি কাহিনি তৈরি করেন। কাহিনির মাধ্যমে তিনি তার ধারণাটিকে বলেন। তার এই মূল বক্তব্যটিই হল মূল ধারণা বা প্রেমিজ। কাহিনি বা প্লট: নাটকে সাধারণত একটি ঘটনা থাকে। কাহিনির শুরু, মধ্য ও শেষ থাকে। এক বা একাধিক মানুষের বা চরিত্রের কাহিনি বর্ণিত হতে থাকে। প্রধান কাহিনির পাশাপাশি নাটকে উপ - কাহিনি বা সাব - প্লট থাকতে পারে। তবে উপ - কাহিনি প্রধান কাহিনিকে সহায়তা করে। চরিত্র: নাটক যেই ব্যক্তিগুলোর কাহিনি বর্ণনা করে সেই ব্যক্তিগুলোই নাটকের চরিত্র। মূলত একটি নাটকে একজন প্রধান চরিত্র হয়। চরিত্রটি নাটকের শুরুতে যে রকম থাকে, নাটকের শেষে সে রকম থাকে না। ঘটনাপ্রবাহের প্রবাহে তার মধ্যে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে। সংলাপ: নাটকের চরিত্র বা পাত্রপাত্রী কথোপকথন আকারে যা বলে সেটাই সংলাপ। সোজা কথায়, নাটকের চরিত্রের মুখের কথাগুলোকেই সংলাপ বলে।নাটকের শ্রেণীবিভাগনাটকের শ্রেণীবিভাগ কোনো বিশেষ বিষয়কে ভিত্তি করে করা হয়নি। নানারকম বিষয়বস্তু অনুসারে নাটককে নানাভাবে শ্রেণীবিভাগ করা হয়েছে। নাটকের শ্রেণীবিভাগগুলো এরকম: ক) ভাব সংবেদনা রীতি অনুসারে (০১) ট্রাজেডি (০২) কমেডি (০৩) ট্রাজি - কমেডি (০৪) মেলোড্রামা ও (০৫) ফার্স।খ) বিষয়বস্তুর উৎসরীতি অনুসারে (০১) পৌরাণিক (০২) ঐতিহাসিক (০৩) ঐতিহাসিককল্প চরিত্রমূলক (০৪ ) সামাজিক (০৫) পারিবারিক (০৬) উপকথাশ্রয়ী ও (০৭) কাল্পনিকগ) বিষয়বস্তুর প্রকৃতি অনুসারে (০১) ধর্মমূলক (০২) নীতিমূলক (০৩) আধ্যাত্মিক (০৪) রাজনৈতিক (০৫) অর্থনৈতিক (০৬) প্রেমমূলক (০৭) দেশপ্রেমমূলক (০৮) সমাজরীতিমূলক (০৯) ষড়যন্ত্রমূলক (১০) রোমাঞ্চকর দুঃস্বাহসমূলক ও (১১) অপরাধ আবিষ্কারমূলক প্রভৃতিঘ) উপাদানযোজনা বৈশিষ্ট্য অনুসারে (০১) গীতিনাট্য বা অপেরা (০২) যাত্রা (০৩) নৃত্যনাট্য (০৪) নাটক বা ড্রামাঙ) আয়তন বা অঙ্কসংখ্যা অনুসারে (০১) মহানাটক (০২) নাটক (০৩) নাটিকা (০৪) একাঙ্কিকাচ) গঠন রীতি অনুসারে (০১) ক্লাসিক্যাল (০২) রোমান্টিক (০৩) দৃশ্যাবলীছ) রচনারীতি অনুসারে (০১) পদ্যনাটক (০২) গদ্যনাটক (০৩) গদ্য - পদ্যময় নাটকজ) উপস্থাপনারীতি অনুসারে (০১) বাস্তবিক নাটক (০২) ভাবতান্ত্রিক নাটক (০৩) রূপক নাটক (০৪) সাংকেতিক নাটক (০৫) এক্সপ্রেশানিস্টিক নাটকঝ) উদ্দেশ্য অনুসারে (০১) ঘটনামূখ্য (মোলোড্রামা) (০২) চরিত্রমূখ্য (চরিত্রনাট্য) (০৩) রসমূখ্য (রসনাট্য) ও (০৪) তত্ত্বমূখ্য (তত্ত্বনাটক)লোকনাট্যসাধারণ মানুষের মধ্যে গল্পে গল্পে যে নাটক গড়ে ওঠে, সাধারণ মানুষের গল্প অবলম্বন করে যার কাহিনি আবর্তিত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে কথ্যরীতিতে যে নাটক বেঁচে থাকে তাই লোকনাট্য।
শুদ্ধ বানান কোনটি?
Correct Answer:
ক: শ্রদ্ধাঞ্জলি
Explanation:
শুদ্ধ বানান কোনটি? সঠিক উত্তর শ্রদ্ধাঞ্জলি শুদ্ধ বানান - শ্রদ্ধঞ্জলি। শ্রদ্ধাঞ্জলি বানানে ই - কার হবে।
' সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' এই উক্তিটি কার?
Correct Answer:
ঘ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
' সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' এই উক্তিটি কার? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।প্রমথ চৌধুরীর শিক্ষাজীবনপ্রমথ চৌধুরীর শিক্ষাজীবন ছিল অসাধারণ কৃতিত্বপূর্ণ। তিনি কলকাতা হেয়ার স্কুল থেকে এন্ট্রাস ও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে এফ এ পাস করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৮৮৯খ্রি বিএ(অনার্স)দর্শন, ১৮৯০সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণীতে এমএ ডিগ্রী লাভ করেন এবং পরে ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য বিলাত যান। বিলাত থেকে ফিরে এসে ব্যারিস্টারি পেশায় যোগদান না করে তিনি কিছুকাল ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন এবং পরে সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন। ১৯৪১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'জগত্তারিণী পদক' লাভ করেন ।প্রমথ চৌধুরীর কর্মজীবনপ্রমথ চৌধুরী কিছুদিন কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেন । কিছুকাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কলেজে পড়ান । তিনি ঠাকুর এস্টেটের ম্যানেজার ছিলেন। এছাড়াও তিনি মাসিক সবুজপত্র ও বিশ্বভারতী সম্পাদনা করেন।রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের(১৮৪২ - ১৯২৩) কন্যা ইন্দিরা দেবীর (১৮৭৩ - ১৯৬০) সহিত তাহার বিবাহ হয়। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভাইঝি জামাই। লেখক আশুতোষ চৌধুরী(১৮৮৮ - ১৯৪৪) সম্পর্কে প্রমথ চৌধুরীর অগ্রজ। রবীন্দ্রনাথের ভগিনী প্রতিভা দেবীর সহিত আশুতোষ চৌধুরী বিবাহ হয়।তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তার সম্পাদিত সবুজ পত্র বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে আগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তার প্রবর্তিত গদ্যরীতিতে “সবুজ পত্র” নামে বিখ্যাত সাহিত্যপত্র ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তারই নেতৃত্বে বাংলা সাহিত্যে নতুন গদ্যধারা সূচিত হয়। তিনি বাংলা সাহিত্যে ইতালিয় সনেট এর প্রবর্তক।প্রমথ চৌধুরীর রচনাসমগ্রপ্রবন্ধ গ্রন্থ তেল - নুন - লকড়ী (১৯০৬) বীরবলের হালখাতা (১৯১৬) নানাকথা (১৯১৯) আমাদের শিক্ষা (১৯২০) রায়তের কথা (১৯১৯) নানাচর্চা (১৯৩২) প্রবন্ধ সংগ্রহ(১৯৫২ ১ম খণ্ড ও ১৯৫৩ ২য় খণ্ড)গল্পগ্রন্থ চার - ইয়ারী কথা (১৯১৬) আহুতি (১৯১৯) নীললোহিত (১৯৪১) "অনুকথা সপ্তক" "ঘোষালে ত্রিকথা"কাব্যগ্রন্থ সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩) পদচারণ (১৯১৯)
"নক্সী কাঁথার মাঠ" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
"নক্সী কাঁথার মাঠ" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন 'নক্সী কাঁথার মাঠ' - এর রচয়িতা জসীমউদ্দীন। রুপাই ও সাজু এ কাহিনীকাব্যের প্রধান চরিত্র। ই.এম. মিলফোর্ড 'নক্সী কাঁথার মাঠ' Field of the Embroidery Quilt ' নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটি কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটি কার রচনা? সঠিক উত্তর রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম ও পরিবার ১৮২৭ সালে মাতুলালয়, বাকুলিয়া গ্রাম, বর্ধমানে জন্ম। তার আদি নিবাস বর্তমান হুগলি জেলার বাকুলিয়া। তার পিতার নাম রামনারায়ণ। পিতা মারা যাবার পড়ে মাতুলালয়ে লালিত - পালিত হন। শিক্ষাজীবন রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বাকুলিয়ার স্থানীয় পাঠশালা ও মিশনারী স্কুলে শিক্ষাশেষে হুগলি মহসিন কলেজে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। ইংরেজি, সংস্কৃত এবং প্রাচীন ওড়িয়া কাব্য ও সাহিত্যে তার জ্ঞান ছিল। কর্মজীবন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সাহায্যে সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় তিনি সাহিত্য রচনা আরম্ভ করেন। ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত এডুকেশন গেজেট পত্রিকার সহঃ - সম্পাদক ছিলেন। সেই সময়ের এডুকেশন গেজেটে তার গদ্য এবং পদ্য দুই রকম রচনাই প্রকাশিত হত। ১৮৫২ সালে প্রকাশিত 'মাসিক সংবাদসাগর' ও ১৮৫৬ সালে প্রকাশিত সাপ্তাহিক 'বার্তাবহ' পত্রিকা দুটোতে তিনি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ৬ মাস অধ্যাপনা করবার পর আয়কর অ্যাসেসর এবং ডেপুটি কালেক্টর হন। তারপর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে সুনামের সাথে চাকরি করে ১১ এপ্রিল ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর নেন। রচনাসমগ্র তিনি মূলত স্বদেশপ্রেমিক কবিরূপে বিখ্যাত। তার রচিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদ্মিনী উপাখ্যান, কর্মদেবী এবং শূরসুন্দরী। টডের অ্যানাল্স্ অফ রাজস্থান থেকে কাহিনীর অংশ নিয়ে তিনি পদ্মিনী উপাখ্যান রচনা করেন। তার মৃত্যুর পর স্বদেশী যুগের বিপ্লবীদের মধ্যে পদ্মিনী উপাখ্যানের অংশ - “ স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় ” খুবই বিখ্যাত ছিল। তিনি ১৮৭২ সালে কালিদাসের সংস্কৃত কুমারসম্ভব ও ঋতুসংহারের পদ্যানুবাদ করেছিলেন। একই বছরে প্রকাশিত নীতিকুসুমাঞ্জলি তার অপর পুস্তিকা, যা সংস্কৃত নীতি ও তত্ত্বমূলক কবিতার অনুবাদ। ১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে রচিত কাঞ্চী কাবেরী কাব্যগ্রন্থ প্রাচীন ওড়িয়া কাব্যের অনুসরণে লিখিত। রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় 'উৎকল দর্পণ' নামে উড়িয়া ভাষায়ও একটি সংবাদপত্র প্রকাশ করেন। উৎকল দর্পণ নামে সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 'উৎকল দর্পণ' - এ তিনি উরিষ্যার পুরাতত্ব ও উড়িয়া ভাষা সম্পর্কে অনেক প্রবন্ধ লিখেছিলেন। তার কলিকাতা কল্পলতা গ্রন্থটিই সম্ভবত বাংলা ভাষায় প্রথম কলকাতার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। ইংরেজি প্রভাবিত বাংলা সাহিত্যের তিনি অন্যতম পথপ্রদর্শক।
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: নিমরাজী
Explanation:
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর নিমরাজী ফারসি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায়: "না" "ফি" ‘র "বর" "বদ" মায়েশ। "বে" আদব, "কম" ‘জোর, ও "ব" কলম। কিন্তু "কার" ‘বার ও "দর" দালানে তিনি "নিম"রাজি। দ্রষ্টব্য শুধুমাত্র ".." এর মধ্যে যা দেওয়া আছে, ওটাই উপসর্গ। আন - বাংলা উপসর্গ অব - সংস্কৃত উপসর্গ
কোন বানানটি শুদ্ধ?
Correct Answer:
ক: পাষাণ
Explanation:
কোন বানানটি শুদ্ধ? সঠিক উত্তর পাষাণ পাষাণ - (১) [বিশেষ্য পদ] পাথর; তুলাদন্ডের দুই পাল্লা সমান করবার পাথর বা বাটখারা। (২) [বিশেষণ পদ] প্রস্তরবৎ, নিষ্ঠুর, কঠিন (পাষাণ হৃদয়)।
'ছবি ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রহন্থের অন্তর্ভুক্ত ?
Correct Answer:
গ: বলাকা
Explanation:
'ছবি ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রহন্থের অন্তর্ভুক্ত ? সঠিক উত্তর বলাকা বলাকা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ। গ্রন্থটি কবি উৎসর্গ করেছিলেন উইলিয়াম পিয়রসনকে। ১৯১৫ - ১৬ সালে কবির কাব্যগ্রন্থ নামক কাব্যসংকলনেও এটি অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে দেখা যায় পূর্ববর্তী গীতাঞ্জলি - পর্বের ঈশ্বরানুভূতি ও অতীন্দ্রিয় চেতনা থেকে মুক্ত হয়ে কবি একটি স্বতন্ত্র জগৎ সৃষ্টি করেছেন। "যৌবনের জয়গান, চলমান বিশ্বের অনিঃশেষ যাত্রা, ভাষার বর্ণাঢ্য উজ্জ্বলতা ও ছন্দের অপ্রতিহত প্রবাহ বলাকার বৈশিষ্ট্য।" এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলি হল "সবুজের অভিযান", "শঙ্খ", "ছবি", "শা - জাহান", "বলাকা" ইত্যাদি।
"Farewell to Arms" উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
Explanation:
"Farewell to Arms" উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আর্নেস্ট হেমিংওয়ে A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway set during the Italian campaign of World War I. First published in 1929, it is a first - person account of an American, Frederic Henry, serving as a lieutenant ("tenente") in the ambulance corps of the Italian Army.
"তাৎক্ষণিক" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: তৎক্ষণ + ইক
Explanation:
"তাৎক্ষণিক" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর তৎক্ষণ + ইক সন্ধি : পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। অর্থাৎ, এখানে দুটি ধ্বনির মিলন হবে, এবং সেই দুটি ধ্বনি পাশাপাশি অবস্থিত হবে। যেমন, ‘নর + অধম = নরাধম’। এখানে ‘নর’র শেষ ধ্বনি ‘অ’ (ন + অ + র + অ), এবং ‘অধম’র প্রথম ধ্বনি ‘অ’। এখানে ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হয়েছে। অর্থাৎ পাশাপাশি অবস্থিত দুইট ধ্বনি ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হলো।
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে ?
Correct Answer:
ঘ: নিমরাজী
Explanation:
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে ? সঠিক উত্তর নিমরাজী বিদেশি উপসর্গ মোট ২০ টি আরবি উপসর্গ - - - > কিরে (লা)লু এই (গর)মে (বাজে) (আম) (খাস) ? . ইংরেজি উপসর্গ - - - > (হেড) (সাব) বাড়িতে (হাফ) এবং স্কুলে (ফুল) হাতা শার্ট পরেন। . হিন্দি উপসর্গ - - - > (হর) (হরেক) . ফারসি উপসর্গ - - - > (নিম) বাবু (বে)আদব (বদ)মাশ (না)লায়েক (কম) (ব)খত (ফি)রোজকে (কার)চুপি করে (দর)বার থেকে (বর)খাস্ত করে দেন ।
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি'র রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
ঘ: আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
Explanation:
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি'র রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে গানটি রচনা করেন। প্রথমে আবদুল লতিফ গানটি সুরারোপ করেন। গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
কোনটি তদ্ভব শব্দ ?
Correct Answer:
ক: চাঁদ
Explanation:
কোনটি তদ্ভব শব্দ ? সঠিক উত্তর চাঁদ চন্দ্র>চন্দ>চাঁদ = তৎসম>অর্ধ তৎসম>তদ্ভব।
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত প্রথম কবিতা----
Correct Answer:
গ: প্রলয়োল্লাস
Explanation:
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত প্রথম কবিতা---- সঠিক উত্তর প্রলয়োল্লাস অগ্নিবীণা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা আছে। কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস (কবিতা)’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর - ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত - ইল - আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’। এছাড়া গ্রন্থটির সর্বাগ্রে বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ - কে উৎসর্গ করে লেখা একটি উৎসর্গ কবিতাও আছে। ‘অগ্নি - বীণা’ প্রচ্ছদপটের পরিকল্পনা ছিল অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এঁকেছিলেন তরুণ চিত্রশিল্পী বীরেশ্বর সেন। বইটির তৎকালীন মূল্য ছিল ৩ টাকা। ৭ নং প্রতাপ চ্যাটার্জি লেন থেকে গ্রন্থকার কর্তৃক গ্রন্থটি মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রাপ্তিস্থান হিসেবে গ্রন্থে লেখা ছিল: 'আর্য পাবলিশিং হাউস, কলেজ স্ট্রিট, মার্কেট (দোতলায়)'। গ্রন্থটি ছাপা হয় মেটকাফ প্রেস, ৭৯ নং বলরাম দে স্ট্রিট, কলিকাতা থেকে। দাম এক টাকা। গ্রন্থটির উৎসর্গ হচ্ছে - “বাঙলার অগ্নিযুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। নিচে লেখা আছে “তোমার অগ্নি - পূজারী - হে - মহিমাম্বিত শিষ্য - কাজী নজরুল ইসলাম”। অরবিন্দ ঘোষের ভ্রাতা বারীন্দ্রকুমার ঘোষ বাংলা তথা ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক ছিলেন। বিপ্লবে বিশ্বাসী নজরুল তাই নিজেকে বারীন্দ্রকুমারের ‘ - হে - মহিমান্বিত শিষ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকেই তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গ করেছিলেন।
'মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা' রচিয়তা -------
Correct Answer:
গ: অতুল প্রসাদ সেন
Explanation:
'মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা' রচিয়তা ------- সঠিক উত্তর অতুল প্রসাদ সেন বাংলা ভাষা সাহিত্যে ও সঙ্গীতের এক অতি পরিচিত নাম অতুল প্রসাদ সেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, গীতিকার ও গায়ক। বাংলাভাষীদের নিকট অতুল প্রসাদ সেন প্রধানত একজন সঙ্গীতজ্ঞ ও সুরকার হিসেবেই পরিচিত। তার গানগুলি মূলত স্বদেশি সঙ্গীত, ভক্তিগীতি ও প্রেমের গান; এই তিন ধারায় বিভক্ত। তবে তার ব্যক্তি জীবনের বেদনা সকল ধরনের গানেই কম - বেশি প্রভাব ফেলেছে। এজন্য তার অধিকাংশ গানই হয়ে উঠেছে করুণ - রস প্রধান। উনিশ শতকের শেষ থেকে বিশ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত রবীন্দ্র প্রতিভার প্রভাববলয়ের মধ্যে বিচরণ করেও যাঁরা বাংলা কাব্যগীতি রচনায় নিজেদের বিশেষত্ব প্রকাশ করতে সক্ষম হন, অতুল প্রসাদ ছিলেন তাদের অন্যতম। সমকালীন গীতিকারদের তুলনায় তার সঙ্গীত সংখ্যা সীমিত হলেও অতুল প্রসাদের অনেক গানে সাঙ্গীতিক মৌলিকত্ব পরিলক্ষিত হয়; আর সে কারণেই তিনি বাংলা সঙ্গীত জগতে এক স্বতন্ত্র আসন লাভ করেছেন। তার গানগুলি অতুল প্রসাদের গান নামে বিশেষ ভাবে প্রতিষ্ঠিত। অতুলপ্রসাদ বাংলা গানে ঠুংরি ধারার প্রবর্তক। তিনিই প্রথম বাংলায় গজল রচনা করেন। তার রচিত বাংলা গজলের সংখ্যা ৬ - ৭টি। গীতিগুঞ্জ (১৯৩১) গ্রন্থে তার সমুদয় গান সংকলিত হয়। এই গ্রন্থের সর্বশেষ সংস্করণে (১৯৫৭) অনেকগুলি অপ্রকাশিত গান প্রকাশিত হয়।[৩] অতুলপ্রসাদের গানের সংখ্যা ২০৮।] অতুলপ্রসাদ সেনের কয়েকটি বিখ্যাত গান হল মিছে তুই ভাবিস মন, সবারে বাস রে ভালো,বঁধুয়া, নিঁদ নাহি আঁখিপাতে, একা মোর গানের তরী, কে আবার বাজায় বাঁশি, ক্রন্দসী পথচারিণী ইত্যাদি। তার রচিত দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে প্রসিদ্ধ উঠ গো ভারত - লক্ষ্মী, বলো বলো বলো সবে, হও ধরমেতে ধীর। তার মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা! গানটি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অণুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। অতুলপ্রসাদের গানগুলি দেবতা, প্রকৃতি, স্বদেশ, মানব ও বিবিধ নামে পাঁচটি পর্যায়ে বিভক্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানের বিশেষ গুণগ্রাহী ছিলেন। অতুলপ্রসাদী গান নামে পরিচিত এই ধারার একজন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী হলেন কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায়। তার সর্বমোট গানের সংখ্যা মাত্র ২০৬টি এবং সে সবের মধ্যে মাত্র ৫০ - ৬০টি গান গীত হিসেবে প্রাধান্য পায়। অতুল প্রসাদের মামাতো বোন সাহানা দেবীর সম্পাদনায় ৭১টি গান স্বরলিপিসহ কাকলি (১৯৩০) নামে দুই খন্ডে প্রকাশিত হয়। তার অপর গানগুলিও গীতিপুঞ্জ এবং কয়েকটি গান নামে দুটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। ১৯২২ - ২৩ সালের দিকে কলকাতা থেকে প্রথম অতুল প্রসাদের গানের রেকর্ড বের হয় সাহানা দেবী ও হরেন চট্টোপাধ্যায়ের কণ্ঠে।
কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে?
Correct Answer:
ঘ: সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
Explanation:
কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে? সঠিক উত্তর সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না সমধাতুজ কর্ম : বাক্যের ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ যদি একই ধাতু বা ক্রিয়ামূল থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। অর্থাৎ, ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই শব্দমূল থেকে গঠিত হলে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। যেমন - আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি।এখানে ক্রিয়াপদ ‘ঘুমিয়েছি’, আর কর্মপদ ‘ঘুম’ (কী ঘুমিয়েছি?)। আর এই ‘ঘুমিয়েছি’ আর ‘ঘুম’ দুটি শব্দেরই শব্দমূল ‘ঘুম্’। অর্থাৎ, শব্দ দুইটি একই ধাতু হতে গঠিত (ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলে)। সুতরাং, এই বাক্যে ‘ঘুম’ কর্মটি একটি সমধাতুজ কর্ম। এরকম - আজ কী খেলা খেললাম। (খেল্)আর মায়াকান্না কেঁদো না। (কাঁদ্)
' রায়গুনাকর' উপাধি কে লাভ করেন ?
Correct Answer:
গ: ভারতচদ্র রায়
Explanation:
' রায়গুনাকর' উপাধি কে লাভ করেন ? সঠিক উত্তর ভারতচদ্র রায় রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ?
Correct Answer:
খ: বাক্যের
Explanation:
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ? সঠিক উত্তর বাক্যের আকাঙ্ক্ষা , আসত্তি, যোগ্যতা এ তিনটি সার্থক বাক্যের গুণ। আকাঙক্ষা। : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্যপদ শোনার যে ইচ্ছা তাই আকাঙক্ষা । যেমন - রহিম খুব ভাল ছেলে। আসত্তি : বাক্যের অর্থ সঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই আসত্তি। আসত্তিহীন বাক্য: খুব ছেলে রহিম ভাল (অর্থপূর্ণ নয়) । যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত মিল বন্ধনের নাম যোগ্যতা। যোগ্যতাহীন বাক্য: বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে (বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারিয়েছে)। যোগ্যতাপূর্ণ বাক্য : বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়।
'বীরবল' ছদ্মনামটি কার ?
Correct Answer:
ক: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
'বীরবল' ছদ্মনামটি কার ? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী প্রমথ চৌধুরী কিছুদিন কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেন । কিছুকাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কলেজে পড়ান । তিনি ঠাকুর এস্টেটের ম্যানেজার ছিলেন। এছাড়াও তিনি মাসিক সবুজপত্র ও বিশ্বভারতী সম্পাদনা করেন। রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের(১৮৪২ - ১৯২৩) কন্যা ইন্দিরা দেবীর (১৮৭৩ - ১৯৬০) সহিত তাহার বিবাহ হয়। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভাইঝি জামাই। লেখক আশুতোষ চৌধুরী(১৮৮৮ - ১৯৪৪) সম্পর্কে প্রমথ চৌধুরীর অগ্রজ। রবীন্দ্রনাথের ভগিনী প্রতিভা দেবীর সহিত আশুতোষ চৌধুরী বিবাহ হয়। তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তার সম্পাদিত সবুজ পত্র বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে আগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তার প্রবর্তিত গদ্যরীতিতে “সবুজ পত্র” নামে বিখ্যাত সাহিত্যপত্র ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারই নেতৃত্বে বাংলা সাহিত্যে নতুন গদ্যধারা সূচিত হয়। তিনি বাংলা সাহিত্যে ইতালিয় সনেট এর প্রবর্তক।
বাংলায় কোরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে?
Correct Answer:
খ: গিরিশচন্দ্র সেন
Explanation:
বাংলায় কোরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে? সঠিক উত্তর গিরিশচন্দ্র সেন তিনি মিশকাত শরীফের অধিকাংশ হাদিস, তাজকেরাতুল আউলিয়া সহ আরো কয়েকটি ইসলামি গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ করেন।
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
খ: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
Explanation:
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে মাথা বলতে 'বুদ্ধি' কাজে লাগিয়ে কাজ করার কথা বুঝানো হয়েছে।
বাংলা সাহিত্য 'সনেট' রচনার প্রবর্তক কে ?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্য 'সনেট' রচনার প্রবর্তক কে ? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচকার। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত। ব্রিটিশ ভারতের যশোর জেলার এক সম্ভ্রান্ত কায়স্থ বংশে জন্ম হলেও মধুসূদন যৌবনে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করে মাইকেল মধুসূদন নাম গ্রহণ করেন এবং পাশ্চাত্য সাহিত্যের দুর্নিবার আকর্ষণবশত ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। জীবনের দ্বিতীয় পর্বে মধুসূদন আকৃষ্ট হন নিজের মাতৃভাষার প্রতি। এই সময়েই তিনি বাংলায় নাটক, প্রহসন ও কাব্যরচনা করতে শুরু করেন। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি হলো দ্য ক্যাপটিভ লেডি, শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী (নাটক), পদ্মাবতী (নাটক), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, একেই কি বলে সভ্যতা, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, ব্রজাঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশপদী কবিতাবলী, হেকটর বধ ইত্যাদি। মাইকেলের ব্যক্তিগত জীবন ছিল নাটকীয় এবং বেদনাঘন। মাত্র ৪৯ বছর বয়সে কলকাতায় মৃত্যু হয় এই মহাকবির।
মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা' -----
Correct Answer:
খ: পত্রকাব্য
Explanation:
মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা' ----- সঠিক উত্তর পত্রকাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য " বীরঙ্গনা" বীরাঙ্গনা কাব্যের আঙ্গিক ও নামকরণের দিক থেকে মধুসূদন পাশ্চাত্য কবিদের কাছে ঋণী। ইতালীর কবি ওভিদের হিরোয়দস কাব্যের পত্ররীতি অবলম্বন করে বীরঙ্গনা কাব্য রচিত। বিভিন্ন কারণে পরিত্যক্ত নারীর মনোবেদনা পত্রগুলোর মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। মধুসূদনের নায়িকারা দৈহিক বীরত্ব ও মৌখিক আস্ফালনের জন্য বীরঙ্গনা আখ্যা পাননি, তাদের বীরত্ব চিরাচরিত সামাজিক রীতিনীতির শৃঙ্খল ও জড়তার আচরণ ঘুরিয়ে দিয়ে হৃদয়ের সত্য প্রকাশে। বনবাসিনী শকুনতলার পক্ষে হৃদয়ের অনুভূতি কথা প্রকাশ্যে দুষ্মন্তকে বলা অথবা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনয়ন করা এ চিরাচরিত ভারতীয় নীতিবিরুদ্ধ। এরা পতির কাজের সমালোচনা শোনা পর্যন্ত পাপ মনে করে। সে সময়ে বাংলার সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েদের এমন অবস্থা ছিল যে তারা পতিনিন্দা করা তো দূরে থাক কেউ যদি পতির নিন্দা করতো তাহলে তারা সে স্থান ত্যাগ করতো। এদের আদর্শ ছিল সতী, যিনি পতির নিন্দা শুনে প্রজ্বলিত যজ্ঞকুণ্ডে আত্ম বিসর্জন দিয়েছেন। মধুসূদনের বীরাঙ্গনা সে যুগের আদর্শ থেকে চ্যুত হয়ে স্বীয় পতির দোষগুণের সমালোচনাই শুধু করেনি, পতীর প্রতি দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছে। প্রবল অহমিকায় বিশ্বাসী এবং নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ রমণী মূর্তিকে মধুসূদন তাঁর কাব্যে অংকন করেছেন। বীরাঙ্গনা কাব্যে বিভিন্ন ধরনের পত্র সন্নিবেশিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রেমবিষয়ক পত্র, প্রেম প্রত্যাখ্যানজনিত পত্র এবং স্বামীর অত্যাচারে কিংবা দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ রমণী হৃদয়ের ক্ষোভের পত্র। প্রচলিত ছিল যে, ভারতীয় নারী স্বামীর নিকট বিক্রীত। নারী তার দেহে, মনে স্বামীর কাছে আত্মনিবেদিত। তার নিজের কোন বৈশিষ্ট্য নেই। সংসারের নিয়ম - নীতিতে সে অষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। কিন্তু মধুসূদনের কাব্য রচনা যেহেতু নবজাগরণের পরে সেহেতু তাতে ইউরোপীয় ব্যক্তি মানসের ছায়া পড়েছে। যেমন ‘দশরথের প্রতি কেকয়ী’ এই পত্রে দশরথের অন্যায় কার্যে স্ত্রী কেকয়ী তাকে নানান ভাষায় নানানভাবে শ্লেষপূর্ণ বাক্যে রাজাকে অবজ্ঞা করছে। সে এ কথাও বলে বেড়াচ্ছে যে - সে এ পুরী ছেড়ে চলে যাবে এবং দেশে দেশে বলে বেড়াবে ‘পরম অধর্মচারী রঘুকুল পতি!’ পুত্রের সিংহাসন আরোহণ করানোর জন্য স্বামীর অন্যায়কে সে সহ্য করেনি কারণ দশরথ অঙ্গীকার করেছে কেকয়ী পুত্র ভরতকে সিংহাসনে বসাবে। অঙ্গীকার ভেঙে রামকে কেন সিংহাসনে বসাচ্ছে। কেকয়ীর কাছে এটি অঙ্গীকার ভঙ্গের অপরাধ। অন্যান্য পত্রের মত এ পত্রখানিও ভাষার তীব্রতায় শ্রেষ্ঠ। ‘নীলধ্বজের প্রতি জনা’ পত্রে ও স্বামীর মীমাংসাকে মেনে নিতে পারেনি জনা। অশ্ব মেধ যঙ্গের অশ্ব ধরেছিল জনার পুত্র প্রবীর। পার্থের সঙ্গে যুদ্ধে সে নিহত হয়। কিন্তু পিতা নীলধ্বজ শত্রুর সঙ্গে মিত্রতা করেন এটা জনা সহ্য করতে পারেনি। স্বামীকে পুত্র হন্তার সঙ্গে মিত্রতা করার জন্য যে অবজ্ঞাপূর্ণ ভাষায় লিখেছেন তারই নিদর্শন এ পত্র। এভাবে স্বামীর অন্যায় আচরণে ক্ষুব্ধ স্ত্রীর হৃদয়াবেগ প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন পত্রে। ব্রজাঙ্গনার মতো বীরাঙ্গনাও লিরিক কাব্য। ভাষার লালিত্যে এ ছন্দের পারিপাট্টে বীরাঙ্গনা মধুসূদনের শ্রেষ্ঠ রচনা। ‘তিলোত্তমা’ ও ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেছিলেন তা ‘বীরঙ্গনা কাব্যে পূর্ণতা পেয়েছে। ‘বীরঙ্গনা’ কাব্যের ছন্দ - স্বাচ্ছন্দ্য পাঠককে মুগ্ধ করে। এর সর্বত্রই একটা সংগীত ধ্বনি ঝংকৃত হয়ে কাব্যখানিকে পরম উপাদেয় করে তুলেছে। কবিত্ব শক্তির দিক দিয়ে বিচার করলে মেঘনাদ বধ উৎকৃষ্ট কিন্তু ভাষার লালিত্যে ও ছন্দের পারিপাট্টে বীরঙ্গনা সর্বশ্রেষ্ঠ রচনা। কারণ মেঘনাদ বধ বাক্যে দুরূহ শব্দ সুপাঠের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করে। কিন্তু বীরাঙ্গনায় তা নেই। এখানে সুচিত শব্দের সুবিন্যাস ঘটেছে। তা ছাড়া ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যে করুণ রস সৃষ্টিতে অসাধারণ শিল্প কুশলতার পরিচয় দিয়েছেন মধুসূদন। এ কথা বলা অযৌক্তিক হবে না যে সমাজে কোন না কোন কারণে নিন্দিতা নারীর হৃদয় উদ্ঘাটন করে মাইকেল নারী ও নারীত্বকে বীরঙ্গনা কাব্যে ইউরোপীয় আদলে মহিমান্বিত করেছেন।
নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ক: ঘোড়াকে "চাবুক" মার
Explanation:
নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর ঘোড়াকে "চাবুক" মার 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম) 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় - সাধনা)
রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।চোখের বালি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।গৃহদাহ - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়পথের পাঁচালি - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
'কবর ' নাটকটি কোন পটভুমিতে লেখা?
Correct Answer:
খ: ভাষা আন্দোলন
Explanation:
'কবর ' নাটকটি কোন পটভুমিতে লেখা? সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলন ১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি।
'চর্যাপদ' কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য ?
Correct Answer:
খ: সহজিয়া বৌদ্ধ
Explanation:
'চর্যাপদ' কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য ? সঠিক উত্তর সহজিয়া বৌদ্ধ চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি।খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক।[ক] ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
রূপসী বাংলার কবি -----
Correct Answer:
খ: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
রূপসী বাংলার কবি ----- সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ জীবনানন্দ দাশ (১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪; ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ)ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম। জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা - পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন। বুদ্ধদেব বসু তাঁকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িত করেছেন। অন্যদিকে, অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁকে ‘শুদ্ধতম কবি’ অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন। সমালোচকদের অনেকে তাঁকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল - পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি বলে মনে করেন। জীবনানন্দের বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়। ১৯৫৫ সালে শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটি ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করে। জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মাঝে রয়েছে রূপসী বাংলা, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা, শ্রেষ্ঠ কবিতা ইত্যাদি। জীবনানন্দ দাশ প্রধানত কবি হলেও বেশ কিছু প্রবন্ধ - নিবন্ধ রচনা ও প্রকাশ করেছেন। তবে ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বে তিনি ২১টি উপন্যাস এবং ১২৬টি ছোটগল্প রচনা করেছিলেন যার একটিও তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়নি। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে তিনি দিনাতিপাত করেছেন। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধকালে অনপনেয়ভাবে বাংলা কবিতায় তাঁর প্রভাব মুদ্রিত হয়েছে। তিনি নির্জনতার কবি, তিমির হননের কবি নামেও পরিচিত
'প্রভাত চিন্তা ', 'নিভূত চিন্তা', 'নিশীত চিন্তা' প্রভূতি গ্রন্থের রচয়িতা ------
Correct Answer:
খ: কালীপ্রসন্ন ঘোষ
Explanation:
'প্রভাত চিন্তা ', 'নিভূত চিন্তা', 'নিশীত চিন্তা' প্রভূতি গ্রন্থের রচয়িতা ------ সঠিক উত্তর কালীপ্রসন্ন ঘোষ কালীপ্রসন্ন ঘোষ (জুলাই ২৩, ১৮৪৩ - অক্টোবর ২৯, ১৯১০) ছিলেন একজন বাঙালী সাহিত্যিক। তিনি ছিলেন একাধারে লেখক, সাংবাদিক ও বাগ্মী।কালীপ্রসন্ন ঘোষ এর জন্ম - মৃত্যু১৮৪৩ সালের ২৩ জুলাই ঢাকা বিভাগের বিক্রমপুরের ভরাকর গ্রামে তার জন্ম। তার পিতার নাম শিবনাথ ঘোষ। ১৯১০ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি পৃথিবী ত্যাগ করেন। কালীপ্রসন্ন এর ঘোষ কর্মময়তাবাল্যকাল থেকেই তিনি বাগ্মিতার পরিচয় দেন। মাত্র বিশ বছর তখন তিনি কলকাতার ভবানীপুরে খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কে এক বক্তৃতা দিয়ে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ মনীষীর প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। এরপর থেকেই ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে তার একটা যোগসূত্র স্থাপিত হয় এবং পরবর্তীতে তিনি ব্রাহ্মসমাজে যোগদান করেন।তিনি ছিলেন পূর্ববঙ্গীয় ব্রাহ্মসমাজের একজন বিশিষ্ট সভ্য। তিনি তার সাংবাদিক জীবন শুরু করেন ঢাকার ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত "ঢাকা শুভসাধিনী সভার" মুখপত্র "শুভসাধিনী" সম্পাদনার মাধ্যমে। এ সাপ্তাহিক পত্রিকাটি তিনি প্রকাশ করেছিলেন ঢাকার ব্রাহ্মযুবকদের জন্য। ৪ বছর পর ১৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সম্পাদনা করেন সেই সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পত্রিকা "বান্ধব"।বাইশ বছর বয়সে ১৮৬৫ সালে ঢাকার নিম্ন আদালতে পেশকার হিসেবে কালীপ্রসন্ন ঘোষের কর্মজীবন শুরু হয়। এখানে এগারো বছর চাকরি করার তিনি ভাওয়াল এস্টেটের প্রধান দেওয়ান হিসেবে যোগ দেন এবং তিনি ভাওয়ালের প্রভূত উন্নতি সাধন করেন। সেখানে তিনি দীর্ঘ পঁচিশ বছর যুক্ত ছিলেন। এ সময় তিনি ‘সাহিত্য - সমালোচনী সভা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। কালীপ্রসন্ন বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ - এর সদস্য (১৮৯৪) এবং সহ - সভাপতির (১৮৯৭ - ১৯০০) পদ অলঙ্কৃত করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতি, ডিস্ট্রিক্ট বোর্ডের সদস্য এবং সদর লোকাল বোর্ডের সভাপতির মত গুরুত্বপূর্ণ কিছু দায়িত্ব পালন করেন। কালীপ্রসন্ন ঘোষ এর লেখালেখিকালীপ্রসন্ন মূলত দর্শন ও সমাজ সম্পর্কে লিখতেন।প্রবন্ধ প্রভাত - চিন্তা (১৮৭৭) নিভৃত - চিন্তা (১৮৮৩) নারীজাতিবিষয়ক প্রস্তাব (১৮৯৬) নিশীথ - চিন্তা (১৮৯৬)গ্রন্থ ভ্রান্তিবিনোদ (১৮৮১) প্রমোদলহরী (১৮৯৫) ভক্তির জয় (১৮৯৫) মা না মহাশক্তি (১৯০৫) জানকীর অগ্নিপরীক্ষা (১৯০৫) ছায়াদর্শন (১৯০৫) প্রভৃতি।এ ছাড়া "সঙ্গীতমঞ্জরী" (১৮৭২) নামে একখানা আধ্যাত্মিক সঙ্গীতসংগ্রহ এবং "কোমল কবিতা" (১৮৮৮) নামে একখানা শিশুপাঠ্য গ্রন্থও তিনি রচনা করেন।কালীপ্রসন্নের রচনারীতি বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র এবং ইংরেজ পন্ডিত কার্লাইলের দ্বারা অনেকাংশে প্রভাবিত। তার রচনাসমূহ ভাবগাম্ভীর্য, ইতিহাসচেতনা ও গভীর জীবনবোধেপূর্ণ।পুরস্কারইংরেজ সরকার তাকে পান্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৯৭ সালে "রায়বাহাদুর" এবং ১৯০৯ সালে "সিআইই" উপাধি প্রদান করে। বাংলার পণ্ডিতগণ তাকে "বিদ্যাসাগর" উপাধিতে অভিষিক্ত করেন।
কোন দুটি জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ ?
Correct Answer:
ক: বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পান্ডলিপি
Explanation:
কোন দুটি জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ ? সঠিক উত্তর বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পান্ডলিপি জীবনানন্দ দাশ ((১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪; ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম।জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা - পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন।বুদ্ধদেব বসু তাঁকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িত করেছেন। অন্যদিকে, অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁকে ‘শুদ্ধতম কবি’ অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন। সমালোচকদের অনেকে তাঁকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল - পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি বলে মনে করেন। জীবনানন্দের বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়। ১৯৫৫ সালে শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটি ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করে। জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মাঝে রয়েছে রূপসী বাংলা, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা, শ্রেষ্ঠ কবিতা ইত্যাদি। জীবনানন্দ দাশ প্রধানত কবি হলেও বেশ কিছু প্রবন্ধ - নিবন্ধ রচনা ও প্রকাশ করেছেন। তবে ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বে তিনি ২১টি উপন্যাস এবং ১২৬টি ছোটগল্প রচনা করেছিলেন যার একটিও তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়নি। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে তিনি দিনাতিপাত করেছেন। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধকালে অনপনেয়ভাবে বাংলা কবিতায় তাঁর প্রভাব মুদ্রিত হয়েছে।
শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ করুন -----
Correct Answer:
ক: মুহুর্মুহু
Explanation:
শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ করুন ----- সঠিক উত্তর মুহুর্মুহু মুহুর্মুহু /অব্যয় পদ/ বারংবার।
'ইচ্ছা' বিশেষ্যের বিশেষণ নির্দেশ করুন।
Correct Answer:
খ: ঐচ্ছিক
Explanation:
'ইচ্ছা' বিশেষ্যের বিশেষণ নির্দেশ করুন। সঠিক উত্তর ঐচ্ছিক বিশেষ্য পদযে পদে সাধারণত কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, সমষ্টি, বিষয়, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় বা কোনো কিছুর নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে । যেমন - সুন্দর (বিশেষ্য) মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে। সুন্দর (বিশেষ্য) মানুষকে নিজের দিকে টানে।বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ : বিশেষ্য পদ ছয় প্রকার | মথা - নামবাচক জাতিবাচক বন্ত্রবাচক সমষ্টিবাচক ভাববাচক গুণবাচকবিশেষণ পদযে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ, বৈশিষ্ট্য, ধর্ম ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে । যেমন - তিনটি বছর। এ যে আমাদের চেনা লোক । সন্তানের প্রতি মাতৃন্রেহ আন্তরিক।বিশেষণ পদের প্রকারভেদ : বিশেষণ পদ প্রধানত দুই প্রকার। যথা - নাম নিশেষণ ও ভাববিশেষণ ।
বাংলা মৌলিক স্বরধনির সংখ্যা--
Correct Answer:
খ: সাত
Explanation:
বাংলা মৌলিক স্বরধনির সংখ্যা-- সঠিক উত্তর সাত স্বরধ্বনি (ইংরেজি: Vowel) হচ্ছে এমন কিছু বর্ণ যারা অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে এধরনের বর্ণের মৌলিক সংখ্যা ৭টি - অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও ৷ বাংলা বর্ণমালায় স্বরধ্বনির প্রচলিত সংখ্যা ১১টি ।
'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ------
Correct Answer:
ক: শৈত্য
Explanation:
'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ------ সঠিক উত্তর শৈত্য তাপ একপ্রকার শক্তি যা আমাদের শরীরে ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি তৈরি করে। তাপগতিবিদ্যা অনুসারে, যখন দুটি বস্তুর মধ্যে প্রথমটি থেকে দ্বিতীয়টিতে আরেকটিতে শক্তি স্থানান্তরিত হয়, তখন প্রথমটি দ্বিতীয়টি অপেক্ষা গরম হয় (অর্থাৎ, একটি অন্যটির চেয়ে বেশি তাপশক্তি অর্জন করে)। আর অন্যভাবে বলা যায়, তাপ হলো পদার্থের অণুগুলোর গতির সাথে সম্পর্কযুক্ত এমন এক প্রকার শক্তি, যা কোনো বস্তু ঠান্ডা না গরম তার অনুভূতি জন্মায়। তাপগতিবিদ্যার তিনটি সূত্র রয়েছে ।তাপ ও তাপমাত্রা একই বিষয় নয়। সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রার বস্তু থেকে নিম্ন তাপমাত্রার বস্তুতে তাপ প্রবাহিত হয়। তাপমাত্রার পার্থক্যজনিত কারণে বিভিন্ন পদ্ধতিতে, যেমন: পরিবহন, পরিচলন, বিকিরণ প্রক্রিয়ায় তাপশক্তি গমন করে। বিপরীতার্থক শব্দ/ বিপরীত শব্দএকটি শব্দের বিপরীত অর্থবাচক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে । সাধারণত শব্দের শুরুতে অ, অন, অনা, অপ, অব, দূর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গগুলো যুক্ত করলে শব্দের অর্থ না - বাচক বা নিষেধবোধক অর্থে রূপান্তরিত হয় । তাই শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরিতেও এই উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - আগত – শব্দটির শুরুতে অন - উপসর্গটি যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ হল - অনাগত । আবার যে সব শব্দের শুরুতে হ্যাঁ - বোধক উপসর্গ থাকে, তাদের শুরুর সেই উপসর্গের বদলে না - বোধক উপসর্গও ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - অনুরাগ - শব্দটি রাগ - শব্দমূলের পূর্বে অনু - উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে অনু - উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে । এখন অনু - র পরিবর্তে বি - উপসর্গ ব্যবহার করলে, বিরাগ - শব্দে বি - উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, এবং শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে যায় । অর্থাৎ, ইতিবাচক অনু - উপসর্গের বদলে নেতিবাচক বি - উপসর্গের ব্যবহারে বিপরীত শব্দ গঠিত হল । তবে সাধারণত, শব্দের বিপরীত শব্দগুলো অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থবোধক হয়; না - বোধক বা নেতিবাচক হয় না । তাই, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরকম কোন নিয়ম খাটে না । বরং অর্থের দিক থেকে যথাযথ বিপরীত শব্দটিই গৃহীত হয় ।যেমন - আজ – কাল, অতীত - ভবিষ্যত, অধম - উত্তম, ইত্যাদি । কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দঅ অকর্মক সকর্মক অজ্ঞ প্রাজ্ঞ অধিত্যকা উপত্যকা অক্ষম সক্ষম অতিকায় ক্ষুদ্রকায় অনন্ত সান্ত অগ্র পশ্চাৎ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি অনুকূল প্রতিকূল অগ্রজ অনুজ অতীত ভবিষ্যত অনুগ্রহ নিগ্রহ অণু বৃহৎ অদ্য কল্য অগ্রজ অনুজ অচল সচল অধঃ ঊর্ধ্ব অনুরক্ত বিরক্ত অচলায়তন সচলায়তন অধম উত্তম অনুরাগ বিরাগ অচেতন সচেতন অধমর্ণ উত্তমর্ণ অনুলোম প্রতিলোম অলীক সত্য অশন অনশন অস্তগামী উদীয়মান অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অসীম সসীম অস্তি নাস্তি/নেতি অহিংস সহিংস আ আকর্ষণ বিকর্ষণ আধার আধেয় আরোহণ অবরোহণ আকুঞ্চন প্রসারণ আপদ সম্পদ আর্দ্র শুষ্ক আগত অনাগত আবশ্যক অনাবশ্যক আর্য অনার্য আগমন প্রস্থান আবশ্যিক ঐচ্ছিক আলস্য শ্রম আজ কাল আবাদি অনাবাদি আলো আঁধার আত্ম পর আবাহন বিসর্জন আশীর্বাদ অভিশাপ আত্মীয় অনাত্মীয় আবির্ভাব তিরোভাব আসক্ত নিরাসক্ত আদি অন্ত আবির্ভূত তিরোহিত আসামি ফরিয়াদী আদিম অন্তিম আবিল অনাবিল আস্তিক নাস্তিক আদ্য অন্ত্য আবৃত উন্মুক্ত আস্থা অনাস্থা ই ইচ্ছুক অনিচ্ছুক ইদানীন্তন তদানীন্তন ইহকাল পরকাল ইতর ভদ্র ইষ্ট অনিষ্ট ইহলোক পরলোক ইতিবাচক নেতিবাচক ইহলৌকিক পারলৌকিক ঈ ঈদৃশ তাদৃশ ঈষৎ অধিক উ উক্ত অনুক্ত উত্তরায়ণ দক্ষিণায়ন উন্নত অবনত উগ্র সৌম্য উত্তাপ শৈত্য উন্নতি অবনতি উচ্চ নীচ উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ণ উন্নীত অবনমিত উজান ভাটি উত্থান পতন উন্নয়ন অবনমন উঠতি পড়তি উত্থিত পতিত উন্মুখ বিমুখ উঠন্ত পড়ন্ত উদয় অস্ত উন্মীলন নিমীলন উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট উদ্ধত বিনীত/ নম্র উপকর্ষ অপকর্ষ উৎকর্ষ অপকর্ষ উদ্বৃত্ত ঘাটতি উপচয় অপচয় উৎরাই চড়াই উদ্যত বিরত উপকারী অপকারী উত্তম অধম উদ্যম বিরাম উপকারিতা অপকারিতা উত্তমর্ণ অধমর্ণ উর্বর ঊষর উপচিকীর্ষা অপচিকীর্ষা উত্তর দক্ষিণ উষ্ণ শীতল ঊ ঊর্ধ্ব অধঃ ঊর্ধ্বগতি অধোগতি ঊষা সন্ধ্যা ঊর্ধ্বতন অধস্তন ঊর্ধ্বগামী অধোগামী ঊষর উর্বর ঋ ঋজু বক্র এ একান্ন পৃথগান্ন একাল সেকাল একূল ওকূল এখন তখন ঐ ঐকমত্য মতভেদ ঐশ্বর্য দারিদ্র্য ঐহিক পারত্রিক ঐক্য অনৈক্য ও ওস্তাদ সাকরেদ ঔ ঔদার্য কার্পণ্য ঔচিত্য অনৌচিত্য ঔজ্জ্বল্য ম্লানিমা ঔদ্ধত্য বিনয় ক কচি ঝুনা কুৎসিত সুন্দর কৃশাঙ্গী স্থূলাঙ্গী কদাচার সদাচার কুফল সুফল কৃষ্ণ শুভ্র/গৌর কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ কুবুদ্ধি সুবুদ্ধি কৃষ্ণাঙ্গ শ্বেতাঙ্গ কপট সরল/অকপট কুমেরু সুমেরু কোমল কঠিন কপটতা সরলতা কুরুচি সুরুচি ক্রন্দন হাস্য কর্মঠ অকর্মণ্য কুলীন অন্ত্যজ ক্রোধ প্রীতি কল্পনা বাস্তব কুশাসন সুশাসন ক্ষণস্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী কাপুরুষ বীরপুরুষ কুশিক্ষা সুশিক্ষা ক্ষীপ্র মন্থর কুঞ্চন প্রসারণ কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ/ কৃতঘ্ন ক্ষীয়মান বর্ধমান কুটিল সরল কৃপণ বদান্য কুৎসা প্রশংসা কৃশ স্থূল খ খ্যাত অখ্যাত খুচরা পাইকারি খেদ হর্ষ খ্যাতি অখ্যাতি গ গঞ্জনা প্রশংসা গূঢ় ব্যক্ত গৌণ মুখ্য গতি স্থিতি গুপ্ত প্রকাশিত গৌরব অগৌরব গদ্য পদ্য গৃহী সন্ন্যাসী গ্রামীণ নাগরিক গণ্য নগণ্য গ্রহণ বর্জন গ্রাম্য শহুরে গরল অমৃত গৃহীত বর্জিত গ্রাহ্য অগ্রাহ্য গরিমা লঘিমা গেঁয়ো শহুরে গরিষ্ঠ লঘিষ্ঠ গোপন প্রকাশ ঘ ঘাটতি বাড়তি ঘাত প্রতিঘাত ঘৃণা শ্রদ্ধা চ চক্ষুষ্মান অন্ধ চল অচল চিরায়ত সাময়িক চঞ্চল স্থির চলিত অচলিত/সাধু চ্যূত অচ্যূত চড়াই উৎরাই চিন্তনীয় অচিন্ত্য/অচিন্তনীয় চতুর নির্বোধ চুনোপুটি রুই - কাতলা ছ ছটফটে শান্ত জ জঙ্গম স্থাবর জল স্থল জোড় বিজোড় জড় চেতন জলে স্থলে জোয়ার ভাটা জটিল সরল জলচর স্থলচর জ্যোৎস্না অমাবস্যা জনাকীর্ণ জনবিরল জাতীয় বিজাতীয় জ্ঞাত অজ্ঞাত জন্ম মৃত্যু জাল আসল জ্ঞানী মূর্খ জমা খরচ জিন্দা মুর্দা জ্ঞেয় অজ্ঞেয় জরিমানা বকশিশ জীবন মরণ জ্যেষ্ঠা কনিষ্ঠা জাগ্রত ঘুমন্ত/সুপ্ত জীবিত মৃত জাগরণ ঘুম/সুপ্ত জৈব অজৈব ঠ ঠুনকো মজবুত ড ডুবন্ত ভাসন্ত ত তদীয় মদীয় তারুণ্য বার্ধক্য তীক্ষ্ণ স্থূল তন্ময় মন্ময় তিমির আলোক তীব্র মৃদু তস্কর সাধু তিরস্কার পুরস্কার তুষ্ট রুষ্ট তাপ শৈত্য তীর্যক ঋজু ত্বরিত শ্লথ দ দক্ষিণ বাম দুর্জন সুজন দৃঢ় শিথিল দণ্ড পুরস্কার দুর্দিন সুদিন দৃশ্য অদৃশ্য দাতা গ্রহীতা দুর্নাম সুনাম দেনা পাওনা দিবস রজনী দুর্বুদ্ধি সুবুদ্ধি দেশী বিদেশী দিবা নিশি/রাত্রি দুর্ভাগ্য সৌভাগ্য দোষ গুণ দিবাকর নিশাকর দুর্মতি সুমতি দোষী নির্দোষ দীর্ঘ হ্রস্ব দুর্লভ সুলভ দোস্ত দুশমন দীর্ঘায়ু স্বল্পায়ু দুষ্কৃতি সুকৃতি দ্বিধা নির্দ্বিধা/ দ্বিধাহীন দুঃশীল সুশীল দুষ্ট শিষ্ট দ্বৈত অদ্বৈত দুরন্ত শান্ত দূর নিকট দ্যুলোক ভূলোক দুর্গম সুগম দ্রুত মন্থর ধ ধনাত্মক ঋণাত্মক ধারালো ভোঁতা ধূর্ত বোকা ধনী নির্ধন/দরিদ্র ধামির্ক অধার্মিক ধৃত মুক্ত ধবল শ্যামল ন নতুন পুরাতন নিন্দা জাগরণ নির্মল মলিন নবীন নিন্দিত নিয়োগ বরখাস্ত নির্লজ্জ সলজ্জ নবীন প্রবীণ নিরক্ষর সাক্ষর নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তা নর নারী নিরবলম্ব স্বাবলম্ব নীরস সরস নশ্বর অবিনশ্বর নিরস্ত্র সশস্ত্র নিশ্চেষ্ট সচেষ্ট নাবালক সাবালক নিরাকার সাকার নৈঃশব্দ্য সশব্দ নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নির্দয় সদয় নৈতিকতা অনৈতিকতা নিকৃষ্ট উৎকৃষ্ট নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট নৈসর্গিক কৃত্তিম নিত্য অনিত্য নির্দেশক অনির্দেশক ন্যায় অন্যায় ন্যূন অধিক প পক্ষ বিপক্ষ পূণ্যবান পূণ্যহীন প্রফুল্ল ম্লান পটু অপটু পুরস্কার তিরস্কার প্রবীণ নবীন পণ্ডিত মূর্খ পুষ্ট ক্ষীণ প্রবেশ প্রস্থান পতন উত্থান পূর্ণিমা অমাবস্যা প্রভু ভৃত্য পথ বিপথ পূর্ব পশ্চিম প্রশ্বাস নিঃশ্বাস পবিত্র অপবিত্র পূর্ববর্তী পরবর্তী প্রসন্ন বিষণ্ণ পরকীয় স্বকীয় পূর্বসূরী উত্তরসূরী প্রসারণ সংকোচন/আকুঞ্চন পরার্থ স্বার্থ পূর্বাহ্ণ অপরাহ্ণ প্রাচ্য প্রতীচ্য পরিকল্পিত অপরিকল্পিত প্রকাশিত অপ্রকাশিত প্রাচীন অর্বাচীন পরিশোধিত অপরিশোধিত প্রকাশ গোপন প্রতিকূল অনুকূল পরিশ্রমী অলস প্রকাশ্যে নেপথ্যে প্রায়শ কদাচিৎ পাপ পূণ্য প্রজ্জ্বলন নির্বাপণ প্রারম্ভ শেষ পাপী নিষ্পাপ প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রীতিকর অপ্রীতিকর পার্থিব অপার্থিব প্রধান অপ্রধান ফ ফলন্ত/ফলনশীল নিস্ফলা ফলবান নিস্ফল ফাঁপা নিরেট ব বক্তা শ্রোতা বাধ্য অবাধ্য বিফল সফল বন্দনা গঞ্জনা বামপন্থী ডানপন্থী বিফলতা সফলতা বন্দী মুক্ত বাস্তব কল্পনা বিবাদ সুবাদ বদ্ধ মুক্ত বাল্য বার্ধক্য বিয়োগান্ত মিলনান্ত বন্ধন মুক্তি বাহুল্য স্বল্পতা বিয়োগান্তক মিলনান্তক বন্ধুর মসৃণ বাহ্য আভ্যন্তর বিরহ মিলন বন্য পোষা বিজেতা বিজিত বিলম্বিত দ্রুত বয়োজ্যেষ্ঠ বয়োকনিষ্ঠ বিদ্বান মূর্খ বিষাদ আনন্দ/ হর্ষ বরখাস্ত বহাল বিধর্মী স্বধর্মী বিস্তৃত সংক্ষিপ্ত বর্ধমান ক্ষীয়মান বিনয় ঔদ্ধত্য ব্যক্ত গুপ্ত বর্ধিষ্ণু ক্ষয়িষ্ণু বিনীত উদ্ধত ব্যর্থ সার্থক বহির্ভূত অন্তর্ভূক্ত বিপন্ন নিরাপদ ব্যর্থতা সার্থকতা বাদি বিবাদি বিপন্নতা নিরাপত্তা ব্যষ্টি সমষ্টি ভ ভক্তি অভক্তি ভাটা জোয়ার ভূত ভবিষ্যত ভদ্র ইতর ভাসা ডোবা ভূমিকা উপসংহার ভীরু নির্ভীক ভোগ ত্যাগ ভেদ অভেদ ম মঙ্গল অমঙ্গল মহাত্মা দুরাত্মা মুক্ত বন্দী মঞ্জুর নামঞ্জুর মানানসই বেমানান মুখ্য গৌণ মতৈক্য মতানৈক্য মান্য অমান্য মূর্খ জ্ঞানী মসৃণ খসখসে মিতব্যয়ী অমিতব্যয়ী মূর্ত বিমূর্ত মহৎ নীচ মিথ্যা সত্য মৌখিক লিখিত মহাজন খাতক মিলন বিরহ মৌলিক যৌগিক য যত্ন অযত্ন যুদ্ধ শান্তি যৌথ একক যশ অপযশ যোগ বিয়োগ যৌবন বার্ধক্য যুক্ত বিযুক্ত যোগ্য অযোগ্য যুগল একক যোজন বিয়োজন র রক্ষক ভক্ষক রাজি নারাজ রোদ বৃষ্টি রমণীয় কুৎসিত রুগ্ন সুস্থ রোগী নিরোগ রসিক বেরসিক রুদ্ধ মুক্ত রাজা প্রজা রুষ্ট তুষ্ট ল লঘিষ্ঠ গরিষ্ঠ লাজুক নির্লজ্জ লেন দেন লঘু গুরু লেজ মাথা লেনা দেনা লব হর লৌকিক অলৌকিক শ শঠ সাধু শিষ্ট অশিষ্ট শুষ্ক সিক্ত শঠতা সাধুতা শিষ্য গুরু শূণ্য পূর্ণ শায়িত উত্থিত শীত গ্রীষ্ম শোভন অশোভন শয়ন উত্থান শীতল উষ্ণ শ্বাস প্রশ্বাস শারীরিক মানসিক শুক্লপক্ষ কৃষ্ণপক্ষ শ্রী বিশ্রী শালীন অশালীন শুচি অশুচি শ্লীল অশ্লীল শাসক শাসিত শুদ্ধ অশুদ্ধ শিক্ষক ছাত্র শুভ্র কৃষ্ণ স সংকীর্ণ প্রশস্ত সদৃশ বিসদৃশ সাহসিকতা ভীরুতা সংকোচন প্রসারণ সধবা বিধবা সিক্ত শুষ্ক সংকুচিত প্রসারিত সন্ধি বিগ্রহ সুকৃতি দুষ্কৃতি সংক্ষিপ্ত বিস্তৃত সন্নিধান ব্যবধান সুগম দুর্গম সংক্ষেপ বিস্তার সফল বিফল সুন্দর কুৎসিত সংক্ষেপিত বিস্তারিত সবল দুর্বল সুদর্শন কুদর্শন সংগত অসংগত সবাক নির্বাক সুধা জাগ্রত সংযত অসংযত সমতল অসমতল সুপ্ত জাগ্রত সংযুক্ত বিযুক্ত সমষ্টি ব্যষ্টি সুয়ো দুয়ো সংযোগ বিয়োগ সমাপিকা অসমাপিকা সুশীল দুঃশীল সংযোজন বিয়োজন সমাপ্ত আরম্ভ সুশ্রী কুশ্রী সংশ্লিষ্ট বিশ্লিষ্ট সম্পদ বিপদ সুষম অসম সংশ্লেষণ বিশ্লেষণ সম্প্রসারণ সংকোচন সুসহ দুঃসহ সংহত বিভক্ত সম্মুখ পশ্চাত সুস্থ দুস্থ সংহতি বিভক্তি সরব নিরব সূক্ষ্ম স্থূল সকর্মক অকর্মক সরল কুটিল/জটিল সৃষ্টি ধ্বংস সকাল বিকাল সশস্ত্র নিরস্ত্র সৌখিন পেশাদার সক্রিয় নিষ্ক্রিয় সস্তা আক্রা সৌভাগ্যবান দুর্ভাগ্যবান/ভাগ্যহত সক্ষম অক্ষম সসীম অসীম স্তুতি নিন্দা সচল নিশ্চল সহযোগ অসহযোগ স্তাবক নিন্দুক সচেতন অচেতন সহিষ্ণু অসহিষ্ণু স্থাবর জঙ্গম সচেষ্ট নিশ্চেষ্ট সাঁঝ সকাল স্থলভাগ জলভাগ সচ্চরিত্র দুশ্চরিত্র সাকার নিরাকার স্নিগ্ধ রুক্ষ সজাগ নিদ্রিত সাক্ষর নিরক্ষর স্বনামী বেনামী সজ্জন দুর্জন সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য স্বর্গ নরক সজ্ঞান অজ্ঞান সাফল্য ব্যর্থতা স্বাতন্ত্র্য সাধারণত্ব সঞ্চয় অপচয় সাবালক নাবালক স্বাধীন পরাধীন সতী অসতী সাবালিকা নাবালিকা স্বার্থপর পরার্থপর সত্বর ধীর সাম্য বৈষম্য স্মৃতি বিস্মৃতি সদয় নির্দয় সার অসার স্থির অস্থির সদর অন্দর সার্থক নিরর্থক সদাচার কদাচার সাহসী ভীরু হ হরণ পূরণ হাল সাবেক হৃদ্যতা শত্রুতা হর্ষ বিষাদ হালকা ভারি হ্রস্ব দীর্ঘ হাজির গরহাজির হিত অহিত হ্রাস বৃদ্ধি হার জিত হিসেবি বেহিসেবি
'অজিন' হচ্ছে--
Correct Answer:
খ: হরিনের চামড়া
Explanation:
'অজিন' হচ্ছে-- সঠিক উত্তর হরিনের চামড়া অজিন - [বিশেষ্য পদ] পশুচর্ম; চর্ম নির্মিত আসন, মৃগচর্ম। সাপের খোলস - নির্মোক হরিনের চামড়া বাঘের চামড়া - কৃত্তি
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি-----
Correct Answer:
ক: শাহ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি----- সঠিক উত্তর শাহ মুহম্মদ সগীর শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি। বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে (১৩৮৯ - ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দে) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী। কাব্যরস পরিবেশন অপেক্ষা ধর্মীয় প্রেরণা সৃষ্টির প্রতিই কবির অধিক আগ্রহ লক্ষ করা যায়। সে যুগে দেশি ভাষার রসাশ্রয়ী ধর্মকাহিনী রচনা করার মধ্যে কবির সৎসাহসের পরিচয় মেলে। বাইবেল - কুরআন কিংবা ফিরদৌসী - জামীর অনুসরণে কাহিনী - কাব্যটি কল্পিত হলেও তাতে বাঙলাদেশ ও বাঙালি - জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। কাব্যটি পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দশকে রচনা করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। তার কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন। তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তার কাব্যে ধর্মীয় পটভুমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান। তার কাব্যে শিল্পমূল্য অতুলনীয়।
বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায় -----
Correct Answer:
গ: দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
Explanation:
বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায় ----- সঠিক উত্তর দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য পুথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল। এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়। পুথি (বা পুঁথি) শব্দের উৎপত্তি ‘পুস্তিকা’ শব্দ থেকে। এ অর্থে পুথি শব্দদ্বারা যেকোনো গ্রন্থকে বোঝালেও পুথি সাহিত্যের ক্ষেত্রে তা বিশেষ অর্থ বহন করে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ সময়ে রচিত বিশেষ ধরণের সাহিত্যই পুথি সাহিত্য নামে পরিচিত। হুগলির বালিয়া - হাফেজপুরের কবি ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০ - ১৭৭০) আমীর হামজা রচনা করে এ কাব্যধারার সূত্রপাত করেন। আরবদেশের ইতিহাস - পুরাণ মিশ্রিত কাহিনী অবলম্বনে রচিত আমীর হামজা জঙ্গনামা বা যুদ্ধ বিষয়ক কাব্য। মধ্যযুগে প্রায় পাঁচশ বছর ধরে বাংলা ভাষার যে ঐতিহ্য তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে এ কাব্যের ভাষার মিল নেই। বাংলা শব্দের সঙ্গে আরবি, ফারসি প্রভৃতি শব্দের মিশ্রণজাত একটি ভিন্ন ভাষায় কাব্যটি রচিত। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এ কাব্যে ৩২% বিদেশি শব্দের পরিসংখ্যান দিয়েছেন। হুগলি, হাওড়া, কলকাতা, ২৪ পরগনা প্রভৃতি অঞ্চলের মুসলমানদের কথ্যভাষা এর উৎস ছিল বলে মনে করা হয়। গরীবুল্লাহ নিজে এবং তাঁর শিষ্য সৈয়দ হামজা এ ভাষায় আরও কয়েকখানি কাব্য রচনা করেন। তাঁদের অনুসরণে পরবর্তীকালে বহু সংখ্যক মুসলমান কবি এ জাতীয় কাব্য রচনা করেন। এগুলির পাঠক ছিল সর্বস্তরের মুসলমান; তবে নিম্নবিত্তের চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের কাছে এর জনপ্রিয়তা ছিল সর্বাধিক। পুথি সাহিত্যের শব্দসম্ভার ও ভাষারীতি লক্ষ করে বিভিন্ন জন এর বিভিন্ন নামকরণ করেছেন। রেভারেন্ড জেমস লং এ ভাষাকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা’, আর এ ভাষায় রচিত সাহিত্যকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা সাহিত্য’। কলকাতার বটতলার ছাপাখানার বদৌলতে প্রচার লাভ করে বলে এগুলি ‘বটতলার পুথি’ নামেও পরিচিত হয়। গবেষকগণ ভাষা - বৈশিষ্ট্য ও বাক্যরীতির দিক থেকে বিচার করে প্রথমে এগুলিকে দোভাষী পুথি এবং পরবর্তীকালে ‘মিশ্র ভাষারীতির কাব্য’ বলে অভিহিত করেন। দোভাষী পুথিকারদের সাধারণভাবে ‘শায়ের’ বলা হয়। ‘শায়ের’ আরবি শব্দ, অর্থ কবি। সৈয়দ হামজা আমীর হামজা গ্রন্থের শুরুতে ‘শায়েরি পুঁথি’ বলে স্বীয় কাব্যের পরিচয় দিয়েছেন। এদিক থেকে নামকরণের জটিলতা এড়ানোর জন্য ‘শায়েরি পুঁথি’ অভিধাটি গ্রহণ করা যায়। সাধারণ বাংলা গ্রন্থের মতো পুথি সাহিত্য বাম দিক থেকে পড়া হলেও তা ছাপা হতো আরবি - ফারসির মতো ডান দিক থেকে। পয়ার - ত্রিপদী ছন্দে রচিত অলঙ্কারবর্জিত গদ্যধর্মী সরল ভাষা এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য -----
Correct Answer:
ক: ইউসুফ জুলেখা
Explanation:
মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য ----- সঠিক উত্তর ইউসুফ জুলেখা ইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুস্কারর লাভ করেন--
Correct Answer:
খ: ১৯১৩ সালে
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুস্কারর লাভ করেন-- সঠিক উত্তর ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান[ যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।