Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
মৌলিক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: গোলাপ
Explanation:
মৌলিক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর গোলাপ মৌলিক শব্দ: যে - সব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আর কোন শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। অর্থাৎ, যে সব শব্দকে ভাঙলে আর কোন অর্থসঙ্গতিপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমনঃ গোলাপ, নাক, লাল, তিন, ইত্যাদি। এই শব্দগুলোকে আর ভাঙা যায় না, বা বিশ্লেষণ করা যায় না। আর যদি ভেঙে নতুন শব্দ পাওয়াও যায়, তার সঙ্গে শব্দটির কোন অর্থসঙ্গতি থাকে না। যেমন, উদাহরণের গোলাপ শব্দটি ভাঙলে গোল শব্দটি পাওয়া যায়। কিন্তু গোলাপ শব্দটি গোল শব্দ থেকে গঠিত হয়নি। এই দুটি শব্দের মাঝে কোন অর্থসংগতি নেই। তেমনি নাক ভেঙে না বানানো গেলেও নাক না থেকে আসেনি। অর্থাৎ, এই শব্দগুলোই মৌলিক শব্দ। ‘গোলাপ’ শব্দটির সঙ্গে ‘ই’ প্রত্যয় যোগ করে আমরা ‘গোলাপী’ শব্দটি বানাতে পারি। তেমনি ‘নাক’ - র সঙ্গে ‘ফুল’ শব্দটি যোগ করে আমরা ‘নাকফুল’ শব্দটি গঠন করতে পারি।
কার সম্পাদনায় 'সংবাদ প্রভাকর ' প্রথম প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
Explanation:
কার সম্পাদনায় 'সংবাদ প্রভাকর ' প্রথম প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ প্রভাকর ছিল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি দৈনিক বাংলা সংবাদপত্র। ১৮৩১ সালে একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে এটি চালু হয় এবং আট বছর পর ১৮৩৯ সালে এটি একটি দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত হয়। এটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র।
'লাঠালাঠি' শব্দটির সমাস----
Correct Answer:
খ: বহুব্রীহি
Explanation:
'লাঠালাঠি' শব্দটির সমাস---- সঠিক উত্তর বহুব্রীহি যে সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কারো অর্থ প্রাধান্য পায় না , সম্পূর্ণ তৃতীয় একটি অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। প্রধানত বহুব্রীহি সমাস সাত প্রকার:১/ সমানাধিকরন বহুব্রীহি: দশানন—দশ আনন যার২/ ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি: পাপমতি - - পাপে মতি যার৩/ মধ্যপদোলোপি বহুব্রীহি: বিড়ালাক্ষী - - বিড়ালের অক্ষির মতো অক্ষি যার৪/ অলোপ বহুব্রীহি: মুখেভাত - - মুখে ভাত দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে। ৫/ ব্যাতিহার বহুব্রীহি: লাঠালাঠি - - লাঠিতে লাঠিতে লড়াই। ৬/ না বহুব্রীহি: নির্বাক - - নেই বাক যার। ৭/সহার্থক বহুব্রীহি: সবাক - - বাকের সহিত বর্তমান
কোন প্রবচনটি 'হতভাগ্য' অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
ক: আট কপালে
Explanation:
কোন প্রবচনটি 'হতভাগ্য' অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর আট কপালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ গধারা *** 1 আট কপালে – হতভাগ্য 2. দুধের মাছি – সুসময়ের বন্ধু 3. কুল কাঠের আগুন – তীব্র জ্বালা 4. একাদশে বৃহস্পতি – সুসময়।
যার কোনো মূল্য নেই, তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটি হয়?
Correct Answer:
ঘ: ঢাকের বাঁয়া
Explanation:
যার কোনো মূল্য নেই, তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটি হয়? সঠিক উত্তর ঢাকের বাঁয়া ঢাকের বাঁয়া - অকেজো, অপ্রয়োজনীয়।
শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ভাগ করা যায় ----
Correct Answer:
খ: তিন ভাগে
Explanation:
শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ভাগ করা যায় ---- সঠিক উত্তর তিন ভাগে বাংলা ভাষার যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ ঘটেছে, সেগুলোকে পণ্ডিতরা নিম্নলিখিত পাঁচ ভাগে ভাগ করেছেন। নিচে তা তুলে ধলা হলো।তৎসম শব্দ : যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। উদাহরণ—চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।তদ্ভব শব্দ : যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ। উদাহরণ—হাত, চাঁদ, আজ, চামার।অর্ধতৎসম শব্দ : বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে বলে অর্ধতৎসম শব্দ। তৎসম মানে সংস্কৃত। আর অর্ধতৎসম মানে আধা সংস্কৃত। উদাহরণ—জোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি।দেশি শব্দ : বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু কিছু উপাদান বাংলায় রক্ষিত হয়েছে। এসব শব্দকে দেশি শব্দ নামে অভিহিত করা হয়। উদাহরণ—কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি ইত্যাদি।বিদেশি শব্দ : রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সংস্কৃতিগত ও বাণিজ্যিক কারণে বাংলাদেশে আসা বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের বহু শব্দ বাংলায় এসে স্থান করে নিয়েছে। এসব শব্দকে বলা হয় বিদেশি শব্দ। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, ভারত, মিয়ানমার, মালয়, চীন, জাপান প্রভৃতি দেশেরও কিছু শব্দ আমাদের ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। উদাহরণ—আল্লাহ, ইসলাম, কিতাব (আরবি), খোদা, পয়গম্বর, কারখানা (ফারসি), ইউনিভার্সিটি, নভেল, লাইব্রেরি (ইংরেজি), আনারস, আলপিন, বালতি (পর্তুগিজ), কার্তুজ, কুপন, রেস্তোরাঁ (ফরাসি), ইস্কাপন, তুরুপ (ওলন্দাজ), খদ্দর, হরতাল (গুজরাটি), চাকর, চাকু, দারোগা (তুর্কি), চা, চিনি (চীনা), ফুঙ্গি, লুঙ্গি (মিয়ানমার), রিকশা (জাপানি) ইত্যাদি।
কোনটি বিশেষণ বাচক শব্দ?
Correct Answer:
খ: জীবনী
Explanation:
কোনটি বিশেষণ বাচক শব্দ? সঠিক উত্তর জীবনী জীবনী - (১) [বিশেষ্য পদ] জীবনচরিত; (২) [বিশেষণ পদ] প্রাণ - দায়িনী, জীবনসঞ্চারিণী।
'আমীর হামজা' কাব্য রচনা করেন কে?
Correct Answer:
খ: ফকির গরীবুল্লাহ
Explanation:
'আমীর হামজা' কাব্য রচনা করেন কে? সঠিক উত্তর ফকির গরীবুল্লাহ আমীর হামজা মধ্যযুগের দোভাষী পুথিসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাব্য। এতে বীর যোদ্ধা আমীর হামজার যুদ্ধজয়ের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। ফারসি দস্তান - ই - আমীর হামজা - র অনুসরণে বাংলা ভাষায় প্রথম (১৬৮৪) আমীর হামজা কাব্য রচনা করেন চট্টগ্রামের কবি আবদুন নবী। এরপর ফকির গরিবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা যৌথভাবে একই বিষয় নিয়ে কাব্য রচনা করেন। মোট ৭০টি পর্বে এ বিশাল কাব্য সমাপ্ত হয়। এর প্রথম অংশ গরিবুল্লাহ রচনা করেন আঠারো শতকের মধ্যভাগে, বাকি অংশ তাঁর শিষ্য সৈয়দ হামজা ১৭৯৪ সালে সমাপ্ত করেন। বটতলার ছাপাখানায় এটি মুদ্রিত হয়ে প্রচারের সুযোগ পায় বলে অধিক জনপ্রিয় হয়, কিন্তু আবদুন নবীর কাব্য হস্তলিখিত পান্ডুলিপির আকারে একটি অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়।
'সিরাজুম মুনীরা' কাব্যের রচয়িতার নাম------
Correct Answer:
খ: ফররুখ আহমদ
Explanation:
'সিরাজুম মুনীরা' কাব্যের রচয়িতার নাম------ সঠিক উত্তর ফররুখ আহমদ ফররুখ আহমদ (জন্ম : জুন ১০, ১৯১৮ - মৃত্যু : অক্টোবর ১৯, ১৯৭৪) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী কবি। এই বাঙালি কবি 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। তার কবিতায় বাংলার অধঃপতিত মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের অণুপ্রেরণা প্রকাশ পেয়েছে।
ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ------
Correct Answer:
ঘ: ষট্ + ঋতু
Explanation:
ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ------ সঠিক উত্তর ষট্ + ঋতু বর্গের প্রথম বর্ণ (ক, চ, ট, ত/ৎ, প) + স্বরবর্ণ = বর্গের তৃতীয় বর্ণ (গ, জ, ড/ড়, দ, ব) যেমন,ষড়ঋতু = ষট্ + ঋতু।
' বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার রচনা?
Correct Answer:
ক: মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্
Explanation:
' বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার রচনা? সঠিক উত্তর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ বিশিষ্ট ভাষাবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫ - ১৯৬৯ খ্রি.) 'বাংলা ভাষার ইতিবৃ্ত্ত' (১৯৬৫), 'ভাষা ও সাহিত্য (১৯৩১) এবং 'বাংলা ব্যাকরণ' (১৯৬৫) ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করেন।
বর্ণ হচ্ছে -----
Correct Answer:
গ: ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
Explanation:
বর্ণ হচ্ছে ----- সঠিক উত্তর ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক মনের কথা লিখে প্রকাশ করার জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে বর্ণ বলে ।
' প্রভাবতী সম্ভাষণ' কার রচনা?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
' প্রভাবতী সম্ভাষণ' কার রচনা? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০ - ১৯৯১ খ্রি) একটি মৌলিক গ্রন্থ 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' । তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে হয়েছে - 'বেতালপঞ্চবিংশতি' (হিন্দি বৈতালপচ্চীসীর বঙ্গানুবাদ) , 'শকুন্তলা ' (কালিদাসের 'অভিজ্ঞানশকুন্তলম' নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ) , 'ভ্রান্তিবিলাস' (শেক্সপীয়রের ' Comedy of Errors' - এর বঙ্গানুবাদ ) ইত্যাদি।
'বীরবল' নিম্নোক্ত একজন লেখকের ছদ্মনাম------
Correct Answer:
ক: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
'বীরবল' নিম্নোক্ত একজন লেখকের ছদ্মনাম------ সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী প্রশ্ন: অনন্ত বড়ু এর ছদ্ম নাম কি ?উ: বড়ু চন্ডিদাস |প্রশ্ন: অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত এর ছদ্ম নাম কি ?উ: নীহারিকা দেবী |প্রশ্ন: আব্দুল কাদির এর উপাধি কি ?উ: ছান্দসিক কবি |প্রশ্ন: আলাওল এর উপাধি কি ?উ: মহাকবি |প্রশ্ন: আব্দুল করিম এর উপাধি কি ?উ: সাহিত্য বিশারদ |প্রশ্ন: ঈশ্বর গুপ্ত এর উপাধি কি ?উ: যুগসন্ধিক্ষণের কবি |প্রশ্ন: ঈশ্বরচন্দ্র এর উপাধি কি ?উ: বিদ্যাসাগর |প্রশ্ন: কাজেম আল কোরায়েশী এর ছদ্মনাম কি ?উ: কায়কোবাদ |প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলাম এর উপাধি কি ?উ: বিদ্রোহী কবি |প্রশ্ন: কালি প্রসন্ন সিংহ এর ছদ্মনাম কি ?উ: হুতোম পেঁচা |প্রশ্ন: গোবিন্দ্র দাস এর উপাধি কি ?উ: স্বভাব কবি |প্রশ্ন: গোলাম মোস্তফা এর উপাধি কি ?উ: কাব্য সুধাকর |প্রশ্ন: চারুচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম কি ?উ: জরাসন্ধ |প্রশ্ন: জসীম উদ্দিন এর উপাধি কি ?উ: পল্লী কবি |প্রশ্ন: জীবনানন্দ দাশ এর উপাধি কি ?উ: রূপসী বাংলার কবি, তিমির হননের কবি, ধুসর পান্ডুলিপির কবি |প্রশ্ন: ডঃ মনিরুজ্জামান এর ছদ্মনাম কি ?উ: হায়াৎ মামুদ |প্রশ্ন: ডঃ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এর উপাধি কি ?উ: ভাষা বিজ্ঞানী |প্রশ্ন: নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম কি ?উ: সুনন্দ |প্রশ্ন: নজিবর রহমান এর উপাধি কি ?উ: সাহিত্যরত্ন |প্রশ্ন: নীহাররঞ্জন গুপ্ত এর ছদ্মনাম কি ?উ: বানভট্ট |প্রশ্ন: নূরন্নেসা খাতুন এর উপাধি কি ?উ: সাহিত্য স্বরসতী, বিদ্যাবিনোদিনী |প্রশ্ন: প্যারীচাঁদ মিত্র এর ছদ্মনাম কি ?উ: টেকচাঁদ ঠাকুর |প্রশ্ন: ফররুখ আহমদ এর উপাধি কি ?উ: মুসলিম রেনেসাঁর কবি |প্রশ্ন: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ছদ্মনাম কি ?উ: বনফুল |প্রশ্ন: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায় এর উপাধি কি ?উ: সাহিত্য সম্রাট |প্রশ্ন: বাহরাম খান এর উপাধি কি ?উ: দৌলত উজীর |প্রশ্ন: বিমল ঘোষ এর ছদ্মনাম কি ?উ: মৌমাছি |প্রশ্ন: বিহারীলাল চক্রবর্তী এর উপাধি কি ?উ: ভোরের পাখি |প্রশ্ন: বিদ্যাপতি এর উপাধি কি ?উ: পদাবলীর কবি |প্রশ্ন: বিষ্ণু দে এর উপাধি কি ?উ: মার্কসবাদী কবি |প্রশ্ন: প্রমথ চৌধুরী এর ছদ্মনাম কি ?উ: বীরবল |প্রশ্ন: ভারতচন্দ্র এর উপাধি কি ?উ: রায় গুনাকর |প্রশ্ন: মধুসূদন দত্ত এর উপাধি কি ?উ: মাইকেল |প্রশ্ন: মালাধর বসু এর উপাধি কি ?উ: গুণরাজ খান |প্রশ্ন: মুকুন্দরাম এর উপাধি কি ?উ: কবিকঙ্কন |প্রশ্ন: মুকুন্দ দাস এর উপাধি কি ?উ: চারণ কবি |প্রশ্ন: মীর মশাররফ হোসেন এর ছদ্মনাম কি ?উ: গাজী মিয়া |প্রশ্ন: মধুসূদন মজুমদার এর ছদ্মনাম কি ?উ: দৃষ্টিহীন |প্রশ্ন: মোহিত লাল মজুমদার এর ছদ্মনাম কি ?উ: সত্য সুন্দর দাস |প্রশ্ন: মোজাম্মেল হক এর উপাধি কি ?উ: শান্তিপুরের কবি |প্রশ্ন: যতীন্দ্রনাথ বাগচী এর উপাধি কি ?উ: দুঃখবাদের কবি |প্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর উপাধি কি ?উ: বিশ্বকবি, নাইট |প্রশ্ন: রাজশেখর বসু এর ছদ্মনাম কি ?উ: পরশুরাম |প্রশ্ন: রামনারায়ণ এর উপাধি কি ?উ: তর্করত্ন |প্রশ্ন: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপাধি কি ?উ: অপরাজেয় কথাশিল্পী |প্রশ্ন: শেখ ফজলুল করিম এর উপাধি কি?উ: সাহিত্য বিশারদ, রত্নকর |প্রশ্ন: শেখ আজিজুর রহমান এর ছদ্মনাম কি ??উ: শওকত ওসমান |প্রশ্ন: শ্রীকর নন্দী এর উপাধি কি ?উ: কবিন্দ্র পরমেশ্বর |প্রশ্ন: সমর সেন এর উপাধি কি ?উ: নাগরিক কবি |প্রশ্ন: সমরেশ বসু এর ছদ্মনাম কি ?উ: কালকূট |প্রশ্ন: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত্ এর উপাধি কি ?উ: ছন্দের যাদুকর |প্রশ্ন: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম কি ?উ: নীল লোহিত |প্রশ্ন: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত এর উপাধি কি ?উ: ক্লাসিক কবি |প্রশ্ন: সুকান্ত ভট্টাচার্য এর উপাধি কি ?উ: কিশোর কবি |প্রশ্ন: সুভাষ মুখোপাধ্যায় এর উপাধি কি ?উ: পদাতিকের কবি |প্রশ্ন: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী এর উপাধি কি ?উ: স্বপ্নাতুর কবি |প্রশ্ন: হেমচন্দ্র এর উপাধি কি ?উ: বাংলার মিল্টন |
'লাপাত্তা' শব্দের 'লা' উপসর্গটি বাংলা ভাষায় এসেছে ------
Correct Answer:
ক: আরবি ভাষা থেকে
Explanation:
'লাপাত্তা' শব্দের 'লা' উপসর্গটি বাংলা ভাষায় এসেছে ------ সঠিক উত্তর আরবি ভাষা থেকে আরবি মনে রাখার কৌশলঃ আম লাখায়েস গর একদম বাজে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে -----
Correct Answer:
ক: ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে ----- সঠিক উত্তর ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় ১৮৮৩ সালে প্রভাতসংগীত কাব্যটির প্রকাশ। এ কাব্যগ্রন্থের কবিতায় হচ্ছে ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’। শৈশব থেকে কবি হওয়ার বাসনা ধরে সংশোধিত হতে হতে তিনি প্রভাতসংগীতের কাছে পৌঁছে যান। এ কাব্যগ্রন্থের কবিতা ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতাটি তার কাব্যচর্চার সার্থক সৃষ্টি বলেই তিনি মতামত ব্যক্ত করে গেছেন। কবিতাটিতে বাইরের জিনিসকে অন্তরে এবং তার রসায়নই যে এই কবিতার মূল নির্যাস তা তার চিত্তের উচ্ছ্বাস থেকেই বোঝা যায়। এ কবিতায় কবি যেন গ্রহীতা আর প্রকৃতি হচ্ছে দাতা। প্রকৃতির অকৃপণ দান কবি আনন্দচিত্তে গ্রহণ করেছেন। ১৮৮৩ সাল কবির জীবনে দুটি কারণে স্মরণীয় একটি ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতার গ্রন্থভুক্তি এবং প্রকাশ অপরটি তার বিয়ে। ১৮৮৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বাইশ বছর আট মাস বয়সে কবি রবীন্দ্রনাথের বিয়ে হয়।
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্নোক্ত একটি ভাষা থেকে ------
Correct Answer:
গ: প্রাকৃত
Explanation:
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্নোক্ত একটি ভাষা থেকে ------ সঠিক উত্তর প্রাকৃত সংস্কৃত থেকে নয়, প্রাকৃত ভাষা থেকেই উদ্ভব ঘটেছে বাংলা ভাষার। প্রাচীন ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে মনের ভাব প্রকাশের নানা রীতি চালু ছিল। সেখান থেকেই অঞ্চলভেদে উৎপত্তি হয় ভিন্ন ভিন্ন প্রাকৃতভাষা। আমাদের এই নদী বিধৌত পূর্ব অঞ্চলের মানুষেরা যে প্রকৃত ভাষায় কথা বলতে, তা হলো মাগধী।
বাংলা লিপির উৎস কি?
Correct Answer:
ঘ: ব্রাহ্মী লিপি
Explanation:
বাংলা লিপির উৎস কি? সঠিক উত্তর ব্রাহ্মী লিপি বাংলালিপির বিবর্তনের রয়েছে সুদীর্ঘ ইতিহাস। প্রাচীন ভারতে দু’টি লিপির ইতিহাস পাওয়া যায়। একটি হলো ব্রাহ্মী, অপরটির নাম খরোষ্টি। ব্রাহ্মী লেখা হতো বাম থেকে ডানদিকে, আর খরোষ্টি লেখা হতো ডান থেকে বামে। খরোষ্টি ভারতীয়দের নিজস্ব লিপি নয়। এ লিপি গৃহীত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরামিক লিপি থেকে। তবে এ লিপির ব্যবহার বিশেষ করে ভারতের উত্তর - পশ্চিম অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ। কুষাণযুগে খরোষ্টি ভারতবর্ষের অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলায় প্রাপ্ত কুষাণমুদ্রায়, পশ্চিমবঙ্গের বেড়াচাঁপা ও চন্দ্রকেতুগড়ে প্রাপ্ত পোড়ামাটির সীল ও মৃৎমাত্রের ভগ্নাবশেষে খরোষ্টি লিপি পাওয়া গিয়েছে। তবে বাংলার লিপিতে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। ব্রাহ্মীলিপি থেকেই বিকশিত হয়েছে বাংলালিপি। ব্রাহ্মী ভারতবর্ষের প্রাচীনতম ও বহুল প্রচলিত লিপি।
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত-----
Correct Answer:
ঘ: নদী
Explanation:
জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত----- সঠিক উত্তর নদী জাতিবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদের সাহায্যে কোনো প্রাণী বা বস্তুর জাতি বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: মানুষ, মুসলিম, নদী, বই, বাঙালি, হিন্দু, রাজা, ধনীরা ইত্যাদি।
১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধকার বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন----
Correct Answer:
গ: ওয়াকিল আহমদ
Explanation:
১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধকার বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন---- সঠিক উত্তর ওয়াকিল আহমদ ওয়াকিল আহমেদ প্রাপ্ত সম্মাননাআবদুর রব চৌধুরী স্বর্ণপদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - (১৯৮০)ইতিহাস পরিষদ পদক, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ, ঢাকা - (১৯৮৬)মনিরুদ্দীন পদক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় - (১৯৬০)বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার - (১৯৯৪)মুহম্মদ ইব্রাহিম স্মারক স্বর্ণপদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা - (১৯৯৪)আচার্য দীনেশচন্দ্র সেন স্বর্ণপদক, কলকাতা (২০০২)একুশে পদক - (২০০৪)
কবি জসিমউদ্দীনের জীবনকাল কোনটি?
Correct Answer:
ক: ১৯০৩-১৯৭৬
Explanation:
কবি জসিমউদ্দীনের জীবনকাল কোনটি? সঠিক উত্তর ১৯০৩-১৯৭৬ জসীমউদ্দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৪ মার্চ ১৯৭৬) একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক। 'পল্লীকবি' উপাধিতে ভূষিত, জসীম উদ্দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি।ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগরসভায় নিয়ে আসার কৃতিত্ব জসীম উদ্দীনের। তার নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম। তার কবিতা বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
' কবর' নাটক কার রচনা ?
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
' কবর' নাটক কার রচনা ? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও বাগ্মী মুনীর চৌধুরী (১৯২৫ - ১৯৭১ খ্রি.) 'কবর' (১৯৬৬) নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচনা করেন। তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য নাটক হলো - 'রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২), 'চিঠি' (১৯৬৬) দাওরণ্য (১৯৬৬) ইত্যাদি।
' মানবজীবন', 'মহৎজীবন', 'উন্নতজীবন'- প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা- ---
Correct Answer:
গ: মোঃ লুৎফর রহমান
Explanation:
' মানবজীবন', 'মহৎজীবন', 'উন্নতজীবন'- প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা- --- সঠিক উত্তর মোঃ লুৎফর রহমান মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (১৮৮৯ - ১৯৩৬) ছিলেন একজন বাঙালি সাহিত্যিক, সম্পাদক ও সমাজকর্মী। তিনি 'ডাক্তার মোহাম্মদ লুৎফর রহমান' হিসেবে সমধিক পরিচিত। নারী সমাজের উন্নতির জন্য নারীতীর্থ নামে একটি সেবা প্রতিষ্ঠান গঠন এবং নারীশক্তি নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন তিনি এবং একজন চিন্তাশীল ও যুক্তিবাদী প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন।
লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের এক কন্যার আসল নাম -----
Correct Answer:
খ: ইরান দুখ্ত
Explanation:
লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের এক কন্যার আসল নাম ----- সঠিক উত্তর ইরান দুখ্ত পরিবিবি (যার অন্য নাম ইরান দুখত রাহমাত বানু) ছিলেন বাংলার মুঘল শায়েস্তা খানের কন্যা। মুঘল সম্রাট আওরংগজেবের পুত্র শাহজাদা আজম এর সাথে ১৬৬৮ ইং সালের ৩ মে পরিবিবির বিয়ে হয়। ১৬৮৪ সালে পরিবিবির অকাল মৃত্যুর পর তাকে নির্মানাধীন লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে সমাহিত করা হয়। তার সমাধীস্থলকে চিহ্নিত করে পরিবিবির মাজার নির্মিত হয়।
' হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব' বাক্যটি নিম্নোক্ত একটি শ্রেণীর ----
Correct Answer:
ঘ: সরল
Explanation:
' হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব' বাক্যটি নিম্নোক্ত একটি শ্রেণীর ---- সঠিক উত্তর সরল সরল বাক্য : যে বাক্যে একটি কর্তা বা উদ্দেশ্য ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - পুকুরে পদ্ম ফোটে। (উদ্দেশ্য - পুকুরে, সমাপিকা ক্রিয়া - ফোটে) মা শিশুকে ভালোবাসে।
' অক্ষির সমীপে'র সংক্ষেপ হলো-------
Correct Answer:
ক: সমক্ষ
Explanation:
' অক্ষির সমীপে'র সংক্ষেপ হলো------- সঠিক উত্তর সমক্ষ অক্ষির সমীপে > > সমক্ষ; অক্ষির অভিমুখে>> প্রত্যক্ষ; অক্ষির অগোচরে>> পরোক্ষ; চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত >>চাক্ষুষ।
বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়?
Correct Answer:
খ: পাঁচটি
Explanation:
বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়? সঠিক উত্তর পাঁচটি বাংলা ভাষার শব্দকে উৎপত্তিগত দিক দিয়ে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ ভাগগুলো হলো : তৎসম শব্দ, অর্ধ - তৎসম শব্দ, তদ্ভব শব্দ, দেশি শব্দ ও বিদেশি শব্দ ।
' মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি'। --- কবিতায় এই অংশ বিশেষের রচয়িতা -----
Correct Answer:
গ: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
' মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি'। --- কবিতায় এই অংশ বিশেষের রচয়িতা ----- সঠিক উত্তর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (জন্ম: ফেব্রুয়ারি ১১, ১৮৮২ - মৃত্যু: ফেব্রুয়ারি ২৫, ১৯২২) একজন বাঙালি কবি ও ছড়াকার। তার কবিতায় ছন্দের কারুকাজ, শব্দ ও ভাষা যথোপযুক্ত ব্যবহারের কৃতিত্বের জন্য তাকে ছন্দের যাদুকর নামে আখ্যায়িত করা হয়।
ণত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য?
Correct Answer:
গ: তৎসম
Explanation:
ণত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য? সঠিক উত্তর তৎসম যে বিধান বা নিয়ম অনুসরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে 'ণ (মূর্ধন্য - ণ) ও 'ন' (দন্ত্য - ন) এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় তাকে ণত্ব বিধান হলো। উল্লেখ্য , খাঁটি বাংলা ও বিদেশী শব্দে মূর্ধন্য - ণ হয় না। যেমন - কান, সোনা, কুরআন ,গভর্নর ,ইরান ইত্যাদি।
কোন বিখ্যাত সাহিত্যিক ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকায় পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন?
Correct Answer:
খ: দ্বীনবন্ধু মিত্র
Explanation:
কোন বিখ্যাত সাহিত্যিক ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকায় পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন? সঠিক উত্তর দ্বীনবন্ধু মিত্র দীনবন্ধু মিত্র ১৮৫৫ সালে ১৫০টাকা বেতনে পটনায় পোস্টমাস্টার নিযুক্ত হন। ক্রমে তার পদোন্নতি হয় এবং তিনি ওড়িশা, নদিয়া ও ঢাকা বিভাগে এবং পরে কলকাতায় সুপারিনটেন্ডেন্ট পোস্টমাস্টার নিযুক্ত হন। লুসাই যুদ্ধের সময় ডাকবিভাগের কাজে তিনি কাছাড়ে প্রেরিত হন। এই সময় তার তদারকি কর্মে সন্তুষ্ট হয়ে সরকার তাকে রায়বাহাদুর উপাধি দান করেন। যদিও ডাকবিভাগের উচ্চস্তরের কর্মচারী হয়েও উপযুক্ত বেতন তিনি পাননি।
' কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়' এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা------
Correct Answer:
ক: লালন শাহ
Explanation:
' কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়' এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা------ সঠিক উত্তর লালন শাহ লালন (জন্ম: ১৭৭২ খ্রি. - মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০ খ্রি.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি; যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।
কোন বাক্যটিতে ভুল নেই ?
Correct Answer:
ক: দরিদ্রতা অভিশাপ
Explanation:
কোন বাক্যটিতে ভুল নেই ? সঠিক উত্তর দরিদ্রতা অভিশাপ সঠিক বাক্যগুলো হবে - দরিদ্রতা অভিশাপ। ফুল দেখতে সুন্দর। ভুল লিখতে ভুল করো না। শনিতে অশনি দেখতে পেলাম।
' চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কার রচনা?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
' চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কার রচনা? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন কবি ও নাট্যকার মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩ খ্রি). । তার রচিত সনেটসমূহ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' (১৮৬৬) তে সংকলিত। প্রশ্নে উল্লিখিত অন্য কবি - সাহিত্যিকগণ সনেট রচনা করেননি।
কোনটি অনুজ্ঞা?
Correct Answer:
খ: তুমি যাও
Explanation:
কোনটি অনুজ্ঞা? সঠিক উত্তর তুমি যাও কিছু করার আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, আশীর্বাদ, প্রার্থনা - কামনা, অনুমতি ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে বিশেষ রীতি ব্যবহৃত হিয় তাকে অনুজ্ঞা (ভাব) বলা হয়। যেমন - বর্তমান কালে : কলমটি দাও । ভবিষ্যৎ কালে: কাল দেখা হবে ইত্যাদি। সুতরাং 'তুমি যাও' একটি অনুজ্ঞা।
সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়?
Correct Answer:
ঘ: ৮
Explanation:
সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়? সঠিক উত্তর ৮ চতুর্দশপদী হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে। এর বৈশিষ্ট হল যে এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে।এর প্রথম আট চরণের স্তবককে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে ষষ্টক বলে। অষ্টকে মূলত ভাবের প্রবর্তনা এবং ষষ্টকে ভাবের পরিণতি থাকে।
কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচতি গ্রন্থ?
Correct Answer:
ক: বিষের বাঁশী
Explanation:
কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচতি গ্রন্থ? সঠিক উত্তর বিষের বাঁশী বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯ - ১৯৭৬ খ্রি.) 'বিষের বাঁশী' (১৯২৪) একটি বিদ্রোহত্মক কাব্যগ্রন্থ। তার এরুপ আরো কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো - 'অগ্নিবীণা' (১৯২২) 'ভাঙার গান ' (১৯২৪) , 'সাম্যবাদী' (১৯২৫) ,সর্বহারা' (১৯২৬) , ফনি - মনসা' (১৯২৭) 'জিঞ্জির ' (১৯২৮) , 'সন্ধ্যা' (১৯২৯) এবং 'প্রলয় - শিখা' (১৯৩০)। অন্যদিকে 'বন্দীর বন্দনা' (১৯৩০) কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন কবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক , নাট্যকার ,অনুবাদক ও সম্পাদক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮ - ১৯৭৪ খ্রি.)। 'রুপসী বাংলা' (১৯৫৭) কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন কবি জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯ - ১৯৫৪খ্রি.)।
বাবা বাড়ি নাই- বাক্যটিতে 'বাড়ি' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অধিকরণে শূন্য
Explanation:
বাবা বাড়ি নাই- বাক্যটিতে 'বাড়ি' কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে শূন্য ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
গ: ঢাকা সেনানিবাসে
Explanation:
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ। যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভে সার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয়। ঢাকা সেনানিবাসস্থ কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব ও সেনানিবাসস্থ কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এটি স্থাপিত। এর স্থাপত্য পরিকল্পনা করেছে ঢাকার ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট সেন্টার।
'রানার' কবিতাটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: সুকান্ত ভট্টাচার্য
Explanation:
'রানার' কবিতাটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৫আগস্ট, ১৯২৬ - ১৩ মে, ১৯৪৭) বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
'কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
Correct Answer:
গ: অক্লান্ত কর্মী
Explanation:
'কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি? সঠিক উত্তর অক্লান্ত কর্মী 'কর্মে যার ক্লান্তি নেই' - - এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রুপ - অক্লান্ত কর্মী.
' বিরাগী' শব্দের অর্থ কী?
Correct Answer:
ক: উদাসীন
Explanation:
' বিরাগী' শব্দের অর্থ কী? সঠিক উত্তর উদাসীন 'বিরাগী' একটি পুরুষবাচক শব্দ ,যার অর্থ বিরাগযুক্ত, উদাসীন, নিস্পৃহ বা বিরক্ত। 'বিরাগী' শব্দটির স্ত্রীবাচক রুপ হলো 'বিরাগিনী'।
;জঙ্গম' শব্দের অর্থ -
Correct Answer:
গ: গতিশীল
Explanation:
;জঙ্গম' শব্দের অর্থ - সঠিক উত্তর গতিশীল জঙ্গম - [বিশেষণ পদ] গতিশীল; অস্থাবর। [গম্ + যঙ্লূক্ + অ]।
নিচের কোনটি শব্দের আগে বসে?
Correct Answer:
খ: উপসর্গ
Explanation:
নিচের কোনটি শব্দের আগে বসে? সঠিক উত্তর উপসর্গ উপসর্গের সংজ্ঞা: যেসব বর্ণ বা বর্ণের সমষ্টি ধাতু এবং শব্দের পূর্বে বসে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ কিংবা সংকোচন ঘটায়, তাদেরকে বলা হয় উপসর্গ। যেমন—প্র, পরা, পরি, নির ইত্যাদি।
'আনারস' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
Correct Answer:
খ: পর্তুগিজ
Explanation:
'আনারস' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ পর্তুগিজ শব্দ শব্দ পর্তুগিজ - তে আলমারি armário ইস্ত্রি ইস্তিরী estirar ইস্পাত espada কামিজ camisa গামলা gamela চাবি chave জানালা janela তামাক tobacco পেরেক prego ফিতা fita বারান্দা varanda বালতি balde বেহালা viola বোতাম botão মেজ mesa সাবান sabão কেদারা cadeira আতা ata আনারস ananás কাজু caju কপি couve পাউ pão পেঁপে papaia পেয়ারা pera সাগু sagu সালাদ salada ক্রুশ cruz গির্জা igreja যিশু Jesu পাদ্রি padre ইংরেজ inglês
কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়?
Correct Answer:
খ: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
Explanation:
কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়? সঠিক উত্তর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি লিখিত দলিল। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ঠা নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বর অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়। মূল সংবিধান ইংরেজি ভাষায় রচিত হয় এবং একে বাংলায় অনুবাদ করা হয়। তাই এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান। তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।১০ই এপ্রিল ২০১৮ সালের সপ্তদশ সংশোধনী সহ বাংলাদেশের সংবিধান সর্বমোট ১৭ বার সংশোধীত হয়েছে। এই সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের মোট সংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়। তবে পঞ্চম সংশোধনী , সপ্তম সংশোধনী , ত্রয়োদশ সংশোধনী ও পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের আদেশে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট রায় দিয়েছে যে, সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যায় এরূপ কোনো সংশোধনী এতে আনা যাবে না; আনা হলে তা হবে এখতিয়ার বহির্ভূত।বাংলাদেশের সংবিধান কেবল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনই নয়; - সংবিধানে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের মূল চরিত্র বর্ণিত রয়েছে। এতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখা বিধৃত আছে। দেশটি হবে প্রজাতান্ত্রিক, গণতন্ত্র হবে এদেশের প্রশাসনিক ভিত্তি, জনগণ হবে সকল ক্ষমতার উৎস এবং বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস হলেও দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - কে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।সংবিধান প্রণয়ন ও মুদ্রণের ইতিহাসসংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। তারা হলেন ড. কামাল হোসেন (ঢাকা - ৯, জাতীয় পরিষদ), মো. লুৎফর রহমান (রংপুর - ৪, জাতীয় পরিষদ), অধ্যাপক আবু সাইয়িদ (পাবনা - ৫, জাতীয় পরিষদ), এম আবদুর রহিম (দিনাজপুর - ৭, প্রাদেশিক পরিষদ), এম আমীর - উল ইসলাম (কুষ্টিয়া - ১, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনজুর (বাকেরগঞ্জ - ৩, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মুনতাকীম চৌধুরী (সিলেট - ৫, জাতীয় পরিষদ), ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র (বাকেরগঞ্জ - ১৫, প্রাদেশিক পরিষদ), সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (সিলেট - ২, প্রাদেশিক পরিষদ), সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ - ১৭, জাতীয় পরিষদ), তাজউদ্দীন আহমদ (ঢাকা - ৫, জাতীয় পরিষদ), খন্দকার মোশতাক আহমেদ (কুমিল্লা - ৮, জাতীয় পরিষদ), এ এইচ এম কামারুজ্জামান (রাজশাহী - ৬, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মমিন তালুকদার (পাবনা - ৩, জাতীয় পরিষদ), আবদুর রউফ (রংপুর - ১১, ডোমার, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ (রাজশাহী - ৩, জাতীয় পরিষদ), বাদল রশীদ, বার অ্যাট ল, খন্দকার আবদুল হাফিজ (যশোর - ৭, জাতীয় পরিষদ), শওকত আলী খান (টাঙ্গাইল - ২, জাতীয় পরিষদ), মো. হুমায়ুন খালিদ, আছাদুজ্জামান খান (যশোর - ১০, প্রাদেশিক পরিষদ), এ কে মোশাররফ হোসেন আখন্দ (ময়মনসিংহ - ৬, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মমিন, শামসুদ্দিন মোল্লা (ফরিদপুর - ৪, জাতীয় পরিষদ), শেখ আবদুর রহমান (খুলনা - ২, প্রাদেশিক পরিষদ), ফকির সাহাব উদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক খোরশেদ আলম (কুমিল্লা - ৫, জাতীয় পরিষদ), এম. মোজাফ্ফর আলী (জাতীয় পরিষদ হোমনা - দাউদকান্দি), অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক (কুমিল্লা - ৪, জাতীয় পরিষদ), দেওয়ান আবু আব্বাছ (কুমিল্লা - ৫, জাতীয় পরিষদ), হাফেজ হাবিবুর রহমান (কুমিল্লা - ১২, জাতীয় পরিষদ), আবদুর রশিদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম - ৬, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ খালেদ (চট্টগ্রাম - ৫, জাতীয় পরিষদ) ও বেগম রাজিয়া বানু (নারী আসন, জাতীয় পরিষদ)।একই বছরের ১৭ই এপ্রিল থেকে ৩রা অক্টোবর পর্যন্ত এই কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে। জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য মতামত আহবান করা হয়। সংগৃহীত মতামত থেকে ৯৮টি সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হয়। গণপরিষদে সংবিধানের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন,এই সংবিধান শহীদের রক্তে লিখিত, এ সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা - আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়।গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন - প্রণেতা আই গাথরি।সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। সংবিধান অলংকরণের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছিল যার প্রধান ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। এই কমিটির সদস্য ছিলেন শিল্পী হাশেম খান, জনাবুল ইসলাম, সমরজিৎ রায় চৌধুরী ও আবুল বারক আলভী। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণ করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে তৈরী ক্র্যাবটি ব্রান্ডের দুটি অফসেট মেশিনে সংবিধানটি ছাপা হয়।মূল সংবিধানের কপিটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।সংবিধানপ্রস্তাবনাবিস্মিল্লাহির - রহ্মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে/পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে।)আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে;আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা - যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা - আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারোো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম। (প্রথম ভাগ)প্রজাতন্ত্র১৷ প্রজাতন্ত্র২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা২ক৷ রাষ্ট্রধর্ম ৩৷ রাষ্ট্রভাষা ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক ৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি৫৷ রাজধানী৬৷ নাগরিকত্ব৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য (দ্বিতীয় ভাগ)রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি৮৷ মূলনীতিসমূহ৯। জাতীয়তাবাদ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা১৩৷ মালিকানার নীতি১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা১৮ক। পরিবেশ ও জীব - বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন১৯৷ সুযোগের সমতা২০৷ অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম২১৷ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য২২৷ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ২৩৷ জাতীয় সংস্কৃতি২৩ক। উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ - গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি২৪৷ জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি২৫৷ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন (তৃতীয় ভাগ)মৌলিক অধিকার২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য২৯। সরকারী নিয়োগ - লাভে সুযোগের সমতা৩০। বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ৩১। আইনের আশ্রয় - লাভের অধিকার৩২। জীবন ও ব্যক্তি - স্বাধীনতার অধিকাররক্ষণ৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ৩৪। জবরদস্তি - শ্রম নিষিদ্ধকরণ৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা৩৯। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্ - স্বাধীনতা৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা৪২। সম্পত্তির অধিকার৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ৪৪। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন৪৬। দায়মুক্তি - বিধানের ক্ষমতা৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত৪৭ক। সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা(চতুর্থ ভাগ)নির্বাহী বিভাগ ১ম পরিচ্ছেদঃ রাষ্ট্রপতি৪৮। রাষ্ট্রপতি৪৯। ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার৫০। রাষ্ট্রপতি - পদের মেয়াদ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি৫২। রাষ্ট্রপতির অভিশংসন৫৩। অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির - কালে রাষ্ট্রপতি - পদে স্পীকার ২য় পরিচ্ছেদঃ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা৫৫। মন্ত্রিসভা৫৬। মন্ত্রিগণ৫৭। প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ৫৮। অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ৫৮ক [বিলুপ্ত]২ক পরিচ্ছেদনির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার [সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) - এর ২১ ধারাবলে পরিচ্ছেদটি বিলুপ্ত।][বিলুপ্ত] ৩য় পরিচ্ছেদঃ স্থানীয় শাসন৫৯। স্থানীয় শাসন৬০। স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা ৪র্থ পরিচ্ছেদঃ প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ৬১। সর্বাধিনায়কতা৬২। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি৬৩। যুদ্ধ ৫ম পরিচ্ছেদঃ অ্যাটর্ণি - জেনারেল৬৪। অ্যাটর্ণি - জেনারেল (পঞ্চম ভাগ)আইনসভা ১ম পরিচ্ছেদঃ সংসদ৬৫। সংসদ - প্রতিষ্ঠা৬৬। সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা৬৭। সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া৬৮। সংসদ - সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি৬৯। শপথ গ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড৭০। রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া৭১। দ্বৈত - সদস্যতায় বাধা৭২। সংসদের অধিবেশন৭৩। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী৭৩ক। সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার৭৪। স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার৭৫। কার্যপ্রণালী - বিধি, কোরাম প্রভৃতি৭৬। সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ৭৭। ন্যায়পাল৭৮। সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি৭৯। সংসদ - সচিবালয় ২য় পরিচ্ছেদঃ আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি৮০। আইন প্রণয়ন পদ্ধতি৮১। অর্থবিল৮২। আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ৮৩। সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা৮৪। সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব৮৫। সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ৮৭। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি৮৮। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি৯০। নির্দিষ্টকরণ আইন৯১। সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী৯২। হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট৯২ক। [বিলুপ্ত] ৩য় পরিচ্ছেদঃ অধ্যাদেশপ্রণয়ন - ক্ষমতা৯৩। অধ্যাদেশপ্রণয়ন - ক্ষমতা (ষষ্ঠ ভাগ)বিচারবিভাগ ১ম পরিচ্ছেদঃ সুপ্রীম কোর্ট৯৪। সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা৯৫। বিচারক - নিয়োগ৯৬। বিচারকের পদের মেয়াদ৯৭। অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ৯৮। সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ৯৯। অবসর গ্রহণের পর বিচারগণের অক্ষমতা১০০। সুপ্রীম কোর্টের আসন১০১। হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা১০৩। আপীল বিভাগের এখতিয়ার১০৪। আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ১০৫। আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা১০৬। সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার১০৭। সুপ্রীম কোর্টের বিধি - প্রণয়ন - ক্ষমতা১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট১০৯। আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ১১০। অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর১১১। সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা১১২। সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা১১৩। সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীগণ ২য় পরিচ্ছেদঃ অধস্তন আদালত১১৪। অধস্তন আদালত - সমূহ প্রতিষ্ঠা১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা১১৬ক। বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন ৩য় পরিচ্ছেদঃ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল১১৭। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহষষ্ঠ ক ভাগ - জাতীয়দল[সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) - এর ৪১ ধারাবলে বিলুপ্ত।][বিলুপ্ত] (সপ্তম ভাগ)নির্বাচন১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা১২২। ভোটার - তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা১২৩। নির্বাচন - অনুষ্ঠানের সময়১২৪। নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা১২৫। নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা১২৬। নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান (অষ্টম ভাগ)মহা হিসাব - নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক১২৭। মহা হিসাব - নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা১২৮। মহা - হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব১২৯। মহা হিসাব - নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ১৩০। অস্থায়ী মহা হিসাব - নিরীক্ষক১৩১। প্রজাতন্ত্রের হিসাব - রক্ষার আকার ও পদ্ধতি১৩২। সংসদে মহা হিসাব - নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন (নবম ভাগ)বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ১ম পরিচ্ছেদঃ কর্মবিভাগ১৩৩। নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী১৩৪। কর্মের মেয়াদ১৩৫। অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি১৩৬। কর্মবিভাগ - পুনর্গঠন ২য় পরিচ্ছেদঃ সরকারী কর্ম কমিশন১৩৭। কমিশন - প্রতিষ্ঠা১৩৮। সদস্য - নিয়োগ১৩৯। পদের মেয়াদ১৪০। কমিশনের দায়িত্ব১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট৫ নবম - ক ভাগজরুরী বিধানাবলী১৪১ক। জরুরী - অবস্থা ঘোষণা১৪১খ। জরুরী - অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ১৪১গ। জরুরী - অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ (দশম ভাগ)সংবিধান - সংশোধন১৪২। সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা (একাদশ ভাগ)বিবিধ১৪৩। প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি১৪৪। সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি - প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব১৪৫। চুক্তি ও দলিল১৪৫ক। আন্তর্জাতিক চুক্তি১৪৬। বাংলাদেশের নামে মামলা১৪৭। কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি১৪৮। পদের শপথ১৪৯। প্রচলিত আইনের হেফাজত১৫০। ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী১৫১। রহিতকরণ১৫২। ব্যাখ্যা১৫৩। প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
'আশীবিষ' কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: বহুব্রীহি
Explanation:
'আশীবিষ' কোন সমাস? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে। বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' কোন শ্রেনীর উপন্যাস ?
Correct Answer:
খ: আত্নজৈবনিক
Explanation:
শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' কোন শ্রেনীর উপন্যাস ? সঠিক উত্তর আত্নজৈবনিক শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন।
'ডাকহরকরা' গল্পটির রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
ঘ: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
'ডাকহরকরা' গল্পটির রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (আগস্ট ২৩, ১৮৯৮ - সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৭১) বাংলা ভাষার এক জন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও গল্পলেখক। ১৮৯৮ সালের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা - মায়ের নাম হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রভাবতী দেবী।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ক: ওয়াশিংটন
Explanation:
বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর ওয়াশিংটন বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংট অবস্থিত। বিশ্বব্যাংকবিশ্বব্যাংক (World Bank) একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ঋণ ও অনুদান প্রদান করে। বিশ্বব্যাংকের অনুষ্ঠানিক লক্ষ্য হল বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন। সারা বিশ্বের ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর প্রধান সদর দপ্তর ওয়াশিংটন, ডি.সি. - তে অবস্থিত।সংগঠনটির আর্টিকেলস্ অব এগ্রিমেন্ট (১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সালে এ সংশোধনীটি কার্যকরী হয়) অনুযায়ী বৈদেশিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেকে সহজতর করা এবং পুঁজির বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, এ দু'টি উদ্দেশ্য হবে বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রধান নিয়ামক। দুইটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিশ্বব্যাংক গঠিত: পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংক (International Bank for Reconstruction and Development, IBRD) আর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (International Development Association, IDA)। বিশ্বব্যাংক বিশ্বব্যাংক গ্রুপের মোট চারটি সদস্যের মধ্যে একটি। অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান হল আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (International Finance Corporation, IFC), মিগা (Multilateral Investment Guarantee Agency, MIGA) ও আইসিএসআইডি (International Centre for Settlement of Investment Disputes, ICSID)। বিশ্বব্যাংক বিশ্বব্যাংকের লোগো প্রতিষ্ঠিত জুলাই ১৯৪৪ ধরন আন্তর্জাতিক সংগঠন আইনি অবস্থা চুক্তিভিত্তিক সংগঠন উদ্দেশ্য আর্থিক লেনদেন অবস্থান ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র সদস্যপদ ১৮৯টি রাষ্ট্র (IBRD) ১৭৩টি রাষ্ট্র (IDA) প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস (২০১৯ সাল থেকে) প্রধান অর্থনীতিবিদ পিনেলপি কৌজিনৌ গোল্ডবার্গ (২০১৮ থেকে) প্রধান অঙ্গ বোর্ড অব ডিরেক্টরস প্রধান প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট worldbank.org সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'উত্তপ্ত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ-
Correct Answer:
ক: শীতল
Explanation:
'উত্তপ্ত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ- সঠিক উত্তর শীতল শঠসাধুশিষ্টঅশিষ্টশুষ্কসিক্তশঠতাসাধুতাশিষ্যগুরুশূণ্যপূর্ণশায়িতউত্থিতশীতগ্রীষ্মশোভনঅশোভনশয়নউত্থানশীতলউষ্ণশ্বাসপ্রশ্বাসশারীরিকমানসিকশুক্লপক্ষকৃষ্ণপক্ষশ্রীবিশ্রীশালীনঅশালীনশুচিঅশুচিশ্লীলঅশ্লীলশাসকশাসিতশুদ্ধঅশুদ্ধ শিক্ষকছাত্রশুভ্রকৃষ্ণ