Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
'বাবা' শব্দের উৎস ভাষা-
Correct Answer:
গ: তুর্কি
Explanation:
'বাবা' শব্দের উৎস ভাষা- সঠিক উত্তর তুর্কি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে ১৩ নভেম্বর ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে। তিনি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তার রচিত ‘রত্নবতী (১৮৬৯) উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম উপন্যাস।
'মেঘ বলে চৈত্রে যাব' কাব্যগ্রন্থের কবি-
Correct Answer:
খ: আহসান হাবীব
Explanation:
'মেঘ বলে চৈত্রে যাব' কাব্যগ্রন্থের কবি- সঠিক উত্তর আহসান হাবীব আহসান হাবীবের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ রাত্রিশেষ, ছায়াহরিণ, সারাদুপুর, মেঘ বলে চৈত্রে যাবো, আশায় বসতি, দুই হাতে দুই আদিম পাথর, প্রেমের কবিতা, বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইত্যাদি।
'নবান্ন' নাটক লিখেছেন-
Correct Answer:
ঘ: বিজন ভট্টাচার্য
Explanation:
'নবান্ন' নাটক লিখেছেন- সঠিক উত্তর বিজন ভট্টাচার্য বিজন ভট্টাচার্য ১৯০৬ সালে ফরিদপুর জেলার খানখানপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ‘নবান্ন’ নাটকটি রচনা করে তিনি প্রভৃত খ্যাতি অর্জন করেন। তার রচিত অপরাপর নাটকের মধ্যে জনপদ (১৯৪৫), কলঙ্ক (১৯৪৬), মরাচাদ (১৯৪৬), অবরোধ (১৯৪৭), গোত্রান্তর (১৯৬০) অন্যতম।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' একটি-
Correct Answer:
খ: কাহিনীকাব্য
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' একটি- সঠিক উত্তর কাহিনীকাব্য মহাভারতের সুন্দ ও উপ্সুন্দ কাহিনী অবলম্বন করে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাহিনীর নাম ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ (১৮৬০) কাব্য। এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস-
Correct Answer:
ক: জলাঙ্গী
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস- সঠিক উত্তর জলাঙ্গী কথাসাহিত্যিক শওকত ফোসমান রচিত ‘জলাঙ্গী’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), রাজা উপাখ্যান (১৯৭০), জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩), নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), পতঙ্গ পিঞ্জর (১৯৮৩), রাজসাক্ষী (১৯৮৫), পুরাতন খঞ্জর (১৯৮৭) অন্যতম।
কোনটি 'বিটপী' শব্দের সমার্থক নয়?
Correct Answer:
গ: তৃণ
Explanation:
কোনটি 'বিটপী' শব্দের সমার্থক নয়? সঠিক উত্তর তৃণ ‘বিটপী’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় তৃণ। বিটপী - এর কতিপয় সমার্থক শব্দ হলো বৃক্ষ, গাছ, শাখী, দ্রুম, মহীরুহ, তরু, পাদপ ইত্যাদি।
'শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই'- এখানে 'ভুঁই' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: কর্মে শূন্য
Explanation:
'শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই'- এখানে 'ভুঁই' কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্মে শূন্য ‘শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ‘ভুঁই’ কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। ক্রিয়াপদের সঙ্গে কর্মপদের সম্পর্ককে কর্মকারক বলে। কি/কাকে দিয়ে প্রশ্নের উত্তরে কর্মকারক পাওয়া যায়।
'বিজ্ঞান' শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?
Correct Answer:
ক: জ+ঞ
Explanation:
'বিজ্ঞান' শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি? সঠিক উত্তর জ+ঞ 'বিজ্ঞান' শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রুপ : জ্ + ঞ । এছাড়া এ যুক্ত বর্ণ দ্বারা এ যুক্ত বর্ণ দ্বারা গঠিত শব্দ : জ্ঞান, সংজ্ঞা ইত্যাদি।
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি?
Correct Answer:
ঘ: ৮টি
Explanation:
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি? সঠিক উত্তর ৮টি বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ আটটি। যথা : ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ; এবং মাত্রাহীন বর্ণ দশটি । যথা: এ, ঐ ও , ঔ, ঙ, ঞ , ৎ,ং, ঃ,। এছাড়া পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২ টি।
' বন্ধন' শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: বন্+ধন্
Explanation:
' বন্ধন' শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর বন্+ধন্ সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter) - কে বোঝালে ও প্রকৃত অর্থে অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। অক্ষর হচ্ছে বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। আর বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির চক্ষুগ্রাহ্য লিখিতরুপ বা ধ্বনি - নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ইংরেজিতে আমরা যাকে Syllable বলে অভিহিত করি , তাই অক্ষর । উদাহরণস্বরুপ , ইংরেজি 'Incident' শব্দে 'In - ci - dent' - এ তিনটি Syllable আছে। এই তিনটি Syllable - ই হলো অক্ষর। কিন্তু , আলাদাভাবে ' I - n - c - i - d - e - n - t' - এগুলাে অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ। তদ্রুপ , বাংলা 'বন্ধন' শব্দেও বন্ + ধন্ - - এ দুটো অক্ষর। কিন্তু ব + ন্ + ধ্ + ন্ - - এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ।
কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ ?
Correct Answer:
গ: গ্রামান্তর
Explanation:
কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ ? সঠিক উত্তর গ্রামান্তর যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
‘সচেষ্ট’ - এ সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: নিশ্চেষ্ট
Explanation:
‘সচেষ্ট’ - এ সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি ? সঠিক উত্তর নিশ্চেষ্ট সংকীর্ণপ্রশস্তসদৃশবিসদৃশসাহসিকতাভীরুতাসংকোচনপ্রসারণসধবাবিধবাসিক্তশুষ্কসংকুচিতপ্রসারিতসন্ধিবিগ্রহসুকৃতিদুষ্কৃতিসংক্ষিপ্তবিস্তৃতসন্নিধানব্যবধানসুগমদুর্গম
‘গায়ক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: গৈ+ণক
Explanation:
‘গায়ক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি ? সঠিক উত্তর গৈ+ণক প্রকৃতি : শব্দমূল বা শব্দের যে অংশকে আর ভাঙা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি মৌলিক শব্দ তথা প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি প্রাতিপদিক ও ধাতুই একেকটি প্রকৃতি। কিন্তু মৌলিক শব্দকে প্রকৃতি বলা যায় না। যখনই সেই শব্দের সঙ্গে বা অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তখনই কেবল নতুন সৃষ্ট শব্দটির মূল শব্দটিকে প্রকৃতি বলা যায়। অর্থাৎ, প্রত্যয় সাধিত শব্দের মূলশব্দকে বলা হয় প্রকৃতি। কিন্তু শব্দটি থেকে প্রত্যয় সরিয়ে ফেললে, মূলশব্দটিকে তখন আর প্রকৃতি বলা যাবে না। যেমন - লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর মূলশব্দ যথাক্রমে লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। এখানে, লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলো প্রত্যয়সাধিত (মূলশব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ) আর এই শব্দগুলোর মূলশব্দ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। অর্থাৎ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত - এগুলো লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর প্রকৃতি। কিন্তু আলাদাভাবে উল্লেখ করলে এগুলো আর প্রকৃতি নয়, এগুলো তখন স্রেফ কতোগুলো মৌলিক শব্দ। প্রত্যয় : মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে। উপরের উদাহরণে, লাজুক শব্দের প্রকৃতি ‘লাজ’ - এর সঙ্গে প্রত্যয় ‘উক’ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে ‘লাজুক’ শব্দটি।
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?
Correct Answer:
ঘ: গাম্ভীর্য
Explanation:
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ? সঠিক উত্তর গাম্ভীর্য 'জাত' বিশেষণ পদটির অর্থ : জন্মেছে এমন ; 'গৈরিক' বিশেষণবাচক পদটির অর্থ : যার স্বভাবে বিনয়ের অভাব এবং 'গাম্ভীর্য ' বিশেষ্যবাচক শব্দটির অর্থ: গম্ভীরতা বা গম্ভীর ভাব। সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ)।
নিচের কোন শব্দে ণত্ব বিধি অনুসারে 'ণ' --এর ব্যবহার হয়েছে?
Correct Answer:
খ: প্রবণ
Explanation:
নিচের কোন শব্দে ণত্ব বিধি অনুসারে 'ণ' --এর ব্যবহার হয়েছে? সঠিক উত্তর প্রবণ 'কল্যাণ' 'নিক্কণ' ও 'বিপণি' - শব্দগুলো 'ণ' - এর স্বভাবগত নিয়মে গঠিত হয়েছে। অন্যদিকে প্র, পরি, নির - এ তিনটি উপসর্গের পর 'প' - বর্গের ৫ টি (প, ফ,ব,ভ,ম) বর্ণ থাকলে তারপরে 'ন' ধ্বনি থাকলে তা মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন: প্রবণ , প্রমাণ ইত্যাদি। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)।
‘সকলের জন্য প্রযোজ্য’- এক কথায় কী হবে ?
Correct Answer:
ক: সর্বজনীন
Explanation:
‘সকলের জন্য প্রযোজ্য’- এক কথায় কী হবে ? সঠিক উত্তর সর্বজনীন ১//সকলের জন্য প্রযোজ্য = সার্বজনীন ২//সকলের জন্য মঙ্গলজনক = সর্বজনীন ৩//ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি = ইন্দ্রজিৎ ৪//ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি = জিতেন্দ্রিয়
'মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে'--- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয় -----
Correct Answer:
গ: মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
Explanation:
'মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে'--- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয় ----- সঠিক উত্তর মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না না - সূচক বাক্যে না , নয়, নহে, নি ,নেই , নাহি, নাই ইত্যাদি নঞর্থক অব্যয় ব্যবহার করতে হবে। না - বাচক ক্রিয়া ও না - বাচক শব্দ বা না - বাচক অব্যয় মিলে বাক্যে দু'বার ব্যবহার করে অস্তিবাচক বা হ্যাঁ - সূচক ভাব বজায় রাখতে হবে। মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে ' - বাক্যটির নেতিবাচক রুপ 'মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না।'
‘মুক্তি’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: মুচ্ + ক্তি
Explanation:
‘মুক্তি’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি ? সঠিক উত্তর মুচ্ + ক্তি ধাতুর শেষে ‘চ/জ’ থাকলে তা ‘ক’ হয়। যেমন - √বচ + ক্তি = উক্তি√মুচ + ক্তি = মুক্তি√ভজ + ক্তি = ভক্তি নিপাতনে সিদ্ধ :√বচ + ক্তি = উক্তি√গৈ + ক্তি = গীতি√সিধ + ক্তি = সিদ্ধি√বুধ + ক্তি = বুদ্ধি√শক + ক্তি = শক্তি
' চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' --এর অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
Explanation:
' চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' --এর অর্থ কী? সঠিক উত্তর কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয় বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী চর্যা শব্দের অর্থ - নিয়ম পালন; পালনীয় নিয়ম আচার। চর্যাচর্য অর্থ - আচরণীয় ও অনাচরণীয় ; পালনীয় ও বর্জনীয়। চর্যাচর্যবিনিশ্চয় অর্থ - কী করা উচিত এবং কী করা অনুচিত এটি যে গ্রন্থে বা যে সমস্ত গীতিকবিতায় স্থিরীকৃত হয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের প্রচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মূল নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্যপদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে ?
Correct Answer:
খ: দ্বিগু
Explanation:
‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্যপদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে ? সঠিক উত্তর দ্বিগু সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বৈয়াকরণ পাণিনি তাঁর 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণে দ্বিগু সমাসকে অর্থ ও পদ সন্নিবেশের ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। দ্বিগু সমাসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় - i) তদ্বিতার্থক দ্বিগু ii) সমাহার দ্বিগু
' গোরক্ষ বিজয়' কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?
Correct Answer:
গ: নাথধর্ম
Explanation:
' গোরক্ষ বিজয়' কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা? সঠিক উত্তর নাথধর্ম বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথধর্মের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শেখ ফয়জুল্লার একটি উল্লেখ্যযোগ্য কাব্যগ্রন্থ 'গোরক্ষ বিজয়' । এ কাব্যের কাহিনিতে নাথবিশ্বাস - জাত যোগের মহিমা এবং নারী - ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্র রুপায়িত হয়েছে। শেখ ফয়জুল্লার আরো কয়েকটি গ্রন্থ : গাজীবিজয়; সত্যপীর, রাগনামা , জয়নালের চৌতিশা। উল্লেখ্য , বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে শৈবধর্ম মিশে নাথধর্মের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়।
শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত ---
Correct Answer:
ঘ: রামপ্রসাদ সেন
Explanation:
শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত --- সঠিক উত্তর রামপ্রসাদ সেন শাক্তসাধক বা সিদ্ধ পুরুষদের লেখা সাধন সংগীতকেই শাক্ত পদাবলি বলা হয়। রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্যে শাক্তপদের প্রবর্তক। তার নামে প্রচারিত পদের সংখ্যা তিন শতাধিক । তার পদগুলো - শাক্ত পদাবলি, শ্যামা সঙ্গীত ও রামপ্রসাদী নামে পরিচিত। তার গানে মুগ্ধ হয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে ' কবিরঞ্জন' উপাধিতে ভূষিত করেন। তার উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্থ: বিদ্যাসুন্দর, কালীকীর্তন। অন্যদিকে রামনিধি গুপ্ত বাংলা সাহিত্যে টপ্পা গানের প্রবর্তক। পর্তুগিজ এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা ভাষার অন্যতম কবিয়াল এবং দাশরথি রায় ছিলেন পাঁচালী গানের শক্তিশালী কবি।
' রবীন্দ্র' --এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
গ: রবি + ইন্দ্র
Explanation:
' রবীন্দ্র' --এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর রবি + ইন্দ্র ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর 'ই' - কার কিংবা 'ঈ' - কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ 'ঈ' - কার হয়। দীর্ঘ 'ঈ' - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে সাথে যুক্ত হয় । যেমন : রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র , অতি + ইত = অতীত , পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা ইত্যাদি।
নিচের কোন শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি?
Correct Answer:
খ: শুভেচ্ছা
Explanation:
নিচের কোন শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি? সঠিক উত্তর শুভেচ্ছা 'শুভেচ্ছ' শব্দটি সন্ধিসাধিত শব্দ। 'অ' - কার কিংবা 'আ' - কারের পর 'ই' - কার কিংবা 'ঈ' - কার থাকলে উভয়ে মিলে এ - কার হয়' যেমন : অ + ই = এ ; শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা । তন্বী ( তনু + ঈ) প্রত্যয় ও সন্ধি - উভয় সাধিত শব্দ। এছাড়া সভাসদ (সভা + সদ ) ও ফলবান (ফল + বান ) প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। সে অনুযায়ী সঠিক উত্তর (খ) ।
' অলৌকিক ইস্টিমার' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: হুমায়ুন আজাদ
Explanation:
' অলৌকিক ইস্টিমার' গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর হুমায়ুন আজাদ কবি ও প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের (১৯৪৭ - ২০০৪) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অলৌকিক ইস্টিমার' (১৯৭৩) । এ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা : স্নানের জন্যে জল দাও বাতাস, আত্মহত্যার অস্ত্রাবলি, জ্যোৎস্নার অত্যাচার। তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ : জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু। অন্যদিকে হেলাল হাফিজের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: যে জলে আগুন জ্বলে । আসাদ চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: তবক দেওয়া পান, বিত্ত নাই বেসাত নাই, জলের মধ্যে লেখাজোখা , নদী বিবস্ত্র হয় । রফিক আজাদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: অসম্ভবের পায়ে, এক জীবনে , প্রেমের কবিতা, প্রিয় শাড়িগুলি।
'প্রকর্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ -----
Correct Answer:
গ: উৎকর্ষ
Explanation:
'প্রকর্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ ----- সঠিক উত্তর উৎকর্ষ 'প্রকর্ষ' বিশেষ্যবাচক শব্দটির সমার্থক শব্দ : উৎকর্ষ , শ্রেষ্ঠত্ব , উন্নতি ।
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?
Correct Answer:
খ: অনমনীয়
Explanation:
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি? সঠিক উত্তর অনমনীয় জন দ্বারা শ্রুতি = জনশ্রুতি (তৃতীয়া তৎপুরুষ) ; তপের নিমিত্ত বন = তপোবন (চতুর্থী তৎপুরুষ) ; খাস যে মহল = খাসমহল (কর্মধারয়); নেই নমন যার = অনমনীয় ( নঞ বহুব্রীহি সমাস) সুতরাং সঠিক উত্তর (খ) ।
' হেড মৌলভী' কোন কোন ভাষার শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে?
Correct Answer:
ক: ইংরেজি + ফার্সি
Explanation:
' হেড মৌলভী' কোন কোন ভাষার শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে? সঠিক উত্তর ইংরেজি + ফার্সি যেসব শব্দ দেশি ও বিদেশি ভাষার সংমিশ্রণে কিংবা দুটি ভাষার দুটি শব্দের মিলনে গঠিত হয়, তাকে মিশ্র শব্দ বলে। যেমন ; 'হেডমৌলভী' (ইংরেজি + ফারসি ) দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এরকম আর ও কিছু শব্দ হলো : হাটবাজার (বাংলা + ফারসি ) ; চৌহদ্দি (ফারসি + আরবি) ; রাজ - বাদশা (তৎসম + ফারসি) ইত্যাদি।
'Custom' শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ?
Correct Answer:
খ: প্রথা
Explanation:
'Custom' শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ? সঠিক উত্তর প্রথা বাংলা ভাষার প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। 'Custom' শব্দের যথার্থ পারিভাষিক অর্থ - প্রথা; অভ্যাস; সামাজিক রীতিনীত। অন্যদিকে , Act বা Law - এর পরিভাষা আইন; Duty - এর পরিভাষা শুল্ক; Revenue policy - এর পরিভাষা রাজস্বনীতি।
কল্লোল শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: শব্দময় ঢেঊ
Explanation:
কল্লোল শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর শব্দময় ঢেঊ কল্লোল - [বিশেষ্য পদ] মহাতরঙ্গ, শব্দকারী তরঙ্গ; কলরব, পরম আহ্লাদ; মহানন্দ।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক ---
Correct Answer:
ঘ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক --- সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় 'সুবচন নির্বাসনে' আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। | 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। 'নূরলদীনের সারা জীবন সৈয়দ শামসুল হকের একটি ঐতিহাসিক নাটক। 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি কাব্যনাট্য।
সাধু ভাষা সাধারনত কোথায় অনুপযোগী?
Correct Answer:
ঘ: নাটকের সংলাপে
Explanation:
সাধু ভাষা সাধারনত কোথায় অনুপযোগী? সঠিক উত্তর নাটকের সংলাপে বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ; এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত। সাধু ভাষা অনেকটা ধ্রুপদী বৈশিষ্ট্যের এবং চলিত ভাষা সর্বসাধারণের জীবন - ঘনিষ্ঠ। ভাষার এই দ্বিধারিক প্রপঞ্চকে বলা হয় দ্বি - ভাষারীতি। সাধু ভাষার বাক্যরীতি অনেকটা সুনির্ধারিত। এ ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। এতে সর্বনাম, ক্রিয়াপদ প্রভৃতির রূপ মৌখিক ভাষার রূপ অপেক্ষা পূর্ণতর। চলিত ভাষা সর্বদাই নতুন নতুন ধ্বনি - পরিবর্তন করে। কিন্তু সাধু ভাষায় শব্দের রূপান্তর খুব বেশি দেখা যায় না। যেমন, চলিত ভাষায় স্বরসঙ্গতি ও অভিশ্রুতির প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়, কিন্তু সাধু ভাষায় তেমনটা দেখা যায় না। চলিত ভাষা অপেক্ষাকৃত চটুল এবং সাধু ভাষা গম্ভীর; তবে ব্যঙ্গরচনা বা রম্যরচনায় চলিত ভাষার মতো সাধু ভাষারও সফল ব্যবহার হতে পারে। অন্যদিকে সাধু ভাষায় আছে এক রকম স্বাভাবিক আভিজাত্য ও ঋজুতা।
‘প্রসূন’ এর প্রতিশব্দ ?
Correct Answer:
গ: পুষ্প
Explanation:
‘প্রসূন’ এর প্রতিশব্দ ? সঠিক উত্তর পুষ্প প্রসূন - [বিশেষ্য পদ] ফুল, মুকুল।
সঠিক বানান কোনটি?
Correct Answer:
খ: মরীচিকা
Explanation:
সঠিক বানান কোনটি? সঠিক উত্তর মরীচিকা পূর্ণ প্রতিফলনের জন্য উষ্ণ মরুভূমি এলাকায় আর শীতপ্রধান দেশের মেরু অঞ্চলে দূরের বস্তু সম্বন্ধে যে দৃষ্টিভ্রম তৈরি হয় তাকে বলে মরীচিকা। মরুভূমিতে দিনের বেলায় প্রচণ্ড সূর্যতাপে বালির কাছাকাছি থাকা বায়ুর স্তর সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যত উপরে ওঠা যায়, তাপ ততই কমে। উত্তপ্ত হাওয়ায় বায়ুর আয়তন বাড়ে আর ঘনত্ব কমে। একেবারে নিচে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে কম, যত উপরে ওঠা যায় ঘনত্ব তত বাড়ে। এতে বায়ুস্তরের প্রতিসরাঙ্ক উপর থেকে নিচের স্তরের দিকে ক্রমশ কমে আসে। এভাবে একসময় আলোকরশ্মি দর্শকের চোখে মনে হবে যেন বালিস্তরের নিচের কোন জায়গা থেকে আসছে, প্রতিবিম্বও উল্টো কাঁপা কাঁপা। গাছের উল্টো প্রতিবিম্ব দেখায় দর্শকদের মনে হবে গাছের সামনে কোনো জলাশয় রয়েছে। গাছের কাছে গেলে দেখা যাবে পুরো বিষয়টি দৃষ্টিভ্রম। এ অবস্থাকেই মরীকিচা বলা হয়।
' Null and Void' --এর বাংলা পরিভাষা কী?
Correct Answer:
ক: বাতিল
Explanation:
' Null and Void' --এর বাংলা পরিভাষা কী? সঠিক উত্তর বাতিল 'Null and Void ' এর পরিভাষা হলো : 'বাতিল'। অন্য option গুলোর মধ্যে পালাবদল - এর ইংরেজি পরিভাষা হচ্ছে by turns : মামুলি - trifling এবং নিরপেক্ষ = neutral ।
মন্সামঙ্গল' কাব্যের একজন প্রধান রচয়িতা হলেন-
Correct Answer:
ঘ: বিজয় গুপ্ত
Explanation:
মন্সামঙ্গল' কাব্যের একজন প্রধান রচয়িতা হলেন- সঠিক উত্তর বিজয় গুপ্ত মনসামঙ্গলের একজন সর্বাধিক প্রচারিত কবি হিসাবে বিজয়গুপ্ত - এর খ্যাতি। তার মনসামঙ্গল (বা পদ্মাপুরাণ) বাংলার জনপ্রিয় কাব্যগুলির মধ্য অন্যতম। গল্পরস সৃজনে, করুণরস ও হাস্যরসের প্রয়োগে, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক জীবনের পরিচয়ে, চরিত্র চিত্রণে এবং পাণ্ডিত্যের গুণে বিজয়গুপ্তের পদ্মাপুরাণ একটি জনপ্রিয় কাব্য। বিজয়গুপ্তের পূর্বে আমরা পাই আদি মঙ্গল কবি কানাহরি দত্ত ও বিপ্রদাস পিপলাইকে।
' এ যে আমাদের চেনা লোক' ---বাক্যে ' চেনা' কোন পদ?
Correct Answer:
ঘ: বিশেষণ
Explanation:
' এ যে আমাদের চেনা লোক' ---বাক্যে ' চেনা' কোন পদ? সঠিক উত্তর বিশেষণ যে পদ দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ , গুণ, অবস্থা, সংখ্যা , পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। এ বাক্যে 'চেনা ' শব্দটি দ্বারা লোকটির পরিচিতি বা অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি বিশেষদ পদ।
কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক?
Correct Answer:
গ: বেদের মেয়ে
Explanation:
কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক? সঠিক উত্তর বেদের মেয়ে 'রাখালী' পল্লিকবি জসীম উদ্দিন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া ' মাটির কান্না' তার আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। 'বোবাকিহিনী 'তার রচিত একমাত্র উপন্যাস। 'বেদের মেয়" জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত লোকনাট্য।
' নকঈ কাঁথার মাঠ' কাব্যের নাকিয়ার নাম-
Correct Answer:
গ: সাজু
Explanation:
' নকঈ কাঁথার মাঠ' কাব্যের নাকিয়ার নাম- সঠিক উত্তর সাজু নকশী কাঁথার মাঠ ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য আখ্যানকাব্য। বাংলা ভাষায় রচিত এই আখ্যানকাব্যের লেখক বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীম উদ্দীন। বাংলা কবিতার জগতে যখন ইউরোপীয় ধাঁচের আধুনিকতার আন্দোলন চলছিল তখন প্রকাশিত এই কাব্যকাহিনী ঐতিহ্যগত ধারার শক্তিমত্তাকে পুনঃপ্রতিপন্ন করে। এটি জসীমউদদীনের একটি অমর সৃষ্টি হিসাবে বিবেচিত। কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে অনুবাদিত হয়ে বিশ্বপাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল। নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ যুবক - যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী। এই দুজনই ছিলেন বাস্তব চরিত্র।
'ষ্ণ; সংযুক্ত ব্যাঞ্জন বর্ণটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
Correct Answer:
গ: ষ + ণ
Explanation:
'ষ্ণ; সংযুক্ত ব্যাঞ্জন বর্ণটি কিভাবে গঠিত হয়েছে? সঠিক উত্তর ষ + ণ ষ্ক = ষ + ক; যেমন - শুষ্কষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন - নিষ্ক্রিয়ষ্ট = ষ + ট; যেমন - কষ্টষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন - বৈশিষ্ট্যষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন - রাষ্ট্রষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন - শ্রেষ্ঠষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন - নিষ্ঠ্যূতষ্ণ = ষ + ণ; যেমন - কৃষ্ণষ্প = ষ + প; যেমন - নিষ্পাপষ্প্র = ষ + প + র; যেমন - নিষ্প্রয়োজন
ব্যকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো-
Correct Answer:
ক: ভাষাবোহা সৃষ্টি করা
Explanation:
ব্যকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো- সঠিক উত্তর ভাষাবোহা সৃষ্টি করা বাংলা অক্ষরে প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণটি একজন বিদেশির লেখা। ১৭৭৮ সালে A Grammar of the Bengali Language নামে এ - ব্যাকরণটি লিখেছিলেন প্রাচ্যবিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক নাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড। ব্যাকরণটি লিখিত হয়েছিল ফিরিঙ্গিদের জন্য। মূল ব্যাকরণ অংশ রচিত হয়েছিল ইংরেজি ভাষায়। অনুসৃত হয়েছিল ইংরেজি ব্যাকরণ রচনার রীতি আর কাঠামো তৈরি হয়েছিল সংস্কৃত ব্যাকরণের ধাঁচে। এ ব্যাকরণে উদ্ধৃতিগুলো নেওয়া হয়েছিল রামায়ণ, মহাভারত, অন্নদামঙ্গল ইত্যাদি কাব্য থেকে। সেগুলি মুদ্রিত হয়েছিল বাংলা হরফে। বাংলা ভাষা শেখা ও শেখানোর ক্ষেত্রে এ - ব্যাকরণটি ছিল প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা। এর পরের উল্লেখযোগ্য ব্যাকরণটিও বিদেশির কাছ থেকে পাওয়া। সেটি হলো বহুভাষাবিদ ধর্মযাজক উইলিয়াম কেরি - রচিত A Grammar of the Bengali Language (১৮০১)। এটিও রচিত হয়েছিল ইংরেজি ভাষায়। আর এতে অনুসৃত হয়েছিল হ্যালহেডের ব্যাকরণের আদর্শ। ইংরেজ রাজকর্মচারীদের বাংলা ভাষা শেখায় সহায়তা করাই ছিল এটি রচনার মুখ্য উদ্দেশ্য। এই দুই ব্যাকরণের মাধ্যমে হ্যালহেড ও কেরির হাতে বাংলা ভাষা পেয়েছিল স্বতন্ত্র মর্যাদা ও স্বীকৃতি। তবে এতে বাংলা ভাষার ওপর সংস্কৃত ভাষার আধিপত্য স্বীকৃত হয়েছিল এবং যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল সংস্কৃতের প্রভাবকে। ফলে বাংলা ব্যাকরণ গোড়া থেকেই হয়ে উঠেছিল সংস্কৃত ব্যাকরণঘেঁষা। বাঙালির হাতে বাংলা ব্যাকরণ রচনার সূচনা হয় উনিশ শতকের গোড়ায়। ১৮০৭ সালে প্রকাশিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাঙ্গালা ভাষার ব্যাকরণ হলো বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।
'লাঠালাঠি' এটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: ব্যাতিহার বহুব্রীহি
Explanation:
'লাঠালাঠি' এটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর ব্যাতিহার বহুব্রীহি ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়। যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, কানে কানে যে কথা = কানাকানি। এরূপ - চুলাচুলি, কাড়াকাড়ি, গালাগালি, দেখাদেখি, কোলাকুলি, লাঠালাঠি, হাসাহাসি, গুঁতাগুঁতি, ঘুষাঘুষি ইত্যাদি।
বাংলা গদ্য কোন যুগের ভাষার নিদর্শন?
Correct Answer:
ক: আধুনিক যুগ
Explanation:
বাংলা গদ্য কোন যুগের ভাষার নিদর্শন? সঠিক উত্তর আধুনিক যুগ চিঠিপত্র লেখা এবং দলিল - দস্তাবেজ লেখার প্রয়োজনে বাংলা গদ্যের সূত্রপাত। দলিল - দস্তাবেজ ইত্যাদি সংস্কৃত ও পার্সি - এই দুই ভাষার প্রভাবে পরিকীর্ণ। আদি সাহিত্যিক গদ্যে কথ্যভাষার প্রতিফলন সুস্পষ্ট। পর্তুগীজ ধর্মপ্রচারক মানোএল দা আস্সুম্পসাঁউ - এর রচনা রীতি বাংলা গদ্যের অন্যতম আদি নিদর্শন।
কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
Correct Answer:
ঘ: বালুচর
Explanation:
কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়? সঠিক উত্তর বালুচর 'ছায়ানট' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। চক্রবাক কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 'রুদ্রমঙ্গল' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। | 'বালুচর' জসীমউদ্দীন রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
' সবুজপত্র' প্রকাশিত হয় কোন সালে?
Correct Answer:
গ: ১৯১৪
Explanation:
' সবুজপত্র' প্রকাশিত হয় কোন সালে? সঠিক উত্তর ১৯১৪ প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় সবুজপত্র প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩২১ বঙ্গাব্দের (১৯১৪ সালে) ২৫ বৈশাখ। বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ঘ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী 1.'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক - প্রমথ চৌধুরী 2. 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রকাশিত হয় - ১৯১৪ সালে 3. প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবলী' রীতির প্রচার মাধ্যম হিসাবে যে পত্রিকা ভূমিকা রাখে - সবুজপত্র 4. বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলনে যে পত্রিকার অবদান বেশি - সবুজপত্র ।
'ক্ষুধার্ত' এর সন্ধি-বিচ্ছেদ -
Correct Answer:
গ: ক্ষুধা + ঋত
Explanation:
'ক্ষুধার্ত' এর সন্ধি-বিচ্ছেদ - সঠিক উত্তর ক্ষুধা + ঋত অ/আ এরপরে ঋত থাকলে অ/আ ও ঋত - র ঋ মিলে আর হয় এবং আর’, ‘অ/আ’ - র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। অ + ঋ (ঋত) = আরশীত + ঋত = শীতার্তভয় + ঋত = ভয়ার্ত আ + ঋ (ঋত) = আরতৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্তক্ষুধা + ঋত = ক্ষুধার্ত
' নৈস্বর্গিক' - এর বীপরীতার্থক শোব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: কৃত্রিম
Explanation:
' নৈস্বর্গিক' - এর বীপরীতার্থক শোব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর কৃত্রিম কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ: নতুন পুরাতন নিন্দা জাগরণ নির্মল মলিন নবীন নিন্দিত নিয়োগ বরখাস্ত নির্লজ্জ সলজ্জ নবীন প্রবীণ নিরক্ষর সাক্ষর নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তা নর নারী নিরবলম্ব স্বাবলম্ব নীরস সরস নশ্বর অবিনশ্বর নিরস্ত্র সশস্ত্র নিশ্চেষ্ট সচেষ্ট নাবালক সাবালক নিরাকার সাকার নৈঃশব্দ্য সশব্দ নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নির্দয় সদয় নৈতিকতা অনৈতিকতা নিকৃষ্ট উৎকৃষ্ট নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট নৈসর্গিক কৃত্তিম নিত্য অনিত্য নির্দেশক অনির্দেশক ন্যায় অন্যায় ন্যূন অধিক
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় 'কালাপাহাড়'--কে স্মরণ করেছেন কেন?
Correct Answer:
ঘ: প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় 'কালাপাহাড়'--কে স্মরণ করেছেন কেন? সঠিক উত্তর প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'মানুষ' কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যারা পবিত্র উপাসনালয়ের দরজা বন্ধ করে , তাদের ধ্বংসের জন্য কালাপাহাড়কে স্বরণ করেছেন। তাইতো কাজী নজরুল লিখেছেন, মোল্লা পুরুত লাগয়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!' কোথা চেঙ্গিস' গজনি মামুদ, কোথায় কালাপাহাড় ? ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা - দেওয়া দ্বার! 'কালাপাহাড়' ছিলেন বাংলা ও বিহারের সন্তান ছিলেন এবং নিয়মিত বিষ্ণু পূজা করতেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। ১৫৬৮ সালে পুরীর জগন্নাত দেবের মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও বিগ্রহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। আর তখন থেকেই তিনি 'কালাপাহাড়' নামে পরিচিত।
' যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে মুখ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
Correct Answer:
ক: শক্তি
Explanation:
' যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' এখানে মুখ বলতে কী বুঝানো হয়েছে? সঠিক উত্তর শক্তি “মুখ” শব্দের বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ:মেয়েটির মুখটি বড় মিষ্টি(দেহের অঙ্গ)। মুখের জোরেই সে করে খাচ্ছে(বক্তৃতার ক্ষমতা)। এমন কথা মুখে আনাও পাপ (বলা)। তুমি আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছ (সম্মান বাড়ানো)। মুখে মুখে কথা বলবে না(তর্ক করা)।