Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
‘কমা’ কোথায় বসে ?
Correct Answer:
গ: সম্বোধন পদের জন্য
Explanation:
‘কমা’ কোথায় বসে ? সঠিক উত্তর সম্বোধন পদের জন্য বাক্য পাঠকালে সুস্পষ্টতা বা অর্থ - বিভাগ দেখাবার জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে। পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ এক সঙ্গে বসলে শেষ পদটি ছাড়া বাকি সবগুলোর পরই কমা বসবে।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা কোনটি?
Correct Answer:
গ: ক্যাপটিভ লেডী
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা কোনটি? সঠিক উত্তর ক্যাপটিভ লেডী মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ও প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম ' ক্যাপটিভ লেডী'(captive laide). রাজমোহনস ওয়াইফ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা।
নষ্ট হওয়া সভাব যার- এক কথায় কি বলে ?
Correct Answer:
ক: নশ্বর
Explanation:
নষ্ট হওয়া সভাব যার- এক কথায় কি বলে ? সঠিক উত্তর নশ্বর ব্যাখাঃ নষ্ট হওয়া স্বভাব যার এটা এক কথায় বলা হয় " নশ্বর "
'ছোট কিন্তু রসে ভরা'- বাক্যটিকে সরল বাক্যে রুপান্তরিত করলে হবে-
Correct Answer:
ঘ: ছোট হলেও রসে ভরা
Explanation:
'ছোট কিন্তু রসে ভরা'- বাক্যটিকে সরল বাক্যে রুপান্তরিত করলে হবে- সঠিক উত্তর ছোট হলেও রসে ভরা যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে। প্রশ্নে প্রদত্ত 'ছোট কিন্তু রসে ভরা' বাক্যটির সরল রূপ হলো - 'ছোট হলেও রসে ভরা'।
যা পূর্বে ছিল এখন নাই-
Correct Answer:
গ: ভূতপূর্ব
Explanation:
যা পূর্বে ছিল এখন নাই- সঠিক উত্তর ভূতপূর্ব যা পূর্বে ছিল এখন নেই = ভূতপূর্ব। যা পূর্বে কখনো হয়নি = অভূতপূর্ব।
শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে খ্যাত সাহিত্যিকের নামঃ
Correct Answer:
খ: ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে খ্যাত সাহিত্যিকের নামঃ সঠিক উত্তর ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে বিদ্যাসাগর সুশৃংখলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।
বাংলাদেশের চেতনার প্রবাহরীতির উপন্যাস কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ক: জহির রায়হান
Explanation:
বাংলাদেশের চেতনার প্রবাহরীতির উপন্যাস কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর জহির রায়হান বাংলাদেশের চেতনার প্রবাহরীতির উপন্যাস লিখেছেন - জহির রায়হান। ঔপন্যাসিক জহির রায়হানের উপন্যাসসমূহে বাংলাদেশের চেতনা প্রবাহিত হয়েছে।
পুঁথি সাহিত্যের আদি কবি কে?
Correct Answer:
গ: শাহ গরীবুল্লাহ
Explanation:
পুঁথি সাহিত্যের আদি কবি কে? সঠিক উত্তর শাহ গরীবুল্লাহ শাহ্ গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৭০ - ১৭৭০) দোভাষী পুথি রচয়িতা। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার হাফেজপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর নামে প্রচলিত এ যাবৎ পাঁচখানি কাব্যের সন্ধান পাওয়া যায়। সেগুলি হলো: ইউসুফ জোলায়খা, জঙ্গনামা, সোনাভান, সত্যপীরের কথা এবং আমীর হামজা (১ম খন্ড)। কিন্তু এ কাব্যগুলি বটতলার পুথি প্রকাশকদের দ্বারা নানা ব্যক্তির নামে প্রকাশিত হয়েছে। যেমন ইউসুফ জোলায়খা মুনসী ফকির মোহাম্মদের নামে প্রচলিত হলেও কাব্যের প্রায় সর্বত্রই ‘অধীন ফকির’ বা ‘গরীব ফকির’ নামে ভণিতা আছে, যা ফকির গরীবুল্লাহকেই এর রচয়িতা হিসেবে প্রমাণ করে। ইউসুফ জোলায়খা, জঙ্গনামা ও আমীর হামজা কাব্যের উৎস আরবি ও ইরানি সাহিত্য, আর সোনাভান ও সত্যপীরের কথা কাব্যের উৎস ভারতীয় সাহিত্য। মধ্যযুগে বাংলা ভাষায় এসব বিষয় নিয়ে বহু কাব্য রচিত হয়েছে। আঠারো শতকের বাংলা সাহিত্যএ শাহ্ গরীবুল্লাহর বড় পরিচয় দোভাষী পুথিসাহিত্যের নির্মাতা হিসেবে। তিনিই প্রথম কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ভুরসুট ও মান্দারণ নগর কেন্দ্রিক অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত মুসলিম জনগণের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত বাংলা ভাষার সঙ্গে আরবি - ফারসি ও উর্দু - হিন্দি ভাষার প্রয়োগ ঘটিয়ে এক ভিন্ন ধারার কাব্যরীতি গড়ে তোলেন। এ ধারার কাব্যই দোভাষী পুথি নামে পরিচিত। উনিশ শতক পর্যন্ত বহু কবি এ রীতিতে কাব্য রচনা করেছেন। উল্লেখ্য যে, শাহ্ গরীবুল্লাহর প্রথম কাব্যখানি শুদ্ধ বাংলা ভাষায় রচিত। তিনি একাধারে সাধক ও কবি ছিলেন। তাঁর রচনায় ইসলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বের কথা উচ্চারিত হলেও পরধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধার মনোভাব ব্যক্ত হয়েছে।
”একুশে ফেব্রূয়ারি” কী ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: কবিতা সংকলন
Explanation:
”একুশে ফেব্রূয়ারি” কী ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর কবিতা সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি ' হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদিত একটি সাহিত্য সংকলন। একুশে ফেব্রুয়ারির স্মরণে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে এটি প্রকাশিত হয়।
কোন প্রত্যয়যুক্ত পদে মূর্ধন্য ‘ষ’ হয় না ?
Correct Answer:
ক: সাৎ
Explanation:
কোন প্রত্যয়যুক্ত পদে মূর্ধন্য ‘ষ’ হয় না ? সঠিক উত্তর সাৎ সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদে ষ হয় না । যেমন - অগ্নিসাৎ ধূলিসাৎ ভূমিসাৎ ইত্যাদি।
তৃষ্ণার্ত --- সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
খ: তৃষ্ণা +ঋত
Explanation:
তৃষ্ণার্ত --- সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর তৃষ্ণা +ঋত অ - কার বা আ কারের পর ' ঋত ' থাকলে অ, আ + ঋ উভয় মিলে ' আর' হয়। যেমন - তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত
”কেরী সাহেবের মুন্সী” কার লেখা?
Correct Answer:
গ: প্রমথনাথ বিশী
Explanation:
”কেরী সাহেবের মুন্সী” কার লেখা? সঠিক উত্তর প্রমথনাথ বিশী প্রথমনাথ বিশী সাহিত্য সমালোচক হিসেবে খ্যাত। কেরী সাহেবর মুন্সী - ছাড়া ও অন্য উপন্যাস হল পদ্না, চলনবিল, লালকেল্লা, বঙ্গভঙ্গ ইত্যাদি।
'ছায়াহরিণ' কার গ্রন্থ?
Correct Answer:
গ: আহসান হাবীব
Explanation:
'ছায়াহরিণ' কার গ্রন্থ? সঠিক উত্তর আহসান হাবীব 'ছায়াহরিণ' (১৯৬২) আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ। তার কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে বস্তুনিষ্ঠতা ও বাস্তব জীবনবোধ প্রাধান্য পেয়েছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো - রাত্রিশেষ (১৯৪৭), সারাদুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪), ও দুই হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০)।
কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি ভুল?
Correct Answer:
ঘ: দু+লোক=দ্যুলোক
Explanation:
কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি ভুল? সঠিক উত্তর দু+লোক=দ্যুলোক সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - দিব + লোক
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রবতীর পিতার নাম কি?
Correct Answer:
গ: দ্বিজ বংশীদাস
Explanation:
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রবতীর পিতার নাম কি? সঠিক উত্তর দ্বিজ বংশীদাস মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর পিতা দ্বিজ বংশীদাস ' 'মনসামঙ্গলের' অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ, মলুয়া গীতিকা রচনা করেন।
'Self-preservation is the first law of nature'-ইংরেজী ভাষার এই প্রবচনটির প্রায় অনুরূপ বাংলা প্রবচন-
Correct Answer:
খ: চাচা আপন প্রাণ বাঁচা
Explanation:
'Self-preservation is the first law of nature'-ইংরেজী ভাষার এই প্রবচনটির প্রায় অনুরূপ বাংলা প্রবচন- সঠিক উত্তর চাচা আপন প্রাণ বাঁচা Self preservation is the first law of nature - চাচা আপন প্রাণ বাঁচা বা স্ব - সংরক্ষণ প্রকৃতির প্রথম আইন।
বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কী বসে ?
Correct Answer:
ক: সেমিকোলন
Explanation:
বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কী বসে ? সঠিক উত্তর সেমিকোলন কমার বিরতি কাল ১ বলতে যে সময় লাগে ওই সময় সেমিকোলন এর বিরতিকাল ১ বলার দ্বিগুন সময় কোলনের বিরতিকাল ১ সেকেন্ড হাইফেন এর বিরতি কাল নেই অর্থাৎ থামার প্রয়োজন নেই তাই কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন ব্যবহার হয়
‘চাদের হাট’ বাগধারাটির অর্থ কী ?
Correct Answer:
গ: আনন্দের প্রাচুর্য
Explanation:
‘চাদের হাট’ বাগধারাটির অর্থ কী ? সঠিক উত্তর আনন্দের প্রাচুর্য চাঁদের হাট - প্রিয়জন সমাগম।
”কার্তুজ” কোন ভাষার শব্দ?
Correct Answer:
খ: ফরাসি
Explanation:
”কার্তুজ” কোন ভাষার শব্দ? সঠিক উত্তর ফরাসি ব্যাখাঃ " কার্তুজ " একটি ফারসি শব্দ।
‘সাপের খোলস’- বাক্য সংকোচন কি হবে ?
Correct Answer:
গ: নির্মোক
Explanation:
‘সাপের খোলস’- বাক্য সংকোচন কি হবে ? সঠিক উত্তর নির্মোক যা লাফিয়ে চলে - প্লাবক । বুকে হেটে চলে যে - উরগ । বাঘের চামড়া - কৃত্তি ।
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় কি?
Correct Answer:
ক: মুক্তিযুদ্ধ
Explanation:
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় কি? সঠিক উত্তর মুক্তিযুদ্ধ সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
চলিত ভাষারীতির ক্ষেত্রে কোন বৈশিষ্ট্য প্রয়োজন ?
Correct Answer:
গ: পরিবর্তনশীল
Explanation:
চলিত ভাষারীতির ক্ষেত্রে কোন বৈশিষ্ট্য প্রয়োজন ? সঠিক উত্তর পরিবর্তনশীল চলতি ভাষার রীতি পরিবর্তনশীল, তদ্ভব শব্দবহুল। আর সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল
”বন্দী শিবির থেকে” এর বন্দী কে?
Correct Answer:
ক: শামসুর রাহমান
Explanation:
”বন্দী শিবির থেকে” এর বন্দী কে? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান বন্দী শিবির থেকে - শামসুর রাহমান ঈর্ষাতুর নই, তবু আমি তোমাদের আজ বড় ঈর্ষা করি। তোমরা সুন্দর জামা পরো, পার্কের বেঞ্চিতে বসে আলাপ জমাও, কখনো সেজন্যে নয়। ভালো খাও দাও, ফুর্তি করো সবান্ধব সেজন্যেও নয়। বন্ধুরা তোমরা যারা কবি, স্বাধীন দেশের কবি, তাদের সৌভাগ্যে আমি বড়ো ঈর্ষান্বিত আজ। যখন যা খুশি মনের মতো শব্দ কী সহজে করো ব্যবহার তোমরা সবাই। যখন যে শব্দ চাও, এসে গেলে সাজাও পয়ারে, কখনো অমিত্রাক্ষরে, ক্ষিপ্র মাত্রাবৃত্তে কখনো - বা। সেসব কবিতাবলী, যেন রাজহাঁস দৃপ্ত ভঙ্গিমায় মানুষের অত্যন্ত নিকটে যায়, কুড়ায় আদর। অথচ এদেশে আমি আজ দমবদ্ধ এ বন্দী - শিবিরে মাথা খুঁড়ে মরলেও পারি না করতে উচ্চারণ মনের মতন শব্দ কোনো। মনের মতন সব কবিতা লেখার অধিকার ওরা করেছে হরণ। প্রকাশ্য রাস্তায় যদি তারস্বরে চাঁদ, ফুল, পাখি এমনকি নারী ইত্যাকার শব্দাবলী করি উচ্চারণ, কেউ করবে না বারণ কখনো। কিন্তু কিছু শব্দকে করেছে বেআইনী ওরা ভয়ানক বিস্ফোরক ভেবে। স্বাধীনতা নামক শব্দটি ভরাট গলায় দীপ্ত উচ্চারণ করে বারবার তৃপ্তি পেতে চাই। শহরের আনাচে কানাচে প্রতিটি রাস্তায় অলিতে - গলিতে, রঙিন সাইনবোর্ড, প্রত্যেক বাড়িতে স্বাধীনতা নামক শব্দটি আমি লিখে দিতে চাই বিশাল অক্ষরে। স্বাধীনতা শব্দ এত প্রিয় যে আমার কখনো জানিনি আগে। উঁচিয়ে বন্দুক, স্বাধীনতা, বাংলাদেশ - এই মতো শব্দ থেকে ওরা আমাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখছে সর্বদা। অথচ জানেনা ওরা কেউ গাছের পাতায়, ফুটপাতে পাখির পালকে কিংবা নারীর দু’চোখে পথের ধুলায় বস্তির দুরন্ত ছেলেটার হাতের মুঠোয় সর্বদাই দেখি জ্বলে স্বাধীনতা নামক শব্দটি।
”বটতলার উপন্যাস” এর লেখক কে?
Correct Answer:
ক: রাজিয়া খান
Explanation:
”বটতলার উপন্যাস” এর লেখক কে? সঠিক উত্তর রাজিয়া খান 'বটতলার উপন্যাস ' - রাজিয়া খান লেখেন। তার আরও উপন্যাস হল - অনুকল্প, , চিত্রকাব্য, পদাতিক।
‘চশমা’ কোন ভাষার শব্দ ?
Correct Answer:
খ: ফারসি
Explanation:
‘চশমা’ কোন ভাষার শব্দ ? সঠিক উত্তর ফারসি বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দ সমূহ - ০১. ধর্ম সংক্রান্তঃ খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা। ০২.প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দঃ কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তারিখ, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান, দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসিদ। ০৩. বিবিধ শব্দঃ আদমি, আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাশ, শয়তানি, হাঙ্গামা, পেরেশান।
সাধু ও চলিত রীতি বাংলা ভাষার কোনরূপে বিদ্যমান ?
Correct Answer:
গ: লেখ্য
Explanation:
সাধু ও চলিত রীতি বাংলা ভাষার কোনরূপে বিদ্যমান ? সঠিক উত্তর লেখ্য বাংলা ভাষার লৈখিক বা লেখ্য রুপের দুটো রীতি রয়েছে: একটি চলিত রীতি (standard colloquial Style), অপরটি সাধু রীতি (Standard written form )।
ভাষার মৌলিক অংশ কয়টি ?
Correct Answer:
খ: চারটি
Explanation:
ভাষার মৌলিক অংশ কয়টি ? সঠিক উত্তর চারটি প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে। যেমন: ১. ধ্বনি (Sound) ২. শব্দ (Word ) ৩. বাক্য ( Sentence ) ৪. অর্থ (Meaning)
”চর্যাপদ” এর পুঁথি আবিস্কৃত হয়-
Correct Answer:
ক: ১৯০৭ সালে
Explanation:
”চর্যাপদ” এর পুঁথি আবিস্কৃত হয়- সঠিক উত্তর ১৯০৭ সালে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদ এর পুঁথি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে আবিষ্কৃত সংকলন।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি-
Correct Answer:
ক: শাহ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি- সঠিক উত্তর শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কবি শাহ্ মুহাম্মদ সগীর। শাহ্ মুহাম্মদ সগীর কতৃক রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান ' ইউসুফ জুলেখা '।
'ঢাকের কাঠি' এই বাগধারার অর্থ কি?
Correct Answer:
খ: তোষামুদে
Explanation:
'ঢাকের কাঠি' এই বাগধারার অর্থ কি? সঠিক উত্তর তোষামুদে ব্যাখাঃ ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ " তোষামোদে "
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” আবিষ্কার করেন-
Correct Answer:
গ: বসন্তরঞ্জন রায়
Explanation:
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” আবিষ্কার করেন- সঠিক উত্তর বসন্তরঞ্জন রায় 'শ্রীকৃষ্ণকৃীর্তন ' কাব্যটি ১৯০৯ সালে শ্রী বসন্ত রায়রঞ্জন রায় পশ্চিমবঙ্গের বাকুড়া জেলার বনবিষনুপুরের কাঁকিল্যা গ্রামের গোয়াল ঘরের টিনের চাঁলা থেকে উদ্ধার করেন। শ্রীকৃষ্ণকৃীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
”মনসামঙ্গল” কাব্যের চরিত্র-
Correct Answer:
গ: বেহুলা লখিন্দর
Explanation:
”মনসামঙ্গল” কাব্যের চরিত্র- সঠিক উত্তর বেহুলা লখিন্দর ' মনসামঙ্গল ' কাব্যের চরিত্র বেহুলা, লখিন্দর, চাঁদ সওদাগর। মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানাহরি দত্ত।
'সংশয়' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: প্রত্যয়
Explanation:
'সংশয়' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর প্রত্যয় সংশয় এর বিপরীত শব্দ প্রত্যয় ।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রণয়োপাখ্যান কোনটি?
Correct Answer:
খ: ইউসুফ জোলেখা
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রণয়োপাখ্যান কোনটি? সঠিক উত্তর ইউসুফ জোলেখা শাহ মুহাম্মদ সগীর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান ' ইউসুফ জুলেখা ' 'পদ্মাবতী ' আলাওল এর লেখা। লাইলি মজনু - দৌলত উজির বাহরাম এর লেখা।
”ব্রজবুলি” কোন স্থানের ভাষা?
Correct Answer:
খ: মিথিলা
Explanation:
”ব্রজবুলি” কোন স্থানের ভাষা? সঠিক উত্তর মিথিলা ব্রজবুলি বলতে এক রকম কৃত্রিম পরিভাষাকে বোঝয়। ব্রজবুলি মিথিলার ভাষা। বাংলা এবং মৈথিলী ভাষার সমন্বয়ে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক-
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক- সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগ সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয় কোন সনে?
Correct Answer:
গ: ১৯৭৪
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয় কোন সনে? সঠিক উত্তর ১৯৭৪ কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয় ১৯৭৪ সনে। কাজী নজরুল ইসলাম (২৫ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) রাঢ় বাংলায় জন্ম নেওয়া একজন বাঙালি কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে তার বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তনে তাকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারিতে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। একুশে পদক বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্মানসূচক পদক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
কাশীরাম দাস কোন গ্রন্থের অনুবাদক?
Correct Answer:
ক: মহাভারত
Explanation:
কাশীরাম দাস কোন গ্রন্থের অনুবাদক? সঠিক উত্তর মহাভারত মহাভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় অনুবাদক কাশীরাম দাস। মহাভারতের প্রথম অনুবাদক৷ কবিন্দ্র পরমেশ্বর। মহাভারতের রচিয়তা বেদব্যাস।
'শাহজাহান' নাটকের নাট্যকার কে?
Correct Answer:
ক: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Explanation:
'শাহজাহান' নাটকের নাট্যকার কে? সঠিক উত্তর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় 'শাহজাহান' নাটকের নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৯ জুলাই ১৮৬৩ - ১৭ মে ১৯১৩) ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা। তিনি ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি প্রায় ৫০০ গান রচনা করেন। এই গানগুলি বাংলা সংগীত জগতে দ্বিজেন্দ্রগীতি নামে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত গান "ধনধান্যে পুষ্পে ভরা", "বঙ্গ আমার! জননী আমার! ধাত্রী আমার! আমার দেশ" ইত্যাদি আজও সমান জনপ্রিয়। তিনি অনেকগুলি নাটক রচনা করেন। তাঁর নাটকগুলি চার শ্রেণিতে বিন্যস্ত: প্রহসন, কাব্যনাট্য, ঐতিহাসিক নাটক ও সামাজিক নাটক। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে জীবদ্দশায় প্রকাশিত আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ) ও মন্দ্র বিখ্যাত। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য একঘরে, কল্কি - অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার - পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল - বিজয় ইত্যাদি।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সাথে নিম্নোক্ত কোন মনীষীর নাম জড়িত?
Correct Answer:
গ: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার
Explanation:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সাথে নিম্নোক্ত কোন মনীষীর নাম জড়িত? সঠিক উত্তর মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (আনু. ১৭৬২ - ১৮১৯) সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক। তৎকালীন ওড়িষা প্রদেশের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। নাটোর - রাজের দরবারে লেখাপড়া শিখে তিনি সংস্কৃত পন্ডিতে পরিণত হন। তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজএর বাংলা বিভাগের হেড - পন্ডিত নিযুক্ত হন। পরে ১৮০৫ সালে আবার কেরীর সুপারিশে তিনি বাংলার সঙ্গে সংস্কৃত বিভাগেরও হেড পন্ডিতের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৮১৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত তিনি এ কলেজে কাজ করেন। পরে কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ - পন্ডিত হিসেবে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে থাকার সময়ে তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেন, সেগুলি: বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), হিতোপদেশ (১৮০৮), রাজাবলী (১৮০৮) এবং প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮১৩ সালে লিখিত, কিন্তু ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত)। এছাড়া পরে ১৮১৭ সালে তিনি লেখেন বেদান্তচন্দ্রিকা। এসব গদ্য প্রায় সবই অনুবাদমূলক। তা সত্ত্বেও তাঁর রচনা - রীতির কারণে অনেকটা মৌলিক রূপ লাভ করেছে। তিনি সংস্কৃত পন্ডিত ছিলেন বলে অনেকেই তাঁকে সামাজিক বিষয়ে রক্ষণশীল বলে বিবেচনা করতেন। কিন্তু কোনো কোনো বিষয়ে তিনি ছিলেন পুরোপুরি আধুনিক। যেমন, সতীদাহ প্রথার পক্ষে প্রচার চালাতে গিয়ে রামমোহন রায় যেসব শাস্ত্রীয় অনুমোদনের কথা উল্লেখ করেন, সেগুলি আগেই মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার লিখেছিলেন। গয়া, বৃন্দাবন ইত্যাদি হিন্দু তীর্থস্থান ভ্রমণ করে ফেরার সময়ে মৃত্যুঞ্জয় ১৮১৯ সালের জুন মাসে মুরশিদাবাদের কাছে মারা যান।
'হাতির পাঁচ পা দেখা' এই বাগধারার অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: অহংকার বোধ করা
Explanation:
'হাতির পাঁচ পা দেখা' এই বাগধারার অর্থ কি? সঠিক উত্তর অহংকার বোধ করা ব্যখাঃ হাতির কখন ও পাঁচ পা হয় না তাই হাতির পাঁচ পা বাগধারাটির অর্থ " অহংকার করা"
বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী কে?
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী কে? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
'মৈমনসিংহ গীতিকা' কে সংগ্রহ করেছেন?
Correct Answer:
ক: ড.দীনেশচন্দ্র সেন
Explanation:
'মৈমনসিংহ গীতিকা' কে সংগ্রহ করেছেন? সঠিক উত্তর ড.দীনেশচন্দ্র সেন 'মৈমনসিংহ গীতিকা' সংগ্রহ করেছেন ড.দীনেশচন্দ্র সেন। দীনেশচন্দ্র সেন (রায়বাহাদুর) (৩ নভেম্বর, ১৮৬৬ - ২০ নভেম্বর, ১৯৩৯) শিক্ষাবিদ, গবেষক, লোক - সাহিত্যবিশারদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার। ১৯১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে "রামতনু লাহিড়ী রিসার্চ ফেলোসিপ" প্রদান করে এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা সম্পাদনা করেন।
'সব কটি জানালা খুলে দাও না' -এই গানটির গীতিকার কে?
Correct Answer:
খ: নজরুল ইসলাম বাবু
Explanation:
'সব কটি জানালা খুলে দাও না' -এই গানটির গীতিকার কে? সঠিক উত্তর নজরুল ইসলাম বাবু 'সব কটি জানালা খুলে দাও না' - এই গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। নজরুল ইসলাম বাবু (১৭ জুলাই ১৯৪৯ - ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯০) বাংলাদেশের একজন গীতিকবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। "সব কটা জানালা খুলে দাও না", "একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার" গানের গীতিকার তিনি। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পদ্মা মেঘনা যমুনা চলচ্চিত্রের গীত রচনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর-
Correct Answer:
ক: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর- সঠিক উত্তর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত দত্ত, সত্যেন্দ্রনাথ (১৮৮২ - ১৯২২) কবি ও ছান্দসিক। কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস বর্ধমানের চুপী গ্রামে। পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক। সত্যেন্দ্রনাথ কলকাতার সেন্ট্রাল কলেজিয়েট স্কুল থেকে এন্ট্রান্স (১৮৯৯) এবং জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশন (বর্তমান স্কটিশ চার্চ কলেজ) থেকে এফএ (১৯০১) পাস করেন; কিন্তু পরে বিএ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তিনি প্রথমে পিতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন এবং পরে ব্যবসা ছেড়ে কাব্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি। প্রথম জীবনে তিনি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দেবেন্দ্রনাথ সেন, অক্ষয়কুমার বড়াল প্রমুখের দ্বারা প্রভাবিত হন। পরে রবীন্দ্রানুসারী হলেও তিনি কবিস্বভাবে হয়ে ওঠেন স্বতন্ত্র। তিনি নানাবিধ ছন্দোনির্মাণ ও ছন্দ উদ্ভাবনে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত। ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা ‘ছন্দ - সরস্বতী’ প্রকাশিত হয়। বাংলা শব্দের সঙ্গে আরবি - ফারসি শব্দের সমন্বিত ব্যবহার দ্বারা বাংলা কাব্যভাষার শক্তি বৃদ্ধির প্রাথমিক কৃতিত্ব তাঁরই। তাঁর অপর কৃতিত্ব বিদেশি কবিতার সফল অনুবাদ। আরবি, ফারসি, চীনা, জাপানি, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষার বহু কবিতা অনুবাদ করে তিনি বাংলা সাহিত্যএর বৈচিত্র্য ও সমৃদ্ধি সাধন করেন। অনুবাদের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের কাব্যসাহিত্যের সঙ্গে বাংলার যোগাযোগ ঘটান। দেশাত্মবোধ, মানবপ্রীতি, ঐতিহ্যচেতনা, শক্তিসাধনা প্রভৃতি তাঁর কবিতার বিষয়বস্ত্ত। মেথরদের মতো অস্পৃশ্য ও অবহেলিত সাধারণ মানুষ নিয়েও তিনি কবিতা লিখেছেন। সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাবলি হলো: সবিতা (১৯০০), সন্ধিক্ষণ (১৯০৫), বেণু ও বীণা (১৯০৬), হোম শিখা (১৯০৭), ফুলের ফসল (১৯১১), কুহু ও কেকা (১৯১২), তুলির লিখন (১৯১৪), অভ্র - আবীর (১৯১৬), হসন্তিকা (১৯১৯), বেলা শেষের গান (১৯২৩), বিদায় - আরতি (১৯২৪), কাব্যসঞ্চয়ন (১৯৩০), শিশু - কবিতা (১৯৪৫) ইত্যাদি। তাঁর অনুবাদ কাব্যগুলি হলো: তীর্থরেণু (১৯১০), তীর্থ - সলিল (১৯১৮), মণিমঞ্জুষা (১৯১৫) এবং গদ্যরচনা জন্মদুঃখী (উপন্যাস, ১৯১২), চীনের ধূপ (প্রবন্ধ, ১৯১২), ছন্দ - সরস্বতী (প্রবন্ধ, ১৯১৯), রঙ্গমল্লী (নাট্যানুবাদ, ১৯১৩) ইত্যাদি। ১৯২২ সালের ২৫ জুন তাঁর মৃত্যু হয়।
'ভারতেশ্বরী হোমস্' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আর পি সাহা
Explanation:
'ভারতেশ্বরী হোমস্' এর প্রতিষ্ঠাতা কে? সঠিক উত্তর আর পি সাহা বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' -পঙক্তিটির উৎস কি?
Correct Answer:
ঘ: লালন গীতি
Explanation:
'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' -পঙক্তিটির উৎস কি? সঠিক উত্তর লালন গীতি 'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' - পঙক্তিটির উৎস লালন গীতি। সমগ্র বিশ্বে, বিশেষ করে বাংলাদেশসহ সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে লালনের গান বেশ জনপ্রিয়। শ্রোতার পছন্দ অনুসারে বিবিসি বাংলার করা সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় লালনের "খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়" গানটির অবস্থান ১৪তম। [৫৯] আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, গুরু বা মুর্শিদতত্ত্ব, প্রেম - ভক্তিতত্ত্ব, সাধনতত্ব, মানুষ - পরমতত্ত্ব, আল্লাহ্ - নবীতত্ত্ব, কৃষ্ণ - গৌরতত্ত্ব এবং আরও বিভিন্ন বিষয়ে লালনের গান রয়েছে। লালনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গানঃ আমি অপার হয়ে বসে আছি সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে জাত গেলো জাত গেলো বলে খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় আপন ঘরের খবর লে না আমারে কি রাখবেন গুরু চরণদাসী মন তুই করলি একি ইতরপনা এই মানুষে সেই মানুষ আছে
'এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি'-- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: সুকান্ত ভট্রাচার্য
Explanation:
'এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি'-- পঙক্তিটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সুকান্ত ভট্রাচার্য ভট্টাচার্য, সুকান্ত (১৯২৬ - ১৯৪৭) মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়। পিতা নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য কলকাতায় পুস্তক ব্যবসা করতেন। সুকান্তের বাল্যশিক্ষা শুরু হয় কলকাতার কমলা বিদ্যামন্দিরে; পরে তিনি বেলেঘাটা দেশবন্ধু হাইস্কুলে ভর্তি হন এবং ১৯৪৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন। এ সময় ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত হওয়ায় তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তেতাল্লিশের মন্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেন। ১৯৪৪ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। এ বছর আকাল নামক একটি সংকলনগ্রন্থ তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। সুকান্ত কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা - র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন। মার্কসবাদী চেতনায় আস্থাশীল কবি হিসেবে সুকান্ত কবিতা লিখে বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান করে নেন। তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: ছাড়পত্র (১৯৪৭), পূর্বাভাস (১৯৫০), মিঠেকড়া (১৯৫১), অভিযান (১৯৫৩), ঘুম নেই (১৯৫৪), হরতাল (১৯৬২), গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি। পরবর্তীকালে উভয় বাংলা থেকে সুকান্ত সমগ্র নামে তাঁর রচনাবলি প্রকাশিত হয়। সুকান্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পিসঙ্ঘের পক্ষে আকাল (১৯৪৪) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন। সুকান্তের সাহিত্য - সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্ত্ত। তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা - আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে। রবীন্দ্রোত্তর বাংলা কবিতার বৈপ্লবিক ভাবধারাটি যাঁদের সৃষ্টিশীল রচনায় সমৃদ্ধ হয়েছে, সুকান্ত তাঁদের অন্যতম। তাঁর কবিতার ছন্দ, ভাষা, রচনাশৈলী এত স্বচ্ছন্দ, বলিষ্ঠ ও নিখুঁত যে, তাঁর বয়সের বিবেচনায় এরূপ রচনা বিস্ময়কর ও অসাধারণ বলে মনে হয়। ১৯৮৭ সালের ১৩ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয় ।
'সংখ্যালঘু ' শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
গ: কর্মধারয়
Explanation:
'সংখ্যালঘু ' শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় সংখ্যালঘু শব্দটির ব্যাসবাক্য সংখ্যায় লঘু।
"বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
"বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন "বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।