Bengali grammar MCQs
Showing 50 questions (Total: 585)
‘তেলেভাজা’ কোন্ সমাস?
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ
Explanation:
‘তেলেভাজা’ কোন্ সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ অলুক তৎপুরুষ সমাসযে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গায়ে পড়া, ঘিয়ে ভাজা, কলে ছাঁটা, কলের গান, গরুর গাড়ি ইত্যাদি। তবে গায়ে - হলুদ, হাতেখড়ি ইত্যাদি সমস্তপদে পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় না অর্থাৎ হলুদ বা খড়িকে বোঝায় না, অনুষ্ঠান বিশেষকে বোঝায়। সুতরাং এগুলো অলুক তৎপুরুষ নয়, অলুক বহুব্রীহি সমাস।
‘এমন ছেলে আর দেখিনি’- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: কর্মে শূন্য
Explanation:
‘এমন ছেলে আর দেখিনি’- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্মে শূন্য কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তির ব্যবহার (ক)প্রথমা বা শূণ্য বা অ বিভক্তিডাক্তার ডাক। পুলিশ ডাক। ঘোড়া গাড়ি টানে। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম)রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে)অর্থ অনর্থ ঘটায়। আমার ভাত খাওয়া হলো না। সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়।
কোনটি ‘অলুক দ্বন্দ্ব’ সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: ঘরে-বাইরে
Explanation:
কোনটি ‘অলুক দ্বন্দ্ব’ সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ঘরে-বাইরে যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দুধে - ভাতে, জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে।
‘কিরণ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: অংশু
Explanation:
‘কিরণ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর অংশু কিরণ শব্দটির সমার্থক শব্দ : কর; প্রভা; দীপ্তি; জ্যোতি; অংশু; রশ্মি; আলোকচ্ছটা; বিভা; ভাতি ।
‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ সমাস
Explanation:
‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ সমাস নঞ্ তৎপুরুষ সমাস[সম্পাদনা]না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার = অনাচার, ন কাতর = অকাতর। এরূপ - অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি। খাঁটি বাংলায় অ, আ, না কিংবা অনা হয়। যেমন: ন কাল = অকাল বা আকাল। এরূপ - আধোয়া, নামঞ্জুর, অকেজো, অজানা, অচেনা, আলুনি, নাছোড়, অনাবাদী, নাবালক ইত্যাদি। না - বাচক অর্থ ছাড়াও বিশেষ বিশেষ অর্থে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হতে পারে। যেমন: ন বিশ্বাস = অবিশ্বাস (বিশ্বাসের অভাব), ন লৌকিক = অলৌকিক (ভিন্নতা), ন কেশা = অকেশা (অল্পতা), ন সুর = অসুর (বিরোধ), ন কাল = অকাল (অপ্রশস্ত), ন ঘাট = অঘাট (মন্দ)। এরূপ - অমানুষ, অসঙ্গত, অভদ্র, অনন্য, অগম্য ইত্যাদি।
‘নদীর মাছ সুস্বাদু’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারক কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ঘ: অধিকরণে ষষ্ঠী
Explanation:
‘নদীর মাছ সুস্বাদু’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারক কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে ষষ্ঠী ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন - আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। এ বাড়িতে কেউ নেই। কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে। বসন্তে কোকিল ডাকে।
‘সংগীত’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ-
Correct Answer:
খ: সম্+গীত
Explanation:
‘সংগীত’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ- সঠিক উত্তর সম্+গীত ‘ম’ - এর পরে অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) কিংবা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) থাকলে ‘ম’ - এর জায়গায় ‘ং’ হয়। সম + যম = সংযমসম + বাদ = সংবাদসম + রক্ষণ = সংরক্ষণসম + লাপ = সংলাপসম + শয় = সংশয়সম + সার = সংসারসম + হার = সংহারবারম + বার = বারংবারকিম + বা = কিংবাসম + বরণ = সংবরণসম + যোগ = সংযোগসম + যোজন = সংযোজনসম + শোধন = সংশোধনসর্বম + সহা = সর্বংসহাস্বয়ম + বরা = স্বয়ম্বরা উল্লেখ্য, এই নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম - সম + রাট = সম্রাট। উৎস: http://edpdbd.org
' কাঁচি' কোন ধরনের শব্দ?
Correct Answer:
ঘ: তুর্কি
Explanation:
' কাঁচি' কোন ধরনের শব্দ? সঠিক উত্তর তুর্কি #তুর্কি শব্দ সহজে মনে রাখার কৌশল নিচের বাক্য গুলো মনে রাখুনঃ ১। #সুলতান খাঁর বোচকা বাবুর্চিকে দেখে উজবুক মনে হলেও , কোর্মাটা বেশ বানায় । (সুলতান, খাঁ, বোচকা, বাবুর্চি, উজবুক , কোর্মা) ২। #ছুরি , কাচি যতই চকমক করুক, বন্ধুক বারুদের তোপের সামনে কি আর টেকে ? কিছু লাশ পরতেই কুলিরা কাবু হয়ে পড়ল । (ছুরি , কাচি , চকমক ,বন্দুক, বারুদ, তোপ, লাশ , কুলি, কাবু ) ৩। #তোশক চুরির দায়ে ছেমড়া চাকরের বাবাকে কোর্তা পরা দারোগা ধরে নিয়ে গেলেও বেগম সাহেব পরে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনলেন । (তোশক , ছেমড়া, চাকর, বাবা, কোর্তা,দারোগা ,বেগম,মুচলেকা)
‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র বাক্য
Explanation:
‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য? সঠিক উত্তর মিশ্র বাক্য জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। যেমন - যে পরিশ্রম করে, / সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য)যত পড়বে, / তত শিখবে, / তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য) জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে - সে, যত - তত, যারা - তারা, যাদের - তাদের, যখন - তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি - তবু, অথচ - তথাপি - এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা' ও ব্যাকরণ কৌমুদী '(১ম ,২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)। ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫ - ১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ' শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬ - ১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ মঞ্জরী'।
জঙ্গম-এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?
Correct Answer:
গ: স্থাবর
Explanation:
জঙ্গম-এর বিপরীতার্থক শব্দ কি? সঠিক উত্তর স্থাবর 'জঙ্গম' বিশেষণ পদটির অর্থ গতিশীল, শক্তিপূর্ণ, অস্থাবর, প্রাণবিশিষ্ট। সুতরাং এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো স্থাবর।
' উৎকর্ষতা' কি কারণে অশুদ্ধ?
Correct Answer:
খ: প্রত্যয়জনিত
Explanation:
' উৎকর্ষতা' কি কারণে অশুদ্ধ? সঠিক উত্তর প্রত্যয়জনিত 'উৎকর্ষ' একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ শ্রেষ্ঠতা, উন্নতি , বৃদ্ধি, ইত্যাদি। কিন্তু এর বিশেষণ করতে 'উৎকর্ষতা ' বললে তা অশুদ্ধ হবে। কারণ এর বিশেষণ হবে - উৎকৃষ্টতা , যা দ্বারা বস্তুর , ভাবের বা রুচির উৎকর্ষ বোঝায়। সুতরাং এখানে 'উৎকর্ষতা' শব্দটি প্রত্যয়জনিত কারণে অশুদ্ধ।
যে ভবিষ্যৎ না ভেবে কাজ করে (এক কথায় প্রকাশ কর)
Correct Answer:
গ: অবিমৃষ্যকারী
Explanation:
যে ভবিষ্যৎ না ভেবে কাজ করে (এক কথায় প্রকাশ কর) সঠিক উত্তর অবিমৃষ্যকারী অবিমৃষ্যকারী - [বিশেষণ পদ] যে সম্যক বিবেচনা না করিয়া কাজ করে; হঠকারী।
যা কষ্টে নিবারণ করা যায় (এক কথায় প্রকাশ কর)
Correct Answer:
খ: দুর্নিবার
Explanation:
যা কষ্টে নিবারণ করা যায় (এক কথায় প্রকাশ কর) সঠিক উত্তর দুর্নিবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত – একাদিক্রমে একই গুরুর শিষ্য – সতীর্থ কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী = কর্মঠ কথায় বর্ণনা যায় না যা - অনির্বচনীয় কষ্টে নিবারণ করা যায় যা বা যা সহজে নিবারণ করা যায় না – দুর্নিবার কষ্টে লাভ করা যায় যা বা যা সহজে লাভ করা যায় না – দুর্লভ কোনভাবেই নিবারণ করা যায় না যা - অনিবার্য ।
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা (এক কথায় প্রকাশ কর)
Correct Answer:
গ: প্রত্যুদ্গমন
Explanation:
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা (এক কথায় প্রকাশ কর) সঠিক উত্তর প্রত্যুদ্গমন একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । অর্থাৎ একটিমাত্র শব্দ দিয়ে যখন একাধিক পদ বা একটি বাক্যাংশের (উপবাক্য) অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বাক্য সংকোচন বলে । উদাহরণ: সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা - প্রত্যুদ্গমন ।
নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?
Correct Answer:
ঘ: আষাঢ়
Explanation:
নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান? সঠিক উত্তর আষাঢ় ব্যাকরণের যে নিয়মানুযায়ী দন্ত্য - স মূর্ধন্য - ষ তে রুপান্তরিত হয়, সে নিয়মসমূহকে ষত্ব বিধান বলে। যেমন - সু + সম = সুষম ,এখানে 'সম' শব্দটি দন্ত্য - স মূর্ধন্য - ষ তে পরিবর্তিত হয়েছে। আবার সংস্কৃত ভাষায় আদিকাল থেকে কিছু শব্দে মূর্ধন্য - ষ চলে আসছে, এসব শব্দের বানানে নিত্য মূর্ধন্য - ষ বর্তমান ।
' অক্ষির সমীপে' --এর সংক্ষেপণ হলো -----
Correct Answer:
ক: সমক্ষ
Explanation:
' অক্ষির সমীপে' --এর সংক্ষেপণ হলো ----- সঠিক উত্তর সমক্ষ 'অক্ষির সমীপে' - এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ। অন্যদিকে, 'অক্ষির সম্মুখে' হলো প্রত্যক্ষ, 'অক্ষির আগোচরে' হলো পরোক্ষ এবং 'পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন' হলো নিরপেক্ষ।
উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য ----
Correct Answer:
গ: উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
Explanation:
উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য ---- সঠিক উত্তর উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) - ই যথার্থ উত্তর।
' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?
Correct Answer:
গ: সর্বনাম
Explanation:
' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ? সঠিক উত্তর সর্বনাম বিশেষণ হলো যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন - ভালো , ছোট, বড়, পাঁচটি ইত্যাদি। অব্যয় হলো যে পদের কোনো পরিবর্তন নেই। যেমন - এবং, কিংবা ,কিন্তু অথবা ইত্যাদি। সর্বনাম হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে। যেমন - আমি , তুমি, সে, তাকে আমার ইত্যাদি। ক্রিয়া হলো যে পদ দ্বারা কার্য সম্পন্ন হয় । যেমন - করা, খাওয়া, যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'তুমি' ও 'কী' উভয়ই সর্বনাম।
' আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।' ----এই বাক্যে ' আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: অধিকরণ কারকে সপ্তমী
Explanation:
' আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।' ----এই বাক্যে ' আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ? সঠিক উত্তর অধিকরণ কারকে সপ্তমী যে স্থানে বা যে কালে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - নদীতে পানি আছে। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'আকাশে' শব্দটি অধিকরণ কারক এবং এখানে 'এ' বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' --এই বাক্যের 'কী' --এর অর্থ-------
Correct Answer:
গ: বিরক্তি
Explanation:
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' --এই বাক্যের 'কী' --এর অর্থ------- সঠিক উত্তর বিরক্তি এরুপ ক্ষেত্রে বাক্যের ভাব বুঝেই 'কী' এর অর্থ নিরুপণ করতে হবে। সে হিসেবে এর অর্থ 'ভয়' 'রাগ বা 'বিপদ' নয়, অবশ্যই 'বিরক্ত'।
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ------
Correct Answer:
খ: তোষামুদে
Explanation:
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ------ সঠিক উত্তর তোষামুদে বাগধারা : কোন শব্দ বা শব্দ - সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ - সমষ্টিকে বাগধারা বা বাক্যরীতি বলা হয় । [বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম - দশম শ্রেণী] আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বাগধারা বা বিশিষ্টার্থক শব্দ বলে । বাগধারা মূলত কথ্য ভাষার সম্পদ হলেও তা এখন আর কেবল কথ্য ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই । সাহিত্যে তার বিচরণ এখন যত্রতত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেমন - জান খারাপহাঁক দেওয়াপকেট শুকিয়ে যাওয়াবাজি মেরে দেওয়া [সৌদামিনী মালো; উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সংকলন] অর্থাৎ, একটি বা কয়েকটি শব্দ বাক্যে একত্রে ব্যবহৃত হয়ে যখন ঐ শব্দ বা শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের বলা হয় বাগধারা বা বাক্যরীতি ।
তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? ---এখানে 'না' --এর ব্যবহার কি অর্থে?
Correct Answer:
খ: হ্যাঁ-বাচক
Explanation:
তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? ---এখানে 'না' --এর ব্যবহার কি অর্থে? সঠিক উত্তর হ্যাঁ-বাচক উপরিউক্ত বাক্যটি দেখতে প্রশ্নবোধক মনে হলেও বাক্যটির অন্তর্নিহিত ভাবটি আগামীকাল আসার কথা (বিবৃতি) বলা হয়েছে। তাই এটি হ্যাঁ - বাচক।
যার দুই হাত সমান চলে (এক কথায় প্রকাশ কর)
Correct Answer:
ক: সব্যসাচী
Explanation:
যার দুই হাত সমান চলে (এক কথায় প্রকাশ কর) সঠিক উত্তর সব্যসাচী সব্যসাচী - (১) [বিশেষণ পদ] উভয় হস্তে সমান কাজ করতে সক্ষস এমন, উভয় হস্ত দ্বারা শরনিক্ষেপে সমর্থ এমন। (২) [বিশেষ্য পদ] অর্জুন।
'ধর্মের ষাঁড়' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
ঘ: অকর্মণ্য
Explanation:
'ধর্মের ষাঁড়' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর অকর্মণ্য ধর্মের ষাঁড় বাগধারাটির অর্থ - ব্যঙ্গার্থে, স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি, বাক্য রচনা - বাপ মরেছে তবু সংসারের কোন চিন্তা নেই ওর, ও যেন এক ধর্মের ষাঁড়।
পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়?
Correct Answer:
খ: পদ্যাকারে রচতি দেবস্তুতিমূলক রচনা
Explanation:
পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়? সঠিক উত্তর পদ্যাকারে রচতি দেবস্তুতিমূলক রচনা পদ বা পদাবলী বলতে সাধারণত শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীচৈতন্যের লীলাকথা নিয়ে গান করার জন্য রচিত কমনীয় কবিতাকে বুঝায়। দ্বাদশ শতকে ব্যবহার করেন। এটি একাধারে সাহিত্য ও সাধানার অবলম্বন। উপনিষদে যে ব্রাহ্মকে রসস্বরুপ বলা হয়েছে এবং প্রিয়রুপে উপাসনা করতে উপদেশ দেয়া হয়েছে, সেই অনন্তরসের আধার শ্রীকৃষ্ণকে আস্বাদন করার ও করানোর জন্য পদাবলী রচিত হয়েছে। উল্লেখ্যযোগ্য পদাবলী বলে মনে করা হয়। পদাবলীর বৃহত্তম ও অধিক প্রচারিত সংকলন বৈষ্ণবদাস ওরফে গোকুলানন্দ সেনের 'পদকল্পগুরু' (৩১০১ টি পদ)।
'শেষের কবিতা' কি জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
Explanation:
'শেষের কবিতা' কি জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জীবনের শেষ পর্যায়ের উপন্যাস শেষের কবিতা। উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিস্ময়কর সৃষ্টি।
'আকাশ পাতাল' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: প্রচুর ব্যবধান
Explanation:
'আকাশ পাতাল' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর প্রচুর ব্যবধান আকাশকুসুম (অসম্ভব কল্পনা) – ওসব আকাশকুসুম ভেবে সময় নষ্ট করে লাভ নেই, বাস্তবে ফিরে এস। আকাশ - পাতাল (দুস্তর ব্যবধান) – হাবিব ও হাসান সহোদর ভাই, কিন্তু দুজনের চরিত্রে আকাশ - পাতাল ব্যবধান। আক্কেল গুড়ুম (স্তম্ভিত) – এইটুকু ছেলের কথা শুনে আমার তো আক্কেল গুড়ুম। আকাশ ভেঙে পড়া (মহাবিপদ) – বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শারমিনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। আক্কেল সেলামী (নির্বুদ্ধিতার শাস্তি) – বিনা টিকেটে যারা রেল ভ্রমণ করে তাদেরকে মাঝে মধ্যে আক্কেল সেলামী দিতে হয়। আকাশে তোলা (মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা) – প্রশংসা করতে করতে তাকে আকাশে তুলেছ তো এখন আর কাউকে সে পাত্তাই দেয় না। আক্কেল দাঁত (বুদ্ধির পরিপক্বতা) – এসব কঠিন কথার মর্ম তুমি বুঝবে না; তোমার তো দেখি আক্কেল দাতই গজায়নি।
'নাতিদীর্ঘ' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: অতি দীর্ঘ নয়
Explanation:
'নাতিদীর্ঘ' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর অতি দীর্ঘ নয় বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে। যে পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে আভিধানিক অর্থের বাইরে আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় বাগধারা। বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ভাবের ইঙ্গিতময় প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তব্যকে রসমধুর করে উপস্থাপন করে। এদিক থেকে বাগধারা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ সম্পদ। বাগধারা গঠনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারকে শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলা হয়। একে বাগবিধিও বলা হয়ে থাকে।
সন্ধি- বিচ্ছেদ করুন- ' সংসার'।
Correct Answer:
খ: সম + সার
Explanation:
সন্ধি- বিচ্ছেদ করুন- ' সংসার'। সঠিক উত্তর সম + সার ‘ম’ - এর পরে অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) কিংবা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) থাকলে ‘ম’ - এর জায়গায় ‘ং’ হয়। সম + যম = সংযমসম + বাদ = সংবাদসম + রক্ষণ = সংরক্ষণসম + লাপ = সংলাপসম + শয় = সংশয়সম + সার = সংসারসম + হার = সংহারবারম + বার = বারংবারকিম + বা = কিংবাসম + বরণ = সংবরণসম + যোগ = সংযোগসম + যোজন = সংযোজনসম + শোধন = সংশোধনসর্বম + সহা = সর্বংসহাস্বয়ম + বরা = স্বয়ম্বরা উল্লেখ্য, এই নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম - সম + রাট = সম্রাট।
বাক্যের তিনটি গুন কি কি ?
Correct Answer:
খ: আকঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
Explanation:
বাক্যের তিনটি গুন কি কি ? সঠিক উত্তর আকঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরুপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে। ভাষার বিচারে বাক্যের তিনটি গুন অবশ্যই থাকতে হয়। যথা - আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
সমাস ভাষাকে কি করে?
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে কি করে? সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, মিল বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
'জগদ্দল পাথর' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: গুরুভার
Explanation:
'জগদ্দল পাথর' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর গুরুভার ১। অগস্ত জাত্রা' - শেষ প্রস্থান। ২। 'গোঁফ খেজুরে' - - নিতান্ত অলস। ৩। 'গড্ডালিকা প্রবাহ' - - - অন্ধ অনুকরণ। ৪। 'জগদ্দল পাথর' - - - - গুরুভার। ৫। 'ঠোঁট কাটা' - - বেহায়া।
'সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষন শক্তি আছে' এই বাক্যে সুন্দর শব্দটি কোন পদ ?
Correct Answer:
ক: বিশেষ্য
Explanation:
'সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষন শক্তি আছে' এই বাক্যে সুন্দর শব্দটি কোন পদ ? সঠিক উত্তর বিশেষ্য যে বিশেষ্য পদ দ্বারা দোষ; গুন বা ভাবের নাম প্রকাশ পায় তাকে গুনবাচক বিশেষ্য বলে। উক্ত বাক্যে সুন্দর শব্দটি গুনবাচক বিশেষ্য পদ নির্দেশ করে।
অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ আছে কোন বাক্যটিতে?
Correct Answer:
ঘ: আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস
Explanation:
অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ আছে কোন বাক্যটিতে? সঠিক উত্তর আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন - আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। এ বাড়িতে কেউ নেই। কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে। বসন্তে কোকিল ডাকে।
' হাত-ভারি' বাগধারার অর্থ -----
Correct Answer:
ঘ: কৃপণ
Explanation:
' হাত-ভারি' বাগধারার অর্থ ----- সঠিক উত্তর কৃপণ বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে।
' বেটাইম' শব্দটি গঠিত হয়েছে -----
Correct Answer:
ক: ফারসি ও ইংরেজি শব্দে
Explanation:
' বেটাইম' শব্দটি গঠিত হয়েছে ----- সঠিক উত্তর ফারসি ও ইংরেজি শব্দে 'বেটাইম' শব্দটি গঠিত হয়েছে - - - ফারসি (বে) ও ইংরেজি (টাইম) শব্দে.
কাচিঁ কোন ধরনের শব্দ?
Correct Answer:
ঘ: তুর্কি
Explanation:
কাচিঁ কোন ধরনের শব্দ? সঠিক উত্তর তুর্কি কাঁচি, কাবু, কুলি, কুর্নিশ, চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা, বন্দুক, বারুদ, বাবা, বাবুর্চি প্রভৃতি তুর্কি শব্দ।
' লাজ' কোন ধরনের শব্দ?
Correct Answer:
ক: বিশেষ্য
Explanation:
' লাজ' কোন ধরনের শব্দ? সঠিক উত্তর বিশেষ্য কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে। । বাক্যমধ্যে ব্যবহৃত যে সমস্ত পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় তাদের বিশেষ্য পদ বলে। বিশেষ্য পদ ছয় প্রকার১. সংজ্ঞা (বা নাম) বাচক বিশেষ্য (Proper Noun)২. জাতিবাচক বিশেষ্য (Common Noun)৩. বস্তু (বা দ্রব্য) বাচক বিশেষ্য (Material Noun)৪. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য (Collective Noun)৫. ভাববাচক বিশেষ্য (Verbal Noun)৬. গুণবাচক বিশেষ্য (Abstract Noun)
'হাত-ভারি' বাগধারার অর্থ-
Correct Answer:
ঘ: কৃপণ
Explanation:
'হাত-ভারি' বাগধারার অর্থ- সঠিক উত্তর কৃপণ ‘হাত ভারি’ (কৃপণ): হাতভারি লোকের কাছে চাঁদা চেয়ে কোনো লাভ নেই।
'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে 'মুখ' বলতে কি বোঝাচ্ছে-
Correct Answer:
ঘ: শক্তি
Explanation:
'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে 'মুখ' বলতে কি বোঝাচ্ছে- সঠিক উত্তর শক্তি ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ এখানে ‘মুখ’ বলতে শক্তি বোঝাচ্ছে।
'দুর্লভ বস্তু' বাগ্ধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: অমাবস্যার চাঁদ
Explanation:
'দুর্লভ বস্তু' বাগ্ধারাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর অমাবস্যার চাঁদ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: অকাল কুষ্মাণ্ডঅপদার্থ, অকেজোঅষ্টরম্ভাফাঁকিঅক্কা পাওয়ামারা যাওয়াঅথৈ জলে পড়াখুব বিপদে পড়াঅগাধ জলের মাছসুচতুর ব্যক্তিঅকূল পাথার***ভীষণ বিপদঅর্ধচন্দ্রগলা ধাক্কাঅন্ধকারে ঢিল মারাআন্দাজে কাজ করাঅন্ধের যষ্ঠিএকমাত্র অবলম্বনঅমৃতে অরুচিদামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণাঅন্ধের নড়িএকমাত্র অবলম্বনঅগস্ত্য যাত্রাচির দিনের জন্য প্রস্থানঅগ্নিশর্মানিরতিশয় ক্রুদ্ধঅল্পবিদ্যা ভয়ংকরীসামান্য বিদ্যার অহংকারঅগ্নিপরীক্ষাকঠিন পরীক্ষাঅনধিকার চর্চাসীমার বাইরে পদক্ষেপঅগ্নিশর্মাক্ষিপ্তঅরণ্যে রোদননিষ্ফল আবেদনঅগাধ জলের মাছখুব চালাকঅহি - নকুল সম্বন্ধ*ভীষণ শত্রুতাঅতি চালাকের গলায় দড়িবেশি চাতুর্যের পরিণামঅন্ধকার দেখাদিশেহারা হয়ে পড়াঅতি লোভে তাঁতি নষ্টলোভে ক্ষতিঅমাবস্যার চাঁদ**দুর্লভ বস্তুঅদৃষ্টের পরিহাসবিধির বিড়ম্বনা, ভাগ্যের নিষ্ঠুরতাঅনুরোধে ঢেঁকি গেলাঅনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া*সমার্থক বাগধারা : দা - কুমড়া সম্পর্ক**সমার্থক বাগধারা : ডুমুরের ফুল***সমার্থক বাগধারা : সখাত সলিলে
'ক্ষমার যোগ্য' - এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
Correct Answer:
খ: ক্ষমার্হ
Explanation:
'ক্ষমার যোগ্য' - এর বাক্য সংকোচন কোনটি? সঠিক উত্তর ক্ষমার্হ একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । অর্থাৎ একটিমাত্র শব্দ দিয়ে যখন একাধিক পদ বা একটি বাক্যাংশের (উপবাক্য) অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বাক্য সংকোচন বলে । যেমন - হীরক দেশের রাজা - হীরকরাজএখানে হীরকরাজ - শব্দের মাধ্যমে হীরক দেশের রাজা - এই তিনটি পদের অর্থই সার্থকভাবে প্রকাশ পেয়েছে । এই তিনটি পদ একত্রে একটি বাক্যাংশ বা উপবাক্যও বটে । অর্থাৎ, হীরক দেশের রাজা - তিনটি পদ বা বাক্যাংশটির বাক্য সংকোচন হল - হীরকরাজ ।
'জগদ্দল পাথর' বাগধারারটি অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: গুরুভার
Explanation:
'জগদ্দল পাথর' বাগধারারটি অর্থ কী? সঠিক উত্তর গুরুভার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:ছুঁচোর কেত্তন = অবিরাম কলহ। ছারখার হওয়া = ধ্বংস হওয়া। ছিচ্কাঁদুনে = অল্পতেই কাঁদে এমন। জগদ্দল পাথর = গুরুভার। জিলাপির প্যাঁচ = কুটিলতা।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: আরণ্যক
Explanation:
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর আরণ্যক আরণ্যক বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় (১৮৯৪ - ১৯৫০) রচিত চতুর্থ উপন্যাস। ১৯৩৯ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিহারে তার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে উপন্যাসটি রচনা করেন। আরণ্যক উপন্যাসটির রচনাকাল ১৯৩৭ - ৩৯ খ্রিষ্টাব্দ। "কাত্যায়ণী বুক স্টল" থেকে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
'সে লাপাত্তা'-এখানে 'লা' উপসর্গটি কোন ভাষার?
Correct Answer:
ক: আরবী
Explanation:
'সে লাপাত্তা'-এখানে 'লা' উপসর্গটি কোন ভাষার? সঠিক উত্তর আরবী আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ১.আম্عامসাধারণঅর্থেআমদরবার, আমমোক্তার২.খাস্خاصবিশেষ"খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল৩.লাلاনা"লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা৪.গর্غيرঅভাব"গরমিল, গরহাজির, গররাজি৫.বাজেبعضবিবিধ অপ্রয়োজনীয়"বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা৬.খয়েরخيرভালো"খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী)সূত্র: উইকিপিডিয়া
'দুষ্কৃতি' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
গ: দুঃ+কৃতি
Explanation:
'দুষ্কৃতি' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর দুঃ+কৃতি বিসর্গসন্ধি ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত। বিসর্গ সন্ধির প্রকারভেদগুলো হচ্ছেঃ র জাত বিসর্গ এবং স জাত বিসর্গ। বিসর্গসন্ধি র্ ও স্ এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যেমন, আশীর্বাদ = আশীঃ + বাদআশীঃ = আ + শ্ + ঈ + ঃ ; বাদ = ব্ + আ + দ্ + অএখানে 'ঃ' এবং 'ব' মিলে 'র্' হচ্ছে।
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ।-এখানে 'টাপুর টুপুর' কোন পদ?
Correct Answer:
গ: অব্যয়
Explanation:
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ।-এখানে 'টাপুর টুপুর' কোন পদ? সঠিক উত্তর অব্যয় অব্যয় ব্যাকরণে বর্ণিত পদ বিশেষ। বিভিন্ন ভাষায় অব্যয়ের প্রকৃতি শব্দানুসারে বিভিন্নভাবে নির্ধারিত হয়। বাংলা ব্যাকরণ মতে– বাক্যে বা শব্দের সাথে ব্যবহৃত যে সকল ধ্বনি - বিভক্তি, বচন, লিঙ্গ ও কারকভেদে কোনভাবে পরিবর্তন হয় না, সে সকল পদকে অব্যয় বলে।
কোনটি বিষমীভবন -এর উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: লাল>নাল
Explanation:
কোনটি বিষমীভবন -এর উদাহরণ? সঠিক উত্তর লাল>নাল বিষমীভবন : পাশাপাশি একই ব্যঞ্জনধ্বনি দু’বার থাকলে তাদের একটি পরিবর্তিত হলে তাকে বিষমীভবন বলে। যেমন, শরীর˃ শরীল, লাল˃ নাল
ইলেক বা লোপ চিহ্ন -এর ক্ষেত্রে বিরতিকালের পরিমাণ কোনটি হবে?
Correct Answer:
গ: থামার প্রয়োজন নেই
Explanation:
ইলেক বা লোপ চিহ্ন -এর ক্ষেত্রে বিরতিকালের পরিমাণ কোনটি হবে? সঠিক উত্তর থামার প্রয়োজন নেই ইলেক বা লোপচিহ্ন ('):কোনো বিলুপ্ত বর্ণের পরিবর্তে লোপ চিহ্ন বসে।