40th BCS Preliminary Test MCQs
Showing 50 questions (Total: 188)
২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত?
Correct Answer:
খ: $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
Explanation:
২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত? সঠিক উত্তর $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশ ২০১৭ - ১৮ অর্থবছরে ২০২টি দেশে ৭৪৪টি পণ্য রপ্তানি করে ৪১, ০০৭.৮৭ মিলিয়ন বা ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। Source: https://dmpnews.org ২০১৮ - ২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল ৪৬.৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সূত্র - কালের কন্ঠ
Alliance যে দেশে ভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলোর সংগঠন-
Correct Answer:
খ: যুক্তরাষ্ট্রের
Explanation:
Alliance যে দেশে ভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলোর সংগঠন- সঠিক উত্তর যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স সেফটি, যেটি "অ্যালায়েন্স" নামেও পরিচিত, বিশ্বের ২৮টি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি পাঁচ বছর মেয়াদী সংস্থা, যারা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শ্রম নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করবে, এটি রানা ধ্বসের প্লাজার পরে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল গঠিত হয়। সম্মিলিতভাবে, অ্যালায়েন্স সদস্যরা বিশেষত উত্তর আমেরিকার আমদানিকারক, যারা বাংলাদেশের ৭০০ + কারখানা থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে থাকে। ইউরোপীয় ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ, সংক্ষেপে যা অ্যাকর্ড ( Accord) নামে পরিচিত।
২০১৮ সালে বাংলাদেশের GDP - তে শিল্প খাতের অবদান কত?
Correct Answer:
ঘ: ৩৩. ৬৬%
Explanation:
২০১৮ সালে বাংলাদেশের GDP - তে শিল্প খাতের অবদান কত? সঠিক উত্তর ৩৩. ৬৬% ২০১৮ সালে বাংলাদেশের জি.ডি.পি - তে শিল্প খাতে অবদান ছিল ৩৩.৬৬ যা ২০১৯ সালে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৫.০০। Source: http://bbs..gov.bd
২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে-
Correct Answer:
ক: সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
Explanation:
২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে- সঠিক উত্তর সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ২০১৮ - ২০১৯ অর্থ বছরে রপ্তানি প্রনোদনা রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ২০১৯ - ২০২০ অর্থবছরে তা ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র: অর্থ মন্ত্রণায়ল
সংবিধানের কোন সংশোধনকে 'first distortion of constitution ' বলে আখ্যায়িত করা হয়?
Correct Answer:
ক: ৫ম সংশোধনকে
Explanation:
সংবিধানের কোন সংশোধনকে 'first distortion of constitution ' বলে আখ্যায়িত করা হয়? সঠিক উত্তর ৫ম সংশোধনকে জাতীয় সংসদে পঞ্চম সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল । পঞ্চম সংশোধনী সংবিধানে কোন বিধান সংশোধন করেনি। এ সংশোধনী ১৯৭৫ - এর ১৫ আগস্টে সামরিক শাসন জারির পর থেকে ৬ এপ্রিল ১৯৭৯ পর্যন্ত সামরিক শাসনামলের সব আদেশ, ঘোষণা ও দণ্ডাদেশ বৈধ বলে অনুমোদন করে । সংবিধানের এই সংশোধনীকে First Distortion of Constitution বা সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বলে আখ্যায়িত করা হয় ।
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়-
Correct Answer:
ক: ১৯৯১ সালে
Explanation:
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়- সঠিক উত্তর ১৯৯১ সালে মূল্য সংযোজন কর (ইংরেজি: Value Added Tax, বা VAT), সংক্ষেপে মূসক। বিংশ শতাব্দীতে উদ্ভাবিত একটি আধুনিক কর যা যেকোনো ব্যবসায়ের মাধ্যমে সৃষ্ট মূল্য সংযোজনের ওপর আরোপ করা হয়ে থাকে। দেশীয় পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়, বিদেশী পণ্য আমদানী ও রপ্তানী, দেশাভ্যন্তরে সেবা বা পরিষেবার উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয় ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে মূল্য রপ্তানী কর আরোপযোগ্য। এই কর উৎপাদন থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে আরোপ ও আদায় করা হলেও এর দায়ভার চূড়ান্তভাবে কেবল পণ্য বা সেবার ভোক্তাকে বহন করতে হয়। মূসক আরোপের মাধ্যমে আবগারী শুল্ক, বিক্রয় কর ইত্যাদির প্রয়োজনীয়তা দূর হয়েছে। বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই প্রথম মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর । এই উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: সপ্তম
Explanation:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে? সঠিক উত্তর সপ্তম বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭টি তফসিল – প্রথম তফসিল – অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন। দ্বিতীয় তফসিল – রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তৃতীয় তফসিল - শপথ ঘোষণা। চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকাল ও অস্থায়ী বিধানমালা। পঞ্চম তফসিল–১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্সময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ। ষষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা। সপ্তম তফসিল - ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিব নগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ।
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' (PSC ) গঠনের উল্লেখ আছে?
Correct Answer:
ক: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
Explanation:
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' (PSC ) গঠনের উল্লেখ আছে? সঠিক উত্তর ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগে রয়েছে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ। এর ২য় পরিচ্ছেদে রয়েছে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা যা সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ: “ আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।”
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
Correct Answer:
খ: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
Explanation:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়- সঠিক উত্তর ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়। সংবিধানে এগারোটি ভাগ ও চারটি সিডিউলে বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিলো -
Correct Answer:
ক: ১৯৬৬ সালে
Explanation:
আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিলো - সঠিক উত্তর ১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “৬ দফা দাবি” পেশ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ। ছয় দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য - পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেলরাষ্ট্র। ছয় দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে এই ফেডারেলরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। ছয়দফা কর্মসূচীর ভিত্তি ছিল ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার করা হয়। বাংলাদেশের জন্য এই আন্দোলন এতোই গুরুত্বপূর্ণ যে একে ম্যাগনা কার্টা বা বাঙালির মুক্তির সনদও বলা হয়। প্রতি বছর ৭ই জুন বাংলাদেশে '৬ দফা দিবস' পালন করা হয়। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ - আন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন।
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়-
Correct Answer:
গ: ১৩ হাজার ১৩৬ টি
Explanation:
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়- সঠিক উত্তর ১৩ হাজার ১৩৬ টি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসা সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১৯৯৬ - ২০০১ সাল পর্যন্ত মেয়াদে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কাজ শুরু করেন এবং সে সময় ১০ হাজার ৭২৩টি ক্লিনিক চালু করা হয়। এর ফলে ঐ সময়কালে চিকিৎসা সেবা দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছাতে শুরু করে। কিন্তু ২০০১ সালে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে দেশের দরিদ্র মানুষ আবারো চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হতে শুরু করে। ২০০৯ সালে পুনরায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্তমানে দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৩ হাজার ৭০৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে। আরো এক হাজার ২৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মসূচির আওতায় আসছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকে ভিজিটের সংখ্যা ৭৪ কোটির অধিক। এর মধ্যে ২ কোটির অধিক সংখ্যক জটিল রোগীকে উচ্চতর পর্যায়ে রেফার করা হয়। সরকারের এই মহতী উদ্যোগে দেশের অসহায় দুস্থ মানুষ সহজে ও বিনাপয়সায় হাতের নাগালে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। সূত্র: https://www.ruposhibanglanews.com/?p = 101329
বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামী সংখ্যা ছিল -
Correct Answer:
খ: ৩৫ জন
Explanation:
বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামী সংখ্যা ছিল - সঠিক উত্তর ৩৫ জন ৬ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে ২ জন সি. এস. পি অফিসারসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের গ্রেফতার সম্পর্কে সরকারী প্রেসনোটে উল্লেখ করা হয় যে, “ গত মাসে (অর্থাৎ ডিসেম্বর, ১৯৬৭) পূর্ব - পাকিস্তানে উদ্ঘাঁটিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে এঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ” তৎকালীন পাকিস্তান সরকার এই ষড়যন্ত্রকে "আগরতলা ষড়যন্ত্র" নামে অভিহিত করে। এই একই অভিযোগে ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানকেও গ্রেফতার করা হয়। ৩৫ জনকে আসামী করে সরকার পক্ষ মামলা দায়ের করে। উল্লেখ্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় ।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ কখন বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন?
Correct Answer:
ঘ: ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
Explanation:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ কখন বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন? সঠিক উত্তর ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ (শাসনকাল ১৪৯৪ - ১৫১৯) ছিলেন মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান। তিনি হোসেন শাহি রাজবংশের পত্তন করেন। হাবশি সুলতান শামসউদ্দিন মোজাফফর শাহ নিহত হওয়ার পর তিনি বাংলার সুলতান হন। ইতিপূর্বে তিনি মোজাফফর শাহের উজির ছিলেন।
' Let There Be light ' - বিখ্যাত ছবিটি পরিচালনা করেন-
Correct Answer:
খ: জহির রায়হান
Explanation:
' Let There Be light ' - বিখ্যাত ছবিটি পরিচালনা করেন- সঠিক উত্তর জহির রায়হান The Liberation War began when Raihan was the general secretary of Bangladesh Liberation Council of Intelligentsia and was making his first English film “Let There Be Light”. He abandoned the project and made his most notable work, the documentary “Stop Genocide”, depicting the horrendous atrocities of the Pakistani forces. Zahir Raihan left his house on January 30, 1972 looking for his brother Shahidullah Kaiser, who was abducted by Pakistani forces just before Bangladesh's emergence on the world map and never returned.
প্রাচীন বাংলায় মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে ?
Correct Answer:
খ: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
Explanation:
প্রাচীন বাংলায় মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে ? সঠিক উত্তর চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা - চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজধানী - পাটলীপুত্র প্রথম সর্বভারতীয় রাষ্ট্র/ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সাম্রাজ্য - মৌর্য সাম্রাজ্য প্রথম সর্বভারতীয় রাষ্ট্র/ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সাম্রাজ্য স্থাপন করেন - চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্রাট অশোক - মৌর্য সম্রাট কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে অশোক বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। মৌর্যবংশের রাজাদের ক্রম (সকলের সময়েই বাংলা মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্গত ছিল, এমন নয়): চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য> বিন্দুসার> সম্রাট অশোক> দাশরথি> সম্প্রতি> সালিশুকা> দেববর্মণ> শতধনবান> বৃহদ্রথা
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন -
Correct Answer:
ক: পর্তুগীজরা
Explanation:
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন - সঠিক উত্তর পর্তুগীজরা বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে প্রথম এসেছিল পর্তুগীজরা। ভাস্কো - দা - গামা ছিলেন পর্তুগীজ নাবিক।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
Correct Answer:
ক: ফরিদপুর
Explanation:
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? সঠিক উত্তর ফরিদপুর পাট সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় - ফরিদপুর জেলায়। গম বেশি উৎপাদিত হয় - রংপুর জেলায়।
'গারো উপজাতি' কোন জেলায় বাস করে ?
Correct Answer:
গ: ময়মনসিংহ
Explanation:
'গারো উপজাতি' কোন জেলায় বাস করে ? সঠিক উত্তর ময়মনসিংহ ভারতে মেঘালয় ছাড়াও আসামের কামরূপ, গোয়ালপাড়া ও কারবি আংলং জেলায় এবং বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও গাজীপুর জেলায় গারোরা বাস করে। গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: তৃতীয়া বিভক্তি
Explanation:
দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর তৃতীয়া বিভক্তি বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার - বিভক্তির নাম - বিভক্তি প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি - ০, অ দ্বিতীয়া বিভক্তি - কে, রে তৃতীয়া বিভক্তি - দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক চতুর্থী বিভক্তি - কে, রে* পঞ্চমী বিভক্তি - হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে ষষ্ঠী বিভক্তি - র, এর সপ্তমী বিভক্তি - এ, য়, তে
'গীর্জা' কোন ভাষার শব্দ ?
Correct Answer:
খ: পর্তুগীজ
Explanation:
'গীর্জা' কোন ভাষার শব্দ ? সঠিক উত্তর পর্তুগীজ পর্তুগিজ শব্দ - গীর্জা, পাদ্রী, বোবা, কেরানী, মিস্ত্রি, কামড়া, জানালা, আয়া, আলাপ, আচাড়, ইংরেজ, পিস্তল, তোয়ালে, গুদাম, চাবি, আলমিরা, গামলা, বালতি, আনারস,পেপে,পেয়ারা, তামাক, আলপিন খোঁচা, নোনা ।
'Attested' -এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
Correct Answer:
ক: সত্যায়িত
Explanation:
'Attested' -এর বাংলা পরিভাষা কোনটি? সঠিক উত্তর সত্যায়িত Attested এর বহুল ব্যবহৃত বাংলা পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে 'সত্যায়িত'। সূত্র হিসেবে বাংলা একাডেমী English to Bengali dictionary উল্লেখ করা যেতে পারে। ড. শাহজান মনিরের বাংলা ব্যাকরণে attestation শব্দটির বাংলা দেয়া হয়েছে 'সত্যায়ন'।
'অভিরাম' শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
ঘ: সুন্দর
Explanation:
'অভিরাম' শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর সুন্দর অভিরাম - [বিশেষণ পদ] সুন্দর, আনন্দদায়ক। [অভি + রম্ + অ]। অভিরাম /adjective/ Beautiful ; pretty ; handsome ; pleasing.
বাংলা কৃৎ -প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: খেলনা
Explanation:
বাংলা কৃৎ -প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর খেলনা কৃদন্ত পদ : কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদটিকে বলা হয় কৃদন্ত পদ। অর্থাৎ যে নাম পদ (বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ) ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যোগ হয়ে গঠিত, তাকে কৃদন্ত পদ বলে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ক্রিয়ামূল বা ধাতু থেকে গঠিত বিশেষ্য বা বিশেষণ পদকেই কৃদন্ত পদ বলে। যেমন, উপরের পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কৃৎ প্রত্যয় ২ প্রকার - বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়। না (বাংলা কৃৎ প্রত্যয়): বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয়। √কাঁদ + না = কাঁদনা ˃ কান্না √রাঁধ + না = রাঁধনা ˃ রান্না √ঝর + না = ঝরনা
'সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি -প্রত্যয়-
Correct Answer:
ঘ: সর্বাঙ্গ + ঈন
Explanation:
'সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি -প্রত্যয়- সঠিক উত্তর সর্বাঙ্গ + ঈন সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - সর্বাঙ্গ + ঈন । সর্বাঙ্গীণ, সর্বাঙ্গীন /বিশেষণ পদ/ সম্পূর্ণ, নিঁখুত; সর্বাঙ্গব্যাপী; পূর্ণাঙ্গ।
'জোছনা' কোন শ্রেণীর শব্দ ?
Correct Answer:
ঘ: অর্ধ-তৎসম
Explanation:
'জোছনা' কোন শ্রেণীর শব্দ ? সঠিক উত্তর অর্ধ-তৎসম অর্ধ - তৎসম শব্দ: যে - সব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে সেগুলোকে বলা হয় অর্ধ - তৎসম শব্দ। যেমনঃ জ্যোৎস্না>জ্যোছনা, শ্রাদ্ধ >ছেরাদ্দ, গৃহিণী>গিন্নী, বৈষ্ণব>বোষ্টম, কুৎসিত >কুচ্ছিত।
অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয়-
Correct Answer:
ঘ: কুম্ভিলকবৃত্তি
Explanation:
অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয়- সঠিক উত্তর কুম্ভিলকবৃত্তি কুম্ভিলকবৃত্তি ( Plagiarism ) : অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয় । পতঙ্গবৃত্তি বি. পতঙ্গের মতো আগুনে ঝাঁপ দেওয়া; বিপদ না বুঝে মনোহর কিন্তু বিপজ্জনক বস্তুর মোহে ধাবিত হয়ে আত্মনাশ করা। বেতসবৃত্তি - [বিশেষ্য পদ] বেতসলতার ন্যায় নমনশীলতা, বেতসলতা যেমন জলস্রোতে নত হয় সেরূপ অল্পেই নতিস্বীকার।
'ঊর্ণনাভ' -শব্দটি দিয়ে বোঝায়-
Correct Answer:
ঘ: মাকড়সা
Explanation:
'ঊর্ণনাভ' -শব্দটি দিয়ে বোঝায়- সঠিক উত্তর মাকড়সা ঊর্ণনাভ: - [বিশেষ্য পদ] - সংস্কৃত শব্দ - এর অর্থ মাকড়সা
'জিজীবিষা' শব্দটি দিয়ে বোঝায়-
Correct Answer:
গ: বেঁচে থাকার ইচ্ছা
Explanation:
'জিজীবিষা' শব্দটি দিয়ে বোঝায়- সঠিক উত্তর বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা - বেঁচে থাকার ইচ্ছা। জিগীষা - বি. জয়ের ইচ্ছা (প্রবল জিগীষার আত্মপ্রকাশ)। [সং. √ জি + সন্ + অ + আ]। জিগীষু বিণ. জয়েচ্ছু, জয়ের অভিলাষী। জিঘাংসা - বি. বধ করার বা হত্যার ইচ্ছা। [সং. √ হন্ + সন্ + অ + আ]। জিঘাংসু বিণ. হত্যা করতে চায় এমন; হত্যা করতে ইচ্ছুক। শুশ্রূষা - বি. 1 (প্রধানত রোগীর) পরিচর্যা বা সেবা; 2 (বাং. বিরল) শোনার ইচ্ছা। [সং. √ শ্রূ + সন্ + অ + আ]। ̃ কারী ( - রিন্) বিণ. সেবক; যে শুশ্রূষা করে। স্ত্রী. ̃ কারিণী সেবিকা, নার্স। শুশ্রূষু বিণ. 1 সেবা করতে ইচ্ছুক; 2 শুনতে ইচ্ছুক; 3 সেবক।
বাংলা আধুনিক উপন্যাস-এর প্রবর্তক ছিলেন-
Correct Answer:
ঘ: বঙ্গিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
Explanation:
বাংলা আধুনিক উপন্যাস-এর প্রবর্তক ছিলেন- সঠিক উত্তর বঙ্গিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ - ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাকে বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট বলা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
"কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যা বেলায় দ্বীপ জ্বালার আগে সকাল বেলায় সলতে পাকানো" - বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত ?
Correct Answer:
গ: যোগাযোগ
Explanation:
"কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যা বেলায় দ্বীপ জ্বালার আগে সকাল বেলায় সলতে পাকানো" - বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত ? সঠিক উত্তর যোগাযোগ যোগাযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে (আষাঢ়, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়। এটি প্রথমে ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাস থেকে ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস পর্যন্ত বিচিত্রা মাসিকপত্রে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রথম দুই সংখ্যায় এই উপন্যাসের শিরোনাম ছিল তিনপুরুষ। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসের শিরোনাম পরিবর্তন করে নতুন শিরোনাম দেন যোগাযোগ।
'কালো বরফ' উপন্যাস বিষয়:
Correct Answer:
ঘ: দেশভাগ
Explanation:
'কালো বরফ' উপন্যাস বিষয়: সঠিক উত্তর দেশভাগ কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক রচিত 'কালো বরফ’ উপন্যাসে দেশভাগের পটভূমি ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে আর উঠে এসেছে শেকড় হারাবার বেদনায় বিমর্ষ কিছু চরিত্র। শৈশব - কৈশোর তাড়িত আব্দুল খালেক নামে এক ব্যক্তির স্বাতন্ত্র্য সত্ত্বা উন্মোচিত হয়েছে এ উপন্যাসে। হিন্দু - মুসলমানের বিরোধ - দাঙ্গা দ্বেষ - ক্ষোভ এবং মিলন বর্নিত হয়েছে। শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত দেশ বা মাটি— যে দেশ বা মাটি খালেকের জীবনের সবচেয়ে বড় অধ্যায়। মফস্বলের কলেজ শিক্ষক প্রথাবিচ্ছিন্ন মানুষ আবদুল খালেক এবং তার অর্ন্তজগতের সম্রাট 'পোকা', এই নিয়েই ‘কালো বরফ’। 'পোকা' আবদুল খালেকের শৈশব। আবদুল খালেক একজন বিচ্ছিন্ন এবং নিঃসঙ্গ মানুষ, যে নিজেই নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে, বলা যায় খানিকটা পিছিয়ে পড়া দলের মানুষ। এই দলছুট মানুষ আবদুল খালেকের শৈশব - কৈশোর ও বর্তমান এবং উভয়ের সমন্বয়ে চিত্রায়িত কতকগুলো স্মৃতি - বিস্মৃতির দৃশ্যপটই ‘কালো বরফ’।
'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকাটির সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
Explanation:
'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকাটির সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ঢাকা প্রকাশ ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ বাবুবাজারের ‘বাঙ্গালা যন্ত্র’ থেকে। পত্রিকার শিরোনামের নিচে একটি সংস্কৃত শ্লোকাংশ ‘সিদ্ধিঃ সাধ্যে সমামস্ত্ত’ (সাধ্য অনুযায়ী সিদ্ধিলাভ হোক) মুদ্রিত হতো। প্রতি সপ্তাহে গুরুবার অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তা বের হতো। ডাকমাশুলসহ পত্রিকার বার্ষিক মূল্য ছিল ৫ টাকা। ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। পরিচালকগণের মধ্যে প্রধান ছিলেন ব্রজসুন্দর মিত্র, দীনবন্ধু মৌলিক, ঈশ্বরচন্দ্র বসু, চন্দ্রকান্ত বসু প্রমুখ। কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের পর দীননাথ সেনের পরিচালনায় পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ সময় বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে শুক্রবারে পত্রিকা প্রকাশিত হতে থাকে। চতুর্থ বর্ষের ২৩ থেকে ৩৬ সংখ্যা পর্যন্ত দীননাথ পরিচালনা করেন। পরে সে ভার অর্পিত হয় জগন্নাথ অগ্নিহোত্রী ও গোবিন্দপ্রসাদ রায়ের ওপর। পঞ্চম বর্ষ থেকে শুক্রবারের বদলে ঢাকা প্রকাশ রোববারে প্রকাশিত হতে শুরু করে।
'জীবনস্মৃতি' কার রচনা?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
'জীবনস্মৃতি' কার রচনা? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্হ - জীবনস্মৃতি (১৯১২)। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আত্নজীবনীমূলক বর্ণনাধর্মী অসমাপ্ত রচনার নাম - আত্মচরিত।
দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
Correct Answer:
খ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত নীলদর্পণ নাটকটি লিখেন দীনবন্ধু মিত্র। নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ - কষ্ট নিয়ে রচিত হয়েছে । এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
"সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি" -চরণ দুটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: মদনমোহন তর্কালঙ্কার
Explanation:
"সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি" -চরণ দুটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মদনমোহন তর্কালঙ্কার মদনমোহন তর্কালঙ্কার বাংলা ভাষায় শিক্ষা বিস্তারের জন্য যথেষ্ট শ্রম ব্যয় করেন। তাঁর রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র কর্তৃক রচিত "বর্ণপরিচয়" গ্রন্থটিরও পূর্বে প্রকাশিত। তিনি 'শিশুশিক্ষা' পুস্তকটির 'প্রথম ভাগ' ১৮৪৯ সালে এবং 'দ্বিতীয় ভাগে' ১৮৫০ সালে প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পুস্তকটির 'তৃতীয় ভাগ' এবং 'বোধোদয়' শিরোনামে 'চতুর্থ ভাগ' প্রকাশিত হয়। 'বাসব দত্তা' ও 'রসতরঙ্গিনী' নামে তাঁর দুটি গ্রন্থ ছাত্রাবস্থায় রচিত হয়। তাঁর রচিত 'আমার পণ' কবিতাটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা পাঠ্যবইয়ের অন্যতম একটি পদ্য এবং শিশু মানস গঠনের জন্য চমৎকার দিক - নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত। তাঁর বিখ্যাত কিছু পংক্তির মধ্যে রয়েছে: ‘পাখী সব করে রব, রাতি পোহাইল’; ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’; ‘লেখাপড়া করে যে/ গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’। তিনি ১৪টি সংস্কৃত বই সম্পাদনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) বাসবদত্তা (১৮৩৬) শিশু শিক্ষা - তিন খণ্ড (১৮৪৯ ও ১৮৫৩)
চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে ?
Correct Answer:
ঘ: বৌদ্ধধর্ম
Explanation:
চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে ? সঠিক উত্তর বৌদ্ধধর্ম ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত "চর্যাপদ" হল বৌদ্ধ সহজিয়া পন্থীদের দেহ সাধনার বই। চর্যাপদের ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২৭ সালে। বৌদ্ধ ধর্মমতে - শূন্যতা + করূণা = বোধিসত্ত্বলাভ ইহ জগতের সবকিছুই মূল্যহীন এই উপলব্ধি হচ্ছে - শূন্যতা। আর বস্তু জগতের লোভ লালসা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বলে - করূণা। এই দুয়ের সমন্বয়ে সাধনার চরম স্তরে পৌঁছানো যায়। অর্থাৎ বোধিসত্ত্ব লাভ হয়। ১ সংখ্যক চর্যায় লুইপা লিখেছেন, "কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিএ পইঠা কাল।।" অর্থাৎ দেহ হল তরুর মত পাঁচটা যার ডাল চঞ্চল চিত্তে প্রবেশ করে কাল। চর্যাপদে দেহ সাধনার কথা লেখা হয়েছে গূঢ় রহস্যপূর্ণ ভাষায় - যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব।
শরতের শিশির-বাগধারা শব্দটির অর্থ কী?
Correct Answer:
ক: সুসময়ের বন্ধু
Explanation:
শরতের শিশির-বাগধারা শব্দটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর সুসময়ের বন্ধু ”শরতের শিশির” বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, ক্ষণস্থায়ী। সুসময়ের বন্ধুরা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে। দুধের মাছি বাগধারার অর্থও সুসময়ের বন্ধু।
'প্রোষিতভর্তৃকা'- শব্দটির অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
Explanation:
'প্রোষিতভর্তৃকা'- শব্দটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে ভর্ৎসনাপ্রাপ্ত তরুণী / নারী - ভর্ৎসিতা যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে - প্রোষিতভর্তৃকা যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে - প্রোষিতপত্নীক/ প্রোষিতভার্য যে বিবাহিতা / অবিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে - চিরন্ট
শিব রাত্রির সলতে - বাগধারটির অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: একমাত্র সন্তান
Explanation:
শিব রাত্রির সলতে - বাগধারটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর একমাত্র সন্তান শিব রাত্রির সলতে বলতে বুঝায় পিতা মাতার এক মাত্র জীবিত সন্তান / এক মাত্র সন্তান/ এক মাত্র অবলম্বন/একমাত্র বংশধর।
২০১৮ সালে বাংলাদেশের Per Capita GDP (nominal) কত?
Correct Answer:
খ: $ ১,৭৫১ মার্কিন ডলার
Explanation:
২০১৮ সালে বাংলাদেশের Per Capita GDP (nominal) কত? সঠিক উত্তর $ ১,৭৫১ মার্কিন ডলার ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৮২৪ ডলার, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.২৫% সোর্স- প্রথম আলো নিউজ
উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয় ?
Correct Answer:
ক: ময়মনসিংহ গীতিকা
Explanation:
উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয় ? সঠিক উত্তর ময়মনসিংহ গীতিকা ১৯১৬ সালে ময়মনসিংহের কবি চন্দ্রকুমার দে প্রথম সেই এলাকার প্রচলিত পালাগান বা গাথাগুলি সংগ্রহ করেছিলেন | আচার্য দীনেশচন্দ্র সেনের উত্সাহে তা পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় | এই সমস্ত পালা ময়মনসিংহ গীতিকা নামেই পরিচিতি লাভ করে |এটি লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত ।
উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন?
Correct Answer:
ঘ: রমনীপাদ
Explanation:
উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন? সঠিক উত্তর রমনীপাদ কাহ্নপাদ বা কাহ্ন পা বা কৃষ্ণপাদ বা কৃষ্ণাচার্য্য চুরাশিজন বৌদ্ধ মহাসিদ্ধদের মধ্যে একজন ছিলেন। তিনি চর্যাপদের তেরোটি পদ রচনা করেন। তবে কাহ্নপা রচিত ২৪তম পদটি পাওয়া যায়নি। চর্যাপদে শান্তি পার একটি পদ গৃহীত হয়েছে। শান্তি পা বিক্রমশিলা বিহারের দ্বারপণ্ডিত ছিলেন। দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান অতীশ তার শিষ্য। এগার শতকের প্রথমে তিনি জীবিত ছিলেন। তার চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন মৈথিলি। শান্তি পা রত্নাকর শান্তির সংক্ষিপ্ত নাম। চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুই পার রচনা ।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র কি ধরণের সংস্থা?
Correct Answer:
খ: মানবাধিকার
Explanation:
আইন ও সালিশ কেন্দ্র কি ধরণের সংস্থা? সঠিক উত্তর মানবাধিকার আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি বেসরকারী সংস্থা যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আইনগত সহায়তাও দিয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি মানবাধিকার সংগঠন যারা বিশেষভাবে শ্রমিক ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন।
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে বিভক্ত করেছেন-
Correct Answer:
খ: ৪ ভাগে
Explanation:
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে বিভক্ত করেছেন- সঠিক উত্তর ৪ ভাগে যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে। এলমন্ড ও পাওয়েল চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন যথাঃ 1. Institutional interest groups (army and business associations). 2. Non - associational interest groups. 3. Associational interest groups. 4. Anomic interest groups (terrorist organization, criminal gang).
জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত :
Correct Answer:
ঘ: বৃন্দাবন দাস
Explanation:
জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত : সঠিক উত্তর বৃন্দাবন দাস বৃন্দাবন দাস একজন মধ্যযুগীয় এবং পদাবলী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি ছিলেন। বর্ধমানের কাছে দেনুর গ্রামে ১৬ শতকের শুরুতে জন্ম। তাঁর রচিত শ্রীচৈত্যন্যদেবের জীবনী চৈত্যন্যভাগবত সবচেয়ে পুরোনো যা বৈষ্ণব সমাজে বেদব্যাস হিসাবে বিখ্যাত। তাঁর রচিত গোপিকামোহন কাব্যও বৈষ্ণব সমাজের আদরের বস্তু। তিনি কৃষ্ণকর্ণামৃতটীকা, নিত্যানন্দযুগলাষ্টক, রসকল্পসারস্তব, রামানুজগুরু - পরম্পরা প্রভৃতি কয়েকটি সংস্কৃত কাব্য রচনা করে যশ লাভ করেন।
বৈষ্ণব পদাবলীর সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত?
Correct Answer:
গ: ব্রজবুলি
Explanation:
বৈষ্ণব পদাবলীর সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত? সঠিক উত্তর ব্রজবুলি ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪ - ১৪৬০) এর উদ্ভাবক। তার পদের ভাব ও ভাষার অনুসরণে বাংলা, উড়িষ্যা ও আসামে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশ জাতিসংঘের -
Correct Answer:
খ: ১৩৬ তম সদস্য
Explanation:
বাংলাদেশ জাতিসংঘের - সঠিক উত্তর ১৩৬ তম সদস্য বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য। ১৭ই সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। এগুলো হচ্ছে - বাংলাদেশ, গ্রানাডা, গিনি বিসাউ। ইংরেজি বর্ণক্রমানুসারে নাম আসায় বাংলাদেশ ১৩৬ তম, গ্রানাডা ১৩৭ তম, গিনি বিসাউ ১৩৮ তম সদস্যপদ লাভ করে।
বাংলাদেশ প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয় -
Correct Answer:
গ: ৭ মার্চ, ১৯৭৩
Explanation:
বাংলাদেশ প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয় - সঠিক উত্তর ৭ মার্চ, ১৯৭৩ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল৷ সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়৷ আর সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি৷ ঐ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ৭ এপ্রিল, তেজগাঁওয়ে অবস্থিত তখনকার জাতীয় সংসদ ভবনে৷ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টিতে জয়লাভ করে৷ বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা - ১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন৷
'কিন্তু মানুষ্য কখনো পাষাণ হয় না- উক্তিটি কোন উপন্যাসের ?
Correct Answer:
ঘ: বঙ্গিমচন্দ্রের 'রাজসিংহ'
Explanation:
'কিন্তু মানুষ্য কখনো পাষাণ হয় না- উক্তিটি কোন উপন্যাসের ? সঠিক উত্তর বঙ্গিমচন্দ্রের 'রাজসিংহ' রাজসিংহ ১৮৮২ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪।
জসীম উদ্দীনের রচনা কোনটি?
Correct Answer:
ক: যাদের দেখেছি
Explanation:
জসীম উদ্দীনের রচনা কোনটি? সঠিক উত্তর যাদের দেখেছি জসীম উদ্দীনের আত্নকথা: যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)