Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
শ্রীরামপুরের মিশনারিরা স্মরণীয় যে জন্য--
Correct Answer:
খ: প্রথম বাংলায় মুদ্রণ
Explanation:
শ্রীরামপুরের মিশনারিরা স্মরণীয় যে জন্য-- সঠিক উত্তর প্রথম বাংলায় মুদ্রণ শ্রীরামপুরের মিশনারিরা স্মরণীয় যে জন্য - - প্রথম বাংলায় মুদ্রণ। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস উনিশ শতকের গোড়ার দিকে ব্রিটিশ ভারতে স্থাপিত একটি ছাপাখানা। ১৮০০ সালের ১০ জানুয়ারি অধুনা পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুরে স্থাপিত হয় শ্রীরামপুর মিশন। ওই বছরই মার্চ মাসে উইলিয়াম কেরি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস নামে ছাপাখানাটি খোলেন। এই মাসেই পঞ্চানন কর্মকারের সহযোগিতায় প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ মথী রচিত মঙ্গল সমাচার ছাপা হয় মিশন প্রেস থেকে। উইলিয়াম কেরি অনূদিত বাইবেল প্রকাশ করেন এই প্রেস। তাছাড়া রামায়ণ, মহাভারত, সমাচার দর্পণ ও দিগদর্শন পত্রিকাও শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়।
"বনফুল" কার ছদ্মনাম ?
Correct Answer:
ক: বলাইচাদ মুখোপাধ্যায়ের
Explanation:
"বনফুল" কার ছদ্মনাম ? সঠিক উত্তর বলাইচাদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনামটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের (১৮৯৯ - ১৯৪৬) খ্রি। এছাড়াও 'পদ্মভূষণ' উপাধিতে ও তিনি পরিচিত। প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্রথম চৌধুরীর (১৮৬৮ - ১৯৪৬) খ্রি। ছদ্মনাম 'বীরবল' । বিশিষ্ট কবি ,প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক মোহিতলাল মজুমদারের (১৮৮৮ - ১৯৫২) খ্রি ছদ্মনাম 'সত্যসুন্দর দাস'। বিশিষ্ট কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচীর (১৮৭৮ - ১৯৪৮) খ্রি বিশেষ কোনো ছদ্মনাম নেই।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কি ?
Correct Answer:
খ: মুক্তি
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কি ? সঠিক উত্তর মুক্তি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম মুক্তি। ‘মুক্তি’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলাম রচনা করেন। এ কবিতায় হাত বাঁধা ফকির অর্থাৎ ফকির দরবেশের প্রতি নজরুলের আকর্ষণের পরিচয় বহন করে। প্রথম প্রকাশিত এই ‘মুক্তি’ কবিতাটি নির্ঝর কাব্যগ্রন্থে সন্নিবেশিত হয়েছে। এটি নজরুলের দ্বিতীয় প্রকাশিত রচনা ও প্রথম প্রকাশিত কবিতা।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস--
Correct Answer:
খ: বাঁধনহারা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস-- সঠিক উত্তর বাঁধনহারা বাঁধন হারা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি পত্রোপন্যাস। বাঁধন হারা নজরুল রচিত প্রথম উপন্যাস। করাচিতে থাকাকালীন তিনি 'বাঁধন হারা' উপন্যাস রচনা শুরু করেন। মোসলেম ভারত পত্রিকায় বাঁধন হারা - র প্রথম কিস্তি এবং ১৯২১ সালে (১৩২৭ বঙ্গাব্দ) ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। ১৯২৭ সালে জুন মাসে (শ্রাবণ, ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ) এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
'ক' থেকে 'ম' পর্যন্ত ২৫টি ব্যঞ্জনবর্ণকে বলে ___
Correct Answer:
গ: বর্গীয় বর্ণ
Explanation:
'ক' থেকে 'ম' পর্যন্ত ২৫টি ব্যঞ্জনবর্ণকে বলে ___ সঠিক উত্তর বর্গীয় বর্ণ স্পর্শধ্বনি/ বর্গীয় ধ্বনি (বর্গগুলো এই পর্যন্ত সীমিত) নাম উচ্চারণ প্রণালী অঘোষ ঘোষ নাসিক্য অঘোষ অঘোষ ঘোষ অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ মহাপ্রাণ ক - বর্গীয় ধ্বনি (কণ্ঠ্য ধ্বনি) জিহবার গোড়া নরম তালুর পেছনের অংশ স্পর্শ করে ক খ গ ঘ ঙ চ - বর্গীয় ধ্বনি (তালব্য ধ্বনি) জিহবার অগ্রভাগ চ্যাপ্টা ভাবে তালুর সামনের দিকে ঘষা খায় চ ছ জ ঝ ঞ য য় শ ট - বর্গীয় ধ্বনি (মূর্ধন্য ধ্বনি) জিহবার অগ্রভাগ কিছুটা উল্টিয়ে ওপরের মাড়ির গোড়ার শক্ত অংশ স্পর্শ করে ট ঠ ড ঢ ণ র ড় ঢ় ষ ত - বর্গীয় ধ্বনি (দন্ত্য ধ্বনি) জিহবা সামনের দিকে এগিয়ে ওপরের দাঁতের পাটির গোড়া স্পর্শ করে ত থ দ ধ ন ল স প - বর্গীয় ধ্বনি (ওষ্ঠ্য ধ্বনি) দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠ ও অধর জোড়া লেগে উচ্চারিত হয় প ফ ব ভ ম ঃ হ
কর দান করে যে __
Correct Answer:
ক: করদ
Explanation:
কর দান করে যে __ সঠিক উত্তর করদ ব্যাখাঃ কর দান করে যে এক কথায় বলা হয় " করদ "
'খোয়াবনামা' উপন্যাসের রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
ঘ: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
Explanation:
'খোয়াবনামা' উপন্যাসের রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত উপন্যাসঃ চিলে কোঠার সেপাই, খোয়াবনামা।
বাংলা ভাষার প্রধান রুপ দুটি কি কি ?
Correct Answer:
গ: মৌখিক ও লৈখিক
Explanation:
বাংলা ভাষার প্রধান রুপ দুটি কি কি ? সঠিক উত্তর মৌখিক ও লৈখিক বাংলা ভাষার প্রধান রুপ দুটি মৌখিক ও লৈখিক। বাংলা ভাষা প্রধান বা মৌলিক রূপ দুইটি । যথা - লৈখিক রূপ এবং মৌখিক । লেখার রীতি ভাষার মৌলিক রীতি। বাংলা চাষার প্রকারভেদ বা রীতিভেদ নিচের চিত্রের মাধ্যমে দেখানো যায় - লৈখিক রূপ কে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে । ১) সাধু, ২ ) চলিত মৌখিক রূপ কে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে । ১) চলিত ২) আঞ্চলিক ( উপভাষা )
কোনটি তৎসম শব্দ ?
Correct Answer:
গ: ধর্ম
Explanation:
কোনটি তৎসম শব্দ ? সঠিক উত্তর ধর্ম তৎসম শব্দঃ চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, মনুষ্য, ধর্ম, পাত্র, মস্তক, অন্ন, গৃহ, চরণ, তৃণ, অগ্রহায়, ভাষা।
Break - এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: Smash
Explanation:
Break - এর সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর Smash Break : verb: break; 3rd person present: breaks; past tense: broke; gerund or present participle: breaking; past participle: broken separate or cause to separate into pieces as a result of a blow, shock, or strain. "the branch broke with a loud snap" Similar: shatter, smash, smash to smithereens, crack, snap, fracture.
গুরুচান্ডলী দোষমুক্ত কোনটি?
Correct Answer:
গ: শবদাহ
Explanation:
গুরুচান্ডলী দোষমুক্ত কোনটি? সঠিক উত্তর শবদাহ গুরুচণ্ডালী দোষ : সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা বাংলা ভাষারই দুটো রীতি। এক রীতির সাথে অন্য রীতি মিলিয়ে ফেললে ভাষা অসুন্দর হয়, ভাষা রীতিতে ত্রুটি ঘটে। সাধু ও চলিত ভাষার ত্রুটিপূর্ণ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: শব পোড়া বা পোড়া মরা - এইগুলা গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। শব মানে মরা, দাহ মানে পোড়ানো। তাই সঠিক উত্তর - শবদাহ।
মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা কোনটি?
Correct Answer:
গ: মঙ্গলকাব্য
Explanation:
মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা কোনটি? সঠিক উত্তর মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা মঙ্গলকাব্য। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য - কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকে বলা হয় মঙ্গলকাব্য। ১৭০০ সালের শেষের পর্যায়ে মঙ্গলকাব্য সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে। মাজিলপুর শহরে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা যায় যে এই অঞ্চলে মঙ্গলকাব্য রচিত ও প্রচারিত হবার পর থেকে শিব মন্দিরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছিল।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ আলী আহসান
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক সৈয়দ আলী আহসান। সৈয়দ আলী আহসান (২৬ মার্চ ১৯২২ - ২৫ জুলাই ২০০২) বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক, কবি, সাহিত্য সমালোচক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। তিনি তাঁর পাণ্ডিত্যের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। সৈয়দ আলী আহসানকৃত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ সরকারি ভাষান্তর হিসাবে স্বীকৃত।
কোনটি হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনীগ্রন্থ?
Correct Answer:
খ: মরুভাষ্কর
Explanation:
কোনটি হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনীগ্রন্থ? সঠিক উত্তর মরুভাষ্কর হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনীগ্রন্থ মরুভাষ্কর। বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নবী - চরিতসমূহের মধ্যে মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর ‘মরু - ভাস্কর' অন্যতম। মননশীল গদ্য লেখক হিসাবে মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর খ্যাতি সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। স্বচ্ছ চিন্তাধারা এবং সাবলীল ভাষার অধিকারী হিসাবে তাঁর খ্যাতির একটা বড় দলিল এই মরু - ভাস্কর'। চল্লিশের দশকের প্রথম দিকে এটি কলিকাতার 'বুলবুল পাবলিশিং হাউস | হতে প্রথম প্রকাশিত হবার সাথে সাথেই বিদধজনের মুধ দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়।
' বীরবলেরর হালখাতা' গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: প্রবন্ধ
Explanation:
' বীরবলেরর হালখাতা' গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর প্রবন্ধ 'বীরবলেরর হালখাতা' গ্রন্থটি প্রবন্ধ জাতীয় রচনা। বীরবলের হালখাতা লিখেছেন প্রমথ চৌধুরী “আমরা ও তোমরা” রম্যরচনাটি প্রথম প্রকাশিত হয় “ভারতী” পত্রিকার শ্রাবণ ১৩০৯ সংখ্যায়। পরবর্তীকালে লেখকের “বীরবলের হালখাতা” গ্রন্থে (প্রকাশকাল ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯১৭) এটি সংকলিত হয়। আবার ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত অতুলচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত “প্রবন্ধসংগ্রহ” - এর দ্বিতীয় খণ্ডে রচনাটি ‘বিবিধ’ অংশে গ্রন্থিত হয়।
মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য?
Correct Answer:
ক: ইউসুফ জুলেখা
Explanation:
মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য? সঠিক উত্তর ইউসুফ জুলেখা মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য ইউসুফ জুলেখা। ইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।
'অদিতি' শব্দের অর্থ কি?
Correct Answer:
ঘ: অবনী
Explanation:
'অদিতি' শব্দের অর্থ কি? সঠিক উত্তর অবনী অদিতি শব্দের অর্থ - অবনী, পৃথিবী, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, ভুবন, মেদিনী, মহী, বসুন্ধরা, বসুধা, বসুমতী, দুনিয়া ইত্যাদি। তাই উত্তর হবে - অদিতি।
'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: দ্বিজ কানাই
Explanation:
'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর দ্বিজ কানাই 'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা দ্বিজ কানাই। দ্বিজ কানাই হলেন একজন মধ্যযুগের কবি। দ্বিজ কানাই পূর্ব ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। দল গঠন করে তিনি তৎকালীন লোকনাট্যরীতিতে নাটকের অভিনয় করিয়েছিলেন। বাংলার লোকগীতি বা গীতিকার ইতিহাস অনেক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। কবি দ্বিজ কানাই প্রণীত "মহুয়া" পালাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গীতিকা ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য সম্পদ। দ্বিজ কানাই প্রায় ৩৭০ বছর পূর্বে এই পালাগানটি রচনা করেন, যা বর্তমানে 'নদের চাঁদ ও মহুয়া'র পালা বা গাথা নামে পরিচিত। এটি একটি দৃশ্য কাব্য (প্রাচীন পল্লীনাটিকা)। মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে এটি অন্যতম।
পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে কি বলে ?
Correct Answer:
ক: সন্ধি
Explanation:
পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে কি বলে ? সঠিক উত্তর সন্ধি পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি বাংলা ব্যাকরণে শব্দগঠনের একটি মাধ্যম। এর অর্থ মিলন। অর্থাত্ দুটি শব্দ মিলিয়ে একটি শব্দে পরিণত হওয়াকে বা পরস্পর সন্নিহিত দু' বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি মোটাদাগে দু'প্রকার। ১)বাংলা শব্দের সন্ধি। এটা দুই প্রকার;যথাঃ ১.স্বরসন্ধি ২.ব্যঞ্জনসন্ধি। ২) সংস্কৃত শব্দের সন্ধি। এটা তিন প্রকার; যথাঃ ১.স্বরসন্ধি, ২.ব্যঞ্জন সন্ধি এবং ৩.বিসর্গ সন্ধি।
তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি। -কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
ক: যৌগিক
Explanation:
তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি। -কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর যৌগিক তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি। এটি একটি যৌগিক বাক্য। যৌগিক বাক্যঃ পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা দুয়ের অধিক বাক্য যখন কোনো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - সে দরিদ্র, কিন্তু সুখী।
আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত কে?
Correct Answer:
গ: মীর মোশারফ হোসেন
Explanation:
আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত কে? সঠিক উত্তর মীর মোশারফ হোসেন আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত মীর মোশারফ হোসেন। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
'বৃষ্টি' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কি হবে ?
Correct Answer:
ঘ: বৃষ + তি
Explanation:
'বৃষ্টি' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কি হবে ? সঠিক উত্তর বৃষ + তি ব্যাখাঃ বৃষ্টি এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ বৃ্ষ্টি = বৃষ + তি
পল্লী কবি জসিমউদদীন কত সালে মারা যান?
Correct Answer:
গ: ১৯৭৬
Explanation:
পল্লী কবি জসিমউদদীন কত সালে মারা যান? সঠিক উত্তর ১৯৭৬ পল্লী কবি জসিমউদদীন ১৯৭৬ সালে মারা যান। তিনি ১৪ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তার শেষ ইচ্ছা অনুসারে তাকে ফরিদপুর জেলার আম্বিকাপুর গ্রামে তার দাদীর কবরের পাশে দাফন করা হয়। গোবিন্দপুরে প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে তার জন্মদিনকে স্মরণ করে জসীম মেলা নামে একটি পাক্ষিক উৎসব উদযাপন করা হয়। তার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হলের নামকরণ করা হয়েছে।
নাটিকা কোন অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ ?
Correct Answer:
গ: ক্ষুদ্রার্থে
Explanation:
নাটিকা কোন অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ ? সঠিক উত্তর ক্ষুদ্রার্থে ক্ষুদ্রার্থে গঠিত স্ত্রী - বাচক শব্দঃ নাটিকা, মালিকা, গীতিকা, পুস্তিকা
কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না ?
Correct Answer:
গ: মৌলিক শব্দ
Explanation:
কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না ? সঠিক উত্তর মৌলিক শব্দ মৌলিক শব্দকে বিশেষণ করা যায় না। যে - সব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আর কোন শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। অর্থাৎ, যে সব শব্দকে ভাঙলে আর কোন অর্থসঙ্গতিপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমনঃ গোলাপ, নাক, লাল, তিন, ইত্যাদি। এই শব্দগুলোকে আর ভাঙা যায় না, বা বিশ্লেষণ করা যায় না। আর যদি ভেঙে নতুন শব্দ পাওয়াও যায়, তার সঙ্গে শব্দটির কোন অর্থসঙ্গতি থাকে না। যেমন, উদাহরণের গোলাপ শব্দটি ভাঙলে গোল শব্দটি পাওয়া যায়। কিন্তু গোলাপ শব্দটি গোল শব্দ থেকে গঠিত হয়নি। এই দুটি শব্দের মাঝে কোন অর্থসংগতি নেই। তেমনি নাক ভেঙে না বানানো গেলেও নাক না থেকে আসেনি। অর্থাৎ, এই শব্দগুলোই মৌলিক শব্দ।
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে?
Correct Answer:
গ: বঙ্গকামরুপী
Explanation:
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে? সঠিক উত্তর বঙ্গকামরুপী বঙ্গকামরুপী ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দ থেকে বাংলায় হিন্দু ব্রাহ্মণগণ সংস্কৃত ভাষার চর্চা করত, কিন্তু স্থানীয় বৌদ্ধরা প্রাকৃত ভাষার কোন কোন রূপে (ভ্যারাইটি) কথা বলত, যাকে ডঃ সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন মাগধী প্রাকৃতের পূর্ব রূপ বা ভ্যারাইটি হিসেবে। গুপ্ত সাম্রাজ্যের সময়, বাংলা ছিল হিন্দু যাজক বা পুরোহিতদের জন্য সংস্কৃত সাহিত্যের একটি কেন্দ্র, যা স্থানীয়দের কথ্য ভাষাকে প্রভাবিত করে। প্রথম সহস্রাব্দে বাংলা যখন মগধ রাজ্যের একটি অংশ ছিল তখন মধ্য ইন্দো - আর্য উপভাষাগুলি বাংলায় প্রভাবশালী ছিল। এই উপভাষাগুলিকে মাগধী প্রাকৃত বলা হয় এবং এটি আধুনিক বিহার, বাংলা ও আসামে কথিত হত। এই ভাষা থেকে অবশেষে অর্ধ - মাগধী প্রাকৃতের বিকাশ ঘটে। প্রথম সহস্রাব্দের শেষের দিকে অর্ধ - মাগধী থেকে অপভ্রংশের বিকাশ ঘটে। সময়ের সাথে সাথে বাংলা ভাষা একটি স্বতন্ত্র ভাষা হিসেবে বিকশিত হয়।
'শ্রীযুক্ত' শব্দের বিপরীত শব্দ -
Correct Answer:
গ: শ্রীহীন
Explanation:
'শ্রীযুক্ত' শব্দের বিপরীত শব্দ - সঠিক উত্তর শ্রীহীন শ্রীযুক্ত—মহাশয়, মহোদয়, সম্পদশালী, ঐশ্বর্যবান, ভাগ্যবান। শ্রীহীন–শোভাসৌন্দর্যশূন্য, ভাগ্যহীন। শ্রীমতি - ভাগ্যবতী, সুন্দরী, সৌন্দর্যময়ী, যুবতী, রাধিকা। শ্রীযুক্তের স্ত্রীলিঙ্গ শ্রীমতি। কিন্তু বিপরীত শব্দ শ্রীহীন। সুতরাং সঠিক উত্তর (গ)।
'ধীর' শব্দের বিপরীত শব্দ -
Correct Answer:
খ: অধীর
Explanation:
'ধীর' শব্দের বিপরীত শব্দ - সঠিক উত্তর অধীর ধীর—ধৈর্যশীল, সহিষ্ণু, শোক ও ক্লেশাদিতে অভিভূত, মন্থর, মৃদু, অল্প, সামান্য, স্থির, চঞ্চলতাশূন্য, শান্ত, নম্র, বিনীত, স্থিরবুদ্ধি পণ্ডিত, জ্ঞানী, বিজ্ঞ। দ্রত—ক্ষিপ্ত, ত্বরান্বিত, সত্বর, তাড়াতাড়ি, শীঘ্র । অধীর—ধৈর্যহীন, অস্থির, চঞ্চল, অসহিষ্ণু, কাতর, ব্যাকুল, ব্যথ, উৎকণ্ঠিত। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)।
'ধনবান' শব্দের বিপরীত শব্দ -
Correct Answer:
ক: ধনহীন
Explanation:
'ধনবান' শব্দের বিপরীত শব্দ - সঠিক উত্তর ধনহীন ধনবান—ধনী, ধনশালী; ধনাঢ্য—ধনশালী, ধনী, বড়লোক, বহুধনবিশিষ্ট; ধনহীন দরিদ্র, নির্ধন। সুতরাং সঠিক উত্তর।
"উৎকর্ষ" শব্দের বিপরীত শব্দ -
Correct Answer:
খ: অপকর্ষ
Explanation:
"উৎকর্ষ" শব্দের বিপরীত শব্দ - সঠিক উত্তর অপকর্ষ উক্ত শব্দের অর্থ উদ্ধৃষ্টতা, শ্রেষ্ঠত্ব, উন্নতি, বৃদ্ধি, আধিক্য। অপকর্ষ শব্দের অর্থ নিকৃষ্টতা, হীনতা, অবনতি। উৎসর্গ শব্দের অর্থ বিসর্জন, স্বত্বত্যাগ, দান, কারো উদ্দেশ্যে নিবেদন, দেবতার উদ্দেশ্যে দান। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ) ।
'অম্বু' শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
ঘ: জল
Explanation:
'অম্বু' শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর জল অম্বু শব্দের অর্থ - পানি, বারি, জল, সলিল, অপ, পয়ঃ, উদক, নীর, পুষ্কর ইত্যাদি। অম্বু বা পানি জীবনের ভিত্তি। পানির অপর নাম জীবন।
কোন বাক্যে অতীত কাল বোঝানো হয়েছে ?
Correct Answer:
গ: সে কি গিয়েছিল ?
Explanation:
কোন বাক্যে অতীত কাল বোঝানো হয়েছে ? সঠিক উত্তর সে কি গিয়েছিল ? ‘সে কি গিয়েছিল?’ বাক্যটি দ্বারা অতীতকাল বোঝানো হয়েছে। যে ক্রিয়া আগে ঘটে গেছে তার কালকে অতীত কাল বলে। ‘আমি গিয়েছি’ও ‘তুমি যেতে থাক’ বাক্য দুটি বর্তমানকালের। যে ক্রিয়া বর্তমান সময়ে সম্পন্ন হয় তার কালকে বর্তমান কাল বলে।
কোন বাক্যে ভবিষ্যৎকাল বুঝানো হয়েছে?
Correct Answer:
ক: চেষ্টা কর বুঝতে পারবে
Explanation:
কোন বাক্যে ভবিষ্যৎকাল বুঝানো হয়েছে? সঠিক উত্তর চেষ্টা কর বুঝতে পারবে ‘চেষ্টা কর বুঝতে পারবে’ বাক্যে ভবিষ্যৎ কাল বোঝানো হয়েছে। যে ক্রিয়া পরে বা ভবিষ্যতে ঘটবে এরূপ বোঝালে তার কালকে ভবিষ্যৎ কাল বলে। ‘সদা সত্য কথা বলতে হবে’ ও ‘রোগ হলে ওষুধ খেতে হবে’ এ দুটি বাক্যের ক্রিয়ায় চিরন্তন সত্য কথা বলা হয়েছে। তাই এ দুটি ক্রিয়ার কাল বর্তমান। সুতরাং সঠিক উত্তর (ক)।
নিম্নের কোনটিতে বৃত্তি অর্থে ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে ?
Correct Answer:
খ: পোদ্দারী
Explanation:
নিম্নের কোনটিতে বৃত্তি অর্থে ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে ? সঠিক উত্তর পোদ্দারী বৃত্তি/ ব্যবসা অর্থে - ই/ ঈ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: ডাক্তার - ডাক্তারি মোক্তার - মোক্তারি পোদ্দার - পোদ্দারি ব্যাপার - ব্যাপারী চাষ - চাষী তাই সঠিক উত্তর : পোদ্দার - পোদ্দারি
দু'টি পদের সংযোগস্থলে কি বসে?
Correct Answer:
ক: ড্যাশ
Explanation:
দু'টি পদের সংযোগস্থলে কি বসে? সঠিক উত্তর ড্যাশ দু'টি পদের সংযোগস্থলে ড্যাশ বসে। কোলন (:) : একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে কোলন ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে উদাহারণ বোঝাতেও কোলন বহুল ব্যবহৃত। ড্যাস (—) : যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস বসে। কোলন ড্যাস (: - ) : উদাহারণ বোঝাতে আগে কোলন ড্যাস ব্যবহৃত হত। বর্তমানে উদাহারণ বোঝাতে শুধু কোলন বহুল ব্যবহৃত। হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন ( - ) : সমাসবদ্ধ পদগুলোকে আলাদা করে দেখানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
ব্যতিহার কর্তার উদাহরণ কোনটি ?
Correct Answer:
গ: বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়
Explanation:
ব্যতিহার কর্তার উদাহরণ কোনটি ? সঠিক উত্তর বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায় কোনো বাক্যে যে দুটো কর্তা একত্রে এক জাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে। যেমন উত্তর - - বাঘে মহিষে এক ঘাটে জল খায়।
ভাষার কোন রীতি পরিবর্তনশীল?
Correct Answer:
খ: চলিত রীতি
Explanation:
ভাষার কোন রীতি পরিবর্তনশীল? সঠিক উত্তর চলিত রীতি ভাষার চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান থাকে, তাকে চলিত ভাষা বলে। উদাহরণ: তারা কাজ করছে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমের বেড়ে গিয়েছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে সে জন্যই তাড়া।
লেখার সময় বিশ্রামের জন্য আমরা যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলোকে কি বলে?
Correct Answer:
খ: বিরাম চিহ্ন
Explanation:
লেখার সময় বিশ্রামের জন্য আমরা যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলোকে কি বলে? সঠিক উত্তর বিরাম চিহ্ন লেখার সময় বিশ্রামের জন্য আমরা যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলোকে বিরাম চিহ্ন বলে। বিরামচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন হল সেইসব সাংকেতিক চিহ্ন যেগুলো লেখ্যমাধ্যমে ব্যবহার করে বাক্যের বিভিন্ন ভাব, যেমন: জিজ্ঞাসা, বিস্ময়, সমাপ্তি ইত্যাদি সার্থকভাবে প্রকাশের মাধ্যমে বাক্যের অর্থ সুস্পষ্ট করা হয়। বাংলা ভাষায় ২০টির মতো যতিচিহ্ন রয়েছে। এদের মধ্যে বাক্যশেষে ব্যবহার্য যতিচিহ্ন ৪টি; বাক্যের ভিতরে ব্যবহার্য ১০টি এবং বাক্যের আগে পরে ব্যবহার্য ৬টি।
'মনমাঝি' -এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: মনরুপ মাঝি
Explanation:
'মনমাঝি' -এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি? সঠিক উত্তর মনরুপ মাঝি 'মনমাঝি' - এর সঠিক ব্যাসবাক্য মনরুপ মাঝি। উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে ও উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে 'রূপ' অথবা 'ই' যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়। যেমন: ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন চিহ্ন বসে ?
Correct Answer:
ক: কোলন
Explanation:
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন চিহ্ন বসে ? সঠিক উত্তর কোলন একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোলন চিহ্ন বসে। কোলন (:) : একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে কোলন ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে উদাহারণ বোঝাতেও কোলন বহুল ব্যবহৃত। ড্যাস (—) : যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস বসে। কোলন ড্যাস (: - ) : উদাহারণ বোঝাতে আগে কোলন ড্যাস ব্যবহৃত হত। বর্তমানে উদাহারণ বোঝাতে শুধু কোলন বহুল ব্যবহৃত। সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ (;): কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে, সেমিকোলন বসে। যেমন - আরাফি এসেছিল;কিন্তু খাবার খায়নি।
খাতক শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি ?
Correct Answer:
ক: মহাজন
Explanation:
খাতক শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি ? সঠিক উত্তর মহাজন খাতক বিপরীত শব্দ মহাজন
'খোদা আপনার মঙ্গল করুন' কি অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে ?
Correct Answer:
খ: প্রার্থনা
Explanation:
'খোদা আপনার মঙ্গল করুন' কি অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে ? সঠিক উত্তর প্রার্থনা খোদা আপনার মঙ্গল করুণ - - বাক্যটি প্রার্থনা অর্থে বেঝানো হয়েছে। অপশনের বাক্যগুলোর অর্থ ভিন্ন সুতরাং ' প্রার্থনা ' সঠিক উত্তর।
'উত্তম মধ্যম' বলতে কি বোঝায় ?
Correct Answer:
গ: প্রহার করা
Explanation:
'উত্তম মধ্যম' বলতে কি বোঝায় ? সঠিক উত্তর প্রহার করা উত্তম মাধ্যম একটি বাগধার। যার অর্থ প্রহার করা
বাংলা বর্ণমালায় 'ব্যঞ্জনবর্ন' হলো-
Correct Answer:
ক: ৩৯টি
Explanation:
বাংলা বর্ণমালায় 'ব্যঞ্জনবর্ন' হলো- সঠিক উত্তর ৩৯টি বাংলা বর্ণমালার বর্ণ সংখ্যা ৫০টি। এর মধ্যে ৩৯টি এ ব্যঞ্জনবর্ণ এবং ১১টি স্বরবর্ণ। মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে ৩২টি পূর্ণমাত্রার, ৮টি অর্ধমাত্রার এবং ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ।
বিরাম চিহ্ন কেন ব্যবহাত হয়?
Correct Answer:
খ: বাক্যের অর্থ স্পষ্টীকরনের জন্য
Explanation:
বিরাম চিহ্ন কেন ব্যবহাত হয়? সঠিক উত্তর বাক্যের অর্থ স্পষ্টীকরনের জন্য বিরাম চিহ্ন ব্যবহার হয় বাক্যের অর্থ স্পষ্টীকরনের জন্য। বিরামচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন হল সেইসব সাংকেতিক চিহ্ন যেগুলো লেখ্যমাধ্যমে ব্যবহার করে বাক্যের বিভিন্ন ভাব, যেমন: জিজ্ঞাসা, বিস্ময়, সমাপ্তি ইত্যাদি সার্থকভাবে প্রকাশের মাধ্যমে বাক্যের অর্থ সুস্পষ্ট করা হয়। আমরা যখন কথা বলি তখন সবগুলো বাক্য একযোগে না বলে থেমে থেমে বলি। অনেক সময় আবেগ প্রকাশ করি। কিন্তু বাক্য লিখে প্রকাশ করার সময় বিরতি ও আবেগ নির্দেশ করতে যতিচিহ্নের প্রয়োজন হয়। বাক্যে যতিচিহ্নের অশুদ্ধ ব্যবহার ক্ষেত্রবিশেষে অর্থবিকৃতি ঘটাতে পারে।
কোন বাগধারাটির অর্থ চির অশান্তি?
Correct Answer:
গ: রাবনের চিতা
Explanation:
কোন বাগধারাটির অর্থ চির অশান্তি? সঠিক উত্তর রাবনের চিতা কুল কাঠের আগুন - তীব্র জালা তুষের আগুন - দীর্ঘ ও দুঃসহ যন্ত্রণা কলির সন্ধ্যা - দুঃখের সুচনা রাবণের চিতা - চির অশান্তি
'দু কান কাটা' বাগধারার অর্থ -
Correct Answer:
ক: বেহায়া
Explanation:
'দু কান কাটা' বাগধারার অর্থ - সঠিক উত্তর বেহায়া দুকান কাটা - - অর্থ বেহায়া। নিরীহ ব্যক্তি - - অর্থ ভালো মানুষ। দাগী আসামি - - অর্থ অপরাধী। সঠিক উত্তর - - বেহায়া।
কোনটির স্ত্রীলিঙ্গ ভিন্ন শব্দ ?
Correct Answer:
ক: বিদ্বান
Explanation:
কোনটির স্ত্রীলিঙ্গ ভিন্ন শব্দ ? সঠিক উত্তর বিদ্বান গায়ক - গায়িকা, কোকিল - কোকিলা, দাদা - দাদি এগুলো লিঙ্গের সাধারণ নিয়মে গঠিত হয়েছে। 'বিদ্বান - বিদুষী ' - ব্যতিক্রম।
'ফপর দালালি' -এ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
Correct Answer:
গ: গায়ে পড়ে মাতব্বরী
Explanation:
'ফপর দালালি' -এ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি? সঠিক উত্তর গায়ে পড়ে মাতব্বরী ফপর দালালি - গায়ে পড়ে মাতব্বরি বা অতিরিক্ত চালবাজি। উদাহরণ : সবখানে ফপর দালালি চলে না, জায়গা বুঝে কাজ করতে হয়।
'ভূষন্ডীর কাক' বাগধারার অর্থ -
Correct Answer:
ঘ: দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
Explanation:
'ভূষন্ডীর কাক' বাগধারার অর্থ - সঠিক উত্তর দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি ভূষণ্ডীর কাক - - বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি। অনভিজ্ঞ ব্যক্তি - - কাঁচা লোক। অন্য দুটি ভিন্ন। সুতরাং সঠিক উত্তর - - ভূষণ্ডির কাক।