Government Job and Other Recruitment Exams MCQs
Showing 50 questions (Total: 12229)
'ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো' এ বাক্যে 'হাত' ব্যবহৃত হয়েছেঃ
Correct Answer:
ঘ: নিপুণতা
Explanation:
'ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো' এ বাক্যে 'হাত' ব্যবহৃত হয়েছেঃ সঠিক উত্তর নিপুণতা এখানে হাতযশ বলতে দক্ষতা বুঝানো হয়েছে।
'কোথায় থাকা হয়' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
Correct Answer:
গ: ভাব ভাচ্য
Explanation:
'কোথায় থাকা হয়' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ভাব ভাচ্য ভাববাচ্য : বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে প্রকাশিত হলে তাকে ভাববাচ্য বলে। এ ধরনের বাক্যে কর্ম থাকে না এবং কর্তাও প্রধান হয় না। কাউকে কোন কিছু সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে বলতে গেলে ভাববাচ্যে বলা যায়। এ ধরনের বাক্যে কর্তায় - ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া বা তৃতীয়া বিভক্তি হয়। নামপুরুষের ক্রিয়াপদ [ক্রিয়াপদ] হয়। মাঝে মাঝে মূল ক্রিয়াপদের সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়াপদও যুক্ত হয়। কখনো কখনো কর্তা উহ্য থাকে, অর্থাৎ কর্তা অনুল্লেখিত থাকে। যেমন - আমার খাওয়া হল না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ) তোমার যাওয়া হবে না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ) এ পথে চলা যায় না। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত) কোথা থেকে আসা হচ্ছে। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত) এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না। (কর্তা ‘তুমি’ উহ্য) এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
'পার হইয়া' এই ক্রিয়া পদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তর করলে হবে?
Correct Answer:
গ: পেরিয়ে
Explanation:
'পার হইয়া' এই ক্রিয়া পদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তর করলে হবে? সঠিক উত্তর পেরিয়ে সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়ম: নিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ১। ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। ২। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন— হউক>হোক, থাউক>থাক। ৩। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন— তাহা>তা, যাহা>যা। ৪। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন— শুন>শোন উঠে>ওঠে। ৫। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন— গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। ৬। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন— করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে।
'ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে কালি পড়ে' বলেছেনঃ
Correct Answer:
খ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
'ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে কালি পড়ে' বলেছেনঃ সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
সাধুরীতির শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: গ্রহ
Explanation:
সাধুরীতির শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর গ্রহ সাধু শব্দের অর্থ শিষ্ট, ভদ্র বা মার্জিত। বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরু থেকে শিষ্টজনেরা এ ভাষায় সাহিত্য চর্চা করতেন। তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ সাধুরীতি শব্দ। এ শব্দ কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। যেমন - চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, গৃহ, ক্ষেত, কর্ণ, ভবন, নক্ষত্র, পাত্র, ধর্ম ইত্যাদি।
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
খ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী প্রমথ চৌধুরী কিছুদিন কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেন । কিছুকাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কলেজে পড়ান । তিনি ঠাকুর এস্টেটের ম্যানেজার ছিলেন। এছাড়াও তিনি মাসিক সবুজপত্র ও বিশ্বভারতী সম্পাদনা করেন। রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের(১৮৪২ - ১৯২৩) কন্যা ইন্দিরা দেবীর (১৮৭৩ - ১৯৬০) সহিত তাহার বিবাহ হয়। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভাইঝি জামাই। লেখক আশুতোষ চৌধুরী(১৮৮৮ - ১৯৪৪) সম্পর্কে প্রমথ চৌধুরীর অগ্রজ। রবীন্দ্রনাথের ভগিনী প্রতিভা দেবীর সহিত আশুতোষ চৌধুরী বিবাহ হয়। তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তার সম্পাদিত সবুজ পত্র বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে আগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তার প্রবর্তিত গদ্যরীতিতে “সবুজ পত্র” নামে বিখ্যাত সাহিত্যপত্র ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তারই নেতৃত্বে বাংলা সাহিত্যে নতুন গদ্যধারা সূচিত হয়। তিনি বাংলা সাহিত্যে ইতালিয় সনেট এর প্রবর্তক। 'সবুজপত্র' ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
খ: ১৮০০ খ্রিঃ
Explanation:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৮০০ খ্রিঃ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বা কলেজ অফ ফোর্ট উইলিয়াম ছিল ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর - জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচ্যবিদ্যা শিক্ষাকেন্দ্র। ১৮০০ সালের ১০ জুলাই কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম চত্বরে এই কলেজ স্থাপিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানে সহস্রাধিক সংস্কৃত, আরবি, ফার্সি, বাংলা, হিন্দি ও উর্দু বই ইংরেজিতে অনূদিত হয়। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০১ সালে৷ রামরাম বসু, উইলিয়াম কেরী, মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন এখানে শিক্ষক।
"পুতুল নাচের ইতিকথা" কার রচনা?
Correct Answer:
খ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
"পুতুল নাচের ইতিকথা" কার রচনা? সঠিক উত্তর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষার শ্রেষ্ঠ ফসল তাঁর পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাস। এই উপন্যাসের কেন্দ্রে রয়েছে গাওদিয়া গ্রাম। সেখান থেকে খাল পথে বাজিতপুর যাতায়ত চলে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শশী ডাক্তার। উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয়েছে হারু ঘোষকে দিয়ে। আদরের মেয়ে মতির জন্য সে পাত্র দেখতে গিয়েছিল।
"চর্যাপদ" কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে?
Correct Answer:
গ: নেপাল
Explanation:
"চর্যাপদ" কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর নেপাল চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ। আবিষ্কার এর ৯ বছর পর ' চর্যাপদ ' গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় - ১৯১৬ সালে।
'দুই এবং নব্বই'= বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ
Correct Answer:
ঘ: নিত্য সমাস
Explanation:
'দুই এবং নব্বই'= বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ সঠিক উত্তর নিত্য সমাস নিত্য সমাসযে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা-
Correct Answer:
খ: বড়ু চণ্ডীদাস
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা- সঠিক উত্তর বড়ু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুঁথি আবিষ্কার করেন।
বায়োগ্যাসের কোন উপাদান জ্বালানির কাজে লাগে?
Correct Answer:
গ: মিথেন
Explanation:
বায়োগ্যাসের কোন উপাদান জ্বালানির কাজে লাগে? সঠিক উত্তর মিথেন মিথেনমিথেন হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত CH4। এর প্রতিটি অনুতে আছে এক পরমাণু কার্বন ও চার পরমাণু হাইড্রোজেন। এটি একটি অ্যালকেন এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান। মিথেনের আপেক্ষিক প্রাচুর্যতা এটিকে একটি আকর্ষণীয় জ্বালানীতে পরিনত করেছে। কিন্তু, সাধারণ তাপমাত্রায় যেহেতু এটি গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে তাই মিথেনকে উৎস থেকে পরিবহন করা কষ্টসাধ্য। বায়ুমন্ডলীয় মিথেন একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউজ গ্যাস (প্রতি এককে কার্বন ডাই অক্সাইড অপেক্ষা বেশি)। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে ১৯৯৮ সালে মিথেনের ঘনত্ব ছিল ১৭৪৫ এন.মোল/মোল (পার্টস পার বিলিয়ন, পিপিবি)। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মিথেনের মাত্রা প্রায় একইরূপ থাকার পর ২০০৮ সালে ১৮০০ এন.মোল/মোল হয়।
"বাংলা একাডেমী" কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Correct Answer:
ক: ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
Explanation:
"বাংলা একাডেমী" কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) এই একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন - পরবর্তী কালের প্রেক্ষাপটে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন "বর্ধমান হাউজ" - এ এই একাডেমির সদর দপ্তর স্থাপিত হয়। একাডেমির "বর্ধমান হাউজে" একটি "ভাষা আন্দোলন জাদুঘর" আছে।
কোনটির কারণে মরিচ ঝাল লাগে ?
Correct Answer:
ক: ক্যাপসিসিন
Explanation:
কোনটির কারণে মরিচ ঝাল লাগে ? সঠিক উত্তর ক্যাপসিসিন মরিচমরিচ বা লংকা এক প্রকারের ফল যা মসলা হিসাবে ঝাল স্বাদের জন্য রান্নায় ব্যবহার করা হয়। ক্যাপসিকাম (Capsicum) গণের সোলানেসি (Solaneceae) পরিবারের উদ্ভিদের ফলকে সাধারণভাবে মরিচ বলা হয়ে থাকে। মরিচের ফলকে মসলা হিসাবে ব্যবহার করা হয়। মরিচের আদি নিবাস আমেরিকা মহাদেশে। তবে বর্তমানে পৃথিবীর সর্বত্র রান্না ও ঔষধি হিসাবে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
খাদ্যজাত দ্রব্যের মান সঠিক রাখার জন্য প্যাকেটের ভিতর প্রলেপ করার প্রযুক্তি হলো
Correct Answer:
খ: ন্যানোটেকনোলজি
Explanation:
খাদ্যজাত দ্রব্যের মান সঠিক রাখার জন্য প্যাকেটের ভিতর প্রলেপ করার প্রযুক্তি হলো সঠিক উত্তর ন্যানোটেকনোলজি ন্যানোপ্রযুক্তিন্যানোপ্রযুক্তি (ন্যানোটেকনলজি বা সংক্ষেপে ন্যানোটেক) পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করবার বিদ্যা। ন্যানোটেকনোলজি বা ন্যানোপ্রযুক্তিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়। ন্যানোটেকনোলজি পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার বিদ্যা। সাধারণত ন্যানোপ্রযুক্তি এমন সব কাঠামো নিয়ে কাজ করে যা অন্তত একটি মাত্রায় ১০০ ন্যানোমিটার থেকে ছোট। ন্যানোপ্রযুক্তি বহুমাত্রিক, এর সীমানা প্রচলিত সেমিকন্ডাকটর পদার্থবিদ্যা থেকে অত্যাধুনিক আণবিক স্বয়ং - সংশ্লেষণ প্রযুক্তি পর্যন্ত; আণবিক কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ থেকে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ন্যানোপদার্থের উদ্ভাবন পর্যন্ত বিস্তৃত। রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়। ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স, শক্তি উৎপাদনসহ বহু ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। অপরদিকে পরিবেশের উপর এর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব নিয়েও সংশয় রয়েছে। তারপরও পৃথিবীর বহু দেশে ন্যানোপ্রযুক্তি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।
হিমশৈল কি ?
Correct Answer:
গ: শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খন্ড
Explanation:
হিমশৈল কি ? সঠিক উত্তর শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খন্ড পানি সম্পদপানি সম্পদ বা জল সম্পদ হল পানির সেই সমস্ত উৎসসমূহ যেগুলি মানুষের নিয়মিত ব্যবহারের জন্য অতিপ্রয়োজনীয়। কৃষি, শিল্প, গার্হস্থ্য ব্যবহার এবং পরিবেশ রক্ষণাবেক্ষণসহ মনুষ্যজীবনের সর্বক্ষেত্রেই পানির ব্যবহার অপরিহার্য। এবং এইসকল কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেটি অত্যাবশ্যক সেটি হল পরিশোধিত বিশুদ্ধ পানি। পৃথিবীতে লভ্য পানির প্রায় ৯৭.৫% হল লবণাক্ত এবং বাকি মাত্র ২.৫% বিশুদ্ধ। এই স্বল্পপরিমাণ শুদ্ধ পানির আবার দুই - তৃতীয়াংশই কঠিন অবস্থায় অর্থাৎ তুষার, হিমশৈল, ইত্যাদি রূপে বিদ্যমান। অবশিষ্ট তরল পানির অধিকাংশই ভূগর্ভস্থ এবং অতি অল্পপরিমাণ পানি ভূপৃষ্ঠস্থ জলাশয়ে লভ্য।
The negative of 'Man is mortal' is ______
Correct Answer:
D: Man is not immortal
Explanation:
The negative of 'Man is mortal' is ______ Correct Answer Man is not immortal Transformation এর নিয়ম অনুযায়ী কোনো বাক্যকে affirmative বা negative করার সময় মূলভাবটা ঠিক রেখে গঠনগত পরিবর্তন করতে হয়। ans: - man is not immortal
সিদ্ধ চালে কি পরিমাণ শ্বেতসার থাকে ?
Correct Answer:
ঘ: ৭৯%
Explanation:
সিদ্ধ চালে কি পরিমাণ শ্বেতসার থাকে ? সঠিক উত্তর ৭৯% চালচাল বা চাউল হলো ধানের শস্যল অংশ। ধান থেকে চাল উৎপাদন করা হয়। পানিতে/জলে চাল ফুটিয়ে ভাত রান্না করা হয় যা ভারত , বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সহ বিশ্বের অনেক দেশের প্রধান খাদ্যশস্য।
স্যাটেলাইট কোন বলের কারণে ঘুরতে থাকে ?
Correct Answer:
খ: মাধ্যাকর্ষণ বল
Explanation:
স্যাটেলাইট কোন বলের কারণে ঘুরতে থাকে ? সঠিক উত্তর মাধ্যাকর্ষণ বল মহাকর্ষমহাকর্ষ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যা দ্বারা সকল বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এটির সংজ্ঞা হিসেবে বলা যায় যে, যেকোনো ভরের বস্তুদ্বয় একে অপরকে যে বলে আকর্ষণ করে তা হলো মহাকর্ষ। এখন এই আকর্ষণ যদি পৃথিবী ও অন্য কোন বস্তুর মাঝে হয় তাহলে তাকে বলা হবে অভিকর্ষ। প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি হলো মহাকর্ষ । মহাকর্ষের কারণেই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহগুলি সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে। স্যার আইজাক নিউটন ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে তার ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা গ্রন্থে এ বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন৷মহাকর্ষের বিশেষ উদাহরণ হলো মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ যার কারণে ভূপৃষ্ঠের উপরস্থ সকল বস্তু ভূকেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবেই উপরিস্থিত বা ঝুলন্ত বস্তু মুক্ত হলে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে ভরসম্পন্ন বস্তুসমূহে ওজন অনুভূত হয়। একটি বস্তুর ভর যত বেশি হয়, মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে তার ওজনও তত বেশিবিজ্ঞানী নিউটন সর্বপ্রথম মহাকর্ষ বলের গাণিতিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। আধুনিক পদার্থবিদ্যায় মহাকর্ষ সবচেয়ে সঠিকভাবে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব (আইনস্টাইন দ্বারা প্রস্তাবিত) দ্বারা বর্ণনা করা হয়। আইনস্টাইনের মতে স্থান - কালের বক্রতার কারণেই মহাকর্ষ বল সৃষ্টি হয়।
জীবদেহের বৈশিষ্টগুলো বংশানুক্রমে বহন করে-
Correct Answer:
ক: ডি এন এ
Explanation:
জীবদেহের বৈশিষ্টগুলো বংশানুক্রমে বহন করে- সঠিক উত্তর ডি এন এ ডিএনএ হলো ক্রোমোজমের প্রধান উপাদান এবং বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি (Chemical basis of heredity). ডিএনএ ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক ও বাহক যা জীবের *চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সরাসরি বহন করে মাতাপিতা থেকে তাদের বংশধরে নিয়ে যায়। **জীবের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক হলো ক্রোমোজম।
কোনটি কবি ভারতচন্দ্রের উপাধি?
Correct Answer:
খ: রায়গুণাকর
Explanation:
কোনটি কবি ভারতচন্দ্রের উপাধি? সঠিক উত্তর রায়গুণাকর রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
What a fool he is! (Assertive)
Correct Answer:
D: He is a great fool
Explanation:
What a fool he is! (Assertive) Correct Answer He is a great fool What যুক্ত exclamatory sentence কে assertive করার সময় subject ও verb কে আগে আনতে হয় এবং a/ an এর পর great বসে।
"পদ্মা নদীর মাঝি" উপন্যাসটি কার রচনা?
Correct Answer:
গ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
"পদ্মা নদীর মাঝি" উপন্যাসটি কার রচনা? সঠিক উত্তর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের পটভূমি বাংলাদেশের বিক্রমপুর - ফরিদপুর অঞ্চল। এই উপন্যাসের দেবীগঞ্জ ও আমিনবাড়ি পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম। উপন্যাসে পদ্মার তীর সংলগ্ন কেতুপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের পদ্মার মাঝি ও জেলেদের বিশ্বস্ত জীবনালেখ্য চিত্রিত হয়েছে। পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। চরিত্রঃ - কুবের, মালা, কপিলা, হোসেন মিয়া, শীতলবাবু,
একক ভরের কোনো বস্তুর ওজন বিষুবীয় অঞ্চলে কত?
Correct Answer:
খ: ৯.৭৮ নিউটন
Explanation:
একক ভরের কোনো বস্তুর ওজন বিষুবীয় অঞ্চলে কত? সঠিক উত্তর ৯.৭৮ নিউটন ওজন (দ্ব্যর্থতা নিরসন)ওজন বলতে বোঝানো হতে পারে - ওজন (ভার) - ভরের পরিমাপক;ওজোন - এক প্রকার গ্যাস (Ozone gas, O3)।
মানবদেহে হাড় ও দাত গঠন এবং ফসফোলিপিড তৈরি করে কোন খনিজ লবণ ?
Correct Answer:
ক: ফসফরাস
Explanation:
মানবদেহে হাড় ও দাত গঠন এবং ফসফোলিপিড তৈরি করে কোন খনিজ লবণ ? সঠিক উত্তর ফসফরাস মানব দেহে বিভিন্ন রকমের রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে৷ তার মধ্যে ফসফরাস অন্যতম কারন আপনার হাড়ে হাইডক্সিলাপটাইট নামক ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস মিশ্রিত হয়৷ হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের স্বাভাবিক ভারসাম্য প্রয়োজন যদি ফসফরাস কম পরিমান থাকে তবে অস্টিওপরোসিস নামে অস্থি রোগের একটি ফর্ম হতে পারে৷
'সৃষ্টি' এর প্রকৃতি প্রত্যয়-
Correct Answer:
খ: √সৃজ্ + তি
Explanation:
'সৃষ্টি' এর প্রকৃতি প্রত্যয়- সঠিক উত্তর √সৃজ্ + তি প্রকৃতি : শব্দমূল বা শব্দের যে অংশকে আর ভাঙা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি মৌলিক শব্দ তথা প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি প্রাতিপদিক ও ধাতুই একেকটি প্রকৃতি। কিন্তু মৌলিক শব্দকে প্রকৃতি বলা যায় না। যখনই সেই শব্দের সঙ্গে বা অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তখনই কেবল নতুন সৃষ্ট শব্দটির মূল শব্দটিকে প্রকৃতি বলা যায়। অর্থাৎ, প্রত্যয় সাধিত শব্দের মূলশব্দকে বলা হয় প্রকৃতি। কিন্তু শব্দটি থেকে প্রত্যয় সরিয়ে ফেললে, মূলশব্দটিকে তখন আর প্রকৃতি বলা যাবে না। যেমন - লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর মূলশব্দ যথাক্রমে লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। এখানে, লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলো প্রত্যয়সাধিত (মূলশব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ) আর এই শব্দগুলোর মূলশব্দ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। অর্থাৎ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত - এগুলো লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর প্রকৃতি। কিন্তু আলাদাভাবে উল্লেখ করলে এগুলো আর প্রকৃতি নয়, এগুলো তখন স্রেফ কতোগুলো মৌলিক শব্দ। প্রত্যয় : মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে। উপরের উদাহরণে, লাজুক শব্দের প্রকৃতি ‘লাজ’ - এর সঙ্গে প্রত্যয় ‘উক’ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে ‘লাজুক’ শব্দটি। এমনিভাবেপ্রকৃতি + প্রত্যয় = প্রত্যয়সাধিত শব্দবড় + আই = বড়াইঘর + আমি = ঘরামি
Which one is the reflexive pronoun ?
Correct Answer:
B: himself
Explanation:
Which one is the reflexive pronoun ? Correct Answer himself Self যুক্ত pronoun সমূহ যেমন ; - myself, himself, herself, themsel, , ourselvesএদের reflexive pronoun বলে।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন-
Correct Answer:
খ: উইলিয়াম কেরী
Explanation:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন- সঠিক উত্তর উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান হেড পন্ডিত কে ছিলেন = উইলিয়াম কেরি। ○ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা গ্রন্থ রচনার সময়কাল = 1801 - 1815 পর্যন্ত।
'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা কার সম্পাদনায় বের হতো?
Correct Answer:
ক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
Explanation:
'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা কার সম্পাদনায় বের হতো? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (৬ মার্চ ১৮১২ - ২৩ জানুয়ারি ১৮৫৯) ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বাঙ্গালী কবি ও সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক । তিনি সংবাদ প্রভাকর (বা 'সম্বাদ প্রভাকর') এর সম্পাদক। কিন্তু ব্যাপক ভাবে বলতে গেলে তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন কবি ও সাহিত্যিক। তার হাত ধরেই মধ্যযুগের গণ্ডি পেড়িয়ে বাংলা কবিতা আধুনিকতার পথে নাগরিক রূপ পেয়েছিল।
‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: ফররুখ আহমদ
Explanation:
‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর ফররুখ আহমদ সাত সাগরের মাঝি কবি ফররুখ আহমদের একটি কাব্যগ্রন্থ। এতে স্থান পাওয়া একটি কবিতার নামও সাত সাগরের মাঝি। ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের ১৯টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পাঞ্জেরী, সিন্দবাদ, আকাশ - নাবিক, ডাহুক, এই সব রাত্রি ইত্যাদি। বইটি উৎসর্গ করা হয় কবি আল্লামা ইকবালের প্রতি। বইটিতে পুনর্জাগরণের বাণী উচ্চারিত হয়েছে। সাত সাগরের মাঝি লেখক ফররুখ আহমদ দেশ বাংলাদেশ ভাষা বাংলা ধরন কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত ১৯৪৪ মিডিয়া ধরন মুদ্রিত আইএসবিএন 984 - 406 - 388 - 6
আরেফ 'বই' পড়ে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: কর্মকারকে শূণন্য
Explanation:
আরেফ 'বই' পড়ে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্মকারকে শূণন্য যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।কর্ম কারকের প্রকারভেদক) সকর্মক ক্রিয়ার কর্ম: নাসিমা ফুল তুলছে।খ) প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম: ছেলেটিকে বিছানায় শোয়াও।গ) সমধাতুজ কর্ম: খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি।ঘ) উদ্দেশ্য ও বিধেয় কর্ম: দ্বিকর্মক ক্রিয়ার দুটি দুটি পরস্পর অপেক্ষিত কর্মপদ থাকলে প্রধান কর্মপদটিকে বলা হয় উদ্দেশ্য কর্ম এবং অপেক্ষিত কর্মটিকে বলা হয় বিধেয় কর্ম। যেমন:দুধকে (উদ্দেশ্য কর্ম) মোরা দুগ্ধ (বিধেয় কর্ম) বলি, হলুদকে (উদ্দেশ্য কর্ম) বলি হরিদ্রা (বিধেয় কর্ম)।কর্ম কারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার (ক) প্রথমা বা শূণ্য বা অ বিভক্তি ডাক্তার ডাক। পুলিশ ডাক। ঘোড়া গাড়ি টানে। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম) রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে) অর্থ অনর্থ ঘটায়। আমার ভাত খাওয়া হলো না। সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়। (খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি তাকে বল। তাকে আমি চিনি। ধোপাকে কাপড় দাও। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার গৌণকর্ম) ধনী দরিদ্রকে ঘৃণা করে। শিক্ষককে শ্রদ্ধা করিও। রে বিভক্তি 'আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা।' (গ) তৃতীয়া বিভক্তি (ঘ) পঞ্চমী বিভক্তি (ঙ) ষষ্ঠী বা র বিভক্তি তোমার দেখা পেলাম না। দেশের সেবা কর। (চ) সপ্তমী বা এ বিভক্তি কাজে মন দাও। গুরুজনে করো ভক্তি/ নতি। সর্বশিষ্যে জ্ঞান দেন গুরু মহাশয়। 'জিজ্ঞাসিবে জনে জনে।' (বীপ্সায়)
‘কবর‘ নাটকটির লেখক-
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
‘কবর‘ নাটকটির লেখক- সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ‘কবর‘ নাটকটির লেখক - মুনীর চৌধুরী মুনীর চৌধুরীর 'কবর': ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথম প্রতিবাদী নাটক১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে জেলখানায় নাটকটি মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা ছিল, তাই জেলখানার অপ্রতুল ব্যবস্থার মাঝেই নাটকটি মঞ্চস্থ করার ব্যাপারটি সবার আগে সামনে চলে এল। সবকিছু মাথায় রেখেই মুনীর চৌধুরী লিখলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম এক কালজয়ী নাটক, নাম দেওয়া হলো ‘কবর’। এ ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন,জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো 'কবর' নাটকটিতে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে, সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যেই নাটকটি জেলখানায় সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়। জর্জ বার্নাড'শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা মুনীর চৌধুরীকে বরাবরই প্রভাবিত করেছে, ‘কবর’ নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ভাষা আন্দোলনে বহু মানুষ শহীদ হলেও অল্প ক'জনের পরিচয় আমরা জানতে পেরেছিলাম; কত শত লাশ গুম করা হয়েছিল, তার প্রকৃত হিসাব আজও জানা যায়নি। লাশ গুমের এই ঘৃণ্য রাজনীতিকে উপজীব্য করেই নাটকটির পুরো গল্প এগিয়ে গেছে।নাটকটির সমগ্র ঘটনাস্থল ছিল গোরস্থান, ভাষা শহীদদের লাশ গুম করার নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য একজন অসৎ নেতা তার দলবল নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। নেতার এই নীলনকশা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ছিলেন ইন্সপেক্টর হাফিজ। নাটকের শুরু থেকেই অসৎ নেতাকে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়ে লোভী হাফিজও নেতার সাথে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শেষ চিহ্নটুকু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা করতে থাকেন তারা। সবকিছু যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছিল, তখুনি মুর্দা ফকির নামক এক চরিত্রের আগমন ঘটে, আধপাগল এই মানুষটি যেন সমাজের বিবেক হিসেবে আবির্ভূত হন। লাশগুলো এখনো জীবিত আর তাদের কবর থেকে উঠিয়ে তিনি মিছিল করবেন– এমন অদ্ভুত একটি কথা বলে তাদের ভড়কে দেন মুর্দা ফকির। এরপর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আবর্তনে এগিয়ে গেছে সম্পূর্ণ গল্প।একটি নাটক সার্থক করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান থাকে নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের। চরিত্রগুলো যত শক্তিশালী হবে, নাটকের বুনিয়াদ তত মজবুত হবে। 'কবর' নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না, তিনটি কেন্দ্রীয় চরিত্র পুরোটা সময় দারুণভাবে নাটকটির গল্প টেনে নিয়ে গেছে।নেতাএকজন আগাগোড়া অসৎ মানুষ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনের মতো মহান এক ঘটনাকে ‘সামান্য গণ্ডগোল’ হিসেবে চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তার ভাষ্যমতে, ভাষা শহীদেরা ছিলেন অবাধ্য দুষ্টু ছেলে, অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চলেছিল! পুরোটা সময় জুড়ে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকাটা তার চারিত্রিক দোষের দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া সমাজের অন্যান্য অসৎ নেতাকর্মীর নানা আচরণ 'কবর' নাটকের নেতার মাঝেও ফুটে উঠেছিল। বুকে সাহস না থাকলেও সবধরনের পরিস্থিতিতে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়ার প্রবণতা ছিল নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। মানুষ হিসেবে তাকে বেশ হঠকারী মনে হয়েছে, সবধরনের পরিস্থিতিতে শুধু গুলি চালানোর কথা বলাটা মোটেও বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়নি। তবে নাটকের একদম শেষদিকে মুর্দা ফকিরকে কিছুদিনের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার কথাটা অবশ্য তার দূরদর্শী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বাংলার যেসব অসৎ নেতার কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষণের জালে আমরা বন্দী ছিলাম, তাদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে নেতা চরিত্রটি দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।হাফিজহাফিজ ছিলেন একজন চাটুকার পুলিশ কর্মকর্তা, নাটকের সিংহভাগ সময় জুড়ে তাকে নেতার চামচামি করতে দেখা গেছে। আদর্শ বিবর্জিত এই মানুষটি নিজের সুবিধার জন্য যেকোনো কিছু করতে তৈরি ছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত, নানা কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা হঠকারী আচরণ করলেও হাফিজকে পুরো নাটকেই দূরদর্শী হিসেবে দেখা গেছে।বিশেষ করে মুর্দা ফকিরের আগমনের পর যে আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দেখে পর্যুদস্ত না হয়ে হাফিজ যেভাবে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করে গেছেন, সেটা তার চারিত্রিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তবে তার সকল বুদ্ধি অপাত্রে কাজে লাগায় দিনশেষে মানুষ হিসেবে একজন মেরুদণ্ডহীন কাপুরুষ হিসেবেই তিনি বিবেচিত হবেন।মুর্দা ফকিরপুরো নাটকটিকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন মুর্দা ফকির। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষে নিজের চোখের সামনে সমস্ত আপনজনকে মারা যেতে দেখেছেন, মানুষগুলোকে কবর দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না। সেই থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি, নাম হয় মুর্দা ফকির। আচমকা 'ঝুঁটা' বলার মাধ্যমে দৃশ্যপটে তার নাটকীয় আগমন ঘটে।আগমনের পর থেকেই নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন তিনি, যা আপাতদৃষ্টিতে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। কিন্তু একটু ভাবলে তার প্রতিটি সংলাপের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। তার মতে, মাটিচাপা দেওয়া লাশগুলোর দেহে এখনো প্রাণ আছে, হাফিজ আর নেতাকেই তিনি মৃত বলে অভিহিত করেন। এই কথার মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের তো মৃত্যু হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তারা সর্বদা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের আশায় যারা সেদিন নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়েছিল, মৃত্যু আসলে তাদেরই হয়েছিল। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েতে। ১৯৩৬ সালে রচিত মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র 'বেরি দ্য ডেড' এর প্রভাব রয়েছে ‘কবর’ নাটকে। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নিজেও তা স্বীকার করেছেন। কবরে যেতে অস্বীকার করার ব্যাপারে দুই নাটকের মাঝেই মিল রয়েছে, তবে তা কেবলমাত্র ভাবগত ঐক্যের মিল। মুনীর চৌধুরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় নাটকটির বুনিয়াদ যেভাবে গড়ে তুলেছিলেন, তা এক কথায় অসাধারণ। তাছাড়া ‘বেরি দ্য ডেড’ নাটকে মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহকে সত্য বলে তুলে ধরে কিছুটা আধিভৌতিক ঘটনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা প্রতিবাদী ভাব তুলে ধরে হয়েছিল।অসহসাহসী লেখক মুনীর চৌধুরী; Image Source: samakalকিন্তু ‘কবর’ নাটকে নেতা ও হাফিজের মাতাল অবস্থায় অপ্রকৃতিস্থ দেখানো হয়, ফলে শহীদদের কবরে যেতে অস্বীকার করার দৃশ্যটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে নেতা ও হাফিজের বিভ্রমকে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই মিল থাকার প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন,এই সামান্য ভারসাম্যটির জন্য 'কবর'কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে।সবচেয়ে বড় কথা, ওই সময়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলে এমন একটি নাটক লেখাটা সত্যিই অনবদ্য নিদর্শন। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। সাহসী ভঙ্গিতে এভাবে প্রতিবাদ করতে পারতেন বলেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে মুনীর চৌধুরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। তবে একজন মানুষকে মেরে ফেললেই কি তার আদর্শকে মুছে ফেলা যায়?না, যায় না। আর যায় না বলেই যুগের পর পর ‘কবর’ নাটকটিকে শ্রদ্ধাভরে মানুষ স্মরণ করবে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যত নাটকই হোক, মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। সুত্রঃ রোর মিডিয়া
বাংলাদেশে বসবাসকারী সবচেয়ে বেশি আদিবাসী কোনটি ?
Correct Answer:
ক: চাকমা
Explanation:
বাংলাদেশে বসবাসকারী সবচেয়ে বেশি আদিবাসী কোনটি ? সঠিক উত্তর চাকমা প্রশ্ন: বাংলাদেশে বসবাসকারী সবচেয়ে বেশি আদিবাসী কোনটি ? উত্তর : চাকমা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ সে বসবাসকারী বৃহত্তম নৃ - গোষ্ঠী চাকমা । বাংলাদেশে বসবাসকারী দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃ - গোষ্ঠী সাঁওতাল।
Which one is an optative sentence?
Correct Answer:
C: May Allah bless you
Explanation:
Which one is an optative sentence? Correct Answer May Allah bless you Optative sentence দ্বারা ইচ্ছা,আকাঙ্খা, প্রার্থনা ইত্যাদি বুঝায়। এই Sentence সাধারণত May/Long live দিয়ে শুরু হয়।
Times have changed and so_____.
Correct Answer:
B: have I
Explanation:
Times have changed and so_____. Correct Answer have I Inversion of verb এর নিয়মনুযায়ী দ্বিতীয় বাক্যে parallelism হিসাবে so এর পর have I বসে।
Opening the file,the detective took out a newspaper cutting.He 'opening' is a/an
Correct Answer:
C: Present participle
Explanation:
Opening the file,the detective took out a newspaper cutting.He 'opening' is a/an Correct Answer Present participle কোন verb এর সাথে ing। যুক্ত হয়ে যদি তা একাধারে verb ও adjective এর কাজ করে তাহলে তাকে present participle বলে। এখানে Opening শব্দটি the file noun কে modify অর্থাৎ এর বিশেষত্ব প্রকাশ করেছে। তাই opening শব্দটির present participle। অন্যদিকেverb + ing যদি noun এর কাজ করে। তবে সেটা gerund হয় যা কি না বাক্যে subject অথবা object এর কাজ করে।
The phrasal verb 'write off' means __
Correct Answer:
D: reducing rates
Explanation:
The phrasal verb 'write off' means __ Correct Answer reducing rates "Write off'' অর্থ কোন কিছু হতে কমানো। answer: - reducing rates
লুঙ্গি কোন ভাষার শব্দ?
Correct Answer:
গ: বর্মী
Explanation:
লুঙ্গি কোন ভাষার শব্দ? সঠিক উত্তর বর্মী মায়ানমার/ বর্মি শব্দ : ফুঙ্গি, লুঙ্গি; জাপানি শব্দ : রিক্সা, হারিকিরি ৷; হিন্দী শব্দ : চিঠি, ঠিকানা, পানি ইত্যাদি।
Which one is Interrogative sentence?
Correct Answer:
B: Does he read a book?
Explanation:
Which one is Interrogative sentence? Correct Answer Does he read a book? যে sentence দ্বারা কোন প্রশ্ন করা হয় তাকে Interrogative Sentence বলে
কোন প্রাণী নিজের শরীরের চেয়ে পঞ্চাশ গুন বেশি ভরের বস্তু বহন করতে পারে ?
Correct Answer:
গ: পিঁপড়া
Explanation:
কোন প্রাণী নিজের শরীরের চেয়ে পঞ্চাশ গুন বেশি ভরের বস্তু বহন করতে পারে ? সঠিক উত্তর পিঁপড়া পিঁপড়া নিজের শরীরের চেয়ে পঞ্চাশ গুন বেশি ভরের বস্তু বহন করতে পারে । পিঁপড়া বা পিপীলিকা হল ফর্মিসিডি (Formicidae) গোত্রের অন্তর্গত সামাজিক কীট বা পোকা। পিঁপড়া এদের ঘনিষ্ঠ প্রজাতি বোলতা ও মৌমাছির মত একই বর্গ হাইমেনপ্টেরার (Hymenoptera) অন্তর্গত। এরা মধ্য - ক্রেটাশাস পর্যায়ে ১১ থেকে ১৩ কোটি বছর পূর্বে বোলতা জাতীয় প্রাণী হতে বিবর্তিত হয় এবং সপুষ্পক উদ্ভিদের উদ্ভবের পর বহুমুখী বিকাশ লাভ করে। এখন পর্যন্ত জানা প্রায় ২২, ০০০ পিঁপড়া প্রজাতির মধ্যে ১২, ৫০০ টির শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।
স্বর্নের খনির জন্য বিখ্যাত স্থান কোনটি ?
Correct Answer:
গ: জোহানেসবার্গ
Explanation:
স্বর্নের খনির জন্য বিখ্যাত স্থান কোনটি ? সঠিক উত্তর জোহানেসবার্গ স্বর্ণের খনির জন্য বিখ্যাত স্থান দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গ। বিশ্বে তেল রপ্তানির জন্য বিখ্যাত সৌদিআরব।
William Wordsworth was a _____.
Correct Answer:
C: poet
Explanation:
William Wordsworth was a _____. Correct Answer poet William Wordsworth (7 April 1770 – 23 April 1850) was an English Romantic poet.
CD- ROM এর পূর্নরুপ কি?
Correct Answer:
গ: Computer Disc Read Only Memory
Explanation:
CD- ROM এর পূর্নরুপ কি? সঠিক উত্তর Computer Disc Read Only Memory Hints: - CD - ROM এর পূর্ণরূপহল - - Computer Disc Read Only Memory.
তামা ও টিনের মিশ্রনে কি হয়?
Correct Answer:
খ: কাঁসা/ব্রোঞ্জ
Explanation:
তামা ও টিনের মিশ্রনে কি হয়? সঠিক উত্তর কাঁসা/ব্রোঞ্জ ব্রোঞ্জ এক প্রকারের সংকর ধাতু। সাধারণত তামার সাথে বিভিন্ন অনুপাতে টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ প্রস্তুত করা হয়। তবে অনেক সময় টিন ছাড়াও এতে দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ, অ্যালুমিনিয়াম, নিকেল, প্রভৃতি ধাতুও মিশানো হয়। ব্রোঞ্জ বেশ শক্ত ও নমনীয় এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে এটি ব্যবহার করা সম্ভব। মানব সভ্যতার ইতিহাসের একটি পর্যায়কে ব্রোঞ্জ যুগ বলে অভিহিত করা হয়, কারণ সে সময় ব্রোঞ্জের অস্ত্র ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার বহুল প্রচলিত ছিল। সাধারণত ব্রোঞ্জে তামার ভাগ থাকে অন্তত ৬০ শতাংশ; এর সাথে টিনের ভাগ থাকে ১২% ও তার সাথে মিশেল থাকে আরও অন্যান্য নানা ধাতু (উপরে উল্লিখিত) ও এমনকী নানা অধাতব পদার্থ ও ধাতুকল্পও, যেমন - আর্সেনিক, ফসফরাস, সিলিকন, প্রভৃতি। অর্থাৎ, ধাতুবিজ্ঞানের ভাষায় ব্রোঞ্জ একটি নির্দিষ্ট সংকর ধাতু নয়, বরং তামা ও টিনের সাথে বিভিন্ন অনুপাতে অন্যান্য পদার্থের মিশ্রণে তৈরি একগুচ্ছ সংকর ধাতুকে একত্রে 'ব্রোঞ্জ' বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। Cu + Sn প্রাগৈতিহাসিক মানুষ নব্যপ্রস্তরযুগের শেষে এসে যখন ধাতুর ব্যবহার শেখে, সেই সময় থেকে লোহার ব্যবহার বহুল প্রচলিত হওয়ার আগে পর্যন্ত, সবচেয়ে শক্ত অথচ নমনীয় এবং ব্যবহারযোগ্য পদার্থ হিসেবে ব্রোঞ্জের ব্যবহারই হয়ে উঠেছিল সর্বাধিক প্রচলিত। এই সময়কেই ইতিহাসে ব্রোঞ্জ যুগ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। নিকট প্রাচ্যে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে সুমের সভ্যতার উত্থানের সাথে সাথে ব্রোঞ্জ যুগের সূচনা বলে ধরা হয়; চীন এবং ভারতীয় উপমহাদেশেও মোটামুটি ঐ একই সময়ে ব্রোঞ্জের ব্যবহার শুরু হয়। এরপর তা ধীরে ধীরে ইউরেশিয়ার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ১৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ নাগাদ নিকট প্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হলে ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে তা ধীরে ধীরে সমগ্র ইউরেশিয়াতেই ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ব্রোঞ্জ যুগের অবসান হয়ে লৌহ যুগের সূচনা হয়। তবে তখনও ব্রোঞ্জের ব্যবহার আজকের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণেই চালু ছিল।
আলোকিত মানুষ তৈরীর কর্মসূচি কোন সংগঠনের?
Correct Answer:
গ: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
Explanation:
আলোকিত মানুষ তৈরীর কর্মসূচি কোন সংগঠনের? সঠিক উত্তর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আলোকিত মানুষ তৈরির কর্মসূচির সংগঠনের নাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। ব্র্যাক ব্যাংক একটি তফসিল বহির্ভূত বিশেষায়িত ব্যাংক। ৪ জুলাই ২০০১ সালে এ ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ কোন জেলায় রয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ
Explanation:
প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ কোন জেলায় রয়েছে? সঠিক উত্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ চাপাইনবয়াবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। কুষ্টিয়া প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অংশবিশেষ। সিলেট প্রাচীন হরিকেল জনপদের অংশবিশেষ। খুলনা প্রাচীন বাংলা জনপদের অংশবিশেষ।
বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
ক: সার্ভিস
Explanation:
বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি? সঠিক উত্তর সার্ভিস বাংলাদেশের জিডিপিতে সার্ভিস ( সেবা) খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। ২০১৫ - ১৬ অর্থ - বছরে জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫৩.৩৯%, শিল্প খাতের অবদান ৩১.২৮% এবং কৃষি খাতের অবদান।
প্রাচীনকালে ' সমতট' বলতে বাংলাদেশের কোন অংশকে বুঝানো হতো ?
Correct Answer:
খ: কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল
Explanation:
প্রাচীনকালে ' সমতট' বলতে বাংলাদেশের কোন অংশকে বুঝানো হতো ? সঠিক উত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল প্রাচীনকালে 'সমতট ' বলতে - বাংলাদেশের কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলকে বোঝানো হতো। বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল বরেন্দ্র জনপদের অংশ ছিল। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল হরিকেল জনপদের অংশ।
কোন গাছের পাতা থেকে গাছ জন্মায়?
Correct Answer:
খ: পাথরকুঁচি
Explanation:
কোন গাছের পাতা থেকে গাছ জন্মায়? সঠিক উত্তর পাথরকুঁচি পাথরকুচি গাছের পাতা থেকে নতুন গাছ জন্মে। এটি পেটের পীড়ায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়
জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে কোন দিনটিকে স্বীকৃতি দেয় ?
Correct Answer:
গ: ৮ মার্চ
Explanation:
জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে কোন দিনটিকে স্বীকৃতি দেয় ? সঠিক উত্তর ৮ মার্চ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক নারী দিবস ৮ মার্চ দিনটিকে স্বীকৃতি দেয়। ১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক গ্লোবাল ফ্যামিলি দিবস। ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস।