Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
`মহুয়া’ পালার কবি কে?
Correct Answer:
ঘ: দ্বিজ কানাই
Explanation:
`মহুয়া’ পালার কবি কে? সঠিক উত্তর দ্বিজ কানাই বাংলার লোকগীতি বা গীতিকার ইতিহাস অনেক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। কবি দ্বিজ কানাই প্রণীত "মহুয়া" পালাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গীতিকা ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য সম্পদ। দ্বিজ কানাই প্রায় ৩৭০ বছর পূর্বে এই পালাগানটি রচনা করেন, যা বর্তমানে 'নদের চাঁদ ও মহুয়া'র পালা বা গাথা নামে পরিচিত।
নিচের যেটি বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত-
Correct Answer:
ক: সবগুলো
ডেসমন্ড টুটু কত সালে, কি বিষয়ে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
Correct Answer:
ক: ১৯৮৪ সালে, শান্তিতে
’বিরল’ এর বিপরীতার্থক রূপ হলো-
Correct Answer:
খ: সুলভ
আলংকারিক প্রয়োগ বর্জনীয় যে ক্ষেত্রে-
Correct Answer:
ঘ: সারাংশ লিখন
শব্দ ও ধাতুর মূলকে কি বলে?
Correct Answer:
গ: প্রকৃতি
’ইতরবিশেষ’ বলতে বোঝায়-
Correct Answer:
গ: পার্থক্য
Explanation:
’ইতরবিশেষ’ বলতে বোঝায়- সঠিক উত্তর পার্থক্য "ইতর বিশেষ" বাগধারাটির অর্থ পার্থক্য। আমড়া কাঠের ঢেঁকি বাগধারার অর্থ অপদার্থ।
`ভাইয়ে ভাইয়ে বেশ মিল’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: কর্তায় ৭মী
Explanation:
`ভাইয়ে ভাইয়ে বেশ মিল’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্তায় ৭মী 'ভাইয়ে ভাইয়ে' বেশ মিল। - বাক্যটিতে ব্যতিহার কর্তার প্রয়োগ ঘটেছে। যেমন "রাজায় রাজায় লড়াই"। আর এখানে ৭মী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির দৃষ্টান্ত কোনটি?
Correct Answer:
ক: গো+ অক্ষ = গবাক্ষ
Explanation:
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির দৃষ্টান্ত কোনটি? সঠিক উত্তর গো+ অক্ষ = গবাক্ষ যে সন্ধি কোন নিয়ম অনুসরণ করেনা তাকে নিপাতন সন্ধি বলে।গবাক্ষ, মার্তন্ড, শুদ্ধোদন, অন্যান্য, প্রৌঢ়, কুলটা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
বাংলা রিপি সংস্কারে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন-
Correct Answer:
ক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যঞ্জন বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে-
Correct Answer:
ঘ: ফলা
‘পটল তোলা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
Correct Answer:
গ: মারা যাওয়া
Explanation:
‘পটল তোলা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি? সঠিক উত্তর মারা যাওয়া পটল তোলা(মারা যাওয়া): চাঁদাবাজরা পটল তুলছে শুনে এলাকার লোকজন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।
কোন লেখক ‘ জননী সাহসিকা’ বলে পরিচিত?
Correct Answer:
ঘ: সুফিয়া কামাল
Explanation:
কোন লেখক ‘ জননী সাহসিকা’ বলে পরিচিত? সঠিক উত্তর সুফিয়া কামাল 'জননী সাহসিকা' কবি বেগম সুফিয়া কামাল। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অবদানের জন্য 'জননী সাহসিকা' উপাধিতে ভূষিত করা হলেও তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত, প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে সর্বজন বিদিত।
‘ব্নধন’ শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: বন্ + ধন্
Explanation:
‘ব্নধন’ শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর বন্ + ধন্ সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter) - কে বোঝালে ও প্রকৃত অর্থে অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। অক্ষর হচ্ছে বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। আর বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির চক্ষুগ্রাহ্য লিখিতরুপ বা ধ্বনি - নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ইংরেজিতে আমরা যাকে Syllable বলে অভিহিত করি , তাই অক্ষর । উদাহরণস্বরুপ , ইংরেজি 'Incident' শব্দে 'In - ci - dent' - এ তিনটি Syllable আছে। এই তিনটি Syllable - ই হলো অক্ষর। কিন্তু , আলাদাভাবে ' I - n - c - i - d - e - n - t' - এগুলাে অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ। তদ্রুপ , বাংলা 'বন্ধন' শব্দেও বন্ + ধন্ - - এ দুটো অক্ষর। কিন্তু ব + ন্ + ধ্ + ন্ - - এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ।
নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী
Explanation:
নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য? সঠিক উত্তর ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন: আমি বহু কষ্ট করেছি, ফলে শিক্ষা লাভ করেছি ।
“হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন, পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।” এ কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
’বাগাড়ম্বর’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: বাক+আড়ম্বর
নিচের কোন বাক্যটি প্রয়োগগত দিক থেকে শুদ্ধ?
Correct Answer:
গ: তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল
Explanation:
নিচের কোন বাক্যটি প্রয়োগগত দিক থেকে শুদ্ধ? সঠিক উত্তর তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল বাকী অপশন এর ক্ষেত্রে সাতে, সতের নয় বরং সাতে, পাঁচে হবে। স্বপরিবারে নয় সপরিবারে হবে।
‘মেধাবী’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় নিচের কোনটি?
Correct Answer:
ক: মেধা+ বিন্
Explanation:
‘মেধাবী’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় নিচের কোনটি? সঠিক উত্তর মেধা+ বিন্ ‘মেধাবী’ শব্দের প্রকৃতি - প্রত্যয় হল মেধা + বিন ধাতু বা ক্রিয়ার সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন - রাঁধ + উনি = রাঁধুনি, ডুব + অন্ত = ডুবন্ত। শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন - মেধা + বীন = মেধাবী, বর্ষ + ইক = বার্ষিক। ‘বিন’ ( - বী) প্রত্যয়টি ‘আছে’ অর্থে যুক্ত হয়। ‘বিন’ প্রত্যয়টি প্রথমার একবচনে পুংলিঙ্গ ‘বী’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘বিনী’ এবং সমাসে পূর্বপদে হলে ‘বি’ হয়। যেমন - মেধাবী, মেধাবিনী, মায়াবী, মায়াবিনী ইত্যাদি।
ধ্বনি- পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ বিপর্যয়ের দৃষ্টান্ত?
Correct Answer:
গ: পিচাশ
Explanation:
ধ্বনি- পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ বিপর্যয়ের দৃষ্টান্ত? সঠিক উত্তর পিচাশ শব্দের মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর স্থান বিনিময় বা অদলবদল করে উচ্চারিত হলে তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। অর্থাৎ উচ্চারণের সময় মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির স্থান পরিবর্তন করাকেই ধ্বনি বিপর্যয় বলে।ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ হলো: চাকরি ˃ চারকি, লাফ ˃ ফাল, বাক্স ˃ বাস্ক, রিক্সা ˃ রিস্কা, পিশাচ ˃ পিচাশ, নকশা ˃ নশকা ইত্যাদি।
’প্রাণভয়’ কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
‘বিমুগ্ধ’ শব্দটি ব্যাকরণের কোন নিয়মে গঠিত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: সন্ধিযোগে
নিচের কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়?
Correct Answer:
খ: আবীর
Explanation:
নিচের কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়? সঠিক উত্তর আবীর 'অগ্নি'র সমার্থক শব্দগুলো: অনল, বহ্নি, হুতাশন,পাবক, বৈশ্বানর, আগুন, দহন, সর্বভুক , শিখা প্রভৃতি। প্রজ্বলিত শব্দের সমার্থক শব্দগুলো : আলোকিত , ঝলমলে ,উদ্ভাসিত, প্রদীপ্ত ইত্যাদি। আবির একপ্রকার রক্তবর্ণ চূর্ণ বিশেষ যাহা হোলি বা বসন্তোৎসবে পরস্পরকে রঞ্জিত করিবার জন্য ব্যবহার করা হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
Correct Answer:
ঘ: আইন
‘বাগধারা’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত বিষয়?
Correct Answer:
গ: বাক্যতত্ত্বে
Explanation:
‘বাগধারা’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত বিষয়? সঠিক উত্তর বাক্যতত্ত্বে ”বাগধারা” বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। ব্যাকরণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি। যথা - ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব। বাক্যতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয় বাগধারা, বিরাম বা যতি চিহ্ন, বাক্যের গঠন প্রণালী ইত্যাদি। রুপ তত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয় সমাস, কারক, ধাতু, লিঙ্গ, বচন, উপসর্গ, অনুসর্গ। ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় সন্ধি, ণত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, ধ্বনির স্বরূপ বিশ্লেষণ।
’যিনি উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করেন। কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
ক: মিশ্র বাক্য
‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা।’ এই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত?
Correct Answer:
ক: অপহ্নতি
Explanation:
‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা।’ এই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত? সঠিক উত্তর অপহ্নতি এটি একটি অপ্রচলিত প্রশ্ন । একটি উপমেয়কে অস্বীকার করে, সেখানে অন্য একটিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাহলে অপহ্নতি অলংকার হয়। এখানে জল কে অস্বীকার করে অশ্রুধারা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কি রস বলে?
Correct Answer:
ঘ: মধুর রস
Explanation:
শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কি রস বলে? সঠিক উত্তর মধুর রস কাব্যসাহিত্য শৃঙ্গার, হাস্য , করুণ ,বীর, অদ্ভুত , ভয়ানক, বীভৎস শান্ত, বাৎসল্য - রসের সন্ধান পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাব থেকে রসের উৎপত্তি । বৈষ্ণব সাহিত্য ও সাধনার পাঁচ পন্থা - শান্ত, দাস্য , সখ্য, বাৎসল্য, মধুর রস। বৈষ্ণব পদাবলির মধুর রসের মধ্যে রাধাকৃষ্ণর রপকাশ্রয়ে ভক্ত ও ভাগবানের নিত্য বিরহমিলনের লীলাবৈিচত্র্যের পরিচয় পাওয়া যায়।
‘আকাশনীলা’ কাব্য কার লেখা?
Correct Answer:
গ: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
‘আকাশনীলা’ কাব্য কার লেখা? সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ জীবনানন্দের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে। এর দীর্ঘ কাল পর ১৯৩৬ - এ প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ধূসর পাণ্ডুলিপি। তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন প্রকাশিত হয় ১৯৪২ - এ। এটি "কবিতাভবন সংস্করণ" নামে অভিহিত। সিগনেট প্রেস বনলতা সেন প্রকাশ করে ১৯৫২ - তে। বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের কবিতাসমূহ সহ পরবর্তী কবিতাগ্রন্থ মহাপৃথিবী ১৯৪৪ - এ প্রকাশিত। জীবনানন্দর জীবদ্দশায় সর্বশেষ প্রকাশিত গ্রন্থ সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর কিছু আগে প্রকাশিত হয় জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা। কবির মৃত্যু - পরবর্তী প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ হলো ১৯৫৭ - তে প্রকাশিত রূপসী বাংলা এবং ১৯৬১ - তে প্রকাশিত বেলা অবেলা কালবেলা। জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলা'র পাণ্ডুলিপি তৈরি করে থাকলেও জীবদ্দশায় এর প্রকাশের উদ্যোগ নেন নি। তিনি গ্রন্থটির প্রচ্ছদ নাম নির্ধারণ করেছিলেন বাংলার ত্রস্ত নীলিমা। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশকালে এর নামকরণ করা হয় "রূপসী বাংলা। " তার অগ্রন্থিত কবিতাবলি নিয়ে প্রকাশিত কবিতা সংকলনগুলো হলো: সুদর্শনা (১৯৭৩), আলো পৃথিবী (১৯৮১), মনোবিহঙ্গম, হে প্রেম, তোমারে ভেবে ভেবে (১৯৯৮), অপ্রকাশিত একান্ন (১৯৯৯) এবং আবছায়া (২০০৪)। কবির প্রকাশিত - অপ্রকাশিত গ্রন্থিত - অগ্রন্থিত সকল কবিতার আঁকড় দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত জীবনানন্দ দাশের কাব্যসংগ্রহ সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে। অব্যবহিত পরে গ্রন্থিত - অগ্রন্থিত সকল কবিতার পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে আবদুল মান্নান সৈয়দের উদ্যোগে। পরবর্তী কালে আবিষ্কৃত আরো কবিতা অন্তর্ভুক্ত করে ক্ষেত্র গুপ্ত ২০০১ - এ প্রকাশ করেন জীবনানন্দ দাশের কাব্য সমগ্র। ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে ভূমেন্দ্র গুহ প্রতিক্ষণ প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করেন জীবনানন্দ দাশের প্রকাশিত - অপ্রকাশিত - গ্রন্থিত - অগ্রন্থিত সকল কবিতার আঁকড় গ্রন্থ পাণ্ডুলিপির কবিতা (১৪ খন্ড)।
কলকল রবে নদী বইছে। এখানে ‘কল কল’ কোন অব্যয়?
Correct Answer:
ঘ: অনুকার
Explanation:
কলকল রবে নদী বইছে। এখানে ‘কল কল’ কোন অব্যয়? সঠিক উত্তর অনুকার কলকল রবে নদী বইছে। এখানে ‘কল কল’ অনুকার অব্যয়। অনুকার অব্যয় যে সকল অব্যয় কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাদেরকে অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে। যেমন: শোঁ শোঁ (বাতাসের ধ্বনি), রুম্ঝুম্ (নূপুরের আওয়াজ), ঝম্ঝম (বৃষ্টির শব্দ), বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, বজ্রের ধ্বনি কড়কড়, মেঘের গর্জন গুড়গুড় চকচক, ছমছম, টনটন, ছল্ ছল্, কল্ কল্, ঝম্ ঝম্, সিংহের গর্জন – গর গর, ঘোড়ার ডাক – চিহি চিহি, কোকিলের ডাক – কুহু কুহু, চুড়ির শব্দ – টুং টুং, ইত্যাদি। অনুভূতিমূলক অব্যয়ও অনুকার অব্যয়ের শ্রেণিভুক্ত। যেমন: ঝাঁ ঝাঁ, খাঁখাঁ ইত্যাদি। অনুকার অব্যয়জাত : কনকনে শীত, শনশনে হাওয়া, ধিকিধিকি আগুন, টসটসে ফল, তকতকে মেঝে ইত্যাদি। অনুকার শব্দ যোগেঃ কুহু কুহু , গুনগুন , ঘেউ ঘেউ , শন শন , ছল ছল ইত্যাদি অনুকার অব্যয়ের কিছু উদাহরণ: রিমঝিম বৃষ্টি পড়ে। শনশন বায়ু বয়। শনশন করে বাতাস বইছে। ঝম্ঝম্ করে বৃষ্টি পড়ছে। হন্হন্ করে হেঁটে যাচ্ছে। ঘড়িতে ঢং ঢং করে চারটা বাঁচল। ছেলেটি ভেউ ভেউ করে কাঁদছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর - টুপুর। বাতাসে এখন শোঁ শোঁ শব্দ।
‘এক থেকে আরম্ভ করে’ বাক্যটির সংকুচিত রূপ কী?
Correct Answer:
ক: একাদিক্রমে
‘কবর’ নাটকটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
Correct Answer:
ঘ: ভাষা আন্দোলন
Explanation:
‘কবর’ নাটকটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত? সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলন মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটকের পটভূমি ভাষা আন্দোলনে । বাংলাদেশর নাট্যসাহিত্যে মুনীর চৌধুরী (২৭ নবম্বর ১৯২৫, ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) এক অবিস্মরণীয় নাম। অসাধারণ প্রতিভাধর এ নাট্যকার মৌলিক ও অনুবাদ নাটক দিয়ে বাংলা নাট্যসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি এ দেশের নবনাট্যের পথ দেখিয়েছেন। তার নাটকগুলো স্বদেশপ্রেম ও সমাজচেতনায় উদ্দীপ্ত। অল্পকাল ব্যবধানে দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পর দুনিয়াব্যাপী চিন্তা - চেতনায় পরিবর্তন ঘটে; এর অনিবার্য প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের শিল্প - সাহিত্যেও। শিক্ষিত - সচেতন মানুষ হিসেবে নাট্যকার মুনীর চৌধুরীও বিশ্বমননে স্নাত হয়েছিলেন। পৃথিবীখ্যাত নাট্যনির্মাতা ইবসেনের সামাজিক - বাস্তবতাবোধ, বার্নার্ড শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা, পিরান্দেলো - ব্রেখট - বেকেটের প্রগাঢ় শিল্পলগ্নতা আর মন্মথ রায়ের ভাষার গভীরতা প্রভৃতি অগ্রসর ভাবনা - প্রবণতা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন তিনি। আর এ কারণেই বিষয় - কাঠামো আর মঞ্চে পরিবেশনের কলা - কৌশলের দিক থেকে তার নাটকগুলো স্বতন্ত্র মর্যাদায় অভিসিক্ত হয়েছে। মুনীর চৌধুরী ঐতিহাসিক কাহিনী নিয়ে অনেক নাটক ও একাঙ্কিকা লিখেছেন; তার মধ্যে ‘কবর’ অন্যতম। তার রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি প্রভৃতি নাটক সবিশেষ সাফল্য লাভ করলেও জনমানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রশংসা পেয়েছে ‘কবর’ নাটকটি। বিষয় - ভাবনা এবং পরিবেশন - শৈলীর কারণেই সম্ভবত এটির প্রচার ও প্রসার অসামান্য। ‘কবর’ গভীর জীবনবোধের আলোকে সজ্জিত একাঙ্গ নাটক। এ ধরনের নাটক অপেক্ষাকৃত আধুনিককালের সৃষ্টি। যেখানে সহজ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে অনায়াসে দেখে নেয়া যায় জীবনের রূপ - নিবিড়তা ও গন্ধ - গভীরতা। এখানে পাওয়া যায় সমকালের সহজ অনুভবের শিল্পঋদ্ধ জীবন নিষ্ঠ কথা। ‘কবর’ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত। ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি নাটকটি রচিত হয়; তখন তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দী জানা যায়, আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন জেলখানায় মঞ্চস্থ করা যায় এমন একটি নাটক লিখে দেয়ার জন্য। যেখানে দেশপ্রেম থাকবে, আলো - আঁধারি পরিবেশ থাকবে এবং নারী চরিত্র এমন ভাবে থাকবে যাতে পুরুষ অভিনয় করতে পারে। মুনীর চৌধুরী রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধ মাথায় রেখেই ‘কবর’ নাটিকাটি রচনা করেছিলেন। তিনি তার স্মৃতিচারণে বলেছেন, ‘জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো ‘কবর’ নাটকটির আঙ্গিকে নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ’ নাটকটি সর্বপ্রথম ১৯৫৩ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি জেলখানাতে মঞ্চস্থ হয়েছিল। ‘কবর’ নাটকে গোরস্তানের অতিপ্রাকৃত রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পুরো ঘটনাই গোরস্তানের ভেতর সংঘটিত হয়েছে। নেতা আর ইন্সপেক্টর হাফিজের অর্ধ - মাতাল অবস্থায় সংলাপের মধ্য দিয়ে নাটকটি সামনের দিকে আগাতে থাকে। এর মধ্যে অশরীরী আত্মার মতো হঠাৎ এসে উপস্থিত হয় মুর্দা ফকির। মুর্দা ফকির ‘মুর্দা’ নয়, জীবিত। তবুও নেতা ও হাফিজ দুজনেই তাকে মনে মনে ভয় পায়। আপাতদৃষ্টিতে তার কথার মধ্যে পাগলামির সংমিশ্রণ আছে তবে এটা নাটকের বহিরাঙ্গ। তার প্রতিটি কথাই রূপকধর্মী। তার বুকে যে হাহাকার তা বিবেকেরই হাহাকার দেশ ও জাতির কান্না। মুর্দা ফকির নেতা ও হাফিজের কাছে বিদায় নিয়ে কিছুদূর গিয়ে আবার ফিরে এসে বলে, ‘গন্ধ! তোমাদের গায়ে মরা মানুষের গন্ধ! তোমরা এখানে কি করছ? যাও, তাড়াতাড়ি কবরে যাও। ফাঁকি দিয়ে ওদের পাঠিয়ে দিয়ে নিজেরা বাইরে থেকে মজা লুটতে চাও, না? না, না আমার রাজ্যে এসব চলবে না। মুর্দা ফকিরের এই সংলাপের মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। এখানে যারা জীবিত মূলত তারা প্রকৃত জীবিত নয়; জীবন্মৃত অবস্থায় তারা আছে তারা জীবন্ত লাশ মাত্র। আর যাদের তারা অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে তারাই জীবিত চির জাগরূক। তাই তো লাশগুলো কবরে ঢুকতে চায় না, বিদ্রোহ করে। ওরা হাফিজের কথার প্রতিবাদ করে বলে, ‘মিথ্যে কথা। আমরা মরিনি। আমরা মরতে চাইনি। আমরা মরব না। ...কবরে যাব না। ‘কবর’ নাটকের মুর্দা ফকির, মূর্তিদের (ভাষা আন্দোলনে শহীদেরা) হাহাকার শুধু নিজেদের নয়, তাদের জীবন - উৎসর্গ শুধু ব্যক্তির উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার জন্য নয়, নয় শুধু ভাষা আন্দোলনে আবেগ - উচ্ছ্বাসে জড়িত। এখানে রাজনৈতিক অবস্থা, গোপন ছলনা এবং বাঙালীর অস্তিত্বের সংগ্রাম নাটকজুড়ে নিহিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট গবেষক ও মুনীর চৌধুরীর ছাত্র আনিসুজ্জামানের উক্তিটি স্মর্তব্য, ‘পরিহাসতরল আবহাওয়ার ছদ্মাবরণের সাহায্যে দুটি করুণ দৃশ্যের সাঙ্গীকরণ নাটকীয়তা সৃষ্টিতে বিশেষভাবে কার্যকর হয়েছে। এ দুই অংশে এবং মুর্দা ফকিরের বৃত্তান্তে ভাষা আন্দোলনকে অতিক্রম করে মুনীর চৌধুরী আমাদের সামাজিক জীবনের বৃহত্তর দ্বন্দ্বের প্রতি অঙ্গুলি সঙ্কেত করেছেন। প্রগতিশীল চিন্তার লালনকারী নাট্যকার মুনীর তার নাটকে মানবতাবাদী ভাবনার প্রকাশ দেখাতে চেয়েছেন। রক্ষণশীলতা আর প্রগতিশীলতার যে দ্বন্দ্ব, তা তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে। পরাক্রমশালী রাজনীতির দৌরাত্ম্য ও জনগণের অসহায়তা এবং আদর্শবাদী চিন্তাধারার মাহাত্ম্য রচিত হয়েছে নাটকটির সংলাপের অভিনবত্বে ও উপস্থাপনার চমৎকারিত্বে। রাজনৈতিক প্রতাপ, অহমিকা, জনগণের নাম করে নিজেদের উদরপূর্তি, ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যে জাতিগতভাবে হীনম্মন্যতাকে লালন করে, তার বাস্তব চিত্র মুনীর চৌধুরী নির্মাণ করেছেন ‘কবর’ নাটকে। ‘কবর’ নাটকে মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র ‘বেরি দ্য ডেড’ (১৯৩৬) নাটকটির প্রভাব আছে বলে মনে করা হয়। মুনীর চৌধুরীও নাটকটির অবচেতন প্রভাবের কথা স্বীকার করেছেন। ওই নাটকে বিশ্বযুদ্ধে নিহত তরুণরা কবরে যেতে অস্বীকার করেছে। ‘কবর’ নাটকে শহীদেরাও কবরে যেতে অস্বীকার করেছে। আর উইন শ’র নাটকটির সঙ্গে ‘কবর’ - এর ভাবগত ঐক্যে কিছুটা মিল আছে বৈকি! কিন্তু ‘কবর’ - এ মুনীর চৌধুরীর উদ্ভাবনী চিন্তা এবং রচনাকুশলতায় স্বকীয়তা বিদ্যমান। মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহ শ’র নাটকে প্রত্যক্ষ ও বাস্তব রূপে উপস্থাপিত আর ‘কবর’ - এ বাস্তবতার বিভ্রম সৃষ্টি করা হয়েছে নেতা ও ইন্সপক্টরকে অর্ধ - মাতালÑ অপ্রকৃতিস্থ করে। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন, ‘...এই সুদূর এবং প্রান্তিক ভারসাম্যটির জন্য ‘কবর’কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে। ’ পরিশেষে বলা যায়, ‘কবর’ নাটকে চমকপ্রদ রহস্যজাল, কৌতুকাবহ যেমন আছে তেমনি আওছ এর অন্তর্মুখী বিষাদময় ঘটনা। এই কৌতুক আবহ থেকেই বিকশিত হয়েছে বিষাদাত্মক ঘটনা। রাজনৈতিক সচেতন মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের বাস্তব ঘটনাকে অবলম্বন করে নাটক রচনা করলেও তা সমাজের বুর্জোয়া শ্রেণীর বিরুদ্ধে বাঙালীর অস্তিত্বের সংগ্রামে পরিণত করছেন; আর এখানেই তার কৃতিত্ব। মুনীর চৌধুরীর 'কবর': ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথম প্রতিবাদী নাটক । ১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে জেলখানায় নাটকটি মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা ছিল, তাই জেলখানার অপ্রতুল ব্যবস্থার মাঝেই নাটকটি মঞ্চস্থ করার ব্যাপারটি সবার আগে সামনে চলে এল। সবকিছু মাথায় রেখেই মুনীর চৌধুরী লিখলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম এক কালজয়ী নাটক, নাম দেওয়া হলো ‘কবর’। এ ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো 'কবর' নাটকটিতে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে, সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যেই নাটকটি জেলখানায় সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়। জর্জ বার্নাড'শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা মুনীর চৌধুরীকে বরাবরই প্রভাবিত করেছে, ‘কবর’ নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ভাষা আন্দোলনে বহু মানুষ শহীদ হলেও অল্প ক'জনের পরিচয় আমরা জানতে পেরেছিলাম; কত শত লাশ গুম করা হয়েছিল, তার প্রকৃত হিসাব আজও জানা যায়নি। লাশ গুমের এই ঘৃণ্য রাজনীতিকে উপজীব্য করেই নাটকটির পুরো গল্প এগিয়ে গেছে। নাটকটির সমগ্র ঘটনাস্থল ছিল গোরস্থান, ভাষা শহীদদের লাশ গুম করার নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য একজন অসৎ নেতা তার দলবল নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। নেতার এই নীলনকশা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ছিলেন ইন্সপেক্টর হাফিজ। নাটকের শুরু থেকেই অসৎ নেতাকে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়ে লোভী হাফিজও নেতার সাথে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শেষ চিহ্নটুকু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা করতে থাকেন তারা। সবকিছু যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছিল, তখুনি মুর্দা ফকির নামক এক চরিত্রের আগমন ঘটে, আধপাগল এই মানুষটি যেন সমাজের বিবেক হিসেবে আবির্ভূত হন। লাশগুলো এখনো জীবিত আর তাদের কবর থেকে উঠিয়ে তিনি মিছিল করবেন– এমন অদ্ভুত একটি কথা বলে তাদের ভড়কে দেন মুর্দা ফকির। এরপর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আবর্তনে এগিয়ে গেছে সম্পূর্ণ গল্প। একটি নাটক সার্থক করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান থাকে নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের। চরিত্রগুলো যত শক্তিশালী হবে, নাটকের বুনিয়াদ তত মজবুত হবে। 'কবর' নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না, তিনটি কেন্দ্রীয় চরিত্র পুরোটা সময় দারুণভাবে নাটকটির গল্প টেনে নিয়ে গেছে। নেতা: একজন আগাগোড়া অসৎ মানুষ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনের মতো মহান এক ঘটনাকে ‘সামান্য গণ্ডগোল’ হিসেবে চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তার ভাষ্যমতে, ভাষা শহীদেরা ছিলেন অবাধ্য দুষ্টু ছেলে, অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চলেছিল! পুরোটা সময় জুড়ে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকাটা তার চারিত্রিক দোষের দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া সমাজের অন্যান্য অসৎ নেতাকর্মীর নানা আচরণ 'কবর' নাটকের নেতার মাঝেও ফুটে উঠেছিল। বুকে সাহস না থাকলেও সবধরনের পরিস্থিতিতে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়ার প্রবণতা ছিল নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। মানুষ হিসেবে তাকে বেশ হঠকারী মনে হয়েছে, সবধরনের পরিস্থিতিতে শুধু গুলি চালানোর কথা বলাটা মোটেও বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়নি। তবে নাটকের একদম শেষদিকে মুর্দা ফকিরকে কিছুদিনের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার কথাটা অবশ্য তার দূরদর্শী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বাংলার যেসব অসৎ নেতার কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষণের জালে আমরা বন্দী ছিলাম, তাদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে নেতা চরিত্রটি দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। হাফিজ: হাফিজ ছিলেন একজন চাটুকার পুলিশ কর্মকর্তা, নাটকের সিংহভাগ সময় জুড়ে তাকে নেতার চামচামি করতে দেখা গেছে। আদর্শ বিবর্জিত এই মানুষটি নিজের সুবিধার জন্য যেকোনো কিছু করতে তৈরি ছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত, নানা কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা হঠকারী আচরণ করলেও হাফিজকে পুরো নাটকেই দূরদর্শী হিসেবে দেখা গেছে। বিশেষ করে মুর্দা ফকিরের আগমনের পর যে আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দেখে পর্যুদস্ত না হয়ে হাফিজ যেভাবে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করে গেছেন, সেটা তার চারিত্রিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তবে তার সকল বুদ্ধি অপাত্রে কাজে লাগায় দিনশেষে মানুষ হিসেবে একজন মেরুদণ্ডহীন কাপুরুষ হিসেবেই তিনি বিবেচিত হবেন। মুর্দা ফকির: পুরো নাটকটিকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন মুর্দা ফকির। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষে নিজের চোখের সামনে সমস্ত আপনজনকে মারা যেতে দেখেছেন, মানুষগুলোকে কবর দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না। সেই থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি, নাম হয় মুর্দা ফকির। আচমকা 'ঝুঁটা' বলার মাধ্যমে দৃশ্যপটে তার নাটকীয় আগমন ঘটে। আগমনের পর থেকেই নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন তিনি, যা আপাতদৃষ্টিতে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। কিন্তু একটু ভাবলে তার প্রতিটি সংলাপের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। তার মতে, মাটিচাপা দেওয়া লাশগুলোর দেহে এখনো প্রাণ আছে, হাফিজ আর নেতাকেই তিনি মৃত বলে অভিহিত করেন। এই কথার মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের তো মৃত্যু হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তারা সর্বদা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের আশায় যারা সেদিন নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়েছিল, মৃত্যু আসলে তাদেরই হয়েছিল। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েতে। ১৯৩৬ সালে রচিত মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র 'বেরি দ্য ডেড' এর প্রভাব রয়েছে ‘কবর’ নাটকে। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নিজেও তা স্বীকার করেছেন। কবরে যেতে অস্বীকার করার ব্যাপারে দুই নাটকের মাঝেই মিল রয়েছে, তবে তা কেবলমাত্র ভাবগত ঐক্যের মিল। মুনীর চৌধুরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় নাটকটির বুনিয়াদ যেভাবে গড়ে তুলেছিলেন, তা এক কথায় অসাধারণ। তাছাড়া ‘বেরি দ্য ডেড’ নাটকে মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহকে সত্য বলে তুলে ধরে কিছুটা আধিভৌতিক ঘটনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা প্রতিবাদী ভাব তুলে ধরে হয়েছিল। কিন্তু ‘কবর’ নাটকে নেতা ও হাফিজের মাতাল অবস্থায় অপ্রকৃতিস্থ দেখানো হয়, ফলে শহীদদের কবরে যেতে অস্বীকার করার দৃশ্যটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে নেতা ও হাফিজের বিভ্রমকে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই মিল থাকার প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন, এই সামান্য ভারসাম্যটির জন্য 'কবর'কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, ওই সময়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলে এমন একটি নাটক লেখাটা সত্যিই অনবদ্য নিদর্শন। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। সাহসী ভঙ্গিতে এভাবে প্রতিবাদ করতে পারতেন বলেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে মুনীর চৌধুরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। তবে একজন মানুষকে মেরে ফেললেই কি তার আদর্শকে মুছে ফেলা যায়? না, যায় না। আর যায় না বলেই যুগের পর পর ‘কবর’ নাটকটিকে শ্রদ্ধাভরে মানুষ স্মরণ করবে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যত নাটকই হোক, মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
চাবি’ জানালা,বালতি - এগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Correct Answer:
ক: পর্তুগিজ
Explanation:
চাবি’ জানালা,বালতি - এগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ পর্তুগিজ শব্দ কেদারা কামিজ পিরিচ খ্রিস্টান কার্তুজ গরাদ ফর্মা কামরা আয়া ফিতা তামাক ইস্ত্রি গুদাম আতা জানালা আলপিন সাবান জাম্বুরা পেয়ারা ইস্পাত চাবি বোতাম সন্ত বারান্দা নোঙর কর্নেল গামলা পাঁউরুটি সালোয়ার চুরুট আলকাতরা মাস্তুল বালতি কপি (বাঁধাকপি) তোয়ালে আনারস বয়া পেরেক বোতল কাজু বিধবা পেঁপে বয়াম জুয়া আলমারি ক্রুশ যিশু নিলাম বেহালা বুরুশ গির্জা মর্মর ইংরেজ ফালতু বোমা রশিদ সায়া পাদ্রি পিপা মিস্ত্রি বাসন টাংকি
‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
Correct Answer:
ক: অব্যয়ীভাব
Explanation:
‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত? সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব রীতিকে অতিক্রন না করে = যথারীতি । অব্যয়ীভাব সমাস।
দুটি ত্রিভুজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্ত্বেও ত্রিভুজ দুটি সর্বনাম নাও হতে পারে?
Correct Answer:
ক: তিন কোণ
‘মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি’ - কথাটি সংকোচন করলে হবে-
Correct Answer:
গ: মৃন্ময়
Explanation:
‘মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি’ - কথাটি সংকোচন করলে হবে- সঠিক উত্তর মৃন্ময় মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি - মৃন্ময় । ধাতুনির্মিত, ধাতুময়, ধাতুসংক্রান্ত - মেটেল । চৈতন্যময়, জ্ঞানময় - চিন্ময় । আত্মবাদী , আত্মপ্রকাশক - মন্ময় ।
বাংলাদেশের ‘জাতীয় সংগীত’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্য থেকে নেয়া হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: গীতবিতান
‘চন্ডীমঙ্গল’ কাব্যের উপাস্য 'চন্ডী' কার স্ত্রী?
Correct Answer:
ঘ: শিব
Explanation:
‘চন্ডীমঙ্গল’ কাব্যের উপাস্য 'চন্ডী' কার স্ত্রী? সঠিক উত্তর শিব চন্ডী শিবের স্ত্রী। তাঁর অপর নাম পার্বতী। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি-মানিক দত্ত। চণ্ডীমঙ্গলের দুইটি উপাখ্যান আছে। প্রধান চরিত্রগুলো কালকেতু, ফুল্লরা,ধনপতি,ভাডুদত্ত,মুরারি শীল। চণ্ডীমঙ্গল-চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনী। এ কাহিনীতে চণ্ডী শিবের স্ত্রী।
‘বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: বিটপী
Explanation:
‘বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর বিটপী "বৃক্ষ" শব্দের সমার্থক শব্দ - বিটপী, শিখরী, পাদপ, গাছ, দ্রুম, মহীরুহ, শাখী। অন্যদিকে বনানী শব্দের সমার্থক শব্দ: বন, অরণ্য, জঙ্গল, কানন।
‘গগন’ শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: আকাশ
Explanation:
‘গগন’ শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর আকাশ ‘গগণ’ এর বাংলা অর্থ গগন বি. আকাশ, নভোমণ্ডল, অম্বর ।
‘কতরূপ স্নেহ করি’ দেশের কুকর ধরি’/বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া।” কার উক্তি?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরগুপ্ত
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: গোয়ালঘর থেকে
Explanation:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল? সঠিক উত্তর গোয়ালঘর থেকে এখানে রাধা - কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি রয়েছে। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার করেন। এটি পাওয়া যায় দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘরের মাচার ওপর থেকে।
নিচের কোনটি বিদেশি শব্দ?
Correct Answer:
ঘ: কলম
Explanation:
নিচের কোনটি বিদেশি শব্দ? সঠিক উত্তর কলম রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সংস্কৃতিগত ও বাণিজ্যিক কারণে বাংলাদেশে আসা বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের বহু শব্দ বাংলায় এসে স্থান করে নিয়েছে। এসব শব্দকে বলা হয় বিদেশি শব্দ। আরবি শব্দ : আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সেফ, মোক্তার, রায় ইত্যাদি।
‘নন্দিত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: নিন্দিত
Explanation:
‘নন্দিত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর নিন্দিত নন্দিত শব্দের অর্থ - আনন্দিত, অভিনন্দিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। নিন্দিত শব্দের অর্থ - অপদস্থ, লাঞ্চিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। তাই নন্দিত শব্দের বিপরীত শব্দ নিন্দিত।
বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন?
Correct Answer:
গ: মৈথিলি
Explanation:
বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন? সঠিক উত্তর মৈথিলি বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতকের মৈথিলি কবি। বঙ্গদেশে তার প্রচলিত পদাবলীর ভাষা ব্রজবুলি।
'সমিতি’ কোন লিঙ্গ?
Correct Answer:
ক: ক্লীব লিঙ্গ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কত সালে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হন?
Correct Answer:
ঘ: ১৯১৩ সালে
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কত সালে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হন? সঠিক উত্তর ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। যে গ্রন্থটির জন্য তিনি পুরস্কারটি পান সেই ইংরেজি গীতাঞ্জলির ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস।
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’। এই মনোবাঞ্জাটি কার?
Correct Answer:
গ: ইশ্বরী পাটনীর
Explanation:
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’। এই মনোবাঞ্জাটি কার? সঠিক উত্তর ইশ্বরী পাটনীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মঙ্গল কাব্যধারার শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি বিখ্যাত উক্তি এটি। কাব্যে উক্তিটি করেছিল ঈশ্বরী পাটনী।
কোন শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গে ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
গ: অনাবৃষ্টি
Explanation:
কোন শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গে ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর অনাবৃষ্টি বাংলা ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি। এগুলো হলো - অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু ও হা । সংস্কৃত উপসর্গ ২০ টি । এর মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি বাংলা ও সংস্কৃত উভয় উপসর্গে আছে। অপশনগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ক. পরাকাষ্ঠা - পরা + কাষ্ঠা ; খ. অভিব্যক্তি - অভি + ব্যক্তি ; গ. পরিশ্রান্ত - পরি + শ্রান্ত; ঘ. অনাবৃষ্টি - অনা + বৃষ্টি । ক. ক. গ. অপশনে শব্দ তিনটি সংস্কৃত উপসর্গ দ্বারা গঠিত। কিন্তু ঘ. অপশনে প্রদত্ত 'অনাবৃষ্টি' শব্দটি বাংলা 'অনা' উপসর্গযোগে গঠিত। সুতরাং সঠিক উত্তর ঘ. ।
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয়-
Correct Answer:
গ: ধাতু
Explanation:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয়- সঠিক উত্তর ধাতু ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু। অন্যভাবে বলা যায়, ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায় ধাতু এবং ক্রিয়া বিভক্তি। ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তাই ধাতু।