Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
'সতী ময়না-লোর চন্দ্রানী'র রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: দৌলত কাজী
Explanation:
'সতী ময়না-লোর চন্দ্রানী'র রচয়িতা- সঠিক উত্তর দৌলত কাজী 'সতী ময়না - লোর চন্দ্রানী'র রচয়িতা - দৌলত কাজী। মিয়া সাধন নামক একজন হিন্দি ভাষী মুসলিম কবি রচিত "মৈনাসত" (কাব্যটি আসলে 'ঠেট গোহারি' বা একধরনের গ্রাম্য হিন্দি ভাষায় লেখা) নামক কাব্যই ছিল কবি দৌলত কাজীর “সতী ময়না ও লোর চন্দ্রানী" কাব্য রচনায় আদর্শ। এই কাব্যের সঠিক রচনাকাল জানা যায়নি। তবে অনুমান করা হয় ১৬২২ থেকে ১৬৩৮ সালের মধ্যে এই কাব্য রচনা করা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই মহাকাব্য সমাপ্ত হওয়ার আগেই তিনি মৃত্যুবরন করেন। কবির মৃত্যুর ২০ বছর পরে ১৬৫৯ সালে কবি আলাওল(আনুমানিক ১৫৯৭ - ১৬৭৩) কাব্যের শেষাংশ রচনা করেন।
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে - ভাতে।' -কবিতার পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
গ: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
Explanation:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে - ভাতে।' -কবিতার পংক্তিটি কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর আমার সন্তান যেন থাকে দুধে - ভাতে। ' - কবিতার পংক্তিটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের রচনা। ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ উক্তিটি করেছিলেন ঈশ্বরী পাটনি। ইক্তিটি পাওয়া যায় ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে। ‘ভাডু দত্ত’ চন্ডীমঙ্গলের এবং ‘চাঁদ সওদাগর’ পদ্মপুরাণের বিখ্যাত চরিত্র।
'মঙ্গলকাব্যে'র রচয়িতা নন-
Correct Answer:
খ: বড়ু চন্ডীদাস
Explanation:
'মঙ্গলকাব্যে'র রচয়িতা নন- সঠিক উত্তর বড়ু চন্ডীদাস 'মঙ্গলকাব্যে'র রচয়িতা নন - বড়ু চন্ডীদাস। মঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন ভারতচন্দ্র, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, বিজয় গুপ্ত।
'আরোহণ'
Correct Answer:
খ: অবরোহণ
Explanation:
'আরোহণ' সঠিক উত্তর অবরোহণ বিসর্জন - আবহন। অবরোহণ - আরোহণ। নিম্নগমন - উর্ধগমন।
The rose is a fragrant flower' -এর সঠিক অনুবাদ কোনটি ?
Correct Answer:
ক: গোলাপ সুগন্ধি ফুল
Explanation:
The rose is a fragrant flower' -এর সঠিক অনুবাদ কোনটি ? সঠিক উত্তর গোলাপ সুগন্ধি ফুল The rose is a fragnant flower. = গোলাপ একটি সুগন্ধি ফুল। এখানে, fragnant = সুগন্ধি
'সংশয়'
Correct Answer:
ক: প্রত্যয়
Explanation:
'সংশয়' সঠিক উত্তর প্রত্যয় সংশয় শব্দের অর্থ - সন্দেহ, ভয়, ভীতি, দ্বিধা, অবিশ্বাস ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। প্রত্যয় শব্দের অর্থ - নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। তাই সংশয় এর বিপরীত শব্দ প্রত্যয়।
'সূর্য' -এর প্রতিশব্দ কি ?
Correct Answer:
ক: আদিত্য
Explanation:
'সূর্য' -এর প্রতিশব্দ কি ? সঠিক উত্তর আদিত্য সূর্যের প্রতিশব্দ : রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, আদিত্য, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, পুষা, সূর, মিত্র, দিনপতি, বালকি, অর্ষমা।
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
Correct Answer:
ক: অক্ষয়কুমার দত্ত
Explanation:
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- সঠিক উত্তর অক্ষয়কুমার দত্ত তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - অক্ষয়কুমার দত্ত। তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ছিল ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র। ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং তত্ত্ববোধিনী সভার সভ্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট (১ ভাদ্র, ১৭৬৫ শক) অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর । উনিশ শতকের শ্রেষ্ঠ গদ্যলেখক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজনারায়ণ বসু, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ এ পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন এবং তাঁদের লেখার মাধ্যমে তখন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এক নবযুগের সূচনা হয়। এর লেখক ও পৃষ্ঠপোষক সকলেই ছিলেন সংস্কারপন্থী।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' -গ্রন্থটির লেখক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' -গ্রন্থটির লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' - গ্রন্থটির লেখক সৈয়দ শামসুল হক। সৈয়দ শামসুল হকের (জন্ম: কুড়িগ্রাম, ২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫; মৃত্যু: ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) আগ্রহ ও সাফল্য ঈর্ষণীয়। স্বাধীনতা - পরবর্তীকালে বাংলা কাব্যনাটকের শৈল্পিক রূপায়নে তিনি অবিকল্প নির্মাতা। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ (রচনাকাল ও স্থান: ১ মে - ১৩ জুন, ১৯৭৫, হ্যাম্পস্টেড, লন্ডন) মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক সমকালীন বাস্তবতা এবং ব্রাত্যজনের অমিত তেজের সরল সত্যের অকৃত্রিম ও শৈল্পিক প্রকাশ।
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন রচিত গ্রন্থ কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: সোজন বাদিয়ার ঘাট
Explanation:
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন রচিত গ্রন্থ কোনটি ? সঠিক উত্তর সোজন বাদিয়ার ঘাট সোজন বাদিয়ার ঘাট পল্লীকবি জসীম উদ্দীন রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। গ্রাম বাংলার অপুর্ব অনবদ্য রুপকল্প এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যের প্রধান চরিত্র সোজন ও দুলী।
'প্রদীপ নিভে গেল' বাক্যটি কোন অতীত কালের ?
Correct Answer:
গ: সাধারণ
Explanation:
'প্রদীপ নিভে গেল' বাক্যটি কোন অতীত কালের ? সঠিক উত্তর সাধারণ অতীত কালকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। i. সাধারণ অতীত : যে ক্রিয়া অতীত কালে সাধারণভাবে সংঘটিত হয়েছে, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলা হয়। যেমন : আমি কাজটি করলাম। আমি খেলা দেখে এলাম। ii. নিত্যবৃত্ত অতীত: যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়ই ঘটত এমন বোঝায়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলা হয়। যেমন: বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন। ছুটিতে প্রতিবছর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতাম। iii.ঘটমান অতীত: যে ক্রিয়া অতীত কালে চলেছিল, তখনো শেষ হয়নি বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলা হয়। যেমন: রিতা ঘুমাচ্ছিল। তিনি মেয়েটির চেহারা কেমন জানতে চাইছিলেন। iv. পুরাঘটিত অতীত : যে ক্রিয়া অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলা হয়। যেমন: আমরা রাজশাহী গিয়েছিলাম। তুমি কি তার পরীক্ষা নিয়েছিলে?
প্রথম সার্থক বাংলা নাটক --
Correct Answer:
ক: শর্মিষ্ঠা
Explanation:
প্রথম সার্থক বাংলা নাটক -- সঠিক উত্তর শর্মিষ্ঠা প্রথম সার্থক বাংলা নাটক - - শর্মিষ্ঠা। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত। শর্মিষ্ঠা ১৮৫৯ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক।
ময়মনসিংহ গীতিকা নয়-
Correct Answer:
ঘ: ভেলুয়া
Explanation:
ময়মনসিংহ গীতিকা নয়- সঠিক উত্তর ভেলুয়া ময়মনসিংহ গীতিকা নয় - ভেলুয়া। ময়মনসিংহ গীতিকা গুলো হল: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী ইত্যাদি।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় অগ্রযাত্রীর ভূমিকা পালন করেছেন?
Correct Answer:
গ: দীনেশচন্দ্র সেন
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় অগ্রযাত্রীর ভূমিকা পালন করেছেন? সঠিক উত্তর দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় অগ্রযাত্রীর ভূমিকা পালন করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন। দীনেশচন্দ্র সেন (রায়বাহাদুর) (৩ নভেম্বর, ১৮৬৬ - ২০ নভেম্বর, ১৯৩৯) শিক্ষাবিদ, গবেষক, লোক - সাহিত্যবিশারদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার। ১৮৯৬ - এ "বঙ্গভাষা ও সাহিত্য" শিরোনামে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনা করেন।
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয়-
Correct Answer:
গ: নদী বক্ষে
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয়- সঠিক উত্তর নদী বক্ষে কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয় - নদী বক্ষে। কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি উপন্যাস হয়েছে। প্রথম উপন্যাস ব্যথার দান। কুহেলিকা ও মৃত্যুক্ষুধা তার অন্যান্য উপন্যাস।
নিচের কোনটি ব্যঙ্গ রচনা?
Correct Answer:
ক: সায়না
Explanation:
নিচের কোনটি ব্যঙ্গ রচনা? সঠিক উত্তর সায়না সায়না ব্যঙ্গ রচনা।
'যা প্রমাণ করা যায় না'-
Correct Answer:
খ: অপ্রমেয়
Explanation:
'যা প্রমাণ করা যায় না'- সঠিক উত্তর অপ্রমেয় যা পূর্বে কখনো হয়নি = অভূতপূর্ব প্রমান করা যায়না = অপ্রমেয় যা তর্কের দ্বারা মীমাংসা করা যায় না = অপ্রতর্ক্র যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে = অপসৃয়মান
প্রথম কোন বাঙালি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন?
Correct Answer:
ক: রাজা রামমোহন রায়
Explanation:
প্রথম কোন বাঙালি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন? সঠিক উত্তর রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন - রাজা রামমোহন রায়। রামমোহন রায়ের ইংরেজিতে রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ Bengali Grammar in the English Language প্রকাশিত হয় ১৮২৬ সালে, কলকাতার ইউনিটারিয়েন প্রেস থেকে। রামমোহন কেরী বা হটনের মতো সংস্কৃতের সঙ্গে বাংলার সম্পর্ককে বড় করে দেখেননি। তিনি বাংলা ভাষার একটি মূল প্রবণতা লক্ষ্য করেছিলেন। তাই তিনিই প্রথম ব্যাকরণের বিভিন্ন প্রকরণ (বিশেষ্য, বিশেষণ, কারক ইত্যাদি) সম্পর্কে শুধু দৃষ্টান্ত নয়, খানিকটা তাত্ত্বিক আলোচনাও পাঠকের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচনা করেছেন। রামমোহন তার আলোচনায় কোথাও সর্বজনবিদিত সংস্কৃত ব্যাকরণের সংজ্ঞার্থ ও পরিভাষা ব্যবহার করেছেন, আবার কোথাও বাংলা ভাষার প্রকৃতির প্রয়োজনে নতুন সংজ্ঞার্থ ও পরিভাষা রচনা করেছেন। ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে তিনি তার গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ে যে আলোচনা করেছেন, কালের দিক থেকে তা ছিল সম্পূর্ণ বিপ্লবাত্মক। তিনি ব্যাকরণকে কোনো ঔচিত্যমূলক শাস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করেননি, বরং ব্যাকরণকে তিনি দেখেছেন ভাষার বিশ্লেষণ বা বর্ণনামূলক শাস্ত্র হিসেবে।
'ভালো নিজেকে জাহির করে না , অনেক সময়ই তাকে খুঁজে বের করতে হয়্।' এই বাক্যে 'ভালো' শব্দটি কোন পদ?
Correct Answer:
ক: বিশেষ্য
Explanation:
'ভালো নিজেকে জাহির করে না , অনেক সময়ই তাকে খুঁজে বের করতে হয়্।' এই বাক্যে 'ভালো' শব্দটি কোন পদ? সঠিক উত্তর বিশেষ্য "ভালো নিজেকে জাহির করে না, অনেক সময়ই তাকে খুজে বের করতে হয়" - এখানে ভালো একটি বিশেষ্য পদ। যে বিশেষ্য পদ দ্বারা ভালো, দোষ, গুন, অবস্থা বোঝায় তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে। তাই ভালো এখানে গুণবাচক বিশেষ্য।
মীর মশাররফের জন্মস্থান-
Correct Answer:
গ: লাহিনীপাড়া
Explanation:
মীর মশাররফের জন্মস্থান- সঠিক উত্তর লাহিনীপাড়া মীর মশাররফের জন্মস্থান - লাহিনীপারা। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে (বর্তমান বাংলাদেশ) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার লেখাপড়ার জীবন কাটে প্রথমে কুষ্টিয়ায়, পরে ফরিদপুরের পদমদীতে ও শেষে কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। তার জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হয় ফরিদপুরের নবাব এস্টেটে চাকরি করে। তিনি কিছুকাল কলকাতায় বসবাস করেন।
সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত--
Correct Answer:
খ: ক্রিয়া ও সর্বনামে
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত-- সঠিক উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনামে সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত - - ক্রিয়া ও সর্বনামে। বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। পৃথিবীর প্রায় সব ভাষারই লেখ্য ও কথ্যরূপ আছে। বাংলা ভাষার লেখ্যরীতি হিসেবে সাধু এবং কথ্যরীতি হিসেবে চলিতরীতির উদ্ভব হয়েছে। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকে, তাকে সাধুভাষা বলে। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান থাকে, তাকে চলিত ভাষা বলে। উদাহরণ: তারা কাজ করছে।
'পদ্মাবতী' কাব্যেগ্রন্থের অনুবাদক কে?
Correct Answer:
ক: আলাওল
Explanation:
'পদ্মাবতী' কাব্যেগ্রন্থের অনুবাদক কে? সঠিক উত্তর আলাওল 'পদ্মাবতী' কাব্যেগ্রন্থের অনুবাদক আলাওল। পদ্মাবতী মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওলের একটি কাব্য। এটিকে আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাজ বলে গণ্য করা হয়। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি উজ্জ্বল নিদর্শন আলাওলের অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ ‘পদ্মাবতী’। মালিক মুহম্মদ জায়সী এর ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুবাদ এটি। জায়সী তাঁর কাব্য রচনা করেন ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দে। প্রায় ১০০ বছর পর আরাকানের বৌদ্ধ রাজার অমাত্য মাগন ঠাকুরের নির্দেশে আলাওল ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে পদ্মাবতী রচনা করেন। কবি তখন মাগন ঠাকুরের সভাসদ এবং আশ্রিত। পদ্মাবতী কাব্যের কাহিনীতে ঐতিহাসিকতা কতটুকু তা নিশ্চিত হওয়া যায় নি। সম্ভবত কবিচিত্তের কল্পনাই জায়সী এবং আলাওল দুজনকেই প্রভাবিত করেছিল। বাংলায় পদ্মাবতী রচনায় আলাওল মূলত পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের আশ্রয় নিয়েছেন। মধ্যযুগের ধর্মীয় সাহিত্যের ঘনঘটার মধ্যে এই পদ্মাবতী কাব্যগ্রন্থ স্বতন্ত্ররীতির এক অনুপম শিল্পকর্ম। পদ্মাবতী মৌলিক না হলেও সাবলীল ভাষার ব্যবহার ও মার্জিত ছন্দের নিপুণ প্রয়োগে তা আলাওলের কবিপ্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন পত্রিকাটিতে অভিন্দন বাণী দিয়েছিলেন ?
Correct Answer:
গ: ধূমকেতু
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন পত্রিকাটিতে অভিন্দন বাণী দিয়েছিলেন ? সঠিক উত্তর ধূমকেতু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ধূমকেতু পত্রিকাটিতে অভিন্দন বাণী দিয়েছিলেন। ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি দ্বি - সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ২৬ শ্রাবণ (১৯২২ সালের ১১ আগস্ট) প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি শুরুতে ফুলস্কেপ কাগজের চার পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো এবং পরে আট পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো। পত্রিকাটির সর্বশেষ সংস্করণ ১৯২৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়েছিল। এর প্রথম সংখ্যায় নজরুলের কবিতা ‘ধূমকেতু’ প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাকে আশীর্বাদ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়রে ধূমকেতু। আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু, দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন। ” পত্রিকার প্রথম পাতার শীর্ষে এই বাণী লিখা থাকতো।
'সংস্কৃতির কথা ' গ্রন্থটির লেখক কে ?
Correct Answer:
ক: কাজী মোতাহার হোসেন
Explanation:
'সংস্কৃতির কথা ' গ্রন্থটির লেখক কে ? সঠিক উত্তর কাজী মোতাহার হোসেন 'সংস্কৃতির কথা ' গ্রন্থটির লেখক কাজী মোতাহার হোসেন। মোতাহের হোসেন চৌধুরী (১৯০৩ - ১৯৫৬) একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখক ছিলেন। মোতাহের হোসেন চৌধুরী কিশোর বয়স থেকেই সাহিত্যে আগ্রহী হয়ে উঠেন। তিনি প্রথমদিকে কবিতা বেশি লিখতেন। বাঙালী মুসলমান সমাজের অগ্রগতির আন্দোলন হিসেবে পরিচিত "বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের" সাথে যুক্ত ছিলেন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ "সংস্কৃতি কথা" (১৯৫৮)।
অপ্রাণিবাচক শব্দ-
Correct Answer:
গ: কমলনিকর
Explanation:
অপ্রাণিবাচক শব্দ- সঠিক উত্তর কমলনিকর অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দগুলো - আবলি, গুচ্ছ, দাম, নিকর, পুঞ্জ, মালা, রাজি, রাশ্। যেমন - গ্রন্থাগারে রক্ষিত, পুস্তকবলি, কবিতাগুচ্ছ, কুসুমদাম, কমলনিকর, মেঘকুঞ্জ, পর্বতমালা, তারকারাজি, বালিরাশি, কুসুমনিচয় ইত্যাদি।
প্রতিবর্ণীকরণের সময় ইংরেজী 's' এর স্থলে বাংলায় হবে-
Correct Answer:
গ: স
Explanation:
প্রতিবর্ণীকরণের সময় ইংরেজী 's' এর স্থলে বাংলায় হবে- সঠিক উত্তর স প্রতিবর্ণীকরণের সময় ইংরেজী 's' এর স্থলে বাংলায় হবে - 'স' হবে। কেননা ইংরেজি s এর উচ্চারণ স এর মত হয়। তাই s এর স্থলে বাংলায় স হবে।
পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: মায়াবী
Explanation:
পুরুষবাচক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর মায়াবী পুরুষবাচক শব্দ : যে শব্দ পুরুষ বা ছেলে বোঝায়, তাকে পুরুষবাচক শব্দ বলে। যেমন - বাপ, ভাই, ছেলে, ইত্যাদি। স্ত্রীবাচক শব্দ : যে শব্দ নারী বা স্ত্রী বা মেয়ে বোঝায়, তাকে স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। যেমন - মা, বোন, মেয়ে, ইত্যাদি। সংস্কৃত স্ত্রী প্রত্যয় যোগে পুরুষ হতে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন > নী, ঈনী - প্রত্যয় : মায়াবী - মায়াবিনী, কুহক - কুহকিনী, যোগী - যোগিনী, মেধাবী - মেধাবিনী, দুঃখী - দুঃখিনী
ছাত্র অবস্থায় রচিত কোন কবির কবিতা কলিকাতার পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
ছাত্র অবস্থায় রচিত কোন কবির কবিতা কলিকাতার পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন ছাত্র অবস্থায় রচিত জসীমউদ্দীন কবিতা কলিকাতার পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। জসীম উদ্ দীন একদম অল্প বয়স থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। কলেজে অধ্যয়নরত থাকা অবস্থায়, পরিবার এবং বিয়োগান্ত দৃশ্যে, একদম সাবলীল ভাষায় তিনি বিশেষ আলোচিত কবিতা কবর লিখেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাবস্থায় এই কবিতাটি প্রবেশিকার বাংলা পাঠ্যবইয়ে স্থান পায়।
'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির লেখক কে?
Correct Answer:
গ: কাজী আবদুল ওদুদ
Explanation:
'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির লেখক কে? সঠিক উত্তর কাজী আবদুল ওদুদ 'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থটির লেখক কাজী আবদুল ওদুদ। কাজী আবদুল ওদুদ (২৬ এপ্রিল ১৮৯৪ - ১৯ মে ১৯৭০) একজন বাঙালি প্রাবন্ধিক, বিশিষ্ট সমালোচক, নাট্যকার ও জীবনীকার ছিলেন। তিনি বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার (বর্তমান রাজবাড়ী জেলার) পাংশায় একটি নিম্ন - মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ সম্পাদনা: শাশ্বত বঙ্গ(১৯৫১) সমাজ ও সাহিত্য (১৯৩৪) রবিন্দ্রকাব্য পাঠ (১৩৩৪) হিন্দু - মুসলমান বিরোধ (১৯৩৬) নব পর্যায় (২খণ্ড)
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের 'সুলতানার স্বপ্ন'-
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের 'সুলতানার স্বপ্ন'- সঠিক উত্তর উপন্যাস রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের 'সুলতানার স্বপ্ন' - একটি উপন্যাস। সুলতানার স্বপ্ন ভারতবর্ষের অগ্রণী নারীবাদী লেখিকা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি উপন্যাসিকা। গ্রন্থটি ১৯০৫ সালে মাদ্রাজের দ্য ইন্ডিয়ান লেডিজ ম্যাগাজিন (The Indian Ladies' Magazine) - এ সুলতানা'স ড্রিম (Sultana's Dream) শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯০৮ সালে উপন্যাসিকাটি পুস্তিকা আকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসিকাটি বাংলায় প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে মতিচূর ২য় খণ্ডে সুলতানার স্বপ্ন নামে।
'সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে' - কে ঘুরেছেন?
Correct Answer:
গ: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
'সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে' - কে ঘুরেছেন? সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে' - জীবনানন্দ দাশ ঘুরেছেন। জীবনানন্দ দাশ (১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪; ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ)[২] ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা - পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন।
নিম্নোক্ত গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোনটি কাব্য?
Correct Answer:
গ: দোলনচাঁপা
Explanation:
নিম্নোক্ত গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোনটি কাব্য? সঠিক উত্তর দোলনচাঁপা দোলনচাঁপা হচ্ছে কাব্যগ্রন্থ। দোলনচাঁপা বিংশ শতাব্দির প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে (আশ্বিন, ১৩৩০ বঙ্গাব্দ) আর্য পাবলিশি হাউস থেকে প্রকাশিত হয়।
ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্ররুপে প্রকাশিত পত্রিকাটির নাম কি?
Correct Answer:
ক: শিখা
Explanation:
ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্ররুপে প্রকাশিত পত্রিকাটির নাম কি? সঠিক উত্তর শিখা ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্ররুপে প্রকাশিত পত্রিকাটির নাম শিখা। শিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা। এটি বিংশ শতকের বিশের দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হত। এর প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭) এবং এর প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেন। এটি বাৎসরিক পত্রিকা ছিল ও ১৯৩১ সালে এর পঞ্চম ও শেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এর প্রধান কারণ ১৯৩২ সালের মার্চ মাসে আবুল হুসেনের ঢাকা ত্যাগ। তিনিই মূলত প্রকাশনার সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করতেন ও প্রকাশনা - ব্যয়ের একটি বড় অংশও বহন করতেন। এ পত্রিকার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মডার্ন লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন আবুল হুসেন। এ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। একে বলা হয়ে থাকে ঢাকার যুক্তিবাদী আন্দোলন।
কোন সাময়িক পত্রটি বেশি প্রভাবশালী হয়েছিল?
Correct Answer:
ঘ: সমকাল
Explanation:
কোন সাময়িক পত্রটি বেশি প্রভাবশালী হয়েছিল? সঠিক উত্তর সমকাল সমকাল সাময়িক পত্রটি বেশি প্রভাবশালী হয়েছিল। দৈনিক সমকাল বাংলাদেশের ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকা। এটি ২০০৫ সালের ৩১ মে থেকে প্রকাশিত হয়ে আসছে। বিশিষ্ট সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট বরেণ্য এই সাংবাদিকের মৃত্যুর পর সমকালের নির্বাহী সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পত্রিকাটির প্রকাশক এ.কে. আজাদ।
"দৃষ্টিহীন” কার ছদ্মনাম?
Correct Answer:
গ: মধুসূদন মজুমদার
Explanation:
"দৃষ্টিহীন” কার ছদ্মনাম? সঠিক উত্তর মধুসূদন মজুমদার "দৃষ্টিহীন” কার ছদ্মনাম মধুসূদন মজুমদার। বিহারীলাল চক্রবর্তী এর ছদ্মনাম ''ভোরের পাখি" এবং প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম "টেকচাঁদ ঠাকুর"।
'শ্বাশ্বতবঙ্গ' গ্রন্থটি রচনা করেছেন-
Correct Answer:
ক: কাজী আবদুল ওদুদ
Explanation:
'শ্বাশ্বতবঙ্গ' গ্রন্থটি রচনা করেছেন- সঠিক উত্তর কাজী আবদুল ওদুদ 'শ্বাশ্বতবঙ্গ' গ্রন্থটি রচনা করেছেন - কাজী আবদুল ওদুদ। শাশ্বত বঙ্গ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাসের বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য একটি গ্রন্থ। একটি কবিতাসহ ৭৫টি প্রবন্ধ নিয়ে সঙ্কলিত হয় এ গ্রন্থ। গ্রন্থের লেখক কাজী আবদুল ওদুদ (১৮৯৪ - ১৯৭০)। গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩৫৮ সনে, কলকাতা থেকে।
'ভবিষ্যতের বাঙালি' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: এস. ওয়াজেদ আলী
Explanation:
'ভবিষ্যতের বাঙালি' গ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর এস. ওয়াজেদ আলী "ভবিষ্যতের বাঙালী " - গ্রন্থটির রচয়িতা এস.ওয়াজেদ আলী। ভবিষ্যতের বাঙালী তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মহান ভাবুকের নাম এস.ওয়াজেদ আলী, প্রথম বাঙালি জাতীয়তাবাদী তাত্ত্বিক। তিনি বঙ্গীয় মুসলন সাহিত্য সমিতির সভাপতি ছিলেন।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পথের পাঁচালী'র প্রকাশকাল-
Correct Answer:
খ: ১৯২৯
Explanation:
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পথের পাঁচালী'র প্রকাশকাল- সঠিক উত্তর ১৯২৯ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পথের পাঁচালী'র প্রকাশকাল - ১৯২৯ সালে। পথের পাঁচালী(১৯২৯) হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলার গ্রামে দুই ভাইবোন অপু আর দুর্গার বেড়ে ওঠা নিয়েই বিখ্যাত এই উপন্যাস। এই উপন্যাসের ছোটদের জন্য সংস্করনটির নাম আম আঁটির ভেঁপু।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা'-
Correct Answer:
গ: নিরীক্ষাধর্মী উপন্যাস
Explanation:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা'- সঠিক উত্তর নিরীক্ষাধর্মী উপন্যাস সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' - নিরীক্ষাধর্মী উপন্যাস। ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসে পূর্ব বাংলার অবরুদ্ধ শৃঙ্খলিত সমাজের ভেতরগত গূঢ় চিত্র অঙ্কন করেছেন স্বৈরাচার পিষ্ট সমাজের মানুষের মনোবৈকলিক সংকটের চেহারা উন্মোচন করেছেন । ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের নায়ক একজন স্কুলশিক্ষক নাম আরেফ আলী, ঔপন্যাসিক তাকে যুবক শিক্ষক বলে বারবার অভিহিত করেছেন। তাঁর এক মহৎ সাহিত্য কর্ম ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের সার্থক উপন্যাস। উপন্যাসের কাহিনি ও চরিত্রের মধ্যে কাব্যের বৈশিষ্ট্য দানকরে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটিকে একটি সার্থক শিল্পসুন্দর উপন্যাস হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
নন্দিত ঔপন্যাসিক হূমায়ূন আহমেদ- এর 'দেয়াল'-
Correct Answer:
ক: একটি রাজনৈতিক উপন্যাস
Explanation:
নন্দিত ঔপন্যাসিক হূমায়ূন আহমেদ- এর 'দেয়াল'- সঠিক উত্তর একটি রাজনৈতিক উপন্যাস নন্দিত ঔপন্যাসিক হূমায়ূন আহমেদ - এর 'দেয়াল' - একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। 'দেয়াল' উপন্যাসটি লেখক হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিত্তিক উপন্যাস। এটি তার রচিত সর্বশেষ উপন্যাস যা তার মৃত্যুর ১ বছর পর গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হবার পূর্বেই এই উপন্যাস নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় এবং তা আদালত পর্যন্তও গড়ায়। হাইকোর্টের পরামর্শানুযায়ী লেখক উপন্যাসটির প্রথম প্রকাশিত রূপের পরিবর্তন সাধন করেন। এই উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানতম রাজনৈতিক চরিত্র এবং ঘটনাবলি লেখক নিজ ভাষা ও কল্পনাপ্রসূত ঢঙে চিত্রায়িত করেছেন।
কোন গ্রস্থটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: পথের দাবী
Explanation:
কোন গ্রস্থটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল? সঠিক উত্তর পথের দাবী পথের দাবী গ্রস্থটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এক অসাধারণ বিপ্লবী সব্যসাচী ও তার সাথীদের সংগ্রামের কাহিনী নিয়ে ব্রিটিশ শাসনামলে লিখিত একটি সাহসী উপন্যাস। যেটি ব্রিটিশ শাসিত ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছিল।
"A search for identity"- বইটি কার লেখা?
Correct Answer:
খ: মেজর আব্দুল জলিল
Explanation:
"A search for identity"- বইটি কার লেখা? সঠিক উত্তর মেজর আব্দুল জলিল এম এ জলিল যিনি মেজর জলিল নামেই বেশি পরিচিত, বাংলাদেশের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ছিলেন একজন রাজনীতিক ও সামরিক কর্মকর্তা৷ তিনি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ৯নং সেক্টরে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থ: i. সীমাহীন সময় (১৯৭৬) ii. দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনদর্শন, সূর্যোদয় (১৯৮২) iii. অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা (১৯৮৯) iv.Bangladesh Nationalist Movement for Unity: A Historical Necessity v. A search for identity
'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী'র ভাষা-
Correct Answer:
গ: ব্রজবুলি
Explanation:
'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী'র ভাষা- সঠিক উত্তর ব্রজবুলি 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী'র ভাষা - ব্রজবুলি। ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ব্রজবুলি ভাষায় রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্রনাথ কৈশোর ও প্রথম যৌবনে "ভানুসিংহ ঠাকুর " ছদ্মনামে বৈষ্ণব কবিদের অনুকরণে কিছু পদ রচনা করেছিলেন। ১৮৮৪ সালে সেই কবিতাগুলিই ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে প্রকাশিত হয়। কবিতাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের পূর্বে বিভিন্ন সময়ে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। কবিতাগুলি রচনার ইতিহাস পরবর্তীকালে জীবনস্মৃতি গ্রন্থের ভানুসিংহের কবিতা অধ্যায় বিবৃত করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন--
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন-- সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন - - প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
জসীমউদ্দীনের নাটক--
Correct Answer:
ক: বেদের মেয়ে
Explanation:
জসীমউদ্দীনের নাটক-- সঠিক উত্তর বেদের মেয়ে জসীমউদ্দীনের নাটক - - বেদের মেয়ে। তার অন্যান্য নাটক : পদ্মাপার (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা (১৯৫১), পল্লীবধূ (১৯৫৬) গ্রামের মেয়ে (১৯৫৯) ওগো পুস্পধনু (১৯৬৮) আসমান সিংহ (১৯৮৬)।
”প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা--
Correct Answer:
ঘ: শামসুর রাহমান
Explanation:
”প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা-- সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান ”প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - - শামসুর রহমান। শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য গ্রন্থ প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন। এ কাব্যের অধিকাংশ কবিতা মুক্তিযুদ্ধকালে অবরুদ্ধ সময়ে রচিত। এ কাব্যটি ১৯৭১ সালের শহিদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়। এ গ্রন্থে ৩৮ টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’, ’স্বাধীনতা তুমি’।
”মহর্ষি” কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয়
Explanation:
”মহর্ষি” কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় ”মহর্ষি” হলো কর্মধারয় সমাস। বিশেষণ ও বিশেষ্য পদ মিলে যে সমাস হয় এবং বিশেষ্যর বা পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: মহান যে ঋষি = মহর্ষি।
'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার লেখা?
Correct Answer:
ক: মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
Explanation:
'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার লেখা? সঠিক উত্তর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত - লিখেছেন ড. মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ভারতের পশ্চিম বঙ্গের অবিভক্ত চব্বিশ পরগণা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্ম - ভাষা ও সাহিত্য, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত, বাংলা সাহিত্যের কথা ইত্যাদি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রামে কোন কথাটি লেখা থাকে ?
Correct Answer:
ঘ: শিক্ষাই আলো
Explanation:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রামে কোন কথাটি লেখা থাকে ? সঠিক উত্তর শিক্ষাই আলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রামে শিক্ষাই আলো কথাটি লেখা থাকে। বেগুনি রঙের লোগোটির তিনটি অংশ। ওপরের দিকে প্রদীপের আলো। তারও ওপরে লেখা—শিক্ষাই আলো। নিচে দুই ভাগ করে ডান পাশে একটি চোখ আর বাঁ পাশে শাপলা ফুল। চোখ এনেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আন্দোলন - সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী ছাত্র - ছাত্রীদের প্রতীক হিসেবে। চোখের মাঝখানে রেখেছি স্বরবর্ণের প্রথম অক্ষর। ফুল এসেছে সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে। শাপলা যেহেতু জাতীয় ফুল তাই অন্য ফুলের কথা ভাবিনি।
'উদ্ধতি চিহ্ন ‘ কত প্রকার ?
Correct Answer:
ক: দুই প্রকার
Explanation:
'উদ্ধতি চিহ্ন ‘ কত প্রকার ? সঠিক উত্তর দুই প্রকার উদ্ধতি চিহ্ন দুই প্রকার। যথা:( ', , , , , , , ') এবং (", , , , , , , , ") বক্তার প্রত্যক্ষ উক্তি কে (", , , , , , ") এই চিহ্নের অন্তর্ভুক্ত করতে হয়।