Personal Officer of Ministry of Public Administration MCQs
Showing 50 questions (Total: 61)
'Heard melodies are sweet but those unheard are sweeter' is taken from
Correct Answer:
C: Jhon Keats
Explanation:
'Heard melodies are sweet but those unheard are sweeter' is taken from Correct Answer Jhon Keats Quotation টি হবে ' Heard melodies are sweet but those unheard sweeter'। এটি ইংরেজি কবি John keats - এর বিখ্যাত কবিতা ' Ode on a Grecian Urn' - এর অন্তর্ভুক্ত
The Passive from of the sentence .'We made her recite a poem'-
Correct Answer:
B: she was made to recite a poem
Explanation:
The Passive from of the sentence .'We made her recite a poem'- Correct Answer she was made to recite a poem Passive voice এর গঠন:obj কে sub + auxiliary verb + verb এর p.p + to + verb এর base form. b.She was made to recite a poem.
Which one is correct?
Correct Answer:
A: It is quarter to eleven
Explanation:
Which one is correct? Correct Answer It is quarter to eleven এখানে, It is quarter to eleven - এ Quarter এর আগে Article 'a' বসাতে হবে
The man along with his neighbours ____ working for the welfare of the people?
Correct Answer:
B: is
Explanation:
The man along with his neighbours ____ working for the welfare of the people? Correct Answer is বাক্যে along with, as well as প্রভৃতি phrase থাকলে verb টি subject অনুযায়ী হবে। তাই উপরুক্ত প্রশ্নে subject 'the man' হওয়ায় verb singular হয়েছে। তাই উত্তর হবে is
The antonym of the word ' theoretical' is_______
Correct Answer:
A: experimental
Explanation:
The antonym of the word ' theoretical' is_______ Correct Answer experimental Theoretical শব্দের অর্থ ' তত্ত্বগত'। প্রদত্ত চারটি অপশন এর মধ্যে Experimenral = পরিক্ষামূলক Logical = যৌক্তিক, Impractical = অব্যবহারিক। সুতরাং experimental শব্দটিই theoretical শব্দের antonym
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
Correct Answer:
গ: ভূটান
Explanation:
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি? সঠিক উত্তর ভূটান প্রশ্ন: বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি? উত্তর : ভারত ব্যাখ্যা: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান (6 ডিসেম্বর 1971 )। ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশ ( 6 ডিসেম্বর 1971, ভুটানের স্বীকৃতিদানের কিছু সময় পরে )। রাশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় 24 জানুয়ারি হাজার 1972 । জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে 10 ফেব্রুয়ারি 1972।
_____, he would have successed.
Correct Answer:
D: had he studied regularly
Explanation:
_____, he would have successed. Correct Answer had he studied regularly Had he studied regularly এটি 3 rd conditional এর উদাহরণ if এর পরিবর্তে had বসানো হয়ে। । এবং এটাকে perfect conditional করা হইয়াছে। এই জন্য would have succeeded হয়েছে।
What is suitable word for 'A hater of mankind'
Correct Answer:
D: Misanthrope
Explanation:
What is suitable word for 'A hater of mankind' Correct Answer Misanthrope misanthrope. ... means - - - মনুষ্যবিদ্বেষী। foe - - - - - শএু, , , hatred__ঘৃণা। condemner__ নিন্দু। । এজন্য misanthrope correct ans.
Everybody likes as flower,_____?
Correct Answer:
D: don't they
Explanation:
Everybody likes as flower,_____? Correct Answer don't they Tag question এর নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি affirmative থাকলে tag question এ তা negative হয় এবং subject Everyone, Everybody ইত্যাদি থাকলে they বসে। তাইএখানে answer হবে don't they....
_____ surprised me.
Correct Answer:
A: What you said
Explanation:
_____ surprised me. Correct Answer What you said এটি একটি affirmative sentence এর উদাহরণ। এবং সঠিক উত্তর what you said..
The sinner will suffer ____.
Correct Answer:
A: in the long run
Explanation:
The sinner will suffer ____. Correct Answer in the long run In the long run একটি idiom. যার অর্থ৷ অবশেষে বা পরিণামে । সঠিক উত্তর ১। পাপীকে পরিণামে শাস্তি পেতে হবে।
It _____ a hot day, we remained in the tent.
Correct Answer:
B: being
Explanation:
It _____ a hot day, we remained in the tent. Correct Answer being এটি একটি simple sentence এর উদাহরণ। complex বা compound sentence কে simple করার সময় am, is, are, was, were, এর পরিবর্তে being বসে। Having যদি subordinate close এ বসে তবে principle Clause past perfect form এ হয়। তাই এখানে উত্তর হবে being
Death is preferable______ humiliation
Correct Answer:
B: to
Explanation:
Death is preferable______ humiliation Correct Answer to preferable শব্দের পরে appropriate preposition এর নিয়ম অনুযায়ী to বসে। তাই correct answer (to)
Which of the following phrases means 'to tolerate'?
Correct Answer:
A: Put up with
Explanation:
Which of the following phrases means 'to tolerate'? Correct Answer Put up with to tolerate means.....সহ্য করা। Put up with.......সহ্য করা। অন্য অপশন গুলোর অর্থ ভিন্ন। সুতরাং put up with correct ans.
A person who writes about his own life writes______.
Correct Answer:
D: an autobiography
Explanation:
A person who writes about his own life writes______. Correct Answer an autobiography যে ব্যাক্তি নিজেই নিজের জীবন কাহিনী লিখে তাকে (autobiograph)) আত্মজীবনী বলে। play অর্থ নাটক diary অর্থ দিনলিপি।
English______ across the world
Correct Answer:
C: is spoken
Explanation:
English______ across the world Correct Answer is spoken প্রশ্নে উল্লেখিত চারটি অপশনে এর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে is spoken। English বস্তু বাচক বিশেষ্য যা নিজে সাধারণত কাজ করতে পারে না। English একটি ভাষা যা নিজে বলে না একে বলা হয় তাই speaks, is speaking, has spoken এগুলা ভুল উত্তর
The bag is too heavy_____ to carry.
Correct Answer:
A: for him
Explanation:
The bag is too heavy_____ to carry. Correct Answer for him Too - - to যুক্ত বাক্যে দুটি subject ভিন্ন হলে ২য় subject টিto এর আগে for যোগে objective from. বসে
My wife reminds me______
Correct Answer:
A: of my appointment
Explanation:
My wife reminds me______ Correct Answer of my appointment প্রদও প্রশ্নের সঠিক answer of my appointment.... remaind verb এর পরে of preposition বসে।
IT was long since_____
Correct Answer:
C: we had met last
Explanation:
IT was long since_____ Correct Answer we had met last Subject verb agreement এর rule অনুযায়ী since এর পূবে clause টি past indefinite হলে পরের clause টি past perfe tence হয়।
What is the adjective of 'obey' ?
Correct Answer:
C: Obedient
Explanation:
What is the adjective of 'obey' ? Correct Answer Obedient obey _ এর adjective হচ্ছে obedient.. Correct answer : - obedient
Uneasy lies the head______ .
Correct Answer:
D: Who wears a crown
Explanation:
Uneasy lies the head______ . Correct Answer Who wears a crown thats wears a crown সঠিক answer.এটি একটি প্রবাদ যার অর্থ যে শিরে মুকুট থাকে, সে শির স্বস্তিতে থাকে না।
He came here with a view to.
Correct Answer:
B: giving us a surprise
Explanation:
He came here with a view to. Correct Answer giving us a surprise sentence এlook forward to, with a view to.feel, like ইত্যাদি থাকলে তার পরের verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সার্ক (SARRC) সচিবালয় কোন শহরে অবস্থিত
Correct Answer:
ঘ: কাঠমান্ডু
Explanation:
সার্ক (SARRC) সচিবালয় কোন শহরে অবস্থিত সঠিক উত্তর কাঠমান্ডু সার্ক (SAARC) সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। SAARC - এর পূর্ণরূপ - South Asian Association for Regional Co - operation. ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে গঠিত হয়।
কোন বিদেশি সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীরপ্রতীক খেতাব লাভ করেন ?
Correct Answer:
গ: ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
Explanation:
কোন বিদেশি সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীরপ্রতীক খেতাব লাভ করেন ? সঠিক উত্তর ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীরপ্রতীক খেতাব লাভ করে। জ্যাঁ পল সাত্রেকে অস্তিত্ববাদ দর্শনের জনক হিসেবে ধরা হয়।
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
গ: ঢাকা সেনানিবাসে
Explanation:
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ। যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভে সার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয়। ঢাকা সেনানিবাসস্থ কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব ও সেনানিবাসস্থ কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এটি স্থাপিত। এর স্থাপত্য পরিকল্পনা করেছে ঢাকার ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট সেন্টার।
কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়?
Correct Answer:
খ: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
Explanation:
কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়? সঠিক উত্তর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি লিখিত দলিল। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ঠা নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বর অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়। মূল সংবিধান ইংরেজি ভাষায় রচিত হয় এবং একে বাংলায় অনুবাদ করা হয়। তাই এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান। তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।১০ই এপ্রিল ২০১৮ সালের সপ্তদশ সংশোধনী সহ বাংলাদেশের সংবিধান সর্বমোট ১৭ বার সংশোধীত হয়েছে। এই সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের মোট সংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়। তবে পঞ্চম সংশোধনী , সপ্তম সংশোধনী , ত্রয়োদশ সংশোধনী ও পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের আদেশে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট রায় দিয়েছে যে, সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যায় এরূপ কোনো সংশোধনী এতে আনা যাবে না; আনা হলে তা হবে এখতিয়ার বহির্ভূত।বাংলাদেশের সংবিধান কেবল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনই নয়; - সংবিধানে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের মূল চরিত্র বর্ণিত রয়েছে। এতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখা বিধৃত আছে। দেশটি হবে প্রজাতান্ত্রিক, গণতন্ত্র হবে এদেশের প্রশাসনিক ভিত্তি, জনগণ হবে সকল ক্ষমতার উৎস এবং বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস হলেও দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - কে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।সংবিধান প্রণয়ন ও মুদ্রণের ইতিহাসসংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। তারা হলেন ড. কামাল হোসেন (ঢাকা - ৯, জাতীয় পরিষদ), মো. লুৎফর রহমান (রংপুর - ৪, জাতীয় পরিষদ), অধ্যাপক আবু সাইয়িদ (পাবনা - ৫, জাতীয় পরিষদ), এম আবদুর রহিম (দিনাজপুর - ৭, প্রাদেশিক পরিষদ), এম আমীর - উল ইসলাম (কুষ্টিয়া - ১, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনজুর (বাকেরগঞ্জ - ৩, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মুনতাকীম চৌধুরী (সিলেট - ৫, জাতীয় পরিষদ), ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র (বাকেরগঞ্জ - ১৫, প্রাদেশিক পরিষদ), সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (সিলেট - ২, প্রাদেশিক পরিষদ), সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ - ১৭, জাতীয় পরিষদ), তাজউদ্দীন আহমদ (ঢাকা - ৫, জাতীয় পরিষদ), খন্দকার মোশতাক আহমেদ (কুমিল্লা - ৮, জাতীয় পরিষদ), এ এইচ এম কামারুজ্জামান (রাজশাহী - ৬, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মমিন তালুকদার (পাবনা - ৩, জাতীয় পরিষদ), আবদুর রউফ (রংপুর - ১১, ডোমার, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ (রাজশাহী - ৩, জাতীয় পরিষদ), বাদল রশীদ, বার অ্যাট ল, খন্দকার আবদুল হাফিজ (যশোর - ৭, জাতীয় পরিষদ), শওকত আলী খান (টাঙ্গাইল - ২, জাতীয় পরিষদ), মো. হুমায়ুন খালিদ, আছাদুজ্জামান খান (যশোর - ১০, প্রাদেশিক পরিষদ), এ কে মোশাররফ হোসেন আখন্দ (ময়মনসিংহ - ৬, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মমিন, শামসুদ্দিন মোল্লা (ফরিদপুর - ৪, জাতীয় পরিষদ), শেখ আবদুর রহমান (খুলনা - ২, প্রাদেশিক পরিষদ), ফকির সাহাব উদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক খোরশেদ আলম (কুমিল্লা - ৫, জাতীয় পরিষদ), এম. মোজাফ্ফর আলী (জাতীয় পরিষদ হোমনা - দাউদকান্দি), অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক (কুমিল্লা - ৪, জাতীয় পরিষদ), দেওয়ান আবু আব্বাছ (কুমিল্লা - ৫, জাতীয় পরিষদ), হাফেজ হাবিবুর রহমান (কুমিল্লা - ১২, জাতীয় পরিষদ), আবদুর রশিদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম - ৬, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ খালেদ (চট্টগ্রাম - ৫, জাতীয় পরিষদ) ও বেগম রাজিয়া বানু (নারী আসন, জাতীয় পরিষদ)।একই বছরের ১৭ই এপ্রিল থেকে ৩রা অক্টোবর পর্যন্ত এই কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে। জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য মতামত আহবান করা হয়। সংগৃহীত মতামত থেকে ৯৮টি সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হয়। গণপরিষদে সংবিধানের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন,এই সংবিধান শহীদের রক্তে লিখিত, এ সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা - আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়।গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন - প্রণেতা আই গাথরি।সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। সংবিধান অলংকরণের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছিল যার প্রধান ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। এই কমিটির সদস্য ছিলেন শিল্পী হাশেম খান, জনাবুল ইসলাম, সমরজিৎ রায় চৌধুরী ও আবুল বারক আলভী। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণ করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে তৈরী ক্র্যাবটি ব্রান্ডের দুটি অফসেট মেশিনে সংবিধানটি ছাপা হয়।মূল সংবিধানের কপিটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।সংবিধানপ্রস্তাবনাবিস্মিল্লাহির - রহ্মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে/পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে।)আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে;আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা - যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা - আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারোো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম। (প্রথম ভাগ)প্রজাতন্ত্র১৷ প্রজাতন্ত্র২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা২ক৷ রাষ্ট্রধর্ম ৩৷ রাষ্ট্রভাষা ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক ৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি৫৷ রাজধানী৬৷ নাগরিকত্ব৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য (দ্বিতীয় ভাগ)রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি৮৷ মূলনীতিসমূহ৯। জাতীয়তাবাদ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা১৩৷ মালিকানার নীতি১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা১৮ক। পরিবেশ ও জীব - বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন১৯৷ সুযোগের সমতা২০৷ অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম২১৷ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য২২৷ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ২৩৷ জাতীয় সংস্কৃতি২৩ক। উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ - গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি২৪৷ জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি২৫৷ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন (তৃতীয় ভাগ)মৌলিক অধিকার২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য২৯। সরকারী নিয়োগ - লাভে সুযোগের সমতা৩০। বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ৩১। আইনের আশ্রয় - লাভের অধিকার৩২। জীবন ও ব্যক্তি - স্বাধীনতার অধিকাররক্ষণ৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ৩৪। জবরদস্তি - শ্রম নিষিদ্ধকরণ৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা৩৯। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্ - স্বাধীনতা৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা৪২। সম্পত্তির অধিকার৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ৪৪। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন৪৬। দায়মুক্তি - বিধানের ক্ষমতা৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত৪৭ক। সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা(চতুর্থ ভাগ)নির্বাহী বিভাগ ১ম পরিচ্ছেদঃ রাষ্ট্রপতি৪৮। রাষ্ট্রপতি৪৯। ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার৫০। রাষ্ট্রপতি - পদের মেয়াদ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি৫২। রাষ্ট্রপতির অভিশংসন৫৩। অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির - কালে রাষ্ট্রপতি - পদে স্পীকার ২য় পরিচ্ছেদঃ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা৫৫। মন্ত্রিসভা৫৬। মন্ত্রিগণ৫৭। প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ৫৮। অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ৫৮ক [বিলুপ্ত]২ক পরিচ্ছেদনির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার [সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) - এর ২১ ধারাবলে পরিচ্ছেদটি বিলুপ্ত।][বিলুপ্ত] ৩য় পরিচ্ছেদঃ স্থানীয় শাসন৫৯। স্থানীয় শাসন৬০। স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা ৪র্থ পরিচ্ছেদঃ প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ৬১। সর্বাধিনায়কতা৬২। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি৬৩। যুদ্ধ ৫ম পরিচ্ছেদঃ অ্যাটর্ণি - জেনারেল৬৪। অ্যাটর্ণি - জেনারেল (পঞ্চম ভাগ)আইনসভা ১ম পরিচ্ছেদঃ সংসদ৬৫। সংসদ - প্রতিষ্ঠা৬৬। সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা৬৭। সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া৬৮। সংসদ - সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি৬৯। শপথ গ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড৭০। রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া৭১। দ্বৈত - সদস্যতায় বাধা৭২। সংসদের অধিবেশন৭৩। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী৭৩ক। সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার৭৪। স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার৭৫। কার্যপ্রণালী - বিধি, কোরাম প্রভৃতি৭৬। সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ৭৭। ন্যায়পাল৭৮। সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি৭৯। সংসদ - সচিবালয় ২য় পরিচ্ছেদঃ আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি৮০। আইন প্রণয়ন পদ্ধতি৮১। অর্থবিল৮২। আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ৮৩। সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা৮৪। সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব৮৫। সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ৮৭। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি৮৮। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি৯০। নির্দিষ্টকরণ আইন৯১। সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী৯২। হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট৯২ক। [বিলুপ্ত] ৩য় পরিচ্ছেদঃ অধ্যাদেশপ্রণয়ন - ক্ষমতা৯৩। অধ্যাদেশপ্রণয়ন - ক্ষমতা (ষষ্ঠ ভাগ)বিচারবিভাগ ১ম পরিচ্ছেদঃ সুপ্রীম কোর্ট৯৪। সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা৯৫। বিচারক - নিয়োগ৯৬। বিচারকের পদের মেয়াদ৯৭। অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ৯৮। সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ৯৯। অবসর গ্রহণের পর বিচারগণের অক্ষমতা১০০। সুপ্রীম কোর্টের আসন১০১। হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা১০৩। আপীল বিভাগের এখতিয়ার১০৪। আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ১০৫। আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা১০৬। সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার১০৭। সুপ্রীম কোর্টের বিধি - প্রণয়ন - ক্ষমতা১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট১০৯। আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ১১০। অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর১১১। সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা১১২। সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা১১৩। সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীগণ ২য় পরিচ্ছেদঃ অধস্তন আদালত১১৪। অধস্তন আদালত - সমূহ প্রতিষ্ঠা১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা১১৬ক। বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন ৩য় পরিচ্ছেদঃ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল১১৭। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহষষ্ঠ ক ভাগ - জাতীয়দল[সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) - এর ৪১ ধারাবলে বিলুপ্ত।][বিলুপ্ত] (সপ্তম ভাগ)নির্বাচন১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা১২২। ভোটার - তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা১২৩। নির্বাচন - অনুষ্ঠানের সময়১২৪। নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা১২৫। নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা১২৬। নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান (অষ্টম ভাগ)মহা হিসাব - নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক১২৭। মহা হিসাব - নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা১২৮। মহা - হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব১২৯। মহা হিসাব - নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ১৩০। অস্থায়ী মহা হিসাব - নিরীক্ষক১৩১। প্রজাতন্ত্রের হিসাব - রক্ষার আকার ও পদ্ধতি১৩২। সংসদে মহা হিসাব - নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন (নবম ভাগ)বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ১ম পরিচ্ছেদঃ কর্মবিভাগ১৩৩। নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী১৩৪। কর্মের মেয়াদ১৩৫। অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি১৩৬। কর্মবিভাগ - পুনর্গঠন ২য় পরিচ্ছেদঃ সরকারী কর্ম কমিশন১৩৭। কমিশন - প্রতিষ্ঠা১৩৮। সদস্য - নিয়োগ১৩৯। পদের মেয়াদ১৪০। কমিশনের দায়িত্ব১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট৫ নবম - ক ভাগজরুরী বিধানাবলী১৪১ক। জরুরী - অবস্থা ঘোষণা১৪১খ। জরুরী - অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ১৪১গ। জরুরী - অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ (দশম ভাগ)সংবিধান - সংশোধন১৪২। সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা (একাদশ ভাগ)বিবিধ১৪৩। প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি১৪৪। সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি - প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব১৪৫। চুক্তি ও দলিল১৪৫ক। আন্তর্জাতিক চুক্তি১৪৬। বাংলাদেশের নামে মামলা১৪৭। কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি১৪৮। পদের শপথ১৪৯। প্রচলিত আইনের হেফাজত১৫০। ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী১৫১। রহিতকরণ১৫২। ব্যাখ্যা১৫৩। প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন কোনটি?
Correct Answer:
ক: ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
Explanation:
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন কোনটি? সঠিক উত্তর ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয় - শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা - এ তার "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক। ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন। রবীন্দ্রনাথের গান তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তার রচিত আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন - অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ জন্ম ৭ মে ১৮৬১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০) জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) সমাধিস্থল কলকাতা ছদ্মনাম ভানুসিংহ ঠাকুর (ভণিতা) পেশা কবি ঔপন্যাসিক নাট্যকার প্রাবন্ধিক দার্শনিক সঙ্গীতজ্ঞ চিত্রশিল্পী গল্পকার ভাষা বাংলা, ইংরেজি নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয় সময়কাল বঙ্গীয় নবজাগরণ সাহিত্য আন্দোলন প্রাসঙ্গিক আধুনিকতা উল্লেখযোগ্য রচনাবলি গীতাঞ্জলি (১৯১০), রবীন্দ্র রচনাবলী "গোরা" "আমার সোনার বাংলা" "ঘরে বাইরে" উল্লেখযোগ্য পুরস্কার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯১৩) দাম্পত্যসঙ্গী মৃণালিনী দেবী (বি. ১৮৭৩–১৯০২) আত্মীয় ঠাকুর পরিবার স্বাক্ষর সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
'গুরুচান্ডলী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: শবদাহ
Explanation:
'গুরুচান্ডলী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর শবদাহ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া মৃত্যুর পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কর্তৃক শবদাহ বা মৃতদেহ পোড়ানোর ধর্মীয় সংস্কার। এই শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা হলে দাঁড়ায় অন্ত (শেষ) + ইষ্টি (সংস্কার) + ক্রিয়া অর্থাৎ মৃত্যুর পরে মৃতদেহের শেষবারের মতো সংস্কারকার্য। পূর্বে কঠোরভাবে এ সংস্কারের রীতিনীতি থাকলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কঠোরতামুক্ত। বর্তমানে শিশু, সন্ন্যাসী, সাপে কাটা অথবা বিশেষ কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জলসমাধি (পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া) কিংবা মৃৎসমাধি (মাটিতে কবর) দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। শবদাহ করার কাজে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে চন্দনকাঠ বা চন্দনগুঁড়া ব্যবহার করা হয়, কিন্তু সাধারণ লোকের ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই।
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
Explanation:
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর মাথা খাটিয়ে কাজ করবে মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে । একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগশব্দই ভাষার সম্পদ। বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে অসংখ্য শব্দ রয়েছে। এক একটি শব্দের এক একটি বিশেষ অর্থ আছে।কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে কোন একটি শব্দ শুধুমাত্র একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন বিশেষ বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দের এরূপ ব্যবহারকে ভিন্নার্থে প্রয়োগ বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে এরূপ কতকগুলো শব্দের ভিন্নার্থক বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদের প্রয়োগ দেখানো হল।একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগের ব্যবহারঅঙ্ক ক্রোড় –শিশুর কাছে মাতৃঅঙ্কই সবচেয়ে নিরাপদ। গণিত - সে অঙ্কে ভালো নম্বর পেয়েছে। নাটকের অধ্যায় - নাটকটি তিন অঙ্কে বিভক্ত। হিসাব - যেভাবে ঋণের অঙ্ক বাড়াচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? রেখা - সে কাগজে বিচিত্র অঙ্কপাত করল।অর্থ মানে – মনোযোগ দিয়ে পড়, তাহলেই অর্থ বুঝতে পারবে। ধন – সারাজীবন তো অর্থই জমালে, সুখ কতটুক পেলে? প্রয়োজন - অর্থ ছাড়া যে তুমি আসনি, তা তোমার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইঙ্গিত - তোমার কথার অর্থ আমি বুঝতে পেরেছি। উদ্দেশ্য – জানি না হঠাৎ করে আমাকে টেলিগ্রাম করার অর্থ কি!উত্তর দিক বিশেষ - হিমালয় বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত। জবাব - চুপ করে আছ কেন, উত্তর দাও। পরবর্তী - স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে নাটকের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে। ভবিষ্যৎ - দোয়া করি উত্তরকালে তুমি একজন দেশবরেণ্য নেতা হও। পরে – শব্দের উত্তরে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।উপায় কৌশল - চোরেরা চুরি করার আশায় নিত্যনতুন উপায় খুঁজে। রোজগার - জমি বিক্রি করে আর কতদিন চলবে, একটা উপায় খুঁজ। প্রতিকারের পথ - বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের সঠিক উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আরোহণ করা - গাছে ওঠা খুব সহজ কাজ নয়। জাগা - আর কত ঘুমুবে, এবার উঠে পড়। সংগৃহীত - মহল্লায় নাটক হবে, ছেলেরা তাই বাড়ি বাড়ি চাঁদা উঠাচ্ছে। লোপ পাওয়া - স্বার্থের টানাপড়েন কলেজটি শেষ পর্যন্ত উঠেই গেল। খুশি হওয়া - তাকে যতই দাও না কেন, মন উঠবে না। ছাপা হওয়া - বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের ক্রীড়ানৈপুণ্যের খবর ব্রিটেনের পত্রিকায় উঠেছে।উচ্চ লম্বা – ইংরেজরা দৈহিকভাবে বেশ উচ্চ। উদার - তাঁর মতো অমন উচ্চ মনের মানুষ আর দেখিনি। ভালো - পত্রিকাটি উচ্চমানের। সম্ভ্রান্ত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উচ্চ বংশের সন্তান ছিলেন। জোরাল - উচ্চকণ্ঠী নরেন বিশ্বাস আর বেঁচে নেই।কর হাত - তোমার কর স্পর্শ করে আমি যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তা আমি রক্ষা করব। খাজনা - সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি বিরাট অংশ কর থেকে আসে। কিরণ - আজি এ প্রভাতে রবির কর। হাতির শুঁড় – করীর আঘাতে ছোট ছেলেটির অকাল মৃত্যু হলো। করা - আর দেরি না করে কাজটি করে ফেল।কথা প্রতিশ্রুতি – কথা দিচ্ছি, তোমার কাজটি আমি করে দেব। অনুরোধ - আশা করি আমার কথা রাখবেন। প্রসঙ্গ – এ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতে হবে। বাক্যলাপ - তার সাথে কথা বলে বড় আনন্দ পেয়েছি। গল্প – অনেক দিন আগের কথা, এক দেশে এক রাজা ছিল।করা কাজ করা - তাড়াতাড়ি কাজটি করে ফেল। কানভারী - স্বার্থ আদায়ের জন্য সে বড় সাহেবের কানভারী করছে। গালাগালি করা - কথায় কথায় এত মুখ কর কেন? বশে আনা - তাকে হাত করতে গিয়ে তো পয়সা খোয়াচ্ছ, ফল কতটুক হবে? লালন - পালন করা - এ বাজারে সংসার লালন - পালন করা বড়ই কঠিন। ইতস্তত করা - যা করবার করে ফেল, এত ইতস্তত কর কেন? ভাড়া করা - পায়ে হেঁটে এতদূর যাওয়া যাবে না, রিক্সা করে যেতে হবে। সাহায্য করা - ভেব না, আমি তোমাকে সাহায্য করব।কড়া নির্মম – কুলি - মজুরদের সঙ্গে কড়া আচরণ করা ঠিক না। রন্ধনপত্র - এত ছোট কড়ায় কাজ হবে না। কপর্দক - এত সম্পত্তির মালিক ছিলেন তিনি অথচ এখন এক কড়া সম্পত্তিও তার নেই। দরজার হাতল - দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে তার ঘুম ভেঙে গেল। দৃঢ় চরিত্রের অধিকারী - অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি বড়েই কড়া।কাঁচা অপক্ব - কাঁচা আমের স্বাদই আলাদা। অদক্ষ - তোমার এ কাঁচা হাতের লেখা অনেকেই বুঝবে না। অসিদ্ধ – মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ হয়নি, কাঁচাই রয়েছে। মাটির তৈরি – বন্যায় বহু কাঁচা ঘর - বাড়ি ভেসে গেছে। অশুষ্ক - এ রকম কাঁচা কাঠ দিয়ে রান্না হবে না। কাল - চল্লিশের উপরে বয়স অথচ চুল তার কাঁচাই রয়েছে। অপরিণিত - এ কাঁচা বয়সে মেয়েটাকে বিয়ে দেয়া ঠিক হয়নি।কাল সময় - তাকে দেখতে চাইলে আর কালক্ষেপণ করা ঠিক হবে না। আগামীদিন, গতদিন - আমি আগামীকাল বাড়ি যাব। অবস্থা - এখন শৈশবকালের কথাই বেশি মনে পড়ে। সর্বনাশের কারণ - রাজনীতিই তার জন্য কাল হয়ে এল। মৃত্যু – ভয়াবহ এইডস মানুষের জন্য কাল হয়ে এসেছে।কর্ম কাজ - কর্মের নেশায় সে পাগল হয়ে উঠেছে। অদৃষ্ট - কর্মফলকে অস্বীকার করবে কি করে? পেশা - এ কর্মে তার মন ভরছে না। কর্তব্য - কর্মই ধর্ম, কর্মই মুক্তি। অনুষ্ঠান - বিবাহের ক্রিয়াকর্মে অনেক টাকার প্রয়োজন। সামর্থ্য - ছেলেটি কোন কর্মের নয়।কাটা খন্ডিত করা - আমগুলো কেটে আন। অপমানিত হওয়া - তার আচার - আচরণ দেখে লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল। সাঁতার কাটা – কতদিন হয় নদীতে সাঁতার কাটি না। খনন করা - পুকুর কেটে মাছের চাষ কর। বাজারে চলন - বইমেলায় নির্মলেন্দু গুণের বইয়ের বেশ কাটতি। চ্যুত হওয়া - সাবধানে গান গেও যাতে তাল না কেটে যায়। লজ্জিত হওয়া - তোমাকে জিভ কাটতে দেখেই বুঝে ফেলেছি যে তুমি লজ্জা পেয়েছ।কান্ড গাছের অংশ - বট গাছের বিশাল কান্ড থাকে। সাধারণ বিবেচনা - কান্ডজ্ঞান থাকলে কি সে একাজ করে? অধ্যায় - উপন্যাসটি কয়েক কান্ডে বিভক্ত। বিষয় - ছেলেদের কান্ড দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না। ব্যাপার - কি কান্ড বলতো দেখি?গা শরীর - গায়ে জ্বর আছে, গোসল করো না। ওঠা – অনেক ঘুমিয়েছ, এবার গা তুলো। আরাম করা - এভাবে কতদিন আর গায়ে ফুঁ দিয়ে চলবে। অত্মগোপন করা - এতগুলো টাকা মেরে সে গা ঢাকা দিল। গ্রাহ্য করা - কাজটি করে দেবার জন্য তোমাকে এত করে বলছি অথচ তুমি মোটেই গা করছ না। স্বস্তি পাওয়া - কালা জাহাঙ্গীর ধরা পড়েছে জেনে গা জুড়ালো।গরম উষ্ণ – এত গরম পড়েছে যে টেকাই দায়। উত্তপ্ত – দুথটুকু গরম করে আন। মসলা – মাংস পাকাতে হলে গরম মসলা প্রয়োজন। উগ্র - সাধারণ কথায় এমন গরম হও কেন? পশমি কাপড় - শীত না নামতেই বাজারে গরম কাপেড়ের ছড়াছড়ি। ধনের বড়াই - সামান্য কয়টা টাকা কামাই করেই এত গরম দেখাচ্ছ।গলা শরীরের বিশেষ প্রত্যজ্ঞ –জিরাফের গলা লম্বা। উচ্চকণ্ঠ - সামান্য কয়টা টাকার জন্য এত বড় গলায় কথা বলছেন কেন? নিষ্ফল বক্তৃতা - গলাবাজি করলেই ভোট পাওয়া যায় না। ধিক্বারসূচক উক্তি - আর কিছু না পার, তো গলায় দড়ি দিয়ে মর। গম্ভীর – প্রিন্সিপাল স্যারের ভারী গলা আমাদের ভয় ধরিয়ে দেয়। অধিক মূল্য হাঁকা - ঈদের বাজারে জিনিসপত্রের গলাকাটা দাম থাকে।গুণ উৎকর্ষ - সে কোন গুণেরই না, একেবারে অপদার্থ। পূরণ – দুই কে দুই দিয়ে গুণ করলে চার হয়। রজ্জু/রশি - বাতাস পড়ে যাওয়ায় মাঝিরা গুণ টানছে। বিশিষ্ট ধর্ম - লবণের সাথে চিনি মেশালে লবণের গুণ নষ্ট হয়। সুফল - বিদ্যাগুণে আজ সে এত বড় হয়েছে।ঘন গাঢ় – রক্তের উচ্চচাপ থাকলে ঘন দুধ না খাওয়াই ভালো। নিবিড় – আমাজান অববাহিকায় ঘন বন রয়েছে। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ও উচ্চতার পরিমাণ - কক্ষটির ঘনফল নির্ণয় কর। মেঘ – ’নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাঁই আর নাহিরে। অল্প সময়ের ব্যবধান – সে এত ঘন ঘন আসছে কেন?চাল চাউল - চাউলের দাম তেমন কমেনি। ফন্দি – যে চাল চেলেছ, সে না এসে কি পারে? আশ্রয় - ঐ চালচুলোহীন ছেলের হাতে মেয়েকে তুলে দিতে চাও? ঘরের ছাদ - টর্নেডোতে বহুঘরের চাল উড়ে গেছে। ব্যবহার - তাঁর চালচলন দেখেই বোঝা যায়, তিনি বনেদি ঘরের সন্তান। অহঙ্কার – খুব হয়েছে, আর বনেদি চাল দেখিও না।চোখ বুদ্ধি হওয়া - যাক কর্তাবাবুর চোখ তাহলে এতদিনে খুলেছে। রোগ বিশেষ – সাবধানে থেকো - অনেকেরই কিন্তু চোখ উঠেছে। ভয় দেখানো – এখনকার দিনে চোখ রাঙানিতে ফায়দা হয় না। লজ্জাহীনতা - তুমি তো চোখের মাথা খেয়েছ, কিছুই দেখছ না। খেয়াল রাখা - ছেলেটার উপরে একটু চোখ রাখবেন, যেন দুষ্টুমি না করে।ছল দোষ - কথার ছল ধরাটা তার পুরনো অভ্যাস। ছলনা - তোমার এ ছলচাতুরী একদিন ধরা পড়ে যাবে। কপট – সে যে এত বড় ছল, তা অগে জানতাম না। প্রসঙ্গ – কিছু মনে করে না, এমনি কথাচ্ছলে একথা বললাম। উদ্দেশ্য – গুপ্তচরটি কোন না কোন ছলে ফকির সেজেছে।ছোট ক্ষুদ্র – ‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে।’ কনিষ্ঠ –সে আমার ছোট ভাই। নম্র – বড় হতে চাইলে অগে ছোট হতে হয়। নীচ – ছিঃ! এত ছোট মন তোমার। অনধিকার চর্চা – ছোটমুখে বড় কথা মানায় না।জোর উদাত্ত – তিনি জোর গলায় ঘেষণা করলেন যে, তিনি সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন। শক্তি – জোর যার মুল্লুক তার। জবরদস্তি –মামুনের দোকান থেকে চাঁদাবাজরা জোর করে পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে গেল। আস্ফালন - গলার জোর দেখাও কেন? তোমাকে আমি ডরাই নাকি। দ্রুত – জোর কদম, চলরে চল।জাল নকল - এ জাল দলিল আমি মানি না। মায়া, ছল - জুয়েল আইচের ইন্দ্রজালে কে না অভিভূত হয়? ফাঁদ – জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরে। কপট – জাল পীরের খপ্পরে পড়ে তার সর্বনাশ হয়েছে। মারপাঁচ – তার বুদ্ধির জ্বালে আমি জড়িয়ে গেছি।তাল মাত্রাজ্ঞান – লোকটির গলা ভালো কিন্তু তাল বোধ একদম নেই। ভারসাম্য – সংসারের ঝামেলায় আর তাল সামলাতে পারছি না। ফলবিশেষ – তালের পিঠা বেজায় মিঠা। পাল্লা দেয়া - খামাখা তালাতালি করো না, ওর সাথে তোমরা পারবে না। মার – তাড়াতাড়ি সরে পড়, নইলে পিঠের উপর কিন্তু তাল পড়বে?তোলা ব্যবসায় গুটানো – ধার দেনা যেভাবে পড়ে গেছে, দোকানপাট না তুলে উপায় নেই। প্রহার – যখন - তখন ছেলের গায়ে হাত তোল না। মারা যাওয়া – অনেক বয়স হয়েছে লোকটির, যে কোন সময় তিনি পটল তুলতে পারেন। আলস্য প্রকাশ করা – ঘন ঘন হাই তুলছ কেন? ঘুমাতে যাবে নাকি? উথাপন করা - এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা সভায় তোলা হলো না কেন? সমাজভুক্ত করা - অনেক চেষ্টা করেও তাকে আমরা জাতে তুলতে পারিনি।দল রাজনৈতিক দল –বাংলাদেশে বহু রাজনৈতিক দল রয়েছে। ফুলের অংশ - দল, ফুলের একটি অংশ। গোষ্ঠী, সম্প্রদায় – মুসলমানেরা দল বেঁধে ঈদগায় যায়। সমূহ – তরুণ দলের উপর দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। জলজ তৃণ - অরক্ষিত জলাশয়গুলো দলে পরিপূর্ণ থাকে।দণ্ড খাঁচার দুয়ার – পিঞ্জর দণ্ডে বসে টিয়া পাখি শিস দিচ্ছে। লাঠি – দণ্ডের আঘাতে তার মাথা দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। ন্যায় – সৃষ্টিকর্তা তার ন্যায় দণ্ড আমাদের প্রত্যেকের উপর অর্পণ করেছেন। শাস্তি – এ কাজের জন্য তোমার কঠিন দণ্ড হবে। ২৪ মিনিট কাল সময় - তোমাকে তিলেক দণ্ড না দেখলে আমি অস্থির হয়ে যাই।নাম আখ্যা – কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন। খ্যাতি – লেখাপড়া শিখে যখন বড় হবে, তখন তোমার অনেক নাম হবে। পরিচয় –আপনার নাম কি? শপথ – আল্লাহ্’র নামে বলছি, আপনাকে আমি সাহায্য করব। স্মরণ - ওই ‘নাম’ জপলে মুক্তি পেয়ে যাবে। শব্দ মাত্র – সে নামেই নেতা, কামে নয়।নাক নাসিকা - নিঃশ্বাস - প্রশ্বাসের জন্য নাক একটি অপরিহার্য অঙ্গ। দ্রুত খাওয়া - নাকে মুখে না গুঁজলে ট্রেনটা নিশ্চিত ফেল করতাম। সাজা – কতবার যে নাকে খত দিয়েছ তার হিসাব আছে। নির্ভাবনা - নাকে তেল দিয়ে ঘুমালে চলবে না, সাবধান থাকতে হবে। শব্দ – সে ঘুমানো মাত্রই নাক ডাকে।পাকা পরিপক্ব - পাকা জাম খেতে মিষ্টি। খাঁটি – পাকা সোনায় খাদ থাকে না। অভিজ্ঞ – তিনি একজন পাকা লোক। দক্ষ – বুলবুল একজন পাকা খেলোয়াড়। স্থায়ী – শাড়িটির রং পাকা। সাদা – কী ব্যাপার, তোমার সব চুল দেখি পেকে যাচ্ছে। নিপুণ – তোমার মা রান্না - বান্নায় খুবই পাকা। বখাটে – ছেলেটা অল্প দিনেই পেকে গেছে। ইটের তৈরি – শহরের অধিকাংশ লোক পাকা বাড়িতে বাস করেন।পড়া পাল্লায় পড়া - বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে ফেরদৌসের জীবন আজ অন্ধকার। পঠন – মা এক ঘণ্টা ধরে কুরআন পড়ছেন। চেষ্টা করা – উঠে পড়ে লাগ, পরীক্ষায় অবশ্যই ভালো করবে। নতিস্বীকার - তোমার পায়ে পড়ি, এবারের মতো আমাকে রেহাই দাও। খরচ পড়া – অলঙ্কারগুলো বানাতে অনেক খরচ পড়েছে। প্রয়োজন হওয়া – আমার অত গরজ পড়েনি যে তাকে ডাকতে হবে। আটকে যাওয়া – তার ফাঁদে যদি একবার পড়, তাহলে আর নিস্তার নেই।পা তোষামোদ – এই আপনার পায়ে ধরে বলছি হুজুর, আপনার কথার অন্যথা হবে না। অঙ্গ বিশেষ – পা দুখানা হারিয়ে সে একেবারে পঙ্গু হয়েছে। অবঙ্গা করা - হাতের লক্ষীকে পায়ে ঠেলে দিও না। চাটুকার – সে তো চৌধুরী সাহেবের পা - চাটা কুকুর। অনুনয় করা – তোমার দুটি পয়ে পড়ি, কাজটি আমায় করে দাও।ফল পরিণতি –যে অন্যায় তুমি করেছ, এর ফল শুভ হবে না। ফলমূল – কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। পরীক্ষার ফলাফল – রীতিমত লেখাপড়া না করলে, পরীক্ষায় ভাল ফল করবে কি করে? উন্নতি – বনায়ন কর্মকান্ডে অংশ নাও, ফল দেবে। লাভ – অনুরোধে কোন ফল হবে না।বুক গর্ব করা – কোন রকমের একটা পাস দিয়েই নাসির বুক ফুলিয়ে হাঁটছে। সাহস – বড় সাহেবের মুখের উপর সত্য কথাটা বলতে পারলে? বুকের পাটা আছে তোমার। মন শক্ত করা – বুকে সাহস নিয়ে জীবন সংগ্রামে এগিয়ে যাও। হৃদয় বিদীর্ণ হওয়া – তার বুক ফাটা আর্তনাদ আমি সহ্য করতে পারিনি। সাহায্য করা – ভাইকে দূরে রেখ না, তোমার বিপদে সেইতো বুক পেতে দিবে।বড় ভালো – তোমার বাবা বড় ভালো লোক ছিলেন। ধনী – প্রামাণিক সাহেব হলেন এ তল্লাটের বড়লোক। জ্যেষ্ঠ – তিনি আমার চেয়ে বয়সে বড়। বিখ্যাত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একজন বড় রাজনীতিবিদ ছিলেন। উদার – তার সঙ্গে পরিচয় হলেই তুমি জানতে পারবে, তিনি কত বড় মনের অধিকারী। বিশাল – পৃথিবীটা অনেক বড়। অসাধারণ – তিনি একজন বড় মাপের লোক। অত্যন্ত – বড় বিপদে পড়ে তোমার কাছে এসেছি। বিশেষ – সামনেই বড় দিনের ছুটি।ভালো সুন্দর –শুধু রূপে ভালো হলে চলবে না, গুনে ভালো হওয়া চাই। শুভ – আমি তোমার ভালো চাই। সুস্থ – আমি ভালো আছি। সৎ - ভালো লোক হয়েও তিনি এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারলেন না। উত্তম আচরণ - তোমার আছ থেকে আমি ভালো ব্যবহার আশা করেছিলাম। সরল – জাকির সাহেব বেশ ভালো লোক।ভার বিষাদ – মুখ ভার করে থেকো না, একটু হাস। ওজন – এটুকু ছেলের মাথায় এত ভার দিয়েছ কেন? গুরুত্ব – আজকাল সমাজপতি হওয়া সহজ নয়, ধারেও কাটা চাই ভারেও কাটা চাই। কঠিন – এ ঊর্ধ্বগতির বাজারে, চলা বড় ভার। সমূহ – অসংখ্য মেঘের ভারে সারাটা আকাশ আচ্ছন্ন। দায়িত্ব – আমার ওপর এ কাজের ভার দেয়া হোক।ভুল অন্যায় – ভুল করেছ, শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে। ভ্রম – সব মানুষেরই কিছু কিছু ভুল থাকে। খারাপ – তোমার প্রতি আমার এতদিন ভুল ধারণা ছিল। অযথার্থ – ভালো কলে প্রশ্ন পড়ে নাও, ভুল উত্তর দিও না। বিস্মৃতি – সে আজ ভুলের অতল তলে ডুবে গেছে।ভাব চিন্তা – কবিতা লেখার আগে কবিরা ভাবে মগ্ন হন। মর্মার্থ – কবিতাটির ভাবার্থ লেখ। সম্প্রীতি –এ ক্লাসের ছাত্র - ছাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট ভাব রয়েছে। অভিপ্রায় – তোমার ভাবগতিক কিছুই বুঝতে পারছি না। কুমতলব – লোকটার প্রতি লক্ষ রেখ, ভাবগতিক সুবিধার মনে হচ্ছে না। উন্মাদনা – গান শুনতে শুনতে তোমার ভাব লাগল নাকি?মোটা স্থূল – এমন মোটা বুদ্ধি নিয়ে এ কাজ করা সম্ভব নয়। উচ্চৈঃস্বর – চাকর - বাকরকে ডাকার সময় স্বর একটু মোটাই হয়। প্রচুর – মোটা অঙ্কের ধার নিয়েতো মেয়ে বিয়ে দিচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? বড় আকৃতি – আমার মামা একজন মোটা লোক। সাধারণ – কৃষকের জন্য মোটা ভাত মোটা কাপড়ই যথেষ্ট। খারাপ – কাউকে মোটা কথা বলা ঠিক নয়। অমৃসণ – কৃষক বধূরা মোটা কাপড় পরিধান করে।
'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনোটি?
Correct Answer:
গ: প্রাচীন
Explanation:
'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনোটি? সঠিক উত্তর প্রাচীন 'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত শব্দ - প্রাচীনঅর্বাচীন /বিশেষণ পদ/ অপক্কবুদ্ধি, নবীন, মূর্খ। /অর্বাচ্ + ঈন/। বিপরীতার্থক শব্দ/ বিপরীত শব্দএকটি শব্দের বিপরীত অর্থবাচক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে । সাধারণত শব্দের শুরুতে অ, অন, অনা, অপ, অব, দূর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গগুলো যুক্ত করলে শব্দের অর্থ না - বাচক বা নিষেধবোধক অর্থে রূপান্তরিত হয় । তাই শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরিতেও এই উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - আগত – শব্দটির শুরুতে অন - উপসর্গটি যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ হল - অনাগত । আবার যে সব শব্দের শুরুতে হ্যাঁ - বোধক উপসর্গ থাকে, তাদের শুরুর সেই উপসর্গের বদলে না - বোধক উপসর্গও ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - অনুরাগ - শব্দটি রাগ - শব্দমূলের পূর্বে অনু - উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে অনু - উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে । এখন অনু - র পরিবর্তে বি - উপসর্গ ব্যবহার করলে, বিরাগ - শব্দে বি - উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, এবং শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে যায় । অর্থাৎ, ইতিবাচক অনু - উপসর্গের বদলে নেতিবাচক বি - উপসর্গের ব্যবহারে বিপরীত শব্দ গঠিত হল । তবে সাধারণত, শব্দের বিপরীত শব্দগুলো অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থবোধক হয়; না - বোধক বা নেতিবাচক হয় না । তাই, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরকম কোন নিয়ম খাটে না । বরং অর্থের দিক থেকে যথাযথ বিপরীত শব্দটিই গৃহীত হয় ।যেমন - আজ – কাল, অতীত - ভবিষ্যত, অধম - উত্তম, ইত্যাদি । কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ অ অকর্মক সকর্মক অজ্ঞ প্রাজ্ঞ অধিত্যকা উপত্যকা অক্ষম সক্ষম অতিকায় ক্ষুদ্রকায় অনন্ত সান্ত অগ্র পশ্চাৎ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি অনুকূল প্রতিকূল অগ্রজ অনুজ অতীত ভবিষ্যত অনুগ্রহ নিগ্রহ অণু বৃহৎ অদ্য কল্য অগ্রজ অনুজ অচল সচল অধঃ ঊর্ধ্ব অনুরক্ত বিরক্ত অচলায়তন সচলায়তন অধম উত্তম অনুরাগ বিরাগ অচেতন সচেতন অধমর্ণ উত্তমর্ণ অনুলোম প্রতিলোম অলীক সত্য অশন অনশন অস্তগামী উদীয়মান অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অসীম সসীম অস্তি নাস্তি/নেতি অহিংস সহিংস আ আকর্ষণ বিকর্ষণ আধার আধেয় আরোহণ অবরোহণ আকুঞ্চন প্রসারণ আপদ সম্পদ আর্দ্র শুষ্ক আগত অনাগত আবশ্যক অনাবশ্যক আর্য অনার্য আগমন প্রস্থান আবশ্যিক ঐচ্ছিক আলস্য শ্রম আজ কাল আবাদি অনাবাদি আলো আঁধার আত্ম পর আবাহন বিসর্জন আশীর্বাদ অভিশাপ আত্মীয় অনাত্মীয় আবির্ভাব তিরোভাব আসক্ত নিরাসক্ত আদি অন্ত আবির্ভূত তিরোহিত আসামি ফরিয়াদী আদিম অন্তিম আবিল অনাবিল আস্তিক নাস্তিক আদ্য অন্ত্য আবৃত উন্মুক্ত আস্থা অনাস্থা ই ইচ্ছুক অনিচ্ছুক ইদানীন্তন তদানীন্তন ইহকাল পরকাল ইতর ভদ্র ইষ্ট অনিষ্ট ইহলোক পরলোক ইতিবাচক নেতিবাচক ইহলৌকিক পারলৌকিক ঈ ঈদৃশ তাদৃশ ঈষৎ অধিক উ উক্ত অনুক্ত উত্তরায়ণ দক্ষিণায়ন উন্নত অবনত উগ্র সৌম্য উত্তাপ শৈত্য উন্নতি অবনতি উচ্চ নীচ উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ণ উন্নীত অবনমিত উজান ভাটি উত্থান পতন উন্নয়ন অবনমন উঠতি পড়তি উত্থিত পতিত উন্মুখ বিমুখ উঠন্ত পড়ন্ত উদয় অস্ত উন্মীলন নিমীলন উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট উদ্ধত বিনীত/ নম্র উপকর্ষ অপকর্ষ উৎকর্ষ অপকর্ষ উদ্বৃত্ত ঘাটতি উপচয় অপচয় উৎরাই চড়াই উদ্যত বিরত উপকারী অপকারী উত্তম অধম উদ্যম বিরাম উপকারিতা অপকারিতা উত্তমর্ণ অধমর্ণ উর্বর ঊষর উপচিকীর্ষা অপচিকীর্ষা উত্তর দক্ষিণ উষ্ণ শীতল ঊ ঊর্ধ্ব অধঃ ঊর্ধ্বগতি অধোগতি ঊষা সন্ধ্যা ঊর্ধ্বতন অধস্তন ঊর্ধ্বগামী অধোগামী ঊষর উর্বর ঋ ঋজু বক্র এ একান্ন পৃথগান্ন একাল সেকাল একূল ওকূল এখন তখন ঐ ঐকমত্য মতভেদ ঐশ্বর্য দারিদ্র্য ঐহিক পারত্রিক ঐক্য অনৈক্য ও ওস্তাদ সাকরেদ ঔ ঔদার্য কার্পণ্য ঔচিত্য অনৌচিত্য ঔজ্জ্বল্য ম্লানিমা ঔদ্ধত্য বিনয় ক কচি ঝুনা কুৎসিত সুন্দর কৃশাঙ্গী স্থূলাঙ্গী কদাচার সদাচার কুফল সুফল কৃষ্ণ শুভ্র/গৌর কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ কুবুদ্ধি সুবুদ্ধি কৃষ্ণাঙ্গ শ্বেতাঙ্গ কপট সরল/অকপট কুমেরু সুমেরু কোমল কঠিন কপটতা সরলতা কুরুচি সুরুচি ক্রন্দন হাস্য কর্মঠ অকর্মণ্য কুলীন অন্ত্যজ ক্রোধ প্রীতি কল্পনা বাস্তব কুশাসন সুশাসন ক্ষণস্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী কাপুরুষ বীরপুরুষ কুশিক্ষা সুশিক্ষা ক্ষীপ্র মন্থর কুঞ্চন প্রসারণ কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ/ কৃতঘ্ন ক্ষীয়মান বর্ধমান কুটিল সরল কৃপণ বদান্য কুৎসা প্রশংসা কৃশ স্থূল খ খ্যাত অখ্যাত খুচরা পাইকারি খেদ হর্ষ খ্যাতি অখ্যাতি গ গঞ্জনা প্রশংসা গূঢ় ব্যক্ত গৌণ মুখ্য গতি স্থিতি গুপ্ত প্রকাশিত গৌরব অগৌরব গদ্য পদ্য গৃহী সন্ন্যাসী গ্রামীণ নাগরিক গণ্য নগণ্য গ্রহণ বর্জন গ্রাম্য শহুরে গরল অমৃত গৃহীত বর্জিত গ্রাহ্য অগ্রাহ্য গরিমা লঘিমা গেঁয়ো শহুরে গরিষ্ঠ লঘিষ্ঠ গোপন প্রকাশ ঘ ঘাটতি বাড়তি ঘাত প্রতিঘাত ঘৃণা শ্রদ্ধা চ চক্ষুষ্মান অন্ধ চল অচল চিরায়ত সাময়িক চঞ্চল স্থির চলিত অচলিত/সাধু চ্যূত অচ্যূত চড়াই উৎরাই চিন্তনীয় অচিন্ত্য/অচিন্তনীয় চতুর নির্বোধ চুনোপুটি রুই - কাতলা ছ ছটফটে শান্ত জ জঙ্গম স্থাবর জল স্থল জোড় বিজোড় জড় চেতন জলে স্থলে জোয়ার ভাটা জটিল সরল জলচর স্থলচর জ্যোৎস্না অমাবস্যা জনাকীর্ণ জনবিরল জাতীয় বিজাতীয় জ্ঞাত অজ্ঞাত জন্ম মৃত্যু জাল আসল জ্ঞানী মূর্খ জমা খরচ জিন্দা মুর্দা জ্ঞেয় অজ্ঞেয় জরিমানা বকশিশ জীবন মরণ জ্যেষ্ঠা কনিষ্ঠা জাগ্রত ঘুমন্ত/সুপ্ত জীবিত মৃত জাগরণ ঘুম/সুপ্ত জৈব অজৈব ঠ ঠুনকো মজবুত ড ডুবন্ত ভাসন্ত ত তদীয় মদীয় তারুণ্য বার্ধক্য তীক্ষ্ণ স্থূল তন্ময় মন্ময় তিমির আলোক তীব্র মৃদু তস্কর সাধু তিরস্কার পুরস্কার তুষ্ট রুষ্ট তাপ শৈত্য তীর্যক ঋজু ত্বরিত শ্লথ দ দক্ষিণ বাম দুর্জন সুজন দৃঢ় শিথিল দণ্ড পুরস্কার দুর্দিন সুদিন দৃশ্য অদৃশ্য দাতা গ্রহীতা দুর্নাম সুনাম দেনা পাওনা দিবস রজনী দুর্বুদ্ধি সুবুদ্ধি দেশী বিদেশী দিবা নিশি/রাত্রি দুর্ভাগ্য সৌভাগ্য দোষ গুণ দিবাকর নিশাকর দুর্মতি সুমতি দোষী নির্দোষ দীর্ঘ হ্রস্ব দুর্লভ সুলভ দোস্ত দুশমন দীর্ঘায়ু স্বল্পায়ু দুষ্কৃতি সুকৃতি দ্বিধা নির্দ্বিধা/ দ্বিধাহীন দুঃশীল সুশীল দুষ্ট শিষ্ট দ্বৈত অদ্বৈত দুরন্ত শান্ত দূর নিকট দ্যুলোক ভূলোক দুর্গম সুগম দ্রুত মন্থর ধ ধনাত্মক ঋণাত্মক ধারালো ভোঁতা ধূর্ত বোকা ধনী নির্ধন/দরিদ্র ধামির্ক অধার্মিক ধৃত মুক্ত ধবল শ্যামল ন নতুন পুরাতন নিন্দা জাগরণ নির্মল মলিন নবীন নিন্দিত নিয়োগ বরখাস্ত নির্লজ্জ সলজ্জ নবীন প্রবীণ নিরক্ষর সাক্ষর নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তা নর নারী নিরবলম্ব স্বাবলম্ব নীরস সরস নশ্বর অবিনশ্বর নিরস্ত্র সশস্ত্র নিশ্চেষ্ট সচেষ্ট নাবালক সাবালক নিরাকার সাকার নৈঃশব্দ্য সশব্দ নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নির্দয় সদয় নৈতিকতা অনৈতিকতা নিকৃষ্ট উৎকৃষ্ট নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট নৈসর্গিক কৃত্তিম নিত্য অনিত্য নির্দেশক অনির্দেশক ন্যায় অন্যায় ন্যূন অধিক প পক্ষ বিপক্ষ পূণ্যবান পূণ্যহীন প্রফুল্ল ম্লান পটু অপটু পুরস্কার তিরস্কার প্রবীণ নবীন পণ্ডিত মূর্খ পুষ্ট ক্ষীণ প্রবেশ প্রস্থান পতন উত্থান পূর্ণিমা অমাবস্যা প্রভু ভৃত্য পথ বিপথ পূর্ব পশ্চিম প্রশ্বাস নিঃশ্বাস পবিত্র অপবিত্র পূর্ববর্তী পরবর্তী প্রসন্ন বিষণ্ণ পরকীয় স্বকীয় পূর্বসূরী উত্তরসূরী প্রসারণ সংকোচন/আকুঞ্চন পরার্থ স্বার্থ পূর্বাহ্ণ অপরাহ্ণ প্রাচ্য প্রতীচ্য পরিকল্পিত অপরিকল্পিত প্রকাশিত অপ্রকাশিত প্রাচীন অর্বাচীন পরিশোধিত অপরিশোধিত প্রকাশ গোপন প্রতিকূল অনুকূল পরিশ্রমী অলস প্রকাশ্যে নেপথ্যে প্রায়শ কদাচিৎ পাপ পূণ্য প্রজ্জ্বলন নির্বাপণ প্রারম্ভ শেষ পাপী নিষ্পাপ প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রীতিকর অপ্রীতিকর পার্থিব অপার্থিব প্রধান অপ্রধান ফ ফলন্ত/ফলনশীল নিস্ফলা ফলবান নিস্ফল ফাঁপা নিরেট ব বক্তা শ্রোতা বাধ্য অবাধ্য বিফল সফল বন্দনা গঞ্জনা বামপন্থী ডানপন্থী বিফলতা সফলতা বন্দী মুক্ত বাস্তব কল্পনা বিবাদ সুবাদ বদ্ধ মুক্ত বাল্য বার্ধক্য বিয়োগান্ত মিলনান্ত বন্ধন মুক্তি বাহুল্য স্বল্পতা বিয়োগান্তক মিলনান্তক বন্ধুর মসৃণ বাহ্য আভ্যন্তর বিরহ মিলন বন্য পোষা বিজেতা বিজিত বিলম্বিত দ্রুত বয়োজ্যেষ্ঠ বয়োকনিষ্ঠ বিদ্বান মূর্খ বিষাদ আনন্দ/ হর্ষ বরখাস্ত বহাল বিধর্মী স্বধর্মী বিস্তৃত সংক্ষিপ্ত বর্ধমান ক্ষীয়মান বিনয় ঔদ্ধত্য ব্যক্ত গুপ্ত বর্ধিষ্ণু ক্ষয়িষ্ণু বিনীত উদ্ধত ব্যর্থ সার্থক বহির্ভূত অন্তর্ভূক্ত বিপন্ন নিরাপদ ব্যর্থতা সার্থকতা বাদি বিবাদি বিপন্নতা নিরাপত্তা ব্যষ্টি সমষ্টি ভ ভক্তি অভক্তি ভাটা জোয়ার ভূত ভবিষ্যত ভদ্র ইতর ভাসা ডোবা ভূমিকা উপসংহার ভীরু নির্ভীক ভোগ ত্যাগ ভেদ অভেদ ম মঙ্গল অমঙ্গল মহাত্মা দুরাত্মা মুক্ত বন্দী মঞ্জুর নামঞ্জুর মানানসই বেমানান মুখ্য গৌণ মতৈক্য মতানৈক্য মান্য অমান্য মূর্খ জ্ঞানী মসৃণ খসখসে মিতব্যয়ী অমিতব্যয়ী মূর্ত বিমূর্ত মহৎ নীচ মিথ্যা সত্য মৌখিক লিখিত মহাজন খাতক মিলন বিরহ মৌলিক যৌগিক য যত্ন অযত্ন যুদ্ধ শান্তি যৌথ একক যশ অপযশ যোগ বিয়োগ যৌবন বার্ধক্য যুক্ত বিযুক্ত যোগ্য অযোগ্য যুগল একক যোজন বিয়োজন র রক্ষক ভক্ষক রাজি নারাজ রোদ বৃষ্টি রমণীয় কুৎসিত রুগ্ন সুস্থ রোগী নিরোগ রসিক বেরসিক রুদ্ধ মুক্ত রাজা প্রজা রুষ্ট তুষ্ট ল লঘিষ্ঠ গরিষ্ঠ লাজুক নির্লজ্জ লেন দেন লঘু গুরু লেজ মাথা লেনা দেনা লব হর লৌকিক অলৌকিক শ শঠ সাধু শিষ্ট অশিষ্ট শুষ্ক সিক্ত শঠতা সাধুতা শিষ্য গুরু শূণ্য পূর্ণ শায়িত উত্থিত শীত গ্রীষ্ম শোভন অশোভন শয়ন উত্থান শীতল উষ্ণ শ্বাস প্রশ্বাস শারীরিক মানসিক শুক্লপক্ষ কৃষ্ণপক্ষ শ্রী বিশ্রী শালীন অশালীন শুচি অশুচি শ্লীল অশ্লীল শাসক শাসিত শুদ্ধ অশুদ্ধ শিক্ষক ছাত্র শুভ্র কৃষ্ণ স সংকীর্ণ প্রশস্ত সদৃশ বিসদৃশ সাহসিকতা ভীরুতা সংকোচন প্রসারণ সধবা বিধবা সিক্ত শুষ্ক সংকুচিত প্রসারিত সন্ধি বিগ্রহ সুকৃতি দুষ্কৃতি সংক্ষিপ্ত বিস্তৃত সন্নিধান ব্যবধান সুগম দুর্গম সংক্ষেপ বিস্তার সফল বিফল সুন্দর কুৎসিত সংক্ষেপিত বিস্তারিত সবল দুর্বল সুদর্শন কুদর্শন সংগত অসংগত সবাক নির্বাক সুধা জাগ্রত সংযত অসংযত সমতল অসমতল সুপ্ত জাগ্রত সংযুক্ত বিযুক্ত সমষ্টি ব্যষ্টি সুয়ো দুয়ো সংযোগ বিয়োগ সমাপিকা অসমাপিকা সুশীল দুঃশীল সংযোজন বিয়োজন সমাপ্ত আরম্ভ সুশ্রী কুশ্রী সংশ্লিষ্ট বিশ্লিষ্ট সম্পদ বিপদ সুষম অসম সংশ্লেষণ বিশ্লেষণ সম্প্রসারণ সংকোচন সুসহ দুঃসহ সংহত বিভক্ত সম্মুখ পশ্চাত সুস্থ দুস্থ সংহতি বিভক্তি সরব নিরব সূক্ষ্ম স্থূল সকর্মক অকর্মক সরল কুটিল/জটিল সৃষ্টি ধ্বংস সকাল বিকাল সশস্ত্র নিরস্ত্র সৌখিন পেশাদার সক্রিয় নিষ্ক্রিয় সস্তা আক্রা সৌভাগ্যবান দুর্ভাগ্যবান/ভাগ্যহত সক্ষম অক্ষম সসীম অসীম স্তুতি নিন্দা সচল নিশ্চল সহযোগ অসহযোগ স্তাবক নিন্দুক সচেতন অচেতন সহিষ্ণু অসহিষ্ণু স্থাবর জঙ্গম সচেষ্ট নিশ্চেষ্ট সাঁঝ সকাল স্থলভাগ জলভাগ সচ্চরিত্র দুশ্চরিত্র সাকার নিরাকার স্নিগ্ধ রুক্ষ সজাগ নিদ্রিত সাক্ষর নিরক্ষর স্বনামী বেনামী সজ্জন দুর্জন সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য স্বর্গ নরক সজ্ঞান অজ্ঞান সাফল্য ব্যর্থতা স্বাতন্ত্র্য সাধারণত্ব সঞ্চয় অপচয় সাবালক নাবালক স্বাধীন পরাধীন সতী অসতী সাবালিকা নাবালিকা স্বার্থপর পরার্থপর সত্বর ধীর সাম্য বৈষম্য স্মৃতি বিস্মৃতি সদয় নির্দয় সার অসার স্থির অস্থির সদর অন্দর সার্থক নিরর্থক সদাচার কদাচার সাহসী ভীরু হ হরণ পূরণ হাল সাবেক হৃদ্যতা শত্রুতা হর্ষ বিষাদ হালকা ভারি হ্রস্ব দীর্ঘ হাজির গরহাজির হিত অহিত হ্রাস বৃদ্ধি হার জিত হিসেবি বেহিসেবি
নিচের কোন শব্দটি ' চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়?
Correct Answer:
ঘ: কর
Explanation:
নিচের কোন শব্দটি ' চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়? সঠিক উত্তর কর কর শব্দটি ' চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়। চিকুর এর সমার্থক শব্দ - চুল, কুন্তল, কেশ, অলক । সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ এবং বাক্যে প্রয়োগসমার্থক বলতে সমান অর্থকে বুঝায়। অর্থাৎ সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো অনুরূপ বা সম অর্থবোধক শব্দ। যে শব্দ অন্য কোন শব্দের একই অর্থ কিংবা প্রায় সমান অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। সমার্থক শব্দের একটিকে অন্যটির প্রতিশব্দ বলা হয়। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় Synonym.উদাহরণ:অশ্রু: চোখের জল, নেত্রবারি, ধারাপাত, বর্ষণ।অপচয়: অপব্যয়, বৃথাব্যয়, ক্ষতি, ক্ষয়, হ্রাস।অগ্নি: আগুন, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, অনল, দহন, শিখা, সর্বভুক, কৃশানু, বৈশ্বানর।সমার্থক শব্দের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:মনের ভাব যথাযথভাবে প্রকাশ করতে হলে আমাদের অবশই সমার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। তাই সমার্থক বা প্রতিশব্দের ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে: প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে। গুরুচন্ডালি দোষমুক্তির প্রয়োজনে সমার্থক শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। গাম্ভীর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান - যথাযথ প্রতিশব্দ বা সমার্থক ছাড়া সম্ভব নয়। মনের ভাব প্রকাশের কাজকে সহজ করে দেয়। ভাষাশৈলীর অবয়ব গঠনকে বলিষ্ঠ করে। বাক্য বিন্যাসের ক্ষেত্রে মাধুর্য আনয়ন করে। সৃজনশীল সাহিত্য সৃষ্টি করে। প্রতিশব্দ ভাষার সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার প্রাণ। কবিতার উপমা, শব্দ চয়ন ও ভাষার আতিশয্যে গাম্ভীর্যের বিকাশ ঘটায়। মননশীল সাহিত্য সৃষ্টি ও আধুনিক ধারা বিকাশে সহায়ক।সমার্থক শব্দ ও প্রতিশব্দের বাক্যে প্রয়োগ: অগ্নি সমার্থক শব্দ অনল = ’আমি সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল।’ আগুন = মনের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। সর্বভুক = সর্বভুক আমাদের নিঃস্ব করে দিল। শিখা = জ্বেলে দে তোর বিজয় শিখা। দহন = দহনে পুড়িল হৃদয় দেখিল না কেউ।আকাশ সমার্থক শব্দ আসমান = ‘নীল সিয়া আসমান লালে লাল দুনিয়া।’ গগন = গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা। নভোঃ = মহাকাশচারীরা ঐ দূর নভেঃ ছুটে চলে। অন্তরীক্ষ = অন্তরীক্ষে শুনি কার বাণী। অম্বর = অম্বরে এখন মেঘের ঘনঘটা।ইচ্ছা সমার্থক শব্দ অভিপ্রায় = তোমাকে দেখার অভিপ্রায়ে গিয়েছিনু সন্দ্বীপ। বাসনা = এ জীবনে অনেক বাসনাই অপূর্ণ রয়ে গেল। সাধ = বড় সাধ জাগে একবার তোমায় দেখি। আগ্রহ = পড়াশোনায় ছেলেটির মোটেই আগ্রহ নেই। অভিরুচি = মাংসের প্রতি তার অভিরুচি নেই।ঈশ্বর সমার্থক শব্দ আল্লাহ = আল্লাহ তোমায় দীর্ঘজীবী করুন। খোদা = খোদা তোমার সহায় হোন। বিধাতা = এই পৃথিবীতে বিধাতা অসংখ্য প্রাণী সৃষ্টি করেছেন। ভগবান = হে ভগবান রেখ মোর মিনতি। স্রষ্টা = স্রষ্টার সৃষ্টি রহস্য বোঝা বড় দায়।উত্তম সমার্থক শব্দ উৎকৃষ্ট = ব্যাকরণ বইটি নিঃসন্দেহে উৎকৃষ্ট মানের। ভালো = জব্বার সাহেব বড় ভালো মানুষ ছিলেন। উপাদেয় = শিশুদের বৃদ্ধির জন্য উপাদেয় খাবার দরকার। শ্রেষ্ট = ‘গীতাঞ্জলি’ রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ট কাব্যগ্রন্থ। বরেণ্য = শামসুর রহমান দেশবরেণ্য কবি।কলহ সমার্থক শব্দ ঝগড়া = ঝগড়া করা গর্হিত কাজ। বিবাদ = ছাত্রদের বিবাদ মেটাতে প্রধান শিক্ষক এগিয়ে এলেন। বিরোধ = দুই নেত্রীর বিরোধ ক্রমশই ধ্বংসাত্নক রুপ নিচ্ছে। কোন্দল = অভ্যন্তরীন কোন্দল দলের ভিতকে দুর্বল করে তোলে। দ্বন্দ = কাদম্বিনী ও হেমাঙ্গিনীর মধ্যকার দন্দ্ব ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকল।কুল সমার্থক শব্দ বংশ = পাত্রের অজস্র টাকা - পয়সা থাকলেও বংশ মর্যাদা ভাল নয়। গোত্র = গোত্রপ্রীতি প্রাক - ইসলামি যুগে আরবদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। কৌলীন্য = হিন্দুদের কৌলীন্য প্রথা এ যুগে অচলপ্রায়। আভিজাত্য = করিম সাহেবের আভিজাত্যবোধ বলতে কিছু নেই। জাতি = বাঙালিরা বীরের জাতি।গৃহ সমার্থক শব্দ ঘর = আমার এ ঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর। আবাস = পৃথিবী মানুষের জন্য স্থায়ী আবাস নয়। নিকেতন = রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত শান্তি নিকেতন একটি প্রসিদ্ধ স্থান। সদন = মাতৃসদন ছেড়ে তখন তারা রাস্তায় নামল। ধাম = এ ধরাধাম ছেড়ে একদিন সকলকেই চলে যেতে হবে।চন্দ্র সমার্থক শব্দ শশী = চেয়ে দেখ পূর্বাকাশে পূর্ণিমার শশী। চাঁদ = মেঘের আড়ালে চাঁদ লুকোচুরি খেলছে। সুধাকর = এই নিশীথে সুধাকর জেগে আছে। নিশাপতি = নিশাপতি তুমি কেন এতই শোভন। চন্দ্রিমা = হে চন্দ্রিমা এই রাতের সাক্ষী থেকো ।জল সমার্থক শব্দ পানি = এখন বর্ষাকাল, চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। বারি = বর্ষার বারি ধারার সাথে সাথে নদ - নদী খরবেগে প্রবাহিত হয়। সলিল = লঞ্চডুবিতে প্রায় চারশ লোকের সলিল সমাধি হলো। পয়ঃ = এই শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভাল না। নীর = কৃষ্ণ চলে যাওয়ায় রাধা নীরে ভেসে চলেছে ।ধন সমার্থক শব্দ অর্থ = অর্থ সকল অনর্থের মূল। দৌলত = দৌলতের মোহ কজনে ত্যাগ করতে পারে? টাকাকড়ি = চাই না আমি টাকাকড়ি, দাও শুধু সুখ। সম্পদ = দুটি হালের গরু, বিঘা তিনেক জমি এই তার সম্পদ। বিত্ত = বিত্তের মোহ লোকটিকে অন্ধ করে রেখেছে।পর্বত সমার্থক শব্দ পাহাড় = জীবন চলার পথে শত বাধার পাহাড় অতিক্রম করতে হয়। গিরি = দুর্গম গিরি পথ অতিক্রম করে আমরা তিব্বত পৌঁছালাম। শৈল = মহাপ্রলয়ের সময় শৈলসমূহ তুলার ন্যায় উড়তে থাকবে। ভূধর = ভূধর ফেটে উঠবে জল, ঘর বাড়ি সব করবে তল। অচল = অচল শিখর ছোট নদীটিরে চিরদিন রাখে স্মরণে।পৃথিবী সমার্থক শব্দ ধরা = প্রাচুর্যের দম্ভে অনেকেই ধরাকে সরাজ্ঞান করে। বিশ্ব = বাংলা ভাষার খ্যাতি এখন বিশ্বময়। বসুমতি = ‘বসুমতি কেন তুমি এতই কৃপণা?’ ধরণী = হযরত মুহাম্মদ (স) এই ধুলার ধরণীতে জম্ন নিয়েছিলেন। ভুবন = ’মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।’মৃত্যু সমার্থক শব্দ মরণ = মরণ আমায় ডাক দিয়েছে যেতে হবে ভাই। নিপাত = সন্ত্রাসী নিপাত যাক। নিধন = বর্বর পাকবাহিনীরা নিরস্ত্র বাঙালিদের নির্বিচারে নিধন করেছে। চিরবিদায় = সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন আমাদের সবাইকে চিরবিদায় নিতে হবে। পরলোকগমন = কবি নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালে পরলোকগমন করেন।সমুদ্র সমার্থক শব্দ সিন্ধু = ঐ মহাসিন্ধুর ওপার থেকে কি সুর যে ভেসে আসে। সাগর = ‘দেখবে তোমার কিস্তি আবার ভেসেছে সাগর জলে। পারাবার = কেমনে লঙিঘব আমি মহা পারাবার। জলধি = জলধির রাশি রাশি ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। পাথার = এই মহা পাথার একদিন আমরা পার হবই।সূর্য সমার্থক শব্দ দিনমণি = দিনমণি ডুবে গেল মেঘের আড়ালে। রবি = সকালে সোনার রবি পূর্ব দিকে ওঠে । প্রভাকর = প্রভাকর দেয় আলো দিনমান ভরে। ভানু = তেজোদীপ্ত ভানুর আলো কৃমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। ভাস্কর = পূর্বাকাশে উঠেছে ভাস্কর চেয়ে দেখ ঐ ।
'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায়-
Correct Answer:
গ: ঊষর
Explanation:
'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায়- সঠিক উত্তর ঊষর 'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায় - ঊষরযে নারীর কোনাে সন্তান হয় না - বন্ধ্যাযাতে (যে জমিতে) শস্যের ফলন ভালো হয় না - অনুর্বরএক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
'চর্যাপদ' প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
ক: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
Explanation:
'চর্যাপদ' প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ 'চর্যাপদ' প্রথম বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয় ।চর্যাপদচর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদবঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলা সাহিত্যের উন্নতি এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে স্থাপিত একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলা ভাষার বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা, অন্যান্য ভাষায় রচিত গ্রন্থের অনুবাদ, দুর্লভ বাংলা রচনা সংরক্ষণ, গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশ প্রভৃতি ক্ষেত্রে এই পরিষদ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠাকাল - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ ১৮৯৩ সালের ২৩ জুলাই এল. লিউটার্ড ও ক্ষেত্রপাল চক্রবর্তী'র উদ্যোগে বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত হয়। প্রথমদিকে একাডেমির কার্যাবলি, সভা, মুখপত্র শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হতো। পরে এই ব্যাপারে কোনো কোনো সদস্য আপত্তি প্রকাশ করলে উমেশচন্দ্র বটব্যালের প্রস্তাবানুসারে একাডেমির নাম পরিবর্তন করে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ করা হয়। এর যাত্রা শুরু হয় কলকাতার শোভাবাজারে বিনয়কৃষ্ণ দেব - এর বাসভবনে।বাংলা সাহিত্যের উন্নতি সাধন ছিল পরিষদের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু প্রথমদিকে এর প্রায় সব কাজই ইংরেজিতে সম্পন্ন হতো। এমনকি সভার মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা দি বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার - এর অধিকাংশই লিপিবদ্ধ হতো ইংরেজিতে। এই অসঙ্গতি দূর করার উদ্দেশ্যে উমেশচন্দ্র বটব্যালের প্রস্তাবানুসারে ১৮৯৪ সালের ১৮ ফেব্রয়ারি পরিষদের সভায় মুখপত্রটি দি বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ - এ উভয় নামেই প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৮৯৪ সালের ২৯ এপ্রিলের সভায় পরিষদের নামটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ হিসেবে সর্বসম্মতক্রমে গৃহীত হয়। এরপর থেকে পরিষদের মুখপত্রটি সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা নামে ত্রৈমাসিক পত্রিকা হিসেবে বাংলায় প্রকাশিত হতে থাকে।১৮৯৪ সালে পরিষদের সভাপতি ছিলেন রমেশচন্দ্র দত্ত, সহসভাপতি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নবীনচন্দ্র সেন এবং সম্পাদক ছিলেন এল লিওটার্ড, দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ও রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী। সংগঠন - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পরিষদের নিজস্ব একটি কার্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৮৯৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিষদের কার্যালয় ১৩৭/১ কর্নওয়ালিস স্ট্রিটে একটি ভাড়া বাড়িতে সরিয়ে নেওয়া হয়।বিশ শতকের প্রথম দশকে পরিষদের কলেবর যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে এর সদস্য সংখ্যা ৫২৩ তে উন্নীত হয়। প্রখ্যাত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন রমেশচন্দ্র দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নবীনচন্দ্র সেন, দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, রায় যতীন্দ্রনাথ চৌধুরী, সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, রজনীকান্ত গুপ্ত, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, দেবেন্দ্রপ্রসাদ ঘোষ, নরেন্দ্রনাথ মিত্র, অমৃতকৃষ্ণ মল্লিক, সুরেশচন্দ্র সমাজপতি ও দ্বিজেন্দ্রনাথ বসু। ১৯০৬ সালে পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশনে কলকাতার বাইরে পরিষদের শাখা স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পরপরই রংপুরে একটি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। কালক্রমে বাংলার বিভিন্ন জেলা শহরে এবং বাংলার বাইরেও ৩০টি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। চারুচন্দ্র ঘোষ, রজনীকান্ত গুপ্ত, হীরেন্দ্রনাথ দত্ত, সুরেশচন্দ্র সমাজপতি ও নগেন্দ্রনাথ বসু পরিষদের নিজ বাসগৃহ নির্মাণের জন্য কাসিমবাজারের মহারাজা মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দীর স্মরণাপন্ন হন। তিনি হালশীবাগানে সাত কাঠা জায়গা পরিষদকে দান করেন। ১৯০৯ সালের শেষদিকে পরিষদ স্থায়ী কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হয়।বান্ধব, বিশিষ্ট, আজীবন, সহায়ক ও সাধারণ পরিষদে এই পাঁচ ধরনের সদস্যপদ রয়েছে। যে কোনো ব্যক্তি পরিষদের সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন।গবেষণা - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ বাংলা ভাষায় নানা বিষয়ের গবেষণায় পৃষ্ঠপোষকতা করে পরিষদ বিদ্বৎসমাজে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। সংস্কৃত, আরবি ও ইংরেজি ভাষা হতে বহু গ্রন্থ অনুবাদ ও প্রকাশ করা এবং দুষ্পাপ্য বাংলা গ্রন্থ, সাহিত্য ও গবেষণা নিয়মিত পুস্তকাকারে প্রকাশ করা পরিষদের অন্যতম প্রধান কাজ। পরিষদের প্রকাশিত গ্রন্থগুলির মধ্যে যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধির বাংলা শব্দকোষ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, সংবাদপত্রে সেকালের কথা ও সাহিত্যসাধক চরিতমালা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যতীন্দ্রনাথ চৌধুরী ও রজনীকান্ত গুপ্তের বিশেষ আগ্রহে প্রাচীন বাংলা ও সংস্কৃত পুথি সংগ্রহের যে চেষ্টা নেওয়া হয়েছিল, তারই ফল হিসেবে পরিষদ গ্রন্থাগারে বর্তমানে পুথির সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একমাত্র পুথি পরিষদে সংরক্ষিত।অবদান - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ গবেষণা কাজ ছাড়াও পরিষদ আরও কিছু বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিল। প্রাচীন মুদ্রা, প্রস্তরমূর্তি, ধাতুমূর্তি, তাম্রশাসন, প্রাচীন চিত্র, সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিগণের ব্যবহৃত দ্রব্যাদি, হস্তলিপি পত্র ও দানপত্রাদি, প্রাচীন অস্ত্রশস্ত্র, পাণ্ডুলিপি (বিখ্যাত লেখকের রচনা) ও প্রাচীন দলিল প্রভৃতি বিভাগসমৃদ্ধ একটি চিত্রশালাও গঠন করা হয়েছে। বহু বছরের চেষ্টার ফলে পরিষদ একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে রয়েছে বেশ কিছু দুর্লভ প্রাচীন পুস্তক। পরিষদের নিজস্ব সঞ্চয়, উপহার প্রাপ্ত ও দানলব্ধ পুস্তকাদি ছাড়া ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রমেশচন্দ্র দত্ত, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, বিনয়কৃষ্ণ দেব, ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রেমসুন্দর বসু ও যতীন্দ্রনাথ পালের সাতটি মূল্যবান গ্রন্থ সংগ্রহ পরিষদ গ্রন্থাগারের অঙ্গীভূত হওয়ায় এটি হয়ে উঠেছে আরও সমৃদ্ধ। গ্রন্থাগারে পুস্তকের সংখ্যা প্রায় দেড় লক্ষ। গ্রন্থ প্রকাশ, পদক ও পুরস্কার দান, দুঃস্থ সাহিত্যিক ভাণ্ডার গঠন প্রভৃতি সদনুষ্ঠানে সহায়তা করার জন্য অনেক মহানুভব ব্যক্তি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে গচ্ছিত তহবিল স্থাপন করেছেন। পুলিনবিহারী দত্ত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দুস্থ সাহিত্যিক ভাণ্ডারের আয় হতে বহু দুঃস্থ সাহিত্যিক পরিবারকে অর্থ সাহায্য করা হয়েছে।
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যাবহৃত হয়?
Correct Answer:
ক: বিপরীত
Explanation:
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যাবহৃত হয়? সঠিক উত্তর বিপরীত 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যাবহৃত হয়। উপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”উপসর্গের প্রকারভেদউপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।বাংলা উপনর্গসংস্কৃত উপসর্গবিদেশি উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি; যথা - উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত উদাহরণ ১ প্র প্রকৃষ্ট/ সম্যক অর্থে প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত খ্যাতি " প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব আধিক্য " প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার গতি " প্রবেশ, প্রস্থান ধারা - পরম্পরা বা অনুগামিত " প্রপৌত্র, প্রশাখা, প্রশিষ্য ২ পরা আতিশয্য " পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ বিপরীত " পরাজয়, পরাভব ৩ অপ বিপরীত " অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ নিকৃষ্ট " অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ, অপব্যয় স্থানান্তর " অপসারণ, অপহরণ, অপনোদন বিকৃতি " অপমৃত্যু ৪ সম্ সম্যক রূপে " সম্পূর্ণ, সমৃদ্ধ, সমাদর সম্মুখে " সমাগত, সম্মুখ ৫ নি নিষেধ " নিবৃত্তি নিশ্চয় " নিবারণ, নির্ণয় আতিশয্য " নিদাঘ, নিদারুণ, নিগূঢ় অভাব " নিষ্কলুষ, নিষ্কাম ৬ অব হীনতা, প্রতিকূল " অবজ্ঞা, অবমাননা সম্যকভাবে " অবরোধ, অবগাহন, অবগত নিম্নে, অধোমুখিতা " অবতরণ, অবরোহণ, অবলম্বন অল্পতা " অবশেষে, অবসান, অবেলা ৭ অনু পশ্চাৎ " অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ সাদৃশ্য " অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকার পৌনঃপুন " অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন সঙ্গে " অনুকূল, অনুকম্পা ৮ নির অভাব " নিরক্ষর, নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন নিশ্চয় " নির্ধারণ, নির্ণয়, নির্ভর বাহির, বহির্মুখিতা " নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন ৯ দুর মন্দ " দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম কষ্টসাধ্য " দুর্লভ, দুর্গম, দুরতিক্রম্য, দুর্মূল্য ১০ বি বিশেষ রূপে " বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক অভাব " বিনিদ্র,বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল গতি " বিচরণ, বিক্ষেপ অপ্রকৃতস্থ " বিকার, বিপর্যয় ১১ সু উত্তম " সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয়, সুনীল সহজ " সুগম, সুসাধ্য, সুলভ আতিশয্য " সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ১২ উৎ ঊর্ধ্বমুখিতা " উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন আতিশয্য " উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন প্রস্তুতি " উৎপাদন, উচ্চারণ অপকর্ষ " উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট ১৩ অধি আধিপত্য " অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী উপরি " অধিরোহণ, অধিষ্ঠান ব্যাপ্তি " অধিকার, অধিবাস, অধিগত ১৪ পরি বিশেষ রূপে " পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন শেষ " পরিশেষ, পরিসীমা সম্যক রূপে " পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ চতুর্দিক " পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল, পরিক্রমণ ১৫ প্রতি সদৃশ " প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি বিরোধ " প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী পৌনঃপুন " প্রতিদিন, প্রতিমাস অনুরূপ কাজ " প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার ১৬ উপ সামীপ্য অর্থে " উপকূল, উপকণ্ঠ সদৃশ " উপদ্বীপ, উপবন ক্ষুদ্র " উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা বিশেষ " উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ ১৭ অভি সম্যক " অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত গমন " অভিযান, অভিসার সম্মুখ বা দিক " অভিমুখ, অভিবাদন ১৮ অতি আতিশয্য " অতিকায়, অত্যাচার, অতিশয় অতিক্রম " অতিমানব, অতিপ্রাকৃত ১৯ আ পর্যন্ত " আকণ্য, আমরণ, আসমুদ্র ঈষৎ " আরক্ত, আভাস বিপরীত " আদান, আগমন ২০ অপি যদি " অপিচ (যদিও) (প্রাচীন বাংলা), অপিনিহিতি খাঁটি বাংলা উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - উপসর্গ অর্থদ্যোতকতা উদাহরণ ১ অ নিন্দিত অর্থে অকেজো, অচেনা, অপয়া অভাব " অচিন, অজানা, অথৈ ক্রমাগত " অঝোর, অঝোরে ২ অঘা বোকা " অঘারাম, অঘাচণ্ডী ৩ অজ নিতান্ত (মন্দ) " অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর ৪ অনা অভাব " অনাবৃষ্টি, অনাদর ছাড়া " অনাছিষ্টি, অনাচার অশুভ " অনামুখো ৫ আ অভাব " আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি বাজে, নিকৃষ্ট " আকাঠা, আগাছা ৬ আড় বক্র " আড়চোখে, আড়নয়নে আধা, প্রায় " আড়ক্ষ্যাপা, আড়মোড়া, আড়পাগলা বিশিষ্ট " আড়কোলা (পাথালিকোলা), আড়গড়া (আস্তাবর), আড়কাঠি ৭ আন না " আনকোরা বিক্ষিপ্ত " আনচান, আনমনা ৮ আব অস্পষ্টতা " আবছায়া, আবডাল ৯ ইতি এ বা এর " ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে পুরনো " ইতিকথা, ইতিহাস ১০ ঊন (ঊনু, ঊনা) কম " ঊনপাঁজুরে, উনিশ (উন + বিশ), ঊনাভাত ১১ কদ্ নিন্দিত " কদবেল, কদর্য, কদাকার ১২ কু কুৎসিত, অপকর্ষ " কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ ১৩ নি নাই, নেতি " নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট, নিনাইয়া ১৪ পাতি ক্ষুদ্র " পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ১৫ বি ভিন্নতা, নাই বা নিন্দনীয় " বিভূঁই, বিফল, বিপথ ১৬ ভর পূর্ণতা " ভরপেট, ভরসাঁঝ, ভরপুর, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যে ১৭ রাম বড় বা উৎকৃষ্ট " রামছাগল, রামদা, রামশিঙ্গা, রামবোকা ১৮ স সঙ্গে " সরাজ, সরব, সঠিক, সজোর, সপাট ১৯ সা উৎকৃষ্ট " সাজিরা, সাজোয়ান ২০ সু উত্তম " সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুনাম, সুকাজ ২১ হা অভাব " হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে আ, সু, বি, নি— এই চারটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষায়ও পাওয়া যায়। ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এই চারটি উপসর্গ বাংলা না সংস্কৃত তা নির্ধারণ করা হয়। বাংলা উপসর্গ সর্বদাই বাংলা শব্দের আগে এবং সংস্কৃত উপসর্গ সর্বদাই সংস্কৃত শব্দের আগে বসে।বিদেশী উপসর্গআরবি, ফারসি, ইংরেজি ও উর্দু - হিন্দি— এইসব ভাষার উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন—(ক) ফার্সি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. কার্ کار কাজ অর্থে কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ২. দর্ در মধ্যস্থ, অধীন " দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান, দরখাস্ত ৩. না نا না " নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক ৪. নিম্ نیم আধা " নিমরাজি, নিমখুন, নিমমোল্লা ৫. ফি فی প্রতি " ফি - রোজ, ফি - হপ্তা, ফি - বছর, ফি - সন, ফি - মাস ৬. বদ্ بد মন্দ " বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম, বজ্জাত, বদহাল, বদবখ্ত ৭. বে بی না " বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেহায়া, বেনজির, বেগতিক, বেতার, বেকার, বেশরম, বেতমিজ ৮. বর্ بر বাইরে, মধ্যে " বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ ৯. ব্ ب সহিত " বমাল, বনাম, বকলম, বহাল ১০. কম্ کم স্বল্প " কমজোর, কমবখ্ত, কমআক্কেল, কমপোখ্ত ১১. দস্ত دست নিজ " দস্তখত ১২. সে سه তিন " সেতার, সেপায়া (খ) আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. আম্ عام সাধারণ অর্থে আমদরবার, আমমোক্তার ২. খাস্ خاص বিশেষ " খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল ৩. লা لا না " লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ৪. গর্ غير অভাব " গরমিল, গরহাজির, গররাজি ৫. বাজে بعض বিবিধ অপ্রয়োজনীয় " বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা ৬. খয়ের خير ভালো " খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী) (গ) ইংরেজি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. ফুল Full পূর্ণ অর্থে ফুল - হাতা, ফুল - শার্ট, ফুল - বাবু, ফুল - প্যান্ট, ফুল - মোজা ২. হাফ Half আধা " হাফ - হাতা, হাফ - টিকেট, হাফ - স্কুল, হাফ - প্যান্ট, হাফ - নেতা ৩. হেড Head প্রধান " হেড - মাস্টার, হেড - অফিস, হেড - পণ্ডিত, হেড - মৌলভি ৪. সাব Sub অধীন " সাব - অফিস, সাব - জজ, সাব - ইন্সপেক্টর (ঘ) উর্দু - হিন্দি উপসর্গ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে উদাহরণ হর حر हर প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা, হরেক রকম (বিভিন্ন), হরেক আদমি (প্রত্যেক)
'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
ক: শাহ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর শাহ মুহম্মদ সগীর 'ইউসুফ জুলেখা' শাহ মুহম্মদ সগীর এর কাব্য রচনা । ইউসুফ - জুলেখাইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।উৎস - ইউসুফ - জুলেখাশাহ মুহম্মদ সগীর এর ইউসুফ - জোলেখা কাব্যে সুপ্রাচীন প্রণয়কাহিনী উপজীব্য করা হয়েছে। বাইবেল ও কুরআন এ নৈতিক উপাখ্যান হিসেবে সংক্ষেপে এই কাহিনী বর্ণিত রয়েছে। ইরানের মহাকবি ফেরদৌসী (মৃত্যু ১০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) এবং সূফীকবি জামী (মৃত্যু ১৪৯২ খ্রিষ্টাব্দ) মূল কাহিনী পল্লবিত করে ইউসুফ - জোলেখা নামে কাব্য রচনা করেছিলেন। তবে তাদের কাব্যের সাথে শাহ মুহম্মদ সগীরের কাহিনীর তেমন কোন মিল নেই। তবে ফেরদৌসীর কাব্যের রোমান্টিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্যের যথেষ্ট সামঞ্জস্য বিদ্যমান। ডঃ মুহম্মদ এনামুল হক অনুমান করেন, 'কুরআন ও ফেরদৌসীর কাব্য ব্যতিত মুসলিম কিংবদন্তিতে স্বীয় - প্রতিভায় নির্ভর করিয়াই শাহ মুহম্মদ সগীর তাহার ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেছিলেন'।বিষয়বস্তু - ইউসুফ - জুলেখাইউসুফ - জোলেখা কাব্যের বিষয়বস্তু ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনী। কাব্যের আরম্ভে আল্লাহ ও রাসুলের বন্দনা, মাতাপিতা ও গুরুজনের প্রশংসা এবং রাজবন্দনা স্থান পেয়েছে। তৈমুস বাদশাহের কন্যা জোলেখা আজিজ মিশরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেও ক্রীতদাস ইউসুফের প্রতি গভীর ভাবে প্রেমাসক্ত হন। নানাভাবে আকৃষ্ট করেও তিনি ইউসুফকে বশীভূত করতে পারেন নি। বহু ঘটনার মধ্য দিয়ে ইউসুফ মিশরের অধিপতি হন। ঘটনাক্রমে জোলেখা তখনও তার আকাঙ্খা পরিত্যাগ করেন নি এবং পরে ইউসুফের মনেরও পরিবর্তন ঘটে। ফলে তাদের মিলন হয়। কাব্যের এই প্রধান কাহিনীর সাথে আরও অসংখ্য উপকাহিনী স্থান পেয়েছে। শাহ মুহাম্মদ সগীর শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি। বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে (১৩৮৯ - ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দে) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী। কাব্যরস পরিবেশন অপেক্ষা ধর্মীয় প্রেরণা সৃষ্টির প্রতিই কবির অধিক আগ্রহ লক্ষ করা যায়। সে যুগে দেশি ভাষার রসাশ্রয়ী ধর্মকাহিনী রচনা করার মধ্যে কবির সৎসাহসের পরিচয় মেলে। বাইবেল - কুরআন কিংবা ফিরদৌসী - জামীর অনুসরণে কাহিনী - কাব্যটি কল্পিত হলেও তাতে বাঙলাদেশ ও বাঙালি - জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। কাব্যটি পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দশকে রচনা করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। তার কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন। তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তার কাব্যে ধর্মীয় পটভুমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান। তার কাব্যে শিল্পমূল্য অতুলনীয়।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গলকাব্য ধারার কবি ?
Correct Answer:
ক: চণ্ডীমঙ্গল
Explanation:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গলকাব্য ধারার কবি ? সঠিক উত্তর চণ্ডীমঙ্গল মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল মঙ্গলকাব্য ধারার কবি। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাঙালি কবি। ধারনা করা হয় তার জন্ম ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকে। তার বিখ্যাত কাব্য চণ্ডীমঙ্গলকাব্য প্রাচীন পাঁচালী রচনার মধ্যে শ্রেষ্ঠ । এর রচনাকাল ১৫৪৪ খ্রীস্টাব্দের কাছাকাছি সময় বলে বিবেচনা করা হয়। জন্ম ও বংশবৃত্তান্ত - মুকুন্দরাম চক্রবর্তীমুকুন্দরাম চক্রবর্তীর (আনুমানিক ১৫৪০ - ১৬০০) পিতা হৃদয় মিশ্র এবং মাতা দৈবকী। তার পৈতৃক নিবাস বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার দামুন্যা গ্রামে। ডিহিদার মামুদ শরিফের অত্যচারে উৎখাত হয়ে আনুমানিক ১৫৫৭ খ্রিষ্ট্রাব্দে মুকুুন্দরাম পৈতৃক নিবাস ত্যাগ করে মেদিনীপুর জেলার আড়রা গ্রামে আশ্রয় নেন,সে খানে গ্রাম্য জমিদার বাঁঁকুড়া রায়ের দ্বারস্থ হন।খ্যাতি - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তিনি রাজা রঘুনাথের সমসাময়িক ছিলেন। মুকুন্দরাম তার চন্ডীমঙ্গল কাব্যের নামকরণ করেন অভয়ামঙ্গল ও অন্বিকামঙ্গল । গণজীবনের করুণ চিত্র তার কাব্যে তুলে ধরেন। কবির প্রতিভার স্বকৃতিস্বরূপ রাজা রঘুনাথ তাকে কবি কঙ্কন উপাধি প্রদান করেন। তার পূর্ণ নাম হচ্ছে কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। তবে এই রচনাকে কেউ কেউ ' কবিকঙ্কণ চন্ডী'ও বলেছেন। 'কবিকঙ্কণ' কথার মানে যে কবি হাতে অথবা পায়ে ঘুঙুর পরে গান করতেন। অর্থাৎ মঙ্গলকাব্যের পেশাদার গায়ক।মুকুন্দরামের কাব্যের সমালোচনাতিনি তার কাব্যে উপন্যাসের বীজ বপন করেছেন। আধুনিক যুগের সাহিত্য সমালোচকগণ তার সম্পর্কে বলেছেন - ' মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগে জন্মগ্রহণ না করে আধুনিক যুগে জন্মগ্রহণ করলে কাব্য না লিখে উপন্যাস লিখতেন '।যদি এমন কোন গ্রন্থের নাম করতে হয় যাতে আধুনিক কালের, উপন্যাসের,রস কিছু পরিমাণে মেলে যেমন - নিপুণ পর্যবক্ষেণ, সহৃদয়তা, জীবনে আস্থা, ব্যাপক অভিজ্ঞতা সবই যথোচিত পরিমাণে বর্তমান। মুকুন্দরাম শুদ্ধাচারী বামুন - পন্ডিতঘরের ছেলে, আজন্ম দেববিগ্রহ সেবক।কিন্তু তার সহানুভূতি থেকে কেউই বঞ্চিত হয়নি - না বনের তুচ্ছতম পশু না জনপদের দুর্গততম মানুষ।সংস্কৃত অলঙ্কার প্রয়োগের পাশাপাশি লোক - ব্যবহার, ছেলেভোলানো, ছেলেখেলা, মেয়েলি ক্রিয়াকান্ড, ঘরকন্নার ব্যবস্থা, রান্নাবাড়া ইত্যাদি অনপেক্ষিত সামাজিক ও সাংসারিক ব্যাপারেও বিস্ময়কর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন কবিকঙ্কণ মুকুন্দ (রাম) চক্রবর্তী ভাষা বাংলা সময়কাল ষোড়শ শতাব্দী ধরন কাব্য/মঙ্গলকাব্য বিষয় চণ্ডীমঙ্গল উল্লেখযোগ্য রচনাবলি অভয়ামঙ্গল
'কোনটি বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয় ?
Correct Answer:
ঘ: কুবের
Explanation:
'কোনটি বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয় ? সঠিক উত্তর কুবের বিষাদসিন্ধু এজিদ্ - বধ পর্বের প্রচ্ছদ (১৮৯০) লেখক মীর মশাররফ হোসেন দেশ অবিভক্ত বাংলা ভাষা বাংলা বিষাদ - সিন্ধুবিষাদ - সিন্ধু কারবালার যুদ্ধক্ষেত্রকে উপাত্ত করে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি যথাক্রমে ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিন ভাগে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে সেগুলি একখন্ডে মুদ্রিত হয়।বিষাদ - সিন্ধুর প্রধান চরিত্রগুলো নামের দিক থেকে ঐতিহাসিক, কিন্তু ঘটনা বর্ণনায় ও চরিত্র সৃষ্টিতে কাল্পনিক। এই গ্রন্থে কিছু উপকাহিনী আছে, যেগুলো যথার্থ ঐতিহাসিক নয়। গ্রন্থের মুখবন্ধে লেখক মীর মশাররফ হোসেন লিখেছেন - ‘পারস্য ও আরব্য গ্রন্থ হইতে মূল ঘটনার সারাংশ লইয়া বিষাদ - সিন্ধু বিরচিত হইল।’ লক্ষণীয় বিষয়, মীর মশাররফ হোসেন বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থে বর্ণিত ঘটনাসমূহ কোন কোন আরবি এবং ফারসি গ্রন্থ হতে সংগ্রহ করেছেন তার নাম উল্লেখ করেননি। এ কারণে ‘সমালোচকবৃন্দ’ লেখকের ‘বক্তব্য অনুমোদনে দ্বিধান্বিত’। মুনীর চৌধুরী লেখকের দাবী সম্পর্কে যৌক্তিক সংশয় পোষণ করেছেন। তিনি দোভাষী পুঁথির সঙ্গে বিষাদ - সিন্ধুর বেশ সাদৃশ্য আবিষ্কার করে নিশ্চিন্ত হয়েছেন যে মশাররফের অবলম্বন ছিল কারবালাবিষয়ক জনপ্রিয় বাংলা পুঁথিই। গোলাম সাকলায়েনের অভিমতও অভিন্ন। আনিসুজ্জামান ও মুস্তাফা নূরউল ইসলামও মনে করেন দোভাষী পুঁথিই মশাররফের কাহিনীর প্রধান প্রেরণা ও মূল উৎস। কাজী আবদুল মান্নান অনুমান করেছেন, ‘গ্রন্থটির প্রতি ধর্মপ্রাণ মুসলমান সমাজের শ্রদ্ধা এবং আকর্ষণ সৃষ্টির জন্যই মশাররফ কাহিনী - উৎসের প্রশ্নে আরবি - ফারসি গ্রন্থেও প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন।মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ - সিন্ধুর মূল বিষয়বস্ত্ত হচ্ছে - হযরত মুহাম্মদ (সা.) - এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর জন্য দায়ী ঘটনাসমূহ। অবশ্য ইমাম হোসেনের মৃত্যুর ফলে যে সকল ঘটনা ঘটেছিল তারও বর্ণনা রয়েছে এ গ্রন্থে। বিষাদ - সিন্ধু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলির সন্ধান ইতিহাসে পাওয়া যায়, কিন্তু কোনো কোনো অপ্রধান চরিত্রের উল্লেখ বা সন্ধান ঐতিহাসিক কোনো গ্রন্থে পাওয়া যায় না। কিন্তু গবেষকের সিদ্ধান্ত - ‘যেহেতু ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করেই এই গ্রন্থ রচিত হয়েছে, সুতরাং এটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা যায়।’ এতে একই সঙ্গে উপন্যাসের চরিত্রচিত্রণ, মানবজীবনের দুঃখ - যন্ত্রণা, হিংসা - বিদ্বেষ ইত্যাদি যেমন চিত্রিত হয়েছে তেমনি ইতিহাসের পটভূমিকায় সিংহাসন নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংগ্রাম, রক্তপাত, হত্যাকান্ড ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে। সারকথা বিষাদ - সিন্ধুতে বর্ণিত ইতিহাসের চরিত্র ও ইতিহাসের লক্ষণকে প্রত্যক্ষ করে গবেষক একে ঐতিহাসিক উপন্যাসের মর্যাদা দিতে দ্বিধা করেননি। তবে এতে এমন কিছু ঘটনার উল্লেখ আছে যেগুলো ইতিহাসের আলোকে বিচার করা চলে না। এমনকি বাস্তব জীবনেও সেগুলির অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করা চলে, যেমন - কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনা, এগুলির কোনোটির উৎপত্তি ধর্মীয় বিশ্বাসে, আবার কোনটির উৎপত্তি ঐন্দ্রজালিক শক্তিতে ও আস্থায়।বিষাদ - সিন্ধুর সূচনা হচ্ছে - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর এক ভবিষ্যদ্বাণীতে এবং ভবিষ্যদ্বাণী সত্যে পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রন্থের উপসংহার হবে। এই ভবিষ্যদ্বাণী ছাড়াও এতে কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। যেমন - এজিদের চোখের সামনে থেকে হোসেনের খন্ডিত শির অদৃশ্য হওয়া, কারবালা প্রান্তরের বৃক্ষ থেকে রক্তক্ষরিত হওয়া, হোসেনের মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় হোসেনের পিতামাতার মর্তে আগমন এবং দু্ই পাহাড়ের মধ্যবর্তীস্থানে হানিফার বন্দি হওয়া ইত্যাদি। কোনো উপন্যাসে কেবল বাস্তব জীবনের ঘটনা চিহ্নিত হলে তাকে সাধারণত উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয় না। কিন্তু বিষাদ - সিন্ধুতে বাস্তব ঘটনা এবং অতিপ্রাকৃত বিষয়ের অবতারণা করা হলেও তা পাঠকদের অবিশ্বাস উদ্রেক করে না। বিষাদ - সিন্ধুর ঘটনাস্থান ও ঘটনাকাল সপ্তম শতাব্দীর আরবদেশ। এ উপন্যাস বিচারকালে কোনো কোনো গবেষক সেই বিশেষ যুগের ও মানুষের বিশ্বাসের কথাটি মনে রাখার পক্ষে মত দিয়ে বলেছেন - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরেরা যদি দৈবশক্তিতে বিশ্বাসী হন, আশ্চর্য হবার কিছু নেই। কারণ তাঁরা বিশ্বাস করতেন - বিধাতার স্থিরীকৃত পথ থেকে কেউ বিচ্যুত হতে পারে না। বিষাদ - সিন্ধু পাঠকালে কখনো কখনো মনে হয় যেন ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেন রক্তমাংসের কোনো মানুষ নয়, কেননা তারা সম্পূর্ণরূপে দৈবের ওপর নির্ভরশীল এবং তারা কেউ নিজেদের কৃতকর্মের ফলের জন্য নিজেদের দায়ী বলে মনে করে না। অপরদিকে এজিদ, জায়েদা, মায়মুনা এবং মরওয়ান - এরা পাষন্ড হলেও এদের অনেকটা রক্তমাংসের মানুষ মনে হয়। কারণ এরা মনে করে - তাদের বর্তমান ক্রিয়াকর্মের ফলেই ভবিষ্যৎ ঘটনাবলী প্রভাবান্বিত হবে। এজিদ হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে অনবরত সংগ্রাম করতে থাকে, কিন্তু সর্বক্ষণই এজিদ আপন বাহুবল ও কলাকৌশলের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইমাম হাসান এবং ইমাম হোসেন মৃত্যুকে বরণ করে বিনা প্রতিবাদে, বিনা প্রতিরোধে। কেননা, তাঁরা বিশ্বাস করে - বিধাতার অভিপ্রায়ই তাই, ফলে তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।মীর মশাররফ হোসেন জন্মগ্রহণ করেন ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে এবং তিনি যে পরিবেশে বেড়ে উঠেন সেটি ছিল সে - যুগের পূর্ববর্তী সময়ের রীতি - নীতি ও বিশ্বাসদ্বারা লালিত। অধিকাংশ গবেষক বিষাদ - সিন্ধুকে মহাকাব্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন - ‘এতে রয়েছে মহাকাব্যের বিশাল পটভূমি। এটি ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সংঘর্ষের কাহিনী নয় - এ হচ্ছে প্রভুত্ব নিয়ে দুই নৃপতির মধ্যে সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত ছিল বহু লোকের জীবন, বহু লোকের ভাগ্য।’ এতে প্রায় শ’খানেক পাত্রপাত্রী আছে; এর মধ্যে রয়েছে অনেক কাহিনী শাখা - প্রশাখায় বিস্তৃত। হিংসা বিদ্বেষজর্জরিত মানুষের কামনা, বাসনা, প্রভুত্বের নিষ্ঠুরতা, রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, আর এসব ঘটেছিল একটি নারীকে কেন্দ্র করে। ঠিক এমন ঘটনা গ্রিক সাহিত্যের ইলিয়াড মহাকাব্যে ঘটেছিল।বিষাদ - সিন্ধুর অধিকাংশ ঘটনাই জয়নাবকে কেন্দ্র করে। এজিদ ও ইমাম হাসান - হোসেনের সংঘর্ষের মূল কারণ জয়নাব। জয়নাব সতীসাধ্বী স্ত্রী। প্রথম স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত হয়ে দ্বিতীয়বার পরিণীতা হন ইমাম হাসানের সঙ্গে। ভাগ্যের পরিহাসে ইমাম হাসানের মৃত্যুর পর সে এজিদের কারাগারে বন্দিনী হন। কারাগারে বন্দিনী থাকাকালে তার মনে হতো কারবালার রক্তপাতের জন্য সেই যেন দায়ী। এজিদকে স্বামীত্বে বরণ করে নিলেই তো আর এসব ঘটনা ঘটত না। সাহিত্য সৃষ্টির দিক থেকে মাইকেলের মেঘনাদবধ কাব্যের সীতা - চরিত্রের সঙ্গে জয়নাবের তুলনা করা চলে।বিষাদ - সিন্ধু পাঠ্যপুস্তক হিসেবেই প্রথমে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং গ্রামে গ্রামে পঠিত হতে থাকে। পরবর্তীতে বিষাদ - সিন্ধুর এই জনপ্রিয়তার সূত্র ধরে বাংলাদেশের জারিগানের আসরে প্রথমত প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে আত্তীকৃত হয়, পরবর্তীতে জারিগানের গীত - নৃত্যমূলক পরিবেশনায় বিষাদ - সিন্ধুর পদ্যগীতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশিত হতে থাকে। আধুনিক বাংলা ভাষার গদ্যরীতিতে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধুর পুরো পাঠটিই বাংলাদেশের নেত্রকোণা অঞ্চলে প্রচলিত জারিগানের আদলে আত্তীকৃত হয়েছে।বিষাদ - সিন্ধু ও জারিগানের তুলনামূলক পাঠের ভেতর দিয়ে পাঠক - গবেষক স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন, আধুনিক বাংলা ভাষার লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু কীভাবে গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত ‘বয়াতি’, ‘জারিয়াল’ বা ‘খেলোয়াড়’ কর্তৃক জারিগানের আসরে আত্তীকৃত হয়ে কতটা প্রাণবন্তভাবেই না গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে থাকে। উপস্থাপিত পাঠের ভেতর দিয়ে মূলত নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিপালার আত্তীকৃত পাঠকে প্রত্যক্ষ করা যাবে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু আত্তীকৃত হবার ইতিহাস হতে জানা যায় সাধারণত দুইভাবে আত্তীকৃত হয়ে বিষাদ - সিন্ধুর আখ্যান গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে আসছে। ক্ষেত্রসমীক্ষণে জারিগানের বয়াতিদের ভাষ্যমতে, জারিগানের আসরে বিষাদ - সিন্ধু প্রথমবারের মতো আত্তীকৃত হয়েছিল মূলত প্রতিযোগিতামূলক আসরে প্রশ্নোত্তরের একটি আকর্ষণীয় তথ্যনির্ভর উপাদান হিসেবে, দ্বিতীয়ত প্রতিযোগিতামূলক জারিগানের আসর হতেই পর্যায়ক্রমে বিষাদ - সিন্ধু গীত - নৃত্য আশ্রিত জারিপালায় প্রবেশ করে বয়াতিদের মুখে মুখে সৃজিত ছন্দের গাঁথুনিতে রূপান্তরিত হয়ে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিষাদ - সিন্ধুর গদ্যরীতি জারিগানের সৃজনশীল বয়াতিদের দ্বারা ছন্দবদ্ধ গীতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূলত ‘ক্ষুদ্র পয়ার’ বা ‘দীর্ঘ পয়ার’ ছন্দগীত প্রযুক্ত হলেও তাতে বৈচিত্র্য প্রদান করে পালার পয়ারের পূর্বে এবং মধ্যে মধ্যে গীত দোহারদের দিশা - দোহার বা ধূয়া এবং ডাক। দিশা - দোহার বা ধূয়াতে বিচিত্র ছন্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। মূলত দোহার - দিশাতেই বিচিত্র ছন্দ প্রয়োগ করা হয়, পালার পয়ারের প্রচলিত কাঠামোর ওপরে সাধারণত ত্রিপদী, চৌপদী ইত্যাদি ছন্দের আবরণ দিয়েই জারিগানে বৈচিত্র্য সৃজন করা হয়। জারিগানের আসরের নৃত্য - গীতের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃজন করে দোহার - খোলোয়াড়দের মুখে উচ্চারিত আরেকটি উপাদান তা হলো ‘ডাক’।বিষাদ - সিন্ধু কেন্দ্রিক নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য এ উপন্যাসে নির্ধারিত প্রবাহ হতে কখনো মূলপাঠ আবার কখনো মূলপাঠের কথার কাট - ছাট উপস্থাপন করে তার আগে ও পরে ছন্দগীত আকারে জারিপালা পরিবেশন করে থাকেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কারবালাবিষয়ক কাব্য রচনায় কবি হায়াত মামুদ, ফকির গরীবুল্লাহ এবং সৈয়দ হামজা সর্বাপেক্ষা কৃতিত্বের পরিচয় দেন। মীর মশাররফ হোসেনের কাহিনীতে কবি হায়াত মামুদ ও ফকির গরীবুল্লাহ’র কাহিনীর সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। পূর্বসূরী ফকির গরীবুল্লাহ’র রচনা থেকে উপকরণ নিলেও বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থের কাহিনী - নির্বাচন, নির্মাণ ও চরিত্র সৃষ্টি মীর মশাররফের একান্ত নিজস্ব। [সাইমন জাকারিয়া]সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া
কোন সাহিত্যিক ' ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
কোন সাহিত্যিক ' ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম ছদ্মনামছদ্মনাম কোনো ব্যক্তি বা ক্ষেত্রবিশেষে কোনো গোষ্ঠীর স্বগৃহীত ও স্বব্যবহৃত কাল্পনিক নাম।ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখা। শুধুমাত্র লেখকেরাই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন না, গ্র্যাফিটি শিল্পী, প্রতিবাদী আন্দোলনকারী অথবা সন্ত্রাসবাদী এমনকি কম্পিউটার হ্যাকারেরাও ব্যবহার করেন এই জাতীয় নকল নাম। অভিনেতা, গায়ক বা অন্যান্য শিল্পীরা অনেক সময় নিজেদের জাতিগত পরিচয় গোপন রাখার জন্য মঞ্চনাম ব্যবহার করেন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছদ্মনাম গ্রহণের কারণ হয় সাংস্কৃতিক বা সাংগাঠনিক ঐতিহ্য। কোনো কোনো ধর্মীয় সংঘের সদস্যদের ধর্মীয় নাম এবং কমিউনিস্ট পার্টি নেতৃবৃন্দের ব্যবহৃত "ক্যাডার নাম" এর উদাহরণ। যথা: ট্রটস্কি ও স্তালিন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার একাধিক ব্যক্তি একক ছদ্মনামের আড়ালেও লিখে থাকেন। কোনো রচনার সহকারী লেখকবৃন্দের ক্ষেত্রে এই জাতীয় ছদ্মনাম গ্রহণের প্রবণতা দেখা যায়। যেমন: এলারি কুইন বা নিকোলাস বরবাকি।বাংলা সাহিত্যিকদের ছদ্মনামবাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। বাংলা ভাষা তথা বিশ্বের সকল সাহিত্যে সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজেদের নাম আত্মগোপন করে অন্যকোন নামে সাহিত্য রচনা করতেন। বাংলা ভাষাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অনেক কবি, সাহিত্যিক,উপন্যাসিক, নাট্যকার তাদের আসল নাম গোপন করে ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন। নিম্নে তার একটি তালিকা দেওয়া হল। সময়কাল জন্মস্থান প্রকৃত নাম ছদ্মনাম বিশেষত্ব ১৯০৩ - ১৯৭৬ নোয়াখালী, বাংলাদেশ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত নীহারিকা দেবী কবি, ঔপন্যাসিক ১৮৮২ - ১৯৫৮ অনুরূপা দেবী অনুপমা দেবী ঔপন্যাসিক ১৯০৪ - ২০০২ উড়িষ্যা, ভারত অন্নদাশংকর রায় লীলাময় রায় কবি, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার অহিদুর রেজা হাসন রাজা ১৯২৭ - ১৯৭১ ফেনী, বাংলাদেশ আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ শহীদুল্লা কায়সার ঔপন্যাসিক আবুল ফজল শমসের উল আজাদ আবুল হোসেন মিয়া আবুল হাসান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো এম. ওবায়দুল্লাহ অাসকার ইবনে শাইখ ১৮৫৭ - ১৯৫১ ঢাকা, বাংলাদেশ কাজেম আল কোরেশী কায়কোবাদ কবি কাজী নজরুল ইসলাম নুরু; নুরুল ইসলাম কালিকানন্দ অবধূত কালীপ্রসন্ন সিংহ হুতোম পেঁচা কামিনী রায় জনৈক বঙ্গমহিলা চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ জমীরউদ্দীন মোল্লা ১৮৯৮ - ১৯৭১ বীরভূম, ভারত তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় হাবু শর্মা ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার দৃষ্টিহীন; মধুসূদন মজুমদার ১৯১৮ - ১৯৭০ বালিয়াডাঙ্গী, বাংলাদেশ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সুনন্দ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ১৯১১ - ১৯৮৬ নড়াইল, বাংলাদেশ নীহাররঞ্জন গুপ্ত দাদাভাই; বাণভট্ট ঔপন্যাসিক প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৬৮ - ১৯৪৬ পাবনা, বাংলাদেশ প্রমথ চৌধুরী বীরবল কবি, প্রাবন্ধিক প্রেমেন্দ্র মিত্র কৃত্তিবাস ভদ্র; লেখরাজ সামন্ত প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কমলাকান্ত বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় যাযাবর বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় ক্বচিৎ প্রৌঢ় বিমল ঘোষ মৌমাছি বিমল মিত্র জাবালি বিহারীলাল চক্রবর্তী ভোরের পাখি মইনুদ্দিন অাহমেদ সেলিম অাল দীন মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় শংকর মণীশ ঘটক যুবনাশ্ব মনিরুজ্জামান হায়াৎ মামুদ মহাশ্বেতা দেবী সুমিত্রা দেবী মাইকেল মধুসূদন দত্ত এ নেটিভ মীর মশাররফ হোসেন গৌড়তটবাসী মশা; উদাসীন পথিক; গাজী মিয়াঁ মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ জহির রায়হান মোহিতলাল মজুমদার কৃত্তিবাস ওঝা; সত্যসুন্দর দাস মোঃ শহীদুল হক শহীদুল জহির ১৮৬১ - ১৯৪১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ভারত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ঠাকুর রাজশেখর বসু পরশুরাম রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনিলা দেবী শম্ভু মিত্র প্রসাদ দত্ত; শ্রী সঞ্জীব; সুরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় শেখ অাজিজুর রহমান শওকত ওসমান সতীনাথ ভাদুড়ী চিত্রগুপ্ত ১৯২৪ - ১৯৮৮ বিক্রমপুর, বাংলাদেশ সমরেশ বসু কালকূট; ভ্রমর ১৯৩৪ - ২০১২ মাদারীপুর, বাংলাদেশ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীল উপাধ্যায়; নীল লোহিত; সনাতন পাঠক সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুবচনী সোমেন চন্দ ইন্দ্রকুমার সোম ১৯০৪ - ১৯৭৪ করিমগঞ্জ, আসাম সৈয়দ মুজতবা আলী প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর ১৮৩৩ - ১৮৯৬ কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ হরিনাথ মজুমদার কাঙাল হরিনাথ সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয় ?
Correct Answer:
ক: ঘুম নেই
Explanation:
কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয় ? সঠিক উত্তর ঘুম নেই ঘুম নেই কাব্যগ্রন্থের লেখক সুকান্ত ভট্টাচার্যসুকান্ত ভট্টাচার্যের "ঘুমনেই" কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয় - শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা - এ তার "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক। ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন। রবীন্দ্রনাথের গান তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তার রচিত আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন - অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ জন্ম ৭ মে ১৮৬১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০) জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) সমাধিস্থল কলকাতা ছদ্মনাম ভানুসিংহ ঠাকুর (ভণিতা) পেশা কবি ঔপন্যাসিক নাট্যকার প্রাবন্ধিক দার্শনিক সঙ্গীতজ্ঞ চিত্রশিল্পী গল্পকার ভাষা বাংলা, ইংরেজি নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয় সময়কাল বঙ্গীয় নবজাগরণ সাহিত্য আন্দোলন প্রাসঙ্গিক আধুনিকতা উল্লেখযোগ্য রচনাবলি গীতাঞ্জলি (১৯১০), রবীন্দ্র রচনাবলী "গোরা" "আমার সোনার বাংলা" "ঘরে বাইরে" উল্লেখযোগ্য পুরস্কার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯১৩) দাম্পত্যসঙ্গী মৃণালিনী দেবী (বি. ১৮৭৩–১৯০২) আত্মীয় ঠাকুর পরিবার স্বাক্ষর সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
চুনিয়া আমামার আর্কেডিয়া গ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: রফিক আজাদ
Explanation:
চুনিয়া আমামার আর্কেডিয়া গ্রন্থের রচয়িতা- সঠিক উত্তর রফিক আজাদ চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া - রফিক আজাদ - - - সংকলিত (রফিক আজাদ) স্পর্শকাতরতাময় এই নামউচ্চারণমাত্র যেন ভেঙে যাবে,অন্তর্হিত হবে তার প্রকৃত মহিমা, - চুনিয়া একটি গ্রাম, ছোট্ট কিন্তু ভেতরে - ভেতরেখুব শক্তিশালীমারণাস্ত্রময় সভ্যতার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। মধ্যরাতে চুনিয়া নীরব।চুনিয়া তো ভালোবাসে শান্তস্নিগ্ধ পূর্ণিমার চাঁদ,চুনিয়া প্রকৃত বৌদ্ধ - স্বভাবের নিরিবিলি সবুজ প্রকৃতি;চুনিয়া যোজনব্যাপী মনোরম আদিবাসী ভূমি।চুনিয়া কখনো কোনো হিংস্রতা দ্যাখেনি।চুনিয়া গুলির শব্দে আঁতকে উঠে কি?প্রতিটি গাছের পাতা মনুষ্যপশুর হিংস্রতা দেখে না - না ক’রে ওঠে? - চুনিয়া মানুষ ভালোবাসে। বৃক্ষদের সাহচার্যে চুনিয়াবাসীরা প্রকৃত প্রস্তাবে খুব সুখে আছে।চুনিয়া এখনো আছে এই সভ্যসমাজেরকারু - কারু মনে,কেউ - কেউ এখনো তো পোষেবুকের নিভৃতে এক নিবিড় চুনিয়া। চুনিয়া শুশ্রুষা জানে,চুনিয়া ব্যান্ডেজ জানে, চুনিয়া সান্ত্বনা শুধু - চুনিয়া কখনো জানি কারুকেই আঘাত করে না;চুনিয়া সবুজ খুব, শান্তিপ্রিয় - শান্তি ভালোবাসে,কাঠুরের প্রতি তাই স্পষ্টতই তীব্র ঘৃণা হানে।চুনিয়া গুলির শব্দ পছন্দ করে না। রক্তপাত, সিংহাসন প্রভৃতি বিষয়েচুনিয়া ভীষণ অজ্ঞ;চুনিয়া তো সর্বদাই মানুষের আবিষ্কৃতমারণাস্ত্রগুলোভূমধ্যসাগরে ফেলে দিতে বলে।চুনিয়া তো চায় মানুষের তিনভাগ জলেরক্তমাখা হাত ধুয়ে তার দীক্ষা নিক্।চুনিয়া সর্বদা বলে পৃথিবীর কুরুক্ষেত্রগুলিসুগন্ধি ফুলের চাষে ভ’রে তোলা হোক। চুনিয়ারও অভিমান আছে,শিশু ও নারীর প্রতি চুনিয়ার পক্ষপাত আছে;শিশুহত্যা, নারীহত্যা দেখে - দেখে সেওমানবিক সভ্যতার প্রতি খুব বিরূপ হয়েছে। চুনিয়া নৈরাশ্যবাদী নয়, চুনিয়া তো মনেপ্রাণেনিশিদিন আশার পিদ্দিম জ্বেলে রাখে।চুনিয়া বিশ্বাস করে:শেষাবধি মানুষেরা হিংসা - দ্বেষ ভুলেপরস্পর সৎপ্রতিবেশী হবে।
'কালো বরফ' রচনা করেন
Correct Answer:
গ: মাহমুদুল হক
Explanation:
'কালো বরফ' রচনা করেন সঠিক উত্তর মাহমুদুল হক 'কালো বরফ' রচনা করেন মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকমাহমুদুল হক (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৪০ - জুলাই ২১, ২০০৮) একজন বাংলাদেশি লেখক। তাকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে। তার লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ।প্রাথমিক জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হক ১৯৪০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সিরাজুল ইসলাম, মায়ের নাম মাহমুদা বেগম। ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় পর পিতা সরকারের উচ্চপদে চাকরিসূত্রে পূর্ব পাকিস্তানে যোগদান করেন এবং বেশ পরে তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ১৯৫১ সালে আজিমপুরে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।শিক্ষা ও পেশাগত জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের পড়ালেখার হাতেখড়ি হয়েছিল বারাসাতের কালীকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৯৫২ সালে ঢাকার লালবাগের ওয়েস্ট এন্ড স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। রাতকানা রোগের কারণে মাঝখানে কিছুদিন তিনি পড়ালেখায় বিরতি দেন। পরে তিনি ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হলেও পড়ালেখার চেয়ে আড্ডাবাজিতে মগ্ন হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার ইতি ঘটান। দৈনিক সংবাদ পত্রিকার অনুবাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তিন মাসের মাথায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি প্রথমে মনোহারি, পরে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে যুক্ত হন। পরে অবশ্য মীজানুর রহমান এবং প্রতাপউদ্দিনের সাথে মিলি ‘গাঙচিল প্রেস’ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৬৭ সালে; কিন্তু এ ব্যবসাও তার টেকে নি।সাহিত্যজীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের শিক্ষক ছিলেন কথাশিল্পী শহীদ সাবের। তার প্রত্যক্ষ প্রেরণায় তিনি সাহিত্যের সাথে যুক্ত হন এবং প্রথমে ‘অগ্রগামী’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির মাত্র ৩টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল। মাহমুদুল হক যখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তখন ‘রেড হর্নেট’ (১৯৫৪) ডিটেকটিভ উপন্যাস রচনা করেন। এ সময় তিনি ‘অরণ্য বাসর’ ও ‘আমি সম্রাট’ নামি দুটি রোমাঞ্চধর্মী উপন্যাসও লিখেছিলেন। তবে তিনি ১৯৮৪ সালের পর আর লেখালেখি করেন নি।সাহিত্যকর্ম - মাহমুদুল হকউপন্যাস অনুর পাঠশালা (১৯৬৭) নিরাপদ তন্দ্রা (১৯৬৮) জীবন আমার বোন (১৯৭২) কালো বরফ (১৯৭৭) অশরীরী (১৯৭৯) পাতালপুরী (১৯৮১) খেলাঘর (১৯৮৮) মাটির জাহাজ (১৯৭৭)শিশুতোষ উপন্যাস চিক্কোর কাবুক (১৯৭৯)গল্পগ্রন্থ প্রতিদিন একটি রুমাল (১৯৯৪) মাহমুদুল হকের নির্বাচিত গল্প (১৯৯৯) মানুষ মানুষ খেলা (২০০৯) অগ্রন্থিত গল্প [সংগ্রহ ও সম্পাদনা, আবু হেনা মোস্তফা এনাম] (২০১০)অন্যান্য মাহমুদুল হক শিশুদের কাগজ আলাপনী, শাহীন সেতারা প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। তার কিছু সাড়া জাগানো উপন্যাসের মধ্যে খেলাঘর - চলচ্চিত্ররূপ ২০০৬। মাহমুদুল হক জন্ম ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪০ বারাসাত মৃত্যু ২১ জুলাই ২০০৮ (বয়স ৬৭) ঢাকা জাতীয়তা বাংলাদেশি যেখানের শিক্ষার্থী জগন্নাথ কলেজ পেশা সাহিত্যিক পরিচিতির কারণ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার উল্লেখযোগ্য কর্ম কালো বরফ, জীবন আমার বোন, মাটির জাহাজ, প্রতিদিন একটি রুমাল পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৯৭) সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'হাত- হদাই' একটি-
Correct Answer:
ঘ: নাটক
Explanation:
'হাত- হদাই' একটি- সঠিক উত্তর নাটক 'হাত - হদাই' নাটকের নাট্যকার - সেলিম আল দীন সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন (১৮ আগস্ট, ১৯৪৯ - ১৪ জানুয়ারি, ২০০৮ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। সেলিম আল দীন সেলিম আল দীন জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ (বয়স ৭০) সোনাগাজী, ফেনী, বাংলাদেশ মৃত্যু ১৪ জানুয়ারি ২০০৮ (বয়স ৫৮) ঢাকা, বাংলাদেশ পেশা নাট্যকার, লেখক, অধ্যাপক জাতীয়তা বাংলাদেশী (বাংলা) নাগরিকত্ব বাংলাদেশী দম্পতি বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম তথ্য ধারা নাটক উল্লেখযোগ্য কাজ কিত্তনখোলা (১৯৮৬) কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮) চাকা (১৯৯১) হরগজ (১৯৯২) যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩) হাতহদাই (১৯৯৭) প্রাচ্য (২০০০) নিমজ্জন (২০০২) পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (সাহিত্য) (১৯৮৪) একুশে পদক (২০০৭) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩, ১৯৯৪) নান্দিকার পুরস্কার (আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা) ১৯৯৪ শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪) মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)
একাত্তরের ডায়েরী কার লেখা?
Correct Answer:
খ: সুফিয়া কামাল
Explanation:
একাত্তরের ডায়েরী কার লেখা? সঠিক উত্তর সুফিয়া কামাল একাত্তরের ডায়েরী সুফিয়া কামাল এর লেখা ‘একাত্তরের ডায়েরী’ ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদের মাতামহের বাড়িতে সুফিয়া কামালের জন্ম। মা সাবেরা বানু এবং বাবা সৈয়দ আব্দুল বারি। পারিবারিক পরিমণ্ডলে সাহিত্য - পত্রিকা ও গল্প পড়তে - পড়তেই সাহিত্যচর্চার অনুপ্রাণিত হন।মাত্র ১৪ বছর বয়সে বরিশাল থেকে ‘তরুণ’ পত্রিকায় ‘সৈনিক বধূ’ গল্পটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। লেখালেখির কাজ সুফিয়াকে লুকিয়ে করতে হয়েছে - বিশেষ করে বাংলা ভাষার চর্চা ছিলো না। সীমাবদ্ধ ছিল আরবি, ফারসি, উর্দুতে। মায়ের ঐকান্তিক সহযোগিতায় সুফিয়া বাংলা বলতে, পড়তে ও লিখতে শেখেন। লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতা রচনা করতে - করতেই সওগাতে প্রকাশিত হল তার প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ যা সাথে - সাথেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। প্রথম গ্রন্থ রচয়িতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যসমগ্র প্রকাশের মাঝে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁকে দীর্ঘ চিঠি লিখে কাব্যচর্চায় উৎসাহিত করেন। প্রকৃতপক্ষে ‘সাঁঝের মায়া’ গ্রন্থের ভূমিকাটি তাঁরই লেখা।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতা পড়ে তাঁকে আর্শীবাণী পাঠিয়েছিলেন এই বলে, ‘তোমার কবিত্ব আমাকে বিস্মিত করে। বাংলা সাহিত্যে তোমার স্থান উচ্চে এবং ধ্রুত তোমার প্রতিষ্ঠা আমার আশির্বাদ গ্রহণ করো।’ (সেলিম জাহাঙ্গীর, সুফিয়া কামাল, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র, ঢাকা ১৯৯৩ পৃ - ৬৪) সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন তাঁর সাহিত্য - জীবনে উৎসাহের বিরাট উৎস হিসেবে কাজ করেছেন।দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাএকাত্তরের ডায়েরী প্রথম সংস্করণ খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেলে আবারও তা প্রকাশের জন্য প্রচুর তাগাদা আসে। শেষ পর্যন্ত জাগৃতি প্রকাশনীই স্বেচ্ছায় প্রকাশের দায়িত্ব নিল দ্বিতীয় সংস্করণের। আমার একমাত্র প্রত্যাশা আজকের প্রজন্ম জানুক সেদিনগুলো কেমন সংগ্রামমুখর ছিল। সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদসুফিয়া কামাল৩১.১.৯৫ভূমিকাকবি সুফিয়া কামাল ছিলেন মনন ও সৃজনশীলতায় অগ্রগামী নারী। যে সময়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, নিজের সহজাত জ্ঞান ও মেধা দিয়ে সেই সময়কে অতিক্রম করেছিলেন এগিয়ে থাকা মানুষের শাণিত বোধে। যে বয়সে মানুষের বিবেচনা ও অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হয় সে বয়সে তাঁর সময়কে তিনি উৎসর্গ করেছিলেন মানব কল্যাণের প্রয়োজনে। তাঁর রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থ এই বিবেচনার সবটুকু প্রেরণা থেকে রচিত। ডায়েরির শুরু হয়ে ডিসেম্বর ৩০, ১৯৭০ তারিখে। শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। পুরো এক বছর সময়। তবে প্রতিদিনের প্রতিদিনের দিনলিপি নয়।মাঝে মাঝে কিন্তু কিছু তারিখ বাদ দিয়ে লিখেছেন।১০৭০ সালের ১২ নভেম্বর ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। দুর্যোগে বিপর্যন্ত মানুষের হাতে রিলিফ সামগ্রী তুলে দিতে তিনি গিয়েছিলেন। পটুয়াখালির ধানখালি চর এলাকায়। রিলিফ দিয়ে ঢাকার ফিরলেন ৮ জানুয়ারি।সত্তরের জলোচ্ছ্বোসের পরে ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকিস্তানের সাধারন নির্বাচন। এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করেছিল আওয়ামী লীগ।পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান বাঙালি নেতার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করলেন। শেষ পর্যন্ত ১ মার্চ ১৯৭১ সালে গণপরিষদের অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। ১মার্চ, সোববার রাত দশটায় কবি লিখছেন, ‘বিক্ষুদ্ধ বাংলা।’ ভুট্ট্যো সাহেব পরিষদে যোগ দিবেন না সিন্ধান্তে পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি রইল। ১২টায় এ খবর প্রচারিত হওয়ায়, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেল। এভাবে বিভিন্ন তারিখে তিনি দেশের পরিস্থিতির কথা নানাভাবে বর্ণনা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের দলিল হিসেবে এই ডায়েরির তথ গবেষণার উপাদান হিসেবে কাজ করবে।ডায়েরির একটি বিশেষ দিক এই যে কোনো কোনো তারিখে তিনি শুধু একটি কবিতা লিখেছেন। একজন কবি এভাবেই নিজের প্রকাশ ঘটান। এপ্রিল ১, বৃহস্পতিবার। রাত আটটায় তিনি লেখাটি শেষ করেছেন এভাবে : ‘কারফিউ চলছে। প্লেনের আসা - যাওয়ার বিরাম নেই। কাল থেকে নাকি ব্যাঙ্ক সব খোলা হবে। আট আনায় তিনটি পান কিনলাম। বাংলার ইতিহাস কে রচনা করবে?’ শেষের বাক্যটি অন্য বাক্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন। কিন্তু কোনোবাবেই এটি কোনো আকস্মিক বাক্য নয়।কারণ ২৫ শের রাতে গণহত্যার পরে শুরু হয়ে গেছে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হবে বাঙালির নতুন ইতিহাস। তিনি আহবান করছেন ইতিহাস রচয়িতাকে।এখানেই চিহ্নিত হয় তাঁর আগ্রগামী চিন্তার স্বরূপ। ডিসেম্বর ১৬, বৃহস্পতিবার লিখছেন, ‘আজ ১২ টায় বাংলাদেশ যুদ্ধ বিরতির পর মুক্তিফৌজ ঢাকার পথে পথে এসে আবার সোচ্চার হল ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণে। আল্লাহর কাছে শোকর।’ডিসেম্বর ২৯ তারিখে একটি কবিতা লিখেছেন। কবিতাটি শুরু হয়েছে নিজের মেয়ের কথা দিয়ে লিখেছেন : ‘আমার ‘দুলু’র মুখ দেখি আজ বাংলার ঘরে ঘরে শ্বেত বাস আর শূন্য দু’হাত নয়নে অশ্রু ঝরে’..... শেষ হয়েছে এদুটি লাইন দিয়ে: ‘সুন্দর কর মহামহীয়ান কর এ বাংলাদেশ এই মুছিলাম অশ্রুর ধারা দুঃখের কেউ শেষ।’ কবিতাটি বেশ বড় কষ্ট থেকে আশায় ফিরে এসেছেন তিনি। ডায়েরী শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। শেষ বাক্যটি লিখেছেন, ‘১৯৭১ আজ শেষ হয়ে গেল। জানিনা, আগামী কালের দিন কিভাবে শুরু হবে।’ তিনি বিশাল প্রত্যাশায় তাকান নি আগামী দিনের দিকে। বরং খানিকটুকু দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। স্বাধীনতার ঊনচল্লিশ বছরে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশে অনেক অপূর্ণতা এখনো রয়ে গেছে। একাত্তরের ডায়েরী Title একাত্তরের ডায়েরী Author সুফিয়া কামাল Publisher হাওলাদার প্রকাশনী ISBN 9789848964033 Edition 8th Edition, 2018 Number of Pages 208 Country বাংলাদেশ Language বাংলা
চালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের বর্তমান মূল্য কত?
Correct Answer:
ঘ: ৭২০ টাকা
Explanation:
চালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের বর্তমান মূল্য কত? সঠিক উত্তর ৭২০ টাকা ১২% কমে বর্তমান মূল্য ৮৮ পূর্বমূল্য ১০০ হলে বর্তমান মূল্য = ৮৮ টাকা পূর্বমূল্য ৬০০০ হলে বর্তমান মূল্য = (৮৮×৬০০০)/১০০ টাকা = ৫২৮০ টাকা ∴১ কুইন্টাল চালের মূল্য = (৬০০০ - ৫২৮০) = ৭২০ টাকা
কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৭, ৪০ ও ৬৫ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ অবশিষ্ট থাকে।
Correct Answer:
গ: ১২
Explanation:
কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৭, ৪০ ও ৬৫ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ অবশিষ্ট থাকে। সঠিক উত্তর ১২ অবশিষ্ট থাকবে ২৭ - ৩ = ২৪ ৪০ - ৪ = ৩৬ ৬৫ – ৫ = ৬০ অর্থাৎ ২৪, ৩৬, ও ৬০ এর গ.সা.গু হবে নির্ণেয় বৃহত্তম সংখ্যা। ২৪ = ২×২×২×৩ ৩৬ = ২×২×৩×৩ ৬০ = ২×২×৩×৫ ∴ নির্ণেয় গ.সা.গু ২×২×৩ = ১২ ∴নির্ণয় বৃহত্তম সংখ্যা ১২
একজন ব্যাটসম্যান প্রথম তিনটি T-20 খেলায় ৮২, ৮৫ ও ৯২ রান করেন। চতুর্থ খেলায় কত রান করলে তার গড় রান ৮৭ হবে?
Correct Answer:
ঘ: ৮৯
Explanation:
একজন ব্যাটসম্যান প্রথম তিনটি T-20 খেলায় ৮২, ৮৫ ও ৯২ রান করেন। চতুর্থ খেলায় কত রান করলে তার গড় রান ৮৭ হবে? সঠিক উত্তর ৮৯ মনে করি, চতুর্থ খেলায় 'ক' রান করতে হবে। প্রশ্নমতে, (৮২ + ৮৫ + ৯২ + ক)/৪ = ৮৭ বা, ২৫৯ + ক = ৩৪৮ বা, ক = ৮৯ উত্তরঃ ৮৯ রান
মূল বিন্দু হতে (-5, 5) এবং (5, k) বিন্দুদ্বয়ের দুরত্ব সমান হতে k এর মান কত?
Correct Answer:
গ: 5
Explanation:
মূল বিন্দু হতে (-5, 5) এবং (5, k) বিন্দুদ্বয়ের দুরত্ব সমান হতে k এর মান কত? সঠিক উত্তর 5 আমরা জানি দুটি বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব = √{(x2 - x1)² + (y2 - y1)²} এখন প্রশ্নমতে, √{( - 5 - 0)² + (5 - 0)²} = √{(5 - 0)² + (k - 0)²} ⇒50 = 25 + k² ⇒ k = 5
দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু ৯৬ হলে গ.সা.গু কত?
Correct Answer:
ক: ১৬
Explanation:
দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু ৯৬ হলে গ.সা.গু কত? সঠিক উত্তর ১৬ আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুটির ল.সা.গু × গ.সা.গু বা, ১৫৩৬ = ৯৬ × গ.সা.গু গ.সা.গু = ১৫৩৬/৯৬ গ.সা.গু = ১৬
একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল 2025 বর্গমিটার। এর চারিদিকে বেড়া দেওয়া আছে। বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য কত?
Correct Answer:
গ: ১৮০ মিটার
Explanation:
একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল 2025 বর্গমিটার। এর চারিদিকে বেড়া দেওয়া আছে। বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য কত? সঠিক উত্তর ১৮০ মিটার আমরা জানি, বর্গের ক্ষেত্রফল = a² ∴ a² = 2025 = > a = ✓(2025) = > a = 45 মিটার। ∴ পরিসীমার = 4a = 4×45 = 180 ∴ বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য = 180 মিটার।
দুটি ধনাত্মক সংখ্যার বর্গের অন্তর 8 গুণফল 3, সংখ্যা দুটির বর্গের সমষ্টি কত?
Correct Answer:
খ: 10
Explanation:
দুটি ধনাত্মক সংখ্যার বর্গের অন্তর 8 গুণফল 3, সংখ্যা দুটির বর্গের সমষ্টি কত? সঠিক উত্তর 10 ধরি, সংখ্যাটি x ও y ∴ x2 - y2 = 8 এবং xy = 3 আমরা জানি,( x2 + y2)2 = (x2 - y2)2 + 4x2y2 = (8)2 + 4(3)2 = 64 + 36 = 100 ∴ x2 + y2 = 10