Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের জন্ম সন কোনটি?
Correct Answer:
ক: ১৮৩৮ খ্রি.
Explanation:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের জন্ম সন কোনটি? সঠিক উত্তর ১৮৩৮ খ্রি. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ - ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসাবে, সাহিত্য সমালোচক হিসাবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ রাজের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন।তাকে বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট বলা হয়।
'কোনটি বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয় ?
Correct Answer:
ঘ: কুবের
Explanation:
'কোনটি বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয় ? সঠিক উত্তর কুবের বিষাদসিন্ধু এজিদ্ - বধ পর্বের প্রচ্ছদ (১৮৯০) লেখক মীর মশাররফ হোসেন দেশ অবিভক্ত বাংলা ভাষা বাংলা বিষাদ - সিন্ধুবিষাদ - সিন্ধু কারবালার যুদ্ধক্ষেত্রকে উপাত্ত করে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি যথাক্রমে ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিন ভাগে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে সেগুলি একখন্ডে মুদ্রিত হয়।বিষাদ - সিন্ধুর প্রধান চরিত্রগুলো নামের দিক থেকে ঐতিহাসিক, কিন্তু ঘটনা বর্ণনায় ও চরিত্র সৃষ্টিতে কাল্পনিক। এই গ্রন্থে কিছু উপকাহিনী আছে, যেগুলো যথার্থ ঐতিহাসিক নয়। গ্রন্থের মুখবন্ধে লেখক মীর মশাররফ হোসেন লিখেছেন - ‘পারস্য ও আরব্য গ্রন্থ হইতে মূল ঘটনার সারাংশ লইয়া বিষাদ - সিন্ধু বিরচিত হইল।’ লক্ষণীয় বিষয়, মীর মশাররফ হোসেন বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থে বর্ণিত ঘটনাসমূহ কোন কোন আরবি এবং ফারসি গ্রন্থ হতে সংগ্রহ করেছেন তার নাম উল্লেখ করেননি। এ কারণে ‘সমালোচকবৃন্দ’ লেখকের ‘বক্তব্য অনুমোদনে দ্বিধান্বিত’। মুনীর চৌধুরী লেখকের দাবী সম্পর্কে যৌক্তিক সংশয় পোষণ করেছেন। তিনি দোভাষী পুঁথির সঙ্গে বিষাদ - সিন্ধুর বেশ সাদৃশ্য আবিষ্কার করে নিশ্চিন্ত হয়েছেন যে মশাররফের অবলম্বন ছিল কারবালাবিষয়ক জনপ্রিয় বাংলা পুঁথিই। গোলাম সাকলায়েনের অভিমতও অভিন্ন। আনিসুজ্জামান ও মুস্তাফা নূরউল ইসলামও মনে করেন দোভাষী পুঁথিই মশাররফের কাহিনীর প্রধান প্রেরণা ও মূল উৎস। কাজী আবদুল মান্নান অনুমান করেছেন, ‘গ্রন্থটির প্রতি ধর্মপ্রাণ মুসলমান সমাজের শ্রদ্ধা এবং আকর্ষণ সৃষ্টির জন্যই মশাররফ কাহিনী - উৎসের প্রশ্নে আরবি - ফারসি গ্রন্থেও প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন।মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ - সিন্ধুর মূল বিষয়বস্ত্ত হচ্ছে - হযরত মুহাম্মদ (সা.) - এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর জন্য দায়ী ঘটনাসমূহ। অবশ্য ইমাম হোসেনের মৃত্যুর ফলে যে সকল ঘটনা ঘটেছিল তারও বর্ণনা রয়েছে এ গ্রন্থে। বিষাদ - সিন্ধু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলির সন্ধান ইতিহাসে পাওয়া যায়, কিন্তু কোনো কোনো অপ্রধান চরিত্রের উল্লেখ বা সন্ধান ঐতিহাসিক কোনো গ্রন্থে পাওয়া যায় না। কিন্তু গবেষকের সিদ্ধান্ত - ‘যেহেতু ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করেই এই গ্রন্থ রচিত হয়েছে, সুতরাং এটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা যায়।’ এতে একই সঙ্গে উপন্যাসের চরিত্রচিত্রণ, মানবজীবনের দুঃখ - যন্ত্রণা, হিংসা - বিদ্বেষ ইত্যাদি যেমন চিত্রিত হয়েছে তেমনি ইতিহাসের পটভূমিকায় সিংহাসন নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংগ্রাম, রক্তপাত, হত্যাকান্ড ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে। সারকথা বিষাদ - সিন্ধুতে বর্ণিত ইতিহাসের চরিত্র ও ইতিহাসের লক্ষণকে প্রত্যক্ষ করে গবেষক একে ঐতিহাসিক উপন্যাসের মর্যাদা দিতে দ্বিধা করেননি। তবে এতে এমন কিছু ঘটনার উল্লেখ আছে যেগুলো ইতিহাসের আলোকে বিচার করা চলে না। এমনকি বাস্তব জীবনেও সেগুলির অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করা চলে, যেমন - কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনা, এগুলির কোনোটির উৎপত্তি ধর্মীয় বিশ্বাসে, আবার কোনটির উৎপত্তি ঐন্দ্রজালিক শক্তিতে ও আস্থায়।বিষাদ - সিন্ধুর সূচনা হচ্ছে - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর এক ভবিষ্যদ্বাণীতে এবং ভবিষ্যদ্বাণী সত্যে পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রন্থের উপসংহার হবে। এই ভবিষ্যদ্বাণী ছাড়াও এতে কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। যেমন - এজিদের চোখের সামনে থেকে হোসেনের খন্ডিত শির অদৃশ্য হওয়া, কারবালা প্রান্তরের বৃক্ষ থেকে রক্তক্ষরিত হওয়া, হোসেনের মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় হোসেনের পিতামাতার মর্তে আগমন এবং দু্ই পাহাড়ের মধ্যবর্তীস্থানে হানিফার বন্দি হওয়া ইত্যাদি। কোনো উপন্যাসে কেবল বাস্তব জীবনের ঘটনা চিহ্নিত হলে তাকে সাধারণত উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয় না। কিন্তু বিষাদ - সিন্ধুতে বাস্তব ঘটনা এবং অতিপ্রাকৃত বিষয়ের অবতারণা করা হলেও তা পাঠকদের অবিশ্বাস উদ্রেক করে না। বিষাদ - সিন্ধুর ঘটনাস্থান ও ঘটনাকাল সপ্তম শতাব্দীর আরবদেশ। এ উপন্যাস বিচারকালে কোনো কোনো গবেষক সেই বিশেষ যুগের ও মানুষের বিশ্বাসের কথাটি মনে রাখার পক্ষে মত দিয়ে বলেছেন - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরেরা যদি দৈবশক্তিতে বিশ্বাসী হন, আশ্চর্য হবার কিছু নেই। কারণ তাঁরা বিশ্বাস করতেন - বিধাতার স্থিরীকৃত পথ থেকে কেউ বিচ্যুত হতে পারে না। বিষাদ - সিন্ধু পাঠকালে কখনো কখনো মনে হয় যেন ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেন রক্তমাংসের কোনো মানুষ নয়, কেননা তারা সম্পূর্ণরূপে দৈবের ওপর নির্ভরশীল এবং তারা কেউ নিজেদের কৃতকর্মের ফলের জন্য নিজেদের দায়ী বলে মনে করে না। অপরদিকে এজিদ, জায়েদা, মায়মুনা এবং মরওয়ান - এরা পাষন্ড হলেও এদের অনেকটা রক্তমাংসের মানুষ মনে হয়। কারণ এরা মনে করে - তাদের বর্তমান ক্রিয়াকর্মের ফলেই ভবিষ্যৎ ঘটনাবলী প্রভাবান্বিত হবে। এজিদ হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে অনবরত সংগ্রাম করতে থাকে, কিন্তু সর্বক্ষণই এজিদ আপন বাহুবল ও কলাকৌশলের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইমাম হাসান এবং ইমাম হোসেন মৃত্যুকে বরণ করে বিনা প্রতিবাদে, বিনা প্রতিরোধে। কেননা, তাঁরা বিশ্বাস করে - বিধাতার অভিপ্রায়ই তাই, ফলে তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।মীর মশাররফ হোসেন জন্মগ্রহণ করেন ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে এবং তিনি যে পরিবেশে বেড়ে উঠেন সেটি ছিল সে - যুগের পূর্ববর্তী সময়ের রীতি - নীতি ও বিশ্বাসদ্বারা লালিত। অধিকাংশ গবেষক বিষাদ - সিন্ধুকে মহাকাব্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন - ‘এতে রয়েছে মহাকাব্যের বিশাল পটভূমি। এটি ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সংঘর্ষের কাহিনী নয় - এ হচ্ছে প্রভুত্ব নিয়ে দুই নৃপতির মধ্যে সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত ছিল বহু লোকের জীবন, বহু লোকের ভাগ্য।’ এতে প্রায় শ’খানেক পাত্রপাত্রী আছে; এর মধ্যে রয়েছে অনেক কাহিনী শাখা - প্রশাখায় বিস্তৃত। হিংসা বিদ্বেষজর্জরিত মানুষের কামনা, বাসনা, প্রভুত্বের নিষ্ঠুরতা, রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, আর এসব ঘটেছিল একটি নারীকে কেন্দ্র করে। ঠিক এমন ঘটনা গ্রিক সাহিত্যের ইলিয়াড মহাকাব্যে ঘটেছিল।বিষাদ - সিন্ধুর অধিকাংশ ঘটনাই জয়নাবকে কেন্দ্র করে। এজিদ ও ইমাম হাসান - হোসেনের সংঘর্ষের মূল কারণ জয়নাব। জয়নাব সতীসাধ্বী স্ত্রী। প্রথম স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত হয়ে দ্বিতীয়বার পরিণীতা হন ইমাম হাসানের সঙ্গে। ভাগ্যের পরিহাসে ইমাম হাসানের মৃত্যুর পর সে এজিদের কারাগারে বন্দিনী হন। কারাগারে বন্দিনী থাকাকালে তার মনে হতো কারবালার রক্তপাতের জন্য সেই যেন দায়ী। এজিদকে স্বামীত্বে বরণ করে নিলেই তো আর এসব ঘটনা ঘটত না। সাহিত্য সৃষ্টির দিক থেকে মাইকেলের মেঘনাদবধ কাব্যের সীতা - চরিত্রের সঙ্গে জয়নাবের তুলনা করা চলে।বিষাদ - সিন্ধু পাঠ্যপুস্তক হিসেবেই প্রথমে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং গ্রামে গ্রামে পঠিত হতে থাকে। পরবর্তীতে বিষাদ - সিন্ধুর এই জনপ্রিয়তার সূত্র ধরে বাংলাদেশের জারিগানের আসরে প্রথমত প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে আত্তীকৃত হয়, পরবর্তীতে জারিগানের গীত - নৃত্যমূলক পরিবেশনায় বিষাদ - সিন্ধুর পদ্যগীতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশিত হতে থাকে। আধুনিক বাংলা ভাষার গদ্যরীতিতে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধুর পুরো পাঠটিই বাংলাদেশের নেত্রকোণা অঞ্চলে প্রচলিত জারিগানের আদলে আত্তীকৃত হয়েছে।বিষাদ - সিন্ধু ও জারিগানের তুলনামূলক পাঠের ভেতর দিয়ে পাঠক - গবেষক স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন, আধুনিক বাংলা ভাষার লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু কীভাবে গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত ‘বয়াতি’, ‘জারিয়াল’ বা ‘খেলোয়াড়’ কর্তৃক জারিগানের আসরে আত্তীকৃত হয়ে কতটা প্রাণবন্তভাবেই না গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে থাকে। উপস্থাপিত পাঠের ভেতর দিয়ে মূলত নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিপালার আত্তীকৃত পাঠকে প্রত্যক্ষ করা যাবে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু আত্তীকৃত হবার ইতিহাস হতে জানা যায় সাধারণত দুইভাবে আত্তীকৃত হয়ে বিষাদ - সিন্ধুর আখ্যান গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে আসছে। ক্ষেত্রসমীক্ষণে জারিগানের বয়াতিদের ভাষ্যমতে, জারিগানের আসরে বিষাদ - সিন্ধু প্রথমবারের মতো আত্তীকৃত হয়েছিল মূলত প্রতিযোগিতামূলক আসরে প্রশ্নোত্তরের একটি আকর্ষণীয় তথ্যনির্ভর উপাদান হিসেবে, দ্বিতীয়ত প্রতিযোগিতামূলক জারিগানের আসর হতেই পর্যায়ক্রমে বিষাদ - সিন্ধু গীত - নৃত্য আশ্রিত জারিপালায় প্রবেশ করে বয়াতিদের মুখে মুখে সৃজিত ছন্দের গাঁথুনিতে রূপান্তরিত হয়ে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিষাদ - সিন্ধুর গদ্যরীতি জারিগানের সৃজনশীল বয়াতিদের দ্বারা ছন্দবদ্ধ গীতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূলত ‘ক্ষুদ্র পয়ার’ বা ‘দীর্ঘ পয়ার’ ছন্দগীত প্রযুক্ত হলেও তাতে বৈচিত্র্য প্রদান করে পালার পয়ারের পূর্বে এবং মধ্যে মধ্যে গীত দোহারদের দিশা - দোহার বা ধূয়া এবং ডাক। দিশা - দোহার বা ধূয়াতে বিচিত্র ছন্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। মূলত দোহার - দিশাতেই বিচিত্র ছন্দ প্রয়োগ করা হয়, পালার পয়ারের প্রচলিত কাঠামোর ওপরে সাধারণত ত্রিপদী, চৌপদী ইত্যাদি ছন্দের আবরণ দিয়েই জারিগানে বৈচিত্র্য সৃজন করা হয়। জারিগানের আসরের নৃত্য - গীতের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃজন করে দোহার - খোলোয়াড়দের মুখে উচ্চারিত আরেকটি উপাদান তা হলো ‘ডাক’।বিষাদ - সিন্ধু কেন্দ্রিক নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য এ উপন্যাসে নির্ধারিত প্রবাহ হতে কখনো মূলপাঠ আবার কখনো মূলপাঠের কথার কাট - ছাট উপস্থাপন করে তার আগে ও পরে ছন্দগীত আকারে জারিপালা পরিবেশন করে থাকেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কারবালাবিষয়ক কাব্য রচনায় কবি হায়াত মামুদ, ফকির গরীবুল্লাহ এবং সৈয়দ হামজা সর্বাপেক্ষা কৃতিত্বের পরিচয় দেন। মীর মশাররফ হোসেনের কাহিনীতে কবি হায়াত মামুদ ও ফকির গরীবুল্লাহ’র কাহিনীর সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। পূর্বসূরী ফকির গরীবুল্লাহ’র রচনা থেকে উপকরণ নিলেও বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থের কাহিনী - নির্বাচন, নির্মাণ ও চরিত্র সৃষ্টি মীর মশাররফের একান্ত নিজস্ব। [সাইমন জাকারিয়া]সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া
অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
ক: মায়ে ঝিয়ে
Explanation:
অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর মায়ে ঝিয়ে যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দুধে - ভাতে, জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে।
সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কয়টি?
Correct Answer:
গ: কুড়িটি
Explanation:
সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কয়টি? সঠিক উত্তর কুড়িটি সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি.যথা = প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির , দুর, বি , অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, অপ, আ ।
কোন সাহিত্যিক ' ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
কোন সাহিত্যিক ' ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম ছদ্মনামছদ্মনাম কোনো ব্যক্তি বা ক্ষেত্রবিশেষে কোনো গোষ্ঠীর স্বগৃহীত ও স্বব্যবহৃত কাল্পনিক নাম।ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখা। শুধুমাত্র লেখকেরাই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন না, গ্র্যাফিটি শিল্পী, প্রতিবাদী আন্দোলনকারী অথবা সন্ত্রাসবাদী এমনকি কম্পিউটার হ্যাকারেরাও ব্যবহার করেন এই জাতীয় নকল নাম। অভিনেতা, গায়ক বা অন্যান্য শিল্পীরা অনেক সময় নিজেদের জাতিগত পরিচয় গোপন রাখার জন্য মঞ্চনাম ব্যবহার করেন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছদ্মনাম গ্রহণের কারণ হয় সাংস্কৃতিক বা সাংগাঠনিক ঐতিহ্য। কোনো কোনো ধর্মীয় সংঘের সদস্যদের ধর্মীয় নাম এবং কমিউনিস্ট পার্টি নেতৃবৃন্দের ব্যবহৃত "ক্যাডার নাম" এর উদাহরণ। যথা: ট্রটস্কি ও স্তালিন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার একাধিক ব্যক্তি একক ছদ্মনামের আড়ালেও লিখে থাকেন। কোনো রচনার সহকারী লেখকবৃন্দের ক্ষেত্রে এই জাতীয় ছদ্মনাম গ্রহণের প্রবণতা দেখা যায়। যেমন: এলারি কুইন বা নিকোলাস বরবাকি।বাংলা সাহিত্যিকদের ছদ্মনামবাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। বাংলা ভাষা তথা বিশ্বের সকল সাহিত্যে সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজেদের নাম আত্মগোপন করে অন্যকোন নামে সাহিত্য রচনা করতেন। বাংলা ভাষাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অনেক কবি, সাহিত্যিক,উপন্যাসিক, নাট্যকার তাদের আসল নাম গোপন করে ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন। নিম্নে তার একটি তালিকা দেওয়া হল। সময়কাল জন্মস্থান প্রকৃত নাম ছদ্মনাম বিশেষত্ব ১৯০৩ - ১৯৭৬ নোয়াখালী, বাংলাদেশ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত নীহারিকা দেবী কবি, ঔপন্যাসিক ১৮৮২ - ১৯৫৮ অনুরূপা দেবী অনুপমা দেবী ঔপন্যাসিক ১৯০৪ - ২০০২ উড়িষ্যা, ভারত অন্নদাশংকর রায় লীলাময় রায় কবি, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার অহিদুর রেজা হাসন রাজা ১৯২৭ - ১৯৭১ ফেনী, বাংলাদেশ আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ শহীদুল্লা কায়সার ঔপন্যাসিক আবুল ফজল শমসের উল আজাদ আবুল হোসেন মিয়া আবুল হাসান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো এম. ওবায়দুল্লাহ অাসকার ইবনে শাইখ ১৮৫৭ - ১৯৫১ ঢাকা, বাংলাদেশ কাজেম আল কোরেশী কায়কোবাদ কবি কাজী নজরুল ইসলাম নুরু; নুরুল ইসলাম কালিকানন্দ অবধূত কালীপ্রসন্ন সিংহ হুতোম পেঁচা কামিনী রায় জনৈক বঙ্গমহিলা চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ জমীরউদ্দীন মোল্লা ১৮৯৮ - ১৯৭১ বীরভূম, ভারত তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় হাবু শর্মা ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার দৃষ্টিহীন; মধুসূদন মজুমদার ১৯১৮ - ১৯৭০ বালিয়াডাঙ্গী, বাংলাদেশ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সুনন্দ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ১৯১১ - ১৯৮৬ নড়াইল, বাংলাদেশ নীহাররঞ্জন গুপ্ত দাদাভাই; বাণভট্ট ঔপন্যাসিক প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৬৮ - ১৯৪৬ পাবনা, বাংলাদেশ প্রমথ চৌধুরী বীরবল কবি, প্রাবন্ধিক প্রেমেন্দ্র মিত্র কৃত্তিবাস ভদ্র; লেখরাজ সামন্ত প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কমলাকান্ত বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় যাযাবর বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় ক্বচিৎ প্রৌঢ় বিমল ঘোষ মৌমাছি বিমল মিত্র জাবালি বিহারীলাল চক্রবর্তী ভোরের পাখি মইনুদ্দিন অাহমেদ সেলিম অাল দীন মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় শংকর মণীশ ঘটক যুবনাশ্ব মনিরুজ্জামান হায়াৎ মামুদ মহাশ্বেতা দেবী সুমিত্রা দেবী মাইকেল মধুসূদন দত্ত এ নেটিভ মীর মশাররফ হোসেন গৌড়তটবাসী মশা; উদাসীন পথিক; গাজী মিয়াঁ মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ জহির রায়হান মোহিতলাল মজুমদার কৃত্তিবাস ওঝা; সত্যসুন্দর দাস মোঃ শহীদুল হক শহীদুল জহির ১৮৬১ - ১৯৪১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ভারত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ঠাকুর রাজশেখর বসু পরশুরাম রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনিলা দেবী শম্ভু মিত্র প্রসাদ দত্ত; শ্রী সঞ্জীব; সুরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় শেখ অাজিজুর রহমান শওকত ওসমান সতীনাথ ভাদুড়ী চিত্রগুপ্ত ১৯২৪ - ১৯৮৮ বিক্রমপুর, বাংলাদেশ সমরেশ বসু কালকূট; ভ্রমর ১৯৩৪ - ২০১২ মাদারীপুর, বাংলাদেশ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীল উপাধ্যায়; নীল লোহিত; সনাতন পাঠক সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুবচনী সোমেন চন্দ ইন্দ্রকুমার সোম ১৯০৪ - ১৯৭৪ করিমগঞ্জ, আসাম সৈয়দ মুজতবা আলী প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর ১৮৩৩ - ১৮৯৬ কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ হরিনাথ মজুমদার কাঙাল হরিনাথ সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয় ?
Correct Answer:
ক: ঘুম নেই
Explanation:
কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয় ? সঠিক উত্তর ঘুম নেই ঘুম নেই কাব্যগ্রন্থের লেখক সুকান্ত ভট্টাচার্যসুকান্ত ভট্টাচার্যের "ঘুমনেই" কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয় - শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা - এ তার "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক। ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন। রবীন্দ্রনাথের গান তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তার রচিত আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন - অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ জন্ম ৭ মে ১৮৬১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০) জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) সমাধিস্থল কলকাতা ছদ্মনাম ভানুসিংহ ঠাকুর (ভণিতা) পেশা কবি ঔপন্যাসিক নাট্যকার প্রাবন্ধিক দার্শনিক সঙ্গীতজ্ঞ চিত্রশিল্পী গল্পকার ভাষা বাংলা, ইংরেজি নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয় সময়কাল বঙ্গীয় নবজাগরণ সাহিত্য আন্দোলন প্রাসঙ্গিক আধুনিকতা উল্লেখযোগ্য রচনাবলি গীতাঞ্জলি (১৯১০), রবীন্দ্র রচনাবলী "গোরা" "আমার সোনার বাংলা" "ঘরে বাইরে" উল্লেখযোগ্য পুরস্কার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯১৩) দাম্পত্যসঙ্গী মৃণালিনী দেবী (বি. ১৮৭৩–১৯০২) আত্মীয় ঠাকুর পরিবার স্বাক্ষর সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
চুনিয়া আমামার আর্কেডিয়া গ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: রফিক আজাদ
Explanation:
চুনিয়া আমামার আর্কেডিয়া গ্রন্থের রচয়িতা- সঠিক উত্তর রফিক আজাদ চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া - রফিক আজাদ - - - সংকলিত (রফিক আজাদ) স্পর্শকাতরতাময় এই নামউচ্চারণমাত্র যেন ভেঙে যাবে,অন্তর্হিত হবে তার প্রকৃত মহিমা, - চুনিয়া একটি গ্রাম, ছোট্ট কিন্তু ভেতরে - ভেতরেখুব শক্তিশালীমারণাস্ত্রময় সভ্যতার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। মধ্যরাতে চুনিয়া নীরব।চুনিয়া তো ভালোবাসে শান্তস্নিগ্ধ পূর্ণিমার চাঁদ,চুনিয়া প্রকৃত বৌদ্ধ - স্বভাবের নিরিবিলি সবুজ প্রকৃতি;চুনিয়া যোজনব্যাপী মনোরম আদিবাসী ভূমি।চুনিয়া কখনো কোনো হিংস্রতা দ্যাখেনি।চুনিয়া গুলির শব্দে আঁতকে উঠে কি?প্রতিটি গাছের পাতা মনুষ্যপশুর হিংস্রতা দেখে না - না ক’রে ওঠে? - চুনিয়া মানুষ ভালোবাসে। বৃক্ষদের সাহচার্যে চুনিয়াবাসীরা প্রকৃত প্রস্তাবে খুব সুখে আছে।চুনিয়া এখনো আছে এই সভ্যসমাজেরকারু - কারু মনে,কেউ - কেউ এখনো তো পোষেবুকের নিভৃতে এক নিবিড় চুনিয়া। চুনিয়া শুশ্রুষা জানে,চুনিয়া ব্যান্ডেজ জানে, চুনিয়া সান্ত্বনা শুধু - চুনিয়া কখনো জানি কারুকেই আঘাত করে না;চুনিয়া সবুজ খুব, শান্তিপ্রিয় - শান্তি ভালোবাসে,কাঠুরের প্রতি তাই স্পষ্টতই তীব্র ঘৃণা হানে।চুনিয়া গুলির শব্দ পছন্দ করে না। রক্তপাত, সিংহাসন প্রভৃতি বিষয়েচুনিয়া ভীষণ অজ্ঞ;চুনিয়া তো সর্বদাই মানুষের আবিষ্কৃতমারণাস্ত্রগুলোভূমধ্যসাগরে ফেলে দিতে বলে।চুনিয়া তো চায় মানুষের তিনভাগ জলেরক্তমাখা হাত ধুয়ে তার দীক্ষা নিক্।চুনিয়া সর্বদা বলে পৃথিবীর কুরুক্ষেত্রগুলিসুগন্ধি ফুলের চাষে ভ’রে তোলা হোক। চুনিয়ারও অভিমান আছে,শিশু ও নারীর প্রতি চুনিয়ার পক্ষপাত আছে;শিশুহত্যা, নারীহত্যা দেখে - দেখে সেওমানবিক সভ্যতার প্রতি খুব বিরূপ হয়েছে। চুনিয়া নৈরাশ্যবাদী নয়, চুনিয়া তো মনেপ্রাণেনিশিদিন আশার পিদ্দিম জ্বেলে রাখে।চুনিয়া বিশ্বাস করে:শেষাবধি মানুষেরা হিংসা - দ্বেষ ভুলেপরস্পর সৎপ্রতিবেশী হবে।
'কালো বরফ' রচনা করেন
Correct Answer:
গ: মাহমুদুল হক
Explanation:
'কালো বরফ' রচনা করেন সঠিক উত্তর মাহমুদুল হক 'কালো বরফ' রচনা করেন মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকমাহমুদুল হক (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৪০ - জুলাই ২১, ২০০৮) একজন বাংলাদেশি লেখক। তাকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে। তার লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ।প্রাথমিক জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হক ১৯৪০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সিরাজুল ইসলাম, মায়ের নাম মাহমুদা বেগম। ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় পর পিতা সরকারের উচ্চপদে চাকরিসূত্রে পূর্ব পাকিস্তানে যোগদান করেন এবং বেশ পরে তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ১৯৫১ সালে আজিমপুরে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।শিক্ষা ও পেশাগত জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের পড়ালেখার হাতেখড়ি হয়েছিল বারাসাতের কালীকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৯৫২ সালে ঢাকার লালবাগের ওয়েস্ট এন্ড স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। রাতকানা রোগের কারণে মাঝখানে কিছুদিন তিনি পড়ালেখায় বিরতি দেন। পরে তিনি ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হলেও পড়ালেখার চেয়ে আড্ডাবাজিতে মগ্ন হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার ইতি ঘটান। দৈনিক সংবাদ পত্রিকার অনুবাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তিন মাসের মাথায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি প্রথমে মনোহারি, পরে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে যুক্ত হন। পরে অবশ্য মীজানুর রহমান এবং প্রতাপউদ্দিনের সাথে মিলি ‘গাঙচিল প্রেস’ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৬৭ সালে; কিন্তু এ ব্যবসাও তার টেকে নি।সাহিত্যজীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের শিক্ষক ছিলেন কথাশিল্পী শহীদ সাবের। তার প্রত্যক্ষ প্রেরণায় তিনি সাহিত্যের সাথে যুক্ত হন এবং প্রথমে ‘অগ্রগামী’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির মাত্র ৩টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল। মাহমুদুল হক যখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তখন ‘রেড হর্নেট’ (১৯৫৪) ডিটেকটিভ উপন্যাস রচনা করেন। এ সময় তিনি ‘অরণ্য বাসর’ ও ‘আমি সম্রাট’ নামি দুটি রোমাঞ্চধর্মী উপন্যাসও লিখেছিলেন। তবে তিনি ১৯৮৪ সালের পর আর লেখালেখি করেন নি।সাহিত্যকর্ম - মাহমুদুল হকউপন্যাস অনুর পাঠশালা (১৯৬৭) নিরাপদ তন্দ্রা (১৯৬৮) জীবন আমার বোন (১৯৭২) কালো বরফ (১৯৭৭) অশরীরী (১৯৭৯) পাতালপুরী (১৯৮১) খেলাঘর (১৯৮৮) মাটির জাহাজ (১৯৭৭)শিশুতোষ উপন্যাস চিক্কোর কাবুক (১৯৭৯)গল্পগ্রন্থ প্রতিদিন একটি রুমাল (১৯৯৪) মাহমুদুল হকের নির্বাচিত গল্প (১৯৯৯) মানুষ মানুষ খেলা (২০০৯) অগ্রন্থিত গল্প [সংগ্রহ ও সম্পাদনা, আবু হেনা মোস্তফা এনাম] (২০১০)অন্যান্য মাহমুদুল হক শিশুদের কাগজ আলাপনী, শাহীন সেতারা প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। তার কিছু সাড়া জাগানো উপন্যাসের মধ্যে খেলাঘর - চলচ্চিত্ররূপ ২০০৬। মাহমুদুল হক জন্ম ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪০ বারাসাত মৃত্যু ২১ জুলাই ২০০৮ (বয়স ৬৭) ঢাকা জাতীয়তা বাংলাদেশি যেখানের শিক্ষার্থী জগন্নাথ কলেজ পেশা সাহিত্যিক পরিচিতির কারণ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার উল্লেখযোগ্য কর্ম কালো বরফ, জীবন আমার বোন, মাটির জাহাজ, প্রতিদিন একটি রুমাল পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৯৭) সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'হাত- হদাই' একটি-
Correct Answer:
ঘ: নাটক
Explanation:
'হাত- হদাই' একটি- সঠিক উত্তর নাটক 'হাত - হদাই' নাটকের নাট্যকার - সেলিম আল দীন সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন (১৮ আগস্ট, ১৯৪৯ - ১৪ জানুয়ারি, ২০০৮ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। সেলিম আল দীন সেলিম আল দীন জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ (বয়স ৭০) সোনাগাজী, ফেনী, বাংলাদেশ মৃত্যু ১৪ জানুয়ারি ২০০৮ (বয়স ৫৮) ঢাকা, বাংলাদেশ পেশা নাট্যকার, লেখক, অধ্যাপক জাতীয়তা বাংলাদেশী (বাংলা) নাগরিকত্ব বাংলাদেশী দম্পতি বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম তথ্য ধারা নাটক উল্লেখযোগ্য কাজ কিত্তনখোলা (১৯৮৬) কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮) চাকা (১৯৯১) হরগজ (১৯৯২) যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩) হাতহদাই (১৯৯৭) প্রাচ্য (২০০০) নিমজ্জন (২০০২) পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (সাহিত্য) (১৯৮৪) একুশে পদক (২০০৭) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩, ১৯৯৪) নান্দিকার পুরস্কার (আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা) ১৯৯৪ শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪) মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)
একাত্তরের ডায়েরী কার লেখা?
Correct Answer:
খ: সুফিয়া কামাল
Explanation:
একাত্তরের ডায়েরী কার লেখা? সঠিক উত্তর সুফিয়া কামাল একাত্তরের ডায়েরী সুফিয়া কামাল এর লেখা ‘একাত্তরের ডায়েরী’ ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদের মাতামহের বাড়িতে সুফিয়া কামালের জন্ম। মা সাবেরা বানু এবং বাবা সৈয়দ আব্দুল বারি। পারিবারিক পরিমণ্ডলে সাহিত্য - পত্রিকা ও গল্প পড়তে - পড়তেই সাহিত্যচর্চার অনুপ্রাণিত হন।মাত্র ১৪ বছর বয়সে বরিশাল থেকে ‘তরুণ’ পত্রিকায় ‘সৈনিক বধূ’ গল্পটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। লেখালেখির কাজ সুফিয়াকে লুকিয়ে করতে হয়েছে - বিশেষ করে বাংলা ভাষার চর্চা ছিলো না। সীমাবদ্ধ ছিল আরবি, ফারসি, উর্দুতে। মায়ের ঐকান্তিক সহযোগিতায় সুফিয়া বাংলা বলতে, পড়তে ও লিখতে শেখেন। লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতা রচনা করতে - করতেই সওগাতে প্রকাশিত হল তার প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ যা সাথে - সাথেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। প্রথম গ্রন্থ রচয়িতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যসমগ্র প্রকাশের মাঝে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁকে দীর্ঘ চিঠি লিখে কাব্যচর্চায় উৎসাহিত করেন। প্রকৃতপক্ষে ‘সাঁঝের মায়া’ গ্রন্থের ভূমিকাটি তাঁরই লেখা।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতা পড়ে তাঁকে আর্শীবাণী পাঠিয়েছিলেন এই বলে, ‘তোমার কবিত্ব আমাকে বিস্মিত করে। বাংলা সাহিত্যে তোমার স্থান উচ্চে এবং ধ্রুত তোমার প্রতিষ্ঠা আমার আশির্বাদ গ্রহণ করো।’ (সেলিম জাহাঙ্গীর, সুফিয়া কামাল, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র, ঢাকা ১৯৯৩ পৃ - ৬৪) সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন তাঁর সাহিত্য - জীবনে উৎসাহের বিরাট উৎস হিসেবে কাজ করেছেন।দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাএকাত্তরের ডায়েরী প্রথম সংস্করণ খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেলে আবারও তা প্রকাশের জন্য প্রচুর তাগাদা আসে। শেষ পর্যন্ত জাগৃতি প্রকাশনীই স্বেচ্ছায় প্রকাশের দায়িত্ব নিল দ্বিতীয় সংস্করণের। আমার একমাত্র প্রত্যাশা আজকের প্রজন্ম জানুক সেদিনগুলো কেমন সংগ্রামমুখর ছিল। সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদসুফিয়া কামাল৩১.১.৯৫ভূমিকাকবি সুফিয়া কামাল ছিলেন মনন ও সৃজনশীলতায় অগ্রগামী নারী। যে সময়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, নিজের সহজাত জ্ঞান ও মেধা দিয়ে সেই সময়কে অতিক্রম করেছিলেন এগিয়ে থাকা মানুষের শাণিত বোধে। যে বয়সে মানুষের বিবেচনা ও অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হয় সে বয়সে তাঁর সময়কে তিনি উৎসর্গ করেছিলেন মানব কল্যাণের প্রয়োজনে। তাঁর রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থ এই বিবেচনার সবটুকু প্রেরণা থেকে রচিত। ডায়েরির শুরু হয়ে ডিসেম্বর ৩০, ১৯৭০ তারিখে। শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। পুরো এক বছর সময়। তবে প্রতিদিনের প্রতিদিনের দিনলিপি নয়।মাঝে মাঝে কিন্তু কিছু তারিখ বাদ দিয়ে লিখেছেন।১০৭০ সালের ১২ নভেম্বর ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। দুর্যোগে বিপর্যন্ত মানুষের হাতে রিলিফ সামগ্রী তুলে দিতে তিনি গিয়েছিলেন। পটুয়াখালির ধানখালি চর এলাকায়। রিলিফ দিয়ে ঢাকার ফিরলেন ৮ জানুয়ারি।সত্তরের জলোচ্ছ্বোসের পরে ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকিস্তানের সাধারন নির্বাচন। এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করেছিল আওয়ামী লীগ।পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান বাঙালি নেতার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করলেন। শেষ পর্যন্ত ১ মার্চ ১৯৭১ সালে গণপরিষদের অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। ১মার্চ, সোববার রাত দশটায় কবি লিখছেন, ‘বিক্ষুদ্ধ বাংলা।’ ভুট্ট্যো সাহেব পরিষদে যোগ দিবেন না সিন্ধান্তে পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি রইল। ১২টায় এ খবর প্রচারিত হওয়ায়, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেল। এভাবে বিভিন্ন তারিখে তিনি দেশের পরিস্থিতির কথা নানাভাবে বর্ণনা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের দলিল হিসেবে এই ডায়েরির তথ গবেষণার উপাদান হিসেবে কাজ করবে।ডায়েরির একটি বিশেষ দিক এই যে কোনো কোনো তারিখে তিনি শুধু একটি কবিতা লিখেছেন। একজন কবি এভাবেই নিজের প্রকাশ ঘটান। এপ্রিল ১, বৃহস্পতিবার। রাত আটটায় তিনি লেখাটি শেষ করেছেন এভাবে : ‘কারফিউ চলছে। প্লেনের আসা - যাওয়ার বিরাম নেই। কাল থেকে নাকি ব্যাঙ্ক সব খোলা হবে। আট আনায় তিনটি পান কিনলাম। বাংলার ইতিহাস কে রচনা করবে?’ শেষের বাক্যটি অন্য বাক্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন। কিন্তু কোনোবাবেই এটি কোনো আকস্মিক বাক্য নয়।কারণ ২৫ শের রাতে গণহত্যার পরে শুরু হয়ে গেছে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হবে বাঙালির নতুন ইতিহাস। তিনি আহবান করছেন ইতিহাস রচয়িতাকে।এখানেই চিহ্নিত হয় তাঁর আগ্রগামী চিন্তার স্বরূপ। ডিসেম্বর ১৬, বৃহস্পতিবার লিখছেন, ‘আজ ১২ টায় বাংলাদেশ যুদ্ধ বিরতির পর মুক্তিফৌজ ঢাকার পথে পথে এসে আবার সোচ্চার হল ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণে। আল্লাহর কাছে শোকর।’ডিসেম্বর ২৯ তারিখে একটি কবিতা লিখেছেন। কবিতাটি শুরু হয়েছে নিজের মেয়ের কথা দিয়ে লিখেছেন : ‘আমার ‘দুলু’র মুখ দেখি আজ বাংলার ঘরে ঘরে শ্বেত বাস আর শূন্য দু’হাত নয়নে অশ্রু ঝরে’..... শেষ হয়েছে এদুটি লাইন দিয়ে: ‘সুন্দর কর মহামহীয়ান কর এ বাংলাদেশ এই মুছিলাম অশ্রুর ধারা দুঃখের কেউ শেষ।’ কবিতাটি বেশ বড় কষ্ট থেকে আশায় ফিরে এসেছেন তিনি। ডায়েরী শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। শেষ বাক্যটি লিখেছেন, ‘১৯৭১ আজ শেষ হয়ে গেল। জানিনা, আগামী কালের দিন কিভাবে শুরু হবে।’ তিনি বিশাল প্রত্যাশায় তাকান নি আগামী দিনের দিকে। বরং খানিকটুকু দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। স্বাধীনতার ঊনচল্লিশ বছরে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশে অনেক অপূর্ণতা এখনো রয়ে গেছে। একাত্তরের ডায়েরী Title একাত্তরের ডায়েরী Author সুফিয়া কামাল Publisher হাওলাদার প্রকাশনী ISBN 9789848964033 Edition 8th Edition, 2018 Number of Pages 208 Country বাংলাদেশ Language বাংলা
"শশাঙ্ক" শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
ঘ: চাঁদ
Explanation:
"শশাঙ্ক" শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর চাঁদ চন্দ্রচাঁদ, চন্দ্রমা, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাকর, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু, ইন্দু, নিশাকর, নিশাকান্ত, মৃগাঙ্ক, রজনীকান্ত
"চন্দ্রিকা" শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: জ্যোৎস্না
Explanation:
"চন্দ্রিকা" শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর জ্যোৎস্না চন্দ্রিকা /বিশেষ্য পদ/ জ্যোৎস্না, চোখের তারা; চাঁদা মাছ, সংস্কৃত ছন্দোবিশেষ।
"সুপ্ত" শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
ঘ: নিদ্রিত
Explanation:
"সুপ্ত" শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর নিদ্রিত সুপ্ত শব্দের অর্থ ঘুমন্ত, নিদ্রিত, গুপ্ত বা অজ্ঞাত।
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি কার?
Correct Answer:
খ: বষ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি কার? সঠিক উত্তর বষ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা'র কপালকুণ্ডলাকপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস। কপালকুণ্ডলা লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দেশ ব্রিটিশ ভারত ভাষা বাংলা ধরন উপন্যাস প্রকাশনার তারিখ ১৮৬৬ মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ চরিত্র - কপালকুণ্ডলা নবকুমার শর্ম্মা - সপ্তগ্রামনিবাসী যুবক কাপালিক - যোগসাধক সন্ন্যাসী, কপালকুণ্ডলার প্রতিপালক কপালকুণ্ডলা/মৃন্ময়ী - কাপালিক কর্তৃক পালিতা কন্যা, নবকুমারের দ্বিতীয়া স্ত্রী অধিকারী - দেবালয়ের সেবক বা পুরোহিত মতিবিবি/লুৎফউন্নিসা/পদ্মাবতী - নবকুমারের প্রথম পত্নী শ্যামাসুন্দরী - নবকুমারের ভগিনী জাহাঁঙ্গীর ও মেহেরউন্নিসা - ঐতিহাসিক চরিত্রআখ্যানবস্তু - কপালকুণ্ডলাপ্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে নবকুমার এক জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে আটকা পড়েন। সেখানে এক কাপালিক তাকে বলি দিতে উদ্যত হয়। তখন কাপালিকের পালিতা কন্যা কপালকুণ্ডলা তার প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। স্থানীয় মন্দিরের অধিকারীর সহায়তায় নবকুমার কপালকুণ্ডলাকে বিয়ে করে নিজের বাড়ি সপ্তগ্রামে ফিরে আসেন। পথে মতিবিবি বা লুৎফউন্নিসা নামে এক বিদেশী রমণীর সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ হয়।কপালকুণ্ডলা বাল্যকাল থেকে জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে কাপালিকের কাছে বড় হওয়ায় স্বাভাবিক সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গে অপরিচিত ছিলেন। নবকুমারের বাড়িতে তিনি ধীরে ধীরে সমাজের মানুষজন ও তাদের আচারআচরণ সম্পর্কে ধারণা পেলেন। কপালাকুণ্ডলা নাম বদলে তার নাম রাখা হল মৃন্ময়ী।মতিবিবি বা লুৎফউন্নিসা আসলে নবকুমারের প্রথমা স্ত্রী পদ্মাবতী ছিলেন। পরে সপরিবারে মুসলমান হয়ে আগ্রা চলে যান। পথে নবকুমারকে দেখে তিনি পুনরায় তাকে স্বামীরূপে লাভ করতে উৎসুক হন এবং সপ্তগ্রাম চলে আসেন। পদ্মাবতীর পরিচয় জানার পর নবকুমার তাকে প্রত্যাখ্যান করেন।এদিকে কাপালিক কপালকুণ্ডলাকে বধ করতে সপ্তগ্রাম চলে আসে। তার হাত ভেঙে যাওয়ায় সে পদ্মাবতীর সাহায্য চায়।পদ্মাবতী ব্রাহ্মণবেশ ধারণ করে কপালকুণ্ডলাকে সব খুলে বলে এবং নবকুমারকে ছেড়ে চলে যেতে অনুরোধ করে। ব্রাহ্মণবেশী পদ্মাবতীর সাথে কপালকুণ্ডলাকে দেখতে পেয়ে নবকুমার তাকে ভুল বুঝে খুব কষ্ট পান। আর কাপালিক সুযোগ বুঝে সুরাপান করিয়ে নবকুমারকে উস্কে দিতে থাকেন।শেষপর্যন্ত নবকুমার আর কপালকুণ্ডলার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব সংঘাতের মধ্য দিয়ে উভয়েই জীবনের চরম উপসংহারে উপনীত হয়।[২]সুভাষিত উক্তি - কপালকুণ্ডলাএ উপন্যাসের কিছু অবিস্মরণীয় উক্তি বাংলা ভাষায় সুভাষিত উক্তি রূপে বহুল ব্যবহৃত ও চর্চিত হয়। যেমন: তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন? পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ? (নবকুমারের উদ্দেশ্যে কপালকুন্ডলা) যাহাতে জগদীশ্বরের হাত, তাহা পন্ডিতে বলিতে পারেনা। (নবকুমার, কপালকুণ্ডলার উদ্দেশ্যে অধিকারি) ক্ষেত্রে বীজ রোপিত হইলে আপনিই অঙ্কুর হয়।চলচ্চিত্র নির্মাণ - কপালকুণ্ডলা১৯৩৩ সনে প্রেমাঙ্কুর আতর্থীর পরিচালনায় কপালকুণ্ডলা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। এতে অভিনয় করেন উমাশশী, দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, মলিনা দেবী, নিভাননা দেবী, অমর মল্লিক, অমূল্য মিত্র প্রমুখ।টেলিভিশন ধারাবাহিক২০১৯ সালে ভারতের স্টার জলসায় কপালকুণ্ডলা ধারাবাহিকটির সম্প্রচার শুরু হয়। এটি রাজ চক্রবর্তী দ্বারা নির্মিত।তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
Correct Answer:
গ: নীলদর্পণ
Explanation:
কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল? সঠিক উত্তর নীলদর্পণ নীলদর্পণ গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। নীলদর্পণনীল দর্পণ হল দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বাংলা নাটক। এই নাটকের পটভূমি নীল চাষের জন্য সাধারণ কৃষকদের উপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন।নীলদর্পণ নাটকের চরিত্রসমূহ গোলকচন্দ্র বসু, একজন সম্ভ্রান্ত লোক নবীন মাধব, গোলক বসুর বড় ছেলে বিন্দু মাধব, গোলক বসুর ছোট ছেলে সাধু চরণ, গোলকের প্রতিবেশী রাইয়ত রায় চরণ, সাধু চরণের ছোট ভাই গোপীনাথ, নীলকরের দেওয়ান তোরাপ, একজন প্রতিবাদী চরিত্র আই আই উড, প্রধান নীলকর পি পি রোগ, উডের ছেলে জমির পরিমাপকারী আমিন খালাসী, নীল সংগ্রাহক সাবিত্রী, গোলক বসুর স্ত্রী সৈরিন্দ্রী, নবীন মাধবের স্ত্রী সরলতা, বিন্দু মাধবের স্ত্রী রেবতী, সাধু চরণের স্ত্রী ক্ষেত্রমনি, সাধুচরণ ও রেবতীর মেয়ে আদুরি, গোলকের বাড়ির কাজের মেয়ে পদী ময়রানী, বিনোদনকারিনী রায় চরণ
"যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়" এক কথায় কি হবে?
Correct Answer:
ক: সর্বংসহা
Explanation:
"যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়" এক কথায় কি হবে? সঠিক উত্তর সর্বংসহা সর্বংসহা - (১) [বিশেষণ পদ] (স্ত্রীলিঙ্গ) সব কিছু সহ্যকারিণী। (২) [বিশেষ্য পদ] বসুমতী, পৃথিবী।
"টাকাটা ধার দিয়ে তুমি আমার মুখ রেখেছ" -এ বাক্যে "মুখ" কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: সম্মান
Explanation:
"টাকাটা ধার দিয়ে তুমি আমার মুখ রেখেছ" -এ বাক্যে "মুখ" কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর সম্মান মুখ শব্দের বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ: উৎস: https://eshikhon.com/
"নেত্র" শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
ক: চোখ
Explanation:
"নেত্র" শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর চোখ চক্ষুচোখ, আঁখি, অক্ষি, লোচন, নেত্র, নয়ন, দর্শনেন্দ্রিয়
নিচের কোন দুটি সমার্থক?
Correct Answer:
ক: অহিনকুল-দাকুমড়া
Explanation:
নিচের কোন দুটি সমার্থক? সঠিক উত্তর অহিনকুল-দাকুমড়া দা - কুমড়া সম্পর্কপরিভ্রমণে ঝাঁপ দিনঅনুসন্ধানে ঝাঁপ দিনঅর্থশত্রুভাব। সমার্থকঅহিনকুল সম্প্রকআদায় - কাচকলায়সাপেনেউলে
"দামিনী" শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: বিদ্যুৎ
Explanation:
"দামিনী" শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর বিদ্যুৎ বিদ্যুতবিজলী, ত্বড়িৎ, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, চপলা, চঞ্চলা, দামিনী, অচিরপ্রভা, শম্পা
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল?
Correct Answer:
ঘ: পর্তুগিজরা
Explanation:
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল? সঠিক উত্তর পর্তুগিজরা বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগিজরা প্রথম এসেছিল। বাংলায় বণিকেরাউর্বর বাংলায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের বণিকেরা বাণিজ্য করতে আসে। বাণিজ্য করতে এলেও তারা বাংলার সম্পদের মোহে এক সময় শাসন ক্ষমতাও দখল করে। এদের মধ্যে পর্তুগীজ ও ওলন্দাজরা অন্যতম। আজ বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের আগমন ও অবস্থান নিয়ে জাগো জবসের বিশেষ আয়োজন।১. প্রশ্ন : বাংলায় কারা বাণিজ্য করতে আসে?উত্তর : ইউরোপীয় বণিকরা।২. প্রশ্ন : বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল?উত্তর : পর্তুগীজরা।৩. প্রশ্ন : ভাস্কো - দা - গামা কে ছিলেন?উত্তর : পর্তুগীজ নাবিক।৪. প্রশ্ন : ভাস্কো - দা - গামা ভারতবর্ষে আসেন কত সালে?উত্তর : ১৪৯৮ সালে।৫. প্রশ্ন : ইউরোপ থেকে সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?উত্তর : ১৪৮৭ সালে।৬. প্রশ্ন : পর্তুগীজরা কবে বাংলায় ব্যবসা - বাণিজ্য আরম্ভ করে?উত্তর : ১৫৮০ সালে।৭. প্রশ্ন : পর্তুগীজদের পর কারা বাণিজ্যের জন্য বাংলায় আসে?উত্তর : ওলন্দাজরা।৮. প্রশ্ন : ‘ইউনাইটেড ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ কারা গঠন করে?উত্তর : ওলন্দাজরা।৯. প্রশ্ন : ফরাসিরা কখন বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে?উত্তর : ১৬৬৮ সালে।১০. প্রশ্ন : কোন সালে ‘ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠিত হয়?উত্তর : ১৬৬৪ সালে।১১. প্রশ্ন : কোন সালে ‘ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠিত হয়?উত্তর : ১৬০০ সালে।১২. প্রশ্ন : কোন যুদ্ধের ফলে ভারতে ফরাসিদের সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন ভেঙে যায়?উত্তর : বন্দিবাসের যুদ্ধে।১৩. প্রশ্ন : বন্দিবাসের যুদ্ধ কতসালে অনুষ্ঠিত হয়?উত্তর : ১৭৬০ সালে।১৪. প্রশ্ন : বন্দিবাসের যুদ্ধে কে পরাজিত হন?উত্তর : ফরাসি গভর্নর কাউন্ট লালী।১৫. প্রশ্ন : কাউন্ট লালী কার কাছে পরাজিত হন?উত্তর : ইংরেজ সেনাপতি আয়ারকুটের কাছে।১৬. প্রশ্ন : প্রথম কর্ণাটক যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?উত্তর : ১৭৪৬ সালে।১৭. প্রথম কর্ণাটক যুদ্ধ কার কার মধ্যে সংঘটিত হয়?উত্তর : ফরাসিদের সাথে ইংরেজদের মধ্যে।১৮. প্রশ্ন : উপমহাদেশে ব্যর্থ হয়ে ওলন্দাজরা কোথায় বাণিজ্য স্থাপন করে?উত্তর : ইন্দোনেশিয়ায়।১৯. প্রশ্ন : ‘ইউনাইটেড ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ কবে গঠন করা হয়?উত্তর : ১৬০২ সালে।২০. প্রশ্ন : বাংলা থেকে আরব বণিকদের বিতাড়িত করে কোন পর্তুগীজ নাবিক?উত্তর : পেড্রো আলভারেজ কাব্রাল।
'সব কটা জানালা খুলে দাও না' ---এর গীতিকার কে?
Correct Answer:
খ: মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
Explanation:
'সব কটা জানালা খুলে দাও না' ---এর গীতিকার কে? সঠিক উত্তর মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' - এর গীতিকার মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’ ১৯৮২ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় রচিত একটি দেশাত্মবোধক সঙ্গীত। স্বাধীনতা দিবসের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের নির্মিত বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতকৃত এই সঙ্গীত বা গানের গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় এই গানে কন্ঠে দেন সাবিনা ইয়াসমিন। ঐ বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানে ‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’ ছাড়াও সাবিনা ইয়াসমিন কন্ঠে ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলের লেখা ও সুর করা ‘সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য’, ‘বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ’, ‘এই দেশ আমার সুন্দরী রাজকন্যা’ ও ‘আয় আয় আয় রে মা আয় আমার কোলে’ গানগুলিও প্রচারিত হয়েছিল। "সব ক’টা জানালা খুলে দাও না" সব ক’টা জানালা খুলে দাও না অ্যালবাম থেকে সাবিনা ইয়াসমিন কর্তৃক সঙ্গীত ভাষা বাংলা বিন্যাস কম্প্যাক্ট ডিস্ক, ভিডিও স্ট্রিমিং রেকর্ডকৃত ১৯৮২ স্টুডিও ইপসা রেকর্ডিং স্টুডিও স্থান কাকরাইল, ঢাকা, বাংলাদেশ ধারা দেশাত্মবোধক সঙ্গীত দৈর্ঘ্য ০৫:৪৫ লেবেল সাউন্ডটেক (২০১৬ - বর্তমান) গান লেখক নজরুল ইসলাম বাবু সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল প্রযোজক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
"যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে" তাকে এককথায় কি বলে?
Correct Answer:
ক: অবিমৃষ্যকারী
Explanation:
"যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে" তাকে এককথায় কি বলে? সঠিক উত্তর অবিমৃষ্যকারী অবিমৃষ্যকারী - [বিশেষণ পদ] যে সম্যক বিবেচনা না করিয়া কাজ করে; হঠকারী।
'অচিন' শব্দের 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
গ: নঞর্থক
Explanation:
'অচিন' শব্দের 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর নঞর্থক 'অচিন' শব্দের 'অ' উপসর্গটি নঞর্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”উপসর্গের প্রকারভেদউপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।বাংলা উপনর্গসংস্কৃত উপসর্গবিদেশি উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি; যথা - উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত উদাহরণ ১ প্র প্রকৃষ্ট/ সম্যক অর্থে প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত খ্যাতি " প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব আধিক্য " প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার গতি " প্রবেশ, প্রস্থান ধারা - পরম্পরা বা অনুগামিত " প্রপৌত্র, প্রশাখা, প্রশিষ্য ২ পরা আতিশয্য " পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ বিপরীত " পরাজয়, পরাভব ৩ অপ বিপরীত " অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ নিকৃষ্ট " অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ, অপব্যয় স্থানান্তর " অপসারণ, অপহরণ, অপনোদন বিকৃতি " অপমৃত্যু ৪ সম্ সম্যক রূপে " সম্পূর্ণ, সমৃদ্ধ, সমাদর সম্মুখে " সমাগত, সম্মুখ ৫ নি নিষেধ " নিবৃত্তি নিশ্চয় " নিবারণ, নির্ণয় আতিশয্য " নিদাঘ, নিদারুণ, নিগূঢ় অভাব " নিষ্কলুষ, নিষ্কাম ৬ অব হীনতা, প্রতিকূল " অবজ্ঞা, অবমাননা সম্যকভাবে " অবরোধ, অবগাহন, অবগত নিম্নে, অধোমুখিতা " অবতরণ, অবরোহণ, অবলম্বন অল্পতা " অবশেষে, অবসান, অবেলা ৭ অনু পশ্চাৎ " অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ সাদৃশ্য " অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকার পৌনঃপুন " অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন সঙ্গে " অনুকূল, অনুকম্পা ৮ নির অভাব " নিরক্ষর, নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন নিশ্চয় " নির্ধারণ, নির্ণয়, নির্ভর বাহির, বহির্মুখিতা " নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন ৯ দুর মন্দ " দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম কষ্টসাধ্য " দুর্লভ, দুর্গম, দুরতিক্রম্য, দুর্মূল্য ১০ বি বিশেষ রূপে " বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক অভাব " বিনিদ্র,বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল গতি " বিচরণ, বিক্ষেপ অপ্রকৃতস্থ " বিকার, বিপর্যয় ১১ সু উত্তম " সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয়, সুনীল সহজ " সুগম, সুসাধ্য, সুলভ আতিশয্য " সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ১২ উৎ ঊর্ধ্বমুখিতা " উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন আতিশয্য " উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন প্রস্তুতি " উৎপাদন, উচ্চারণ অপকর্ষ " উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট ১৩ অধি আধিপত্য " অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী উপরি " অধিরোহণ, অধিষ্ঠান ব্যাপ্তি " অধিকার, অধিবাস, অধিগত ১৪ পরি বিশেষ রূপে " পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন শেষ " পরিশেষ, পরিসীমা সম্যক রূপে " পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ চতুর্দিক " পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল, পরিক্রমণ ১৫ প্রতি সদৃশ " প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি বিরোধ " প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী পৌনঃপুন " প্রতিদিন, প্রতিমাস অনুরূপ কাজ " প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার ১৬ উপ সামীপ্য অর্থে " উপকূল, উপকণ্ঠ সদৃশ " উপদ্বীপ, উপবন ক্ষুদ্র " উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা বিশেষ " উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ ১৭ অভি সম্যক " অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত গমন " অভিযান, অভিসার সম্মুখ বা দিক " অভিমুখ, অভিবাদন ১৮ অতি আতিশয্য " অতিকায়, অত্যাচার, অতিশয় অতিক্রম " অতিমানব, অতিপ্রাকৃত ১৯ আ পর্যন্ত " আকণ্য, আমরণ, আসমুদ্র ঈষৎ " আরক্ত, আভাস বিপরীত " আদান, আগমন ২০ অপি যদি " অপিচ (যদিও) (প্রাচীন বাংলা), অপিনিহিতি খাঁটি বাংলা উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - উপসর্গ অর্থদ্যোতকতা উদাহরণ ১ অ নিন্দিত অর্থে অকেজো, অচেনা, অপয়া অভাব " অচিন, অজানা, অথৈ ক্রমাগত " অঝোর, অঝোরে ২ অঘা বোকা " অঘারাম, অঘাচণ্ডী ৩ অজ নিতান্ত (মন্দ) " অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর ৪ অনা অভাব " অনাবৃষ্টি, অনাদর ছাড়া " অনাছিষ্টি, অনাচার অশুভ " অনামুখো ৫ আ অভাব " আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি বাজে, নিকৃষ্ট " আকাঠা, আগাছা ৬ আড় বক্র " আড়চোখে, আড়নয়নে আধা, প্রায় " আড়ক্ষ্যাপা, আড়মোড়া, আড়পাগলা বিশিষ্ট " আড়কোলা (পাথালিকোলা), আড়গড়া (আস্তাবর), আড়কাঠি ৭ আন না " আনকোরা বিক্ষিপ্ত " আনচান, আনমনা ৮ আব অস্পষ্টতা " আবছায়া, আবডাল ৯ ইতি এ বা এর " ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে পুরনো " ইতিকথা, ইতিহাস ১০ ঊন (ঊনু, ঊনা) কম " ঊনপাঁজুরে, উনিশ (উন + বিশ), ঊনাভাত ১১ কদ্ নিন্দিত " কদবেল, কদর্য, কদাকার ১২ কু কুৎসিত, অপকর্ষ " কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ ১৩ নি নাই, নেতি " নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট, নিনাইয়া ১৪ পাতি ক্ষুদ্র " পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ১৫ বি ভিন্নতা, নাই বা নিন্দনীয় " বিভূঁই, বিফল, বিপথ ১৬ ভর পূর্ণতা " ভরপেট, ভরসাঁঝ, ভরপুর, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যে ১৭ রাম বড় বা উৎকৃষ্ট " রামছাগল, রামদা, রামশিঙ্গা, রামবোকা ১৮ স সঙ্গে " সরাজ, সরব, সঠিক, সজোর, সপাট ১৯ সা উৎকৃষ্ট " সাজিরা, সাজোয়ান ২০ সু উত্তম " সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুনাম, সুকাজ ২১ হা অভাব " হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে আ, সু, বি, নি— এই চারটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষায়ও পাওয়া যায়। ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এই চারটি উপসর্গ বাংলা না সংস্কৃত তা নির্ধারণ করা হয়। বাংলা উপসর্গ সর্বদাই বাংলা শব্দের আগে এবং সংস্কৃত উপসর্গ সর্বদাই সংস্কৃত শব্দের আগে বসে।বিদেশী উপসর্গআরবি, ফারসি, ইংরেজি ও উর্দু - হিন্দি— এইসব ভাষার উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন—(ক) ফার্সি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. কার্ کار কাজ অর্থে কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ২. দর্ در মধ্যস্থ, অধীন " দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান, দরখাস্ত ৩. না نا না " নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক ৪. নিম্ نیم আধা " নিমরাজি, নিমখুন, নিমমোল্লা ৫. ফি فی প্রতি " ফি - রোজ, ফি - হপ্তা, ফি - বছর, ফি - সন, ফি - মাস ৬. বদ্ بد মন্দ " বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম, বজ্জাত, বদহাল, বদবখ্ত ৭. বে بی না " বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেহায়া, বেনজির, বেগতিক, বেতার, বেকার, বেশরম, বেতমিজ ৮. বর্ بر বাইরে, মধ্যে " বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ ৯. ব্ ب সহিত " বমাল, বনাম, বকলম, বহাল ১০. কম্ کم স্বল্প " কমজোর, কমবখ্ত, কমআক্কেল, কমপোখ্ত ১১. দস্ত دست নিজ " দস্তখত ১২. সে سه তিন " সেতার, সেপায়া (খ) আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. আম্ عام সাধারণ অর্থে আমদরবার, আমমোক্তার ২. খাস্ خاص বিশেষ " খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল ৩. লা لا না " লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ৪. গর্ غير অভাব " গরমিল, গরহাজির, গররাজি ৫. বাজে بعض বিবিধ অপ্রয়োজনীয় " বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা ৬. খয়ের خير ভালো " খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী) (গ) ইংরেজি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. ফুল Full পূর্ণ অর্থে ফুল - হাতা, ফুল - শার্ট, ফুল - বাবু, ফুল - প্যান্ট, ফুল - মোজা ২. হাফ Half আধা " হাফ - হাতা, হাফ - টিকেট, হাফ - স্কুল, হাফ - প্যান্ট, হাফ - নেতা ৩. হেড Head প্রধান " হেড - মাস্টার, হেড - অফিস, হেড - পণ্ডিত, হেড - মৌলভি ৪. সাব Sub অধীন " সাব - অফিস, সাব - জজ, সাব - ইন্সপেক্টর (ঘ) উর্দু - হিন্দি উপসর্গ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে উদাহরণ হর حر हर প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা, হরেক রকম (বিভিন্ন), হরেক আদমি (প্রত্যেক)
"ইঁদুর কপালে" এর বিপরীত বাগধারয়া কোনটি?
Correct Answer:
খ: একাদশে বৃহস্পতি
Explanation:
"ইঁদুর কপালে" এর বিপরীত বাগধারয়া কোনটি? সঠিক উত্তর একাদশে বৃহস্পতি 'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ - মন্দ ভাগ্য । ‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটির অর্থ - সৌভাগ্যের বিষয়।
"বিধুর" শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: কাতর
Explanation:
"বিধুর" শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর কাতর বিধুর /বিশেষণ পদ/ কাতর, ক্লিষ্ট, ভীত, বিমূঢ়, ভারাক্রান্ত, বেদনা - বিধুর.।
যা চিরস্থায়ী নয় ---
Correct Answer:
ঘ: নশ্বর
Explanation:
যা চিরস্থায়ী নয় --- সঠিক উত্তর নশ্বর যা চিরস্থায়ী নয় - নশ্বর । ক্ষণকালের জন্য স্থায়ী—ক্ষণস্থায়ী ।অল্পক্ষণের জন্য - ক্ষণিক । এক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
"সাক্ষী গোপাল" বাগধারাটির অর্থ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: নিস্ক্রিয় দর্শক
Explanation:
"সাক্ষী গোপাল" বাগধারাটির অর্থ কোনটি? সঠিক উত্তর নিস্ক্রিয় দর্শক বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে। যে পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে আভিধানিক অর্থের বাইরে আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় বাগধারা। বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ভাবের ইঙ্গিতময় প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তব্যকে রসমধুর করে উপস্থাপন করে। এদিক থেকে বাগধারা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ সম্পদ। বাগধারা গঠনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারকে শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলা হয়। একে বাগবিধিও বলা হয়ে থাকে।
' অবমূল্যায়ন' ও 'অবদান' শব্দ দুটিতে 'অব' উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?
Correct Answer:
গ: দুটি শব্দে উপসর্গটি অর্থ দু রকম
Explanation:
' অবমূল্যায়ন' ও 'অবদান' শব্দ দুটিতে 'অব' উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক? সঠিক উত্তর দুটি শব্দে উপসর্গটি অর্থ দু রকম ' অবমূল্যায়ন' ও 'অবদান' শব্দ দুটিতে 'অব' উপসর্গটির অর্থ দু'রকমউপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”উপসর্গের প্রকারভেদউপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।বাংলা উপনর্গসংস্কৃত উপসর্গবিদেশি উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি; যথা - উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত উদাহরণ ১ প্র প্রকৃষ্ট/ সম্যক অর্থে প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত খ্যাতি " প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব আধিক্য " প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার গতি " প্রবেশ, প্রস্থান ধারা - পরম্পরা বা অনুগামিত " প্রপৌত্র, প্রশাখা, প্রশিষ্য ২ পরা আতিশয্য " পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ বিপরীত " পরাজয়, পরাভব ৩ অপ বিপরীত " অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ নিকৃষ্ট " অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ, অপব্যয় স্থানান্তর " অপসারণ, অপহরণ, অপনোদন বিকৃতি " অপমৃত্যু ৪ সম্ সম্যক রূপে " সম্পূর্ণ, সমৃদ্ধ, সমাদর সম্মুখে " সমাগত, সম্মুখ ৫ নি নিষেধ " নিবৃত্তি নিশ্চয় " নিবারণ, নির্ণয় আতিশয্য " নিদাঘ, নিদারুণ, নিগূঢ় অভাব " নিষ্কলুষ, নিষ্কাম ৬ অব হীনতা, প্রতিকূল " অবজ্ঞা, অবমাননা সম্যকভাবে " অবরোধ, অবগাহন, অবগত নিম্নে, অধোমুখিতা " অবতরণ, অবরোহণ, অবলম্বন অল্পতা " অবশেষে, অবসান, অবেলা ৭ অনু পশ্চাৎ " অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ সাদৃশ্য " অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকার পৌনঃপুন " অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন সঙ্গে " অনুকূল, অনুকম্পা ৮ নির অভাব " নিরক্ষর, নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন নিশ্চয় " নির্ধারণ, নির্ণয়, নির্ভর বাহির, বহির্মুখিতা " নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন ৯ দুর মন্দ " দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম কষ্টসাধ্য " দুর্লভ, দুর্গম, দুরতিক্রম্য, দুর্মূল্য ১০ বি বিশেষ রূপে " বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক অভাব " বিনিদ্র,বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল গতি " বিচরণ, বিক্ষেপ অপ্রকৃতস্থ " বিকার, বিপর্যয় ১১ সু উত্তম " সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয়, সুনীল সহজ " সুগম, সুসাধ্য, সুলভ আতিশয্য " সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ১২ উৎ ঊর্ধ্বমুখিতা " উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন আতিশয্য " উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন প্রস্তুতি " উৎপাদন, উচ্চারণ অপকর্ষ " উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট ১৩ অধি আধিপত্য " অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী উপরি " অধিরোহণ, অধিষ্ঠান ব্যাপ্তি " অধিকার, অধিবাস, অধিগত ১৪ পরি বিশেষ রূপে " পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন শেষ " পরিশেষ, পরিসীমা সম্যক রূপে " পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ চতুর্দিক " পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল, পরিক্রমণ ১৫ প্রতি সদৃশ " প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি বিরোধ " প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী পৌনঃপুন " প্রতিদিন, প্রতিমাস অনুরূপ কাজ " প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার ১৬ উপ সামীপ্য অর্থে " উপকূল, উপকণ্ঠ সদৃশ " উপদ্বীপ, উপবন ক্ষুদ্র " উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা বিশেষ " উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ ১৭ অভি সম্যক " অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত গমন " অভিযান, অভিসার সম্মুখ বা দিক " অভিমুখ, অভিবাদন ১৮ অতি আতিশয্য " অতিকায়, অত্যাচার, অতিশয় অতিক্রম " অতিমানব, অতিপ্রাকৃত ১৯ আ পর্যন্ত " আকণ্য, আমরণ, আসমুদ্র ঈষৎ " আরক্ত, আভাস বিপরীত " আদান, আগমন ২০ অপি যদি " অপিচ (যদিও) (প্রাচীন বাংলা), অপিনিহিতি খাঁটি বাংলা উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - উপসর্গ অর্থদ্যোতকতা উদাহরণ ১ অ নিন্দিত অর্থে অকেজো, অচেনা, অপয়া অভাব " অচিন, অজানা, অথৈ ক্রমাগত " অঝোর, অঝোরে ২ অঘা বোকা " অঘারাম, অঘাচণ্ডী ৩ অজ নিতান্ত (মন্দ) " অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর ৪ অনা অভাব " অনাবৃষ্টি, অনাদর ছাড়া " অনাছিষ্টি, অনাচার অশুভ " অনামুখো ৫ আ অভাব " আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি বাজে, নিকৃষ্ট " আকাঠা, আগাছা ৬ আড় বক্র " আড়চোখে, আড়নয়নে আধা, প্রায় " আড়ক্ষ্যাপা, আড়মোড়া, আড়পাগলা বিশিষ্ট " আড়কোলা (পাথালিকোলা), আড়গড়া (আস্তাবর), আড়কাঠি ৭ আন না " আনকোরা বিক্ষিপ্ত " আনচান, আনমনা ৮ আব অস্পষ্টতা " আবছায়া, আবডাল ৯ ইতি এ বা এর " ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে পুরনো " ইতিকথা, ইতিহাস ১০ ঊন (ঊনু, ঊনা) কম " ঊনপাঁজুরে, উনিশ (উন + বিশ), ঊনাভাত ১১ কদ্ নিন্দিত " কদবেল, কদর্য, কদাকার ১২ কু কুৎসিত, অপকর্ষ " কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ ১৩ নি নাই, নেতি " নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট, নিনাইয়া ১৪ পাতি ক্ষুদ্র " পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ১৫ বি ভিন্নতা, নাই বা নিন্দনীয় " বিভূঁই, বিফল, বিপথ ১৬ ভর পূর্ণতা " ভরপেট, ভরসাঁঝ, ভরপুর, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যে ১৭ রাম বড় বা উৎকৃষ্ট " রামছাগল, রামদা, রামশিঙ্গা, রামবোকা ১৮ স সঙ্গে " সরাজ, সরব, সঠিক, সজোর, সপাট ১৯ সা উৎকৃষ্ট " সাজিরা, সাজোয়ান ২০ সু উত্তম " সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুনাম, সুকাজ ২১ হা অভাব " হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে আ, সু, বি, নি— এই চারটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষায়ও পাওয়া যায়। ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এই চারটি উপসর্গ বাংলা না সংস্কৃত তা নির্ধারণ করা হয়। বাংলা উপসর্গ সর্বদাই বাংলা শব্দের আগে এবং সংস্কৃত উপসর্গ সর্বদাই সংস্কৃত শব্দের আগে বসে।বিদেশী উপসর্গআরবি, ফারসি, ইংরেজি ও উর্দু - হিন্দি— এইসব ভাষার উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন—(ক) ফার্সি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. কার্ کار কাজ অর্থে কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ২. দর্ در মধ্যস্থ, অধীন " দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান, দরখাস্ত ৩. না نا না " নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক ৪. নিম্ نیم আধা " নিমরাজি, নিমখুন, নিমমোল্লা ৫. ফি فی প্রতি " ফি - রোজ, ফি - হপ্তা, ফি - বছর, ফি - সন, ফি - মাস ৬. বদ্ بد মন্দ " বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম, বজ্জাত, বদহাল, বদবখ্ত ৭. বে بی না " বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেহায়া, বেনজির, বেগতিক, বেতার, বেকার, বেশরম, বেতমিজ ৮. বর্ بر বাইরে, মধ্যে " বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ ৯. ব্ ب সহিত " বমাল, বনাম, বকলম, বহাল ১০. কম্ کم স্বল্প " কমজোর, কমবখ্ত, কমআক্কেল, কমপোখ্ত ১১. দস্ত دست নিজ " দস্তখত ১২. সে سه তিন " সেতার, সেপায়া (খ) আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. আম্ عام সাধারণ অর্থে আমদরবার, আমমোক্তার ২. খাস্ خاص বিশেষ " খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল ৩. লা لا না " লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ৪. গর্ غير অভাব " গরমিল, গরহাজির, গররাজি ৫. বাজে بعض বিবিধ অপ্রয়োজনীয় " বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা ৬. খয়ের خير ভালো " খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী) (গ) ইংরেজি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. ফুল Full পূর্ণ অর্থে ফুল - হাতা, ফুল - শার্ট, ফুল - বাবু, ফুল - প্যান্ট, ফুল - মোজা ২. হাফ Half আধা " হাফ - হাতা, হাফ - টিকেট, হাফ - স্কুল, হাফ - প্যান্ট, হাফ - নেতা ৩. হেড Head প্রধান " হেড - মাস্টার, হেড - অফিস, হেড - পণ্ডিত, হেড - মৌলভি ৪. সাব Sub অধীন " সাব - অফিস, সাব - জজ, সাব - ইন্সপেক্টর (ঘ) উর্দু - হিন্দি উপসর্গ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে উদাহরণ হর حر हर প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা, হরেক রকম (বিভিন্ন), হরেক আদমি (প্রত্যেক)
কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। সঞ্চিতা (কাব্যগ্রন্থ)সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে। এর মধ্যে - ‘বিদ্রোহী’, ‘সর্বহারা’, ‘সাম্যবাদী’, ‘মানুষ’, ‘জীবন বন্দনা’, ‘খুকী ও কাঠবেড়ালী’, ‘চল্ চল্ চল্’ প্রভৃতি প্রধান।গ্রন্থটির উৎসর্গ পত্রে লেখা আছে: “বিশ্বকবিসম্রাট শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। সঞ্চিতা লেখক কাজী নজরুল ইসলাম দেশ ভারত, বাংলাদেশ ভাষা বাংলা ধরন কবিতা মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৭৮ (বাংলাদেশ সংস্করণ) এক নজরে - কাজী নজরুল ইসলাম জীবন পর্ব প্রাথমিক জীবন(১৮৯৯ - ১৯১৭) সৈনিক জীবন (১৯১৭–১৯২০) সাহিত্য জীবন (১৯২০–১৯৪২) অসুস্থতা (১৯৪২–১৯৭৬) দৃষ্টিভঙ্গি রাজনৈতিক মতাদর্শ সৃষ্টিকর্ম কবিতা অগ্নিবীণা (১৯২২) সঞ্চিতা (১৯২৫) ফনীমনসা (১৯২৭) চক্রবাক (১৯২৯) সাতভাই চম্পা (১৯৩৩) নির্ঝর (১৯৩৯) নতুন চাঁদ (১৯৩৯) মরুভাস্কর (১৯৫১) সঞ্চয়ন (১৯৫৫) নজরুল ইসলাম ইসলামী কবিতা (১৯৮২) কবিতা ও সংগীত দোলন - চাঁপা (১৯২৩) বিষের বাঁশি (১৯২৪) ভাঙ্গার গান (১৯২৪) ছায়ানট (১৯২৫) চিত্তনামা (১৯২৫) সাম্যবাদী (১৯২৬) পুবের হাওয়া (১৯২৬) সর্বহারা (১৯২৬) সিন্ধু হিন্দোল (১৯২৭) জিঞ্জীর (১৯২৮) প্রলয় শিখা (১৯৩০) শেষ সওগাত (১৯৫৮) সংগীত বুলবুল (১৯২৮) সন্ধ্যা (১৯২৯) চোখের চাতক (১৯২৯) নজরুল গীতিকা (১৯৩০) নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) চন্দ্রবিন্দু (১৯৩১) সুরসাকী (১৯৩২) বনগীতি (১৯৩১) জুলফিকার (১৯৩১) গুল বাগিচা (১৯৩৩) গীতি শতদল (১৯৩৪) সুর মুকুর (১৯৩৪) গানের মালা (১৯৩৪) স্বরলিপি (১৯৪৯) বুলবুল দ্বিতীয় ভাগ (১৯৫২) রাঙ্গা জবা (১৯৬৬) ছোট গল্প ব্যথার দান (১৯২২) রিক্তের বেদন (১৯২৫) শিউলি মালা (১৯৩১) উপন্যাস বাঁধন হারা (১৯২৭) মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) কুহেলিকা (১৯৩১) নাটক ঝিলিমিলি (১৯৩০) আলেয়া (১৯৩১) পুতুলের বিয়ে (১৯৩৩) মধুমালা (১৯৬০) ঝড় (১৯৬০) পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (১৯৬৪) প্রবন্ধ এবং নিবন্ধ যুগবানী (১৯২৬) ঝিঙ্গে ফুল (১৯২৬) দুর্দিনের যাত্রী (১৯২৬) রুদ্র মঙ্গল (১৯২৭) ধূমকেতু (১৯৬১) অনুবাদ এবং বিবিধ রাজবন্দীর জবানবন্দী (১৯২৩) দিওয়ানে হাফিজ (১৯৩০) কাব্যে আমপারা (১৯৩৩) মক্তব সাহিত্য (১৯৩৫) রুবাইয়াৎ - ই - ওমর খৈয়াম (১৯৫৮) নজরুল রচনাবলী ১ - ৪ খন্ড (১৯৯৩) পরিচালিত চলচ্চিত্র ধূপছায়া বিদ্যাপতি(১৯৩৭) - কাহিনীকার সাপুড়ে (১৯৩৯) - কাহিনীকার সঙ্গীত পরিচালনা ও গীতিকার জামাই ষষ্ঠী (১৯৩১) পাতালপুরী (১৯৩৫) গৃহদাহ (১৯৩৬) গ্রহেরফের (১৯৩৭) বিদ্যাপতি(১৯৩৭) গোরা (১৯৩৮) হাল বাংলা (১৯৩৮) সাপুড়ে (১৯৩৯) রজতজয়ন্তী (১৯৩৯) নন্দিনী (১৯৪১) অভিনয় (১৯৪১) দিকশূল (১৯৪১) মদিনা (১৯৪১) চৌরঙ্গী (১৯৪২) দিলরুবা (১৯৪২) চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ঠতা ‘জ্যোৎস্নার রাত’ (১৯৩১) ‘প্রহ্লাদ’ (১৯৩১) ‘ঋষির প্রেম’ (১৯৩১) ‘বিষ্ণুমায়া’ (১৯৩২) ‘চিরকুমারী’ (১৯৩২) ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৯৩২) ‘কলঙ্ক ভঞ্জন‘ (১৯৩২) ‘ধ্রুব‘ (১৯৩৩) ‘রাধাকৃষ্ণ’ (১৯৩৩) ‘জয়দেব’ (১৯৩৩) অভিযোজন বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) বিদ্রোহী কবি (তথ্যচিত্র) কাজী নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) - ভারত সরকার কবি নজরুল (তথ্যচিত্র) কাজী নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) - চ্যানেল ফোর নজরুল (তথ্যচিত্র) মৃত্যুক্ষুধা (ধারাবাহিক নাটক) জিনের বাদশাহ (চলচ্চিত্র) মেহের নেগার রাক্ষুসী (চলচ্চিত্র) লিচু চোর (চলচ্চিত্র) খুকি ও কাঠবিড়ালী (চলচ্চিত্র) মৃত্যুক্ষুধা (চলচ্চিত্র) ব্যথার দান (চলচ্চিত্র) পদ্মগোখরা (চলচ্চিত্র) স্থান আসানসোল ত্রিশাল কুমিল্লা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার প্রমীলা দেবী কাজী অনিরুদ্ধ কাজী সব্যসাচী অরিন্দম খালেদ খিলখিল কাজী কৃষ্ণ মোহাম্মদ স্মারক নজরুল ইন্সটিটিউট নজরুল একাডেমি বুলবুল ললিতকলা একাডেমি বাংলাদেশ নজরুল সেনা কাজী নজরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কবি নজরুল মেট্রো স্টেশন কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাজী নজরুল ইসলাম সরণি নজরুল চত্বর
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পল্লী - সমাজ উপন্যাসটির প্রথম নয়টি পরিচ্ছেদ ১৩২২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই নয়টি পরিচ্ছেদে উপন্যাসটি শেষ করার কথা ভাবলেও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরে আরো দশটি পরিচ্ছেদ রচনা করেন, যা এক সঙ্গে ১৩২৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দের ভারতবর্ষ পত্রিকার মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স এই উনিশটি পরিচ্ছেদ পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' , এ পঙক্তির স্রষ্টা কে?
Correct Answer:
গ: ভারতচন্দ্র
Explanation:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' , এ পঙক্তির স্রষ্টা কে? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ-----
Correct Answer:
গ: বুদ্ধিজীবী
Explanation:
Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ----- সঠিক উত্তর বুদ্ধিজীবী Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ - বুদ্ধিজীবী পারিভাষিক শব্দবাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। এর বেশিরভাগই এ কালের প্রয়ােগ। কিছু পারিভাষিক শব্দের তালিকা দেওয়া হলঃ মূলশব্দ অর্থ A.C (Ante Christien) খ্রিস্টপূর্ব A.D (Anno Domini) খ্রিস্টাব্দ Abbreviation সংক্ষেপণ Abstract সার, সংক্ষিপ্ত Academic অধিবিদ্যা / শিক্ষায়তনিক Academic year শিক্ষাবর্ষ Academy বিদ্যাপীঠ Accessories সরঞ্জাম Accused অভিযুক্ত Acknowledgement প্রাপ্তিস্বীকার Acting ভারপ্রাপ্ত Acting editor ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক Address of welcome অভিনন্দন পত্র বা সংবর্ধনা ভাষণ Ad - hoc অনানুষ্ঠানিক / তদর্থক Administrator প্রশাসক Admit card প্রবেশ পত্র Adult education বয়স্ক শিক্ষা Adviser উপদেষ্টা Affidavit শপথনামা / হলফনামা Agenda আলোচ্য - সূচি Agreement চুক্তি / সম্মতি / মতৈক্য Aid সাহায্য Air - conditioned শীতাতপনিয়ন্ত্রিত Air - mail বিমান - ডাক Allotment বরাদ্দ Appendix পরিশিষ্ট Article অনুচ্ছেদ Articles নিয়মাবলি / ধারা Assembly পরিষদ, সভা Assembly house সংসদ ভবন Auditor হিসাবনিরীক্ষক Author লেখক / গ্রন্থকার Autonomous স্বায়ত্তশাসিত Background পটভূমি Bail জামিন Ballot paper ভোটপত্র Bankrupt দেওলিয়া Basic মৌলিক, মৌল Basic pay মূল বেতন Bearer বাহক Bidder নিলাম ডাকিয়ে Bidding নিলাম ডাক Biodata জীবনবৃত্তান্ত Biography জীবনচরিত, জীবনী Book post খোলাডাক Boyscout ব্রতী বালক Brand ছাপ, মার্কা Break of study অধ্যয়ন - বিরতি, শিক্ষা বিরতি Broker দালাল Budget আয়ব্যয়ক Bureau সংস্থা Bureaucracy আমলাতন্ত্র Cabinet মন্ত্রিপরিষদ Cable তার Calendar পঞ্জিকা Calender ইস্ত্রি Campaign প্রচারাভিযান Campus অঙ্গন / ক্যাম্পাস Canon নীতি Capital পুঁজি, মূলধন Caption শিরোনাম, পরিচিতি Carbohydrate শ্বেতসার Carbon di - oxide অঙ্গারাম্লজান Care - taker তত্ত্বাবধায়ক Cargo মালবাহী জাহাজ Cartoon ব্যঙ্গচিত্র Catalogue তালিকা, গ্রন্থতালিকা Census আদমশুমারি Chancellor আচার্য Cheque হুণ্ডি Civil বেসামরিক Civil war গৃহযুদ্ধ Code বিধি, সংকেত Co - education সহ - শিক্ষা Coldstorage হিমাগার Colony উপনিবেশ Compliment সৌজন্য Conduct আচরণ Conference সম্মেলন Constitution সংবিধান Contemporary সমকালীন Copy প্রতিলিপি Copyright লেখকস্বত্ব Cordon বেষ্টনী Council পরিষদ Crown মুকুট Data উপাত্ত Dbenture ঋণপত্র Deed দলিল Deed of gift দানপত্র Defence প্রতিরক্ষা Democracy গণতন্ত্র Demonstrator প্রদর্শক Deputation প্রেষণ Deputy উপ - প্রতিনিধি Deputy Secretary উপ - সচিব Devaluation অবমূল্যায়ন Diagnosis নিদান / রোগনির্ণয় Diagram নকশা Dialect উপভাষা Diploma উপাধিপত্র Diplomacy কূটনীতি Diplomat কূটনীতিক Donation দান, অনুদান Donor দাতা Dowry যৌতুক Dynamic গতিশীল, গভীর Edition সংস্করণ Editor সম্পাদক Editorial সম্পাদকীয় Element উপাদান Embargo অবরোধ, নিষেধাজ্ঞা Emigration অভিভাসন Engineer প্রকৌশলী Enquiry অনুসন্ধান, তদন্ত Enterprise উদ্যোক্তা Equality সমতা Equation সমীকরণ Exchange বিনিময় Excise আবগারিশুল্ক Ex - officio পদাধিকার বলে Faculty অনুষদ Farm খামার Federal যুক্তরাষ্ট্রীয় Fiction কথাসাহিত্য file নথি final সমাপ্তি Follow - up অনুসরণ করা Forecast পূর্বাভাস Fund তহবিল Fundamental মৌলিক / মৌল / মূল Galaxy ছায়াপথ Gazette ঘোষণাপত্র Gazetted ঘোষিত general manager মহাব্যবস্থাপক Geology ভূতত্ত্ব Global বৈশ্বিক Godown গুদাম Goods পণ্য, মাল Goodwill সুনাম Govering Body পরিচালনা পর্ষদ graduate স্নাতক Gratuity আনুতোষিক Green house সবুজ বলয় / গ্রিন হাউস Green Room সবুজ বলয় Green - room সাজঘর Guide পথপ্রদর্শক Gunny চট Hand bill প্রচারপত্র Hand - book তথ্যপুস্তিকা Harbor পোতাশ্রয় Headline শিরোনাম Home Minstry স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় Hood বোরখা, বোরকা Hospitality আতিথেয়তা Hostage জিম্মি Hostile বৈরী, প্রতিকূল hydrogen উদযান Hygiene স্বাস্থ্যবিদ্যা Hypocrisy কপটতা, ভণ্ডামি Immigrant অভিবাসী Index নির্ঘণ্ট, নির্দেশক Interim অন্তর্বর্তীকালীন Internal অভ্যন্তরীণ Interpreter দোভাষী Interview সাক্ষাৎকার Investigation অনুসন্ধান Invisilstor পরিদর্শক Irrigation সেচ Judge বিচারক Justice বিচারপতি Key note মূল ভাব, মূল সুর Keyman অপরিহার্য কর্মী Key - word মূল - শব্দ Kingdom রাজ্য Knight বংশীয় Leap - Year অধি - বর্ষ Leap - year অধিবর্ষ Legend কিংবদন্তি Leisure অবকাশ Liability দায় Lien পূর্বস্বত্ব / লিয়েন Limited সীমিত, সীমাবদ্ধ Literal আক্ষরিক Literature সাহিত্য Lock - up হাজত manager ব্যবস্থাপক Manifesto ইশতেহার Manuscript পাণ্ডুলিপি Mayor মেয়র, পুরকর্তা Memorandum স্মারকলিপি Mercury পারদ Method প্রণালি Millennium সহস্রাব্দ National Assembly জাতীয় পরিষদ Nationalisation জাতীয়করণ / রাষ্ট্রীয়করণ Nationality জাতীয়তা Nitrogen যবক্ষারজান Note মন্তব্য Notice Board বিজ্ঞপ্তি ফলক Nursery শিশুমালা / তরুশালা Obedient অনুগত, বাধ্য Occupation বৃত্তি / পেশা / দখল Office - bearer কর্মচারী Option ইচ্ছা Optional ঐচ্ছিক Out - post ফাঁড়ি oxygen অম্লজান Para অনুচ্ছেদ Parliament সংসদ Passport ছাড়পত্র / পাসপোর্ট Pay - bill বেতন - বিল / বেতন - পত্র Payee প্রাপক periodical সাময়িকী Philanthropist লোকহিতৈষী Pollution দূষণ post graduate স্নাতকোত্তর Principal অধ্যক্ষ / প্রধান Principle তত্ত্ব / সূত্র / নীতি Public সরকারি লোক / জনসাধারণ Public works গণপূর্ত Publication প্রকাশনা Quarantine সঙ্গরোধ radio বেতার Rank পদমর্যাদা Ratio অনুপাত Regiment সৈন্যদল Registration নিবন্ধন Relation সম্পর্ক Republic প্রজাতন্ত্র Routine রুটিন / নিত্যক্রম Sabotage অন্তর্ঘাত Salary বেতন Sanction অনুমোদন / মঞ্জুরি Scale মাপনী / স্কেল / ক্রম Secondary মাধ্যমিক Secretary সচিব Specialist বিশেষজ্ঞ Telecommunication টেলিযোগাযোগ Termination অবসান Theory তত্ত্ব / সিদ্ধান্ত / সূত্র training প্রশিক্ষণ Union সংঘ / ইউনিয়ন; সংযোগ Up - to - date হালনাগাদ Urbanization নগরায়ন Vacation অবকাশ / ছুটি Valid বৈধ / সিদ্ধ / চালু Vehicle যান / গাড়ি Venue স্থান Viva - voce মৌখিক পরীক্ষা Vocation বৃত্তি Walk - out সভাবর্জন / ওয়াক আউট White paper শ্বেতপত্র Worship পূজা Year - Book বর্ষপঞ্জি Zone অঞ্চল; বলয় / মণ্ডল জ্ঞাতব্য : বাংলা ভাষার শব্দসম্ভার দেশি, বিদেশি, সংস্কৃত - যে ভাষা থেকেই আসুক না কেন, এখন তা বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ। এগুলাে বাংলা ভাষার সঙ্গে এমনভাবে মিশে গেছে যে, বাংলা থেকে আলাদা করে এদের কথা চিন্তা করা যায় না। যেমন—টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, রেডিও, স্যাটেলাইট ইত্যাদি প্রচলিত শব্দের কঠিনতর বাংলা পরিভাষা সৃষ্টি নিষ্প্রয়ােজন।
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কে রচনা করেছেন ?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কে রচনা করেছেন ? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০ - ১৯৯১ খ্রি.) একটি মৌলিক গ্রন্থ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ । তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (হিন্দি বৈতালপচ্চীসীর বঙ্গানুবাদ), ‘শকুন্তলা’ (কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম’ নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ), ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (শেক্সপিয়ারের ‘Comedy of Errors’ - এর বঙ্গানুবাদ) ইত্যাদি ।
'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' -- এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো?
Correct Answer:
ঘ: শিখা
Explanation:
'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' -- এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো? সঠিক উত্তর শিখা 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' এই উক্তিটি শিখা পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো । শিখা পত্রিকাশিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা। এটি উনিশ শতকের বিশের দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হত। এর প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭) এবং এর প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেন। এটি বাৎসরিক পত্রিকা ছিল ও ১৯৩১ সালে এর পঞ্চম ও শেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এর প্রধান কারণ ১৯৩২ সালের মার্চ মাসে আবুল হুসেনের ঢাকা ত্যাগ। তিনিই মূলত প্রকাশনার সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করতেন ও প্রকাশনা - ব্যয়ের একটি বড় অংশও বহন করতেন। এ পত্রিকার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মডার্ন লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন আবুল হুসেন। এ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। একে বলা হয়ে থাকে ঢাকার যুক্তিবাদী আন্দোলন।ধরণ - শিখা পত্রিকাসমকালের অন্যান্য সাময়িকপত্র থেকে শিখা ভিন্ন ধরনের ছিল। মুসলিম সাহিত্য - সমাজের সারা বছরের কর্মকাণ্ডের পরিচয় বহন করত এটি। শিখার প্রতিটি সংখ্যার উপরে "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব" কথাটি লেখা থাকত। এটি বাঙালি মুসলিম সমাজে নতুন যুগের হাওয়া বইয়ে দিতে চেয়েছিল। তাদের আদর্শ ছিল উনিশ শতকের নবজাগরণ, ইউরোপের নবজাগরণ, কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুরস্কের বুকে জন্ম নেওয়া নবজাগরণ।সম্পাদকমন্ডলী - শিখা পত্রিকাশিখা ১৯২৭ সাল থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত বছরে একবার প্রকাশিত হত। এর মোট পাঁচটি সংখ্যার সম্পাদকের নাম নিচে দেয় হলো : আবুল হুসেন, (১ম সংখ্যা) কাজী মোতাহার হোসেন, (২য় ও ৩য় সংখ্যা) মোহাম্মদ আবদুর রশিদ, (৪র্থ সংখ্যা) আবুল ফজল, (৫ম সংখ্যা)সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
' ব্যাঙের সর্দি' --- অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: অসম্ভব ঘটনা
Explanation:
' ব্যাঙের সর্দি' --- অর্থ কি? সঠিক উত্তর অসম্ভব ঘটনা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: বক ধার্মিক ভণ্ড সাধু বাজখাঁই গলা অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা বইয়ের পোকা খুব পড়ুয়া বাড়া ভাতে ছাই অনিষ্ট করা বগল বাজানো আনন্দ প্রকাশ করা বায়াত্তরে ধরা বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো সহজে খুলে যায় এমন বিদ্যার জাহাজ অতিশয় পণ্ডিত বসন্তের কোকিল সুদিনের বন্ধু বিশ বাঁও জলে সাফল্যের অতীত বিড়াল তপস্বী ভণ্ড সাধু বিনা মেঘে বজ্রপাত আকস্মিক বিপদ বর্ণচোরা আম কপট ব্যক্তি বাঘের দুধ দুঃসাধ্য বস্তু বরাক্ষরে অলক্ষুণে বাঘের চোখ দুঃসাধ্য বস্তু বাজারে কাটা বিক্রি হওয়া বিসমিল্লায় গলদ শুরুতেই ভুল বালির বাঁধ অস্থায়ী বস্তু বুদ্ধির ঢেঁকি নিরেট মূর্খ বাঁ হাতের ব্যাপার* ঘুষ গ্রহণ ব্যাঙের আধুলি সামান্য সম্পদ বাঁধা গৎ নির্দিষ্ট আচরণ ব্যাঙের সর্দি অসম্ভব ঘটনা *একই রকম বাগধারা : ডান হাতের ব্যাপার - খাওয়াসূত্র: http://www.edpdbd.org
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
Correct Answer:
ঘ: কৃষিজীবী
Explanation:
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ? সঠিক উত্তর কৃষিজীবী কৃষিজীবী - [বিশেষণ পদ] কৃষিকর্ম দ্বারা জীবিকানির্বাহকারী, কৃষক।
"বিষের বাঁশি" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
"বিষের বাঁশি" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম বিষের বাঁশি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। এই গ্রন্থে ২৭ টি কবিতা রয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত ৫টি গ্রন্থের মধ্যে এটি অন্যতম।
"হাজার বছর ধরে" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: জহির রায়হান
Explanation:
"হাজার বছর ধরে" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর জহির রায়হান হাজার বছর ধরে প্রখ্যাত বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে এ উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজী পুরষ্কারে সম্মানিত হন।
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Correct Answer:
গ: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল 'রোহিনী' চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে পাওয়া যায়। কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মসাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে, "সংবাদ প্রভাকর" পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে। বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) তাঁর লেখা। সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের পূর্ণ তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হলো: উপন্যাস প্রকাশকাল বিস্তারিত তথ্য Rajmohans Wife ১৮৬৪ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস। এটি ১৮৬৪ সালে 'Indian Field' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী মার্চ, ১৮৬৫ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস। রচনাকাল ১৮৬২ - ৬৪। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে উপন্যাসের তেরটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯৩ সালে। কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ কাব্যিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস। মেদিনীপুর জেলার নেগুঁয়া মহকুমায় (বর্তমানে কাঁথি মহকুমা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা) অবস্থানকালে অর্জিত কিছু অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই উপন্যাস রচনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র। সমালোচক মহলে উচ্চ - প্রশংসিত হয় এই উপন্যাস। মৃণালিনী ১৮৬৯ ঐতিহাসিক উপন্যাস। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত। বিষবৃক্ষ ১৮৭৩ সামাজিক উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা (বৈশাখ, ১২৭৯) থেকে ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়। মোট সংস্করণের সংখ্যা আট। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯২ সালে। ইন্দিরা ১৮৭৩ অনু - উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৭৯) ছোটোগল্প আকারে প্রকাশিত হয়। ১৮৭৩ সালে ৪৫ পৃষ্ঠার ক্ষুদ্র গ্রন্থাকারে প্রকাশিত। ১৮৯৩ সালে ১৭৭ পৃষ্ঠার একটি অনু - উপন্যাসের আকারে এই গ্রন্থের পঞ্চম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। যুগলাঙ্গুরীয় ১৮৭৪ ঐতিহাসিক অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (বৈশাখ, ১২৮০)। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৬। ১৮৯৩ সালে পঞ্চম তথা সর্বশেষ সংস্করণে পৃষ্ঠা সংখ্যা হয় ৫০। চন্দ্রশেখর ১৮৭৫ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৮০ – ভাদ্র, ১২৮১)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৯ সালে মুদ্রিত। রাধারাণী ১৮৮৬ অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (কার্তিক - অগ্রহায়ণ, ১২৮২)। ১৮৭৭ ও ১৮৮১ সালে উপন্যাস – অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপন্যাস সংগ্রহ গ্রন্থে সংকলিত হয়। ১৮৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশের সময় পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৮। ১৮৯৩ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৬৫। রজনী ১৮৭৭ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (১২৮১ - ৮২)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৭ সালে মুদ্রিত। কৃষ্ণকান্তের উইল ১৮৭৮ সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। রাজসিংহ ১৮৮২ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪। আনন্দমঠ ১৮৮২ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৭ – জ্যৈষ্ঠ, ১২৮৯)। - ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় স্তোত্র বন্দেমাতরম এই উপন্যাস থেকে গৃহীত। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে রচিত। এই উপন্যাসে লেখকের দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। দেবী চৌধুরাণী ১৮৮৪ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বিভিন্ন সময়ে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে ছয়টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯১ সালে মুদ্রিত। সীতারাম মার্চ, ১৮৮৭ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের শেষ উপন্যাস। প্রচার পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৯১ – মাঘ, ১২৯৩; মাঝে কয়েকমাসের বিরতি সহ) প্রকাশিত হয়। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৪১৯। তৃতীয় ও শেষ সংস্করণ বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় মুদ্রিত হলেও প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পরে, ১৮৯৪ সালের মে মাসে। প্রবন্ধ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লোকরহস্য (১৮৭৪) বিজ্ঞান রহস্য (১৮৭৫) কমলাকান্তের দপ্তর (১৮৭৫) বিবিধ সমালোচনা (১৮৭৬) সাম্য (১৮৭৯) কৃষ্ণচরিত্র (১৮৮৬) বিবিধ প্রবন্ধ (১ম খন্ড - ১৮৮৭, ২য় খন্ড - ১৮৯২) ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন (১৮৮৮) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১৯০২) তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
' একুশে ফেব্রুয়ারি' প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ঘ: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
' একুশে ফেব্রুয়ারি' প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান '৫২ ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৫৩ সালে 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সাহিত্য সংকলনটি প্রকাশিত হয়। হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন এর সম্পাদক। এছাড়াও তার সম্পাদনায় ১৬ খণ্ডে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ' (১৯৮২ - ৮৩) প্রকাশিত হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?
Correct Answer:
ক: বাংলার প্রকৃতির কথা
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে? সঠিক উত্তর বাংলার প্রকৃতির কথা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে বাংলার প্রকৃতির কথা প্রধানভাবে আছে। আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গাঁথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিল। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সম্পূর্ণ আমার সোনার বাংলা গানটি এখানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এই গানের প্রথম দশ লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,মরি হায়, হায় রে—ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,মরি হায়, হায় রে—মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিলে রে,তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,মরি হায়, হায় রে—তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি॥ধেনু - চরা তোমার মাঠে, পারে যাবার খেয়াঘাটে,সারা দিন পাখি - ডাকা ছায়ায় - ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,তোমার ধানে - ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,মরি হায়, হায় রে—ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি॥ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,মরি হায়, হায় রে—আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
Correct Answer:
গ: ঢাকা
Explanation:
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল? সঠিক উত্তর ঢাকা ঢাকা নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল। সুবাহ বাংলাসুবাহ বাংলা (ফার্সি: صوبه بنگاله, প্রতিবর্ণী. সূবাহ্ বাঙ্গালাহ্;) বা মুঘল বাংলা ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের একটি মহকুমা, যা ১৬শ থেকে ১৭শ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে বর্তমানের বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বাংলা সালতানাত ভেঙ্গে গেলে এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব হয়, এবং সেই সময়ের বিশ্বের অন্যতম বড় এ সাম্রাজ্যটি বিলীন হয়ে যায়। মুঘলেরা বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে। ১৮ শতকের দিকে এসে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে তাদের উত্থান ঘটে।ইউরোপবাসীরা বাংলাকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী বাণিজ্য দেশ হিসেবে ধরতো মুঘল বেঙ্গলকে "প্যারাডাইস অফ নেশনস" হিসাবে বর্ণনা করে। মুঘল আমলে বিশ্বের মোট উৎপাদনের (জিডিপির) ১২ শতাংশ উৎপন্ন হত সুবাহ বাংলায়, যা সে সময় সমগ্র ইউরোপের জিডিপির চেয়ে বেশি ছিল। বাংলার পূর্ব অংশ টেক্সটাইল উত্পাদন এবং জাহাজ নির্মাণের মতো শিল্পে বিশ্বব্যাপী বিশিষ্ট ছিল এবং এটি বিশ্বের রেশম এবং সুতির বস্ত্র, ইস্পাত, সল্টপিটার এবং কৃষি ও শিল্পজাতীয় পণ্যগুলির প্রধান রফতানিকারক ছিল।রাজধানী জাহাঙ্গীর নগর, আজকের আধুনিক ঢাকা, এর জনসংখ্যা ১ লাখের বেশি ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে, মুঘল বাংলা একটি নওয়াব - স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল, বাংলার নবাবদের অধীনে এবং ইতিমধ্যে প্রোটো - শিল্পায়ন পর্যবেক্ষণ করে, এটি প্রথম শিল্প বিপ্লবে প্রত্যক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।১৭৪১ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে একাধিক মারাঠা আক্রমণে মুঘল বাংলা বিধ্বস্ত হয়েছিল, যেখানে মারাঠারা প্রায় ৪০০,০০০ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল বলে ধারণা করা হয়। আক্রমণগুলির সমসাময়িক বিবরণীতে মারাঠাদের দ্বারা নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ করা, এবং আক্রান্তদের অঙ্গহানি করার উল্লেখও রয়েছে। যা বাংলার অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক বিজয় লাভ করার পরে সুবাহ বাংলা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা সুবাহ صوبه بنگاله (ফার্সি) সুবাহ বাংলা (বাংলা) মুঘল সাম্রাজ্য মহকুমা ← ← ← ← ১৫৭৬ - ১৭৫৭ → → → → → পতাকা রাজধানী ঢাকা মুর্শিদাবাদ রাজমহল তান্ডা সরকার রাজতান্ত্রিক ঐতিহাসিক যুগ আধুনিক যুগের শুরুতে • রাজমহলের যুদ্ধ ১৬৭৬ • পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত (পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, এবং ওড়িশা) অংশ সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ?
Correct Answer:
ঘ: ঘরে-বাইরে
Explanation:
কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ? সঠিক উত্তর ঘরে-বাইরে ঘরে - বাইরে উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।ঘরে বাইরে (উপন্যাস)ঘরে বাইরে (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। এটি চলিত ভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস। উপন্যাসটি সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এই উপন্যাসে একদিকে আছে জাতিপ্রেম ও সংকীর্ণ স্বাদেশিকতার সমালোচনা, অন্যদিকে আছে সমাজ ও প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নারী পুরুষের সম্পর্ক; বিশেষত পরস্পরের আকর্ষণ - বিকর্ষণের বিশ্লেষণ।বিষয়বস্তু - ঘরে বাইরেস্বামী নিখিলেশের প্রতি অনুরাগ সত্ত্বেও এই কাহিনীর নায়িকা বিমলা বিপ্লবী সন্দীপের দ্বারা তীব্রভাবে আকর্ষিত। একদিকে বাইরে জাতীয় আন্দোলনের উত্তেজনা অন্যদিকে তিনটি মানুষের জীবনে টানাপোড়ন - রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনের দ্বন্দ্ব এই দুই মিলে উপন্যাস।
' নদী ও নারী' কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: হুমায়ুন কবির
Explanation:
' নদী ও নারী' কার রচনা? সঠিক উত্তর হুমায়ুন কবির 'নদী ও নারী' (১৯৪৫) হুমায়ুন কবির রচিত একটি উপন্যাস। কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস 'নদীবক্ষে' (১৯১৮) । শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' আবুল ফজল রচিত উপন্যাস 'রাঙা প্রভাত' (১৩৬৪) , 'প্রদীপ ও পতঙ্গ' (১৩৪৭), 'চৌচির' (১৯৩৪)।
জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়?
Correct Answer:
ক: বরিশাল জেলা
Explanation:
জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়? সঠিক উত্তর বরিশাল জেলা Jibanananda Das (17 February 1899 – 22 October 1954) was an Indian poet, writer, novelist and essayist in the Bengali language. Popularly called "Rupashi Banglar Kabi'' (Poet of Beautiful Bengal). Born in Barishal to a Vaidya - Brahmo family, Das studied English literature at Presidency College, Kolkata and earned his MA from Calcutta University.
'সংশপ্তক' কার রচনা?
Correct Answer:
খ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
'সংশপ্তক' কার রচনা? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার 'সংশপ্তক' (১৯৬৫) শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস। তার অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বৌ' । শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বের তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তার আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। জহির হয় । এরপর তার আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। জহির রায়হান তার সহোদর। নাট্যকার গল্প লেখক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক 'কবর' (১৯৬৬), 'রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২) , 'মুখরা রমণী বশীকরণ' (১৯৭০) । তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। জহির রায়হান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' 'হাজার বছর ধরে', 'বরফ গলা নদী' । শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'ক্রীতদাসের হাসি' (১৯৬২) 'জননী' (১৯৬১) ,'জাহান্নাম হইতে বিদায়' (১৯৭১) , 'দুই সৈনকি' (১৯৭৩) প্রভৃতি।
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার চরিত্র?
Correct Answer:
খ: মনসামঙ্গল
Explanation:
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার চরিত্র? সঠিক উত্তর মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে মনসাঙ্গল প্রাচীনতম। সাপের দেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনীই এ কাব্যের বিষয়বস্তু। এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো চাঁদ সওদাগর, বেহুলা, লখিন্দর ও মনসা দেবী। চণ্ডীমঙ্গল কাব্য হলো চণ্ডীমঙ্গল কাব্য হলো চণ্ডী ( পার্বতীর রুপভেদ) দেবীকে অবলম্বন করে রচিত মঙ্গলাকব্য। ধর্মমঙ্গল হলো পঞ্চদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম,বর্ধমান, বাকুঁড়া মেদিনীপুর ইত্যাদি অঞ্চলে ধর্মঠাকুর বা ধর্ম নামের যে দেবতাকে নিম্নশ্রেণী ও কোথাও কোথাও উচ্চশ্রেণীর হিন্দুরা পূজা করত, সেই কাহিনী অবলম্বনে রচিত কাব্য। এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো - হরিশ্চন্দ্র, মদনা, লুইচন্দ্র, কর্ণসেন ,গৌড়েশ্বর, লাউসেন । অন্নদামঙ্গল হলো দেবী অন্নদার মাহাত্ম্য প্রচারে ভবানন্দ মজুমদারের জীবন নিয়ে রচিত কাব্য । কবি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর রচিত এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো ভবানন্দ, হরিহোড়, মানসিংহ ,ঈশ্বরী পাটনী।
' যা সহজে অতিক্রম করা যায় না' --- এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
Correct Answer:
গ: দুরতিক্রম্য
Explanation:
' যা সহজে অতিক্রম করা যায় না' --- এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি? সঠিক উত্তর দুরতিক্রম্য অনতিক্রম্য : যা অতিক্রম করা যায় না; অলঙ্ঘ্য : যা লঙ্ঘন করা যায় না ; দূরতিক্রম্য : যা সহজে অতিক্রম করা যায় না; দুর্গম : যেখানে সহজে গমন করা যায় না।
' ইউসুফ-জোলেখা' প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছেন -----
Correct Answer:
ঘ: শাহ্ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
' ইউসুফ-জোলেখা' প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছেন ----- সঠিক উত্তর শাহ্ মুহম্মদ সগীর শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি। বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে (১৩৮৯ - ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দে) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী।