16th (Special) BCS Preliminary Test (Education) MCQs
Showing 50 questions (Total: 93)
Which of the following sentences is a correct proverd ?
Correct Answer:
A: Fools rush in where angels fear to tread
Explanation:
Which of the following sentences is a correct proverd ? Correct Answer Fools rush in where angels fear to tread বর্ণনাঃ "Fools rush in where angels fear to tread" একটি প্রবাদ। এসব proverbs এর কোনো ধরনের পরিবর্তন করা যায়না। এর ভাবানুবাদ হলো "হাতি ঘোড়া গেল তল, পিঁপড়ে বলে কত জল ।"
In which century was the Victorian period?
Correct Answer:
C: 19th century
Explanation:
In which century was the Victorian period? Correct Answer 19th century Victorian period - 19th century.
The correct passive of 'Sheila was writing a letter' is-
Correct Answer:
C: A letter was being written by Sheila
Explanation:
The correct passive of 'Sheila was writing a letter' is- Correct Answer A letter was being written by Sheila Active Sen: কে Passive করার নিয়ম Subject (object) + helping verb + being + verb (p.p form) + by + object (subject)
Something which is obnoxious means that it is ---
Correct Answer:
D: very unpleasent
Explanation:
Something which is obnoxious means that it is --- Correct Answer very unpleasent Obnoxious - very unpleasant (Used as an adjective) Example: The people at my table were so Obnoxious, I simply had to change my seat.
A person who writes about his own life writes ---
Correct Answer:
B: an autobiography
Explanation:
A person who writes about his own life writes --- Correct Answer an autobiography 122. A person who writes about his won life writes - - - An autobiography.
A fantasy is ---
Correct Answer:
A: an imaginary story
Explanation:
A fantasy is --- Correct Answer an imaginary story Fantasy is defined as a product of the imagination, particularly one that is defined as extravagant. An example of fantasy is a daydream to be the owner of a chain of restaurants one day.
The word 'imbibe' means ---
Correct Answer:
C: to drink
Explanation:
The word 'imbibe' means --- Correct Answer to drink Imbibe - to drink
An Ordinance is ---
Correct Answer:
D: a law
Explanation:
An Ordinance is --- Correct Answer a law ordinance: Law Religion noun (FORMAL) an authoritative order. Similar: edict decree law injunction fiat command order
Three score is ---
Correct Answer:
C: three times twenty
Explanation:
Three score is --- Correct Answer three times twenty 125. Three scores is - - - 3 times 20
Shakespeare is known mostly for his---
Correct Answer:
D: plays
Explanation:
Shakespeare is known mostly for his--- Correct Answer plays 121. Shakespeare is known mostly for his - - - plays.
something that is 'fresh' is something ---
Correct Answer:
B: in fairly good condition
Explanation:
something that is 'fresh' is something --- Correct Answer in fairly good condition Something that is 'fresh' is something - - - in fairly good condition
Which of the following sentences is correct ?
Correct Answer:
B: I forbade him to go
Explanation:
Which of the following sentences is correct ? Correct Answer I forbade him to go Forbade + object + infinitive
A pilgrim is a person who undertakes a journey to a ---
Correct Answer:
A: holy place
Explanation:
A pilgrim is a person who undertakes a journey to a --- Correct Answer holy place Pilgrim অর্থ তীর্থযাত্রী। তাই, A pilgrim is a person who undertakes a journey to a - - - holy place.
The word 'ecological' is related to----
Correct Answer:
C: environment
Explanation:
The word 'ecological' is related to---- Correct Answer environment The word 'Ecological' is related to - Environment.
the synonym of 'genesis' is ---
Correct Answer:
C: beginning
Explanation:
the synonym of 'genesis' is --- Correct Answer beginning The synonym of 'genesis' is - - - beginning
The word 'homogeneous' means ---
Correct Answer:
A: of the same kind
Explanation:
The word 'homogeneous' means --- Correct Answer of the same kind Homogeneous অর্থ সমজাতীয়। অর্থাৎ একই ধরনের।
ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: ১৮৬৪ সালে
Explanation:
ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? সঠিক উত্তর ১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৬৪ সালে। ঢাকা পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৬৪ সালে। স্বাধীন বাংলাদেশে পৌরসভা অধ্যাদেশ জারি হয় ১৯৭৭ সালে। বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ অনুসারে বাংলাদেশের পৌরসভাগুলো প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত।
লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?
Correct Answer:
ক: শায়েস্তা খান
Explanation:
লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে? সঠিক উত্তর শায়েস্তা খান লালবাগের কেল্লা (কিলা আওরঙ্গবাদ) ঢাকার দক্ষিণ - পশ্চিমাঞ্চলে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ।এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৬৭৮ সালে, মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ কর্তৃক, যিনি ছিলেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র এবং পরবর্তীতে নিজেও সম্রাট পদপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তার উত্তরসুরী, মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন, কিন্তু শেষ করেননি
ইয়াল্টা কনফারেন্স কবে অনুষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৯৪৫ সালে
Explanation:
ইয়াল্টা কনফারেন্স কবে অনুষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৪৫ সালে ইয়াল্টা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। ইয়াল্টা সম্মেলন, ক্রিমিয়া সম্মেলন নামে পরিচিত। ১৯৪৫ সালের ৪ - ১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সরকার প্রধানদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বৈঠক হয়েছিল জার্মানি এবং ইউরোপের উত্তরোত্তর পুনর্গঠন। তিনটি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি ছিলেন যথাক্রমে রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং প্রিমিয়ার জোসেফ স্টালিন। লিভাডিয়া, ইউসুপভ এবং ভোরন্টসভ প্যালেসের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়ালটার কাছে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
Explanation:
NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো( North Atlantic Treaty Organization or NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত ৩০টি দেশের একটি সামরিক জোট। এর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেল্সে অবস্থিত। ন্যাটোর দাপ্তরিক ভাষাঃ ইংরেজি ও ফারসি।
বাংলাদেশের লাগা উত্তরে অবস্থিত-----।
Correct Answer:
খ: পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
Explanation:
বাংলাদেশের লাগা উত্তরে অবস্থিত-----। সঠিক উত্তর পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম বাংলাদেশের লাগা উত্তরে অবস্থিত - - - - পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম। ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে। এর ভূখন্ড ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৬১০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর, আর পূর্ব জুড়ে রয়েছে ভারত। পশ্চিমে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় রাজ্য। পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম। তবে পূর্বে ভারত ছাড়াও মিয়ানমারের (বার্মা) সাথে সীমান্ত রয়েছে। দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। বাংলাদেশের স্থল সীমান্তরেখার দৈর্ঘ্য ৪, ২৪৬ কিলোমিটার যার ৯৪ শতাংশ (৯৪%) ভারতের সাথে এবং বাকী ৬ শতাংশ মিয়ানমারের সাথে। বাংলাদেশের তটরেখার দৈর্ঘ্য' ৫৮০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের দক্ষিণ - পূর্বাংশের কক্সবাজার পৃথিবীর দীর্ঘতম সমূদ্র সৈকতগুলোর অন্যতম।
১৯৯৪-এ নববর্ষের দিনে কার নেতৃত্বাধীন বাহিনী কাবুল শহর আক্রমণ করে?
Correct Answer:
গ: আবদুর রশীদ দোস্তাম
Explanation:
১৯৯৪-এ নববর্ষের দিনে কার নেতৃত্বাধীন বাহিনী কাবুল শহর আক্রমণ করে? সঠিক উত্তর আবদুর রশীদ দোস্তাম আবদুর রশীদ দোস্তাম
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) কবে হতে এর কার্যক্রম শুরু করে?
Correct Answer:
ক: ১৯৪৫ সাল হতে
Explanation:
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) কবে হতে এর কার্যক্রম শুরু করে? সঠিক উত্তর ১৯৪৫ সাল হতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ (ইংরেজি: International Monetary Fund, IMF) জাতিসংঘ কর্তৃক অনুমোদিত স্বায়ত্তশাসিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন দেশের মুদ্রামানের হ্রাস - বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা এর প্রধান কাজ। এই সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ২৯টি দেশ চুক্তিতে উপনীত হয়েছিল।[২] এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি. শহরে অবস্থিত। বিভিন্ন দেশের মুদ্রানীতি এবং মুদ্রামানের হ্রাস - বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা এই আন্তজার্তিক সংস্থাটির অন্যতম প্রধান কাজ। এপ্রিল ১২, ২০১৬ইং পর্যন্ত ১৮৯টি রাষ্ট্র এই সংস্থার কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: লর্ড মাউন্টব্যাটেন
Explanation:
উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন? সঠিক উত্তর লর্ড মাউন্টব্যাটেন উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন (২৫ জুন ১৯০০–২৭ আগস্ট ১৯৭৯) ব্রিটিশ নৌ বাহিনী অফিসার ও রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ - এর স্বামী প্রিন্স ফিলিপের মামা। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে ব্রিটিশ সরকার তাকে ভারতের গভর্নর জেনারেল করে পাঠায়। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল।
জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান -----
Correct Answer:
গ: নবম
Explanation:
জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান ----- সঠিক উত্তর নবম UNFPA - এর জনসংখ্যা বিষয়ক রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের নবম জনসংখ্যার দেশ ছিল। UNFPA - এর জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০১৫ - এ বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়ায় অষ্টমে।
অভ্যন্তরীণ কন্টিইনার ডিপো কোথায় অবস্থিত।
Correct Answer:
খ: ঢাকা
Explanation:
অভ্যন্তরীণ কন্টিইনার ডিপো কোথায় অবস্থিত। সঠিক উত্তর ঢাকা দেশের প্রথম ও বৃহত্তম কন্টেইনার ডিপো চট্রগ্রামে অবস্থিত। কিন্তু অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো ঢাকার কমলাপুরে অবস্থিত।
১৯৬৫ সালের আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
Correct Answer:
গ: ১১টি
Explanation:
১৯৬৫ সালের আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল? সঠিক উত্তর ১১টি ১৯৬৫ সালের আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১১টি ছিল। ১৯৪৪ সালের মাঝামাঝি, মিত্র শক্তি জাতিসংঘের কাঠামো ঠিক করার জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে ডাম্বাটন ওকস সম্মেলনে বসেন এবং দ্রুত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনা করেন। চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিলকে ষষ্ঠ স্থায়ী সদস্য করার চেষ্টা করে কিন্তু রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের বিরোধিতায় ভেস্তে যায়। ডাম্বাটন ও পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়াল্টা সম্মেলনে রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ভেটো ক্ষমতা নিয়ে একমত হয়। ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করে সান ফ্রান্সিস্কোতে, যেখানে ৫০ টি দেশ ও অনেক এনজিও অংশগ্রহণ করে, তারা সবাই সেখানে একটি সনদের খসড়া তৈরি করে। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত হয়। ১৯৪৬ সালের ১৭ জানুয়ারি নিরাপত্তা পরিষদ চার্চ হাউস, ওয়েস্টমিনিস্টার, লন্ডন, ইংল্যান্ডে প্রথম অধিবেশনে বসে।
১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা কারা?
Correct Answer:
গ: সালেনকো ও স্টইচকভ
Explanation:
১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা কারা? সঠিক উত্তর সালেনকো ও স্টইচকভ ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা সালেনকো ও স্টইচকভ। ১৯৯৪ ফিফা বিশ্বকাপ ১৭ জুন থেকে ১৭ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৯টি বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হয়। ফিফা বিশ্বকাপের এ আসরটি ছিল ১৫তম। ৪ জুলাই, ১৯৮৮ তারিখে বিশ্ব ফুটবলের প্রধান পরিচালনাকারী সংস্থা ফিফা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাগতিক দেশের মর্যাদা দেয়। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় ইতালিকে পেনাল্টি শ্যুট আউটে পরাজিত করে ব্রাজিল দল প্রথম দেশ হিসেবে চারটি বিশ্বকাপের শিরোপা লাভ করে। বুলগেরিয়ার স্টইচকভ ও রাশিয়ার সালেঙ্কোকে যৌথভাবে ৬ গোল করায় গোল্ডেন বুট পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় রোমারিওকে ৫ গোল করায় গোল্ডেন বল উপহার দেয়া হয়।
কর্কটক্রান্তি রেখা-----
Correct Answer:
গ: বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে
Explanation:
কর্কটক্রান্তি রেখা----- সঠিক উত্তর বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে কর্কটক্রান্তি রেখা - - - - - বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে। কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে?
Correct Answer:
খ: লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
Explanation:
১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে? সঠিক উত্তর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে - লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি বা এলডিপি বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল যা বাংলাদেশের "জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ২০০৮" বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত। ২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ.কিউ, এম, বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারার সাথে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য কর্ণেল অলি আহমেদ ও বিএনপির অন্য ২৪ জন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য একত্রিত হয়ে এই দল প্রতিষ্ঠা করেন। তবে ২০০৭ সালে আদর্শগত কারণে বিকল্প ধারা, এলডিপি থেকে বের হয়ে যায়।
গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে কবে দেশের ক্ষমতা দখল করে?
Correct Answer:
খ: ২২ জুলাই, ১৯৯৪
Explanation:
গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে কবে দেশের ক্ষমতা দখল করে? সঠিক উত্তর ২২ জুলাই, ১৯৯৪ গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতা দখল করে ২২ জুলাই, ১৯৯৪। ১৯৬৫ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর দেশটি একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্র হিসেবে গণ্য হয়। ১৯৯৪ সালে একটি রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা হয় এবং সামরিক নেতা ইয়াহিয়া জাম্মেহ তার স্থান নেন। জাম্মেহ পরবর্তীকালে গাম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হন। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে জামমেহকে পরাজিত করার পরে জানুয়ারী ২০১৭ সালে অ্যাডামা ব্যারো গাম্বিয়ার তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হন।
নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা কবে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন?
Correct Answer:
ক: ৭ জুন, ১৯৯৪
Explanation:
নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা কবে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন? সঠিক উত্তর ৭ জুন, ১৯৯৪ নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন ৭ জুন, ১৯৯৪। নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা ১১ জুন ১৯৯৪ নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষনা করেন।
বাংলাদেশের ১৯৯৪-৯৫ সালের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
Correct Answer:
গ: ১,৮৭৬ কোটি টাকা
Explanation:
বাংলাদেশের ১৯৯৪-৯৫ সালের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত? সঠিক উত্তর ১,৮৭৬ কোটি টাকা ২০১৬ - ১৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ৫২,৯১৪ কোটি টাকা। তবে শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ২৬,৮৫৫ কোটি টাকা।
১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৩ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোট কতগুলো সড়কের নামকরণ করা হয়?
Correct Answer:
খ: ৫টি
Explanation:
১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৩ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোট কতগুলো সড়কের নামকরণ করা হয়? সঠিক উত্তর ৫টি ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৩ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোট ৫টি সড়কের নামকরণ করা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। স্মৃতিসৌধটির স্থপতি মোস্তফা হালি কুদ্দুস। ১৯৯১ সালে ঢাকার রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নামে আরেকটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শুরু হয় যা ১৯৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর নকশা করেন জামী - আল সাফী ও ফরিদউদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু কোনটি?
Correct Answer:
খ: হার্ডিঞ্জ সেতু
Explanation:
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু কোনটি? সঠিক উত্তর হার্ডিঞ্জ সেতু ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন বঙ্গবন্ধু সেতুর উদ্ধোধনের পর থেকে এটি বাংলাদেশের সড়কসহ দীর্ঘতম রেলসেতুর মর্যাদা লাভ করে। অপরদিকে হার্ডিঞ্জ সেতু এককভাবে দীর্ঘতম রেলসেতু।
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় ----
Correct Answer:
ক: ধমনির ভেতর দিয়ে
Explanation:
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় ---- সঠিক উত্তর ধমনির ভেতর দিয়ে ধমনিইন্ট্রাক্রেনিয়াল অ্যানিউরিজমইন্ট্রাক্রেনিয়াল অ্যানিউরিজম (ইংরেজি: Intracranial aneurysm) বা মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজম হচ্ছে এক প্রকার সেরিব্রোভাসকুলার রোগ। এই রোগে মস্তিষ্কের ধমনি বা শিরায় দুর্বলতার সৃষ্টি হয় যার ফলশ্রুতিতে রক্তবাহিকার আক্রান্ত স্থান প্রসারিত হয়ে বেলুনের মতো আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কের পেছনের অংশের রক্তবাহিকায় (বেসিলার ধমনি, ভার্টিব্রাল ধমনি, এবং পোস্টেরিয়র কমিউনিকেটিং ধমনি) সৃষ্ট অ্যানিউরিজমের ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। বেসিলার ধমনির অ্যানিউরিজমের পরিমাণ অন্তঃকরোটির অ্যানিউরিজমগুলোর মধ্যে ৩% - ৫% তবে মস্তিষ্কের পেছনের অংশে থাকা রক্তবাহিকাগুলোর মধ্যে এ ধরনের অ্যানিউরিজম - ই সবচেয়ে প্রচলিত।
চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ১ম দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই ১৯৯৪ তারিখে কতজন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
Correct Answer:
খ: ৩৭৫ জন
Explanation:
চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ১ম দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই ১৯৯৪ তারিখে কতজন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন? সঠিক উত্তর ৩৭৫ জন চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ১ম দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই ১৯৯৪ তারিখে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন ৩৭৫ জন। রোহিঙ্গা - বিতর্কের মধ্যেই হাজোং ও চাকমা উপজাতির শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। পাঁচ দশক আগে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে হাজোং ও চাকমা শরণার্থীরা ভারতে আসে। এদের বেশিরভাগেরই অরুণাচল প্রদেশের শরণার্থী শিবিরে বাস। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে এই দুই উপজাতির শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। টাস্কফোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা, স্থানীয় সরকারের বিভাগীয় পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতিনিধিরা।
উপকূলে কোনো একটি স্থানে পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো---
Correct Answer:
ক: প্রায় ১২ ঘণ্টা
Explanation:
উপকূলে কোনো একটি স্থানে পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো--- সঠিক উত্তর প্রায় ১২ ঘণ্টা চন্দ্র - সূর্যের আকর্ষণ শক্তি, পৃথিবীর কেন্দ্র শক্তি এবং আহ্নিক গতির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক জায়গায় ফুলে ওঠে, আবার অন্য জায়গায় নেমে যায়। সমুদ্র পানির এভাবে ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা পর পর দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা।
চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?
Correct Answer:
গ: চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই
Explanation:
চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন? সঠিক উত্তর চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই শব্দ পরিবহনে জন্যে মাধ্যমের প্রয়োজন। পৃথিবীতে বায়ুমন্ডল এই মাধ্যমের কাজ করে, সহজ কথায় বাতাস হচ্ছে মাধ্যম। চাঁদের অভিকর্ষজ বল খুব দূর্বল, ফলে চাঁদের পরিপূর্ণ বায়ুমন্ডল নেই। সে জন্যে শব্দ পরিবহন সম্ভব নয় । চাঁদে বাতাস নেই, তাই শব্দ সঞ্চারের মাধ্যমও নেই ।
ধূমকেতু শুমেকার লেভী-৯ এর ভাঙ্গা টুকরোটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?
Correct Answer:
খ: ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
Explanation:
ধূমকেতু শুমেকার লেভী-৯ এর ভাঙ্গা টুকরোটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে? সঠিক উত্তর ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ ধূমকেতুধুমকেতু (ইংরেজি: Comet কমেট্) হল ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। ধূমকেতু একটি ক্ষুদ্র বরফাবৃত সৌরজাগতিক বস্তু যা সূর্যের খুব নিকট দিয়ে পরিভ্রমণ করার সময় দর্শনীয় কমা (একটি পাতলা, ক্ষণস্থায়ী বায়ুমন্ডল) এবং কখনও লেজও প্রদর্শন করে । ধূমকেতুর নিউক্লিয়াসের ওপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ুর প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে। ধূমকেতুর নিউক্লিয়াস বরফ, ধূলা ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথুরে কণিকার একটি দুর্বল সংকলনে গঠিত। প্রস্থে কয়েকশ মিটার থেকে দশ কি.মি. এবং লেজ দৈর্ঘ্যে কয়েকশ কোটি কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে । মানুষ সুপ্রাচীন কাল থেকে ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ করছে। একটি ধূমকেতুর পর্যায়কাল কয়েক বছর থেকে শুরু করে কয়েকশ’ হাজার বছর পর্যন্ত হতে পারে। ধারণা করা হয় স্বল্পকালীন ধূমকেতুর উৎপত্তি কুইপার বেল্ট থেকে যার অবস্থান নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে এবং দীর্ঘকালীন ধূমকেতুর উৎপত্তি ওরট মেঘ থেকে, যা সৌরজগতের বাইরে একটি বরফময় বস্তুর গোলাকার মেঘ। আমাদের সৌরজগতের বড় গ্রহগুলোর ( বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন) অথবা সৌরজগতের খুব কাছ দিয়ে পরিক্রমণকারী নক্ষত্রের কারণে ওরট মেঘে যে মাধ্যাকর্ষণ বল ক্রিয়া করে তাতে বস্তুগুলো সূর্যের দিকে ছুটে আসে এবং তখনি কমার উৎপত্তি হলে আমরা ধূমকেতু দেখি। বিরল কিছু ধূমকেতু অধিবৃত্তাকার কক্ষপথে সৌরজগতের ভেতরে প্রবেশ করে এসব গ্রহের মাধ্যমে আন্তনাক্ষত্রিক স্থানে নিক্ষিপ্ত হতে পারে। ধুমকেতু উল্কা বা গ্রহাণু থেকে পৃথক কারণ এর কমা ও লেজের উপস্থিতি। কিছু বিরল ধূমকেতু সূর্যের খুব নিকট দিয়ে বারবার পরিভ্রমণ করার কারণে উদ্বায়ী বরফ ও ধুলা হারিয়ে ছোট গ্রহাণুর মত বস্তুতে পরিণত হয়। এপ্রিল ২০১৫ এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ৫৩৮৪ টি ধূমকেতু আমাদের জানা । এ সংখ্যা ক্রমবর্ধমান কারণ মোট ধূমকেতুর (যা ধারণা করা হয় শত কোটি) একটি নগণ্য অংশ। খালি চোখে দেখা যাওয়া উজ্জ্বল ধূমকেতুকে বৃহৎ ধূমকেতু বলা হয়। কিছু ধুমকেতু নির্দিষ্ট সময় পরপর একই স্থানে ফিরে আসে। যেমন হ্যালীর ধুমকেতু।
পীট কয়লার বৈশিষ্ট্য হলো -----
Correct Answer:
খ: ভিজা ও নরম
Explanation:
পীট কয়লার বৈশিষ্ট্য হলো ----- সঠিক উত্তর ভিজা ও নরম পিট কয়লার প্রাথমিক পর্যায় বা জাত। জলাভূমি ও আর্দ্র স্থানে বেড়ে ওঠা গাছপালা, গুল্মলতা, শ্যাওলা - শৈবালের আংশিক পচন ও বিসরণের প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন একটি গাঢ় বাদামি বা কৃষ্ণকায় অবশেষ। সামান্য পরিমাণ অক্সিজেন বিশিষ্ট বদ্ধ পানিতে উদ্ভিদাদির পচনের ফলে এটি গঠিত হয়। পিটে আর্দ্রতামূলক উপাদান ৭৫ শতাংশের বেশি, কার্বন ৬০% ও অক্সিজেন ৩০% (আদ্রতামুক্ত অবস্থায়)। শুষ্ক অবস্থায় এটি অবাধে জ্বলে। এতে শনাক্তযোগ্য উদ্ভিজ্জ কণিকা বিদ্যমান থাকলেও মণিক নেই বললেই চলে। পিট বাদামি থেকে ঘন বাদামি রঙের এবং নরম। এটি সংকুচিত হয় এবং শুকালে দৃঢ় ও ভঙ্গুর হয়।
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিশ্বাস নেয়----
Correct Answer:
গ: শুশুক
Explanation:
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিশ্বাস নেয়---- সঠিক উত্তর শুশুক শুশুকশুশুক একটি স্তন্যপায়ী জলজ প্রাণী। বাংলাদেশে এখন এটি বিপন্ন প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ----
Correct Answer:
গ: ফটোলিথোগ্রাফী
Explanation:
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ---- সঠিক উত্তর ফটোলিথোগ্রাফী মুদ্রণমুদ্রণ একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি প্রধান গঠন বা মাপদন্ড থেকে লেখা ও ছবির প্রতিলিপি তৈরি করা হয়। মুদ্রণের প্রথমদিকের কাজের উদাহরণের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত সিলিন্ডার সীল ও অন্যান্য বস্তু যেমন সাইরাস সিলিন্ডার এবং সিলিন্ডার অফ নাবোনিদাস। কাঠের টুকরায় মুদ্রণের সূচনা ঘটে চীনে প্রায় ২২০ খ্রিস্টাব্দে। পরবর্তীতে এর উন্নয়ন হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় বর্ণ সহজে পরিবর্তনযোগ্য ধরনের মুদ্রণ ব্যবস্থা, প্রায় ১০৪০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ চীনে বি শেং তৈরি করেন এটি। ইয়োহানেস গুটেনবার্গ যান্ত্রিক পরিবর্তনযোগ্য ধরনের মুদ্রণ ব্যবস্থা ইউরোপে ১৫ শতাব্দীতে চালু করেন। তার ছাপাখানা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রেনেসাঁ যুগের, সংস্কারের, আলোকিত যুগের এবং বৈজ্ঞানিক বিপ্লব উন্নয়নের এবং এটি আধুনিক জ্ঞান - ভিত্তিক অর্থনীতির উপাদানের ভিত্তি স্থাপন করে এবং জনগণের মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটায়। আধুনিক বড় মাপের মুদ্রণগুলো সাধারণত ছাপাখানা ব্যবহার করে করা হয়, অন্যদিকে ছোট মাপের মুদ্রণগুলো সম্পন্ন করা হয় প্রায় বিনামূল্য - ধরনের আধুনিক মুদ্রাকর দ্বারা। যদিও কাগজ হল - মুদ্রণ করার সবচেয়ে সাধারণ উপাদান, তবুও মুদ্রণ প্রায়শই ধাতু, প্লাস্টিক, কাপড় ও যৌগিক পদার্থের উপরেও করা হয়। কাগজের মুদ্রণের ক্ষেত্রে এটা প্রায়ই একটি বড় মাপের শিল্প প্রক্রিয়ায় করা হয় এবং এটি একটি অপরিহার্য অংশ প্রকাশনা ও লেনদেনের ক্ষেত্রে।
আবহাওয়ায় ৯০% আর্দ্রতা মানে----
Correct Answer:
গ: বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
Explanation:
আবহাওয়ায় ৯০% আর্দ্রতা মানে---- সঠিক উত্তর বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০% আবহাওয়াআবহাওয়া হলো কোনো স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা। সাধারণত এক দিনের এমন রেকর্ডকেই আবহাওয়া বলে। আবার কখনও কখনও কোনো নির্দিষ্ট এলাকার স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকেও আবহাওয়া বলা হয়। আবার কোনো স্থানের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়া বা ২৫ থেকে ৩০ বছরের আবহাওয়ার উৎপত্তি ভিত্তিতে তৈরি হয় সে স্থানের জলবায়ু। আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল একটি চলক। আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখা আলোচনা করে তাকে আবহাওয়া বিজ্ঞান বলা হয়।
ডিজিট্যাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য---
Correct Answer:
ক: ডিজিট্যাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ
Explanation:
ডিজিট্যাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য--- সঠিক উত্তর ডিজিট্যাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ টেলিফোনটেলিফোন মানুষের মুখের কথা যুগপৎ প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যার মাধ্যমে একে অপরের থেকে বহু দূরে অবস্থিত একাধিক ব্যক্তি মৌখিক যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেন। টেলিফোন সস্তা, সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপন করা যায়; এই সমস্ত সুবিধা অন্য কোনও মাধ্যমে সম্ভব নয়। এর ফলে বর্তমানে এটি বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত যোগাযোগ যন্ত্র। সারা বিশ্বে শত শত কোটি টেলিফোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। টেলিফোনের মাধ্যমে হাজার হাজার মাইল দুরের মানুষের সাথেও কথা বলা যায়। "টেলিফোন" একটি ইংরেজি শব্দ ("টেলি" অর্থ "দূর"; "ফোন" অর্থ "ধ্বনি")। বাংলায় এ যন্ত্রটিকে দূরভাষ বা দূরালাপনী নামেও ডাকা হয়ে থাকে। ১৮৭৬ সালে মার্কিন উদ্ভাবক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে মুখের কথা পাঠানোর যন্ত্রের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাটেন্ট বা সরকারি সনদ লাভ করেন। এর ২০ বছরের মধ্যে টমাস ওয়াটসন, এমিল বার্লিনার, টমাস আলভা এডিসন ও অন্যান্যদের গবেষণার ফলশ্রুতিতে টেলিফোন যন্ত্রের নকশা এমন একটি স্থিতিশীল রূপ নেয় যা পরবর্তী প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মৌলিকভাবে অপরিবর্তিত থাকে। ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টরের আবির্ভাবের পর ধাতব তার ও ভারী ওজনের যন্ত্রপাতির পরিবর্তে হালকা ওজনের ও ঘনবিন্যস্ত বর্তনীসমৃদ্ধ টেলিফোন তৈরি করা শুরু হয়। ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিতে উন্নতির সাথে সাথে আরও বেশ কিছু "বুদ্ধিমান" বৈশিষ্ট্য টেলিফোনে যুক্ত হয়। যেমন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনঃসংযোগ স্থাপন করা, টেলিফোনে ডাকদাতার নম্বর শনাক্তকরণ, টেলিফোনে ডাকদাতাকে অপেক্ষা করানো, টেলিফোনের ডাক নতুন কাউকে হস্তান্তর করা, তারহীন সম্প্রচার, দৃশ্যমান উপাত্ত পর্দা, ইত্যাদি। এই সবগুলি বৈশিষ্ট্যই টেলিফোনের মূল নকশার কোন পরিবর্তন আনেনি, বরং সম্পূরক ভূমিকা পালন করেছে। শুরুর দিকে টেলিফোনের তার ব্যবস্থা ব্যবহার করেই ইন্টারনেটে সংযুক্ত হতে হত।
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি কার?
Correct Answer:
খ: বষ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি কার? সঠিক উত্তর বষ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা'র কপালকুণ্ডলাকপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস। কপালকুণ্ডলা লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দেশ ব্রিটিশ ভারত ভাষা বাংলা ধরন উপন্যাস প্রকাশনার তারিখ ১৮৬৬ মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ চরিত্র - কপালকুণ্ডলা নবকুমার শর্ম্মা - সপ্তগ্রামনিবাসী যুবক কাপালিক - যোগসাধক সন্ন্যাসী, কপালকুণ্ডলার প্রতিপালক কপালকুণ্ডলা/মৃন্ময়ী - কাপালিক কর্তৃক পালিতা কন্যা, নবকুমারের দ্বিতীয়া স্ত্রী অধিকারী - দেবালয়ের সেবক বা পুরোহিত মতিবিবি/লুৎফউন্নিসা/পদ্মাবতী - নবকুমারের প্রথম পত্নী শ্যামাসুন্দরী - নবকুমারের ভগিনী জাহাঁঙ্গীর ও মেহেরউন্নিসা - ঐতিহাসিক চরিত্রআখ্যানবস্তু - কপালকুণ্ডলাপ্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে নবকুমার এক জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে আটকা পড়েন। সেখানে এক কাপালিক তাকে বলি দিতে উদ্যত হয়। তখন কাপালিকের পালিতা কন্যা কপালকুণ্ডলা তার প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। স্থানীয় মন্দিরের অধিকারীর সহায়তায় নবকুমার কপালকুণ্ডলাকে বিয়ে করে নিজের বাড়ি সপ্তগ্রামে ফিরে আসেন। পথে মতিবিবি বা লুৎফউন্নিসা নামে এক বিদেশী রমণীর সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ হয়।কপালকুণ্ডলা বাল্যকাল থেকে জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে কাপালিকের কাছে বড় হওয়ায় স্বাভাবিক সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গে অপরিচিত ছিলেন। নবকুমারের বাড়িতে তিনি ধীরে ধীরে সমাজের মানুষজন ও তাদের আচারআচরণ সম্পর্কে ধারণা পেলেন। কপালাকুণ্ডলা নাম বদলে তার নাম রাখা হল মৃন্ময়ী।মতিবিবি বা লুৎফউন্নিসা আসলে নবকুমারের প্রথমা স্ত্রী পদ্মাবতী ছিলেন। পরে সপরিবারে মুসলমান হয়ে আগ্রা চলে যান। পথে নবকুমারকে দেখে তিনি পুনরায় তাকে স্বামীরূপে লাভ করতে উৎসুক হন এবং সপ্তগ্রাম চলে আসেন। পদ্মাবতীর পরিচয় জানার পর নবকুমার তাকে প্রত্যাখ্যান করেন।এদিকে কাপালিক কপালকুণ্ডলাকে বধ করতে সপ্তগ্রাম চলে আসে। তার হাত ভেঙে যাওয়ায় সে পদ্মাবতীর সাহায্য চায়।পদ্মাবতী ব্রাহ্মণবেশ ধারণ করে কপালকুণ্ডলাকে সব খুলে বলে এবং নবকুমারকে ছেড়ে চলে যেতে অনুরোধ করে। ব্রাহ্মণবেশী পদ্মাবতীর সাথে কপালকুণ্ডলাকে দেখতে পেয়ে নবকুমার তাকে ভুল বুঝে খুব কষ্ট পান। আর কাপালিক সুযোগ বুঝে সুরাপান করিয়ে নবকুমারকে উস্কে দিতে থাকেন।শেষপর্যন্ত নবকুমার আর কপালকুণ্ডলার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব সংঘাতের মধ্য দিয়ে উভয়েই জীবনের চরম উপসংহারে উপনীত হয়।[২]সুভাষিত উক্তি - কপালকুণ্ডলাএ উপন্যাসের কিছু অবিস্মরণীয় উক্তি বাংলা ভাষায় সুভাষিত উক্তি রূপে বহুল ব্যবহৃত ও চর্চিত হয়। যেমন: তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন? পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ? (নবকুমারের উদ্দেশ্যে কপালকুন্ডলা) যাহাতে জগদীশ্বরের হাত, তাহা পন্ডিতে বলিতে পারেনা। (নবকুমার, কপালকুণ্ডলার উদ্দেশ্যে অধিকারি) ক্ষেত্রে বীজ রোপিত হইলে আপনিই অঙ্কুর হয়।চলচ্চিত্র নির্মাণ - কপালকুণ্ডলা১৯৩৩ সনে প্রেমাঙ্কুর আতর্থীর পরিচালনায় কপালকুণ্ডলা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। এতে অভিনয় করেন উমাশশী, দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, মলিনা দেবী, নিভাননা দেবী, অমর মল্লিক, অমূল্য মিত্র প্রমুখ।টেলিভিশন ধারাবাহিক২০১৯ সালে ভারতের স্টার জলসায় কপালকুণ্ডলা ধারাবাহিকটির সম্প্রচার শুরু হয়। এটি রাজ চক্রবর্তী দ্বারা নির্মিত।তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
Correct Answer:
গ: নীলদর্পণ
Explanation:
কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল? সঠিক উত্তর নীলদর্পণ নীলদর্পণ গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। নীলদর্পণনীল দর্পণ হল দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বাংলা নাটক। এই নাটকের পটভূমি নীল চাষের জন্য সাধারণ কৃষকদের উপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন।নীলদর্পণ নাটকের চরিত্রসমূহ গোলকচন্দ্র বসু, একজন সম্ভ্রান্ত লোক নবীন মাধব, গোলক বসুর বড় ছেলে বিন্দু মাধব, গোলক বসুর ছোট ছেলে সাধু চরণ, গোলকের প্রতিবেশী রাইয়ত রায় চরণ, সাধু চরণের ছোট ভাই গোপীনাথ, নীলকরের দেওয়ান তোরাপ, একজন প্রতিবাদী চরিত্র আই আই উড, প্রধান নীলকর পি পি রোগ, উডের ছেলে জমির পরিমাপকারী আমিন খালাসী, নীল সংগ্রাহক সাবিত্রী, গোলক বসুর স্ত্রী সৈরিন্দ্রী, নবীন মাধবের স্ত্রী সরলতা, বিন্দু মাধবের স্ত্রী রেবতী, সাধু চরণের স্ত্রী ক্ষেত্রমনি, সাধুচরণ ও রেবতীর মেয়ে আদুরি, গোলকের বাড়ির কাজের মেয়ে পদী ময়রানী, বিনোদনকারিনী রায় চরণ
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল?
Correct Answer:
ঘ: পর্তুগিজরা
Explanation:
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল? সঠিক উত্তর পর্তুগিজরা বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগিজরা প্রথম এসেছিল। বাংলায় বণিকেরাউর্বর বাংলায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের বণিকেরা বাণিজ্য করতে আসে। বাণিজ্য করতে এলেও তারা বাংলার সম্পদের মোহে এক সময় শাসন ক্ষমতাও দখল করে। এদের মধ্যে পর্তুগীজ ও ওলন্দাজরা অন্যতম। আজ বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের আগমন ও অবস্থান নিয়ে জাগো জবসের বিশেষ আয়োজন।১. প্রশ্ন : বাংলায় কারা বাণিজ্য করতে আসে?উত্তর : ইউরোপীয় বণিকরা।২. প্রশ্ন : বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল?উত্তর : পর্তুগীজরা।৩. প্রশ্ন : ভাস্কো - দা - গামা কে ছিলেন?উত্তর : পর্তুগীজ নাবিক।৪. প্রশ্ন : ভাস্কো - দা - গামা ভারতবর্ষে আসেন কত সালে?উত্তর : ১৪৯৮ সালে।৫. প্রশ্ন : ইউরোপ থেকে সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?উত্তর : ১৪৮৭ সালে।৬. প্রশ্ন : পর্তুগীজরা কবে বাংলায় ব্যবসা - বাণিজ্য আরম্ভ করে?উত্তর : ১৫৮০ সালে।৭. প্রশ্ন : পর্তুগীজদের পর কারা বাণিজ্যের জন্য বাংলায় আসে?উত্তর : ওলন্দাজরা।৮. প্রশ্ন : ‘ইউনাইটেড ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ কারা গঠন করে?উত্তর : ওলন্দাজরা।৯. প্রশ্ন : ফরাসিরা কখন বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে?উত্তর : ১৬৬৮ সালে।১০. প্রশ্ন : কোন সালে ‘ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠিত হয়?উত্তর : ১৬৬৪ সালে।১১. প্রশ্ন : কোন সালে ‘ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠিত হয়?উত্তর : ১৬০০ সালে।১২. প্রশ্ন : কোন যুদ্ধের ফলে ভারতে ফরাসিদের সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন ভেঙে যায়?উত্তর : বন্দিবাসের যুদ্ধে।১৩. প্রশ্ন : বন্দিবাসের যুদ্ধ কতসালে অনুষ্ঠিত হয়?উত্তর : ১৭৬০ সালে।১৪. প্রশ্ন : বন্দিবাসের যুদ্ধে কে পরাজিত হন?উত্তর : ফরাসি গভর্নর কাউন্ট লালী।১৫. প্রশ্ন : কাউন্ট লালী কার কাছে পরাজিত হন?উত্তর : ইংরেজ সেনাপতি আয়ারকুটের কাছে।১৬. প্রশ্ন : প্রথম কর্ণাটক যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?উত্তর : ১৭৪৬ সালে।১৭. প্রথম কর্ণাটক যুদ্ধ কার কার মধ্যে সংঘটিত হয়?উত্তর : ফরাসিদের সাথে ইংরেজদের মধ্যে।১৮. প্রশ্ন : উপমহাদেশে ব্যর্থ হয়ে ওলন্দাজরা কোথায় বাণিজ্য স্থাপন করে?উত্তর : ইন্দোনেশিয়ায়।১৯. প্রশ্ন : ‘ইউনাইটেড ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ কবে গঠন করা হয়?উত্তর : ১৬০২ সালে।২০. প্রশ্ন : বাংলা থেকে আরব বণিকদের বিতাড়িত করে কোন পর্তুগীজ নাবিক?উত্তর : পেড্রো আলভারেজ কাব্রাল।
'সব কটা জানালা খুলে দাও না' ---এর গীতিকার কে?
Correct Answer:
খ: মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
Explanation:
'সব কটা জানালা খুলে দাও না' ---এর গীতিকার কে? সঠিক উত্তর মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' - এর গীতিকার মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’ ১৯৮২ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় রচিত একটি দেশাত্মবোধক সঙ্গীত। স্বাধীনতা দিবসের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের নির্মিত বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতকৃত এই সঙ্গীত বা গানের গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় এই গানে কন্ঠে দেন সাবিনা ইয়াসমিন। ঐ বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানে ‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’ ছাড়াও সাবিনা ইয়াসমিন কন্ঠে ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলের লেখা ও সুর করা ‘সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য’, ‘বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ’, ‘এই দেশ আমার সুন্দরী রাজকন্যা’ ও ‘আয় আয় আয় রে মা আয় আমার কোলে’ গানগুলিও প্রচারিত হয়েছিল। "সব ক’টা জানালা খুলে দাও না" সব ক’টা জানালা খুলে দাও না অ্যালবাম থেকে সাবিনা ইয়াসমিন কর্তৃক সঙ্গীত ভাষা বাংলা বিন্যাস কম্প্যাক্ট ডিস্ক, ভিডিও স্ট্রিমিং রেকর্ডকৃত ১৯৮২ স্টুডিও ইপসা রেকর্ডিং স্টুডিও স্থান কাকরাইল, ঢাকা, বাংলাদেশ ধারা দেশাত্মবোধক সঙ্গীত দৈর্ঘ্য ০৫:৪৫ লেবেল সাউন্ডটেক (২০১৬ - বর্তমান) গান লেখক নজরুল ইসলাম বাবু সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল প্রযোজক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
'অচিন' শব্দের 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
গ: নঞর্থক
Explanation:
'অচিন' শব্দের 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর নঞর্থক 'অচিন' শব্দের 'অ' উপসর্গটি নঞর্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”উপসর্গের প্রকারভেদউপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।বাংলা উপনর্গসংস্কৃত উপসর্গবিদেশি উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি; যথা - উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত উদাহরণ ১ প্র প্রকৃষ্ট/ সম্যক অর্থে প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত খ্যাতি " প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব আধিক্য " প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার গতি " প্রবেশ, প্রস্থান ধারা - পরম্পরা বা অনুগামিত " প্রপৌত্র, প্রশাখা, প্রশিষ্য ২ পরা আতিশয্য " পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ বিপরীত " পরাজয়, পরাভব ৩ অপ বিপরীত " অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ নিকৃষ্ট " অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ, অপব্যয় স্থানান্তর " অপসারণ, অপহরণ, অপনোদন বিকৃতি " অপমৃত্যু ৪ সম্ সম্যক রূপে " সম্পূর্ণ, সমৃদ্ধ, সমাদর সম্মুখে " সমাগত, সম্মুখ ৫ নি নিষেধ " নিবৃত্তি নিশ্চয় " নিবারণ, নির্ণয় আতিশয্য " নিদাঘ, নিদারুণ, নিগূঢ় অভাব " নিষ্কলুষ, নিষ্কাম ৬ অব হীনতা, প্রতিকূল " অবজ্ঞা, অবমাননা সম্যকভাবে " অবরোধ, অবগাহন, অবগত নিম্নে, অধোমুখিতা " অবতরণ, অবরোহণ, অবলম্বন অল্পতা " অবশেষে, অবসান, অবেলা ৭ অনু পশ্চাৎ " অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ সাদৃশ্য " অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকার পৌনঃপুন " অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন সঙ্গে " অনুকূল, অনুকম্পা ৮ নির অভাব " নিরক্ষর, নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন নিশ্চয় " নির্ধারণ, নির্ণয়, নির্ভর বাহির, বহির্মুখিতা " নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন ৯ দুর মন্দ " দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম কষ্টসাধ্য " দুর্লভ, দুর্গম, দুরতিক্রম্য, দুর্মূল্য ১০ বি বিশেষ রূপে " বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক অভাব " বিনিদ্র,বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল গতি " বিচরণ, বিক্ষেপ অপ্রকৃতস্থ " বিকার, বিপর্যয় ১১ সু উত্তম " সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয়, সুনীল সহজ " সুগম, সুসাধ্য, সুলভ আতিশয্য " সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ১২ উৎ ঊর্ধ্বমুখিতা " উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন আতিশয্য " উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন প্রস্তুতি " উৎপাদন, উচ্চারণ অপকর্ষ " উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট ১৩ অধি আধিপত্য " অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী উপরি " অধিরোহণ, অধিষ্ঠান ব্যাপ্তি " অধিকার, অধিবাস, অধিগত ১৪ পরি বিশেষ রূপে " পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন শেষ " পরিশেষ, পরিসীমা সম্যক রূপে " পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ চতুর্দিক " পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল, পরিক্রমণ ১৫ প্রতি সদৃশ " প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি বিরোধ " প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী পৌনঃপুন " প্রতিদিন, প্রতিমাস অনুরূপ কাজ " প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার ১৬ উপ সামীপ্য অর্থে " উপকূল, উপকণ্ঠ সদৃশ " উপদ্বীপ, উপবন ক্ষুদ্র " উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা বিশেষ " উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ ১৭ অভি সম্যক " অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত গমন " অভিযান, অভিসার সম্মুখ বা দিক " অভিমুখ, অভিবাদন ১৮ অতি আতিশয্য " অতিকায়, অত্যাচার, অতিশয় অতিক্রম " অতিমানব, অতিপ্রাকৃত ১৯ আ পর্যন্ত " আকণ্য, আমরণ, আসমুদ্র ঈষৎ " আরক্ত, আভাস বিপরীত " আদান, আগমন ২০ অপি যদি " অপিচ (যদিও) (প্রাচীন বাংলা), অপিনিহিতি খাঁটি বাংলা উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - উপসর্গ অর্থদ্যোতকতা উদাহরণ ১ অ নিন্দিত অর্থে অকেজো, অচেনা, অপয়া অভাব " অচিন, অজানা, অথৈ ক্রমাগত " অঝোর, অঝোরে ২ অঘা বোকা " অঘারাম, অঘাচণ্ডী ৩ অজ নিতান্ত (মন্দ) " অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর ৪ অনা অভাব " অনাবৃষ্টি, অনাদর ছাড়া " অনাছিষ্টি, অনাচার অশুভ " অনামুখো ৫ আ অভাব " আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি বাজে, নিকৃষ্ট " আকাঠা, আগাছা ৬ আড় বক্র " আড়চোখে, আড়নয়নে আধা, প্রায় " আড়ক্ষ্যাপা, আড়মোড়া, আড়পাগলা বিশিষ্ট " আড়কোলা (পাথালিকোলা), আড়গড়া (আস্তাবর), আড়কাঠি ৭ আন না " আনকোরা বিক্ষিপ্ত " আনচান, আনমনা ৮ আব অস্পষ্টতা " আবছায়া, আবডাল ৯ ইতি এ বা এর " ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে পুরনো " ইতিকথা, ইতিহাস ১০ ঊন (ঊনু, ঊনা) কম " ঊনপাঁজুরে, উনিশ (উন + বিশ), ঊনাভাত ১১ কদ্ নিন্দিত " কদবেল, কদর্য, কদাকার ১২ কু কুৎসিত, অপকর্ষ " কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ ১৩ নি নাই, নেতি " নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট, নিনাইয়া ১৪ পাতি ক্ষুদ্র " পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ১৫ বি ভিন্নতা, নাই বা নিন্দনীয় " বিভূঁই, বিফল, বিপথ ১৬ ভর পূর্ণতা " ভরপেট, ভরসাঁঝ, ভরপুর, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যে ১৭ রাম বড় বা উৎকৃষ্ট " রামছাগল, রামদা, রামশিঙ্গা, রামবোকা ১৮ স সঙ্গে " সরাজ, সরব, সঠিক, সজোর, সপাট ১৯ সা উৎকৃষ্ট " সাজিরা, সাজোয়ান ২০ সু উত্তম " সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুনাম, সুকাজ ২১ হা অভাব " হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে আ, সু, বি, নি— এই চারটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষায়ও পাওয়া যায়। ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এই চারটি উপসর্গ বাংলা না সংস্কৃত তা নির্ধারণ করা হয়। বাংলা উপসর্গ সর্বদাই বাংলা শব্দের আগে এবং সংস্কৃত উপসর্গ সর্বদাই সংস্কৃত শব্দের আগে বসে।বিদেশী উপসর্গআরবি, ফারসি, ইংরেজি ও উর্দু - হিন্দি— এইসব ভাষার উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন—(ক) ফার্সি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. কার্ کار কাজ অর্থে কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ২. দর্ در মধ্যস্থ, অধীন " দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান, দরখাস্ত ৩. না نا না " নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক ৪. নিম্ نیم আধা " নিমরাজি, নিমখুন, নিমমোল্লা ৫. ফি فی প্রতি " ফি - রোজ, ফি - হপ্তা, ফি - বছর, ফি - সন, ফি - মাস ৬. বদ্ بد মন্দ " বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম, বজ্জাত, বদহাল, বদবখ্ত ৭. বে بی না " বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেহায়া, বেনজির, বেগতিক, বেতার, বেকার, বেশরম, বেতমিজ ৮. বর্ بر বাইরে, মধ্যে " বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ ৯. ব্ ب সহিত " বমাল, বনাম, বকলম, বহাল ১০. কম্ کم স্বল্প " কমজোর, কমবখ্ত, কমআক্কেল, কমপোখ্ত ১১. দস্ত دست নিজ " দস্তখত ১২. সে سه তিন " সেতার, সেপায়া (খ) আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. আম্ عام সাধারণ অর্থে আমদরবার, আমমোক্তার ২. খাস্ خاص বিশেষ " খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল ৩. লা لا না " লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ৪. গর্ غير অভাব " গরমিল, গরহাজির, গররাজি ৫. বাজে بعض বিবিধ অপ্রয়োজনীয় " বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা ৬. খয়ের خير ভালো " খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী) (গ) ইংরেজি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. ফুল Full পূর্ণ অর্থে ফুল - হাতা, ফুল - শার্ট, ফুল - বাবু, ফুল - প্যান্ট, ফুল - মোজা ২. হাফ Half আধা " হাফ - হাতা, হাফ - টিকেট, হাফ - স্কুল, হাফ - প্যান্ট, হাফ - নেতা ৩. হেড Head প্রধান " হেড - মাস্টার, হেড - অফিস, হেড - পণ্ডিত, হেড - মৌলভি ৪. সাব Sub অধীন " সাব - অফিস, সাব - জজ, সাব - ইন্সপেক্টর (ঘ) উর্দু - হিন্দি উপসর্গ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে উদাহরণ হর حر हर প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা, হরেক রকম (বিভিন্ন), হরেক আদমি (প্রত্যেক)