Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কি বলে?
Correct Answer:
গ: ধাতু
Explanation:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কি বলে? সঠিক উত্তর ধাতু ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলে। যেমন - পড়িব = √পড় + ইব। এখানে, √পড় হচ্ছে ক্রিয়ামূল বা ধাতু। ক্রিয়ার ধাতু বা মূল বোঝাতে √চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
”আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” -কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
”আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” -কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি - গানটি লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এ গানের প্রথম দশ লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। এ গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
”কবর” কবিতাটি কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
গ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
”কবর” কবিতাটি কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'কবর' জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ও বহুল আলোচিত কবিতা। কবিতাটি কবি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় কল্লোল পত্রিকয় প্রকাশিত হয়।
”বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ” কোন কবি লিখেছেন?
Correct Answer:
ক: মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
Explanation:
”বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ” কোন কবি লিখেছেন? সঠিক উত্তর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান রচিত কবিতা "শহীদ স্মরণে" কবিতায় আর কি লিখব? যখন বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের “বঙ্গভাষা” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
Correct Answer:
খ: অক্ষরবৃত্ত
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের “বঙ্গভাষা” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? সঠিক উত্তর অক্ষরবৃত্ত বঙ্গভাষা - কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। প্রতিটি চরণে ১৪ মাত্রায় দুটি পর্ব। প্রথম পর্ব ৮ মাত্রার ও দ্বিতীয় পর্ব ৬ মাত্রার। হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন; তা সবে, ( অবোধ আমি ) অবহেলা করি,
আমি কি ডরাই সখি ভিখারী "রাঘবে"?--বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: অপাদানে ৭মী
Explanation:
আমি কি ডরাই সখি ভিখারী "রাঘবে"?--বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অপাদানে ৭মী আমি কি ডরাই সখি ভিখারী "রাঘবে"? - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। অপাদান কারক বলতে এমন একটি উপায় বোঝায়, যার সাহায্যে বাক্যস্থিত কোন শব্দের রূপ পরিবর্তন করে বা অন্য কোন উপায়ে শব্দটির সাথে বাক্যের অন্যান্য অংশের সাথে বিশেষ এক ধরনের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। অপাদান কারক মূলত বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে সম্পর্কিত পদ যেমন বিশেষণ বা সর্বনামের উপর প্রযুক্ত হয়।
কোনটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা?
Correct Answer:
খ: চিলেকোঠার সেপাই
"গুণহীনে" ত্যাগ কর --বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: কর্মে ৭মী
Explanation:
"গুণহীনে" ত্যাগ কর --বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্মে ৭মী "গুণহীনে" ত্যাগ কর - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কর্ম কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ক্রিয়াপদের সাথে কর্ম পদের সম্পর্ককে কর্মকারক বলে। তিনি বাগান দেখাশোনা করেন। কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্নের উত্তরে কর্মকারক পাওয়া যায়।
বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয় তার নাম কি?
Correct Answer:
গ: কর্মধারয়
Explanation:
বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয় তার নাম কি? সঠিক উত্তর কর্মধারয় বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয় তার নাম কর্মধারয়। যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম, শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট, কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।
আবুল ফজলের “রেখাচিত্র” কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: আত্মজীবননী
Explanation:
আবুল ফজলের “রেখাচিত্র” কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর আত্মজীবননী ১ জুলাই ১৯০৩ খৃস্টাব্দে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার কেওঁচিয়া গ্রামে প্রবন্ধকার আবুল ফজল জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি পড়াশুনা শেষ করে - প্রথমে স্কুলে শিক্ষকতা করেন, পরে সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রবন্ধকার আবুল ফজলের রচনার মধ্যে প্রথমে সাহিত্যে উপন্যাস লিখে প্রতিষ্ঠা অর্জন করলেও মূলত তিনি একজন চিন্তাশীল প্রবন্ধকার। আবুল ফজলের জীবন পথের যাত্রী, চৌচির মাটির পৃথিবী, আয়েশা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন, সমাজ সাহিত্য রাষ্ট্র, রেখাচিত্র (আত্নজীবনী) , সমকালীন চিন্তা সফরনামা, উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। আবুল ফজলের রচনা পড়লে সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্র সম্পর্কে গভীর ও দৃষ্টি সম্পন্ন তথ্যের সন্ধান পাওয়া যায়।
'তিমির' এর বিপরীতার্থক শব্দ ---
Correct Answer:
ক: আলো
Explanation:
'তিমির' এর বিপরীতার্থক শব্দ --- সঠিক উত্তর আলো তিমির শব্দের অর্থ হচ্ছে অন্ধকার। কিন্তু প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে তিমির এর বিপরীত অর্থ কি, , , মানে অন্ধকারের বিপরীত অর্থ কি, , , , কাজেই অন্ধকার বা তিমির এর বিপরীত শব্দের অর্থ হচ্ছে আলো।
'সীমানা ছাড়িয়ে' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
'সীমানা ছাড়িয়ে' উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক 'সীমানা ছাড়িয়ে' উপন্যাসটির রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক। সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ১৯৫৬ সালে প্রথম উপন্যাস দেয়ালের দেশ প্রকাশিত হয়। তার রচিত এক মহিলার ছবি (১৯৬১), অনুপম দিন (১৯৬২), সীমানা ছাড়িয়ে (১৯৬৪) উপন্যাসগুলো জনপ্রিয়তা লাভ করে। ষাটের দশকে তার রচিত উপন্যাসগুলো পূর্বাণী পত্রিকায় ঈদসংখ্যায় প্রকাশিত হত। তার রচিত খেলারাম খেলে যা উপন্যাসকে অনেকে যৌনআশ্রিত বলে আখ্যা দেন। তিনি উপন্যাসের ভূমিকায় এই উপন্যাসকে 'এদেশের সবচেয়ে ভুল বোঝা উপন্যাস' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
'পৃথিবী' এর সমার্থক শব্দ নয় --
Correct Answer:
গ: যামিনী
Explanation:
'পৃথিবী' এর সমার্থক শব্দ নয় -- সঠিক উত্তর যামিনী 'পৃথিবী' এর সমার্থক শব্দ নয় - - যামিনী। পৃথিবীর শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে : ধরা, ধরণী, বসুন্ধরা, বসুধা, ভূমন্ডল, অবনী ইত্যাদি। যামিনী শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে : নিশি, রাত, রজনী, শর্বরী, নিশীথিনী ইত্যাদি।
কোন বাগধারা দ্বারা সুসময়ের বন্ধু বোঝানো হয়?
Correct Answer:
খ: সুখের পায়রা
Explanation:
কোন বাগধারা দ্বারা সুসময়ের বন্ধু বোঝানো হয়? সঠিক উত্তর সুখের পায়রা সুখের পায়রা বাগধারা দ্বারা সুসময়ের বন্ধু বোঝানো হয়। 'সাত সতেরো' বাগধারা বিচিত্র রকমের বুঝায়। 'ষোল আনা' বাগধারা দ্বারা পুরোপুরি বোঝায়।
'গবেষণা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ----
Correct Answer:
ঘ: গো + এষণা
Explanation:
'গবেষণা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ---- সঠিক উত্তর গো + এষণা 'গবেষণা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ - - - - গো + এষণা। স্বরে আর ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও স্বরে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত কথ্য রীতিতে সীমাবদ্ধ। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি মূলত সমীভবন এর নিয়মে হয়ে থাকে।
'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: আবু ইসহাক
Explanation:
'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আবু ইসহাক 'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটির রচয়িতা আবু ইসহাক। আবু ইসহাক (জন্ম: ১ নভেম্বর, ১৯২৬ (১৫ কার্তিক, ১৩৩৩ বাংলা) তৎকালীন মাদারিপুর (বর্তমান শরীয়তপুর জেলা) নড়িয়া থানাধীন শিরঙ্গল গ্রামে, মৃত্যু: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩, ঢাকায়); তিনি একজন বাংলাদেশী গ্রন্থকার। তিনি ১৯৪৬ সালে, মাত্র বিশ বছর বয়সে রচনা করেন বিখ্যাত উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ী' এবং এটি প্রকাশ করা হয় ১৯৫৫ সালে কলকাতা থেকে, এটি একটি সামাজিক উপন্যাস। সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৫৫) - চলচ্চিত্ররূপ - ১৯৭৯, পদ্মার পলিদ্বীপ (১৯৮৬, সামাজিক উপন্যাস), জাল (১৯৮৮, গোয়েন্দা উপন্যাস)
পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে বলে ----
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ সমাস
Explanation:
পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে বলে ---- সঠিক উত্তর তৎপুরুষ সমাস পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে বলে - - - - তৎপুরুষ সমাস। পূর্বপদের বিভক্তি এর লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনো বিভক্তি থাকতে পারে এবং পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ করা হয়। যেমন: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন। এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
'যিনি অধিক কথা বলেন না।' --এক কথায় কী হবে?
Correct Answer:
খ: মিতভাষী
Explanation:
'যিনি অধিক কথা বলেন না।' --এক কথায় কী হবে? সঠিক উত্তর মিতভাষী 'যিনি অধিক কথা বলেন না। ' - - এক কথায় প্রকাশ হচ্ছে মিতভাষী। একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । যেমন: আয় অনুসারে ব্যয় করে যে - মিতব্যয়ী। যিনি অল্প কথা বলে - অল্পভাষী।
খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার মনে। পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার মনে। পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার মনে। পঙ্ক্তিটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট ১৯৪১ ; ২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।
'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী (২৭ নভেম্বর ১৯২৫ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং বুদ্ধিজীবী। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশী বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম একজন শিকার। রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২): পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এর মূল উপজীব্য। এতে তিনি যুদ্ধবিরোধী মনোভাব প্রকাশ করেন। নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
'যার অনেক বুদ্ধি আছে' তাকে এক কথায় কি বলে?
Correct Answer:
ক: গভীর জলের মাছ
Explanation:
'যার অনেক বুদ্ধি আছে' তাকে এক কথায় কি বলে? সঠিক উত্তর গভীর জলের মাছ 'যার অনেক বুদ্ধি আছে' তাকে এক কথায় বলে গভীর জলের মাছ। একটিমাত্র শব্দ দিয়ে যখন একাধিক পদ বা একটি বাক্যাংশের (উপবাক্য) অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বাক্য সংকোচন বলে । যেমন - হীরক দেশের রাজা - হীরকরাজ
'যা কষ্টে জয় করা যায়।' --এক কথায় কী হবে?
Correct Answer:
গ: দুর্জয়
Explanation:
'যা কষ্টে জয় করা যায়।' --এক কথায় কী হবে? সঠিক উত্তর দুর্জয় 'যা কষ্টে জয় করা যায়। ' - - এক কথায় প্রকাশ হবে - দুর্জয়। একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । যেমন : যা কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ। আয় অনুসারে ব্যয় করে যে - মিতব্যয়ী।
"খনিতে" সোনা পাওয়া যায়---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: অপাদানে ৭মী
Explanation:
"খনিতে" সোনা পাওয়া যায়---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অপাদানে ৭মী "খনিতে" সোনা পাওয়া যায় - - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। অপাদান কারক মূলত বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে সম্পর্কিত পদ যেমন বিশেষণ বা সর্বনামের উপর প্রযুক্ত হয়। যেমন : গাছ থেকে পাতা পড়ে। মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
'ক্ষুধার্ত' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: ক্ষুধা + ঋত
Explanation:
'ক্ষুধার্ত' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর ক্ষুধা + ঋত 'ক্ষুধার্ত' শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ ক্ষুধা + ঋত। স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে। দেখা যাচ্ছে 'অ' এবং 'আ' মিলে স্বরসন্ধিতে 'আ' হয়। উদাহরণ: সপ্তর্ষি = সপ্ত + ঋষি, ক্ষুধা + ঋত = ক্ষুধার্ত।
"আলোয়" আঁধার কাটে---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: করণে ৭মী
Explanation:
"আলোয়" আঁধার কাটে---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর করণে ৭মী "আলোয়" আঁধার কাটে - - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে।
কোনটি 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ?
Correct Answer:
ক: বারিদ
Explanation:
কোনটি 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ? সঠিক উত্তর বারিদ 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ বারিদ। মেঘ শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে - বারিদ, জল শব্দের সমার্থক শব্দ - অম্বু, পর্বত শব্দের সমার্থক শব্দ - ভূধর, বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ - অনিল।
পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে বলে ---
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ সমাস
Explanation:
পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে বলে --- সঠিক উত্তর তৎপুরুষ সমাস পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে বলে - - - তৎপুরুষ সমাস। পূর্বপদের বিভক্তি এর লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনো বিভক্তি থাকতে পারে এবং পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ করা হয়। যেমন: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন। এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
'কুটিল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: সরল
Explanation:
'কুটিল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর সরল 'কুটিল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - সরল। 'কুটিল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে - সরল, বাঁকা শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে - সোজা।
'আমরণ' কোন সমাস (মরণ পর্যন্ত)?
Correct Answer:
গ: অব্যয়ীভাব
Explanation:
'আমরণ' কোন সমাস (মরণ পর্যন্ত)? সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব 'আমরণ' অব্যয়ীভাব সমাস (মরণ পর্যন্ত)। পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং যে সমাসের সমস্তপদ উপসর্গ দ্বারা শুরু হয় তাকে উপসর্গ তৎপুরুষ বা অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
'উনপাঁজুরে' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: হতভাগ্য
Explanation:
'উনপাঁজুরে' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর হতভাগ্য 'উনপাঁজুরে' বাগধারাটির অর্থ হতভাগ্য। উড়নচণ্ডী - অমিতব্যয়ী। অদৃষ্টের পরিহাস - ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা। ঊনপাঁজুরে - দুর্বল, মন্দভাগ্য।
'কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না।' --এক কথায় কী হবে?
Correct Answer:
ক: অনিবার্য
Explanation:
'কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না।' --এক কথায় কী হবে? সঠিক উত্তর অনিবার্য 'কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না। ' - - এক কথায় হবে অনিবার্য। অনিবার্য - নিবারণ করা যায় না এমন বা অপ্রতিরোধ্য। অনন্যপায় - উপায়ন্তর বিহীন বা অন্যান্য গতি। অদম্য - দমন করা যায় না; অদমনীয়। অসম্ভব - সম্ভব নয় এমন; ঘটে না বা ঘটানো যায় না এমন।
'যা অধ্যয়ন করা হয়েছে।' --এক কথায় কী হবে?
Correct Answer:
খ: অধীত
Explanation:
'যা অধ্যয়ন করা হয়েছে।' --এক কথায় কী হবে? সঠিক উত্তর অধীত 'যা অধ্যয়ন করা হয়েছে' এক কথায় প্রকাশ হবে - অধীত। পঠিত - পাঠ করা হয়েছে এমন। অধীত - পাঠ করা হয়েছে এমন। পঠিত ও অধীত দুটি শব্দই একই অর্থ প্রকাশ করলেও বিভিন্ন ব্যাকরণ বইয়ে 'যা অধ্যায়ন করা হয়েছে' এই বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ 'অধীত' উল্লেখ করা হয়েছে।
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়। পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
ঘ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়। পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়। পঙ্ক্তিটি জসীমউদ্দীন এর রচনা। জসীম উদ্দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৪ মার্চ ১৯৭৬) একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক। 'পল্লীকবি' উপাধিতে ভূষিত, জসীম উদ্দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি। ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগরসভায় নিয়ে আসার কৃতিত্ব জসীম উদ্দীনের। তার নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম। তার কবিতা বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
"অহঙ্কার" পতনের মূল -- বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: করণে শূন্য
Explanation:
"অহঙ্কার" পতনের মূল -- বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর করণে শূন্য "অহঙ্কার" পতনের মূল - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি করণ কারকে শূন্য বিভক্তি। 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে।
কোন উপন্যাসটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত?
Correct Answer:
খ: চিলেকোঠার সেপাই
Explanation:
কোন উপন্যাসটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত? সঠিক উত্তর চিলেকোঠার সেপাই চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ - ৪ জানুয়ারি ১৯৯৭) বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তিনি একজন স্বল্পপ্রজ লেখক ছিলেন। দুইটি উপন্যাস, গোটা পাঁচেক গল্পগ্রন্থ আর একটি প্রবন্ধ সংকলন এই নিয়ে তার রচনাসম্ভার। তার উল্লেখযোগ্য দুটি উপন্যাস হলো : চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭), খোয়াবনামা (১৯৯৬)
নেহাল "অঙ্কে" খুব কাঁচা-- বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ঘ: অধিকরণে ৭মী
Explanation:
নেহাল "অঙ্কে" খুব কাঁচা-- বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে ৭মী নেহাল "অঙ্কে" খুব কাঁচা - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন - আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। এ বাড়িতে কেউ নেই। কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে। বসন্তে কোকিল ডাকে।
'ঈগল পাখী' কোন সমাস (ঈগল নামের যে পাখী)?
Correct Answer:
খ: কর্মধারয়
Explanation:
'ঈগল পাখী' কোন সমাস (ঈগল নামের যে পাখী)? সঠিক উত্তর কর্মধারয় 'ঈগল পাখী' কর্মধারয় সমাস (ঈগল নামের যে পাখী)। যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম, শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট, কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা। ষঅনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসকে তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন।
'পদ্ধতি' শব্দের সন্ধি- বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: পদ্ + হতি
Explanation:
'পদ্ধতি' শব্দের সন্ধি- বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর পদ্ + হতি 'পদ্ধতি' শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ পদ্ + হতি। স্বরে আর ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও স্বরে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত কথ্য রীতিতে সীমাবদ্ধ। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি মূলত সমীভবন এর নিয়মে হয়ে থাকে।
'ইত্যাদি' কোন সমাস (ইতি হতে আদি)?
Correct Answer:
ক: তৎপুরুষ
Explanation:
'ইত্যাদি' কোন সমাস (ইতি হতে আদি)? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ 'ইত্যাদি' (ইতি হতে আদি) তৎপুরুষ সমাস। পূর্বপদের বিভক্তি এর লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনো বিভক্তি থাকতে পারে এবং পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ করা হয়। যেমন: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন। এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
'শিরে-সংক্রান্তি' বাগধারাটির অর্থ কি?
Correct Answer:
ক: আসন্ন বিপদ
Explanation:
'শিরে-সংক্রান্তি' বাগধারাটির অর্থ কি? সঠিক উত্তর আসন্ন বিপদ 'শিরে - সংক্রান্তি' বাগধারাটির অর্থ আসন্ন বিপদ। শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির অর্থ - আসন্ন বিপদ ও উপস্থিত মহাবিপদ। শিরঃপীড়া - শব্দের অর্থ মাথার যন্ত্রণা, মাথা ধরা।
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ-
Correct Answer:
খ: তস্কর
Explanation:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ- সঠিক উত্তর তস্কর কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না,এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে।যেমন: আ + চর্য = আশ্চর্য গো + পদ = গোষ্পদ তৎ + কর = তস্কর ; ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর: তস্কর।
পর কে পালন করে যে-
Correct Answer:
খ: পরভৃৎ
Explanation:
পর কে পালন করে যে- সঠিক উত্তর পরভৃৎ পরকে পালন করে যে - পরভৃৎ পরের উপকার করে যে - পরোপকারী অন্য জীবের উপর বাস করে যে জীব - পরজীবী। অন্যের কাছে আশ্রয় গ্রহণ করে যে - পরাশ্রয়ী। তাই সঠিক উত্তর - পরভৃৎ।
যে বাগধারাটি অন্যগুলো থেকে স্বতন্ত্র-
Correct Answer:
ঘ: মানিকজোড়
Explanation:
যে বাগধারাটি অন্যগুলো থেকে স্বতন্ত্র- সঠিক উত্তর মানিকজোড় কাঠের পুতুল - নির্জীব / অসার। গোঁফ খেজুরে - নিতান্ত অলস। মেনিমুখো - লাজুক। মানিকজোড় - উপযুক্ত মিলন। তাই সঠিক উত্তর - মানিকজোড়।
প্রত্যেয়বাচক শব্দের দৃষ্টান্ত-
Correct Answer:
গ: শোওয়া
Explanation:
প্রত্যেয়বাচক শব্দের দৃষ্টান্ত- সঠিক উত্তর শোওয়া এক পদ থেকে অন্য পদে রুপান্তর হওয়ার পদ্ধতিকে পদান্তর বলে।বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে প্রত্যয় যোগ করে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদে রূপান্তর করা যায়।যেমন: প্রত্যয়বাচক শব্দ হচ্ছে - শোওয়া।
লাইলী-মজনু প্রণয়োপখ্যান সম্পাদনা করেন-
Correct Answer:
ঘ: আহমদ শরীফ
কোনটি 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ?
Correct Answer:
ঘ: শৈবলিনী
Explanation:
কোনটি 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ? সঠিক উত্তর শৈবলিনী 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ - শৈবলিনী। নদী শব্দের সমার্থক শব্দ - তটিনী, স্রোতস্বিনী, শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিণী। বাকি তিনটি সমুদ্র এর সমার্থক শব্দ।
উত্তম পুরুষ উপন্যাসের রচয়িতা-
Correct Answer:
গ: রশীদ করিম
লিপিকা যে ধরনের গ্রন্থ-
Correct Answer:
খ: গদ্য
’বিভূঁই’ শব্দের ‘বি’ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে-
Correct Answer:
ক: ভিন্নতা
Explanation:
’বিভূঁই’ শব্দের ‘বি’ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে- সঠিক উত্তর ভিন্নতা বাংলা উপসর্গ ২১ টি।তন্মধ্যে "বি" একটি।বি - উপসর্গটি ভিন্নতা বা নাই বা নিন্দনীয় অর্থে ব্যবহৃত হয়।যেমন: বিভুঁই,বিফল,বিপথ ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর: ভিন্নতা অর্থে।
‘আসাদের সাট’ কবিতাটির রচয়িতা-
Correct Answer:
ক: শামসুর রাহমান