Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
' কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
' কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত অন্যতম উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' । এটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত (গ্রন্থাকারে) উপন্যাসটিতে বরিশাল অঞ্চলের মুখের ভাষা ও জীবনবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
' সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা' রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
Correct Answer:
ক: বলাকা
Explanation:
' সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা' রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা? সঠিক উত্তর বলাকা প্রদত্ত পংক্তিটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১ - ১৯৪১ খ্রি) 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থের 'বলাকা' নামক কবিতার প্রথম পঙক্তি। বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা আঁধারে মলিন হল–যেন খাপে - ঢাকা বাঁকা তলোয়ার; দিনের ভাঁটার শেষে রাত্রির জোয়ার এল তার ভেসে - আসা তারাফুল নিয়ে কালো জলে; অন্ধকার গিরিতটতলে দেওদার তরু সারে সারে; মনে হল সৃষ্টি যেন স্বপ্নে চায় কথা কহিবারে, বলিতে না পারে স্পষ্ট করি, অব্যক্ত ধ্বনির পুঞ্জ অন্ধকারে উঠিছেগুমরি।
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: পথের দাবী
Explanation:
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল? সঠিক উত্তর পথের দাবী বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় । তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪) ,বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬) ,দেবদাস (১৯১৭) চরিত্রহীন (১৯১৭) , শ্রীকান্ত (১ম পর্ব - ১৯৩৩) ,দত্তা (১৯১৮) , গৃহদাহ (১৯২০) ,দেনাপাওনা (১৯২৩) ,শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ,বিপ্রদাস (১৯৩৫) নিস্কৃতি ইত্যাদি।
সওগাত পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
ক: মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন
Explanation:
সওগাত পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন কোলকাতা থেকে সচিত্র মাসিক সাহিত্যপত্র 'সওগাত' ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ খ্রি.) অগ্রহায়ণ প্রকাশ ও সম্পাদনা ছিল মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (১৮৮৮ - ১৯৯৪ খ্রি). এর জীবনের প্রধান কীর্তি। এতে নবীন - প্রবীণ মুসলমান সাহিত্যিকণ্ডলীর মুক্তবুদ্ধি ও স্বাধীন চিন্তা - সমৃদ্ধ রচনা প্রকাশ করে পশ্চাৎপদ মুসলমান সমাজকে প্রগতির পথে নিয়ে যান।
বাংলা ছন্দ কত রকমের?
Correct Answer:
গ: তিন রকমের
Explanation:
বাংলা ছন্দ কত রকমের? সঠিক উত্তর তিন রকমের বাক্য পরম্পরায় ভাষাগত ধ্বনি প্রবাহের সুসামঞ্জস্য, সঙ্গীত - মধুর ও তরঙ্গ - ঝঙ্কৃত ভঙ্গি রচনা করা হয় যে পরিমিত পদবিন্যাস রীতিতে তাকেই বলে ছন্দ। বাংলাছন্দকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় - মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (Moric Metre) , স্বরবৃত্ত ছন্দ ( Stressed Maetre) এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ ( Mixed or composite Meter)।
কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: আনন্দময়ীর আগমনে
Explanation:
কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল? সঠিক উত্তর আনন্দময়ীর আগমনে 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা রচনার জন্য তিনি এক বছরের জন্য কারারুদ্ধ হন। এছাড়া 'প্রলয় শিখা'র জন্য ও তিনি ছয় মাস কারারুদ্ধ হন।
' পথের দাবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
' পথের দাবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের 'পথের দাবি' ১৯২৬ সালে প্রকাশিত রাজনৈতিক পটভূমিতে লিখিত উপন্যাস, যা তৎকালীন সময়ে রাজরোষে বাজেয়াপ্ত ও হয়েছিল। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো 'পরিণীতা' (১৯১৪), 'বিরাজ বৌ' (১৯১৪) , 'বৈকুণ্ঠের উইল' (১৯১৬) , 'দেবদাস' (১৯১৭), 'চরিত্রহীন' (১৯১৭) , 'শ্রীকান্ত' (১ম পর্ব - ১৯১৭), ২য় পর্ব ১৯১৮ , ৩য় পর্ব ১৯২৭), ৪র্থ পর্ব ১৯৩৩) ,'শেষ প্রশ্ন' (১৯৩১) 'বিপ্রদাস' (১৯৩৫) ।
কোনটি ঠিক?
Correct Answer:
গ: বহিপীর(নাটক)
Explanation:
কোনটি ঠিক? সঠিক উত্তর বহিপীর(নাটক) 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৩) হলো জসীমউদ্দীন রচিত কাহিনী কাব্য। 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) ও 'বহিপীর' (১৯৬০) যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস ও নাটক । আর 'মহাশ্মশান ' (১৯০৪) হলো কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য -
নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?
Correct Answer:
ঘ: আষাঢ়
Explanation:
নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান? সঠিক উত্তর আষাঢ় ব্যাকরণের যে নিয়মানুযায়ী দন্ত্য - স মূর্ধন্য - ষ তে রুপান্তরিত হয়, সে নিয়মসমূহকে ষত্ব বিধান বলে। যেমন - সু + সম = সুষম ,এখানে 'সম' শব্দটি দন্ত্য - স মূর্ধন্য - ষ তে পরিবর্তিত হয়েছে। আবার সংস্কৃত ভাষায় আদিকাল থেকে কিছু শব্দে মূর্ধন্য - ষ চলে আসছে, এসব শব্দের বানানে নিত্য মূর্ধন্য - ষ বর্তমান ।
কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?
Correct Answer:
খ: ভবিষ্যতের বাঙালি
Explanation:
কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী? সঠিক উত্তর ভবিষ্যতের বাঙালি বিশিষ্ট সাহিত্যিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০ - ১৯৫১ খ্রি) রচিত 'ভবিষ্যতের বাঙালী' (১৯৪৩) একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ (প্রবন্ধ), গুলদাস্তা (১৯২৭) ,প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) ইত্যাদি।
' সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?
Correct Answer:
ক: ফররুখ আহমদ
Explanation:
' সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে? সঠিক উত্তর ফররুখ আহমদ চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ খ্রি.) তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'সিরাজাম মুনীরা' (১৯৫২) , 'নৌফেল ও হাতেম' (কাব্যনাট্য, ১৯৬১ ), 'মুহূর্তের কবিতা' (সনেট সংকলন' ১৯৬৩), 'হাতেমতায়ী' (কাহিনী কাব্য, ১৯৬৬) ইত্যাদি।
' অমিত্রাক্ষর' ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো ----
Correct Answer:
খ: অন্ত্যমিল নেই
Explanation:
' অমিত্রাক্ষর' ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো ---- সঠিক উত্তর অন্ত্যমিল নেই 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' হলো অন্ত্যমিলনহীন এবং যতির বাধাধরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী ছন্দবিশেষ। এর ইংরেজি পরিভাষা Blank verse । অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা নেই এবং ১৪ মাত্রার চরণ থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।
অপলাপ শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
ক: অস্বীকার
Explanation:
অপলাপ শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর অস্বীকার 'অপলাপ' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত, যার শাব্দিক অর্থ সত্য অস্বীকার , গোপন বা মিথ্যা উক্তি।
' ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে,' বলেছেন----
Correct Answer:
ঘ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
' ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে,' বলেছেন---- সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী (১৮৬৮ - ১৯৪৬ খ্রি) কর্তৃক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তি হলো 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।'
' অক্ষির সমীপে' --এর সংক্ষেপণ হলো -----
Correct Answer:
ক: সমক্ষ
Explanation:
' অক্ষির সমীপে' --এর সংক্ষেপণ হলো ----- সঠিক উত্তর সমক্ষ 'অক্ষির সমীপে' - এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ। অন্যদিকে, 'অক্ষির সম্মুখে' হলো প্রত্যক্ষ, 'অক্ষির আগোচরে' হলো পরোক্ষ এবং 'পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন' হলো নিরপেক্ষ।
উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য ----
Correct Answer:
গ: উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
Explanation:
উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য ---- সঠিক উত্তর উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) - ই যথার্থ উত্তর।
' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?
Correct Answer:
গ: সর্বনাম
Explanation:
' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ? সঠিক উত্তর সর্বনাম বিশেষণ হলো যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন - ভালো , ছোট, বড়, পাঁচটি ইত্যাদি। অব্যয় হলো যে পদের কোনো পরিবর্তন নেই। যেমন - এবং, কিংবা ,কিন্তু অথবা ইত্যাদি। সর্বনাম হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে। যেমন - আমি , তুমি, সে, তাকে আমার ইত্যাদি। ক্রিয়া হলো যে পদ দ্বারা কার্য সম্পন্ন হয় । যেমন - করা, খাওয়া, যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'তুমি' ও 'কী' উভয়ই সর্বনাম।
' আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।' ----এই বাক্যে ' আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: অধিকরণ কারকে সপ্তমী
Explanation:
' আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।' ----এই বাক্যে ' আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ? সঠিক উত্তর অধিকরণ কারকে সপ্তমী যে স্থানে বা যে কালে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - নদীতে পানি আছে। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'আকাশে' শব্দটি অধিকরণ কারক এবং এখানে 'এ' বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
' বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' --এর সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ঘ: আহমদ শরীফ
Explanation:
' বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' --এর সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর আহমদ শরীফ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আহমদ শরীফ (১৯২১ - ১৯৯৯) 'বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' সম্পাদনা করেন, যা ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী ,গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫ - ১৯৬৯ খ্রি.) সম্পাদনা করেন 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' (দুই খণ্ড) ।
পদাবলী লিখেছেন----
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
পদাবলী লিখেছেন---- সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাধা - কৃষ্ণের জীবন অবলম্বন করে যে ধারাটি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে সেটা হলো পদাবলী বা পদাবলী কাব্য। প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই পদাবলী' যা তিনি ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন। বৈষ্ণব পদাবলীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এটি রচনা করেন। পদাবলীর প্রধান কবিদের মধ্যে রয়েছেন - বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস , জ্ঞানদাস , গোবিন্দদাস প্রমুখ।
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' --এই বাক্যের 'কী' --এর অর্থ-------
Correct Answer:
গ: বিরক্তি
Explanation:
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' --এই বাক্যের 'কী' --এর অর্থ------- সঠিক উত্তর বিরক্তি এরুপ ক্ষেত্রে বাক্যের ভাব বুঝেই 'কী' এর অর্থ নিরুপণ করতে হবে। সে হিসেবে এর অর্থ 'ভয়' 'রাগ বা 'বিপদ' নয়, অবশ্যই 'বিরক্ত'।
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ------
Correct Answer:
খ: তোষামুদে
Explanation:
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ------ সঠিক উত্তর তোষামুদে বাগধারা : কোন শব্দ বা শব্দ - সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ - সমষ্টিকে বাগধারা বা বাক্যরীতি বলা হয় । [বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম - দশম শ্রেণী] আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বাগধারা বা বিশিষ্টার্থক শব্দ বলে । বাগধারা মূলত কথ্য ভাষার সম্পদ হলেও তা এখন আর কেবল কথ্য ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই । সাহিত্যে তার বিচরণ এখন যত্রতত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেমন - জান খারাপহাঁক দেওয়াপকেট শুকিয়ে যাওয়াবাজি মেরে দেওয়া [সৌদামিনী মালো; উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সংকলন] অর্থাৎ, একটি বা কয়েকটি শব্দ বাক্যে একত্রে ব্যবহৃত হয়ে যখন ঐ শব্দ বা শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের বলা হয় বাগধারা বা বাক্যরীতি ।
তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? ---এখানে 'না' --এর ব্যবহার কি অর্থে?
Correct Answer:
খ: হ্যাঁ-বাচক
Explanation:
তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? ---এখানে 'না' --এর ব্যবহার কি অর্থে? সঠিক উত্তর হ্যাঁ-বাচক উপরিউক্ত বাক্যটি দেখতে প্রশ্নবোধক মনে হলেও বাক্যটির অন্তর্নিহিত ভাবটি আগামীকাল আসার কথা (বিবৃতি) বলা হয়েছে। তাই এটি হ্যাঁ - বাচক।
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?
Correct Answer:
ঘ: রক্তকরবী
Explanation:
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক? সঠিক উত্তর রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো 'চিত্রাঙ্গদা' (১২৯৯), 'প্রায়শ্চিত্ত ' (১৯০৯) , 'রাজা' (১৯১০), 'অচলায়তন' (১৯১১), 'ডাকঘর' (১৯১২), 'রক্তকরবী' (১৯২৪), 'তাসের দেশ ' (১৯৩৩), চণ্ডালিকা' (১৯৩৩) ইত্যাদি।
যার দুই হাত সমান চলে (এক কথায় প্রকাশ কর)
Correct Answer:
ক: সব্যসাচী
Explanation:
যার দুই হাত সমান চলে (এক কথায় প্রকাশ কর) সঠিক উত্তর সব্যসাচী সব্যসাচী - (১) [বিশেষণ পদ] উভয় হস্তে সমান কাজ করতে সক্ষস এমন, উভয় হস্ত দ্বারা শরনিক্ষেপে সমর্থ এমন। (২) [বিশেষ্য পদ] অর্জুন।
'ধর্মের ষাঁড়' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
ঘ: অকর্মণ্য
Explanation:
'ধর্মের ষাঁড়' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর অকর্মণ্য ধর্মের ষাঁড় বাগধারাটির অর্থ - ব্যঙ্গার্থে, স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি, বাক্য রচনা - বাপ মরেছে তবু সংসারের কোন চিন্তা নেই ওর, ও যেন এক ধর্মের ষাঁড়।
' কার মাথায় হাত বুলিয়েছ' ----এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ ------
Correct Answer:
গ: ফাঁকি দেওয়া
Explanation:
' কার মাথায় হাত বুলিয়েছ' ----এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ ------ সঠিক উত্তর ফাঁকি দেওয়া একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে 'মাথা' শব্দটি আরো কিছু ব্যবহার হলো - অঙ্গবিশেষ - তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান - ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা - রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও , চিঠি দিতে ভুল করো না। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া - ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।
'সনদ' শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: নিবাস
Explanation:
'সনদ' শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর নিবাস সনদ - বি. (প্রধানত সরকারি); 1 হুকুমনামা, আদেশপত্র, ফরমান; 2 দলিল; 3 উপাধিপত্র।
পদ্মানদীর মাঝি কার রচনা?
Correct Answer:
খ: মানিক বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
পদ্মানদীর মাঝি কার রচনা? সঠিক উত্তর মানিক বন্দোপাধ্যায় পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসটির রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় । এ উপন্যাসে পদ্মানদীর তীরবর্তী জেলে জীবনের সুখ - দুঃখের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি?
Correct Answer:
গ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি? সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদ হলো মূলত: গানের সংকলন, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ গ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
'শেষের কবিতা' পুস্তকটি কোন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম?
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
Explanation:
'শেষের কবিতা' পুস্তকটি কোন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক , কবি, প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জীবনের শেষ পর্যায়ের উপন্যাস শেষের কবিতা। এ উপন্যাসে দেখানো হয়েছে পুরুষ বা নারীর পক্ষে একসাথে দু'জনকে অবিরোধে ভালোবাসা সম্ভব এবং এ ভালোবাসা একপাত্র সম্পর্কিত , অপরপাত্র নিঃসম্পর্কিত।
পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়?
Correct Answer:
খ: পদ্যাকারে রচতি দেবস্তুতিমূলক রচনা
Explanation:
পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়? সঠিক উত্তর পদ্যাকারে রচতি দেবস্তুতিমূলক রচনা পদ বা পদাবলী বলতে সাধারণত শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীচৈতন্যের লীলাকথা নিয়ে গান করার জন্য রচিত কমনীয় কবিতাকে বুঝায়। দ্বাদশ শতকে ব্যবহার করেন। এটি একাধারে সাহিত্য ও সাধানার অবলম্বন। উপনিষদে যে ব্রাহ্মকে রসস্বরুপ বলা হয়েছে এবং প্রিয়রুপে উপাসনা করতে উপদেশ দেয়া হয়েছে, সেই অনন্তরসের আধার শ্রীকৃষ্ণকে আস্বাদন করার ও করানোর জন্য পদাবলী রচিত হয়েছে। উল্লেখ্যযোগ্য পদাবলী বলে মনে করা হয়। পদাবলীর বৃহত্তম ও অধিক প্রচারিত সংকলন বৈষ্ণবদাস ওরফে গোকুলানন্দ সেনের 'পদকল্পগুরু' (৩১০১ টি পদ)।
'শেষের কবিতা' কি জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
Explanation:
'শেষের কবিতা' কি জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জীবনের শেষ পর্যায়ের উপন্যাস শেষের কবিতা। উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিস্ময়কর সৃষ্টি।
'আকাশ পাতাল' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: প্রচুর ব্যবধান
Explanation:
'আকাশ পাতাল' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর প্রচুর ব্যবধান আকাশকুসুম (অসম্ভব কল্পনা) – ওসব আকাশকুসুম ভেবে সময় নষ্ট করে লাভ নেই, বাস্তবে ফিরে এস। আকাশ - পাতাল (দুস্তর ব্যবধান) – হাবিব ও হাসান সহোদর ভাই, কিন্তু দুজনের চরিত্রে আকাশ - পাতাল ব্যবধান। আক্কেল গুড়ুম (স্তম্ভিত) – এইটুকু ছেলের কথা শুনে আমার তো আক্কেল গুড়ুম। আকাশ ভেঙে পড়া (মহাবিপদ) – বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শারমিনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। আক্কেল সেলামী (নির্বুদ্ধিতার শাস্তি) – বিনা টিকেটে যারা রেল ভ্রমণ করে তাদেরকে মাঝে মধ্যে আক্কেল সেলামী দিতে হয়। আকাশে তোলা (মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা) – প্রশংসা করতে করতে তাকে আকাশে তুলেছ তো এখন আর কাউকে সে পাত্তাই দেয় না। আক্কেল দাঁত (বুদ্ধির পরিপক্বতা) – এসব কঠিন কথার মর্ম তুমি বুঝবে না; তোমার তো দেখি আক্কেল দাতই গজায়নি।
'নাতিদীর্ঘ' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: অতি দীর্ঘ নয়
Explanation:
'নাতিদীর্ঘ' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর অতি দীর্ঘ নয় বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে। যে পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে আভিধানিক অর্থের বাইরে আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় বাগধারা। বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ভাবের ইঙ্গিতময় প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তব্যকে রসমধুর করে উপস্থাপন করে। এদিক থেকে বাগধারা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ সম্পদ। বাগধারা গঠনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারকে শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলা হয়। একে বাগবিধিও বলা হয়ে থাকে।
সন্ধি- বিচ্ছেদ করুন- ' সংসার'।
Correct Answer:
খ: সম + সার
Explanation:
সন্ধি- বিচ্ছেদ করুন- ' সংসার'। সঠিক উত্তর সম + সার ‘ম’ - এর পরে অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) কিংবা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) থাকলে ‘ম’ - এর জায়গায় ‘ং’ হয়। সম + যম = সংযমসম + বাদ = সংবাদসম + রক্ষণ = সংরক্ষণসম + লাপ = সংলাপসম + শয় = সংশয়সম + সার = সংসারসম + হার = সংহারবারম + বার = বারংবারকিম + বা = কিংবাসম + বরণ = সংবরণসম + যোগ = সংযোগসম + যোজন = সংযোজনসম + শোধন = সংশোধনসর্বম + সহা = সর্বংসহাস্বয়ম + বরা = স্বয়ম্বরা উল্লেখ্য, এই নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম - সম + রাট = সম্রাট।
'অভিরাম' শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: সুন্দর
Explanation:
'অভিরাম' শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর সুন্দর অভিরাম - [বিশেষণ পদ] সুন্দর, আনন্দদায়ক।
'আকাশ' শদের প্রতিশব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: অন্তরীক্ষ
Explanation:
'আকাশ' শদের প্রতিশব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর অন্তরীক্ষ আকাশ: গগন; অন্তরিক্ষ; অম্বর; ব্যোম; খ; শূন্যলোক; আসমান; দ্যুলোক; শূন্য; নভঃ; অভ্র; নীলিমা ।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালে ইতালীয় কবি পেত্রার্ক - এর অনুকরণে চতুর্দশপদী কবিতা (সনেট) রচনা করেন। যা পরবর্তীতে চতুর্দশপদী কবিতাবলী নামে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়।
'সংশপ্তক' রচনা করেন কে?
Correct Answer:
ঘ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
'সংশপ্তক' রচনা করেন কে? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সংশপ্তক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে রচিত এই উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে আবদুল্লাহ আল মামুন নাট্যরূপ প্রদান করেন এবং যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়। সংশপ্তক নাটকটি বাংলাদেশে টিভি নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় নাটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংশপ্তক শব্দের অর্থ হয় জয় না হয় মৃত্যু।
'সুধাকর' শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
ক: চন্দ্র
Explanation:
'সুধাকর' শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর চন্দ্র সুধাকর: চাঁদ, চন্দ্রমা, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু।
সনেটের কটি অংশ থাকে?
Correct Answer:
খ: দুটি
Explanation:
সনেটের কটি অংশ থাকে? সঠিক উত্তর দুটি সনেটের দুটি অংশ থাকে। সনেট ১৪টি পদ বা লাইনের কবিতা । এর প্রতিটি লাইন বা পঙক্তিতে ১৪ টি বা ১৮ টি অক্ষর থাকে। এ চৌদ্দ লাইনকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথম ভাগের ৮ লাইনকে অষ্টক এবং দ্বিতীয় ভাগের ৬ লাইনকে ষটক বা ষষ্টক বলা হয়।
Anatomy শব্দের অর্থ-
Correct Answer:
গ: শারীরবিদ্যা
Explanation:
Anatomy শব্দের অর্থ- সঠিক উত্তর শারীরবিদ্যা Anatomy হলো ‘শারীরবিদ্যা’। ব্যবচ্ছেদের পর প্রাণিদেহের অভ্যন্তরীণ গঠন, বিভিন্ন তন্ত্রের অবস্থান এ শাথায় আলোচনা করা হয়।
এক কথায় প্রকাশ করুন -' পাওয়ার ইচ্ছা'
Correct Answer:
খ: ঈপ্সা
Explanation:
এক কথায় প্রকাশ করুন -' পাওয়ার ইচ্ছা' সঠিক উত্তর ঈপ্সা কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:গমন করার ইচ্ছা - জিগমিষা প্রবেশ করার ইচ্ছা - বিবক্ষা বাস করার ইচ্ছা - বিবৎসা নিন্দা করার ইচ্ছা - জুগুন্সা ক্ষমা করার ইচ্ছা - তিতিক্ষাযা ধংসশীল / চিরস্থায়ী না - নশ্বর যা স্থায়ী নয় - অস্থায়ী কর্মে ক্লান্তি নেই - অক্লান্ত কর্মী কর্ম সম্পাদনে দক্ষ - কর্মোদ্যমীমাছের মা - নির্মম ।
'বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে'- উক্তিটির তাৎপর্য হচ্ছে-
Correct Answer:
গ: জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
Explanation:
'বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে'- উক্তিটির তাৎপর্য হচ্ছে- সঠিক উত্তর জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর 'বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ' বলতে বোঝায় জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর। সৃষ্টিজগতে সবকিছুই নিজ নিজ পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতায় স্বাভাবিক সৌন্দর্যে অনুপমতা পায়। পরিবেশের সঙ্গে থাকে তার স্বাভাবিক ও স্বচ্ছন্দ সম্পর্ক। পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের অনুষঙ্গেই বিকশিত হয় তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। পরিবেশ - বিচ্ছিন্ন হলে তার সে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায়।
'যুগপৎ' শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: একই সময়ে
Explanation:
'যুগপৎ' শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর একই সময়ে যুগপৎ: একত্র, একই স্থানে, মিলিয়া মিশিয়া, একই সময়ে।
বাক্যের তিনটি গুন কি কি ?
Correct Answer:
খ: আকঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
Explanation:
বাক্যের তিনটি গুন কি কি ? সঠিক উত্তর আকঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরুপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে। ভাষার বিচারে বাক্যের তিনটি গুন অবশ্যই থাকতে হয়। যথা - আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
'জাহান্নাম হতে বিদায়'-উপন্যাসটি লেখক কে?
Correct Answer:
গ: শওকত ওসমান
Explanation:
'জাহান্নাম হতে বিদায়'-উপন্যাসটি লেখক কে? সঠিক উত্তর শওকত ওসমান 'জাহান্নাম হতে বিদায়' উপন্যাসটির লেখক শওকত ওসমান। ও উপন্যাসে তিনি নিয়ে এসেছেন পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর অত্যাচারের মিত্র। সেই সঙ্গে পাকিস্তানীদের বর্বরতা,মানুষের অসহায়ত্ব এবং আমাদের প্রতিরোধের চিত্র এঁকেছেন।
সমাস ভাষাকে কি করে?
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে কি করে? সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, মিল বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
শব্দের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
Correct Answer:
খ: ধ্বনি
Explanation:
শব্দের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি? সঠিক উত্তর ধ্বনি অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনি সমষ্টিকে শব্দ বলে। যেমন : হাত, পা, নাক ইত্যাদি। যে সকল চিহ্নের দ্বারা উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে নির্দেশ করা হয় তাকে বর্ণ বলে। যেমন - অ , আ, ক, খ ইত্যাদি ধ্বনিগুলো মুখে উচ্চারিত হয় । এগুলোর লিখিত প্রতীক হলো বর্ণ। বর্ণ হচ্ছে ধ্বনির লিখিত রুপ , ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন বা ধ্বনির প্রতীক। মানুষের কণ্ঠ নিঃসৃত শব্দকেই ধ্বনি বলে। অর্থাৎ কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দ বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে যে শব্দ পরমাণু বা শব্দের অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায় তাই ধ্বনি। অর্থাৎ শব্দের ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।