Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
" হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধারে-- এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে ।" চরণগুলো কার রচিত?
Correct Answer:
গ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
" হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধারে-- এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে ।" চরণগুলো কার রচিত? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর " হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধারে - - এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে । " চরণগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকর্ম তাঁর রচিত কাব্য, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাট্যসাহিত্য, প্রবন্ধ, চিত্রকলা ও সঙ্গীতের মধ্যে ছড়িয়ে আছে। বলাকা রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে দেখা যায় পূর্ববর্তী গীতাঞ্জলি - পর্বের ঈশ্বরানুভূতি ও অতীন্দ্রিয় চেতনা থেকে মুক্ত হয়ে কবি একটি স্বতন্ত্র জগৎ সৃষ্টি করেছেন। "যৌবনের জয়গান, চলমান বিশ্বের অনিঃশেষ যাত্রা, ভাষার বর্ণাঢ্য উজ্জ্বলতা ও ছন্দের অপ্রতিহত প্রবাহ বলাকার বৈশিষ্ট্য। "[
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত চর্যাপদ কে সম্পাদনা করেন?
Correct Answer:
খ: শ্রী হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
Explanation:
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত চর্যাপদ কে সম্পাদনা করেন? সঠিক উত্তর শ্রী হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত চর্যাপদ সম্পাদনা করেন শ্রী হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ – ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১) ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস কোনটি ?
Correct Answer:
খ: আলালের ঘরের দুলাল
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস কোনটি ? সঠিক উত্তর আলালের ঘরের দুলাল বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস প্যারীচাঁদ মিত্র (টেকচাঁদ ঠাকুর) রচিত ‘আলালের ঘরের দুলাল’। এটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসটি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়।
বিদ্যাপতি কোন ভাষার রাধাকৃষ্ণ -বিষয়ক পদগুলো রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: ব্রজবুলি
Explanation:
বিদ্যাপতি কোন ভাষার রাধাকৃষ্ণ -বিষয়ক পদগুলো রচনা করেন? সঠিক উত্তর ব্রজবুলি ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪ - ১৪৬০) এর উদ্ভাবক। তিনি মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিশ্রণে এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা উদ্ভাবন করেন। এ ভাষায় তিনি রাধাকৃষ্ণের লীলাবিষয়ক বহু পদ রচনা করেন। পদগুলিতে রাধাকৃষ্ণের ব্রজলীলা বর্ণিত হওয়ায় এর নাম হয়েছে ব্রজবুলি। অবশ্য এই পদগুলি তখন ব্রজধামে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল বলেও একে ব্রজবুলি বলা হতো। এর উৎপত্তি বিদ্যাপতির হাতে হলেও পরিপুষ্টি হয়েছে বাঙালি কবিদের হাতে। বিদ্যাপতির পদগুলি বাংলায় খুব জনপ্রিয় হয়েছিল; বিশেষত চৈতন্যদেব এই পদ আস্বাদন করায় এর ভাষার প্রতি বাংলার কবিগণ আকৃষ্ট হন। ষোল শতকের বাঙালি বৈষ্ণব কবিরা বিদ্যাপতির পদের ভাষা ও ছন্দের অনুকরণে রাধাকৃষ্ণবিষয়ক পদ রচনা করতে শুরু করেন। হিন্দু - মুসলিম নির্বিশেষে সকল বৈষ্ণব কবি এ ভাষায় বহু পদ রচনা করেন। এই ধারা উনিশ শতক পর্যন্ত চলেছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছেন এ ভাষায়। বাংলা ছাড়া আসাম এবং উড়িষ্যাতেও ব্রজবুলির বেশ চর্চা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি পদ রচনা করেন যশোরাজ খান, আসামে শংকরদেব এবং উড়িষ্যায় রামানন্দ রায়। এঁরা তিনজনই ছিলেন ষোল শতকের কবি। ব্রজবুলির শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ছিলেন গোবিন্দদাস কবিরাজ (১৬শ - ১৭শ শতক)। ব্রজবুলি ভাষায় প্রচুর পরিমাণে তৎসম শব্দ ব্যবহূত হয়েছে। অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারও লক্ষ করা যায়, তবে বিদেশী শব্দের ব্যবহার নেই বললেই চলে। এ ভাষায় শব্দ পরিবর্তনের কয়েকটি দৃষ্টান্ত হলো: মাস মাহ, লাবণ্য লাবনি, দুস্তর দুতর, দৃষ্টি দিঠি, মেঘ মেহ ইত্যাদি। মধ্যযুগে ব্রজবুলি ভাষায় রচিত বৈষ্ণবপদের একটি নমুনা হলো: ‘গগনে অব ঘন/ মেহ দারুণ/ সঘনে দামিনী চমকই। কুলিশ পাতন/ শবদ ঝন ঝন/ পবন খরতর বলসই\’ ব্রজবুলি ভাষার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য এর পদলালিত্য। [আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ]
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা কতটি?
Correct Answer:
ক: ১০টি
Explanation:
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা কতটি? সঠিক উত্তর ১০টি বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রাহিন বর্ণ ১০টি। এগুলো হলোঃ এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ। অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি। এগুলো হলোঃ ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ এবং পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২ টি।
মঙ্গলকাব্যে কোন দুই দেবতার প্রাধান্য বেশি?
Correct Answer:
ঘ: মনসা ও চন্ডী
Explanation:
মঙ্গলকাব্যে কোন দুই দেবতার প্রাধান্য বেশি? সঠিক উত্তর মনসা ও চন্ডী মঙ্গলকাব্যে দুই দেবতার প্রাধান্য বেশি মনসা ও চন্ডী। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য - কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকে বলা হয় মঙ্গলকাব্য। মঙ্গলকাব্য সাধারণত বিশেষ কোনও হিন্দু দেবতা বা দেবীকেন্দ্রিক হয়ে থাকে। এইসব দেবতা বা দেবীরা ছিল মূলত বাংলার স্থানীয় (যেমনঃ মনসা); সেই কারণেই তারা বেদ, পুরাণ, প্রভৃতি ধ্রুপদী শাস্ত্রে ছিল অনুল্লেখিত। এইসব “নিম্নকোটি”, স্থানীয় দেবতাদের মাহাত্ম্য বর্ণনা করে তাদের পূজা - অর্চনা সমাজে প্রতিষ্ঠিত করাই মঙ্গলকাব্যগুলির মূল লক্ষ্য ছিল বলে ইতিহাসবিদেরা মনে করে থাকেন।
কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ?
Correct Answer:
ক: ঢোল
Explanation:
কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ? সঠিক উত্তর ঢোল খাটি বাংলা শব্দ হলো ঢোল। আরও এমন শব্দ হলো ঢেকি, কুলা ঠোঙ্গা, কুলা, চুলা।
'মাছের মা' বাগধারাটি অর্থ কি ?
Correct Answer:
ক: নিষ্ঠুর
Explanation:
'মাছের মা' বাগধারাটি অর্থ কি ? সঠিক উত্তর নিষ্ঠুর মাছের মা বাগধারা টির অর্থ = নিষ্ঠুর কারন মাছ বাচ্চা তুলেই তাদের কে আর দেখাশোনা করে না তাই এর অর্থ নিষ্ঠুর
লাঠালাঠি শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: বহুব্রীহি সমাস
Explanation:
লাঠালাঠি শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি সমাস যে সমাসের সমস্ত পদে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান না হয়ে অন্য একটি পদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাস ৮ প্রকার। যথাঃ ১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি, ২. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি, ৩. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি, ৪. ব্যতিহার বহুব্রীহি ৫. অলুক বহুব্রীহি ৬. নঞ্চ বহুব্রীহি ৭. প্রত্য্যান্ত বহুব্রীহি ও ৮. দ্বিগু বা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। এদের মধ্যে ‘লাঠালাঠি’ শব্দের ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ - লাঠালাঠি। একইরুপে দুটি বিশেষ্য পদ একসঙ্গে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করলে যে সমাস হয় তাকে বলা হয় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
'সবান্ধব' কোন সমাস ?
Correct Answer:
গ: বহুব্রীহি
Explanation:
'সবান্ধব' কোন সমাস ? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি 'সবান্ধব' বহুব্রীহি সমাস। যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
'এত শঠতা' এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা'। এ বাক্যে 'মধুতে' কোন কারক?
Correct Answer:
গ: করণ
Explanation:
'এত শঠতা' এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা'। এ বাক্যে 'মধুতে' কোন কারক? সঠিক উত্তর করণ 'এত শঠতা' এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা'। এ বাক্যে 'মধুতে' করণ কারক। 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম) 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়। ' (উপায় - সাধনা)
কর্মবাচ্যের উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে
Explanation:
কর্মবাচ্যের উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে কর্মবাচ্যের উদাহরণ : আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে। যখন বাক্যে ব্যবহৃত কর্ম প্রধান হয়ে ওঠে এবং কর্তার চেয়ে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্পর্ক মূখ্য হয়ে ওঠে বলে মনে হয়, তখন ক্রিয়াপদটি কর্মবাচ্যের ক্রিয়া (Passive Voice) বলা হয়। যেমন - আমার দ্বারা কাজটি সম্পন্ন হবে। আমায় দেখা হয়।
'আমলার মামলা' নাটকটি লিখেছেন--
Correct Answer:
ক: শওকত ওসমান
Explanation:
'আমলার মামলা' নাটকটি লিখেছেন-- সঠিক উত্তর শওকত ওসমান 'আমলার মামলা' নাটকটি লিখেছেন - - শওকত ওসমান। শেখ আজিজুর রহমান (২ জানুয়ারি ১৯১৭–মে ১৪, ১৯৯৮), যিনি শওকত ওসমান কলমি নামে অধিক পরিচিত, বাংলাদেশের একজন চিন্তক, লেখক ও কথাসাহিত্যিক। তিনি একাধারে নাটক, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা, রাজনৈতিক লেখা, শিশু - কিশোর সাহিত্য রচনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে : আমলার মামলা (১৯৪৯), পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা (১৯৯০), তস্কর ও লস্কর, কাঁকর মনি
'সংবিধান' শব্দের যথার্থ সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: সম্ + বিধান
Explanation:
'সংবিধান' শব্দের যথার্থ সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর সম্ + বিধান 'সংবিধান' শব্দের যথার্থ সন্ধিবিচ্ছেদ সম্ + বিধান। স্বরে আর ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও স্বরে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত কথ্য রীতিতে সীমাবদ্ধ। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি মূলত সমীভবন এর নিয়মে হয়ে থাকে। ম + স্পর্শবর্ণ (ক - ম) = ম বদলে ং হয়, অথবা যেই বর্গের স্পর্শবর্ণ সেই বর্গেরই পঞ্চম বর্ণ হয় সম্পাদনা। সংগীত/সঙ্গীত = সম্ + গীত
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন কী?
Correct Answer:
ঘ: মঙ্গলকাব্য
Explanation:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন কী? সঠিক উত্তর মঙ্গলকাব্য মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা। দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনীকাব্য। এ কাব্য পাঠ বা শ্রবণ করলে সকল প্রকার অকল্যাণ নাশ ও সর্ববিধ মঙ্গল লাভ হয় এরূপ ধারণা থেকেই এর নাম হয়েছে মঙ্গলকাব্য। মঙ্গলকাব্য পালা হিসেবে গীত হতো, তবে এতে সুর অপেক্ষা কাহিনীই বেশি প্রাধান্য পেত। প্রতিটি মঙ্গলকাব্যে একেকজন দেবতার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। এঁরা লৌকিক দেবতার সঙ্গে পৌরাণিক দেবতার সংমিশ্রণে সৃষ্ট বাঙালির নিজস্ব দেবতা। বহিরাগত আর্যদেবতাদের বিরুদ্ধে অনেক সংগ্রাম করে এঁদেরকে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে হয়েছে। আর্যদেবতাদের বিরুদ্ধে এই বিজয়ের কারণে মঙ্গলকাব্যের ‘মঙ্গল’ শব্দটি ‘বিজয়’ অর্থেও গ্রহণ করা হয়। এমনকি কোনো কোনো মঙ্গলকাব্যের নামের সঙ্গে ‘বিজয়’ শব্দটি সংযুক্তও হয়েছে, যেমন বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের মনসাবিজয়। মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চন্ডী ও ধর্মঠাকুর। এঁদের মধ্যে মনসা ও চন্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি। এই তিনজনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলকাব্যের প্রধান তিনটি ধারা গড়ে উঠেছে মনসামঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। কালক্রমে শিবঠাকুরও মঙ্গলকাব্যের বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবং তৎকেন্দ্রিক কাব্যধারার নাম শিবায়ন বা শিবমঙ্গল।
নেতিবাচক শব্দের বিপরীত অর্থ কোনটি ?
Correct Answer:
খ: ইতিবাচক
Explanation:
নেতিবাচক শব্দের বিপরীত অর্থ কোনটি ? সঠিক উত্তর ইতিবাচক নেতিবাচক শব্দের বিপরীত অর্থ ইতিবাচক। নেতিবাচক শব্দের বিপরীত অর্থ : হাঁ - সূচক বাক্য, সম্মতিসূচক, ইতিবাচক, স্বীকৃতিবাচক, হাঁ - সূচক।
”তামার বিষ” অর্থ কি?
Correct Answer:
ঘ: অর্থের কুপ্রভাব
Explanation:
”তামার বিষ” অর্থ কি? সঠিক উত্তর অর্থের কুপ্রভাব অপশনে অন্য গুলো সঠিক নয়। তামার বিষ শব্দের অর্থ - অর্থের কুপ্রভাব।
”স্কুল পালিয়ে কেউ রবীন্দ্রনাথ হয় না” - পালিয়ে কোন কারকে কী বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অপাদানে সপ্তমী
Explanation:
”স্কুল পালিয়ে কেউ রবীন্দ্রনাথ হয় না” - পালিয়ে কোন কারকে কী বিভক্তি? সঠিক উত্তর অপাদানে সপ্তমী যা থেকে কোন কিছু চলিত, ভীত, উৎপন্ন, গৃহীত, পতিত, বিরত, হয় তাকে অপাদান কারক বলে। ' পালিয়ে ' অপাদনে সপ্তমী বিভক্তি।
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে?
Correct Answer:
খ: ফ্রান্সিস জুলিয়ান
Explanation:
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে? সঠিক উত্তর ফ্রান্সিস জুলিয়ান 'Friends of Bangladesh' পুরস্কার দেয়া হয়েছে ফ্রান্সিস জুলিয়ান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১২ সালের মার্চে ফ্রান্সিসকে ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ সম্মাননা দেওয়া হয়। বাংলাদেশী বন্ধুদের কাছে ‘জুলিয়ান ভাই’ হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সিস ১৯৬৮ সালে ভারতের বিহারে অক্সফামের একটি প্রকল্পে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশ শরণার্থী শিবিরে তিনি কাজ শুরু করেন। তিনি ১৯৭১ সালে অক্সফামের ত্রাণ তৎপরতায় সমন্বয় করেন। ভারতের সীমান্ত এলাকাগুলোতে তখন অক্সফাম বাংলাদেশি শরণার্থী শিবিরগুলোতে সহায়তা দেয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্সিস বাংলাদেশের ত্রাণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ফ্রান্সিসের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৯ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের মলভারেনে। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?
Correct Answer:
ক: জন+এক
Explanation:
'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ? সঠিক উত্তর জন+এক অ - কার বা আ - কারের পর এ - কার বা ঐ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ কার হয়। ঐ - কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন - জনৈক = জন + এক, হিতৈষী = হিত + এষী, মতৈক্য = মত + ঐক্য।
সন্ধি সম্বন্ধে ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচনা করা হয়?
Correct Answer:
ক: ধ্বনিতত্ত্ব
Explanation:
সন্ধি সম্বন্ধে ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচনা করা হয়? সঠিক উত্তর ধ্বনিতত্ত্ব সন্ধি সম্বন্ধে ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়। ধ্বনিতত্ত্ব (ইংরেজি: Phonology) ভাষাবিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে কোন নির্দিষ্ট ভাষার ধ্বনি - ব্যবস্থা আলোচিত হয়। এতে বাক ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সৃজিত ধ্বনির ভৌত উৎপাদন ও অনুধাবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। ভাষাবিজ্ঞানের ধ্বনিতত্ত্ব বিভাগে ধ্বনির গঠন, বিকৃতি, পুনগঠন ও পরিবর্তনগুলো আলোচিত হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় ভাষার ধ্বনিগুলো সাধারণত উচ্চারণীয় ধ্বনিতত্ত্ব, মূলধ্বনিতত্ত্ব ও শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্বকে প্রধান্য দেয়া হয়। উচ্চারণীয় ধ্বনিতত্ত্ব: উচ্চারণীয় ধ্বনিতত্ত্বে বাকযন্ত্রের সহায়তায় ধ্বনিগঠন ও পরিবর্তনের দিক আলোচনা হরা হয়। মূলধ্বনিতত্ত্ব: মূলধ্বনিতত্ত্বে ব্যবহারিক ধ্বনির বৈশিষ্ট, বিন্যাস বিশ্লেশণ করা হয়। শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্ব: শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনিগঠনের সময় গলা ও মুখের বিভিন্ন অংশে (বাকযন্ত্রের) বাতাসের যে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে, তারই পর্যালোচনা হয় এই শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্বের মাধ্যমে।
'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা? সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী 'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা। সৈয়দ মুজতবা আলী (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ - ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) একজন বিংশ শতকী বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও রম্যরচয়িতা। তিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনির জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা একই সঙ্গে পাণ্ডিত্য এবং রম্যবোধে পরিপুষ্ট। তার উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প সম্পাদনা হচ্ছে - চাচা কাহিনী (১৯৫২) টুনি মেম (১৯৬৪) পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২) ময়ূরকন্ঠী (১৯৫৭)
'মেধাবী' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?
Correct Answer:
খ: মেধা+বীন
Explanation:
'মেধাবী' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ? সঠিক উত্তর মেধা+বীন ধাতু বা ক্রিয়ার সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন - রাঁধ + উনি = রাঁধুনি, ডুব + অন্ত = ডুবন্ত। শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন - মেধা + বীন = মেধাবী, বর্ষ + ইক = বার্ষিক। ‘বিন’ ( - বী) প্রত্যয়টি ‘আছে’ অর্থে যুক্ত হয়। ‘বিন’ প্রত্যয়টি প্রথমার একবচনে পুংলিঙ্গ ‘বী’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘বিনী’ এবং সমাসে পূর্বপদে হলে ‘বি’ হয়। যেমন - মেধাবী, মেধাবিনী, মায়াবী, মায়াবিনী ইত্যাদি।
”বখ্তিয়ারের ঘোড়া” কোন শ্রেণীর রচনা?
Correct Answer:
খ: কাব্য
Explanation:
”বখ্তিয়ারের ঘোড়া” কোন শ্রেণীর রচনা? সঠিক উত্তর কাব্য বখতিয়ারের ঘোড়া আল মাহমুদ মাঝে মাঝে হৃদয় যুদ্ধের জন্য হাহাকার করে ওঠেমনে হয় রক্তই সমাধান, বারুদই অন্তিম তৃপ্তি;আমি তখন স্বপ্নের ভেতর জেহাদ, জেহাদ বলে জেগে উঠি। জেগেই দেখি কৈশোর আমাকে ঘিরে ধরেছে। যেন বালিশে মাথা রাখতে চায় না এ বালক, যেন ফুৎকারে উড়িয়ে দেবে মশারি, মাতৃস্তনের পাশে দু'চোখ কচলে উঠে দাঁড়াবে এখুনি;বাইরে তার ঘোড়া অস্থির, বাতাসে কেশর কাঁপছে। আর সময়ের গতির ওপর লাফিয়ে উঠেছে সে। না, এখনও সে শিশু। মা তাকে ছেলে ভোলানো ছড়া শোনায়। বলে, বালিশে মাথা রাখো তো বেটা। শোনোবখতিয়ারের ঘোড়া আসছে। আসছে আমাদের সতেরো সোয়ারিহাতে নাংগা তলোয়ার। মায়ের ছড়াগানে কৌতূহলী কানপাতে বালিশেনিজের দিলের শব্দ বালিশের সিনার ভিতর। সে ভাবে সে শুনতে পাচ্ছে ঘোড়দৌড়। বলে, কে মা বখতিয়ার?আমি বখতিয়ারের ঘোড়া দেখবো। মা পাখা ঘোরাতে ঘোরাতে হাসেন, আল্লার সেপাই তিনি, দুঃখীদের রাজা। যেখানে আজান দিতে ভয় পান মোমেনেরা, আর মানুষ করে মানুষের পূজা, সেখানেই আসেন তিনি। খিলজীদের শাদা ঘোড়ার সোয়ারি। দ্যাখো দ্যাখো জালিম পালায় খিড়কি দিয়েদ্যাখো, দ্যাখো। মায়ের কেচ্ছায় ঘুমিয়ে পড়ে বালকতুলোর ভেতর অশ্বখুরের শব্দে স্বপ্ন তারনিশেন ওড়ায়। কোথায় সে বালক? আজ আবার হৃদয়ে কেবল যুদ্ধের দামামামনে হয় রক্তেই ফয়সালা। বারুদই বিচারক। আরস্বপ্নের ভেতর জেহাদ জেহাদ বলে জেগে ওঠা।
'তোমাদের কখন আসা হলো' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ ?
Correct Answer:
ক: ভাববাচ্য
Explanation:
'তোমাদের কখন আসা হলো' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ ? সঠিক উত্তর ভাববাচ্য যে বাচ্যে কর্তা বা কর্ম নয়, ক্রিয়াই প্রধান হয়ে ওঠে, তাকে ভাববাচ্য বলে। যেমন - তোমাদের কখন আসা হলো। যে বাচ্যে কর্মই প্রধান হয়ে ওঠে এবং ক্রিয়া তাকেই অনুসরণ করে, তাকে বলা হয় কর্মবাচ্য। যেমন - তোমাদের (দ্বারা) কর্তৃক কখন আসা হলো? যে বাক্যে কর্তা ক্রিয়া নিস্পন্ন করে এবং বাক্যের মধ্যে প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় তাকে কর্তৃবাচ্য বলে। যেমন - তোমরা কখন এলে?
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর বলে খ্যাত কে?
Correct Answer:
ক: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর বলে খ্যাত কে? সঠিক উত্তর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে - ছন্দের যাদুকর বলা হয়। শামসুর রাহমান - নাগরিক কবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বিশ্বকবি। উত্তরঃ - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
বাংলা সনেটের প্রথম রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সনেটের প্রথম রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত যে কবিতায় কবি হৃদয়ের একটিমাত্র ভাব বা অনুভূতি অখন্ড থেকে চতুর্দশ চরণ দ্বারা একটি বিশেষ পদের মধ্য দিয়ে কবিতা হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে তাকে সনেট বলে। বাংলায় সনেট রচনা শুরু করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তার প্রথম সনেট ‘বঙ্গভাষা’।
'যুগসন্ধিক্ষণের' কবি বলা হয়?
Correct Answer:
ক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
Explanation:
'যুগসন্ধিক্ষণের' কবি বলা হয়? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ উভয় যুগের প্রভাব লক্ষ্যণীয়। তাই তাকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যসাহিত্য অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, প্রথম বিদ্রোহী লেখক, প্রথম আধুনিক কবি, প্রথম আধুনিক নাট্যকার, বাংলা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম রচয়িতা, প্রথম প্রহসন রচয়িতা এবং সার্থক ট্রাজেডির প্রথম রচয়িতা। অন্যদিকে জীবনান্দ দাশকে ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি বলা হয়।
কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাস?
Correct Answer:
ঘ: রাজসিংহ
Explanation:
কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাস? সঠিক উত্তর রাজসিংহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা। তার ঐতিহাসিক উপন্যাস - ' রাজসিংহ ' আনন্দমাঠ, রাজনৈতিক উপন্যাস
'রিকশা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ-
Correct Answer:
খ: জাপানি
Explanation:
'রিকশা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ- সঠিক উত্তর জাপানি রিকশা, হারিকিরি জাপানি ভাষার শব্দ
কে বাংলা ভাষার কবি নন?
Correct Answer:
খ: জয়দেব
Explanation:
কে বাংলা ভাষার কবি নন? সঠিক উত্তর জয়দেব জয়দেব ছিলেন সংস্কৃত ভাষার কবি। জ্ঞানদাস, মুকুন্দরাম, চন্ডীদাস বাংলা ভাষার কবি।
শ্রীচৈতন্যদেব কেন বিখ্যাত?
Correct Answer:
ক: বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক
Explanation:
শ্রীচৈতন্যদেব কেন বিখ্যাত? সঠিক উত্তর বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্রীচৈতন্যদেব বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক বলা হয়। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে তার প্রভাব অপরিসীম। বাংলা সাহিত্যে ' চৈতন্যযুগ' নামে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
'সে' কোন পুরুষ ?
Correct Answer:
ক: প্রথম
Explanation:
'সে' কোন পুরুষ ? সঠিক উত্তর প্রথম বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ তিন প্রকারঃ ১. উত্তম পুরুষ, ২. মধ্যম পুরুষ ও ৩. প্রথম পুরুষ। উত্তম পুরুষঃ নিজকে বোঝানোর জন্য যে সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয় তাকে উত্তর পুরুষ বলে। যেমন - আমি, আমরা, মুই, মোরা ইত্যাদি। মধ্যম পুরষঃ কারো সাথে কথা বলার সময় তাকে মধ্যম পুরুষ বলে। যেমন - তুমি, তুই, আপনি, তোমরা, তোরা, আপনারা ইত্যাদি। প্রথম পুরুষ বা নাম পুরুষঃ কারো সম্বন্ধে কিছু বলতে হলে তাকে বোঝানোর জন্য যে সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয় তাকে প্রথম পুরুষ বলে। যেমন - সে, তিনি, তারা, তাঁরা, ও, উনি, ওরা, ওঁরা, ইনি ইত্যাদি। এছাড়া বিশেষ্য পদ বা বিশেষণরুপে ব্যবহৃত অন্য পদও প্রথম পুরুষ হিসেবে বিবেচিত। ‘আমি’ ও ‘তুমি’ ছাড়া যাবতীয় সর্বনাম পদ প্রথম পুরুষ। প্রথম পুরুষকে নাম পুরুষও বলা হয়।
ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব কে এক কথায় বলে-
Correct Answer:
ক: হীরক জয়ন্তী
Explanation:
ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব কে এক কথায় বলে- সঠিক উত্তর হীরক জয়ন্তী ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় : রজত জয়ন্তী (Silver Jubilee) ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : সুবর্ণ জয়ন্তী / স্বর্ণ জয়ন্তী (Golden Jubilee), ৬০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : হীরক জয়ন্তী (Diamond Jubilee), ৭৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় : প্লাটিনাম জয়ন্তী (Platinum Jubilee), ১০০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : শতবর্ষ (Centenary jubilee) ১৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : সার্ধশত (Sesquicentennial), ২০০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : দ্বিশতবর্ষ (Bicentenary/ bicentennial)
'শিরে সংক্রান্তি' অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: আসন্ন বিপদ
Explanation:
'শিরে সংক্রান্তি' অর্থ কি? সঠিক উত্তর আসন্ন বিপদ শিরে সংক্রান্তি একটি বাগধারা যার অর্থ আসন্ন বিপদ
পল্লীকবি বলা হয় কাকে ?
Correct Answer:
ক: জসিমউদদীন
Explanation:
পল্লীকবি বলা হয় কাকে ? সঠিক উত্তর জসিমউদদীন জসীমউদদীন যুগের বিক্ষোভ ও আলোড়ন থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখে গ্রামীণ প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দর্যের মধ্যে নিজেকে বিলীন করেছিলেন। সেখান থেকেই তিনি সংগ্রহ করেছেন তার কাব্যের উপকরণ। পল্লী এবং পল্লীর মানুষকেই তিনি তার কবিতায় ফুটিয়ে তুলেছেন। এ কারণে তাকে পল্লীকবি বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশ্বকবি এবং জীবনান্দ দাশকে রুপসী বাংলার কবি বলে অভিহিত করা হয়।
শেষের কবিতা কোন ধরনের গ্রন্থ?
Correct Answer:
গ: উপন্যাস
Explanation:
শেষের কবিতা কোন ধরনের গ্রন্থ? সঠিক উত্তর উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যধর্মী উপন্যাস। এটি ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রবাসী পত্রিকায় ছাপা হয়। অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ এ উপন্যাসের চরিত্র। ‘কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও’ এ কবিতাটি দিয়ে উপন্যাস শেষ হয়েছে।
'সুলতানার স্বপ্ন' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: বেগম রোকেয়া
Explanation:
'সুলতানার স্বপ্ন' গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে - ‘পদ্মরাগ’ ‘মতিচূর’ , সুলতানার স্বপ্ন’, ‘অবরোধবাসিনী’ প্রভৃতি। জননী সাহসিকা সুফিয়া কামালের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো ‘সাঝেঁর মায়া’, উদাত্ত পৃথিবী; , ‘মায়া কাজল’, কেয়ার কাঁটা, ‘একাত্তরের ডায়েরী ইত্যাদি। নারীবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত তসলিমা নাসরিনের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ‘নির্বাচিত নারী’, ‘শোধ’, ‘লজ্জা’, ‘আমার মেয়েবেলা’, ‘তুমি থেকো প্রিয় দেশ’ ইত্যাদি।
'হাসি দিয়ে ঘরটিকে ভরিয়ে রাখতো সে।'- বাক্যটিতে 'দিয়ে' হলোঃ
Correct Answer:
গ: অনুসর্গ
Explanation:
'হাসি দিয়ে ঘরটিকে ভরিয়ে রাখতো সে।'- বাক্যটিতে 'দিয়ে' হলোঃ সঠিক উত্তর অনুসর্গ বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দ গুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয় বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে সে গুলোকে অনুস্বর্গ বলে। বাংলা ভাষায় বহু অনুস্বর্গ আছে। যেমন : প্রতি, বিনা, পরে, দিয়া, দিয়ে, হতে, থেকে ইত্যাদি। সুতরাং প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যটিকে 'দিয়ে' হলো অনুসর্গ।
"স্বাধীনতা তুমি" কবিতাটি কার লেখা ?
Correct Answer:
খ: শামসুর রাহমান
Explanation:
"স্বাধীনতা তুমি" কবিতাটি কার লেখা ? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি রচনা করেছেন শামসুর রাহমান। তার পৈতৃক নিবাস নরসংদী জেয়ার পাড়াতলি গ্রামে। তার ডাক নাম বাচ্চু। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে লিখতেন। তার অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে - ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০), ‘রৌদ্র করোটিতে’ (১৯৬৩), ‘বিধ্বস্ত নীলিমা’ (১৯৬৭), ‘নিজ বাসভূমে’ ইত্যাদি।
পদ্মের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: অরবিন্দ
Explanation:
পদ্মের সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর অরবিন্দ 'পদ্নের' সমার্থক শব্দ হল - শতদল, উৎপল, নলিনী, সরসিজ, , সরোজ, কমল, তামরস, কুমুদ, রাজীব, ইত্যাদি।
টাকায় অসাধ্য সাধন হয় বাক্যে 'টাকায়' কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
Correct Answer:
খ: করণকারকে ৭মী
Explanation:
টাকায় অসাধ্য সাধন হয় বাক্যে 'টাকায়' কোন কারকে কোন বিভক্তি ? সঠিক উত্তর করণকারকে ৭মী যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। যেমিন - টাকায় অসাধ্য সাধন হয়। এই বাক্যে হওয়া ক্রিয়া টাকার সাহায্যে সম্পাদিত হয় বলে ‘টাকায়’ পদটি করণ কারক। করণ কারক নির্ণয়ের প্রশ্নটি হচ্ছে - কী দিয়ে? টাকায় অসাধ্য সাধন হয় - এখানে ‘কী দিয়ে’ অসাধ্য সাধন হয়? প্রশ্নের জবাব ‘টাকা দিয়ে’। তাই ‘টাকায়’ করণ কারক। সপ্তমী বিভক্তির একবচনের রুপ হলো এ, য়, তে, এতে। তাই টাকা + য় = টাকায় ‘সপ্তমী বিভক্তি।
‘হাতি’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি ?
Correct Answer:
ক: করী
Explanation:
‘হাতি’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি ? সঠিক উত্তর করী প্রদত্ত অপশনে 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ নেই। 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ গজ , দন্তী, দ্বিপ, হস্তী, করী, বৃংগল, নশ , বারণ, কুঞ্জর ইত্যাদি।
আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমান?
Correct Answer:
গ: অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য
Explanation:
আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমান? সঠিক উত্তর অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য মধ্যযুগে বাংলা অনুবাদ সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে মুসলমান শাসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুবাদ সাহিত্যের জন্যে আলাউদ্দীন হুসেন শাহের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম ছোটগল্প কোনটি?
Correct Answer:
ক: ভিখারিনী
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম ছোটগল্প কোনটি? সঠিক উত্তর ভিখারিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছোট গল্পের জনক বলা হয়। তার লেখা প্রথম ছোটগল্প ' ভিখারিনী ' এবং সর্বশেষ ছোট গল্প ' ল্যাবরেটরি'।
'বগুড়ার চিনিপাতা দই সুস্বাদু।'- বাক্যটিতে 'চিনিপাতা' কোন কারক?
Correct Answer:
গ: করণ
Explanation:
'বগুড়ার চিনিপাতা দই সুস্বাদু।'- বাক্যটিতে 'চিনিপাতা' কোন কারক? সঠিক উত্তর করণ যা কোন ঘটনার উৎপত্তি স্থান - যা হতে কোন বস্তু বা ব্যক্তি উৎপন্ন, চলিত, নির্গত, নিঃসৃত, উত্থিত, পতিত, প্রেরিত, গৃহীত, দৃষ্ট, শ্রুত, সূচিত, নিবারিত, অন্তর্হিত, রক্ষিত ইত্যাদি হয় তাকে অপাদান কারক বলে। যেমন - হিমালয় হতে গঙ্গা প্রবাহিত, সাগর হতে মুক্তা পাওয়া যায় ইত্যাদি।
'ভানুমতির খেল' প্রবচনটি বোঝায়-
Correct Answer:
খ: ভেলকিবাজি
Explanation:
'ভানুমতির খেল' প্রবচনটি বোঝায়- সঠিক উত্তর ভেলকিবাজি ভানুমতীর খেল একটি প্রবাদ প্রবচন।প্রবচনটির অর্থ - ভেলকিবাজি। বাংলা সাহিত্যে এইধরনের প্রবাদ প্রবচন বহুকাল আগে থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে।বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে এসব প্রবচন।
সংবাদপত্র কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
Explanation:
সংবাদপত্র কোন সমাস? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সংবাদ বহনকারী পত্র = সংবাদপত্র এখানে সংবাদ এবং পত্র এর মধ্যে একটি পদ লোপ পেয়েছে। আবার সংবাদ ও পত্র শব্দ দুটি বিশেষ্যপদ এজন্য কর্মধারয় সমাস। অর্থাৎ সব মিলিয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
”রাজবন্দীর জবানবন্দী” কী ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: প্রবন্ধ
Explanation:
”রাজবন্দীর জবানবন্দী” কী ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর প্রবন্ধ রাজবন্দীর জবানবন্দী - - কাজী নজরুল ইসলামের রচিত প্রবন্ধ ও প্রবন্ধগ্রন্থ। তার রচিত প্রবন্ধ হল - যুগবাণী, রুদ্রমঙ্গল।
অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
গ: উপকূল
Explanation:
অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর উপকূল পূর্ব পদে অব্যয় যোগে নিষ্পন্ন শব্দে যদি অব্যয়েরই প্রাধান্য থাকে তাহলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। । যেমনঃ কূলের সমীপে - উপকূল কন্ঠের সমীপে - উপকন্ঠ