Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
শুদ্ধ বানান নয় কোনটি?
Correct Answer:
গ: কৌতুহল
Explanation:
শুদ্ধ বানান নয় কোনটি? সঠিক উত্তর কৌতুহল শুদ্ধ বানান - কৌতূহল।
একেই কি বলে সভ্যতা’ কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: প্রহসন
নিচের কোন শব্দটি কোনো লিঙ্গান্তর হয় না?
Correct Answer:
ক: ঢাকী
"সন্ধি" এর সন্ধি বিচ্ছেদ-
Correct Answer:
গ: সম্+ধি
Explanation:
"সন্ধি" এর সন্ধি বিচ্ছেদ- সঠিক উত্তর সম্+ধি তৎসম ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে, ম্ এর পর যে কোনো বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়। যেমন: সম্ + ধি (ম্ + ধ = ন্ + ধ) = সন্ধি; 7y + 6y = 3yw ।
শিশুটি মা মা বলে কাঁদছে - এখানে ‘ মা মা দ্বিরুক্তিটি কোন অর্থে ব্যবহৃতত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: আগ্রহ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নৃত্যনাট্য কোনটি?
Correct Answer:
খ: চণ্ডালিকা
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নৃত্যনাট্য কোনটি? সঠিক উত্তর চণ্ডালিকা নৃত্যনাট্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো গীতিনির্ভর নাট্যধর্মী নৃত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্য হলো 'চণ্ডালিকা' (১৯৩৩)। এ নাটকের মূল চরিত্র ‘প্রকৃতি' একজন চণ্ডালি কন্যা। সে কীভাবে তার মায়ের সাহায্যে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে প্রলোভিত করেছিল। সেই কাহিনীই এর মূল বিষয়। তাসের দেশ', 'রক্তকবরী' ও 'ডাকঘর' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রূপক বা সাংকেতিক নাটক
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ নয় কোনটি?
Correct Answer:
গ: জমিদার
Explanation:
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ নয় কোনটি? সঠিক উত্তর জমিদার কবিরাজ, বিচারপতি, রাষ্ট্রপতি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। 'জমিদার" এর স্ত্রীবাচক শব্দ জমিদারনী।
"চাঁদ" শব্দটির সমার্থক শব্দ-
Correct Answer:
গ: নিশাকর
Explanation:
"চাঁদ" শব্দটির সমার্থক শব্দ- সঠিক উত্তর নিশাকর ‘চাঁদ' এর সমার্থক শব্দসমূহ: চন্দ্র, চন্দ্ৰমা, ইন্দু, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, হিমকর, বিধু, নিশাপতি, নিশাকর, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, সোম, মৃগাঙ্ক, দ্বিজরাজ, রজনীকান্ত, সিতকর, কলানাথ, কলানিধি, কুমুদনাথ, রাকেশ, সুধাময়। 'ভানু’ ও ‘তপন’ অর্থ সূর্য; ‘ভুজ' অর্থ বাহু।
এক কথায় প্রকাশ করুন: সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা ‘।
Correct Answer:
ঘ: প্রত্যুদগমন
দিদ্বান লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।- কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
ক: সরল বাক্য
Explanation:
দিদ্বান লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।- কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর সরল বাক্য যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - বিদ্বান লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র। এ বাক্যটির জটিল বা মিশ্ররূপ হলো - যারা বিদ্বান, তারা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।
উপসর্গের কাজ-
Correct Answer:
গ: নতুন শব্দ গঠন
Explanation:
উপসর্গের কাজ- সঠিক উত্তর নতুন শব্দ গঠন বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, এগুলো অন্য শব্দের পূর্বে বসে। যেসব অব্যয় ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন নতুন অর্থের সৃষ্টি করে, তাদের উপসর্গ বলে। উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে এদের অর্থদেশতকতা বা নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা থাকে। উপসর্গের মাধ্যমে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠিত হয়। যেমন: প্রণ - ছায়া প্রচ্ছায়া। এখানে ‘ছায়া একটি শব্দ এবং এর সাথে ‘এ’ উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'প্রচ্ছায়া' গঠিত হয়েছে।
"কপাল ভিজিয়া গেল দুই নয়নের জলে" -এখানে "কপোল" কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: গাল
রাজা রামমোহন রায় প্রণীত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী?
Correct Answer:
গ: গৌড়ীয় ব্যাকরণ
’ কিন্তু মঙ্গল আলোকে আমার শুভ উৎসব উজ্জ্বল হইয়া উঠিল’ উদ্ধতাংশটি রবি ঠাকুরের কোন গল্প থেকে নেয়া হয়েছে?
Correct Answer:
ক: কাবুলিওয়ালা
ব্যর্থ শব্দের বিপরীত অর্থ-
Correct Answer:
ক: সার্থক
'Galaxy' শব্দের বাংলা পরিভাষা-
Correct Answer:
খ: নক্ষত্রবীথি
Explanation:
'Galaxy' শব্দের বাংলা পরিভাষা- সঠিক উত্তর নক্ষত্রবীথি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল' (১৮৭৮) এর অনবদ্য চরিত্র রোহিণী। বিধবা রোহিণী স্বীয় ব্যর্থ জীবনের হাহাকারের জন্য আত্মহত্যা করতে চায়। রোহিণীকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সমস্যার রূপায়ণ এ উপন্যাসের মূল সুর।
"সৌভাগ্যের বিষয়" কোন বাগধারা দ্বারা প্রকাশ পায়?
Correct Answer:
ক: একাদশে বৃহস্পতি
Explanation:
"সৌভাগ্যের বিষয়" কোন বাগধারা দ্বারা প্রকাশ পায়? সঠিক উত্তর একাদশে বৃহস্পতি ‘একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়। চাঁদের হাট - প্রিয়জনের সমাগম; পোয়াবারো - সুসময়; রাহুর দশা দুঃসময়।
'রোহিণী' কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
খ: কৃষ্ণকান্তের উইল
’ অরণ্যে রোদন ‘ না বলে ‘ বনে ক্রন্দন ‘ বললে বাক্যটি কী হারাবে?
Correct Answer:
গ: যোগ্যতা
Translate into English: লক্ষ্য কর! ওখানে পানির গভীরতা অনেক।
Correct Answer:
খ: Notice! The water is deep here.
কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?
Correct Answer:
গ: বেতা
Explanation:
কোনটি নামধাতুর উদাহরণ? সঠিক উত্তর বেতা বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয়, তাই নাম ধাতু যেমন: বেত (বিশেষ্য) + (প্রায়) = বেতা (নামধাতু)। শিক্ষক ছাত্রটিকে বেতাচ্ছেন। আমাকে ধমকিও না ("ধমক' থেকে নাম ধাতু 'ধর্মকা')। কর, পড়, চল মৌলিক বাংলা ধাতু।
’অনুরক্ত’ এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: বিরক্ত
"জন্ম" শব্দের বিশেষণ?
Correct Answer:
খ: জাত
Explanation:
"জন্ম" শব্দের বিশেষণ? সঠিক উত্তর জাত বিশেষ্য ‘জনা’ এর বিশেষণ ‘জাত’। ‘জীবন’, ‘জাতি’ ও ‘বংশ’ হলো বিশেষ্য।
উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ’ এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: শামসুল রাহমান
'গড্ডালিকা প্রবাহ' বাগধারার 'গড্ডল্' শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: ভেড়া
Explanation:
'গড্ডালিকা প্রবাহ' বাগধারার 'গড্ডল্' শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর ভেড়া 'গড্ডল্' শব্দের অর্থ ভেড়া। সাধারণত ভেড়া অনুকরণপ্রিয় প্রাণী। এদের একজন যেদিকে যায়, অন্যগুলোও বাছবিচার না করে সেদিকেই যায়। গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারার অর্থ - অন্ধ অনুকরণ।
বাগধারার অর্থ নির্নয় করুন: ‘ চক্ষুদান করা’।
Correct Answer:
খ: চুরি করা
'তাতে সমাজজীবন চলে না ।' - এ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি?
Correct Answer:
গ: তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে ।
Explanation:
'তাতে সমাজজীবন চলে না ।' - এ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি? সঠিক উত্তর তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে । নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে না, নি, নেই , হে ইত্যাদি নর্থক অব্যয় উঠিয়ে দিতে হয়। শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে বাকো হাঁ - সূচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়। বাক্যের বিশেষণ পদটিকে বিপরীত শব্দে রূপান্তর করতে হয়। এরপর বাক্যের গঠ অনুযায়ী নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দ প্রয়োগ করে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। যেমন: তাতে সমাজজীবন চলে না (নেতিবাচক)। তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে (অস্তিবাচক)। সে ক্লাসে উপস্থিত ছিল না। (নেতিবাচক)। সে ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল (অস্তিবাচক)।
"যে শুনে মনে রাখতে পারে" -এর ব্যাখ্যা সংকোচন-
Correct Answer:
গ: শ্রুতিধর
স্বভাবতই 'ষ' হয়েছে কোন শব্দে?
Correct Answer:
গ: আষাঢ়
Explanation:
স্বভাবতই 'ষ' হয়েছে কোন শব্দে? সঠিক উত্তর আষাঢ় কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য - ষ হয়। যেমন: আষাঢ় শেষ ঈষৎ মেষ ভাষা কলুষ ভাষ্য মানুষ। ষোড়শ কোষ পৌষ রোষ ষট পুরুষ মানুষ পাযও যণ্ড প্রত্যুষ। আভাষ ভাষণ অভিলাষ পোষণ ঊষর তোষণ ঊষা শোষণ। ঔষধ বিষাণ ষড়যন্ত্র পাষাণ বিশেষ ভূষণ সরিষা দূষণ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
Correct Answer:
ক: Buddist Mystic Songs
'ফুলে ফুলে' ঘর ভরেছে- কোন কারক?
Correct Answer:
খ: করণ
Explanation:
'ফুলে ফুলে' ঘর ভরেছে- কোন কারক? সঠিক উত্তর করণ ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে। ক্রিয়াপদকে ‘কিসের দ্বারা বা ‘কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তাই করণ কারক। যেমন: ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে। প্রদত্ত বাক্যের ক্রিয়াকে যদি প্রশ্ন করা হয় কীসের দ্বারা ঘর ভরেছে?? তাহলে উত্তর পাই ‘ফুলে ফুলে’ । সুতরাং ফুলে ফুলে (ফুল + এ) করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
"তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার ।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ?
Correct Answer:
ক: 'অনন্ত প্রেম'
Explanation:
"তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার ।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ? সঠিক উত্তর 'অনন্ত প্রেম' “তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি. শত রূপে শত বার. জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।” কাব্যাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী কাব্যগ্রন্থের অনন্ত প্রেম কবিতার অংশ।
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
গ: 'কর্ণফুলি'
Explanation:
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর 'কর্ণফুলি' ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠীগুলোর জনসংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২ শতাংশ। বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দেশের পূর্বাঞ্চলে বসবাস করে। বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারী মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি। গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠী চাকমা জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী চাকমা। চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং তাদের প্রধান ধর্মীয়গ্রন্থ ত্রিপিটক। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্য চাকমাদের শিক্ষার হার সব থেকে বেশি। আরও তথ্য – ‘চাকমা’ শব্দের অর্থ মানুষ। চাকমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয় – বিজু। ধর্মীয় উৎসব – ফাল্গুনী পূর্ণিমা। চাকমা বিদ্রোহের নায়ক – জুম্মা খান। চাকমা গ্রামকে বলা হয় – আদম। গ্রামপ্রধানকে বলা হয় – কারবারি। কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত হয় – মৌজা। মৌজাপ্রধানকে বলা হয় – হেডম্যান। চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস – ফাবো (২০০৪)। মারমা সংখ্যাগত বিচারে বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। মারমারা ‘মগ’ নামেও পরিচিত। তাদের আদি নিবাস আরাকান এবং তারা জাতিতে মঙ্গলীয়। তিন পার্বত্য জেলায় মারমাদের আবাস থাকলেও তাদের মূল জনগোষ্ঠী বান্দরবন জেলায় বসবাস করে। আরও তথ্য – মারমা বর্ষবরণ উৎসবের নাম – সাংগ্রাই। মারমাদের একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব – ওয়াগ্যই বা প্রবারণা পূর্ণিমা। মারমা গ্রামকে বলা হয় – রোয়া এবং গ্রামপ্রধানকে বলা হয় – রোয়াজা বা কারবারি। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত ব্যক্তি ইউ কে সিং মারমা। তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। সাঁওতাল সংখ্যাগত বিচারে বাংলাদেশের ৩য় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। তারা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি - অস্ট্রেলীয় (প্রোটো - অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর। সাঁওতাল সমাজের মূলভিত্তি হচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একটি বড় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হয়। ১৮৫৫ সালে সাওতাল বিদ্রোহ সংগঠিত হয়। বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই কানু আর সাদু। এছাড়া তেভাগা আন্দোলনে সাঁওতালদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল। গারো গারোরা মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী। গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। এ সমাজে মা পরিবারের প্রধান ও সম্পত্তির মালিক। প্রথা অনুযায়ী এ সমাজে পারিবারিক সম্পত্তির মালিক মেয়েরা। তবে শুধুমাত্র নির্বাচিত মেয়েই সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করে। এই নির্বাচিত মেয়েকে গারো ভাষায় ‘নক্না’ বলা হয়। সাধারণত পরিবারের কনিষ্ঠ কন্যা সন্তানকেই ‘নক্না’ নির্বাচন করা হয়। গারোরা নিজেদের আচিক্ মান্দে বা পাহাড়ের মানুষ বলে পরিচয় দেয়। তাদের ভাষার নামও আচিক ভাষা। তাদের আদি ধর্মের নাম ‘সংসারেক’। তবে বর্তমানে অধিকাংশ গারো খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারী। খাসিয়া বাংলাদেশের সিলেট ও ভারতের আসামে এ জনগোষ্ঠী বসবাস করে। তাদেরকে ‘খাসি’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। খাসিয়া সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। খাসিয়া গ্রামগুলোকে পুঞ্জি বলে এবং গ্রাম প্রধানকে বলা হয় ‘সিয়েন’। রাখাইন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি জাতিগোষ্ঠী। এরা মূলত পটুয়াখালী জেলায় বসবাস করে। এদের আদি নিবাস আরাকান। এরা সমতলে বসবাসকারী মগের বংশধর। আর্য বংশোদ্ভূত প্রকৃতি উপাসক রাখাইনরা প্রাচীনযুগে মগধ রাজ্যে বসবাস করত। রাখাইনদের শিল্পকলা ও সংস্কৃতির সুপ্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। তাদের প্রচলিত নৃত্যের মধ্যে প্রদীপ নৃত্য, শিশু নৃত্য, পুষ্পনৃত্য, জলকেলি নৃত্য, ছাতা নৃত্য, পাখা নৃত্য, রাখাল নৃত্য প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তাদের নিজস্ব বাদ্যযন্ত্র আছে। আরও তথ্য – রাখাইন বড় ধর্মীয় উৎসব – বুদ্ধপূর্ণিমা। বর্ষবরণ উৎসবের নাম – সান্দ্রে। দেশের একমাত্র জড় উপাসক উপজাতি – সাঁওতাল। লক্ষ্য রাখুন: গ্রাম ও গ্রাম প্রধান চাকমাদের গ্রামের নাম ‘আদম’ ও গ্রামপ্রধানের নাম ‘কারবারি’, মারমাদের গ্রামের নাম ‘রোয়া’ ও গ্রামপ্রধানের নাম ‘রোয়াজা’ এবং খাসিয়াদের গ্রামের নাম ‘পুঞ্জি’ ও গ্রামপ্রধানের নাম ‘সিয়েন’ জাতিগোষ্ঠীগুলোর অঞ্চলভিত্তিক অবস্থান দক্ষিণ - পূর্ব অঞ্চল গোষ্ঠী বাসস্থান চাকমা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, কক্সবাজার মারমা বান্দরবন, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ম্রো/মুরং বান্দরবন (চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে) ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী তঞ্চঙ্গ্যা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম লুসাই খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, রাঙ্গামাটি পাংখোয়া বান্দরবন ও রাঙ্গামাটি খিয়াং রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, চট্টগ্রাম রাখাইন পটুয়াখালী, বরগুনা ও কক্সবাজার ****পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১১টি জাতিসত্তা বসবাস করে। তাদের মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, মুরং, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, লুসাই, খুমি অন্যতম।পার্বত্য তিন জেলাতেই বসবাস করে এমন উল্লেখযোগ্য জাতিগোষ্ঠী হল – চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা ও লুসাই। ত্রিপুরাদের (টিপরা) বাংলাদেশের সিলেট ও কুমিল্লা জেলাতেও বসবাস করতে দেখা যায়। উত্তর - পূর্ব অঞ্চল গোষ্ঠী বাসস্থান গারো ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও গাজীপুর খাসিয়া/খাসি সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট (জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে) মণিপুরি মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও সিলেট। তাদের প্রধান আবাসস্থল মৌলভীবাজার। হাজং ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও সিলেট পাঙন মৌলভীবাজার শবর মৌলভীবাজার, সিলেট মুণ্ডা সিলেট, যশোর ও খুলনা উত্তর - পশ্চিমাঞ্চল গোষ্ঠী বাসস্থান সাঁওতাল দিনাজপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুর। প্রধান আবাসস্থল দিনাজপুর। রাজবংশী রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও ময়মনসিংহ। প্রধান আবাসস্থল রংপুর। ওরাওঁ দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী ও বগুড়া কোল চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী ধর্ম প্রধান ধর্ম গোষ্ঠী বৌদ্ধ চাকমা, মারমা, ম্রো/মুরং, রাখাইন খ্রিষ্টান সাঁওতাল, গারো, খাসিয়া/খাসি হিন্দু সাঁওতাল, ত্রিপুরা সনাতন মনিপুরি ইসলাম পাঙন, লাউয়া প্রকৃতি উপাসক ওরাওঁ ভাষা গোষ্ঠী ভাষা চাকমা চাকমা ভাষা। নিজস্ব বর্ণমালা আছে। মারমা মারমা ভাষা। ভাষার নিজস্ব হরফ আছে। সাঁওতাল সাঁওতালি। এটি অনক্ষর ভাষা যার নিজস্ব বর্ণমালা নেই । ত্রিপুরা ককবরক। এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। গারো আচিক খুসিক/ মান্দি। এটি অনক্ষর ও অলিখিত একটি প্রাচীন অনাযর্ ভাষা। তবে বাংলা হরফে গারো ভাষা স্বাচ্ছন্দে লেখা যায়। মুরং ম্রো। পূর্বে নিজস্ব বর্ণমালা না থাকলেও বর্তমানে নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে। মণিপুরী মৈ তৈ / মণিপুরী ভাষা। নিজস্ব বর্ণমালা আছে। রাখাইন আরাকানী / রাখাইন ভাষা ওরাওঁ কুরুখ / শাদরি। উত্তরবঙ্গের ওঁরাও সম্প্রদায় কুরুখ ভাষা ও সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহী অঞ্চলের ওঁরাওরা সাদরি ভাষা ব্যবহার করে। নিজস্ব বর্ণমালা নেই। খাসিয়া পাড়, লিংগাম ও ওয়ার। রোমান হরফে লেখা হয়। কোল কোল/মান্দারী/ খেড়োয়াড়ী। বর্তমানে নিজস্ব বর্ণমালা আছে। উৎসব গোষ্ঠী উৎসব চাকমা বিজু, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মাঘি পূর্ণিমা, বৈশাখী পূর্ণিমা মারমা সাংগ্রাই, ওয়াগ্যই, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মাঘি পূর্ণিমা, বৈশাখী পূর্ণিমা সাঁওতাল সোহরাই উৎসব (পৌষ সংক্রান্তির দিন উদ্যাপিত হয়), বাহা ( বসন্তে ফুলফোটার উৎসব), স্যালসেই উৎসব বোঙ্গাবোঙ্গি উৎসব গারো ওয়ানগালা (ফসল ঘরে তোলার উৎসব) ত্রিপুরা বৈসুব বৈসাবি উৎসব: পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার প্রধান ৩টি আদিবাসী সমাজ: চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা – এর বর্ষবরণ উৎসব। এটি তাদের অন্যতম প্রধান অনুষ্ঠান। উৎসবটিকে ত্রিপুরা জনগষ্ঠী বলে বৈসুব, বৈসু বা বাইসু , মারমারা বলে সাংগ্রাই এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের বলে বিজু। এই তিনটি উৎসবের প্রথম অক্ষর গুলো নিয়ে ‘বৈসাবি’ নামকরণ করা হয়েছে।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী
Correct Answer:
ঘ: মহামহোপাধ্যায়
Explanation:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী সঠিক উত্তর মহামহোপাধ্যায় মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক। জন্ম: ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩, নৈহাটি, কলকাতা, ভারত মারা গেছেন: ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১, কলকাতা, ভারত বিষয়: পুঁথি সংগ্রাহক ধরন: ঔপন্যাসিক উল্লেখযোগ্য রচনাবলি: বাল্মীকির জয়, মেঘদূত ব্যাখ্যা, বেণের মেয়ে, কাঞ্চনমালা, সচিত্র রামায়ণ, প্রাচীন বাংলার গৌরব, বৌদ্ধধর্ম । শিক্ষা: সংস্কৃত কলেজ (১৮৭৭), সংস্কৃত কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়, প্রেসিডেন্সী বিশ্ববিদ্যালয়। সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
কোনটি সাধিত ধাতু?
Correct Answer:
ঘ: পড়া
`কবর’ নাটকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মুনীর চৌধুরী
'নীল লোহিত' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
Correct Answer:
গ: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
Explanation:
'নীল লোহিত' কোন লেখকের ছদ্মনাম? সঠিক উত্তর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। বাংলা ভাষা তথা বিশ্বের সকল সাহিত্যে সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজেদের নাম আত্মগোপন করে অন্য কোনো নামে সাহিত্য রচনা করতেন। বাংলা ভাষাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অনেক কবি, সাহিত্যিক, উপন্যাসিক ও নাট্যকার তাদের আসল নাম গোপন করে ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন। নিম্নে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো। ছদ্মনামের তালিকা Sl.No প্রকৃত নাম ছদ্মনাম 1 বিমল কুমার ঘোষ মৌমাছি 2 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীললোহিত 3 সমরেশ বসু কালকূট 4 তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় হাবু শর্মা 5 নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী শ্রীনিরপেক্ষ 6 অমিতাভ চৌধুরী চাণক্য 7 রাজশেখর বসু পরশুরাম 8 হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রসিক মল্লা 9 সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত নবকুমার,কবিরত্ন 10 সতীনাথ ভাদুড়ি চিত্রগুপ্ত 11 বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল 12 প্যারিচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর 13 মালাধর বসু গুণরাজ খাঁ 14 মনীশ ঘটক যুবনাশ্ব 15 বিনয় মুখোপাধ্যায় যাযাবর 16 সন্তোষ কুমার ঘোষ ইন্দ্রনীল,উত্তম পুরুষ 17 সুজিত কুমার নাগ দিলদার 18 কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাঙাচি 19 সৈয়দ মুজতবা আলি সত্যপীর,ওমর খৈয়াম 20 নীহার রঞ্জন গুপ্ত বাণভট্ট 21 অন্নদাশঙ্কর রায় লীলাময় রায় 22 নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় বিকর্ণ 23 প্রতুল চন্দ্র সরকার পি.সি.সরকার 24 প্রবোধকুমার সান্যাল কীর্তনিয়া 25 কালীপ্রসন্ন সিংহ হুতুম পেঁচা 26 ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত গুপ্ত কবি 27 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনিলা দেবী 28 দেবেশ চন্দ্র রায় বেদুইন 29 নীরদচন্দ্র মজুমদার সব্যসাচী 30 নারায়ণ গাঙ্গুলী সুনন্দ 31 চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ 32 হরেন ঘটক নতুনদা 33 শৈলেশ দে বহুরূপী 34 প্রফুল্ল লাহিড়ী কাফি খাঁ 35 অখিল নিয়োগী স্বপন বুড়ো 36 দেবব্রত মল্লিক ভীষ্মদেব 37 ভবানী মুখোপাধ্যায় অভয়ঙ্কর 38 ভৃগুরাম দাস শুভঙ্কর 39 প্রমথনাথ চৌধুরী বীরবল 40 সাবিত্রী প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায় অমিতাভ 41 মহাশ্বেতা দেবী সুমিত্রা দেবী 42 মধুসূদন মজুমদার দৃষ্টিহীন 43 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ,আন্নাকালী পাকড়াশী 44 রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় পীরু,ডমরুধর 45 প্রমথনাথ বিশী প্র.না.বি 46 প্রবোধ চন্দ্র বসু প্রবুদ্ধ 47 শৈলজা মুখোপাধ্যায় শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় 48 বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য বাণীকুমার 49 শৈল চক্রবর্তী এলিয়াস 50 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কমলাকান্ত 51 ললিত মুখোপাধ্যায় বিজ্ঞান ভিক্ষু 52 নিখিল সরকার শ্রীপান্থ 53 দীপ্তেন্দ্র কুমার সান্যাল নীলকণ্ঠ 54 বিনয় ঘোষ কালপেঁচা 55 রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় র.ল.ব 56 অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রসুন আলি 57 অমৃতলাল বন্দ্যোপাধ্যায় অমিয়া দেবী 58 জ্যোতির্ময় ঘোষ ভাস্কর 59 মোহিতলাল মজুমদার সত্যসুন্দর দাস 60 প্রাণতোষ ঘটক উদয়ভানু 61 অরবিন্দ গুহ ইন্দ্রমিত্র 62 গৌরকিশোর ঘোষ রূপদর্শী 63 ভবানী সেনগুপ্ত চাণক্য সেন 64 জয়দেব কর্মকার জোনাকি 65 তারাপদ রায় গ্রন্থকী,নক্ষত্র রাই 66 জ্যোতির্ময় ঘোষদস্তিদার শঙ্কু মহারাজ 67 দীনবন্ধু মিত্র সি.এফ.এন্ড্রু 68 রাধারানী দেবী অপরাজিতা দেবী 69 তরুণ রায় ধনঞ্জয় বৈরাগী 70 অজিতকৃষ্ণ বসু অ.কৃ.ব 71 কালিকানন্দ মুখোপাধ্যায় অবধূত 72 বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র বিরূপাক্ষ 73 প্রভাত কিরণ বসু কাকাবাবু 74 শক্তিপদ রাজগুরু পঞ্চমুখ 75 গোপালহরি দেশমুখ লোকহিত 76 শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় চন্দ্রহাস 77 মহেন্দ্র গুপ্ত শ্রীম 78 শক্তি চট্টোপাধ্যায় অভিনব গুপ্ত 79 হিমানীশ গোস্বামী শীলভদ্র 80 সমরেশ মজুমদার যীশু দাসগুপ্ত 81 শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীসাংবাদিক 82 কালিদাস নাগ কলহন 83 পূর্ণেন্দু পত্রী সমুদ্রগুপ্ত 84 অনুনয় চট্টোপাধ্যায় সনৎ চট্টোপাধ্যায় 85 কালিদাস ভদ্র শাম্ব ইসলাম 86 আনসার উল হক নেফারতিতি বেগম 87 মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় শংকর 88 মাইকেল মধুসূদন দত্ত এ নেটিভ 89 রাসবিহারী ঠাকুর রসিক ঠাকুর 90 শশাঙ্কশেখর অধিকারী শেখর 91 কেষ্ট চট্টোপাধ্যায় খ্যাতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায় 92 মনোরঞ্জন পুরোকাইত দক্ষিণ রায় 93 পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী সার্থক চক্রবর্তী 94 নবারুণ ভট্টাচার্য পুরন্দর ভাট 95 অশোকবিজয় রাহা বনিস দত্ত 96 মতি নন্দী কালকেতু 97 কালিদাস রায় বেতাল ভট্ট 98 প্রমথনাথ বিশি হাতুড়ি 99 ভবানী মুখোপাধ্যায় গগন হরকরা 100 নীহাররঞ্জন গুপ্ত বাণভট্ট 101 শঙ্খ ঘোষ কুন্তক 102 রাজা রামমোহন রায় শিবপ্রসাদ দাস 103 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীল উপাধ্যায় 104 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য 105 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীমতি কনিষ্ঠা 106 গোবিন্দচন্দ্র রায় প্রবাসী 107 নিখিল সরকার দৌবারিক 108 সমরেশ বসু ভ্ৰমর 109 আনন্দ বাগচী হর্ষবর্ধন 110 প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় মুসাফির 111 জীবনানন্দ দাস শ্রী 112 সুভাষ মুখোপাধ্যায় ঢোল গোবিন্দ 113 বিমল কর বিদুর 114 সুকুমার রায় শ্যাম রায় 115 মাইকেল মধুসূদন দত্ত টিমোথি পেনপোয়েম 116 বিনয় ঘোষ শ্রীবৎস 117 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীমতি মধ্যমা 118 প্রমথনাথ বিশী নব কমলাকান্ত 119 বিমল মিত্র জাবালি 120 সৈয়দ মুজতবা আলি রায় পিথৌরা 121 বিজন ভট্টাচার্য সহযাত্রী 122 কিরণ মৈত্র দুর্মুখ 123 তপোবিজয় ঘোষ সমীরণ সিংহ 124 ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ভ্রমনকারী বন্ধু 125 অন্নদাশঙ্কর রায় সুচরিতা 126 গৌরকিশোর ঘোষ ফাহিয়েন 127 বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় লীলাবান 128 অমলেন্দু চক্রবর্তী অজাতশত্রু 129 অমৃতলাল বসু ভাঁড়ুদত্ত 130 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা 131 হেমেন্দ্র কুমার রায় প্রসাদ রায় 132 সৈয়দ মুজতবা সিরাজ ইবলিশ 133 বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র বৈবাহিক 134 সুবোধ ঘোষ সুপান্থ 135 রাজা রামমোহন রায় রামচন্দ্র দাস 136 প্রবোধচন্দ্র সেন জিজ্ঞাসু পড়ুয়া 137 শক্তি চট্টোপাধ্যায় রূপচাঁদ পক্ষী 138 সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত নবকুমার কবিরত্ন 139 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বানীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ 140 নারায়ণ সান্যাল বিকর্ণ 141 কাজী নজরুল ইসলাম নুরুল ইসলাম 142 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনুপমা 143 গোপাল হালদার প্রফুল্ল হালদার 144 সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বস্তুতান্ত্রিক চূড়ামণি 145 প্রমথনাথ বিশী বিষ্ণুশর্মা 146 দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গের রঙ্গদর্শক 147 নরেশচন্দ্র জানা পথিক 148 শক্তি চট্টোপাধ্যায় স্ফুলিঙ্গ সমাদ্দার 149 শ্যামল মুখোপাধ্যায় বলরাম 150 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শ্রীশ্রীকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় 151 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নবীন কিশোর শর্মন 152 জগদবন্ধু ভদ্র গ্যাড়াভূত 153 গিরিশচন্দ্র ঘোষ মুকুটাচরণ মিত্র 154 পরিমল গোস্বামী এক কলমী 155 শম্ভু মিত্র শ্রীসঞ্জীব 156 অমূল্যধন মুখোপাধ্যায় বেতালভট্ট 157 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রামচন্দ্র 158 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দিকশূন্য ভট্টাচার্য 159 শামসুর রহমান চক্ষুষ্মান 160 শরৎকুমার মুখোপাধ্যায় ত্রিশঙ্কু 161 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভীষ্মদেব খোসনবিশ 162 অদ্রীশ বর্ধন কেয়া মিত্র 163 জসীমউদ্দীন তুজম্বর আলি 164 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অকপটচন্দ্র ভাস্কর 165 নারায়ণ সান্যাল গোপালক মজুমদার 166 গজেন্দ্রকুমার মিত্র শ্রীজ্ঞান দীপঙ্কর 167 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হরিদাস বৈরাগী 168 তারাপদ রায় গ্রন্থকীট 169 সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুবচনী 170 শম্ভু মিত্র প্রসাদ দত্ত 171 প্রেমেন্দ্র মিত্র কৃত্তিবাস ভদ্র 172 মোহিতলাল মজুমদার চামার খায় আম 173 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শ্রীকান্ত শর্মা 174 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সনাতন পাঠক 175 সুবোধ ঘোষ কালপুরুষ 176 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শ্রী চ চ চ 177 কাজী নজরুল ইসলাম নুরু 178 সৈয়দ মুজতবা আলি প্রিয়দর্শী 179 জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী জোৎস্না রায় 180 সজনীকান্ত সেন আবোল তাবোল সেন 181 সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত অশীতিপর শর্ম্মা 182 সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বিশ্বকর্মা 183 বুদ্ধদেব বসু বিপ্রদাস মিত্র 184 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দর্পনারায়ণ পতিতূন্ড 185 সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ত্রিবিক্রম বর্মণ 186 সজনীকান্ত দাস মেঠোভূত 187 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো সহচরস্য 188 সজনীকান্ত দাস বেচারাম মাইতি 189 মীর মোশারফ হোসেন উদাসীন পথিক 190 সজনীকান্ত দাস দোদুল দে 191 প্রেমাঙ্কুর আতর্থী মহাস্থবির 192 দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায় শ্রীভট্ট 193 ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চানন 194 বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় ক্বচিৎ প্রৌঢ় 195 কামিনী রায় জনৈক বঙ্গমহিলা 196 সজনীকান্ত দাস হুতাশ হালদার 197 গৌরকিশোর ঘোষ গজমূর্খ 198 বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায় নানাপেটা হাঁদারাম 199 অদ্রীশ বর্ধন আকাশ সেন 200 সুভাষ মুখোপাধ্যায় ফকির 201 তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় কল্যাণশঙ্কু 202 কালাচাঁদ ভাদুড়ী কালাপাহাড় 203 রাম বসু কনিষ্ক যে সমস্ত ব্যক্তিদের একাধিক ছদ্মনাম রয়েছে তাদের একটি তালিকা নীচে দেওয়া হল ❏ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর – কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য,কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো সহচরস্য। ❏ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – কমলাকান্ত,কমলাকান্ত চক্রবর্তী,শ্রী চ চ চ, হরিদাস বৈরাগী, শ্রীশ্রীকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায়, রামচন্দ্র, ভীষ্মদেব খোসনবিশ,দর্পনারয়ণ পতিতূন্ড। ❏ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – অনিলা দেবী,শ্রীকান্ত শর্মা,অনুপমা। ❏ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – ভানুসিংহ,দিকশূন্য ভট্টাচার্য,শ্রীমতি কনিষ্ঠা,শ্রীমতি মধ্যমা, বানীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ, আন্নাকালী পাকড়াশী, অকপটচন্দ্র ভাস্কর, নবীন কিশোর শর্মন, ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা। ❏ তারাপদ রায় – নক্ষত্র রায়, গ্রন্থকীট। ❏ প্রেমেন্দ্র মিত্র – কৃত্তিবাস ভদ্র, লেখরাজ সামন্ত। ❏ কাজী নজরুল ইসলাম – নুরু, নুরুল ইসলাম, ব্যাঙাচি। ❏ সমরেশ বসু – ভ্ৰমর কালকূট। ❏ সুবোধ ঘোষ – কালপুরুষ, সুপান্থ। ❏ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় – সনাতন পাঠক, নীললোহিত, নীল উপাধ্যায়, সুজন পাঠক। ❏ সুভাষ মুখোপাধ্যায় – সুবচনী, ঢোল গোবিন্দ। ❏ সৈয়দ মুজতবা আলি – সত্যপীর, ওমর খৈয়াম, প্রিয়দর্শী, মুসাফির, রায় পিথৌরা। ❏ শম্ভু মিত্র – শ্রীসঞ্জীব,প্রসাদ দত্ত,সুরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। ❏ মোহিতলাল মজুমদার – সত্য সুন্দর দাস, চামার খায় আম। ❏ রাজা রামমোহন রায় – শিবপ্রসাদ দাস, রামচন্দ্র দাস। ❏ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত – নবকুমার কবিরত্ন, ত্রিবিক্রম বর্মণ, বস্তুতান্ত্রিক চূড়ামণি, অশীতিপর শর্ম্মা। ❏ শক্তি চট্টোপাধ্যায় – স্ফুলিঙ্গ সমাদ্দার, রূপচাঁদ পক্ষী। ❏ গৌরকিশোর ঘোষ – ফাহিয়েন, গজমূর্খ। ❏ নিখিল সরকার – শ্রীপান্থ, দৌবারিক। ❏ অদ্রীশ বর্ধণ – কেয়া মিত্র, আকাশ সেন। ❏ মাইকেল মধুসূদন দত্ত – এ. নেটিভ, টিমোথি পেনপোয়েম। ❏ নারায়ণ সান্যাল – বিকর্ণ, গোপালক মজুমদার। ❏ সজনীকান্ত দাস – আবোল তাবোল সেন, মেঠোভূত, বেচারাম মাইতি,হুতাশ হালদার, দোদুল দে। ❏ বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র – বিরূপাক্ষ,বৈবাহিক। ❏ বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় – বনফুল,লীলাবান। ❏ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত – ভ্ৰমণকারী বন্ধু, গুপ্ত কবি
ভাষার মৌলিক উপাদান কয়টি?
Correct Answer:
ক: চারটি
বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: উপরের সবকটি
Explanation:
বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি? সঠিক উত্তর উপরের সবকটি ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেমন প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই রাগযন্ত্রের বাগ্যসমূহ হলো। মূল অন্তর্ভুক্ত। আলভিত, অধিজিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, ৬ষ্ঠ, নাসারন্ধ, নাসিকা শহর, মুখ, নিচের চোয়াল, গলবিনীয় হার, যন্ত্র, খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস
ধ্বনির লিখিত রূপকে কী বলা হয়?
Correct Answer:
ঘ: বর্ণ
’অকূল পাথার’ বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: ভীষণ বিপদ
‘মেছো’ শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় কী?
Correct Answer:
ঘ: মাছ + উয়া > ও
‘কান ভারী করা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ-
Correct Answer:
খ: কুপরামর্শ দেওয়া
’নেত্র’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: নয়ন
রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন?
Correct Answer:
খ: সম্প্রদান কারক
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন? সঠিক উত্তর সম্প্রদান কারক যাকে স্বত্ত্ব ত্যাগ করে দান, অৰ্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয়, তাকে (সংস্কৃত নিয়মে) সম্প্রদান কারক বলে। বস্তু নয়, ব্যক্তিই সম্প্রদান করেন। যেমন: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। 'বাঙালা ব্যাকরণ' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুনা এবং রামমোহন রায়, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী প্রমুখ পণ্ডিতবর্গ সম্প্রদান কারককে বাদ নিতে চেয়েছেন। কারণ, কর্মকারক দ্বারাই সম্প্রদান কারকের কাজ সম্পাদন করা যায়। তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্প্রদান কারক বান সেয়ার বিপক্ষে ছিলেন।
কেন্তুমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?
Correct Answer:
ক: হিত্তিক ও তুখারিক
Explanation:
কেন্তুমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত? সঠিক উত্তর হিত্তিক ও তুখারিক পৃথিবীর সমস্ত ভাষাকে কয়েকটি ভাষাবৃক্ষে বিভক্ত করা যায়। এ ভাষাবৃক্ষগুলোর মূলভাষার একটি ইন্দো - ইউরোপীয়। ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ইউরোপ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সব ভাষাকে এই ভাষাবংশের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ভাষা বংশের শাখা দুইটি। যথা: কেম ও শতম। তামিল, দ্রাবিড়, আর্য, অনার্য, মাগধী ও গৌড়ী শতম শাখার অন্তর্ভুক্ত। হিত্তিক ও তুখারিক কেন্দ্রম শাখার অন্তর্ভূক্ত। কেপ্তম শাখার অধিকাংশ ভাষাই ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলের হলেও তুখারিক ভাষা প্রচলিত ছিল এশিয়ার তারিম নদী অববাহিকা (চীনের জিনজিয়াং) অঞ্চলে এবং হিত্তিক ভাষা প্রচলিত ছিল পশ্চিম এশিয়ার আনাতোলিয়া (তুরস্ক) অঞ্চলে। উল্লেখ্য, বাংলা ভাষার উদ্ভব ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষার শতম শাখা থেকে।
’সোজন বাদিয়ার ঘাট’ কোন জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
গ: কাব্যগন্থ
বাক্যে বিধেয় বিশেষণ কোথায় বসে?
Correct Answer:
ঘ: শেষে
বাংলায় উপসর্গ রয়েছে কয়টি?
Correct Answer:
খ: একুশটি