PRIMARY SCHOOL HEAD SCHOOL EXAMINATION (DHAKA DIVISION) MCQs
Showing 29 questions (Total: 29)
কোনটি শুদ্ধ বানান?
Correct Answer:
গ: গীতাঞ্জলি
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ বানান? সঠিক উত্তর গীতাঞ্জলি অপিনিহিতি শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ হল – ( অপি-নি-√ধা-তি) অর্থাৎ শব্দের আগে বসা বা আগে স্থাপন । শব্দ মধ্যস্থ কোনো ব্যঞ্জন ধ্বনির পর যদি ই-কার বা উ-কার থাকে তবে সেই 'ই' বা 'উ' যদি ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটায় সেটাই হল অপিনিহিতি। যেমন: আজি>আইজ; সাধু>সাউধ; রাখিয়া > রাইখ্যা, বাক্য > বাইক্য, সত্য > সইত্য, চারি > চাইর, মারি > মাইর ইত্যাদি।
কোনটি ‘আধিত্যকা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ?
Correct Answer:
ঘ: উপত্যকা
Explanation:
কোনটি ‘আধিত্যকা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ? সঠিক উত্তর উপত্যকা ‘অধিত্যকা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ উপত্যকাঅধিত্যকা /বিশেষ্য পদ/ পর্বতের উপরিস্থিত সমভূমি। বিপরীতার্থক শব্দ/ বিপরীত শব্দএকটি শব্দের বিপরীত অর্থবাচক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে । সাধারণত শব্দের শুরুতে অ, অন, অনা, অপ, অব, দূর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গগুলো যুক্ত করলে শব্দের অর্থ না - বাচক বা নিষেধবোধক অর্থে রূপান্তরিত হয় । তাই শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরিতেও এই উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - আগত – শব্দটির শুরুতে অন - উপসর্গটি যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ হল - অনাগত । আবার যে সব শব্দের শুরুতে হ্যাঁ - বোধক উপসর্গ থাকে, তাদের শুরুর সেই উপসর্গের বদলে না - বোধক উপসর্গও ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - অনুরাগ - শব্দটি রাগ - শব্দমূলের পূর্বে অনু - উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে অনু - উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে । এখন অনু - র পরিবর্তে বি - উপসর্গ ব্যবহার করলে, বিরাগ - শব্দে বি - উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, এবং শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে যায় । অর্থাৎ, ইতিবাচক অনু - উপসর্গের বদলে নেতিবাচক বি - উপসর্গের ব্যবহারে বিপরীত শব্দ গঠিত হল । তবে সাধারণত, শব্দের বিপরীত শব্দগুলো অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থবোধক হয়; না - বোধক বা নেতিবাচক হয় না । তাই, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরকম কোন নিয়ম খাটে না । বরং অর্থের দিক থেকে যথাযথ বিপরীত শব্দটিই গৃহীত হয় ।যেমন - আজ – কাল, অতীত - ভবিষ্যত, অধম - উত্তম, ইত্যাদি । কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ অ অকর্মক সকর্মক অজ্ঞ প্রাজ্ঞ অধিত্যকা উপত্যকা অক্ষম সক্ষম অতিকায় ক্ষুদ্রকায় অনন্ত সান্ত অগ্র পশ্চাৎ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি অনুকূল প্রতিকূল অগ্রজ অনুজ অতীত ভবিষ্যত অনুগ্রহ নিগ্রহ অণু বৃহৎ অদ্য কল্য অগ্রজ অনুজ অচল সচল অধঃ ঊর্ধ্ব অনুরক্ত বিরক্ত অচলায়তন সচলায়তন অধম উত্তম অনুরাগ বিরাগ অচেতন সচেতন অধমর্ণ উত্তমর্ণ অনুলোম প্রতিলোম অলীক সত্য অশন অনশন অস্তগামী উদীয়মান অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অসীম সসীম অস্তি নাস্তি/নেতি অহিংস সহিংস আ আকর্ষণ বিকর্ষণ আধার আধেয় আরোহণ অবরোহণ আকুঞ্চন প্রসারণ আপদ সম্পদ আর্দ্র শুষ্ক আগত অনাগত আবশ্যক অনাবশ্যক আর্য অনার্য আগমন প্রস্থান আবশ্যিক ঐচ্ছিক আলস্য শ্রম আজ কাল আবাদি অনাবাদি আলো আঁধার আত্ম পর আবাহন বিসর্জন আশীর্বাদ অভিশাপ আত্মীয় অনাত্মীয় আবির্ভাব তিরোভাব আসক্ত নিরাসক্ত আদি অন্ত আবির্ভূত তিরোহিত আসামি ফরিয়াদী আদিম অন্তিম আবিল অনাবিল আস্তিক নাস্তিক আদ্য অন্ত্য আবৃত উন্মুক্ত আস্থা অনাস্থা ই ইচ্ছুক অনিচ্ছুক ইদানীন্তন তদানীন্তন ইহকাল পরকাল ইতর ভদ্র ইষ্ট অনিষ্ট ইহলোক পরলোক ইতিবাচক নেতিবাচক ইহলৌকিক পারলৌকিক ঈ ঈদৃশ তাদৃশ ঈষৎ অধিক উ উক্ত অনুক্ত উত্তরায়ণ দক্ষিণায়ন উন্নত অবনত উগ্র সৌম্য উত্তাপ শৈত্য উন্নতি অবনতি উচ্চ নীচ উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ণ উন্নীত অবনমিত উজান ভাটি উত্থান পতন উন্নয়ন অবনমন উঠতি পড়তি উত্থিত পতিত উন্মুখ বিমুখ উঠন্ত পড়ন্ত উদয় অস্ত উন্মীলন নিমীলন উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট উদ্ধত বিনীত/ নম্র উপকর্ষ অপকর্ষ উৎকর্ষ অপকর্ষ উদ্বৃত্ত ঘাটতি উপচয় অপচয় উৎরাই চড়াই উদ্যত বিরত উপকারী অপকারী উত্তম অধম উদ্যম বিরাম উপকারিতা অপকারিতা উত্তমর্ণ অধমর্ণ উর্বর ঊষর উপচিকীর্ষা অপচিকীর্ষা উত্তর দক্ষিণ উষ্ণ শীতল ঊ ঊর্ধ্ব অধঃ ঊর্ধ্বগতি অধোগতি ঊষা সন্ধ্যা ঊর্ধ্বতন অধস্তন ঊর্ধ্বগামী অধোগামী ঊষর উর্বর ঋ ঋজু বক্র এ একান্ন পৃথগান্ন একাল সেকাল একূল ওকূল এখন তখন ঐ ঐকমত্য মতভেদ ঐশ্বর্য দারিদ্র্য ঐহিক পারত্রিক ঐক্য অনৈক্য ও ওস্তাদ সাকরেদ ঔ ঔদার্য কার্পণ্য ঔচিত্য অনৌচিত্য ঔজ্জ্বল্য ম্লানিমা ঔদ্ধত্য বিনয় ক কচি ঝুনা কুৎসিত সুন্দর কৃশাঙ্গী স্থূলাঙ্গী কদাচার সদাচার কুফল সুফল কৃষ্ণ শুভ্র/গৌর কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ কুবুদ্ধি সুবুদ্ধি কৃষ্ণাঙ্গ শ্বেতাঙ্গ কপট সরল/অকপট কুমেরু সুমেরু কোমল কঠিন কপটতা সরলতা কুরুচি সুরুচি ক্রন্দন হাস্য কর্মঠ অকর্মণ্য কুলীন অন্ত্যজ ক্রোধ প্রীতি কল্পনা বাস্তব কুশাসন সুশাসন ক্ষণস্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী কাপুরুষ বীরপুরুষ কুশিক্ষা সুশিক্ষা ক্ষীপ্র মন্থর কুঞ্চন প্রসারণ কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ/ কৃতঘ্ন ক্ষীয়মান বর্ধমান কুটিল সরল কৃপণ বদান্য কুৎসা প্রশংসা কৃশ স্থূল খ খ্যাত অখ্যাত খুচরা পাইকারি খেদ হর্ষ খ্যাতি অখ্যাতি গ গঞ্জনা প্রশংসা গূঢ় ব্যক্ত গৌণ মুখ্য গতি স্থিতি গুপ্ত প্রকাশিত গৌরব অগৌরব গদ্য পদ্য গৃহী সন্ন্যাসী গ্রামীণ নাগরিক গণ্য নগণ্য গ্রহণ বর্জন গ্রাম্য শহুরে গরল অমৃত গৃহীত বর্জিত গ্রাহ্য অগ্রাহ্য গরিমা লঘিমা গেঁয়ো শহুরে গরিষ্ঠ লঘিষ্ঠ গোপন প্রকাশ ঘ ঘাটতি বাড়তি ঘাত প্রতিঘাত ঘৃণা শ্রদ্ধা চ চক্ষুষ্মান অন্ধ চল অচল চিরায়ত সাময়িক চঞ্চল স্থির চলিত অচলিত/সাধু চ্যূত অচ্যূত চড়াই উৎরাই চিন্তনীয় অচিন্ত্য/অচিন্তনীয় চতুর নির্বোধ চুনোপুটি রুই - কাতলা ছ ছটফটে শান্ত জ জঙ্গম স্থাবর জল স্থল জোড় বিজোড় জড় চেতন জলে স্থলে জোয়ার ভাটা জটিল সরল জলচর স্থলচর জ্যোৎস্না অমাবস্যা জনাকীর্ণ জনবিরল জাতীয় বিজাতীয় জ্ঞাত অজ্ঞাত জন্ম মৃত্যু জাল আসল জ্ঞানী মূর্খ জমা খরচ জিন্দা মুর্দা জ্ঞেয় অজ্ঞেয় জরিমানা বকশিশ জীবন মরণ জ্যেষ্ঠা কনিষ্ঠা জাগ্রত ঘুমন্ত/সুপ্ত জীবিত মৃত জাগরণ ঘুম/সুপ্ত জৈব অজৈব ঠ ঠুনকো মজবুত ড ডুবন্ত ভাসন্ত ত তদীয় মদীয় তারুণ্য বার্ধক্য তীক্ষ্ণ স্থূল তন্ময় মন্ময় তিমির আলোক তীব্র মৃদু তস্কর সাধু তিরস্কার পুরস্কার তুষ্ট রুষ্ট তাপ শৈত্য তীর্যক ঋজু ত্বরিত শ্লথ দ দক্ষিণ বাম দুর্জন সুজন দৃঢ় শিথিল দণ্ড পুরস্কার দুর্দিন সুদিন দৃশ্য অদৃশ্য দাতা গ্রহীতা দুর্নাম সুনাম দেনা পাওনা দিবস রজনী দুর্বুদ্ধি সুবুদ্ধি দেশী বিদেশী দিবা নিশি/রাত্রি দুর্ভাগ্য সৌভাগ্য দোষ গুণ দিবাকর নিশাকর দুর্মতি সুমতি দোষী নির্দোষ দীর্ঘ হ্রস্ব দুর্লভ সুলভ দোস্ত দুশমন দীর্ঘায়ু স্বল্পায়ু দুষ্কৃতি সুকৃতি দ্বিধা নির্দ্বিধা/ দ্বিধাহীন দুঃশীল সুশীল দুষ্ট শিষ্ট দ্বৈত অদ্বৈত দুরন্ত শান্ত দূর নিকট দ্যুলোক ভূলোক দুর্গম সুগম দ্রুত মন্থর ধ ধনাত্মক ঋণাত্মক ধারালো ভোঁতা ধূর্ত বোকা ধনী নির্ধন/দরিদ্র ধামির্ক অধার্মিক ধৃত মুক্ত ধবল শ্যামল ন নতুন পুরাতন নিন্দা জাগরণ নির্মল মলিন নবীন নিন্দিত নিয়োগ বরখাস্ত নির্লজ্জ সলজ্জ নবীন প্রবীণ নিরক্ষর সাক্ষর নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তা নর নারী নিরবলম্ব স্বাবলম্ব নীরস সরস নশ্বর অবিনশ্বর নিরস্ত্র সশস্ত্র নিশ্চেষ্ট সচেষ্ট নাবালক সাবালক নিরাকার সাকার নৈঃশব্দ্য সশব্দ নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নির্দয় সদয় নৈতিকতা অনৈতিকতা নিকৃষ্ট উৎকৃষ্ট নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট নৈসর্গিক কৃত্তিম নিত্য অনিত্য নির্দেশক অনির্দেশক ন্যায় অন্যায় ন্যূন অধিক প পক্ষ বিপক্ষ পূণ্যবান পূণ্যহীন প্রফুল্ল ম্লান পটু অপটু পুরস্কার তিরস্কার প্রবীণ নবীন পণ্ডিত মূর্খ পুষ্ট ক্ষীণ প্রবেশ প্রস্থান পতন উত্থান পূর্ণিমা অমাবস্যা প্রভু ভৃত্য পথ বিপথ পূর্ব পশ্চিম প্রশ্বাস নিঃশ্বাস পবিত্র অপবিত্র পূর্ববর্তী পরবর্তী প্রসন্ন বিষণ্ণ পরকীয় স্বকীয় পূর্বসূরী উত্তরসূরী প্রসারণ সংকোচন/আকুঞ্চন পরার্থ স্বার্থ পূর্বাহ্ণ অপরাহ্ণ প্রাচ্য প্রতীচ্য পরিকল্পিত অপরিকল্পিত প্রকাশিত অপ্রকাশিত প্রাচীন অর্বাচীন পরিশোধিত অপরিশোধিত প্রকাশ গোপন প্রতিকূল অনুকূল পরিশ্রমী অলস প্রকাশ্যে নেপথ্যে প্রায়শ কদাচিৎ পাপ পূণ্য প্রজ্জ্বলন নির্বাপণ প্রারম্ভ শেষ পাপী নিষ্পাপ প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রীতিকর অপ্রীতিকর পার্থিব অপার্থিব প্রধান অপ্রধান ফ ফলন্ত/ফলনশীল নিস্ফলা ফলবান নিস্ফল ফাঁপা নিরেট ব বক্তা শ্রোতা বাধ্য অবাধ্য বিফল সফল বন্দনা গঞ্জনা বামপন্থী ডানপন্থী বিফলতা সফলতা বন্দী মুক্ত বাস্তব কল্পনা বিবাদ সুবাদ বদ্ধ মুক্ত বাল্য বার্ধক্য বিয়োগান্ত মিলনান্ত বন্ধন মুক্তি বাহুল্য স্বল্পতা বিয়োগান্তক মিলনান্তক বন্ধুর মসৃণ বাহ্য আভ্যন্তর বিরহ মিলন বন্য পোষা বিজেতা বিজিত বিলম্বিত দ্রুত বয়োজ্যেষ্ঠ বয়োকনিষ্ঠ বিদ্বান মূর্খ বিষাদ আনন্দ/ হর্ষ বরখাস্ত বহাল বিধর্মী স্বধর্মী বিস্তৃত সংক্ষিপ্ত বর্ধমান ক্ষীয়মান বিনয় ঔদ্ধত্য ব্যক্ত গুপ্ত বর্ধিষ্ণু ক্ষয়িষ্ণু বিনীত উদ্ধত ব্যর্থ সার্থক বহির্ভূত অন্তর্ভূক্ত বিপন্ন নিরাপদ ব্যর্থতা সার্থকতা বাদি বিবাদি বিপন্নতা নিরাপত্তা ব্যষ্টি সমষ্টি ভ ভক্তি অভক্তি ভাটা জোয়ার ভূত ভবিষ্যত ভদ্র ইতর ভাসা ডোবা ভূমিকা উপসংহার ভীরু নির্ভীক ভোগ ত্যাগ ভেদ অভেদ ম মঙ্গল অমঙ্গল মহাত্মা দুরাত্মা মুক্ত বন্দী মঞ্জুর নামঞ্জুর মানানসই বেমানান মুখ্য গৌণ মতৈক্য মতানৈক্য মান্য অমান্য মূর্খ জ্ঞানী মসৃণ খসখসে মিতব্যয়ী অমিতব্যয়ী মূর্ত বিমূর্ত মহৎ নীচ মিথ্যা সত্য মৌখিক লিখিত মহাজন খাতক মিলন বিরহ মৌলিক যৌগিক য যত্ন অযত্ন যুদ্ধ শান্তি যৌথ একক যশ অপযশ যোগ বিয়োগ যৌবন বার্ধক্য যুক্ত বিযুক্ত যোগ্য অযোগ্য যুগল একক যোজন বিয়োজন র রক্ষক ভক্ষক রাজি নারাজ রোদ বৃষ্টি রমণীয় কুৎসিত রুগ্ন সুস্থ রোগী নিরোগ রসিক বেরসিক রুদ্ধ মুক্ত রাজা প্রজা রুষ্ট তুষ্ট ল লঘিষ্ঠ গরিষ্ঠ লাজুক নির্লজ্জ লেন দেন লঘু গুরু লেজ মাথা লেনা দেনা লব হর লৌকিক অলৌকিক শ শঠ সাধু শিষ্ট অশিষ্ট শুষ্ক সিক্ত শঠতা সাধুতা শিষ্য গুরু শূণ্য পূর্ণ শায়িত উত্থিত শীত গ্রীষ্ম শোভন অশোভন শয়ন উত্থান শীতল উষ্ণ শ্বাস প্রশ্বাস শারীরিক মানসিক শুক্লপক্ষ কৃষ্ণপক্ষ শ্রী বিশ্রী শালীন অশালীন শুচি অশুচি শ্লীল অশ্লীল শাসক শাসিত শুদ্ধ অশুদ্ধ শিক্ষক ছাত্র শুভ্র কৃষ্ণ স সংকীর্ণ প্রশস্ত সদৃশ বিসদৃশ সাহসিকতা ভীরুতা সংকোচন প্রসারণ সধবা বিধবা সিক্ত শুষ্ক সংকুচিত প্রসারিত সন্ধি বিগ্রহ সুকৃতি দুষ্কৃতি সংক্ষিপ্ত বিস্তৃত সন্নিধান ব্যবধান সুগম দুর্গম সংক্ষেপ বিস্তার সফল বিফল সুন্দর কুৎসিত সংক্ষেপিত বিস্তারিত সবল দুর্বল সুদর্শন কুদর্শন সংগত অসংগত সবাক নির্বাক সুধা জাগ্রত সংযত অসংযত সমতল অসমতল সুপ্ত জাগ্রত সংযুক্ত বিযুক্ত সমষ্টি ব্যষ্টি সুয়ো দুয়ো সংযোগ বিয়োগ সমাপিকা অসমাপিকা সুশীল দুঃশীল সংযোজন বিয়োজন সমাপ্ত আরম্ভ সুশ্রী কুশ্রী সংশ্লিষ্ট বিশ্লিষ্ট সম্পদ বিপদ সুষম অসম সংশ্লেষণ বিশ্লেষণ সম্প্রসারণ সংকোচন সুসহ দুঃসহ সংহত বিভক্ত সম্মুখ পশ্চাত সুস্থ দুস্থ সংহতি বিভক্তি সরব নিরব সূক্ষ্ম স্থূল সকর্মক অকর্মক সরল কুটিল/জটিল সৃষ্টি ধ্বংস সকাল বিকাল সশস্ত্র নিরস্ত্র সৌখিন পেশাদার সক্রিয় নিষ্ক্রিয় সস্তা আক্রা সৌভাগ্যবান দুর্ভাগ্যবান/ভাগ্যহত সক্ষম অক্ষম সসীম অসীম স্তুতি নিন্দা সচল নিশ্চল সহযোগ অসহযোগ স্তাবক নিন্দুক সচেতন অচেতন সহিষ্ণু অসহিষ্ণু স্থাবর জঙ্গম সচেষ্ট নিশ্চেষ্ট সাঁঝ সকাল স্থলভাগ জলভাগ সচ্চরিত্র দুশ্চরিত্র সাকার নিরাকার স্নিগ্ধ রুক্ষ সজাগ নিদ্রিত সাক্ষর নিরক্ষর স্বনামী বেনামী সজ্জন দুর্জন সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য স্বর্গ নরক সজ্ঞান অজ্ঞান সাফল্য ব্যর্থতা স্বাতন্ত্র্য সাধারণত্ব সঞ্চয় অপচয় সাবালক নাবালক স্বাধীন পরাধীন সতী অসতী সাবালিকা নাবালিকা স্বার্থপর পরার্থপর সত্বর ধীর সাম্য বৈষম্য স্মৃতি বিস্মৃতি সদয় নির্দয় সার অসার স্থির অস্থির সদর অন্দর সার্থক নিরর্থক সদাচার কদাচার সাহসী ভীরু হ হরণ পূরণ হাল সাবেক হৃদ্যতা শত্রুতা হর্ষ বিষাদ হালকা ভারি হ্রস্ব দীর্ঘ হাজির গরহাজির হিত অহিত হ্রাস বৃদ্ধি হার জিত হিসেবি বেহিসেবি
কোনটি ‘উচ্ছাস’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
খ: পুলক
Explanation:
কোনটি ‘উচ্ছাস’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়? সঠিক উত্তর পুলক ‘উচ্ছাস’ শব্দের প্রতিশব্দ উচ্ছলতা প্রাণপ্রাচুর্য প্রাণাবেগ স্ফীতি স্ফূর্তি বিকাশ উল্লাস স্ফুরণ উদ্দামতাসমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ এবং বাক্যে প্রয়োগসমার্থক বলতে সমান অর্থকে বুঝায়। অর্থাৎ সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো অনুরূপ বা সম অর্থবোধক শব্দ। যে শব্দ অন্য কোন শব্দের একই অর্থ কিংবা প্রায় সমান অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। সমার্থক শব্দের একটিকে অন্যটির প্রতিশব্দ বলা হয়। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় Synonym.উদাহরণ:অশ্রু: চোখের জল, নেত্রবারি, ধারাপাত, বর্ষণ।অপচয়: অপব্যয়, বৃথাব্যয়, ক্ষতি, ক্ষয়, হ্রাস।অগ্নি: আগুন, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, অনল, দহন, শিখা, সর্বভুক, কৃশানু, বৈশ্বানর।সমার্থক শব্দের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:মনের ভাব যথাযথভাবে প্রকাশ করতে হলে আমাদের অবশই সমার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। তাই সমার্থক বা প্রতিশব্দের ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে: প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে। গুরুচন্ডালি দোষমুক্তির প্রয়োজনে সমার্থক শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। গাম্ভীর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান - যথাযথ প্রতিশব্দ বা সমার্থক ছাড়া সম্ভব নয়। মনের ভাব প্রকাশের কাজকে সহজ করে দেয়। ভাষাশৈলীর অবয়ব গঠনকে বলিষ্ঠ করে। বাক্য বিন্যাসের ক্ষেত্রে মাধুর্য আনয়ন করে। সৃজনশীল সাহিত্য সৃষ্টি করে। প্রতিশব্দ ভাষার সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার প্রাণ। কবিতার উপমা, শব্দ চয়ন ও ভাষার আতিশয্যে গাম্ভীর্যের বিকাশ ঘটায়। মননশীল সাহিত্য সৃষ্টি ও আধুনিক ধারা বিকাশে সহায়ক।সমার্থক শব্দ ও প্রতিশব্দের বাক্যে প্রয়োগ: অগ্নি সমার্থক শব্দ অনল = ’আমি সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল।’ আগুন = মনের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। সর্বভুক = সর্বভুক আমাদের নিঃস্ব করে দিল। শিখা = জ্বেলে দে তোর বিজয় শিখা। দহন = দহনে পুড়িল হৃদয় দেখিল না কেউ।আকাশ সমার্থক শব্দ আসমান = ‘নীল সিয়া আসমান লালে লাল দুনিয়া।’ গগন = গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা। নভোঃ = মহাকাশচারীরা ঐ দূর নভেঃ ছুটে চলে। অন্তরীক্ষ = অন্তরীক্ষে শুনি কার বাণী। অম্বর = অম্বরে এখন মেঘের ঘনঘটা।ইচ্ছা সমার্থক শব্দ অভিপ্রায় = তোমাকে দেখার অভিপ্রায়ে গিয়েছিনু সন্দ্বীপ। বাসনা = এ জীবনে অনেক বাসনাই অপূর্ণ রয়ে গেল। সাধ = বড় সাধ জাগে একবার তোমায় দেখি। আগ্রহ = পড়াশোনায় ছেলেটির মোটেই আগ্রহ নেই। অভিরুচি = মাংসের প্রতি তার অভিরুচি নেই।ঈশ্বর সমার্থক শব্দ আল্লাহ = আল্লাহ তোমায় দীর্ঘজীবী করুন। খোদা = খোদা তোমার সহায় হোন। বিধাতা = এই পৃথিবীতে বিধাতা অসংখ্য প্রাণী সৃষ্টি করেছেন। ভগবান = হে ভগবান রেখ মোর মিনতি। স্রষ্টা = স্রষ্টার সৃষ্টি রহস্য বোঝা বড় দায়।উত্তম সমার্থক শব্দ উৎকৃষ্ট = ব্যাকরণ বইটি নিঃসন্দেহে উৎকৃষ্ট মানের। ভালো = জব্বার সাহেব বড় ভালো মানুষ ছিলেন। উপাদেয় = শিশুদের বৃদ্ধির জন্য উপাদেয় খাবার দরকার। শ্রেষ্ট = ‘গীতাঞ্জলি’ রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ট কাব্যগ্রন্থ। বরেণ্য = শামসুর রহমান দেশবরেণ্য কবি।কলহ সমার্থক শব্দ ঝগড়া = ঝগড়া করা গর্হিত কাজ। বিবাদ = ছাত্রদের বিবাদ মেটাতে প্রধান শিক্ষক এগিয়ে এলেন। বিরোধ = দুই নেত্রীর বিরোধ ক্রমশই ধ্বংসাত্নক রুপ নিচ্ছে। কোন্দল = অভ্যন্তরীন কোন্দল দলের ভিতকে দুর্বল করে তোলে। দ্বন্দ = কাদম্বিনী ও হেমাঙ্গিনীর মধ্যকার দন্দ্ব ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকল।কুল সমার্থক শব্দ বংশ = পাত্রের অজস্র টাকা - পয়সা থাকলেও বংশ মর্যাদা ভাল নয়। গোত্র = গোত্রপ্রীতি প্রাক - ইসলামি যুগে আরবদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। কৌলীন্য = হিন্দুদের কৌলীন্য প্রথা এ যুগে অচলপ্রায়। আভিজাত্য = করিম সাহেবের আভিজাত্যবোধ বলতে কিছু নেই। জাতি = বাঙালিরা বীরের জাতি।গৃহ সমার্থক শব্দ ঘর = আমার এ ঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর। আবাস = পৃথিবী মানুষের জন্য স্থায়ী আবাস নয়। নিকেতন = রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত শান্তি নিকেতন একটি প্রসিদ্ধ স্থান। সদন = মাতৃসদন ছেড়ে তখন তারা রাস্তায় নামল। ধাম = এ ধরাধাম ছেড়ে একদিন সকলকেই চলে যেতে হবে।চন্দ্র সমার্থক শব্দ শশী = চেয়ে দেখ পূর্বাকাশে পূর্ণিমার শশী। চাঁদ = মেঘের আড়ালে চাঁদ লুকোচুরি খেলছে। সুধাকর = এই নিশীথে সুধাকর জেগে আছে। নিশাপতি = নিশাপতি তুমি কেন এতই শোভন। চন্দ্রিমা = হে চন্দ্রিমা এই রাতের সাক্ষী থেকো ।জল সমার্থক শব্দ পানি = এখন বর্ষাকাল, চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। বারি = বর্ষার বারি ধারার সাথে সাথে নদ - নদী খরবেগে প্রবাহিত হয়। সলিল = লঞ্চডুবিতে প্রায় চারশ লোকের সলিল সমাধি হলো। পয়ঃ = এই শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভাল না। নীর = কৃষ্ণ চলে যাওয়ায় রাধা নীরে ভেসে চলেছে ।ধন সমার্থক শব্দ অর্থ = অর্থ সকল অনর্থের মূল। দৌলত = দৌলতের মোহ কজনে ত্যাগ করতে পারে? টাকাকড়ি = চাই না আমি টাকাকড়ি, দাও শুধু সুখ। সম্পদ = দুটি হালের গরু, বিঘা তিনেক জমি এই তার সম্পদ। বিত্ত = বিত্তের মোহ লোকটিকে অন্ধ করে রেখেছে।পর্বত সমার্থক শব্দ পাহাড় = জীবন চলার পথে শত বাধার পাহাড় অতিক্রম করতে হয়। গিরি = দুর্গম গিরি পথ অতিক্রম করে আমরা তিব্বত পৌঁছালাম। শৈল = মহাপ্রলয়ের সময় শৈলসমূহ তুলার ন্যায় উড়তে থাকবে। ভূধর = ভূধর ফেটে উঠবে জল, ঘর বাড়ি সব করবে তল। অচল = অচল শিখর ছোট নদীটিরে চিরদিন রাখে স্মরণে।পৃথিবী সমার্থক শব্দ ধরা = প্রাচুর্যের দম্ভে অনেকেই ধরাকে সরাজ্ঞান করে। বিশ্ব = বাংলা ভাষার খ্যাতি এখন বিশ্বময়। বসুমতি = ‘বসুমতি কেন তুমি এতই কৃপণা?’ ধরণী = হযরত মুহাম্মদ (স) এই ধুলার ধরণীতে জম্ন নিয়েছিলেন। ভুবন = ’মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।’মৃত্যু সমার্থক শব্দ মরণ = মরণ আমায় ডাক দিয়েছে যেতে হবে ভাই। নিপাত = সন্ত্রাসী নিপাত যাক। নিধন = বর্বর পাকবাহিনীরা নিরস্ত্র বাঙালিদের নির্বিচারে নিধন করেছে। চিরবিদায় = সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন আমাদের সবাইকে চিরবিদায় নিতে হবে। পরলোকগমন = কবি নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালে পরলোকগমন করেন।সমুদ্র সমার্থক শব্দ সিন্ধু = ঐ মহাসিন্ধুর ওপার থেকে কি সুর যে ভেসে আসে। সাগর = ‘দেখবে তোমার কিস্তি আবার ভেসেছে সাগর জলে। পারাবার = কেমনে লঙিঘব আমি মহা পারাবার। জলধি = জলধির রাশি রাশি ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। পাথার = এই মহা পাথার একদিন আমরা পার হবই।সূর্য সমার্থক শব্দ দিনমণি = দিনমণি ডুবে গেল মেঘের আড়ালে। রবি = সকালে সোনার রবি পূর্ব দিকে ওঠে । প্রভাকর = প্রভাকর দেয় আলো দিনমান ভরে। ভানু = তেজোদীপ্ত ভানুর আলো কৃমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। ভাস্কর = পূর্বাকাশে উঠেছে ভাস্কর চেয়ে দেখ ঐ ।
‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
ক: দুইবোন
Explanation:
‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের নায়িকা? সঠিক উত্তর দুইবোন ‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত দুইবোন উপন্যাসের নায়িকা ।রবীন্দ্রনাথের চোখে নারী যেমন সবসময় অনন্য মর্যাদায় উন্নীত, তেমনি তাঁর সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষনশীল দৃষ্টিশক্তিও নারীকে বিচার করেছে নিজস্ব মহিমায়;"দুই বোন" উপন্যাসটিতে তারই প্রতিফলন সুস্পষ্ট। লেখক নারীকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন যে নারী জাতি দুপ্রকারের - এক হল মায়ের জাত আর অপরটি প্রিয়ার জাত। শর্মিলা আর ঊর্মিমালা কে নিয়ে উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। ঋতুর সাথেও নারীকে তুলনা করে লেখক বলেছেন যে যে মায়ের জাত সে হল বর্ষা ঋতু আর প্রিয়ার জাত হল বসন্ত ঋতু। পারিবারিক আধারে আপন মনঃস্তত্ব জাহির করেছেন লেখক।
কোনো স্থানের সময় সকাল ১১টা হলে তার ৬ ডিগ্রি পশ্চিমের স্থানে সময় হবে-
Correct Answer:
গ: ১০টা ৩৬ মিনিট
Explanation:
কোনো স্থানের সময় সকাল ১১টা হলে তার ৬ ডিগ্রি পশ্চিমের স্থানে সময় হবে- সঠিক উত্তর ১০টা ৩৬ মিনিট কোনো স্থানের সময় সকাল ১১ টা হলে তার ৬° পশ্চিমের স্থানে সময় হবে ১০টা বেজে ৩৬ মিনিট। আমরা জানি, ১° এর ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট। তাহলে ৬° এর ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য হবে (৬×৪) = ২৪ মিনিট। যেহেতু ৬° পশ্চিমে তাই সময় হবে (১১ টা থেকে ২৪ মিনিট বাদ), অর্থাৎ ১০ টা বেজে ৩৬ মিনিট।
কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে-
Correct Answer:
ক: কালো দেখায়
Explanation:
কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে- সঠিক উত্তর কালো দেখায় দৃশ্যমান আলো আসলে বিভিন্ন বর্ণের মিশ্রণ। প্রত্যেক বর্ণের নিজস্ব নিজস্ব তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ফ্রিকুয়েন্সী থাকে। মানুষের দৃশ্যমান আলো শুরু লাল, কমলা থেকে এবং শেষ হয় বেগুনীতে। একটা বস্তু যখন কোনো তরঙ্গকে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে এবং বস্তুটিকে আমরা সেই তরঙ্গের বর্ণেরই মনে করি। কোনো বস্তু কী রঙ দেখাবে সেটা বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম অর্থাত্ তরঙ্গগুলিকে শোষণ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আলোক তরঙ্গের মিশ্রণ থেকে কিছু তরঙ্গ কে শোষণ এবং কিছু তরঙ্গ কে প্রতিফলিত করার জন্য প্রতিটি বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম আছে। যখন কোন বস্তুর উপর আলো পড়ে তখন সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। বস্তুটি আলোর তরঙ্গ - মিশ্রণের থেকে বেশ কিছু বা প্রায় সব তরঙ্গই শোষণ করে নিতে পারে। কখনও কখনও আবার শোষণ না করে সমস্ত রঙের তরঙ্গগুলিকেই প্রতিফলিত করে দিতে পারে। বস্তু যখন কোনো তরঙ্গ কে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে।
‘জাতীয় পরিবেশ নীতি’ কবে ঘোষণা করা হয়?
Correct Answer:
ক: ১৯৯২ সালে
Explanation:
‘জাতীয় পরিবেশ নীতি’ কবে ঘোষণা করা হয়? সঠিক উত্তর ১৯৯২ সালে ‘জাতীয় পরিবেশ নীতি’ ঘোষণা করা হয় ১৯৯২ সালে। বাংলাদেশে পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো তদারকির জন্য ১৯৮৯ সালে পরিবেশ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। ১৯৯২ সালে জাতীয় পরিবেশ নীতি প্রণীত হয় এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ বিধিবদ্ধ করার মাধ্যমে পুরনো আইন সংশোধন করা হয়। এক সমীক্ষা অনুযায়ী, বাংলাদেশে অদ্যাবধি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে পরিবেশ সম্পর্কিত প্রায় ১৮৫টি আইন রয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ পরিবেশ আদালত আইন ২০০০ পরিবেশ নীতি ১৯৯৯
বাংলাদেশে উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
Correct Answer:
খ: ৪টি
Explanation:
বাংলাদেশে উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি? সঠিক উত্তর ৪টি বাংলাদেশে উপগ্রহ ভূ - কেন্দ্রের সংখ্যা ৪টি। বাংলাদেশে ভূ - উপগ্রহ কেন্দ্র আছে - ৪টি (বেতবুনিয়া, তালিবাবাদ, মহাখালী, সিলেট)
সমস্যা সমাধানের জন্যে বিশেষ অনুক্রমে সাজানো কম্পিউটার নির্দেশকে বলা হয়-
Correct Answer:
গ: প্রোগ্রাম
Explanation:
সমস্যা সমাধানের জন্যে বিশেষ অনুক্রমে সাজানো কম্পিউটার নির্দেশকে বলা হয়- সঠিক উত্তর প্রোগ্রাম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হচ্ছে কম্পিউটারের জন্য তৈরীকৃত নির্দেশমালা। [ কম্পিউটার এই নির্দেশগুলোই নির্বাহ বা সম্পাদনা করে। কম্পিউটার প্রোগ্রামারগন প্রোগ্রাম লিখে থাকেন। প্রোগ্রাম লেখা হয় প্রোগ্রামিং ভাষায়।
বাংলার দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষকে পর্তুগীজ ও মগ জলদস্যুদের অত্যাচার থেকে কে রক্ষা করেন?
Correct Answer:
গ: শায়েস্তা খান
Explanation:
বাংলার দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষকে পর্তুগীজ ও মগ জলদস্যুদের অত্যাচার থেকে কে রক্ষা করেন? সঠিক উত্তর শায়েস্তা খান বাংলার দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষকে পর্তুগীজ ও মগ জলদস্যুদের অত্যাচার থেকে রক্ষা করেন - শায়েস্তা খান। বাংলায় আগমনের ফলে শায়েস্তা খাঁকে দুর পাহাড়ী বিদ্রোহী উপজাতীয়দের দমন করতে দেখা যায়। শায়েস্তা খা আরাকান রাজাকে প্রচণ্ড হুমকি হিসেবে গণ্য করেছিলেন কেননা তারা সেনা ও নৌ শক্তিতে সমৃদ্ধ ছিল। তিনি তৎক্ষণাত মুঘল নৌ - বাহিনীর উন্নয়ন শুরু করেন। এক বছরে নৌ - বহরের সংখ্যা প্রায় ৩০০ পৌছে। তিনি ডাচ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি ও সেই সাথে পর্তুগালের সমর্থন অর্জনের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালান। ডাচ্ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় শায়েস্তা খাঁ আরাকানদের দখলে থাকা সন্দ্বীপ আক্রমণে মুঘলদের নেতৃত্ব দেন। আরাকান ও পর্তুগিজদের মধ্যস্থ দ্বন্দ্বের ফলশ্রুতিতে শায়েস্তা খাঁ এক উল্লেখযোগ্য সুবিধা লাভ করেন।
বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের তার ঝুলিয়ে টানা হয়, কারণ-
Correct Answer:
গ: শীতকালে ঠাণ্ডায় তার সঙ্কুচিত হয়
Explanation:
বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের তার ঝুলিয়ে টানা হয়, কারণ- সঠিক উত্তর শীতকালে ঠাণ্ডায় তার সঙ্কুচিত হয় বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের তার ঝুলিয়ে টানা হয়, কারণ - শীতকালে ঠাণ্ডায় তার সঙ্কুচিত হয়।
নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন ?
Correct Answer:
খ: লোহায় মরিচা ধরা
Explanation:
নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন ? সঠিক উত্তর লোহায় মরিচা ধরা লোহায় মরিচা ধরা রাসায়নিক পরিবর্তন। দুধ থেকে দই নির্ধারণের একটি পরিবর্তন. কখনও কখনও দুধ হয়ে চুকা. দুধ এর Souring একটি রাসায়নিক পরিবর্তন. টানা রবার ব্যান্ড আরো একটি পরিবর্তন প্রতিনিধিত্ব করে.
বাংলাদেশে হাইড্রোজেনের উৎস হলো-
Correct Answer:
ক: প্রাকৃতিক গ্যাস ও পানি
Explanation:
বাংলাদেশে হাইড্রোজেনের উৎস হলো- সঠিক উত্তর প্রাকৃতিক গ্যাস ও পানি বানান বিশ্লেষণ: হ্ + আ + ই + ড্ + র্ + ও + জ্ + এ + ন্ + অউচ্চারণ: [হাই.ড্রো.জেন] [ɦai. ɖro.ɟen]শব্দ - উৎস: গ্রিক hudôr (পানি) + gennan (উৎপন্ন করা)>ইংরেজি Hydrogen(হাইড্রোজেন) খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে প্যারেসলাস (Paracelsus) বলেছিলেন যে, ধাতুর সাথে এ্যাসিডের বিক্রিয়ার ফলে একটি গ্যাস উৎপন্ন হয়। তবে তিনি এই গ্যাসের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানান নি। ১৭৫৩ খ্রিষ্টাব্দে হেনরী ক্যাভেণ্ডিস (Henry Cavendish) সর্বপ্রথম পরীক্ষা করে দেখেন যে, আগুনের সংস্পর্শে গ্যাসটি জ্বলে ওঠে। তাই তিনি গ্যাসটির নাম দেন—দাহ্য বায়ু (Inflammable Air) ১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে ল্যাভয়সিয়ে (Lavoisier) প্রমাণ করেন যে, হাইড্রোজেন একটি মৌলিক পদার্থ। এই গ্যাসটি বাতাসে জ্বলার কারণে পানি উৎপন্ন করে। এই কারণে তিনি এর নাম দেন পানি উৎপাদক বা হাইড্রোজেন। এর তিনটি সমাণু (Isotope) রয়েছে। এই তিনটি সমাণু হলো - H - 1, H - 2 এবং H - 3। বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাস মৌলিক ও যৌগিক উভয় রূপেই পাওয়া যায়। সাধারণভাবে বায়ুমণ্ডলের ওজনের শতকরা ১ ভাগ হাইড্রোজেন আছে। সৌরমণ্ডলে, আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত গ্যাসে, অন্যান্য প্রাকৃতিক গ্যাসের খনিতে আবদ্ধ অবস্থায় এবং বায়ুতে মৌলিক হাইড্রোজেনের অস্তিত্ব দেখা যায়। প্রকৃতিতে যৌগাবস্থায় পানি, এ্যাসিড, ক্ষার, পেট্রোলিয়াম ও অন্যান্য জৈব পদার্থে পাওয়া যায়। সাধারণ হাইড্রোজেন, দুই ধরনের হাইড্রোজেনের সংমিশ্রণে গঠিত হয়। এদের একটি অর্থো - হাইড্রোজেন, অপরটি প্যারা - হাইড্রোজেন। উল্লেখ্য, কোনো হাইড্রোজেনের অণুতে অবস্থিত প্রোটনদ্বয়ের ঘূর্ণন যদি একই দিকে হয়, তবে তখন তাকে অর্থো - হাইড্রোজেন বলে। আর যখন দুটি প্রোটনের ঘূর্ণন পরস্পরের বিপরীত দিকে হয়, তখন তাকে প্যারা - হাইড্রোজেন বলে। এই হাইড্রোজেন দুইটির রাসানিক ধর্ম একই। তবে ভৌত ধর্মে কিছু কিছু পার্থক্য দেখা যায়। তূলনামূলকভাবে অর্থো - হাইড্রোজেনের আণবিক শক্তি বেশি। যে কারণে ২৫% তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে প্যারা - হাইড্রোজেন ভেঙে যায়। কিন্তু অর্থো - হাইড্রোজেন ভাঙার জন্য ৭৫% তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রয়োজন হয়। হাইড্রোজেনের আইসোটোপ : হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে। এগুলি হলো—১. হাইড্রোজেন : এর প্রতীক H, এতে একটি প্রোটন ও একটি ইলেক্ট্রন আছে, কোনো নিউট্রন থাকে না। ২. ডিউটেরিয়াম : এর প্রতীক D, এতে একটি প্রোটন, একটি ইলেক্ট্রন ও একটি নিউট্রন থাকে। এটি বর্ণহীন, স্বাদহীন ও গন্ধহীন গ্যাস। এটি সাধারণত সাধারণ হাইড্রোজেন অপেক্ষা দ্বিগুণ ভারী হয়। ৩. ট্রিটিয়াম : এর প্রতীক T, এতে একটি প্রোটন, একটি ইলেক্ট্রনও দুটি নিউট্রন থাকে। এটি সাধারণ হাইড্রোজেন অপেক্ষা তিনগুণ ভারী।
‘বাংলা একাডেমী’ পুরস্কার কবে থেকে প্রবর্তিত হয়?
Correct Answer:
ক: ১৯৬০ সাল
Explanation:
‘বাংলা একাডেমী’ পুরস্কার কবে থেকে প্রবর্তিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৬০ সাল ‘বাংলা একাডেমী’ পুরস্কার ১৯৬০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ১৯৬০ সালে প্রবর্তিত একটি বাৎসরিক সাহিত্য পুরস্কার। বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন শাখায় বছরে ৯ জনকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বছরে ২ জনকে এই পুরস্কার প্রদানের নিয়ম করা হয়। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে চারটি শাখায় পুরস্কার দেয়া শুরু হয়। ১৯৮৫, ১৯৯৭ এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ - এই তিনবার এই পুরস্কার দেওয়া হয়নি।
কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
Correct Answer:
ঘ: ভিটামিন ‘’কে’’
Explanation:
কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে? সঠিক উত্তর ভিটামিন ‘’কে’’ ভিটামিন ‘’কে’’ রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ভিটামিন কে কাঠামোগতভাবে অনুরূপ, চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন যা খাবারে পাওয়া যার আর খাদ্যতালিকার পরিপূরকগুলিতে পাওয়া যায়। মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিনগুলির সম্পূর্ণ সংশ্লেষণের জন্য ভিটামিন কে প্রয়োজন হয় ( কোগুলেশন থেকে কে, "" জমাট "এর জন্য জার্মান) বা হাড় এবং অন্যান্য টিস্যুতে ক্যালসিয়ামের বাঁধাই নিয়ন্ত্রণের জন্য।
'He could not prevail -- you' -- বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Correct Answer:
ক: on
Explanation:
'He could not prevail -- you' -- বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে- সঠিক উত্তর on According to appropriate preposition "on " is used after "prevail".
'Lose' শব্দটির noun form হবে-
Correct Answer:
খ: Loss
Explanation:
'Lose' শব্দটির noun form হবে- সঠিক উত্তর Loss 3. 'Lose' শব্দটির noun form হবে - Loss
'Popular' শব্দটির verb form হবে-
Correct Answer:
গ: Popularise
Explanation:
'Popular' শব্দটির verb form হবে- সঠিক উত্তর Popularise 7. 'Popular' শব্দটির verb form হবে - Popularise
'The decision rests -- you' -- বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Correct Answer:
খ: on
Explanation:
'The decision rests -- you' -- বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে- সঠিক উত্তর on Rests on - Depends on
5x + 3y = 7 এবং 4x + 5y = 3 হলে, x ও y এর মান হবে যথাক্রমে-
Correct Answer:
খ: 2 - 1
Explanation:
5x + 3y = 7 এবং 4x + 5y = 3 হলে, x ও y এর মান হবে যথাক্রমে- সঠিক উত্তর 2 - 1 এখানে, বজ্রগুণন করে পাই,x/(-9+35)=y/(-28+15)=1/(25-12)=>x/26=y/-13=1/13 so,x=2;y=-1
দুইটি ত্রিভূজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্ত্বেও ত্রিভূজ দুটি সর্বসম নাও হতে পারে?
Correct Answer:
গ: তিন কোণ
২ জন পুরুষ বা ৩ জন স্ত্রীলোক একটি কাজ ২৬ দিনে শেষ করতে পারলে ৪ জন পুরুষ ও ৭ জন স্ত্রীলোক একত্রে কাজটি শেষ করতে পারবে-
Correct Answer:
ক: ৬ দিনে
Explanation:
২ জন পুরুষ বা ৩ জন স্ত্রীলোক একটি কাজ ২৬ দিনে শেষ করতে পারলে ৪ জন পুরুষ ও ৭ জন স্ত্রীলোক একত্রে কাজটি শেষ করতে পারবে- সঠিক উত্তর ৬ দিনে এখানে,২ জন পুরুষ= ৩ জন স্ত্রীলোক৪ জন পুরুষ= ৬ জন স্ত্রীলোক৩ জন স্ত্রীলোকের লাগে= ২৬ দিন১ জন স্ত্রীলোকের লাগে= (২৬×৩) দিন(৬+৭)=১৩ জন স্ত্রীলোকের লাগে=(২৬×৩)/১৩ =৬ দিন।
একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 44 মিটার। প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ২ মিটার বেশি হলে, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ হবে যথাক্রমে-
Correct Answer:
গ: ১২ মি. ১০ মি.
Explanation:
একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 44 মিটার। প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ২ মিটার বেশি হলে, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ হবে যথাক্রমে- সঠিক উত্তর ১২ মি. ১০ মি. ধরি, পপ্রস্থ =x, দৈর্ঘ্য=2+xপরিসীমা =২(দৈর্ঘ্য +প্রস্থ) শর্তমতে,২(২+x+x)= ৪৪বা, ৪x+৪=৪৪বা, x = ৪০/৪বাx =১০দৈর্ঘ্য=২+x=২+১০=১২মিটারপ্রস্থ =x=১০মিটার
ABCD বৃত্তস্থ চতুর্ভূজের ∠B =১০৫ ডিগ্রি। ∠D - এর পরিমাণ কত?
Correct Answer:
ক: ৭৫ ডিগ্রি
Explanation:
ABCD বৃত্তস্থ চতুর্ভূজের ∠B =১০৫ ডিগ্রি। ∠D - এর পরিমাণ কত? সঠিক উত্তর ৭৫ ডিগ্রি বৃত্তস্থ চতুর্ভূজের বিপরীত কোণদ্বয়ের যোগফল ১৮০০ সুতরাং ∠B + ∠D = ১৮০০ বা, ১০৫০ + ∠D = ১৮০০ বা, ∠D = ১৮০০ - ১০৫০ সুতরাং ∠D = ৭৫০
১৫,৩৮,৫১১,৭১৪ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
Correct Answer:
গ: ৯১৭
ABCD বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের ∠B=১০৫° । ∠D -এর পরিমাণ কত?
Correct Answer:
ক: ৭৫°
২০০৮ সালের বিশ্ব অলিম্পিক কত তারিখে শেষ হয়েছিল ?
Correct Answer:
ক: ২৪ আগস্ট
Explanation:
২০০৮ সালের বিশ্ব অলিম্পিক কত তারিখে শেষ হয়েছিল ? সঠিক উত্তর ২৪ আগস্ট ২০০৮ সালের বিশ্ব অলিম্পিক শেষ হবে ২৪ আগস্ট। অলিম্পিক ২০০৮ চীনের দীর্ঘ দিনের লালিত এক স্বপ্নের পূর্ণতা৷ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার এই বিশাল আয়োজনকে বিশ্বের অগ্রণী দেশগুলোর সারিতে চীনের দৃঢ় অবস্থান নেয়ার এক সুস্পষ্ট সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে৷ ৮ - ২৪ আগস্ট বেইজিং বিশ্বক্রীড়ার প্রাণকেন্দ্র৷ বিশ্বের নানা দেশের সাড়ে দশ হাজারের মত ক্রীড়াবিদ উপস্থিত অলিম্পিক পল্লীর মুখর পরিবেশে৷
এক ব্যক্তি ঘন্টায় ৪০ কি. মি. বেগে ২ ঘন্টা এবং ঘন্টায় ৬০ কি.মি. বেগে আরো ২ ঘন্টা গাড়ি চালালেন। তাঁর গাড়ির গড় গতিবেগ কত?
Correct Answer:
খ: ৫০ কিমি/ঘন্টা
Explanation:
এক ব্যক্তি ঘন্টায় ৪০ কি. মি. বেগে ২ ঘন্টা এবং ঘন্টায় ৬০ কি.মি. বেগে আরো ২ ঘন্টা গাড়ি চালালেন। তাঁর গাড়ির গড় গতিবেগ কত? সঠিক উত্তর ৫০ কিমি/ঘন্টা (2*40=80)+(60*2=120)120+80=200200/4=50
একজন লোক সপ্তাহে ২২০০ টাকা আয় করেন এবং ১৬৫০ টাকা ব্যয় করেন। তাঁর সঞ্চয়ের সাথে আয়ের অনুপাত হবে-
Correct Answer:
ক: ১ : ৪
Explanation:
একজন লোক সপ্তাহে ২২০০ টাকা আয় করেন এবং ১৬৫০ টাকা ব্যয় করেন। তাঁর সঞ্চয়ের সাথে আয়ের অনুপাত হবে- সঠিক উত্তর ১ : ৪ আয়= ২২০০ টাকাব্যয়= ১৬৫০ টাকাসঞ্চয় = আয় - ব্যয় = (২২০০-১৬৫০)টাকা = ৫৫০ টাকাসঞ্চয়ঃ আয়=৫৫০ঃ২২০০= ১ঃ৪