Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন কে?
Correct Answer:
ক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন কে? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য বাক্যের শুরুতে, বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের সমাপ্তিতে অথবা বাক্যে আবেগ, জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে যতি বা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন করেন। এই যতি বা বিরাম চিহ্নের সংখ্যা হলো ১২টি।
বেগ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘মতিচূর’ কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: প্রবন্ধ
Explanation:
বেগ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘মতিচূর’ কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর প্রবন্ধ মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'মতিচুর' (১ম খণ্ড ১৯০৪; ২য় খণ্ড ১৯২২) দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
Correct Answer:
খ: 41
Explanation:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধ্বনির সংখ্যা কয়টি? সঠিক উত্তর 41 বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধ্বনির সংখ্যা ৪১টি। উল্লেখ্য, বাংলা ভাষাতে মোট ৭টি পূর্ণ স্বরধ্বনি রয়েছে। এগুলো হলোঃ অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা বর্ণ দিয়ে নির্দেশ করা যায়। আর বাংলা ভাষায় ব্যাঞ্জনধ্বনি রয়েছে ৩৪টি। এগুলো হলোঃ ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, , , , , , স, হ, ড়, ঢ
বাংলার প্রথম ব্যাকরণ বই এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মানোএল আসসুস্পসাঁও
Explanation:
বাংলার প্রথম ব্যাকরণ বই এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মানোএল আসসুস্পসাঁও মানোএল দা আসুস্পসাঁও সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন। তাঁর রচিত ব্যাকরণ হলো 'Vocabulari Em Idioma Bengalla, E Portuguez: Dividido em duas partes' অর্থাৎ বাংলা ও পর্তুগিজ ভাষার শব্দকোষ : দুভাগে বিভক্ত। প্রকাশকাল ১৭৪৩ সাল।
‘গীতাঞ্জলি’ কার লেখা?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
‘গীতাঞ্জলি’ কার লেখা? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৮ ও ১৯০৯ সালে রচিত এবং ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'গীতাঞ্জলি' কাব্য অন্যান্য কাব্যের কিছু কবিতা Song Offerings' নামে প্রকাশ করে। তিনি ১৯১৩ সালে এই কাব্য গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনিকে কি বলে?
Correct Answer:
খ: স্পর্শ ধ্বনি
Explanation:
‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনিকে কি বলে? সঠিক উত্তর স্পর্শ ধ্বনি কণ্ঠ ধ্বনি হলোঃ ক, খ, গ, ঘ, ঙ। তালব্য ধ্বনি হলোঃ চ, ছ, জ, ঝ, ঞ। মূর্ধন্য ধ্বনি হলোঃ ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
‘Dialect’ এর পরিভাষা কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: উপভাষা
সঞ্চিতা, সঞ্চয়িতা লেখকের নাম যথাক্রমে
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
Explanation:
সঞ্চিতা, সঞ্চয়িতা লেখকের নাম যথাক্রমে সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য সংকলন হলো 'সঞ্চয়িতা, কাজী নজরুলের কবিতা ও গানের সংকলন হলো 'সঞ্চিতা'। উল্লেখ্য, ‘সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি উৎসর্গ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। এই কাব্যগ্রন্থে ৭৮টি কবিতা ও গান সংকলিত।
’মৌমাছি’ কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয় সমাস
Explanation:
’মৌমাছি’ কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় সমাস যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমনঃ মৌ - সঞ্চয়কারী মাছি = মৌমাছি, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা, স্মৃতি রক্ষার্তে সৌধ = স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি।
বাংলা বর্ণমালা ‘ল’ কী বর্ণ নামে পরিচিত?
Correct Answer:
ক: পার্শ্বিক বর্ণ
‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি কে লিখেছেন?
Correct Answer:
খ: শামসুর রহমান
Explanation:
‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর শামসুর রহমান 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা' কবিতাটি লিখেছেন শামসুর রাহমান। তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলোঃ স্বাধীনতা তুমি, মধুস্মৃতি, রক্তাক্ত প্রান্তর ইত্যাদি।
কোন পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
ঘ: বিজলী
Explanation:
কোন পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর বিজলী কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'সাপ্তাহিক বিজলী'র ২২ পৌষ (১৩২৮) সংখ্যায়। উল্লেখ্য, কাজী নজরুল ইসলাম ‘দৈনিক নবযুগ' (১৯২০) এর দৈনিক পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। আর নজরুলের সম্পাদনায় 'ধূমকেতু' (১৯২২) অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা বের হত। 'লাঙল' (১৯২৫) পত্রিকাটির প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং সম্পাদক ছিলেন মণিভূষণ মুখোপাধ্যায়।
সমার্থক যুগ্ম শব্দ-
Correct Answer:
ক: হাসি-খুশি
Explanation:
সমার্থক যুগ্ম শব্দ- সঠিক উত্তর হাসি-খুশি ‘হাসি - খুশি' হলো সমার্থক শব্দ। কিন্তু, 'আকাশ' এর বিপরীত শব্দ ‘পাতাল', 'কালি' এর মিলনার্থক শব্দ 'কলম' এবং 'দিন' এর দ্বিরুক্ত শব্দ ‘দিন'।
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: শেষের কবিতা
Explanation:
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর শেষের কবিতা 'শেষের কবিতা' (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। 'প্রবাসী' পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৮ সালে। 'বলাকা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত গতি চেতনা বিষয়ক একটি কাব্য। কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে রচিত হয়। তাঁর রচিত 'ডাকঘর' একটি রূপক সাংকেতিক নাটক। ‘কালান্তর' তাঁর রচিত একটি রাজনৈতিক প্রবন্ধ সংকলন।
‘উদ্বাসন’ শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
ক: বাসভূমি থেকে বিতাড়িত হওয়া
Explanation:
‘উদ্বাসন’ শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর বাসভূমি থেকে বিতাড়িত হওয়া ‘উদ্বাসন' শব্দের অর্থ আবিষ্কার; অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ করা।
গঠনরীতি অনুযায়ী ‘প্রভাত’ ------নিস্পন্ন শব্দ।
Correct Answer:
ক: সমাস
Explanation:
গঠনরীতি অনুযায়ী ‘প্রভাত’ ------নিস্পন্ন শব্দ। সঠিক উত্তর সমাস প্র, প্রতি, অনু ইত্যাদি অব্যয়ের সাথে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয়, তবে তাকে প্রাদি সমাস বলে। যেমনঃ প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত। প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) যে বচন = প্রবচন অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ। প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি
‘আয়ু যেন পদ্ম পাতায় নীর’ এই বাক্যে ‘পদ্ম পাতায়’ কোন কারক?
Correct Answer:
খ: অধিকরণ কারক
Explanation:
‘আয়ু যেন পদ্ম পাতায় নীর’ এই বাক্যে ‘পদ্ম পাতায়’ কোন কারক? সঠিক উত্তর অধিকরণ কারক ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধার বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। তাই এই বাক্যে ‘পদ্ম পাতায়’ অধিকরণ কারক হবে।
‘সত্যবাবু মারা গেছেন’ শীর্ষক বইটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: ফয়েজ আহমেদ
Explanation:
‘সত্যবাবু মারা গেছেন’ শীর্ষক বইটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর ফয়েজ আহমেদ কয়েজ আহমেদ ছিলেন একজন সাংবাদিক সাহিত্যেক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি মূলত শিশু কিশোরদের জন্য ছড়া ও কবিতা লিখেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে মধ্যরাতের অশ্বারোহী' অন্যতম। এই বই সিরিজের অন্য দুটি বই হলো ‘সত্যবাবু মারা গেছেন' এবং 'নন্দনে নন্দিনী'।
‘সওগাত’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ-
Correct Answer:
ক: তুর্কি
Explanation:
‘সওগাত’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ- সঠিক উত্তর তুর্কি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশী শব্দগুলোর মধ্যে তুর্কি ভাষা অন্যতম। এই ভাষার কিছু বহুল ব্যবহৃত শব্দগুলো হলো বাহাদুর, দাদা, মোগল, উর্দু, তালাশ, কাঁচি, দারোগা, তোপ, চাকু, বাবুর্চি, চাকর, সওগাত ইত্যাদি। উল্লেখ্য, সওগাত অর্থ উপহার।
’খুব বিপদ’ এর অর্থ প্রকাশক বাগধারা কোনটি?
Correct Answer:
ক: অকূল পাথার
Explanation:
’খুব বিপদ’ এর অর্থ প্রকাশক বাগধারা কোনটি? সঠিক উত্তর অকূল পাথার ‘খুব বিপদ’ এর বাগধারা অর্থ ‘অকূল পাথার’ । ‘গোঁফ খেজুরে’ এর বাগধারা অর্থ 'নিতান্ত অলস'। ‘শকুনি মামা’ এর বাগধারা অর্থ ‘অনিষ্টকর আত্মীয়'। ‘রাবণের চিতা’ এর বাগধারা অর্থ 'চির অশান্তি'।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘গৃহহীনে গৃহ দাও’ এখানে ‘গৃহহীন’ কোন কারক?
Correct Answer:
গ: সমপ্রদান
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের নাম কি?
Correct Answer:
গ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের নাম কি? সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হলেন মীর মশাররফ হোসেন। 'রত্নাবতী' (১৮৬৯) তাঁর রচিত প্রথম গ্রন্থ যা কোনো মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে মূল্যবান। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'বিষাদ সিন্ধু'। তিনি আজীজন নেহার' এবং 'হিতকরী' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
Correct Answer:
ক: আল মাহমুদ
Explanation:
সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা? সঠিক উত্তর আল মাহমুদ আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’ (১৯৭৩)। এটির প্রথমে নাম ছিলো ‘অবগাহনের শব্দ’। পরে তিনি এটির নামকরণ করেন ‘সোনালী কাবিন’। গ্রামীণ আবহে রচিত ৪৪টি কবিতার এ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশ পেয়েছে বঞ্চিতের ক্ষোভ, শ্রমিকের ঘাম, কৃষকের পরিশ্রম ও গ্রামীণ আবহ। এ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ ‘গোল্ডেন কাবিন’ নামে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত হয়।
’সকলের জন্য প্রযোজ্য’ এক কথায় কী হবে?
Correct Answer:
ক: সর্বজনীন
Explanation:
’সকলের জন্য প্রযোজ্য’ এক কথায় কী হবে? সঠিক উত্তর সর্বজনীন সকলের জন্য প্রযোজ্য = সর্বজনীন। আর সকলের দ্বারা অনুষ্ঠিত হলো সার্বজনীন।
কোন বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ?
Correct Answer:
ক: তুমি কী করবে সেটা কি তুমি জান না?
দুটি বাক্যের মধ্যে অর্থের সম্বন্ধ থাকলে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?
Correct Answer:
ক: সেমিকোলন
Explanation:
দুটি বাক্যের মধ্যে অর্থের সম্বন্ধ থাকলে কোন বিরাম চিহ্ন বসে? সঠিক উত্তর সেমিকোলন একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মধ্যে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়। ক. সেমিকোলন চিহ্ন কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় বিরতি নেয়। দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে (যেমনঃ কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন)। খ. একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয়ের দ্বারা যুক্ত না হলে সেমিকোলন বসে (যেমনঃ আগে স্কুলে পড়া; পরে গল্পের বই)। গ. যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে, তাদের আগে সেমিকোলন বসে (যেমনঃ ছেলেটি মেধাবী; কিন্তু ভারি অলস)।
বাংলা ভাষার ব্যবহৃত “/” চিহ্নটিকে চিহ্ন বলে-
Correct Answer:
ক: বিকল্প
Explanation:
বাংলা ভাষার ব্যবহৃত “/” চিহ্নটিকে চিহ্ন বলে- সঠিক উত্তর বিকল্প “/” চিহ্নটিকে কী চিহ্ন বলে 'বিকল্প'।
পদাবলির প্রথম কবি কে?
Correct Answer:
খ: বিদ্যাপতি
Explanation:
পদাবলির প্রথম কবি কে? সঠিক উত্তর বিদ্যাপতি পদাবলির প্রথম বা আদি কবি হলেন মিথিলার কবি বিদ্যাপতি। আর বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা হলেন কবি চণ্ডীদাস।
’সারেং বৌ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
’সারেং বৌ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সারের উল্লেখযোগ্য দুটি উপন্যাস হলো 'সংশপ্তক' (১৯৬৫) ও ‘সারেং বৌ' (১৯৬২)।
‘ঘুম থেকে জেগে বৈশাখী ঝড়ে কুড়ায়েছি ঝরা আম' এই লাইনটির লেখক বা কবি কে?
Correct Answer:
ক: বেগম সুফিয়া কামাল
Explanation:
‘ঘুম থেকে জেগে বৈশাখী ঝড়ে কুড়ায়েছি ঝরা আম' এই লাইনটির লেখক বা কবি কে? সঠিক উত্তর বেগম সুফিয়া কামাল উদ্ধৃতাংশটি লেখক বা কবি বেগম সুফিয়া কামালের ‘পল্লী জননী' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থাগুলিঃ সাঁঝের মায়া (১৯৩৮), মন ও জীবন (১৯৬৯), মোর যাদুদের সমাধি পরে (১৯৭২), মায়া কাজল (১৯৯১), একালে আমাদের কাল (১৯৮৮), একাত্তরের ডায়রী (১৯৮৯) ইত্যাদি।
’সংশয়’ শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: নিশ্চয়
Explanation:
’সংশয়’ শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর নিশ্চয় 'সংশয়' শব্দটির বিপরীত শব্দ 'নিশ্চয়'। 'আলসে' শব্দটির বিপরীত শব্দ 'কর্মঠ'।
‘ইউসুফ জোলেখা’ কী জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
গ: রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
Explanation:
‘ইউসুফ জোলেখা’ কী জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর রোমান্টিক প্রণয়কাব্য বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের সবচেয়ে বড় অবদান কাহিনিকাব্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রবর্তন। প্রাচীন ও মধ্যযুগে হিন্দু বৌদ্ধ রচিত বাংলা সাহিত্যে দেবদেবীরাই প্রধান ছিল, মানুষ ছিল অপ্রধান। মুসলমান রচিত বাংলা সাহিত্যেই প্রথম মানুষ প্রাধান্য পায়। মুসলিম কবিরা হিন্দি বা আরবি - ফারসি ভাষার সাহিত্য উৎস হতে উপকরণ নিয়ে যে প্রেমমূলক কাব্য রচনা করেছিলেন তাই রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান নামে পরিচিত। এ ধারার প্রথম কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর। চতুর্দশ শতকের শেষ ও পঞ্চদশ শতকের শুরুর দিকে শাহ মুহাম্মদ সগীর ইউসুফ জুলেখা' রচনার মধ্য দিয়ে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূচনা করেন এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
নিচের কোনটিতে শব্দে বিশেষ নিয়মে ‘ষ’ বসেছে-
Correct Answer:
ক: দুর্বিষহ
Explanation:
নিচের কোনটিতে শব্দে বিশেষ নিয়মে ‘ষ’ বসেছে- সঠিক উত্তর দুর্বিষহ নিচের শব্দগুলো বিশেষ নিয়মে 'ষ' বসেছেঃ অধিষদ (অথচ সভাসদ, সংসদ)। অভিষেক (অথচ জলসেক), পরিষদ, পরিষ্কার (অথচ পুরস্কার) বিষণ্ন, বিষম (অথব অসম), দুর্বিষহ (অথচ অসহ), বিষয়, বিষাদ সুষম (অথচ অসম) ইত্যাদি।
‘বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
খ: 1921
Explanation:
‘বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর 1921 কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ ( সেপ্টেম্বর, ১৯২২)। এ কাব্যের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ‘সাপ্তাহিক বিজলী’ পত্রিকার ২২ ডিসেম্বর (১৯২১) - জানুয়ারি (১৯২২) সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
নিচের কোনটিতে শব্দরে অপপ্রয়োগ হয়নি-
Correct Answer:
ক: জন্মবার্ষিক
’বিনে স্বদেশী ভাষা মিটে কি আশা’ এখানে ‘বিনে’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: আবশ্যিকতা
Explanation:
’বিনে স্বদেশী ভাষা মিটে কি আশা’ এখানে ‘বিনে’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর আবশ্যিকতা বিনা/বিনেঃ কর্তৃকারকের সঙ্গে - তুমি বিনা (বিনে)' আমার কে আছে? এখানে ‘বিনে’ কর্মপ্রবচনীয় পদটি দ্বারা মূলত আবশ্যিকতা বুঝানো হচ্ছে।
কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান' কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল?
Correct Answer:
ক: তৃতীয় পানি পথের যুদ্ধ
Explanation:
কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান' কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল? সঠিক উত্তর তৃতীয় পানি পথের যুদ্ধ মহাকবি কায়কোবাদের (১৮৪৮ - ১৯৫২) শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' (১৯০৪)। কাব্যটির ঐতিহাসিক পটভূমি হলো তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ (১৭৬১)। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে কাব্যটি রচিত। এই মহাকাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলোঃ ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা বেগম, হিরণ বালা, আতা খাঁ, লঙ্গ, রত্নজি, সুজাউদ্দৌলা, সেলিনা, আহমদ শাহ্ আবদালী।
‘প্রৌঢ়’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
খ: প্র + ঊঢ়
Explanation:
‘প্রৌঢ়’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর প্র + ঊঢ় প্রৌঢ় (প্র + ঊঢ়) নিপাতনে সিদ্ধ স্বর সন্ধি। এরূপ কুলটা, মার্তণ্ড, অন্যান্য, রক্তোষ্ঠ, শুদ্ধোদন, শারঙ্গ ইত্যাদি।
‘মুক্তিযুদ্ধ’ কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: চতুর্থী তৎপুরুষ
Explanation:
‘মুক্তিযুদ্ধ’ কোন সমাস? সঠিক উত্তর চতুর্থী তৎপুরুষ মুক্তিযুদ্ধ = মুক্তির জন্য যুদ্ধ (চতুর্থী তৎপুরুষ)। পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমনঃ গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি; আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা; বসতের নিমিত্ত বাড়ি বসতবাড়ি; বিয়ের জন্য পাগল = বিয়েপাগল; তপের নিমিত্ত বন = তপোবন। এরূপঃ ছাত্রাবাস, ডাকমাশুল, চোষকাগজ, শিশুমঙ্গল, মুসাফিরখানা, হজ্বযাত্রা, মালগুদাম, মাপকাঠি, বালিকা - বিদ্যালয়, পাগলাগরদ, মরাকান্না, মাথারকাঁটা ইত্যাদি।
‘অতিশয়' দ্যোতনা সৃষ্টি করে নিচের কোন উপসর্গ?
Correct Answer:
গ: পরাবাস্তব- পরা
‘আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক কে?
Correct Answer:
ঘ: শামসুর রহমান
Explanation:
‘আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক কে? সঠিক উত্তর শামসুর রহমান কবি ও সাংবাদিক শামসুর রাহমান এর সাহিত্য কর্মের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ তার উল্লেখ্যযোগ্য সৃষ্টি। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তার মোট ৬৫টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, “প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে”, “রৌদ্র করোটিতে”, “নিরালোক দিব্যরথ", “নিজবাসভূমে”, “আমি অনাহারী” "স্বাধীনতা তুমি", “তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা" ইত্যাদি।
বড় দাদা > বড়দা- কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
Correct Answer:
ঘ: ব্যঞ্জনচ্যুতি
Explanation:
বড় দাদা > বড়দা- কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন? সঠিক উত্তর ব্যঞ্জনচ্যুতি যখন পাশাপাশি দুইটি একই উচ্চারণের ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে এবং তাদের মধ্যে একটি লোপ পায় তখন তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলা হয়। অর্থাৎ পাশাপাশি একই উচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির একটি লোপ পেলে তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলে।ব্যঞ্জনচ্যুতি এর উদাহরণ হলো: বড় দাদা > বড়দা, বউদিদি > বউদি, ছোটকাকা > ছোটকা, ছোটদাদা > ছোটদা ইত্যাদি।
‘কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না'- উক্তিটি কোন উপন্যাসের?
Correct Answer:
গ: রাজসিংহ
Explanation:
‘কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না'- উক্তিটি কোন উপন্যাসের? সঠিক উত্তর রাজসিংহ ‘কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না’ - উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘রাজসিংহ’ (১৮৮২) থেকে নেয়া।
’শুক’ শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: সারী
Explanation:
’শুক’ শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর সারী অনেক সময় আলাদা শব্দে পুরুষবাচক এবং স্ত্রীবাচক বোঝায়। যেমনঃ শুক (পুরুষ টিয়াপাখি বা পাখি বিশেষ) - সারী, বাবা - মা, ভাই - বোন, কর্তা - গিন্নী, ছেলে মেয়ে, সাহেব - বিবি, জামাই - মেয়ে, বর - কনে, দুলহা দুলাইন/দুলহিন, বেয়াই - বেয়াইন, তাঐ - মাঐ, বাদশা বেগম ইত্যাদি ।
মধ্যগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
ক: জিলিপি
‘দুই এবং নব্বই’ = বিরানব্বই’ কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: নিত্য সমাস
Explanation:
‘দুই এবং নব্বই’ = বিরানব্বই’ কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর নিত্য সমাস যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্যসমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমনঃ দুই এবং নব্বই বিরানব্বই, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা।
‘বাধন-হারা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
‘বাধন-হারা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র তিনটি উপন্যাস রচনা করেন। এগুলো হলোঃ বাঁধনহারা; কুহেলিকা; মৃত্যুক্ষুধা উল্লেখ্য, 'বাধনহারা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস। 'মৃত্যুক্ষুধা তার রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। আর 'কুহেলিকা' || বাংলা সাহিত্যে সন্ত্রাসী বিপ্লবের উপর লিখিত একটি উপন্যাস।
বেগম রোকেয়া কখন ও কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
Correct Answer:
গ: ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায়
‘শিব রাত্রির সলতে' বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: একমাত্র সন্তান
Explanation:
‘শিব রাত্রির সলতে' বাগধারাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর একমাত্র সন্তান শিব রাত্রির সলতে অর্থ একমাত্র পুত্র বা বংশধর।
উপসর্গ কোন জাতীয় শব্দাংশ?
Correct Answer:
ঘ: অব্যয়
Explanation:
উপসর্গ কোন জাতীয় শব্দাংশ? সঠিক উত্তর অব্যয় বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো অন্য শব্দের আগে বসে। এর প্রভাবে শব্দটির কয়েক ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়। যেমনঃ নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়; শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয়; শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে; শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে। ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশেরই নাম উপসর্গ।