Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বাংলা শুদ্ধ স্বরধ্বনির সংখ্যা কতটি?
Correct Answer:
ক: ৭টি
Explanation:
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বাংলা শুদ্ধ স্বরধ্বনির সংখ্যা কতটি? সঠিক উত্তর ৭টি স্বরধ্বনি হচ্ছে এমন কিছু ধ্বনি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে এধরনের বর্ণের মৌলিক সংখ্যা ৭টি - ই, এ, এ্যা, আ, অ, ও ও উ ৷ বাংলা বর্ণমালায় স্বরধ্বনির প্রচলিত সংখ্যা ১১টি ।
‘অবক্ষয়' যুগের কবি কে?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ছার' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: অধম
নিচের কোনটি শব্দের পরে বসে?
Correct Answer:
ঘ: (a) ও (b) উভয়ই
বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
Explanation:
বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ বাংলা ভাষায় প্রথম যে বইটি ছাপা হয় তা হলো “কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ”। পর্তুগীজ লেখক ম্যানোয়েল দা আসসুমসাঁও এই বইটি লেখেন।পর্তুগীজরা একটি সমৃদ্ধ বাংলা বর্ণমালা ও ব্যাকরণ তৈরিতেও বেশ ভূমিকা রেখেছিল। আর এই বইটির পরেই বাংলা বর্ণমালায় বাংলা বই প্রকাশের জন্য নানা উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এটি ছিলো বাংলা ভাষায় প্রথম কোনো মুদ্রিত বই।
‘পাটের ব্যবসায়ী' -এক কথায় প্রকাশ কি হবে?
Correct Answer:
খ: পাটেশ্বরী
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য কয়টি সংখ্যাবর্ণ রয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: ১০টি
Explanation:
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য কয়টি সংখ্যাবর্ণ রয়েছে? সঠিক উত্তর ১০টি বাংলা ভাষার সংখ্যা-বর্ণগুলি হল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ (মোট দশটি)।
নিচের কোনটি রূপকথাভিত্তিক সাহিত্য রচনা?
Correct Answer:
ক: টোনাটুনির বই
Explanation:
নিচের কোনটি রূপকথাভিত্তিক সাহিত্য রচনা? সঠিক উত্তর টোনাটুনির বই টোনাটুনির বই' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা উপেন্দ্রকিশোর রায়
পানসি’- কোন বিদেশী ভাষা থেকে বাংলা ভাষাতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে?
Correct Answer:
ক: ইংরেজী
'ধুয়া ধরা' বাগধারার প্রকৃত অর্থ কি?
Correct Answer:
ঘ: আবদার বা ছুতো করা
'এ যুদ্ধে বাঁধা দিও না' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ঘ: অপাদানে ৭মী
নিচের কোনটি তৎপুরুষ সমাস এর উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: জীবনানন্দ
Explanation:
নিচের কোনটি তৎপুরুষ সমাস এর উদাহরণ? সঠিক উত্তর জীবনানন্দ ব্যাপ্তি বােঝালে কালবাচক শব্দের সঙ্গে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। অর্থাৎ, ব্যাপ্তি বোঝালে পূর্বপদে কালবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ যুক্ত হলে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমনঃ চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী, চিরকাল ব্যাপিয়া বসন্ত = চিরবসন্ত, ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী, জীবন ব্যাপিয়া আনন্দ = জীবনানন্দ, বহুকাল ব্যাপিয়া প্রচলিত = বহুপ্রচলিত
"চারু' শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: রম্য
‘কালপুরুষ' কোন লেখকের ছদ্ম নাম?
Correct Answer:
খ: জীবনানন্দ দাশ
নিচের কোনটি ভাব প্রকাশক অনুকার অব্যয়?
Correct Answer:
গ: হায় হায়
'সম্ভাব' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: সদ+ভাব
‘ছলচাতুরি' কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: দ্বন্দ্ব
Explanation:
‘ছলচাতুরি' কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর দ্বন্দ্ব ‘ছলচাতুরি' দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় এবং সংযোজক অব্যয় ও দ্বারা পদগুলি যুক্ত হয় তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে ।অর্থবোধক দ্বন্দ্ব --অনুরূপ বা সমজাতীয় ভাবপ্রকাশের জন্য অনুচর, সহচর, প্রতিচর, বিকার, অনুকার প্রভৃতি অর্থপ্রকাশক শব্দের মিলনে এই সমাস হয়।সহচর : জনমানব, ঘরবাড়ি, গোঁফদাড়িঅনুচর: চেয়ার-টেবিল , ছলচাতুরিপ্রতিচর: রাজারাণি, পাপপুণ্য, কেনাবেচাবিকার: ঠাকুর-ঠুকুর, কাঁদাকাটাঅনুকার: তেলটেল, জলটল, বইটই।
আগুন শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: অনল
Explanation:
আগুন শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর অনল 'আগুন' - এর সমার্থক শব্দ: অনল , পাবক, দহন, সর্বভুক , সর্বশুচি , বহ্নি , অগ্নি হুতাশন।
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলো কত প্রকার?
Correct Answer:
ক: ২
Explanation:
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলো কত প্রকার? সঠিক উত্তর ২ এই ধ্বনিগুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি। মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: [ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], উ]; এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি: [প], [ফ], [ব], [ভ], [থ], [দ], [ধ], [ট], [ঠ], [ড], [ঢ], [চ], [ছ], [জ], [ঝ], [ক], [খ], [গ], [ঘ], [ম],[ন],[ঙ] [স্], [শ], [হ্], [ল], [র], [ড়], [ঢ়]
অর্ধচন্দ্র শব্দটির অর্থ-
Correct Answer:
খ: গলা ধাক্কা দেয়া
Explanation:
অর্ধচন্দ্র শব্দটির অর্থ- সঠিক উত্তর গলা ধাক্কা দেয়া অর্ধচন্দ্র = অর্ধেক চন্দ্র বা চাঁদ। বাগধারাটার অর্থ "গলা ধাক্কা"। নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, আমরা যখন কাউকে গলা ধাক্কা দেই তখন আমাদের হাতটা তখন অর্ধেক চাঁদের মত দেখায়। সেখান থেকেই অর্ধচন্দ্র শব্দের উৎপত্তি।
তিলে তৈল হয়- কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অপাদানে ৫মী
Explanation:
তিলে তৈল হয়- কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অপাদানে ৫মী যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে।যেমন - তিল থেকে তেল হয়।
'শবনম' গ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
খ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
'শবনম' গ্রন্থের রচয়িতা- সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী সৈয়দ মুজতবা আলীর উপন্যাস অবিশ্বাস্য, শবনম। তার রচিত রম্য - রচনা পঞ্চতন্ত্র , ময়ূরকণ্ঠী। তার ছোট গল্পগ্রন্থ চাচা - কাহিনী, টুনি মেম।
নীচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য-
Correct Answer:
ক: তুমি, আমি ও সে দোয়ী
Explanation:
নীচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য- সঠিক উত্তর তুমি, আমি ও সে দোয়ী এক্ষেত্রে বাক্যে পুরুষের ক্রম রক্ষা করতে হয়। সবার প্রথমে উত্তম পুরুষ তারপর মধ্যম পুরুষ এবং সবশেষে প্রথম পুরুষ।উত্তর হবে - আমি,তুমি ও সে দোষী
মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি'- বাক্যটির এককথায় প্রকাশ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: মৃন্ময়
Explanation:
মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি'- বাক্যটির এককথায় প্রকাশ কোনটি? সঠিক উত্তর মৃন্ময় মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি - মৃন্ময় ।ধাতুনির্মিত, ধাতুময়, ধাতুসংক্রান্ত - মেটেল ।চৈতন্যময়, জ্ঞানময় - চিন্ময় ।আত্মবাদী , আত্মপ্রকাশক - মন্ময় ।
কোনটি শুদ্ধ বানান-
Correct Answer:
ক: প্রোজ্জ্বল
নিচের কোন শব্দটি 'স্বর্গ' এর সমার্থক শব্দ?
Correct Answer:
খ: ত্রিদিব
'কৃষ্টি' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: কুষ্ + তি
'মনীষা' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো-
Correct Answer:
ঘ: মন্ স + ঈষা
ধর্মে তোমার মতি হোক- বাক্যটিতে ধর্মে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: করণে ৭মী
'গীর্জা' কোন ভাষার শব্দ?
Correct Answer:
খ: পর্তুগীজ
‘তার যেন সেখানে যাওয়া হয়'- বাক্যটি কোন বাচ্য?
Correct Answer:
গ: ভাববাচ্য
'কর্মে যার ক্লান্তি নেই'- বাক্যটিতে এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
Correct Answer:
খ: অক্লান্ত কর্মী
কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসেবে এরা উভয়েই পরিচিত -----
Correct Answer:
ক: রাম বসু এবং ভোলা ময়রা
Explanation:
কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসেবে এরা উভয়েই পরিচিত ----- সঠিক উত্তর রাম বসু এবং ভোলা ময়রা কবিওয়ালা - শায়ের - পাঁচালী - টপ্পাগানঃ ***পাঁচালী গানের প্রধান কবি = = দাশরথি রায় ***টপ্পাগান মূলত - = = একধরনের গান ***বাংলা টপ্পাগানের জনক = = নিধুবাবু/রামনিধি গুপ্ত ***কবিগানের প্রথম কবি = = = গোঁজলা গুই ***কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসাবে পরিচিত = = এন্টনি ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায় ***কবিওয়ালা ও শায়ের - এর উদ্ভব ঘটে = আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উশি শতকের প্রথমার্ধে ***কবিওয়ালা বলতে বোঝায় = = কবিতাকে জীবিকা নির্বাহের উপায় হিসাবে গ্রহণকারীকে ***শায়েররা যে সাহিত্য রচনা করেন = = দোভাষী সাহিত্য
কোন বাক্যে 'ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড়' প্রবাদটির বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে?
Correct Answer:
খ: ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথাটি বল
Explanation:
কোন বাক্যে 'ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড়' প্রবাদটির বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে? সঠিক উত্তর ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথাটি বল জীবন, জগৎ ও সমাজ সম্পর্কে মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাপ্রসূত এই প্রবাদ লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা। প্রবাদ অতীতের বিষয় হয়েও সমকালকে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করে। আধুনিক যুগে প্রায় সব ধরনের রচনায় প্রবাদ ব্যবহূত হয়। কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক, সংবাদপত্র, বিজ্ঞাপন, বক্তৃতা, এমনকি দৈনন্দিন কথাবার্তায়ও প্রবাদের ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন -----
Correct Answer:
গ: বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রের শিকার হন
Explanation:
শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন ----- সঠিক উত্তর বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রের শিকার হন বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ: শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লিখিত?
Correct Answer:
ঘ: সান্ত্বনা
Explanation:
কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লিখিত? সঠিক উত্তর সান্ত্বনা শুদ্ধ বানান - দুর্যোগ
' সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যান সকল অশোভন।' --- চরণ দুটি কার লেখা?
Correct Answer:
ঘ: শেখ ফজলুল করিম
Explanation:
' সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যান সকল অশোভন।' --- চরণ দুটি কার লেখা? সঠিক উত্তর শেখ ফজলুল করিম সরফরদা – একতালাসুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।এ প্রাণ প্রভাতি-তারার প্রায়ফুটুক উদয়-গগন-গায়,দুঃখ-নিশায় আনো পূর্ণ চাঁদের স্বপন॥সকল বিরস হৃদয় মন সরস করো হে,আশায় সূর্যে মৃত্যু-গহন বিষাদ হরো হে!কাঁটার ঊর্ধ্বে ফোটাও ফুল,ভোলাও পথের দুঃখ ভুল,এ বিশ্ব হোক পূজা-দেউলপবিত্র-মোহন॥Category: নজরুলগীতিTag: কাজী নজরুল ইসলাম
বিদ্যাপতি কোন ভাষায় তার পদগুলো রচনা করেন?
Correct Answer:
গ: ব্রজবুলি ভাষা
Explanation:
বিদ্যাপতি কোন ভাষায় তার পদগুলো রচনা করেন? সঠিক উত্তর ব্রজবুলি ভাষা বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতকের মৈথিলি কবি। বঙ্গদেশে তার প্রচলিত পদাবলীর ভাষা ব্রজবুলি। কথিত আছে যে পরমপুরুষ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু প্রতিদিন তার রচিত পদ গাইতে ভালবাসতেন। বাঙালিরা চর্যাগীতির ভাষা থেকে এই ব্রজবুলীকে অনেক সহজে বুঝতে পারেন। এই কারণেই বিদ্যাপতিকে বাঙালি কবিদের অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হয়। বিদ্যাপতিকে কোন কোন কবি দেহবাদি কবি বলে আখ্যায়িত করেছেন। কবি ও কাব্যপরিচয় কবি বিদ্যাপতির জন্ম দ্বারভাঙা জেলার বিসফী গ্রামের এক বিদগ্ধ ব্রাহ্মণ পরিবারে। তার কৌলিক উপাধি ঠক্কুর বা ঠাকুর। বংশপরম্পরায় তারা মিথিলার উচ্চ রাজকর্মচারী ছিলেন। শস্ত্র, শাস্ত্র, রাজ্যশাসন ও সংস্কৃতি সাহিত্যে তাদের দান বিশেষরূপে উল্লেখযোগ্য। তিনি যে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ছয়জন রাজা ও একজন রানীর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ থেকেই তার স্বীকৃতি মেলে। কবি স্মৃতিকার রাজনীতিবিদ ব্যবহারবিদ ও আখ্যান লেখক হিসেবে তিনি সুপরিচিতি। তার রচনাবলির মধ্যে রয়েছে কীর্তিলতা ভূপরিক্রমা, কীর্তিপতাকা, পুরুষ পরীক্ষা, শৈবসর্বস্বসার, গঙ্গাবাক্যাবলি, বিভাগসার, দানবাক্যাবলি, লিখনাবলি, দুর্গাভক্তিতরঙ্গিনী। তিনি প্রায় আট শ’ পদ রচনা করেন। জীবৎকালে বিখ্যাত কবি ও পণ্ডিতরূপে তার প্রতিষ্ঠা ছিল। মিথিলার কবি হলেও অমর পদাবলি অচিরেই সমগ্র বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মিথিলার উপভাষা ব্রজবুলিই তার পদাবলির বাহন। এই ভাষার ধ্বনি - মাধুর্য ও সঙ্গীতময়তা বাংলা কাব্যকে, বিশেষ করে বৈষ্ণব পদাবলিকে সমৃদ্ধ করেছে। বিষয়ের লালনে, ধ্বনি, শব্দ, অলঙ্কার প্রভৃতির ব্যবহারে তার নাগরিক বৈদগ্ধ ও মননশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি চৈতন্য - পূর্ববর্তী কবি। তাই তার রাধা মানবীয় বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। রাধার বয়:সন্ধির দৈহিক সুষমা ও লাস্যময়তা তার পদাবলিকে ঐশ্বর্যময় করেছে। ভাব - সম্মিলন ও ভাবোল্লাসের পদেও বিদ্যাপতি এক প্রকার প্রতিদ্বন্দ্বিহীন। তার ভাব সম্মিলনের একটি পদ এখানে সঙ্কলিত হয়েছে। কবি বিদ্যাপতি ‘মৈথিল কোকিল’ ও অভিনব জয়দেব নামেখ্যাত এই বিস্ময়কর প্রতিভাশালী কবি একাধারে কবি, শিক্ষক, কাহিনীকার, ঐতিহাসিক, ভূবৃত্তান্ত লেখক ও নিবন্ধকার হিসেবে ধর্মকর্মের ব্যবস্থাদাতা ও আইনের প্রামাণ্য গ্রন্থের লেখক ছিলেন। ড. বিমানবিহারী মজুমদারের মতে, বিদ্যাপতি সম্ভবত ১৩৮০ - ১৪৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। সংস্কৃতে তার পাণ্ডিত্য ছিল, অপভ্রংশে তিনি কীর্তিলতা নামে ঐতিহাসিক কাব্য লিখেছিলেন, বিভিন্ন বিষয়ে সৃষ্টিবৈচিত্র্য তাকে বিশিষ্ট করেছে; কিন্তু নিজ মাতৃভাষা মৈথিলীতে রাধাকৃষ্ণ প্রেমলীলা বিষয়ক যে অত্যুৎকৃষ্ট পদাবলি রচনা করেছিলেন তা - ই তাকে অমরতা দান করেছে। তার পদাবলি বাংলা আসাম উড়িষ্যা ও পূর্ববিহারে সমাদৃত। শ্রীচৈতন্যদেবের আগে তার আবির্ভাব হয়েছিল বলে বৈষ্ণবের বৈশিষ্ট্য তার মধ্যে প্রত্যক্ষ করা চলে না; তবে কবি হৃদয়ের নিবিড় আকুতি বৈষ্ণব পদাবলিতেই তিনি প্রতিফলিত করেছেন। রাজা শিবসিংহের আমলে রচিত কবিতায় যে পরিমাণে ‘বিলাস কলাকৌতূহল, নর্মলীলার উল্লাস এবং আনন্দোজ্জ্বল জীবনের প্রাচুর্য’ দেখা যায় তা পরবর্তীকালের রচনায় অনুপস্থিত। কবি বিদ্যাপতির কাব্যে চৈতন্যোত্তর বৈষ্ণবতত্ত্ব প্রতিফলিত হয়নি, তিনি এই অলৌকিক প্রেমকাহিনীকে মানবিক প্রেমকাহিনী হিসেবে রূপ দিয়েছেন। নবোদ্ভিন্নযৌবনা কিশোরী রাধার বয়:সন্ধি থেকে কৃষ্ণবিরহের সুতীব্র আর্তি বর্ণনা বিদ্যাপতির কবিতায় উপজীব্য। রাধা চরিত্রের পরিকল্পনায় অপূর্ব কবিত্বের পরিচয় দিয়ে কবি কামকলায় অনভিক্ষা বালিকা রাধাকে শৃঙ্গার রসের পূর্ণাঙ্গ নায়িকায় রূপান্তরিত করেছেন, প্রগাঢ় প্রেমানুভূতি দেহমনকে আচ্ছন্ন করে রাধার মনে ভাবান্তর এনেছেন, কৃষ্ণবিরহের তন্ময়তায় রাধার বিশ্বভুবন বেদনার রঙে রাঙিয়ে দিয়েছেন। বিদ্যাপতির পদে শাশ্বত কালের কলাকুতূহপূর্ণা রহস্যময়ী নায়িকার নিখুঁত প্রতিচ্ছবি প্রত্যক্ষ করে রবীন্দ্রনাথ মন্তব্য করেছেন, ‘এই পদগুলি পড়িতে পড়িতে একটি সমীর চঞ্চল সমুদ্রের উপরিভাগ চক্ষে পড়ে। কিন্তু সমুদ্রের অন্তর্দেশে যে গভীরতা, নিস্তব্ধতা যে বিশ্ববিস্মৃত ধ্যানশীলতা আছে তা বিদ্যাপতির গীতি তরঙ্গের মধ্যে পাওয়া যায় না।’ বিদ্যাপতি যে বিপুল সংখ্যক পদে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা রূপায়িত করেছেন, তার মধ্যে রাধার বয়:সন্ধি অভিসার, প্রেমবৈচিত্র্য ও আপেক্ষপানুরাগ, বিরহ ও ভাবসম্মিলনের পদগুলি বিশেষ উৎকর্ষপূর্ণ। মিথিলার ঐশ্বর্যপূর্ণ রাজসভায় বিদ্যাপতি অসাধারণ পাণ্ডিত্যের সাথে সংস্কৃত ও প্রাকৃতের ভাষা ভাব শব্দ ছন্দ ও অলঙ্কারের খনি থেকে রত্নরাজি আহরণ করে রাধার প্রেম বর্ণনা করেছেন। ছন্দ অলঙ্কারে, শব্দবিন্যাসে ও বাগবৈদগ্ধে বিদ্যাপতির পদ ‘হীরক খণ্ডের মতো আলোক বিচ্ছুরণে সহস্রমুখী’, আবার ‘জীবনের আলো ও আঁধার, বিপুল পুলক ও অশান্ত বেদনা, রূপোল্লাস ও ভাবোন্মাদনা, মিলন ও বিরহ, মাথুর ও ভাব সম্মেলনে’ তার পদ আজো অতুলনীয়। বিদ্যাপতির পদাবলি রচনায় যে বিস্ময়কর প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তা তার অসংখ্য পদে লক্ষ করা যায়। রাধার প্রেমলীলার বিচিত্র পরিচয় তার পদে বিধৃত। তার ভাব ভাষা চিত্ররূপ অলঙ্কার ও ছন্দে পরবর্তীকালের অনেক পদকর্তা বিদ্যাপতিকে অনুসরণ করেছেন।
শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ 'পাঠে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
Correct Answer:
ক: অধিকরণে সপ্তমী
Explanation:
শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ 'পাঠে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি ? সঠিক উত্তর অধিকরণে সপ্তমী সঠিক উত্তর কর্মে সপ্তমী। যাকে আশ্রয় করে কর্তা তার ক্রিয়া সম্পূর্ণ করে তাকে কর্মকারক বল। এখানে পাঠে হচ্ছে শিশুদের কর্ম।
বাংলাদেশে নদের সংখ্যা কয়টি ?
Correct Answer:
খ: ২টি
Explanation:
বাংলাদেশে নদের সংখ্যা কয়টি ? সঠিক উত্তর ২টি বাংলাদেশে নদের সংখ্যা কতটি? উত্তর: ২ টি কপোতাক্ষ নদ ও ব্রহ্মপুত্
কোনটি ‘কূল’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
গ: কুন্তল
Explanation:
কোনটি ‘কূল’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়? সঠিক উত্তর কুন্তল অবধি - [বিশেষ্য পদ] পর্যন্ত, সীমা, অবসান। [অব + ধা + ই]। [অব্যয় পদ] হইতে।
সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা নয়-
Correct Answer:
খ: পালামৌ
Explanation:
সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা নয়- সঠিক উত্তর পালামৌ “পালামৌ” সঞ্জীবচন্দ্রের জীবৎ - কালে স্বতন্ত্র পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয় নাই। তাঁহার মৃত্যুর পর বঙ্কিমচন্দ্র ‘সঞ্জীবনী সুধা’ নাম দিয়ে সঞ্জীবচন্দ্রের রচনার যে সঙ্কলন প্রকাশ করেন, তাহাতেই “পালামৌ” সর্ব্বপ্রথম পুস্তকাকারে মুদ্রণগৌরব লাভ করে। দুঃখের বিষয়, অনবধানবশতঃ ‘সঞ্জীবনী সুধা’তে অনেক মুদ্রাকর - প্রমাদ ঘটিয়া স্থানে স্থানে অর্থ বোইকল্য ঘটিয়াছে এবং যে - কোন কারণেই হোক ‘বঙ্গদর্শনে’ প্রকাশিত সর্ব্বশেষ অংশ স্থান পায় নাই। বসুমতি - সংস্করণ সঞ্জীব - গ্রন্থাবলিতে ‘সঞ্জীবনী সুধা’র পাঠই অনুসৃত হইয়াছে।
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়?
Correct Answer:
ঘ: আও
Explanation:
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়? সঠিক উত্তর আও ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে আও প্রত্যয় যুক্ত হয় । { রেফারেন্স - পুরাতন বাংলা ব্যকরণ বই (৯-১০ শ্রেণি ) - নবম পরিচ্ছেদ - বিশেষ নিয়ম ৯ - পৃষ্ঠা ৮৪
ক্রিয়াপদ----
Correct Answer:
ক: সবসময়ে বাক্যে থাকবে
Explanation:
ক্রিয়াপদ---- সঠিক উত্তর সবসময়ে বাক্যে থাকবে যে পদ দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে। বাক্যের দুটি অংশের (উদ্দেশ্য ও বিধেয়) উদ্দেশ্য অংশে থাকে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এবং বিধেয় অংশে থাকে ক্রিয়াপদের প্রাধান্য। প্রকৃতপক্ষ, বিধেয় ছাড়া যথার্থ বাক্য হয় না এবং সেই সূত্রে ক্রিয়াপদ ছাড়া বাক্য হয় না। অনেক সময় অন্যান্য পদ উহ্য রেখে শুধু ক্রিয়াপদ দিয়েই মনের ভাব প্রকাশ করা যায়।
"যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না" এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: অনন্যসাধারণ
Explanation:
"যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না" এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি? সঠিক উত্তর অনন্যসাধারণ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ: যা অতি দীর্ঘ নয় - নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় - দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু - বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে - বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় - নাতিশীতােষ্ণ।
' চাঁদের হাট' ---- অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: প্রিয়জন সমাগম
Explanation:
' চাঁদের হাট' ---- অর্থ কি? সঠিক উত্তর প্রিয়জন সমাগম 'চাঁদের হাট' একটি বাগধারা, যার অর্থ 'ধনে জনে পরিপূর্ণ সুখের সংসার' বা 'সুন্দর' ও সুরেশ মানুষজনের সমাবেশ।
'পদাবলী'র প্রথম কবি কে?
Correct Answer:
খ: বিদ্যাপতি
Explanation:
'পদাবলী'র প্রথম কবি কে? সঠিক উত্তর বিদ্যাপতি বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কবি চণ্ডীদাস (আনুমানিক ১৩৭০ - ১৪৩৩খ্রি) কিন্তু পাদাবলির প্রথম কবি বিদ্যাপতি। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (১৩৮০ - ১৪৬০ খ্রি মতান্তরে ১৩৯০ - ১৪৯০খ্রি.) ছিলেন বাঙালি বৈষ্ণবের গুরুস্থানীয় রসিক বাঙালির শ্রদ্ধেয় কবি, বৈষ্ণব সহজিয়া সাধকদের নবরসিকের অন্যতম। চৈতন্যপরবর্তী কবি জ্ঞানদাস ছিলেন আনুমানিক ষোড়শ শতাব্দীর কবি এবং চণ্ডীদাসের ভাবশিষ্য।
' কি করতে হবে ভেবে পায় না'- এই অবস্থাকে কী বলে?
Correct Answer:
খ: কিংকর্তব্যবিমূঢ়
Explanation:
' কি করতে হবে ভেবে পায় না'- এই অবস্থাকে কী বলে? সঠিক উত্তর কিংকর্তব্যবিমূঢ় কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ: ১ ঐতিহাসিককালেরও আগের - প্রাগৈতিহাসিক২ কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ - বুনি৩ করার ইচ্ছা - চিকীর্ষা। ৪ কাচের তৈরি বাড়ি - শিশমহল। ৫ কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে - করিতকর্মা৬ কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা - কিংকর্তব্যবিমূঢ়৭. কুকুরের ডাক - বুক্কন
নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে -----
Correct Answer:
গ: শ্রদ্ধাস্পদাসু
Explanation:
নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে ----- সঠিক উত্তর শ্রদ্ধাস্পদাসু পত্রের উপরাংশে বাম পাশে যাকে পত্র লেখা হয় তাকে যে সম্বোধন করে পত্রের মূল বক্তব্য আরম্ভ করা হয় তাকে সম্ভাষণ বলে। পত্র প্রাপকের শ্রেণীভেদে সম্ভাষণ বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণত সম্বোধনে পুরুষের ক্ষেত্রে, দোয়াবরেষু, দোয়াবর, কল্যাণরেষু, কল্যাণীবরেষু, পরম কল্যাণীয়াষু, বন্ধু - বান্ধবদের ক্ষেত্রে সুহৃদবরেষু, প্রিয় , প্রিয়বরেষু, প্রিয়বন্ধুবরেষু, প্রীতিভাজনেষু, সুচরিতেষু , সুচরিতাষু ইত্যাদি এবং গুরুজনদের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধাভাজনেষু, শ্রদ্ধাস্পদেষু (পং), শ্রদ্ধাস্পদাষু (স্ত্রী) ইত্যাদি।
এক কথায় প্রকাশ করুন- 'উপকারীর উপকার করে যে'।
Correct Answer:
ঘ: কৃতজ্ঞ
Explanation:
এক কথায় প্রকাশ করুন- 'উপকারীর উপকার করে যে'। সঠিক উত্তর কৃতজ্ঞ ১. উপকারীর অপকার করে যে, কৃতঘ্ন। ২. উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে, অকৃতজ্ঞ. ৩. উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে, কৃতজ্ঞ।