16th (Special) BCS Preliminary Test (Education) MCQs
Showing 43 questions (Total: 93)
যা চিরস্থায়ী নয় ---
Correct Answer:
ঘ: নশ্বর
Explanation:
যা চিরস্থায়ী নয় --- সঠিক উত্তর নশ্বর যা চিরস্থায়ী নয় - নশ্বর । ক্ষণকালের জন্য স্থায়ী—ক্ষণস্থায়ী ।অল্পক্ষণের জন্য - ক্ষণিক । এক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
' অবমূল্যায়ন' ও 'অবদান' শব্দ দুটিতে 'অব' উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?
Correct Answer:
গ: দুটি শব্দে উপসর্গটি অর্থ দু রকম
Explanation:
' অবমূল্যায়ন' ও 'অবদান' শব্দ দুটিতে 'অব' উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক? সঠিক উত্তর দুটি শব্দে উপসর্গটি অর্থ দু রকম ' অবমূল্যায়ন' ও 'অবদান' শব্দ দুটিতে 'অব' উপসর্গটির অর্থ দু'রকমউপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”উপসর্গের প্রকারভেদউপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।বাংলা উপনর্গসংস্কৃত উপসর্গবিদেশি উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি; যথা - উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত উদাহরণ ১ প্র প্রকৃষ্ট/ সম্যক অর্থে প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত খ্যাতি " প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব আধিক্য " প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার গতি " প্রবেশ, প্রস্থান ধারা - পরম্পরা বা অনুগামিত " প্রপৌত্র, প্রশাখা, প্রশিষ্য ২ পরা আতিশয্য " পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ বিপরীত " পরাজয়, পরাভব ৩ অপ বিপরীত " অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ নিকৃষ্ট " অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ, অপব্যয় স্থানান্তর " অপসারণ, অপহরণ, অপনোদন বিকৃতি " অপমৃত্যু ৪ সম্ সম্যক রূপে " সম্পূর্ণ, সমৃদ্ধ, সমাদর সম্মুখে " সমাগত, সম্মুখ ৫ নি নিষেধ " নিবৃত্তি নিশ্চয় " নিবারণ, নির্ণয় আতিশয্য " নিদাঘ, নিদারুণ, নিগূঢ় অভাব " নিষ্কলুষ, নিষ্কাম ৬ অব হীনতা, প্রতিকূল " অবজ্ঞা, অবমাননা সম্যকভাবে " অবরোধ, অবগাহন, অবগত নিম্নে, অধোমুখিতা " অবতরণ, অবরোহণ, অবলম্বন অল্পতা " অবশেষে, অবসান, অবেলা ৭ অনু পশ্চাৎ " অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ সাদৃশ্য " অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকার পৌনঃপুন " অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন সঙ্গে " অনুকূল, অনুকম্পা ৮ নির অভাব " নিরক্ষর, নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন নিশ্চয় " নির্ধারণ, নির্ণয়, নির্ভর বাহির, বহির্মুখিতা " নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন ৯ দুর মন্দ " দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম কষ্টসাধ্য " দুর্লভ, দুর্গম, দুরতিক্রম্য, দুর্মূল্য ১০ বি বিশেষ রূপে " বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক অভাব " বিনিদ্র,বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল গতি " বিচরণ, বিক্ষেপ অপ্রকৃতস্থ " বিকার, বিপর্যয় ১১ সু উত্তম " সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয়, সুনীল সহজ " সুগম, সুসাধ্য, সুলভ আতিশয্য " সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ১২ উৎ ঊর্ধ্বমুখিতা " উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন আতিশয্য " উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন প্রস্তুতি " উৎপাদন, উচ্চারণ অপকর্ষ " উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট ১৩ অধি আধিপত্য " অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী উপরি " অধিরোহণ, অধিষ্ঠান ব্যাপ্তি " অধিকার, অধিবাস, অধিগত ১৪ পরি বিশেষ রূপে " পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন শেষ " পরিশেষ, পরিসীমা সম্যক রূপে " পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ চতুর্দিক " পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল, পরিক্রমণ ১৫ প্রতি সদৃশ " প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি বিরোধ " প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী পৌনঃপুন " প্রতিদিন, প্রতিমাস অনুরূপ কাজ " প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার ১৬ উপ সামীপ্য অর্থে " উপকূল, উপকণ্ঠ সদৃশ " উপদ্বীপ, উপবন ক্ষুদ্র " উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা বিশেষ " উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ ১৭ অভি সম্যক " অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত গমন " অভিযান, অভিসার সম্মুখ বা দিক " অভিমুখ, অভিবাদন ১৮ অতি আতিশয্য " অতিকায়, অত্যাচার, অতিশয় অতিক্রম " অতিমানব, অতিপ্রাকৃত ১৯ আ পর্যন্ত " আকণ্য, আমরণ, আসমুদ্র ঈষৎ " আরক্ত, আভাস বিপরীত " আদান, আগমন ২০ অপি যদি " অপিচ (যদিও) (প্রাচীন বাংলা), অপিনিহিতি খাঁটি বাংলা উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - উপসর্গ অর্থদ্যোতকতা উদাহরণ ১ অ নিন্দিত অর্থে অকেজো, অচেনা, অপয়া অভাব " অচিন, অজানা, অথৈ ক্রমাগত " অঝোর, অঝোরে ২ অঘা বোকা " অঘারাম, অঘাচণ্ডী ৩ অজ নিতান্ত (মন্দ) " অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর ৪ অনা অভাব " অনাবৃষ্টি, অনাদর ছাড়া " অনাছিষ্টি, অনাচার অশুভ " অনামুখো ৫ আ অভাব " আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি বাজে, নিকৃষ্ট " আকাঠা, আগাছা ৬ আড় বক্র " আড়চোখে, আড়নয়নে আধা, প্রায় " আড়ক্ষ্যাপা, আড়মোড়া, আড়পাগলা বিশিষ্ট " আড়কোলা (পাথালিকোলা), আড়গড়া (আস্তাবর), আড়কাঠি ৭ আন না " আনকোরা বিক্ষিপ্ত " আনচান, আনমনা ৮ আব অস্পষ্টতা " আবছায়া, আবডাল ৯ ইতি এ বা এর " ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে পুরনো " ইতিকথা, ইতিহাস ১০ ঊন (ঊনু, ঊনা) কম " ঊনপাঁজুরে, উনিশ (উন + বিশ), ঊনাভাত ১১ কদ্ নিন্দিত " কদবেল, কদর্য, কদাকার ১২ কু কুৎসিত, অপকর্ষ " কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ ১৩ নি নাই, নেতি " নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট, নিনাইয়া ১৪ পাতি ক্ষুদ্র " পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ১৫ বি ভিন্নতা, নাই বা নিন্দনীয় " বিভূঁই, বিফল, বিপথ ১৬ ভর পূর্ণতা " ভরপেট, ভরসাঁঝ, ভরপুর, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যে ১৭ রাম বড় বা উৎকৃষ্ট " রামছাগল, রামদা, রামশিঙ্গা, রামবোকা ১৮ স সঙ্গে " সরাজ, সরব, সঠিক, সজোর, সপাট ১৯ সা উৎকৃষ্ট " সাজিরা, সাজোয়ান ২০ সু উত্তম " সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুনাম, সুকাজ ২১ হা অভাব " হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে আ, সু, বি, নি— এই চারটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষায়ও পাওয়া যায়। ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এই চারটি উপসর্গ বাংলা না সংস্কৃত তা নির্ধারণ করা হয়। বাংলা উপসর্গ সর্বদাই বাংলা শব্দের আগে এবং সংস্কৃত উপসর্গ সর্বদাই সংস্কৃত শব্দের আগে বসে।বিদেশী উপসর্গআরবি, ফারসি, ইংরেজি ও উর্দু - হিন্দি— এইসব ভাষার উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন—(ক) ফার্সি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. কার্ کار কাজ অর্থে কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ২. দর্ در মধ্যস্থ, অধীন " দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান, দরখাস্ত ৩. না نا না " নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক ৪. নিম্ نیم আধা " নিমরাজি, নিমখুন, নিমমোল্লা ৫. ফি فی প্রতি " ফি - রোজ, ফি - হপ্তা, ফি - বছর, ফি - সন, ফি - মাস ৬. বদ্ بد মন্দ " বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম, বজ্জাত, বদহাল, বদবখ্ত ৭. বে بی না " বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেহায়া, বেনজির, বেগতিক, বেতার, বেকার, বেশরম, বেতমিজ ৮. বর্ بر বাইরে, মধ্যে " বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ ৯. ব্ ب সহিত " বমাল, বনাম, বকলম, বহাল ১০. কম্ کم স্বল্প " কমজোর, কমবখ্ত, কমআক্কেল, কমপোখ্ত ১১. দস্ত دست নিজ " দস্তখত ১২. সে سه তিন " সেতার, সেপায়া (খ) আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. আম্ عام সাধারণ অর্থে আমদরবার, আমমোক্তার ২. খাস্ خاص বিশেষ " খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল ৩. লা لا না " লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ৪. গর্ غير অভাব " গরমিল, গরহাজির, গররাজি ৫. বাজে بعض বিবিধ অপ্রয়োজনীয় " বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা ৬. খয়ের خير ভালো " খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী) (গ) ইংরেজি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. ফুল Full পূর্ণ অর্থে ফুল - হাতা, ফুল - শার্ট, ফুল - বাবু, ফুল - প্যান্ট, ফুল - মোজা ২. হাফ Half আধা " হাফ - হাতা, হাফ - টিকেট, হাফ - স্কুল, হাফ - প্যান্ট, হাফ - নেতা ৩. হেড Head প্রধান " হেড - মাস্টার, হেড - অফিস, হেড - পণ্ডিত, হেড - মৌলভি ৪. সাব Sub অধীন " সাব - অফিস, সাব - জজ, সাব - ইন্সপেক্টর (ঘ) উর্দু - হিন্দি উপসর্গ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে উদাহরণ হর حر हर প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা, হরেক রকম (বিভিন্ন), হরেক আদমি (প্রত্যেক)
কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাব্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। সঞ্চিতা (কাব্যগ্রন্থ)সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে। এর মধ্যে - ‘বিদ্রোহী’, ‘সর্বহারা’, ‘সাম্যবাদী’, ‘মানুষ’, ‘জীবন বন্দনা’, ‘খুকী ও কাঠবেড়ালী’, ‘চল্ চল্ চল্’ প্রভৃতি প্রধান।গ্রন্থটির উৎসর্গ পত্রে লেখা আছে: “বিশ্বকবিসম্রাট শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। সঞ্চিতা লেখক কাজী নজরুল ইসলাম দেশ ভারত, বাংলাদেশ ভাষা বাংলা ধরন কবিতা মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৭৮ (বাংলাদেশ সংস্করণ) এক নজরে - কাজী নজরুল ইসলাম জীবন পর্ব প্রাথমিক জীবন(১৮৯৯ - ১৯১৭) সৈনিক জীবন (১৯১৭–১৯২০) সাহিত্য জীবন (১৯২০–১৯৪২) অসুস্থতা (১৯৪২–১৯৭৬) দৃষ্টিভঙ্গি রাজনৈতিক মতাদর্শ সৃষ্টিকর্ম কবিতা অগ্নিবীণা (১৯২২) সঞ্চিতা (১৯২৫) ফনীমনসা (১৯২৭) চক্রবাক (১৯২৯) সাতভাই চম্পা (১৯৩৩) নির্ঝর (১৯৩৯) নতুন চাঁদ (১৯৩৯) মরুভাস্কর (১৯৫১) সঞ্চয়ন (১৯৫৫) নজরুল ইসলাম ইসলামী কবিতা (১৯৮২) কবিতা ও সংগীত দোলন - চাঁপা (১৯২৩) বিষের বাঁশি (১৯২৪) ভাঙ্গার গান (১৯২৪) ছায়ানট (১৯২৫) চিত্তনামা (১৯২৫) সাম্যবাদী (১৯২৬) পুবের হাওয়া (১৯২৬) সর্বহারা (১৯২৬) সিন্ধু হিন্দোল (১৯২৭) জিঞ্জীর (১৯২৮) প্রলয় শিখা (১৯৩০) শেষ সওগাত (১৯৫৮) সংগীত বুলবুল (১৯২৮) সন্ধ্যা (১৯২৯) চোখের চাতক (১৯২৯) নজরুল গীতিকা (১৯৩০) নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) চন্দ্রবিন্দু (১৯৩১) সুরসাকী (১৯৩২) বনগীতি (১৯৩১) জুলফিকার (১৯৩১) গুল বাগিচা (১৯৩৩) গীতি শতদল (১৯৩৪) সুর মুকুর (১৯৩৪) গানের মালা (১৯৩৪) স্বরলিপি (১৯৪৯) বুলবুল দ্বিতীয় ভাগ (১৯৫২) রাঙ্গা জবা (১৯৬৬) ছোট গল্প ব্যথার দান (১৯২২) রিক্তের বেদন (১৯২৫) শিউলি মালা (১৯৩১) উপন্যাস বাঁধন হারা (১৯২৭) মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) কুহেলিকা (১৯৩১) নাটক ঝিলিমিলি (১৯৩০) আলেয়া (১৯৩১) পুতুলের বিয়ে (১৯৩৩) মধুমালা (১৯৬০) ঝড় (১৯৬০) পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (১৯৬৪) প্রবন্ধ এবং নিবন্ধ যুগবানী (১৯২৬) ঝিঙ্গে ফুল (১৯২৬) দুর্দিনের যাত্রী (১৯২৬) রুদ্র মঙ্গল (১৯২৭) ধূমকেতু (১৯৬১) অনুবাদ এবং বিবিধ রাজবন্দীর জবানবন্দী (১৯২৩) দিওয়ানে হাফিজ (১৯৩০) কাব্যে আমপারা (১৯৩৩) মক্তব সাহিত্য (১৯৩৫) রুবাইয়াৎ - ই - ওমর খৈয়াম (১৯৫৮) নজরুল রচনাবলী ১ - ৪ খন্ড (১৯৯৩) পরিচালিত চলচ্চিত্র ধূপছায়া বিদ্যাপতি(১৯৩৭) - কাহিনীকার সাপুড়ে (১৯৩৯) - কাহিনীকার সঙ্গীত পরিচালনা ও গীতিকার জামাই ষষ্ঠী (১৯৩১) পাতালপুরী (১৯৩৫) গৃহদাহ (১৯৩৬) গ্রহেরফের (১৯৩৭) বিদ্যাপতি(১৯৩৭) গোরা (১৯৩৮) হাল বাংলা (১৯৩৮) সাপুড়ে (১৯৩৯) রজতজয়ন্তী (১৯৩৯) নন্দিনী (১৯৪১) অভিনয় (১৯৪১) দিকশূল (১৯৪১) মদিনা (১৯৪১) চৌরঙ্গী (১৯৪২) দিলরুবা (১৯৪২) চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ঠতা ‘জ্যোৎস্নার রাত’ (১৯৩১) ‘প্রহ্লাদ’ (১৯৩১) ‘ঋষির প্রেম’ (১৯৩১) ‘বিষ্ণুমায়া’ (১৯৩২) ‘চিরকুমারী’ (১৯৩২) ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৯৩২) ‘কলঙ্ক ভঞ্জন‘ (১৯৩২) ‘ধ্রুব‘ (১৯৩৩) ‘রাধাকৃষ্ণ’ (১৯৩৩) ‘জয়দেব’ (১৯৩৩) অভিযোজন বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) বিদ্রোহী কবি (তথ্যচিত্র) কাজী নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) - ভারত সরকার কবি নজরুল (তথ্যচিত্র) কাজী নজরুল ইসলাম (তথ্যচিত্র) - চ্যানেল ফোর নজরুল (তথ্যচিত্র) মৃত্যুক্ষুধা (ধারাবাহিক নাটক) জিনের বাদশাহ (চলচ্চিত্র) মেহের নেগার রাক্ষুসী (চলচ্চিত্র) লিচু চোর (চলচ্চিত্র) খুকি ও কাঠবিড়ালী (চলচ্চিত্র) মৃত্যুক্ষুধা (চলচ্চিত্র) ব্যথার দান (চলচ্চিত্র) পদ্মগোখরা (চলচ্চিত্র) স্থান আসানসোল ত্রিশাল কুমিল্লা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার প্রমীলা দেবী কাজী অনিরুদ্ধ কাজী সব্যসাচী অরিন্দম খালেদ খিলখিল কাজী কৃষ্ণ মোহাম্মদ স্মারক নজরুল ইন্সটিটিউট নজরুল একাডেমি বুলবুল ললিতকলা একাডেমি বাংলাদেশ নজরুল সেনা কাজী নজরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কবি নজরুল মেট্রো স্টেশন কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাজী নজরুল ইসলাম সরণি নজরুল চত্বর
Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ-----
Correct Answer:
গ: বুদ্ধিজীবী
Explanation:
Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ----- সঠিক উত্তর বুদ্ধিজীবী Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ - বুদ্ধিজীবী পারিভাষিক শব্দবাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। এর বেশিরভাগই এ কালের প্রয়ােগ। কিছু পারিভাষিক শব্দের তালিকা দেওয়া হলঃ মূলশব্দ অর্থ A.C (Ante Christien) খ্রিস্টপূর্ব A.D (Anno Domini) খ্রিস্টাব্দ Abbreviation সংক্ষেপণ Abstract সার, সংক্ষিপ্ত Academic অধিবিদ্যা / শিক্ষায়তনিক Academic year শিক্ষাবর্ষ Academy বিদ্যাপীঠ Accessories সরঞ্জাম Accused অভিযুক্ত Acknowledgement প্রাপ্তিস্বীকার Acting ভারপ্রাপ্ত Acting editor ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক Address of welcome অভিনন্দন পত্র বা সংবর্ধনা ভাষণ Ad - hoc অনানুষ্ঠানিক / তদর্থক Administrator প্রশাসক Admit card প্রবেশ পত্র Adult education বয়স্ক শিক্ষা Adviser উপদেষ্টা Affidavit শপথনামা / হলফনামা Agenda আলোচ্য - সূচি Agreement চুক্তি / সম্মতি / মতৈক্য Aid সাহায্য Air - conditioned শীতাতপনিয়ন্ত্রিত Air - mail বিমান - ডাক Allotment বরাদ্দ Appendix পরিশিষ্ট Article অনুচ্ছেদ Articles নিয়মাবলি / ধারা Assembly পরিষদ, সভা Assembly house সংসদ ভবন Auditor হিসাবনিরীক্ষক Author লেখক / গ্রন্থকার Autonomous স্বায়ত্তশাসিত Background পটভূমি Bail জামিন Ballot paper ভোটপত্র Bankrupt দেওলিয়া Basic মৌলিক, মৌল Basic pay মূল বেতন Bearer বাহক Bidder নিলাম ডাকিয়ে Bidding নিলাম ডাক Biodata জীবনবৃত্তান্ত Biography জীবনচরিত, জীবনী Book post খোলাডাক Boyscout ব্রতী বালক Brand ছাপ, মার্কা Break of study অধ্যয়ন - বিরতি, শিক্ষা বিরতি Broker দালাল Budget আয়ব্যয়ক Bureau সংস্থা Bureaucracy আমলাতন্ত্র Cabinet মন্ত্রিপরিষদ Cable তার Calendar পঞ্জিকা Calender ইস্ত্রি Campaign প্রচারাভিযান Campus অঙ্গন / ক্যাম্পাস Canon নীতি Capital পুঁজি, মূলধন Caption শিরোনাম, পরিচিতি Carbohydrate শ্বেতসার Carbon di - oxide অঙ্গারাম্লজান Care - taker তত্ত্বাবধায়ক Cargo মালবাহী জাহাজ Cartoon ব্যঙ্গচিত্র Catalogue তালিকা, গ্রন্থতালিকা Census আদমশুমারি Chancellor আচার্য Cheque হুণ্ডি Civil বেসামরিক Civil war গৃহযুদ্ধ Code বিধি, সংকেত Co - education সহ - শিক্ষা Coldstorage হিমাগার Colony উপনিবেশ Compliment সৌজন্য Conduct আচরণ Conference সম্মেলন Constitution সংবিধান Contemporary সমকালীন Copy প্রতিলিপি Copyright লেখকস্বত্ব Cordon বেষ্টনী Council পরিষদ Crown মুকুট Data উপাত্ত Dbenture ঋণপত্র Deed দলিল Deed of gift দানপত্র Defence প্রতিরক্ষা Democracy গণতন্ত্র Demonstrator প্রদর্শক Deputation প্রেষণ Deputy উপ - প্রতিনিধি Deputy Secretary উপ - সচিব Devaluation অবমূল্যায়ন Diagnosis নিদান / রোগনির্ণয় Diagram নকশা Dialect উপভাষা Diploma উপাধিপত্র Diplomacy কূটনীতি Diplomat কূটনীতিক Donation দান, অনুদান Donor দাতা Dowry যৌতুক Dynamic গতিশীল, গভীর Edition সংস্করণ Editor সম্পাদক Editorial সম্পাদকীয় Element উপাদান Embargo অবরোধ, নিষেধাজ্ঞা Emigration অভিভাসন Engineer প্রকৌশলী Enquiry অনুসন্ধান, তদন্ত Enterprise উদ্যোক্তা Equality সমতা Equation সমীকরণ Exchange বিনিময় Excise আবগারিশুল্ক Ex - officio পদাধিকার বলে Faculty অনুষদ Farm খামার Federal যুক্তরাষ্ট্রীয় Fiction কথাসাহিত্য file নথি final সমাপ্তি Follow - up অনুসরণ করা Forecast পূর্বাভাস Fund তহবিল Fundamental মৌলিক / মৌল / মূল Galaxy ছায়াপথ Gazette ঘোষণাপত্র Gazetted ঘোষিত general manager মহাব্যবস্থাপক Geology ভূতত্ত্ব Global বৈশ্বিক Godown গুদাম Goods পণ্য, মাল Goodwill সুনাম Govering Body পরিচালনা পর্ষদ graduate স্নাতক Gratuity আনুতোষিক Green house সবুজ বলয় / গ্রিন হাউস Green Room সবুজ বলয় Green - room সাজঘর Guide পথপ্রদর্শক Gunny চট Hand bill প্রচারপত্র Hand - book তথ্যপুস্তিকা Harbor পোতাশ্রয় Headline শিরোনাম Home Minstry স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় Hood বোরখা, বোরকা Hospitality আতিথেয়তা Hostage জিম্মি Hostile বৈরী, প্রতিকূল hydrogen উদযান Hygiene স্বাস্থ্যবিদ্যা Hypocrisy কপটতা, ভণ্ডামি Immigrant অভিবাসী Index নির্ঘণ্ট, নির্দেশক Interim অন্তর্বর্তীকালীন Internal অভ্যন্তরীণ Interpreter দোভাষী Interview সাক্ষাৎকার Investigation অনুসন্ধান Invisilstor পরিদর্শক Irrigation সেচ Judge বিচারক Justice বিচারপতি Key note মূল ভাব, মূল সুর Keyman অপরিহার্য কর্মী Key - word মূল - শব্দ Kingdom রাজ্য Knight বংশীয় Leap - Year অধি - বর্ষ Leap - year অধিবর্ষ Legend কিংবদন্তি Leisure অবকাশ Liability দায় Lien পূর্বস্বত্ব / লিয়েন Limited সীমিত, সীমাবদ্ধ Literal আক্ষরিক Literature সাহিত্য Lock - up হাজত manager ব্যবস্থাপক Manifesto ইশতেহার Manuscript পাণ্ডুলিপি Mayor মেয়র, পুরকর্তা Memorandum স্মারকলিপি Mercury পারদ Method প্রণালি Millennium সহস্রাব্দ National Assembly জাতীয় পরিষদ Nationalisation জাতীয়করণ / রাষ্ট্রীয়করণ Nationality জাতীয়তা Nitrogen যবক্ষারজান Note মন্তব্য Notice Board বিজ্ঞপ্তি ফলক Nursery শিশুমালা / তরুশালা Obedient অনুগত, বাধ্য Occupation বৃত্তি / পেশা / দখল Office - bearer কর্মচারী Option ইচ্ছা Optional ঐচ্ছিক Out - post ফাঁড়ি oxygen অম্লজান Para অনুচ্ছেদ Parliament সংসদ Passport ছাড়পত্র / পাসপোর্ট Pay - bill বেতন - বিল / বেতন - পত্র Payee প্রাপক periodical সাময়িকী Philanthropist লোকহিতৈষী Pollution দূষণ post graduate স্নাতকোত্তর Principal অধ্যক্ষ / প্রধান Principle তত্ত্ব / সূত্র / নীতি Public সরকারি লোক / জনসাধারণ Public works গণপূর্ত Publication প্রকাশনা Quarantine সঙ্গরোধ radio বেতার Rank পদমর্যাদা Ratio অনুপাত Regiment সৈন্যদল Registration নিবন্ধন Relation সম্পর্ক Republic প্রজাতন্ত্র Routine রুটিন / নিত্যক্রম Sabotage অন্তর্ঘাত Salary বেতন Sanction অনুমোদন / মঞ্জুরি Scale মাপনী / স্কেল / ক্রম Secondary মাধ্যমিক Secretary সচিব Specialist বিশেষজ্ঞ Telecommunication টেলিযোগাযোগ Termination অবসান Theory তত্ত্ব / সিদ্ধান্ত / সূত্র training প্রশিক্ষণ Union সংঘ / ইউনিয়ন; সংযোগ Up - to - date হালনাগাদ Urbanization নগরায়ন Vacation অবকাশ / ছুটি Valid বৈধ / সিদ্ধ / চালু Vehicle যান / গাড়ি Venue স্থান Viva - voce মৌখিক পরীক্ষা Vocation বৃত্তি Walk - out সভাবর্জন / ওয়াক আউট White paper শ্বেতপত্র Worship পূজা Year - Book বর্ষপঞ্জি Zone অঞ্চল; বলয় / মণ্ডল জ্ঞাতব্য : বাংলা ভাষার শব্দসম্ভার দেশি, বিদেশি, সংস্কৃত - যে ভাষা থেকেই আসুক না কেন, এখন তা বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ। এগুলাে বাংলা ভাষার সঙ্গে এমনভাবে মিশে গেছে যে, বাংলা থেকে আলাদা করে এদের কথা চিন্তা করা যায় না। যেমন—টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, রেডিও, স্যাটেলাইট ইত্যাদি প্রচলিত শব্দের কঠিনতর বাংলা পরিভাষা সৃষ্টি নিষ্প্রয়ােজন।
'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' -- এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো?
Correct Answer:
ঘ: শিখা
Explanation:
'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' -- এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো? সঠিক উত্তর শিখা 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' এই উক্তিটি শিখা পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো । শিখা পত্রিকাশিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা। এটি উনিশ শতকের বিশের দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হত। এর প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭) এবং এর প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেন। এটি বাৎসরিক পত্রিকা ছিল ও ১৯৩১ সালে এর পঞ্চম ও শেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এর প্রধান কারণ ১৯৩২ সালের মার্চ মাসে আবুল হুসেনের ঢাকা ত্যাগ। তিনিই মূলত প্রকাশনার সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করতেন ও প্রকাশনা - ব্যয়ের একটি বড় অংশও বহন করতেন। এ পত্রিকার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মডার্ন লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন আবুল হুসেন। এ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। একে বলা হয়ে থাকে ঢাকার যুক্তিবাদী আন্দোলন।ধরণ - শিখা পত্রিকাসমকালের অন্যান্য সাময়িকপত্র থেকে শিখা ভিন্ন ধরনের ছিল। মুসলিম সাহিত্য - সমাজের সারা বছরের কর্মকাণ্ডের পরিচয় বহন করত এটি। শিখার প্রতিটি সংখ্যার উপরে "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব" কথাটি লেখা থাকত। এটি বাঙালি মুসলিম সমাজে নতুন যুগের হাওয়া বইয়ে দিতে চেয়েছিল। তাদের আদর্শ ছিল উনিশ শতকের নবজাগরণ, ইউরোপের নবজাগরণ, কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুরস্কের বুকে জন্ম নেওয়া নবজাগরণ।সম্পাদকমন্ডলী - শিখা পত্রিকাশিখা ১৯২৭ সাল থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত বছরে একবার প্রকাশিত হত। এর মোট পাঁচটি সংখ্যার সম্পাদকের নাম নিচে দেয় হলো : আবুল হুসেন, (১ম সংখ্যা) কাজী মোতাহার হোসেন, (২য় ও ৩য় সংখ্যা) মোহাম্মদ আবদুর রশিদ, (৪র্থ সংখ্যা) আবুল ফজল, (৫ম সংখ্যা)সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Correct Answer:
গ: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল 'রোহিনী' চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে পাওয়া যায়। কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মসাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে, "সংবাদ প্রভাকর" পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে। বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) তাঁর লেখা। সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের পূর্ণ তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হলো: উপন্যাস প্রকাশকাল বিস্তারিত তথ্য Rajmohans Wife ১৮৬৪ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস। এটি ১৮৬৪ সালে 'Indian Field' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী মার্চ, ১৮৬৫ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস। রচনাকাল ১৮৬২ - ৬৪। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে উপন্যাসের তেরটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯৩ সালে। কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ কাব্যিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস। মেদিনীপুর জেলার নেগুঁয়া মহকুমায় (বর্তমানে কাঁথি মহকুমা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা) অবস্থানকালে অর্জিত কিছু অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই উপন্যাস রচনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র। সমালোচক মহলে উচ্চ - প্রশংসিত হয় এই উপন্যাস। মৃণালিনী ১৮৬৯ ঐতিহাসিক উপন্যাস। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত। বিষবৃক্ষ ১৮৭৩ সামাজিক উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা (বৈশাখ, ১২৭৯) থেকে ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়। মোট সংস্করণের সংখ্যা আট। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯২ সালে। ইন্দিরা ১৮৭৩ অনু - উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৭৯) ছোটোগল্প আকারে প্রকাশিত হয়। ১৮৭৩ সালে ৪৫ পৃষ্ঠার ক্ষুদ্র গ্রন্থাকারে প্রকাশিত। ১৮৯৩ সালে ১৭৭ পৃষ্ঠার একটি অনু - উপন্যাসের আকারে এই গ্রন্থের পঞ্চম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। যুগলাঙ্গুরীয় ১৮৭৪ ঐতিহাসিক অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (বৈশাখ, ১২৮০)। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৬। ১৮৯৩ সালে পঞ্চম তথা সর্বশেষ সংস্করণে পৃষ্ঠা সংখ্যা হয় ৫০। চন্দ্রশেখর ১৮৭৫ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৮০ – ভাদ্র, ১২৮১)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৯ সালে মুদ্রিত। রাধারাণী ১৮৮৬ অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (কার্তিক - অগ্রহায়ণ, ১২৮২)। ১৮৭৭ ও ১৮৮১ সালে উপন্যাস – অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপন্যাস সংগ্রহ গ্রন্থে সংকলিত হয়। ১৮৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশের সময় পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৮। ১৮৯৩ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৬৫। রজনী ১৮৭৭ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (১২৮১ - ৮২)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৭ সালে মুদ্রিত। কৃষ্ণকান্তের উইল ১৮৭৮ সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। রাজসিংহ ১৮৮২ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪। আনন্দমঠ ১৮৮২ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৭ – জ্যৈষ্ঠ, ১২৮৯)। - ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় স্তোত্র বন্দেমাতরম এই উপন্যাস থেকে গৃহীত। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে রচিত। এই উপন্যাসে লেখকের দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। দেবী চৌধুরাণী ১৮৮৪ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বিভিন্ন সময়ে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে ছয়টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯১ সালে মুদ্রিত। সীতারাম মার্চ, ১৮৮৭ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের শেষ উপন্যাস। প্রচার পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৯১ – মাঘ, ১২৯৩; মাঝে কয়েকমাসের বিরতি সহ) প্রকাশিত হয়। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৪১৯। তৃতীয় ও শেষ সংস্করণ বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় মুদ্রিত হলেও প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পরে, ১৮৯৪ সালের মে মাসে। প্রবন্ধ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লোকরহস্য (১৮৭৪) বিজ্ঞান রহস্য (১৮৭৫) কমলাকান্তের দপ্তর (১৮৭৫) বিবিধ সমালোচনা (১৮৭৬) সাম্য (১৮৭৯) কৃষ্ণচরিত্র (১৮৮৬) বিবিধ প্রবন্ধ (১ম খন্ড - ১৮৮৭, ২য় খন্ড - ১৮৯২) ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন (১৮৮৮) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১৯০২) তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?
Correct Answer:
ক: বাংলার প্রকৃতির কথা
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে? সঠিক উত্তর বাংলার প্রকৃতির কথা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে বাংলার প্রকৃতির কথা প্রধানভাবে আছে। আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গাঁথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিল। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সম্পূর্ণ আমার সোনার বাংলা গানটি এখানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এই গানের প্রথম দশ লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,মরি হায়, হায় রে—ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,মরি হায়, হায় রে—মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিলে রে,তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,মরি হায়, হায় রে—তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি॥ধেনু - চরা তোমার মাঠে, পারে যাবার খেয়াঘাটে,সারা দিন পাখি - ডাকা ছায়ায় - ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,তোমার ধানে - ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,মরি হায়, হায় রে—ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি॥ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,মরি হায়, হায় রে—আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
Correct Answer:
গ: ঢাকা
Explanation:
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল? সঠিক উত্তর ঢাকা ঢাকা নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল। সুবাহ বাংলাসুবাহ বাংলা (ফার্সি: صوبه بنگاله, প্রতিবর্ণী. সূবাহ্ বাঙ্গালাহ্;) বা মুঘল বাংলা ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের একটি মহকুমা, যা ১৬শ থেকে ১৭শ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে বর্তমানের বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বাংলা সালতানাত ভেঙ্গে গেলে এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব হয়, এবং সেই সময়ের বিশ্বের অন্যতম বড় এ সাম্রাজ্যটি বিলীন হয়ে যায়। মুঘলেরা বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে। ১৮ শতকের দিকে এসে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে তাদের উত্থান ঘটে।ইউরোপবাসীরা বাংলাকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী বাণিজ্য দেশ হিসেবে ধরতো মুঘল বেঙ্গলকে "প্যারাডাইস অফ নেশনস" হিসাবে বর্ণনা করে। মুঘল আমলে বিশ্বের মোট উৎপাদনের (জিডিপির) ১২ শতাংশ উৎপন্ন হত সুবাহ বাংলায়, যা সে সময় সমগ্র ইউরোপের জিডিপির চেয়ে বেশি ছিল। বাংলার পূর্ব অংশ টেক্সটাইল উত্পাদন এবং জাহাজ নির্মাণের মতো শিল্পে বিশ্বব্যাপী বিশিষ্ট ছিল এবং এটি বিশ্বের রেশম এবং সুতির বস্ত্র, ইস্পাত, সল্টপিটার এবং কৃষি ও শিল্পজাতীয় পণ্যগুলির প্রধান রফতানিকারক ছিল।রাজধানী জাহাঙ্গীর নগর, আজকের আধুনিক ঢাকা, এর জনসংখ্যা ১ লাখের বেশি ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে, মুঘল বাংলা একটি নওয়াব - স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল, বাংলার নবাবদের অধীনে এবং ইতিমধ্যে প্রোটো - শিল্পায়ন পর্যবেক্ষণ করে, এটি প্রথম শিল্প বিপ্লবে প্রত্যক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।১৭৪১ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে একাধিক মারাঠা আক্রমণে মুঘল বাংলা বিধ্বস্ত হয়েছিল, যেখানে মারাঠারা প্রায় ৪০০,০০০ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল বলে ধারণা করা হয়। আক্রমণগুলির সমসাময়িক বিবরণীতে মারাঠাদের দ্বারা নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ করা, এবং আক্রান্তদের অঙ্গহানি করার উল্লেখও রয়েছে। যা বাংলার অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক বিজয় লাভ করার পরে সুবাহ বাংলা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা সুবাহ صوبه بنگاله (ফার্সি) সুবাহ বাংলা (বাংলা) মুঘল সাম্রাজ্য মহকুমা ← ← ← ← ১৫৭৬ - ১৭৫৭ → → → → → পতাকা রাজধানী ঢাকা মুর্শিদাবাদ রাজমহল তান্ডা সরকার রাজতান্ত্রিক ঐতিহাসিক যুগ আধুনিক যুগের শুরুতে • রাজমহলের যুদ্ধ ১৬৭৬ • পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত (পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, এবং ওড়িশা) অংশ সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ?
Correct Answer:
ঘ: ঘরে-বাইরে
Explanation:
কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ? সঠিক উত্তর ঘরে-বাইরে ঘরে - বাইরে উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।ঘরে বাইরে (উপন্যাস)ঘরে বাইরে (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। এটি চলিত ভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস। উপন্যাসটি সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এই উপন্যাসে একদিকে আছে জাতিপ্রেম ও সংকীর্ণ স্বাদেশিকতার সমালোচনা, অন্যদিকে আছে সমাজ ও প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নারী পুরুষের সম্পর্ক; বিশেষত পরস্পরের আকর্ষণ - বিকর্ষণের বিশ্লেষণ।বিষয়বস্তু - ঘরে বাইরেস্বামী নিখিলেশের প্রতি অনুরাগ সত্ত্বেও এই কাহিনীর নায়িকা বিমলা বিপ্লবী সন্দীপের দ্বারা তীব্রভাবে আকর্ষিত। একদিকে বাইরে জাতীয় আন্দোলনের উত্তেজনা অন্যদিকে তিনটি মানুষের জীবনে টানাপোড়ন - রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনের দ্বন্দ্ব এই দুই মিলে উপন্যাস।
জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়?
Correct Answer:
ক: বরিশাল জেলা
Explanation:
জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়? সঠিক উত্তর বরিশাল জেলা Jibanananda Das (17 February 1899 – 22 October 1954) was an Indian poet, writer, novelist and essayist in the Bengali language. Popularly called "Rupashi Banglar Kabi'' (Poet of Beautiful Bengal). Born in Barishal to a Vaidya - Brahmo family, Das studied English literature at Presidency College, Kolkata and earned his MA from Calcutta University.
'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
ক: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন - হাসান হাফিজুর রহমানএকুশে ফেব্রুয়ারী (উপন্যাস)একুশে ফ্রেব্রুয়ারী উপন্যাসটি বিখ্যাত উপন্যাসিক জহির রায়হান - এর এক অনবদ্য সৃষ্টি। তিনি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, এ উপন্যাসটি সেই উদ্দেশ্যেই ১৯৭০ সালে লেখা।প্রেক্ষাপট - একুশে ফেব্রুয়ারী (উপন্যাস)বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলন শুধু এদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে নয়, শিল্প সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও নতুন চেতনাপ্রবাহ সৃষ্টি করেছিল; এই চেতনা ছিল অসাম্প্রদায়িক, গণতান্তিক এবং সামাজিক মূল্যবোধসঞ্জাত| কাচের দেয়াল চলচ্চিত্র নির্মাণের পরে তিনি একুশে ফেব্রুয়ারি নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করেন; কিন্তু তিনি তা করতে পারেননি| পরবর্তিতে তিনি জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট যোগ করেন এবং তার অপ্রকাশিত চলচ্চিত্রকে উপন্যাস আকারে প্রকাশ করেন| একুশে ফেব্রুয়ারি লেখক জহির রায়হান দেশ বাংলাদেশ ভাষা বাংলা বিষয় বাংলা ভাষা আন্দোলন ধরন ঐতিহাসিক প্রকাশক পল্লব পাবলিশার্স প্রকাশনার তারিখ আগস্ট, ১৯৯২ পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪০ আইএসবিএন 984 - 404 - 095 - 7
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-----
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
Explanation:
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য----- সঠিক উত্তর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য বিদ্যমান। সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য: বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। দুটি রূপের মধ্যে যেমন প্রকৃতিগত সাদৃশ্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্যও রয়েছে। নিচে সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য আলোচনা করা হলো ক্রম সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১ যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। শিক্ষিত লোক সাধারণ কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, তা - ই চলিত ভাষা। ২ সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। চলিত ভাষার সুনির্ধারিত ব্যাকরণ আজও তৈরি হয়নি। ৩ সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী। চলিত ভাষা সহজ ও স্বাভাবিক। এ ভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশে উপযোগী। ৪ সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। ৪। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। ৫ সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় তেমন উপযোগী নয়। চলিত ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় বেশ উপযোগী। ৬ সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৭ এ ভাষা প্রাচীন। এটি আধুনিক। ৮ সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। চলিত ভাষায় অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯ সাধু ভাষা কৃত্রিম। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। ১০ ৫। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ লক্ষণীয়। সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়মনিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—হউক>হোক, থাউক>থাক। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন—তাহা>তা, যাহা>যা। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—শুন>শোন উঠে>ওঠে। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন—করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে। উদাহরণ:সাধুরীতি: দেখিলাম, এই সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো আসিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল হইতে সে জাগিয়া উঠে নাই। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের উপর সকালের আলো ঠিকরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু বরফ এখনো গলিল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!চলিতরীতি: দেখলাম, এ সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো এসে পড়েছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল থেকে সে জেগে ওঠেনি। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের ওপর সকালের আলো ঠিকরে পড়েছে, কিন্তু বরফ এখনো গলল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!
সমগ্র পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন?
Correct Answer:
গ: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন
Explanation:
সমগ্র পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন? সঠিক উত্তর ভাই গিরিশচন্দ্র সেন Girish Chandra Sen (c. 1835 – 15 August 1910) was a Bengali religious scholar and translator. He was a Brahmo Samaj missionary and known for being the first publisher of the Qur’an into the Bengali language in 1886.
' সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
ঘ: সিকান্দার আবু জাফর
Explanation:
' সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর সিকান্দার আবু জাফর 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন সিকান্দার আবু জাফর। সমকাল বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পকিস্তান) থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা। এর সম্পাদক ছিলেন কবি সিকান্দার আবু জাফর। সমকাল সমকাল সাহিত্য পত্রিকার প্রচ্ছদ। সম্পাদক কবি সিকান্দার আবু জাফর প্রকাশনা সময় - দূরত্ব ত্রৈমাসিক প্রকাশক সমকাল প্রেস প্রথম প্রকাশ ১৩৬৩ বাংলা, ১৯৫৭ ইংরেজি দেশ পূর্ব পাকিস্তান ভাষা বাংলা সিকান্দার আবু জাফরসিকান্দার আবু জাফর (১৯ মার্চ ১৯১৮/১৯১৯ - ৫ আগস্ট ১৯৭৫) একজন বাঙালি কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তিনি ভারত বিভাগোত্তর কালে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা সমকাল সম্পাদনার জন্য বিশেষভাবে খ্যাত। তার একটি বিখ্যাত কবিতা হলোজনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে বাঁচবার অধিকার কাড়তে দাস্যের নির্মোক ছাড়তে অগণিত মানুষের প্রাণপণ যুদ্ধ চলবেই চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই।এটি পরে জনপ্রিয় গণসঙ্গীতে রূপান্তরিত হয়। সিকানদার আবু জাফর সিকান্দার আবু জাফর জন্ম ১৯১৮ তৎকালীন খুলনা জেলা বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা মৃত্যু আগস্ট ৫, ১৯৭৫ জাতীয়তা বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বাংলাদেশ পরিচিতির কারণ কবি সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি কার রচনা?
Correct Answer:
গ: শেখ ফজলল করিম
Explanation:
'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি কার রচনা? সঠিক উত্তর শেখ ফজলল করিম 'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ - নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি শেখ ফজলল করিম এর রচনা।শেখ ফজলল করিম (৯ এপ্রিল ১৮৮২/বাংলা ৩০শে চৈত্র ১২৮৯ - ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬) একজন স্বনামধন্য বাঙালি সাহিত্যিক। তার লেখা কবিতার কয়েকটি লাইন,কোথায় স্বর্গ?কোথায় নরক?কে বলে তা বহুদূর?মানুষের মাঝেই স্বর্গ - নরকমানুষেতে সুরাসুর শেখ ফজলল করিম জন্ম ৯ এপ্রিল ১৮৮২ (বয়স ১৩৮) কাকিনা বাজার গ্রাম, লালমনিরহাট, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত মৃত্যু ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৬ (বয়স ৫৪) সমাধিস্থল কাকিনা, লালমনিরহাট, বাংলাদেশ পেশা কবি ভাষা বাংলা নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয় উল্লেখযোগ্য রচনাবলি পথ ও পাথেয়
'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
ঘ: মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন
Explanation:
'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন - মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীনসওগাত(মাসিক পত্রিকা)সওগাত ছিল একটি সচিত্র মাসিক পত্রিকা। এই পত্রিকা বাংলার মুসলিমদের সাংবাদিকতায় পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছে। সওগাত সওগাতের প্রচ্ছদ ধরন মাসিক পত্রিকা সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১৮ ভাষা বাংলা সদরদপ্তর কলকাতা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান কলকাতা, ভারত) ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান, পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
বাংলা একাডেমি কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
ক: ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে
Explanation:
বাংলা একাডেমি কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে Bangla Academy (Bengali: বাংলা একাডেমি) is an autonomous institution funded by Bangladesh government to promote and foster the Bengali language, literature and culture, to develop and implement national language policy and to do original research in the Bengali language. Established in 1955, it is located in Burdwan House in Ramna, Dhaka, within the grounds of the University of Dhaka and Suhrawardy Udyan. Bangla Academy hosts the annual Ekushey Book Fair.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে?
Correct Answer:
গ: ১২
Explanation:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে? সঠিক উত্তর ১২ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় - সংবিধানের ১২ নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে।
গিরিজা প্রসাদ কৈরালা কত তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন?
Correct Answer:
গ: ১০ জুলাই ১৯৯৪
Explanation:
গিরিজা প্রসাদ কৈরালা কত তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন? সঠিক উত্তর ১০ জুলাই ১৯৯৪ Nepal officially the Federal Democratic Republic of Nepal is a country in South Asia
Asia Pacific Economic Co-operation ( APEC ) ফোরামের নভেম্বর, ১৯৯৩-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোন সদস্য দেশের প্রধান অনুপস্থিত ছিলেন?
Correct Answer:
ঘ: জাপান
Explanation:
Asia Pacific Economic Co-operation ( APEC ) ফোরামের নভেম্বর, ১৯৯৩-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোন সদস্য দেশের প্রধান অনুপস্থিত ছিলেন? সঠিক উত্তর জাপান The Asia - Pacific Economic Cooperation (APEC) is an inter - governmental forum for 21 member economies in the Pacific Rim that promotes free trade throughout the Asia - Pacific region. Following the success of ASEAN's series of post - ministerial conferences launched in the mid - 1980s, APEC started in 1989, in response to the growing interdependence of Asia - Pacific economies and the advent of regional trade blocs in other parts of the world; it aimed to establish new markets for agricultural products and raw materials beyond Europe.[5] Headquartered in Singapore.
Hubble Telescope-এর ত্রুটি সংশোধনকল্পে মহাশূন্যে কোন নভোযানে নভোচারীগণকে প্রেরণ করা হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: Endeavour
Explanation:
Hubble Telescope-এর ত্রুটি সংশোধনকল্পে মহাশূন্যে কোন নভোযানে নভোচারীগণকে প্রেরণ করা হয়েছিল? সঠিক উত্তর Endeavour Hubble Telescope - এর ত্রুটি সংশোধনকল্পে মহাশূন্যে Endeavour নভোযানে নভোচারীগণকে প্রেরণ করা হয়েছিল। হাবল স্পেস টেলিস্কোপ (প্রায়শই এইচএসটি বা হাবল হিসাবে পরিচিত) হ'ল একটি স্পেস টেলিস্কোপ যা ১৯৯০ সালে নিম্ন পৃথিবীর কক্ষপথে চালু হয়েছিল এবং এখনও চালু রয়েছে। এটি প্রথম স্পেস টেলিস্কোপ ছিল না, তবে এটি একটি বৃহত্তম এবং সর্বাধিক বহুমুখী, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা সরঞ্জাম হিসাবে এবং জ্যোতির্বিদ্যার জন্য জনসংযোগের হিসাবে পরিচিত। হাবল টেলিস্কোপটির নাম জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবলের নামানুসারে রাখা হয়েছে এবং এটি নাসার গ্রেট অবজারভেটরিগুলির মধ্যে একটি, ক্যাম্পটন গামা রায় অবজারভেটরি, চন্দ্র এক্স - রে অবজারভেটরি এবং স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ সহ।
রুয়ান্ডার প্যাট্রিয়াটিক ফ্রন্ট সরকার কবে শপথ গ্রহণ করেন?
Correct Answer:
খ: ১৯ জুলাই ১৯৯৪
Explanation:
রুয়ান্ডার প্যাট্রিয়াটিক ফ্রন্ট সরকার কবে শপথ গ্রহণ করেন? সঠিক উত্তর ১৯ জুলাই ১৯৯৪ রুয়ান্ডার প্যাট্রিয়াটিক ফ্রন্ট সরকার শপথ গ্রহণ করেন ১৯ জুলাই ১৯৯৪। রুয়ান্ডা আফ্রিফার পূর্ব - মধ্যাংশের একটি রাষ্ট্র। দেশটির সরকারি নাম রুয়ান্ডা প্রজাতন্ত্র। এর রাজধানীর নাম কিগালি। এদেশে প্রায় ৮০ লাখ লোকের বাস। রুয়ান্ডার চারিদিকে রয়েছে উগান্ডা, বুরুন্ডি, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, এবং তানজানিয়া। এদেশের উর্বর ও পাহাড়ী ভূমির কারণে এর নামকরণ করা হয়েছে হাজার পাহাড়ের দেশ। আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে রুয়ান্ডাতেই জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। হুটু ও টুটসি উপজাতি জনগোষ্ঠীর এই দেশটি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ জাতিগত দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বের নজরে আসে। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। এতে আট লাখ নাগরিক নিহত হন। গণহত্যার শিকার অধিকাংশই ছিল সংখ্যালঘু তুতসি সম্প্রদায়ের।
জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
Correct Answer:
ঘ: ইউরিয়া
Explanation:
জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি? সঠিক উত্তর ইউরিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ জিয়া সার কারখানার নাম পরিবর্তন করে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল ) করা হয়েছে।
পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসিন আরাফাত তিউনিসিয়ায় নির্বাসিত জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে কবে গাজা ভূখণ্ডে আসেন?
Correct Answer:
ঘ: ১ জুলাই ১৯৯৪
Explanation:
পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসিন আরাফাত তিউনিসিয়ায় নির্বাসিত জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে কবে গাজা ভূখণ্ডে আসেন? সঠিক উত্তর ১ জুলাই ১৯৯৪ Mahmoud Abbas (Arabic: مَحْمُود عَبَّاس, born 15 November 1935), also known by the kunya Abu Mazen, is the President of the State of Palestine and Palestinian National Authority.[6] He has been the Chairman of the Palestine Liberation Organization (PLO) since 11 November 2004, and the Palestinian president since 15 January 2005 (Palestinian National Authority since 15 January 2005, and the State of Palestine since 8 May 2005). Abbas is a member of the Fatah party and was elected Chairman of Fatah in 2009.
বি-৫২ কি?
Correct Answer:
গ: এক ধরনের বোমারু বিমান
Explanation:
বি-৫২ কি? সঠিক উত্তর এক ধরনের বোমারু বিমান বি - ৫২ এক ধরনের বোমারু বিমান। নোরা বি - ৫২ হচ্ছে সার্বিয়ার মিলিটারি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট বেলগ্রেড - এর তৈরি ১৫৫ মিমি স্বচালিত কামান। এমটিআই ১৯৮৪ সালে প্রথম স্বচালিত নোরা বি (নোরা সি এর উপর ভিত্তি করে তৈরি) এর নকশা করে ফ্যাব্রিকা অটোমোবিলা পিরবোজ (পিরবোজ মোটরগাড়ি কারখানা) এর ৮x৮ ট্রাকের উপর ১৫২ মিমি নোরা এম৮৪ কামান বসানোর মাধ্যমে। এটি ছিল একটি তৃতীয় প্রজন্মের গোলন্দাজ অস্ত্র। ২০০০ সালে এমটিআই ৫২ - ক্যালিবার ১৫৫ মিমি কামান ব্যবহার করে নতুন চতুর্থ প্রজন্মের গোলন্দাজ অস্ত্র তৈরি করে যা বি - ৫২ নামে পরিচিত হয়।
'Rotary International' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯০৫ সালে
Explanation:
'Rotary International' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯০৫ সালে 'Rotary International' প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৫ সালে। রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে উঠা বিশ্বব্যাপী সেবামূলক সংগঠন। উচ্চস্তরের মানদণ্ড, সমাজ সেবা ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়ায় এ সংগঠনের ভূমিকা অপরিসীম। প্রত্যেক ব্যবসায়িক ও পেশাদার ক্লাব থেকে একজন ব্যক্তি রোটারী ক্লাবের সদস্য হয়ে থাকেন। শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস ১৯০৫ সালে এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন যা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানরূপে স্বীকৃত। প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি, ব্যবসায় ও পেশাদারী পর্যায়ে উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং বিশ্বব্যাপী ফেলোশীপ প্রদানের মহান ব্রত নিয়ে আদর্শ সেবাপ্রদানকল্পে এ সংগঠনটি গঠন করেন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়েই এ সংগঠনের সদস্যপদের জন্য সীমারেখা নির্দিষ্ট করে যান। একবিংশ শতকের শুরুতে বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও ভৌগোলিক এলাকায় ১.২২ মিলিয়নেরও অধিক সদস্য রয়েছে।
জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রবিন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?
Correct Answer:
গ: ২৬ আক্টোবর ১৯৯৪
Explanation:
জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রবিন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন? সঠিক উত্তর ২৬ আক্টোবর ১৯৯৪ জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রবিন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন ২৬ আক্টোবর ১৯৯৪। ১৯৯১ মাদ্রিদ সম্মেলনে, জর্ডান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে রাজি হয়েছিল। ইজরায়েল - জর্ডান শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২৬ অক্টোবর ১৯৯৪ । ১৯৯৭ সালে, ইজরায়েলি এজেন্ট কানাডিয়ান পাসপোর্ট ব্যবহার করে জর্ডানে প্রবেশ করে এবং হযরত হামাস নেতা খালেদ মেশালকে বিষাক্ত করে। ইজরায়েল বিষ বিষাক্ততা প্রদান করে এবং কিং হুসেনের শান্তি চুক্তি বাতিল করার হুমকি দেওয়ার পরে শেখ আহমেদ ইয়াসিন সহ ডজন ডজন রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেয়।
'Straw vote' বলতে কি বোঝায়?
Correct Answer:
ক: Unofficial poll of public opinion
Explanation:
'Straw vote' বলতে কি বোঝায়? সঠিক উত্তর Unofficial poll of public opinion 'Straw vote' বলতে বুঝায় Unofficial poll of public opinion. Straw poll, Straw vote, ও straw ballot অ্যাডহক বা বেসরকারী ভোট। এটি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে জনপ্রিয় মতামত প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি রাজনীতিবিদদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত জানতে এবং ভোট পেতে কী বলার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। 'Straw vote' গুলি বড় গ্রুপগুলির মধ্যে চলাচলের মধ্যে কথোপকথন সরবরাহ করে ফলস্বরূপ স্ট্রো পোলগুলি প্রায়শই এটি দেখার জন্য নেওয়া হয় যে এটির পক্ষে আরও সভার সময় উত্সর্গ করার কোনও ধারণার যথেষ্ট সমর্থন রয়েছে কিনা, এবং (যখন কোনও গোপন ব্যালট নয়) উপস্থিত থাকার জন্য দেখার জন্য প্রশ্নটির কোন দিকে রয়েছে। যাইহোক, রবার্টের আদেশের বিধি অনুসারে সভাগুলিতে স্ট্রো পোল নেওয়ার গতি অনুমোদিত নয়।
স্বাধীন বাংলাদেশেকে কখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে?
Correct Answer:
ঘ: ৪ এপ্রিল ১৯৭২
Explanation:
স্বাধীন বাংলাদেশেকে কখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে? সঠিক উত্তর ৪ এপ্রিল ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে ৪ এপ্রিল ১৯৭২। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। বিজয়ের এ পথ - পরিক্রমা একদিকে যেমন রক্তাক্ত ছিল, তেমনি বিশ্ব মানচিত্রে আলাদা একটা অবস্থান তৈরিও সহজ ছিল না। এরপরও অনেক দেশই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। আবার বিজয়ের পর মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী কিংবা পাকিস্তানের পক্ষের অনেক দেশও পরিস্থিতির কারণে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। নিচে এ তালিকাটি তুলে ধরা হলো - প্রথম স্বীকৃতি কারী দেশ ভুটান - ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ২. ভারত - ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ৩. পূর্ব জামানি - ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ এবং যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল ১৯৭২।
স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
Correct Answer:
গ: ৪ মার্চ ১৯৭২
Explanation:
স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়? সঠিক উত্তর ৪ মার্চ ১৯৭২ ৪ই মার্চ ১৯৭২ সালে ১০০ টাকার নোট চালু হয়
বার্লিনের দেয়াল কোন সালে নির্মিত হয়েছিল?
Correct Answer:
গ: ১৯৬১ সালে
Explanation:
বার্লিনের দেয়াল কোন সালে নির্মিত হয়েছিল? সঠিক উত্তর ১৯৬১ সালে বার্লিন প্রাচীর ছিলো একটি সুরক্ষিত কংক্রিটের অন্তরায়, যা ১৯৬১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত আক্ষরিক ও মতাদর্শগতভাবে বার্লিন শহরকে বিভক্ত করেছিল।[১] জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (জিডিআর, পূর্ব জার্মানি) কর্তৃক এই প্রাচীরটি নির্মাণ করা হয়
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ' উপজেলা বাতিল' বিলটি কখন পাস হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: ১৯৯২ সালে
Explanation:
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ' উপজেলা বাতিল' বিলটি কখন পাস হয়েছিল? সঠিক উত্তর ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ' উপজেলা বাতিল' বিলটি পাস হয়েছিল ১৯৯২ সালে। ১৯৮২ সালের ৭ই নভেম্বর স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ ১৯৮২ বলে প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয় এবং থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীকালে উন্নীত থানা পরিষদকে উপজেলা পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়। এ সময়ে বাংলাদেশের প্রায় সমস্ত উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কেন্দ্রে রূপ দেয়া হয়। এই অধ্যাদেশটি ১৯৯২ সালে বাতিল করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৯৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা অধ্যাদেশ ১৯৯৮ পাস করে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়। কার্যালয় আদেশের মাধ্যমে ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ থেকে এই অধ্যাদেশ কার্যকরী হয়। সর্বশেষ ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন সংশোধন হয়।
৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে সুদের হার কত?
Correct Answer:
গ: ১০%
Explanation:
৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে সুদের হার কত? সঠিক উত্তর ১০% মনেকরি, সুদের হার = ক ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ = (৫০০ * ৪ * ক) টাকা (যেহেতু সুদ = আসল * সময় * হার) = ২০০০ক টাকা ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = (৬০০ * ৫ * ক) টাকা = ৩০০০ক টাকা প্রশ্নমতে, ২০০০ক + ৩০০০ক = ৫০০ বা, ৫০০০ক = ৫০০ বা, ক = ৫০০/৫০০০ সুতরাং ক = ০.১ অতএব, সুদের হার = ০.১ * ১০০ = ১০%
কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
Correct Answer:
খ: ১৪১
Explanation:
কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে? সঠিক উত্তর ১৪১ এখানে ২৪, ৩৬, ৪৮ এর ল, সা, গু করলে হয় ১৪৪ এবং যেহেতু যোগ করতে বলা হয়েছে তাই এটা বিপরীত করতে হবে সুতরাং যোগ করতে বললে বিয়োগ করতে হবে এবং বিয়োগ করতে বললে যোগ করতে হবে অথএব ১৪৪ - ৩ = ১৪১ আশা করি বুঝতে পারছেন ধন্যবাদ
নিম্নলিখিত চারটি সংখ্যার মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বিজোড়?
Correct Answer:
গ: ১০২৪
Explanation:
নিম্নলিখিত চারটি সংখ্যার মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বিজোড়? সঠিক উত্তর ১০২৪ আমরা জানি, যে সংখ্যার বর্গমূল করা যায়, তার ভাজক সংখ্যা বিজোড় হয়।এখানে, ১০২৪ এর বর্গমূল ৩২ হয়তাই, ১০২৪ এর ভাজক সংখ্যা বিজোড়।
দু ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে করতে পারে। প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
Correct Answer:
গ: ২৪ দিনে
Explanation:
দু ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে করতে পারে। প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী কাজটি কত দিনে করতে পারবে? সঠিক উত্তর ২৪ দিনে দুই ব্যাক্তি ১ দিনে কাজ করতে পারে ১/৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে কাজ করতে পারে ১/১২ অংশ দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে কাজ করতে পারে = (১/৮ - ১/১২) = ১/২৪ অংশ এখন, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১/২৪ অংশ করে ১ দিনে দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ অংশ করে = ১ × ২৪/১ = ২৪ দিনে ( উত্তর)
দুটি ত্রিভুজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্ত্বেও ত্রিভুজ দুটি সর্বসম নাও হতে পারে?
Correct Answer:
গ: তিন কোণ
Explanation:
দুটি ত্রিভুজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্ত্বেও ত্রিভুজ দুটি সর্বসম নাও হতে পারে? সঠিক উত্তর তিন কোণ দুটি ত্রিভুজের সর্বসম হওয়ার শর্ত হলো তিনটি কোন ও তিনটি বাহু সমান হওয়া। কিন্তু ক, খ ও ঘ সমান হলেই তিনটি কোন ও তিনটি বাহু সমান হয়ে যায়। অথচ তিনটি কোন সমান হলে সর্বসম নাও হতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হবে তিন কোণ
চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ঃ ২ঃ ২ঃ ৩ হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ হবে ----
Correct Answer:
গ: ১৩৫ ডিগ্রি
Explanation:
চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ঃ ২ঃ ২ঃ ৩ হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ হবে ---- সঠিক উত্তর ১৩৫ ডিগ্রি অনুপাতের যোগফল = ১ + ২ + ২ + ৩ = ৮ চতুর্ভুজের চার কোণের যোগফল ৩৬০০ সুতরাং বৃহত্তম কোণ = ৩৬০০ এর ৩/৮ = ১৩৫০
a2+b2-c2+2aba2-b2+c2+2ac=?
Correct Answer:
B: a+b-ca-b+c
Explanation:
a2+b2-c2+2aba2-b2+c2+2ac=? Correct Answer a+b-ca-b+c ফারসি শব্দ: খোদা, গুনাহ, দোযখ, নামায, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোযা কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তারিখ, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান,দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসদ আদমি, আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাস, রফতানি, হাঙ্গামা
একজন দোকানদার ৭১২% ক্ষতিতে একটি দ্রব্য বিক্রয় করল। যদি দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হতো এবং বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশি হতো, তাহলে তার ২০% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
Correct Answer:
খ: ২০০ টাকা
Explanation:
একজন দোকানদার ৭১২% ক্ষতিতে একটি দ্রব্য বিক্রয় করল। যদি দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হতো এবং বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশি হতো, তাহলে তার ২০% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত? সঠিক উত্তর ২০০ টাকা প্রকৃত ক্রয় মূল্য 100 টাকা হলে ৭.৫ %ক্ষতিতে বিক্রয় মূল্য (১০০ - ৭.৫) টাকা বা১৮৫/২ ১০% কমে ক্রয় মূল্য (১০০ - ১০) টাকা বা ৯০ টাকা ৯০ টাকায় ক্রয় করে দ্রব্যটি ২০% লাভে বিক্রয় মূল্য = ১২০×৯০÷১০০ = ১০৮ টাকা দুই বিক্রয়মূল্যের মধ্যে পার্থক্য(১০৮ - ১৮৫/২) টাকা বা ৩১/২ টাকা বিক্রয়মূল্য ৩১/২ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য ১০০টাকা বিক্রয় মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য ১০০×২/৩১ বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য ১০০×২×৩১/৩১টাকা = ২০০ টাকা
a + b + c = 9 , a2+b2+c2=29 হলে ab + bc + ca এর মান কত?
Correct Answer:
গ: 26
Explanation:
a + b + c = 9 , a2+b2+c2=29 হলে ab + bc + ca এর মান কত? সঠিক উত্তর 26 আমরা জান, (a + b + c)2 = a2 + b2 + c2 + 2(ab + bc + ca) বা, 2(ab + bc + ca) = (a + b + c)2 - a2 + b2 + c2 বা, ab + bc + ca = ( 81 - 29)/2 = 26
the antonym of 'Indifference' is ---
Correct Answer:
A: ardour
Explanation:
the antonym of 'Indifference' is --- Correct Answer ardour The antonym of 'Indifference' is - - - Ardour which means great enthusiasm or passion
a:b=4:7 এবং b:c=5:6 হলে a:b:c=কত?
Correct Answer:
গ: 20 : 35 : 42
Explanation:
a:b=4:7 এবং b:c=5:6 হলে a:b:c=কত? সঠিক উত্তর 20 : 35 : 42 দেওয়া আছে, a:b = 4:7, b:c = 5:6 a b c. এখানে সবার মান নিচে 4 7 7 নিচে বসানে হয়েছে 5 5 6 এবং খালি গুলা আগের এখানে, a = 4 × 5 = 20 সংখ্য দ্বারা পূরন করা হয়েছে b = 7 × 5 = 35 c = 7 × 6 = 42 অথএব a:b:c = 20:35:42