Bengali grammar MCQs
Showing 50 questions (Total: 585)
'যদি সত্য বল, তাহলে মুক্তি পাবে'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র বাক্য
Explanation:
'যদি সত্য বল, তাহলে মুক্তি পাবে'- এটি কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর মিশ্র বাক্য জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। যেমন - যে পরিশ্রম করে, / সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য)যত পড়বে, / তত শিখবে, / তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য) জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে - সে, যত - তত, যারা - তারা, যাদের - তাদের, যখন - তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি - তবু, অথচ - তথাপি - এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।
"তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি"- এটি কোন শ্রেণীর বাক্য?
Correct Answer:
ক: সরল বাক্য
Explanation:
"তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি"- এটি কোন শ্রেণীর বাক্য? সঠিক উত্তর সরল বাক্য সরল বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে। এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘তার বয়স’আর সমাপিকা ক্রিয়া হচ্ছে ‘বাড়েনি’। আরো উদাহরণ - দিপা বই পড়। রাসেল ক্রিকেট খেলে।
'দুই এবং নব্বই'= বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ
Correct Answer:
ঘ: নিত্য সমাস
Explanation:
'দুই এবং নব্বই'= বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ সঠিক উত্তর নিত্য সমাস নিত্য সমাসযে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
সমাস নিষ্পন্ন পদটিকে কি বলে?
Correct Answer:
ক: সমস্ত পদ
Explanation:
সমাস নিষ্পন্ন পদটিকে কি বলে? সঠিক উত্তর সমস্ত পদ a. সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। b. সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য । c. সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশকে উত্তর পদ বা পরপদ বলে । d. যে যে পদে সমাস হয়, তাদের প্রত্যেককে সমস্যমান পদ বলে।
"সংশয়" শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: প্রত্যয়
Explanation:
"সংশয়" শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর প্রত্যয় প্রত্যয় - [বিশেষ্য পদ] নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস; (ব্যকরণ) শব্দ বা ধাতুর উত্তর জায়মান বিভক্তি; ধাতু বা প্রাতিপদিকের উত্তর যা বিহিত হয় (কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়)।
'গোঁফ-খেজুরে' -এই বাগধারার অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: নিতান্ত অলস
Explanation:
'গোঁফ-খেজুরে' -এই বাগধারার অর্থ কি? সঠিক উত্তর নিতান্ত অলস 'গোঁফ - খেজুরে' শব্দের অর্থ নিতান্ত অলস। কিন্তু ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের 'গোঁফে খেজুর যার' ব্যাসবাক্যে কি নিতান্ত অলসের সাথে কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়? প্রকৃতপক্ষে 'গোঁফ - খেজুরে' শব্দটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস এবং এর ব্যাসবাক্য হলো 'গোঁফে খেজুর পরে থাকলেও খায় না যে'। এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, এ ব্যাসবাক্যটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের সকল শর্ত পূরণ করছে এবং এর অর্থ নিতান্ত অলসকেও যথার্থতা দান করেছে।
কোন দুটি অঘোষ ধ্বনি?
Correct Answer:
ক: চ ছ
Explanation:
কোন দুটি অঘোষ ধ্বনি? সঠিক উত্তর চ ছ অঘোষ ধ্বনি : কোনো কোনো ধ্বনি উচ্চারণরে সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণতি হয় না। তখন ধ্বনটিরি উচ্চারণ গাম্ভীর্যহীন ও মৃদু হয়। এরূপ ধ্বনিকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি / Unvoiced যমেন : ক, খ ইত্যাদি। ঘোষ ধ্বনি : ধ্বনি উচ্চারণরে সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণতি হলে ঘোষ ধ্বনি / Voiced হয়। যমেন : গ ঘ ইত্যাদি।
' যা পূর্বে ছিল এখন নেই' -এক কথায় কি হবে?
Correct Answer:
ঘ: ভূতপূর্ব
Explanation:
' যা পূর্বে ছিল এখন নেই' -এক কথায় কি হবে? সঠিক উত্তর ভূতপূর্ব অভিধানমতে, ভূতপূর্ব শব্দের অর্থ আগেকার, পূর্বে ছিল কিন্তু এখন নেই এমন। সুতরাং, বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত 'প্রাক্তন' শব্দের অর্থ ভূতপূর্ব বা প্রাক্তন শিক্ষার্থী নয়, এর অর্থ আগে ছিল, কিন্তু এখন নেই এমন। যে কেউ প্রাক্তন হতে পারে এবং কে প্রাক্তন তা 'প্রাক্তন' শব্দের সঙ্গে উল্লেখ করতে হয়।
কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে
Explanation:
কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে সমুচ্চয়ী অব্যয়ঃ যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধসূচক অব্যয় বলে। যেমন : এবং, ও, কিংবা, নতুবা,তবু প্রভৃতি।
কোনটি সূর্যের সমার্থ শব্দ?
Correct Answer:
ক: দিনেশ
Explanation:
কোনটি সূর্যের সমার্থ শব্দ? সঠিক উত্তর দিনেশ রবি, তপন, অরুণ, সবিতা, প্রভাকর. দিবাকর, ভাস্কর, দিনেশ, কিরণমালী, দিনমণি. দিনপতি, ভানু, আদিত্য, মার্তণ্ড, অংশুমালী. দিননাথ, ঊষাপতি, চিত্রভানু, দিনকর, দিবাবসু. বিভাবসু, বিভাকর, পূষন, অংশুমান, মিহির. অপশনে দীনেশ ও বিভাবসু দুইই সঠিক
গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?
Correct Answer:
খ: ৩ প্রকার
Explanation:
গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার? সঠিক উত্তর ৩ প্রকার গঠন অনুসারে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (ক) সরল বাক্য (খ) জটিল বাক্য (গ) যৌগিক বাক্য
কোন বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
গ: আমি দুপুরে ভাত খাই
Explanation:
কোন বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর আমি দুপুরে ভাত খাই সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের (মনোভাব) সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন, ছেলেরা বল খেলছে। এ বাক্যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। অসমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না। বক্তার আরো কিছু বলার থাকে তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন, প্রভাতে সূর্য উঠলে...। আমরা হাতমুখ ধুয়ে...। এখানে 'উঠলে' এবং 'ধুয়ে' ক্রিয়াপদগুলো দ্বারা কথা শেষ হয়নি। সুতরাং 'উঠলে' এবং 'ধুয়ে' পদ দুটোকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে?
Correct Answer:
ক: ওরা কি করে?
Explanation:
কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে? সঠিক উত্তর ওরা কি করে? নামপুরুষ : বাক্যে বক্তা অনুপস্থিত যেসব ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর উল্লেখ করেন, তাদের নামপুরুষ বলে। অর্থাৎ, বক্তার সামনে নেই এমন যা কিছুর কথা বক্তা বাক্যে বলেন, সবগুলোই নামপুরুষ। নাম পুরুষের সর্বনামের রূপ হলো - সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের, ইত্যাদি।
বাংলাভাষায় খাঁটি উপসর্গ কয়টি?
Correct Answer:
গ: ২১টি
Explanation:
বাংলাভাষায় খাঁটি উপসর্গ কয়টি? সঠিক উত্তর ২১টি বাংলা উপসর্গ : বাংলা ভাষায় বাংলা উপসর্গ মোট ২১ টি। বাংলা উপসর্গ সবসময় খাঁটি বাংলা শব্দ বা তদ্ভব শব্দের পূর্বে ব্যবহৃত হয়। বাংলা উপসর্গগুলো হলো - অ অঘা অজ অনা আ আড় আন আব ইতি ঊন (ঊনা) কদ কু নি পাতি বি ভর রাম স সা সু হা সংস্কৃত / তৎসম উপসর্গ ২০ টি
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়- এর দৃষ্টান্ত
Correct Answer:
গ: হাসিমাখা মুখ -----হাসিমুখ
Explanation:
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়- এর দৃষ্টান্ত সঠিক উত্তর হাসিমাখা মুখ -----হাসিমুখ মধ্যপদলোপী কর্মধারয়: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা, স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ, ব্রাহ্মণ ধর্মীয় প্রধান পুরোহিত = ব্রাহ্মণ পুরোহিত, জগতের রক্ষাকারী ঈশ্বর = জগদীশ্বর, সূর্য উদয়কালীন মন্ত্র = সূর্যমন্ত্র, মৌ ভর্তি চাক = মৌচাক, গাছকদম = গাছে ফুটিত কদম, সন্ধিগীত = সন্ধি যোগঘটানো গীত,কাঁচা অবস্থায় কলা = কাঁচকলা।চিকিৎসাশাস্ত্র = চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র
'সৃষ্টি' এর প্রকৃতি প্রত্যয়-
Correct Answer:
খ: √সৃজ্ + তি
Explanation:
'সৃষ্টি' এর প্রকৃতি প্রত্যয়- সঠিক উত্তর √সৃজ্ + তি প্রকৃতি : শব্দমূল বা শব্দের যে অংশকে আর ভাঙা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি মৌলিক শব্দ তথা প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি প্রাতিপদিক ও ধাতুই একেকটি প্রকৃতি। কিন্তু মৌলিক শব্দকে প্রকৃতি বলা যায় না। যখনই সেই শব্দের সঙ্গে বা অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তখনই কেবল নতুন সৃষ্ট শব্দটির মূল শব্দটিকে প্রকৃতি বলা যায়। অর্থাৎ, প্রত্যয় সাধিত শব্দের মূলশব্দকে বলা হয় প্রকৃতি। কিন্তু শব্দটি থেকে প্রত্যয় সরিয়ে ফেললে, মূলশব্দটিকে তখন আর প্রকৃতি বলা যাবে না। যেমন - লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর মূলশব্দ যথাক্রমে লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। এখানে, লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলো প্রত্যয়সাধিত (মূলশব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ) আর এই শব্দগুলোর মূলশব্দ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। অর্থাৎ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত - এগুলো লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর প্রকৃতি। কিন্তু আলাদাভাবে উল্লেখ করলে এগুলো আর প্রকৃতি নয়, এগুলো তখন স্রেফ কতোগুলো মৌলিক শব্দ। প্রত্যয় : মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে। উপরের উদাহরণে, লাজুক শব্দের প্রকৃতি ‘লাজ’ - এর সঙ্গে প্রত্যয় ‘উক’ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে ‘লাজুক’ শব্দটি। এমনিভাবেপ্রকৃতি + প্রত্যয় = প্রত্যয়সাধিত শব্দবড় + আই = বড়াইঘর + আমি = ঘরামি
কোনটি চাঁদের সমার্থ শব্দ নয়?
Correct Answer:
ঘ: সবিতা
Explanation:
কোনটি চাঁদের সমার্থ শব্দ নয়? সঠিক উত্তর সবিতা সবিতা - (১) [বিশেষণ পদ] প্রসবিতা, জনয়িতা। (২) [বিশেষ্য পদ] সূর্য, ঈশ্বর।
'সন্দেশ' কোন শ্রেনীর শব্দ ?
Correct Answer:
ক: রূঢ়ি
Explanation:
'সন্দেশ' কোন শ্রেনীর শব্দ ? সঠিক উত্তর রূঢ়ি রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দপ্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ আলাদা হয়, তাদেরকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমনঃমূল শব্দ শব্দ গঠন ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ব্যবহারিক/ মূল অর্থহস্তী = হস্ত + ইন, (হাত আছে যার) একটি বিশেষ প্রাণী, হাতিগবেষণা = গো + এষণা (গরু খোঁজা) ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনাবাঁশি = বাঁশ + ইন, (বাঁশ দিয়ে তৈরি) বাঁশের তৈরি বিশেষ বাদ্যযন্ত্রতৈল = তিল + ষ্ণ্য, (তিল থেকে তৈরি স্নেহ পদার্থ) উদ্ভিদ থেকে তৈরি যে কোন স্নেহ পদার্থপ্রবীণ = প্র + বীণা (প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজায় যিনি) অভিজ্ঞ বয়স্ক ব্যক্তিসন্দেশ = সম + দেশ (সংবাদ) মিষ্টান্ন বিশেষ
আরেফ 'বই' পড়ে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: কর্মকারকে শূণন্য
Explanation:
আরেফ 'বই' পড়ে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্মকারকে শূণন্য যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।কর্ম কারকের প্রকারভেদক) সকর্মক ক্রিয়ার কর্ম: নাসিমা ফুল তুলছে।খ) প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম: ছেলেটিকে বিছানায় শোয়াও।গ) সমধাতুজ কর্ম: খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি।ঘ) উদ্দেশ্য ও বিধেয় কর্ম: দ্বিকর্মক ক্রিয়ার দুটি দুটি পরস্পর অপেক্ষিত কর্মপদ থাকলে প্রধান কর্মপদটিকে বলা হয় উদ্দেশ্য কর্ম এবং অপেক্ষিত কর্মটিকে বলা হয় বিধেয় কর্ম। যেমন:দুধকে (উদ্দেশ্য কর্ম) মোরা দুগ্ধ (বিধেয় কর্ম) বলি, হলুদকে (উদ্দেশ্য কর্ম) বলি হরিদ্রা (বিধেয় কর্ম)।কর্ম কারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার (ক) প্রথমা বা শূণ্য বা অ বিভক্তি ডাক্তার ডাক। পুলিশ ডাক। ঘোড়া গাড়ি টানে। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম) রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে) অর্থ অনর্থ ঘটায়। আমার ভাত খাওয়া হলো না। সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়। (খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি তাকে বল। তাকে আমি চিনি। ধোপাকে কাপড় দাও। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার গৌণকর্ম) ধনী দরিদ্রকে ঘৃণা করে। শিক্ষককে শ্রদ্ধা করিও। রে বিভক্তি 'আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা।' (গ) তৃতীয়া বিভক্তি (ঘ) পঞ্চমী বিভক্তি (ঙ) ষষ্ঠী বা র বিভক্তি তোমার দেখা পেলাম না। দেশের সেবা কর। (চ) সপ্তমী বা এ বিভক্তি কাজে মন দাও। গুরুজনে করো ভক্তি/ নতি। সর্বশিষ্যে জ্ঞান দেন গুরু মহাশয়। 'জিজ্ঞাসিবে জনে জনে।' (বীপ্সায়)
যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি?
Correct Answer:
গ: দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
Explanation:
যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি? সঠিক উত্তর দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন যৌগিক বাক্য : একাধিক সরল বাক্য কোন অব্যয় দ্বারা সংযুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। (সরল বাক্য দুটি - তার বয়স হয়েছে, তার বুদ্ধি হয়নি) সে খুব শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান। (সরল বাক্য দুটি - সে খুব শক্তিশালী, সে খুব বুদ্ধিমান) যৌগিক বাক্যে এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি - এই অব্যয়গুলো দিয়ে দুটি সরল বাক্য যুক্ত হয়। এগুলো দেখে সহজেই যৌগিক বাক্যকে চেনা যেতে পারে। তবে কোন অব্যয় ছাড়াও দুটি সরল বাক্য একসঙ্গে হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করতে পারে।
'রাবণের চিতা' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: চির অশান্তি
Explanation:
'রাবণের চিতা' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর চির অশান্তি রাবনের চিতা - বাগধারার অর্থ - চির অশান্তি। তুচ্ছ ঘটনা - সামান্য বিষয়ে ঝগড়া করা। অনিষ্টে ইষ্ট লাভ - আশায় নৈরাশা। মগের মুল্লুক - অরাজক দেশ।
মৌলিক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: গোলাপ
Explanation:
মৌলিক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর গোলাপ মৌলিক শব্দ: যে - সব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আর কোন শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। অর্থাৎ, যে সব শব্দকে ভাঙলে আর কোন অর্থসঙ্গতিপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমনঃ গোলাপ, নাক, লাল, তিন, ইত্যাদি। এই শব্দগুলোকে আর ভাঙা যায় না, বা বিশ্লেষণ করা যায় না। আর যদি ভেঙে নতুন শব্দ পাওয়াও যায়, তার সঙ্গে শব্দটির কোন অর্থসঙ্গতি থাকে না। যেমন, উদাহরণের গোলাপ শব্দটি ভাঙলে গোল শব্দটি পাওয়া যায়। কিন্তু গোলাপ শব্দটি গোল শব্দ থেকে গঠিত হয়নি। এই দুটি শব্দের মাঝে কোন অর্থসংগতি নেই। তেমনি নাক ভেঙে না বানানো গেলেও নাক না থেকে আসেনি। অর্থাৎ, এই শব্দগুলোই মৌলিক শব্দ। ‘গোলাপ’ শব্দটির সঙ্গে ‘ই’ প্রত্যয় যোগ করে আমরা ‘গোলাপী’ শব্দটি বানাতে পারি। তেমনি ‘নাক’ - র সঙ্গে ‘ফুল’ শব্দটি যোগ করে আমরা ‘নাকফুল’ শব্দটি গঠন করতে পারি।
'লাঠালাঠি' শব্দটির সমাস----
Correct Answer:
খ: বহুব্রীহি
Explanation:
'লাঠালাঠি' শব্দটির সমাস---- সঠিক উত্তর বহুব্রীহি যে সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কারো অর্থ প্রাধান্য পায় না , সম্পূর্ণ তৃতীয় একটি অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। প্রধানত বহুব্রীহি সমাস সাত প্রকার:১/ সমানাধিকরন বহুব্রীহি: দশানন—দশ আনন যার২/ ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি: পাপমতি - - পাপে মতি যার৩/ মধ্যপদোলোপি বহুব্রীহি: বিড়ালাক্ষী - - বিড়ালের অক্ষির মতো অক্ষি যার৪/ অলোপ বহুব্রীহি: মুখেভাত - - মুখে ভাত দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে। ৫/ ব্যাতিহার বহুব্রীহি: লাঠালাঠি - - লাঠিতে লাঠিতে লড়াই। ৬/ না বহুব্রীহি: নির্বাক - - নেই বাক যার। ৭/সহার্থক বহুব্রীহি: সবাক - - বাকের সহিত বর্তমান
কোন প্রবচনটি 'হতভাগ্য' অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
ক: আট কপালে
Explanation:
কোন প্রবচনটি 'হতভাগ্য' অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর আট কপালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ গধারা *** 1 আট কপালে – হতভাগ্য 2. দুধের মাছি – সুসময়ের বন্ধু 3. কুল কাঠের আগুন – তীব্র জ্বালা 4. একাদশে বৃহস্পতি – সুসময়।
যার কোনো মূল্য নেই, তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটি হয়?
Correct Answer:
ঘ: ঢাকের বাঁয়া
Explanation:
যার কোনো মূল্য নেই, তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটি হয়? সঠিক উত্তর ঢাকের বাঁয়া ঢাকের বাঁয়া - অকেজো, অপ্রয়োজনীয়।
কোনটি বিশেষণ বাচক শব্দ?
Correct Answer:
খ: জীবনী
Explanation:
কোনটি বিশেষণ বাচক শব্দ? সঠিক উত্তর জীবনী জীবনী - (১) [বিশেষ্য পদ] জীবনচরিত; (২) [বিশেষণ পদ] প্রাণ - দায়িনী, জীবনসঞ্চারিণী।
ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ------
Correct Answer:
ঘ: ষট্ + ঋতু
Explanation:
ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ------ সঠিক উত্তর ষট্ + ঋতু বর্গের প্রথম বর্ণ (ক, চ, ট, ত/ৎ, প) + স্বরবর্ণ = বর্গের তৃতীয় বর্ণ (গ, জ, ড/ড়, দ, ব) যেমন,ষড়ঋতু = ষট্ + ঋতু।
বর্ণ হচ্ছে -----
Correct Answer:
গ: ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
Explanation:
বর্ণ হচ্ছে ----- সঠিক উত্তর ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক মনের কথা লিখে প্রকাশ করার জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে বর্ণ বলে ।
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত-----
Correct Answer:
ঘ: নদী
Explanation:
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত----- সঠিক উত্তর নদী জাতিবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদের সাহায্যে কোনো প্রাণী বা বস্তুর জাতি বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: মানুষ, মুসলিম, নদী, বই, বাঙালি, হিন্দু, রাজা, ধনীরা ইত্যাদি।
' হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব' বাক্যটি নিম্নোক্ত একটি শ্রেণীর ----
Correct Answer:
ঘ: সরল
Explanation:
' হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব' বাক্যটি নিম্নোক্ত একটি শ্রেণীর ---- সঠিক উত্তর সরল সরল বাক্য : যে বাক্যে একটি কর্তা বা উদ্দেশ্য ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - পুকুরে পদ্ম ফোটে। (উদ্দেশ্য - পুকুরে, সমাপিকা ক্রিয়া - ফোটে) মা শিশুকে ভালোবাসে।
ণত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য?
Correct Answer:
গ: তৎসম
Explanation:
ণত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য? সঠিক উত্তর তৎসম যে বিধান বা নিয়ম অনুসরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে 'ণ (মূর্ধন্য - ণ) ও 'ন' (দন্ত্য - ন) এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় তাকে ণত্ব বিধান হলো। উল্লেখ্য , খাঁটি বাংলা ও বিদেশী শব্দে মূর্ধন্য - ণ হয় না। যেমন - কান, সোনা, কুরআন ,গভর্নর ,ইরান ইত্যাদি।
কোন বাক্যটিতে ভুল নেই ?
Correct Answer:
ক: দরিদ্রতা অভিশাপ
Explanation:
কোন বাক্যটিতে ভুল নেই ? সঠিক উত্তর দরিদ্রতা অভিশাপ সঠিক বাক্যগুলো হবে - দরিদ্রতা অভিশাপ। ফুল দেখতে সুন্দর। ভুল লিখতে ভুল করো না। শনিতে অশনি দেখতে পেলাম।
কোনটি অনুজ্ঞা?
Correct Answer:
খ: তুমি যাও
Explanation:
কোনটি অনুজ্ঞা? সঠিক উত্তর তুমি যাও কিছু করার আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, আশীর্বাদ, প্রার্থনা - কামনা, অনুমতি ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে বিশেষ রীতি ব্যবহৃত হিয় তাকে অনুজ্ঞা (ভাব) বলা হয়। যেমন - বর্তমান কালে : কলমটি দাও । ভবিষ্যৎ কালে: কাল দেখা হবে ইত্যাদি। সুতরাং 'তুমি যাও' একটি অনুজ্ঞা।
বাবা বাড়ি নাই- বাক্যটিতে 'বাড়ি' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অধিকরণে শূন্য
Explanation:
বাবা বাড়ি নাই- বাক্যটিতে 'বাড়ি' কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে শূন্য ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
'কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
Correct Answer:
গ: অক্লান্ত কর্মী
Explanation:
'কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি? সঠিক উত্তর অক্লান্ত কর্মী 'কর্মে যার ক্লান্তি নেই' - - এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রুপ - অক্লান্ত কর্মী.
সমাস ভাষাকে কি করে ?
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে কি করে ? সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য।সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা ।একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
'কাকনিদ্রা'বাগধারার অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: অগভীর সতর্ক নিদ্রা
Explanation:
'কাকনিদ্রা'বাগধারার অর্থ কী? সঠিক উত্তর অগভীর সতর্ক নিদ্রা বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে। যে পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে আভিধানিক অর্থের বাইরে আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় বাগধারা। বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ভাবের ইঙ্গিতময় প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তব্যকে রসমধুর করে উপস্থাপন করে। এদিক থেকে বাগধারা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ সম্পদ। বাগধারা গঠনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারকে শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলা হয়। একে বাগবিধিও বলা হয়ে থাকে।
'অরণ্যে রোদন' কথাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: বৃথা চেষ্টা
Explanation:
'অরণ্যে রোদন' কথাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর বৃথা চেষ্টা অরণ্যে রোদন - বাগধারাটির অর্থ নিষ্ফল আবেদন.
বাড়ি যাও -এটি কোন প্রকারের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: অনুজ্ঞা
Explanation:
বাড়ি যাও -এটি কোন প্রকারের বাক্য? সঠিক উত্তর অনুজ্ঞা আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা , অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যে রূপ হয়, তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।
'এবং' কোন পদ?
Correct Answer:
ঘ: অব্যয়
Explanation:
'এবং' কোন পদ? সঠিক উত্তর অব্যয় বাক্যের মধ্যে ব্যবহারের সময় যে পদের কোনো পরিবর্তন ঘটে না তাকে অব্যয় পদ বলে। যেমন : এবং, ও, কিংবা, তবু প্রভৃতি।
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
Explanation:
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর মাথা খাটিয়ে কাজ করবে মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে । একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগশব্দই ভাষার সম্পদ। বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে অসংখ্য শব্দ রয়েছে। এক একটি শব্দের এক একটি বিশেষ অর্থ আছে।কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে কোন একটি শব্দ শুধুমাত্র একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন বিশেষ বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দের এরূপ ব্যবহারকে ভিন্নার্থে প্রয়োগ বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে এরূপ কতকগুলো শব্দের ভিন্নার্থক বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদের প্রয়োগ দেখানো হল।একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগের ব্যবহারঅঙ্ক ক্রোড় –শিশুর কাছে মাতৃঅঙ্কই সবচেয়ে নিরাপদ। গণিত - সে অঙ্কে ভালো নম্বর পেয়েছে। নাটকের অধ্যায় - নাটকটি তিন অঙ্কে বিভক্ত। হিসাব - যেভাবে ঋণের অঙ্ক বাড়াচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? রেখা - সে কাগজে বিচিত্র অঙ্কপাত করল।অর্থ মানে – মনোযোগ দিয়ে পড়, তাহলেই অর্থ বুঝতে পারবে। ধন – সারাজীবন তো অর্থই জমালে, সুখ কতটুক পেলে? প্রয়োজন - অর্থ ছাড়া যে তুমি আসনি, তা তোমার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইঙ্গিত - তোমার কথার অর্থ আমি বুঝতে পেরেছি। উদ্দেশ্য – জানি না হঠাৎ করে আমাকে টেলিগ্রাম করার অর্থ কি!উত্তর দিক বিশেষ - হিমালয় বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত। জবাব - চুপ করে আছ কেন, উত্তর দাও। পরবর্তী - স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে নাটকের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে। ভবিষ্যৎ - দোয়া করি উত্তরকালে তুমি একজন দেশবরেণ্য নেতা হও। পরে – শব্দের উত্তরে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।উপায় কৌশল - চোরেরা চুরি করার আশায় নিত্যনতুন উপায় খুঁজে। রোজগার - জমি বিক্রি করে আর কতদিন চলবে, একটা উপায় খুঁজ। প্রতিকারের পথ - বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের সঠিক উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আরোহণ করা - গাছে ওঠা খুব সহজ কাজ নয়। জাগা - আর কত ঘুমুবে, এবার উঠে পড়। সংগৃহীত - মহল্লায় নাটক হবে, ছেলেরা তাই বাড়ি বাড়ি চাঁদা উঠাচ্ছে। লোপ পাওয়া - স্বার্থের টানাপড়েন কলেজটি শেষ পর্যন্ত উঠেই গেল। খুশি হওয়া - তাকে যতই দাও না কেন, মন উঠবে না। ছাপা হওয়া - বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের ক্রীড়ানৈপুণ্যের খবর ব্রিটেনের পত্রিকায় উঠেছে।উচ্চ লম্বা – ইংরেজরা দৈহিকভাবে বেশ উচ্চ। উদার - তাঁর মতো অমন উচ্চ মনের মানুষ আর দেখিনি। ভালো - পত্রিকাটি উচ্চমানের। সম্ভ্রান্ত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উচ্চ বংশের সন্তান ছিলেন। জোরাল - উচ্চকণ্ঠী নরেন বিশ্বাস আর বেঁচে নেই।কর হাত - তোমার কর স্পর্শ করে আমি যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তা আমি রক্ষা করব। খাজনা - সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি বিরাট অংশ কর থেকে আসে। কিরণ - আজি এ প্রভাতে রবির কর। হাতির শুঁড় – করীর আঘাতে ছোট ছেলেটির অকাল মৃত্যু হলো। করা - আর দেরি না করে কাজটি করে ফেল।কথা প্রতিশ্রুতি – কথা দিচ্ছি, তোমার কাজটি আমি করে দেব। অনুরোধ - আশা করি আমার কথা রাখবেন। প্রসঙ্গ – এ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতে হবে। বাক্যলাপ - তার সাথে কথা বলে বড় আনন্দ পেয়েছি। গল্প – অনেক দিন আগের কথা, এক দেশে এক রাজা ছিল।করা কাজ করা - তাড়াতাড়ি কাজটি করে ফেল। কানভারী - স্বার্থ আদায়ের জন্য সে বড় সাহেবের কানভারী করছে। গালাগালি করা - কথায় কথায় এত মুখ কর কেন? বশে আনা - তাকে হাত করতে গিয়ে তো পয়সা খোয়াচ্ছ, ফল কতটুক হবে? লালন - পালন করা - এ বাজারে সংসার লালন - পালন করা বড়ই কঠিন। ইতস্তত করা - যা করবার করে ফেল, এত ইতস্তত কর কেন? ভাড়া করা - পায়ে হেঁটে এতদূর যাওয়া যাবে না, রিক্সা করে যেতে হবে। সাহায্য করা - ভেব না, আমি তোমাকে সাহায্য করব।কড়া নির্মম – কুলি - মজুরদের সঙ্গে কড়া আচরণ করা ঠিক না। রন্ধনপত্র - এত ছোট কড়ায় কাজ হবে না। কপর্দক - এত সম্পত্তির মালিক ছিলেন তিনি অথচ এখন এক কড়া সম্পত্তিও তার নেই। দরজার হাতল - দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে তার ঘুম ভেঙে গেল। দৃঢ় চরিত্রের অধিকারী - অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি বড়েই কড়া।কাঁচা অপক্ব - কাঁচা আমের স্বাদই আলাদা। অদক্ষ - তোমার এ কাঁচা হাতের লেখা অনেকেই বুঝবে না। অসিদ্ধ – মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ হয়নি, কাঁচাই রয়েছে। মাটির তৈরি – বন্যায় বহু কাঁচা ঘর - বাড়ি ভেসে গেছে। অশুষ্ক - এ রকম কাঁচা কাঠ দিয়ে রান্না হবে না। কাল - চল্লিশের উপরে বয়স অথচ চুল তার কাঁচাই রয়েছে। অপরিণিত - এ কাঁচা বয়সে মেয়েটাকে বিয়ে দেয়া ঠিক হয়নি।কাল সময় - তাকে দেখতে চাইলে আর কালক্ষেপণ করা ঠিক হবে না। আগামীদিন, গতদিন - আমি আগামীকাল বাড়ি যাব। অবস্থা - এখন শৈশবকালের কথাই বেশি মনে পড়ে। সর্বনাশের কারণ - রাজনীতিই তার জন্য কাল হয়ে এল। মৃত্যু – ভয়াবহ এইডস মানুষের জন্য কাল হয়ে এসেছে।কর্ম কাজ - কর্মের নেশায় সে পাগল হয়ে উঠেছে। অদৃষ্ট - কর্মফলকে অস্বীকার করবে কি করে? পেশা - এ কর্মে তার মন ভরছে না। কর্তব্য - কর্মই ধর্ম, কর্মই মুক্তি। অনুষ্ঠান - বিবাহের ক্রিয়াকর্মে অনেক টাকার প্রয়োজন। সামর্থ্য - ছেলেটি কোন কর্মের নয়।কাটা খন্ডিত করা - আমগুলো কেটে আন। অপমানিত হওয়া - তার আচার - আচরণ দেখে লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল। সাঁতার কাটা – কতদিন হয় নদীতে সাঁতার কাটি না। খনন করা - পুকুর কেটে মাছের চাষ কর। বাজারে চলন - বইমেলায় নির্মলেন্দু গুণের বইয়ের বেশ কাটতি। চ্যুত হওয়া - সাবধানে গান গেও যাতে তাল না কেটে যায়। লজ্জিত হওয়া - তোমাকে জিভ কাটতে দেখেই বুঝে ফেলেছি যে তুমি লজ্জা পেয়েছ।কান্ড গাছের অংশ - বট গাছের বিশাল কান্ড থাকে। সাধারণ বিবেচনা - কান্ডজ্ঞান থাকলে কি সে একাজ করে? অধ্যায় - উপন্যাসটি কয়েক কান্ডে বিভক্ত। বিষয় - ছেলেদের কান্ড দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না। ব্যাপার - কি কান্ড বলতো দেখি?গা শরীর - গায়ে জ্বর আছে, গোসল করো না। ওঠা – অনেক ঘুমিয়েছ, এবার গা তুলো। আরাম করা - এভাবে কতদিন আর গায়ে ফুঁ দিয়ে চলবে। অত্মগোপন করা - এতগুলো টাকা মেরে সে গা ঢাকা দিল। গ্রাহ্য করা - কাজটি করে দেবার জন্য তোমাকে এত করে বলছি অথচ তুমি মোটেই গা করছ না। স্বস্তি পাওয়া - কালা জাহাঙ্গীর ধরা পড়েছে জেনে গা জুড়ালো।গরম উষ্ণ – এত গরম পড়েছে যে টেকাই দায়। উত্তপ্ত – দুথটুকু গরম করে আন। মসলা – মাংস পাকাতে হলে গরম মসলা প্রয়োজন। উগ্র - সাধারণ কথায় এমন গরম হও কেন? পশমি কাপড় - শীত না নামতেই বাজারে গরম কাপেড়ের ছড়াছড়ি। ধনের বড়াই - সামান্য কয়টা টাকা কামাই করেই এত গরম দেখাচ্ছ।গলা শরীরের বিশেষ প্রত্যজ্ঞ –জিরাফের গলা লম্বা। উচ্চকণ্ঠ - সামান্য কয়টা টাকার জন্য এত বড় গলায় কথা বলছেন কেন? নিষ্ফল বক্তৃতা - গলাবাজি করলেই ভোট পাওয়া যায় না। ধিক্বারসূচক উক্তি - আর কিছু না পার, তো গলায় দড়ি দিয়ে মর। গম্ভীর – প্রিন্সিপাল স্যারের ভারী গলা আমাদের ভয় ধরিয়ে দেয়। অধিক মূল্য হাঁকা - ঈদের বাজারে জিনিসপত্রের গলাকাটা দাম থাকে।গুণ উৎকর্ষ - সে কোন গুণেরই না, একেবারে অপদার্থ। পূরণ – দুই কে দুই দিয়ে গুণ করলে চার হয়। রজ্জু/রশি - বাতাস পড়ে যাওয়ায় মাঝিরা গুণ টানছে। বিশিষ্ট ধর্ম - লবণের সাথে চিনি মেশালে লবণের গুণ নষ্ট হয়। সুফল - বিদ্যাগুণে আজ সে এত বড় হয়েছে।ঘন গাঢ় – রক্তের উচ্চচাপ থাকলে ঘন দুধ না খাওয়াই ভালো। নিবিড় – আমাজান অববাহিকায় ঘন বন রয়েছে। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ও উচ্চতার পরিমাণ - কক্ষটির ঘনফল নির্ণয় কর। মেঘ – ’নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাঁই আর নাহিরে। অল্প সময়ের ব্যবধান – সে এত ঘন ঘন আসছে কেন?চাল চাউল - চাউলের দাম তেমন কমেনি। ফন্দি – যে চাল চেলেছ, সে না এসে কি পারে? আশ্রয় - ঐ চালচুলোহীন ছেলের হাতে মেয়েকে তুলে দিতে চাও? ঘরের ছাদ - টর্নেডোতে বহুঘরের চাল উড়ে গেছে। ব্যবহার - তাঁর চালচলন দেখেই বোঝা যায়, তিনি বনেদি ঘরের সন্তান। অহঙ্কার – খুব হয়েছে, আর বনেদি চাল দেখিও না।চোখ বুদ্ধি হওয়া - যাক কর্তাবাবুর চোখ তাহলে এতদিনে খুলেছে। রোগ বিশেষ – সাবধানে থেকো - অনেকেরই কিন্তু চোখ উঠেছে। ভয় দেখানো – এখনকার দিনে চোখ রাঙানিতে ফায়দা হয় না। লজ্জাহীনতা - তুমি তো চোখের মাথা খেয়েছ, কিছুই দেখছ না। খেয়াল রাখা - ছেলেটার উপরে একটু চোখ রাখবেন, যেন দুষ্টুমি না করে।ছল দোষ - কথার ছল ধরাটা তার পুরনো অভ্যাস। ছলনা - তোমার এ ছলচাতুরী একদিন ধরা পড়ে যাবে। কপট – সে যে এত বড় ছল, তা অগে জানতাম না। প্রসঙ্গ – কিছু মনে করে না, এমনি কথাচ্ছলে একথা বললাম। উদ্দেশ্য – গুপ্তচরটি কোন না কোন ছলে ফকির সেজেছে।ছোট ক্ষুদ্র – ‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে।’ কনিষ্ঠ –সে আমার ছোট ভাই। নম্র – বড় হতে চাইলে অগে ছোট হতে হয়। নীচ – ছিঃ! এত ছোট মন তোমার। অনধিকার চর্চা – ছোটমুখে বড় কথা মানায় না।জোর উদাত্ত – তিনি জোর গলায় ঘেষণা করলেন যে, তিনি সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন। শক্তি – জোর যার মুল্লুক তার। জবরদস্তি –মামুনের দোকান থেকে চাঁদাবাজরা জোর করে পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে গেল। আস্ফালন - গলার জোর দেখাও কেন? তোমাকে আমি ডরাই নাকি। দ্রুত – জোর কদম, চলরে চল।জাল নকল - এ জাল দলিল আমি মানি না। মায়া, ছল - জুয়েল আইচের ইন্দ্রজালে কে না অভিভূত হয়? ফাঁদ – জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরে। কপট – জাল পীরের খপ্পরে পড়ে তার সর্বনাশ হয়েছে। মারপাঁচ – তার বুদ্ধির জ্বালে আমি জড়িয়ে গেছি।তাল মাত্রাজ্ঞান – লোকটির গলা ভালো কিন্তু তাল বোধ একদম নেই। ভারসাম্য – সংসারের ঝামেলায় আর তাল সামলাতে পারছি না। ফলবিশেষ – তালের পিঠা বেজায় মিঠা। পাল্লা দেয়া - খামাখা তালাতালি করো না, ওর সাথে তোমরা পারবে না। মার – তাড়াতাড়ি সরে পড়, নইলে পিঠের উপর কিন্তু তাল পড়বে?তোলা ব্যবসায় গুটানো – ধার দেনা যেভাবে পড়ে গেছে, দোকানপাট না তুলে উপায় নেই। প্রহার – যখন - তখন ছেলের গায়ে হাত তোল না। মারা যাওয়া – অনেক বয়স হয়েছে লোকটির, যে কোন সময় তিনি পটল তুলতে পারেন। আলস্য প্রকাশ করা – ঘন ঘন হাই তুলছ কেন? ঘুমাতে যাবে নাকি? উথাপন করা - এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা সভায় তোলা হলো না কেন? সমাজভুক্ত করা - অনেক চেষ্টা করেও তাকে আমরা জাতে তুলতে পারিনি।দল রাজনৈতিক দল –বাংলাদেশে বহু রাজনৈতিক দল রয়েছে। ফুলের অংশ - দল, ফুলের একটি অংশ। গোষ্ঠী, সম্প্রদায় – মুসলমানেরা দল বেঁধে ঈদগায় যায়। সমূহ – তরুণ দলের উপর দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। জলজ তৃণ - অরক্ষিত জলাশয়গুলো দলে পরিপূর্ণ থাকে।দণ্ড খাঁচার দুয়ার – পিঞ্জর দণ্ডে বসে টিয়া পাখি শিস দিচ্ছে। লাঠি – দণ্ডের আঘাতে তার মাথা দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। ন্যায় – সৃষ্টিকর্তা তার ন্যায় দণ্ড আমাদের প্রত্যেকের উপর অর্পণ করেছেন। শাস্তি – এ কাজের জন্য তোমার কঠিন দণ্ড হবে। ২৪ মিনিট কাল সময় - তোমাকে তিলেক দণ্ড না দেখলে আমি অস্থির হয়ে যাই।নাম আখ্যা – কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন। খ্যাতি – লেখাপড়া শিখে যখন বড় হবে, তখন তোমার অনেক নাম হবে। পরিচয় –আপনার নাম কি? শপথ – আল্লাহ্’র নামে বলছি, আপনাকে আমি সাহায্য করব। স্মরণ - ওই ‘নাম’ জপলে মুক্তি পেয়ে যাবে। শব্দ মাত্র – সে নামেই নেতা, কামে নয়।নাক নাসিকা - নিঃশ্বাস - প্রশ্বাসের জন্য নাক একটি অপরিহার্য অঙ্গ। দ্রুত খাওয়া - নাকে মুখে না গুঁজলে ট্রেনটা নিশ্চিত ফেল করতাম। সাজা – কতবার যে নাকে খত দিয়েছ তার হিসাব আছে। নির্ভাবনা - নাকে তেল দিয়ে ঘুমালে চলবে না, সাবধান থাকতে হবে। শব্দ – সে ঘুমানো মাত্রই নাক ডাকে।পাকা পরিপক্ব - পাকা জাম খেতে মিষ্টি। খাঁটি – পাকা সোনায় খাদ থাকে না। অভিজ্ঞ – তিনি একজন পাকা লোক। দক্ষ – বুলবুল একজন পাকা খেলোয়াড়। স্থায়ী – শাড়িটির রং পাকা। সাদা – কী ব্যাপার, তোমার সব চুল দেখি পেকে যাচ্ছে। নিপুণ – তোমার মা রান্না - বান্নায় খুবই পাকা। বখাটে – ছেলেটা অল্প দিনেই পেকে গেছে। ইটের তৈরি – শহরের অধিকাংশ লোক পাকা বাড়িতে বাস করেন।পড়া পাল্লায় পড়া - বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে ফেরদৌসের জীবন আজ অন্ধকার। পঠন – মা এক ঘণ্টা ধরে কুরআন পড়ছেন। চেষ্টা করা – উঠে পড়ে লাগ, পরীক্ষায় অবশ্যই ভালো করবে। নতিস্বীকার - তোমার পায়ে পড়ি, এবারের মতো আমাকে রেহাই দাও। খরচ পড়া – অলঙ্কারগুলো বানাতে অনেক খরচ পড়েছে। প্রয়োজন হওয়া – আমার অত গরজ পড়েনি যে তাকে ডাকতে হবে। আটকে যাওয়া – তার ফাঁদে যদি একবার পড়, তাহলে আর নিস্তার নেই।পা তোষামোদ – এই আপনার পায়ে ধরে বলছি হুজুর, আপনার কথার অন্যথা হবে না। অঙ্গ বিশেষ – পা দুখানা হারিয়ে সে একেবারে পঙ্গু হয়েছে। অবঙ্গা করা - হাতের লক্ষীকে পায়ে ঠেলে দিও না। চাটুকার – সে তো চৌধুরী সাহেবের পা - চাটা কুকুর। অনুনয় করা – তোমার দুটি পয়ে পড়ি, কাজটি আমায় করে দাও।ফল পরিণতি –যে অন্যায় তুমি করেছ, এর ফল শুভ হবে না। ফলমূল – কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। পরীক্ষার ফলাফল – রীতিমত লেখাপড়া না করলে, পরীক্ষায় ভাল ফল করবে কি করে? উন্নতি – বনায়ন কর্মকান্ডে অংশ নাও, ফল দেবে। লাভ – অনুরোধে কোন ফল হবে না।বুক গর্ব করা – কোন রকমের একটা পাস দিয়েই নাসির বুক ফুলিয়ে হাঁটছে। সাহস – বড় সাহেবের মুখের উপর সত্য কথাটা বলতে পারলে? বুকের পাটা আছে তোমার। মন শক্ত করা – বুকে সাহস নিয়ে জীবন সংগ্রামে এগিয়ে যাও। হৃদয় বিদীর্ণ হওয়া – তার বুক ফাটা আর্তনাদ আমি সহ্য করতে পারিনি। সাহায্য করা – ভাইকে দূরে রেখ না, তোমার বিপদে সেইতো বুক পেতে দিবে।বড় ভালো – তোমার বাবা বড় ভালো লোক ছিলেন। ধনী – প্রামাণিক সাহেব হলেন এ তল্লাটের বড়লোক। জ্যেষ্ঠ – তিনি আমার চেয়ে বয়সে বড়। বিখ্যাত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একজন বড় রাজনীতিবিদ ছিলেন। উদার – তার সঙ্গে পরিচয় হলেই তুমি জানতে পারবে, তিনি কত বড় মনের অধিকারী। বিশাল – পৃথিবীটা অনেক বড়। অসাধারণ – তিনি একজন বড় মাপের লোক। অত্যন্ত – বড় বিপদে পড়ে তোমার কাছে এসেছি। বিশেষ – সামনেই বড় দিনের ছুটি।ভালো সুন্দর –শুধু রূপে ভালো হলে চলবে না, গুনে ভালো হওয়া চাই। শুভ – আমি তোমার ভালো চাই। সুস্থ – আমি ভালো আছি। সৎ - ভালো লোক হয়েও তিনি এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারলেন না। উত্তম আচরণ - তোমার আছ থেকে আমি ভালো ব্যবহার আশা করেছিলাম। সরল – জাকির সাহেব বেশ ভালো লোক।ভার বিষাদ – মুখ ভার করে থেকো না, একটু হাস। ওজন – এটুকু ছেলের মাথায় এত ভার দিয়েছ কেন? গুরুত্ব – আজকাল সমাজপতি হওয়া সহজ নয়, ধারেও কাটা চাই ভারেও কাটা চাই। কঠিন – এ ঊর্ধ্বগতির বাজারে, চলা বড় ভার। সমূহ – অসংখ্য মেঘের ভারে সারাটা আকাশ আচ্ছন্ন। দায়িত্ব – আমার ওপর এ কাজের ভার দেয়া হোক।ভুল অন্যায় – ভুল করেছ, শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে। ভ্রম – সব মানুষেরই কিছু কিছু ভুল থাকে। খারাপ – তোমার প্রতি আমার এতদিন ভুল ধারণা ছিল। অযথার্থ – ভালো কলে প্রশ্ন পড়ে নাও, ভুল উত্তর দিও না। বিস্মৃতি – সে আজ ভুলের অতল তলে ডুবে গেছে।ভাব চিন্তা – কবিতা লেখার আগে কবিরা ভাবে মগ্ন হন। মর্মার্থ – কবিতাটির ভাবার্থ লেখ। সম্প্রীতি –এ ক্লাসের ছাত্র - ছাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট ভাব রয়েছে। অভিপ্রায় – তোমার ভাবগতিক কিছুই বুঝতে পারছি না। কুমতলব – লোকটার প্রতি লক্ষ রেখ, ভাবগতিক সুবিধার মনে হচ্ছে না। উন্মাদনা – গান শুনতে শুনতে তোমার ভাব লাগল নাকি?মোটা স্থূল – এমন মোটা বুদ্ধি নিয়ে এ কাজ করা সম্ভব নয়। উচ্চৈঃস্বর – চাকর - বাকরকে ডাকার সময় স্বর একটু মোটাই হয়। প্রচুর – মোটা অঙ্কের ধার নিয়েতো মেয়ে বিয়ে দিচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? বড় আকৃতি – আমার মামা একজন মোটা লোক। সাধারণ – কৃষকের জন্য মোটা ভাত মোটা কাপড়ই যথেষ্ট। খারাপ – কাউকে মোটা কথা বলা ঠিক নয়। অমৃসণ – কৃষক বধূরা মোটা কাপড় পরিধান করে।
'বিয়েপাগলা' শব্দটি কোণ সমাস ?
Correct Answer:
খ: তৎপুরুষ
Explanation:
'বিয়েপাগলা' শব্দটি কোণ সমাস ? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি, আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা, বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি, বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা ইত্যাদি।
রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম-
Correct Answer:
ক: গৌড়ীয় ব্যকরণ
Explanation:
রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম- সঠিক উত্তর গৌড়ীয় ব্যকরণ গৌড়ীয় ব্যাকরণ বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়, প্রকাশিত ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ। এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন। গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচিত হয় তৎকালীন স্কুল - বুক সোসাইটির অভিপ্রায়ে এবং ছাত্রদের পাঠোপযোগী করে।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Correct Answer:
গ: সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
Explanation:
কোন বাক্যটি শুদ্ধ? সঠিক উত্তর সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়-
Correct Answer:
খ: প্রাদিপাদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়- সঠিক উত্তর প্রাদিপাদিক বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয় - প্রাতিপাদিক প্রাতিপাদিকবিভক্তিহীন নাম - প্রকৃতি বা সাধিত শব্দকে এবং বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত ধাতু বা ক্রিয়া - প্রকৃতিকে প্রাতিপাদিক বলে। সংক্ষেপে বল্লে, প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়ের যোগে যে শব্দ বা ধাতু গঠিত হয় তার নাম প্রাতিপাদিক। 'প্রাতিপাদিক' মানে যা দিয়ে শুরু করা হয়। নাম - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়হীন কংবা বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত নাম - প্রকৃতিকে নাম প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - দোকান + দার = দোকানদার + কে = দোকানদারকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়যুক্ত ধাতু - প্রকৃতিকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - কর্ + অ = করা + কে = করাকেবাংলা ধাতুর গণবাংলা ভাষার সমস্ত ধাতুকে ২০টি গণে ভাগ করা হয়েছে। যথা: - ক্রমিক নং ধাতুগণ উদাহরণ ১ হ - আদিগণ হ (হওয়া), ল (লওয়া) ইত্যাদি। ২ খা - আদিগণ খা (খাওয়া), ধা (ধাওয়া), পা (পাওয়া), যা (যাওয়া) ইত্যাদি। ৩ দি - আদিগণ দি (দেওয়া), নি (নেওয়া) ইত্যাদি। ৪ শু - আদিগণ চু (চোঁয়ানো), নু (নোয়ানো), ছু (ছোঁয়া) ইত্যাদি। ৫ কর্ - আদিগণ কর্ ( করা), কম্ (কমা), গড় (গড়া), চল (চলা) ইত্যাদি। ৬ কহ্ - আদিগণ কহ্ (কহা), সহ্ (সহা), বহ্ (বহা) ইত্যাদি। ৭ কাট্ - আদিগণ গাঁথ্, চাল্, আক্, বাঁধ্, কাঁদ্ ইত্যাদি। ৮ গাহ্ - আদিগণ চাহ্, বাহ্, নাহ্ (নাহান>স্নান) ইত্যাদি। ৯ লিখ্ - আদিগণ কিন্, ঘির্, জিত্, ফির্, ভিড়্, চিন্ ইত্যাদি। ১০ উঠ্ - আদিগণ উড়্, শুন্, ফুট্, খুঁজ্, খুল্, ডুব্, তুল্ ইত্যাদি। ১১ লাফা - আদিগণ কাটা, ডাকা, বাজা, আগা (অগ্রসর হওয়া) ইত্যাদি। ১২ নাহা - আদিগণ গাহা ইত্যাদি। ১৩ ফিরা - আদিগণ ছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ইত্যাদি। ১৪ ঘুরা - আদিগণ উঁচা, লুকা, কুড়া (কুড়াচ্ছে) ইত্যাদি। ১৫ ধোয়া - আদিগণ শোয়া, খোঁচা, খোয়া, গোছা, যোগা ইত্যাদি। ১৬ দৌড়া - আদিগণ পৌঁছা, দৌড়া ইত্যাদি। ১৭ চটকা - আদিগণ সমঝা, ধমকা, কচলা ইত্যাদি। ১৮ বিগড়া - আদিগণ হিচড়া, ছিটকা, সিটকা ইত্যাদি। ১৯ উলটা - আদিগণ দুমড়া, মুচড়া, উপচা ইত্যাদি। ২০ ছোবলা - আদিগণ কোঁচকা, কোঁকড়া, কোদলা ইত্যাদি।
'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায়-
Correct Answer:
গ: ঊষর
Explanation:
'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায়- সঠিক উত্তর ঊষর 'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায় - ঊষরযে নারীর কোনাে সন্তান হয় না - বন্ধ্যাযাতে (যে জমিতে) শস্যের ফলন ভালো হয় না - অনুর্বরএক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যাবহৃত হয়?
Correct Answer:
ক: বিপরীত
Explanation:
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যাবহৃত হয়? সঠিক উত্তর বিপরীত 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যাবহৃত হয়। উপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”উপসর্গের প্রকারভেদউপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।বাংলা উপনর্গসংস্কৃত উপসর্গবিদেশি উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি; যথা - উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত উদাহরণ ১ প্র প্রকৃষ্ট/ সম্যক অর্থে প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত খ্যাতি " প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব আধিক্য " প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার গতি " প্রবেশ, প্রস্থান ধারা - পরম্পরা বা অনুগামিত " প্রপৌত্র, প্রশাখা, প্রশিষ্য ২ পরা আতিশয্য " পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ বিপরীত " পরাজয়, পরাভব ৩ অপ বিপরীত " অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ নিকৃষ্ট " অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ, অপব্যয় স্থানান্তর " অপসারণ, অপহরণ, অপনোদন বিকৃতি " অপমৃত্যু ৪ সম্ সম্যক রূপে " সম্পূর্ণ, সমৃদ্ধ, সমাদর সম্মুখে " সমাগত, সম্মুখ ৫ নি নিষেধ " নিবৃত্তি নিশ্চয় " নিবারণ, নির্ণয় আতিশয্য " নিদাঘ, নিদারুণ, নিগূঢ় অভাব " নিষ্কলুষ, নিষ্কাম ৬ অব হীনতা, প্রতিকূল " অবজ্ঞা, অবমাননা সম্যকভাবে " অবরোধ, অবগাহন, অবগত নিম্নে, অধোমুখিতা " অবতরণ, অবরোহণ, অবলম্বন অল্পতা " অবশেষে, অবসান, অবেলা ৭ অনু পশ্চাৎ " অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ সাদৃশ্য " অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকার পৌনঃপুন " অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন সঙ্গে " অনুকূল, অনুকম্পা ৮ নির অভাব " নিরক্ষর, নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন নিশ্চয় " নির্ধারণ, নির্ণয়, নির্ভর বাহির, বহির্মুখিতা " নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন ৯ দুর মন্দ " দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম কষ্টসাধ্য " দুর্লভ, দুর্গম, দুরতিক্রম্য, দুর্মূল্য ১০ বি বিশেষ রূপে " বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক অভাব " বিনিদ্র,বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল গতি " বিচরণ, বিক্ষেপ অপ্রকৃতস্থ " বিকার, বিপর্যয় ১১ সু উত্তম " সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয়, সুনীল সহজ " সুগম, সুসাধ্য, সুলভ আতিশয্য " সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ১২ উৎ ঊর্ধ্বমুখিতা " উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন আতিশয্য " উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন প্রস্তুতি " উৎপাদন, উচ্চারণ অপকর্ষ " উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট ১৩ অধি আধিপত্য " অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী উপরি " অধিরোহণ, অধিষ্ঠান ব্যাপ্তি " অধিকার, অধিবাস, অধিগত ১৪ পরি বিশেষ রূপে " পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন শেষ " পরিশেষ, পরিসীমা সম্যক রূপে " পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ চতুর্দিক " পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল, পরিক্রমণ ১৫ প্রতি সদৃশ " প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি বিরোধ " প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী পৌনঃপুন " প্রতিদিন, প্রতিমাস অনুরূপ কাজ " প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার ১৬ উপ সামীপ্য অর্থে " উপকূল, উপকণ্ঠ সদৃশ " উপদ্বীপ, উপবন ক্ষুদ্র " উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা বিশেষ " উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ ১৭ অভি সম্যক " অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত গমন " অভিযান, অভিসার সম্মুখ বা দিক " অভিমুখ, অভিবাদন ১৮ অতি আতিশয্য " অতিকায়, অত্যাচার, অতিশয় অতিক্রম " অতিমানব, অতিপ্রাকৃত ১৯ আ পর্যন্ত " আকণ্য, আমরণ, আসমুদ্র ঈষৎ " আরক্ত, আভাস বিপরীত " আদান, আগমন ২০ অপি যদি " অপিচ (যদিও) (প্রাচীন বাংলা), অপিনিহিতি খাঁটি বাংলা উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - উপসর্গ অর্থদ্যোতকতা উদাহরণ ১ অ নিন্দিত অর্থে অকেজো, অচেনা, অপয়া অভাব " অচিন, অজানা, অথৈ ক্রমাগত " অঝোর, অঝোরে ২ অঘা বোকা " অঘারাম, অঘাচণ্ডী ৩ অজ নিতান্ত (মন্দ) " অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর ৪ অনা অভাব " অনাবৃষ্টি, অনাদর ছাড়া " অনাছিষ্টি, অনাচার অশুভ " অনামুখো ৫ আ অভাব " আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি বাজে, নিকৃষ্ট " আকাঠা, আগাছা ৬ আড় বক্র " আড়চোখে, আড়নয়নে আধা, প্রায় " আড়ক্ষ্যাপা, আড়মোড়া, আড়পাগলা বিশিষ্ট " আড়কোলা (পাথালিকোলা), আড়গড়া (আস্তাবর), আড়কাঠি ৭ আন না " আনকোরা বিক্ষিপ্ত " আনচান, আনমনা ৮ আব অস্পষ্টতা " আবছায়া, আবডাল ৯ ইতি এ বা এর " ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে পুরনো " ইতিকথা, ইতিহাস ১০ ঊন (ঊনু, ঊনা) কম " ঊনপাঁজুরে, উনিশ (উন + বিশ), ঊনাভাত ১১ কদ্ নিন্দিত " কদবেল, কদর্য, কদাকার ১২ কু কুৎসিত, অপকর্ষ " কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ ১৩ নি নাই, নেতি " নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট, নিনাইয়া ১৪ পাতি ক্ষুদ্র " পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ১৫ বি ভিন্নতা, নাই বা নিন্দনীয় " বিভূঁই, বিফল, বিপথ ১৬ ভর পূর্ণতা " ভরপেট, ভরসাঁঝ, ভরপুর, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যে ১৭ রাম বড় বা উৎকৃষ্ট " রামছাগল, রামদা, রামশিঙ্গা, রামবোকা ১৮ স সঙ্গে " সরাজ, সরব, সঠিক, সজোর, সপাট ১৯ সা উৎকৃষ্ট " সাজিরা, সাজোয়ান ২০ সু উত্তম " সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুনাম, সুকাজ ২১ হা অভাব " হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে আ, সু, বি, নি— এই চারটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষায়ও পাওয়া যায়। ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এই চারটি উপসর্গ বাংলা না সংস্কৃত তা নির্ধারণ করা হয়। বাংলা উপসর্গ সর্বদাই বাংলা শব্দের আগে এবং সংস্কৃত উপসর্গ সর্বদাই সংস্কৃত শব্দের আগে বসে।বিদেশী উপসর্গআরবি, ফারসি, ইংরেজি ও উর্দু - হিন্দি— এইসব ভাষার উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন—(ক) ফার্সি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. কার্ کار কাজ অর্থে কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ২. দর্ در মধ্যস্থ, অধীন " দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান, দরখাস্ত ৩. না نا না " নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক ৪. নিম্ نیم আধা " নিমরাজি, নিমখুন, নিমমোল্লা ৫. ফি فی প্রতি " ফি - রোজ, ফি - হপ্তা, ফি - বছর, ফি - সন, ফি - মাস ৬. বদ্ بد মন্দ " বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম, বজ্জাত, বদহাল, বদবখ্ত ৭. বে بی না " বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেহায়া, বেনজির, বেগতিক, বেতার, বেকার, বেশরম, বেতমিজ ৮. বর্ بر বাইরে, মধ্যে " বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ ৯. ব্ ب সহিত " বমাল, বনাম, বকলম, বহাল ১০. কম্ کم স্বল্প " কমজোর, কমবখ্ত, কমআক্কেল, কমপোখ্ত ১১. দস্ত دست নিজ " দস্তখত ১২. সে سه তিন " সেতার, সেপায়া (খ) আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. আম্ عام সাধারণ অর্থে আমদরবার, আমমোক্তার ২. খাস্ خاص বিশেষ " খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল ৩. লা لا না " লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ৪. গর্ غير অভাব " গরমিল, গরহাজির, গররাজি ৫. বাজে بعض বিবিধ অপ্রয়োজনীয় " বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা ৬. খয়ের خير ভালো " খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী) (গ) ইংরেজি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. ফুল Full পূর্ণ অর্থে ফুল - হাতা, ফুল - শার্ট, ফুল - বাবু, ফুল - প্যান্ট, ফুল - মোজা ২. হাফ Half আধা " হাফ - হাতা, হাফ - টিকেট, হাফ - স্কুল, হাফ - প্যান্ট, হাফ - নেতা ৩. হেড Head প্রধান " হেড - মাস্টার, হেড - অফিস, হেড - পণ্ডিত, হেড - মৌলভি ৪. সাব Sub অধীন " সাব - অফিস, সাব - জজ, সাব - ইন্সপেক্টর (ঘ) উর্দু - হিন্দি উপসর্গ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে উদাহরণ হর حر हर প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা, হরেক রকম (বিভিন্ন), হরেক আদমি (প্রত্যেক)
কোনটি বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
Correct Answer:
ক: পাবক
Explanation:
কোনটি বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ নয়? সঠিক উত্তর পাবক বায়ু শব্দটির সমার্থক শব্দ বা পতিশব্দ দেওয়া হয়েছে।পবনমলয়সমীরসমীরণঅনিলমরুৎমারুতবাতবায়পবমানসদাগতিনভঃশ্বাসঅগ্নিসখবহ্নিসখজগতায়ুজগৎপ্রাণজগদ্বলগন্ধবহগন্ধবাহপ্রবঞ্জনবাতাসশব্দবহহাওয়া
'ক্ষ' - এর বিশ্লিষ্ট রুপ-
Correct Answer:
ক: ক + ষ
Explanation:
'ক্ষ' - এর বিশ্লিষ্ট রুপ- সঠিক উত্তর ক + ষ ক্ষ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত একটি বর্ণ যদিও এটি কোন স্বতন্ত্র বর্ণ নয়। এটি একটি যুক্ত বর্ণঃ ক + ষ = ক্ষ ।
নিচের কোনটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি?
Correct Answer:
ঘ: চ
Explanation:
নিচের কোনটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি? সঠিক উত্তর চ অঘোষ ধ্বনি আছে ১৪টি (প্রতিবর্গের ১ম ও২য় ধ্বনি + ঃ,শ, ষ, স)ঘোষ ধ্বনি আছে ১১টি (প্রতিবর্গের ৩য় ও৪র্থ ধ্বনি + হ)অল্পপ্রাণ ধ্বনি আছে ১৩টি (প্রতিবর্গের ১মও ৩য় ধ্বনি + শ, ষ, স)মহাপ্রাণ ধ্বনি আছে ১১টি (প্রতিবর্গের ২য়ও ৪র্থ ধ্বনি + হ)