Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
গ: পদ্মরাগ
Explanation:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর পদ্মরাগ পদ্মরাগ. বেগম রোকেয়ার লেখা একমাত্র উপন্যাস 'পদ্মরাগ' নারীবাদের বিভিন্ন ভাবনার প্রতিফলনের সাথে বাংলার লোক সংস্কৃতির অনেক স্বাক্ষর রয়েছে। সিদ্দিকা তথা পদ্মরাগ——— যার আসল নাম জয়নব বেগম রোকেয়ার নারীবাদী চেতনার এক বলিষ্ঠ্য প্রকাশ। এ উপন্যাসের পরিণতি পাঠককে ভাবায়, কাঁদায় ও চিন্তায় ভাসায় বৈকি?
'ষোলো নয়' আমার মাতৃভাষা ষোলশত রুপ '- কথাটি কে বলেছেন?
Correct Answer:
খ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
'ষোলো নয়' আমার মাতৃভাষা ষোলশত রুপ '- কথাটি কে বলেছেন? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী শিক্ষাবিদ, নাট্যকার ও সাহিত্য - সমালোচক শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী (১৯২৫ - ১৯৭১)। পুরো নাম আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন গোপাইরবাগ গ্রামে।
‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’ চরণটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: অতুল প্রসাদ সেন
Explanation:
‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’ চরণটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর অতুল প্রসাদ সেন অতুলপ্রসাদ সেনের কয়েকটি বিখ্যাত গান হল মিছে তুই ভাবিস মন, সবারে বাস রে ভালো, বঁধুয়া, নিঁদ নাহি আঁখিপাতে, একা মোর গানের তরী, কে আবার বাজায় বাঁশি, ক্রন্দসী পথচারিণী ইত্যাদি। তার রচিত দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে প্রসিদ্ধ উঠ গো ভারত - লক্ষ্মী, বলো বলো বলো সবে, হও ধরমেতে ধীর। তার মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা! গানটি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অণুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
Explanation:
মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে? সঠিক উত্তর আলাউদ্দিন হুসেন শাহ মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় মুসলিম শাসক শাহ সুজা'র গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে। মধ্যযুগীয় বাংলা অনুবাদসাহিত্যমধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিস্তৃত অঙ্গন জুড়ে অনুবাদ সাহিত্যের চর্চা হয়েছিল এবং পরিণামেএ সাহিত্যের শ্রীবৃদ্ধিসাধনে অনুবাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অপরিসীম।সকল সাহিত্যের পরিপুষ্টিসাধনে অনুবাদমূলক সাহিত্যকর্মের বিশিষ্ট ভূমিকা আছে।বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতীক্রম পরিলক্ষিত হয় না।"সমৃদ্ধতর নানা ভাষা থেকে বিচিত্র নতুন ভাব ও তথ্য সঞ্চয় করে নিজ নিজ ভাষার বহন ও সহন ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলাই অনুবাদ সাহিত্যের প্রাথমিক প্রবণতা।"ভাষার মান বাড়ানোর জন্য ভাষার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হয়,আর তাতে সহায়তা করে অনুবাদকর্ম।উন্নত সাহিত্য থেকে ঋণ গ্রহণ করা কখনো অযৌক্তিক বিবেচিত হয়নি।উন্নত ও সমৃদ্ধ ভাষা - সাহিত্যের সান্নিধ্যে এলে বিভিন্ন বিষয়ের প্রতিশব্দ তৈরি করা সম্ভব হয়,অন্য ভাষা থেকে প্রয়োজনীয় শব্দও গ্রহণ করা যায়।অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ বক্তব্য আয়ত্তে আসে।ভাষা ও সাহিত্যের যথার্থ সমৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রেষ্ঠ ও সম্পদশালী ভাষায় উৎকর্ষপূর্ণ সাহিত্যসৃষ্টির অনুবাদ একটি আবশ্যিক উপাদান।জ্ঞানবিজ্ঞানের বিষয়ের বেলায় শুদ্ধ অনুবাদ অভিপ্রেত।কিন্তু সাহিত্যের অনুবাদ শিল্পসম্মত হওয়া আবশ্যিক বলেই তা আক্ষরিক হলে চলে না।ভিন্ন ভাষার শব্দ সম্পদের পরিমাণ, প্রকাশক্ষমতা ও বাগভঙ্গি অনুযায়ী ভিন্ন ভাষায় ব্যক্ত কথায় সংকোচন, প্রসারণ, বর্জন ও সংযোজন আবশ্যিক হয়।মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে যে অনুবাদের ধারাটি সমৃদ্ধি লাভ করে তাতে সৃজনশীল লেখকের প্রতিভা কাজ করেছিল।সে কারণে মধ্যযুগের এই অনুবাদকর্ম সাহিত্য হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে।বুলিকে লেখ্য ভাষার তথা সাহিত্যের ভাষায় উন্নীত করার সহজ উপায় হচ্ছে অনুবাদ।অন্যভাষা থেকে সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান প্রভৃতি জ্ঞান - মননের বিভিন্ন বিসয় অনুবাদ করতে হলে সে বিষয়ক ভাব - চিন্তা - বস্তুর প্রতিশব্দ তৈরী করা অনেক সময় সহজ হয়,তৈরী সম্ভব না হলে মূল ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করতে হয়।এভাবেই সভ্য জাতির ভাষা - সাহিত্য মাত্রই গ্রহণে - সৃজনে ঋদ্ধ হয়েছে।এ ঋণে লজ্জা নেই।যে জ্ঞান বা অনুভব আমাদের দেশে পাঁচশ বছরেও লভ্য হত না,তা আমরা অনুবাদের মাধ্যমে এখনই পেতে পারি।যেমনঃ বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থগুলো,শ্রেষ্ঠ দার্শনিক চিন্তাগুলো,বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলো,সমাজতত্ত্বগুলো - মানবচিন্তার শ্রেষ্ঠ সম্পদগুলো এভাবে আয়ত্তে আসে।চৌদ্দ পনেরো শতকে আমাদের লেখ্য সাহিত্যও তেমনি সংস্কৃত - অবহটঠ থেকে ভাব - ভাষা - ছন্দ গ্রহণ করেছে,পুরাণাদি থেকে নিয়েছে বর্ণিত বিষয় ও বর্ণনাভঙ্গি এবং রামায়ণ - মহাভারত - ভাগবত - প্রণয়োপাখ্যান - ধর্মশাস্ত্র প্রভৃতি সংস্কৃত - ফারসী - আরবী - হিন্দি থেকে অনূদিত হয়েছে আমাদের ভাষায়।এভাবেই আমাদের লিখিত বা শিষ্ট বাংলা ভাষাসাহিত্যের বুনিয়াদ নির্মিত হয়েছিল।আদর্শ অনুবাদকের একটা বিশেষ যোগ্যতা অপরিহার্য। ভাষান্তর করতে হলে উভয় ভাষার গতিপ্রকৃতি, বাকভঙ্গি ও বাকবিধির বিষয়ে অনুবাদকের বিশেষ ব্যুৎপত্তির দরকার।তাহলেই ভাষান্তর নিখুঁত ও শিল্পগুণান্বিত হয়।তাই ভাষাবিদ কবি ছাড়া অন্য কেউ কাব্যের সুষ্ঠু অনুবাদে সমর্থ হয় না।মধ্যযুগে অ - কবিও অনুবাদ কর্মে উৎসাহী ছিলেন।তাই অনুবাদে নানা ত্রুটি দেখা যায়।এছাড়া এঁরা নিজেদের সামর্থ্য রুচিবুদ্ধি ও প্রয়োজন অনুসারে মূল পাঠের গ্রহণ - বর্জন ও সংক্ষেপ করেছেন।এজন্য মধ্যযুগের বাংলা ভাষায় কোন তথাকথিত অনুবাদই নির্ভরযোগ্য নয়।সবগুলোই কিছু কায়িক,কিছু ছায়িক,কিছু ভাবিক অনুবাদ এবং কিছু স্বাধীন রচনা।কাব্য সাহিত্যের অনুবাদ আক্ষরিক হতেই পারে না।উৎস - বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য - আহমদ শরীফজুয়েল হাসান শাহ সুজাশাহজাদা সুজা(শাহ সুজা হিসেবেও পরিচিত) বাংলার সুবাদার মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। তিনি আপন ভাই শাহ জামানকে সরিয়ে সাত বছর ধরে মসনদে অধিষ্ঠিত থাকেন।স্থাপত্যকর্মের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ ছিল। ঢাকা থেকে তিনি মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করলেও ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিল তার সময়ে। তন্মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপনাটি হলো বড় কাটরা, আরো আছে ধানমন্ডির শাহী ঈদগাহ এবং লালবাগ মসজিদ। এ ছাড়া কুমিল্লায় রয়েছে শাহ সুজা মসজিদ। শাহ সুজা মুঘল শাহজাদা Portrait of Shah Shuja জন্ম ২৩ জুন ১৬১৬ মৃত্যু ১৬৬০ (বয়স ৪৩–৪৪) বংশধর Sultan Ain - ul - Din, Buland Akhtar, Zainul Abedin, Gulrukh Banu, Roshanara Begum, Amina Begum রাজবংশ Timurid পিতা শাহ জাহান মাতা মুমতাজ মহল ধর্ম ইসলাম সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'পদ্মার পলিদ্বীপ' - কার রচনা
Correct Answer:
গ: আবু ইসহাক
Explanation:
'পদ্মার পলিদ্বীপ' - কার রচনা সঠিক উত্তর আবু ইসহাক পদ্মার পলিদ্বীপ কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং চতুর্থ প্রকাশিত গ্রন্থ। 'মুক্তধারা' গ্রন্থটি প্রকাশ করে ১৯৮৬ সালের এপ্রিলে। এই সংস্করণে প্রদত্ত ছোট্ট ভূমিকা থেকে জানা যায় লেখক এটি লিখতে শুরু করেছিলেন ১৯৬০ সালে, আর লেখা সমাপ্ত করেন ১৯৮৫ সালে।
'নিরালোকে দিব্যরথ' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা ?
Correct Answer:
গ: শামসুর রহমান
Explanation:
'নিরালোকে দিব্যরথ' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা ? সঠিক উত্তর শামসুর রহমান রাহমান, শামসুর (১৯২৯ - ২০০৬) কবি, সাংবাদিক। তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে। কবির পিতা মোখলেসুর রহমান চৌধুরী এবং মাতা আমেনা খাতুন। শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালে আরেকজন কবিও একই বছরে জন্মগ্রহন করেন, তিনি কে?
Correct Answer:
খ: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালে আরেকজন কবিও একই বছরে জন্মগ্রহন করেন, তিনি কে? সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ জীবনানন্দ দাশ (১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪) (৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। তাঁকে বাংলাভাষার "শুদ্ধতম কবি" বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য।
'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
ক: শাহ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর শাহ মুহম্মদ সগীর 'ইউসুফ জুলেখা' শাহ মুহম্মদ সগীর এর কাব্য রচনা । ইউসুফ - জুলেখাইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।উৎস - ইউসুফ - জুলেখাশাহ মুহম্মদ সগীর এর ইউসুফ - জোলেখা কাব্যে সুপ্রাচীন প্রণয়কাহিনী উপজীব্য করা হয়েছে। বাইবেল ও কুরআন এ নৈতিক উপাখ্যান হিসেবে সংক্ষেপে এই কাহিনী বর্ণিত রয়েছে। ইরানের মহাকবি ফেরদৌসী (মৃত্যু ১০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) এবং সূফীকবি জামী (মৃত্যু ১৪৯২ খ্রিষ্টাব্দ) মূল কাহিনী পল্লবিত করে ইউসুফ - জোলেখা নামে কাব্য রচনা করেছিলেন। তবে তাদের কাব্যের সাথে শাহ মুহম্মদ সগীরের কাহিনীর তেমন কোন মিল নেই। তবে ফেরদৌসীর কাব্যের রোমান্টিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্যের যথেষ্ট সামঞ্জস্য বিদ্যমান। ডঃ মুহম্মদ এনামুল হক অনুমান করেন, 'কুরআন ও ফেরদৌসীর কাব্য ব্যতিত মুসলিম কিংবদন্তিতে স্বীয় - প্রতিভায় নির্ভর করিয়াই শাহ মুহম্মদ সগীর তাহার ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেছিলেন'।বিষয়বস্তু - ইউসুফ - জুলেখাইউসুফ - জোলেখা কাব্যের বিষয়বস্তু ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনী। কাব্যের আরম্ভে আল্লাহ ও রাসুলের বন্দনা, মাতাপিতা ও গুরুজনের প্রশংসা এবং রাজবন্দনা স্থান পেয়েছে। তৈমুস বাদশাহের কন্যা জোলেখা আজিজ মিশরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেও ক্রীতদাস ইউসুফের প্রতি গভীর ভাবে প্রেমাসক্ত হন। নানাভাবে আকৃষ্ট করেও তিনি ইউসুফকে বশীভূত করতে পারেন নি। বহু ঘটনার মধ্য দিয়ে ইউসুফ মিশরের অধিপতি হন। ঘটনাক্রমে জোলেখা তখনও তার আকাঙ্খা পরিত্যাগ করেন নি এবং পরে ইউসুফের মনেরও পরিবর্তন ঘটে। ফলে তাদের মিলন হয়। কাব্যের এই প্রধান কাহিনীর সাথে আরও অসংখ্য উপকাহিনী স্থান পেয়েছে। শাহ মুহাম্মদ সগীর শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি। বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে (১৩৮৯ - ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দে) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী। কাব্যরস পরিবেশন অপেক্ষা ধর্মীয় প্রেরণা সৃষ্টির প্রতিই কবির অধিক আগ্রহ লক্ষ করা যায়। সে যুগে দেশি ভাষার রসাশ্রয়ী ধর্মকাহিনী রচনা করার মধ্যে কবির সৎসাহসের পরিচয় মেলে। বাইবেল - কুরআন কিংবা ফিরদৌসী - জামীর অনুসরণে কাহিনী - কাব্যটি কল্পিত হলেও তাতে বাঙলাদেশ ও বাঙালি - জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। কাব্যটি পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দশকে রচনা করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। তার কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন। তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তার কাব্যে ধর্মীয় পটভুমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান। তার কাব্যে শিল্পমূল্য অতুলনীয়।
‘জয়গুণ’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
ক: সূর্যদীঘল বাড়ী
Explanation:
‘জয়গুণ’ কোন উপন্যাসের চরিত্র? সঠিক উত্তর সূর্যদীঘল বাড়ী বাংলা ১৩৫০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অবিভক্ত ভারতের বাংলায় ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পঞ্চাশের আকাল নামে যে দুর্ভিক্ষ হযেছিল তাতে প্রাণ হারায় বহু লক্ষ দরিদ্র মানুষ। যারা কোনমতো শহরের লঙ্গরখানায় পাত পেতে বেঁচে থাকতে পেরেছিল তদেরই একজন আকালের সময় স্বামী পরিত্যক্তা জয়গুন। সঙ্গে তার মৃত প্রথম স্বামীর ঘরের ছেলে ও দ্বিতীয় স্বামীর ঘরের মেয়ে। আরো আছে মৃত ভাইদের স্ত্রী - পুত্র। তারা গ্রামে ফিরে এসে এমন একখণ্ড জমিতে ঘর ওঠায় যা অপয়া ভিটা বলে পরিচিত ছিল। জীবনের যুদ্ধে যখন সে প্রাণপণে লড়ছে তখন তার প্রতি দৃষ্টি পড়ে গাঁয়ের মোড়লের। দ্বিতীয় স্বামীও তাকে আবার ঘরে তুলতে চায়। সে কারো প্রস্তাবেই সায় দেয় না। কিন্তু এ দুজনের সাক্ষাৎ ঘটে এবং মোড়ল তার প্রতিযোগীকে হত্যা করে। ঘটনার একমাত্র দর্শক হিসেবে জয়গুনকেও মূল্য দিতে হয় অন্যভাবে। এই কাহিনীর বিচিত্রতার মধ্যে মূল বিষয় একটিই; তা হচ্ছে কুসংস্কার, সম্পদ, ধর্ম, প্রতিপত্তি, সামাজিকবিধি - নিষেধ, এমনকি জাতীয়তাবোধ - এসব কিছুকেই কাজে লাগিয়ে শ্রমজীবী ক্ষুধার্ত মানুষের ক্রমাগত শোষণ।
নিচের কোনটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি?
Correct Answer:
ঘ: চ
Explanation:
নিচের কোনটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি? সঠিক উত্তর চ অঘোষ ধ্বনি আছে ১৪টি (প্রতিবর্গের ১ম ও২য় ধ্বনি + ঃ,শ, ষ, স)ঘোষ ধ্বনি আছে ১১টি (প্রতিবর্গের ৩য় ও৪র্থ ধ্বনি + হ)অল্পপ্রাণ ধ্বনি আছে ১৩টি (প্রতিবর্গের ১মও ৩য় ধ্বনি + শ, ষ, স)মহাপ্রাণ ধ্বনি আছে ১১টি (প্রতিবর্গের ২য়ও ৪র্থ ধ্বনি + হ)
'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' - বাক্যটি কার রচনা
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
Explanation:
'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' - বাক্যটি কার রচনা সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' - বাক্যটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এর মানুষ কে কবিতার একটি চরণ। মানুষ কে? (ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)নিয়ত মানসধামে একরূপ ভাব।জগতের সুখ - দুখে সুখ দুখ লাভ।।পরপীড়া পরিহার, পূর্ণ পরিতোষ।সদানন্দে পরিপূর্ণ স্বভাবের কোষ।।নাহি চায় আপনার পরিবার সুখ।রাজ্যের কুশলকার্যে সদা হাস্যমুখ।।কেবল পরের হিতে প্রেম লাভ যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর?নাহি চায় রাজ্যপদ নাহি চায় ধন।স্বর্গের সমান দেখে বন উপবন।।পৃথিবীর সমুদয় নিজ পরিজন।সন্তোষের সিংহাসনে বাস করে মন।।আত্মার সহিত সব সমতুল্য গণে।মাতাপিতা জ্ঞাতি ভাই ভেদ নাহি মনে।।সকলে সমান মিত্র শত্রু নাহি যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর?অহংকার - মদে কভু নহে অভিমানী।সর্বদা রসনারাজ্যে বাস করে বাণী।।ভুবন ভূষিত সদা বক্তৃতার বশে।পর্বত সলিল হয় রসনার রসে।।মিথ্যার কাননে কভু ভ্রমে নাহি ভ্রমে।অঙ্গীকার অস্বীকার নাহি কোন ক্রমে।।অমৃত নিঃসৃত হয় প্রতি বাক্যে যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর? চেষ্টা যত্ন অনুরাগ মনের বান্ধব।আলস্য তাদের কাছে রণে পরাভব।।ভক্তিমতে কুশলগণে আয় আয় ডাকে।।পরিশ্রম প্রতিজ্ঞার সঙ্গে সঙ্গে থাকে।চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা।যতনে হৃদয়েতে সমুদয় বাসা।।স্মরণ স্মরণ মাত্রে আজ্ঞাকারী যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর? ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (৬ মার্চ ১৮১২ - ২৩ জানুয়ারি ১৮৫৯) ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বাঙ্গালী কবি ও সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক । তিনি সংবাদ প্রভাকর (বা 'সম্বাদ প্রভাকর') এর সম্পাদক। কিন্তু ব্যাপক ভাবে বলতে গেলে তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন কবি ও সাহিত্যিক। তার হাত ধরেই মধ্যযুগের গণ্ডি পেড়িয়ে বাংলা কবিতা আধুনিকতার পথে নাগরিক রূপ পেয়েছিল। তিনি "গুপ্ত কবি" নামে সমধিক পরিচিত। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো তার পরবর্তী সাহিত্যিকরা ঈশ্বর গুপ্তকে 'গুরু'পদে বরণ করেছিলেন। তার ছদ্মনাম 'ভ্রমণকারী বন্ধু'। এছাড়া বহুবিধ পত্র - পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেছেন। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত জন্ম ৬ মার্চ ১৮১২ বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি মৃত্যু ২৩ জানুয়ারি ১৮৫৯ নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত পরিচিতির কারণ বাঙালি কবি, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক সঙ্গী দুর্গামণি দেবী রেবা
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা-
Correct Answer:
খ: সেলিম আল দীন
Explanation:
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা- সঠিক উত্তর সেলিম আল দীন সেলিম আল দীনের প্রথমদিককার নাটকের মধ্যে সর্প বিষয়ক গল্প, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, এক্সপ্লোসিভ ওমূল সমস্যা, এগুলোর নাম ঘুরে ফিরে আসে। সেই সঙ্গে প্রাচ্য, কীত্তনখোলা, বাসন, আততায়ী, সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান, কেরামত মঙ্গল, হাত হদাই, যৈবতী কন্যার মন, মুনতাসির ফ্যান্টাসি ও চাকা তাকে ব্যতিক্রমধর্মী নাট্যকার হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
লেটো গানের দলে যোগ দিয়েছিলেন কে?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
লেটো গানের দলে যোগ দিয়েছিলেন কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম চাচা কাজী বজলে করিম চুরুলিয়া অঞ্চলের লেটো দলের বিশিষ্ট ওস্তাদ ছিলেন এবং আরবি, ফারসি ও উর্দু ভাষায় তাঁর দখল ছিল। এ ছাড়া বজলে করিম মিশ্র ভাষায় গান রচনা করতেন। ধারণা করা হয়, বজলে করিমের প্রভাবেই নজরুল লেটো দলে যোগ দিয়েছিলেন।
'লাল নীল দীপাবলি' কার রচনা ?
Correct Answer:
গ: হুমায়ুন আজাদ
Explanation:
'লাল নীল দীপাবলি' কার রচনা ? সঠিক উত্তর হুমায়ুন আজাদ লাল নীল দিপাবলী বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী - হুমায়ূন আজাদের প্রবন্ধ। তার কিশোর সাহিত্যমূলক বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল , সবকিছু ভেঙ্গে পড়ে ইত্যাদি।
কোনটি ‘গুপ্ত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ?
Correct Answer:
ঘ: ব্যক্ত
Explanation:
কোনটি ‘গুপ্ত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ? সঠিক উত্তর ব্যক্ত ব্যক্ত - [বিশেষণ পদ] প্রকাশিত, স্পষ্ট, স্ফুট, প্রকট।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: দুর্গেশনন্দিনী
Explanation:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর দুর্গেশনন্দিনী দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়।
'তোমাকে অভিবাদন বাংলাদেশ'- কে জানিয়েছেন এই অভিবাদন?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
'তোমাকে অভিবাদন বাংলাদেশ'- কে জানিয়েছেন এই অভিবাদন? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছর ব্যাপী বিস্তৃত। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক-
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক- সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক - মাইকেল মধুসূদন দত্তঅমিত্রাক্ষর ছন্দযে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কাব্যের একটি বিশেষ ছন্দরূপ যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছিল।ছন্দচরণান্তিক মিল বাংলা পদ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য; কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দে চরণান্তিক মিল থাকে না। এছাড়া অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কবিতার প্রতিটি পঙক্তিতে চৌদ্দটি অক্ষর থাকা আবশ্যিক । কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দে প্রথম যে কাব্যটি রচনা করেন তা হলো তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য; এটি ১৮৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। অতঃপর তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দে মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন যা ১৮৬১ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। মেঘনাদবধ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ যা “মেঘনাদ ও বিভীষণ” নামে পরিচিত তা নিম্নরূপ। এ থেকে অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্বরূপ বোঝা যায়: “ "এতক্ষণে" - - অরিন্দম কহিলা বিষাদে "জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ? - - শূলী - শম্ভূনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী? নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে? কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে, পাঠাইব রামানুজে শমন - ভবনে, লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে" ”
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’। বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: করণকারকে যষ্ঠী
Explanation:
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’। বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর করণকারকে যষ্ঠী 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম)'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়। ' (উপায় - সাধনা)
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নাট্যকার-
Correct Answer:
খ: সিকান্দার আবুজাফর
Explanation:
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নাট্যকার- সঠিক উত্তর সিকান্দার আবুজাফর সিকান্দার আবু জাফর ১৯১৯ সালের ৩১ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ মঈনুদ্দীন হাশেমী, আর মাতা জোবেদা খানম। কবির প্রকৃত নাম ছিল সৈয়দ সিকান্দার আবু জাফর হাশেমী বখত। স্থানীয় তালা বিডি ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৩৬ সনে তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে কিছুদিন অধ্যয়ন করেন। প্রথমে তিনি কলকাতার একটি সরকারী সংস্থায় চাকরি করেন। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত দৈনিক নবযুগ পত্রিকার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হন। চাকরি এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্বাধীন ব্যবসায়ের প্রতিও তিনি একসময় মনোযোগী হয়ে ওঠেন। ভারত বিভক্তির পর তিনি কলকাতার জীবন ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে একদিকে সাহিত্যচর্চা, অন্যদিকে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন তিনি। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি রেডিও পাকিস্তান ঢাকা কেন্দ্রে স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। সিকান্দার আবু জাফরের জীবনের একটা বৃহত্তর অংশ জুড়ে আছে তাঁর সাংবাদিক কর্মধারা। কলকাতা থেকে ঢাকায় আসার পরে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সম্পাদীয় বিভাগে কিছুদিন কাজ করেন। দৈনিক সংবাদের প্রথম সম্পাদকীয় তাঁরই লেখা। সংবাদের পর তিনি ইত্তেফাক এবং মিল্লাত পত্রিকায়ও সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন। ১৯৫৭ সালে সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় বিখ্যাত সমকাল পত্রিকা। বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে সমকাল পত্রিকার অবদান অসামান্য। নতুন লেখক সৃষ্টিতে সমকাল-এর সম্পাদক ও সহকারী সম্পাদক পালন করেন ঐতিহাসিক ভূমিকা। ১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অভিযান পত্রিকা। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অভিযান পত্রিকার প্রকাশ একটি দুঃসাহসী এবং ঐতিহাসিক ঘটনা। সিকান্দার আবু জাফরের সাহিত্যজীবনও গৌরবোজ্জ্বল কীর্তিতে ভাস্বর। স্কুল জীবন থেকেই তিনি কবিতা লিখতে আরম্ভ করেন। কর্মজীবনের সঙ্গে সঙ্গে অগ্রসর হতে থাকে তাঁর সাহিত্যসাধনা। একে একে প্রকাশিত হতে থাকে তাঁর কাব্য, উপন্যাস, নাটক, ছড়া ও অনুবাদগ্রন্থসমূহ। গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গেও সিকান্দার আবু জাফরের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। তাঁর ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই চলবে' গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিপুল প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করেছে। বাংলাদেশের সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের জন্য তাঁর সংগ্রাম ছিল নিরলস ও অকুণ্ঠ। নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৬৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন । সিকান্দার আবু জাফরের প্রধান সাহিত্যকর্ম : কবিতা: প্রসন্ন প্রহর (১৯৬৫), বৈরীবৃষ্টিতে (১৯৬৫), তিমিরান্তিক (১৯৬৫), কবিতা ১৩৭২ (১৯৬৮), কবিতা- ১৩৭৪ (১৯৬৮), বৃশ্চিক লগ্ন (১৯৭১), বাঙলা ছাড়ো (১৯৭২)।গানের বই : মালব কৌশিক (১৯৬৬)উপন্যাস : মাটি আর অশ্রু (১৯৪২), জয়ের পথে (১৯৪৩), পূরবী (১৯৪৪), নতুন সকাল (১৯৪৫)নাটক: শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫৮), সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৫), মহাকবি আলাউল (১৯৬৬);অনুবাদ: যাদুর কলস (১৯৫৯), সেন্ট লুইয়ের সেতু (১৯৬১), পশ্চিমের পারাবাত (১৯৬২), রুবাইয়াৎ-ই ওমর খৈয়াম (১৯৬৬), সিংয়ের নাটক (১৯৭১)।:
কোন বানানটি শুদ্ধ ?
Correct Answer:
ক: ব্যাকরণ
Explanation:
কোন বানানটি শুদ্ধ ? সঠিক উত্তর ব্যাকরণ ব্যাকরণ কাকে বলে. "ব্যাকরণ" একটি সংস্কৃত শব্দ যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা। কোন ভাষাকে বিশ্লেষণ করলে সেই ভাষার উপকরণ এবং উপাদানগুলোকে পৃথকভাবে চিহ্নিত করে ভাষার অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানা যায়। ব্যাকরণ ভাষার শৃঙ্খলা রক্ষা করে নিয়ম - কানুন প্রণয়ন করে এবং তা প্রয়োগের রীতি সুত্রবদ্ধ করে।
‘ফণিমনসা’ কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
‘ফণিমনসা’ কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম 'ফণিমনসা'’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহাত্মক কাব্যগ্রন্থ। তাঁর অন্যান্য বিদ্রোহ প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো হল অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, সাম্যবাদী, সর্বহারা ইত্যাদি।
‘পুষ্প’-এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
খ: অবনী
Explanation:
‘পুষ্প’-এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর অবনী অবনী - [বিশেষ্য পদ] পৃথিবী, দেশ, ভূমি।
'স্বাধীনতা তুমি' কবিতাটি কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: শামসুর রাহমান
Explanation:
'স্বাধীনতা তুমি' কবিতাটি কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান ১৯৭০ সালের ২৮ নভেম্বর ঘূর্ণিদুর্গত দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের দুঃখ - দুর্দশায় ও মৃত্যুতে কাতর কবি লেখেন 'আসুন আমরা আজ ও একজন জেলে' নামক কবিতা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবার নিয়ে চলে যান নরসিংদীর পাড়াতলী গ্রামে। এপ্রিলের প্রথম দিকে তিনি লেখেন যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় আক্রান্ত ও বেদনামথিত কবিতা 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা'।
বাংলা বর্নমালার কতটি বর্ণ আছে ?
Correct Answer:
খ: ৫০
Explanation:
বাংলা বর্নমালার কতটি বর্ণ আছে ? সঠিক উত্তর ৫০ বাংলা বর্ণমালা: বাংলা বর্ণমালায় বর্ণ আছে মোট ৫০টি। নিচে বর্ণমালা অন্যান্য তথ্য সহকারে দেয়া হলো - মোট বর্ণ: ৫০ টি মোট স্বরবর্ণ: ১১ টি – অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ মোট ব্যঞ্জনবর্ণ: ৩৯ টি - {ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ স হ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ}
'অর্ধচন্দ্র' - অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: গলা ধাক্কা দেওয়া
Explanation:
'অর্ধচন্দ্র' - অর্থ কী? সঠিক উত্তর গলা ধাক্কা দেওয়া অরণ্যে রোদন (নিষ্ফল আবেদন) - কৃপণের কাছ ধন চাওয়া আর অরণ্যে রোদন করা সমান কথা। অর্ধচন্দ্র দেওয়া (গলা ধাক্কা দেওয়া) – লোকটি চাঁদা চাইতে এসেছিল কিন্তু তাকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বিদায় করা হলো। অহিনকুল - সম্বন্ধ (চির - শত্রু, ভীষণ বৈরীভাব) – তারেক সাহের এবং সাদেক সাহেব পাশাপাশি বাড়িতে বাস করেন কিন্তু তাদের মধ্যে অহিনকুল - সম্বন্ধ।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গলকাব্য ধারার কবি ?
Correct Answer:
ক: চণ্ডীমঙ্গল
Explanation:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গলকাব্য ধারার কবি ? সঠিক উত্তর চণ্ডীমঙ্গল মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল মঙ্গলকাব্য ধারার কবি। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাঙালি কবি। ধারনা করা হয় তার জন্ম ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকে। তার বিখ্যাত কাব্য চণ্ডীমঙ্গলকাব্য প্রাচীন পাঁচালী রচনার মধ্যে শ্রেষ্ঠ । এর রচনাকাল ১৫৪৪ খ্রীস্টাব্দের কাছাকাছি সময় বলে বিবেচনা করা হয়। জন্ম ও বংশবৃত্তান্ত - মুকুন্দরাম চক্রবর্তীমুকুন্দরাম চক্রবর্তীর (আনুমানিক ১৫৪০ - ১৬০০) পিতা হৃদয় মিশ্র এবং মাতা দৈবকী। তার পৈতৃক নিবাস বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার দামুন্যা গ্রামে। ডিহিদার মামুদ শরিফের অত্যচারে উৎখাত হয়ে আনুমানিক ১৫৫৭ খ্রিষ্ট্রাব্দে মুকুুন্দরাম পৈতৃক নিবাস ত্যাগ করে মেদিনীপুর জেলার আড়রা গ্রামে আশ্রয় নেন,সে খানে গ্রাম্য জমিদার বাঁঁকুড়া রায়ের দ্বারস্থ হন।খ্যাতি - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তিনি রাজা রঘুনাথের সমসাময়িক ছিলেন। মুকুন্দরাম তার চন্ডীমঙ্গল কাব্যের নামকরণ করেন অভয়ামঙ্গল ও অন্বিকামঙ্গল । গণজীবনের করুণ চিত্র তার কাব্যে তুলে ধরেন। কবির প্রতিভার স্বকৃতিস্বরূপ রাজা রঘুনাথ তাকে কবি কঙ্কন উপাধি প্রদান করেন। তার পূর্ণ নাম হচ্ছে কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। তবে এই রচনাকে কেউ কেউ ' কবিকঙ্কণ চন্ডী'ও বলেছেন। 'কবিকঙ্কণ' কথার মানে যে কবি হাতে অথবা পায়ে ঘুঙুর পরে গান করতেন। অর্থাৎ মঙ্গলকাব্যের পেশাদার গায়ক।মুকুন্দরামের কাব্যের সমালোচনাতিনি তার কাব্যে উপন্যাসের বীজ বপন করেছেন। আধুনিক যুগের সাহিত্য সমালোচকগণ তার সম্পর্কে বলেছেন - ' মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগে জন্মগ্রহণ না করে আধুনিক যুগে জন্মগ্রহণ করলে কাব্য না লিখে উপন্যাস লিখতেন '।যদি এমন কোন গ্রন্থের নাম করতে হয় যাতে আধুনিক কালের, উপন্যাসের,রস কিছু পরিমাণে মেলে যেমন - নিপুণ পর্যবক্ষেণ, সহৃদয়তা, জীবনে আস্থা, ব্যাপক অভিজ্ঞতা সবই যথোচিত পরিমাণে বর্তমান। মুকুন্দরাম শুদ্ধাচারী বামুন - পন্ডিতঘরের ছেলে, আজন্ম দেববিগ্রহ সেবক।কিন্তু তার সহানুভূতি থেকে কেউই বঞ্চিত হয়নি - না বনের তুচ্ছতম পশু না জনপদের দুর্গততম মানুষ।সংস্কৃত অলঙ্কার প্রয়োগের পাশাপাশি লোক - ব্যবহার, ছেলেভোলানো, ছেলেখেলা, মেয়েলি ক্রিয়াকান্ড, ঘরকন্নার ব্যবস্থা, রান্নাবাড়া ইত্যাদি অনপেক্ষিত সামাজিক ও সাংসারিক ব্যাপারেও বিস্ময়কর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন কবিকঙ্কণ মুকুন্দ (রাম) চক্রবর্তী ভাষা বাংলা সময়কাল ষোড়শ শতাব্দী ধরন কাব্য/মঙ্গলকাব্য বিষয় চণ্ডীমঙ্গল উল্লেখযোগ্য রচনাবলি অভয়ামঙ্গল
'মর্সিয়া' কি?
Correct Answer:
খ: শোকগীতি
Explanation:
'মর্সিয়া' কি? সঠিক উত্তর শোকগীতি বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যনূরুল আনাম : মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ‘মর্সিয়া সাহিত্য' নামে এক ধরনের শোক কাব্য বিস্তৃত অঙ্গন জুড়ে আছে। এমনকি তার বিয়োগান্ত ভাবধারার প্রভাব আধুনিক যুগের পরিধিতেও তা ভিন্ন আংগিকে এসে উপনীত হয়েছে। শোক বিষয়ক ঘটনা অবলম্বনে সাহিত্য সৃষ্টি বিশ্ব সাহিত্যের প্রাচীন রীতি হিসাবে বিবেচিত। ‘মর্সিয়া' শব্দটি আরবী, এর অর্থ শোক প্রকাশ করা। আরবী সাহিত্যে মর্সিয়া উদ্ভব নানা ধরনের শোকাবহ ঘটনা থেকে হলেও পরে কারবালা প্রান্তরে নিহত ইমাম হোসেন ও অন্য শহীদদেরকে উপজীব্য করে লেখা সাহিত্য মর্সিয়া নামে আখ্যায়িত হয়। মূলত : ৭৫০ খৃস্টাব্দে উমাইয়া খিলাফতের পতনের পর থেকেই এই সাহিত্য সৃষ্টির সূচনা। কারবালার শোকাবহ ঘটনাসহ উমাইয়া দুঃশাসনজনিত কারণে সৃষ্ট মুসলিম জনমনে যে বিক্ষোভের সঞ্চার হয় তা যেমন এই ধারার সাহিত্য সৃষ্টিতে ইন্ধন যোগায় তেমনি বিজয়ী আববাসীয় শাসকরাও একে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে সচেষ্ট হয়। এই উভয়বিধ কারণেই সমগ্র মুসলিম বিশ্বে মর্সিয়া সাহিত্য প্রসার লাভ করে। আরবী সাহিত্য থেকে মর্সিয়া কাব্য ফারসী সাহিত্যে স্থান পায়। উপমহাদেশে সুলতানী শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে ফারসি ভাষায় মর্সিয়া প্রচলিত হয় এবং পরে উর্দু ভাষাতেও তার প্রসার ঘটে। মর্সিয়া সাহিত্যের উৎপত্তি কারবালার বিষাদময় কাহিনী ভিত্তি করে হলেও তার মধ্যে আরো শোক ও বীরত্বের কাহিনীর অনুপ্রবেশ ঘটেছে। মুসলিম সমাজের খলিফাদের বিজয় অভিযানের বীরত্বব্যঞ্জক কাহিনীও এই শ্রেণীর কাব্যে স্থান পেয়েছে। ‘জঙ্গনামা' নামে বাংলা সাহিত্যে এ ধরনের কাব্য রচিত হয়েছে। মূলত আরবী মাগাজী কাব্য ধারা থেকে উর্দু জঙ্গনামা কাব্যের উৎপত্তি। উর্দু থেকেই বাংলা জঙ্গনামা কাব্যের উৎপত্তি হয়। বাংলা মর্সিয়া কাব্যগুলো প্রধানত অনুবাদ সাহিত্য হিসাবেও গড়ে উঠে। বাঙালী কবিরা মূলতঃ ফারসী ও উর্দু কাব্যের ভাব কল্পনা ও ছায়া আশ্রয় করে তাদের কাব্য রচনা করেছিলেন তথাপি এর মধ্যেও তাদের মৌলিকতার যথেষ্ট পরিচয় বিদ্যমান। ফলে এই কাব্যগুলো এক প্রকার অভিনব সৃষ্টি হয়ে দাঁড়িয়েছে সুদূর আরব পারস্যের কাহিনী কাব্যকার লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে কবিরা যে বাকভঙ্গি ও পরিকল্পনার আশ্রয় গ্রহণ করেছেন তা অনেক ক্ষেত্রে অবাস্তব। এতে প্রমাণিত হয়, বাঙালী কবিরা মাটির প্রভাব অতিক্রম করতে পারেননি। সামগ্রিক মর্সিয়া সাহিত্যকে পৃথক চারটি ধারায় বিন্যস্ত করা যায়। প্রথম ধারা মধ্যযুগের (১২০০ - ১৮০০) ঐতিহ্যবাহী মর্সিয়া সাহিত্য। হামিদুল্লাহ, মোহাম্মদ খান এই ধারার কবি। দ্বিতীয় ধারা মিশ্র ভাষায় রচিত মর্সিয়া সাহিত্য। শাহ গরীবুল্লাহ, রাধা রমন গোপ এই ধারার অনুসারী। তৃতীয় ধারা আধুনিক বাংলায় রচিত মর্সিয়া সাহিত্য এর গদ্যধারায় সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন মীর মোশাররফ হোসেন, হামিদ আলী প্রমুখ এবং কাব্য ধারায় সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন কায়কোবাদ প্রমুখ। চতুর্থ ধারা হচ্ছে লোক সাহিত্যের ধারা। বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলার উপায় নেই। তবে শেখ ফয়জুল্লাকে এ ধারার প্রথম কবি বলে মনে করা হয়। তিনি ‘জয়নবের চৌতিশা' নামে কাব্যের রচয়িতা। কাব্যটি আকারে ছোট এবং কারবালার কাহিনীর একটি ছোট অংশ অবলম্বনে রচিত। কবির জীবনকাল ষোড়শ শতাব্দীর শেষার্ধ বলে মনে করা হয়। তিনি একজন প্রতিভাশালী কবি ছিলেন। দৌলত উজীর বাহরাম খান ‘ইমাম বিজয়ের' নামে কাব্য রচনা করেছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। মোহাম্মদ খান ‘মক্তুল হোসেন' নামে কাব্য রচনা করে যথেষ্ট খ্যাতি লাভ করেছিলেন। এই কাব্যটি ফারসি মক্তুল হোসেন কাব্যের ভাবানুবাদ। তিনিও চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। ১৬৪৫ খৃস্টাব্দের দিকে এটি রচিত হয়। এতে কবি প্রতিভার উৎকর্ষতা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে করুণ রসের উৎকর্ষতা প্রকাশ পেয়েছে।‘‘মোহাম্মদ খান কহে শুনিতে মুরম দহে পাষাণ হইয়া যায় জল’’ অষ্টাদশ শতকের কবি শেরবাজ ‘কাশিমের লড়াই' কাব্য রচনা করেছিলেন। কবির নিবাস ছিল ত্রিপুরা জেলায়। মহররমের একটি ক্ষুদ্র বিবরণী এ কাব্যে স্থান পেয়েছে। বিষয়বস্তু গতানুগতিক এবং তাতে কোন নতুনত্ব নেই। এই কাব্য ছাড়া তিনি ‘মল্লিকার হাজার সওয়াল' ও ‘ফাতেমার সুরতনামা' কাব্য রচনা করেছিলেন। অষ্টাদশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি হায়াত মাহমুদ। কবি রংপুর জেলার ঝাড়বিশিলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ‘জঙ্গনামা' কাব্য কবির প্রথম রচনা। কাব্য রচনাকাল ১৭২৩ খৃস্টাব্দ। কবির উদ্দেশ্য ছিল ইতিহাসের অনুকরণে কারবালা কাহিনী রচনা করা। সে জন্য কবি বলেন :যতেক শুনিনু মুঞ্চি পুস্তক বয়াতেকত আছে কত নাহি কিতাবের মতে।.......................................তাহা শুনি মনে মোর দ্বিধা সর্বক্ষণরচিনু পুস্তক তবে জানিতে কারণজাফর নামে একজন অজ্ঞাতনামা কবি ‘শহীদে কারবালা ও সখিনার বিলাপ' নামে মর্সিয়া কাব্য রচনা করেছিলেন। এতে কবির স্বাভাবিক প্রতিভার বিকাশ ঘটেছে। সম্ভবত অষ্টাদশ শতকের কোন এক সময় এ কাব্য রচনা করেন। অষ্টাদশ শতকের আর একজন কবি ছিলেন হামিদ। ‘সংগ্রাম হুসেন' নামে তিনি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কাব্য রচনা করেছিলেন। ইংরেজ আমলে বিশেষত এর প্রথম অর্ধে বাংলা সাহিত্যে মর্সিয়া কাব্যের দ্বিতীয় ধারা অর্থাৎ মিশ্র ভাষায় রচিত কাব্য আত্মপ্রকাশ করে। ফকির গরীবুল্লাহ এই ধারার প্রধানতম কবি। মর্সিয়া বিষয়ক কাব্য ‘জঙ্গনামা' তার সমগ্র সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ রচনা। কবি ফারসী কাব্য অবলম্বনে জঙ্গনামা রচনা করেছিলেন। কবি এ কাব্যে যেমন একদিকে যুদ্ধের বর্ণনা দিয়েছেন তেমনি গভীর বেদনার সুর ফুটিয়ে তুলেছেন। কবি কল্পনা বাস্তব তার সীমা অতিক্রম করে নানা অলৌকিক বিষয়ের অবতারণা করেছেন। অলৌকিকতা কেবল নয় অসাধারণ ও অস্বাভাবিক বীর বিক্রম এ কাব্যে বড় হয়ে উঠেছে। এর পূর্বে মোহাম্মদ খান, হায়াত মাহমুদ মর্সিয়া কাব্য রচনা করলেও গরীবুল্লাহ এই ধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি। মর্সিয়া কাব্য বিষয়ে রাধাচরণ গোপ নামে একজন হিন্দু কবির নাম পাওয়া যায়। তিনি ‘ইমামগণের কেচ্ছা ও আফৎনামা' নামে দুটি কাব্য রচনা করেছিলেন। এগুলো অষ্টাদশ শতকে রচিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। মীর মোশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু' মর্সিয়া সাহিত্যের ধারায় উপন্যাস জাতীয় গ্রন্থ। আধুনিক উপন্যাসের সুবিন্যস্ত বন্ধন রীতি আলোচ্য গ্রন্থে অনুসরণ করা হয়নি। গ্রন্থটি ইতিহাস, উপন্যাস, সৃষ্টিধর্মী রচনা এবং নাটক ইত্যাদি সাহিত্যের বিবিধ সংমিশ্রণে রোমান্টিক আবেগ মাখানো এক সংকর সৃষ্টি। মীর মোশাররফ হোসেন অতীতের জঙ্গনামা, মক্তুল হোসেন, শহীদে কারবালা প্রভৃতি কাব্যের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। সে সব গ্রন্থের কল্পনা বহুল কাহিনী দ্বারা তিনি ছিলেন প্রভারিত। তার এই উপন্যাস রূপায়নে ও চরিত্র চিত্রণে এই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এর কিছু প্রধান চরিত্র ছাড়া অপরাপর চরিত্র ইতিহাস বহির্ভূত ও কল্পনাশ্রয়ী। ঘটনা বিন্যাসে প্রথমদিকে সামান্য ঐক্য পরিলক্ষিত হলেও পরের দিকে ব্যাপকভাবে কল্পনানির্ভর। অন্যদিকে মর্সিয়া সাহিত্যের ধারায় হামিদ আলী ঊনিশ শতকীয় মহাকাব্যের রীতিতে কাশেম বধ কাব্য রচনা করেন। চরিত্র সৃষ্টি, ঘটনা বিন্যাস এ কাব্য মহাশ্মশান তো বটেই এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বৃত্রসংহারের চেয়ে শ্রেষ্ঠ\ এই কাব্যে কবির দুর্লভ সংযম, প্রদীপ্ত বুদ্ধি ও চমৎকার কবিত্ব শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। কবির পরবর্তী রচনা ‘জয়নালোঘারে কাব্য'। কাশেম বধ কাব্যে যা বর্ণিত হয়েছে তার পরবর্তী ঘটনাবলীই এ কাব্যের বর্ণিতব্য বিষয়। মাইকেলের ব্যাপক প্রভাব এতে লক্ষণীয়। এই ধারার সর্বশেষ সংযোজন হলো কায়কোবাদের ‘মহরম শরীফ' কাব্য। এই কাব্যে কবি তার সহজাত ইতিহাসপ্রীতি, স্বজাত্যবোধ ও নীতিজ্ঞানের পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু কাব্যকলার উৎকর্ষ সাধন তিনি করতে পারেননি। মর্সিয়া সাহিত্যের আলোচনায় যার কথা সবার শেষে আসে তা হচ্ছে লোকসাহিত্যের অন্তর্গত মর্সিয়া কাব্য। জারি গান এই সাহিত্যের পর্যায়ভুক্ত। অন্যান্য লোকসাহিত্যের মতো এর জন্ম ময়মনসিংহের পূর্বাঞ্চলে। বিষয়ের বৈচিত্র্য, সুরের মাধুর্যে এবং শোকের গভীরতায় এই মর্সিয়া গীতি প্রচলিত কাব্যের চেয়ে উৎকৃষ্টতর দাবি রাখে। সুত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম
'লালসালু' উপন্যাসটির লেখক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation:
'লালসালু' উপন্যাসটির লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলার গ্রাম ও সমাজ - জীবনে এক ধ্রুপদী জীবনধারাকে লালসালু উপন্যাসে রুপদান করেন। তিনি এতে বাংলার লোকায়ত সংস্কার ও ধর্মাচরণের নেপথ্যে তথাকথিত ধর্মধ্বজাধারী ও ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ীদের স্বরুপ গভীর জীবনবোধ ও মমত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেন। উপন্যাসটির ফরাসি অনুবাদ L Arbre Sams Maeme প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে এবং ইংরেজি অনুবাদ Tree Without Roots প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে।
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
‘সূর্য’-এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
ক: সুধাকর
Explanation:
‘সূর্য’-এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর সুধাকর সুধাকর, সুধাধার, সুধানিধি, সুধাংশু - [বিশেষ্য পদ] চন্দ্র।
'পদ' বলতে কি বোঝায়?
Correct Answer:
ঘ: বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু
Explanation:
'পদ' বলতে কি বোঝায়? সঠিক উত্তর বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু যদি 'পদ' শব্দটির অর্থ কি জানতে চাওয়া হতো' তবে বলা যেত পদ শব্দের অর্থ - চরণ, কবিতার পঙক্তি কিংবা মধ্যযুগের সাহিত্যের বৈষ্ণব কবিদের রচিত গীতিকবিতা। ব্যাকরণের দৃষ্টিকোণ থেকে 'পদ' বলতে বোঝায় বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে । এছাড়া বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি শব্দই এক একটি পদ।
'কাদাম্বিন্নী' শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
ঘ: মেঘমালা
Explanation:
'কাদাম্বিন্নী' শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর মেঘমালা কাদম্বিনী - [বিশেষ্য পদ] মেঘমালা (যাহার অনুগামী রূপে কদম্ব পুষ্প বিকসিত হয়)। [কাদম্ব + ইন্ + ঈ]।
'কংস মামা' বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: নির্মম আত্মীয়
Explanation:
'কংস মামা' বাগধারাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর নির্মম আত্মীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:ভিন্নার্থক অর্থ বোঝায় – আকাশ পাতাল. কংস মামা - নির্দয় আত্মীয়. চোখের বালি – শত্রু. সুখের পায়রা - সুসময়ের বন্ধু. নদের চাঁদ - অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি. গোবর গণেশ – মূর্খ. খোদার খাসি - ভাবনা চিন্তাহীন .
ঠোঁট-কাটা বলতে কি বুঝায়?
Correct Answer:
খ: স্পষ্টভাষী
Explanation:
ঠোঁট-কাটা বলতে কি বুঝায়? সঠিক উত্তর স্পষ্টভাষী 'ঠোঁট - কাটা' শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কিছু বলতে দ্বিধাবোধ করে না এমন, স্পষ্টবক্তা বা স্পষ্টবাদী। 'পক্ষপাতদুষ্ট' বলতে বোঝায় একচোখা বা কে পক্ষের প্রতি অনুরক্ত। 'অহংকারী 'অর্থ অহংকার করে এমন, অভিমানী। 'মিথ্যাবাদী' অর্থ মিথ্যা কথা বলে এমন, অসত্যভাষী।
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ ?
Correct Answer:
ক: স্রষ্টা
Explanation:
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ ? সঠিক উত্তর স্রষ্টা স্রষ্টা - (১)[বিশেষ্য পদ] ব্রহ্মা, ঈশ্বর, আল্লাহ; মহাদেব। (২) [বিশেষণ পদ] সৃষ্টিকর্তা, নির্মাতা।
‘খবর’ এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
গ: জিজ্ঞাসা
Explanation:
‘খবর’ এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর জিজ্ঞাসা খবর শব্দটির সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ : সংবাদ বার্তা সন্দেশ তথ্য সমাচার খবরাখবর বিবরণ বৃত্তান্ত খোঁজখবর তত্ত্বতালাশ উদন্ত
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: মৃত্যুক্ষুধা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র তিনটি উপন্যাস রচনা করেন ।যথা - ১। বাঁধন হারা বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস , এর পত্রগুলো মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত হয় , এতে ১৮ টি পত্র থাকে, পত্রগুলোর লেখক - লেখিকা ৯ জন যার মধ্যে ৬ জন নারী, এর প্রধান চরিত্র নুরুল হুদা , কাজী নজ্রুল ইসলাম এটিকে সাংবাধিক ,সাহিত্যিক নলিনীকান্ত সরকারকে উৎসর্গ করেন )। ২। কুহেলিকা - (বাংলা সাহিত্যের সন্ত্রাসী বিপ্লবের উপর লিখিত উপন্যাস ,প্রধান চরিত্র জমিদার পুত্র জাহাঙ্গীর )। ৩। মৃত্যুক্ষুধা - (কাজী নজরুলের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস , এটি অসহায় যোগ আন্দোলন পটভূমিতে লেখা )। বিদ্রঃ বাকুম শব্দটি মনে রাখার মাধ্যমে উপন্যাস তিনটির নাম মনে রাখতে পারেন।
বাগধারার অর্থ নির্নয় করুনঃ 'গোবর গনেশ'
Correct Answer:
গ: মূর্খ
Explanation:
বাগধারার অর্থ নির্নয় করুনঃ 'গোবর গনেশ' সঠিক উত্তর মূর্খ বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে। যে পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে আভিধানিক অর্থের বাইরে আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় বাগধারা। বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ভাবের ইঙ্গিতময় প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তব্যকে রসমধুর করে উপস্থাপন করে। এদিক থেকে বাগধারা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ সম্পদ। বাগধারা গঠনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারকে শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলা হয়। একে বাগবিধিও বলা হয়ে থাকে।
'অবলা' শব্দের অর্থকী?
Correct Answer:
গ: নারী
Explanation:
'অবলা' শব্দের অর্থকী? সঠিক উত্তর নারী নারী বলতে পৃথিবীর অন্যতম প্রাণী মানুষের স্ত্রী - বাচকতা নির্দেশক রূপটিকে বোঝানো হয়। এর বিপরীত পুরুষ, নর প্রভৃতি। সংস্কৃত নৃ শব্দটি থেকে নারী শব্দটির উৎপত্তি (নৃ + ঈ = নারী)। ‘নারী’ শব্দটি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রী - মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে ‘মেয়ে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয় স্ত্রী - শিশু বা কিশোরীর ক্ষেত্রে। তাছাড়া বয়সের বাধা ডিঙিয়েও নারী শব্দটি সমগ্র স্ত্রী - জাতিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন: নারী অধিকার দ্বারা সমগ্র স্ত্রী জাতির প্রাপ্য অধিকারকে বোঝানো হয়।
হৃদয় আমার নাচেরে 'আজিকে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অধিকরণে দ্বিতীয়া
Explanation:
হৃদয় আমার নাচেরে 'আজিকে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে দ্বিতীয়া ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। দ্বিতীয়া বিভক্তি: মন আমার নাচে রে ’আজিকে’।
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি-
Correct Answer:
খ: নাটক
Explanation:
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি- সঠিক উত্তর নাটক মীর মশাররফ হোসেন ১৩ই নবেম্বর ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যিক বা গদ্য লেখক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। তিনি কলকাতার ‘সংবাদ প্রভাকর’ এবং কুমারখালির ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করতেন। তাছাড়ও তার সম্পাদিত দুটি পত্রিকা – আজিজননেহার ও হিতকরী।তিনি ‘গাজী মিয়া’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে লিখতেন।তাঁর সাহিত্য গুরু ছিলেন কাঙাল হরিনাথ। তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। বসন্তকুমারী - বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক ‘বসন্তকুমারী’। নাটকটি তিনি নওয়াব আবদুল লতিফকে উৎসর্গ করেন।
'বিষাদ-সিন্ধু' কার রচনা?
Correct Answer:
খ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
'বিষাদ-সিন্ধু' কার রচনা? সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন 'বিষাদ - সিন্ধু' মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উপন্যাসটিতে তিনটি পর্ব আছে। 'মহরম পর্ব' (১৮৯৫), 'উদ্ধার পর্ব' (১৮৮৭) , 'এজিদবধ পর্ব' (১৮৯১) । উপন্যাসটি কারবালার বিষাদময় কাহিনী অবলম্বনে রচিত । মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের সঙ্গে দামেঙ্ক অধিপতি মুয়াবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের বিরোধ ও যুদ্ধ এই উপন্যাসের মূল কাহিনী।
নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
খ: ব্যথার দান
Explanation:
নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর ব্যথার দান নজরুল ইসলারে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ'ব্যথার দান' (ফেব্রুয়ারি ১৯২২) । 'ব্যথার দান' নজরুলের গল্পগ্রন্থ। 'অগ্নিবীণা' তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ (সেপ্টেম্বর, ১৯২২) । 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' তার প্রবন্ধগ্রন্থ (১৯২৩) এবং 'নবযুগ ' তার সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকা (১৯২০)।
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
Correct Answer:
খ: আগুনের পরশমণি
Explanation:
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস? সঠিক উত্তর আগুনের পরশমণি 'চিলেকোঠার সিপাই' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। '৬৯ - এর গণআন্দোলন এর উপজীব্য। 'আগুনের পরশমনি ' হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।'একাত্তের দিনগুলি' জাহানারা ইমামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা (প্রবন্ধ)। 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
পদাবলী লিখেছেন-
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
পদাবলী লিখেছেন- সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাধা - কৃষে।ঞর জীবন অবলম্বন করে যে ধারনাটিসবাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে সেটা হলো পদাবলী বা পদাবলী কাব্য । প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই পদাবলীর রচনা করেছেন, যার নাম ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, যা তিনি ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন । বৈষ্ঞব পদাবলীর সৌন্দার্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এটি রচনা করেন । পদাবলীর প্রধান কবিদের মধ্যে রয়েছেন - বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস প্রমূখ ।
‘কূল’ এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
ঘ: কুন্তল
Explanation:
‘কূল’ এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর কুন্তল কুন্তল - [বিশেষ্য পদ] কেশগুচ্ছ, কেশপাশ, চুল।,
কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
Correct Answer:
গ: নিরালোকে দিব্যরথ
Explanation:
কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা? সঠিক উত্তর নিরালোকে দিব্যরথ নিরালোক দিব্যরথ (কাব্যগ্রন্থ) : শামসুর রাহমান, নির্জন স্বাক্ষর (উপন্যাস) : বুদ্ধদেব বসু; নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি (উপন্যাস) : সেলিনা হোসেন।
' বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান' ---- এখানে ' টাপুর টুপুর' কোন ধরনের শব্দ?
Correct Answer:
গ: ধবন্যাত্নক শব্দ
Explanation:
' বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান' ---- এখানে ' টাপুর টুপুর' কোন ধরনের শব্দ? সঠিক উত্তর ধবন্যাত্নক শব্দ যেসব শব্দ অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিথ হয় তাকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন: কুহু কুহু (কোকিলের রব ), টাপুর টুপুর (বৃষ্টির পতনের শব্দ) ,হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ)।
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ ?
Correct Answer:
খ: ভাই-বোন
Explanation:
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ ? সঠিক উত্তর ভাই-বোন সিংহাসন :সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস) : ভাইবোন : ভাই ও বোন (দ্বন্দ্ব সমাস) : কানাকানি : কানে কানে যে কথা (ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস); গাছপাকা: গাছে পাকা (সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস)।