Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
সম্বোধন পদের পরে যে চিহ্নটি ব্যবহৃত হয় তার নাম কী?
Correct Answer:
ক: কমা
Explanation:
সম্বোধন পদের পরে যে চিহ্নটি ব্যবহৃত হয় তার নাম কী? সঠিক উত্তর কমা সম্বোধন এর পর বসে কমা(,) বাক্যের শেষে বসে দাড়ি।
'অনুচিত' শব্দটি কোন সমাস ?
Correct Answer:
ক: তৎপুরুষ
Explanation:
'অনুচিত' শব্দটি কোন সমাস ? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ অনুচিত - ন (নয়) উচিত - নঞ তৎপুরুষ সমাস ।
কোনটি দেশি শব্দের উদাহরণ ?
Correct Answer:
ঘ: গঞ্জ
Explanation:
কোনটি দেশি শব্দের উদাহরণ ? সঠিক উত্তর গঞ্জ এছাড়া আরো কিছু দেশি শব্দ, ঢেকি, কুলা, কুড়ি, পেট ইত্যাদি।
'কন্যা' শব্দের সমার্থক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: তনয়া
Explanation:
'কন্যা' শব্দের সমার্থক কোনটি? সঠিক উত্তর তনয়া 'কন্যা' শব্দের সমার্থক তনয়া। 'কন্যা' শব্দের সমার্থক : কন্যা, মেয়ে, দুহিতা, দুলালী, আত্মজা, নন্দিনী, পুত্রী, সূতা, তনয়া।
'Book Post ' এর পারিভাষিক রুপ কোনটি?
Correct Answer:
খ: খোলাডাক
Explanation:
'Book Post ' এর পারিভাষিক রুপ কোনটি? সঠিক উত্তর খোলাডাক Book Post অর্থ - খোলা ডাক।
'মানুষ মরণশীল' এ বাক্যে 'মানুষ ' শব্দটি কোন লিঙ্গ ?
Correct Answer:
গ: উভয়লিঙ্গ
Explanation:
'মানুষ মরণশীল' এ বাক্যে 'মানুষ ' শব্দটি কোন লিঙ্গ ? সঠিক উত্তর উভয়লিঙ্গ কতগুলো বাক্য শব্দ পুরুষ ও স্ত্রী দুই ই বোঝায়। যেমনঃ জন, পাখি, শিশু, সন্তান, শিক্ষিত, গুরু, মানুষ ইত্যাদি।
কোনটি রুপক কর্মধারয় সমাস ?
Correct Answer:
খ: কালস্রোত
Explanation:
কোনটি রুপক কর্মধারয় সমাস ? সঠিক উত্তর কালস্রোত রূপক কর্মধারায়ঃ উপমান ও উপমেয়র মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে তাকে রুপক কর্মধারায় সমাস বলে । **রূপক কর্মধারায় সমাসের লক্ষণীয় বিষয় - এক্ষেত্রে উপমান ও উপমেয় উভয় পদে সমাস হয় এবং উভয়ের অভেদ কল্পনা করা হয়। উদাহারণঃ বিদ্যাধন = বিদ্যা রুপ ধন চন্দ্রমুখ = চন্দ্র রুপ মুখ মনমাঝি = মন রুপ মাঝি বিষাদসিন্ধু = বিষাদ রুপ সিন্ধু ক্রোধানল = ক্রোধ রুপ অনল সংসারসাগর = সংসার রূপ সাগর হৃদয়মন্দির = হৃদয় রূপ মন্দির আনন্দসাগর = আনন্দ রুপ সাগর জীবনতরী = জীবন রূপ তরী জ্ঞানবৃক্ষ = জ্ঞান রূপ বৃক্ষ জীবনপ্রদীপ = জীবন রূপ প্রদীপ পরানপাখি = পরান রূপ পাখি চিত্তচকোর = চিত্ত রূপ চকোর যৌবনবন = যৌবন রূপ বন ক্ষুধানল = ক্ষুধা রূপ অনল শোকসাগর = শোক রূপ সাগর বিদ্যাসাগর = বিদ্যা রূপ সাগর শোকানল = শোক রূপ অনল সুখসাগর = সুখ রূপ সাগর মোহনিদ্রা = মোহ রূপ নিদ্রা জীবনস্রোত = জীবন রূপ স্রোত ভবনদী = ভব রূপ নদী কালস্রোত = কাল রূপ স্রোত
'ব্যাঙের আধুলি' বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: সামান্য অর্থ
Explanation:
'ব্যাঙের আধুলি' বাগধারাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর সামান্য অর্থ ব্যাঙের আধুলি (সামান্য ধন): বাপু, সাহায্য করলেই যদি হাজার খানেক টাকা দাও, দুশো টাকা তো ব্যাঙের আধুলি।
বাগধারা হিসেবে প্রয়োগ করা হয় না কোন শব্দটি?
Correct Answer:
ক: চোখের জল
Explanation:
বাগধারা হিসেবে প্রয়োগ করা হয় না কোন শব্দটি? সঠিক উত্তর চোখের জল চোখের বালি অর্থ চক্ষুশূল/ শত্রু, চোখের মণি অর্থ অত্যন্ত প্রিয় এবং চোখের পর্দা অর্থ লজ্জা। চোখের জল বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
'জিলাপির প্যাঁচ' বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: কুটিল বুদ্ধি
Explanation:
'জিলাপির প্যাঁচ' বাগধারাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর কুটিল বুদ্ধি জিলাপীর প্যাঁচ (কূটবুদ্ধি): যার পেটে এমন জিলাপীর প্যাঁচ, তাকে সব কথা আমার বলা উচিত হয়নি।
'শিরে - সংক্রান্তি ' বাগধারটির অর্থ কী?
Correct Answer:
ক: আসন্ন -বিপদ
Explanation:
'শিরে - সংক্রান্তি ' বাগধারটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর আসন্ন -বিপদ শিরে সংক্রান্তি অর্থ হলো - আসন্ন বিপদ।
'আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি '। চরণটি কোন কবিতার?
Correct Answer:
ঘ: বিদ্রোহী
Explanation:
'আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি '। চরণটি কোন কবিতার? সঠিক উত্তর বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিদ্রোহ কবিতার কয়েকটি লাইন ' বল বীর, বল উন্নত মম শীর ' ' আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি ' ।
যে -ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশীতে বেশি চাপ পড়ে সে ব্যঞ্জনগুলোকে বলে ?
Correct Answer:
ঘ: মহাপ্রাণ
Explanation:
যে -ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশীতে বেশি চাপ পড়ে সে ব্যঞ্জনগুলোকে বলে ? সঠিক উত্তর মহাপ্রাণ প্রতি বর্গের ২য় ও ৪র্থ বর্ণ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমনঃ - খ,ঘ,ছ,ঝ,ঠ,ঢ ইত্যাদি।
'নাটিকা ' কোন অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ?
Correct Answer:
খ: ক্ষুদ্রার্থে
Explanation:
'নাটিকা ' কোন অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ? সঠিক উত্তর ক্ষুদ্রার্থে নাটক শব্দের স্ত্রী লিঙ্গ নাটিকা যা ক্ষুদ্রার্থে ব্যবহৃত হয়।
'উজ্জ্বল' শব্দের সঠিক সন্ধি বিশ্লেষণ কোনটি?
Correct Answer:
খ: উৎ +জ্বল
Explanation:
'উজ্জ্বল' শব্দের সঠিক সন্ধি বিশ্লেষণ কোনটি? সঠিক উত্তর উৎ +জ্বল 'উজ্জ্বল' শব্দের সঠিক সন্ধি বিশ্লেষণ উৎ + জ্বল। ‘ত/দ’ এরপরে ‘জ/ঝ’ থাকলে উভয়ে মিলে ‘জ্জ/জ্ঝ’ হয়। যেযেম - ত + জ = জ্জ সৎ + জন = সজ্জন, উৎ + জ্বল = উজ্জ্বল, তৎ + জন্য = তজ্জন্য।
'মনীষা' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
গ: মনস্ +ঈষা
Explanation:
'মনীষা' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর মনস্ +ঈষা 'মনীষা' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ মনস্ + ঈষা। ‘অ/আ’ এরপরে ‘ই/ঈ’ থাকলে উভয় মিলে ‘এ’ হয় এবং তা ‘অ/আ’ - র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। আ + ঈ = এ মহা + ঈশ = মহেশ, রমা + ঈশ = রমেশ।
'উষ্ণীয়' এর শব্দার্থ -
Correct Answer:
গ: পাগড়ি
Explanation:
'উষ্ণীয়' এর শব্দার্থ - সঠিক উত্তর পাগড়ি উষ্ণীষ সংস্কৃত শব্দ; যার অর্থ - পাগড়ি, কেরীট।
'স্রোতস্বিনী' শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
ক: নদী
Explanation:
'স্রোতস্বিনী' শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর নদী নদী এর সমার্থক শব্দ স্রোতস্বিনী, প্রবাহিনী, তটিনী, গাঙ্গ ইত্যাদি।
কোনটি 'বাতাস' এর প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
গ: অর্ণব
Explanation:
কোনটি 'বাতাস' এর প্রতিশব্দ নয়? সঠিক উত্তর অর্ণব বাতাস এর সমার্থক শব্দঃ বায়ু, অনিল, পবন, হাওয়া, সমীর, সমীরণ, মরুত ইত্যাদি।
আসামির পক্ষে উকিল কে? এখানে 'পক্ষে' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ক: প্রশ্ন অর্থে
Explanation:
আসামির পক্ষে উকিল কে? এখানে 'পক্ষে' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর প্রশ্ন অর্থে বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রুপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্য ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্যে করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবর কখনো বা 'কে ' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে । যেমন - আসামির পক্ষে উকিল কে ? (প্রশ্ন)
এক কথায় প্রকাশ করুন: পাঁচ সেরের সমাহার -
Correct Answer:
খ: পশুরী
Explanation:
এক কথায় প্রকাশ করুন: পাঁচ সেরের সমাহার - সঠিক উত্তর পশুরী পরিমাপ করা যায় এমন - পরিমেয়, পাঁচ সেরের সমাহার - পশুরী। হস্তী, অশ্ব, রথ ও পদাতিকের সমাহার - চতুরঙ্গ।
কোন শব্দটিতে খাঁটি বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
গ: অজানা
Explanation:
কোন শব্দটিতে খাঁটি বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর অজানা খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায়: খাঁটি বাংলা উপসর্গ(২১টি) >>মনে রেখো, বাঙালিরা বেশি খায় তাই ২১ টি। কেননা তত্সম উপসর্গ ২০টি। বাংলা উপসর্গ সবসময় খাঁটি বাংলা শব্দ বা তদ্ভব শব্দের পূর্বে ব্যবহৃত হয়। "আড়"চোখে "রাম", "অজ"মূর্খ "অঘা"রাম| "হা"ভাতে "পাতি"হাঁস, "নি"খুত "ইতি"হাস| "কদা"কারে "ঊ"নিশ, "স"ঠিকে "বি"শ| "অনা"চারে "কু"নজর, "অ"পয়াকে "সু"নজর| "আব"ছায়ায় "আন"চা "ভর"পেটে "সা"বধান| "আ"গাছাকে "বি"নাশ, "কু"শাসনে "স"র্বনাশ|. বাংলা উপসর্গঃ অ , অজ, অঘা, রাম, সা, হা, অনা, স, কু, উন, আ, কদ, আড়, আন, আব, ভর, ইতি, আ, সু, নি, বি = ২১ টি
বাংলা সাহিত্য অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্য অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্য অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য।
'যা লাফিয়ে চলে' এক কথায় বলে -
Correct Answer:
ঘ: প্লবগ
Explanation:
'যা লাফিয়ে চলে' এক কথায় বলে - সঠিক উত্তর প্লবগ যা লাফিয়ে চলে - প্লবগ। প্লবগ শব্দের অর্থ - লম্ফন, ঝম্পন, সন্তরণ ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ।
'বনফুল' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
Correct Answer:
গ: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
Explanation:
'বনফুল' কোন লেখকের ছদ্মনাম? সঠিক উত্তর বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় 'বনফুল' ছদ্মনাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের। বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (জন্ম: ১৯ জুলাই ১৮৯৯ - মৃত্যু: ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯) একজন বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও কবি। তিনি বনফুল ছদ্মনামেই অধিক পরিচিত। অবিভক্ত ভারতবর্ষের বিহার রাজ্যের মণিহারীতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস অধুনা পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার শিয়াখালা গ্রাম। তাঁদের পরিবার "কাঁটাবুনে মুখুজ্জ্যে" নামে পরিচিত ছিল৷
'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' কার রচনা?
Correct Answer:
গ: রাজা রামমোহন রায়
Explanation:
'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' কার রচনা? সঠিক উত্তর রাজা রামমোহন রায় 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' রাজা রামমোহন রায়ের রচনা। গৌড়ীয় ব্যাকরণ বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়, প্রকাশিত ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ। এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন। গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচিত হয় তৎকালীন স্কুল - বুক সোসাইটির অভিপ্রায়ে এবং ছাত্রদের পাঠোপযোগী করে। সর্বমোট বারোটি অধ্যায়ে এটি বিন্যস্ত। প্রথম অধ্যায়ে ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, শব্দ, অক্ষর প্রভৃতি সম্পর্কে দৃষ্টান্তসহ আলোচনা করা হয়েছে। গ্রন্থে বাংলা ভাষার স্বকীয় উচ্চারণ - পদ্ধতি সম্পর্কে রামমোহন কিছু মৌলিক বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।
কোন সালে কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তিরহিত হন?
Correct Answer:
খ: ১৯৪২
Explanation:
কোন সালে কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তিরহিত হন? সঠিক উত্তর ১৯৪২ ১৯৪২ সালে কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তিরহিত হন। নবযুগে সাংবাদিকতার পাশাপাশি নজরুল বেতারে কাজ করছিলেন। এমন সময়ই অর্থাৎ ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এতে তিনি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তার অসুস্থতা সম্বন্ধে সুষ্পষ্টরূপে জানা যায় ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে। এরপর তাকে মূলত হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু এতে তার অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। সেই সময় তাকে ইউরোপে পাঠানো সম্ভব হলে নিউরো সার্জারি করা হত।
বাক্যের পরিসমাপ্তি বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
খ: দাঁড়ি
Explanation:
বাক্যের পরিসমাপ্তি বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর দাঁড়ি বাক্যের পরিসমাপ্তি বোঝাতে দাঁড়ি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।) প্রতিটি বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়। দাঁড়ি দিয়ে বাক্যটি শেষ হয়েছে বোঝায়। যেমন - আমি কাল বাড়ি আসবো।
'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: মদনমোহন তর্কালঙ্কার
Explanation:
'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' - পঙক্তিটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মদনমোহন তর্কালঙ্কার 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' - পঙক্তিটির রচয়িতা মদনমোহন তর্কালঙ্কার। মদনমোহন তর্কালঙ্কার (জন্ম: ১৮১৭ – মৃত্যু: ৯ই মার্চ, ১৮৫৮) ভারতীয় উপমহাদেশের ঊনবিংশ শতাব্দীয় অন্যতম পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব যিনি লেখ্য বাংলা ভাষার বিকাশে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। তিনি বাংলার নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত হিসিবেও পরিগণিত। তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাল্যশিক্ষার জন্য একাধিক পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন।
বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের প্রচলন করেন কে?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের প্রচলন করেন কে? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। তাঁকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলে অভিহিত করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
'অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে' কার?
Correct Answer:
ক: উপসর্গ
Explanation:
'অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে' কার? সঠিক উত্তর উপসর্গ 'অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে' উপসর্গের। যে সকল অব্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে মিলে বা ধাতুকে অবলম্বন করে ওই ধাতুর নানা অর্থের সৃষ্টি করে তাদেরকে উপসর্গ বলা হয়। বাংলা ভাষায় ব্যবহূত উপসর্গগুলোর কোনো অর্থবাচকতা নেই, শুধু মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে এরা ব্যবহূত হলেই এদের অর্থ দ্যোতকতা শক্তি দৃষ্ট হয়।
'আলাে' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: আঁধার
Explanation:
'আলাে' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর আঁধার আলো অর্থ আলোক, দ্বীপ। এর বিপরীত তিমির অর্থ অন্ধকার, তমসা। আধার অর্থ আলোকহীন, অপরিষ্কার।
'কাঁদো নদী কাঁদো ' কার উপন্যাস ?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
Explanation:
'কাঁদো নদী কাঁদো ' কার উপন্যাস ? সঠিক উত্তর সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ 'কাঁদো নদী কাঁদো ' সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ এর উপন্যাস। কাঁদো নদী কাঁদো ১৯৬৮ সালে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত চেতনাপ্রবাহরীতির একটি উপন্যাস। আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এর সমাজজীবন, পরিবেশ ও চরিত্রাদি স্বদেশীয়। তবারক ভুঁইয়া নামে এক স্টিমারযাত্রীর মুখে বিবৃত কুমুরডাঙ্গার ছোট হাকিম মুহাম্মদ মুস্তফার জীবনালেখ্য ও অন্তর্জীবনের ইতিকথা এর বিষয়বস্ত্ত।
হুমায়ূন আহমেদের 'শ্যামলা ছায়া ' উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে--।
Correct Answer:
গ: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
Explanation:
হুমায়ূন আহমেদের 'শ্যামলা ছায়া ' উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে--। সঠিক উত্তর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হুমায়ূন আহমেদের 'শ্যামলা ছায়া ' উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে - - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। শ্যামল ছায়া ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন হুমায়ূন আহমেদ। এই ছবিটি ২০০৬ সালে "সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র" বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে নিবেদন করা হয়েছিল। ছবির বিশেষত্ব হচ্ছে, সরাসরি যুদ্ধের দৃশ্য না দেখিয়েও এতে যুদ্ধের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
কোন পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
ঘ: বিজলী
Explanation:
কোন পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর বিজলী বিজলী পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রকাশিত হয়। বিজলী ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার নাম। এটি একটি চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা ছিলো, যার উদ্যোক্তা নলিনীকান্ত সরকার, বারীন্দ্রকুমার ঘোষ, শচ্চিদানন্দ সেনগুপ্ত, অরুণ সিংহ এবং দীনেশ রঞ্জন দাস। এর সম্পাদকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো নলিনীকান্ত সরকার, প্রবোধকুমার সান্যাল প্রমুখ। এই পত্রিকায় ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি, ২২ পৌষ ১৩২৮ বঙ্গাব্দ শুক্রবারে প্রথম কাজী নজরুল ইসলামের "বিদ্রোহী" কবিতা প্রকাশিত হয়। সে সময় পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলো নলিনীকান্ত সরকার। ঐদিন বিজলী পত্রিকা দুই বার ছাপতে হয়েছিল, যার সংখ্যা ছিলো ২৯ হাজার।
'যে আপনার রং লুকায়' তাকে এক কথায় কী বলে?
Correct Answer:
খ: বর্ণচোরা
Explanation:
'যে আপনার রং লুকায়' তাকে এক কথায় কী বলে? সঠিক উত্তর বর্ণচোরা দেখা যায় না এমন - অদৃশ্য। যে আপনার রং লুকায় - বর্ণচোরা। পূর্বে ছিল কিন্তু এখন নেই এমন - ভূতপূর্ব। ফুলের গন্ধে সুবাসিত - ফুলেল।
'সিরাজাম মুনীরা ' কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
Correct Answer:
খ: ফররুখ আহমদ
Explanation:
'সিরাজাম মুনীরা ' কাব্যগ্রন্থের কবি কে? সঠিক উত্তর ফররুখ আহমদ 'সিরাজুম মুনীরা ' কাব্যগ্রন্থের কবি ফররুখ আহমদ। ইসলামী রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের সিরাজাম মুনীরা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে ঢাকায়। তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে কলকাতা থেকে। প্রকাশ করেন কবি বেনজীর আহমদ। এ কাব্যটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে কবি খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেন। কবির ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যগ্রন্থের মধ্যে যে কবিতাগুলো রয়েছে তার নাম ‘সিরাজাম মুনীরা’ মুহম্মদ মুস্তফা, হযরত আবুবকর সিদ্দিক, উমর দরাজ দিল, ওসমান গনি, আলী হায়দার, শহীদে কারবাল, মন, আজ সংগ্রাম, এই সংগ্রাম, প্রেমপন্থী, অশ্রুবিন্দু, গাওসুলআজম, সুলতামুল হিন্দ, খাজা নকসবন্দ, মুজাদ্দিদে আলফেসানী, মৃত্যু সংকট, অভিযাত্রীদের প্রার্থনা, মুক্তধারা ও পিপাসা।
'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
গ: উপন্যাস
Explanation:
'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস জাতীয় রচনা। শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের চিত্রসৃষ্টি পর্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস (প্রথমটি যোগাযোগ) এটি। ১৯২৭ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ভাদ্র) থেকে ১৯২৮ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের চৈত্র) অবধি প্রবাসীতে ধারাবাহিকভাবে রচনাটি প্রকাশিত হয়। কিন্তু 'শেষ লেখা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্য গ্রন্থ।
কাজী নজরুল ইসলামের 'আলেয়া' কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: গীতিনাট্য
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের 'আলেয়া' কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর গীতিনাট্য কাজী নজরুল ইসলামের 'আলেয়া' গীতিনাট্য ধরনের রচনা। আলেয়া কাজী নজরুল ইসলাম রচিত দ্বিতীয় নাটক। এটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। ত্রিভুজ প্রেম ও তার পরিণয় এই নাটকের প্রধান বিষয়বস্তু। নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র জয়ন্তীর প্রেমের ব্যাকুলতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং আবেগের তীব্রতা নাটকটিকে ট্র্যাজিক পরিণয়ের দিকে নিয়ে গেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মায়ার খেলা নাটকের সাথে এর বিষয়বস্তুর মিল থাকলেও নজরুল গল্পের জটিলতা ও নাট্যের তীব্র গতি দিয়ে একে স্বতন্ত্র করে তুলেছেন।
কবিতার ছন্দ সাধারণত কত প্রকার?
Correct Answer:
খ: ৩ প্রকার
Explanation:
কবিতার ছন্দ সাধারণত কত প্রকার? সঠিক উত্তর ৩ প্রকার কবিতার ছন্দ সাধারণত ৩ প্রকার। বাংলা কবিতার ছন্দ মূলত ৩টি - স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত । তবে বিংশ শতক থেকে কবিরা গদ্যছন্দেও কবিতা লিখতে শুরু করেছেন। এই ছন্দে সেই সুশৃঙ্খল বিন্যাস না থাকলেও ধ্বনিমাধুর্যটুকু অটুট রয়ে গেছে, যে মাধুর্যের কারণে ধ্বনিবিন্যাস ছন্দে রূপায়িত হয়।
'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
Explanation:
'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ । এছাড়াও তার রচিত গবেষণা ও ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে - বাংলা সাহিত্যের কথা, ভাষা ও সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরন ইত্যাদি । তার রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ - শেষ নবীর সন্ধানে, ছোটদের রসুলুল্লাহ, সেকালের রূপকথা ।
বাক্যে কোন যতি চিহ্নটি থাকলে থামার প্রয়োজন নেই?
Correct Answer:
গ: হাইফেন
Explanation:
বাক্যে কোন যতি চিহ্নটি থাকলে থামার প্রয়োজন নেই? সঠিক উত্তর হাইফেন 'হাইফেন' বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল নেই । তাই এই চিহ্নে থামার প্রয়োজন নেই । এছাড়া ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট বা বন্ধনী চিহ্নেও থামার প্রয়োজন নেই । কিন্তু কোলন, সেমিকোলন ও ড্যাস চিহ্নে থামার প্রয়োজন হয় । কোলন ও ড্যাস চিহ্নে থামতে হয় এক সেকেন্ড সময় । সেমিকোলন চিহ্নে থামতে হয় এক বলার দ্বিগুণ সময় ।
' মধুমালতী' কাব্যগ্রন্থের কবি হলেন---- ।
Correct Answer:
ঘ: সৈয়দ হামজা
Explanation:
' মধুমালতী' কাব্যগ্রন্থের কবি হলেন---- । সঠিক উত্তর সৈয়দ হামজা ' মধুমালতী' কাব্যগ্রন্থের কবি হলেন - - সৈয়দ হামজা। সৈয়দ হামজা (আনু. ১৭৫৫ - ১৮১৫) দোভাষী পুথি রচয়িতা। ফকির গরীবুল্লাহ প্রথম এ ধারার কাব্য রচনা করেন; সৈয়দ হামজা দ্বিতীয় প্রধান ও জনপ্রিয় কবি। অল্প বয়সে সৈয়দ হামজার কবি - প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে। তিনি পাঁচালি ও হেঁয়ালি জাতীয় ছড়া রচনার মাধ্যমে কাব্যচর্চা শুরু করেন। তাঁর প্রথম কাব্য মধুমালতী (১৭৮৮) সামান্য আঞ্চলিকতা ছাড়া শুদ্ধ সাহিত্যিক বাংলায় রচিত। হিন্দিতে কুতবন ও মনঝন এবং বাংলায় মুহম্মদ কবির পূর্বেই রোম্যান্সধর্মী এ কাব্য রচনা করেন। এর কাহিনী অলৌকিকতায় পূর্ণ হলেও মানুষের ধর্ম, সমাজ, নীতি, আচার, সংস্কার ইত্যাদি উপেক্ষিত হয়নি।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
Correct Answer:
ক: চণ্ডীমঙ্গল
Explanation:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী? সঠিক উত্তর চণ্ডীমঙ্গল মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থের নাম চণ্ডীমঙ্গল। চণ্ডীমঙ্গল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান কাব্য। এই ধারার অন্য দুই উল্লেখনীয় কাব্য মনসামঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। জনশ্রুতি অনুসারে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি - কবি মানিক দত্ত। এই কাব্যের জনপ্রিয় কবি মুক্তারাম সেন, হরিরাম, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, দ্বিজ মাধব বিশেষ উল্লেখনীয়। কবির আত্মজীবনী থেকে জানতে পারি মোটামুটি ভাবে ১৫৯৪ - ১৬০৩ খ্রিঃ - এর মধ্যে তার কাব্য রচিত হয়। মুকুন্দের চণ্ডীমঙ্গলের অধিকাংশ ভনিতায় অভয়ামঙ্গল নামে কাব্যটির উল্লেখ পাওয়া যায়।
'ধামাধরা' বাগধারটির অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: তোষামোদকারী
Explanation:
'ধামাধরা' বাগধারটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর তোষামোদকারী ধর্মের ষাঁড় বাগধারার অর্থ - যথেচ্ছাচারী । ফেকলু পার্টি বাগধারার অর্থ - কদরহীন লোক। বকধার্মিক বাগধারাটির অর্থ - ভন্ড সাধু ।
'হুলিয়া' কবিতাটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: নির্মলেন্দু গুণ
Explanation:
'হুলিয়া' কবিতাটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর নির্মলেন্দু গুণ নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী[১] (জন্ম ২১ জুন ১৯৪৫, ৭ আষাঢ় ১৩৫২ বঙ্গাব্দ), যিনি নির্মলেন্দু গুণ নামে ব্যাপক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী কবি এবং চিত্রশিল্পী। কবিতার পাশাপাশি তিনি গদ্য এবং ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন। তার কবিতায় মূলত নারীপ্রেম, শ্রেণি - সংগ্রাম এবং স্বৈরাচার বিরোধিতা, এ - বিষয়সমূহ প্রকাশ পেয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রেমাংশুর রক্ত চাই প্রকাশিত হবার পর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এ - গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা হুলিয়া কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে এর উপর ভিত্তি করে তানভীর মোকাম্মেল একটি পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও তার স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো কবিতাটি বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য। তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক এবং ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার অর্জন করেন। নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী[১] (জন্ম ২১ জুন ১৯৪৫, ৭ আষাঢ় ১৩৫২ বঙ্গাব্দ), যিনি নির্মলেন্দু গুণ নামে ব্যাপক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী কবি এবং চিত্রশিল্পী। কবিতার পাশাপাশি তিনি গদ্য এবং ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন। তার কবিতায় মূলত নারীপ্রেম, শ্রেণি - সংগ্রাম এবং স্বৈরাচার বিরোধিতা, এ - বিষয়সমূহ প্রকাশ পেয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রেমাংশুর রক্ত চাই প্রকাশিত হবার পর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এ - গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা হুলিয়া কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে এর উপর ভিত্তি করে তানভীর মোকাম্মেল একটি পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও তার স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো কবিতাটি বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য। তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক এবং ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার অর্জন করেন। নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী[১] (জন্ম ২১ জুন ১৯৪৫, ৭ আষাঢ় ১৩৫২ বঙ্গাব্দ), যিনি নির্মলেন্দু গুণ নামে ব্যাপক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী কবি এবং চিত্রশিল্পী। কবিতার পাশাপাশি তিনি গদ্য এবং ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন। তার কবিতায় মূলত নারীপ্রেম, শ্রেণি - সংগ্রাম এবং স্বৈরাচার বিরোধিতা, এ - বিষয়সমূহ প্রকাশ পেয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রেমাংশুর রক্ত চাই প্রকাশিত হবার পর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এ - গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা হুলিয়া কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে এর উপর ভিত্তি করে তানভীর মোকাম্মেল একটি পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও তার স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো কবিতাটি বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য। তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক এবং ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার অর্জন করেন। নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী[১] (জন্ম ২১ জুন ১৯৪৫, ৭ আষাঢ় ১৩৫২ বঙ্গাব্দ), যিনি নির্মলেন্দু গুণ নামে ব্যাপক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী কবি এবং চিত্রশিল্পী। কবিতার পাশাপাশি তিনি গদ্য এবং ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন। তার কবিতায় মূলত নারীপ্রেম, শ্রেণি - সংগ্রাম এবং স্বৈরাচার বিরোধিতা, এ - বিষয়সমূহ প্রকাশ পেয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রেমাংশুর রক্ত চাই প্রকাশিত হবার পর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এ - গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা হুলিয়া কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে এর উপর ভিত্তি করে তানভীর মোকাম্মেল একটি পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও তার স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো কবিতাটি বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য। তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক এবং ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার অর্জন করেন।
'পানি' শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: অপ
Explanation:
'পানি' শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর অপ পানি শব্দের প্রতিশব্দ অপ ও পয়ঃ দুটিই সঠিক । পানি শব্দের আরো কয়েকটি প্রতিশব্দ হলো - সলিল, বারি, নীর, অম্বু, উদক, অম্ভ । বারিধি শব্দের সমার্থক - সাগর, জলধি, অর্ণব, পারাবার, পাথার, সিন্ধু, রত্নাকর । নলিনী শব্দের সমার্থক - পদ্ম, কমল, পঙ্কজ, উৎপল, অরবিন্দু, সরোবর, নলিন, কুমুদ ।
'স্বভাব কবি ' বলা হয় কাকে?
Correct Answer:
ঘ: গোবিন্দচন্দ্র দাস
Explanation:
'স্বভাব কবি ' বলা হয় কাকে? সঠিক উত্তর গোবিন্দচন্দ্র দাস 'স্বভাব কবি ' বলা হয় গোবিন্দচন্দ্র দাসকে। গোবিন্দচন্দ্র দাস (১৬ জানুয়ারি, ১৮৫৫ - ১ অক্টোবর, ১৯১৮) একজন বাঙালি স্বভাব কবি । তিনি রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক কবিদের মধ্যে একজন। তিনি ময়মনসিংহ এর অধিবাসী ছিলেন । এঁর কোন কোন কবিতায় পূর্ববঙ্গের স্থানকালের ছাপ আছে ।
'বিসর্জন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত..... ।
Correct Answer:
ক: কাব্যনাটক
Explanation:
'বিসর্জন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত..... । সঠিক উত্তর কাব্যনাটক 'বিসর্জন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত... কাব্যনাটক। বিসর্জন রবীন্দ্রনাথের রচিত একটি নাটক। রবীন্দ্রনাথ ত্রিপুরারাজ্যের রাজপরিবারের দ্বন্দ্ব নিয়ে রাজর্ষি নামক একটি উপন্যাস রচনা করেন। এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল ১২৯৩ বঙ্গাব্দে। এই উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ 'বিসর্জন' নামে একটি নাটক রচনা করেন। এই নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৯৭ খ্রিষ্টাব্দে। পরে তিনি এই নাটকটি পরিবর্তন করে নতুন রূপ দান করেন।
আকাশে চাঁদ উঠেছে এখানে 'আকাশে ' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: অধিকরণে সপ্তমী
Explanation:
আকাশে চাঁদ উঠেছে এখানে 'আকাশে ' কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে সপ্তমী মূলতঃ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল/সময়কে অধিকরণ কারক বলে। কালাধিকরণ, স্থানাধিকরণ, বিষয়াধিকরণ বুঝালেও অধিকরণ কারক হয়। এছাড়া কোথায়/কখন দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর হয়, তাই অধিকরণ কারক। এ, য়, তে, এতে = এইগুলো স্পপ্তমী বিভক্তি