Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
নিচের কোনটি বাক্যের বৈশিষ্ট্য নয়?
Correct Answer:
ক: অভিপ্রায়
গৃধ্র শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: শকুন
প্রাচীন কথ্য ভারতীয় আর্য ভাষার পরবর্তী স্তরের ভাষা কোনটি?
Correct Answer:
ক: বৈদিক
সকলকে মরতে হবে- বাক্যে সকলকে কোন কারকে কোন বিভক্তি-
Correct Answer:
ক: কর্মে ২ য়া
Explanation:
সকলকে মরতে হবে- বাক্যে সকলকে কোন কারকে কোন বিভক্তি- সঠিক উত্তর কর্মে ২ য়া কারকের মূল কথাই হচ্ছে যে ক্রিয়া পদের সাথে নাম পদের সম্পর্ক। "সকলকে মরতে হবে" এই বাক্যে ক্রিয়া হচ্ছে মরা বা মারা যাওয়া। কিন্তু মরা বা মারা যাওয়ার কাজটি সম্পদান করতে সকলকে। তাই সকলকে হবে কর্তৃকারক। আর সকল এর সাথে “কে” বিভক্তি যুক্ত হয়ে যেহেতু সকলকে গঠন করেছে তাই বিভক্তি হবে ২য়া। সুতরাং উত্তর হবে কর্তৃকারকের ২য়া।
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক নয় কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: নুরুলদীনের সারাজীবন
হুমায়ন আহমেদ এর ‘জোৎস্না ও জননীর গল্প’ উপন্যাস কী বিষয় অবলম্বনে রচিত?
Correct Answer:
ক: মুক্তিযুদ্ধ
Explanation:
হুমায়ন আহমেদ এর ‘জোৎস্না ও জননীর গল্প’ উপন্যাস কী বিষয় অবলম্বনে রচিত? সঠিক উত্তর মুক্তিযুদ্ধ জোছনা ও জননীর গল্প বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে হুমায়ুন আহমেদ রচিত একটি উপন্যাস। ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে (ফাল্গুন, ১৪০০ বঙ্গাব্দ) একুশে গ্রন্থমেলায় বাংলাদেশের অন্যপ্রকাশ, ঢাকা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
‘দশাসই ‘ শব্দের অর্থ-
Correct Answer:
খ: লম্বা-চওড়া
বাক প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে উচ্চারিত আওয়াজকে বলা হয়?
Correct Answer:
ক: ধ্বনি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন?
Correct Answer:
গ: ১৯১৩
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণের সময়কাল কত মিনিট?
Correct Answer:
গ: ১৮
নিচের কোনটি খাটি বাংলা শব্দ?
Correct Answer:
ক: ঢেঁকি
Explanation:
নিচের কোনটি খাটি বাংলা শব্দ? সঠিক উত্তর ঢেঁকি চামার তদ্ভব শব্দ
‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন-
Correct Answer:
গ: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
Explanation:
‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন- সঠিক উত্তর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ পুঁথিটি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯২০ রাহুল সাংকৃত্যায়ন এ বছর থেকে পরবর্তী এক দশকে কয়েকবার তিব্বত সফর করে সেখান থেকে ২০টি চর্যাগীতি সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। ১৯৫৪ সালে সেগুলো এলাহাবাদ থেকে প্রকাশিত হয়।
‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: লালন শাহ
Explanation:
‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর লালন শাহ বাউলসাধক লালন সাঁই রচিত কয়েকটি জনপ্রিয় গান - 'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' , খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' , 'বাড়ির কাছে আরশী নগর' 'আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে', 'সময় গেলে সাধন হবে না'। অন্যদিকে মরমি কবি হাসন রাজার কয়েকটি জনপ্রিয় গান - 'লোকে বলে বলেরে' বাউলা কে বানাইলো রে ', 'সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো'। পাগলা কানাই ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বিমূলক ও আধ্যাত্মিক গানে পারদর্শী এবং রাধারমণ দত্ত হলেন ধামাইল গানের প্রবক্তা।
’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার?
Correct Answer:
ক: মদনমোহন তর্কালংকার
Explanation:
’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার? সঠিক উত্তর মদনমোহন তর্কালংকার ’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটির দুটির রচিয়তা মদনমোহন তর্কালঙ্কার । কবিতার নাম 'আমার পণ' । ছাত্রাবস্থায় তিনি 'রসতরঙ্গিণী' , 'বাসবদত্তা' কাব্যগন্থ রচনা করেন। তার অন্যতম সাহিত্যকর্ম 'শিশুশিক্ষা' নামক শিশুতোষ কবিতা। তার অপর একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা হলো 'পাখি সব করে রব' রাতি পোহইল ' ।
‘আবাহন’ শব্দের বিপরীত কোনটি?
Correct Answer:
গ: বিসর্জন
Explanation:
‘আবাহন’ শব্দের বিপরীত কোনটি? সঠিক উত্তর বিসর্জন ‘আবাহন’ এর বিপরীত শব্দ - বিসর্জন আবাহন /বিশেষ্য পদ/ মন্ত্র দ্বারা দেবতাকে আহ্বান, আমন্ত্রণ, বন্দনা, ডাক। /আ + বহ্ + ণিচ্ + অন/। /বিশেষণ পদ/ আবাহিত। বিসর্জন [ bisarjana ] বি. 1 ত্যাগ (প্রাণবিসর্জন, অশ্রুবিসর্জন); 2 পূজাবসানে প্রতিমা জলে বিলোপ, নিরঞ্জন (বিসর্জনের বাজনা)। [সং. বি + √ সৃজ্ + অন]।
‘অনুগমন’ শব্দের ব্যাসবাক্য নিচের কোনটি?
Correct Answer:
ক: গমনের পশ্চাৎ
Explanation:
‘অনুগমন’ শব্দের ব্যাসবাক্য নিচের কোনটি? সঠিক উত্তর গমনের পশ্চাৎ ‘অনুগমন’ শব্দের ব্যাসবাক্য - পশ্চাৎ গমন যা অব্যয়ীভাব সমাস । অব্যয়ীভাব সমাস পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ। বিভিন্ন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্য, সাদৃশ্য, সম্পর্ক, সংস্পর্শ,ঊর্ধ্ব, সম্মান প্রভৃতি নানা অর্থে উপসর্গ তৎপুরুষ বা অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন: ১. সামীপ্য (উপ) কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ, কূলের সমীপে = উপকূল ২. বিপ্সা (অনু, প্রতি) দিন দিন = প্রতিদিন, ক্ষণে ক্ষণে = অনুক্ষণে, ক্ষণ ক্ষণ = অনুক্ষণ ৩. অভাব (নিঃ = নির) আমিষের অভাব = নিরামিষ, ভাবনার অভাব = নির্ভাবনা, জলের অভাব = নির্জল, উৎসাহের অভাব = নিরুৎসাহ ৪. পর্যন্ত (আ) সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল, পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক ৫. সাদৃশ্য (উপ) শহরের সদৃশ = উপশহর, গ্রহের তুল্য = উপগ্রহ, বনের সদৃশ = উপবন ৬. অনতিক্রম্যতা (যথা) রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি, সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য। এরূপ - যথাবিধি, যথাযোগ্য ৭. অতিক্রান্ত (উৎ) বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল, শৃঙখলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙখল ৮. বিরোধ (প্রতি) বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ, বিরুদ্ধ কূল = প্রতিকূল ৯. পশ্চাৎ (অনু) পশ্চাৎ গমন = অনুগমন, পশ্চাৎ ধাবন = অনুধাবন ১০. ঈষৎ (আ) ঈষৎ নত = আনত, ঈষৎ রক্তিম = আরক্তিম ১১. ক্ষুদ্র অর্থে (উপ) উপগ্রহ, উপনদী ১২. পূর্ণ বা সমগ্র অর্থে (পরি বা সম) পরিপূর্ণ, সম্পূর্ণ ১৩. দূরবর্তী অর্থে (প্র, পর) অক্ষির অগোচরে = পরোক্ষ। এরূপ - প্রপিতামহ ১৪. প্রতিনিধি অর্থে (প্রতি) প্রতিচ্ছায়া, প্রতিচ্ছবি, প্রতিবিম্ব ১৫. প্রতিদ্বন্দ্বী অর্থে (প্রতি) প্রতিপক্ষ, প্রত্যুত্তর ১৬. সম্পর্ক অর্থে (সম, বিষয়) সম্বল = বলের সম্পর্কে, সম্মান = মানের সম্পর্কে, সমক্ষে = অক্ষের সম্পর্কে ১৭. যোগ্যতা অর্থে (অনু) অনুসন্তান = যোগ্য সন্তান, অনুকূল = কুলের যোগ্য, অনুদান = দানের যোগ্য
‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তোর কারণে’- গানটির গীতিকার-
Correct Answer:
ক: শেখ ওয়াহিদ
Explanation:
‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তোর কারণে’- গানটির গীতিকার- সঠিক উত্তর শেখ ওয়াহিদ প্রশ্নোল্লিখিত গানটির গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান। 'আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে' কাঙ্গালিনী সুফিয়ার বিখ্যাত 'পরানের বান্ধববে - বুড়ি হইলাম তোর কারণে' কিংবা ডলি সায়ন্তিনীর কণ্ঠে 'কোন বা পথে নিতাইগঞ্জ যাই'সহ অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগীতির গীতিকার তিনি।
‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে’- উক্তিটি কার?
Correct Answer:
গ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে’- উক্তিটি কার? সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি - 'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।' মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি 'শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।' মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি - 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'
‘অনির্বচনীয়’ শব্দের অর্থ-
Correct Answer:
গ: বর্ণনাতীত
Explanation:
‘অনির্বচনীয়’ শব্দের অর্থ- সঠিক উত্তর বর্ণনাতীত 'অনিবচনীয়’ শব্দের অর্থ - অনন্য /বিশেষ্য পদ/ অন্যের সহিত সম্বন্ধ বর্জিত। অভিন্ন, অদ্বিতীয়, একমাত্র; অনুপম। সম্পর্কিত শব্দ: অননুকরণীয়, অননুভবনীয়, অননুভূত, অননুমত, অননুমেয়, অননুশীলন ।
‘কার্যে বিরতি’ অর্থে কোন বাগধারাটি প্রযোজ্য?
Correct Answer:
খ: হাত গুটান
Explanation:
‘কার্যে বিরতি’ অর্থে কোন বাগধারাটি প্রযোজ্য? সঠিক উত্তর হাত গুটান হাত গুটান শব্দের অর্থ কোন কাজ শেষ করা বা সমাপ্তি করা । প্রশ্নে কার্য বিরতি শব্দ দ্বারা কাজ সমাপ্ত করাকেই বুঝানো হয়েছে ।
‘অহরহ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ -
Correct Answer:
Correct Answer:
Explanation:
‘অহরহ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ - সঠিক উত্তর ”অহরহ” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ অহঃ + অহ। অহঃ + অহ = অহরহ একটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধি। এরকম কয়েকটি উদাহরণ হল বাচঃ + পতি = বাচস্পতি, ভাঃ + কর = ভাস্কর ইত্যাদি।
‘যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না’- বাক্যটির বাক্যসংকোচন নিচের কোনটি?
Correct Answer:
ক: অজ্ঞাতকুলশীল
Explanation:
‘যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না’- বাক্যটির বাক্যসংকোচন নিচের কোনটি? সঠিক উত্তর অজ্ঞাতকুলশীল একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । অর্থাৎ একটিমাত্র শব্দ দিয়ে যখন একাধিক পদ বা একটি বাক্যাংশের (উপবাক্য) অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বাক্য সংকোচন বলে । যেমন - যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না’ - অজ্ঞাতকুলশীল এখানে হীরকরাজ - শব্দের মাধ্যমে হীরক দেশের রাজা - এই তিনটি পদের অর্থই সার্থকভাবে প্রকাশ পেয়েছে । এই তিনটি পদ একত্রে একটি বাক্যাংশ বা উপবাক্যও বটে । অর্থাৎ, হীরক দেশের রাজা - তিনটি পদ বা বাক্যাংশটির বাক্য সংকোচন হল - হীরকরাজ । গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ অকালে পেকেছে যে - অকালপক্ক্ব অক্ষির সম্মুখে বর্তমান - প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার - অনভিজ্ঞ অহংকার নেই যার - নিরহংকার অশ্বের ডাক - হ্রেষা অতি কর্মনিপুণ ব্যক্তি - দক্ষ অনুসন্ধান করবার ইচ্ছা - অনুসন্ধিৎসা অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক যে - অনুসন্ধিৎসু অপকার করবার ইচ্ছা - অপচিকীর্ষা অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করে কাজ করে যে - অবিমৃষ্যকারী অতি শীতও নয়, অতি উষ্ণও নয় - নাতিশীতোষ্ণ অবশ্য হবে/ঘটবে যা - অবশ্যম্ভাবী অতি দীর্ঘ নয় যা - নাতিদীর্ঘ অতিক্রম করা যায় না যা - অনতিক্রমনীয়/অনতিক্রম্য যা সহজে অতিক্রম করা যায় না - দুরতিক্রমনীয়/দুরতিক্রম্য অগ্রে জন্মেছে যে - অগ্রজ অনুতে/পশ্চাতে/পরে জন্মেছে যে - অনুজ অরিকে দমন করে যে - অরিন্দম অন্য উপায় নেই যার - অনন্যোপায় অনেকের মাঝে একজন - অন্যতম অন্য গাছের ওপর জন্মে যে গাছ - পরগাছা আচারে নিষ্ঠা আছে যার - আচারনিষ্ঠ আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা যার - আত্মকেন্দ্রীক আকাশে চরে যে - খেচর আকাশে গমন করে যে - বিহগ, বিহঙ্গ আট প্রহর যা পরা যায় - আটপৌরে আপনার রং লুকায় যে/যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না - বর্ণচোরা আয় অনুসারে ব্যয় করে যে - মিতব্যয়ী আপনাকে পণ্ডিত মনে করে যে - পণ্ডিতম্মন্য আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত - আদ্যন্ত ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক ইতিহাস বিষয়ে অভিঞ্জ যিনি - ইতিহাসবেত্তা ইন্দ্রকে জয় করেছে যে - ইন্দ্রজিৎ ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে - জিতেন্দ্রিয়ি ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার - আস্তিক ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার - নাস্তিক ঈষৎ আমিষ/আঁষ গন্ধ যার - আঁষটে উপকার করবার ইচ্ছা - উপচিকীর্ষা উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে - কৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে - অকৃতজ্ঞ উপকারীর অপকার করে যে - কৃতঘ্ন একই সময়ে বর্তমান - সমসাময়িক একই মায়ের সন্তান - সহোদর এক থেকে আরম্ভ করে - একাদিক্রমে একই গুরুর শিষ্য - সতীর্থ কথায় বর্ণনা যায় না যা - অনির্বচনীয় কোনভাবেই নিবারণ করা যায় না যা - অনিবার্য সহজে নিবারণ করা যায় না যা/কষ্টে নিবারণ করা যায় যা - দুর্নিবার সহজে লাভ করা যায় না যা/কষ্টে লাভ করা যায় যা - দুর্লভ কোন কিছুতেই ভয় নেই যার - নির্ভীক, অকুতোভয় ক্ষমার যোগ্য - ক্ষমার্হ কউ জানতে না পারে এমনভাবে - অজ্ঞাতসারে গোপন করার ইচ্ছা - জুগুপ্সা চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত - চাক্ষুষ চৈত্র মাসের ফসল - চৈতালি জীবিত থেকেও যে মৃত - জীবন্মৃত জানার ইচ্ছা - জিজ্ঞাসা জানতে ইচ্ছুক - জিজ্ঞাসু জ্বল জ্বল করছে যা - জাজ্বল্যমান জয় করার ইচ্ছা - জিগীষা জয় করতে ইচ্ছুক - জিগীষু জানু পর্যন্ত লম্বিত - আজানুলম্বিত তল স্পর্শ করা যায় না যার - অতলস্পর্শী তীর ছোঁড়ে যে - তীরন্দাজ দিনে যে একবার আহার করে - একাহারী দীপ্তি পাচ্ছে যা - দীপ্যমান দু’বার জন্মে যে - দ্বিজ নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার - নশ্বর নদী মেখলা যে দেশের - নদীমেখলা নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে - নাবিক নিজেকে যে বড়ো মনে করে - হামবড়া নূপুরের ধ্বনি - নিক্কণ পা থেকে মাথা পর্যন্ত - আপাদমস্তক প্রিয় বাক্য বলে যে নারী - প্রিয়ংবদা পূর্বজন্ম স্মরণ করে যে - জাতিস্মর পান করার যোগ্য - পেয় পান করার ইচ্ছা - পিপাসা ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় - ওষধি বিদেশে থাকে যে - প্রবাসী বিশ্বজনের হিতকর - বিশ্বজনীন ব্যাকরণ জানেন যিনি - বৈয়াকরণ বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে গবেষণায় রত যিনি - বৈজ্ঞানিক বেদ - বেদান্ত জানেন যিনি - বৈদান্তিক বয়সে সবচেয়ে বড়ো যে - জ্যেষ্ঠ বয়সে সবচেয়ে ছোটো যে - কনিষ্ঠ ভোজন করার ইচ্ছা - বুভুক্ষা মৃতের মত অবস্থা যার - মুমূর্ষু মুষ্টি দিয়ে যা পরিমাপ করা যায় - মুষ্টিমেয় মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত - মৃন্ময় মর্মকে পীড়া দেয় যা - মর্মন্তুদ মাটি ভেদ করে ওঠে যা - উদ্ভিদ মৃত গবাদি পশু ফেলা হয় যেখানে - ভাগাড় মন হরণ করে যা - মনোহর মন হরণ করে যে নারী - মনোহারিণী যা দমন করা যায় না - অদম্য যা দমন করা কষ্টকর - দুর্দমনীয় যা নিবারণ করা কষ্টকর - দুর্নিবার যা পূর্বে ছিল এখন নেই - ভূতপূর্ব যা বালকের মধ্যেই সুলভ - বালকসুলভ যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে - অযত্নলব্ধ যা ঘুমিয়ে আছে - সুপ্ত যা বার বার দুলছে - দোদুল্যমান যা দীপ্তি পাচ্ছে - দেদীপ্যমান যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না - অনন্যসাধারণ যা পূর্বে দেখা যায় নি - অদৃষ্টপূর্ব যা কষ্টে জয় করা যায় - দুর্জয় যা কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ যা অধ্যয়ন করা হয়েছে - অধীত যা অনেক কষ্টে অধ্যয়ন করা যায় - দুরধ্যয় যা জলে চরে - জলচর যা স্থলে চরে - স্থলচর যা জলে ও স্থলে চরে - উভচর যা বলা হয় নি - অনুক্ত যা কখনো নষ্ট হয় না - অবিনশ্বর যা মর্ম স্পর্শ করে - মর্মস্পর্শী যা বলার যোগ্য নয় - অকথ্য যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না - অজ্ঞাতকুলশীল যা চিন্তা করা যায় না - অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু - বন্ধুর যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় - ব্যয়বহুল যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় - নাতিশীতোষ্ণ যার বিশেষ খ্যাতি আছে - বিখ্যাত যা আঘাত পায় নি - অনাহত যা উদিত হচ্ছে - উদীয়মান যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে - বর্ধিষ্ণু যা পূর্বে শোনা যায় নি - অশ্রুতপূর্ব যা সহজে ভাঙ্গে - ভঙ্গুর যা সহজে জীর্ণ হয় - সুপাচ্য যা খাওয়ার যোগ্য - খাদ্য যা চিবিয়ে/চর্বণ করে খেতে হয় - চর্ব্য যা চুষে খেতে হয় - চোষ্য যা লেহন করে খেতে হয়/লেহন করার যোগ্য - লেহ্য যা পান করতে হয়/পান করার যোগ্য - পেয় যা পানের অযোগ্য - অপেয় যা বপন করা হয়েছে - উপ্ত যা বলা হয়েছে - উক্ত যার অন্য উপায় নেই - অনন্যোপায় যার কোন উপায় নেই - নিরুপায় যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে - প্রত্যুৎপন্নমতি যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে - সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই - অকুতোভয় যার আকার কুৎসিত - কদাকার যার কোন শত্রু নেই/জন্মেনি - অজাতশত্রু যার দাড়ি/শ্মশ্রু জন্মে নি - অজাতশ্মশ্রু যার কিছু নেই - অকিঞ্চন যে কোন বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে - বীতস্পৃহ যে শুনেই মনে রাখতে পারে - শ্রুতিধর যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে - উদ্বাস্তু যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় - স্বয়ংবরা যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না - বনস্পতি যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়ে মরে - হাতুড়ে যে নারীর সন্তান বাঁচে না/যে নারী মৃত সন্তান প্রসব করে - মৃতবৎসা যে গাছ অন্য কোন কাজে লাগে না - আগাছা যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে - পরগাছা যে পুরুষ বিয়ে করেছে - কৃতদার যে মেয়ের বিয়ে হয়নি - অনূঢ়া যে ক্রমাগত রোদন করছে - রোরুদ্যমান (স্ত্রীলিঙ্গ - রোরুদ্যমানা) যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না - অপরিণামদর্শী যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে/অগ্র পশ্চাত বিবেচনা না করে কাজ করে যে - অবিমৃশ্যকারী যে বিষয়ে কোন বিতর্ক/বিসংবাদ নেই - অবিসংবাদী যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ - শ্বাপদসংকুল যিনি বক্তৃতা দানে পটু - বাগ্মী যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় - সর্বংসহা যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে - বীরপ্রসূ যে নারীর কোন সন্তান হয় না - বন্ধ্যা যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে - কাকবন্ধ্যা যে নারীর স্বামী প্রবাসে আছে - প্রোষিতভর্তৃকা যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে আছে - প্রোষিতপত্নীক যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর - সুদর্শন (স্ত্রীলিঙ্গ - সুদর্শনা) যে রব শুনে এসেছে - রবাহুত যে লাফিয়ে চলে - প্লবগ যে নারী কখনো সূর্য দেখেনি - অসূর্যম্পশ্যা যে নারীর স্বামী মারা গেছে - বিধবা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে - নবোঢ়া লাভ করার ইচ্ছা - লিপ্সা শুভ ক্ষণে জন্ম যার - ক্ষণজন্মা শত্রুকে/অরিকে দমন করে যে - অরিন্দম শত্রুকে বধ করে যে - শত্রুঘ্ন সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা - প্রত্যুদ্গমন সকলের জন্য প্রযোজ্য - সর্বজনীন সকলের জন্য হিতকর - সার্বজনীন স্ত্রীর বশীভূত হয় যে - স্ত্রৈণ সেবা করার ইচ্ছা - শুশ্রুষা হনন/হত্যা করার ইচ্ছা - জিঘাংসা হরিণের চামড়া - অজিন হাতির ডাক - বৃংহতি
"রূপ্সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়’ কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন?
Correct Answer:
গ: রূপসা নদী
Explanation:
"রূপ্সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়’ কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন? সঠিক উত্তর রূপসা নদী পাতা:রুপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশেকুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল - ছায়ায়;হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসেজলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে;হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে;হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে;রূপ্সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালেডিঙা বায়;—রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়েদেখিবে ধবল বক: আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে–
কালবৈশাখীর ইংরেজি -
Correct Answer:
গ: North Westerlies
Explanation:
কালবৈশাখীর ইংরেজি - সঠিক উত্তর North Westerlies কাল বৈশাখী /noun/ northwester; nor'wester; north - wester; Nor' wester; Nor' westerly; /প্রতিশব্দ/ কালবৈশাখী;
খনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে -
Correct Answer:
খ: কৃষি
Explanation:
খনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে - সঠিক উত্তর কৃষি পুবে ধনু নিত্য ঝরাখনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে - কৃষি পুবে ধনু নিত্য ঝরা পচ্চিমে ধনু নিত্য খরা (খনার এ বচনে বলা হয়েছে, আষাঢ় - শ্রাবণ মাসে পুব আকাশে রংধনু দেখা দিলে বৃষ্টি হবে এবং পশ্চিমে দেখা গেলে খরা হবে।১) ‘খনা’ কি ‘খনার বচন’ নিয়ে বিদ্যমান আলাপ কি নথিতে আমরা বরাবর ছকবদ্ধ কিছু একরৈখিক ধরন ও সূত্র দেখতে পাই। যদিও খনা কি খনার বচন নিয়ে গুরুত্ব তৈরি করার মতো লেখালেখি আমাদের নাগাল কি হদিসে তেমন একটা নেই। মহামতি খনা তাঁর অমর সৃষ্টি ‘খনার বচনের’ ভেতর দিয়েই আমাদের ইতিহাসে জোরদার দৃশ্যমানতা তৈরি করেছেন। হয়তো সেই কারণেই খনাবিষয়ক আলোচনায় প্রধান হয়ে ওঠে কেবল তাঁর বচনসমূহ। বচনভিন্ন খনা বারবার আমাদের অধিপতি আলাপের ঘেরাটোপ থেকে বিচ্ছিন্ন কি অদৃশ্য হয়ে যান বা তাঁকে আড়াল করে রাখা হয়। এমনকি খনার বচন নিয়ে আলাপের সূত্রগুলো তাঁর বচনের ‘কৃষি ও আবহাওয়ার সম্বন্ধকে’ এমন কায়দায় উপস্থাপন করে বারবার, যেখান থেকে আমরা খনার বচনের বিজ্ঞান - দর্শন নয় কেবল ‘কৃষি কি আবহাওয়ার উপযোগিতামূলক পরামর্শই’ ঠাহর করতে পারি। সচরাচর খনার ‘বিদুষী’, ‘জ্যোতিষী’, ‘কৃষি বচন রচয়িতা’, ‘কিংবদন্তি’ ইত্যাদি পরিচয় নির্মাণেরই চল প্রতিষ্ঠিত। ‘খনার বচনও’ সচরাচর ‘লোকসংস্কৃতির’ এক প্রবল বলপ্রয়োগে বন্দী, যেখান থেকে নিম্নবর্গের রূপান্তরধর্মী জীবন কি আখ্যানের কোনো আন্দাজ পাওয়া যায় না। খনা কি খনার বচন নিয়ে যত ধরনের লেখালেখি হাতের নাগালে পাওয়া যায়, সেসব লেখালেখির ধরন ও কাঠামো প্রায় একই। প্রচলিত নথিগুলো পয়লা খনার জন্মবৃত্তান্ত বর্ণনা করে (যা জন্মরহস্য বলে একধরনের দক্ষিণ এশীয় ফ্যান্টাসি তৈরি করে), পরবর্তীতে তাঁর একধরনের ‘সংক্ষিপ্ত জীবনী’ তুলে ধরে। এসব জীবনীর একটা প্রধান অংশজুড়েই খনাকে পরিবারকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে টেনে টেনে সামাজিকীকরণ করা হয়। খনার শ্বশুর, স্বামী, রাক্ষসপুরীতে বড় হওয়া ও জ্যোতিষজ্ঞান লাভ, রাজদরবার সব মিলিয়ে খনাকে ‘প্রকাশ’ করা হয়। রয়েছে খনার জন্মস্থান বিতর্ক এবং বচনের ভাষিক বাহাস। তারপর খনার বচনগুলোর একটা সংকলন তুলে দেওয়া হয়। ছন্দোবদ্ধ বচনটির পর একটি বর্ণনামূলক মানে দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বচনগুলো শ্রেণীকরণ করে ব্যবহূত হতে দেখা যায়। যেমন, কৃষিবিষয়ক বচন, তিলতত্ত্ব, হলুদবিষয়ক, কচুবিষয়ক, বৃষ্টি গণনা, কলার চাষবিষয়ক ইত্যাদি। খনার এক বচন ছাড়া প্রচলিত অধিকাংশ রচনায় খনাকে ‘ইতিহাসের এক নিষ্ক্রিয় ও প্রতিরোধহীন’ ব্যক্তি হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে ‘খনার জিহ্বা কেটে নেওয়ার ঘটনাকে’ পুরুষতান্ত্রিক নিপীড়ন ও নারীর জ্ঞানকে প্রান্তিক করে তোলার উদাহরণ হিসেবে ব্যাখা দেওয়া হয়। কেউ কেউ খনার বচনের ‘জনমত’ ও গ্রহণযোগ্যতাকেও প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। সবকিছু মিলিয়ে অধিপতি জ্ঞানকাণ্ডের খনা - ভাবনাসমূহ খনা কি খনার বচনকে ‘লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ কৃষিসমাজের বিষয়’ হিসেবে এক প্রশ্নহীন অপরত্বের২ মোড়কে সমাজ রূপান্তরের ধারাপাত থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, নিম্নবর্গের যাপিতজীবন ও রাষ্ট্রবিকাশের আখ্যান থেকে খনা কি খনাদের সৃষ্টি ও দর্শনকে ‘অস্বীকৃত’ ও ‘অবাঞ্ছিত’ করে রাখা হয়। যাপিতজীবনের দেনদরবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে খনাদের ‘ধরাছোঁয়ার বাইরের অচিন রূপকথা কি নাগালহীন কিংবদন্তি’ করে তোলা হয়। ক্ষমতাবানদের রচিত ইতিহাসে কেবল খনা নয়, উলগুলান বা মুণ্ডা বিদ্রোহের কারিগর বীরসা মুণ্ডা কি হুল বা সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতা ফুলমণি মুর্মুদেরও এভাবেই ‘অপর’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। নিরন্তর বিজ্ঞানমনস্কতা কি সামাজিক বোঝাপড়া দিয়ে তখন এসব চরিত্র কি তাদের চিন্তা ও দর্শন নিম্নবর্গের নাগালের বাইরে থেকে যায়। আর সেখান থেকেই আজকের আলাপখানি৩ শুরু করতে চাইছি। খনা ও খনার বচনের বিজ্ঞান - দর্শনকে আজকের আলাপে বোঝার চেষ্টা করব। আলাপের সূত্র ধরে খনার বৃত্তান্ত, প্রচলিত আখ্যান ও কাহিনিগুলো আমাদের টানতে হবে ক্ষমতার রাজনীতি ও ইতিহাসের বৈষম্যের ব্যাকরণকে স্পষ্ট করার জন্য। আলাপের ক্ষেত্রে একটা রাজনৈতিক তাত্ত্বিক পাটাতন অনেকখানি জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। নিম্নবর্গের প্রতিরোধী জ্ঞানকাণ্ডের বিজ্ঞানমনস্কতা আলাপের অলিগলি ঘুরতে আমাদের টানটান রাখবে। প্রতিবেশ - নারীবাদী৪ তত্ত্ব - তালাশের ভেতর দিয়ে চলতি আলাপ তার আসর জমানোর মানত করেছে। বাংলা ও ইংরেজিতে প্রকাশিত খনা ও খনার বচন নিয়ে লেখালেখিগুলোর প্রায় গরিষ্ঠভাগই (যা পাওয়া গেছে এ শর্তকে মেনে) চলতি আলাপে টেনে আনা হয়েছে। খনার বচনের ক্ষেত্রে নিজস্ব সংগ্রহ, রাস্তা কি মেলাতে বিক্রীত বই থেকে শুরু করে গবেষণা পুস্তক - জার্নাল - পত্রিকা - সাময়িকী এবং ওয়েবদুনিয়াতে যা পাওয়া গেছে তা - ও গুরুত্ব দিয়ে আলাপের সঙ্গী হয়েছে। খনার বচন এবং খনার বিজ্ঞান - দর্শনকে জানতে - বুঝতে দেশের নানান প্রান্তে গ্রামীণ জনপদে নিম্নবর্গের বাহাস ও দেনদরবার কাজে লেগেছে। নিম্নবর্গের এই প্রজ্ঞা ও গতিই বিজ্ঞানের সত্যকে প্রকাশ করে, খনার বচন কি খনার দর্শন জীবনব্যাপী যে সত্যের সীমানা তৈরি করেছে। চলতি আলাপ থেকে আমরা অধিপতি জ্ঞানকাণ্ডের ক্ষমতার বলপ্রয়োগ ও নিম্নবর্গের জ্ঞানদুনিয়ার প্রান্তিকীকরণ ও নিরন্তর টিকে থাকার লড়াইয়ের ধরনটিও বোঝার চেষ্টা করব। কারণ খনা ও খনার বচনকে দাবিয়ে রাখার মৌলিক সূত্র ও কারণ ক্ষমতার রাজনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ।
মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: বিষাদ সিন্ধু
Explanation:
মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর বিষাদ সিন্ধু তাঁর পুরো নাম সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
কোনটি ‘দুস্থ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ?
Correct Answer:
ক: দুঃ+থ
‘মা গো ভাবনা কেন’ / আমার তোমার শান্তিপ্রিয় ‘ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গানটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার
Explanation:
‘মা গো ভাবনা কেন’ / আমার তোমার শান্তিপ্রিয় ‘ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গানটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার 'মা গো ভাবনা কেন/আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে'—মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গানটির রচয়িতা - গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। 'মা গো ভাবনা কেন/আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে'—মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গানটির রচয়িতা গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার।
ধ্বনি হলো –
Correct Answer:
ক: ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ
Explanation:
ধ্বনি হলো – সঠিক উত্তর ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে উপাদানসমূহ পাওয়া যায় সেগুলোকে পৃথকভাবে ধ্বনি বলে। ধ্বনির সঙ্গে সাধারণত অর্থের সংশ্লিষ্টতা থাকে না, ধ্বনি তৈরি হয় বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে। ধ্বনি তৈরিতে যেসব বাগ্ - প্রত্যঙ্গ সহায়তা করে সেগুলো হলো ফুসফুস, গলনালি, জিহ্বা, তালু, মাড়ি, দাঁত, ঠোঁট, নাক ইত্যাদি।
‘পৃথিবীতে কে কাহার’? এই বাক্যে ‘পৃথিবীতে’ পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
Explanation:
‘পৃথিবীতে কে কাহার’? এই বাক্যে ‘পৃথিবীতে’ পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন - বাড়িতে কেউ নেই। (আধারাধিকরণ)বসন্তে কোকিল ডাকে। (কালাধিকরণ)সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। (ভাবাধিকরণ)
’ফল পাকলে যে গাছ মনে যায়’ তাকে এক কথায় বলে-
Correct Answer:
ক: ওষধি
Explanation:
’ফল পাকলে যে গাছ মনে যায়’ তাকে এক কথায় বলে- সঠিক উত্তর ওষধি যে সব গাছের ঔষধি গুণ আছে, তাকে ঔষধি গাছ বলা হয়। যেমন তুলসী, বাসব, প্রভৃতি। আর যে সব গাছ একবার ফল দিয়ে মারা যায় তাদের ওষধি গাছ বলে যেমন ধান, গম, কলা, ভুট্টা প্রভৃতি।
‘খাইবার ইচ্ছা’ এক কথায়-
Correct Answer:
খ: বুভুক্ষা
`নীল যে পদ্ম. নীল পদ্ম’ কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: কর্মধারয় সমাস
‘সমুদ্র’ শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: জলধি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
Correct Answer:
খ: ১৭ মার্চ ১৯২০
‘কাকনিন্দ্রা’ শব্দটির অর্থ কী?
Correct Answer:
ক: অগভীর সতর্ক নিদ্রা
‘লেক্সিকোগ্রাফি’ কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে?
Correct Answer:
ঘ: অভিধানতত্ত্ব
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ কয়টি?
Correct Answer:
ক: ১টি
Explanation:
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ কয়টি? সঠিক উত্তর ১টি বর্ণের মাত্রাসংখ্যাস্বরবর্ণব্যঞ্জনবর্ণমাত্রাহীন বর্ণ১০টি৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ)৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)অর্ধমাত্রার বর্ণ৮টি১টি (ঋ)৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)পূর্ণমাত্রার বর্ণ৩২টি৬টি (অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ)২৬টি
‘অপমান’ শব্দের ‘অপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত ?
Correct Answer:
ক: বিপরীত
‘আপন ভালো পাগলেও বোঝে’ এখানে ভালো কোন পদ?
Correct Answer:
ক: বিশেষণ
Explanation:
‘আপন ভালো পাগলেও বোঝে’ এখানে ভালো কোন পদ? সঠিক উত্তর বিশেষণ বিশেষ্য হবে
কোনটি ‘উচাটন’ শব্দের সমার্থক শব্দ?
Correct Answer:
ক: উৎকণ্ঠা
‘উড়নচন্ডী’ বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: অমিতব্যয়ী
এক কথায় প্রকাশ করুন ‘ যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই?
Correct Answer:
ঘ: অবীরা
‘হুলিয়া’ কবিতাটি কার লিখা?
Correct Answer:
খ: নির্মলেন্দ গুণ
‘ইট-পাথরের দালান' এখানে ‘ইট-পাথরের'কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: করণে ষষ্ঠী
Explanation:
‘ইট-পাথরের দালান' এখানে ‘ইট-পাথরের'কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর করণে ষষ্ঠী কিসের দ্বারা তৈরি দালান? = ইট-পাথর (করণ কারক)
' সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন' বাক্যটির শুদ্ধরূপ কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: খ ও গ উভয়েই
Explanation:
[সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন - বাক্যটির শুদ্ধ রূপ: ১/সকল সভ্য এখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রদত্ত বাক্যটি সঠিক কারণ এখানে বহুবচনের (সকল) ব্যবহার একবার হয়েছে। ২/ সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রদত্ত বাক্যটি সঠিক কারণ এখানেও বহুবচন ( গণ) একবার ব্যবহার করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর অপশন (খ) এবং (গ)।]
”আগুনের পরশমণি” চলচ্চিত্র পটভূমি কি?
Correct Answer:
খ: মুক্তিযুদ্ধ
Explanation:
['আগুণের পরশমণি' চলিচ্চিত্রের পটভূমি 'মুক্তিযুদ্ধ'। হুমায়ূন আহমেদ তার 'আগুণের পরশমণি' উপন্যাস থেকে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।]
কোন জোড়াটি ভিন্নার্থক ?
Correct Answer:
ঘ: অন্ধের যষ্টি- অক্কা পাওয়া
Explanation:
[বকধার্মিক ও বিড়াল তপস্বী অর্থ অসাধু বা ভন্ড লােক। মণিকাঞ্চন যােগ ও সােনায় সােহাগা অর্থ উপযুক্ত মিলন। ব্যাঙের আধুলি সামান্য ধনে অহংকার এবং ব্যাঙের সর্দি হলাে অসম্ভব ঘটনা। অন্যদিকে অন্ধের যষ্ঠি অর্থ একমাত্র সম্বল এবং অক্কা পাওয়া অর্থ মারা যাওয়া।]
বিধবাবিবাহ রহিতকরণ বিষয়ে কে কলমযুদ্ধ শুরু করেন?
Correct Answer:
ঘ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
[ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেন। ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই আইন প্রণয়ন করা হয়। রাজকৃষ্ণ বন্দোপাধ্যায় এর বাড়িতে ১৮৫৬ সালের ৭ ডিসেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহ সম্পন্ন হয়।]
বজ্রে তার বাজে বাঁশি- কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
Correct Answer:
ক: অপাদানে ৭মী
Explanation:
[যা থেকে কিছু জাত, বিচ্যুত, গৃহীত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকেই অপাদান কারক বলে। যেমন: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে; বাঘকে ভয় পায় না কে? ইত্যাদি।]