Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
'সংশপ্তক' উপন্যাসের রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
'সংশপ্তক' উপন্যাসের রচয়িতা- সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সংশপ্তক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে রচিত এই উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।পরবর্তীতে আবদুল্লাহ আল মামুন নাট্যরূপ প্রদান করেন এবং যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়। সংশপ্তক নাটকটি বাংলাদেশে টিভি নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় নাটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংশপ্তক শব্দের অর্থ হয় জয় নাহয় মৃত্যু।
'সন্তানের প্রতি মাতৃস্নেহ আন্তরিক'। আন্তরিক শব্দটি কোন পদ?
Correct Answer:
গ: বিশেষণ
Explanation:
'সন্তানের প্রতি মাতৃস্নেহ আন্তরিক'। আন্তরিক শব্দটি কোন পদ? সঠিক উত্তর বিশেষণ যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম এবং ক্রিয়াপদের দোষ , গুণ , অবস্থা পরিমাণ, সংখ্যা প্রভৃতি বোঝায় , তাকে বিশষণ পদ বলে । বিশেষণ পদ ২ প্রকার : - ১/নাম বি: ও ২/ ভাব বিশেষণ
সমাস ভাষাকে কি করে ?
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে কি করে ? সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য।সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা ।একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন কোনটি?
Correct Answer:
ক: ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
Explanation:
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন কোনটি? সঠিক উত্তর ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয় - শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা - এ তার "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক। ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন। রবীন্দ্রনাথের গান তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তার রচিত আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন - অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ জন্ম ৭ মে ১৮৬১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০) জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) সমাধিস্থল কলকাতা ছদ্মনাম ভানুসিংহ ঠাকুর (ভণিতা) পেশা কবি ঔপন্যাসিক নাট্যকার প্রাবন্ধিক দার্শনিক সঙ্গীতজ্ঞ চিত্রশিল্পী গল্পকার ভাষা বাংলা, ইংরেজি নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয় সময়কাল বঙ্গীয় নবজাগরণ সাহিত্য আন্দোলন প্রাসঙ্গিক আধুনিকতা উল্লেখযোগ্য রচনাবলি গীতাঞ্জলি (১৯১০), রবীন্দ্র রচনাবলী "গোরা" "আমার সোনার বাংলা" "ঘরে বাইরে" উল্লেখযোগ্য পুরস্কার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯১৩) দাম্পত্যসঙ্গী মৃণালিনী দেবী (বি. ১৮৭৩–১৯০২) আত্মীয় ঠাকুর পরিবার স্বাক্ষর সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
'Executive' এর পরিভাষা -
Correct Answer:
খ: নির্বাহী
Explanation:
'Executive' এর পরিভাষা - সঠিক উত্তর নির্বাহী যে শব্দের দ্বারা সংক্ষেপে কোন বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে ব্যক্ত করা যায় তাকেই পরিভাষা বলা হয়। শব্দ হল যেকোন কিছুর নাম বা তাকে ভাষায় প্রকাশ করার উপায়, প্রতিশব্দ হল সমার্থক শব্দ; কিন্তু পরিভাষা পুরোপুরিই সংজ্ঞাবাচক। এর অর্থ ব্যাপক। একটি পরিভাষা একটি পরিপূর্ণ সংজ্ঞাকে নির্দেশ করে। শব্দের অর্থ এবং পরিভাষার অর্থ ভিন্ন বা একেবারে বিপরীত হতে পারে। যেমন, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। সংস্কৃতে বিজ্ঞান শব্দের অর্থ ছিল ঈশ্বরানুভব, অপরোক্ষ জ্ঞান, তত্ত্বজ্ঞান বা বিশেষ জ্ঞান। কিন্তু বাংলায় এটি ইংরেজি science শব্দের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই বাংলায় বিজ্ঞান শব্দের অর্থ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার ফলে কোন বিষয়ে ক্রম অনুসারে লব্ধ জ্ঞান। ঈশ্বরানুভূতি এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান একেবারে বিপরীত। দেখা যাচ্ছে, পরিভাষার অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এটিই বর্তমানে একটি সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞার জন্ম দিয়েছে।
নিচের কোনটি কবি জসিমউদদীনের রচনা নয় ?
Correct Answer:
ক: পদ্মার পলিদ্বীপ
Explanation:
নিচের কোনটি কবি জসিমউদদীনের রচনা নয় ? সঠিক উত্তর পদ্মার পলিদ্বীপ পদ্মার পলিদ্বীপ কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং চতুর্থ প্রকাশিত গ্রন্থ। 'মুক্তধারা' গ্রন্থটি প্রকাশ করে ১৯৮৬ সালের এপ্রিলে। এই সংস্করণে প্রদত্ত ছোট্ট ভূমিকা থেকে জানা যায় লেখক এটি লিখতে শুরু করেছিলেন ১৯৬০ সালে, আর লেখা সমাপ্ত করেন ১৯৮৫ সালে।
' যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' ---- এখানে 'মুখ' বলতে কী বোঝাচ্ছে?
Correct Answer:
ঘ: শক্তি
Explanation:
' যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' ---- এখানে 'মুখ' বলতে কী বোঝাচ্ছে? সঠিক উত্তর শক্তি যে ভাষায় শব্দভাণ্ডার যত সমৃদ্ধ এবং যত বেশি অর্থবৈচিত্র্যে ঋদ্ধ সেই ভাষা তত উন্নত বলে স্বীকৃত। বাংলা একটি সমৃদ্ধ ভাষা হওয়ায় এ ভাষায় বানান ও উচ্চারণগত অভিন্নতা সত্ত্বে ও একই শব্দ বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে। উপরিউক্ত প্রশ্নে 'মুখ' দ্বারা এখানে স্পষ্টতই শক্তি বুঝানো হয়েছে।
'কাকনিদ্রা'বাগধারার অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: অগভীর সতর্ক নিদ্রা
Explanation:
'কাকনিদ্রা'বাগধারার অর্থ কী? সঠিক উত্তর অগভীর সতর্ক নিদ্রা বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে। যে পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে আভিধানিক অর্থের বাইরে আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় বাগধারা। বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ভাবের ইঙ্গিতময় প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তব্যকে রসমধুর করে উপস্থাপন করে। এদিক থেকে বাগধারা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ সম্পদ। বাগধারা গঠনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারকে শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলা হয়। একে বাগবিধিও বলা হয়ে থাকে।
'অরণ্যে রোদন' কথাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
গ: বৃথা চেষ্টা
Explanation:
'অরণ্যে রোদন' কথাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর বৃথা চেষ্টা অরণ্যে রোদন - বাগধারাটির অর্থ নিষ্ফল আবেদন.
'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই'---- কে বলেছেন?
Correct Answer:
ক: চণ্ডীদাস
Explanation:
'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই'---- কে বলেছেন? সঠিক উত্তর চণ্ডীদাস এই অমর উক্তিটি করেছেন মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচিয়তা চণ্ডীদাস। উল্লেখ্য, পদাবলীতে ভিন্ন ভিন্ন চণ্ডীদাসের নাম (চণ্ডীদাস দ্বিজ, চণ্ডীদাস দীন, চণ্ডীদাস আদি ইত্যাদি।) জানা যায়। তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চণ্ডীদাস তিনজন - বডু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা এবং দ্বিজ ও দীন পদাবলীর কবি।
কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?
Correct Answer:
ক: চতুরঙ্গ
Explanation:
কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা? সঠিক উত্তর চতুরঙ্গ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চতুরঙ্গ' (১৯১৬) একটি উপন্যাস। তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য উপন্যাস হলো - ' গোরা' (১৯১০) , 'ঘরে - বাইরে' (১৯১৬) , 'শেষের কবিতা' (১৯২৯) ইত্যাদি।
বাড়ি যাও -এটি কোন প্রকারের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: অনুজ্ঞা
Explanation:
বাড়ি যাও -এটি কোন প্রকারের বাক্য? সঠিক উত্তর অনুজ্ঞা আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা , অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যে রূপ হয়, তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।
' পদ্মানদীর মাঝী' উপন্যাসে অংকিত হয়েছে-
Correct Answer:
খ: ধীবর জীবন
Explanation:
' পদ্মানদীর মাঝী' উপন্যাসে অংকিত হয়েছে- সঠিক উত্তর ধীবর জীবন ধীবর হিন্দুদের চতুর্বর্ণের অন্তর্ভুক্ত একটি উপবর্ণ। এরা মূলত মৎস্যজীবী সম্প্রদায়। বৈদিক যুগে ভারতে কৃষিজীবী, পশুপালনকারী, শিকারি প্রভৃতি পেশাজীবী মানুষের পাশাপাশি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের লোকজনও ছিল। বৃহদ্ধর্মপুরাণে বারোটি মধ্যম সংকর শূদ্র বর্ণের মধ্যে ধীবর ও জালিক নামে দুটি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের উল্লেখ আছে।
শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী কাব্য রচনা করেন-
Correct Answer:
ঘ: বৃন্দাবন দাস
Explanation:
শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী কাব্য রচনা করেন- সঠিক উত্তর বৃন্দাবন দাস শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী রচনা করেন - বৃন্দাবন দাস। চৈতন্য জীবনী কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি - কৃষ্ণদাস কবিরাজ। চৈতন্যমঙ্গল এর রচয়িতা - লোচনদাস।
কোন সময়কে বাংলা সাহিত্যের 'অন্ধকার যুগ' বলা হয়?
Correct Answer:
খ: ১২০১-১৩৫০ খ্রি.
Explanation:
কোন সময়কে বাংলা সাহিত্যের 'অন্ধকার যুগ' বলা হয়? সঠিক উত্তর ১২০১-১৩৫০ খ্রি. তুর্কি যুগ (১২০১ - ১৩৫০ খ্রি.) বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের শুরুতেই ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে তথাকথিত 'অন্ধকার যুগ' বলে একটি বিতর্কিত বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে। তুর্কি শাসকদের সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়। তুর্কি যুগকে প্রধানত ভাষা গঠনের যুগ ছিল বলে মনে করা হয়।
'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থটি কার লেখা ?
Correct Answer:
গ: বেগম রোকেয়া
Explanation:
'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থটি কার লেখা ? সঠিক উত্তর বেগম রোকেয়া অবরোধ - বাসিনী ভারতবর্ষের অগ্রণী নারীবাদী লেখিকা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি গ্রন্থ। বেগম রোকেয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হিসেবে বিবেচিত গ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তৎকালীন ভারতবর্ষীয় নারীদের বিশেষ করে মুসলমান ঘরের নারীদের সমাজের অবরোধপ্রথার জন্য যে অসুবিধায় পড়তে হত তা বর্ণিত হয়েছে। মোট ৪৭ ঘটনাকে অনুগল্প আকারে লেখে বইটি তৈরি করা হয়েছে। ঘটনাগুলো সব বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া। এ বইয়ের মাধ্যমে বেগম রোকেয়া গল্পাকারে পর্দা প্রথার দরুন নারীদের দুর্ভোগ সবার কাছে উপস্থাপন করেছেন।
'এবং' কোন পদ?
Correct Answer:
ঘ: অব্যয়
Explanation:
'এবং' কোন পদ? সঠিক উত্তর অব্যয় বাক্যের মধ্যে ব্যবহারের সময় যে পদের কোনো পরিবর্তন ঘটে না তাকে অব্যয় পদ বলে। যেমন : এবং, ও, কিংবা, তবু প্রভৃতি।
'গুরুচান্ডলী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: শবদাহ
Explanation:
'গুরুচান্ডলী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর শবদাহ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া মৃত্যুর পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কর্তৃক শবদাহ বা মৃতদেহ পোড়ানোর ধর্মীয় সংস্কার। এই শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা হলে দাঁড়ায় অন্ত (শেষ) + ইষ্টি (সংস্কার) + ক্রিয়া অর্থাৎ মৃত্যুর পরে মৃতদেহের শেষবারের মতো সংস্কারকার্য। পূর্বে কঠোরভাবে এ সংস্কারের রীতিনীতি থাকলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কঠোরতামুক্ত। বর্তমানে শিশু, সন্ন্যাসী, সাপে কাটা অথবা বিশেষ কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জলসমাধি (পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া) কিংবা মৃৎসমাধি (মাটিতে কবর) দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। শবদাহ করার কাজে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে চন্দনকাঠ বা চন্দনগুঁড়া ব্যবহার করা হয়, কিন্তু সাধারণ লোকের ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই।
'ব্রজবুলি' বলতে কী বোঝায়?
Correct Answer:
খ: একরকম কৃত্রিম কবিভাষা
Explanation:
'ব্রজবুলি' বলতে কী বোঝায়? সঠিক উত্তর একরকম কৃত্রিম কবিভাষা 'ব্রজবুলি' হলো মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে গঠিত এক প্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। এই ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন অনেক কবি, যাদের মধ্যে গোবিন্দদাস, বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস ও জ্ঞানদাস অন্যতম। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ব্রজবুজি ভাষায়' ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' নামে কাব্য রচনা করেন।
শামসুর রাহমান এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ
Correct Answer:
ক: প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
Explanation:
শামসুর রাহমান এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সঠিক উত্তর প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য গ্রন্থ প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।
'কল্লোল' পএিকার সম্পাদক-
Correct Answer:
ঘ: দীনেশ রঞ্জন দাশ
Explanation:
'কল্লোল' পএিকার সম্পাদক- সঠিক উত্তর দীনেশ রঞ্জন দাশ ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। 'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত' শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
Explanation:
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর মাথা খাটিয়ে কাজ করবে মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে । একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগশব্দই ভাষার সম্পদ। বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে অসংখ্য শব্দ রয়েছে। এক একটি শব্দের এক একটি বিশেষ অর্থ আছে।কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে কোন একটি শব্দ শুধুমাত্র একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন বিশেষ বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দের এরূপ ব্যবহারকে ভিন্নার্থে প্রয়োগ বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে এরূপ কতকগুলো শব্দের ভিন্নার্থক বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদের প্রয়োগ দেখানো হল।একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগের ব্যবহারঅঙ্ক ক্রোড় –শিশুর কাছে মাতৃঅঙ্কই সবচেয়ে নিরাপদ। গণিত - সে অঙ্কে ভালো নম্বর পেয়েছে। নাটকের অধ্যায় - নাটকটি তিন অঙ্কে বিভক্ত। হিসাব - যেভাবে ঋণের অঙ্ক বাড়াচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? রেখা - সে কাগজে বিচিত্র অঙ্কপাত করল।অর্থ মানে – মনোযোগ দিয়ে পড়, তাহলেই অর্থ বুঝতে পারবে। ধন – সারাজীবন তো অর্থই জমালে, সুখ কতটুক পেলে? প্রয়োজন - অর্থ ছাড়া যে তুমি আসনি, তা তোমার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইঙ্গিত - তোমার কথার অর্থ আমি বুঝতে পেরেছি। উদ্দেশ্য – জানি না হঠাৎ করে আমাকে টেলিগ্রাম করার অর্থ কি!উত্তর দিক বিশেষ - হিমালয় বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত। জবাব - চুপ করে আছ কেন, উত্তর দাও। পরবর্তী - স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে নাটকের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে। ভবিষ্যৎ - দোয়া করি উত্তরকালে তুমি একজন দেশবরেণ্য নেতা হও। পরে – শব্দের উত্তরে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।উপায় কৌশল - চোরেরা চুরি করার আশায় নিত্যনতুন উপায় খুঁজে। রোজগার - জমি বিক্রি করে আর কতদিন চলবে, একটা উপায় খুঁজ। প্রতিকারের পথ - বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের সঠিক উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আরোহণ করা - গাছে ওঠা খুব সহজ কাজ নয়। জাগা - আর কত ঘুমুবে, এবার উঠে পড়। সংগৃহীত - মহল্লায় নাটক হবে, ছেলেরা তাই বাড়ি বাড়ি চাঁদা উঠাচ্ছে। লোপ পাওয়া - স্বার্থের টানাপড়েন কলেজটি শেষ পর্যন্ত উঠেই গেল। খুশি হওয়া - তাকে যতই দাও না কেন, মন উঠবে না। ছাপা হওয়া - বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের ক্রীড়ানৈপুণ্যের খবর ব্রিটেনের পত্রিকায় উঠেছে।উচ্চ লম্বা – ইংরেজরা দৈহিকভাবে বেশ উচ্চ। উদার - তাঁর মতো অমন উচ্চ মনের মানুষ আর দেখিনি। ভালো - পত্রিকাটি উচ্চমানের। সম্ভ্রান্ত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উচ্চ বংশের সন্তান ছিলেন। জোরাল - উচ্চকণ্ঠী নরেন বিশ্বাস আর বেঁচে নেই।কর হাত - তোমার কর স্পর্শ করে আমি যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তা আমি রক্ষা করব। খাজনা - সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি বিরাট অংশ কর থেকে আসে। কিরণ - আজি এ প্রভাতে রবির কর। হাতির শুঁড় – করীর আঘাতে ছোট ছেলেটির অকাল মৃত্যু হলো। করা - আর দেরি না করে কাজটি করে ফেল।কথা প্রতিশ্রুতি – কথা দিচ্ছি, তোমার কাজটি আমি করে দেব। অনুরোধ - আশা করি আমার কথা রাখবেন। প্রসঙ্গ – এ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতে হবে। বাক্যলাপ - তার সাথে কথা বলে বড় আনন্দ পেয়েছি। গল্প – অনেক দিন আগের কথা, এক দেশে এক রাজা ছিল।করা কাজ করা - তাড়াতাড়ি কাজটি করে ফেল। কানভারী - স্বার্থ আদায়ের জন্য সে বড় সাহেবের কানভারী করছে। গালাগালি করা - কথায় কথায় এত মুখ কর কেন? বশে আনা - তাকে হাত করতে গিয়ে তো পয়সা খোয়াচ্ছ, ফল কতটুক হবে? লালন - পালন করা - এ বাজারে সংসার লালন - পালন করা বড়ই কঠিন। ইতস্তত করা - যা করবার করে ফেল, এত ইতস্তত কর কেন? ভাড়া করা - পায়ে হেঁটে এতদূর যাওয়া যাবে না, রিক্সা করে যেতে হবে। সাহায্য করা - ভেব না, আমি তোমাকে সাহায্য করব।কড়া নির্মম – কুলি - মজুরদের সঙ্গে কড়া আচরণ করা ঠিক না। রন্ধনপত্র - এত ছোট কড়ায় কাজ হবে না। কপর্দক - এত সম্পত্তির মালিক ছিলেন তিনি অথচ এখন এক কড়া সম্পত্তিও তার নেই। দরজার হাতল - দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে তার ঘুম ভেঙে গেল। দৃঢ় চরিত্রের অধিকারী - অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি বড়েই কড়া।কাঁচা অপক্ব - কাঁচা আমের স্বাদই আলাদা। অদক্ষ - তোমার এ কাঁচা হাতের লেখা অনেকেই বুঝবে না। অসিদ্ধ – মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ হয়নি, কাঁচাই রয়েছে। মাটির তৈরি – বন্যায় বহু কাঁচা ঘর - বাড়ি ভেসে গেছে। অশুষ্ক - এ রকম কাঁচা কাঠ দিয়ে রান্না হবে না। কাল - চল্লিশের উপরে বয়স অথচ চুল তার কাঁচাই রয়েছে। অপরিণিত - এ কাঁচা বয়সে মেয়েটাকে বিয়ে দেয়া ঠিক হয়নি।কাল সময় - তাকে দেখতে চাইলে আর কালক্ষেপণ করা ঠিক হবে না। আগামীদিন, গতদিন - আমি আগামীকাল বাড়ি যাব। অবস্থা - এখন শৈশবকালের কথাই বেশি মনে পড়ে। সর্বনাশের কারণ - রাজনীতিই তার জন্য কাল হয়ে এল। মৃত্যু – ভয়াবহ এইডস মানুষের জন্য কাল হয়ে এসেছে।কর্ম কাজ - কর্মের নেশায় সে পাগল হয়ে উঠেছে। অদৃষ্ট - কর্মফলকে অস্বীকার করবে কি করে? পেশা - এ কর্মে তার মন ভরছে না। কর্তব্য - কর্মই ধর্ম, কর্মই মুক্তি। অনুষ্ঠান - বিবাহের ক্রিয়াকর্মে অনেক টাকার প্রয়োজন। সামর্থ্য - ছেলেটি কোন কর্মের নয়।কাটা খন্ডিত করা - আমগুলো কেটে আন। অপমানিত হওয়া - তার আচার - আচরণ দেখে লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল। সাঁতার কাটা – কতদিন হয় নদীতে সাঁতার কাটি না। খনন করা - পুকুর কেটে মাছের চাষ কর। বাজারে চলন - বইমেলায় নির্মলেন্দু গুণের বইয়ের বেশ কাটতি। চ্যুত হওয়া - সাবধানে গান গেও যাতে তাল না কেটে যায়। লজ্জিত হওয়া - তোমাকে জিভ কাটতে দেখেই বুঝে ফেলেছি যে তুমি লজ্জা পেয়েছ।কান্ড গাছের অংশ - বট গাছের বিশাল কান্ড থাকে। সাধারণ বিবেচনা - কান্ডজ্ঞান থাকলে কি সে একাজ করে? অধ্যায় - উপন্যাসটি কয়েক কান্ডে বিভক্ত। বিষয় - ছেলেদের কান্ড দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না। ব্যাপার - কি কান্ড বলতো দেখি?গা শরীর - গায়ে জ্বর আছে, গোসল করো না। ওঠা – অনেক ঘুমিয়েছ, এবার গা তুলো। আরাম করা - এভাবে কতদিন আর গায়ে ফুঁ দিয়ে চলবে। অত্মগোপন করা - এতগুলো টাকা মেরে সে গা ঢাকা দিল। গ্রাহ্য করা - কাজটি করে দেবার জন্য তোমাকে এত করে বলছি অথচ তুমি মোটেই গা করছ না। স্বস্তি পাওয়া - কালা জাহাঙ্গীর ধরা পড়েছে জেনে গা জুড়ালো।গরম উষ্ণ – এত গরম পড়েছে যে টেকাই দায়। উত্তপ্ত – দুথটুকু গরম করে আন। মসলা – মাংস পাকাতে হলে গরম মসলা প্রয়োজন। উগ্র - সাধারণ কথায় এমন গরম হও কেন? পশমি কাপড় - শীত না নামতেই বাজারে গরম কাপেড়ের ছড়াছড়ি। ধনের বড়াই - সামান্য কয়টা টাকা কামাই করেই এত গরম দেখাচ্ছ।গলা শরীরের বিশেষ প্রত্যজ্ঞ –জিরাফের গলা লম্বা। উচ্চকণ্ঠ - সামান্য কয়টা টাকার জন্য এত বড় গলায় কথা বলছেন কেন? নিষ্ফল বক্তৃতা - গলাবাজি করলেই ভোট পাওয়া যায় না। ধিক্বারসূচক উক্তি - আর কিছু না পার, তো গলায় দড়ি দিয়ে মর। গম্ভীর – প্রিন্সিপাল স্যারের ভারী গলা আমাদের ভয় ধরিয়ে দেয়। অধিক মূল্য হাঁকা - ঈদের বাজারে জিনিসপত্রের গলাকাটা দাম থাকে।গুণ উৎকর্ষ - সে কোন গুণেরই না, একেবারে অপদার্থ। পূরণ – দুই কে দুই দিয়ে গুণ করলে চার হয়। রজ্জু/রশি - বাতাস পড়ে যাওয়ায় মাঝিরা গুণ টানছে। বিশিষ্ট ধর্ম - লবণের সাথে চিনি মেশালে লবণের গুণ নষ্ট হয়। সুফল - বিদ্যাগুণে আজ সে এত বড় হয়েছে।ঘন গাঢ় – রক্তের উচ্চচাপ থাকলে ঘন দুধ না খাওয়াই ভালো। নিবিড় – আমাজান অববাহিকায় ঘন বন রয়েছে। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ও উচ্চতার পরিমাণ - কক্ষটির ঘনফল নির্ণয় কর। মেঘ – ’নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাঁই আর নাহিরে। অল্প সময়ের ব্যবধান – সে এত ঘন ঘন আসছে কেন?চাল চাউল - চাউলের দাম তেমন কমেনি। ফন্দি – যে চাল চেলেছ, সে না এসে কি পারে? আশ্রয় - ঐ চালচুলোহীন ছেলের হাতে মেয়েকে তুলে দিতে চাও? ঘরের ছাদ - টর্নেডোতে বহুঘরের চাল উড়ে গেছে। ব্যবহার - তাঁর চালচলন দেখেই বোঝা যায়, তিনি বনেদি ঘরের সন্তান। অহঙ্কার – খুব হয়েছে, আর বনেদি চাল দেখিও না।চোখ বুদ্ধি হওয়া - যাক কর্তাবাবুর চোখ তাহলে এতদিনে খুলেছে। রোগ বিশেষ – সাবধানে থেকো - অনেকেরই কিন্তু চোখ উঠেছে। ভয় দেখানো – এখনকার দিনে চোখ রাঙানিতে ফায়দা হয় না। লজ্জাহীনতা - তুমি তো চোখের মাথা খেয়েছ, কিছুই দেখছ না। খেয়াল রাখা - ছেলেটার উপরে একটু চোখ রাখবেন, যেন দুষ্টুমি না করে।ছল দোষ - কথার ছল ধরাটা তার পুরনো অভ্যাস। ছলনা - তোমার এ ছলচাতুরী একদিন ধরা পড়ে যাবে। কপট – সে যে এত বড় ছল, তা অগে জানতাম না। প্রসঙ্গ – কিছু মনে করে না, এমনি কথাচ্ছলে একথা বললাম। উদ্দেশ্য – গুপ্তচরটি কোন না কোন ছলে ফকির সেজেছে।ছোট ক্ষুদ্র – ‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে।’ কনিষ্ঠ –সে আমার ছোট ভাই। নম্র – বড় হতে চাইলে অগে ছোট হতে হয়। নীচ – ছিঃ! এত ছোট মন তোমার। অনধিকার চর্চা – ছোটমুখে বড় কথা মানায় না।জোর উদাত্ত – তিনি জোর গলায় ঘেষণা করলেন যে, তিনি সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন। শক্তি – জোর যার মুল্লুক তার। জবরদস্তি –মামুনের দোকান থেকে চাঁদাবাজরা জোর করে পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে গেল। আস্ফালন - গলার জোর দেখাও কেন? তোমাকে আমি ডরাই নাকি। দ্রুত – জোর কদম, চলরে চল।জাল নকল - এ জাল দলিল আমি মানি না। মায়া, ছল - জুয়েল আইচের ইন্দ্রজালে কে না অভিভূত হয়? ফাঁদ – জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরে। কপট – জাল পীরের খপ্পরে পড়ে তার সর্বনাশ হয়েছে। মারপাঁচ – তার বুদ্ধির জ্বালে আমি জড়িয়ে গেছি।তাল মাত্রাজ্ঞান – লোকটির গলা ভালো কিন্তু তাল বোধ একদম নেই। ভারসাম্য – সংসারের ঝামেলায় আর তাল সামলাতে পারছি না। ফলবিশেষ – তালের পিঠা বেজায় মিঠা। পাল্লা দেয়া - খামাখা তালাতালি করো না, ওর সাথে তোমরা পারবে না। মার – তাড়াতাড়ি সরে পড়, নইলে পিঠের উপর কিন্তু তাল পড়বে?তোলা ব্যবসায় গুটানো – ধার দেনা যেভাবে পড়ে গেছে, দোকানপাট না তুলে উপায় নেই। প্রহার – যখন - তখন ছেলের গায়ে হাত তোল না। মারা যাওয়া – অনেক বয়স হয়েছে লোকটির, যে কোন সময় তিনি পটল তুলতে পারেন। আলস্য প্রকাশ করা – ঘন ঘন হাই তুলছ কেন? ঘুমাতে যাবে নাকি? উথাপন করা - এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা সভায় তোলা হলো না কেন? সমাজভুক্ত করা - অনেক চেষ্টা করেও তাকে আমরা জাতে তুলতে পারিনি।দল রাজনৈতিক দল –বাংলাদেশে বহু রাজনৈতিক দল রয়েছে। ফুলের অংশ - দল, ফুলের একটি অংশ। গোষ্ঠী, সম্প্রদায় – মুসলমানেরা দল বেঁধে ঈদগায় যায়। সমূহ – তরুণ দলের উপর দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। জলজ তৃণ - অরক্ষিত জলাশয়গুলো দলে পরিপূর্ণ থাকে।দণ্ড খাঁচার দুয়ার – পিঞ্জর দণ্ডে বসে টিয়া পাখি শিস দিচ্ছে। লাঠি – দণ্ডের আঘাতে তার মাথা দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। ন্যায় – সৃষ্টিকর্তা তার ন্যায় দণ্ড আমাদের প্রত্যেকের উপর অর্পণ করেছেন। শাস্তি – এ কাজের জন্য তোমার কঠিন দণ্ড হবে। ২৪ মিনিট কাল সময় - তোমাকে তিলেক দণ্ড না দেখলে আমি অস্থির হয়ে যাই।নাম আখ্যা – কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন। খ্যাতি – লেখাপড়া শিখে যখন বড় হবে, তখন তোমার অনেক নাম হবে। পরিচয় –আপনার নাম কি? শপথ – আল্লাহ্’র নামে বলছি, আপনাকে আমি সাহায্য করব। স্মরণ - ওই ‘নাম’ জপলে মুক্তি পেয়ে যাবে। শব্দ মাত্র – সে নামেই নেতা, কামে নয়।নাক নাসিকা - নিঃশ্বাস - প্রশ্বাসের জন্য নাক একটি অপরিহার্য অঙ্গ। দ্রুত খাওয়া - নাকে মুখে না গুঁজলে ট্রেনটা নিশ্চিত ফেল করতাম। সাজা – কতবার যে নাকে খত দিয়েছ তার হিসাব আছে। নির্ভাবনা - নাকে তেল দিয়ে ঘুমালে চলবে না, সাবধান থাকতে হবে। শব্দ – সে ঘুমানো মাত্রই নাক ডাকে।পাকা পরিপক্ব - পাকা জাম খেতে মিষ্টি। খাঁটি – পাকা সোনায় খাদ থাকে না। অভিজ্ঞ – তিনি একজন পাকা লোক। দক্ষ – বুলবুল একজন পাকা খেলোয়াড়। স্থায়ী – শাড়িটির রং পাকা। সাদা – কী ব্যাপার, তোমার সব চুল দেখি পেকে যাচ্ছে। নিপুণ – তোমার মা রান্না - বান্নায় খুবই পাকা। বখাটে – ছেলেটা অল্প দিনেই পেকে গেছে। ইটের তৈরি – শহরের অধিকাংশ লোক পাকা বাড়িতে বাস করেন।পড়া পাল্লায় পড়া - বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে ফেরদৌসের জীবন আজ অন্ধকার। পঠন – মা এক ঘণ্টা ধরে কুরআন পড়ছেন। চেষ্টা করা – উঠে পড়ে লাগ, পরীক্ষায় অবশ্যই ভালো করবে। নতিস্বীকার - তোমার পায়ে পড়ি, এবারের মতো আমাকে রেহাই দাও। খরচ পড়া – অলঙ্কারগুলো বানাতে অনেক খরচ পড়েছে। প্রয়োজন হওয়া – আমার অত গরজ পড়েনি যে তাকে ডাকতে হবে। আটকে যাওয়া – তার ফাঁদে যদি একবার পড়, তাহলে আর নিস্তার নেই।পা তোষামোদ – এই আপনার পায়ে ধরে বলছি হুজুর, আপনার কথার অন্যথা হবে না। অঙ্গ বিশেষ – পা দুখানা হারিয়ে সে একেবারে পঙ্গু হয়েছে। অবঙ্গা করা - হাতের লক্ষীকে পায়ে ঠেলে দিও না। চাটুকার – সে তো চৌধুরী সাহেবের পা - চাটা কুকুর। অনুনয় করা – তোমার দুটি পয়ে পড়ি, কাজটি আমায় করে দাও।ফল পরিণতি –যে অন্যায় তুমি করেছ, এর ফল শুভ হবে না। ফলমূল – কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। পরীক্ষার ফলাফল – রীতিমত লেখাপড়া না করলে, পরীক্ষায় ভাল ফল করবে কি করে? উন্নতি – বনায়ন কর্মকান্ডে অংশ নাও, ফল দেবে। লাভ – অনুরোধে কোন ফল হবে না।বুক গর্ব করা – কোন রকমের একটা পাস দিয়েই নাসির বুক ফুলিয়ে হাঁটছে। সাহস – বড় সাহেবের মুখের উপর সত্য কথাটা বলতে পারলে? বুকের পাটা আছে তোমার। মন শক্ত করা – বুকে সাহস নিয়ে জীবন সংগ্রামে এগিয়ে যাও। হৃদয় বিদীর্ণ হওয়া – তার বুক ফাটা আর্তনাদ আমি সহ্য করতে পারিনি। সাহায্য করা – ভাইকে দূরে রেখ না, তোমার বিপদে সেইতো বুক পেতে দিবে।বড় ভালো – তোমার বাবা বড় ভালো লোক ছিলেন। ধনী – প্রামাণিক সাহেব হলেন এ তল্লাটের বড়লোক। জ্যেষ্ঠ – তিনি আমার চেয়ে বয়সে বড়। বিখ্যাত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একজন বড় রাজনীতিবিদ ছিলেন। উদার – তার সঙ্গে পরিচয় হলেই তুমি জানতে পারবে, তিনি কত বড় মনের অধিকারী। বিশাল – পৃথিবীটা অনেক বড়। অসাধারণ – তিনি একজন বড় মাপের লোক। অত্যন্ত – বড় বিপদে পড়ে তোমার কাছে এসেছি। বিশেষ – সামনেই বড় দিনের ছুটি।ভালো সুন্দর –শুধু রূপে ভালো হলে চলবে না, গুনে ভালো হওয়া চাই। শুভ – আমি তোমার ভালো চাই। সুস্থ – আমি ভালো আছি। সৎ - ভালো লোক হয়েও তিনি এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারলেন না। উত্তম আচরণ - তোমার আছ থেকে আমি ভালো ব্যবহার আশা করেছিলাম। সরল – জাকির সাহেব বেশ ভালো লোক।ভার বিষাদ – মুখ ভার করে থেকো না, একটু হাস। ওজন – এটুকু ছেলের মাথায় এত ভার দিয়েছ কেন? গুরুত্ব – আজকাল সমাজপতি হওয়া সহজ নয়, ধারেও কাটা চাই ভারেও কাটা চাই। কঠিন – এ ঊর্ধ্বগতির বাজারে, চলা বড় ভার। সমূহ – অসংখ্য মেঘের ভারে সারাটা আকাশ আচ্ছন্ন। দায়িত্ব – আমার ওপর এ কাজের ভার দেয়া হোক।ভুল অন্যায় – ভুল করেছ, শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে। ভ্রম – সব মানুষেরই কিছু কিছু ভুল থাকে। খারাপ – তোমার প্রতি আমার এতদিন ভুল ধারণা ছিল। অযথার্থ – ভালো কলে প্রশ্ন পড়ে নাও, ভুল উত্তর দিও না। বিস্মৃতি – সে আজ ভুলের অতল তলে ডুবে গেছে।ভাব চিন্তা – কবিতা লেখার আগে কবিরা ভাবে মগ্ন হন। মর্মার্থ – কবিতাটির ভাবার্থ লেখ। সম্প্রীতি –এ ক্লাসের ছাত্র - ছাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট ভাব রয়েছে। অভিপ্রায় – তোমার ভাবগতিক কিছুই বুঝতে পারছি না। কুমতলব – লোকটার প্রতি লক্ষ রেখ, ভাবগতিক সুবিধার মনে হচ্ছে না। উন্মাদনা – গান শুনতে শুনতে তোমার ভাব লাগল নাকি?মোটা স্থূল – এমন মোটা বুদ্ধি নিয়ে এ কাজ করা সম্ভব নয়। উচ্চৈঃস্বর – চাকর - বাকরকে ডাকার সময় স্বর একটু মোটাই হয়। প্রচুর – মোটা অঙ্কের ধার নিয়েতো মেয়ে বিয়ে দিচ্ছ, শোধ করবে কেমনে? বড় আকৃতি – আমার মামা একজন মোটা লোক। সাধারণ – কৃষকের জন্য মোটা ভাত মোটা কাপড়ই যথেষ্ট। খারাপ – কাউকে মোটা কথা বলা ঠিক নয়। অমৃসণ – কৃষক বধূরা মোটা কাপড় পরিধান করে।
চর্যাপদ কোথা থেকে আবিস্কৃত হয়?
Correct Answer:
ঘ: নেপালের রাজ গ্রন্থশালা
Explanation:
চর্যাপদ কোথা থেকে আবিস্কৃত হয়? সঠিক উত্তর নেপালের রাজ গ্রন্থশালা চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁরই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ কি ?
Correct Answer:
ঘ: খিচুনি ধরা
Explanation:
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ কি ? সঠিক উত্তর খিচুনি ধরা ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ (EVD), ইবোলা হেমোরেজিক ফিভার (EHF), শুধু ইবোলা অথবা এবোলা হল ইবোলা ভাইরাস ঘটিত মনুষ্য রোগ। সাধারণতঃ লক্ষণগুলি ধরা পড়ে ভাইরাস সংক্রমণের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর, যেগুলি হল জ্বর, গলা ব্যথা, পেশীর ব্যথা, এবং মাথা ধরা। সাধারণতঃ এর পর গা গোলানো, বমি, এবং ডাইরিয়া হয়,সাথে লিভার ও কিডনীর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এই জায়গাতে এসে কিছু মানুষের রক্তপাতজনিত সমস্যা শুরু হয়।এই ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে কোন সংক্রামিত পশুর (সাধারণতঃ বানর অথবা ফলাহারী বাদুড় fruit bat) - এর রক্ত বা শরীর রস - এর সংস্পর্শ থেকে। প্রাকৃতিক পরিবেশে হাওয়ার মাধ্যমে সংক্রমণের কোন খবর পাওয়া যায়নি । বিশ্বাস করা হয় যে বাদুড় নিজে আক্রান্ত না হয়ে এই রোগ বহন করে ও ছড়ায়। মানব শরীরে একবার সংক্রমণ ঘটলে মানুষের মধ্যে এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। জীবিত পুরুষের বীর্য - এর মাধ্যমে এই রোগ প্রায় দুই মাস পর্যন্ত পরিবাহিত হতে সক্ষম। রোগণিরূপণ করার জন্য সাধারণতঃ একই প্রকার লক্ষণযুক্ত অন্যান্য রোগ, যেমন, ম্যালেরিয়া, কলেরা এবং অন্যান্য ভাইরাল হেমোরেজিক ফিভারগুলিকে বাদ দিতে হয়। রোগণিরূপণকে নিশ্চিত করতে রক্তের নমুনাগুলির পরীক্ষা ভাইরাল অ্যান্টিবডি, ভাইরাল RNA, অথবা এই ভাইরাসটির জন্যই করতে হবে।রোগ প্রতিরোধ করার জন্য আক্রান্ত বানর ও শূকরের থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়ানো হ্রাস হওয়া দরকার। রোগ ধরা পড়লে এইরকম সংক্রমিত প্রাণীদের চিহ্নিত করে মেরে ফেলে দেহগুলি সঠিকভাবে বিনষ্ট করে ফেলার মাধ্যমে এটা করা যেতে পারে। সঠিকভাবে রান্না হওয়া মাংস এবং মাংস নিয়ে কাজ করার সময় প্রতিরোধী পরিচ্ছদ পরা সহায়ক হতে পারে, একইভাবে যখন রোগগ্রস্ত কেউ কাছাকাছি থাকে তখন প্রতিরোধী পরিচ্ছদ পরা এবং হাত ওয়াশকরা প্রয়োজন। রোগগ্রস্ত ব্যক্তির শরীর রস এবং কোষকলার নমুনা বিশেষ সতর্কতার সাথে নাড়াচাড়া করতে হবে। এই রোগের কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই; আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করতে হয় ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি (পান করার জন্য সামান্য মিষ্টি ও নোনতা জল) নয়তো ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইডদেওয়া হয়। এই রোগে মৃত্যু হার অত্যন্ত বেশি: প্রায়শ এই ভাইরাস আক্রান্তদের মৃত্যুর হার হয় 50% থেকে 90% - এর মধ্যে। EVD প্রথম চিহ্নিত হয় সুদান ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রতে। সাধারণতঃ এই রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয় সাব - সাহারান আফ্রিকার ট্রপিক্যাল অঞ্চলে। 1976 থেকে (যখন এটি প্রথম শনাক্ত হয়) 2013 পর্যন্ত, fewer than প্রতিবছর 1,000 - এর বেশি লোকের সংক্রমণ ঘটেছে। আজ পর্যন্ত বৃহত্তম মহামারী এখন চলছে 2014 পশ্চিম আফ্রিকা ইবোলা মহামারী, যার প্রকোপে পড়েছে গিনি, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া এবং সম্ভবতঃ নাইজেরিয়া। আগস্ট 2014 পর্যন্ত 1600 - র বেশি কেস শনাক্ত করা হয়েছে। ভ্যাক্সিন তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কিছু করা যায়নি। ইবোলা ভাইরাসজনিত রোগ অন্যান্য নাম ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ, ইবোলা হেমোরেজিক ফিভার, ইবোলা, এবোলা Two nurses standing near Mayinga N'Seka, a nurse with Ebola virus disease in the 1976 outbreak in Zaire. N'Seka died a few days later. বিশেষত্ব Infectious disease লক্ষণ জ্বর, sore throat, muscular pain, headaches, উদরাময়, bleeding জটিলতা Low blood pressure from fluid loss সাধারণ সূত্রপাত Two days to three weeks post exposure কারণ Ebolaviruses spread by direct contact রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি Finding the virus, viral আরএনএ, or অ্যান্টিবডি in blood পার্থক্যজনিত নির্ণয় ম্যালেরিয়া, কলেরা, টাইফয়েড জ্বর, meningitis, other viral haemorrhagic fevers প্রতিরোধ Coordinated medical services, careful handling of bushmeat চিকিত্সা Supportive care আরোগ্যসম্ভাবনা 25–90% mortality সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
' আবোল- তাবোল' কার লেখা?
Correct Answer:
গ: সুকুমার রায়
Explanation:
' আবোল- তাবোল' কার লেখা? সঠিক উত্তর সুকুমার রায় প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও শিশুতোষ পত্রিকা' সন্দেশ' (১৯১৩) প্রতিষ্ঠাতা সুকুমার রায় (১৮৮৭ - ১৯২৩ খ্রি.) - এর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত 'আবোল - তাবোল' (১৯২৩), 'হ - য - ব - র - ল' (১৯২৪) ,'পাগলা দাশু' (১৯৪০) ,'বহুরুপী ' (১৯৪৪) ইত্যাদি বইগুলো বাংলা শিশুতোষ সাহিত্যের অমর সৃষ্টি।
'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনোটি?
Correct Answer:
গ: প্রাচীন
Explanation:
'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনোটি? সঠিক উত্তর প্রাচীন 'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত শব্দ - প্রাচীনঅর্বাচীন /বিশেষণ পদ/ অপক্কবুদ্ধি, নবীন, মূর্খ। /অর্বাচ্ + ঈন/। বিপরীতার্থক শব্দ/ বিপরীত শব্দএকটি শব্দের বিপরীত অর্থবাচক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে । সাধারণত শব্দের শুরুতে অ, অন, অনা, অপ, অব, দূর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গগুলো যুক্ত করলে শব্দের অর্থ না - বাচক বা নিষেধবোধক অর্থে রূপান্তরিত হয় । তাই শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরিতেও এই উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - আগত – শব্দটির শুরুতে অন - উপসর্গটি যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ হল - অনাগত । আবার যে সব শব্দের শুরুতে হ্যাঁ - বোধক উপসর্গ থাকে, তাদের শুরুর সেই উপসর্গের বদলে না - বোধক উপসর্গও ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - অনুরাগ - শব্দটি রাগ - শব্দমূলের পূর্বে অনু - উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে অনু - উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে । এখন অনু - র পরিবর্তে বি - উপসর্গ ব্যবহার করলে, বিরাগ - শব্দে বি - উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, এবং শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে যায় । অর্থাৎ, ইতিবাচক অনু - উপসর্গের বদলে নেতিবাচক বি - উপসর্গের ব্যবহারে বিপরীত শব্দ গঠিত হল । তবে সাধারণত, শব্দের বিপরীত শব্দগুলো অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থবোধক হয়; না - বোধক বা নেতিবাচক হয় না । তাই, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরকম কোন নিয়ম খাটে না । বরং অর্থের দিক থেকে যথাযথ বিপরীত শব্দটিই গৃহীত হয় ।যেমন - আজ – কাল, অতীত - ভবিষ্যত, অধম - উত্তম, ইত্যাদি । কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ অ অকর্মক সকর্মক অজ্ঞ প্রাজ্ঞ অধিত্যকা উপত্যকা অক্ষম সক্ষম অতিকায় ক্ষুদ্রকায় অনন্ত সান্ত অগ্র পশ্চাৎ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি অনুকূল প্রতিকূল অগ্রজ অনুজ অতীত ভবিষ্যত অনুগ্রহ নিগ্রহ অণু বৃহৎ অদ্য কল্য অগ্রজ অনুজ অচল সচল অধঃ ঊর্ধ্ব অনুরক্ত বিরক্ত অচলায়তন সচলায়তন অধম উত্তম অনুরাগ বিরাগ অচেতন সচেতন অধমর্ণ উত্তমর্ণ অনুলোম প্রতিলোম অলীক সত্য অশন অনশন অস্তগামী উদীয়মান অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অসীম সসীম অস্তি নাস্তি/নেতি অহিংস সহিংস আ আকর্ষণ বিকর্ষণ আধার আধেয় আরোহণ অবরোহণ আকুঞ্চন প্রসারণ আপদ সম্পদ আর্দ্র শুষ্ক আগত অনাগত আবশ্যক অনাবশ্যক আর্য অনার্য আগমন প্রস্থান আবশ্যিক ঐচ্ছিক আলস্য শ্রম আজ কাল আবাদি অনাবাদি আলো আঁধার আত্ম পর আবাহন বিসর্জন আশীর্বাদ অভিশাপ আত্মীয় অনাত্মীয় আবির্ভাব তিরোভাব আসক্ত নিরাসক্ত আদি অন্ত আবির্ভূত তিরোহিত আসামি ফরিয়াদী আদিম অন্তিম আবিল অনাবিল আস্তিক নাস্তিক আদ্য অন্ত্য আবৃত উন্মুক্ত আস্থা অনাস্থা ই ইচ্ছুক অনিচ্ছুক ইদানীন্তন তদানীন্তন ইহকাল পরকাল ইতর ভদ্র ইষ্ট অনিষ্ট ইহলোক পরলোক ইতিবাচক নেতিবাচক ইহলৌকিক পারলৌকিক ঈ ঈদৃশ তাদৃশ ঈষৎ অধিক উ উক্ত অনুক্ত উত্তরায়ণ দক্ষিণায়ন উন্নত অবনত উগ্র সৌম্য উত্তাপ শৈত্য উন্নতি অবনতি উচ্চ নীচ উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ণ উন্নীত অবনমিত উজান ভাটি উত্থান পতন উন্নয়ন অবনমন উঠতি পড়তি উত্থিত পতিত উন্মুখ বিমুখ উঠন্ত পড়ন্ত উদয় অস্ত উন্মীলন নিমীলন উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট উদ্ধত বিনীত/ নম্র উপকর্ষ অপকর্ষ উৎকর্ষ অপকর্ষ উদ্বৃত্ত ঘাটতি উপচয় অপচয় উৎরাই চড়াই উদ্যত বিরত উপকারী অপকারী উত্তম অধম উদ্যম বিরাম উপকারিতা অপকারিতা উত্তমর্ণ অধমর্ণ উর্বর ঊষর উপচিকীর্ষা অপচিকীর্ষা উত্তর দক্ষিণ উষ্ণ শীতল ঊ ঊর্ধ্ব অধঃ ঊর্ধ্বগতি অধোগতি ঊষা সন্ধ্যা ঊর্ধ্বতন অধস্তন ঊর্ধ্বগামী অধোগামী ঊষর উর্বর ঋ ঋজু বক্র এ একান্ন পৃথগান্ন একাল সেকাল একূল ওকূল এখন তখন ঐ ঐকমত্য মতভেদ ঐশ্বর্য দারিদ্র্য ঐহিক পারত্রিক ঐক্য অনৈক্য ও ওস্তাদ সাকরেদ ঔ ঔদার্য কার্পণ্য ঔচিত্য অনৌচিত্য ঔজ্জ্বল্য ম্লানিমা ঔদ্ধত্য বিনয় ক কচি ঝুনা কুৎসিত সুন্দর কৃশাঙ্গী স্থূলাঙ্গী কদাচার সদাচার কুফল সুফল কৃষ্ণ শুভ্র/গৌর কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ কুবুদ্ধি সুবুদ্ধি কৃষ্ণাঙ্গ শ্বেতাঙ্গ কপট সরল/অকপট কুমেরু সুমেরু কোমল কঠিন কপটতা সরলতা কুরুচি সুরুচি ক্রন্দন হাস্য কর্মঠ অকর্মণ্য কুলীন অন্ত্যজ ক্রোধ প্রীতি কল্পনা বাস্তব কুশাসন সুশাসন ক্ষণস্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী কাপুরুষ বীরপুরুষ কুশিক্ষা সুশিক্ষা ক্ষীপ্র মন্থর কুঞ্চন প্রসারণ কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ/ কৃতঘ্ন ক্ষীয়মান বর্ধমান কুটিল সরল কৃপণ বদান্য কুৎসা প্রশংসা কৃশ স্থূল খ খ্যাত অখ্যাত খুচরা পাইকারি খেদ হর্ষ খ্যাতি অখ্যাতি গ গঞ্জনা প্রশংসা গূঢ় ব্যক্ত গৌণ মুখ্য গতি স্থিতি গুপ্ত প্রকাশিত গৌরব অগৌরব গদ্য পদ্য গৃহী সন্ন্যাসী গ্রামীণ নাগরিক গণ্য নগণ্য গ্রহণ বর্জন গ্রাম্য শহুরে গরল অমৃত গৃহীত বর্জিত গ্রাহ্য অগ্রাহ্য গরিমা লঘিমা গেঁয়ো শহুরে গরিষ্ঠ লঘিষ্ঠ গোপন প্রকাশ ঘ ঘাটতি বাড়তি ঘাত প্রতিঘাত ঘৃণা শ্রদ্ধা চ চক্ষুষ্মান অন্ধ চল অচল চিরায়ত সাময়িক চঞ্চল স্থির চলিত অচলিত/সাধু চ্যূত অচ্যূত চড়াই উৎরাই চিন্তনীয় অচিন্ত্য/অচিন্তনীয় চতুর নির্বোধ চুনোপুটি রুই - কাতলা ছ ছটফটে শান্ত জ জঙ্গম স্থাবর জল স্থল জোড় বিজোড় জড় চেতন জলে স্থলে জোয়ার ভাটা জটিল সরল জলচর স্থলচর জ্যোৎস্না অমাবস্যা জনাকীর্ণ জনবিরল জাতীয় বিজাতীয় জ্ঞাত অজ্ঞাত জন্ম মৃত্যু জাল আসল জ্ঞানী মূর্খ জমা খরচ জিন্দা মুর্দা জ্ঞেয় অজ্ঞেয় জরিমানা বকশিশ জীবন মরণ জ্যেষ্ঠা কনিষ্ঠা জাগ্রত ঘুমন্ত/সুপ্ত জীবিত মৃত জাগরণ ঘুম/সুপ্ত জৈব অজৈব ঠ ঠুনকো মজবুত ড ডুবন্ত ভাসন্ত ত তদীয় মদীয় তারুণ্য বার্ধক্য তীক্ষ্ণ স্থূল তন্ময় মন্ময় তিমির আলোক তীব্র মৃদু তস্কর সাধু তিরস্কার পুরস্কার তুষ্ট রুষ্ট তাপ শৈত্য তীর্যক ঋজু ত্বরিত শ্লথ দ দক্ষিণ বাম দুর্জন সুজন দৃঢ় শিথিল দণ্ড পুরস্কার দুর্দিন সুদিন দৃশ্য অদৃশ্য দাতা গ্রহীতা দুর্নাম সুনাম দেনা পাওনা দিবস রজনী দুর্বুদ্ধি সুবুদ্ধি দেশী বিদেশী দিবা নিশি/রাত্রি দুর্ভাগ্য সৌভাগ্য দোষ গুণ দিবাকর নিশাকর দুর্মতি সুমতি দোষী নির্দোষ দীর্ঘ হ্রস্ব দুর্লভ সুলভ দোস্ত দুশমন দীর্ঘায়ু স্বল্পায়ু দুষ্কৃতি সুকৃতি দ্বিধা নির্দ্বিধা/ দ্বিধাহীন দুঃশীল সুশীল দুষ্ট শিষ্ট দ্বৈত অদ্বৈত দুরন্ত শান্ত দূর নিকট দ্যুলোক ভূলোক দুর্গম সুগম দ্রুত মন্থর ধ ধনাত্মক ঋণাত্মক ধারালো ভোঁতা ধূর্ত বোকা ধনী নির্ধন/দরিদ্র ধামির্ক অধার্মিক ধৃত মুক্ত ধবল শ্যামল ন নতুন পুরাতন নিন্দা জাগরণ নির্মল মলিন নবীন নিন্দিত নিয়োগ বরখাস্ত নির্লজ্জ সলজ্জ নবীন প্রবীণ নিরক্ষর সাক্ষর নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তা নর নারী নিরবলম্ব স্বাবলম্ব নীরস সরস নশ্বর অবিনশ্বর নিরস্ত্র সশস্ত্র নিশ্চেষ্ট সচেষ্ট নাবালক সাবালক নিরাকার সাকার নৈঃশব্দ্য সশব্দ নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নির্দয় সদয় নৈতিকতা অনৈতিকতা নিকৃষ্ট উৎকৃষ্ট নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট নৈসর্গিক কৃত্তিম নিত্য অনিত্য নির্দেশক অনির্দেশক ন্যায় অন্যায় ন্যূন অধিক প পক্ষ বিপক্ষ পূণ্যবান পূণ্যহীন প্রফুল্ল ম্লান পটু অপটু পুরস্কার তিরস্কার প্রবীণ নবীন পণ্ডিত মূর্খ পুষ্ট ক্ষীণ প্রবেশ প্রস্থান পতন উত্থান পূর্ণিমা অমাবস্যা প্রভু ভৃত্য পথ বিপথ পূর্ব পশ্চিম প্রশ্বাস নিঃশ্বাস পবিত্র অপবিত্র পূর্ববর্তী পরবর্তী প্রসন্ন বিষণ্ণ পরকীয় স্বকীয় পূর্বসূরী উত্তরসূরী প্রসারণ সংকোচন/আকুঞ্চন পরার্থ স্বার্থ পূর্বাহ্ণ অপরাহ্ণ প্রাচ্য প্রতীচ্য পরিকল্পিত অপরিকল্পিত প্রকাশিত অপ্রকাশিত প্রাচীন অর্বাচীন পরিশোধিত অপরিশোধিত প্রকাশ গোপন প্রতিকূল অনুকূল পরিশ্রমী অলস প্রকাশ্যে নেপথ্যে প্রায়শ কদাচিৎ পাপ পূণ্য প্রজ্জ্বলন নির্বাপণ প্রারম্ভ শেষ পাপী নিষ্পাপ প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রীতিকর অপ্রীতিকর পার্থিব অপার্থিব প্রধান অপ্রধান ফ ফলন্ত/ফলনশীল নিস্ফলা ফলবান নিস্ফল ফাঁপা নিরেট ব বক্তা শ্রোতা বাধ্য অবাধ্য বিফল সফল বন্দনা গঞ্জনা বামপন্থী ডানপন্থী বিফলতা সফলতা বন্দী মুক্ত বাস্তব কল্পনা বিবাদ সুবাদ বদ্ধ মুক্ত বাল্য বার্ধক্য বিয়োগান্ত মিলনান্ত বন্ধন মুক্তি বাহুল্য স্বল্পতা বিয়োগান্তক মিলনান্তক বন্ধুর মসৃণ বাহ্য আভ্যন্তর বিরহ মিলন বন্য পোষা বিজেতা বিজিত বিলম্বিত দ্রুত বয়োজ্যেষ্ঠ বয়োকনিষ্ঠ বিদ্বান মূর্খ বিষাদ আনন্দ/ হর্ষ বরখাস্ত বহাল বিধর্মী স্বধর্মী বিস্তৃত সংক্ষিপ্ত বর্ধমান ক্ষীয়মান বিনয় ঔদ্ধত্য ব্যক্ত গুপ্ত বর্ধিষ্ণু ক্ষয়িষ্ণু বিনীত উদ্ধত ব্যর্থ সার্থক বহির্ভূত অন্তর্ভূক্ত বিপন্ন নিরাপদ ব্যর্থতা সার্থকতা বাদি বিবাদি বিপন্নতা নিরাপত্তা ব্যষ্টি সমষ্টি ভ ভক্তি অভক্তি ভাটা জোয়ার ভূত ভবিষ্যত ভদ্র ইতর ভাসা ডোবা ভূমিকা উপসংহার ভীরু নির্ভীক ভোগ ত্যাগ ভেদ অভেদ ম মঙ্গল অমঙ্গল মহাত্মা দুরাত্মা মুক্ত বন্দী মঞ্জুর নামঞ্জুর মানানসই বেমানান মুখ্য গৌণ মতৈক্য মতানৈক্য মান্য অমান্য মূর্খ জ্ঞানী মসৃণ খসখসে মিতব্যয়ী অমিতব্যয়ী মূর্ত বিমূর্ত মহৎ নীচ মিথ্যা সত্য মৌখিক লিখিত মহাজন খাতক মিলন বিরহ মৌলিক যৌগিক য যত্ন অযত্ন যুদ্ধ শান্তি যৌথ একক যশ অপযশ যোগ বিয়োগ যৌবন বার্ধক্য যুক্ত বিযুক্ত যোগ্য অযোগ্য যুগল একক যোজন বিয়োজন র রক্ষক ভক্ষক রাজি নারাজ রোদ বৃষ্টি রমণীয় কুৎসিত রুগ্ন সুস্থ রোগী নিরোগ রসিক বেরসিক রুদ্ধ মুক্ত রাজা প্রজা রুষ্ট তুষ্ট ল লঘিষ্ঠ গরিষ্ঠ লাজুক নির্লজ্জ লেন দেন লঘু গুরু লেজ মাথা লেনা দেনা লব হর লৌকিক অলৌকিক শ শঠ সাধু শিষ্ট অশিষ্ট শুষ্ক সিক্ত শঠতা সাধুতা শিষ্য গুরু শূণ্য পূর্ণ শায়িত উত্থিত শীত গ্রীষ্ম শোভন অশোভন শয়ন উত্থান শীতল উষ্ণ শ্বাস প্রশ্বাস শারীরিক মানসিক শুক্লপক্ষ কৃষ্ণপক্ষ শ্রী বিশ্রী শালীন অশালীন শুচি অশুচি শ্লীল অশ্লীল শাসক শাসিত শুদ্ধ অশুদ্ধ শিক্ষক ছাত্র শুভ্র কৃষ্ণ স সংকীর্ণ প্রশস্ত সদৃশ বিসদৃশ সাহসিকতা ভীরুতা সংকোচন প্রসারণ সধবা বিধবা সিক্ত শুষ্ক সংকুচিত প্রসারিত সন্ধি বিগ্রহ সুকৃতি দুষ্কৃতি সংক্ষিপ্ত বিস্তৃত সন্নিধান ব্যবধান সুগম দুর্গম সংক্ষেপ বিস্তার সফল বিফল সুন্দর কুৎসিত সংক্ষেপিত বিস্তারিত সবল দুর্বল সুদর্শন কুদর্শন সংগত অসংগত সবাক নির্বাক সুধা জাগ্রত সংযত অসংযত সমতল অসমতল সুপ্ত জাগ্রত সংযুক্ত বিযুক্ত সমষ্টি ব্যষ্টি সুয়ো দুয়ো সংযোগ বিয়োগ সমাপিকা অসমাপিকা সুশীল দুঃশীল সংযোজন বিয়োজন সমাপ্ত আরম্ভ সুশ্রী কুশ্রী সংশ্লিষ্ট বিশ্লিষ্ট সম্পদ বিপদ সুষম অসম সংশ্লেষণ বিশ্লেষণ সম্প্রসারণ সংকোচন সুসহ দুঃসহ সংহত বিভক্ত সম্মুখ পশ্চাত সুস্থ দুস্থ সংহতি বিভক্তি সরব নিরব সূক্ষ্ম স্থূল সকর্মক অকর্মক সরল কুটিল/জটিল সৃষ্টি ধ্বংস সকাল বিকাল সশস্ত্র নিরস্ত্র সৌখিন পেশাদার সক্রিয় নিষ্ক্রিয় সস্তা আক্রা সৌভাগ্যবান দুর্ভাগ্যবান/ভাগ্যহত সক্ষম অক্ষম সসীম অসীম স্তুতি নিন্দা সচল নিশ্চল সহযোগ অসহযোগ স্তাবক নিন্দুক সচেতন অচেতন সহিষ্ণু অসহিষ্ণু স্থাবর জঙ্গম সচেষ্ট নিশ্চেষ্ট সাঁঝ সকাল স্থলভাগ জলভাগ সচ্চরিত্র দুশ্চরিত্র সাকার নিরাকার স্নিগ্ধ রুক্ষ সজাগ নিদ্রিত সাক্ষর নিরক্ষর স্বনামী বেনামী সজ্জন দুর্জন সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য স্বর্গ নরক সজ্ঞান অজ্ঞান সাফল্য ব্যর্থতা স্বাতন্ত্র্য সাধারণত্ব সঞ্চয় অপচয় সাবালক নাবালক স্বাধীন পরাধীন সতী অসতী সাবালিকা নাবালিকা স্বার্থপর পরার্থপর সত্বর ধীর সাম্য বৈষম্য স্মৃতি বিস্মৃতি সদয় নির্দয় সার অসার স্থির অস্থির সদর অন্দর সার্থক নিরর্থক সদাচার কদাচার সাহসী ভীরু হ হরণ পূরণ হাল সাবেক হৃদ্যতা শত্রুতা হর্ষ বিষাদ হালকা ভারি হ্রস্ব দীর্ঘ হাজির গরহাজির হিত অহিত হ্রাস বৃদ্ধি হার জিত হিসেবি বেহিসেবি
বত্রিশ সিংহাসনের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
Explanation:
বত্রিশ সিংহাসনের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে উইলিয়াম কেরির তত্ত্বাবধানে প্রধান পণ্ডিত থাকাকালীন ১৮০২ সালে মৃত্যুঞ্জয়ের 'বত্রিশ সিংহাসন' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
কোনটি কাব্যগ্রন্থ?
Correct Answer:
গ: কয়েকটি কবিতা
Explanation:
কোনটি কাব্যগ্রন্থ? সঠিক উত্তর কয়েকটি কবিতা নাগরিক কবি সমর সেন (১৯১৬ - ১৯৮৭ খ্রি) রচিত 'কয়েকটি কবিতা' (১৯৩৭)। একটি কাব্যগ্রন্থ।
'বিয়েপাগলা' শব্দটি কোণ সমাস ?
Correct Answer:
খ: তৎপুরুষ
Explanation:
'বিয়েপাগলা' শব্দটি কোণ সমাস ? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি, আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা, বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি, বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা ইত্যাদি।
রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম-
Correct Answer:
ক: গৌড়ীয় ব্যকরণ
Explanation:
রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম- সঠিক উত্তর গৌড়ীয় ব্যকরণ গৌড়ীয় ব্যাকরণ বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়, প্রকাশিত ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ। এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন। গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচিত হয় তৎকালীন স্কুল - বুক সোসাইটির অভিপ্রায়ে এবং ছাত্রদের পাঠোপযোগী করে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কোন প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসাগর উপাধী প্রদান করেন?
Correct Answer:
ক: সংস্কৃত কলেজ
Explanation:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কোন প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসাগর উপাধী প্রদান করেন? সঠিক উত্তর সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন - ১৮২০ সালে । ঈশ্বরচন্দ্রকে বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে - সংস্কৃত কলেজ । ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা - প্রভাবতী সম্ভাষণ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তবিলাস' কোন নাটকের গন্য অনুবাদ? উত্তরঃ কমেডি অব এররস।
নিচের কোন শব্দটি ' চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়?
Correct Answer:
ঘ: কর
Explanation:
নিচের কোন শব্দটি ' চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়? সঠিক উত্তর কর কর শব্দটি ' চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়। চিকুর এর সমার্থক শব্দ - চুল, কুন্তল, কেশ, অলক । সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ এবং বাক্যে প্রয়োগসমার্থক বলতে সমান অর্থকে বুঝায়। অর্থাৎ সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো অনুরূপ বা সম অর্থবোধক শব্দ। যে শব্দ অন্য কোন শব্দের একই অর্থ কিংবা প্রায় সমান অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। সমার্থক শব্দের একটিকে অন্যটির প্রতিশব্দ বলা হয়। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় Synonym.উদাহরণ:অশ্রু: চোখের জল, নেত্রবারি, ধারাপাত, বর্ষণ।অপচয়: অপব্যয়, বৃথাব্যয়, ক্ষতি, ক্ষয়, হ্রাস।অগ্নি: আগুন, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, অনল, দহন, শিখা, সর্বভুক, কৃশানু, বৈশ্বানর।সমার্থক শব্দের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:মনের ভাব যথাযথভাবে প্রকাশ করতে হলে আমাদের অবশই সমার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। তাই সমার্থক বা প্রতিশব্দের ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে: প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে। গুরুচন্ডালি দোষমুক্তির প্রয়োজনে সমার্থক শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। গাম্ভীর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান - যথাযথ প্রতিশব্দ বা সমার্থক ছাড়া সম্ভব নয়। মনের ভাব প্রকাশের কাজকে সহজ করে দেয়। ভাষাশৈলীর অবয়ব গঠনকে বলিষ্ঠ করে। বাক্য বিন্যাসের ক্ষেত্রে মাধুর্য আনয়ন করে। সৃজনশীল সাহিত্য সৃষ্টি করে। প্রতিশব্দ ভাষার সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার প্রাণ। কবিতার উপমা, শব্দ চয়ন ও ভাষার আতিশয্যে গাম্ভীর্যের বিকাশ ঘটায়। মননশীল সাহিত্য সৃষ্টি ও আধুনিক ধারা বিকাশে সহায়ক।সমার্থক শব্দ ও প্রতিশব্দের বাক্যে প্রয়োগ: অগ্নি সমার্থক শব্দ অনল = ’আমি সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল।’ আগুন = মনের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। সর্বভুক = সর্বভুক আমাদের নিঃস্ব করে দিল। শিখা = জ্বেলে দে তোর বিজয় শিখা। দহন = দহনে পুড়িল হৃদয় দেখিল না কেউ।আকাশ সমার্থক শব্দ আসমান = ‘নীল সিয়া আসমান লালে লাল দুনিয়া।’ গগন = গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা। নভোঃ = মহাকাশচারীরা ঐ দূর নভেঃ ছুটে চলে। অন্তরীক্ষ = অন্তরীক্ষে শুনি কার বাণী। অম্বর = অম্বরে এখন মেঘের ঘনঘটা।ইচ্ছা সমার্থক শব্দ অভিপ্রায় = তোমাকে দেখার অভিপ্রায়ে গিয়েছিনু সন্দ্বীপ। বাসনা = এ জীবনে অনেক বাসনাই অপূর্ণ রয়ে গেল। সাধ = বড় সাধ জাগে একবার তোমায় দেখি। আগ্রহ = পড়াশোনায় ছেলেটির মোটেই আগ্রহ নেই। অভিরুচি = মাংসের প্রতি তার অভিরুচি নেই।ঈশ্বর সমার্থক শব্দ আল্লাহ = আল্লাহ তোমায় দীর্ঘজীবী করুন। খোদা = খোদা তোমার সহায় হোন। বিধাতা = এই পৃথিবীতে বিধাতা অসংখ্য প্রাণী সৃষ্টি করেছেন। ভগবান = হে ভগবান রেখ মোর মিনতি। স্রষ্টা = স্রষ্টার সৃষ্টি রহস্য বোঝা বড় দায়।উত্তম সমার্থক শব্দ উৎকৃষ্ট = ব্যাকরণ বইটি নিঃসন্দেহে উৎকৃষ্ট মানের। ভালো = জব্বার সাহেব বড় ভালো মানুষ ছিলেন। উপাদেয় = শিশুদের বৃদ্ধির জন্য উপাদেয় খাবার দরকার। শ্রেষ্ট = ‘গীতাঞ্জলি’ রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ট কাব্যগ্রন্থ। বরেণ্য = শামসুর রহমান দেশবরেণ্য কবি।কলহ সমার্থক শব্দ ঝগড়া = ঝগড়া করা গর্হিত কাজ। বিবাদ = ছাত্রদের বিবাদ মেটাতে প্রধান শিক্ষক এগিয়ে এলেন। বিরোধ = দুই নেত্রীর বিরোধ ক্রমশই ধ্বংসাত্নক রুপ নিচ্ছে। কোন্দল = অভ্যন্তরীন কোন্দল দলের ভিতকে দুর্বল করে তোলে। দ্বন্দ = কাদম্বিনী ও হেমাঙ্গিনীর মধ্যকার দন্দ্ব ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকল।কুল সমার্থক শব্দ বংশ = পাত্রের অজস্র টাকা - পয়সা থাকলেও বংশ মর্যাদা ভাল নয়। গোত্র = গোত্রপ্রীতি প্রাক - ইসলামি যুগে আরবদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। কৌলীন্য = হিন্দুদের কৌলীন্য প্রথা এ যুগে অচলপ্রায়। আভিজাত্য = করিম সাহেবের আভিজাত্যবোধ বলতে কিছু নেই। জাতি = বাঙালিরা বীরের জাতি।গৃহ সমার্থক শব্দ ঘর = আমার এ ঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর। আবাস = পৃথিবী মানুষের জন্য স্থায়ী আবাস নয়। নিকেতন = রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত শান্তি নিকেতন একটি প্রসিদ্ধ স্থান। সদন = মাতৃসদন ছেড়ে তখন তারা রাস্তায় নামল। ধাম = এ ধরাধাম ছেড়ে একদিন সকলকেই চলে যেতে হবে।চন্দ্র সমার্থক শব্দ শশী = চেয়ে দেখ পূর্বাকাশে পূর্ণিমার শশী। চাঁদ = মেঘের আড়ালে চাঁদ লুকোচুরি খেলছে। সুধাকর = এই নিশীথে সুধাকর জেগে আছে। নিশাপতি = নিশাপতি তুমি কেন এতই শোভন। চন্দ্রিমা = হে চন্দ্রিমা এই রাতের সাক্ষী থেকো ।জল সমার্থক শব্দ পানি = এখন বর্ষাকাল, চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। বারি = বর্ষার বারি ধারার সাথে সাথে নদ - নদী খরবেগে প্রবাহিত হয়। সলিল = লঞ্চডুবিতে প্রায় চারশ লোকের সলিল সমাধি হলো। পয়ঃ = এই শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভাল না। নীর = কৃষ্ণ চলে যাওয়ায় রাধা নীরে ভেসে চলেছে ।ধন সমার্থক শব্দ অর্থ = অর্থ সকল অনর্থের মূল। দৌলত = দৌলতের মোহ কজনে ত্যাগ করতে পারে? টাকাকড়ি = চাই না আমি টাকাকড়ি, দাও শুধু সুখ। সম্পদ = দুটি হালের গরু, বিঘা তিনেক জমি এই তার সম্পদ। বিত্ত = বিত্তের মোহ লোকটিকে অন্ধ করে রেখেছে।পর্বত সমার্থক শব্দ পাহাড় = জীবন চলার পথে শত বাধার পাহাড় অতিক্রম করতে হয়। গিরি = দুর্গম গিরি পথ অতিক্রম করে আমরা তিব্বত পৌঁছালাম। শৈল = মহাপ্রলয়ের সময় শৈলসমূহ তুলার ন্যায় উড়তে থাকবে। ভূধর = ভূধর ফেটে উঠবে জল, ঘর বাড়ি সব করবে তল। অচল = অচল শিখর ছোট নদীটিরে চিরদিন রাখে স্মরণে।পৃথিবী সমার্থক শব্দ ধরা = প্রাচুর্যের দম্ভে অনেকেই ধরাকে সরাজ্ঞান করে। বিশ্ব = বাংলা ভাষার খ্যাতি এখন বিশ্বময়। বসুমতি = ‘বসুমতি কেন তুমি এতই কৃপণা?’ ধরণী = হযরত মুহাম্মদ (স) এই ধুলার ধরণীতে জম্ন নিয়েছিলেন। ভুবন = ’মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।’মৃত্যু সমার্থক শব্দ মরণ = মরণ আমায় ডাক দিয়েছে যেতে হবে ভাই। নিপাত = সন্ত্রাসী নিপাত যাক। নিধন = বর্বর পাকবাহিনীরা নিরস্ত্র বাঙালিদের নির্বিচারে নিধন করেছে। চিরবিদায় = সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন আমাদের সবাইকে চিরবিদায় নিতে হবে। পরলোকগমন = কবি নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালে পরলোকগমন করেন।সমুদ্র সমার্থক শব্দ সিন্ধু = ঐ মহাসিন্ধুর ওপার থেকে কি সুর যে ভেসে আসে। সাগর = ‘দেখবে তোমার কিস্তি আবার ভেসেছে সাগর জলে। পারাবার = কেমনে লঙিঘব আমি মহা পারাবার। জলধি = জলধির রাশি রাশি ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। পাথার = এই মহা পাথার একদিন আমরা পার হবই।সূর্য সমার্থক শব্দ দিনমণি = দিনমণি ডুবে গেল মেঘের আড়ালে। রবি = সকালে সোনার রবি পূর্ব দিকে ওঠে । প্রভাকর = প্রভাকর দেয় আলো দিনমান ভরে। ভানু = তেজোদীপ্ত ভানুর আলো কৃমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। ভাস্কর = পূর্বাকাশে উঠেছে ভাস্কর চেয়ে দেখ ঐ ।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Correct Answer:
গ: সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
Explanation:
কোন বাক্যটি শুদ্ধ? সঠিক উত্তর সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
কোনটি নাটক?
Correct Answer:
ঘ: সাজাহান
Explanation:
কোনটি নাটক? সঠিক উত্তর সাজাহান 'সাজাহান' (১৯০৯) কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬০ - ১৯১৩ খ্রি.) রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক।'গড্ডলিকা' (১৯২৪) বিশিষ্ট লেখক রাজশেখর বসু (১৮৮০ - ১৯৬০ খ্রি.) রচিত একটি ছোটগল্প। অন্যদিকে 'পল্লী সমাজ' (১৯১৬) খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮)। রচিত একটি উপন্যাস।
নিচের শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি দেশি শব্দ নয়?
Correct Answer:
ঘ: চাবি
Explanation:
নিচের শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি দেশি শব্দ নয়? সঠিক উত্তর চাবি চাবি শব্দটি দেশি শব্দ নয় । এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। চাবি - কাঠি /বিশেষ্য পদ/ তালা বন্ধ করিবার বা খুলিবার শলাকাবিশেষ, কুঞ্চিকা, হার্মনিয়মের স্টপার; ঘড়ির দম দিবার যন্ত্র।বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দের তালিকানীচের সারণিতে পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দগুলির একটি প্রায় - সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হল। উৎস পর্তুগিজ শব্দ বাংলা শব্দ Cadeira কেদারা Câmara কামরা Janela জানালা Chave চাবি Gamela গামলা Balde বালতি Botelha বোতল Armário আলমারি Igreja গির্জা Saia সায়া Camisa কামিজ Aia আয়া Alfinete আলপিন Botão বোতাম Pão পাঁউরুটি Couve কপি (বাঁধাকপি) Caju কাজু Cruz ক্রুশ Mármore মর্মর Padre পাদ্রি Pipa পিপা Pires পিরিচ Fita ফিতা Sabão সাবান Santo সন্ত Ceroulas সালোয়ার Toalha তোয়ালে Viúva (?) বিধবা Jesu যিশু Inglez ইংরেজ Christão খ্রিস্টান Tabaco তামাক Zamboa জাম্বুরা Varanda বারান্দা Charuto চুরুট Ananas আনারস Papaia পেঁপে Leilão নিলাম Falto ফালতু Mestre মিস্ত্রি Cartucho কার্তুজ Estirar ইস্ত্রি Pera পেয়ারা Âncora নোঙর Alcatrão আলকাতরা Boia বয়া Boião বয়াম Viola বেহালা Bomba বোমা Grade গরাদ Gudão গুদাম Espada ইস্পাত Coronel কর্নেল Mastro মাস্তুল Prego পেরেক Jogar জুয়া Bruça বুরুশ Recibo রশিদ Tanque টাংকি Bacia বাসন Forma ফর্মা Ata (from old Mexican "ate") আতা
বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
গ: শর্মিষ্ঠা
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর শর্মিষ্ঠা মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা নাটক তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক বাংলা নাটক শর্মিষ্ঠা সম্পর্কে সংক্ষেপে সাধারণ তথ্য: - - - - - - - - - - - # এটি রচিত হয় ১৮৫৯ সালে। # এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক। # নাটকটি মহাভারতের কাহিনীকে উপজীব্য করে পাশ্চাত্য রীতিতে রচিত হয়। # নাটকটির কাহিনী মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত রাজা যযাতি, শর্মিষ্ঠা ও দেবযানির ত্রিকোন প্রেমের কাহিনী কেন্দ্রিক। # নাটকটি রচনার পর সাফল্যের সাথে পাইকপারা বেলগাছিয়া নাট্যমঞ্চে মঞ্চায়িত হয়। # মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর এই নাটকটি রচনা মহাকবি কালিদাসের প্রতি উৎসর্গ করেন। # ১৮৫৯ সালে লেখক নিজেই ইংরেজিতে অনুবদি করেন।
বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থান-
Correct Answer:
খ: বরিশাল
Explanation:
বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থান- সঠিক উত্তর বরিশাল কামাল, বেগম সুফিয়া (১৯১১ - ১৯৯৯) কবি, বুদ্ধিজীবী, সমাজনেত্রী। সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে। তাঁর পিতা সৈয়দ আবদুল বারি পেশায় ছিলেন উকিল। সুফিয়ার যখন সাত বছর বয়স তখন তাঁর পিতা গৃহত্যাগ করেন। নিরুদ্দেশ পিতার অনুপস্থিতিতে তিনি মা সৈয়দা সাবেরা খাতুনের স্নেহ - পরিচর্যায় লালিত - পালিত হতে থাকেন।
ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কোন রাজার সাভাকবি ছিলেন?
Correct Answer:
ঘ: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের
Explanation:
ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কোন রাজার সাভাকবি ছিলেন? সঠিক উত্তর রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়-
Correct Answer:
খ: প্রাদিপাদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়- সঠিক উত্তর প্রাদিপাদিক বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয় - প্রাতিপাদিক প্রাতিপাদিকবিভক্তিহীন নাম - প্রকৃতি বা সাধিত শব্দকে এবং বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত ধাতু বা ক্রিয়া - প্রকৃতিকে প্রাতিপাদিক বলে। সংক্ষেপে বল্লে, প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়ের যোগে যে শব্দ বা ধাতু গঠিত হয় তার নাম প্রাতিপাদিক। 'প্রাতিপাদিক' মানে যা দিয়ে শুরু করা হয়। নাম - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়হীন কংবা বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত নাম - প্রকৃতিকে নাম প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - দোকান + দার = দোকানদার + কে = দোকানদারকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়যুক্ত ধাতু - প্রকৃতিকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - কর্ + অ = করা + কে = করাকেবাংলা ধাতুর গণবাংলা ভাষার সমস্ত ধাতুকে ২০টি গণে ভাগ করা হয়েছে। যথা: - ক্রমিক নং ধাতুগণ উদাহরণ ১ হ - আদিগণ হ (হওয়া), ল (লওয়া) ইত্যাদি। ২ খা - আদিগণ খা (খাওয়া), ধা (ধাওয়া), পা (পাওয়া), যা (যাওয়া) ইত্যাদি। ৩ দি - আদিগণ দি (দেওয়া), নি (নেওয়া) ইত্যাদি। ৪ শু - আদিগণ চু (চোঁয়ানো), নু (নোয়ানো), ছু (ছোঁয়া) ইত্যাদি। ৫ কর্ - আদিগণ কর্ ( করা), কম্ (কমা), গড় (গড়া), চল (চলা) ইত্যাদি। ৬ কহ্ - আদিগণ কহ্ (কহা), সহ্ (সহা), বহ্ (বহা) ইত্যাদি। ৭ কাট্ - আদিগণ গাঁথ্, চাল্, আক্, বাঁধ্, কাঁদ্ ইত্যাদি। ৮ গাহ্ - আদিগণ চাহ্, বাহ্, নাহ্ (নাহান>স্নান) ইত্যাদি। ৯ লিখ্ - আদিগণ কিন্, ঘির্, জিত্, ফির্, ভিড়্, চিন্ ইত্যাদি। ১০ উঠ্ - আদিগণ উড়্, শুন্, ফুট্, খুঁজ্, খুল্, ডুব্, তুল্ ইত্যাদি। ১১ লাফা - আদিগণ কাটা, ডাকা, বাজা, আগা (অগ্রসর হওয়া) ইত্যাদি। ১২ নাহা - আদিগণ গাহা ইত্যাদি। ১৩ ফিরা - আদিগণ ছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ইত্যাদি। ১৪ ঘুরা - আদিগণ উঁচা, লুকা, কুড়া (কুড়াচ্ছে) ইত্যাদি। ১৫ ধোয়া - আদিগণ শোয়া, খোঁচা, খোয়া, গোছা, যোগা ইত্যাদি। ১৬ দৌড়া - আদিগণ পৌঁছা, দৌড়া ইত্যাদি। ১৭ চটকা - আদিগণ সমঝা, ধমকা, কচলা ইত্যাদি। ১৮ বিগড়া - আদিগণ হিচড়া, ছিটকা, সিটকা ইত্যাদি। ১৯ উলটা - আদিগণ দুমড়া, মুচড়া, উপচা ইত্যাদি। ২০ ছোবলা - আদিগণ কোঁচকা, কোঁকড়া, কোদলা ইত্যাদি।
কোন জন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন নি?
Correct Answer:
ক: আবদুল হাকিম
Explanation:
কোন জন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন নি? সঠিক উত্তর আবদুল হাকিম আবদুল হাকিম (১৬২০ - ১৬৯০) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি। নোয়াখালী জেলার বাবুপুর (মতান্তরে সন্দ্বীপের সুধারাম) ছিল কবির আবাসভূমি। তাঁর পিতা শাহ্ রাজ্জাক ছিলেন একজন পন্ডিত ব্যক্তি এবং তাঁর পীর ছিলেন সাহাবুদ্দীন। আবদুল হাকিম আরবি, ফারসি ও সংস্কৃত ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপন্ন ছিলেন। হাদীস, আল - কুরআন, ফেকাহ প্রভৃতি শাস্ত্র এবং রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণ সম্পর্কেও তাঁর গভীর পান্ডিত্য ছিল। আবদুল হাকিম প্রধানত প্রণয়োপাখ্যানের কবি ছিলেন। এ যাবৎ তাঁর পাঁচটি গ্রন্থ পাওয়া গেছে: ইউসুফ - জুলেখা, নূরনামা, দুররে মজলিশ, লালমোতি সয়ফুল্মূল্ক এবং হানিফার লড়াই। ইউসুফ - জুলেখা মোল্লা জামী রচিত ফারসি কাব্য ইউসুফ ওয়া জুলায়খা (১৪৮৩) এবং নূরনামা ফারসি নীতিকাব্য নূরনামাহ্ অবলম্বনে রচিত। ‘যেসব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় না জানি। । ’ বাংলা ভাষার প্রতি এরূপ শ্রদ্ধাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য কবির নূরনামা কাব্য বিশেষভাবে প্রশংসিত। দুররে মজলিশ নামের নীতিকাব্যও ফারসি কবি সাইফুজ জাফর রচিত দুর্রুল মজলিশ কাব্যের ভাবানুবাদ। এ কাব্যে আবদুল হাকিম শুধু শাস্ত্রকার নন, কবিও। লালমোতি সয়ফুল্মূল্ক একটি মৌলিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য। হানিফার লড়াই কাব্যের প্রাপ্ত পান্ডুলিপিটি খন্ডিত। আবদুল হাকিম সমাজের সার্বিক কল্যাণে বিশ্বাসী ছিলেন। তাই তিনি বিভিন্ন গ্রন্থে আদর্শ জীবন গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন। [রাজিয়া সুলতানা]
'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায়-
Correct Answer:
গ: ঊষর
Explanation:
'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায়- সঠিক উত্তর ঊষর 'যে জমিতে ফসাল জন্মায় না' এক কথায় - ঊষরযে নারীর কোনাে সন্তান হয় না - বন্ধ্যাযাতে (যে জমিতে) শস্যের ফলন ভালো হয় না - অনুর্বরএক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান কত সালে ?
Correct Answer:
ঘ: ১৯১৩
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান কত সালে ? সঠিক উত্তর ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 1913 সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বিখ্যাত আইরিশ সাহিত্যিক WB Yeats গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings এর প্রস্তাবনা লিখেছেন। আর কবি নিজেই গীতাঞ্জলি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন 1912 সালে। নোবেল কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণে Songs Offerings সম্পর্কে বলেছেন “কাব্যের অতি উচ্চমানের সংবেদনশীল, পরিশুদ্ধ ও সৌন্দর্য্যমণ্ডিত পংক্তির জন্য, যার মাধ্যমে তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার কাব্যিক চিন্তা - চেতনা নিজস্ব ইংরেজি শব্দে প্রকাশ করতে সমর্থ হয়েছেন, যা পশ্চিমা সাহিত্যেরই একটি অংশ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। "
'I can't help doing it' বাক্যটির সঠিক অনুবাদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: আমি এটা না করে পারি না
Explanation:
'I can't help doing it' বাক্যটির সঠিক অনুবাদ কোনটি? সঠিক উত্তর আমি এটা না করে পারি না I can't help doing it - বাক্যটির সঠিক অনুবাদ - আমি এটা না করে পারি না।
'চর্যাপদ' প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
ক: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
Explanation:
'চর্যাপদ' প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ 'চর্যাপদ' প্রথম বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয় ।চর্যাপদচর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদবঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলা সাহিত্যের উন্নতি এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে স্থাপিত একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলা ভাষার বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা, অন্যান্য ভাষায় রচিত গ্রন্থের অনুবাদ, দুর্লভ বাংলা রচনা সংরক্ষণ, গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশ প্রভৃতি ক্ষেত্রে এই পরিষদ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠাকাল - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ ১৮৯৩ সালের ২৩ জুলাই এল. লিউটার্ড ও ক্ষেত্রপাল চক্রবর্তী'র উদ্যোগে বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত হয়। প্রথমদিকে একাডেমির কার্যাবলি, সভা, মুখপত্র শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হতো। পরে এই ব্যাপারে কোনো কোনো সদস্য আপত্তি প্রকাশ করলে উমেশচন্দ্র বটব্যালের প্রস্তাবানুসারে একাডেমির নাম পরিবর্তন করে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ করা হয়। এর যাত্রা শুরু হয় কলকাতার শোভাবাজারে বিনয়কৃষ্ণ দেব - এর বাসভবনে।বাংলা সাহিত্যের উন্নতি সাধন ছিল পরিষদের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু প্রথমদিকে এর প্রায় সব কাজই ইংরেজিতে সম্পন্ন হতো। এমনকি সভার মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা দি বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার - এর অধিকাংশই লিপিবদ্ধ হতো ইংরেজিতে। এই অসঙ্গতি দূর করার উদ্দেশ্যে উমেশচন্দ্র বটব্যালের প্রস্তাবানুসারে ১৮৯৪ সালের ১৮ ফেব্রয়ারি পরিষদের সভায় মুখপত্রটি দি বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ - এ উভয় নামেই প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৮৯৪ সালের ২৯ এপ্রিলের সভায় পরিষদের নামটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ হিসেবে সর্বসম্মতক্রমে গৃহীত হয়। এরপর থেকে পরিষদের মুখপত্রটি সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা নামে ত্রৈমাসিক পত্রিকা হিসেবে বাংলায় প্রকাশিত হতে থাকে।১৮৯৪ সালে পরিষদের সভাপতি ছিলেন রমেশচন্দ্র দত্ত, সহসভাপতি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নবীনচন্দ্র সেন এবং সম্পাদক ছিলেন এল লিওটার্ড, দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ও রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী। সংগঠন - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পরিষদের নিজস্ব একটি কার্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৮৯৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিষদের কার্যালয় ১৩৭/১ কর্নওয়ালিস স্ট্রিটে একটি ভাড়া বাড়িতে সরিয়ে নেওয়া হয়।বিশ শতকের প্রথম দশকে পরিষদের কলেবর যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে এর সদস্য সংখ্যা ৫২৩ তে উন্নীত হয়। প্রখ্যাত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন রমেশচন্দ্র দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নবীনচন্দ্র সেন, দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, রায় যতীন্দ্রনাথ চৌধুরী, সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, রজনীকান্ত গুপ্ত, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, দেবেন্দ্রপ্রসাদ ঘোষ, নরেন্দ্রনাথ মিত্র, অমৃতকৃষ্ণ মল্লিক, সুরেশচন্দ্র সমাজপতি ও দ্বিজেন্দ্রনাথ বসু। ১৯০৬ সালে পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশনে কলকাতার বাইরে পরিষদের শাখা স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পরপরই রংপুরে একটি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। কালক্রমে বাংলার বিভিন্ন জেলা শহরে এবং বাংলার বাইরেও ৩০টি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। চারুচন্দ্র ঘোষ, রজনীকান্ত গুপ্ত, হীরেন্দ্রনাথ দত্ত, সুরেশচন্দ্র সমাজপতি ও নগেন্দ্রনাথ বসু পরিষদের নিজ বাসগৃহ নির্মাণের জন্য কাসিমবাজারের মহারাজা মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দীর স্মরণাপন্ন হন। তিনি হালশীবাগানে সাত কাঠা জায়গা পরিষদকে দান করেন। ১৯০৯ সালের শেষদিকে পরিষদ স্থায়ী কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হয়।বান্ধব, বিশিষ্ট, আজীবন, সহায়ক ও সাধারণ পরিষদে এই পাঁচ ধরনের সদস্যপদ রয়েছে। যে কোনো ব্যক্তি পরিষদের সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন।গবেষণা - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ বাংলা ভাষায় নানা বিষয়ের গবেষণায় পৃষ্ঠপোষকতা করে পরিষদ বিদ্বৎসমাজে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। সংস্কৃত, আরবি ও ইংরেজি ভাষা হতে বহু গ্রন্থ অনুবাদ ও প্রকাশ করা এবং দুষ্পাপ্য বাংলা গ্রন্থ, সাহিত্য ও গবেষণা নিয়মিত পুস্তকাকারে প্রকাশ করা পরিষদের অন্যতম প্রধান কাজ। পরিষদের প্রকাশিত গ্রন্থগুলির মধ্যে যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধির বাংলা শব্দকোষ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, সংবাদপত্রে সেকালের কথা ও সাহিত্যসাধক চরিতমালা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যতীন্দ্রনাথ চৌধুরী ও রজনীকান্ত গুপ্তের বিশেষ আগ্রহে প্রাচীন বাংলা ও সংস্কৃত পুথি সংগ্রহের যে চেষ্টা নেওয়া হয়েছিল, তারই ফল হিসেবে পরিষদ গ্রন্থাগারে বর্তমানে পুথির সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একমাত্র পুথি পরিষদে সংরক্ষিত।অবদান - বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ গবেষণা কাজ ছাড়াও পরিষদ আরও কিছু বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিল। প্রাচীন মুদ্রা, প্রস্তরমূর্তি, ধাতুমূর্তি, তাম্রশাসন, প্রাচীন চিত্র, সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিগণের ব্যবহৃত দ্রব্যাদি, হস্তলিপি পত্র ও দানপত্রাদি, প্রাচীন অস্ত্রশস্ত্র, পাণ্ডুলিপি (বিখ্যাত লেখকের রচনা) ও প্রাচীন দলিল প্রভৃতি বিভাগসমৃদ্ধ একটি চিত্রশালাও গঠন করা হয়েছে। বহু বছরের চেষ্টার ফলে পরিষদ একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে রয়েছে বেশ কিছু দুর্লভ প্রাচীন পুস্তক। পরিষদের নিজস্ব সঞ্চয়, উপহার প্রাপ্ত ও দানলব্ধ পুস্তকাদি ছাড়া ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রমেশচন্দ্র দত্ত, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, বিনয়কৃষ্ণ দেব, ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রেমসুন্দর বসু ও যতীন্দ্রনাথ পালের সাতটি মূল্যবান গ্রন্থ সংগ্রহ পরিষদ গ্রন্থাগারের অঙ্গীভূত হওয়ায় এটি হয়ে উঠেছে আরও সমৃদ্ধ। গ্রন্থাগারে পুস্তকের সংখ্যা প্রায় দেড় লক্ষ। গ্রন্থ প্রকাশ, পদক ও পুরস্কার দান, দুঃস্থ সাহিত্যিক ভাণ্ডার গঠন প্রভৃতি সদনুষ্ঠানে সহায়তা করার জন্য অনেক মহানুভব ব্যক্তি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে গচ্ছিত তহবিল স্থাপন করেছেন। পুলিনবিহারী দত্ত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দুস্থ সাহিত্যিক ভাণ্ডারের আয় হতে বহু দুঃস্থ সাহিত্যিক পরিবারকে অর্থ সাহায্য করা হয়েছে।
পদ্ম-গোখরো' গল্পটির রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
পদ্ম-গোখরো' গল্পটির রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম নজরুলের 'পদ্ম - গোখরো' গল্পের মধ্যে আমরা সামন্ত সমাজের অধঃপতন আর ধর্মীয় ভ - ামির মুখোশ উন্মোচন করতে পারি। এছাড়া এই গল্পে সমাজের আরেকটি বাস্তব দিক অবলোকন করা যায়। তখনো গ্রামে জিন - ভূতের উপদ্রব ছিল। অশিক্ষা ও অজ্ঞতার সঙ্গে জিন - ভূতের একটা সম্পর্ক আছে। শহরে ধনী ও শিক্ষিত লোকদের জিনে - ভূতে তেমন বিশ্বাস হয় না।
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যাবহৃত হয়?
Correct Answer:
ক: বিপরীত
Explanation:
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যাবহৃত হয়? সঠিক উত্তর বিপরীত 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যাবহৃত হয়। উপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সংস্কৃতে কতগুলো অব্যয় শব্দ আছে, এগুলো ধাতুর পূর্বে বসে এবং ধাতুর মূল ক্রিয়ার গতি নির্দেশ করে এর অর্থের প্রসারণ, সঙ্কোচন বা অন্য পরিবর্তন আনয়ন করে দেয়। এরূপ অব্যয় শব্দকে উপসর্গ বলে।”ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতে, “যেসব অব্যয় শব্দ কৃদান্ত বা নামপদের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোন পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দকে বাংলা ভাষায় উপসর্গ বলে।”অশোক মুখোপাধ্যায়ের মতে, “বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় আছে যারা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তাদের অর্থ বদল করে দেয়। এদেরই বলা হয় উপসর্গ।”উপসর্গের প্রকারভেদউপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার।বাংলা উপনর্গসংস্কৃত উপসর্গবিদেশি উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি; যথা - উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত উদাহরণ ১ প্র প্রকৃষ্ট/ সম্যক অর্থে প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত খ্যাতি " প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব আধিক্য " প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার গতি " প্রবেশ, প্রস্থান ধারা - পরম্পরা বা অনুগামিত " প্রপৌত্র, প্রশাখা, প্রশিষ্য ২ পরা আতিশয্য " পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ বিপরীত " পরাজয়, পরাভব ৩ অপ বিপরীত " অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ নিকৃষ্ট " অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ, অপব্যয় স্থানান্তর " অপসারণ, অপহরণ, অপনোদন বিকৃতি " অপমৃত্যু ৪ সম্ সম্যক রূপে " সম্পূর্ণ, সমৃদ্ধ, সমাদর সম্মুখে " সমাগত, সম্মুখ ৫ নি নিষেধ " নিবৃত্তি নিশ্চয় " নিবারণ, নির্ণয় আতিশয্য " নিদাঘ, নিদারুণ, নিগূঢ় অভাব " নিষ্কলুষ, নিষ্কাম ৬ অব হীনতা, প্রতিকূল " অবজ্ঞা, অবমাননা সম্যকভাবে " অবরোধ, অবগাহন, অবগত নিম্নে, অধোমুখিতা " অবতরণ, অবরোহণ, অবলম্বন অল্পতা " অবশেষে, অবসান, অবেলা ৭ অনু পশ্চাৎ " অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ সাদৃশ্য " অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকার পৌনঃপুন " অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন সঙ্গে " অনুকূল, অনুকম্পা ৮ নির অভাব " নিরক্ষর, নিরব, নির্জীব, নিরহঙ্কার, নিরাশ্রয়, নির্ধন নিশ্চয় " নির্ধারণ, নির্ণয়, নির্ভর বাহির, বহির্মুখিতা " নির্গত, নিঃসরণ, নির্বাসন ৯ দুর মন্দ " দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম কষ্টসাধ্য " দুর্লভ, দুর্গম, দুরতিক্রম্য, দুর্মূল্য ১০ বি বিশেষ রূপে " বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক অভাব " বিনিদ্র,বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল গতি " বিচরণ, বিক্ষেপ অপ্রকৃতস্থ " বিকার, বিপর্যয় ১১ সু উত্তম " সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুচরিত্র, সুপ্রিয়, সুনীল সহজ " সুগম, সুসাধ্য, সুলভ আতিশয্য " সুচতুর, সুকঠিন, সুধীর, সুনিপুণ, সুতীক্ষ্ণ ১২ উৎ ঊর্ধ্বমুখিতা " উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন আতিশয্য " উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন প্রস্তুতি " উৎপাদন, উচ্চারণ অপকর্ষ " উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট ১৩ অধি আধিপত্য " অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী উপরি " অধিরোহণ, অধিষ্ঠান ব্যাপ্তি " অধিকার, অধিবাস, অধিগত ১৪ পরি বিশেষ রূপে " পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন শেষ " পরিশেষ, পরিসীমা সম্যক রূপে " পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ চতুর্দিক " পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল, পরিক্রমণ ১৫ প্রতি সদৃশ " প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি বিরোধ " প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী পৌনঃপুন " প্রতিদিন, প্রতিমাস অনুরূপ কাজ " প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার ১৬ উপ সামীপ্য অর্থে " উপকূল, উপকণ্ঠ সদৃশ " উপদ্বীপ, উপবন ক্ষুদ্র " উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা বিশেষ " উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ ১৭ অভি সম্যক " অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত গমন " অভিযান, অভিসার সম্মুখ বা দিক " অভিমুখ, অভিবাদন ১৮ অতি আতিশয্য " অতিকায়, অত্যাচার, অতিশয় অতিক্রম " অতিমানব, অতিপ্রাকৃত ১৯ আ পর্যন্ত " আকণ্য, আমরণ, আসমুদ্র ঈষৎ " আরক্ত, আভাস বিপরীত " আদান, আগমন ২০ অপি যদি " অপিচ (যদিও) (প্রাচীন বাংলা), অপিনিহিতি খাঁটি বাংলা উপসর্গবাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - উপসর্গ অর্থদ্যোতকতা উদাহরণ ১ অ নিন্দিত অর্থে অকেজো, অচেনা, অপয়া অভাব " অচিন, অজানা, অথৈ ক্রমাগত " অঝোর, অঝোরে ২ অঘা বোকা " অঘারাম, অঘাচণ্ডী ৩ অজ নিতান্ত (মন্দ) " অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর ৪ অনা অভাব " অনাবৃষ্টি, অনাদর ছাড়া " অনাছিষ্টি, অনাচার অশুভ " অনামুখো ৫ আ অভাব " আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি বাজে, নিকৃষ্ট " আকাঠা, আগাছা ৬ আড় বক্র " আড়চোখে, আড়নয়নে আধা, প্রায় " আড়ক্ষ্যাপা, আড়মোড়া, আড়পাগলা বিশিষ্ট " আড়কোলা (পাথালিকোলা), আড়গড়া (আস্তাবর), আড়কাঠি ৭ আন না " আনকোরা বিক্ষিপ্ত " আনচান, আনমনা ৮ আব অস্পষ্টতা " আবছায়া, আবডাল ৯ ইতি এ বা এর " ইতিকর্তব্য, ইতিপূর্বে পুরনো " ইতিকথা, ইতিহাস ১০ ঊন (ঊনু, ঊনা) কম " ঊনপাঁজুরে, উনিশ (উন + বিশ), ঊনাভাত ১১ কদ্ নিন্দিত " কদবেল, কদর্য, কদাকার ১২ কু কুৎসিত, অপকর্ষ " কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ ১৩ নি নাই, নেতি " নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিভাঁজ, নিরেট, নিনাইয়া ১৪ পাতি ক্ষুদ্র " পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ১৫ বি ভিন্নতা, নাই বা নিন্দনীয় " বিভূঁই, বিফল, বিপথ ১৬ ভর পূর্ণতা " ভরপেট, ভরসাঁঝ, ভরপুর, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যে ১৭ রাম বড় বা উৎকৃষ্ট " রামছাগল, রামদা, রামশিঙ্গা, রামবোকা ১৮ স সঙ্গে " সরাজ, সরব, সঠিক, সজোর, সপাট ১৯ সা উৎকৃষ্ট " সাজিরা, সাজোয়ান ২০ সু উত্তম " সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুনাম, সুকাজ ২১ হা অভাব " হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে আ, সু, বি, নি— এই চারটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষায়ও পাওয়া যায়। ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এই চারটি উপসর্গ বাংলা না সংস্কৃত তা নির্ধারণ করা হয়। বাংলা উপসর্গ সর্বদাই বাংলা শব্দের আগে এবং সংস্কৃত উপসর্গ সর্বদাই সংস্কৃত শব্দের আগে বসে।বিদেশী উপসর্গআরবি, ফারসি, ইংরেজি ও উর্দু - হিন্দি— এইসব ভাষার উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন—(ক) ফার্সি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. কার্ کار কাজ অর্থে কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি ২. দর্ در মধ্যস্থ, অধীন " দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান, দরখাস্ত ৩. না نا না " নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক ৪. নিম্ نیم আধা " নিমরাজি, নিমখুন, নিমমোল্লা ৫. ফি فی প্রতি " ফি - রোজ, ফি - হপ্তা, ফি - বছর, ফি - সন, ফি - মাস ৬. বদ্ بد মন্দ " বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম, বজ্জাত, বদহাল, বদবখ্ত ৭. বে بی না " বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেহায়া, বেনজির, বেগতিক, বেতার, বেকার, বেশরম, বেতমিজ ৮. বর্ بر বাইরে, মধ্যে " বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ ৯. ব্ ب সহিত " বমাল, বনাম, বকলম, বহাল ১০. কম্ کم স্বল্প " কমজোর, কমবখ্ত, কমআক্কেল, কমপোখ্ত ১১. দস্ত دست নিজ " দস্তখত ১২. সে سه তিন " সেতার, সেপায়া (খ) আরবি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. আম্ عام সাধারণ অর্থে আমদরবার, আমমোক্তার ২. খাস্ خاص বিশেষ " খাসমহল, খাসখবর, খাসখবর, খাসদরবার, খাসদখল ৩. লা لا না " লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ৪. গর্ غير অভাব " গরমিল, গরহাজির, গররাজি ৫. বাজে بعض বিবিধ অপ্রয়োজনীয় " বাজে খরচ, বাজে কথা, বাজে জমা ৬. খয়ের خير ভালো " খয়ের খাঁ (মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী; বাগধারায়: তোষামোদকারী) (গ) ইংরেজি উপসর্গের উদাহরণ - উপসর্গ যে অর্থে প্রযুক্ত উদাহরণ ১. ফুল Full পূর্ণ অর্থে ফুল - হাতা, ফুল - শার্ট, ফুল - বাবু, ফুল - প্যান্ট, ফুল - মোজা ২. হাফ Half আধা " হাফ - হাতা, হাফ - টিকেট, হাফ - স্কুল, হাফ - প্যান্ট, হাফ - নেতা ৩. হেড Head প্রধান " হেড - মাস্টার, হেড - অফিস, হেড - পণ্ডিত, হেড - মৌলভি ৪. সাব Sub অধীন " সাব - অফিস, সাব - জজ, সাব - ইন্সপেক্টর (ঘ) উর্দু - হিন্দি উপসর্গ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে উদাহরণ হর حر हर প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা, হরেক রকম (বিভিন্ন), হরেক আদমি (প্রত্যেক)
কোনটি বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
Correct Answer:
ক: পাবক
Explanation:
কোনটি বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ নয়? সঠিক উত্তর পাবক বায়ু শব্দটির সমার্থক শব্দ বা পতিশব্দ দেওয়া হয়েছে।পবনমলয়সমীরসমীরণঅনিলমরুৎমারুতবাতবায়পবমানসদাগতিনভঃশ্বাসঅগ্নিসখবহ্নিসখজগতায়ুজগৎপ্রাণজগদ্বলগন্ধবহগন্ধবাহপ্রবঞ্জনবাতাসশব্দবহহাওয়া
মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপাত্র ছিল--
Correct Answer:
খ: শিখা
Explanation:
মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপাত্র ছিল-- সঠিক উত্তর শিখা শিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা। এটি উনিশ শতকের বিশের দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হত। এর প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭) এবং এর প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেন। এটি বাৎসরিক পত্রিকা ছিল ও ১৯৩১ সালে এর পঞ্চম ও শেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয় ।
'খনার বচন' বেশির ভাগ কী নিয়ে?
Correct Answer:
খ: কৃষি
Explanation:
'খনার বচন' বেশির ভাগ কী নিয়ে? সঠিক উত্তর কৃষি 'খনার বচন' বেশির ভাগ কৃষি নিয়ে। খনার বচনখনার বচন মূলত কৃষিতত্ত্বভিত্তিক ছড়া। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত। অনেকের মতে, খনা নাম্নী জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী বাঙালি নারীর রচনা এই ছড়াগুলো। তবে এ নিয়ে মতভেদ আছে। অজস্র খনার বচন যুগ - যুগান্তর ধরে গ্রাম বাংলার জন - জীবনের সাথে মিশে আছে। জনশ্রুতি আছে যে, খনার নিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বারাসত সদর মহকুমার দেউলিয়া গ্রামে (বর্তমানে চন্দ্রকেতুগড় প্রত্নস্থল, যেটি খনামিহিরের ঢিবি নামে পরিচিত)। এমনকি, তিনি রাজা বিক্রমাদিত্যের সভার নবরত্নের একজন বলে কথিত। বরাহমিহির বা বররুচি - এর পুত্র মিহির তার স্বামী ছিল বলেও কিংবদন্তী আছে। এই রচনা গুলো চার ভাগে বিভক্ত। কৃষিকাজের প্রথা ও কুসংস্কার কৃষিকাজ ফলিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান আবহাওয়া জ্ঞান শস্যের যত্ন সম্পর্কিত উপদেশখনার বচনের কিছু উদাহরণ ষোল চাষে মূলা, তার অর্ধেক তুলা; তার অর্ধেক ধান, বিনা চাষে পান। (১৬ দিন চাষ করার পর সেই জমিতে মূলা চাষ করলে ভাল জাতের ফলন পাওয়া যায়। তুলা লাগানোর জমিতে ৮ দিন চাষ করতে হবে, ধানের জমিতে ৪ দিন চাষ করে ধান লাগালে ভাল ফলন পাওয়া যায়। পানের জমিতে চাষের প্রয়োজন হয় না।) আগে খাবে মায়ে,তবে পাবে পোয়ে। কলা রুয়ে না কেটো পাত,তাতেই কাপড়, তাতেই ভাত।(কলাগাছের ফলন শেষে গাছের গোড়া যেন না কাটে কৃষক, কেননা তাতেই সারা বছর ভাত - কাপড় জুটবে তাদের।) যদি বর্ষে আগুনে,রাজা যায় মাগনে।(আগুনে অর্থাৎ অগ্রাণে, আর, মাগুনে মানে ভিক্ষাবৃত্তির কথা বোঝাতে ব্যবহৃত, অর্থাৎ যদি অঘ্রাণে বৃষ্টিপাত হয়, তো, রাজারও ভিক্ষাবৃত্তির দশা, আকাল অবস্থায় পতিত হওয়াকে বোঝায়।) যদি বর্ষে পুষে;কড়ি হয় তুষে।(অর্থাৎ,পৌষে বৃষ্টিপাতের ফলে কৃষক তুষ বিক্রি করেও অঢেল টাকাকড়ির বন্দোবস্ত করবে।) জন্ম - মৃত্যু - বিবাহ,তিন না জানেন বরাহ। কী কর শ্বশুর লেখা - জোখা?মেঘের মধ্যেই জলের রেখা, যদি বর্ষে মাঘের শেষ, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ। (অর্থাৎ, মাঘের শেষের বৃষ্টিপাতে রাজা ও দেশের কল্যাণ।) ভরা হতে শূন্য ভালো যদি ভরতে যায়,আগে হতে পিছে ভালো যদি ডাকে মায়।।(খালি কলসি দেখে যাত্রা করলে টা শুভ হয় না কিন্তু যদি সেই কলসিতে জল/পানি ভরতে যাওয়ার দৃশ্য দেখে কেউ যাত্রা করে তা শুভ সূচনা হয়। যাত্রা করার আগে মায়ের ডাক ভাল, কিন্তু যাত্রা করে বেরিয়ে যাওয়ার পর মা যদি পেছন থেকে ডাকে তা আরও মঙ্গলের সূচনা করে।) পূর্ণিমা অমাবস্যায় যে ধরে হাল তার দুঃখ হয় চিরকাল।তার বলদের হয় বাত, ঘরে তার থাকে না ভাত।(পূর্ণিমা বা অমাবস্যায় হাল ধরা উচিত নয়, ধরলে চিরকাল দুঃখ পেতে হয়। বলদ বাত রোগে পঙ্গু হয়ে যায়, চাষ না করার ফলে ঘরে তার ভাত জোটে না।) থেকে বলদ না বয় হাল, তার দুঃখ সর্বকাল।(যার বলদ থাকতেও যে মায়া করে খাটায় না, তার বলদ শুধু বসে খায়। ফলে বলদের পেছনে শুধু শুধু খরচ হয় এবং জমিতে কোন চাষ হয় না। ফলে খাবারের অভাব দেখা দেয়। মানুষ বসে খেলেও একই ফল হয়।) বাড়ির কাছে ধান গা, যার মার আছে ছা চিনিস বা না চিনিস, খুঁজে দেখে গরু কিনিস।(বাড়ির কাছে ধানের জমি থাকলে এবং তাতে চাষ করলে লাভবান হওয়া যায় বেশি। কারণ চুরি যাবার ভয় থাকে না এবং পাহারা দেওয়ার জন্য পয়সা দিয়ে লোক রাখার দরকার হয় না। সুযোগ বুঝে খুঁজে দেখে যদি গরু কেনা যায় তাতে না চিনলেও বেশি লাভবান হাওয়া যায়।) কোল পাতলা ডাগর গুছিলক্ষ্মী বলেন ঐখানে আছি।(ফাঁক ফাঁক করে ধান বুনলে ধানের গুছি মোটা হয় এবং অনেক বেশি ফলন হয়।) শীষ দেখে বিশ দিন কাটতে মাড়তে দশ দিন।(যে দিন ধানের শীষ বের হবে তার থেকে ঠিক কুড়ি দিন পর ধান কাটতে হবে। ধান মাড়াই ও ঝাড়াই করতে হবে দশ দিনের মধ্যে এবং তারপর নিয়ে গোলায় তুলবে।) বাপ বেটাই চাই তদ অভাবে ছোট ভাই।(যে কৃষক পরের সাহায্যে চাষ করে তার আশা বৃথা। বাপ - ছেলে কাজ করলে সবচেয়ে ভাল ফসল ফলানো যায় তা না হলে সহোদর ভাইকে নিলেও ঠিকমত কাজ করবে। অন্যরা ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করবে।) সরিষা বনে কলাই মুগ,বুনে বেড়াও চাপড়ে বুক।(একই জমিতে যদি সরিষা ও মুগ বা সরিষা ও কলাই একসাথে বোনা যায় তাহলে দুটি ফসলই একসাথে পাওয়া যায়।) দিনে রোদ রাতে জল দিন দিন বাড়ে ধানের বল।(দিনের বেলা প্রখর রোদ আর রাত্রে বৃষ্টি হলে ধানের জমি উর্বর হয় ও ধানের ফলন ভাল হয়।) আউশের ভুঁঁই বেলে, পাটের ভুঁই আঁটালে।(বেলে মাটিতে আউশ ধান এবং এঁটেল মাটিযুক্ত জমিতে পাট ভাল হয়।) এক অঘ্রাণে ধান, তিন শ্রাবণে পান। নদীর ধারে পুতলে কচু, কচু হয় তিন হাত উঁচু। ওরে ও চাষার পো শরতের শেষে সরিষা রো। না হয় অঘ্রাণে বৃষ্টি, হয় না কাঁঠালের সৃষ্টি। দাতার নারিকেল বখিলের বাঁশ, না বাড়ে কমে বারোমাস। চাল ভরা কুমড়াপাতা, লক্ষ্মী বলেন আমি তথা। নারিকেল গাছে লুন - মাটি, শীঘ্র শীঘ্র বাঁধে গুঁটি। মাছের জলে লাউ বাড়ে, ধেনো জমিতে ঝাল বাড়ে।
'ক্ষ' - এর বিশ্লিষ্ট রুপ-
Correct Answer:
ক: ক + ষ
Explanation:
'ক্ষ' - এর বিশ্লিষ্ট রুপ- সঠিক উত্তর ক + ষ ক্ষ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত একটি বর্ণ যদিও এটি কোন স্বতন্ত্র বর্ণ নয়। এটি একটি যুক্ত বর্ণঃ ক + ষ = ক্ষ ।