Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: সবুজপত্র
Explanation:
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি? সঠিক উত্তর সবুজপত্র বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান সাময়িক পত্রিকা ছিলো সবুজ পত্র। সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এটি প্রকাশিত হতো। এর প্রথম প্রকাশ বাংলা ১৩২১ সালে (ইংরেজি: ১৯১৪ খ্রি.)
‘সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই’ কে বলেছেন?
Correct Answer:
ক: চন্ডীদাস
Explanation:
‘সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই’ কে বলেছেন? সঠিক উত্তর চন্ডীদাস এই অমর উক্তিটি করেছেন মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচিয়তা চণ্ডীদাস। উল্লেখ্য, পদাবলীতে ভিন্ন ভিন্ন চণ্ডীদাসের নাম (চণ্ডীদাস দ্বিজ, চণ্ডীদাস দীন, চণ্ডীদাস আদি ইত্যাদি।) জানা যায়। তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চণ্ডীদাস তিনজন - বডু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা এবং দ্বিজ ও দীন পদাবলীর কবি।
সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন-
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন- সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত সাগরদাঁড়ির জমিদারগৃহকে ঘিরেই কবির বাড়ি। সেখানে বসে মধুভক্তদের মিলনমেলা। ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত সাগরদাঁড়ির জমিদারগৃহে মাতা জাহ্নবী দেবীর কোলজুড়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট আইনজীবী রাজনারায়ণ দত্ত।
'ক' বর্গের ধ্বনিসমূহের উচ্চারণ স্থান কোনটি?
Correct Answer:
ক: জিহ্বামূল
কত সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৮৬৫
Explanation:
কত সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর ১৮৬৫ দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দেশ ব্রিটিশ ভারত ভাষা বাংলা ধরন উপন্যাস প্রকাশনার তারিখ ১৮৬৫ ইংরেজিতে প্রকাশিত ১৮৮০ মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
‘বীরবল’ কোন লেখকের ছদ্মনাম?
Correct Answer:
ঘ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
‘বীরবল’ কোন লেখকের ছদ্মনাম? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও সবুজপত্র (১৯১৪) পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম 'বীরবল। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: চার ইয়ারি কথা' আহুতি (গল্পগ্রন্থ) : তেল - নুন - লকড়ি, বীরবলের হালখাতা , নানাকথা, রায়তের কথা (প্রবন্ধগ্রন্থ) । অন্যদিকে সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম 'নীললোহিত ' ও 'সনাতন পাঠক'।
‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
ক: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Explanation:
‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় দ্বিজেন্দ্রলালের দুই অগ্রজই ছিলেন লেখক ও পত্রিকা সম্পাদক। গৃহে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দীনবন্ধু মিত্র প্রমুখের যাতায়াত ছিল। এরকম একটি পরিবেশে কৈশোরেই তিনি কবিতা রচনা শুরু করেন। ১৯০৫ সালে তিনি কলকাতায় পূর্ণিমা সম্মেলন নামে একটি সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৩ সালে তিনি ভারতবর্ষ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। অল্প বয়স থেকেই কাব্য রচনার প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ) ও মন্দ্র বিখ্যাত। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য একঘরে, কল্কি - অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল - বিজয় ইত্যাদি। দ্বিজেন্দ্রলালের সাহিত্যে তাঁর দেশপ্রেমের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। পাঠান - মুঘল সম্রাটদের বিরুদ্ধে দেশের ভারতীয় মানুষের স্বাধীনতার লড়াইয়ের মর্মস্পর্শী বিবরণ বার বার তাঁর নাটকগুলিতে প্রকাশিত হয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র শব্দে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণের কোন কোন বর্ণ রয়েছে?
Correct Answer:
গ: হ+ম
“যদিও তার বয়স বেড়েছে, তথাপি বুদ্ধি বাড়েনি”- বাক্যটি কোন ধরনের বাক্য?
Correct Answer:
গ: যৌগিক বাক্য
Explanation:
“যদিও তার বয়স বেড়েছে, তথাপি বুদ্ধি বাড়েনি”- বাক্যটি কোন ধরনের বাক্য? সঠিক উত্তর যৌগিক বাক্য যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে। যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো ও, এবং, অথবা,কিন্তু,বরং,তথাপি প্রভৃতি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
কোনটি 'পরপদ' প্রধান সমাস?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয়
“অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার চরণ?
Correct Answer:
ক: নারী
Explanation:
“অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার চরণ? সঠিক উত্তর নারী নারীকাজী নজরুল ইসলাম সাম্যের গান গাই - আমার চক্ষে পুরুষ - রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই! বিশ্বে যা - কিছু মহান্ সৃষ্টি চির - কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। অংশ বিশেষ - এটি কাজী নজরুল ইসলামের নারী কবিতা থেকে চয়ণ করা হয়েছে
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
Correct Answer:
ঘ: ১৮৬১
Explanation:
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে? সঠিক উত্তর ১৮৬১ মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। কাব্যটি তার শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবর কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে
Explanation:
কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবর কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পাবলিক লাইব্রেরির কাছেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি অবস্থিত। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
মানসী দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী?
Correct Answer:
গ: পদ্মাপুরাণ
Explanation:
মানসী দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী? সঠিক উত্তর পদ্মাপুরাণ মনসামঙ্গলের একজন সর্বাধিক প্রচারিত কবি হিসাবে বিজয়গুপ্ত - এর খ্যাতি। তার মনসামঙ্গল (বা পদ্মাপুরাণ) বাংলার জনপ্রিয় কাব্যগুলির মধ্য অন্যতম। গল্পরস সৃজনে, করুণরস ও হাস্যরসের প্রয়োগে, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক জীবনের পরিচয়ে, চরিত্র চিত্রণে এবং পাণ্ডিত্যের গুণে বিজয়গুপ্তের পদ্মাপুরাণ একটি জনপ্রিয় কাব্য। বিজয়গুপ্তের পূর্বে আমরা পাই আদি মঙ্গল কবি কানাহরি দত্ত ও বিপ্রদাস পিপলাইকে। বিজয়গুপ্ত (পদ্মাপুরাণ) সময়কাল মধ্যযুগ (পঞ্চদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ) ধরন মঙ্গলকাব্য বিষয় মনসামঙ্গল
কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: রাইত
‘প্রথম> পরথম’ কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ?
Correct Answer:
গ: বিপ্রকর্ষ
Explanation:
‘প্রথম> পরথম’ কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ? সঠিক উত্তর বিপ্রকর্ষ কখনো কখনো শব্দের মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে তাকে মধ্য স্বরাগম বলে। অর্থাৎ মধ্য স্বরাগমের ক্ষেত্রে শব্দের মাঝখানে বা মধ্যে স্বরধ্বনি আসবে।মধ্য স্বরাগমের অপর নাম হলোঃ বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।মধ্য স্বরাগম এর উদাহরণ-রত্ন > রতন , ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ, প্রথম> পরথম, প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ > কিলিপ, ফিল্ম > ফিলিম, মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক, ভ্রূ > ভুরু, গ্রাম > গেরাম, প্রেক > পেরেক, স্রেফ > সেরেফ, শ্লোক > শোলোক, মুরগ > মুরোগ > মোরগ।
কাক নিদ্রা শব্দটির অর্থ কি?
Correct Answer:
ক: অগভীরা সতর্ক নিদ্রা
কোনটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস?
Correct Answer:
ক: রাজপুত্র
Explanation:
কোনটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস? সঠিক উত্তর রাজপুত্র পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: চায়ের বাগান = চাবাগান, রাজার পুত্র = রাজপুত্র, খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট। এরূপ - ছাত্রসমাজ, দেশসেবা, দিল্লীশ্বর, বাঁদরনাচ, পাটক্ষেত, ছবিঘর, ঘোড়দৌড়, শ্বশুড়বাড়ি, বিড়ালছানা ইত্যাদি।
সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক-
Correct Answer:
গ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক- সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় তাঁর কাব্যনাট্যসমূহ হচ্ছে - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (১৯৭৬), গণনায়ক (১৯৭৬), নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২), এখানে এখন (১৯৮৮), কাব্যনাট্য সমগ্র (১৯৯১), ঈর্ষা, বাংলার মাটি বাংলার জল, নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা। তাঁর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক।
‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভূবনে’ ছড়াটি কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভূবনে’ ছড়াটি কার রচনা? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ”মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে” - চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকর্ম তাঁর রচিত কাব্য, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাট্যসাহিত্য, প্রবন্ধ, চিত্রকলা ও সঙ্গীতের মধ্যে ছড়িয়ে আছে। তার উল্লেখযোগ্য পঙক্তি: - "শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি/ যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী। " "অলংকার যে মাঝে প’ড়ে মিলনেতে আড়াল করে, তোমার কথা ঢাকে যে তার মুখর ঝংকার। "
রবীন্দ্রনাথের ‘ মেঘদূত’ কোন কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত?
Correct Answer:
ঘ: মানসী
মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
Correct Answer:
ঘ: ৭টি
Explanation:
মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি? সঠিক উত্তর ৭টি বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি । যথা : অ, আ, ই, উ, এ, ও , অ্যা। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ, অর্ধমাত্রা ও স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণ যথাক্রমে ১১,৮ ও ৬ টি।
‘বীরবল’ কার ছদ্মনাম?
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৗধুরী
Explanation:
‘বীরবল’ কার ছদ্মনাম? সঠিক উত্তর প্রমথ চৗধুরী প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক যিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ছিলেন একাধারে প্রাবন্ধিক, কবি ও ছোটগল্পকার। বীরবল ছদ্মনামও তিনি ব্যবহার করেছেন। তার পৈতৃক নিবাস বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার অন্তর্গত চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে।
‘কমা’ থাকলে বিরতিকালের পরিমাণ কত?
Correct Answer:
ক: ১ ( এক) বলতে যে সময়ের প্রয়োজন
সামন্তবাদ ও প৭জিবাদের দ্বন্দ্ব দেখা যায় কোন গল্পে?
Correct Answer:
খ: জলসাঘর
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের কোন চরিত্রটি পাওয়া যায়?
Correct Answer:
গ: রহিমা
Explanation:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের কোন চরিত্রটি পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর রহিমা এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ। উপন্যাসের সকল ঘটনার নিয়ন্ত্রক মজিদ। মজিদ একটি প্রতীকী চরিত্র - কুসংস্কার, শঠতা, প্রতারণা এবং অন্ধবিশ্বাসের প্রতীক। মজিদের প্রথম স্ত্রী রহিমা 'লালসালু' উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র।
নীচের কোনটি অব্যয়ীভাব সমাস?
Correct Answer:
গ: সামীপ্য
Explanation:
নীচের কোনটি অব্যয়ীভাব সমাস? সঠিক উত্তর সামীপ্য পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং যে সমাসের সমস্তপদ উপসর্গ দ্বারা শুরু হয় তাকে উপসর্গ তৎপুরুষ বা অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ, অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ।
”মনে মনে তুলনা করে দেখলাম”- এখানে দ্বিরুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে-
Correct Answer:
খ: ক্রিয়া-বিশেষণ রূপে
'শশাঙ্ক'-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: চাঁদ
“তোমাকেই ঢাকা যেতে হবে” কোন ধরণের বাচ্য?
Correct Answer:
ঘ: সন্ধন্ধ- কর্তা -ভাববাচ্য
Explanation:
“তোমাকেই ঢাকা যেতে হবে” কোন ধরণের বাচ্য? সঠিক উত্তর সন্ধন্ধ- কর্তা -ভাববাচ্য #বাচ্য_পরিবর্তনবাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে।বাংলা ভাষায় ৩টি বাচ্য পাওয়া যায় - কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্য।বিভিন্ন ধরনের বাচ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগে বাক্যের কর্তা ও কর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে জানা দরকার।কর্তা :যেই পদ বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তা বলে।অর্থাৎ, যে বাক্যের কাজটি করে, সে - ই কর্তা।যেমন - গরু ঘাস খায়। এখানে খাওয়ার কাজটি করছে ‘গরু’। - সুতরাং, এখানে ‘গরু’ কর্তা।টেবিলটি সকাল থেকে এরকম নড়বড় করছে। - এখানে ‘নড়বড় করা’র কাজটি করছে ‘টেবিল’। সুতরাং, এখানে কর্তা ‘টেবিল’।ক্রিয়াকে ‘কে/কারা‘ দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্তা পদ পাওয়া যায়।কর্ম :কর্তা যাকে আশ্রয় করে বা অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম বলে।অর্থাৎ, কর্তা যার সাহায্যে কাজটি করে, তাই কর্ম।যেমন - গরু ঘাষ খায়। - এখানে ‘গরু’ ‘খাওয়া’র কাজটি করার জন্য ‘ঘাস’কে অবলম্বন হিসেবে নিয়েছে। সে ‘ঘাস’কে দিয়ে ‘খাওয়া’র কাজ করছে। সুতরাং, এখানে ‘ঘাস’ কর্ম।বাবা আমাকে ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন। - এখানে ‘কিনে দেয়া’র কাজটি করেছেন ‘বাবা’। ‘বাবা’ এখানে কর্তা। ‘বাবা’ ‘কিনে দেয়া’র কাজ করার জন্য ‘আমাকে’ ও ‘ল্যাপটপ’ - র সাহায্য নিয়েছেন। এখানে, ‘আমাকে’ ও ‘ল্যাপটপ’ কর্ম।ক্রিয়াকে ‘কী/ কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্তা পদ পাওয়া যায়।কর্তৃবাচ্য :বাক্যে কর্তার প্রাধান্য রক্ষিত হলে তাকে কর্তৃবাচ্য বলে। এ ধরনের বাক্যে কর্তা অনুযায়ী ক্রিয়াপদ ব্যবহৃত হয় এবং ক্রিয়া কর্তার অনুসারী হয়।কর্তৃবাচ্যের পদে কর্তায় - শূণ্য বিভক্তি হয়।কর্মে - দ্বিতীয়া বা ষষ্ঠী বিভক্তি হয়। (শূণ্য বিভক্তিও হতে পারে)যেমন - ছাত্ররা বাংলা পড়ছে।শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।রোগী পথ্য সেবন করে।কর্মবাচ্য :কর্মপদ প্রধান রূপে প্রকাশিত হলে তাকে কর্মবাচ্য বলে। এ ধরনের বাক্যে ক্রিয়াপদ কর্তা অনুযায়ী না হয়ে কর্মপদ অনুযায়ী হয় এবং কর্মপদের অনুসারী হয়।এ ধরনের বাক্যে কর্তায় - তৃতীয়া বিভক্তি হয়।কর্মে - শূণ্য বিভক্তি হয়। (কখনো কখনো দ্বিতীয়া বিভক্তিও হয়)যেমন - শিকারি কর্তৃক বাঘটি নিহত হয়েছে।আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য বিজিত হয়।চোরটা ধরা পড়েছে।আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে। (কর্মে দ্বিতীয়া বিভক্তি)ভাববাচ্য :বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে প্রকাশিত হলে তাকে ভাববাচ্য বলে। এ ধরনের বাক্যে কর্ম থাকে না এবং কর্তাও প্রধান হয় না। কাউকে কোন কিছু সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে বলতে গেলে ভাববাচ্যে বলা যায়।এ ধরনের বাক্যে কর্তায় - ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া বা তৃতীয়া বিভক্তি হয়।নামপুরুষের ক্রিয়াপদ [ক্রিয়াপদ] হয়।মাঝে মাঝে মূল ক্রিয়াপদের সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়াপদও যুক্ত হয়।কখনো কখনো কর্তা উহ্য থাকে, অর্থাৎ কর্তা অনুল্লেখিত থাকে।যেমন - আমার খাওয়া হল না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ)তোমার যাওয়া হবে না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ)এ পথে চলা যায় না। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত)কোথা থেকে আসা হচ্ছে। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত)এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না। (কর্তা ‘তুমি’ উহ্য)এ রাস্তা আমার চেনা নেই।কর্মকর্তৃবাচ্য :এছাড়াও বাংলায় আরো এক ধরনের প্রকাশভঙ্গির বাক্য দেখা যায়। এ ধরনের বাক্যের বাচ্যকে বলা হয় কর্মকর্তৃবাচ্য।এ ধরনের বাক্যে কর্তাপদ উহ্য থাকে, তবে কর্মপদ থাকে। আর ওই কর্মপদই কর্তার কাজ করে।অর্থাৎ, যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মই কর্তার কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।যেমন - কাজটা ভাল দেখায় না। - এখানে কর্তা নেই। কর্ম হল ‘কাজ’। কিন্তু ‘কাজ’ নিজেই কর্তার মত বাক্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এরকম - বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির প্রকাশক-
Correct Answer:
ক: বাংলা একাডেমি
Explanation:
‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির প্রকাশক- সঠিক উত্তর বাংলা একাডেমি কারাগারের রোজনামচা বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের ১৭ই মার্চ (ফাল্গুন ১৪২৩) তারিখে। এটি প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি। এর প্রকাশক ও কর্মসূচি পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন বাংলা একাডেমির গবেষণা, সংকলন এবং অভিধান ও বিশ্বকোষ বিভাগের পরিচালক মোবারক হোসেন।
'আশীবিষ' কোন বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: ব্যাধিকরণ বহুরীহি
Explanation:
'আশীবিষ' কোন বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ব্যাধিকরণ বহুরীহি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস এ পূর্ব পদ এবং পরপদ কোনটিই বিশেষণ হয় না।যেমনঃ আশীতে (দাঁতে ) বিষ যার= আশীবিষ।
’ঐরাবত’ কার সমার্থক?
Correct Answer:
খ: হাতি
Explanation:
’ঐরাবত’ কার সমার্থক? সঠিক উত্তর হাতি হাতি, করী, দন্তী, মাতঙ্গ, গজ, ঐরাবত, দ্বিপ, দ্বিরদ, বারণ, নাগ।
অপাদান কারক কোনটি?
Correct Answer:
খ: ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
Explanation:
অপাদান কারক কোনটি? সঠিক উত্তর ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে সাধারণভাবে, যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। অপাদান কারক মূলত বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে সম্পর্কিত পদ যেমন বিশেষণ বা সর্বনাম এর উপর প্রযুক্ত হয়। অপাদান কারক দিয়ে সাধারণত কোনো কিছু থেকে সরে যাওয়া অর্থ বোঝানো হয়।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা-
Correct Answer:
ক: বড়ু চন্ডীদাস
Explanation:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা- সঠিক উত্তর বড়ু চন্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন – এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। কাব্যে তাঁর তিনটি ভণিতা পাওয়া যায়—'বড়ু চণ্ডীদাস', 'চণ্ডীদাস' ও 'অনন্ত বড়ু'।
কোন শব্দ শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?
Correct Answer:
খ: ত্রিভুুজ
এক কথায় প্রকাশ কর- “ কেবল নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে যে”
Correct Answer:
গ: আত্মনিষ্ঠ
ঊনপঞ্চাশ বায়ূ” বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
ঘ: পাগলামি
Explanation:
ঊনপঞ্চাশ বায়ূ” বাগধারাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর পাগলামি বাগধারাটির আভিধানিক অর্থ পাগলামি। ভারতীয় পৌরাণিক বৃত্তান্ত হতে বাংলায় ব্যবহৃত 'ঊনপঞ্চাশ বায়ু' পদের উদ্ভব। 'উন' আর 'পঞ্চাশ' শব্দের সমন্বয়ে 'ঊনপঞ্চাশ বায়ু' পদের সৃষ্টি।
‘সন্ধ্যাভাষা’ অনুষঙ্গটি কোন সাহি্যেধারা সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
Correct Answer:
ক: চর্যাপদ
Explanation:
‘সন্ধ্যাভাষা’ অনুষঙ্গটি কোন সাহি্যেধারা সঙ্গে সংশ্লিষ্ট? সঠিক উত্তর চর্যাপদ চর্যাপদের ভাষাকে কেউ কেউ সন্ধ্যাভাষা বা সন্ধাভাষা বলেছেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এ ভাষা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, 'আলো আঁধারি ভাষা, কতক আলো, কতক অন্ধকার, খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না । যাঁহারা সাধন - ভজন করেন, তাঁহারাই সে কথা বুঝিবেন। আমাদের বুঝিয়া কাজ নাই'। - এ কারণে চর্যার ভাষা সন্ধ্যাভাষা। মুনিদত্ত তাঁর টীকায় সন্ধভাষ, সন্ধাভাষা, সন্ধ্যাবচন, সন্ধ্যাসংকেত, সন্ধ্যা ও ব্যাজে প্রভৃতি শব্দ চর্যার রুপকাশ্রিত দুর্বোধ্য অংশের বা প্রতীকী শব্দের ভাষা ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বারবর প্রয়োগ করেছেন।
ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস-
Correct Answer:
খ: আরেক ফাল্গুন
Explanation:
ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস- সঠিক উত্তর আরেক ফাল্গুন উপন্যাসঃ ১) আরেক ফাল্গুন→জহির রায়হান। (প্রথম)। ২) আর্তনাদ→শওকত ওসমান। ৩) নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি→সেলিনা হোসেন।
“ সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু, অনলে পুড়িয়া গেল” এই বৈষ্ণবপদের রচিয়তা কে?
Correct Answer:
ক: জ্ঞানদাস
Explanation:
“ সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু, অনলে পুড়িয়া গেল” এই বৈষ্ণবপদের রচিয়তা কে? সঠিক উত্তর জ্ঞানদাস জ্ঞানদাস রচিত এটি পূর্বরাগের পদ। শ্রীকৃষ্ণের রূপদর্শন ও গুণকথা শ্রবণে রাধার মনে কৃষ্ণের প্রতি অনুরাগ জন্মেছে। এখন নিবিড় সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর মন উৎসুক। রূপদর্শন ও স্বরূপ সন্ধানের অপূর্বতা এই আলেখ্যে ধরা পড়েছে। বস্তুত রাধার মনে কৃষ্ণের প্রতি যে আসক্তি জন্মেছে তা শুধু সাদামাটা ভাবনার স্তরে থাকতে চাইছে না। গাঢ় প্রেমের রীতিই তাে এইরূপ। আরও অধিকবার দর্শন ও স্পর্শনের জন্য রাধার মন এখন ব্যাকুল। কৃষ্ণরূপ দর্শনে রাধার হৃদয়ের আর্তি মেটে না। দেহমনে নিঃসীম সুখের দিব্য অনুভূতি। আবার প্রতিক্ষণে কৃষ্ণকে দর্শন ও স্পর্শনের জন্য দেহমন আকুলিত। এদিকে কৃষ্ণের হাসিতে কত মধুর ধারা ঝরে পড়ে। প্রভুর মৃদু হাসি যেন প্রেমের সার বিশেষ। রাধা যখন গুরুজনদের মাঝখানে সঙ্গীদের সঙ্গে বিরাজ করেন তখন শ্যাম প্রসঙ্গ কানে আসামাত্র পুলকে তার দেহ পূর্ণ হয়। গুরুজন বা সঙ্গীদের কাছে যাতে ধরা না পড়েন, সেজন্য তা গােপন করবার বহুচেষ্টা করেন। কিন্তু আবেগের আতিশয্যে রাধার দুনয়ন থেকে অবিরল অশ্রুধারা ঝরতে থাকে। এর ফলে ঘরে উপস্থিত সব লােক কানাকানি করতে থাকে। কিন্তু কানুর প্রেমে দুঃসাহসিনী রাধার তাতে কিছু আসে যায় না। তিনি লজ্জার ঘরে আগুন দিয়েছেন। অর্থাৎ লজ্জা সংকোচ বিসর্জন দিয়েছেন।
‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কি?
Correct Answer:
খ: দীনেশরঞ্জন দাস
Explanation:
‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কি? সঠিক উত্তর দীনেশরঞ্জন দাস ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। 'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত' শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ । বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা 'কবিতা' সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকা 'বঙ্গশ্রী' এবং প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত পত্রিকা 'কালিকলম' ।
`শরতের শিশির’- বাগধারা শব্দটির অর্থ কী?
Correct Answer:
ঘ: সুসময়ের বন্ধু
কোনটি মর্সিয়া সাহিত্য?
Correct Answer:
ঘ: জঙ্গনামা
Explanation:
কোনটি মর্সিয়া সাহিত্য? সঠিক উত্তর জঙ্গনামা কারবালা - কেন্দ্রিক শোকগাঁথার অপর নাম মর্সিয়া সাহিত্য। আরবি ‘মর্সিয়া’ শব্দের অর্থ শোক। শোকবিষয়ক রচনাকে মর্সিয়া সাহিত্য বলা হয়। মোগল শাসনামলের (১৫৭৫ - ১৭৫৭ খ্রি.) আগেই বাংলা সাহিত্যে মর্সিয়ার উদ্ভব হলেও মোগল শাসনামলে তা ব্যাপকভাবে বিকশিত হয়েছে। বিশিষ্ট মর্সিয়া সাহিত্য গবেষক ড. গোলাম সাকলায়েন মোগল শাসনামলকে বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যের স্বর্ণযুগ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।বাংলা সাহিত্যের প্রথম মর্সিয়া কাব্য ধরা হয় ‘জয়নবের চৌতিশা’ (১৫৪৫ খ্রি.)। এ কাব্যের লেখক শেখ ফয়জুল্লাহ। এ কাব্যে শেখ ফয়জুল্লাহ ইমাম হোসেনের নির্মম শাহাদতবরণ ও কারবালার করুণ কাহিনী চিত্রিত করেছেন। তারই পথ ধরে কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্ত করুণ কাহিনী অবলম্বনে চট্টগ্রামের অধিবাসী কবি দৌলত উজির বহরম খান জঙ্গনামা রচনা করেছেন। ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। বিশেষত হযরত মুহম্মাদ সা. ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। বাংলায় ইংরেজ শাসনামলে কারবালার মর্মান্তিক যুদ্ধকাহিনী নিয়ে ‘জঙ্গনামা’ (১৭৯৪ খ্রি.) নামে মর্সিয়া রচনা করেছেন ফকির গরীবুল্লাহও।
‘জলে -স্থলে’ কী সমাস?
Correct Answer:
গ: অলুক দ্বন্দ্ব
Explanation:
‘জলে -স্থলে’ কী সমাস? সঠিক উত্তর অলুক দ্বন্দ্ব অর্থবিচারে যে সমাসে দুইপদ (পূর্বপদ ও পরপদ) - এর সমান গুরুত্ব থাকে এবং দুই পদে একই বিভক্তি যুক্ত থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়। যেমন: মা - বাবা, সাদা - কালো, সোনা - রূপা, ঘরে - বাইরে, তেলে - জলে প্রভৃতি। দ্বন্দ্ব সমাসে দুই পদ একই শ্রেণীর হয় এবং দুইপদ দুজন ব্যক্তি বা দুটি বস্ত্তকে বোঝায়। যেমন : ক. দুপদই বিশেষ্য : অহি - নকুল, পিতা - পুত্র প্রভৃতি। খ. দুপদই বিশেষণ : সাদা - কালো, ক্ষত - বিক্ষত প্রভৃতি। গ. দুপদই সর্বনাম : তোমরা, আমরা প্রভৃতি। ঘ. দুপদই ক্রিয়াপদ : বেচা - কেনা, আসা - যাওয়া প্রভৃতি। ² দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য গঠন : পদদুটোর মাঝে ‘ও’, ‘এবং’ যুক্ত করলে ব্যাসবাক্য হয়ে যাবে। যেমন : অহিনকুল = অহি ও নকুল; পিতা - পুত্র = পিতা ও পুত্র; সাদা - কালো = সাদা ও কালো; ক্ষত - বিক্ষত = ক্ষত ও বিক্ষত; তোমরা = তুমিও সে; আমরা = আমি, তুমি ও সে; বেচা - কেনা = বেচা ও কেনা; আসা - যাওয়া = আসা ও যাওয়া। ² দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ : ক. সমার্থক দ্বন্দ্ব : দ্বন্দ্ব সমাসের দুই পদ সমার্থক হলে তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : রাজা - বাদশা, কাগজ ও পত্র = কাগজ - পত্র, কাজ ও কর্ম = কাজ - কর্ম, জন ও মানব = জন - মানব, ধন ও দৌলত = ধন - দৌলত ইত্যাদি। খ. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব : দ্বন্দ্ব সমাসের দুই পদ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলে তাকে বিপরীতার্থক বা বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়। যেমন : ভালো ও মন্দ = ভালো - মন্দ; বাদি ও বিবাদি = বাদি - বিবাদি ইত্যাদি। গ. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব : যে দ্বন্দ্ব সমাসে দুই পদের অর্থের মধ্যে সম্পর্ক বা সৌহার্দ থাকে, তাকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে যেমন: ভাই ও বোন = ভাই - বোন; স্বামী ও স্ত্রী = স্বামী - স্ত্রী ইত্যাদি। ঘ. অলুক দ্বন্দ্ব : যে দ্বন্দ্ব সমাসের দুই পদে একই বিভক্তি যুক্ত থাকে অথবা কোন বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : দুধে ও ভাতে = দুধে - ভাতে; ঘরে ও বাইরে = ঘরে - বাইরে ইত্যাদি। ঙ. ইত্যাদি অর্থবোধক দ্বন্দ্ব : নির্দিষ্ট ব্যক্তিদ্বয় বা নির্দিষ্ট বস্ত্তদ্বয় না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট কোনো কিছু বোঝালে তাকে ইত্যাদি অর্থবোধক দ্বন্দ্ব বলা হয়। যেমন : দোকান - পাট; বাসন - কোসন ইত্যাদি। চ. একশেষ দ্বন্দ্ব সমাস : যে দ্বন্দ্ব সমাসের সুনির্দিষ্ট পূর্বপদ বা পরপদ থাকে না, কিন্তু দুই পদ সমান অর্থবোধক সর্বনাম দ্বারা সমাসটি গঠিত হয়ে থাকে, তাকে একশেষ দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : আমরা, তোমরা প্রভৃতি। এ সমাস দুটির ব্যাসবাক্য হতে পারে যথাক্রমে - আমরা = আমি ও তুমি কিংবা আমি ও তোমরা কিংবা আমি - তুমি ও সে। তোমরা = এ সমাসটির ব্যাসবাক্য হতে পারে - তুমি ও সে কিংবা তুমি ও তারা। ছ. বহুপদী দ্বন্দ্ব সমাস : যে দ্বন্দ্ব সমাসে দুয়ের অধিক পদ সমাসবদ্ধ হয়ে থাকে, তাকে বহুপদী দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : টাকা - আনা - পাই; রোদ - বৃষ্টি - ঝড়; কাঠ - খড় - কেরোসিন প্রভৃতি।
জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুণ’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে-
Correct Answer:
ঘ: ভাষা আন্দোলনের কথা
Explanation:
জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুণ’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে- সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলনের কথা আরেক ফাল্গুন গ্রন্থের রচয়িতা জহির রায়হান বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫৫ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮) উপন্যাস রচনা করেন।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় কোনটি?
Correct Answer:
গ: শেষের কবিতা
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় কোনটি? সঠিক উত্তর শেষের কবিতা অপশনগুলোর মধ্যে - কাঁদো নদী কাঁদো - মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস নয়। এ উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে রচিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর চেতনা প্রবাহরীতির একটি উপন্যাস।
‘রামায়ণ’ কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: বাল্মীকি
Explanation:
‘রামায়ণ’ কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর বাল্মীকি রামায়ণ প্রাচীন ভারতীয় সূর্যবংশীয় রাজাদের কাহিনী অবলম্বনে মহর্ষি বাল্মীকি রচিত সংস্কৃত মহাকাব্য। এর রচনাকাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক। অযোধ্যার রাজা দশরথের পুত্র রামচন্দ্রের জীবন - কাহিনী এর মুখ্য বিষয়। কাব্যটি সপ্তকান্ড বা সাত খন্ডে বিভক্ত। আদিকান্ডে রামের জন্ম ও বাল্যজীবন; অযোধ্যাকান্ডে অযোধ্যা থেকে রামের নির্বাসন; অরণ্যকান্ডে রাম - লক্ষ্মণ - সীতার বনবাস ও রাবণ কর্তৃক সীতাহরণ; কিষ্কিন্ধ্যাকান্ডে বানররাজ সুগ্রীবের সঙ্গে রামের মিত্রতা; সুন্দরকান্ডে রামের সসৈন্যে লঙ্কা গমন; লঙ্কাকান্ডে রাম - রাবণের যুদ্ধ, যুদ্ধে রাবণের পরাজয় ও সবংশে মৃত্যু, রাম কর্তৃক সীতা উদ্ধার ও রাবণভ্রাতা বিভীষণকে লঙ্কার রাজা করে সদলে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন; এবং উত্তরকান্ডে রামচন্দ্র কর্তৃক সীতাবিসর্জন, লব - কুশের জন্ম, রাম - সীতার পুনর্মিলন এবং মৃত্যু এ বিষয়গুলি বর্ণিত হয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে আনুষঙ্গিক ঘটনাবলি। এই সপ্তকান্ডের প্রতিটি আবার একাধিক সর্গ বা অধ্যায়ে বিভক্ত। কাব্যটি অনুষ্টুপ্ ছন্দে রচিত এবং এর শ্লোকসংখ্যা বিভিন্ন সংস্করণে ২৪ - ৪৩ হাজার পর্যন্ত।
’ তিমির’ শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
Correct Answer:
খ: আলো
‘হাঙর নদী গ্রেনেড ‘ উপন্যাসটি লিখেছেন-
Correct Answer:
ঘ: সেলিনা হোসেন
Explanation:
‘হাঙর নদী গ্রেনেড ‘ উপন্যাসটি লিখেছেন- সঠিক উত্তর সেলিনা হোসেন হাঙর নদী গ্রেনেড বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন রচিত একটি বাংলা ভাষার উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালের যশোরের কালীগঞ্জ গ্রামের এক মায়ের সত্য ঘটনা অবলম্বনে সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসটি রচনা করেন।