Government Job and Other Recruitment Exams MCQs
Showing 50 questions (Total: 12229)
জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদানকে বলা হয়-
Correct Answer:
ক: DNA
Explanation:
জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদানকে বলা হয়- সঠিক উত্তর DNA ডিএনএউইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে(DNA থেকে পুনর্নির্দেশিত)পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিনঅনুসন্ধানে ঝাঁপ দিনডিএনএ'র একটি অংশের সাধারণ গঠন ডিএনএ'র গঠনের এনিমেশন।ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA) একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে। একটি সম্ভাব্য ব্যতিক্রম হচ্ছে কিছু ভাইরাস গ্রুপ যাদের আরএনএ জিনোম রয়েছে, তবে ভাইরাসকে সাধারণত জীবন্ত প্রাণ হিসেবে ধরা হয় না। কোষে ডিএনএর প্রধান কাজ দীর্ঘকালের জন্য তথ্য সংরক্ষন। জিনোমকে কখনও নীলনকশার সাথে তুলনা করা হয় কারণ, এতে কোষের বিভিন্ন অংশে যেমনঃ প্রোটিন ও আরএনএ অণু, গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী থাকে। ডিএনএর যে অংশ এ জিনগত তথ্য বহন করে তাদের বলে জিন, কিন্তু অন্যান্য ডিএনএ ক্রমের গঠনগত তাৎপর্য রয়েছে অথবা তারা জিনগত তথ্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।ইউক্যারিয়ট যেমন প্রাণী ও উদ্ভিদে, ডিএনএ নিউক্লিয়াসের ভিতরে থাকে, তবে প্রোক্যারিয়ট যেমন ব্যাকটেরিয়াতে, ডিএনএ কোষের সাইটোপ্লাজমে থাকে। উৎসেচকের মত ডিএনএ অধিকাংশ জৈবরসায়ন বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেয় না; মূলত, বিভিন্ন উৎসেচক ডিএনএর উপর কাজ করে এর তথ্য নকল করে রেপ্লিকেশনের মাধ্যমে আরো ডিএনএ তৈরি করে, অথবা অনুলিপি তৈরি ও রুপান্তর ঘটিয়ে একে প্রোটিনে পরিনত করে। ক্রোমোজোমের ক্রোমাটিন প্রোটিন যেমন হিস্টোন ডিএনএকে ঘনসন্নিবেশিত ও সংগঠিত করে, যা নিউক্লিয়াসের অন্যান্য প্রোটিনের সাথে এর আচরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।ডিএনএ নিউক্লিওটাইড নামক অণু সরল দিয়ে গঠিত একটি লম্বা পলিমার যা চিনি ও ফসফেট গ্রুপ দিয়ে গঠিত মেরুদন্ডের সাথে যুক্ত। এই মেরুদন্ডে চার ধরনের অণু থাকে যাদের বলে ক্ষার, এই চারটি ক্ষারের ক্রমই তথ্য ধারণ করে। ডিএনএর প্রধান কাজ জিনগত কোড ব্যবহার করে প্রোটিন থেকে অ্যামিনো অ্যাসিড এর ক্রম তৈরি করা। জিনগত কোড পড়ার জন্য কোষ নিউক্লিক অ্যাসিড আরএনএতে ডিএনএর কিছু অংশের নকল তৈরি করে। কিছু আরএনএ নকল প্রোটিন জৈবসংশ্লেষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, বাকীগুলো সরাসরি রাইবোজোম অথবা স্প্লাইসোজোম এর উপাদান হিসেবে থাকে।ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ডিএনএর রাসায়নিক গঠনডিএনএ নিউক্লিওটাইড অণুর সমন্বয়ে গড়া একটি লম্বা পলিমার। ডিএনএ শৃংখল ২২ থেকে ২৪ Å চওড়া, এবং একটি নিউক্লিওটাইড অণু ৩.৩ Å দীর্ঘ। যদিও এসব অণু খুব ছোট, ডিএনএ পলিমার কয়েক মিলিয়ন নিউক্লিওটাইড নিয়ে অনেক বড় হতে পারে। উদাহরণস্বরুপ, সবচেয়ে বড় মানব ক্রোমোজোম, ক্রোমোজোম নং ১, ২২০ মিলিয়ন ক্ষার জোড়ার সমান দীর্ঘ।জীবদেহে ডিএনএ একটি একক অণু হিসেবে থাকে না, বরং চাপাচাপি করে জোড়া - অণু হিসেবে থাকে। এই লম্বা সূত্র দুইটি আঙ্গুরের মত প্যাচানো থাকে, যা দ্বৈত হেলিক্সের মত হয়। একটি ডিএনএ সূত্রে থাকে নিউক্লিওটাইড যা ডিএনএ মেরুদন্ডকে ধরে রাখে, এবং একটি ক্ষার যা অন্য ডিএনএ সূত্রের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। এই নিউক্লিওটাইড ও ক্ষারের পুনরাবৃত্তিতেই ডিএনএ সূত্র গঠিত। সাধারনভাবে একটি ক্ষার যদি একটি চিনি অণুর সাথে যুক্ত থাকে তাকে বলে নিউক্লিওসাইড এবং একটি ক্ষার যদি একটি চিনি ও এক বা একাধিক ফসফেট অণুর সাথে যুক্ত থাকে তাকে বলে নিউক্লিওটাইড। যদি একাধিক নিউক্লিওটাইড একসাথে যুক্ত থাকে, যেমন ডিএনএতে, তবে এই পলিমার কে বলে পলিনিউক্লিওটাইড।ডিএনএ সূত্রের মেরুদন্ড ফসফেট ও চিনি অণুর পুনরাবৃত্তিতে গঠিত।ডিএনএর চিনি হচ্ছে পেন্টোজ (পাঁচ কার্বন বিশিষ্ট) ২ - ডিঅক্সিরাইবোজ। এই চিনি ফসফেট গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে পাশাপাশি চিনির অণুর মধ্যে তৃতীয় ও পঞ্চম কার্বন পরমাণুর স্থানে ফসফোডিয়েসটার বন্ধন গঠন করে। এই অপ্রতিসম বন্ধন বোঝায় যে ডিএনএ অণুর মেরু বা দিক আছে। দ্বৈত হেলিক্সে এক সূত্রের নিউক্লিওটাইডের দিক অন্য সূত্রের ঠিক বিপরীত দিকে থাকে। ডিএনএ সূত্রের এই ধরনের বিন্যাসকে প্রতিসমান্তরাল। ডিএনএর অপ্রতিসম প্রান্তকে বলে ৫' (ফাইভ প্রাইম) এবং ৩' (থ্রি প্রাইম) প্রান্ত। ডিএনএ ও আরএনএর মধ্যকার একটি প্রধান পার্থক্য হলো চিনিতে, যেখানে ডিএনএতে ২ - ডিঅক্সিরাইবোজ ব্যবহৃত হয় সেখানে আরএনএতে আরেকটি পেন্টোজ চিনি রাইবোজ ব্যবহৃত হয়।ডিএনএর দ্বৈত হেলিক্স হাইড্রোজেন বন্ধনের মাধ্যমে স্থির থাকে, যা দুটি সূত্রের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। ডিএনএতে যে চারটি ক্ষার পাওয়া যায় তা হল এডেনিন (সংক্ষেপে A), সাইটোসিন (C), গুয়ানিন (G) এবং থাইমিন (T)। এরা পরস্পরের সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় এডেনিন (A) শুধুমাত্র থাইমিনের(T) সাথে এবং গুয়ানিন(G) শুধুমাত্র সাইটোসিনের(C) সাথে যুক্ত হয়। নিম্নে এই চারটি ক্ষার দেখানো হয়েছে যারা চিনি/ফসফেটের সাথে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নিউক্লিওটাইড গঠন করে, যেমনঃ এডিনোসিন মনোফসফেট।ডিএনএতে প্রাপ্ত চারটি ক্ষারের রাসায়নিক গঠন এবং এডিনোসিন মনোফসফেট নিউক্লিওটাইডএই ক্ষারগুলো দুই ভাগে ভাগ করা যায়; এডেনিন ও গুয়ানিন হল পিউরিন নামক ৫ - ও ৬ - কার্বনচক্রের হেটারোসাইক্লিক যৌগ এবং সাইটোসিন ও থাইমিন হল পাইরিমিডিন নামক কার্বনচক্রের যৌগ।ইউরাসিল (U) নামে পঞ্চম আরেকটি পাইরিমিডিন ক্ষার আছে যা সাধারণত আরএনএতে থাইমিনের বদলে থাকে। থাইমিনের সাথে এর পার্থক্য হচ্ছে কেবল একটি মিথাইল গ্রুপের অনুপস্থিতি। ডিএনএতে কেবল সাইটোসিনের ভাঙ্গনের ফলে উপজাত হিসেবে ইউরাসিল পাওয়া যেতে পারে, তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে পিবিএস - ১ নামের একটি ব্যাকটেরিয়াল ভাইরাস যার ডিএনএতে ইউরাসিল রয়েছে। কিন্তু আরএনএ সংশ্লেষনের সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইউরাসিল এনজাইমের প্রভাবে একটি মিথাইল গ্রুপ যুক্ত হয়ে থাইমিনে পরিনত হয়। মূলত গাঠনিক ও এনজাইম আরএনএ যেমনঃ ট্রান্সফার আরএনএ ও রাইবোজোমাল আরএনএতেই এই ঘটনা ঘটে। ডিএনএ গঠনের এনিমেশন। ক্ষারগুলো সর্পিল সূত্রের মাঝে আড়াআড়িভাবে রয়েছে। বড় আকারেডিএনএর দ্বৈত হেলিক্স ডান - হাতি সর্পিলাকার হয়ে থাকে। ডিএনএ সূত্রগুলো যখন প্যাঁচানো থাকে তখন তাদের ফসফেটের মেরুদন্ডের মাঝে জায়গা রাখা থাকে। এই জায়গাতে ক্ষারগুলো যুক্ত হয় (এনিমেশন দেখুন)। দ্বৈত হেলিক্সের তলে দুই জায়গায় এরকম প্যাঁচানো খাঁজ (groove) থাকে। একটি খাঁজ ২২ Å প্রশস্ত ও অন্যটি ১২ Å প্রশস্ত। বৃহত্তর খাঁজটিকে বলে মেজর গ্রুভ ছোটটিকে বলে মাইনর গ্রুভ। মাইনর গ্রুভের সরুতার অর্থ হলো ক্ষারের প্রান্তগুলো মেজর গ্রুভে তুলনামুলক বেশি সহজে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে কিছু প্রোটিন যা ডিএনএতে কিছু নির্দিষ্ট ক্রমে যুক্ত হতে পারে, তারা ডিএনএতে মেজর গ্রুভের ক্ষারের সংস্পর্শে এসে কাঙ্খিত ক্রম খুঁজে নেয়।
পৃথিবীর কোন দেশ থেকে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উড্ডয়ন করা হয়?
Correct Answer:
গ: রাশিয়া
Explanation:
পৃথিবীর কোন দেশ থেকে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উড্ডয়ন করা হয়? সঠিক উত্তর রাশিয়া কৃত্রিম উপগ্রহ কিভাবে কাজ করে কৃত্রিম উপগ্রহ এমনভাবে পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান হয়, যাতে এর গতির সেন্ট্রিফিউগাল বা বহির্মুখীন শক্তি ওকে বাইরের দিকে গতি প্রদান করে - কিন্তু পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তি একে পৃথিবীর আওতার বাইরে যেতে দেয় না। উভয় শক্তি কৃত্রিম উপগ্রহকে ভারসাম্য প্রদান করে এবং কৃত্রিম উপগ্রহটি পৃথিবীর চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। যেহেতু মহাকাশে বায়ুর অস্তিত্ব নেই তাই এটি বাধাহীনভাবে পরিক্রমণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহগুলো বৃত্তাকারে পরিক্রমণ করে না, তার গতি ডিম্বাকৃতির। টিভি ও বেতারসংকেত প্রেরণ এবং আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী কৃত্রিম উপগ্রহগুলো সাধারণত পৃথিবীথেকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। পৃথিবী থেকে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য পাঠানো হয়, কৃত্রিম উপগ্রহ সেগুলো গ্রহণ করে এবং বিবর্ধিত (এমপ্লিফাই) করে পৃথিবীতে প্রেরণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহ দুইটি ভিন্ন কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করে সিগনাল (তথ্য) গ্রহণ এবং পাঠানোর জন্য । কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পৃথিবীতে আসা সিগনাল অনেক দুর্বল বা কম শক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকে, তাই প্রথমে ডিস এন্টেনা ব্যবহার করে সিগনালকে কেন্দ্রীভূত করা হয় এবং পরে রিসিভার দিয়ে গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হয় । রাশিয়া থেকে স্পুটনিক - ১ উৎক্ষেপণ করা হয়।
রূপান্তরিত কাণ্ড কোনটি?
Correct Answer:
ক: আলু
Explanation:
রূপান্তরিত কাণ্ড কোনটি? সঠিক উত্তর আলু আলু সম্পর্কিত তথ্য আলু বহুল প্রচলিত উদ্ভিজ্জ খাদ্য। এটি কন্দজাতীয় (tuber) এক প্রকারের সবজি, যা মাটির নিচে জন্মে। এর আদি উৎস ভারত, এশিয়া মহাদেশ, সেখান থেকে ১৬শ শতকে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। উচ্চ পুষ্টিমান এবং সহজে ফলানো ও সংরক্ষণ করা যায় বলে এটি বিশ্বের সর্বাপেক্ষা প্রচলিত সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম খাদ্যশস্য, এর আগে রয়েছে যথাক্রমে ভুট্টা, গম এবং চাল। পৃথিবীর খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম আলুর নির্দশন ভারতের বাংলায় দেখা যায়। পালযুগের কবি সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতে বারাহী কন্দের উল্লেখ আছে। এই বারাহী কন্দ হল উচ্চমানের আলু, রতিকান্ত্র ত্রিপাঠী জানাচ্ছেন "প্রাচীন বাংলার শিলা ও তাম্রলিপিতে সমাজ ও সংস্কৃতি" বইটিতে। আলু রুপান্তরির কান্ড।
বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি হয় কোন দেশে?
Correct Answer:
ঘ: মিয়ানমার
Explanation:
বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি হয় কোন দেশে? সঠিক উত্তর মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছরে ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ডলার বা এক হাজার ৯৮২ কোটি টাকার (প্রতি ডলার ১০৫ টাকা) ওষুধ রপ্তানি হয়েছে। বিশ্বের ১৪০টি দেশে এ ওষুধ রপ্তানি হলেও সবচেয়ে বড় চালানটি গেছে পাশের দেশ মিয়ানমারে।
লোহিত সাগর ও সুয়েজখাল এশিয়াকে বিচ্চিন্ন করেছে কোন মহাদেশ থেকে?
Correct Answer:
ক: আফ্রিকা
Explanation:
লোহিত সাগর ও সুয়েজখাল এশিয়াকে বিচ্চিন্ন করেছে কোন মহাদেশ থেকে? সঠিক উত্তর আফ্রিকা সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। আফ্রিকা থেকে এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর।
বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান কত?
Correct Answer:
খ: ২০.৯%
Explanation:
বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান কত? সঠিক উত্তর ২০.৯% প্রশ্ন: বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কত ? উত্তর : কোনোটিই নয় ব্যাখ্যা: বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ 20.9% ।
বাংলায় নববর্ষ চালু করেন-
Correct Answer:
ক: আকবর
Explanation:
বাংলায় নববর্ষ চালু করেন- সঠিক উত্তর আকবর ইতিহাস অনুসন্ধান করে জানা যায়, 'পহেলা বৈশাখ' কিম্বা 'বাংলা নববর্ষে'র গোড়াপত্তন হয়েছে. মোগল সম্রাট আকবরের হাত ধরে।
বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ স্থানান্তর করেন কে?
Correct Answer:
খ: নবাব মুর্শিদকুলি খান
Explanation:
বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ স্থানান্তর করেন কে? সঠিক উত্তর নবাব মুর্শিদকুলি খান মুর্শিদকুলী খান (১৭০০ - ১৭২৭) বাংলায় নওয়াবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা। বাংলায় মুর্শিদকুলী খানের কর্মজীবন শুরু হয় প্রাদেশিক দীউয়ান হিসেবে। একে একে বাংলা ও উড়িষ্যার নাজিম বা গভর্নর, বিহারের দীউয়ান এবং কয়েকটি জেলার ফৌজদারের পদ অলঙ্কৃত করার পর আঠারো শতকের প্রথম দিকে তাঁর কর্মজীবনের সমাপ্তি ঘটে।
সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়?
Correct Answer:
ঘ: ৮
Explanation:
সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়? সঠিক উত্তর ৮ চতুর্দশপদী হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে। এর বৈশিষ্ট হল যে এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে।এর প্রথম আট চরণের স্তবককে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে ষষ্টক বলে। অষ্টকে মূলত ভাবের প্রবর্তনা এবং ষষ্টকে ভাবের পরিণতি থাকে।
২০১৬ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর কততম জন্মবার্ষিকী পালন করা হলো?
Correct Answer:
খ: ৯৬ তম
Explanation:
২০১৬ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর কততম জন্মবার্ষিকী পালন করা হলো? সঠিক উত্তর ৯৬ তম শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫), সংক্ষিপ্তাকারে শেখ মুজিব বা মুজিব, ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের একজন অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাঙালির অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত থেকে ভারত বিভাজন আন্দোলন এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক স্থপতি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের "জাতির জনক" বা "জাতির পিতা" বলা হয়ে থাকে। তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে এদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারণের কাছে তিনি শেখ মুজিব এবং শেখ সাহেব হিসাবে বেশি পরিচিত ছিলেন এবং তার উপাধি "বঙ্গবন্ধু"। তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।১৯৪৭ - এ ভারত বিভাগ পরবর্তী পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে শেখ মুজিব ছিলেন তরুন ছাত্রনেতা। পরবর্তীতে তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি হন । সমাজতন্ত্রের পক্ষসমর্থনকারী একজন অধিবক্তা হিসেবে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর প্রতি সকল ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। জনগণের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি একসময় ছয় দফা স্বায়ত্ত্বশাসন পরিকল্পনা প্রস্তাব করেন যাকে পশ্চিম পাকিস্তানে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। ছয় দফা দাবীর মধ্যে প্রধান ছিল বর্ধিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন যার কারণে তিনি আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের অন্যতম বিরোধী পক্ষে পরিণত হন। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সরকারের সাথে যোগসাজশ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তার বিচার শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় অর্জন করে। তথাপি তাকে সরকার গঠনের সুযোগ দেয়া হয় নি।পাকিস্তানের নতুন সরকার গঠন বিষয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে শেখ মুজিবের আলোচনা বিফলে যাওয়ার পর ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মার্চ ২৫ মধ্যরাত্রে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঢাকা শহরে গণহত্যা পরিচালনা করে। একই রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরবর্তীকালে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। রহিমুদ্দিন খান সামরিক আদালতে তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে তবে তা কার্যকর করা হয় নি। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ - এর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ - ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হয়। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ শেখ মুজিব পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৯৭২ - এর ১২ই জানুয়ারি তিনি সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মতাদর্শগতভাবে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন, যা সম্মিলিতভাবে মুজিববাদ নামে পরিচিত। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে ভিত্তি করে সংবিধান প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্র চালনার চেষ্টা সত্ত্বেও তীব্র দারিদ্র্য, বেকারত্ব, সর্বব্যাপী অরাজকতা এবং সেই সাথে ব্যাপক দুর্নীতি মোকাবেলায় তিনি কঠিন সময় অতিবাহিত করেন। ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দমনের লক্ষ্যে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি এক দলীয় রাজনীতি ঘোষণা করেন। এর সাত মাস পরে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখে একদল সামরিক কর্মকর্তার হাতে তিনি সপরিবারে নিহত হন। ২০০৪ সালে বিবিসি'র সম্পাদিত একটি জরিপে শেখ মুজিবুর রহমান "সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি" হিসেবে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের ১ম রাষ্ট্রপতি কাজের মেয়াদ ১১ এপ্রিল ১৯৭১ – ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ পূর্বসূরী রাষ্ট্রপতির পদ স্থাপিত উত্তরসূরী সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী) বাংলাদেশের ২য় প্রধানমন্ত্রী কাজের মেয়াদ ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ – ২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫ রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী মোহাম্মদউল্লাহ পূর্বসূরী তাজউদ্দিন আহমেদ উত্তরসূরী মুহাম্মদ মনসুর আলী বাংলাদেশের ৪র্থ রাষ্ট্রপতি কাজের মেয়াদ ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ – ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ মনসুর আলী পূর্বসূরী মোহাম্মদউল্লাহ উত্তরসূরী খন্দকার মোশতাক আহমেদ ব্যক্তিগত বিবরণ জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০ টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর জেলা, বাংলা প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ) মৃত্যু ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ (বয়স ৫৫) নিজস্ব বাসভবন, ধানমন্ডি, ঢাকা, বাংলাদেশ মৃত্যুর কারণ গুপ্তহত্যা নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত) পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে) বাংলাদেশ জাতীয়তা বাংলাদেশি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (১৯৭৫) অন্যান্য রাজনৈতিক দল নিখিল ভারত মুসলিম লীগ (১৯৪৯ সালের পূর্বে) আওয়ামী লীগ (১৯৪৯ - ১৯৭৫) দাম্পত্য সঙ্গী বেগম ফজিলাতুন্নেসা সন্তান শেখ হাসিনা শেখ রেহানা শেখ কামাল শেখ জামাল শেখ রাসেল প্রাক্তন শিক্ষার্থী মৌলানা আজাদ কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ধর্ম ইসলাম স্বাক্ষর সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
Correct Answer:
ক: ৫ ভাগে
Explanation:
প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়? সঠিক উত্তর ৫ ভাগে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায় । যথা : (ক) পাহাড়ি মাটি, (খ) ল্যাটোসেলিক মাটি, (গ) পলল মাটি, (ঘ) জলাভূমি মাটি এবং (ঙ) কোষ মাটি।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ক: ওয়াশিংটন
Explanation:
বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর ওয়াশিংটন বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংট অবস্থিত। বিশ্বব্যাংকবিশ্বব্যাংক (World Bank) একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ঋণ ও অনুদান প্রদান করে। বিশ্বব্যাংকের অনুষ্ঠানিক লক্ষ্য হল বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন। সারা বিশ্বের ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর প্রধান সদর দপ্তর ওয়াশিংটন, ডি.সি. - তে অবস্থিত।সংগঠনটির আর্টিকেলস্ অব এগ্রিমেন্ট (১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সালে এ সংশোধনীটি কার্যকরী হয়) অনুযায়ী বৈদেশিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেকে সহজতর করা এবং পুঁজির বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, এ দু'টি উদ্দেশ্য হবে বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রধান নিয়ামক। দুইটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিশ্বব্যাংক গঠিত: পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংক (International Bank for Reconstruction and Development, IBRD) আর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (International Development Association, IDA)। বিশ্বব্যাংক বিশ্বব্যাংক গ্রুপের মোট চারটি সদস্যের মধ্যে একটি। অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান হল আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (International Finance Corporation, IFC), মিগা (Multilateral Investment Guarantee Agency, MIGA) ও আইসিএসআইডি (International Centre for Settlement of Investment Disputes, ICSID)। বিশ্বব্যাংক বিশ্বব্যাংকের লোগো প্রতিষ্ঠিত জুলাই ১৯৪৪ ধরন আন্তর্জাতিক সংগঠন আইনি অবস্থা চুক্তিভিত্তিক সংগঠন উদ্দেশ্য আর্থিক লেনদেন অবস্থান ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র সদস্যপদ ১৮৯টি রাষ্ট্র (IBRD) ১৭৩টি রাষ্ট্র (IDA) প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস (২০১৯ সাল থেকে) প্রধান অর্থনীতিবিদ পিনেলপি কৌজিনৌ গোল্ডবার্গ (২০১৮ থেকে) প্রধান অঙ্গ বোর্ড অব ডিরেক্টরস প্রধান প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট worldbank.org সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
ধবলগিরি পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
Correct Answer:
গ: নেপাল
Explanation:
ধবলগিরি পর্বত কোন দেশে অবস্থিত? সঠিক উত্তর নেপাল ধবলগিরি পৃথিবীতে ৭ম উচ্চতম পর্বত। সমুদ্র সমতল থেকে এর উচ্চতা ৮, ১৬৭ মিটার। ১৯৬০ সালে একদল ইউরোপীয় অভিযাত্রী প্রথম এর শীর্ষে আরোহণ করে। ধবলগিরি মানে "শ্বেত পর্বত "।
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ কি ?
Correct Answer:
ঘ: খিচুনি ধরা
Explanation:
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ কি ? সঠিক উত্তর খিচুনি ধরা ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ (EVD), ইবোলা হেমোরেজিক ফিভার (EHF), শুধু ইবোলা অথবা এবোলা হল ইবোলা ভাইরাস ঘটিত মনুষ্য রোগ। সাধারণতঃ লক্ষণগুলি ধরা পড়ে ভাইরাস সংক্রমণের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর, যেগুলি হল জ্বর, গলা ব্যথা, পেশীর ব্যথা, এবং মাথা ধরা। সাধারণতঃ এর পর গা গোলানো, বমি, এবং ডাইরিয়া হয়,সাথে লিভার ও কিডনীর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এই জায়গাতে এসে কিছু মানুষের রক্তপাতজনিত সমস্যা শুরু হয়।এই ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে কোন সংক্রামিত পশুর (সাধারণতঃ বানর অথবা ফলাহারী বাদুড় fruit bat) - এর রক্ত বা শরীর রস - এর সংস্পর্শ থেকে। প্রাকৃতিক পরিবেশে হাওয়ার মাধ্যমে সংক্রমণের কোন খবর পাওয়া যায়নি । বিশ্বাস করা হয় যে বাদুড় নিজে আক্রান্ত না হয়ে এই রোগ বহন করে ও ছড়ায়। মানব শরীরে একবার সংক্রমণ ঘটলে মানুষের মধ্যে এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। জীবিত পুরুষের বীর্য - এর মাধ্যমে এই রোগ প্রায় দুই মাস পর্যন্ত পরিবাহিত হতে সক্ষম। রোগণিরূপণ করার জন্য সাধারণতঃ একই প্রকার লক্ষণযুক্ত অন্যান্য রোগ, যেমন, ম্যালেরিয়া, কলেরা এবং অন্যান্য ভাইরাল হেমোরেজিক ফিভারগুলিকে বাদ দিতে হয়। রোগণিরূপণকে নিশ্চিত করতে রক্তের নমুনাগুলির পরীক্ষা ভাইরাল অ্যান্টিবডি, ভাইরাল RNA, অথবা এই ভাইরাসটির জন্যই করতে হবে।রোগ প্রতিরোধ করার জন্য আক্রান্ত বানর ও শূকরের থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়ানো হ্রাস হওয়া দরকার। রোগ ধরা পড়লে এইরকম সংক্রমিত প্রাণীদের চিহ্নিত করে মেরে ফেলে দেহগুলি সঠিকভাবে বিনষ্ট করে ফেলার মাধ্যমে এটা করা যেতে পারে। সঠিকভাবে রান্না হওয়া মাংস এবং মাংস নিয়ে কাজ করার সময় প্রতিরোধী পরিচ্ছদ পরা সহায়ক হতে পারে, একইভাবে যখন রোগগ্রস্ত কেউ কাছাকাছি থাকে তখন প্রতিরোধী পরিচ্ছদ পরা এবং হাত ওয়াশকরা প্রয়োজন। রোগগ্রস্ত ব্যক্তির শরীর রস এবং কোষকলার নমুনা বিশেষ সতর্কতার সাথে নাড়াচাড়া করতে হবে। এই রোগের কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই; আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করতে হয় ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি (পান করার জন্য সামান্য মিষ্টি ও নোনতা জল) নয়তো ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইডদেওয়া হয়। এই রোগে মৃত্যু হার অত্যন্ত বেশি: প্রায়শ এই ভাইরাস আক্রান্তদের মৃত্যুর হার হয় 50% থেকে 90% - এর মধ্যে। EVD প্রথম চিহ্নিত হয় সুদান ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রতে। সাধারণতঃ এই রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয় সাব - সাহারান আফ্রিকার ট্রপিক্যাল অঞ্চলে। 1976 থেকে (যখন এটি প্রথম শনাক্ত হয়) 2013 পর্যন্ত, fewer than প্রতিবছর 1,000 - এর বেশি লোকের সংক্রমণ ঘটেছে। আজ পর্যন্ত বৃহত্তম মহামারী এখন চলছে 2014 পশ্চিম আফ্রিকা ইবোলা মহামারী, যার প্রকোপে পড়েছে গিনি, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া এবং সম্ভবতঃ নাইজেরিয়া। আগস্ট 2014 পর্যন্ত 1600 - র বেশি কেস শনাক্ত করা হয়েছে। ভ্যাক্সিন তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কিছু করা যায়নি। ইবোলা ভাইরাসজনিত রোগ অন্যান্য নাম ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ, ইবোলা হেমোরেজিক ফিভার, ইবোলা, এবোলা Two nurses standing near Mayinga N'Seka, a nurse with Ebola virus disease in the 1976 outbreak in Zaire. N'Seka died a few days later. বিশেষত্ব Infectious disease লক্ষণ জ্বর, sore throat, muscular pain, headaches, উদরাময়, bleeding জটিলতা Low blood pressure from fluid loss সাধারণ সূত্রপাত Two days to three weeks post exposure কারণ Ebolaviruses spread by direct contact রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি Finding the virus, viral আরএনএ, or অ্যান্টিবডি in blood পার্থক্যজনিত নির্ণয় ম্যালেরিয়া, কলেরা, টাইফয়েড জ্বর, meningitis, other viral haemorrhagic fevers প্রতিরোধ Coordinated medical services, careful handling of bushmeat চিকিত্সা Supportive care আরোগ্যসম্ভাবনা 25–90% mortality সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কোন প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসাগর উপাধী প্রদান করেন?
Correct Answer:
ক: সংস্কৃত কলেজ
Explanation:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কোন প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসাগর উপাধী প্রদান করেন? সঠিক উত্তর সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন - ১৮২০ সালে । ঈশ্বরচন্দ্রকে বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে - সংস্কৃত কলেজ । ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা - প্রভাবতী সম্ভাষণ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তবিলাস' কোন নাটকের গন্য অনুবাদ? উত্তরঃ কমেডি অব এররস।
ফরাসী বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা কে ছিলেন?
Correct Answer:
খ: ষোড়শ লুই
Explanation:
ফরাসী বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা কে ছিলেন? সঠিক উত্তর ষোড়শ লুই ষোড়শ লুই ছিলেন ফরাসী বিপ্লবের সময়ে রাজতন্ত্রের পতনের আগে ফ্রান্সের শেষ রাজা। গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার চার মাস আগ পর্যন্ত তাকে নাগরিক লুই ক্যাপেট নামে অভিহিত করা হত। ১০ মে ১৭৭৪ সালে তার দাদার মৃত্যুর পর, তিনি "ফ্রান্স এবং নাভার" - এর রাজার পদবী ধারণ করেন, যা তিনি ১৭৯১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যবহার করেন, যখন তিনি "ফ্রান্সের রাজা" পদবী গ্রহণ করেন তখন থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ১৭৯২ - এ রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত।
নিচের শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি দেশি শব্দ নয়?
Correct Answer:
ঘ: চাবি
Explanation:
নিচের শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি দেশি শব্দ নয়? সঠিক উত্তর চাবি চাবি শব্দটি দেশি শব্দ নয় । এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। চাবি - কাঠি /বিশেষ্য পদ/ তালা বন্ধ করিবার বা খুলিবার শলাকাবিশেষ, কুঞ্চিকা, হার্মনিয়মের স্টপার; ঘড়ির দম দিবার যন্ত্র।বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দের তালিকানীচের সারণিতে পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দগুলির একটি প্রায় - সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হল। উৎস পর্তুগিজ শব্দ বাংলা শব্দ Cadeira কেদারা Câmara কামরা Janela জানালা Chave চাবি Gamela গামলা Balde বালতি Botelha বোতল Armário আলমারি Igreja গির্জা Saia সায়া Camisa কামিজ Aia আয়া Alfinete আলপিন Botão বোতাম Pão পাঁউরুটি Couve কপি (বাঁধাকপি) Caju কাজু Cruz ক্রুশ Mármore মর্মর Padre পাদ্রি Pipa পিপা Pires পিরিচ Fita ফিতা Sabão সাবান Santo সন্ত Ceroulas সালোয়ার Toalha তোয়ালে Viúva (?) বিধবা Jesu যিশু Inglez ইংরেজ Christão খ্রিস্টান Tabaco তামাক Zamboa জাম্বুরা Varanda বারান্দা Charuto চুরুট Ananas আনারস Papaia পেঁপে Leilão নিলাম Falto ফালতু Mestre মিস্ত্রি Cartucho কার্তুজ Estirar ইস্ত্রি Pera পেয়ারা Âncora নোঙর Alcatrão আলকাতরা Boia বয়া Boião বয়াম Viola বেহালা Bomba বোমা Grade গরাদ Gudão গুদাম Espada ইস্পাত Coronel কর্নেল Mastro মাস্তুল Prego পেরেক Jogar জুয়া Bruça বুরুশ Recibo রশিদ Tanque টাংকি Bacia বাসন Forma ফর্মা Ata (from old Mexican "ate") আতা
বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাটক কোনটি?
Correct Answer:
গ: শর্মিষ্ঠা
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর শর্মিষ্ঠা মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা নাটক তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক বাংলা নাটক শর্মিষ্ঠা সম্পর্কে সংক্ষেপে সাধারণ তথ্য: - - - - - - - - - - - # এটি রচিত হয় ১৮৫৯ সালে। # এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক। # নাটকটি মহাভারতের কাহিনীকে উপজীব্য করে পাশ্চাত্য রীতিতে রচিত হয়। # নাটকটির কাহিনী মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত রাজা যযাতি, শর্মিষ্ঠা ও দেবযানির ত্রিকোন প্রেমের কাহিনী কেন্দ্রিক। # নাটকটি রচনার পর সাফল্যের সাথে পাইকপারা বেলগাছিয়া নাট্যমঞ্চে মঞ্চায়িত হয়। # মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর এই নাটকটি রচনা মহাকবি কালিদাসের প্রতি উৎসর্গ করেন। # ১৮৫৯ সালে লেখক নিজেই ইংরেজিতে অনুবদি করেন।
ম্যাগনাকার্টা কবে স্বাক্ষরিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১২১৫ খ্রিষ্টাব্দে
Explanation:
ম্যাগনাকার্টা কবে স্বাক্ষরিত হয়? সঠিক উত্তর ১২১৫ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাগনা কার্টা ইংল্যান্ডের একটি চুক্তি যা ১২১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়। ঐতিহাসিকভাবে ম্যাগনা কার্টা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে একে বর্তমান সাংবিধানিক শাসনের সূচনা বলা যেতে পারে। ১১৮৮ সালে রাজা দ্বিতীয় হেনরি সব অস্থাবর সম্পত্তির উপর কর ধার্য করেন। কেননা, যুদ্ধের বিপুল ব্যয়ভার রাজার উপর এমন চাপ সৃষ্টি করেছিল যে, অতিরিক্ত কর ধার্য করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। অন্য দিকে তার পুত্রদ্বয় রিচার্ড ও জন ছিলেন স্বৈরাচারী। বিশেষ করে রাজা জনের স্বেচ্ছাচারমূলক কাজের জন্য ভূস্বামীগণ অতিষ্ঠ হয়ে রাজার ক্ষমতা সংকোচনের জন্য সচেষ্ট হয়ে ওঠেন। ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন সামন্তদের চাপে পড়ে রাজার অধিকার সংক্রান্ত এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির কারণে রাজা কেও হতে হয়েছিলো নিয়মের অধীন।
ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কোন রাজার সাভাকবি ছিলেন?
Correct Answer:
ঘ: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের
Explanation:
ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কোন রাজার সাভাকবি ছিলেন? সঠিক উত্তর রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়-
Correct Answer:
খ: প্রাদিপাদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়- সঠিক উত্তর প্রাদিপাদিক বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয় - প্রাতিপাদিক প্রাতিপাদিকবিভক্তিহীন নাম - প্রকৃতি বা সাধিত শব্দকে এবং বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত ধাতু বা ক্রিয়া - প্রকৃতিকে প্রাতিপাদিক বলে। সংক্ষেপে বল্লে, প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়ের যোগে যে শব্দ বা ধাতু গঠিত হয় তার নাম প্রাতিপাদিক। 'প্রাতিপাদিক' মানে যা দিয়ে শুরু করা হয়। নাম - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়হীন কংবা বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত নাম - প্রকৃতিকে নাম প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - দোকান + দার = দোকানদার + কে = দোকানদারকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়যুক্ত ধাতু - প্রকৃতিকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - কর্ + অ = করা + কে = করাকেবাংলা ধাতুর গণবাংলা ভাষার সমস্ত ধাতুকে ২০টি গণে ভাগ করা হয়েছে। যথা: - ক্রমিক নং ধাতুগণ উদাহরণ ১ হ - আদিগণ হ (হওয়া), ল (লওয়া) ইত্যাদি। ২ খা - আদিগণ খা (খাওয়া), ধা (ধাওয়া), পা (পাওয়া), যা (যাওয়া) ইত্যাদি। ৩ দি - আদিগণ দি (দেওয়া), নি (নেওয়া) ইত্যাদি। ৪ শু - আদিগণ চু (চোঁয়ানো), নু (নোয়ানো), ছু (ছোঁয়া) ইত্যাদি। ৫ কর্ - আদিগণ কর্ ( করা), কম্ (কমা), গড় (গড়া), চল (চলা) ইত্যাদি। ৬ কহ্ - আদিগণ কহ্ (কহা), সহ্ (সহা), বহ্ (বহা) ইত্যাদি। ৭ কাট্ - আদিগণ গাঁথ্, চাল্, আক্, বাঁধ্, কাঁদ্ ইত্যাদি। ৮ গাহ্ - আদিগণ চাহ্, বাহ্, নাহ্ (নাহান>স্নান) ইত্যাদি। ৯ লিখ্ - আদিগণ কিন্, ঘির্, জিত্, ফির্, ভিড়্, চিন্ ইত্যাদি। ১০ উঠ্ - আদিগণ উড়্, শুন্, ফুট্, খুঁজ্, খুল্, ডুব্, তুল্ ইত্যাদি। ১১ লাফা - আদিগণ কাটা, ডাকা, বাজা, আগা (অগ্রসর হওয়া) ইত্যাদি। ১২ নাহা - আদিগণ গাহা ইত্যাদি। ১৩ ফিরা - আদিগণ ছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ইত্যাদি। ১৪ ঘুরা - আদিগণ উঁচা, লুকা, কুড়া (কুড়াচ্ছে) ইত্যাদি। ১৫ ধোয়া - আদিগণ শোয়া, খোঁচা, খোয়া, গোছা, যোগা ইত্যাদি। ১৬ দৌড়া - আদিগণ পৌঁছা, দৌড়া ইত্যাদি। ১৭ চটকা - আদিগণ সমঝা, ধমকা, কচলা ইত্যাদি। ১৮ বিগড়া - আদিগণ হিচড়া, ছিটকা, সিটকা ইত্যাদি। ১৯ উলটা - আদিগণ দুমড়া, মুচড়া, উপচা ইত্যাদি। ২০ ছোবলা - আদিগণ কোঁচকা, কোঁকড়া, কোদলা ইত্যাদি।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস কোনটি?
Correct Answer:
ক: ৮ই মার্চ
Explanation:
আন্তর্জাতিক নারী দিবস কোনটি? সঠিক উত্তর ৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস প্রতি বছর মার্চ মাসের ৮ তারিখে পালিত হয়। নারী সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করতেই এই দিবসে উদ্দেশ্য। সমাজের সবস্তরে নারীর সাফল্য ও জয়গান গাওয়ার দিন নারী দিবস। ১৯০৯ সালে প্রথমবারের মতো নারী দিবস পালিত হয়।
দক্ষিন আমেরিকার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
Correct Answer:
ক: আমাজন
Explanation:
দক্ষিন আমেরিকার দীর্ঘতম নদী কোনটি? সঠিক উত্তর আমাজন আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। এর উৎসস্থল পেরুর আন্দিজ পর্বতের নেভাদো মিস্মি নামক চূড়া হতে। আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩০০০ মাইল পাড়ি দিয়ে তিনটি দেশ বিধৌত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। এই নদী যে পরিমাণ জল ধারণ করে তা বিশ্বের যেকোন নদীর তুলনায় বেশি।
HZ(এইচ জেড) কোন দেশের বেসামরিক বিমানের প্রতীক?
Correct Answer:
গ: সৌদি আরব
Explanation:
HZ(এইচ জেড) কোন দেশের বেসামরিক বিমানের প্রতীক? সঠিক উত্তর সৌদি আরব HZ(এইচ জেড) সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানের প্রতীক। বেসামরিক বিমান দু'ধরনের হয় - বাণিজ্যিক ও সাধারণ। বাণিজ্যিক বিমানগুলো সরকারি ও বেসরকারি বিমান চলাচল সংস্থায় বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহন, ডাক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ বিমানের আওতায় বাণিজ্যিক ব্যতীত অন্যান্য সকল ব্যক্তিগত ও বেসরকারি বিমান পড়ে। HZ(এইচ জেড) বেসামরিক বিমানের প্রতীক সৌদি আরবের।
'খনার বচন' বেশির ভাগ কী নিয়ে?
Correct Answer:
খ: কৃষি
Explanation:
'খনার বচন' বেশির ভাগ কী নিয়ে? সঠিক উত্তর কৃষি 'খনার বচন' বেশির ভাগ কৃষি নিয়ে। খনার বচনখনার বচন মূলত কৃষিতত্ত্বভিত্তিক ছড়া। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত। অনেকের মতে, খনা নাম্নী জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী বাঙালি নারীর রচনা এই ছড়াগুলো। তবে এ নিয়ে মতভেদ আছে। অজস্র খনার বচন যুগ - যুগান্তর ধরে গ্রাম বাংলার জন - জীবনের সাথে মিশে আছে। জনশ্রুতি আছে যে, খনার নিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বারাসত সদর মহকুমার দেউলিয়া গ্রামে (বর্তমানে চন্দ্রকেতুগড় প্রত্নস্থল, যেটি খনামিহিরের ঢিবি নামে পরিচিত)। এমনকি, তিনি রাজা বিক্রমাদিত্যের সভার নবরত্নের একজন বলে কথিত। বরাহমিহির বা বররুচি - এর পুত্র মিহির তার স্বামী ছিল বলেও কিংবদন্তী আছে। এই রচনা গুলো চার ভাগে বিভক্ত। কৃষিকাজের প্রথা ও কুসংস্কার কৃষিকাজ ফলিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান আবহাওয়া জ্ঞান শস্যের যত্ন সম্পর্কিত উপদেশখনার বচনের কিছু উদাহরণ ষোল চাষে মূলা, তার অর্ধেক তুলা; তার অর্ধেক ধান, বিনা চাষে পান। (১৬ দিন চাষ করার পর সেই জমিতে মূলা চাষ করলে ভাল জাতের ফলন পাওয়া যায়। তুলা লাগানোর জমিতে ৮ দিন চাষ করতে হবে, ধানের জমিতে ৪ দিন চাষ করে ধান লাগালে ভাল ফলন পাওয়া যায়। পানের জমিতে চাষের প্রয়োজন হয় না।) আগে খাবে মায়ে,তবে পাবে পোয়ে। কলা রুয়ে না কেটো পাত,তাতেই কাপড়, তাতেই ভাত।(কলাগাছের ফলন শেষে গাছের গোড়া যেন না কাটে কৃষক, কেননা তাতেই সারা বছর ভাত - কাপড় জুটবে তাদের।) যদি বর্ষে আগুনে,রাজা যায় মাগনে।(আগুনে অর্থাৎ অগ্রাণে, আর, মাগুনে মানে ভিক্ষাবৃত্তির কথা বোঝাতে ব্যবহৃত, অর্থাৎ যদি অঘ্রাণে বৃষ্টিপাত হয়, তো, রাজারও ভিক্ষাবৃত্তির দশা, আকাল অবস্থায় পতিত হওয়াকে বোঝায়।) যদি বর্ষে পুষে;কড়ি হয় তুষে।(অর্থাৎ,পৌষে বৃষ্টিপাতের ফলে কৃষক তুষ বিক্রি করেও অঢেল টাকাকড়ির বন্দোবস্ত করবে।) জন্ম - মৃত্যু - বিবাহ,তিন না জানেন বরাহ। কী কর শ্বশুর লেখা - জোখা?মেঘের মধ্যেই জলের রেখা, যদি বর্ষে মাঘের শেষ, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ। (অর্থাৎ, মাঘের শেষের বৃষ্টিপাতে রাজা ও দেশের কল্যাণ।) ভরা হতে শূন্য ভালো যদি ভরতে যায়,আগে হতে পিছে ভালো যদি ডাকে মায়।।(খালি কলসি দেখে যাত্রা করলে টা শুভ হয় না কিন্তু যদি সেই কলসিতে জল/পানি ভরতে যাওয়ার দৃশ্য দেখে কেউ যাত্রা করে তা শুভ সূচনা হয়। যাত্রা করার আগে মায়ের ডাক ভাল, কিন্তু যাত্রা করে বেরিয়ে যাওয়ার পর মা যদি পেছন থেকে ডাকে তা আরও মঙ্গলের সূচনা করে।) পূর্ণিমা অমাবস্যায় যে ধরে হাল তার দুঃখ হয় চিরকাল।তার বলদের হয় বাত, ঘরে তার থাকে না ভাত।(পূর্ণিমা বা অমাবস্যায় হাল ধরা উচিত নয়, ধরলে চিরকাল দুঃখ পেতে হয়। বলদ বাত রোগে পঙ্গু হয়ে যায়, চাষ না করার ফলে ঘরে তার ভাত জোটে না।) থেকে বলদ না বয় হাল, তার দুঃখ সর্বকাল।(যার বলদ থাকতেও যে মায়া করে খাটায় না, তার বলদ শুধু বসে খায়। ফলে বলদের পেছনে শুধু শুধু খরচ হয় এবং জমিতে কোন চাষ হয় না। ফলে খাবারের অভাব দেখা দেয়। মানুষ বসে খেলেও একই ফল হয়।) বাড়ির কাছে ধান গা, যার মার আছে ছা চিনিস বা না চিনিস, খুঁজে দেখে গরু কিনিস।(বাড়ির কাছে ধানের জমি থাকলে এবং তাতে চাষ করলে লাভবান হওয়া যায় বেশি। কারণ চুরি যাবার ভয় থাকে না এবং পাহারা দেওয়ার জন্য পয়সা দিয়ে লোক রাখার দরকার হয় না। সুযোগ বুঝে খুঁজে দেখে যদি গরু কেনা যায় তাতে না চিনলেও বেশি লাভবান হাওয়া যায়।) কোল পাতলা ডাগর গুছিলক্ষ্মী বলেন ঐখানে আছি।(ফাঁক ফাঁক করে ধান বুনলে ধানের গুছি মোটা হয় এবং অনেক বেশি ফলন হয়।) শীষ দেখে বিশ দিন কাটতে মাড়তে দশ দিন।(যে দিন ধানের শীষ বের হবে তার থেকে ঠিক কুড়ি দিন পর ধান কাটতে হবে। ধান মাড়াই ও ঝাড়াই করতে হবে দশ দিনের মধ্যে এবং তারপর নিয়ে গোলায় তুলবে।) বাপ বেটাই চাই তদ অভাবে ছোট ভাই।(যে কৃষক পরের সাহায্যে চাষ করে তার আশা বৃথা। বাপ - ছেলে কাজ করলে সবচেয়ে ভাল ফসল ফলানো যায় তা না হলে সহোদর ভাইকে নিলেও ঠিকমত কাজ করবে। অন্যরা ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করবে।) সরিষা বনে কলাই মুগ,বুনে বেড়াও চাপড়ে বুক।(একই জমিতে যদি সরিষা ও মুগ বা সরিষা ও কলাই একসাথে বোনা যায় তাহলে দুটি ফসলই একসাথে পাওয়া যায়।) দিনে রোদ রাতে জল দিন দিন বাড়ে ধানের বল।(দিনের বেলা প্রখর রোদ আর রাত্রে বৃষ্টি হলে ধানের জমি উর্বর হয় ও ধানের ফলন ভাল হয়।) আউশের ভুঁঁই বেলে, পাটের ভুঁই আঁটালে।(বেলে মাটিতে আউশ ধান এবং এঁটেল মাটিযুক্ত জমিতে পাট ভাল হয়।) এক অঘ্রাণে ধান, তিন শ্রাবণে পান। নদীর ধারে পুতলে কচু, কচু হয় তিন হাত উঁচু। ওরে ও চাষার পো শরতের শেষে সরিষা রো। না হয় অঘ্রাণে বৃষ্টি, হয় না কাঁঠালের সৃষ্টি। দাতার নারিকেল বখিলের বাঁশ, না বাড়ে কমে বারোমাস। চাল ভরা কুমড়াপাতা, লক্ষ্মী বলেন আমি তথা। নারিকেল গাছে লুন - মাটি, শীঘ্র শীঘ্র বাঁধে গুঁটি। মাছের জলে লাউ বাড়ে, ধেনো জমিতে ঝাল বাড়ে।
'ষোলো নয়' আমার মাতৃভাষা ষোলশত রুপ '- কথাটি কে বলেছেন?
Correct Answer:
খ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
'ষোলো নয়' আমার মাতৃভাষা ষোলশত রুপ '- কথাটি কে বলেছেন? সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী শিক্ষাবিদ, নাট্যকার ও সাহিত্য - সমালোচক শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী (১৯২৫ - ১৯৭১)। পুরো নাম আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন গোপাইরবাগ গ্রামে।
মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
Explanation:
মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে? সঠিক উত্তর আলাউদ্দিন হুসেন শাহ মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় মুসলিম শাসক শাহ সুজা'র গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে। মধ্যযুগীয় বাংলা অনুবাদসাহিত্যমধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিস্তৃত অঙ্গন জুড়ে অনুবাদ সাহিত্যের চর্চা হয়েছিল এবং পরিণামেএ সাহিত্যের শ্রীবৃদ্ধিসাধনে অনুবাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অপরিসীম।সকল সাহিত্যের পরিপুষ্টিসাধনে অনুবাদমূলক সাহিত্যকর্মের বিশিষ্ট ভূমিকা আছে।বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতীক্রম পরিলক্ষিত হয় না।"সমৃদ্ধতর নানা ভাষা থেকে বিচিত্র নতুন ভাব ও তথ্য সঞ্চয় করে নিজ নিজ ভাষার বহন ও সহন ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলাই অনুবাদ সাহিত্যের প্রাথমিক প্রবণতা।"ভাষার মান বাড়ানোর জন্য ভাষার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হয়,আর তাতে সহায়তা করে অনুবাদকর্ম।উন্নত সাহিত্য থেকে ঋণ গ্রহণ করা কখনো অযৌক্তিক বিবেচিত হয়নি।উন্নত ও সমৃদ্ধ ভাষা - সাহিত্যের সান্নিধ্যে এলে বিভিন্ন বিষয়ের প্রতিশব্দ তৈরি করা সম্ভব হয়,অন্য ভাষা থেকে প্রয়োজনীয় শব্দও গ্রহণ করা যায়।অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ বক্তব্য আয়ত্তে আসে।ভাষা ও সাহিত্যের যথার্থ সমৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রেষ্ঠ ও সম্পদশালী ভাষায় উৎকর্ষপূর্ণ সাহিত্যসৃষ্টির অনুবাদ একটি আবশ্যিক উপাদান।জ্ঞানবিজ্ঞানের বিষয়ের বেলায় শুদ্ধ অনুবাদ অভিপ্রেত।কিন্তু সাহিত্যের অনুবাদ শিল্পসম্মত হওয়া আবশ্যিক বলেই তা আক্ষরিক হলে চলে না।ভিন্ন ভাষার শব্দ সম্পদের পরিমাণ, প্রকাশক্ষমতা ও বাগভঙ্গি অনুযায়ী ভিন্ন ভাষায় ব্যক্ত কথায় সংকোচন, প্রসারণ, বর্জন ও সংযোজন আবশ্যিক হয়।মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে যে অনুবাদের ধারাটি সমৃদ্ধি লাভ করে তাতে সৃজনশীল লেখকের প্রতিভা কাজ করেছিল।সে কারণে মধ্যযুগের এই অনুবাদকর্ম সাহিত্য হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে।বুলিকে লেখ্য ভাষার তথা সাহিত্যের ভাষায় উন্নীত করার সহজ উপায় হচ্ছে অনুবাদ।অন্যভাষা থেকে সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান প্রভৃতি জ্ঞান - মননের বিভিন্ন বিসয় অনুবাদ করতে হলে সে বিষয়ক ভাব - চিন্তা - বস্তুর প্রতিশব্দ তৈরী করা অনেক সময় সহজ হয়,তৈরী সম্ভব না হলে মূল ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করতে হয়।এভাবেই সভ্য জাতির ভাষা - সাহিত্য মাত্রই গ্রহণে - সৃজনে ঋদ্ধ হয়েছে।এ ঋণে লজ্জা নেই।যে জ্ঞান বা অনুভব আমাদের দেশে পাঁচশ বছরেও লভ্য হত না,তা আমরা অনুবাদের মাধ্যমে এখনই পেতে পারি।যেমনঃ বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থগুলো,শ্রেষ্ঠ দার্শনিক চিন্তাগুলো,বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলো,সমাজতত্ত্বগুলো - মানবচিন্তার শ্রেষ্ঠ সম্পদগুলো এভাবে আয়ত্তে আসে।চৌদ্দ পনেরো শতকে আমাদের লেখ্য সাহিত্যও তেমনি সংস্কৃত - অবহটঠ থেকে ভাব - ভাষা - ছন্দ গ্রহণ করেছে,পুরাণাদি থেকে নিয়েছে বর্ণিত বিষয় ও বর্ণনাভঙ্গি এবং রামায়ণ - মহাভারত - ভাগবত - প্রণয়োপাখ্যান - ধর্মশাস্ত্র প্রভৃতি সংস্কৃত - ফারসী - আরবী - হিন্দি থেকে অনূদিত হয়েছে আমাদের ভাষায়।এভাবেই আমাদের লিখিত বা শিষ্ট বাংলা ভাষাসাহিত্যের বুনিয়াদ নির্মিত হয়েছিল।আদর্শ অনুবাদকের একটা বিশেষ যোগ্যতা অপরিহার্য। ভাষান্তর করতে হলে উভয় ভাষার গতিপ্রকৃতি, বাকভঙ্গি ও বাকবিধির বিষয়ে অনুবাদকের বিশেষ ব্যুৎপত্তির দরকার।তাহলেই ভাষান্তর নিখুঁত ও শিল্পগুণান্বিত হয়।তাই ভাষাবিদ কবি ছাড়া অন্য কেউ কাব্যের সুষ্ঠু অনুবাদে সমর্থ হয় না।মধ্যযুগে অ - কবিও অনুবাদ কর্মে উৎসাহী ছিলেন।তাই অনুবাদে নানা ত্রুটি দেখা যায়।এছাড়া এঁরা নিজেদের সামর্থ্য রুচিবুদ্ধি ও প্রয়োজন অনুসারে মূল পাঠের গ্রহণ - বর্জন ও সংক্ষেপ করেছেন।এজন্য মধ্যযুগের বাংলা ভাষায় কোন তথাকথিত অনুবাদই নির্ভরযোগ্য নয়।সবগুলোই কিছু কায়িক,কিছু ছায়িক,কিছু ভাবিক অনুবাদ এবং কিছু স্বাধীন রচনা।কাব্য সাহিত্যের অনুবাদ আক্ষরিক হতেই পারে না।উৎস - বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য - আহমদ শরীফজুয়েল হাসান শাহ সুজাশাহজাদা সুজা(শাহ সুজা হিসেবেও পরিচিত) বাংলার সুবাদার মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। তিনি আপন ভাই শাহ জামানকে সরিয়ে সাত বছর ধরে মসনদে অধিষ্ঠিত থাকেন।স্থাপত্যকর্মের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ ছিল। ঢাকা থেকে তিনি মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করলেও ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিল তার সময়ে। তন্মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপনাটি হলো বড় কাটরা, আরো আছে ধানমন্ডির শাহী ঈদগাহ এবং লালবাগ মসজিদ। এ ছাড়া কুমিল্লায় রয়েছে শাহ সুজা মসজিদ। শাহ সুজা মুঘল শাহজাদা Portrait of Shah Shuja জন্ম ২৩ জুন ১৬১৬ মৃত্যু ১৬৬০ (বয়স ৪৩–৪৪) বংশধর Sultan Ain - ul - Din, Buland Akhtar, Zainul Abedin, Gulrukh Banu, Roshanara Begum, Amina Begum রাজবংশ Timurid পিতা শাহ জাহান মাতা মুমতাজ মহল ধর্ম ইসলাম সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
'পদ্মার পলিদ্বীপ' - কার রচনা
Correct Answer:
গ: আবু ইসহাক
Explanation:
'পদ্মার পলিদ্বীপ' - কার রচনা সঠিক উত্তর আবু ইসহাক পদ্মার পলিদ্বীপ কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং চতুর্থ প্রকাশিত গ্রন্থ। 'মুক্তধারা' গ্রন্থটি প্রকাশ করে ১৯৮৬ সালের এপ্রিলে। এই সংস্করণে প্রদত্ত ছোট্ট ভূমিকা থেকে জানা যায় লেখক এটি লিখতে শুরু করেছিলেন ১৯৬০ সালে, আর লেখা সমাপ্ত করেন ১৯৮৫ সালে।
'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' - বাক্যটি কার রচনা
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
Explanation:
'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' - বাক্যটি কার রচনা সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' - বাক্যটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এর মানুষ কে কবিতার একটি চরণ। মানুষ কে? (ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)নিয়ত মানসধামে একরূপ ভাব।জগতের সুখ - দুখে সুখ দুখ লাভ।।পরপীড়া পরিহার, পূর্ণ পরিতোষ।সদানন্দে পরিপূর্ণ স্বভাবের কোষ।।নাহি চায় আপনার পরিবার সুখ।রাজ্যের কুশলকার্যে সদা হাস্যমুখ।।কেবল পরের হিতে প্রেম লাভ যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর?নাহি চায় রাজ্যপদ নাহি চায় ধন।স্বর্গের সমান দেখে বন উপবন।।পৃথিবীর সমুদয় নিজ পরিজন।সন্তোষের সিংহাসনে বাস করে মন।।আত্মার সহিত সব সমতুল্য গণে।মাতাপিতা জ্ঞাতি ভাই ভেদ নাহি মনে।।সকলে সমান মিত্র শত্রু নাহি যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর?অহংকার - মদে কভু নহে অভিমানী।সর্বদা রসনারাজ্যে বাস করে বাণী।।ভুবন ভূষিত সদা বক্তৃতার বশে।পর্বত সলিল হয় রসনার রসে।।মিথ্যার কাননে কভু ভ্রমে নাহি ভ্রমে।অঙ্গীকার অস্বীকার নাহি কোন ক্রমে।।অমৃত নিঃসৃত হয় প্রতি বাক্যে যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর? চেষ্টা যত্ন অনুরাগ মনের বান্ধব।আলস্য তাদের কাছে রণে পরাভব।।ভক্তিমতে কুশলগণে আয় আয় ডাকে।।পরিশ্রম প্রতিজ্ঞার সঙ্গে সঙ্গে থাকে।চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা।যতনে হৃদয়েতে সমুদয় বাসা।।স্মরণ স্মরণ মাত্রে আজ্ঞাকারী যার।মানুষ তারেই বলি মানুষ কে আর? ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (৬ মার্চ ১৮১২ - ২৩ জানুয়ারি ১৮৫৯) ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বাঙ্গালী কবি ও সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক । তিনি সংবাদ প্রভাকর (বা 'সম্বাদ প্রভাকর') এর সম্পাদক। কিন্তু ব্যাপক ভাবে বলতে গেলে তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন কবি ও সাহিত্যিক। তার হাত ধরেই মধ্যযুগের গণ্ডি পেড়িয়ে বাংলা কবিতা আধুনিকতার পথে নাগরিক রূপ পেয়েছিল। তিনি "গুপ্ত কবি" নামে সমধিক পরিচিত। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো তার পরবর্তী সাহিত্যিকরা ঈশ্বর গুপ্তকে 'গুরু'পদে বরণ করেছিলেন। তার ছদ্মনাম 'ভ্রমণকারী বন্ধু'। এছাড়া বহুবিধ পত্র - পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেছেন। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত জন্ম ৬ মার্চ ১৮১২ বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি মৃত্যু ২৩ জানুয়ারি ১৮৫৯ নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত পরিচিতির কারণ বাঙালি কবি, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক সঙ্গী দুর্গামণি দেবী রেবা
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: দুর্গেশনন্দিনী
Explanation:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর দুর্গেশনন্দিনী দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়।
'তোমাকে অভিবাদন বাংলাদেশ'- কে জানিয়েছেন এই অভিবাদন?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
'তোমাকে অভিবাদন বাংলাদেশ'- কে জানিয়েছেন এই অভিবাদন? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছর ব্যাপী বিস্তৃত। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক-
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক- সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক - মাইকেল মধুসূদন দত্তঅমিত্রাক্ষর ছন্দযে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কাব্যের একটি বিশেষ ছন্দরূপ যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছিল।ছন্দচরণান্তিক মিল বাংলা পদ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য; কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দে চরণান্তিক মিল থাকে না। এছাড়া অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কবিতার প্রতিটি পঙক্তিতে চৌদ্দটি অক্ষর থাকা আবশ্যিক । কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দে প্রথম যে কাব্যটি রচনা করেন তা হলো তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য; এটি ১৮৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। অতঃপর তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দে মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন যা ১৮৬১ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। মেঘনাদবধ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ যা “মেঘনাদ ও বিভীষণ” নামে পরিচিত তা নিম্নরূপ। এ থেকে অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্বরূপ বোঝা যায়: “ "এতক্ষণে" - - অরিন্দম কহিলা বিষাদে "জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ? - - শূলী - শম্ভূনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী? নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে? কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে, পাঠাইব রামানুজে শমন - ভবনে, লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে" ”
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’। বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: করণকারকে যষ্ঠী
Explanation:
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’। বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর করণকারকে যষ্ঠী 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম)'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়। ' (উপায় - সাধনা)
‘পুষ্প’-এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
খ: অবনী
Explanation:
‘পুষ্প’-এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর অবনী অবনী - [বিশেষ্য পদ] পৃথিবী, দেশ, ভূমি।
'স্বাধীনতা তুমি' কবিতাটি কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: শামসুর রাহমান
Explanation:
'স্বাধীনতা তুমি' কবিতাটি কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান ১৯৭০ সালের ২৮ নভেম্বর ঘূর্ণিদুর্গত দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের দুঃখ - দুর্দশায় ও মৃত্যুতে কাতর কবি লেখেন 'আসুন আমরা আজ ও একজন জেলে' নামক কবিতা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবার নিয়ে চলে যান নরসিংদীর পাড়াতলী গ্রামে। এপ্রিলের প্রথম দিকে তিনি লেখেন যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় আক্রান্ত ও বেদনামথিত কবিতা 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা'।
'মর্সিয়া' কি?
Correct Answer:
খ: শোকগীতি
Explanation:
'মর্সিয়া' কি? সঠিক উত্তর শোকগীতি বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যনূরুল আনাম : মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ‘মর্সিয়া সাহিত্য' নামে এক ধরনের শোক কাব্য বিস্তৃত অঙ্গন জুড়ে আছে। এমনকি তার বিয়োগান্ত ভাবধারার প্রভাব আধুনিক যুগের পরিধিতেও তা ভিন্ন আংগিকে এসে উপনীত হয়েছে। শোক বিষয়ক ঘটনা অবলম্বনে সাহিত্য সৃষ্টি বিশ্ব সাহিত্যের প্রাচীন রীতি হিসাবে বিবেচিত। ‘মর্সিয়া' শব্দটি আরবী, এর অর্থ শোক প্রকাশ করা। আরবী সাহিত্যে মর্সিয়া উদ্ভব নানা ধরনের শোকাবহ ঘটনা থেকে হলেও পরে কারবালা প্রান্তরে নিহত ইমাম হোসেন ও অন্য শহীদদেরকে উপজীব্য করে লেখা সাহিত্য মর্সিয়া নামে আখ্যায়িত হয়। মূলত : ৭৫০ খৃস্টাব্দে উমাইয়া খিলাফতের পতনের পর থেকেই এই সাহিত্য সৃষ্টির সূচনা। কারবালার শোকাবহ ঘটনাসহ উমাইয়া দুঃশাসনজনিত কারণে সৃষ্ট মুসলিম জনমনে যে বিক্ষোভের সঞ্চার হয় তা যেমন এই ধারার সাহিত্য সৃষ্টিতে ইন্ধন যোগায় তেমনি বিজয়ী আববাসীয় শাসকরাও একে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে সচেষ্ট হয়। এই উভয়বিধ কারণেই সমগ্র মুসলিম বিশ্বে মর্সিয়া সাহিত্য প্রসার লাভ করে। আরবী সাহিত্য থেকে মর্সিয়া কাব্য ফারসী সাহিত্যে স্থান পায়। উপমহাদেশে সুলতানী শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে ফারসি ভাষায় মর্সিয়া প্রচলিত হয় এবং পরে উর্দু ভাষাতেও তার প্রসার ঘটে। মর্সিয়া সাহিত্যের উৎপত্তি কারবালার বিষাদময় কাহিনী ভিত্তি করে হলেও তার মধ্যে আরো শোক ও বীরত্বের কাহিনীর অনুপ্রবেশ ঘটেছে। মুসলিম সমাজের খলিফাদের বিজয় অভিযানের বীরত্বব্যঞ্জক কাহিনীও এই শ্রেণীর কাব্যে স্থান পেয়েছে। ‘জঙ্গনামা' নামে বাংলা সাহিত্যে এ ধরনের কাব্য রচিত হয়েছে। মূলত আরবী মাগাজী কাব্য ধারা থেকে উর্দু জঙ্গনামা কাব্যের উৎপত্তি। উর্দু থেকেই বাংলা জঙ্গনামা কাব্যের উৎপত্তি হয়। বাংলা মর্সিয়া কাব্যগুলো প্রধানত অনুবাদ সাহিত্য হিসাবেও গড়ে উঠে। বাঙালী কবিরা মূলতঃ ফারসী ও উর্দু কাব্যের ভাব কল্পনা ও ছায়া আশ্রয় করে তাদের কাব্য রচনা করেছিলেন তথাপি এর মধ্যেও তাদের মৌলিকতার যথেষ্ট পরিচয় বিদ্যমান। ফলে এই কাব্যগুলো এক প্রকার অভিনব সৃষ্টি হয়ে দাঁড়িয়েছে সুদূর আরব পারস্যের কাহিনী কাব্যকার লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে কবিরা যে বাকভঙ্গি ও পরিকল্পনার আশ্রয় গ্রহণ করেছেন তা অনেক ক্ষেত্রে অবাস্তব। এতে প্রমাণিত হয়, বাঙালী কবিরা মাটির প্রভাব অতিক্রম করতে পারেননি। সামগ্রিক মর্সিয়া সাহিত্যকে পৃথক চারটি ধারায় বিন্যস্ত করা যায়। প্রথম ধারা মধ্যযুগের (১২০০ - ১৮০০) ঐতিহ্যবাহী মর্সিয়া সাহিত্য। হামিদুল্লাহ, মোহাম্মদ খান এই ধারার কবি। দ্বিতীয় ধারা মিশ্র ভাষায় রচিত মর্সিয়া সাহিত্য। শাহ গরীবুল্লাহ, রাধা রমন গোপ এই ধারার অনুসারী। তৃতীয় ধারা আধুনিক বাংলায় রচিত মর্সিয়া সাহিত্য এর গদ্যধারায় সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন মীর মোশাররফ হোসেন, হামিদ আলী প্রমুখ এবং কাব্য ধারায় সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন কায়কোবাদ প্রমুখ। চতুর্থ ধারা হচ্ছে লোক সাহিত্যের ধারা। বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলার উপায় নেই। তবে শেখ ফয়জুল্লাকে এ ধারার প্রথম কবি বলে মনে করা হয়। তিনি ‘জয়নবের চৌতিশা' নামে কাব্যের রচয়িতা। কাব্যটি আকারে ছোট এবং কারবালার কাহিনীর একটি ছোট অংশ অবলম্বনে রচিত। কবির জীবনকাল ষোড়শ শতাব্দীর শেষার্ধ বলে মনে করা হয়। তিনি একজন প্রতিভাশালী কবি ছিলেন। দৌলত উজীর বাহরাম খান ‘ইমাম বিজয়ের' নামে কাব্য রচনা করেছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। মোহাম্মদ খান ‘মক্তুল হোসেন' নামে কাব্য রচনা করে যথেষ্ট খ্যাতি লাভ করেছিলেন। এই কাব্যটি ফারসি মক্তুল হোসেন কাব্যের ভাবানুবাদ। তিনিও চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। ১৬৪৫ খৃস্টাব্দের দিকে এটি রচিত হয়। এতে কবি প্রতিভার উৎকর্ষতা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে করুণ রসের উৎকর্ষতা প্রকাশ পেয়েছে।‘‘মোহাম্মদ খান কহে শুনিতে মুরম দহে পাষাণ হইয়া যায় জল’’ অষ্টাদশ শতকের কবি শেরবাজ ‘কাশিমের লড়াই' কাব্য রচনা করেছিলেন। কবির নিবাস ছিল ত্রিপুরা জেলায়। মহররমের একটি ক্ষুদ্র বিবরণী এ কাব্যে স্থান পেয়েছে। বিষয়বস্তু গতানুগতিক এবং তাতে কোন নতুনত্ব নেই। এই কাব্য ছাড়া তিনি ‘মল্লিকার হাজার সওয়াল' ও ‘ফাতেমার সুরতনামা' কাব্য রচনা করেছিলেন। অষ্টাদশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি হায়াত মাহমুদ। কবি রংপুর জেলার ঝাড়বিশিলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ‘জঙ্গনামা' কাব্য কবির প্রথম রচনা। কাব্য রচনাকাল ১৭২৩ খৃস্টাব্দ। কবির উদ্দেশ্য ছিল ইতিহাসের অনুকরণে কারবালা কাহিনী রচনা করা। সে জন্য কবি বলেন :যতেক শুনিনু মুঞ্চি পুস্তক বয়াতেকত আছে কত নাহি কিতাবের মতে।.......................................তাহা শুনি মনে মোর দ্বিধা সর্বক্ষণরচিনু পুস্তক তবে জানিতে কারণজাফর নামে একজন অজ্ঞাতনামা কবি ‘শহীদে কারবালা ও সখিনার বিলাপ' নামে মর্সিয়া কাব্য রচনা করেছিলেন। এতে কবির স্বাভাবিক প্রতিভার বিকাশ ঘটেছে। সম্ভবত অষ্টাদশ শতকের কোন এক সময় এ কাব্য রচনা করেন। অষ্টাদশ শতকের আর একজন কবি ছিলেন হামিদ। ‘সংগ্রাম হুসেন' নামে তিনি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কাব্য রচনা করেছিলেন। ইংরেজ আমলে বিশেষত এর প্রথম অর্ধে বাংলা সাহিত্যে মর্সিয়া কাব্যের দ্বিতীয় ধারা অর্থাৎ মিশ্র ভাষায় রচিত কাব্য আত্মপ্রকাশ করে। ফকির গরীবুল্লাহ এই ধারার প্রধানতম কবি। মর্সিয়া বিষয়ক কাব্য ‘জঙ্গনামা' তার সমগ্র সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ রচনা। কবি ফারসী কাব্য অবলম্বনে জঙ্গনামা রচনা করেছিলেন। কবি এ কাব্যে যেমন একদিকে যুদ্ধের বর্ণনা দিয়েছেন তেমনি গভীর বেদনার সুর ফুটিয়ে তুলেছেন। কবি কল্পনা বাস্তব তার সীমা অতিক্রম করে নানা অলৌকিক বিষয়ের অবতারণা করেছেন। অলৌকিকতা কেবল নয় অসাধারণ ও অস্বাভাবিক বীর বিক্রম এ কাব্যে বড় হয়ে উঠেছে। এর পূর্বে মোহাম্মদ খান, হায়াত মাহমুদ মর্সিয়া কাব্য রচনা করলেও গরীবুল্লাহ এই ধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি। মর্সিয়া কাব্য বিষয়ে রাধাচরণ গোপ নামে একজন হিন্দু কবির নাম পাওয়া যায়। তিনি ‘ইমামগণের কেচ্ছা ও আফৎনামা' নামে দুটি কাব্য রচনা করেছিলেন। এগুলো অষ্টাদশ শতকে রচিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। মীর মোশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু' মর্সিয়া সাহিত্যের ধারায় উপন্যাস জাতীয় গ্রন্থ। আধুনিক উপন্যাসের সুবিন্যস্ত বন্ধন রীতি আলোচ্য গ্রন্থে অনুসরণ করা হয়নি। গ্রন্থটি ইতিহাস, উপন্যাস, সৃষ্টিধর্মী রচনা এবং নাটক ইত্যাদি সাহিত্যের বিবিধ সংমিশ্রণে রোমান্টিক আবেগ মাখানো এক সংকর সৃষ্টি। মীর মোশাররফ হোসেন অতীতের জঙ্গনামা, মক্তুল হোসেন, শহীদে কারবালা প্রভৃতি কাব্যের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। সে সব গ্রন্থের কল্পনা বহুল কাহিনী দ্বারা তিনি ছিলেন প্রভারিত। তার এই উপন্যাস রূপায়নে ও চরিত্র চিত্রণে এই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এর কিছু প্রধান চরিত্র ছাড়া অপরাপর চরিত্র ইতিহাস বহির্ভূত ও কল্পনাশ্রয়ী। ঘটনা বিন্যাসে প্রথমদিকে সামান্য ঐক্য পরিলক্ষিত হলেও পরের দিকে ব্যাপকভাবে কল্পনানির্ভর। অন্যদিকে মর্সিয়া সাহিত্যের ধারায় হামিদ আলী ঊনিশ শতকীয় মহাকাব্যের রীতিতে কাশেম বধ কাব্য রচনা করেন। চরিত্র সৃষ্টি, ঘটনা বিন্যাস এ কাব্য মহাশ্মশান তো বটেই এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বৃত্রসংহারের চেয়ে শ্রেষ্ঠ\ এই কাব্যে কবির দুর্লভ সংযম, প্রদীপ্ত বুদ্ধি ও চমৎকার কবিত্ব শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। কবির পরবর্তী রচনা ‘জয়নালোঘারে কাব্য'। কাশেম বধ কাব্যে যা বর্ণিত হয়েছে তার পরবর্তী ঘটনাবলীই এ কাব্যের বর্ণিতব্য বিষয়। মাইকেলের ব্যাপক প্রভাব এতে লক্ষণীয়। এই ধারার সর্বশেষ সংযোজন হলো কায়কোবাদের ‘মহরম শরীফ' কাব্য। এই কাব্যে কবি তার সহজাত ইতিহাসপ্রীতি, স্বজাত্যবোধ ও নীতিজ্ঞানের পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু কাব্যকলার উৎকর্ষ সাধন তিনি করতে পারেননি। মর্সিয়া সাহিত্যের আলোচনায় যার কথা সবার শেষে আসে তা হচ্ছে লোকসাহিত্যের অন্তর্গত মর্সিয়া কাব্য। জারি গান এই সাহিত্যের পর্যায়ভুক্ত। অন্যান্য লোকসাহিত্যের মতো এর জন্ম ময়মনসিংহের পূর্বাঞ্চলে। বিষয়ের বৈচিত্র্য, সুরের মাধুর্যে এবং শোকের গভীরতায় এই মর্সিয়া গীতি প্রচলিত কাব্যের চেয়ে উৎকৃষ্টতর দাবি রাখে। সুত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
'কংস মামা' বাগধারাটির অর্থ কী?
Correct Answer:
খ: নির্মম আত্মীয়
Explanation:
'কংস মামা' বাগধারাটির অর্থ কী? সঠিক উত্তর নির্মম আত্মীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:ভিন্নার্থক অর্থ বোঝায় – আকাশ পাতাল. কংস মামা - নির্দয় আত্মীয়. চোখের বালি – শত্রু. সুখের পায়রা - সুসময়ের বন্ধু. নদের চাঁদ - অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি. গোবর গণেশ – মূর্খ. খোদার খাসি - ভাবনা চিন্তাহীন .
হৃদয় আমার নাচেরে 'আজিকে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অধিকরণে দ্বিতীয়া
Explanation:
হৃদয় আমার নাচেরে 'আজিকে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে দ্বিতীয়া ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। দ্বিতীয়া বিভক্তি: মন আমার নাচে রে ’আজিকে’।
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি-
Correct Answer:
খ: নাটক
Explanation:
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি- সঠিক উত্তর নাটক মীর মশাররফ হোসেন ১৩ই নবেম্বর ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যিক বা গদ্য লেখক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। তিনি কলকাতার ‘সংবাদ প্রভাকর’ এবং কুমারখালির ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করতেন। তাছাড়ও তার সম্পাদিত দুটি পত্রিকা – আজিজননেহার ও হিতকরী।তিনি ‘গাজী মিয়া’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে লিখতেন।তাঁর সাহিত্য গুরু ছিলেন কাঙাল হরিনাথ। তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। বসন্তকুমারী - বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক ‘বসন্তকুমারী’। নাটকটি তিনি নওয়াব আবদুল লতিফকে উৎসর্গ করেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের জন্ম সন কোনটি?
Correct Answer:
ক: ১৮৩৮ খ্রি.
Explanation:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের জন্ম সন কোনটি? সঠিক উত্তর ১৮৩৮ খ্রি. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ - ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসাবে, সাহিত্য সমালোচক হিসাবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ রাজের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন।তাকে বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট বলা হয়।
সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কয়টি?
Correct Answer:
গ: কুড়িটি
Explanation:
সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কয়টি? সঠিক উত্তর কুড়িটি সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি.যথা = প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির , দুর, বি , অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, অপ, আ ।
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
"পল্লী সমাজ" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পল্লী - সমাজ উপন্যাসটির প্রথম নয়টি পরিচ্ছেদ ১৩২২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই নয়টি পরিচ্ছেদে উপন্যাসটি শেষ করার কথা ভাবলেও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরে আরো দশটি পরিচ্ছেদ রচনা করেন, যা এক সঙ্গে ১৩২৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দের ভারতবর্ষ পত্রিকার মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স এই উনিশটি পরিচ্ছেদ পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' , এ পঙক্তির স্রষ্টা কে?
Correct Answer:
গ: ভারতচন্দ্র
Explanation:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' , এ পঙক্তির স্রষ্টা কে? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কে রচনা করেছেন ?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কে রচনা করেছেন ? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০ - ১৯৯১ খ্রি.) একটি মৌলিক গ্রন্থ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ । তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (হিন্দি বৈতালপচ্চীসীর বঙ্গানুবাদ), ‘শকুন্তলা’ (কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম’ নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ), ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (শেক্সপিয়ারের ‘Comedy of Errors’ - এর বঙ্গানুবাদ) ইত্যাদি ।
নিম্নের কোনটি মশাবাহিত রোগ?
Correct Answer:
গ: ডেঙ্গু
Explanation:
নিম্নের কোনটি মশাবাহিত রোগ? সঠিক উত্তর ডেঙ্গু মশার কাপড়ে যেসব রোগ সংগঠিত হয় তাই মূলত মশাবাহিত রোগ। কতগুলো মশাবাহিত রোগ হলো ডেঙ্গু,ম্যালেরিয়া,চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি।
"হাজার বছর ধরে" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: জহির রায়হান
Explanation:
"হাজার বছর ধরে" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর জহির রায়হান হাজার বছর ধরে প্রখ্যাত বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে এ উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজী পুরষ্কারে সম্মানিত হন।
গাছপালা বায়ুমণ্ডলে কি ত্যাগ করে?
Correct Answer:
ক: অক্সিজেন
Explanation:
গাছপালা বায়ুমণ্ডলে কি ত্যাগ করে? সঠিক উত্তর অক্সিজেন গাছপালা বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে।
১ কিলোগ্রাম সমান কত সের?
Correct Answer:
খ: ১.০৭
Explanation:
১ কিলোগ্রাম সমান কত সের? সঠিক উত্তর ১.০৭ 1 কিলোগ্রাম = 1.07 সের। আর 40 সের এ 1 মন।
সূর্যের কয়টি গ্রহ আছে?
Correct Answer:
ক: ৮ টি
Explanation:
সূর্যের কয়টি গ্রহ আছে? সঠিক উত্তর ৮ টি সৌরজগতের আবিষ্কৃত গ্রহের সংখ্যা আটটি। সেগুলো হচ্ছে—বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।