General Science MCQs
Showing 50 questions (Total: 3716)
আকাশে বিজলী চমকায় ----
Correct Answer:
খ: মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
Explanation:
আকাশে বিজলী চমকায় ---- সঠিক উত্তর মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে ধনাত্নক' ও 'ঋণাত্নক' চার্জযুক্ত দুটি মেঘ কাছাকাছি আসলে আকর্ষণের ফলে চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। ফলে ইলেক্ট্রনের (চার্জ) গতিপথে যে তীব্র আলোক উৎপন্ন হয় তাকে বিজলী চমকানো বলে।
সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
খ: অবতল
Explanation:
সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর অবতল অবতল লেন্সযে লেন্সের মধ্যভাগ সরু ও এর প্রান্তভাগ ক্রমশ ক্রমশ মোটা, তাকে অবতল লেন্স বলে। অবতল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ঋণাত্মক হয়। তলের আকৃতির ওপর নির্ভর করে অবতল লেন্সও তিন প্রকারের। যথা:উভাবতল বা দ্বি - অবতল লেন্সউত্তলাবতল (উত্তল - অবতল) লেন্সসমতলাবতল (সমতল - অবতল) লেন্স
মানুষের ক্রোমোজমের সংখ্যা কত?
Correct Answer:
গ: ২৩ জোড়া
Explanation:
মানুষের ক্রোমোজমের সংখ্যা কত? সঠিক উত্তর ২৩ জোড়া মানবদেহে সাধারণত ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম, এদেরকে অটোজম বলা হয়। বাকি ১ জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলা হয়।
ভায়াগ্রা কি?
Correct Answer:
খ: নতুন একটি ঔষধ
Explanation:
ভায়াগ্রা কি? সঠিক উত্তর নতুন একটি ঔষধ ভায়াগ্রা একটি যৌন উত্তেজক ঔষধ। কিন্তু সাথে সাথে আমাদের এটিও জেনে রাখা উচিৎ যে, ইচ্ছা হলেই আপনি ভায়াগ্রা সেবন করতে পারবেন না। এই ঔষধটি সেবনের জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে।
ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস?
Correct Answer:
ক: ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
Explanation:
ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস? সঠিক উত্তর ক্লোরোফ্লোরো কার্বন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লুরোকার্বন অবমুক্ত হয়ে বায়ুমন্ডলের ওজনস্তরের সাথে সারায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ফাটলের সৃষ্টি করছে। ক্লোরোফ্লুরোকার্বন থেকে অতিবেগুনীরশ্মির প্রভাবে ক্লোরিন অনু মুক্ত হয়ে আসে। এই ক্লোরিন অনুই পরবর্তীতে ওজোন অনুর সাথে বিরকিয়ে ঘটিয়ে ক্ষয় করতে থাকে। এইভাবে ওজনস্তরে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় ----
Correct Answer:
গ: মিথেন
Explanation:
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় ---- সঠিক উত্তর মিথেন প্রাণীর মূত্রে থাকে এমোনিয়া অপরদিকে মল - মূত্র গাজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় মিথেন গ্যাস
কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়?
Correct Answer:
গ: রেনিন
Explanation:
কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়? সঠিক উত্তর রেনিন অপরদিকে, দুধের প্রোটিনের নাম - কেসিন দুধের কার্বোহাইড্রেড - ল্যাকটোজেন
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কি?
Correct Answer:
ঘ: ডলি
Explanation:
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কি? সঠিক উত্তর ডলি ক্লোন হলো কোনো জীব বা কোষ বা বৃহৎ অণুর হুবুহু নকল৷ কোনো জীবের দেহ কোষ হতে হুবুহু ঐ জীবটিকে পুনরায় তৈরি করার পদ্ধতিকে ক্লোনিং বলা হয়৷ এটা প্রথম১৯৯২ সালে রোজলিন ইনস্টিটিউট, স্কটল্যান্ডের গবেষক, ডাঃ আয়ান উইলমুট তার ২৭৩ তম চেষ্টায় সফলভাবে একটি ভেড়া তৈরি করতে সক্ষম হন৷
কোনটি তেজস্ক্রীয় পদার্থ নয়?
Correct Answer:
ক: লৌহ
Explanation:
কোনটি তেজস্ক্রীয় পদার্থ নয়? সঠিক উত্তর লৌহ ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বাতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ - এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের সংখ্যা, ২৬, অন্যগুলোর ৮২ বা তার বেশি, যার ফলে শুধু লৌহই তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।
কোন পদার্থটি চৌম্বক পদার্থ নয়?
Correct Answer:
গ: এলুমিনিয়াম
Explanation:
কোন পদার্থটি চৌম্বক পদার্থ নয়? সঠিক উত্তর এলুমিনিয়াম যে পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না তাকে অচৌম্বক পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত পদার্থগুলোর মধ্যে শুরু এলুমিনিয়ামকেই চুম্বক আকর্ষণ করে না।
যে মসৃণতলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে কি বলে?
Correct Answer:
ক: দর্পণ
Explanation:
যে মসৃণতলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে কি বলে? সঠিক উত্তর দর্পণ কোনো মসৃণতলে আলো আপতিত হয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কোনো দিকে চললে ঐ আপতন তলকে বলা হয় দর্পণ। বক্রপৃষ্ঠ স্বচ্ছ মাধ্যমের সাধারণ নাম লেন্স। লেন্সে আলোক রশ্মির প্রতিসরণ একটা বিশেষ রুপ পেয়ে থাকে। সাদা আলো এর ভিতর দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন রশ্মিতে ভেঙে যায় ও বর্ণালি সৃষ্টি করে এবং বিম্ব হলো আলোর প্রতিফলন/প্রতিসরণ পর রশ্মির একীভূতকরণ বিন্দু বা অবস্থা।
তামা ও টিনের মিশ্রনে কি হয়?
Correct Answer:
খ: কাঁসা/ব্রোঞ্জ
Explanation:
তামা ও টিনের মিশ্রনে কি হয়? সঠিক উত্তর কাঁসা/ব্রোঞ্জ ব্রোঞ্জ এক প্রকারের সংকর ধাতু। সাধারণত তামার সাথে বিভিন্ন অনুপাতে টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ প্রস্তুত করা হয়। তবে অনেক সময় টিন ছাড়াও এতে দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ, অ্যালুমিনিয়াম, নিকেল, প্রভৃতি ধাতুও মিশানো হয়। ব্রোঞ্জ বেশ শক্ত ও নমনীয় এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে এটি ব্যবহার করা সম্ভব। মানব সভ্যতার ইতিহাসের একটি পর্যায়কে ব্রোঞ্জ যুগ বলে অভিহিত করা হয়, কারণ সে সময় ব্রোঞ্জের অস্ত্র ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার বহুল প্রচলিত ছিল। সাধারণত ব্রোঞ্জে তামার ভাগ থাকে অন্তত ৬০ শতাংশ; এর সাথে টিনের ভাগ থাকে ১২% ও তার সাথে মিশেল থাকে আরও অন্যান্য নানা ধাতু (উপরে উল্লিখিত) ও এমনকী নানা অধাতব পদার্থ ও ধাতুকল্পও, যেমন - আর্সেনিক, ফসফরাস, সিলিকন, প্রভৃতি। অর্থাৎ, ধাতুবিজ্ঞানের ভাষায় ব্রোঞ্জ একটি নির্দিষ্ট সংকর ধাতু নয়, বরং তামা ও টিনের সাথে বিভিন্ন অনুপাতে অন্যান্য পদার্থের মিশ্রণে তৈরি একগুচ্ছ সংকর ধাতুকে একত্রে 'ব্রোঞ্জ' বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। Cu + Sn প্রাগৈতিহাসিক মানুষ নব্যপ্রস্তরযুগের শেষে এসে যখন ধাতুর ব্যবহার শেখে, সেই সময় থেকে লোহার ব্যবহার বহুল প্রচলিত হওয়ার আগে পর্যন্ত, সবচেয়ে শক্ত অথচ নমনীয় এবং ব্যবহারযোগ্য পদার্থ হিসেবে ব্রোঞ্জের ব্যবহারই হয়ে উঠেছিল সর্বাধিক প্রচলিত। এই সময়কেই ইতিহাসে ব্রোঞ্জ যুগ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। নিকট প্রাচ্যে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে সুমের সভ্যতার উত্থানের সাথে সাথে ব্রোঞ্জ যুগের সূচনা বলে ধরা হয়; চীন এবং ভারতীয় উপমহাদেশেও মোটামুটি ঐ একই সময়ে ব্রোঞ্জের ব্যবহার শুরু হয়। এরপর তা ধীরে ধীরে ইউরেশিয়ার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ১৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ নাগাদ নিকট প্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হলে ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে তা ধীরে ধীরে সমগ্র ইউরেশিয়াতেই ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ব্রোঞ্জ যুগের অবসান হয়ে লৌহ যুগের সূচনা হয়। তবে তখনও ব্রোঞ্জের ব্যবহার আজকের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণেই চালু ছিল।
সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় কোন যন্ত্র দিয়ে?
Correct Answer:
ক: ফ্যাদোমিটার
Explanation:
সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় কোন যন্ত্র দিয়ে? সঠিক উত্তর ফ্যাদোমিটার পানির গভীরতা মাপার যান্ত্রিক সরঞ্জাম ফ্যাদোমিটার। এ যন্ত্রের কার্যকারিতা শব্দের প্রতিধ্বনির ওপর নির্ভরশীল। ধ্বনির উৎপত্তি থেকে ফিরে আসা প্রতিধ্বনির সময়ের পার্থক্য থেকে গভীরতা নির্ণয় করা হয়। জাইরোস্কোপের দিকদর্শী ধর্মকে ব্যবহার করে জাইরো কম্পাস তৈরি করা হয়েছে। জাহাজের দিক নির্ণয় ও সমরক্ষেত্রে এর ব্যবহার রয়েছে এবং সাবমেরিন হচ্ছে সামরিক ডুবোজাহাজ।
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কি?
Correct Answer:
খ: মাইক্রোওয়েভ
Explanation:
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কি? সঠিক উত্তর মাইক্রোওয়েভ রাডারের মূলনীতি হলো ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পালস ছড়িয়ে দেয়া হয় যেন বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে রাডারের গ্রাহক যন্ত্রে আসে। এ জন্য গামা রশ্মি বা মাইক্রোওয়েভ উভয়ের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হলে ও কম ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়। অপরপক্ষে ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়। অপরপক্ষে অবলোহিত বিকিরণ ও আলোক তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড়।
মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করে কোন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পান?
Correct Answer:
ক: হেস
Explanation:
মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করে কোন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পান? সঠিক উত্তর হেস আইনস্টাইন আপেক্ষিক তথ্য ও রাদারফোর্ড আণবিক নিউক্লিয়াসের মতবাদ আবিষ্কার করেন। ভিক্টর ফ্রান্স হেস্ মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। পৃথিবীর সবদিকে মহাশূন্য থেকে ইলেকট্রন ,প্রোটন ও কয়েকটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস আলোর বেগের কাছাকাছি বেগে পৃথিবীতে আঘাত হানে, এদেরকে মহাজাগতিক রশ্মি বলে ।
কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি?
Correct Answer:
গ: লৌহ
Explanation:
কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি? সঠিক উত্তর লৌহ বাইরে থেকে প্রযুক্ত বল অপসারিত হলে বিকৃত বস্তু যে ধর্মের ফলে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে, তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে এবং উক্ত বস্তুটিকে স্থিতিস্থাপক বস্তু বলে। যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত বেশি অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুনাঙ্কের মান বেশি সেসব বস্তু বেশি স্থিতিস্থাপক। আর যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত বেশি অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের মান বেশি সেসব বস্তু বেশি স্থিতিস্থাপক। আর যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত কম , অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের মান কম সেসব বস্তু কম স্থিতিস্থাপক। লৌহের ক্ষেত্র অধিক পীড়ন দেয়া সত্ত্বে ও বিকৃতির মান যৎসামান্য হয়। কিন্তু রবার, এলুমিনিয়াম ও তামার ক্ষেত্রে অল্প পীড়ন দিলেই বিকৃতির মান অনেক বেশি হয়। সুতরাং রবার, এলুমিনিয়াম ও তামার ক্ষেত্রে পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত তুলনামুলকভাবে অনেক কম। অতএব, রবার, এলুমিনিয়াম ও তামা অপেক্ষা লৌহ বেশি স্থিতিস্থাপক ।
কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
Correct Answer:
ঘ: ইনসুলিন
Explanation:
কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়? সঠিক উত্তর ইনসুলিন হরমোন হচ্ছে একশ্রেণীর রাসায়নিক বস্তু, যা দেহের কোষ বা অঙ্গসমূহের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হচ্ছে এমন এক ধরনের হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। কোনো কারণে রক্তে ইনসুলিন সরবরাহ কমে গেলে গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়া বিঘ্নিত হয়, যার ফলে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
Correct Answer:
গ: লাউড স্পিকার
Explanation:
তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে? সঠিক উত্তর লাউড স্পিকার 'এমপ্লিফায়ার' বা বিবর্ধক শব্দশক্তিকে জোরালো করে। জেনারেটর যান্ত্রিকশক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তিরত করে এবং মাইক্রোফোন শব্দতরঙ্গকে বিদ্যুৎ প্রবাহে পরিণত করে।
কোন গাছের পাতা থেকে গাছ জন্মায়?
Correct Answer:
খ: পাথরকুঁচি
Explanation:
কোন গাছের পাতা থেকে গাছ জন্মায়? সঠিক উত্তর পাথরকুঁচি পাথরকুচি গাছের পাতা থেকে নতুন গাছ জন্মে। এটি পেটের পীড়ায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়
কোন উত্তরটি সঠিক নয়?
Correct Answer:
ঘ: চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
Explanation:
কোন উত্তরটি সঠিক নয়? সঠিক উত্তর চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয় শরীরে বহুমূত্ররোগ বহুমূত্র রোগ, মধুমেহ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস(ইংরেজি: Diabetes mellitus) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো 'ডায়াবেটিস' বা 'বহুমূত্র রোগ'। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা - এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।
জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদানকে বলা হয়-
Correct Answer:
ক: DNA
Explanation:
জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদানকে বলা হয়- সঠিক উত্তর DNA ডিএনএউইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে(DNA থেকে পুনর্নির্দেশিত)পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিনঅনুসন্ধানে ঝাঁপ দিনডিএনএ'র একটি অংশের সাধারণ গঠন ডিএনএ'র গঠনের এনিমেশন।ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA) একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে। একটি সম্ভাব্য ব্যতিক্রম হচ্ছে কিছু ভাইরাস গ্রুপ যাদের আরএনএ জিনোম রয়েছে, তবে ভাইরাসকে সাধারণত জীবন্ত প্রাণ হিসেবে ধরা হয় না। কোষে ডিএনএর প্রধান কাজ দীর্ঘকালের জন্য তথ্য সংরক্ষন। জিনোমকে কখনও নীলনকশার সাথে তুলনা করা হয় কারণ, এতে কোষের বিভিন্ন অংশে যেমনঃ প্রোটিন ও আরএনএ অণু, গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী থাকে। ডিএনএর যে অংশ এ জিনগত তথ্য বহন করে তাদের বলে জিন, কিন্তু অন্যান্য ডিএনএ ক্রমের গঠনগত তাৎপর্য রয়েছে অথবা তারা জিনগত তথ্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।ইউক্যারিয়ট যেমন প্রাণী ও উদ্ভিদে, ডিএনএ নিউক্লিয়াসের ভিতরে থাকে, তবে প্রোক্যারিয়ট যেমন ব্যাকটেরিয়াতে, ডিএনএ কোষের সাইটোপ্লাজমে থাকে। উৎসেচকের মত ডিএনএ অধিকাংশ জৈবরসায়ন বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেয় না; মূলত, বিভিন্ন উৎসেচক ডিএনএর উপর কাজ করে এর তথ্য নকল করে রেপ্লিকেশনের মাধ্যমে আরো ডিএনএ তৈরি করে, অথবা অনুলিপি তৈরি ও রুপান্তর ঘটিয়ে একে প্রোটিনে পরিনত করে। ক্রোমোজোমের ক্রোমাটিন প্রোটিন যেমন হিস্টোন ডিএনএকে ঘনসন্নিবেশিত ও সংগঠিত করে, যা নিউক্লিয়াসের অন্যান্য প্রোটিনের সাথে এর আচরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।ডিএনএ নিউক্লিওটাইড নামক অণু সরল দিয়ে গঠিত একটি লম্বা পলিমার যা চিনি ও ফসফেট গ্রুপ দিয়ে গঠিত মেরুদন্ডের সাথে যুক্ত। এই মেরুদন্ডে চার ধরনের অণু থাকে যাদের বলে ক্ষার, এই চারটি ক্ষারের ক্রমই তথ্য ধারণ করে। ডিএনএর প্রধান কাজ জিনগত কোড ব্যবহার করে প্রোটিন থেকে অ্যামিনো অ্যাসিড এর ক্রম তৈরি করা। জিনগত কোড পড়ার জন্য কোষ নিউক্লিক অ্যাসিড আরএনএতে ডিএনএর কিছু অংশের নকল তৈরি করে। কিছু আরএনএ নকল প্রোটিন জৈবসংশ্লেষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, বাকীগুলো সরাসরি রাইবোজোম অথবা স্প্লাইসোজোম এর উপাদান হিসেবে থাকে।ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ডিএনএর রাসায়নিক গঠনডিএনএ নিউক্লিওটাইড অণুর সমন্বয়ে গড়া একটি লম্বা পলিমার। ডিএনএ শৃংখল ২২ থেকে ২৪ Å চওড়া, এবং একটি নিউক্লিওটাইড অণু ৩.৩ Å দীর্ঘ। যদিও এসব অণু খুব ছোট, ডিএনএ পলিমার কয়েক মিলিয়ন নিউক্লিওটাইড নিয়ে অনেক বড় হতে পারে। উদাহরণস্বরুপ, সবচেয়ে বড় মানব ক্রোমোজোম, ক্রোমোজোম নং ১, ২২০ মিলিয়ন ক্ষার জোড়ার সমান দীর্ঘ।জীবদেহে ডিএনএ একটি একক অণু হিসেবে থাকে না, বরং চাপাচাপি করে জোড়া - অণু হিসেবে থাকে। এই লম্বা সূত্র দুইটি আঙ্গুরের মত প্যাচানো থাকে, যা দ্বৈত হেলিক্সের মত হয়। একটি ডিএনএ সূত্রে থাকে নিউক্লিওটাইড যা ডিএনএ মেরুদন্ডকে ধরে রাখে, এবং একটি ক্ষার যা অন্য ডিএনএ সূত্রের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। এই নিউক্লিওটাইড ও ক্ষারের পুনরাবৃত্তিতেই ডিএনএ সূত্র গঠিত। সাধারনভাবে একটি ক্ষার যদি একটি চিনি অণুর সাথে যুক্ত থাকে তাকে বলে নিউক্লিওসাইড এবং একটি ক্ষার যদি একটি চিনি ও এক বা একাধিক ফসফেট অণুর সাথে যুক্ত থাকে তাকে বলে নিউক্লিওটাইড। যদি একাধিক নিউক্লিওটাইড একসাথে যুক্ত থাকে, যেমন ডিএনএতে, তবে এই পলিমার কে বলে পলিনিউক্লিওটাইড।ডিএনএ সূত্রের মেরুদন্ড ফসফেট ও চিনি অণুর পুনরাবৃত্তিতে গঠিত।ডিএনএর চিনি হচ্ছে পেন্টোজ (পাঁচ কার্বন বিশিষ্ট) ২ - ডিঅক্সিরাইবোজ। এই চিনি ফসফেট গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে পাশাপাশি চিনির অণুর মধ্যে তৃতীয় ও পঞ্চম কার্বন পরমাণুর স্থানে ফসফোডিয়েসটার বন্ধন গঠন করে। এই অপ্রতিসম বন্ধন বোঝায় যে ডিএনএ অণুর মেরু বা দিক আছে। দ্বৈত হেলিক্সে এক সূত্রের নিউক্লিওটাইডের দিক অন্য সূত্রের ঠিক বিপরীত দিকে থাকে। ডিএনএ সূত্রের এই ধরনের বিন্যাসকে প্রতিসমান্তরাল। ডিএনএর অপ্রতিসম প্রান্তকে বলে ৫' (ফাইভ প্রাইম) এবং ৩' (থ্রি প্রাইম) প্রান্ত। ডিএনএ ও আরএনএর মধ্যকার একটি প্রধান পার্থক্য হলো চিনিতে, যেখানে ডিএনএতে ২ - ডিঅক্সিরাইবোজ ব্যবহৃত হয় সেখানে আরএনএতে আরেকটি পেন্টোজ চিনি রাইবোজ ব্যবহৃত হয়।ডিএনএর দ্বৈত হেলিক্স হাইড্রোজেন বন্ধনের মাধ্যমে স্থির থাকে, যা দুটি সূত্রের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। ডিএনএতে যে চারটি ক্ষার পাওয়া যায় তা হল এডেনিন (সংক্ষেপে A), সাইটোসিন (C), গুয়ানিন (G) এবং থাইমিন (T)। এরা পরস্পরের সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় এডেনিন (A) শুধুমাত্র থাইমিনের(T) সাথে এবং গুয়ানিন(G) শুধুমাত্র সাইটোসিনের(C) সাথে যুক্ত হয়। নিম্নে এই চারটি ক্ষার দেখানো হয়েছে যারা চিনি/ফসফেটের সাথে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নিউক্লিওটাইড গঠন করে, যেমনঃ এডিনোসিন মনোফসফেট।ডিএনএতে প্রাপ্ত চারটি ক্ষারের রাসায়নিক গঠন এবং এডিনোসিন মনোফসফেট নিউক্লিওটাইডএই ক্ষারগুলো দুই ভাগে ভাগ করা যায়; এডেনিন ও গুয়ানিন হল পিউরিন নামক ৫ - ও ৬ - কার্বনচক্রের হেটারোসাইক্লিক যৌগ এবং সাইটোসিন ও থাইমিন হল পাইরিমিডিন নামক কার্বনচক্রের যৌগ।ইউরাসিল (U) নামে পঞ্চম আরেকটি পাইরিমিডিন ক্ষার আছে যা সাধারণত আরএনএতে থাইমিনের বদলে থাকে। থাইমিনের সাথে এর পার্থক্য হচ্ছে কেবল একটি মিথাইল গ্রুপের অনুপস্থিতি। ডিএনএতে কেবল সাইটোসিনের ভাঙ্গনের ফলে উপজাত হিসেবে ইউরাসিল পাওয়া যেতে পারে, তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে পিবিএস - ১ নামের একটি ব্যাকটেরিয়াল ভাইরাস যার ডিএনএতে ইউরাসিল রয়েছে। কিন্তু আরএনএ সংশ্লেষনের সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইউরাসিল এনজাইমের প্রভাবে একটি মিথাইল গ্রুপ যুক্ত হয়ে থাইমিনে পরিনত হয়। মূলত গাঠনিক ও এনজাইম আরএনএ যেমনঃ ট্রান্সফার আরএনএ ও রাইবোজোমাল আরএনএতেই এই ঘটনা ঘটে। ডিএনএ গঠনের এনিমেশন। ক্ষারগুলো সর্পিল সূত্রের মাঝে আড়াআড়িভাবে রয়েছে। বড় আকারেডিএনএর দ্বৈত হেলিক্স ডান - হাতি সর্পিলাকার হয়ে থাকে। ডিএনএ সূত্রগুলো যখন প্যাঁচানো থাকে তখন তাদের ফসফেটের মেরুদন্ডের মাঝে জায়গা রাখা থাকে। এই জায়গাতে ক্ষারগুলো যুক্ত হয় (এনিমেশন দেখুন)। দ্বৈত হেলিক্সের তলে দুই জায়গায় এরকম প্যাঁচানো খাঁজ (groove) থাকে। একটি খাঁজ ২২ Å প্রশস্ত ও অন্যটি ১২ Å প্রশস্ত। বৃহত্তর খাঁজটিকে বলে মেজর গ্রুভ ছোটটিকে বলে মাইনর গ্রুভ। মাইনর গ্রুভের সরুতার অর্থ হলো ক্ষারের প্রান্তগুলো মেজর গ্রুভে তুলনামুলক বেশি সহজে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে কিছু প্রোটিন যা ডিএনএতে কিছু নির্দিষ্ট ক্রমে যুক্ত হতে পারে, তারা ডিএনএতে মেজর গ্রুভের ক্ষারের সংস্পর্শে এসে কাঙ্খিত ক্রম খুঁজে নেয়।
পৃথিবীর কোন দেশ থেকে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উড্ডয়ন করা হয়?
Correct Answer:
গ: রাশিয়া
Explanation:
পৃথিবীর কোন দেশ থেকে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উড্ডয়ন করা হয়? সঠিক উত্তর রাশিয়া কৃত্রিম উপগ্রহ কিভাবে কাজ করে কৃত্রিম উপগ্রহ এমনভাবে পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান হয়, যাতে এর গতির সেন্ট্রিফিউগাল বা বহির্মুখীন শক্তি ওকে বাইরের দিকে গতি প্রদান করে - কিন্তু পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তি একে পৃথিবীর আওতার বাইরে যেতে দেয় না। উভয় শক্তি কৃত্রিম উপগ্রহকে ভারসাম্য প্রদান করে এবং কৃত্রিম উপগ্রহটি পৃথিবীর চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। যেহেতু মহাকাশে বায়ুর অস্তিত্ব নেই তাই এটি বাধাহীনভাবে পরিক্রমণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহগুলো বৃত্তাকারে পরিক্রমণ করে না, তার গতি ডিম্বাকৃতির। টিভি ও বেতারসংকেত প্রেরণ এবং আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী কৃত্রিম উপগ্রহগুলো সাধারণত পৃথিবীথেকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। পৃথিবী থেকে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য পাঠানো হয়, কৃত্রিম উপগ্রহ সেগুলো গ্রহণ করে এবং বিবর্ধিত (এমপ্লিফাই) করে পৃথিবীতে প্রেরণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহ দুইটি ভিন্ন কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করে সিগনাল (তথ্য) গ্রহণ এবং পাঠানোর জন্য । কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পৃথিবীতে আসা সিগনাল অনেক দুর্বল বা কম শক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকে, তাই প্রথমে ডিস এন্টেনা ব্যবহার করে সিগনালকে কেন্দ্রীভূত করা হয় এবং পরে রিসিভার দিয়ে গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হয় । রাশিয়া থেকে স্পুটনিক - ১ উৎক্ষেপণ করা হয়।
রূপান্তরিত কাণ্ড কোনটি?
Correct Answer:
ক: আলু
Explanation:
রূপান্তরিত কাণ্ড কোনটি? সঠিক উত্তর আলু আলু সম্পর্কিত তথ্য আলু বহুল প্রচলিত উদ্ভিজ্জ খাদ্য। এটি কন্দজাতীয় (tuber) এক প্রকারের সবজি, যা মাটির নিচে জন্মে। এর আদি উৎস ভারত, এশিয়া মহাদেশ, সেখান থেকে ১৬শ শতকে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। উচ্চ পুষ্টিমান এবং সহজে ফলানো ও সংরক্ষণ করা যায় বলে এটি বিশ্বের সর্বাপেক্ষা প্রচলিত সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম খাদ্যশস্য, এর আগে রয়েছে যথাক্রমে ভুট্টা, গম এবং চাল। পৃথিবীর খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম আলুর নির্দশন ভারতের বাংলায় দেখা যায়। পালযুগের কবি সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতে বারাহী কন্দের উল্লেখ আছে। এই বারাহী কন্দ হল উচ্চমানের আলু, রতিকান্ত্র ত্রিপাঠী জানাচ্ছেন "প্রাচীন বাংলার শিলা ও তাম্রলিপিতে সমাজ ও সংস্কৃতি" বইটিতে। আলু রুপান্তরির কান্ড।
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রতিক্রিয়া প্রথম কোন জেলায় ধরা পড়ে?
Correct Answer:
ঘ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ
Explanation:
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রতিক্রিয়া প্রথম কোন জেলায় ধরা পড়ে? সঠিক উত্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা বলতে বোঝানো হয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চলে খাবার পানিতে আর্সেনিকের মাত্রাতিরিক্ত হার, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। আর্সেনিক মূলত একপ্রকার রাসায়নিক উপাদান। পানিতে স্বল্প মাত্রায় আর্সেনিক সব সময়ই থাকে। কিন্তু যখনই এই মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি হয়ে যায়, তখনই তা পানকারীর শরীরের নানা রকম রোগের উপসর্গ তৈরি করে এবং পরবর্তিতে সেই সকল রোগব্যাধিকে মারাত্মক পর্যায়ে নিয়ে যায়। পুরো বিশ্ব থেকে, ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক দূষণের মোটামুটি ২০টি ঘটনা জানা যায়। এর মধ্যে, চারটি গুরুতর ঘটনাই পাওয়া গেছে এশিয়াতে। এর মধ্যে থাইল্যান্ড ও তাইওয়ানের কিছু এলাকা এবং চীনের মূল ভূখন্ড রয়েছে। [ দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা এবং চিলিতেও আর্সেনিক দূষণ চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিতে, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের হিসাবানুসারে, ইউনাইটেড স্টেট্স এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির মাত্রার (প্রতি বিলিয়নে ১০ পার্ট্স) চেয়ে বেশি মাত্রার আর্সেনিক পাওয়া গেছে। ইউএস সুপারফান্ড - এর অর্থায়নে নির্মিত সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র In Some Doses থেকে জানা যায়, ১০ লক্ষের মতো ব্যক্তিগত কূপের আর্সেনিকের মাত্রা অজানা রয়ে গেছে, এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় ২০% - এরও বেশি কূপে নিরাপদ মাত্রার বেশি আর্সেনিক থাকতে পারে। ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের একটি গবেষণায় ধারণা করা হয়, ৭০টিরও বেশি দেশে, ১৩৭ মিলিয়ন - এরও বেশি মানুষ, খাবার পানিতে আর্সেনিক দূষণে আক্রান্ত। কিন্তু এই বৈশ্বিক বিপর্যয়কে ছাড়িয়ে গেছে গাঙ্গেয় উপত্যকার আর্সেনিক দূষণ। সম্প্রতি ভূগর্ভস্থ পানির উত্তোলন বেড়ে যাওয়ায় এই দূষণ আরো বেড়ে গেছে। আর্সেনিক প্রথম ধরা পড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে, আর সব থেকে বেশি চাঁদপুরে।
বৈদ্যুতিক বাল্বের আবিষ্কারক কে?
Correct Answer:
গ: টমাস আলভা এডিসন
Explanation:
বৈদ্যুতিক বাল্বের আবিষ্কারক কে? সঠিক উত্তর টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাল্বের আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসন (ফেব্রুয়ারি ১১, ১৮৪৭ - অক্টোবর ১৮, ১৯৩১) ছিলেন মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী। তিনি গ্রামোফোন, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) সহ বহু যন্ত্র তৈরি করেছিলেন যা বিংশ শতাব্দীর জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। এডিশন ইতিহাসের অতিপ্রজ বিজ্ঞানীদের অন্যতম একজন বলে বিবেচিত, যার নিজের নামে ১, ০৯৩টি মার্কিন পেটেন্টসহ যুক্তরাজ্যে, ফ্রান্স এবং জার্মানির পেটেন্ট রয়েছে। গণযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ খাতে তার বহু উদ্ভাবনের মাধ্যমে তার অবদানের জন্য তিনি সর্বস্বীকৃত। যার মধ্যে একটি স্টক টিকার, ভোট ধারনকারী যন্ত্র, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারী, বৈদ্যুতিক শক্তি, ধারনযোগ্য সংগীত এবং ছবি। এসব ক্ষেত্রে উন্নতি সাধনকারী তার কাজগুলো তাকে জীবনের শুরুর দিকে একজন টেলিগ্রাফ অপারেটর হিসেবে গড়ে তোলে। বাসস্থান, ব্যবসায় - বাণিজ্য বা কারখানায় বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন ও বন্টনের ধারনা এবং প্রয়োগ দুটিই এডিসনের হাত ধরে শুরু হয় যা আধুনিক শিল্পায়নের একটি যুগান্তকারী উন্নতি। নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপে তার প্রথম বিদ্যুত কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়।
ছাতার কাপড়ের রং সাধারণত কালো হয় কেন?
Correct Answer:
গ: কালো রং তাপ শোষণ করে বলে
Explanation:
ছাতার কাপড়ের রং সাধারণত কালো হয় কেন? সঠিক উত্তর কালো রং তাপ শোষণ করে বলে কালো কাপড় তাপ শোষণ করে বেশী। ফলে কাপড় উত্তপ্ত হলে সেখানে শীতল বাতাস এসে বাহককে আরাম দেবে
কোথায় দিনরাত্রি সমান?
Correct Answer:
খ: নিরক্ষরেখায়
Explanation:
কোথায় দিনরাত্রি সমান? সঠিক উত্তর নিরক্ষরেখায় নিরক্ষরেখা বলতে কোন গ্রহের মেরুগুলো থেকে সমান দূরে অবস্থিত গ্রহপৃষ্ঠ প্রদক্ষিণকারী একটি কাল্পনিক বৃত্তকে বোঝায়। সহজ ভাষায় এটি একটি কাল্পনিক রেখা যা পৃথিবীর মাঝ বরাবর এবং উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ মেরু থেকে দুরত্বে কল্পনা করা হয় এবং যা পৃথিবীকে দক্ষিণ গোলার্ধ এবং উত্তর গোলার্ধে ভাগ করে। এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। একে বিষুবীয় রেখাও বলা হয়। সূর্য সারা বছর নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। নিরক্ষরেখা = বিষুবরেখা = মহাবৃত্ত = গুরুবৃত্ত
নিম্নের কোন পদার্থটির স্তিতিস্থাপকতা বেশী ?
Correct Answer:
ঘ: ইস্পাত
Explanation:
নিম্নের কোন পদার্থটির স্তিতিস্থাপকতা বেশী ? সঠিক উত্তর ইস্পাত লোহালোহা খনিজ পদার্থ। এটি আকরিক থেকে পাওয়া যায়। লোহার রাসায়নিক সংকেত Fe, পারমাণবিক সংখ্যা 26। পারমাণবিক ভর 55.85, যোজ্যতা 2 এবং 3, ঘনত্ব 7.85 গ্রাম/সিসি, গলনাঙ্ক 1530 °C, স্ফুটনাঙ্ক 2450 °C। লোহার প্রধান আকরিকগুলি হলো ম্যাগনেটাইট (Magnetite) Fe3O4, রেড হেমাটাইট (Red Haematite) Fe2O3, আয়রন পাইরাইটিস (Iron Pyrites) FeS2 সিডারাইট (Siderite) FeCO3। লোহাকে প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে প্রচুর লোহার আকরিক পাওয়া যায়। ভূ - ত্বকে লোহার পরিমাণ 4.12 শতাংশ।
সুনামির কারণ-
Correct Answer:
ঘ: সমুদ্র তলদেশে ভুমিকম্প
Explanation:
সুনামির কারণ- সঠিক উত্তর সমুদ্র তলদেশে ভুমিকম্প সুনামিসুনামি (জাপানি ভাষায়: 津波 [tsɯnami], আক্ষরিক অর্থে 'পোতাশ্রয় ঢেউ' বা 'harbor wave') এক প্রকার জলোচ্ছ্বাস, বস্তুত সুনামিতে পোতাশ্রয়েই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়। ইংরেজি ভাষায়: tsunami উচ্চারণ: /(t)suːˈnɑːmi/ (t)soo - NAH - mee) হলো সাগর বা নদী বা অন্য কোনো জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদ্গীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস বা ঢেউ।
নিম্নের কোন বর্ণটির শক্তি সবচেয়ে বেশী ?
Correct Answer:
ঘ: বেগুনী
Explanation:
নিম্নের কোন বর্ণটির শক্তি সবচেয়ে বেশী ? সঠিক উত্তর বেগুনী বেগুনীবেগুনী হল নীলা, ল্যাভেন্ডার আর বিউটিবেরিসের বর্ণ। এর নাম করা হয়েছে বেগুনী ফুলের নাম অনুযায়ী। বেগুনী দৃশ্যমান বর্ণালীর সর্বশেষ বর্ণ যা নীল এবং অদৃশ্য অতিবেগুনীর মাঝামাঝি অবস্থান করে। এর প্রাধান্যপূর্ণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য হল ৩৮০ - ৪৫০ ন্যানোমিটার (কিছু নির্দিষ্ট অবস্থায় রক্তবর্নেরও ৩১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দেখা যায়)। যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনী অপেক্ষা ছোট কিন্তু রঞ্জনরশ্মি এবং গামারশ্মি অপেক্ষা বড় তাকে অতিবেগুনী বলে। ইতিহাসে চিত্রকরেরা যে বর্ণচাকতি ব্যবহার করত, বেগুনী তাতে নীল এবং রক্তবর্ণের মাঝামাঝি ছিল। কম্পিউটারের মনিটর এবং টেলিভিশন সেটে যা বেগুনীর মত দেখতে, তা আরজিবি বর্ণ মডেল দ্বারা নির্মিত, যা লাল এবং নীলের সমন্বয়ে তৈরি হয়। এখানে নীল লালের দ্বিগুণ উজ্জ্বল থাকে। কিন্তু এটি সত্যিকার বেগুনী হয়না, এটি কেবল নীলের চেয়ে ছোট একটি তরঙ্গদৈর্ঘ্য এর বদলে কয়েকটি উচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্য এর যোগফল হয়। বেগুনী এবং রক্তবর্ণ প্রায় একই দেখা যায়, কিন্তু বেগুনী সত্যিকার অর্থে একটি রঙ, যার দৃশ্যমান বর্ণালীতে একটি নির্দিষ্ট অবস্থান আছে। আর রক্তবর্ণ একটি সংযুক্ত বর্ণ, যা নীল এবং লাল বর্ণের যোগফল। ইতিহাসে বেগুনী আর রক্তবর্ণ আভিজাত্য এবং মর্যাদার প্রতীক হয়ে ছিল। রোমের সম্রাটরা রক্তবর্ণের আলখেল্লা পরিধান করতেন, যা বাইজেন্থাইন সম্রাটরাও পরতেন। মধ্যযুগে বিশপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসররা বেগুনী বস্ত্র পরিধান করতেন। এবং বিভিন্ন চিত্রকর্মে কুমারী মেরির পোশাকের রঙ বেগুনী দেখানো হয়েছে। ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র এ কিছু জরিপ থেকে জানা যায় যে বেগুনীকে অনেকেই অপব্যয়, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, রীতিবিরুদ্ধ, কৃত্রিম এবং অস্পষ্টতার বর্ণ বলে মনে করে। চীনা চিত্রকর্মএ বেগুনী মহাবিশ্ব এর সাদৃশ্যের চিত্র বহন করে, কারণ এটি লাল এবং নীলের সমন্বয়ে সৃষ্ট। হিন্দুধর্ম এবং বৌদ্ধধর্মে বেগুনী মুকুট চক্রে শোভা পেয়েছে।
'এন্টোমোলোজী' কোন বিষয়ের বিজ্ঞান-
Correct Answer:
খ: কীটপতঙ্গ
Explanation:
'এন্টোমোলোজী' কোন বিষয়ের বিজ্ঞান- সঠিক উত্তর কীটপতঙ্গ কীটতত্ত্বকীটতত্ত্ব (বা কীটবিজ্ঞান বা কীটবিদ্যা; ইংরেজি: Entomology) প্রাণীবিজ্ঞানের ফলিত শাখা যেখানে কীট বা পোকা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়সমুহ বৈজ্ঞানিক উপায়ে আলোচনা করা হয়। কীটতত্ত্ব শব্দটি উংরেজী Entomology শব্দের প্রতিশব্দ। Entomology শব্দটি দুটি গ্রীক শব্দ Entomon অর্থ insect বা কীটপতঙ্গ এবং logos অর্থ knowledge বা জ্ঞান বা আলোচনা থেকে এসেছে। এইট প্রাণিবিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা কীটপতঙ্গ সম্বন্ধে আলোচনা করে। সুতরাং প্রাণিবিজ্ঞানের যে শাখায় কীটপতঙ্গের উৎপত্তি ও বিস্তৃতি, দৈহিক গঠন, পরিস্ফুটন, শ্রেণিবিন্যাস, পরিবেশ, বিবর্তন, অর্থনৈতিক গুরুত্ব প্রভৃতি সম্বন্ধে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে কীটতত্ত্ব বলে
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ হয় -
Correct Answer:
গ: একই
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ হয় - সঠিক উত্তর একই তড়িৎতড়িৎ বা বিদ্যুৎ হল এক প্রকার শক্তি যা তড়িৎ আধানের স্থিতি বা গতির ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়। চুম্বকত্বের সাথে মিলিত হয়ে এটি একটি মৌলিক ক্রিয়ার জন্ম দেয় যার নাম হল তড়িৎ চুম্বকত্ব। অনেক গাঠনিক ও বাহ্যিক ঘটনার জন্য তড়িৎ দায়ী। যেমন: বজ্রপাত, তড়িৎ ক্ষেত্র, তড়িৎ প্রবাহ ইত্যাদি। অনেক শিল্প কারখানায় এবং ব্যবহারিক জীবনে এগুলোর প্রভাব বিদ্যমান। ইলেক্ট্রনিক্স এবং তড়িৎ ক্ষমতা এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ
মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসত এনাজিয়াম -
Correct Answer:
ক: টায়ালিন
Explanation:
মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসত এনাজিয়াম - সঠিক উত্তর টায়ালিন শর্করা পরিপাকশর্করা পরিপাক হল এমন একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পৌষ্টিক নালীর বিভিন্ন অংশ থেকে নিঃসৃত পাকরসে অবস্থিত শর্করা বিশ্লেষণকারী উৎসেচকের সাহায্যে বিভিন্ন শর্করা বিশ্লিষ্ট হয়ে একক শর্করা উৎপন্ন হয়। শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক মুখগহ্বরে শুরু হয় এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়।
কেমোথেরাপির জনক হলেন-
Correct Answer:
ক: পল এহর্লিক
Explanation:
কেমোথেরাপির জনক হলেন- সঠিক উত্তর পল এহর্লিক পল হেইম্যানপল হেইম্যান (জন্ম: সেপ্টেম্বর ১১, ১৯৬৫) হলেন একজন মার্কিন বিনোদন প্রযোজক, লেখক, অভিনয়কারী, মার্কেটার, প্রবর্তক, পেশাদার কুস্তি ম্যানেজার এবং ভাষ্যকার। তিনি বর্তমানে ডাব্লিউডাব্লিউইর সাথে সংযুক্ত রয়েছেন, যেখানে তিনি ডাব্লিউডাব্লিউই র ব্রান্ডের কুস্তিগীর ব্রক লেসনারের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৩ হতে ২০০১ পর্যন্ত হেইম্যান ছিলেন এক্সট্রিম চ্যাম্পিয়নশিপ রেসলিং (ইসিডাব্লিউ) এর মালিক এবং সৃজনশীল শক্তি ছিলেন। ইসিডাব্লিউ এর মালিক এবং সেটি চালানোর পূর্বে, তিনি তার রিংয়ের নাম পল ই. ডেঞ্জারাসলি নামে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ রেসলিং (ডাব্লিউসিডাব্লিউ) এবং অন্যান্য কুস্তি চ্যাম্পিয়নশীপের কুস্তিগীরদের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির লুকিং৪ল্যারি এর সহ - মালিক ছিলেন, যেটি পরবর্তীতে এডভার্টাইসিং এজ এর টপ ১০০ গ্লোবাল মার্কেটার্সের অন্তর্ভুক্ত হয়। ডাব্লিউডাব্লিউইতে, হেইম্যান রেকর্ড ৫ জন ডাব্লিউডাব্লিউই চ্যাম্পিয়নের ম্যানেজার ছিলেন: ব্রক লেসনার, বিগ শো, কার্ট এঙ্গেল, রোব ভ্যান ড্যাম এবং সিএম পাংক। সমালোচকরা তার কুস্তিগীরদের পরিচালন করার এবং মাইকে কথা বলার যোগ্যতার প্রশংসা করে থাকেন। হেইম্যান বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি কুস্তি খেলাতেও অংশগ্রহণ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য ম্যাচ হলো ২০০২ সালের র্যাবেলিয়নে ডাব্লিউডাব্লিউই চ্যাম্পিয়নশিপের খেলাটি।
একই আয়াতনের ভিন্ন আকৃতির বস্তুর ক্ষেত্রে কোন আকৃতির বস্তুর জন্য ক্ষেত্রফল সর্বনিম্ন হবে?
Correct Answer:
খ: আয়তাকৃতি
Explanation:
একই আয়াতনের ভিন্ন আকৃতির বস্তুর ক্ষেত্রে কোন আকৃতির বস্তুর জন্য ক্ষেত্রফল সর্বনিম্ন হবে? সঠিক উত্তর আয়তাকৃতি বেলন,ঘনক ও গোলক - তিনটি বস্তুুই ঘনবস্তুু। অপরদিকে আয়ত একটি সমতল ক্ষেত্র। আয়তন স্হির রেখে যদি আকৃতির পরিবর্তন করা হয় তবে আয়ত দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্র সর্বনিম্ন হবে।
সুস্থ দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তি সর্বনিম্ন যে দুরত্ব পর্যন্ত বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায়
Correct Answer:
গ: 25 cm
Explanation:
সুস্থ দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তি সর্বনিম্ন যে দুরত্ব পর্যন্ত বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় সঠিক উত্তর 25 cm নিকটদৃষ্টিনিকটদৃষ্টি বা হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া (ইংরেজি: Myopia) চোখের ৪টি প্রধান রোগের মধ্যে ১টি। এটি আসলে চোখের সেই অবস্থা যখন চোখের তারারন্ধ্রের ভেতর দিয়ে আগত আলো অক্ষিগোলকের রেটিনায় আপতিত না হয়ে তার সামনে কোন স্থানেই একটি বিন্দুতে মিলিত হয়ে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে ফেলে। ফলে চোখের নিকট দুরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার এর বেশি দূরের কোন বস্তুর বিম্ব রেটিনার সামনে গঠিত হয়। ফলে বস্তুর স্পষ্ট প্রতিবিম্বও গঠিত হয় না আর ভালো দেখাও সম্ভব হয় না। এ জন্য মায়োপিয়াকে "ক্ষীণদৃষ্টি"ও বলা হয়। এর অন্যান্য নামের মধ্যে রয়েছে "অদূরবদ্ধ দৃষ্টি" এবং "স্বল্প দৃষ্টি"।
নিচের কোন অঙ্গটির গঠনতন্ত্রের একক হচ্ছে অ্যালভিওলাই-
Correct Answer:
ঘ: ফুসফুস
Explanation:
নিচের কোন অঙ্গটির গঠনতন্ত্রের একক হচ্ছে অ্যালভিওলাই- সঠিক উত্তর ফুসফুস ফুসফুসফুসফুস মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ যা শ্বাস - প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই শ্বাসযন্ত্রটির প্রধান কাজ হলো বাতাস থেকে অক্সিজেনকে রক্তপ্রবাহে নেওয়া এবং রক্তপ্রবাহ হতে কার্বন ডাই - অক্সাইডকে বাতাসে নিষ্কাশন করা। এই গ্যাস আদান - প্রদান করা হয় বিশেষায়িত কোষ দ্বারা তৈরী, খুবই পাতলা দেয়াল বিশিষ্ট লক্ষাধিক বায়ু থলির দ্বারা যাকে অ্যালভীওলাই বলে। এর শ্বাসকার্য ছাড়া অন্য কাজও আছে। ফুসফুস সংক্রান্ত মেডিকেল পরিভাষা শুরু হয় পালমো - (pulmo - ), [ল্যাটিন - পালমোনারিয়াস (pulmonarious) (“ফুসফুসের”)] অথবা নিউমো - (pneumo - )[গ্রিক - πνεύμω “ফুসফুস”] দ্বারা।
সর্বনিম্ন তাপমাত্রার নির্দেশক কোনটি?
Correct Answer:
গ: হিমাংক
Explanation:
সর্বনিম্ন তাপমাত্রার নির্দেশক কোনটি? সঠিক উত্তর হিমাংক স্ফুটনাংকস্ফুটনাংক হলো একটি তাপমাত্রা যাতে পৌঁছালে তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়। অতঃএব, যে তাপমাত্রায় কোন তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে উক্ত পদার্থের ‘স্ফুটনাংক’ বলা হয়। অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় কোন তরল পদার্থের বাষ্পীয় চাপ এক বায়ুমণ্ডল (1 atm ) চাপের সমান হয় এবং তরলটি বুদবুদসহ ফুটতে থাকে, তাকে সেই তরল পদার্থের স্ফুটনাংক বলে । তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে থাকলে এক পর্যায়ে তাপমাত্রা স্থির হয়ে যায়। এর পর আর তাপ প্রয়োগ করলেও তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন হয়না। একটি নির্দিষ্ট সময় পর অর্থাৎ যতক্ষণে সম্পূর্ণ তরল বাষ্পে পরিণত হয় ততক্ষণ পর আবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই স্থির তাপমাত্রাটিই হল স্ফুটানংক। প্রকৃতপক্ষে এই স্থির তাপমাত্রায় যে তাপ প্রয়োগ করা হয় তা কেবল তরল থেকে পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করতে ব্যবহৃত হয়। ফুটন্ত পানিবায়শূন্য স্থানে তরলের স্ফুটনাংক কম থাকে। অধিক বায়ুচাপে স্ফুটনাংক বেড়ে যায়। এজন্য পাহাড়ের ওপর পানি ফুটতে দেরি হয়। যেমনঃ ভূপৃষ্ঠে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস , তবে হিমালয়ের পর্বতের ওপরে এই স্ফুটনাংক মাত্র ৭১ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
Correct Answer:
ঘ: চার
Explanation:
বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি? সঠিক উত্তর চার বাংলাদেশে ভূ - উপগ্রহ কেন্দ্র - - ৪টি। বেতবুনিয়া(রাঙামাটি), তালিবাবাদ(গাজীপুর), মহাখালি , সিলেট ।
আকাশ নীল দেখায় কেন?
Correct Answer:
গ: নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
Explanation:
আকাশ নীল দেখায় কেন? সঠিক উত্তর নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে আকাশ নীল দেখায় আলোর একটি বিশেষ ধরনের বিক্ষিপ্ততার কারণে। এই বিক্ষিপ্ততা ঘটে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে এক দশমাংশ কম তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের কণায় আলো প্রতিফলিত হলে। আর এই বিক্ষিপ্ততা উচ্চমাত্রায় আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে। নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত হয়। নিম্ন বায়ুমণ্ডলে ক্ষুদ্র অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন অণু নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বিক্ষিপ্ত করে - যেমন নীল এবং বেগুলি আলো। এমনকি প্রকৃতপক্ষে ৪০০ ন্যানোমিটার আলো (বেগুনি) ৭০০ ন্যানোমিটার আলোর (লাল) বিক্ষিপ্ততার চেয়ে ৯.৪ গুন বেশি। যদিও বায়ুমণ্ডলের কণাগুলো নীল রশ্মির চেয়ে বেগুনি রশ্মিই বেশি প্রতিফলিত করে তথাপি আকাশ নীল দেখায়।
গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে?
Correct Answer:
ক: ৬ ঘণ্টা
Explanation:
গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে? সঠিক উত্তর ৬ ঘণ্টা সাধারণত সময়ের ব্যাবধান দাঘ্রিমা রেখার উপর নির্ভর করে। গ্রীনিচ মান মন্দির থেকে পশ্চিম দিকে সময় বিয়োগ হয় আর পূর্বদিকে সময় যোগ হয়। প্রতি ১ডিগ্রী দ্রাঘিমায় সময়ের পার্থক্য ৪মিনিট। বাংলাদেশ ৯০ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত এইজন্য গ্রীনিচ মান থেকে ৯০*৪ = ৩৬০ বা ৬ঘন্টা যোগ করা হয়।
বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্ব্বোচ্চ?
Correct Answer:
গ: CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
Explanation:
বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্ব্বোচ্চ? সঠিক উত্তর CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি বায়ুমন্ডেলের ওজোনস্তর পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেন পরিণত করে ( CFC + O3→02 + ......) । এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মাহজাগতিক বিভিন্নি রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।
' ড্রাই আইস' (dry ice) হলো ------
Correct Answer:
ক: কঠিন অবস্থায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড
Explanation:
' ড্রাই আইস' (dry ice) হলো ------ সঠিক উত্তর কঠিন অবস্থায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড কার্বন - ডাই অক্সাইড গ্যাস 0°C উষ্ণতায় এবং সাধারণ চাপের 40 গুণ চাপে তরলে পরিণত হয়। কার্বন - ডাই - অক্সাইডকে চাপ প্রয়োগে বাষ্পীভূত করলে বাষ্পীভবনের প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ ঐ তরল কার্বন - ডাই - অক্সাইড আর ও ঠাণ্ডা হয়ে ( - 78.4°C) কার্বন - ডাই - অক্সাইড উৎপন্ন করে। একেই ড্রাই আইস (Dry Ice) বলা হয়।
ডায়বেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় সেটি হলো -------
Correct Answer:
ক: চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয়
Explanation:
ডায়বেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় সেটি হলো ------- সঠিক উত্তর চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয় আমাদের দেশের মানুষের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয় প্রকৃতপক্ষে অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। এর ফলে মানবেদেহের কিডনি বিনিষ্ট হতে পারে।
'স্ট্রোক' আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে ---এটি কি?
Correct Answer:
খ: মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
Explanation:
'স্ট্রোক' আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে ---এটি কি? সঠিক উত্তর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা স্ট্রোকমস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত ক্ষরনের ফলে অক্সিজেন সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে মস্তিষ্কের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মাধ্যমে যে অবস্থা দ্রুত জন্ম নেয় তাকে বলা হয় স্ট্রোক (Stroke)। দেহের রক্তের মাত্র ২% মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্ক কোষসমূহ অত্যন্ত সংবেদনশীল - - - অক্সিজেন বা শর্করা সরবরাহে সমস্যা হলে দ্রুত এই কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ওই কোষগুলো শরীরের যেই অংশ নিয়ন্ত্রণ করত ওই অংশ গুলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।
কোনটি রক্তের কাজ নয়?
Correct Answer:
ঘ: জারক রস (enzyme) বিতরণ করা
Explanation:
কোনটি রক্তের কাজ নয়? সঠিক উত্তর জারক রস (enzyme) বিতরণ করা রক্তের কাজ :১। রক্ত সারা দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে । ২। লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ করে । ৩। শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়য় রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে । ৪। দেহের কোন স্থান কেটে গেলে অনুচক্রিকা সে সস্থানে রক্ত জমাট বাঁধায় । ফলে ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয় । ৫। রক্তরসের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড, ইউরিয়া, হজমকৃত খাদ্যবস্তু(যথা : গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লিসারল), হরমোন ইত্যাদি দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয় ।
কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিশ্বাস নেয়?
Correct Answer:
ক: শুশুক
Explanation:
কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিশ্বাস নেয়? সঠিক উত্তর শুশুক 'শুশুক' বা 'ডলফিন' পানিতে বাস করলেও মাছের মতো ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। এটি পানি থেকে ভেসে উঠে মাথার ওপর আড়াআড়িভাবে থাকা ছিদ্রের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
এনজিও প্লাস্টি হচ্ছে -----
Correct Answer:
খ: হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
Explanation:
এনজিও প্লাস্টি হচ্ছে ----- সঠিক উত্তর হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো ধমনী দ্বারা রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হলে এর চিকিৎসায় এনজিওপ্লাস্টি ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে বিশেষ ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে সমস্যাযুক্ত ধমনির সংকুচিত স্থান বিশেষ ধরনের বেলুন দ্বারা প্রসারিত করা হয়।
মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ কোথায়?
Correct Answer:
খ: ভূপৃষ্ঠে
Explanation:
মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ কোথায়? সঠিক উত্তর ভূপৃষ্ঠে কোনো একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বা ভর বলে। আমরা জানি, ওজন w = mg; এখানে m = বস্তুর ভর এবং g = অভিকর্ষজ ত্বরণ । বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি। সুতরাং কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি , সে স্থানে বস্তুর ওজন সে স্থানে কম । ভৃপৃষ্ঠ থেকে যতই ওপরে বা নিচে যাওয়া যায় ততই - g এর মান কমতে থাকে। সে জন্য পাহাড়ে বা খনির ভেতরে - g - এর মান কম। আবার মেরু অঞ্চলে g - এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি। সুতরাং মেরু বস্তুর ওজন বেশি।
দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে?
Correct Answer:
খ: কার্বন মনোক্সাইড
Explanation:
দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে? সঠিক উত্তর কার্বন মনোক্সাইড কার্বন ও অক্সিজেনের যৌগ কার্বন মনোক্সাইড (CO) একটি বর্ণ ও গন্ধহীন গ্যাস। শ্বাসবায়ুর সঙ্গে শরীরে গেলে তার মারাত্মক পরিণাম হতে পারে এ বিচারে কার্বন মনোক্সাইড তীব্র বিষ - গ্যাস , যা মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।